স্বপ্ন সাহস নিয়ে আগামীর পথ চলো, জ্ঞানের আলোয় গড়বে জগৎ উচ্চ কন্ঠে বলো। জ্ঞানের আলোয় খুঁজি স্বপ্নের দ্বার, আগামীর দিন শুধু সম্ভাবনার,এই প্রতিপ্রাদ্যকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার সুপরিচিত সামাজিক সংগঠন জাগরণী ইসলামী তরুণ সংঘের পক্ষ থেকে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরো এস এস সি / দাখিল উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের কে সংর্বধনা প্রদান করা হয়েছে।
শনিবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ১১ ঘটিকার সময় সৈয়দা মোকাম মাদ্রাসার হলরুমে সংগঠনের সভাপতি এম কলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াব রায়হানের পরিচালনায় পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ব্যাংক কর্মকর্তা মোঃ শাহেদ আহমদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রাফাত আহমদ, জাগরণী ইসলামী তরুণ সংঘের উপদেষ্টা মাওলানা কবির হোসাইন, আব্দুল হামিদ তাজুল, আব্দুল লতিফ, তাহের আহমেদ, জুনেদ আহমেদ। কিশোরকন্ঠ পাঠক ফোরাম এর বড়লেখা উপজেলা সভাপতি তুফাজ্জল হোসাইন।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জাগরণী ইসলামী তরুণ সংঘের সহ-সভাপতি সাংবাদিক শাহরিয়ার শাকিল, অর্থ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ছাদিকুর রহমান প্রমুখ।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাগরণীর দপ্তর সম্পাদক রাহাত আহমেদ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আলী আব্বাস, প্রকাশনা সম্পাদক তায়েফ আহমেদ সহ উপস্থিত ছিলেন জাগরণীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দু।
অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দুগন সংগঠনের ভুয়সী প্রশংসা করে বলেন,শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড, শিক্ষাই জাতির অগ্রগতি, তাই সমাজের সকল তরুণদের কাছে শিক্ষার আলো পৌঁছিয়ে দিয়ে সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। পড়ালেখার পাশাপাশি নৈতিকতা ও মূল্যবোধ সৃষ্টি করতে হবে। পিতা মাতার প্রতি বেশি যত্নশীল হতে হবে, পড়াশোনার পাশাপাশি সামাজিক কাজে এগিয়ে আসতে হবে। কবির ভাষায় একটি কথা বলেন, থেমে নাকো পথে কভু, হও মহান মহীয়ান, মানুষ কে ভালোবেসে হদয়কে করো দান। পরিশেষে সকল শিক্ষার্থীদের সার্বঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করে অনুষ্ঠানে সমাপ্তি করা হয়েছে।
নিজস্ব সংবাদঃ আলোকিত ফাউন্ডেশন সোনাতুলা’র উদ্যোগে সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয় হলরুমে এস এস সি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের কৃতি সংবর্ধনা ২০২২ অনুষ্টিত।
উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবক।
নারীশিক্ষা একাডেমি ড্রিগ্রী কলেজের প্রিন্সিপাল ও সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষানুরাগী সদস্য জনাব এ কে এম হেলাল উদ্দিন সাহেব এর সভাপতিত্বে ও সাবেক ইউপি সদস্য ফয়ছল আলম স্বপন এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ০৬ নং বড়লেখা সদর ইউপি চেয়ারম্যান জনাব ছালেহ আহমদ জুয়েল , বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব সায়ফুর রহমান, ডাইরেক্টর সিটি ক্লিনিক বড়লেখা।
শিক্ষার্থীর হাতে ক্রেস্ট তুলে দিচ্ছেন অতিথিবৃন্দ।
উপস্থিত ছিলেন আলোকিত ফাউন্ডেশন সোনাতুলার উপদেষ্টা সাবেক ইউপি সদস্য জনাব মুতিউর রহমান, জনাব হাজী আতাউর রহমান, জনাব হাজী ইসরাইল আলী,জনাব আব্দুস সত্তার, জনাব আব্দুর রাজ্জাক, জনাব আব্দুল হাফিজ, উপদেষ্টা ও বড়ময়দান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব ডাঃ সজল সরকার, জনাব ডাঃ রিংকু চক্রবর্তী,উপদেষ্টা ও সোনাতুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মাষ্টার জামিল আহমদ,জনাব নিবারন সরকার, জনাব শামলাল বিশ্বাস,সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি জনাব আব্দুর রাজ্জাক, সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আব্দুল লতিফ, শিক্ষক শিক্ষিকা বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন আলোকিত ফাউন্ডেশন এর সদস্য জনাব জাহেদ আহমদ, প্রবাসী দাতা সদস্য আলা উদ্দিন, শামছুল ইসলাম, সদস্য জনাব শাকিল আহমদ, জনাব আব্দুল কুদ্দুস, জনাব আশরাফুল ইসলাম, জনব জেবুল আহমদ, জনাব জুনেদ আহমদ, জনাব আব্দুস সামাদ, জনাব কামাল হোসেন, জনাব আব্দুল্লাহ আহমদ, জনাব কাওসার হোসেন,জনাব জাবেদ আহমদ, মুন্না আহমদ, মুন্না হোসেন, উজ্জল সরকার, সাগর সরকার, সৌরব সরকার,জাকারিয়া আহমদ আবিদ, মারজান আহমদ, এমরান হোসেন, সুলতান আহমদ প্রমুখ
আয়াত নামের একটি মেয়ে ইপিজেড বন্দরটিলা এলাকা থেকে কাল বিকাল আনুমানিক ৪.৩০ এর সময় বাড়ির সামনে থেকে হারানো যায় । নাম : আয়াত পিতা : সোহেল ঠিকানা : ওয়াজ মুন্সির বাড়ি নয়ারহাট ,বন্দরটিলা,ইপিজেড, চট্টগ্রাম ( নয়ারহাট বিদ্যুৎ অফিস এর সামনে বাসা)
কেউ যদি কোন অনুসন্ধান পেয়ে থাকেন উক্ত ঠিকানায় অথবা নম্বর এ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হইলো।।যোগাযোগ:০১৮২৬৩৫৬১৫২/০১৮৫৫৫২৪২৫৬/01301049379
পড়ে আছে স্ত্রীর নিথর মরদেহ, রক্তমাখা ব্যাগ হাতে স্বামীর বিলাপ!
রক্তমাখা ব্যাগ হাতে স্বামী রবিউলের বিলাপ। পাশেই পরে আছে স্ত্রী ইভার নিথর দেহ। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার নিশ্চিন্তপুরে অজ্ঞাত লরির চাপায় স্বামীর সামনেই প্রাণ হারিয়েছেন স্ত্রী ইভা (২০)।এসময় মোটরসাইকেল চালক স্বামী রবিউল আহত হয়েছেন। ১৫ নভেম্বর বিকেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ইভা সেনানিবাস এলাকার ময়নামতি আকাবপুর গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকার নিশ্চিন্তপুরে উল্টো পথে আসা একটি মোটরসাইকেলকে অজ্ঞাত একটি লরি চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী ইভা মারা যান।
এছাড়া মোটরসাইকেল চালক স্বামী রবিউল আহত হন। তাদের ছোট একটি কন্যা সন্তান রয়েছে বলেও জানা যায়।
বড়লেখা প্রতিনিধিঃ “আইন মেনে সড়কে চলি, নিরাপদে ঘরে ফিরি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২২ উপলক্ষে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) বড়লেখা উপজেলা শাখার উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র্যালী ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১১ ঘটিকায় বড়লেখা পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক পদক্ষিন করে উপজেলা পরিষদ চত্তরে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে র্যালী শেষ হয়।
জাতীয় সামাজিক সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই নিসচা’র কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সদস্য ও বড়লেখা উপজেলা শাখার সভাপতি তাহমীদ ইশাদ রিপনের তত্বাবধানে এবং সাধারণ সম্পাদক আইনুল ইসলামের পরিচালনায় র্যালী ও সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বিবেকানন্দ দাস নান্টু, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহীদ-উল ইসলাম প্রিন্স, ডিএসপি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, নিসচার উপদেষ্টা ইকবাল হোসাইন, পৃষ্টপোষক তপন চৌধুরী, মোহাম্মদ তারেক হাসনাত, সহ-সভাপতি মার্জানুল ইসলাম, আব্দুল আজিজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম শিরুল, নোমান উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাস্টার খালেদ আহমদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, প্রকাশনা সম্পাদক মারুফ হোসাইন সুমন, প্রচার সম্পাদক নূরে আলম মোহন, দুর্ঘটনা অনুসন্ধান বিষয়ক সম্পাদক রমা কান্ত দাস, দপ্তর সম্পাদক রাসেল আহমদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অপুজিত দাস, একতা রক্তদান সংস্থা’র উপদেষ্টা ব্যবসায়ী জমির উদ্দিন, পাবলিকেশন সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক রুবেল হোসাইন, মানবসেবা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম শুভ।
এছাড়াও নিসচার কার্যনির্বাহী সদস্য সাব্বির আহমদ, হাফিজুর রহমান জিল্লুর, এনাম উদ্দিন, সাধারণ সদস্য গণেশ কর, অজিত রবি দাস, জুনেদ আহমদ, কবির আহমদ, আব্দুল হামিদ, মাহমুদ আলম তুহিন, সাইফুর রহমান মুন্নাসহ আরোও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সকল পর্যায়ের জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, আজ ২২ শে অক্টোবর যার মৃত্যুর মাধ্যমে এদেশে নিরাপদ সড়ক চাই নামে সামাজিক আন্দোলনের সূচনা নিসচার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের সহধর্মিণী জাহানার কাঞ্চন। তিনি সড়কে প্রাণ বিসর্জন দিয়ে আমাদের শিখিয়ে দিয়ে গেছেন যে, ‘সড়ক দুর্ঘটনা’ নিছক নিয়তি নয়। এটা মানবসৃষ্ট একটি ব্যাধি। এই ব্যাধি থেকে পরিত্রাণ পাবার জন্যই ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ নামে একটি সামাজিক আন্দোলনের জন্ম হয়েছে। পরবর্তীতে সাড়া দেশের মানুষের প্রাণের দাবীতে পরিণত হয়েছে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’। তাই সর্বোস্তরের জনগণের দাবীকে আমলে নিয়ে, বাংলাদেশ সরকার, জাহানারা কাঞ্চনের মৃত্যু দিন- ২২ শে অক্টোবর’কে ‘জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস’ হিসেবে ঘোষনা দিয়েছে কয়েক বছর আগেই।
জাতীয় সামাজিক সংগঠন নিসচার কার্যক্রম কারো বিরুদ্ধে নয়, এটা সামাজিক সংগঠন। সমাজের সকলকে নিয়ে নিসচা আন্দোলন করে যাচ্ছে। সকলের সহযোগিতা নিয়েই বাংলাদেশকে সড়ক দুর্ঘটনামুক্ত রাখতে নিসচা কর্মীরা অঙ্গীকারবন্ধ। এসময় তাঁরা সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর বিধিমালা বাস্তবায়নের জোর দাবী জানান।
তারা আরোও বলেন, নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখা সড়ক দুর্ঘটনারোধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক-মানবিক, স্বেচ্ছাসেবী, ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক অঙ্গণেও নিসচার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, এদিকে বেলা ১২ ঘটিকায় উপজেলা প্রশাসন ও নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখার যৌথ উদ্যোগে উপজেলা পরিষদের হলরুমে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাহাঙ্গীর হোসাইনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা সোয়েব আহমদ।
বাংলাদেশে সফররত মেক্সিকো সেনাবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল ইউফেমিও আলবার্তো ইবারা ফ্লোরস (General Eufemio Alberto Ibarra Flores) আজ সোমবার (১৩-১২-২০২১) সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, এসবিপি, ওএসপি, এনডিইউ, পিএসসি, পিএইচডি এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে তাঁরা পারস্পরিক কুশলাদি বিনিময় ছাড়াও দু’দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান সুসম্পর্ক ও ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রায় পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।
পরবর্তীতে সেনাসদর হেলমেট কনফারেন্স রুমে সকল পিএসও গনের উপস্থিতিতে সেনাবাহিনী প্রধান তাঁর স্বাগত বক্তব্য রাখেন, অতপর মেক্সিকো সেনাবাহিনীর কমান্ডারকে ব্রিফিং প্রদান করা হয়ু এরপরে মেক্সিকো সেনাবাহিনীর কমান্ডার তাঁর বক্তব্য পেশ করেন। সভায় দু’দেশের মধ্যকার সম্পর্ক ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্র সমূহ চিহ্নিত করা হয়। এই সাক্ষাতের মধ্যে দিয়ে মেক্সিকো এবং বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্কের নতুন দ্বার উন্মোচিত হলো।
এর আগে, সেনাবাহিনী প্রধানের সাথে সাক্ষাতের পূর্বে মেক্সিকো সেনাবাহিনীর কমান্ডার ঢাকা সেনানিবাসস্থ শিখা অনির্বাণে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শাহাদৎ বরণকারী বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর সেনাকুঞ্জে তাঁকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে।
উল্লেখ্য, জেনারেল ইউফেমিও আলবার্তো এর নেতৃত্বে ০৫ সদস্যের মেক্সিকান সেনাবাহিনীর একটি প্রতিনিধি দল ০৮ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে গত ১১ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখ ঢাকায় আগমন করেন। প্রতিনিধি দলটি বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমি এবং সিলেট সেনানিবাস পরিদর্শন করবেন। এছাড়াও বাংলাদেশে সফররত প্রতিনিধি দলটি মহান বিজয় দিবস প্যারেড ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন। সফর শেষে প্রতিনিধি দলটি আগামী ১৮ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখ মেক্সিকোতে প্রত্যাবর্তন করবেন।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডকে ২৪টি বোট উপহার দিয়েছে জাপান…
বাংলাদেশ ও জাপানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ৫০ পূর্তি উপলক্ষ্যে কোস্ট গার্ডের কার্যক্রমকে আরও বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাপানের উন্নয়ন সংস্থা জাইকার অর্থায়নে সর্বমোট ২৪টি বোট উপহার দেওয়া হয়েছে।
২৪টি বোটের মাঝে ৪টি (২০মিটার) তেল দূষণ নিয়ন্ত্রণকারী। কোস্ট গার্ডের বহরে প্রথমবারের মতো অত্যাধুনিক এসব বোট যুক্ত হচ্ছে। এই বোটগুলো ২৫ নটিক্যাল মাইল বেগে চলতে সক্ষম। বাকি ২০টি (১০ মিটার) বোট টহল ও উদ্ধার মিশনে ব্যবহৃত হবে। এর সর্বোচ্চ গতি ৩৫ নটিক্যাল মাইল।
কোস্ট গার্ডের ভূমিকার জন্য চট্রগ্রাম বন্দর এখন জলদস্যু মুক্ত। তাদেরকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গতকাল বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে জাহাজগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।
প্রথমবারের মতো আজ পরীক্ষামূলকভাবে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত চলেছে মেট্রোরেল। এর আগে মিরপুর ১০ নম্বর পর্যন্ত মোট ছয়টি স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেন চলাচল করেছে।
আজ সকাল পৌনে ১১টার দিকে প্রথমবারের মতো মেট্রোরেলটি আগারগাঁও পর্যন্ত আসে। ট্রেনটি ৪৫ মিনিট স্টেশনে দাড়িয়ে থাকে এবং পরবর্তীতে দিয়াবাড়ির উদ্দেশ্যে ফিরে যায়।
মেট্রোরেলটি উত্তরা নর্থ স্টেশন থেকে ঘন্টায় ১০০ কিঃমি গতিতে মিরপুর-১০ আসে। তারপর ১৫-২০ কিঃমি গতিতে আগারগাঁও স্টেশন পর্যন্ত এসে পৌছায়।
সবমিলিয়ে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দিয়াবাড়ি থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ট্রেন চলবে এবং আগামী বছর ১৬ ডিসেম্বর থেকে দিয়াবাড়ি থেকে আগারগাঁও অংশে যাত্রীবাহী ট্রেন চলবে।
বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর মধ্যে যৌথ প্রশিক্ষণ ও মহড়া Cooperation Afloat Readiness and Training (CARAT)- 2021 এর সমাপনী অনুষ্ঠান আজ বৃহস্পতিবার (০৯-১২-২০২১) চট্টগ্রামস্থ বানৌজা ঈসাখানে স্কুল অফ মেরিটাইম ওয়ারফেয়ার এন্ড ট্যাকটিকস (এসএমডব্লিউটি) এর মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সহকারী নৌপ্রধান (অপারেশন্স) রিয়ার এডমিরাল এম আশরাফুল হক এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত এইচ.ই. মিঃ আর্ল আর. মিলার (H.E. Mr Earl R. Miller) উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ, মহড়ায় অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজের অধিনায়কগণ ও আমন্ত্রিত অন্যান্য অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
যৌথ এ প্রশিক্ষণ ও মহড়ায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর মধ্যকার সর্ববৃহৎ যৌথ মহড়া। উক্ত মহড়ায় উভয় দেশের ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে Subject Matter Expert Exchange (SMEE) সহ প্রত্যক্ষভাবে সমুদ্র মহড়ায় অংশগ্রহণ করে। যৌথ এ প্রশিক্ষণ ও মহড়ার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সু-সম্পর্কের আরো উন্নতি হবে এবং Maritime Security -র বিষয়ে উভয় দেশের পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।
নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) এর বড়লেখা উপজেলা শাখার ৩৯ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে।
রবিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সামাজিক সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই নিসচা’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন, মহাসচিব সৈয়দ এহসানুল হক কামাল ২০২১- ২২ সালের জন্য নবগঠিত এই কমিটির অনুমোদন দেন। তাহমীদ ইশাদ রিপন কে সভাপতি ও আইনুল ইসলাম কে সাধারণ সম্পাদক করে উক্ত কমিটি অনুমোদন করা হয়।
অনুমোদনের কপি নিসচা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিসচা উপজেলার শাখার সভাপতি তাহমীদ ইশাদ রিপন, সহ সভাপতি মার্জানুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আইনুল ইসলামের হাতে তুলে দেন নিসচা কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নিসচা কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব সৈয়দ এহসানুল হক কামাল,কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক আসাদুর রহমান আসাদ, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম আজাদ হোসাইন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মিরাজুল মঈন জয় সহ প্রমূখ।
কমিটিতে স্থানপ্রাপ্তরা হলেন, সহ সভাপতি মার্জানুল ইসলাম ,আব্দুর রহমান ,আব্দুল আজিজ , সহ সাধারণ সম্পাদক নোমান উদ্দিন, সিরাজুল ইসলাম শিরুল,আমান হাসান, অর্থ সম্পাদক মাওলানা মাছুম আহমদ , সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ আহমদ ,দুর্ঘটনা অনুসন্ধান ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক রমা কান্ত দাস, অফিস সম্পাদক রাসেল আহমদ, প্রচার সম্পাদক নুরে আলম মোহন ,প্রকাশনা সম্পাদক মারুফ হোসাইন , আইন বিষয়ক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া , সমাজ কল্যাণ ও ক্রীড়া সম্পাদক কামরুল ইসলাম ,সাংস্কৃতিক সম্পাদক অপুজিত দাস, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক জাহানারা বেগম , যুব বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ বদরুল ইসলাম , কার্যকরী সদস্য কেফায়েত উল্লাহ, রাকিবুল হাসান, রোকসানা বেগম, রেদওয়ান আহমদ, সাব্বির আহমদ, হাফিজুর রহমান, মোঃ আছাদ উদ্দিন, ছারওয়ার আলম, ওলিউর রহমান, মোঃ দেলোয়ার, সুমন বৈদ্য, নিরঞ্জন দেবনাথ নিলু, মোঃ ছায়েদ হোসেন, রহিমা বেগম, জাহেদ আহমদ, এমদাদুল ইসলাম, রাসেল আহমদ মাছুম, আব্দুল মুমিন, আবু বকর৷
উল্লেখ্যঃ নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) বড়লেখা উপজেলা শাখার ২০২০ -২১ সালের আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করে ২০২১-২২ ও ২৩ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩৯ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিটি, ১১ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা কমিটি ও ১৫ সদস্য বিশিষ্ট পৃষ্ঠপোষক কমিটির পূর্ণাঙ্গ অনুমোদন প্রদান করা হয়।
মায়ের প্রচন্ড গলাব্যাথা। কোথায় মায়ের চিকিৎসা করাবেন এ নিয়ে চিন্তায় পড়েন যান বিয়ানীবাজার উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের রেজাউল করিম রাজু। বিভিন্ন মাধ্যমে বড়লেখা উপজেলার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক সঞ্জয় কান্তি শীল সঞ্জুর নামডাক শুনে তার কাছে যান। হোমিও চিকিৎসক সঞ্জু তাৎক্ষণিক রোগীকে দেখে জানান ‘ক্যান্সার’ হয়েছে। তিনি তা ভালো করতে পারবেন।ঘটনাটি গত বছরের ২ ডিসেম্বর। এরপর কয়েক দফায় ‘ক্যান্সার’ ভালো করার নামে ওই নারীর ছেলের থেকে ওষুধ দিয়ে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। কিন্তু ভালো হওয়া তো দূরের কথা দিন দিন রোগীর অবস্থা অবনতির দিকে। বিষয়টি নিয়ে ওই হোমিও চিকিৎসকের কাছে কথা বলতে গিয়ে দুর্ব্যবহারের শিকার হন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী রেজাউল করিম রাজুর।এ অবস্থায় প্রতিকার চেয়ে গত ৩১ জানুয়ারি বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদীপ বিশ্বাসের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগি দেন রোগীর ছেলে রেজাউল করিম রাজু। গত বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্মদীপ বিশ্বাসের গঠিত তদন্তদল অভিযোগটির তদন্ত করছেন।জানা গেছে, উপজেলার পানিধার এলাকায় নিজ বাড়িতে ঝর্নাময়ী হোমিও হল নামক ফার্মেসিতে চেম্বার খুলে দীর্ঘদিন বিভিন্ন অসুখের চিকিৎসা করছেন সঞ্জয় কান্তি শীল সঞ্জু। নামের সাথে হোমিওপ্যাথির নানা ডিগ্রি সংযুক্ত থাকলেও ব্যবস্থাপত্রে তিনি হোমিও ছাড়াও অ্যালোপ্যাথির উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক, আয়ুর্বেদিক, কবিরাজিসহ সবধরনের ওষুধ লেখেন। ক্যান্সারসহ কঠিন অসুখ ভালো করার নানা ধরনের প্রচারপত্র বিলি করে তিনি সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকৃষ্ট করে চিকিৎসার নামে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছেন বলে মানুষের অভিযোগ দীর্ঘদিনের।অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন মাধ্যমে হোমিও চিকিৎসক সঞ্জয় কান্তি শীল সঞ্জুর নামডাক শুনে পার্শ্ববর্তী বিয়ানীবাজার উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের রেজাউল করিম রাজু গত ২ ডিসেম্বর গলাব্যথায় আক্রান্ত অসুস্থ মা ছায়ারুন নেছাকে তার নিকট নিয়ে যান। সঞ্জু পরীক্ষা করে জানায়, ক্যান্সার হয়েছে এবং সে চিকিৎসা দিয়ে ভালো করতে পারবে। কয়েক দফা ওষুধ দিয়ে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। তার ওষুধে ওই নারীর শারীরিক অবস্থার ক্রমশ অবনতি ঘটতে থাকে। গত ২৬ জানুয়ারি রেজাউল করিম রেজা চিকিৎসকের চেম্বারে মায়ের শারীরিক অবস্থা জানাতে গেলে তিনি অকথ্য ভাষায় গালাগালা করে চেম্বার থেকে বের করে দেয়।রেজাউল করিম রেজা জানান, বিভিন্ন জনের মাধ্যমে তার সুনাম শুনে অসুস্থ মাকে চিকিৎসা করতে নিয়ে যান। ক্যান্সার হয়েছে জানিয়ে চিকিৎসার নামে সে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। তার ওষুধে মায়ের ক্রমশ অবনতি ঘটে। সর্বশেষ জানাতে গেলে মারাত্মক দুর্ব্যবহার করে চেম্বার থেকে বের করে দেয়। তার প্রতারণা ও অপচিকিৎসায় আমার মা এখন মৃত্যুমুখে। এখন বুঝতে পারছি তার চিকিৎসার সুনাম করা লোকগুলো তারই নিয়োজিত দালাল। অবশেষে তার অপচিকিৎসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।হোমিও চিকিৎসক সঞ্জয় কান্তি শীল সঞ্জু জানান, ওই রোগীর ছেলের সাথে ওষুধ কেনা নিয়ে একটু ঝামেলা হয়েছে। তিনি কোনো দুর্ব্যবহার করেননি।‘‘তবে ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসা করানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বক্তব্য না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান।’’বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদীপ বিশ্বাস বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বলেন, ‘অভিযোগটি তদন্তের জন্য হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. রামেন্দ্র সিংহকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছিলাম। বুধবার সকালে কমিটি তদন্ত সম্পন্ন করেছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশে কোনো মানুষই আর গৃহহীন থাকবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের গৃহহীনদের জন্য গৃহের ব্যবস্থা করছে।
রোববার মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের দুর্যোগ সহনীয় গৃহনির্মাণ প্রকল্পের আওতায় মৌলভীবাজারের বড়লেখায় নির্মাণাধীন ৫০টি পাকাঘর পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা জানান।
পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসজনিত মহামারিকালে সমগ্র বিশ্ব বিপর্যস্ত হলেও বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রম থেমে থাকেনি। এ সময় পরিবেশমন্ত্রী অসহায়, ভূমিহীন ও গৃহহীনদের পাশে সমাজের বিত্তবান মানুষদের দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
গৃহ নির্মাণকাজ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজারের ডিসি নাহিদ আহসান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সোয়েব আহমদ, বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. উবায়েদ উল্লাহ খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
হাজারো দুঃসংবাদের ভীড়ে একটি ভাল খবর। করোনা মহামারীতে দেশে যখন টালমাটাল অবস্থা, দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষজন যখন কাজ হারিয়ে দিশেহারা তখন তাদের পাশে আলোকবর্তিকা হয়ে পাশে দাড়িয়েছে মানবতার সংগঠন সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশন। করোনার শুরু থেকে আর্থিক সহায়তা, খাদ্যদ্রব্য ও জরুরী ঔষধ সরবরাহের পাশাপাশি নানাবিদ সাহায্য নিয়ে সব সময় মানুষের পাশে থেকেছে মৌলভীবাজার বড়লেখার সংগঠন অন্যতম জনপ্রিয় সংগঠন সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশন।
দেশে ধীরে ধীরে শীত জেকে বসতে শুরু করেছে, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে। কনকনে শীত আর শৈত্যপ্রবাহে দরিদ্ররা চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছেন। ঠিক এই সময়েই শীতার্ত অসহায় ও দুস্থ মানুষদের উষ্ণতা দিতে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে পাশে দাড়িয়েছেন কানাডা প্রবাসী সৈয়দ মেহেদী রাসেল। তার প্রতিষ্ঠিত ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আজ ইটাউরী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে শতাধিক দরিদ্র্য শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এছাড়াও পরবর্তী আরো বিভিন্ন ধাপে কম্বল, বাচ্চা ও বৃদ্ধদের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে।
ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবী কর্মীরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে শতাধিক সহায়হীনদেরকে কম্বল বিতরণ করেন। এছাড়া যারা আসতে পারেননি ও বয়স্কদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে কম্বল পৌছে দেন ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবী কর্মীরা।
ফাউন্ডেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম জাবরুলের সঞ্চালনায় এবং সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জাকারিয়ার সভাপতিত্বে নিজ বাহাদুরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ময়নুল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শীতার্ত মানুষের হাতে কম্বল তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নিজবাহাদুর পুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুস শুকুর, সাধারন সম্পাদক খায়রুল আলম, ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা সৈয়দ আব্দুল রহিম উনু, ইটাউরী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ওয়াহিদুল হক এপলু, উপজেলা যুবলীগের সদস্য সৈয়দ জিল্লুর রহমান, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আব্দুল করিম, সাধারন সম্পাদক বদরুল আলম উজ্জল, ইউপি সদস্য সাজু আহমদ।
আরো উপস্থিত ছিলেন, সৈয়দ সাইদুল রহমান সাহেল, আব্দুল জলিল ছটন, ফয়জুল রহমান বেলাই, আব্দুল হামিদ, মৌও: নুর উদ্দিন, সুমন আহমদ, নাজিম উদ্দিন প্রমূখ।
ফাউন্ডেশনের চেযারপারসন সৈয়দ মেহেদী রাসেল বলেন, সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করছি। দেশে এখন তীব্র শীত, এই সময়ে দুস্থ শীতার্তদের পাশে আমাদের সকলের পাশে থাকা উচিত। আমরা প্রথম ধাপে শতাধিক কম্বল বিতরণ করেছি, শীঘ্রই আমরা আরো কম্বল এবং শীতবস্ত্র করবো। মানুষের পাশে থাকার এই প্রয়াসে আপনাদের সকলের সহযোগীতা চাই।
সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ আব্দুল হাকিম, মাওঃ ক্বারী আব্দুস সামাদ, সৈয়দ শাকারিয়া, সৈয়দ এমরানুল হক, সৈয়দ আব্দুল বারী প্রমূখ।
মৌলভী বাজারের বড়লেখা উপজেলার পরগনাহী দৌলতপুর সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার সহকারী জুনিয়র শিক্ষক মোঃ আলাউদ্দিন খাঁনের দীর্ঘ ৩১ বছরের শিক্ষকতা জীবনের অবসর জনিত ভার্চুয়াল বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্টিত হয়।
গতকাল (২৫ শে নভেম্বর) শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮ থেকে ১০.৩০মিনিট পর্যন্ত লন্ডন থেকে প্রাক্তন ছাত্র আবু নোমান ও মাদ্রাসার আজীবনদাতা সদস্য সাংবাদিক কাজী রমিজ উদ্দীনের সঞ্চালনায় প্রাক্তন ছাত্র সাংবাদিক মোঃ ইবাদুর রহমান জাকিরের কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে কাতার থেকে হাফিজ মাওলানা দেলওয়ার হোসেন পরিবেশনায় দৌলতপুর ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি, মাদ্রাসা আজীবন দাতা সদস্য মোঃ নাজমুল হক টুনু সাহেবের সভাপতিত্বে বিদায়ী শিক্ষক মোঃ আলাউদ্দীন খান সাহেবের ৩১ বছরের নানান স্মৃতি নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন সাবেক প্রধান শিক্ষক,আজীবন দাতা সদস্য মাওঃ আব্দুস ছবুর, তিনি বলেন একজন আর্দশ শিক্ষকের যে সব গুনাবলি থাকা দরকার ১. সবসময় প্রস্তুত থাকেন ২. সবসময় পড়াশোনার মধ্যে থাকেন ৩. সব ধরনের পরিবেশের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেন ৪. ছাত্রছাত্রীদের সত্যের পথে চালিয়ে যান ৫. ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহ দিয়ে থাকেন ৬. ছাত্রছাত্রীদের সাথে আত্মিক বন্ধন তৈরি করেন ৭. আনন্দের সাথে পড়িয়ে থাকেন ।এই সব গুনাবলি মাষ্টার আলা উদ্দির খাঁন সাহেবের ছিলো, এ ছাড়া আরো অংশ গ্রহন করেন মাদ্রাসাে প্রাক্তন শিক্ষক মাওঃ লিয়াকত হোসেন, বড়লেখা আইডিয়াল সোসাইটির সভাপতি ও সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুস সালাম, দৌলতপুর ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সেক্রেটারী আব্দুল গফুর মফিক, আরবী প্রভাষক মাওঃ আব্দুল কাদির, আলোকিত বড়লেখার সেক্রেটারী লন্ডন প্রবাসী জয়নাল আবেদীন, মাদ্রাসার ইবতেদায়ী প্রধান মাওঃ হারুনুর রশীদ, মাদ্রাসার গর্ভনিং বডির সদস্য এমরানুল হক (বাবু), উত্তর শাহবাজপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোঃ সাইফুল্লাহ, জুনিয়র শিক্ষক ফয়জুল হক, প্রাক্তন ছাত্র আজীবনদাতা সদস্য, মাওঃ হাবিবুল করিম, লন্ডন প্রবাসী ও মাদ্রাসার আজিবন দাতা সদস্য ফেরদৌস আহমদ, ফ্রান্স প্রবাসী তারেক আহমদ, আমেরিকা প্রবাসী সালা উদ্দীন শাহিন, হোসাইন আহমদ ও তোফায়েল আহমদ, লন্ডন প্রবাসী জিয়াউর রহমান জিয়া, ফয়সল আহমদ রাসেল ও জাহেদ আহমদ,মাদ্রাসার অতিরিক্ত শিক্ষক মাওঃ কমর উদ্দিন (বাদশা), বীমা কর্মকর্তা মোঃ মোস্তাক আহমদ, লন্ডন প্রবাসী মোঃরুহেল আহমদ,লন্ডন প্রবাসী মোঃজামিল আহমদ, লন্ডন প্রবাসী আব্দুল কাদির ও মোঃ সামসুদ্দোহা মনজু প্রমূখ। এছাড়া মাদ্রাসা অফিস কক্ষে প্রজেক্টর মাধ্যমে ভার্চুয়াল অনুষ্টানে উপস্হিত ছিলেন সাংবাদিক আশফাক আহমদ জুনেদ, জুনিয়র শিক্ষক মাওলান জাহিদ আহমদ, প্রাক্তন ছাত্র জুবায়ের আহমদ, শিক্ষক ক্বারী ছফির উদ্দীন, ময়নুল ইসলাম সহ আরো অনেকে। দেশ বিদেশ থেকে প্রায় ১৫০ জন প্রাক্তন ছাত্রের ভার্চুয়াল উপস্হিতে বিদায়ী শিক্ষক মোঃআলাউদ্দীন খান সাহেব কে ক্রেস্ট তুলে দেন মাদ্রাসার অফিস কক্ষে উপস্থিতি অতিথিবৃন্দ।
গত ২০ ডিসেম্বর রাতে ডঃ মাওলানা এনায়েত উল্লাহ আব্বাসী শাহরিয়ার কবিরের টকশোটি সরাসরি দেখতে পারিনি । একটু দেরীতে বাসায় ফিরে দেখেছি । ধন্যবাদ ও অভিনন্দন ড: আব্বাসী সাহেব । আল্লাহ আপনার ইলম ও হিকমাহর উপর বরকত দান করুন ।
দু জনের বক্তব্যে শাহরিয়ার কবীরকে দ্বিধাগ্রস্থ ও অপ্রস্তুত মনে হয়েছে । শাহরিয়ার বরাবরের মতোই কিছু বহু চর্চিত শব্দের মধ্যে ঘুরপাক খেয়েছেন এবং তাঁর বক্তব্যে সস্তা সেনসেসন তৈরীর জন্য বঙ্গবন্ধু , ৭১ মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের সংবিধান এবং সেক্যুলার রাষ্ট্রের ধারনা টেনে এনে তাঁর নিজের নিয়ন্ত্রন আনবার ব্যর্থ চেষ্ঠা করেছেন। মি: শাহরিয়ার আলেম উলামাদের নাম উচ্চারণ করতেও সব্যতা দেখায়নি।মামুনুল হকের বাবা আজিজুল হক, আহমদ শফি , মোল্লা এসব সম্বোধন তাচ্ছিল্য পূর্ণ ভাবে করেছেন । এটা তার চিরাচরিত চৈরিত্র বৈশিষ্ট এবং ড: আব্বাসীকে উত্তেজিত করার অপকৌশল ছিল মাত্র । আব্বাসী সাহেব তার এই অপকৌশলকে গোড়াতেই বুঝতে পেরেছেন এবং আগাগোড়াই ছিলেন শান্ত , প্রানবন্ত এবং বক্তব্যের মূল কেন্দ্রীয় পয়েন্টের উপর স্থির ও চলমান।
শাহরিয়ার কবির প্রসংগকে কেন্দ্রীয় আলোচনা থেকে সরিয়ে তুচ্ছ বিতর্ক তৈরীর চেষ্ঠা করেছেন কিন্তু আব্বাসী সাহেব বরাবরই তথ্যভিত্তিক এবং একাডেমিক আলোচনা করে অতি সুনিপূণভাবে ধর্ম নিরপেক্ষতার অসারতা এবং এটি যে ক্লাস অফ সিভিলাইজেসনের যুদ্ধে ইসলামের রাজনৈতিক উত্থানকে ঠেকাবার পুজিবাদী হাতিয়ার সেটি সাব্যস্ত করে স্পষ্ঠ বলে দিয়েছেন এটি একটি হাইপোথেটিক্যাল ধারনা , যার বাস্তবায়ন পৃথিবীতে একটিও নেই । তিনি বিপরীতে খেলাফত রাষ্ট্র ব্যবস্থার ব্যাপকতা ও অবশ্যম্ভাবিতা বেশ যুৎসইভাবে তুলে ধরেছেন ।
উল্লেখযোগ্যভাবে তিনি মি: শাহরিয়ার কবীরকে তার বঙ্গবন্ধুর দেয়া ধর্ম নিরপেক্ষতার মূলনীতিকে, যা প্রতিষ্ঠিত কোন সংজ্ঞায় মিলেনা বা পৃথিবীর কোন রাষ্ট্রেই নেই এর নাম পরিবর্তন করার প্রস্তাবটিও দারুন যৌক্তিক ভাবে উত্থাপন করেছেন । তিনি শাহরিয়ার কবীরকে বেশ ক’টি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বিম্বিষায় পাঠিয়ে দিয়ে কাদিয়ানী এবং খেলাফত ইস্যুতে তাকে বলেছেন ‘আপনি জানেন না’ । কবীর এই চ্যালেন্জ নিতে পারেন নি । মাওলানা মওদুদী,জামাত সাঈদী ইত্যাদি ইস্যুতেও তিনি কৌশলে শাহরিয়ার কবিরকে উঠে দাঁড়াতে দেন নি ।
পরিশেষে মি: শাহরিয়ার ইসলাম ও খেলাফত নিয়ে কাজ করা এবং এর প্রতিষ্ঠার দাবী উত্থাপনকে নাগরিক ও সাংবিধানিক অধিকার হিসেবে মেনে নিতে বাধ্য হয়েছেন । পুরো সময়ে শাহরিয়ারের অসহায়ত্ব দৃশ্যমান ছিল এবং শেষদিকে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে চলে যেতেও ইচ্ছা ব্যাক্ত করেছেন ।
আব্বাসী সাহেব শুরু থেকেই তাঁর বক্তব্যকে মূল পয়েন্টে কেন্দ্রীভূত রেখেছেন এবং ইসলাম এবং খেলাফত দুনিয়াতে আছে এবং অচিরেই আসবে বলে বক্তব্য সমাপ্ত করেছেন । আজকের এই টকশোটি স্মরনীয় হয়ে থাকবে ।
লেখক ঃ অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল কাদির সালেহ আন্তর্জাতিক সম্পাদক, হেফাজতে ইসলাম ও যুগ্ম মহাসচিব খেলাফত মজলিস।
সোনাতুলা ইসলামী সমাজ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে নিজ গ্রামের প্রবাসীদের নিয়ে গঠিত প্রবাসী সমাজ কল্যাণ সংস্থা,সোনাতুলা’র সদস্য ও দায়িত্বশীলদেরকে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
সোনাতুলা ইসলামী সমাজ কল্যাণ পরিষদের শুভাকাংখী বড়লেখা বাজারের বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী রূপসাগরের সত্বধিকারী জনাব জুবের আহমদের বাড়িতে বুধবার (১৬/১২/২০২০ইং) সন্ধ্যা ৭.০০ ঘটিকায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্টিত হয়।
প্রবাসী সমাজ কল্যাণ সংস্থার সভাপতি হাফিজ জয়নাল আবেদিনের সভাপতিত্বে ও সাইফুল ইসলাম নয়নের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন বড়লেখা মোহাম্মদিয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা নিজাম উদ্দিন।
অন্যান্যদের মধ্যে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সোনাতুলা ইসলামী সমাজ কল্যাণের সক্রেটারী, সায়ফুল ইসলাম(নয়ন), সহ-সক্রেটারী,ছাব্বির আহমদ, কোষাধক্ষ্য আছার উদ্দিন, এবং প্রবাসি সমাজ কল্যাণের পক্ষ বক্তব্য রাখেন সংস্থার সহ-সভাপতি আব্দুল হামিদ আন্তর্জাতিক বিষযক সম্পাদক সাহেদ আহমদ, প্রমুখ। প্রবাসীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ছাব্বির হোসেন, হাসান আহমদ, মাসুম আহমদ, সমছ উদ্দিন, এলাইছ মিয়া, সুনাম উদ্দিন, খয়রুল হোসেন, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। এছাড়াও সোনাতুলা ইসলামি সমাজ কল্যাণ পরিষদের অন্যান্য দায়িত্বশীলরাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রবাসী সমাজ কল্যাণ সংস্থার বক্তারা সোনাতুলা এলাকায় বিগত দিনে বাস্তবায়ন করা বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড ও বর্তমানে হাতে থাকা বিভিন্ন কাজের পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পরগনাহী দৌলতপুর আলিম মাদ্রাসায় ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে মাদ্রাসা হলরুমে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ মিছবাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার শিক্ষক আব্দুল মালিক, আলাউদ্দিন, আশিকুর রহমান প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন আজীবন দাতা সদস্য মাওলানা আব্দুস ছবুর। এসময় শহীদ হওয়া বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং পরে তাদের রুহের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ মিছবাহ উদ্দিন। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। পৃথিবীর ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাঙালি বুদ্ধিজীবী নিধন বাংলাদেশের ইতিহাসে নৃশংসতম ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ। জাতি যখন বিজয়ের খুব কাছে সেই সময় পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগিতায় রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনী দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ধরে ধরে হত্যা করে। ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড চালায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। বাঙালি শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, আইনজীবী, শিল্পী, দার্শনিক ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদগণ এই সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞের শিকার হন।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা’র সর্বপ্রথম রক্তদানকারী ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন বড়লেখা মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্টিত হয়।
সামাজিক ও আত্ব মানবিক কাজ গতিশীল করার লক্ষ্যে সংগঠনের স্থায়ী পরিষদের নির্দেশনার আলোকে (১২ডিসেম্বর) শনিবার বিকেলে মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উপজেলা কার্যালয়ে সংগঠনের সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলামের সঞ্চালনায় দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্টিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগম হাছনা, ফাউন্ডেশনের স্থায়ী পরিষদের মহাসচিব কামাল হোসেন, স্থায়ী পরিষদের সদস্য বেলাল আহমদ, রিফাত আহমদ।
প্রধান অতিথি রেহানা বেগম (হাসনা) বলেন আর্ত্ব মানবতার কাজে মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন উপজেলার মধ্যে এগিয়ে আছে, ২০১২ সালের ১৮ই ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা পর থেকে দেশে-বিদেশে হাজারো ব্যাগ রক্তদানসহ ভিন্ন দূর্যোগ কালীন সময়ে রমজানে ঈদে খাদ্য সামগ্রীয় ও ঈদ বস্ত্র বিতরণ করে আসছে এই ফাউন্ডেশন আমরা দেখতেছি, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান সৌদিআরব প্রবাসী মোঃগুলজার হোসেন হাসান, প্রতিষ্টাকালিন সদস্য মোঃতাজুল ইসলাম,মোঃহিফজুর রহমান,আহমেদ জেবলু,রায়হান আহমদ প্রমুখ এদের অবদানে আজ এই পর্যন্ত।
পরে সংগঠনের উপদেষ্টা ও উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগম (হাছনা) নব নির্বাচীত কার্যকরি-কমিটির নাম ঘোষণা করেন।
সভাপতি পূর্নঃনির্বাচিত মোঃ আব্দুর রহমান,সিনিয়র সহঃ সভাপতি মুমিনুর রশিদ (মুন্না), সহঃ সভাপতি শিমুল চৌধুরী, মিছবাহ উদ্দিন মাছুম, শ্রীঃ নিক্কন দে, সাধারণ সম্পাদক পূর্নঃনির্বাচিত কামরুল ইসলাম, সহঃ সাধারণ সম্পাদক শিপলু আহমদ, কাওসার আহমদ, মাহমুদুল হাসান (জুয়েল), নাহিদ আহমদ রিমন, সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফ আল মামুন, সহঃ সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ এবাদ , রাসেল আহমদ, নজমুল ইসলাম,সাদিকুর রহমান (ফাহিম), প্রচার সম্পাদক নাছির আহমদ, সহঃ প্রচার সম্পাদক ময়নুল ইসলাম ১, তানভীর আহমদ, শাহরিয়ার শাকিব, অর্থ সম্পাদক মোহাম্মেদ আলী, সহঃ অর্থ সম্পাদক লিটন আহমদ, জাবেদ আহমদ, অফিস বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মুহিত,সহঃ অফিস বিষয়ক সম্পাদক শামীম আহমদ, শাহরান সাকিব, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রেদওয়ান আহমদ, সহ তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক জামিল হোসেন, ত্রাণ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক, জুয়েল আহমদ সহ ত্রাণ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক রাজু কাপালী, ক্রীড়া সম্পাদক ময়নুল ইসলাম ২, সহঃ ক্রীড়া সম্পাদক আলতাফ হোসেন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক কাওসার আহমদ ২, সহঃ সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন (দুলাল), সহঃ শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মামুন আহমদ, রক্ত বিষয়ক সম্পাদক পারভেজ মাসুদ, সহ রক্ত বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার (শান্ত), আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক জায়েদ আরমান, সহ আন্তজার্তিক বিষয়ক সম্পাদক অলিউর রহমান বশর, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক বেলাল আহমদ , সহঃ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক নাহিদ আহমদ ২, সদস্য জামিল আহমদ, বিজিত দাস, অপু আহমদ, বেলাল আহমদ ২, আব্দুল্লাহ হোসেন, ইমুরুল হোসেন, রাজীব কপালী, মিছবাউর রহমান তুহিন, সুমন আহমদ, শিমুল মাহমুদ, নাজমুল ইসলাম সহ প্রমুখ।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলন রোববার (৬ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি এম নাসের রহসান।
সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদে পুনরায় আব্দুল হাফিজ, সাধারণ সম্পাদক পদে মুজিবুর রহমান খছরু ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে অধ্যাপক আব্দুস শহীদ খাঁনের নাম ঘোষণা করা হয়।
শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু।
সম্মেলন উদ্বোধন করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি এম নাসের রহসান।
সাবেক কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান খছরু ও সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস শহীদ খানের যৌথ সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহঃসভাপতি ফয়জুল করিম ময়ুন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান (ভিপি মিজান), সহ সভাপতি এমএ মুকিত, সহ সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন মাতুক, যুগ্ম সম্পাদক ফখরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মতিন বখত, প্রচার সম্পাদক ইদ্রিস আলী, সহ সাধারণ সম্পাদক মুহিতুর রহমান হেলাল, মাহমুদুর রহমান, জেলা যুবদলের সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক জিএম মোক্তাদির রাজু, বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাফিজ, পৌর বিএনপির সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল, জুড়ী উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান চুনু, বড়লেখা উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান রাহেনা বেগম হাছনা, উপজেলা যুবদলের পক্ষে সাইফুল ইসলাম খোকন, আব্দুল কাদির পলাশ ও এসএম শরীফুল ইসলাম বাবলু, স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষে রায়হান মোহাম্মদ মুজিব, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি হাজী সেলিম, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদলের আহব্বায়ক ফয়ছল আহমদ প্রমুখ।
এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাধারণ সম্পাদক বক্তব্য রাখেন।
প্রসঙ্গত, সর্বশেষ ২০১৬ সালে উপজেলা বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই সম্মেলনে দলের নেতাকর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে আব্দুল হাফিজকে সভাপতি, মুজিবুর রহমান খছরু সাধারণ সম্পাদক ও অধ্যাপক আব্দুস শহীদ খান সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।
মৌলভী বাজারের বড়লেখায় নির্বাচন কমিশনের বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র গৃহীত হওয়ার পরই গণসংযোগ শুরু করেছেন পৌর নাগরিক মনোনিত স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মোঃ সাইদুল ইসলাম।
৩ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই করেন নির্বাচনের রিটার্ণিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন ।
মনোনয়নপত্র গৃহীত হওয়ার ঘোষণা শুনেই এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের ও ব্যবসায়ী,ক্রিড়ামদী ও সাধারণ ভোটারের সাথে গণসংযোগ শুরু করেন। ৪ (ডিসেম্বর) পৌরসভার ভিন্ন ফুটবল ক্রিকেট ক্লাবের খেলওয়াড় বৃন্দের সাথে দেখা করেন।
ভাস্কর্য স্থাপনের ইসলাম বিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহবান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডাঃ শফিকুর রহমান ৩ ডিসেম্বর ২০২০ এক বিবৃতি প্রদান করেছেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ একটি মুসলিম রাষ্ট্র। সাংবিধানিকভাবে এ দেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। দেশের ধর্মপপ্রাণ মানুষ যুগযুগ ধরে ইসলামী মূল্যবোধের আলোকে নিজেদের জীবন পরিচালনার চেষ্টা করে আসছে। আমরা লক্ষ্য করছি, সাম্প্রতিককালে মূর্তি নির্মাণ নিয়ে ইসলামী আদর্শ ও শরীয়াহ বিরোধী এক অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্কের অবতারণা করা হয়েছে। কারো কারো পক্ষ থেকে ভাস্কর্য ও মূর্তি এক নয় বলে দেশব্যাপী ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমগণ স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, মূর্তি ও ভাস্কর্য একই। ভাস্কর্য ও মূর্তি নির্মাণ করা ইসলামে নিষিদ্ধ। কোনো প্রাণীর মূর্তি বা ভাস্কর্য তৈরি করা ইসলামে শিরক বলে গণ্য করা হয়েছে। যারা এটাকে শিল্প বলে যুক্তি দিচ্ছেন তারা যদি কুরআন হাদীস থেকে এর সপক্ষে কোনো স্পষ্ট প্রমাণ পেশ করতে পারেন তাহলে জনমনে কোনো প্রশ্ন থাকবেনা। এটা তাদের পক্ষে কিছুতেই সম্ভব হবেনা। কিছু লোক আল্লাহর ঘর বায়তুল্লাহকে ভাস্কর্য বলেছেন। নির্বোধ ব্যক্তিদের এটা বাড়াবাড়ি। কোনো কোনো ব্যক্তি ভাস্কর্যের পক্ষে তাদের অবস্থান ব্যক্ত করতে গিয়ে অতীতের কিছু উদাহারণ টানেন। আমাদের বক্তব্য হচ্ছে এটা সর্বাবস্থায় পরিত্যাজ্য এবং হারাম। অন্য ধর্মাবলম্বীগণ তাদের ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে উপাসনালয়ে কিংবা নিজ নিজ স্থাপনায় মূর্তি সংরক্ষণ করলে তাতে কারো আপত্তি থাকার কথা নয়। কিন্তু উন্মুক্ত স্থানে মূর্তি বা ভাস্কর্য স্থাপনের কোনো অনুমতি ইসলাম দেয়নি। কেউ কেউ মূর্তি ও ভাস্কর্য নির্মাণকে বৈধ করার এবং এ ব্যাপারে যুক্তি তুলে ধরার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন যা মুসলিম জাতির জন্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আমরা সুস্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে কোনো প্রাণীর মূর্তি নির্মাণ করা কবিরা গুনাহ ও হারাম। মূর্তি সংগ্রহ, মূর্তি নির্মাণ, এবং মূর্তির বেঁচাকেনা ইসলামে কঠিনভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘‘এবং তারা বলেছিল, তোমরা কখনো পরিত্যাগ করো না তোমাদের উপাস্যদেরকে এবং কখনো পরিত্যাগ করো না ওয়াদ্দ, সুওয়া, ইয়াগূছ, ইয়াঊক ও নাসরকে। অথচ তারা অনেককে পথভ্রষ্ট করেছে” (সূরা নূহ আয়াত ২৩-২৪)।
এই আয়াতে উল্লিখিত মূর্তিগুলো সম্পর্কে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা:) বলেন, ‘এগুলো হচ্ছে নূহ (আ:) এর সম্প্রদায়ের কিছু পূণ্যবান লোকের নাম। তারা যখন মৃত্যুবরণ করেছে তখন শয়তান তাদের সম্পদায়কে এই কুমন্ত্রণা দিয়েছে যে, তাদের স্মৃতি বিজড়িত স্থানগুলোতে মূর্তি স্থাপন করা হোক এবং তাদের নামে সেগুলোকে নামকরণ করা হোক। লোকেরা এমনই করল। ওই প্রজন্ম যদিও এই সব মূর্তির পুজা করেনি কিন্তু ধীরে ধীরে প্রকৃত বিষয় অস্পষ্ট হয়ে গেল এবং পরবর্তী প্রজন্ম তাদের পূজায় লিপ্ত হলো। (সহীহ বুখারী হাদীস নং: ৪৯২০)।
কুরআন হাদীসের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় মূর্তি বা ভাস্কর্য নির্মাণ বা স্থাপনের কোনো অনুমতি ইসলাম দেয়নি। মূর্তি বা ভাস্কর্য এক নয় মর্মে যারা বিতর্ক সৃষ্টি করছেন তারা অত্যন্ত গর্হিত কাজ করছেন। আপামর জনগণের ঈমানী চেতনার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মধ্যেই কল্যাণ। আমরা ভাস্কর্যের নামে মূর্তি নির্মাণ করার মত ইসলাম বিরোধী এই কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি আহবান জানাচ্ছি”।
বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ’র মুহতারাম সভাপতি আল্লামা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী বলেন, দেশে ভাস্কর্য নির্মাণ নিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হচ্ছে। নানাভাবে আলিম-উলামার প্রতি বিষোদগার করা হচ্ছে। যা মোটেই কাম্য নয়। এদেশ সংখ্যাগরিষ্ট মুসলমানের দেশ, মসজিদের দেশ। এখানে রাস্তার মোড়ে বা প্রতিষ্ঠানে কোনো ব্যক্তি বা প্রাণীর ভাস্কর্য তৈরি করে মুসলমানদের অনুভূতির মূলে আঘাত হানার অধিকার কারো নেই। কোনো ব্যক্তি বা প্রাণীর ভাস্কর্য তৈরি করা ইসলাম সমর্থন করে না। তাই এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে হবে। বর্তমান বিশ্ব অত্যন্ত ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। করোনা মহামারিতে বিশ্ব আজ অসহায়। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের আল্লাহর প্রতি মনোনিবেশ করতে হবে। আল্লাহর অসন্তুষ্টি ও গযবের কারণ হয় এমন আচরণ ও সিদ্ধান্ত থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে। দেশের পরিস্থিতি উত্তপ্তের পক্ষে আমরা নই। তবে ঈমান-আকীদার প্রশ্নে আমরা আপোসহীন। তাই ইসলাম বিরোধী কোনো কার্যক্রম পরিচালনা না করার জন্য আমরা সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি। আল্লামা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী আজ বৃহস্পতিবার (০৩.১২.২০২০) বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ’র কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। সংগঠনের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা একেএম মনোওর আলী’র পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এতে সংগঠনের কার্যকরী পরিষদের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মৌলভী বাজারের ড়লেখায় আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ৩ মেয়র প্রার্থীরই মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। ৩ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে যাচাই-বাছাই শেষে মৌলভীবাজার জেলা নির্বাচন ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা দেন।
মনোনয়ন বৈধ ঘোষিত মেয়র প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামী লীগের মনোনীত বর্তমান মেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী, বিএনপি মনোনীত আনোয়ারুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সাইদুল ইসলাম।
রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন জানান, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইকালে কোনো ত্রুটি না থাকায় ৩ মেয়র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, প্রথম ধাপে আগামী ২৮ ডিসেম্বর ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে বড়লেখা পৌরসভার ভোট গ্রহণ করা হবে। নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন আগামী ১০ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ১১ ডিসেম্বর। বড়লেখা পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে মোট ১৫ হাজার ৪৪৩ জন ভোটার আছেন।
এম. এম আতিকুর রহমান ঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নারী শিক্ষা একাডেমি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হারুন -উর-রশীদ ও সিদ্দেক আলী উচ্চ বিদ্যালয় এর সাবেক সিনিয়র শিক্ষিকা লাইলি বেগম এর একমাত্র পুত্র মোঃ রাফিকুল ইসলাম এর ইউকে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীর সনদ লাভ করে তালিকাভুক্ত হয়েছেন।
লন্ডনস্থ সলিসিটর রেগুলেশন অথরিটির প্রধান পল ফিলিপ স্বাক্ষরিত এক সনদে সম্প্রতি তাঁকে ইউকে হাই কোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে প্রেকটিস করার অনুমতি প্রদান করেছেন।
বড়লেখার এ কৃতি সন্তান ইউকে’র মানচেস্টারস্থ সালফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে এল এল বি অনার্স এবং বার্মিংহামস্থ অয়ালবারহামটন ইউনিভার্সিটি থেকে এলপিসি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। উল্লেখ্য যে, ২০০৬ সালে বড়লেখা পিসি সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ২০০৮ সালে সিলেট জালালাবাদ কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ২০১০ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ আর্মী হতে অফিসার ট্রেনিং সম্পন্ন করেন। মোঃ রাফিকুল ইসলাম রাফি পেশাগত জীবনে সফলতার জন্য সকলের দোয়া কামনা করেছেন।
ফয়সাল মাহমুদ, বড়লেখাঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখায় লাইসেন্স ও মূল্য তালিকা না থাকায় দুই মাংসের দোকানকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
নোংরা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মাংস বিক্রি, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার প্রত্যয়ন এবং লাইসেন্স না থাকা সহ বিভিন্ন অনিয়মের কারণে ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ করতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সোমবার (৩০ নভেম্বর) সকালে উপজেলার রতুলী বাজারের মাংসের দোকানে এই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত লায়লা নীরা।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২টি পৃথক মামলায় ৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড আদায় করা হয়। এসময় লাইসেন্স না থাকায় ও মাংস মূল্য তালিকা না টাঙানোর অপরাধে শাহজালাল মাংসের দোকানকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা একই সঙ্গে মূল্য তালিকা না টাঙানোর অপরাধে মামু ভাগ্না মাংসের দোকানকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করে বড়লেখা থানা পুলিশ।
আসন্ন বড়লেখা নির্বাচনের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসাবে প্রতিটা ওয়ার্ড থেকে একাধিক ছাত্রলীগ ছাত্রদলের সাবেক এবং বর্তমান তরুন নেতা কর্মিদের হয়তো কাউন্সিলর নির্বাচনে মাঠে দেখা মিলতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে এবারের তারুণ্য নির্ভর সম্ভাবনাময় একাধিক ছাত্র সংগঠনের নেতা কর্মী কাউন্সিলর পদপ্রার্থী থাকায় তারুণদের মধ্য বইছে নির্বাচনী প্রচারণার নানান গুঞ্জন।
আব্দুল আব্দুল হাফিজ ললন ৫নং ওয়ার্ডের দুই বারের জনপ্রিয় (বর্তমান কাউন্সিলর)। এলাকায় রয়েছে বেশ জনপ্রিয়তা। সাবেক বড়লেখা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি। বর্তমান মৌলভীবাজার জেলা যুবদলের সহ সভাপতি। সকল নির্বাচনী প্রস্তুতি শেষ থাকছেন মাঠে। নাহিদ আহমদ চৌধুরী সাবেক মদন মোহন কলেজ ছাত্রদল নেতা। বর্তমান মৌলভীবাজার জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ সভাপতি। সাবেক কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ৬নং ওয়ার্ড, এবারে রয়েছে নির্বাচন করা না করা নিয়ে নানান গুঞ্জন শেষ পর্যন্ত কি মাঠে থাকবেন। এলাকায় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক পর্যায়ে তার রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। তানিমুল ইসলাম তানিম বড়লেখা উপজেলা ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক সভাপতি। নির্বাচনী মাঠে ভোট যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামছেন আলোড়ন সৃষ্টি করে।নির্বাচন করবেন ৯নং ওয়ার্ডে। ছুটে চলেছেন ভোটারদের মন জয় করতে দিন রাত। মোস্তাক আহমদ সাবেক বড়লেখা উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক। মৌলভীবাজার জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল সহ সাধারণ সম্পাদক। নির্বাচন করবেন ৩নং ওয়ার্ডে সাবেক ছাত্রনেতা হিসেবে বেশ জনপ্রিয়তা তার। তারুন্য নির্ভর নির্বাচনে মাঠে নেমেছেন জয়ের আশা নিয়ে। আবুল হোসেন সাবেক বড়লেখা পৌর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বিগত দিনে ১নং ওয়ার্ডে দুই বার কাউন্সিলর নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন কিন্তু দুই বারই পরাজিত হয়েছেন। এবার আশার আলো দেখছেন এই সাবেক ছাত্রনেতা। ছিদ্রাতুল কাদের আবির সদ্য সাবেক পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি। রয়েছে জনপ্রিয়তা রয়েছে বেশ পরিচিতি কর্মি বান্ধব ছাত্রনেতা হিসেবে ব্যাপক সুনাম রয়েছে। শেষ পর্যন্ত হয়তো ৬নং ওয়ার্ডে মাঠে দেখা যেতা পারে থাকে। নাদের আহমদ সাবেক বড়লেখা সরকারি কলেজ ছাত্রদল যুগ্ম আহবায়ক, মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রদল নেতা। দাসের বাজার ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা শফিকুর রহমানের পুত্র।নির্বাচন করবেন ২নং ওয়ার্ডে। ছাত্রনেতা হিসেবে ভোটে শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবেন। জামিল হোসেন সদ্য সাবেক বড়লেখা পৌর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক। নির্বাচন করতে প্রস্তুত ৪নং ওয়ার্ডে মতবিনিময় সভা সহ বেশ প্রচারনা চালাচ্ছেন। শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবেন তিনি। মনসুর আহমদ (প্রিন্স) বড়লেখা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সদ্য নির্বাচিত সদস্য সচিব। জনপ্রিয় ছাত্রনেতা হিসেবে রয়েছে তার অনেক পরিচিতি। পৌর নির্বাচনে সর্বকনিষ্ঠ কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করতে পারেন ৯নং ওয়ার্ডে তা শুনা যাচ্ছে। ইতি মধ্যে তরুণ সমাজসেবক যুবসমাজ নিয়ে মতবিনিময় সভা করেছেন। বয়স কম হবার কারণে নির্বাচন করা না করা নিয়ে রয়েছে অনেক গুঞ্জন আলোচনা সমালোচনা। মো সাইফুল রানা বড়লেখা পৌর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। নির্বাচন করতে পারেন ৪নং ওয়ার্ডে এমনটা শুনা যাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবেন এই ছাত্রজনতা।
২৮ তারিখ প্রথম ধাপে পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ধরা হচ্ছে তারুণ্য নির্ভর এক ঝাক সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগ ছাত্রদলের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী থাকায় নির্বাচন মাঠে খুব জমে উঠেবে এবং উৎসব মুখর পরিবেশ সৃষ্টি হবে।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে সারাদেশ ব্যাপী বৃক্ষরোপনের অংশ হিসেবে (২৯নভেম্বর) বুধবার দুপুর ২ঘটিকার সময় মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পরগনাহী দৌলতপুর সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা হলরুমে ফ্রান্স প্রবাসী এমদাদুল হকের সার্বিক সহযোগীতায় হিফজ বিভাগের ছাত্রদের মধ্যে পবিত্র আল কোরআন,মাস্ক বিতরণ করা হয়। এডহক কমিটির সদস্য মোঃ এমরানুল হক (বাবু’র) সঞ্চালনায় দৌলতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ও মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের সভাপতি মাষ্টার মাওলানা আব্দুছ সবুরের সভাপতিত্বে হাঃ মিসবাহ উদ্দিন কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ৩ নং নিজ বাহাদুর পুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাষ্টার ময়নুল হক, প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন দেশের সেরা উদ্ভভাবক খুলনা বিভাগের যশোর শর্শা উপজেলার কৃতি সন্তান মোঃ মিজানুর রহমান,বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পরগনাহী দৌলতপুর আলিম মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মাষ্টার ফয়জুল হক,মাদ্রাসার আজীবন দাতা সদস্য শিক্ষানুরাগী সাংবাদিক কাজী রমিজ উদ্দিন প্রমুখ। দেশের সেরা উদ্ভভাবক মোঃ মিজানুর রহমান কে সম্মাননা স্বারক মাদ্রাসার পক্ষ থেকে প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের ছাত্রদের মধ্য পবিত্র আল কোরআন,মাস্ক,ফলজ গাছের চারা বিতরণ ও মাদ্রাসার আঙ্গিনায় ফলের গাছ রোপন করা হয়।
করোনার দ্বিতীয় ধাপ সামলাতে বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিতে মৌলভীবাজারের বড়লেখায় টানা চতুর্থ দিনের মত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। মাস্ক ব্যবহার না করার কারণে ১৭ টি মামলায় ৫৫০০/ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।এসময় মাস্ক ও বিতরণ করাহয়।
বুধবার (২৫নভেম্বর) দুপুরে বড়লেখা পৌরশহরে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শামীম আল ইমরান।কোর্ট পরিচালনায় বড়লেখা থানা পুলিশ সর্বাত্মক সহযোগিতা করে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শামীম আল ইমরান বলেন, করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় দেশ ব্যায়াপী আক্রান্ত রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। দ্বিতীয় ধাক্কা সামলাতে সরকারী নির্দেশনা রয়েছে বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলাফেরা করতে। তাই বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিন্তে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশক্রমে সারা জেলায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।এরই প্রেক্ষিতে বড়লেখা উপজেলায় আজ চতুর্থ দিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। এসময় মাস্ক ব্যবহার না করার কারণে ১৭ টি মামলায় ৫৫০০/ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে আদায় করাহয়েছে। মানুষ জনকে আরো সচেতন করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মানাসহ মাস্ক পরাতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মোঃইবাদুর রহমান জাকির:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলাকে চুরি-ডাকাতিমুক্ত রাখতে রাত্রী কালীন ‘পুলিশ-জনতার যৌথ পাহারা কার্যক্রম’ শুরু করেছে বড়লেখা থানা পুলিশ। শীত মৌসুমে চুরি-ডাকাতি বেড়ে যাওয়া জেলা পুলিশের উদ্যোগে এ কার্যক্রম নেয়া হয়েছে।
সোমবার (২৩ নভেম্বর) রাতে উপজেলার দক্ষিনভাগ বাজারে জেলা পুলিশের আয়োজনে ‘পুলিশ-জনতার’ যৌথ পাহারা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাদেক কাওসার দস্তগীর ও বড়লেখা থানার (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম সরদার। পরে উপজেলার প্রতিটি বাজারে ও গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার মোড়ে এ’কার্যক্রম শুরু করা হয়।
এ ব্যাপারে বড়লেখা থানার (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম সরদার বলেন,আমাদের জনবল কম কিন্তু এই অজুহাতে চুরি- ডাকাতি মেনে নেয়া যাবে না। তাই মৌলভীবাজার জেলার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে শীত মৌসুমে চুরি-ডাকাতিমুক্ত রাখতে জেলা পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ পিপিএম (বার) এর পরিকল্পনায় প্রতিটি উপজেলায় ‘পুলিশ-জনতার যৌথ পাহারা কার্যক্রম’ নামে চুরি-ডাকাতি প্রতিরোধে একটি উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তাই সাধারণ জনগণকে পুলিশের সাথে সম্পৃক্ত করে উপজেলার প্রতিটি বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার মোড়ে ‘পুলিশ-জনতা যৌথ পাহারা কার্যক্রম সোমবার থেকে শুরু করা হয়েছে। উপজেলাসহ জেলা বাসী এর সুফল পাবে।
সিলেট জেলার বিয়ানীবাজারের মুড়িয়া হাওরের অস্তিত্ব এখন হুমকির মুখে। বন্যা ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের সঙ্গে বালুমিশ্রিত পানি এসে হাওরের ১৯টি বিল অনেকটা ভরাট হয়ে গেছে। হাওরে হিজল-করস, বরুণ, চাইলা নলখাগড়া ও জারুল গাছ এখন আর চোখে পড়ে না।
বিভিন্ন প্রজাতির রুপালি মাছও বিলুপ্ত হয়ে গেছে। ফলে মুড়িয়া হাওরপাড়ের ১৭টি গ্রামের মানুষের জীবিকা নির্বাহ কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। গত ৪০ বছরে মুড়িয়া হাওরের উন্নয়নে কয়েকটি প্রকল্প গৃহীত হলেও বাস্তবায়িত হয়নি একটিও। জরুরি ভিত্তিতে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা না হলে এক দশকের মধ্যে হাওরের ভৌগোলিক অবকাঠামোর পরিবর্তনসহ পরিবেশ ভারসাম্য হবে হুমকির সম্মুখীন। এমন আশংকা পরিবেশ ও হাওর।
বিয়ানীবাজার উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়ন, বিয়ানীবাজার পৌরসভার সীমানা, শেওলা ও দুবাগ ইউনিয়নের কিছু অংশ নিয়ে হাওরের বিস্তৃতি আমি মুড়িয়া হাওর অঞ্চলের একজন পূর্ব মুড়িয়ার এ সন্তান হিসেবে বিষয় গুলি উপস্থাপন করিলাম । আয়তন আট বর্গমাইল। একসময় এ হাওরে ১১৫ প্রজাতির মাছ পাওয়া গেলেও বর্তমানে বেশির ভাগই বিলুপ্ত হয়ে গেছে। রানী, বাঘা আইড়, রায়েক, মধু, পাবদা, চিতল, বড় বাইন, রিটা, বোয়াল, কৈ, মাগুর এখন আর চোখে পড়ে না। হাওরের ১৯টি বিল প্রায় ভরাট হয়ে গেছে। সেচের মাধ্যমে বিলে মাছ ধরারসময় শুধু পুঁটি, টেংরা, ভেদা, শিং, চাপিলা, মলা, দারকিনা জাত ছাড়া অন্য মাছ ধরা পড়ে না।বিশাল হাওরজুড়ে কোথাও মাছের অভয়াশ্রম নেই।
বিয়ানীবাজার মৎস্যজীবী সমিতির সদস্য এখলাস উদ্দিন জানান, কারেন্ট ও মশারির জাল দিয়ে অবাধে মাছ শিকারের ফলে প্রজনন বাধাগ্রস্ত হয়। এ ছাড়া বন্যা ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের সঙ্গে বালুমিশ্রিত পানি ঢুকে বিলগুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে। আগে প্রচুর পাওয়া যেত এ রকম মাছ ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। মুড়িয়া হাওর ভারত সীমান্ত ঘেঁষে অবস্থিত। ফলে বছরের পর বছর ওপার থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের বালুতে বিলগুলো ভরাট হয়ে গেছে। শীতকালে শুকিয়ে যায়। বর্ষাকালে পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয়।হাওর এলাকার লোকজন জানান, ১৫-২০ বছর আগে শীতকালে বালিহাঁস, গলগলি হাঁসসহ দেশী-বিদেশী বিভিন্ন প্রজাতির পাখির কলকাকলিতে হাওরাঞ্চল মুখরিত হয়ে উঠত। এখন মাছরাঙাও চোখে পড়ে না। হিজল-করস, জারুল, বরুণ, চাইলা নলখাগড়াসহ অনেক গাছ মরে গেছে। ফলে দেশী-বিদেশী পাখির সমাগমও কমে গেছে। হাওরের কোড়া পাখি, কড়িকাইট্রা, শামুকভাঙরি, চিল, পানকৌড়ি, নানা জাতের বক হারিয়ে যেতে বসেছে।
মুড়িয়া হাওর ভরাট হয়ে যাওয়ায় ওই অঞ্চল পরিবেশ বিপর্যয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে। জরুরি ভিত্তিতে হাওর উন্নয়নের উদ্যোগ না নিলে কয়েক বছরের মধ্যে বিয়ানীবাজার পৌরসভা, শেওলা ও দুবাগ ইউনিয়নসহ ওই অঞ্চলে বর্ষা মৌসুমে স্থায়ী বন্যার সৃষ্টি হবে এবং বিপুল পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতির শিকার হবেন ৫০ হাজার মানুষ। হাওরের উদ্ভিদ সংরক্ষণের কোন ব্যবস্থা নেই। ফলে শুধু শণ ও কলুম বন ছাড়া কোথাও কোন গাছ চোখে পড়ে না। এখনও সামান্য যে কয়েকটি গাছ আছে পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে সেসবও মরে যাচ্ছে। বেতবন, পিচাশবন, নলখাগড়া, লুটকিবনও নেই।
হাওরে এক-চতুর্থাংশ গাছ ও বন থাকা অত্যাবশ্যক হওয়া সত্ত্বেও সরকারি কিংবা বেসরকারি কোন সংস্থার ওই বিষয়ে উদ্যোগ নেই। পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, পরিকল্পিতভাবে মুড়িয়া হাওরের উন্নয়নে ৫০ কোটি টাকার প্রয়োজন। কয়েক বছর আগে ২০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হলেও অর্থের অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি।
প্রথম ধাপে ২৫ পৌরসভায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। প্রথম ধাপে ডিসেম্বরের ২৮ তারিখে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনের তালিকা অনুযায়ী মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা পৌরসভা নির্বাচন হবে ২৮ ডিসেম্বর।
তবে প্রথম ধাপের নির্বাচন থেকে বাদ পড়েছে মৌলভীবাজার পৌরসভা নির্বাচন।
এ বছর নির্বাচনে সব পৌরসভায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযাযী, মনোনয়ন দাখিলের শেষ তারিখ ১ ডিসেম্বর, মনোনয়ন বাছাই ৩ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহার ১০ ডিসেম্বর এবং ভোট গ্রহণ ২৮ ডিসেম্বর।
শীতকাল আগমনের শুরুতেই কোভিড ১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউ এর কারণে করােনা ভাইরাসে আক্রান্ত রােগী সংখ্যা ও মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউ প্রতিরােধে বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার ও অন্যান্য স্বাস্থ্য বিধি নিশ্চিতকল্পে মৌলভীবাজার জেলার জেলা প্রশাসক মহােদয়ের নির্দেশক্রমে (২২নভেম্বর) সারা জেলায় এক যােগে মােবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
বড়লেখা উপজেলায় আজ উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বড়লেখা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মােঃ শামীম আল ইমরান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত লায়লা নীরার নেতৃত্বে দুইটি মােবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। দুটি মােবাইল কোর্টে ৩৮ টি মামলায় ৭৬০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
এসময় জনগণের মধ্যে মাস্কও বিতরণ করা হয়। বড়লেখা থানার সেকেন্ড অফিসার এস আই প্রভাকর রায়ের নেতৃত্বাধীন বড়লেখা থানা পুলিশ মােবাইল কোর্ট কে সর্বাত্মক সহযােগিতা প্রদান করেন।
নিউজ ডেস্কঃ সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নিহত রায়হান আহমদকে ‘খুনের’ দায় একা নিতে রাজি নন বরখাস্তকৃত এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া। ৭ দিনের রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আকবর বলেন, যা ঘটেছে তাতে সবারই দোষ আছে। তিনি একা কিছু করেননি। সবাই মিলে করেছেন।
মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) আদালতের এপিপি সৈয়দ শামীম জানান, রায়হানকে হত্যাকাণ্ডের দায় আকবর একা নেননি। ‘আকবর বলেছেন, তিনি একা দায়ী নন। তিনিসহ এই মামলার আসামিরা সবাই মিলেই রায়হানকে পিটিয়ে আহত করেছেন। এরপর রায়হানকে হাসপাতালেও নিয়ে যান তারা। পরবর্তীতে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন।’
গত ১০ নভেম্বর সিলেট চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে আকবরকে হাজির করা হয়। এসময় তদন্ত কর্মকর্তা সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে বিচারক আবুল কাশেম তা মঞ্জুর করেন।
গত ১১ অক্টোবর (১০ অক্টোবর দিবাগত) মধ্যরাতে রায়হানকে নগরীর কাষ্টঘর থেকে ধরে আনে বন্দরবাজার ফাঁড়ি পুলিশ। ১১ অক্টোবর ভোরে ওসমানী হাসপাতালে তিনি মারা যান। রায়হানের পরিবারের অভিযোগ, ফাঁড়িতে ধরে এনে রাতভর নির্যাতনের ফলে রায়হান মারা যান। ১২ অক্টোবর রাত আড়াইটার দিকে রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার বাদি হয়ে সিলেট কোতোয়ালি থানায় নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে মামলা করেন।
মামলায় রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার উল্লেখ করেন, প্রতিদিনের মতো ১০ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে তার স্বামী রায়হান আহমদ নিজ কর্মস্থল নগরীর স্টেডিয়াম মার্কেটস্থ ডা. গোলাম কিবরিয়া ও ডা. শান্তা রাণীর চেম্বারে যান। পরদিন (১১ অক্টোবর) ভোর ৪টা ৩৩ মিনিটে ০১৭৮৩-৫৬১১১১ মোবাইল ফোন নম্বর থেকে শ্বাশুড়ি (রায়হানের মা সালমা বেগম)-এর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বর (০১৭৮৭৫৭০৯৪৯)-এ কল দিলে সেটি রিসিভ করেন রায়হানের চাচা হাবিবুল্লাহ।
এসময় রায়হান আর্তনাদ করে বলেন, তিনি বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে আছেন। তাকে বাঁচাতে দ্রুত ১০ হাজার টাকা নিয়ে বন্দর ফাঁড়িতে যেতে বলেন রায়হান। এ কথা শুনে রায়হানের চাচা ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে রায়হান কোথায় জানতে চাইলে দায়ত্বিরত একজন পুলিশ বলেন, সে ঘুমিয়ে গেছে। আর যে পুলিশ রায়হানকে ধরে নিয়ে এসেছেন তিনিও চলে গেছেন। এসময় হাবিবুল্লাহকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ফাঁড়িতে আসার কথা বলেন ওই পুলিশ সদস্য। পুলিশের কথামতো হাববিুল্লাহ আবারও সকাল পৌনে ১০ টার দিকে ফাঁড়িতে গেলে দায়িত্বরত পুলিশ জানান, রায়হান অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সঙ্গে সঙ্গে রায়হানের চাচা ওসমানী হাসপাতালে গিয়ে জরুরি বিভাগে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, রায়হানকে সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে তিনি মারা যান। এসময় হাবিবুল্লাহ পরিবারের অন্যান্য সদস্য ও আত্মীয়-স্বজনকে খবর দিলে তারা গিয়ে ওসমানীর মর্গে রায়হানের ক্ষত-বিক্ষত লাশ দেখতে পান।
১২ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে পুলিশ রায়হানের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। পরে বাদ এশা আখালিয়া জামে মসজিদের পার্শ্ববর্তী কবরস্থানে রায়হানের লাশ দাফন করা হয়।
এদিকে, ১২ অক্টোবর সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) মো. আজবাহার আলী শেখের তত্ত্বাবধানে মহানগর পুলিশের তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান কমিটি তদন্ত করে ফাঁড়িতে পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর বিষয়ে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়। ওই দিনই ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াসহ চারজনকে সাময়িক বরখাস্ত ও তিনজনকে ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহার করা হয়। ১৩ অক্টোবর থেকে প্রধান অভিযুক্ত এসআই আকবর পলাতক ছিলেন। তার পালানোতে সহায়তা ও তথ্য গোপনের অভিযোগে ২১ অক্টোবর ফাঁড়ির আরেক এসআই হাসানকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
১৪ অক্টোবর মামলাটি পুলিশ সদর দফতরের নির্দেশে পিবিআইতে স্থানান্তর হয়। এর আগে পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য রায়হানের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের আবেদন করেন মামলার (সাবেক) তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার এসআই আবদুল বাতেন। পরে ১৫ অক্টোবর পিবিআই সিলেটের আখালিয়া নবাবি মসজিদ কবরস্থান থেকে রায়হানের মরদেহ উত্তোলন কাজ শেষ করে। ময়না তদন্তের রিপোর্টে জানা যায় ভোঁতা অস্ত্রের আঘাতেই রায়হানের মৃত্যু হয়।
তদন্তভার পাওয়ার পর পিবিআইর টিম ঘটনাস্থল বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ি, নগরের কাস্টঘর, নিহতের বাড়ি পরিদর্শন করে। সর্বোপরি মরদেহ কবর থেকে তোলার পর পুনরায় ময়নাতদন্ত করা হয়।
নিহত রায়হানের মরদেহে ১১১টি আঘাতের চিহ্ন উঠে এসেছে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে। এসব আঘাতের ৯৭টি ফোলা আঘাত ও ১৪টি ছিল গুরুতর জখমের চিহ্ন। এসব আঘাত লাঠি দ্বারাই করা হয়েছে। অসংখ্য আঘাতের কারণে হাইপোভলিউমিক শক ও নিউরোজেনিক শকে মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, কিডনিসহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো কর্মক্ষমতা হারানোর কারণে রায়হানের মৃত্যু হয়েছে।
২০ অক্টোবর দুপুরে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হান আহমদ হত্যা মামলায় ওই ফাঁড়ির কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাসকে ও ২৩ অক্টোবর কনস্টেবল হারুনুর রশিদকে গ্রেফতারের পর পাঁচদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। রোববার (২৫ অক্টোবর) কনস্টেবল টিটুকে ফের তিনদিনের রিমান্ডে নেয় পিবিআই।
পিবিআই এ ঘটনায় আকবরসহ চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। এদের মধ্যে কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস ও হারুন উর রশিদকে দুই দফায় আটদিন ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আশেক এলাহীকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। তবে তারা কেউ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হননি।
এদিকে, ঘটনার ২৮ দিন পর সোমবার (৯ নভেম্বর) দুপুরে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার লক্ষ্মীপ্রসাদ ইউনিয়নের ডোনা সীমান্ত এলাকা থেকে এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে গ্রেফতারের কথা জানায় পুলিশ। বিকেল ৫টা ৫৩ মিনিটে কঠোর নিরাপত্তায় তাকে কানাইঘাট থেকে সিলেট পুলিশ সুপার কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। পরে সন্ধ্যায় নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন। রাত পৌনে ৮টার দিকে তাকে পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পরদিন আকবর হোসেন ভূঁইয়ার সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে সিলেটের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মো. আবুল কাশেম এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
সেবার বন্ধনে আঁকড়ে ধরবো মানবতাকে’ এই স্লোগান নিয়ে সিলেটেে বিয়ানীবাজারে আত্মপ্রকাশ করেছে সফিক উদ্দিন-মনোয়ারা বেগম ফাউন্ডেশন। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সমাজের উন্নয়নমূলক কাজ সম্পাদনের লক্ষ্যে প্রবীণ ফুটবলার মরহুম সফিক উদ্দিনের পরিবারবর্গ এই ফাউন্ডেশনটি গঠন করেন। ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষ্যে শুক্রবার বিকালে গরিব ও দুস্থদের মাঝে পোশাক ও খাদ্য সামগ্রী এবং একটি মসজিদে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়।
ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এম. সুমন আহমদের সভাপতিত্বে ও রোটারেক্ট ক্লাব অব বিয়ানীবাজারের সভাপতি এ এইচ মাহবুব হোসাইনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রোকসানা বেগম লিমা। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঘুঙ্গাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছরোয়ার আলম, সংযুক্ত আবর আমিরাত বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সংস্থার যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল হাছিব খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক সালেহ আহমদ, সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি খালেদুর রহমান, বিয়ানীবাজার সমাজকল্যাণ সমিতি তুলুস (ফ্রান্স) এর অর্থ সম্পাদক রেহান উদ্দিন, আলম হোসেন প্রমুখ।
সভার শুরুতে সফিক উদ্দিন মনোয়ারা বেগম ফাউন্ডেশনের দ্বায়িত্বশীলদের নাম ঘোষণা করেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এম. সুমন আহমদ।অন্যানরা হলেন- ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান এমরান হোসেন, সেক্রেটারী রায়হান আহমদ, ট্রেজারার তাহমিনা বেগম তান্নি, সদস্য মাজেদা আক্তার শিমু। বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে মরহুম সফিক উদ্দিনের রুহের মাগেফরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা সামছ উদ্দিন।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পদোন্নতিসহ ৭ দফা দাবী আদায়ের আন্দোলনের তৃতীয় দিন মঙ্গলবার উপজেলা প্রশাসনের কালেক্টরেট সহকারীরা পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি পালন করেছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) কার্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত কর্মবিরতি সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন উপজেলা কালেক্টরেট সহকারী সমিতির সভাপতি তপন শর্ম্মা, সহসভাপতি অর্চনা রাণী দত্ত, সাধারণ সম্পাদক প্রতাপ চন্দ্র দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. এনাম হোসেন, অনিন্দ দাশ প্রমুখ।
স্টাফ রিপোর্টারঃ মৌলভীবাজারের জুড়ীতে এক কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত স্লুইস গেটটি প্রায় ৫ বছর যাবত অকেজো হয়ে পড়ে আছে। সুফল পাচ্ছেন না কৃষক, সংশ্লিষ্ট সমবায় সমিতি নিয়েও রয়েছে এলাকাবাসীর বিস্তর অভিযোগ। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী ও সমবায় কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক ২০১২-১৩ অর্থ বছরে ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প (জাইকা)’র অর্থায়নে প্রায় ১ কোটি ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে উপজেলার পূর্বজুড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম বড়ধামাই গ্রামে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়। প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে কাউলীছড়ায় একটি স্লুইস গেট, খাল খনন, দেড় কিলোমিটার বেড়ি বাঁধ ও পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির কার্যালয় নির্মাণ করা হয়।
প্রকল্পের ভূমি দাতা জহির আলী, স্থানীয় বাসিন্দা রুবেল আহমদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, জুলেখা বেগমসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, এ এলাকার কৃষকের বোরো আবাদে পানি সেচের সুবিধার্থে স্লুইস গেট নির্মাণের পর বহু কষ্টে ২/৩ বছর সেটা ব্যবহার করা হয়। কিন্তু বেড়ি বাঁধে পর্যাপ্ত মাটি না থাকায় জমানোর আগেই বাঁধ অতিক্রম করে পানি চলে যায়। কৃষকরা আগের মত মেশিনের সাহায্যে পানি সেচ দিয়ে জমি চাষ করছেন। আর সরকারের কোটি টাকার স্লুইস গেট অকেজো পড়ে আছে। সার্বিক বিষয়টি দেখাশুনা ও কৃষকের উন্নয়নের জন্য কাউলীছড়া পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি গঠিত হয়। কিন্তু সমিতি গঠনের পর থেকে তাদের কোনো কার্যক্রম দেখা যায় নাই। গোপনে এ কমিটি গঠন করা হয়। এতে সঞ্চয় ও ঋণ কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সমিতির সম্পাদক ৫ বছর থেকে এলাকায় থাকেন না।
নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি গঠনের দাবি জানিয়ে সমিতির সদস্যরা বলেন- সরকারের কোটি টাকা ব্যয়ের উদ্দেশ্য সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হোক। প্রকাশ্যে সমিতির হিসাব অডিট করা হোক।
জানতে চাইলে কাউলীছড়া পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি (পাবসস) সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুনিম রাজন বলেন, বিভিন্ন সমস্যার কারণে সঞ্চয় বা শেয়ার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ডিসেম্বরে নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি করা হবে।
উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আমিরুল ইসলাম বলেন, ওই সমিতিতে ৮৮ জন সদস্য রয়েছেন। সমিতির সদস্য নিজেরা কমিটি করেন।
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সম্মেলন আজ ১৫ নভেম্বর দিনব্যাপী হাটহাজারী মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে ব্যাপক আলাপ আলোচনা ও প্রস্তাবের মাধ্যমে সর্ব সম্মতিক্রমে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
এতে আমীরে হেফাজত নির্বাচিত হন- মজলুম জননেতা শায়খুল হাদীস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী ও মহাসচিব- জমিয়তের মহাসচিব শায়খুল হাদীস আল্লামা নুর হুসাইন কাসেমী।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বিলুপ্তপ্রায় সজারু হত্যার অপরাধে ৯ শিকারিকে জেল-জরিমানা দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার (১৪ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাধবকুণ্ড ইকোপার্কের বাজারিছড়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম আল ইমরান এই আদালত পরিচালনা করেন।
আদালতের অভিযানে সহায়তা করেন বনবিভাগের বড়লেখা রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা শেখর রঞ্জন দাস ও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হযরত আলী প্রমুখ।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় মাধবকুণ্ড ইকোপার্ক এলাকায় সজারু শিকারের অপরাধে ৯ জনকে আটক করে বনবিভাগ। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম আল ইমরান ঘটনাস্থলে যান। সেখানে আটককৃতরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের সামনে অপরাধ স্বীকার করে। এরপর আদালত সজারু হত্যায় সরাসরি জড়িত থাকায় বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইন ২০১২ অনুসারে বিওসি কেছরিগুল এলাকার সুবল ভূমিজ (২৫) ও জগ রবিচন্দ্রকে (২৫) এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। রাতেই তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
এছাড়া হত্যায় সহায়তা করার অপরাধে উকিল সাঁওতাল (৩৫), বুধু সাঁওতাল (২৬), ওমেশ সাঁওতাল (৩০), রমেশ সাঁওতাল (৩২), কার্তিক সাঁওতাল (৩৫), রাম সাঁওতাল (৩০) ও কৃষ্ণ সাঁওতালকে (৩৫) ১০ হাজার টাকা করে মোট ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত।
এদিকে দক্ষিণভাগ উত্তর ইউনিয়নের বিওসি কেছরিগুল এলাকায় টিলা কাটার অপরাধে ফখরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালককে নির্দেশ প্রদান করেন আদালাত।
বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম আল ইমরান জেল, জরিমানার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘টিলা ও বন্য প্রাণী আমাদের প্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। এগুলো রক্ষায় আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
মোঃইবাদুর রহমান জাকিরঃ ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয় মদদে মহানবী (সা.) এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে ও ফরাসী পণ্য জাতীয়ভাবে বয়কটের ও রাষ্ট্রীয় প্রধান ফ্রান্স সরকারকে নিন্দা বাণী প্রদান এসব দাবীতে উলামা মাশায়েখ সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার পূর্ব মুড়িয়া ইউনিয়ন কতৃক আয়োজিত বাদ জুম্মা বিকাল ২টার সময় স্থানীয় সারপার বাজার বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
(১৩নভেম্বর) শুক্রবার বিকাল ৩ ঘটিকায় উলামা মাশায়েখ নেতাকর্মীদের এক বিক্ষোভ মিছিল বাজারের অলিগলি প্রদক্ষিণ করে। এর আগে বাদ জুম্মা পশ্চিম বাজারে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এ মানুয়েল মাক্রোঁর পুত্তলিকা দিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন উলামা-মাশায়েখ নেতাকর্মীরা।
এতে মাওলানাঃ আব্দুল আহাদের সঞ্চালনায়,হাফিজ আশরাফ আহমদের কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে মাওলানা আব্দুল গনীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাওলানা আব্দুল মালিক কাসিমী শিক্ষক দারুস সুন্নাহ মুরাদগঞ্জ টাইটেল মাদ্রাসা,আরো বক্তব্য রাখেন সারপার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, মাওলানা ইসলাম উদ্দিন,সাবেক ইমাম নওয়াগ্রাম পাঞ্জেগানা মসজিদের হাঃমুহিবুর রহমান।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ আষ্টঘরী জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মাওলানা শওকত আহমদ,বড়উধা জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা হারুনুর রশীদ,আভঙ্গি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা রেজাউল করিম,বড়উধা পশ্চিম পাঞ্জেগানা মসজিদের ইমাম মাওলানা আব্দুল জলিল, পূর্ব মুড়িয়া দাখিল মাদ্রারাসার শিক্ষক মাওঃদেলওয়ার হোসেন,সারপার দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওঃ আব্দুর রহমান তামেদ,পূর্ব মুড়িয়া ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাঃমোসাদ্দেক তাপাদার কাশেম,পূর্ব মুড়িয়া ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাহিদ চৌঃশাহিদ,৮নঃ ওয়ার্ড ছাত্রলীগ সভাপতি আব্দুল্লা আল সাঈদ চৌঃ (মুন্না) প্রমুখ।
মাওলানা কাসেমী তিনি বলেন বলেন, ফ্রান্সের সাথে বাংলাদেশের কুটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। পাশাপাশি সংসদে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব পাশ করতে হবে।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার গৃহহীন ছয় পরিবারকে নতুন ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হচ্ছে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে ‘ক’ শ্রেণীর গৃহহীন (যাদের জমিও নাই, ঘরও নাই) পুনর্বাসনের লক্ষ্যে উপজেলার ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের বোয়ালী মৌজার ১২৫ নং দাগের সরকারি খাস জমিতে ঘরগুলো নির্মাণ করে দেওয়া হচ্ছে। দুই কক্ষ বিশিষ্ট সেমিপাকা প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যয় হবে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা।
বুধবার (১১ নভেম্বর) বিকেলে বড়লেখা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমেদ ও বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শামীম আল ইমরান আনুষ্ঠানিকভাবে ঘর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন।
এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. উবায়েদ উল্লাহ খান, উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আহমদ জুবায়ের লিটন, ইউপি সদস্য সেলিম আহমদ খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সামাজিক সংগঠন বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটির উদ্যোগে এবং সংগঠনের প্রবাসী সদস্যবৃন্দের অর্থায়নে আজ (১০ নভেম্বর) দুপুর ২.০০ ঘটিকার সময় বড়লেখা উপজেলার লিচুবাগান নুরানী তালীমুল কোরআন ইসলামী একাডেমী এতিমখানা মাদ্রাসার হাফিজদের মধ্যে কোরআন শরীফ বিতরণ ও দুয়া মাহফীল অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রুবেল হোসাইনের সঞ্চালনায় ও সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সিরাজুল ইসলাম শিরুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়। কোরআনে কারীম থেকে তেলাওয়াত করেন হাফিজ তাওসিফ ইমরান, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রচার সম্পাদক আব্দুল হালিম,সদস্য আক্তার হোসেন, মাওলানা কারী সাইফুর রহমান, হাফিজ মাওলানা ইব্রাহিম খলিল।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য পেশ করেন বিশিষ্ট সমাজসেবক পাবলিকেশন সোসাইটির সম্মানিত প্রধান উপদেষ্টা জনাব আব্দুল আহাদ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের বিশিষ্ঠ সমাজসেবক পাবলিকেশন সোসাইটির সম্মানিত উপদেষ্টা জনাব আব্দুল কুদ্দুস স্বপন।
সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক তোফায়েল আহমেদ তুহেল ও সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ আব্দুস সামাদ।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অফিস সম্পাদক জনাব নিজাম উদ্দিন,জুবায়ের আহমেদ দিলশাদ, মাওলানা আব্দুস সবুর সুমন হাফিজ তাওসিফ ইমরান জাহেদ আহমেদ আক্তার হোসেন আবু বক্কর মাহফুজুর রহমান সানি এমরান হোসেন রায়হান হোসেন প্রমুখ।
সংগঠনের প্রতিষ্টাতা সৌদি প্রবাসী মাহতাব আল মামুন, আজকের অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ, সংগঠনের সকল প্রবাসী ও দাতা সদস্য এবং যারা অনুষ্ঠানে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন সকলের প্রশংসা করেন এবং সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্যঃ অনুষ্ঠান শেষে হাফিজ বাচ্ছাদের আপ্যায়ন করানো হয়।
আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রে ‘প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট’ বা নতুন নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম ভাষণে জো বাইডেন সকল বিভেদ ভুলে ঐক্য ও সহনশীল সমাজ গড়ে তোলার আহবান জানান।
যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে উদ্দীপ্ত এক ভাষণে তিনি যারা তাকে ভোট দিয়েছেন, যারা তাকে ভোট দেননি, ডেমোক্র্যাট, রিপাবলিকান সবাইকে শত্রুতা ভুলে সহযোগিতার সম্পর্ক তৈরির আহবান জানান। তিনি ঐক্য শব্দটির উপর বারবার বিশেষ গুরুত্ব দেন।
যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক সময় যে ধরনের বিভেদ ও তিক্ততা তৈরি হয়েছে সেদিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করছিলেন তিনি।
তিনি বলেন, “আমরা কি হতে চাই সে নিয়ে জোরালো সিদ্ধান্ত নেবার সময় এসেছে।”
“আমরা যদি একে অপরকে সহযোগিতা না করার সিদ্ধান্ত নিতে পারি, তাহলে সহযোগিতা করার সিদ্ধান্তও নিতে পারি।”
ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “আমিও বেশ কয়েকবার হেরেছি, আমি আপনার হতাশা বুঝতে পারছি।”
দেশটিতে পুলিশের হাতে কৃষ্ণাঙ্গদের মৃত্যুকে ঘিরে সহিংস আন্দোলন, করোনাভাইরাসে বিশ্বের সবচাইতে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যুর অভিজ্ঞতা না ভুলে নতুন সমাজ গড়তে সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে বলেন তিনি।
জো বাইডেনের রানিং মেট কমালা হ্যারিস হতে যাচ্ছেন আমেরিকার ইতিহাসের প্রথম নারী, কৃষ্ণাঙ্গ এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভাইস প্রেসিডেন্ট।
কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারি প্রতিরোধে নেতৃত্ব দিতে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞানীদের সমন্বয়ে একটি দল গঠন করার ঘোষণা দেন। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার গুরুত্ব উল্লেখ করেন।
তিনি তার ভোটার, প্রচারণা ক্যাম্পের কর্মী, নির্বাচনে নানা ধরনের কাজে যারা অংশ নিয়েছেন, নিজের পরিবার, বন্ধু ও সহকর্মীদের ধন্যবাদ জানান।
দেশটির কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠীকে বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “আপনারা যেভাবে আমার সাথে ছিলেন, সেভাবেই আমিও আপনাদের পাশেই থাকবো।”
৭৮ বছর বয়সী জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের সবচাইতে বেশি বয়সী প্রেসিডেন্ট।
মার্কিন ইতিহাসে যেকোনো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে এবারের নির্বাচনে। যার সংখ্যা ছিল সাত কোটি ৪০ লাখ।
জো বাইডেন মঞ্চে ওঠার আগে তার ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত কমালা হ্যারিস তার ভাষণে বলেন, তিনি এখনি কাজ শুরু করতে প্রস্তুত।
জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ হতে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় ৩০ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে করোনা কালীন আর্থিক অনুদান ও এলজিএসপি-৩ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা হলরুমে (৮নভেম্বর) বুধবার ৩০ জন গ্রাম পুলিশের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্টিত হয় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,মৌলভীবাজারজেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সিরাজ উদ্দিন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃতাজ উদ্দীন,উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগম হাছনা, বড়লেখা থানার অফিস ইনচার্জ জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার,
অনুষ্টানে সভাপতিত্ব করেন:মোঃ শামিম আল ইমরান,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বড়লেখা। এছাড়া আরোও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ সরকারের বন, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিনের চার দিনের সফরের অংশ হিসেবে উদ্বোধন করলেন মৌলভী বাজারের বড়লেখার বর্ণি ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র।
বর্ণি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের আয়োজনে উক্ত অনুষ্ঠানে উক্ত অনুষ্টানে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমেদের সঞ্চালনায়, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নিজাম উদ্দিন সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সুয়েব আহমদ, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সুন্দর, বড়লেখা পৌর সভার মেয়র আবুল ইমাম কামরান চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ তাজ উদ্দীন।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন বড়লেখা নারী শিক্ষা সরকারি ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ এ কে এম হেলাল। সমাবেশ শেষে ফিতা কেটে কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
মোঃইবাদুর রহমান জাকির, বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের জুড়ীতে একটি সেতুর উদ্বোধন, দুইটি সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ূ পরিবর্তনমন্ত্রী মো: শাহাব উদ্দিন এমপি। বৃহস্পতিবার দিনভর জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকটি কর্মসূচীতে তিনি অংশগ্রহণ করেন। সকাল সাড়ে ১১টায় জুড়ী-বড়লেখা রোডে নির্মিত জাঙ্গিরাই সেতুর উদ্বোধন, দুপুর ১২টায় উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে উপজেলার বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠনের মধ্যে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ, সাড়ে ১২টায় জুড়ী কামিনীগঞ্জ বাজারে স্থানীয় দিশারী সমাজ কল্যাণ সংস্থা আয়োজিত বৃক্ষরোপন কর্মসূচী উদ্বোধন করেন মাননীয় মন্ত্রী। দুপুর দেড় ঘটিকায় উপজেলার সাগরনাল ইউনিয়নের কয়লাঘাটে জুড়ী নদীর উপর সেতু নির্মাণ কাজের এবং পরে বৃন্দারঘাটে জুড়ী নদীর উপর সেতু নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ূ পরিবর্তন মন্ত্রী মো: শাহাব উদ্দিন এমপি। এ সকল কর্মসূচীতে মন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা এম এ মোঈদ ফারুক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান রুহুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা বদরুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মাসুক আহমদ চেয়ারম্যান, জুড়ী থানার ওসি সন্জয় চক্রবর্তী, উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল মতিন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রিংকু রঞ্জন দাশ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রনজিতা শর্মা, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান কিশোর রায় চৌধুরী, দিশারী সমাজ কল্যাণ সংস্থার সভাপতি যুদ্ধাহত বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সহিদ চৌধুরী খুশী, উপেলাা যুবলীগ সভাপতি মামুনুর রশীদ সাজু, সহ সভাপতি আহমদ কামাল অহিদ, সাধারন সম্পাদক শেখরুল ইসলাম, সাগরনাল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক শাহীন আহমদ, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সাহাব উদ্দিন সাবেল, সাধারন সম্পাদক ইকবাল ভুইয়া উজ্জ্বল, কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আদনান আশফাক, সাধারন সম্পাদক গৌতম দাস প্রমুখ। এছাড়া প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৩ নং নিজ বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ছাত্র সমাজের উদ্দ্যোগে ফ্রান্স সরকারের রাষ্ট্রীয় মদদপৃষ্টে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) ছবি ব্যাঙ্গচিত্র প্রর্দশন ও অবমাননার প্রতিবাদে (২রা নভেম্বর) বাদ আছর দৌলতপুর বাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ আয়োজন করা হয়।
এতে কাওছার আহমেদের পরিচালনায়, প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দৌলতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মাওঃআব্দুস সবুর,আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয় মুফাস্সির পরিষদ বোর্ড মৌলভীবাজার জেলা শাখার সদস্য মাওঃ কমর উদ্দিন (বাদশা),দৌলতপুর জামে মসজিদের ইমাম মাওঃআইনুল ইসলাম,পকুয়া মসজিদের মুয়াজ্জিন সাইফুর রহমান,এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ছাত্রনেতা আব্দুল মুহিত মুর্শেদ,শিক্ষক সামসোদ্দুহা মঞ্জু,তানভীর আহমেদ,তায়েফ আহমেদ,শাহীন আহমেদ, ছাত্রনেতা আলিউর রহমান,ছাত্রনেতা আসাদুর রহমান,ছাত্রনেতা অলিউর রহমান বাবু,মাসুম আহমেদ,ফাহাদ আহমদ নাহিদ,আবুল হাসনাত,ওয়াহিদুর রহমান, মাহফুজুর রহমান,কামরুল ইসলাম,মারুফ আহমেদ,রাফায়াত আহনাফ,সহ রাসূল সাঃ প্রেমি তাওহীদি জনতা,যুবসমাজ ও ছাত্রসমাজ অংশ গ্রহন করে।
জনগনের প্রত্যাশিত সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর পূর্ণ বাস্তবায়ন চাই- এই দাবীতে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)- এর জরুরী সংবাদ সম্মেলন আজ ১ নভেম্বর রোববার সকালে সারাদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত। তারই অংশ হিসাবে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) বড়লেখা উপজেলা শাখার অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় নিসচা কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিসচা বড়লেখা উপজেলা আহ্বায়ক তাহমীদ ইশাদ রিপন। এসময় উপস্থিত ছিলেন নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক মার্জানুল ইসলাম, সদস্য সচিব আইনুল ইসলাম, কার্যকরী কমিটির সদস্য আব্দুল আজিজ,আহমেদ নোমান, রমা কান্ত দাস, রাসেল আহমদ, নূর আলম মোহন, লিমন আহমদ সহ প্রমুখ।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, দীর্ঘ ২৭ বছর এ আন্দোলনে নিসচা’র অনেক সাফল্য ও অর্জন এসেছে। এসব সাফল্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে। তবে কোন প্রাপ্তিতেই নিসচা থেমে থাকেনি। সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে নিসচা শুরু থেকে একটি সময়োপযোগী আইনের দাবি জানিয়ে আসছিল। পাশাপাশি শুধু আইন করলে হবেনা সড়কে আইন মানতে মানুষকে সচেতন করার ওপর ও নিসচা জোর দিয়ে আসছিল।
সড়ক পরিবহন আইনটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয় ২০১২ সাল থেকে। আইনের খসড়া সরকারি ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত থাকে দীর্ঘদিন। জনগণের মতামত দেয়ার সুযোগ ও রাখা হয়েছিল। নিরাপদ সড়কের দাবিতে যেসব সংগঠন কাজ করে তাদের প্রতিনিধিরা ও মতামত দিয়েছেন। এছাড়াও সরকার বিভিন্ন সময় ১৯৮৩ সালে প্রণীত আইনটি ও সময় উপযোগী করার উদ্যোগ নিয়েছিল।
অনেকটা সময় পেরিয়ে সড়কের বিশৃঙ্খলা অবস্থার বাস্তব চিত্র এবং ২০১৮ সালের ২৯ জুলাই রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বাস চাপায় শহীদ রমিজ উদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুইজন শিক্ষার্থী বাসচাপায় মর্মান্তিক মৃত্যুর প্রেক্ষিতে নিরাপদ সড়কের দাবিতে গড়ে ওঠা ছাত্র আন্দোলন এ আইনটি পাসের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। অবশেষে কোন চাপের মুখে নতি স্বীকার না করে সরকার এই আইনটি জাতীয় সংসদে পাস করে ২০১৮ সালে। এর প্রায় ১৫ মাস পর ২০১৯ সালের ১ নভেম্বর থেকে আইনটি কার্যকর শুরু করে সরকার। প্রথম ১৪ দিন সহনীয় মাত্রায় এই আইনের প্রয়োগ ছিল। পরবর্তীতে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের দাবিতে আইন এর কয়েকটি বিষয়ে পরবর্তী ছয় মাস পর্যন্ত বিবেচনার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। পরবর্তীতে করোনার কারণে এই আইন যথাযথ প্রয়োগের সময়সীমা বৃদ্ধি করে এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়।
কিন্তু লক্ষ্য করা যাচ্ছে সরকার নতুন সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ প্রয়োগে উদ্যোগ নেয় তখনই পরিবহন সেক্টরের একটি চক্র বাঁধার সৃষ্টি করে আসছে। তারা নতুন করে নানা ধরনের দাবিদাবা তুলে ধরে ধরছে। শুধু তাই নয় গণপরিবহন চলাচল বন্ধ করে জনগণকে ভোগান্তিতে ফেলে তারা। এমনকি নিসচা’কে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করাচ্ছে। যা সত্যিই দুঃখজনক।নিসচা মনে করে নতুন আইনের বিষয়ে তারা কোনো প্রস্তুতি ইচ্ছে করে নেয়নি এবং নিচ্ছেও না।
নিসচা দুঃখের সঙ্গে বলছে যে, সড়কে যদি শৃঙ্খলা না ফিরে আসে তাহলে কোন অবস্থাতেই সড়ক নিরাপদ হবে না। তাঁর প্রকৃত উদাহরণ এই করোনায় খালি সড়কে যে দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমাদের চূড়ান্ত প্রত্যাশা দুর্ঘটনা মুক্ত সড়ক- নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠা করা। যতদিন এটি পূরণ না হবে ততদিন নিসচা’র কর্মীরা সড়কে আছে এবং থাকবে।
নতুন আইনে কেউ আইন ভঙ্গ না করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার শঙ্কা অমূলক। যারা অন্যায় করবেন তাদের শাস্তির আওতায় আনতেই হবে। পরিবহন মালিক হোক ও শ্রমিক হোক কারো চাপের মুখে নতি স্বীকার করা যাবে না। আইনের বাস্তবায়ন আটকে রাখা যাবেনা। মানুষকে জিম্মি করে সরকারকে বিব্রত করে কেউ যদি এই আইনের বাস্তবায়ন ঠেকানোর চেষ্টা করেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। এটাই এখন আমাদের দাবি এবং সরকারের কাছে নিসচা জোর দাবি জানাচ্ছে আগামী ১ জানুয়ারি ২০২১ সাল হতে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর পূর্ণ বাস্তবায়ন যেন করা হয়।এরপর যেন আর কোন সময় বৃদ্ধি না করা হয়।
করোনা পরিস্থিতিতে সরকারি নির্দেশনার পাশাপাশি কোভিড-১৯ প্রতিরোধ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালে দর্শনাথী প্রবেশ ও রোগী দেখার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আজ রোববার (১ নভেম্বর) থেকে রোগী দেখার সময়সূচী এবং দর্শনার্থী প্রবেশ ও নির্গমনের জন্য প্রবেশদ্বার উন্মুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছেন সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ইউনুছুর রহমান।
তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কিছুটা কমে গেলেও একেবারে শেষ হয়নি। যার জন্য আমাদেরকে আরও বেশী সচেতন হতে হবে। রোগীদের সেবার স্বার্থে ও করোনাভাইরাসের ২য় ওয়েব মোকাবেলা সকলকে হাসপাতালের গৃহিত সিদ্ধান্ত মেনে চলার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।
রোগী দেখার সময়সূচী, শীতকাল : ১ অক্টোবর থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে ৫ পর্যন্ত।
গ্রীষ্মকাল : ১ এপ্রিল থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন বিকাল ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত।
দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত প্রবেশদ্বার গেইট নং ৩ : অ্যাটেনডেন্ট পাসকার্ডধারী দর্শনার্থী এবং ভিজিটিং আওয়ারের দর্শনার্থী প্রবেশ ও নির্গমনের জন্য। একই সাথে বহি:বিভাগ থেকে আগত রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য উন্মোক্ত থাকবে।
গেইট নং ৪ : বহি:বিভাগ চিকিৎসাপ্রাপ্ত রোগীর টিকেট দেখানো সাপেক্ষে ডিসপেনসারী হতে ঔষধ নেওয়ার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
গেইট নং ৫ : কোভিড-১৯ সাসপেক্ট রোগী ও দর্শনার্থী প্রবেশের জন্য একাংশ উন্মুক্ত থাকবে।
র্যাম্প গেইট : শুধুমাত্র লেবার রোগীর প্রবেশ এবং সামগ্রী আনা নেওয়ার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
প্যাথলজী/ জরুরী করিডোর : শুধুমাত্র সাধারন ভর্তিকৃত/ লেবার ভর্তিকৃত রোগীর জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
প্রশাসনিক করিডোর : চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
নিজস্ব সংবাদঃ মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখায় আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে বড়লেখা পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বড়লেখা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এবং বড়লেখা থানা কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় কমিটির সাধারন সম্পাদক জনাব আব্দুল আহাদ সাহেবের নিজ এলাকা পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের সকল স্থরের মানুষদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাত ৯ ঘটিকার সময় মেয়র পদপ্রার্থী আব্দুল আহাদ সাহেবের নিজ বাসভবনে মহুবন্দ এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বি ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি জনাব আকবর আলী সাহেবের সভাপতিত্বে ও বড়লেখা হাজীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী ও তরুণ সমাজ সেবক আমিনুল ইসলামের সঞ্চালনায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন এলাকার মুরব্বি জনাব ফরিজ আলী, জনাব রছমান আলী, জনাব কমর উদ্দিন কালা,জনাব হাবিবুর রহমান, সাবেক উপজেলা ছাএলীগ সাধারন সম্পাদক জনাব ইমদাদুল ইসলাম সজল, ব্যবসায়ী জনাব ইসলাম উদ্দিন, বড়লেখা উপজেলা শ্রমিক পরিবহন (সিএনজি)’ সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক লাল মিয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন, ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেহান পারভেজ রিপন, মাইজ পাড়া যুবকল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ, পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাহিদ আহমদ। শ্রমিক নেতা শাহিন আহমদ, তরুন সমাজ সেবক মিঃ সিপার আহমদ, যুব নেতা উস্তার আলী প্রমুখ।
বক্তরা বলেন এবার আসন্ন পৌরসভার নির্বাচনে যে কোন মূল্যে আমরা আমাদের এলাকার কৃতি সন্তান ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ আব্দুল আহাদ সাহেব কে মেয়র হিসেবে দেখতে চাই তাই সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি,,
বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা শাখার উদ্যোগে ১২ই রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাঃ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা এবং মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
(৩০অক্টোবর) বড়লেখা সদর ইউনিয়ন মিলনায়তনে বিকেলে উক্ত অনুষ্ঠানে উপজেলা তালামীযের সভাপতি নুরুল ইসলাম বাবলু এর সভাপতিত্বে উপজেলা তালামীযের সাধারণ সম্পাদক রুবেল আহমদ এর পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা আল ইসলাহ এর সহ-সভাপতি মাওলানা ছালেহ আহমদ জুয়েল। প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া কেন্দ্রীয় পরিষদের সম্মানিত সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রনেতা মুজতবা হাসান চৌধুরী নোমান, প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন উপজেলা আল ইসলাহ এর সভাপতি মাওলানা আব্দুর রহমান, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আল ইসলাহ এর যুগ্ন সম্পাদক মাষ্টার নাজিম উদ্দিন।
এছাড়া আরো উপস্হিত ছিলেন আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া কেন্দ্রীয় পরিষদের সাবেক সদস্য মাহমুদুল হাসান, উপজেলা আল ইসলাহ এর সাধারন সম্পাদক মাওলানা কাজী আব্দুল মুমিত, সাংগঠনিক সম্পাদক মাষ্টার শামছুল ইসলাম, লতিফিয়া ইমাম মুয়াজ্জিন পরিষদের সভাপতি মাওলানা কুতুবুল আলম, উপজেলা আল ইসলাহ এর সহ-সাধারণ সম্পাদক শাহেদ আহমদ জুয়েল, লতিফিয়া কারী সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক আমানুর রহমান, উপজেলা তালামীযের সহ-সভাপতি রুহুল আমিন রুহেল, সহ-সাধারণ সম্পাদক রেদওয়ান হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ হাকিম জীবন, পৌর তালামীযের সভাপতি হাবিবুর রহমান সহ উপজেলা আল ইসলাহ, তালামীয ও লতিফিয়া কারী সোসাইটির নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন ওয়ার্ড ইউনিয়ন শাখার কর্মীবৃন্দ।
১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে শোভাযাত্রা বড়লেখা বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ৬নং সদর ইউনিয়নে এসে মিলাদ ও দোয়ার মাধ্যমে শেষ হয়।
ফ্রান্সে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এ-র অবমাননাকর চিত্র প্রদর্শনীর প্রতিবাদে মৌলভীবাজারের বড়লেখায় সর্ব স্তরের মুসলিম তৌহিদী জনতার উদ্যোগে (৩০ অক্টোবর) বাদ জুমা একযুগে বড়লেখা সদরে,কাঠালতলীতে,বাদ আছর অফিস বাজারে,বাদ মাগরিব,শাহবাজপুর বাজারে, বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ক্বারী মনোহর আলীর আহবানে সর্বস্তরের তাওহীদি জনতা অংশ গ্রহন করে।
এতে বক্তারা বলেন ফ্রান্সে কাফের মুশরিকরা মুসলমানদের প্রাণাধিক প্রিয় রাসুলুল্লাহ সাঃ এ-র ব্যাঙ চিত্র প্রদর্শনী করে অবমাননা করছে। এ অবস্থায় নবী প্রেমিক মুসলমানরা প্রতিবাদ প্রতিরোধে না করে নিরব থাকতে পারে না। তাঁরা অবিলম্বে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ফ্রান্সের পন্য বর্জন এবং দূতাবাস সহ কুটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য সরকার ও জনসাধারণকে আহবান জানান। হাজার হাজার তৌহিদী জনতার এ মিছিল উপজেলার ভিন্ন বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সমাবেশে মোনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।
ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয় মদদে মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা. এর ব্যাঙ্গচিত্র প্রদর্শন এবং মুসলমানদের উপর হামলা ও নিপীড়নের প্রতিবাদে; জমিয়ত, যুব জমিয়ত ও ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা শাখার উদ্যোগে আজ ২৮ অক্টোবর বাদ আসর এক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বড়লেখা কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে বড়লেখা বাজারের মূল সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে অনুষ্ঠিত “বিক্ষোভ সমাবেশে” সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জমিয়তের সভাপতি মাওঃ শায়েখ রমিজ উদ্দীন।
উপজেলা ছাত্র জমিয়তের আহবায়ক মাওঃ আবিদুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা জমিয়তের সহ-সভাপতি মাওঃ শায়েখ মুখলিসুর রহমান, সহ-সভাপতি মাওঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, বড়লেখা উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব, বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিস্ট এম.এম আতিকুর রহমান, বড়লেখা উপজেলা জমিয়তের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা বদরুল ইসলাম, সাহিত্য সম্পাদক মাওঃ হাফিয সাদিক আহমদ, ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ’র প্রাক্তন সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফিয মাওঃ তায়্যিবুর রহমান, বড়লেখা উপজেলা জমিয়তের অর্থ সম্পাদক হাফিয মাওঃ ইব্রাহীম খলিল, বড়লেখা উপজেলা যুব জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক মাওঃ সাইফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওঃ মাহবুবুর রহমান, যুবনেতা মাওঃ শাহাব উদ্দীন, মাওঃ জাকারিয়া আল আরশাদ, বড়লেখা উপজেলা ছাত্র জমিয়তের যুগ্ম আহবায়ক মাওঃ ওলিউর রহমান শামিম, যুগ্ম সদস্য সচিব হাফিয ফাহিম আহমদ প্রমুখ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বড়লেখা উপজেলা যুব জমিয়তের প্রচার সম্পাদক মাওঃ মুজাহিদুল ইসলাম, তালিমপুর ইউপি যুব জমিয়তের সভাপতি মাওঃ আছাদুর রহমান, ছাত্রনেতা মাওঃ ফরহাদ আহমদ, মাওঃ ছাব্বির আহমদ, হাফিয জুনাইদ আল হাবিব, গোলাম রব্বানী মাসুম, হাফিয আব্দুল আজিজ এমরান, হাফিয হুসাইন আহমদ, গোলাম কিবরিয়া, মাহমুদুর রহমান প্রমুখ। পরিশেষে সভাপতির আলোচনা ও মুনাজাতের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
পর্যটকদের জন্য সিলেট বিভাগের অন্যতম আকর্ষণীয় দুটি স্থান লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ও মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত ১ নভেম্বর (রোববার) থেকে খুলছে। করোনা সংক্রমণের কারণে প্রায় ৭ মাস বন্ধ ছিলো এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই দুটি স্থান। ১ নভেম্বর থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পর্যটকরা লাউয়াছড়া ও মাধবকুন্ডে যেতে পারবেন।
ট্যুরিস্ট পুলিশ মৌলভীবাজার জোন-এর ফেসবুক পেজ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
ট্যুরিস্ট পুলিশ মৌলভীবাজার জোন-এর ফেসবুক পোস্টে বলা হয়- ১ নভেম্বর থেকে খুলছে মৌলভীবাজার জেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবকুন্ড ইকোপার্কসহ বন বিভাগের নিয়ন্ত্রনাধীন সকল দর্শনীয় স্থান ও ইকোপার্ক। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দর্শনার্থীগনকে প্রবেশ করার জন্য পর্যটন সংশিষ্টসহ সকলকে অনুরোধ করা হল।
বন বিভাগের পক্ষ থেকেও এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ১২৫০ হেক্টর জমি নিয়ে লাউয়াছড়া সংরক্ষিত বনাঞ্চল। ১৯৯৬ সালে এটিকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। উদ্ভিদ আর প্রাণীবৈচিত্রের আঁধার এই বন বিভিন্ন বিরল ও বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত। বন বিভাগের হিসেব মতে, ২০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ৫৯ প্রজাতির সরীসৃপ (৩৯ প্রজাতির সাপ, ১৮ প্রজাতির লিজার্ড, ২ প্রজাতির কচ্ছপ), ২২ প্রজাতির উভচর, ২৪৬ প্রজাতির পাখি ও অসংখ্য কীট-পতঙ্গ রয়েছে। এই বনে বিরল প্রজাতির উল্লুক, মুখপোড়া হনুমান , চশমাপড়া হনুমানও দেখতে পাওয়া যায়।
অপরদিকে, মৌলভীবাজার জেলার বড়লখো উপজলোয় মাধবকুন্ড জলপ্রপাতটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জলপ্রপাত। প্রায় ২০০ ফুট উঁচু টিলা হতে পাহাড়ি ঝর্নার পতিত জলরাশি পর্যটকের জন্য আকর্ষণীয়। এ জলপ্রপাতের নিকটেই খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস। জলপ্রপাতের চতুর্দিকে বিশাল বনভূমি অবস্থিত। মাধবকুন্ড জলপ্রপাত সংলগ্ন কুন্ডে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের চৈত্রমাসের মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে বারুনী স্নান হয় এবং মেলা বসে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের এটি একটি তীর্থ স্থান।
পর্যটকদের জন্য সিলেট বিভাগের অন্যতম আকর্ষণীয় দুটি স্থান লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ও মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত ১ নভেম্বর (রোববার) থেকে খুলছে। করোনা সংক্রমণের কারণে প্রায় ৭ মাস বন্ধ ছিলো এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই দুটি স্থান। ১ নভেম্বর থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পর্যটকরা লাউয়াছড়া ও মাধবকুন্ডে যেতে পারবেন।
ট্যুরিস্ট পুলিশ মৌলভীবাজার জোন-এর ফেসবুক আইডি থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
ট্যুরিস্ট পুলিশ মৌলভীবাজার জোন-এর ফেসবুক পোস্টে বলা হয়- ১ নভেম্বর থেকে খুলছে মৌলভীবাজার জেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবকুন্ড ইকোপার্কসহ বন বিভাগের নিয়ন্ত্রনাধীন সকল দর্শনীয় স্থান ও ইকোপার্ক। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দর্শনার্থীগনকে প্রবেশ করার জন্য পর্যটন সংশিষ্টসহ সকলকে অনুরোধ করা হল।
বন বিভাগের পক্ষ থেকেও এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ১২৫০ হেক্টর জমি নিয়ে লাউয়াছড়া সংরক্ষিত বনাঞ্চল। ১৯৯৬ সালে এটিকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। উদ্ভিদ আর প্রাণীবৈচিত্রের আঁধার এই বন বিভিন্ন বিরল ও বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত। বন বিভাগের হিসেব মতে, ২০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ৫৯ প্রজাতির সরীসৃপ (৩৯ প্রজাতির সাপ, ১৮ প্রজাতির লিজার্ড, ২ প্রজাতির কচ্ছপ), ২২ প্রজাতির উভচর, ২৪৬ প্রজাতির পাখি ও অসংখ্য কীট-পতঙ্গ রয়েছে। এই বনে বিরল প্রজাতির উল্লুক, মুখপোড়া হনুমান , চশমাপড়া হনুমানও দেখতে পাওয়া যায়।
অপরদিকে, মৌলভীবাজার জেলার বড়লখো উপজলোয় মাধবকুন্ড জলপ্রপাতটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জলপ্রপাত। প্রায় ২০০ ফুট উঁচু টিলা হতে পাহাড়ি ঝর্নার পতিত জলরাশি পর্যটকের জন্য আকর্ষণীয়। এ জলপ্রপাতের নিকটেই খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস। জলপ্রপাতের চতুর্দিকে বিশাল বনভূমি অবস্থিত। মাধবকুন্ড জলপ্রপাত সংলগ্ন কুন্ডে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের চৈত্রমাসের মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে বারুনী স্নান হয় এবং মেলা বসে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের এটি একটি তীর্থ স্থান।
নিজের আপত্তিকর ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশ করায় ফরাসী সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন শার্লি হেবদোর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান। বুধবার তিনি ম্যাগাজিনটির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করেন।
এরদোগানের আইনজীবী জানিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে ঘৃণ্য কার্টুনের অভিযোগ এনে ম্যাগাজিনটির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন এরদোগান।
তুর্কি সংবাদমাধ্যম ইয়েনি শাফাক জানিয়েছে, আঙ্কারার প্রসিকিউটরের কাছে এ অভিযোগটি জমা পড়েছে। আইনজীবী হুসেই আদিন জানিয়েছেন, ম্যাগাজিন কর্তৃপক্ষ ও কার্টুনিস্টের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।
এর আগে এদিন দেশের প্রেসিডেন্টকে অপমান করায় আঙ্কারার প্রসিকিউটরও শার্লি হেবদোর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তুরস্কের আইনে মামলা দায়ের করেছেন।
তুর্কি কর্মকর্তারা বলছেন, পত্রিকাটি সাংস্কৃতিক বর্ণবাদ ও বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেয়ার জন্য এটি ‘ঘৃণ্য প্রচেষ্টা’।
রয়টার্স জানিয়েছে, এরদোগানকে নিয়ে যে ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশ করা হয়েছে, তার কভারে দেখা গেছে, এরদোগান একটি সাদা টি-শার্ট পরে বসে আছেন। হাতে একটি ক্যানের ভেতর পানীয় জাতীয় দ্রব্য রাখা এবং পাশে দাঁড়িয়ে আছে ইসলামিক হিজাব পড়া এক নারী।
এর আগে ইসলামের নবী হযরত মোহাম্মদকে (সা.) নিয়ে ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশ করায় ফ্রান্স ও তুরস্কের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। চলতি মাসেই ফ্রান্সের এক শিক্ষক ক্লাস রুমে ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশ করার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। পরে ওই শিক্ষককে এক মুসলিম তরুণের হাতে প্রাণ দিতে হয়।
যদিও তরুণটি হামলার পরেই পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন। ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশের ঘটনায় ওই শিক্ষকের প্রতি সম্মান জানাতে গিয়ে ইসলাম ও বিশ্বনবীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো।
তুর্কি যোগাযোগ অধিদফতর বলছে, আমাদের জনগণের সন্দেহ নেই যে প্রশ্নবিদ্ধ ব্যাঙ্গচিত্রের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সব আইনগত ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার থানা পুলিশের অভিযানে ৫ লিটার দেশীয় চোলাইমদসহ একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামী বিয়ানীবাজার উপজেলার মাটিকাটা গ্রামের মৃত সিরাজ উদ্দিনের ছেলে আব্দুল গনি (৪৫)। বুধবার পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৫ লিটার দেশীয় তেরী চোলাইমদসহ তাকে আটক করে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৮ অক্টোবর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিয়ানীবাজার থানার এসআই নূর মিয়া ও এসআই শাহ আলম এর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে বিয়ানীবাজার পৌরশহরে দক্ষিণবাজারে সালমা বোডিং এর পিছনে আব্দুল গণিকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ৫ লিটার দেশীয় তৈরী চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়েছে।
বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিল্লোল রায় আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সিলেটের মাননীয় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম মহোদয়ের দিক নির্দেশনায় বিয়ানীবাজার মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা মদসহ একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা দায়ের করে জেল হাজতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে। বিয়ানীবাজার যেকোন অপরাধ মুক্ত করতে থানা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
মৌলভী বাজারের বড়লেখায় গ্রামের বাড়িতে ঈদ করতে গিয়ে সিলেট পলিটেকনিক কলেজের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার সাইফুর রহমানের (২৭) মৃত্যুর রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। শ্বাসরোধে হত্যার ময়না তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই সোমবার বিকেলে পুলিশ পরিকল্পিত হত্যায় জড়িত ৩ আসামীকে গ্রেফতার করেছে। এরা হচ্ছে উপজেলার বর্নি ইউনিয়নের আহমদপুর গ্রামের আনসার আলীর ছেলে কামাল আহমেদ সাজু (২২), জবলু হোসেন (২৫) ও বাবুল হোসেন (২৭)। মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ আসামীদের আদালতে সোপর্দ করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়েছে। আদালত আসামীদের কারাগারে পাঠিয়েছেন।
জানা গেছে, উপজেলার আহমদপুর গ্রামের মাদ্রাসা শিক্ষক আব্দুল আহাদ ছেলেসহ সিলেটে বসবাস করেন। সাইফুর রহমান (২৭) সিলেট পলিটেকনিক কলেজের মেধাবী ছাত্র ও ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার। গ্রামের বাড়িতে ঈদ করতে গত ৩০ জুলাই একাই তিনি বাড়িতে যান। রাতে শয়নকক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন সন্ধ্যায় পুলিশের উপস্থিতিতে দরজা ভেঙ্গে ঘরের মেঝ থেকে তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। এসময় সাইফুর রহমানের চাচা বলাই মিয়াসহ এলাকার অনেকে জোর দিয়ে বলেন তাকে বিষাক্ত সাপ কামড় দিয়েছে। তার পায়ের উরুতে সাপের কামড়ের মতো কিছু চিহ্নও পাওয়া যায়। তারা তাকে বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এরপরও তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসকও তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর নিহত সাইফুর রহমানের লাশের ময়না তদন্ত শেষে স্বজনদের নিকট লাশ হস্তান্তর করা হয়।
নিহত সাইফুর রহমানের ছোটভাই এমদাদুর রহমান জানান, ‘আমরা প্রথম থেকেই বলেছিলাম সাপের ছোবলে আমার ভাইয়ের মৃত্যু হয়নি। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর সাপের কামড়ে মৃত্যুর নাটক সাজানো হয়। তখন অজ্ঞাত আসামী করে থানায় হত্যা মামলা দিতে গেলে পুলিশ বলেছিল ময়না তদন্ত প্রতিবেদনে হত্যার আলামত পাওয়া গেলে পুলিশ মামলা নিবে। শ্বাসরোধে হত্যার রিপোর্ট আসার পরই পুলিশ ডেকে নিয়ে মামলা নিয়েছে। হত্যায় জড়িত ৩ আসামীকে তাৎক্ষণিক পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অন্যান্য আসামীদের দ্রæত গ্রেফতার ও হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাচ্ছি।’
থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার জানান, নিহতের চাচা ও পাশের ঘরের বাসিন্দারা তখন বিষধর সাপের কামড়ে সাইফুর রহমানের মৃত্যু হয় বলে দাবী করেন। ময়না তদন্ত রিপোর্টের অপেক্ষায় ছিলেন। সোমবার ময়না তদন্ত প্রতিবেদন হাতে আসে। এতে শ্বাসরোধে হত্যার প্রমাণ মিলেছে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই এমদাদুর রহমান থানায় হত্যা মামলা করেছেন। বিকেলেই অভিযান চালিয়ে ৩ আসামীকে গ্রেফতার করেন। তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়েছেন। অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
ফ্রান্স সরকার কর্তৃক মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন প্রদর্শন ও ধর্মীয় অবমাননার প্রতিবাদে মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ছাত্র মজলিস….
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস বড়লেখা উপজেলা উত্তর সভাপতি মুহাম্মদ কামরুল হাসান এর সভাপতিত্বে ও দক্ষিন শাখার সভাপতি আব্দুল্লাহ আল নোমান এর পরিচালনায় মিছিল পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রাক্তন সুনামগঞ্জ জেলা সভাপতি ও খেলাফত মজলিস বড়লেখা উপজেলা সভাপতি কাজী মাওলানা এনামুল হক।
প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিস মৌলভীবাজার জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল খালিক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ছাত্র মজলিস মৌলভীবাজার জেলা শাখার প্রাক্তন সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক এম এম আতিকুর রহমান, প্রাক্তন জেলা সভাপতি মুহাম্মদ খায়রুল ইসলাম, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রাক্তন সভাপতি খসরুল আলম, উপজেলা খেলাফত মজলিসের সহ সভাপতি মাওলানা শফিকুল ইসলাম, ছাত্র মজলিস জেলা বায়তুলমাল ও প্রকাশনা সম্পাদক মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান, উপজেলা খেলাফত মজলিসের সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফখরুল ইসলাম, ফয়সল আলম স্বপন।
উপস্থিত ছিলেন ছাত্র মজলিস মৌলভীবাজার জেলা শাখার প্রাক্তন সেক্রেটারি মুহাম্মদ এনামুল হক, জেলা অফিস ও প্রচার সম্পাদক আনিসুল ইসলাম, উপজেলা উত্তর শাখার সেক্রেটারি আশরাফ হোসেন, মেহেদি হাসান, আব্দুল মুকিত, সেলিম উদ্দিন, জাহেদ আহমদ প্রমুখ।
মিছিলটি পৌর শহরের শড়ক প্রদক্ষিন করে বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে এসে প্রতিবাদ সমাবেশ করে।
ছেলে হত্যার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে আমরন অনশনে নেমেছেন সিলেটের বন্দরবাজার ফাঁড়িতে পুলিশি নির্যাতনে নিহত রায়হান আহমদের মা সালমা বেগম। রবিবার সকাল ১১ টা থেকে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তিনি বন্দরবাজার ফাঁড়ির সামনে অনশনে বসেন। অনশনস্থলে তারা হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন ধরনের ফেস্টুন প্রদর্শন করেন। অনশনরত রায়হানের পরিবারের সদস্যদের মাথায় এসময় কাফনের কাপড় (সাদা কাপড়) বাঁধা রয়েছে।
প্রসঙ্গত গত ১১ অক্টোবর সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে নগরীর নেহারিপাড়া মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে রায়হান আহমদকে গুরুতর আহত অবস্থায় ওসমানী মেডেকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন বন্দরবাজার ফাঁড়ির এএসআই আশেকে এলাহী। সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান রায়হান। এ ঘটনায় রায়হানের স্ত্রী হত্যা ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইনে থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর বন্দর বাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবরসহ চার পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত ও তিন জনকে প্রত্যাহার করা হয়।
মামলার তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই ইতোমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাশ ও হারুনুর রশিদকে গ্রেফতার করে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে।
মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার ৬ নং সদর ইউনিয়নের গঙ্গারজল বালিছড়া ওয়েলফেয়ার সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত কুরআন তেলাওয়াত ও কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। ২৪ (অক্টোবর) দুপুরে বালিছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে মুহিবুর রহমান ও জুনেদ আহমদ এর সঞ্চালনায় গ্রামের বিশিষ্ট মুরব্বি মকদ্দছ আলীর সভাপতিত্বে কুইজ প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ তাজ উদ্দীন, কাউন্সিলর জেহিন সিদ্দিকী, ইউপি সদস্য মঈন উদ্দিন, জয়নাল আবেদীন তাপাদার, আব্দুল মানিক, আজির উদ্দিন, আব্দুল আহাদ,হেলাল উদ্দিন, আলিম উদ্দিন, সাংবাদিক মইনুল ইসলাম, আকদ্দস আলী, প্রবাসী সয়েফ উদ্দিন, তানভীর, জাহিদ, সাইফুরসহ বালিছড়া ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সদস্যবৃন্দ।
এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সোয়েব আহমদ ওয়েলফেয়ার সোসাইটির ভূয়সি প্রশংসা করে বলেন, এ রকম উদ্যোগ যুব সমাজকে ইভটিজিং,মাদক ও নৈতিক অবক্ষয় থেকে বাঁচিয়ে রাখবে।
পুলিশী হেফাজতে সিলেটে নিরীহ যুবক রায়হান আহমদ হত্যা, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীনতা, দুনীতি, খুন গুম ও ঢাবি শিক্ষকের সালাম, আল্লাহ হাফেজ নিয়ে চরম কটাক্যতা এবং সীমান্তে মানুষ হত্যা দেশব্যাপী ধর্ষণ-ব্যভিচারের প্রতিবাদে মৌলভীবাজারের বড়লেখায় সমমনা ইসলামী দলসমূহের ব্যানারে এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
(২৩ অক্টোবর) বাদ জু’মা বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খেলাফত মজলিসের জেলা তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক এম. এম আতিকুর রহমান বলেন, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্ধ্বগতি রোধে ব্যর্থতা এবং দেশব্যাপী ধর্ষণ-ব্যভিচার রোধে সরকার ব্যার্থতার পরিচয় দিচ্ছে। জনগণের সরকার হলে এসব নিয়ন্ত্রণে যথার্যথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হতো। তিনি অবিলম্বে এসকল দাবীসমূহ বাস্তবায়নের আহবান জানিয়ে বলেন, অন্যতায় ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে দেশ ও জাতিকে বিপর্যস্ততার হাত থেকে বাচাতে হবে।
খেলাফত মজলিসের উপজেলা সভাপতি মাওলানা কাজী এনামূল হকের সভাপতিত্বে ও সহ-সেক্রেটারী ফয়সল আলম স্বপন এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিস বড়লেখা উপজেলা সহ সভাপতি মাওলানা শফিকুল ইসলাম সিদ্দিকী, সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফখরুল ইসলাম, ছাত্র জমিয়তের উপজেলা আহবায়ক মাওলানা আবিদুর রহমান, যুগ্ম সদস্য সচিব ফাহিম আহমদ, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস বড়লেখা উপজেলা সভাপতি কামরুল হাসান, সুড়িকান্দি মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা জাকারিয়া আহমদ প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কাঠালতলী টাকি মহিলা টাইটেল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা শফিকুল ইসলাম সিদ্দিকী।
আণ্জুমানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার বার্ষিক অধিবেশন আজ ২২ অক্টোবর দুপুর ১২টা থেকে বরুণার মসজিদে ক্বাদিমে অনুষ্ঠিত হয়।
ওলিকুল শিরোমনী আল্লামা মুফতী রশীদুর রহমান ফারুক পীর সাহেব বরুণী’র সভাপতিত্বে দুই অধিবেশনে শুরা সদস্যরা বিস্তারিত আলোচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে মুফতি রশীদুর রহমান ফারুক বর্ণভীকে আমীর ও বড়লেখার কৃতি সন্তান অধ্যাপক মাওলানা আবদুস সবুরকে মহাসচিব নির্বাচিত করা হয়েছে।
নায়েবে আমীররা হলেন মাওলানা সাইদুর রহমান বর্ণভী, মাওলানা ওলিউর রহমান বর্ণভী, আল্লামা আব্দুল বারী ধর্মপুরী, মাওলানা আবদাল হোসেন খান, মাওলানা নুরে আলম হামিদী, মাওলানা বদরুল আলম হামিদী, কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা শাহ নজরুল ইসলাম, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকরা হলেন শায়েখ মাওলানা মুজাদ্দিদ আলী, মাওলানা মুজিবুর রহমান মুজাহিদ, মুফতি শফিকুর রহমান সিলেট, মাওলানা জাবের আহমদ হবিগঞ্জি, মাওলানা হেলাল আহমদ হেতিমগঞ্জি, মাওলানা লুৎফুর রহমান জাকারিয়া কমলগঞ্জি। অর্থ সম্পাদক মুফতি হিফজুর রহমান ফুয়াদ, প্রচার সম্পাদক মাওলানা জিয়া উদ্দিন ইউসুফ প্রমুখ। এছাড়াও আমীরে আন্জুমান ও মহাসচিব অন্যান্য সম্পাদকীয় ও সদস্যবৃন্দ নিযুক্ত করবেন মর্মে শুরা অধিবেশনে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের উপ নির্বাচনে মিছবাহুর রহমান জয়লাভ করায় বড়লেখা উপজেলা আওয়ামীলীগ পরিবার থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ।
গতকাল মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের উপনির্বাচনে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ মিছবাহউর রহমান এর বিপুল ভোটে জয়লাভ করার কারণে বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
প্রয়াত ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের মৃত্যুর কারণে গতকাল এ জেলায় উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ভোটগ্রহণ শেষে বেসরকারিভাবে আলহাজ্ব মিছবাহউর রহমান কে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তখন ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সুন্দর, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান সুয়েব আহমদ, বড়লেখা পৌরসভা মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল ইমাম কামরান চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো: তাজউদ্দীন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক একেএম হেলাল, বড়লেখা পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল আহাদ, সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সিরাজ উদ্দিন, মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সুমন আহমদ।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের আতুয়া গ্রামের লন্ডন প্রবাসী স্কুল শিক্ষক মাওলানা মো. মুমিনুল ইসলাম ফারুকী ও তাঁর বন্ধুমহলের অর্থায়নে এলাকার দরিদ্র, অসচ্ছল ১০০টি পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আতুয়া গ্রামে প্রবাসী মুমিনুল ইসলাম ফারুকীর নিজ বাড়িতে দরিদ্রদের মাঝে এসব সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।
এসময় উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ১৬জন সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ৮৪ জন ইসলাম ধর্মাবলম্বীসহ মোট ১০০ জন দরীদ্র অসচ্ছল মানুষের মাঝে ১০ কেজি করে চাল, ১ কেজি ডাল, ১ কেজি লবণ, ২ টি সাবান ও নগদ ৫শত টাকা করে বিতরণ করা হয়
বিতরণকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আহমদ জুবায়ের লিটন, ইউপি সদস্য আলীম উদ্দিন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কালাচাঁদ চন্দ চন্দ, ছাতারখাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল করিম, মুজিরুল ইসলাম, ক্বারী আব্দুস শহীদ,সাংবাদিক কাজী মুহাম্মদ রমিজ উদ্দিন,দৈনিক ইনকিলাব বড়লেখা প্রতিনিধি সুলতান মাহমুদ খাঁন, বড়লেখা ডাকের বার্তা সম্পাদক তারেক মাহমুদ, প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মাওলানা মুমুনুল ইসলাম ফারুকী জানান, খেটে খাওয়া হতদরিদ্র মানুষগুলো খুব মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাই প্রবাসে বসে আমি উদ্যোগ নিয়েছি হতদরিদ্র মানুষের পাঁশে দাঁড়ানোর। এ উদ্যোগে আমার বন্ধুমহল এগিয়ে এসেছেন। তাদের আর্থিক সহযোগিতায় এবং আমার ভাই আব্দুশ শহীদ ও মুজিরুল ইসলামের মাধ্যমে করোনাকালীন সময়ে আরও ৪র্থ দফায় অসহায় দরিদ্রদের মাঝে নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছি। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ১০০টি হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ সম্পন্ন করা হয়েছে। ধাপে ধাপে হতদরিদ্র পরিবারগুলোর মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের ধারা অব্যাহত রাখবো ইনশাআল্লাহ।’
নিউজ ডেস্কঃ গত রোববার রাতে মায়ের কাছে মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার বায়না ধরে ছেলে আবু হানিফ। কিন্তু মা তাতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষুব্ধ হয় সে। রাতে ঘুমন্ত মায়ের শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় আবু হানিফ। গতকাল শুক্রবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান হনুফা বেগম। এ ঘটনায় হনুফা বেগমের ভাই দুলাল মিয়া বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।
এ ব্যাপারে শেরপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, হনুফা বেগমের তিন ছেলেমেয়ের মধ্যে আবু হানিফ বড়। সে কিছুদিন ধরে মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার কথা বলছিল মা হনুফা বেগমকে। তিনি রাজি না হওয়ায় গতকাল শুক্রবার রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় তাঁর শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় আবু হানিফ। দগ্ধ হনুফা বেগমকে প্রথমে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতাল এবং পরে ময়মনসিংসহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার হনুফা মারা যান।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার সুনাই নদীতে উওর শাহবাজপুর ইউনিয়ন এর ভাটাউছি বাঁধে ভাটাউচি ও তাজপুর এলাকাবাসী উদ্যোগে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার বিকালএই প্রতিযোগিতায় ৮ টি বড় নৌকা অংশ গ্রহণ করে। সিলেট জেলার দক্ষিণ বিয়ানীবাজার এর নৌকা চ্যাম্পিয়ান হয় এবং সাদিমাপুর নৌকা রানাস্আপ হয়। প্রথম পুরুস্কার হিসেবে একটি গরু এবং ২য় পুরস্কার একটি ছাগল দেওয়া হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন। এছাড়া অতিথি হিসেবে ৪নং উওর শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আহমদ জুবায়ের লিটন, শাহবাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোশাররফ হোসেন, সাব ইন্সপেক্টর রতন কুমার হাওলাদার, লন্ডন প্রবাসী সাইফুল ইসলাম, অধ্যাপক আব্দুস শহীদ খান তোহিদুর রহমান টিপু প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
“মুজিব বর্ষের শপথ, সড়ক করবো নিরাপদ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২০ উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসাবে বড়লেখা উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের আজিমগঞ্জ বাজারে জনসচেতনতা’মূলক প্রচারণা করেছে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) বড়লেখা উপজেলা শাখা।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় আজিমগঞ্জ বাজারে নিসচা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক তাহমীদ ইশাদ রিপনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আইনুল ইসলামের সঞ্চলনায় পথ সভার মধ্যে দিয়ে জনসচেতনতা’মূলক প্রচারাভিযান অনুষ্টিত হয়েছে।
জনসচেতনতা’মূলক প্রচার অভিযানে উপস্থিত ছিলেন আজিমগঞ্জ বাজারের বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ, বণিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাদের আহমদ, আগর আতর ব্যবসায়ী তাজ উদ্দিন এবং নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখার যুগ্ম-আহবায়ক মার্জানুল ইসলাম মার্জান, কার্যকরী কমিটির সদস্য মাস্টার খালেদ আহমদ, মাওলানা মাছুম আহমদ, রাসেল আহমদ ও শুভাকাঙ্ক্ষী মারুফ সুমন, আশরাফুল ইসলাম দিপু সহ প্রমুখ।
উল্লেখ্যঃ জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসাবে নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখা জনসচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে। তারই ধারাবাহিকতায় নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখার জনসচেতনতা’মূলক বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।
দেশব্যাপী ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন ঘটনার প্রতিবাদের অংশ হিসেবে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে “নারীর প্রতি সহিংসতা নিরসনে, আপনার পুলিশ আপনার পাশে” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নারী ধর্ষণ ও নির্যাতন বিরোধী বিট পুলিশিং পদযাত্রা বড়লেখায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৭অক্টোবর) সকাল ১০ টায় ৬নং বড়লেখা সদর ইউনিয়নসহ উপজেলার সকল ইউ/পিঃ অফিসের সামনে থেকে বড়লেখা বিট পুলিশিং ও থানা পুলিশের যৌথ আয়োজনে, পদযাত্রায় অংশ গ্রহন করেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ,বড়লেখা পৌর মেয়র আবুল ইমাম কামরান চৌঃউপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃতাজ উদ্দিন, বড়লেখা উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রাহেনা বেগম হাসনা,উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দ,বড়লেখা থানা অফিস ইনচার্জ মোঃ জাহাঙ্গীর সরদার, জেলা পরিষদের সদস্য জুবায়দা ইকবাল,বিট পুলিশিং বড়লেখা উপজেলা শাখার সেক্রেটারী আব্দুল আহাদ,বড়লেখা উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছাঃজেবিন নাহার জেলি বড়লেখা থানা বিট পুলিশি ও স্বচেতন নাগরিক অংশ গ্রহন করেন।
পুলিশি নির্যাতনে’ যুবক আখলিয়ার রায়হান মৃত্যুর ৫ দিনেও উত্তাল ছিল সিলেট। একই দিন রাস্তা থেকে সাধারণ জনতাকে সরিয়ে দিতে গেলে উল্টো পুলিশকে ধাওয়া করে বিক্ষুব্ধ জনতা।
(১৫অক্টোবর) বৃহস্পতিবার বিকালে রায়হানের বাসার কাছে নেহারীপাড়ায় সিলেটে-সুনামগঞ্জ সড়কে জনতা টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেছে।
একই সময়ে সুবিদবাজারে ও দুপুরে আম্বরখানা পয়েন্টে ও শহীদ মিনারে, সন্ধ্যায় কোর্ট পয়েন্টে পৃথক প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানব অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনে বক্তরা অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের গ্রেফতার ও ফাঁসি দাবি করে বলেন, পুলিশ হেফাজতে কারো মৃত্যু কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না।
এর আগে দুপুরে নিহত রায়হানের মা সালমা বেগমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট লোকজন রেজিস্ট্রি মাঠ থেকে মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসক এম, কাজী এমদাদুল ইসলামের নিকট রায়হান হত্যাকারীদের বিচার ও দোষীদের গ্রেফতার দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছেন।
এদিকে বিকালে পাঠানটুলায় রাস্থা অবরোধ করলে পুলিশ তাদেরকে সরিয়ে দিতে গেলে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী পুলিশকে ধাওয়া করে।
অভিযোগ উঠেছে সিলেটে বন্দর বাজার ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনে মারা যান রায়হান।
নিহতের চাচা মো. হাবিবুল্লাহ জানান, ভোর রাত চারটার দিকে রায়হান একজন পুলিশ সদস্যের ফোন দিয়ে তার মায়ের মোবাইলে কল করে বলে, ‘আমারে বাঁচাও, ১০ হাজার টাকা লইয়া তাড়াতাড়ি ফাঁড়িতে আসেন। ’ এরপর পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিত হন রায়হানকে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।
মো. হাবিবুল্লাহর দাবি, কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদে ফজরের নামাজ পড়ে পাশের ফাঁড়িতে রায়হানের সন্ধানে গেলে ডিউটিরত কনস্টেবল তাকে জানান- ‘সবাই ঘুমে। সকালে আসেন। এ সময় ১০ হাজার টাকা নিয়ে তাকে ফাঁড়িতে যেতে বলা হয়।
নিহতের চাচা বলেন, পরে ৫ হাজার টাকা সংগ্রহ করে ফাঁড়িতে গেলে পুলিশ বলে রায়হান অসুস্থ। ওসমানী মেডিকেলে যান। এরপর মেডিকেল হাসপাতালের মর্গে এসে দেখেন রায়হানের লাশ। এই ঘটনায় নগরীতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
হাবিবুল্লাহ বলেন, রায়হানের পায়ের তলা ও হাঁটুর নিচসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার হাতের নখ উপড়ে ফেলা হয়েছে। ফাঁড়ির ভেতর ‘পুলিশ নির্যাতন’ করে তাকে হত্যা করেছে বলেও অভিযোগ তার।
এ ঘটনায় রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
এদিকে রায়হানের শরীরে অতিরিক্ত আঘাতের কারণেই মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. শামসুল ইসলাম। দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
ডা. শামসুল বলেন, রায়হানের শরীরে অনেকগুলো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাকে প্রচণ্ড মারধর করা হয়। এসব কারণেই তার মৃত্যু হতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে এ ব্যাপারে বিস্তারিত বলা যাবে।
উৎসর্গ ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার নব গঠিত কমিটির পরিচিতি সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন। বৃহস্পতিবার(১৫অক্টোবর)বড়লেখা ডাক বাংলো প্রাঙ্গণে পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উৎসর্গ ফাউন্ডেশন বড়লেখা উপজেলা শাখার সভাপতি আবু হাসান রানার সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাকের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এমরান হোসেন,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক জুনেদ আহমদ,উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক মতিউর রহমান জাকের,বড়লেখা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সহ সভাপতি কামরুল হাসান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ সভাপতি আরিফুল ইসলাম আরিফ,মাসুদ আহমদ,ফারহান আহমদ সাইফ,আলী কাউছার, যুগ্মসাধারন সম্পাদক সজীব আহমদ,অনিবার্ণ দে,শেবুল আহমেদ,সালমান, আরিফুর রহমান,ফজলে রাব্বী,নিশাত, আহমদ সাকিল,সাইফুল ইসলাম, রুহুল,জুয়েল,শুভ,কামিল,মাসুম,নাহিদ,আরমান,ইমন,মাহফুজ,রুহান আলি,এপলু রহমান,আব্দুল্লা আল আমিন সহ প্রমুখ
পরিচিতি সভা শেষে সংগঠনের পক্ষ থেকে ফলজ গাছের চারা রোপন করা হয়।
মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধি:মৌলভীবাজারের বড়লেখায় অবৈধভাবে টিলা কেটে মাটি পরিবহনের দায়ে দুইজন ট্রাক ও ট্রাক্টর চালককে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। (১৫অক্টোবর)বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের করমপুর গ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত লায়লা নীরা।তারা হলেন ট্রাক চালক আব্দুল মুমিন ও ট্রাক্টর চালক তোফায়েল আহমদ। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের করমপুর গ্রামে প্রভাবশালীরা অবৈধভাবে প্রাকৃতিক টিলা কেটে মাটি বিক্রি করছিল। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত লায়লা নীরা পুলিশ নিয়ে সেখানে অভিযান চালান। এসময় টিলা কেটে মাটি পরিবহনের দায়ে ট্রাক চালক আব্দুল মুমিন ও ট্রাক্টর চালক তোফায়েল আহমদকে আটক করা হয়। পরে তাদেরকে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন-২০১০ অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে শাহবাজপুর তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রতন কুমার হালদার প্রমুখ সহায়তা করেন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত লায়লা নীরা অবৈধভাবে টিলা কাটার অপরাধে দুইজন পরিবহণ চালককে জরিমানা আদায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পরিবেশ রক্ষার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অত্র মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সদস্য তাহের আলী ও আতাউর রহমান,পাপলু আহমদ,স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন অফ হেল্পিং ফাউন্ডেশন অফ ভাদেশ্বর হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার সদস্য হাফিজ তানজিদ খাঁন নাইম,হাফিজ সায়েম আহমদ,হাফিজ নাহিদুর রহমান,হাফিজ সাহেদ আহমদ,হাফিজ সৈয়দ জাকারিয়া কিবরিয়া,হাফিজ জুনেদ আহমদ,হাফিজ নাহিদুল ইসলাম,হাফিজ হিমেল,হাফিজ সাহেদ আহমদ, সরওয়ার হোসেন এবং অত্র মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্রবৃন্দ প্রমূখ।
মৌলভীবাজারেে বড়লেখার চান্দগ্রামে বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার সাবেক কেন্দ্রিয় সভাপতি মাওঃ বেলাল আহমদ বলেছেন,”যারা মেধার স্বাক্ষর রেখে উত্তীর্ণ হয়েছেন তাদের জীবনে পূর্ণ সফলতা ও স্বার্থকতা অর্জন করতে হবে। জীবনের প্রতিটি ধাপে তারা সফলতার সাথে স্বার্থকতা অর্জন করতে হবে। আর জীবনে সফল ও স্বার্থক হতে উন্নত চরিত্রের বিকল্প নেই। তিনি অদ্য (১৪ অক্টোবর)বুধবার বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া বড়লেখা উপজেলার চান্দগ্রাম আঞ্চলিক শাখা কর্তৃক আয়োজিত দাখিল ও এস.এস.সি. উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এ ছাড়া প্রধান বক্তার বক্তব্যে এম.সি কলেজ তালামীযের সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা কামরুল ইসলাম বাবু বলেন, মা-বাবা, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে নিজেকে মুল্যবান একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। যার মাধ্যমে দুনিয়া আখিরাত সমৃদ্ধ হবে। আর এভাবে ভবিষ্যত সাজিয়ে তুলতে লক্ষ্য স্থির করেই এগিয়ে যেতে হবে। আঞ্চলিক শাখার সভাপতি মোঃ নাহিদ হোসাইন এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুর রহমান অপু’র পরিচালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র ক্বোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন আঞ্চলিক শাখার সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক হাফিজ আব্দুল্লাহ, নাতে রাসুল পরিবেশন করেন মোঃ মুজিবুর রহমান, শানে ফুলতলী পরিবেশন করেন করেন অত্র শাখার সদস্য মঞ্জুর আহমদ, স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাংগঠনিক সম্পাদক ইশতিয়াক আহমদ ও সংবর্ধিত ছাত্র নাইম হোসেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা আল ইসলাহ’র সহ সভাপতি মাওঃ কাজী আব্দুর রহমান, চান্দগ্রাম ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা’র প্রাক্তন প্রভাষক মাওঃ নুরুল ইসলাম, ইউকে আল ইসলাহ’র সাবেক ওয়েলফেয়ার সেক্রেটারী মাওঃ সেলিম উদ্দিন, চান্দগ্রাম ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক প্রভাষক মাওঃ নুরুল ইসলাম, উপজেলা আল ইসলাহর প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওঃ মাহবুবুল আলম, চান্দগ্রাম মাদ্রাসার শিক্ষক মাওঃ সাইদুল ইসলাম, উপজেলা আল ইসলাহ’র শিক্ষা ও সাংস্কৃতি সম্পাদক মাওঃ জয়নুল ইসলাম, সৌদি আল ইসলাহ নেতা জনাব মাহমুদ হাসান, বড়লেখা উপজেলা তালামীযের সাধারণ সম্পাদক রুবেল হোসাইন, সাবেক সভাপতি শাহীন উদ্দিন, সহ সভাপতি মাওঃ জহুরুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা সিদ্দিকুর রহমান । এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ ও চান্দগ্রাম আঞ্চলিক শাখার সাবেক বর্তমান নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানে দাখিল/এসএসসি কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেষ্ট ও সনদপত্র তুলে দেয়া হয়।
পরিশেষে, মাওঃ নুরুল ইসলাম এর দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি হয়।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার বন, বনভূমি ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় বদ্ধপরিকর। এর অংশ হিসেবে সরকার বাংলাদেশে বিলুপ্তির সম্মুখীন উদ্ভিদ প্রজাতির রেড লিস্ট প্রস্ততকরণ এবং আগ্রাসী বিদেশী গাছের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দেশজ উদ্ভিদ প্রজাতি তথা বনজসম্পদ রক্ষার কৌশলগত ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি উদ্ভাবনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এটি বাস্তবায়িত হলে আমাদের এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তা করবে।
আজ ১৪ অক্টোবর বুধবার বন অধিদপ্তরে “বাংলাদেশের উদ্ভিদ প্রজাতির জাতীয় রেডলিস্ট প্রণয়ন এবং নির্বাচিত সংরক্ষিত বনাঞ্চলের বিদেশী আগ্রাসী উদ্ভিদ ব্যবস্থাপনার উদ্ভাবন’ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী এসব কথা বলেন। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এমপি, সচিব জনাব জিয়াউল হাসান এনডিসি, অতিরিক্ত সচিব আহমদ শামীম আল রাজী, বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়ামের পরিচালক পরিমল সিংহ, সুফল প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোঃ রকিবুল হাসান মুকুল, আইইউসিএন বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ রাকিবুল আমীন প্রমুখ কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন। সভাপতিত্ব করেন প্রধান বন সংরক্ষক মোঃ আমীর হোসেন চৌধুরী।
বন মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বন অধিদপ্তরের টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পের আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম ও আইইউসিএন বাংলাদেশ কর্তৃক গৃহীত প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশে ১০০০ উদ্ভিদ প্রজাতির রেড লিস্ট প্রণয়ন সম্পূর্ণ হলে আমরা উদ্ভিদ ও বন সংরক্ষণে একটি বড় ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবো। তিনি বলেন, আমরা এরই মধ্যে প্রায় ৪০ টির অধিক জাতীয় উদ্যান ও অভয়ারণ্য ঘোষণা করেছি যা বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বনায়ন সম্প্রসারণে বেসরকারী এবং ব্যক্তি উদ্যোগে রোপণকৃত বিদেশী উদ্ভিদ প্রজাতির একটি বড় অংশ দেশীয় উদ্ভিদের অস্তিত্বের জন্য বিপদজনক হয়ে দাড়িয়েছে।
মন্ত্রী জানান, এই প্রকল্পের একটি বড় কাজ হলো বিদেশী প্রজাতির উদ্ভিদ চিহ্নিতকরণ এবং আগ্রাসী উদ্ভিদ সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য ৫টি ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান প্রণয়ন করা।বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে সুফল প্রকল্পের আওতাধীন কর্মসূচিটির সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের বন ও পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে মর্মে মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এলক্ষ্যে তিনি সবাইকে সরকারের সাথে বন-বন্যপ্রাণি ও পরিবেশ রক্ষায় একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। দেশের জনগণ যার যার অবস্থান থেকে সাধ্যমত কাজ করার মাধ্যমে পরিবেশগত উন্নয়নে আমাদের দেশ পৃথিবীতে রোল মডেল হিসেবে স্থান করে নিবে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
কর্মশালার ২য় পর্বে ‘বাংলাদেশের উদ্ভিদ প্রজাতির জাতীয় রেডলিস্ট প্রণয়ন’ এবং ‘ বিদেশী আগ্রাসী উদ্ভিদ ব্যবস্থাপনা কৌশলপত্র প্রণয়ন ‘ শীর্ষক দুটি কর্ম অধিবেশনে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে ২ মাদকসেবীকে আটক করেছে শাহবাজপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ। মঙ্গলবার ( ১৩ অক্টোবর) রাত পৌনে নয়টার দিকর ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের বেরেঙ্গা পানপুঞ্জি এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের উভয়কে ৬ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছে, সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার পৌর শ্রীধরা গ্রামের মৃত মকবুল আলীর ছেলে রুহুল আমিন জিবুল(৩১) ও একই উপজেলার লাউতা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাড়িয়াবহর গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে মাসুম আহমদ(৩৪)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে , গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে শাহবাজপুর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের বেরেঙ্গা পানপুঞ্জি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন । অভিযানকালে মাদক সেবনরত অবস্থায় ২ জনকে আটক করে। এ সময় তাদের কাঁছ থেকে ৪’শ গ্রাম দেশীয় চোলাই মদ ও পাঁচ পুরিয়া গাঁজাসহ মাদকসেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাদের প্রত্যেককে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম আল ইমরান।
বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম আল ইমরান বিষয়টি মঙ্গলবার রাতে ৯টায় নিশ্চিত করে বলেন, আটককৃত ২ মাদক সেবীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৬ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে এবং জব্দকৃত মাদক ধ্বংস করা হয়েছে।
জাতি হিসেবে আমরা লজ্জিত! সরকার কি তাদের বেতন দেয়না, তাহলে কেন এতো টাকার প্রয়োজন??
মাত্র ১০ হাজার টাকা ঘুষ না পেয়ে সিলেট পুলিশ ফাঁড়িতে রাতভর নির্যাতন করে রায়হান নামের যুবকটিকে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ মৃতের পরিবারের। ভাবতেই চোখে জল আসে যে নিহত রায়হানের মাত্র ২ মাসের একটা শিশু সন্তান রয়েছে ! সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত কঠোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে চলছে আমজনতার বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ।
পবিত্র কুরআনের ফরমান ” তোমাদের কি হয়েছে? কেন তোমরা আল্লাহর পথে জিহাদ/ সংগ্রাম করছো না ! অথচ নির্যাতন পুরুষ নারী শিশু আবাল বৃদ্ধ বনিতা আর্তনাদ করে ফরিয়াদ করছে -হে আমাদের রব, জালিমদের অধ্যুষিত এ জনপদ থেকে আমাদেরকে উদ্ধার করো এবং আমাদের জন্য অলী/পৃষ্ঠপোষক ও সাহায্যকারী পাঠাও “। সহি হাদিসে রাসুলুল্লাহ সাঃ এরশাদ ফরমান – “তোমরা মজলুমের বদদোয়া থেকে বেঁচে থাকো, কেননা মজলুম ব্যক্তি ও আল্লাহর মধ্যে পর্দা থাকে না”। আমরা সত্য-সুন্দর ও মজলুমের পক্ষে। আল্লাহ তায়ালা জালিমের উপর মজলুমের বিজয় দান করুন।
লেখক ; এম. এম আতিকুর রহমান সদস্য সচিব বড়লেখা উপজেলা প্রেসক্লাব মৌলভীবাজার।
“মুজিব বর্ষের শপথ, সড়ক করবো নিরাপদ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২০ উপলক্ষে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) বড়লেখা উপজেলা শাখার মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।
রবিবার (১১ অক্টোবর) বিকাল ৪ ঘটিকায় মৌলভীবাজারের বড়লেখা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিসচা উপজেলা আহ্বায়ক তাহমীদ ইশাদ রিপনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আইনুল ইসলামের সঞ্চলনায় স্টিকার ও লিফলেট বিলির মাধ্যমে মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বড়লেখা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নিসচা বড়লেখা’র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বড়লেখা উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব এম. এম আতিকুর রহমান, উপদেষ্টা সাংবাদিক সুলতান আহমদ খলিল। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহঃ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হান্নান, নিসচা বড়লেখার উপদেষ্টা ও ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আহাদ, ট্রাফিক সার্জন সাইদুল ইসলাম, আলভীন রেস্টুরেন্টের পরিচালক প্রভাষক তারেক আহমদ, হানিফ মোবাইল ও বিকাশ কাস্টমার কেয়ার সত্ত্বাধিকারী নাট্যকর্মী হানিফ পারভেস, বড়লেখা মানবসেবা সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম শুভ, সহ প্রচার সম্পাদক তুহিন আহমদ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নিসচা বড়লেখা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহমান, মার্জানুল ইসলাম মার্জান, কার্যকরী কমিটির সদস্য আব্দুল আজিজ, মাস্টার খালেদ আহমদ, মাওলানা মাছুম আহমদ, রমা কান্ত দাস, আলী হোসেন, রাকিবুল ইসলাম, ইশহাক আহমদ, ছাত্রনেতা আব্দুল্লাহ আল নোমান, জামাল উদ্দিন প্রমুখ।
উল্লেখ্যঃ জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) বড়লেখা উপজেলা শাখা জনসচেতনতামূলক স্টিকার লাগানো, ট্রাফিক ক্যাম্পেইন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, সকল সড়ক দ্রুত সংস্কারের দাবিতে স্মারকলিপি পেশ, জনসচেতনতা’র লক্ষে চালক ও যাত্রীদের মধ্যে মাক্স বিতরণ, পরিবহন শ্রমিকদের সাথে মতবিনিময় সভা, ২২ অক্টোবর জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, নিসচা প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চনের সহধর্মিণী মরহুমা জাহানারা কাঞ্চনের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত নিহতদের জন্য দোয়া মাহফিল, বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ সড়কের পাশে জনসচেতনতা মূলক সাইনবোর্ড স্থাপন, সড়ক আইন সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রচারণা, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পরিবার’গুলোর সাথে সৌজন্যেমূলক সাক্ষাৎ ও সার্বিক খোঁজ-খবর রাখা সহ মাসব্যাপী নানাবিধ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ২নং দাসের বাজার ইউ/পিঃ (মহিলা) আওয়ামীলীগের উদ্দ্যোগে(১১অক্টোবর) রবিবার পশ্চিম শংকরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক মহিলা কর্মী সমাবেশের আয়োজন করা হয়,এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা (মহিলা) আওয়ামীলীগের সভাপতি মোছাঃজেবিন নাহার (জেলী)এছাড়া ইউ/পিঃ ও ওয়ার্ড মহিলা দায়িত্বশীলবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন, প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন,কোনো দেশ যখন বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়ে তখন প্রয়োজন হয় শক্ত, দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্বের। ১৯৭৫ সালে বড় ধরনের জাতীয় বিপর্যয়ের মুখে পড়ে নেতৃত্বের অভাবে দিশাহারা হয়ে পড়েছিল বাঙ্গালী জনগোষ্টি এবং এ বাংলাদেশ। এই দুঃসময়ে নেতৃত্বের এই অভাব পূরণ করেছেন বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।একটানা চার দশক মৃত্যুর সঙ্গে লড়ার সাহস দেখিয়ে তিনি আজ দেশের শক্তিশালী নেতৃত্বের অভাব পূরণ করেছেন।গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছেন। ছোট ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিশ্বের বিশাল পরিধিতে তিনি পরিচিত ও আলোচিত।বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত কে মজবুদ করার লক্ষে আমরা কাজ করে যাচ্ছি,আজ দেশ ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত,আসুন আমরা জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে লালন করি,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করি।জয় বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ চিরজ্ঞিবী হোক।বড়লেখায়(মহিলা)আওয়ামীলীগের কর্মী সমাবেশ অনুষ্টিত নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ২নং দাসের বাজার ইউ/পিঃ (মহিলা) আওয়ামীলীগের উদ্দ্যোগে(১১অক্টোবর) রবিবার পশ্চিম শংকরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক মহিলা কর্মী সমাবেশের আয়োজন করা হয়,এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা (মহিলা) আওয়ামীলীগের সভাপতি মোছাঃজেবিন নাহার (জেলী)এছাড়া ইউ/পিঃ ও ওয়ার্ড মহিলা দায়িত্বশীলবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন, প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন,কোনো দেশ যখন বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়ে তখন প্রয়োজন হয় শক্ত, দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্বের। ১৯৭৫ সালে বড় ধরনের জাতীয় বিপর্যয়ের মুখে পড়ে নেতৃত্বের অভাবে দিশাহারা হয়ে পড়েছিল বাঙ্গালী জনগোষ্টি এবং এ বাংলাদেশ। এই দুঃসময়ে নেতৃত্বের এই অভাব পূরণ করেছেন বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।একটানা চার দশক মৃত্যুর সঙ্গে লড়ার সাহস দেখিয়ে তিনি আজ দেশের শক্তিশালী নেতৃত্বের অভাব পূরণ করেছেন।গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছেন। ছোট ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিশ্বের বিশাল পরিধিতে তিনি পরিচিত ও আলোচিত।বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত কে মজবুদ করার লক্ষে আমরা কাজ করে যাচ্ছি,আজ দেশ ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত,আসুন আমরা জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে লালন করি,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করি।জয় বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ চিরজ্ঞিবী হোক।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন এমপি বলেছেন, আইন সংশোধন করে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইনমন্ত্রীকে নির্দেশনা দিয়েছেন।অপরাধীদের শাস্তি হবেই।কেউ রেহাই পাবে না। ধর্ষকদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। তাদের কেউ আশ্রয়-প্রশ্রয় দিবেন না। পক্ষ নিবেন না। সামাজিকভাবে বর্জনের পাশাপাশি পারিবারিকভাবেও বর্জন করতে হবে। কোনো বিবেকবান মা-বাবা, স্বজন এদের আশ্রয় দিতে পারেন না। জঘন্যতম এই অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণে রাখার একমাত্র পথই হচ্ছে এদের বর্জন করা।
রোববার দুপুরে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নের পাকশাইল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রের কাজ বাস্তবায়ন করছে।৩ কোটি ৪৮ লাখ ৫৬ হাজার টাকা ব্যায়ে।
বড়লেখা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউএনও মো. শামীম আল ইমরান। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত লায়লা নীরা, পৌরসভার মেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সুন্দর, ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার, উপাধ্যক্ষ একেএম হেলাল উদ্দিন, প্রফেসার (অব:) বিধান চন্দ্র দাস, ইউপি চেয়ারম্যান আহমেদ জুবায়ের লিটন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. উবায়েদ উল্লাহ খান।
সম্প্রতি বড়লেখায় তরুণী ধর্ষণ ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে পরিবেশমন্ত্রী আরো বলেন, ‘জঘন্যতম এ ঘটনায় জড়িত দু’জনকে পুলিশ কারাগারে পাঠিয়েছে। এদের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া দরকার। এমসি কলেজ হোষ্টেলে ধর্ষণের ঘটনায় সিলেটবাসীর মুখে কালিমা লেগেছে। মানুষ প্রতিবাদ করছে। ঢাকা থেকে পায়ে হেটে কয়েকজন যুবক সিলেট এসেছেন প্রতিবাদ জানাতে।
দেশের বর্তমান পরিস্হিতির প্রতিবাদে বিএনপি কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসুচির অংশ হিসাবে (৮অক্টোবর) বিকালে বড়লেখার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন বিএনপি,যুবদল,ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে। বিক্ষোভ মিছিল শেষে স্হানীয় ইউপি অফিসের সামনে অনুষ্টিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য ও বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান বলেন,” বিনা ভোটে নির্বাচিত এই অথর্ব সরকারের সার্বিক ব্যর্থতায় দেশ আজ একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিনত হতে চলেছে।নারী ও শিশু ধর্ষন পাক হানাদার বাহিনীকেও হার মানাচ্ছে।সার্বিক দিক বিবেচনায় বলা যায় দেশে ‘৭২-‘৭৪ এর পরিস্থিতি বিরাজ করছে,১২৮বছরের (এমসি) কলেজের সোনালী ইতিহাসকে কলংকিত করেছে,নোয়াখালী বেগমগঞ্জের বধুকে ধর্ষণ করেছে, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা তাই এখনি আমাদের এর বিরুদ্ধে সর্বাত্বক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।” ইউনিয়ন বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাক তাপাদার কাননের সঞ্চালনায় অনুষ্টিত এই বিক্ষোভ সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক মখলিছুর রহমান,যুববিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম,যুবদল নেতা আলিম উদ্দিন,আদনান ওয়াহিদ মিশু, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক খায়রুল ইসলাম সবুজ,১নং সদস্য জুনেদ আহমদ,ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সি. যুগ্ম আহবায়ক শাহিন আহমদ প্রমূখ।
বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে উপস্হিত ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দিন জমির,সহ সভাপতি তফজ্জুল ইসলাম, আনোয়ার হুসেন,সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদির,ক্রীড়া সম্পাদক আব্দুল হাছিব,ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আব্দুস শুক্কুর, বড়লেখা ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য মাজহারুল ইসলাম,তারেক মুন্না, আতিকুর রহমান সহ বিপুল সংখ্যক নেতা কর্মী।
মৌলভীবাজারের উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় বড়লেখার আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সমাজসেবা অধিদফতর কর্তৃক চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ১৮৭৯ জন চা শ্রমিকদের মধ্যে ৫,০০০ টাকা করে সর্বমোট ৯৩,৯৫,০০০ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
আজ ৮ অক্টোবর বিকেলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চেক বিতরণ এর উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ,বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আলহাজ্ব মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি। পৃথক আরেক অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসন, বড়লেখা কর্তৃক সরকারের বিভিন্ন সংস্থার অর্থায়নে গৃহহীন /দুঃস্থ/অসহায় ২৬২ টি পরিবারের জন্য বাস্তবায়িত ঘরের চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বড়লেখা মোঃ শামীম আল ইমরান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দুটি অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ, বড়লেখার চেয়ারম্যান সোয়েব আহমেদ, বড়লেখা পৌরসভার মেয়র আবুল ইমাম মোঃ কামরান চৌধুরী, উপজেলা পরিষদ, বড়লেখার সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম সুন্দর প্রমুখ। অনুষ্ঠান দুটি পরিচালনা করেন উপজেলা পরিষদ, বড়লেখার ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ তাজ উদ্দিন।
দীর্ঘ ৭ মাস পর মাননীয় বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন ফিরলেন নিজ নির্বাচনী এলাকায়। এনিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী এলাকার মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা বিরাজ করছে। করোনা আক্রান্ত হয়ে যখন হাসপাতালে ছিলে তখন এলাকার মানুষের মধ্যে বিরাজ করছিল ব্যাপক দুশ্চিন্তা। হাজার হাজার লোক আজ তাদের প্রিয় নেতাকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত। বরণ করে নিল ফুলেল শুভেচ্ছায়।
আজ মাননীয় মন্ত্রী সিলেটে এসে প্রয়াত মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান এর মাজার জিয়ারত করে নিজ এলাকায় ফিরলেন, দলমত নির্বিশেষে সকলের ভালবাসায় সিক্ত হলেন, নিজেও হলে পড়লেন ভীষন আবেগাপ্লুত।
মাননীয় মন্ত্রীকে বড়লেখা এবং বিয়ানীবাজার সীমান্তবর্তী সুনাই নদীর ব্রিজের আপামর জনসাধারণ ও নেতাকর্মী ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।এসময় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা চেয়ারম্যান সুয়েব আহমদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সুন্দর, উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা এবং জুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার গণ, বড়লেখা পৌর মেয়র আবু ইমাম কামরান চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ তাজ উদ্দীন, জুড়িও বড়লেখা উপজেলা অফিসার্স ইনচার্জ, উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দ।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ সহ হাজার হাজার সাধারণমানুষ। এসময় মন্ত্রীকে সর্বসাধারণের মানুষ সামাজিক দূরত্ব মেনে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।
মন্ত্রী পরবর্তীতে বড়লেখায় পৌঁছে প্রথমেই প্রথমেই উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রয়াত ও সহ-সভাপতি নিমার আলী ও ফয়েজ আলি এবং সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত আনোয়ার উদ্দিনের কবর জিয়ারত করার মাধ্যমে তাঁর কর্মসূচি শুরু করেন। মাননীয় মন্ত্রী উপস্থিত নেতাকর্মীরা এবং সাধারন মানুষের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি অসুস্থ থাকাকালীন সময়ে আপনার যেভাবে আমার জন্য দোয়া করেছেন আমি আপনাদের কাছে চির কৃতজ্ঞ হয়ে থাকব এবং আবার উনার জন্য দোয়া কামনা করেন।
শাহবাজপুর ব্লাড ডোনেট ক্লাবের সহযোগিতায় ও আমেরিকা প্রবাসী সুহেল আহমদ এর অর্থায়নে বড়লেখার শাহবাজপুর “দারুর রাশাদ লিডিং মাদ্রাসার” ছাত্রদের মাঝে ইউনিফর্ম (পাঞ্জাবী ও পায়জামা)উপহার হিসেবে বিতরণ করা হয়।
(২৬সেপ্টম্ভর)শনিবার,দুপুর ২ঘটিকায় দারুর রাশাদ মাদ্রাসায় এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।উক্ত অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শাহবাজপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এস আই রতন হাওলাদার, শাহবাজপুর দারুর রাশাদ লিডিং মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা মামুন আশরাফ,ইমাম মোয়াজ্জিম কল্যাণ পরিষদের সেক্রেটারি মাওলানা নুর ইসলাম খান,শাহবাজপুর রেলওয়ে জামে মসজিদের ইমাম মাও.নজরুল ইসলাম,মাওলানা আব্দুল্লা,সমাজসেবক সোলেমান হোসেন,ইমান উদ্দিন বলাই, শাহবাজপুর ব্লাড ডোনেট ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তোয়াহিদুর রহমান টিপু,প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক মতিউর রহমান জাকের, ব্যবসায়ী আরিফ আহমদ,রিপন আহমদ,ছাত্রনেতা ছাব্বির আহমদ,শাহবাজপুর ব্লাড ডোনেট ক্লাবের সহ সভাপতি শামিম আহমদ,দায়িত্বশীল শারজাদ হোসেন শুভ, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক জাহিদ আহমদ,দেলোয়ার হোসেন, রিমন আহমদ,আব্দুল্লা আল আমিন সহ প্রমুখ।
অনুষ্টান শেষে প্রধান অতিথি আহমদ জুবায়ের লিটন ও শাহবাজপুর ব্লাড ডোনেট ক্লাবের সভাপতি তোয়াহিদুর রহমান টিপু,সম্পাদক মতিউর রহমান জাকের এর হাতে মাদ্রাসার পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্র বৃন্দ।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় আয় বৃদ্ধিমূলক কাজের জন্য (২২সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার দুপুরে সেভ দ্যা চিলড্রেনের অর্থায়নে ও বেসরকারি সংস্থা সেন্টার ফর ন্যাচারাল রিসোর্স স্টাডিজের (সিএনআরএস) সূচনা প্রকল্পের ৯৪ জন উপকারভোগী দুস্থ মহিলা ও কিশোরীকে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।
উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুিষ্ঠত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরানের সভাপতিত্বে ও সূচনার প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী সৈয়দ আব্দুস সামাদের সঞ্চালনায় সেলাই মেশিন বিতরণের সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মুহাম্মদ তাজ উদ্দিন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা উবায়েদ উল্লাহ খান, সমাজসেবা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শামসুন্নাহার, সাংবাদিক আব্দুর রব, তপন কুমার দাস, ইউপি সদস্য হিফজুর রহমান প্রমুখ। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সুচনা প্রকল্পের সিনিয়র ম্যানেজার মাহবুব হাসান।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌরসভার বাসিন্দা উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি নিমার আলী, ফৈয়াজ আলী ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিন স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পৌরসভা মিলনায়তনে বড়লেখা পৌর পরিষদ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে। দোয়া ও মিলাদ মাহফিল উপলক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন পৌরসভার মেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী। পৌরসভার কাউন্সিলর রেহান পারভেজ রিপনের উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সুন্দর,নিমার আলীর ভাতিজা উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন, ফৈয়াজ আলীর ভাতিজা আতাউর রহমান প্রমুখ। দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মনোয়ার হোসেন মাহমুদী। এ সময় উপজেলা আওয়ামীলীগ ও যুবলীগ নেতৃবৃন্দ, পৌরসভার কাউন্সিলর ও নাগরিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সমছ উদ্দিন সৌদি থেকেঃ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা বড়লেখার প্রবাসীদের কল্যাণে প্রবাসীদের নিয়ে সংগঠিত “বড়লেখা প্রবাসী মানবিক ঐক্য ফান্ড” নামে একটি সমিতি কেন্দ্রিক সংগঠনের কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।
বড়লেখা উপজেলার সুপরিচিত সামাজিক সংগঠন বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান সৌদি আরব প্রবাসী জনাব মাহতাব আল মামুন এর উদ্যোগে মানবিক চিন্তাধারায় এই সংগঠন করা হয়।
প্রবাসীদের নিয়ে গঠিত সংগঠনের প্রতিষ্টাতা জনাব মাহতাব আল মামুনের কাছে সংগঠন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি দৈনিক বড়লেখাকে জানান শুধুমাত্র বড়লেখার কিছুসংখ্যক প্রবাসীদের কল্যাণের কথা চিন্তা করে এই প্রবাসী মানবিক ফান্ড তৈরি করার উদ্যোগ নিয়েছি।বিভিন্ন সময় দেখা যায় অনেক প্রবাসী দেশে যাওয়ার পর অর্থনৈতিক সমস্যার মধ্যে পড়েন। তাছাড়াও প্রবাসীরা সবার বিপদে সবসময় এগিয়ে আসলেও প্রবাসীদের বিপদে তেমন কাউকে এগিয়ে আসতে দেখা যায়না।এদের পিছনে আর্থিকভাবে সমর্থন দেয়ার মতো কাউকে পাওয়া যায় না। সাময়িক অসুবিধাগ্রস্ত সেই প্রবাসীদের সাহায্য করার চিন্তা থেকে এই সংগঠন তৈরি করা।
শুক্রবারে (১৮সেপ্টেম্বর২০) সংগঠনের এক বছরের জন্য কার্যকরী কমিটির দায়িত্বশীল সহ সকল সদস্যগণের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়।
নবগঠিত পরিচালনা পরিষদের পরামর্শক হিসেবে জনাব আব্দুল মালিক, জনাব মাসুম উদ্দিন, জনাব সামসুল ইসলাম (শিপন)কে নির্বাচিত করা হয়।
কার্যকরী পরিষদে রয়েছেনঃ
চেয়ারম্যান জনাব মাহতাব আল মামুন। সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান জনাব শাহীন আহমেদ মহাসচিব জনাব আবু হাসান ,যুগ্ম মহাসচিব জনাব শাহীন আহমেদ (জুনিয়র)। আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জনাব কামাল আহমদ। সহকারী আন্তর্জাতিক জনাব হোসাইন আহমেদ। পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক জনাব জামিল আহমেদ। সহকারী সম্পাদক ” জনাব আসফাক আহমেদ। তথ্য বিষয়ক সম্পাদক জনাব ওলিউর রহমান লাল। সহকারী জনাব জুবায়ের আহমেদ। মিডিয়া বিষয়ক সম্পাদক জনাব আরমান জায়েদ।
এ ছাড়াও সংগঠনের প্রতিনিধি হিসেবে দেশে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন জনাব সিরাজুল ইসলাম শিরুল, জুবায়ের আহমেদ দিলশাদ।
তাছাড়া সদস্য হিসেবে আছেন, জনাব আব্দুল হক, আব্দুল জলিল, খছরুল আমীন, হাসান আহমেদ, আলী হোসেন, জয়নুল ইসলাম, জাহেদ হোসাইন, সাহেদ আহমেদ (সিনিয়র), সাহেদ আহমেদ( জুনিয়র), জুনেদ আহমেদ, জিয়াউর রহমান, মাহমুদুর রহমান, সতেজ আহমেদ, রায়হান আহমেদ, আমিনুল ইসলাম, আলী আহমেদ।
হেফাজতে ইসলামের আমির, হাটহাজারী মাদ্রাসার দীর্ঘদিনের মহাপরিচালক আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আলহাজ্ব মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি।
আজ এক শোক বার্তায় পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমে-দ্বীন মওলানা আল্লামা আহমদ শফী দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি দেশের কওমী মাদ্রাসাগুলোর মধ্যে প্রাচীন ও বৃহত্তম চট্টগ্রামের হাটহাজারী দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার মহাপরিচালক হিসেবে কওমী মাদ্রাসাগুলোর নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশে ইসলামী শিক্ষার বিস্তার ও স্বীকৃতি অর্জনে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য। পরিবেশ মন্ত্রী আজ এক শোকবার্তায় মরহুমের বিদ্রেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।
উল্লেখ্য, উপমহাদেশের বিখ্যাত আলেমে দ্বীন, বাংলাদেশের কওমি মাদ্রাসা সমূহের শীর্ষ সংগঠন আল হাইয়াতুল উলিয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া এর চেয়ারম্যান, বেফাকুল মাদারিস, বাংলাদেশের চেয়ারম্যান, আল-জামিয়াতুল আহলিয়া মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী, চট্টগ্রাম মাদ্রাসার সম্মানিত মহাপরিচালক আল্লামা শাহ আহমদ শফী আজ বিকেলে রাজধানী ঢাকার গেণ্ডারিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পাখিয়ারটিলা গ্রামে ১৯১৬ সালে জন্মগ্রহণকারী শাহ আহমদ শফী মৃত্যুকালে দুই ছেলে ও তিন মেয়ে ও অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
নিজস্ব সংবাদ: দুর্বার মুক্ত স্কাউট দল বড়লেখার একটি চৌকস সামাজিক সংগঠন। করোনা সহ যাবতীয় সামাজিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তারা বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকে। করোনা মহামারী শুরু থেকেই তারা সাধারণ মানুষের পাশে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি নিয়ে এসেছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ ভাগ ও রতুলি বাজারে সাবান এবং মাস্ক বিতরণ কার্যক্রম করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব শামীম আল ইমরান এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিকশিক্ষা কর্মকর্তা হাওলাদার আজিজুল ইসলাম, পি আই ও ওবায়দুল্লা খান, শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান আহমেদ জুবায়ের লিটন, দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মইনুল ইসলাম, দক্ষিণ ভাগ উওর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এনাম উদ্দিন, তালিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিদ্যুৎ কান্ত দাস, পরিচালনা করেন মোহাম্মদ নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজিম উদ্দিন,পরবর্তীতে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাব মোঃ তাজউদ্দীন এর নেতৃত্বে উক্ত স্থানে মাস্ক বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। এসময় দক্ষিণভাগ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ আজির উদ্দিন ও রতুলি বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইদুল রহমান সাইদুল উপস্থিত ছিলেন।
নিউজ ডেস্কঃ নোয়াল্যান্ডের এক হাজার সরকারি কর্মকর্তাকে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় অভিজ্ঞতা অর্জন করতে বাংলাদেশে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির শিশুশিক্ষা অধিদপ্তর। নোয়াল্যান্ডের পরিকল্পনা কমিশন এর অনুমোদনও দিয়েছে।
প্রকল্পটির পরিচালক ডেভিড নেকমট ‘একটু থামুন’কে বলেন, ‘আমরা আনন্দে দিশেহারা। ৫ বছরে এক হাজার কর্মকর্তাকে বাংলাদেশে পাঠানোর প্রস্তাবটি পাস হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে নোয়াল্যান্ডের কর্মকর্তারা পানি ও ডিম সেদ্ধ করা এবং তা শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা বিষয়ে ধারণা নিতে পারবেন। আর এ জন্য বাংলাদেশি প্রশিক্ষণ বিশেষভাবে প্রয়োজন ছিল।’
নোয়াল্যান্ডের শিশুশিক্ষা অধিদপ্তর বাংলাদেশ যাত্রার জন্য প্রাথমিকভাবে ১০ কোটি টলার (নোয়াল্যান্ডীয় মুদ্রা) পাবে। আর এই সেদ্ধ পানি ও ডিম বিতরণ কর্মসূচির জন্য মোট বরাদ্দের পরিমাণ ৩০ হাজার ১৫০ কোটি টলার। নোয়াল্যান্ডের শিশুশিক্ষা অধিদপ্তর ও পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ সফরে এসে কর্মকর্তারা ট্যাপ থেকে পানি মজুত করা এবং বাজার থেকে ডিম কেনা শিখবেন। এ ছাড়া সেগুলো সেদ্ধ করার নিয়ম এবং বিতরণের উপায় সম্পর্কেও ধারণা নেবেন। এই সফরের সুযোগ পাবেন দেশটির শিশুশিক্ষা মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা কমিশন এবং বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন বিভাগের কর্মকর্তারা। নোয়াল্যান্ডের শিশুশিক্ষা অধিদপ্তর বাংলাদেশ যাত্রার জন্য প্রাথমিকভাবে ১০ কোটি টলার (নোয়াল্যান্ডীয় মুদ্রা) পাবে। আর এই সেদ্ধ পানি ও ডিম বিতরণ কর্মসূচির জন্য মোট বরাদ্দের পরিমাণ ৩০ হাজার ১৫০ কোটি টলার। এর আওতায় পাঁচ বছর ধরে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ শিক্ষার্থীকে পুষ্টিকর সেদ্ধ ডিম ও গরম পানি খেতে দেওয়া হবে। নোয়াল্যান্ডের ২০১টি অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা এই সুবিধা পাবে।
বেতের ভয় না দেখালে পোলাপান ডিম খাবে না। অথচ ডিম ওদের দরকার। ছেলেবেলায় ডিম খাইনি বলেই আজ আমি পোড়–খাওয়া বিরোধীদলীয় নেতা। অ্যালেন কলিমউড, নোয়াল্যান্ডের বিরোধীদলীয় নেতা তবে নোয়াল্যান্ডের বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেন কলিমউড প্রকল্পটির ব্যাপারে কিছুটা দ্বিমত প্রকাশ করেছেন। ‘একটু থামুন’কে তিনি বলেন, ‘আমি নিজে ছেলেবেলায় ডিম খেতে চাইতাম না। আমার ছেলেও এখন ডিম খায় না। নোয়াল্যান্ডে খুঁজলে এ রকম লাখ লাখ শিশু পাওয়া যাবে, যারা ডিমের নাম শুনলে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেবে। তাই আমার কথা হলো, আপনারা শুধু ডিম নয়, সঙ্গে চিকন জালি বেতও আমদানি করুন। শুনেছি, বাংলাদেশে সস্তায় উন্নত মানের বেত পাওয়া যায়। বেতের ভয় না দেখালে পোলাপান ডিম খাবে না। অথচ ডিম ওদের দরকার। ছেলেবেলায় ডিম খাইনি বলেই আজ আমি পোড়–খাওয়া বিরোধীদলীয় নেতা।’
বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেন কলিমউডের মতামত জানানো হলে প্রকল্প পরিচালক ডেভিড নেকমট বলেন, ‘ডিম কীভাবে খাওয়াতে হয়, তা শেখার জন্যই তো কর্মকর্তারা বাংলাদেশে যাচ্ছেন। সেখানে গিয়ে তাঁরা বেত নাকি জুজুর ভয় দেখিয়ে ডিম খাওয়ানো শিখে আসবেন, তা তো আমরা বলতে পারি না। তবে শুনেছি, বাংলাদেশে কাউকে কোনো কিছু গেলানোর মতো আন্তর্জাতিক মানের বিশেষজ্ঞ আছেন। তাঁদের ওপর আমাদের আস্থা আছে
বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বড়লেখা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জনাব মোঃ তাজ উদ্দিনের চাচা মোঃ নিমার আলীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন, বড়লেখা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব সোয়েব আহমদ। তিনি এক শোকবার্তায় বলেন, নিমার আলী সাহেব একজন প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা ছিলেন, উনার মৃত্যুতে বড়লেখা আওয়ামী লীগ পরিবার শোকাহত। তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আদর্শের একজন একনিষ্ঠ অনুসারী ছিলেন। আওয়ামী লীগের জন্য উনার ত্যাগ, অবদান ভুলার মত নয়। স্থানীয় আওয়ামী লীগে তাঁর মতো একজন নিবেদিতপ্রাণ ও ত্যাগী নেতার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
নিউজ ডেস্কঃ শীঘ্রই সৌদি আরবে সীমিত পরিসরে ওমরাহ হজ চালু করে দেয়া হবে। শুধুমাত্র সৌদি আরবে অবস্থানরত স্থানীয়দের ওমরাহ হজ পালনের সুযোগ দেয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি সরকার।
১৫ সেপ্টেম্বর থেকে প্রথম দফায় সৌদি আরবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হয়েছে অভ্যান্তরীন মন্ত্রণালয়, এবং সৌদি আরবে আন্তর্জাতিক ভ্রমনের সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা আগামী ১ জানুয়ারি, ২০২১ থেকে সম্পূর্ণ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। করোনাভাইরাসের বর্তমান পরিস্থিতির উন্নয়ন এর উপর ভিত্তি করে সৌদি আরবে ওমরাহ হজ পুনরায় চালু করার জন্য একটি পরিকল্পনা নেয়া হবে এবং ওমরাহ হজ আবার চালু করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয় এর একটি বিশ্বস্ত সূত্র।
তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দফায় সকল স্বাস্থ্যবিধি ও শর্ত এবং নিয়মাবলী মেনে সৌদি আরবে অবস্থানরত স্থানীয়রা ওমরাহ হজ করার সুযোগ পাবেন। হজের বিধিগুলো পালন করবার পূর্বে প্রত্যেক হাজিকে সাথে করে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট বহন করতে হবে। সৌদি আরবে অবস্থানরত স্থানীয় সৌদি নাগরিক এবং প্রবাসী, সকলেই অনুমতি পাওয়া সাপেক্ষে ওমরাহ হজ পালন করতে পারবেন।
ওমরাহ হজে স্থানীয়দের কি কি নিয়ম পালন করতে হবে সেগুলোর সাথে ওমরাহ হজ চালুর তারিখও ঘোষণা দেয়া হবে বলে জানিয়েছে সৌদি আরবের হজ এবং ওমরাহ মন্ত্রণালয়।
এছাড়াও একটি সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রণালয় এর পক্ষ থেকে একটি মোবাইল এপ লঞ্চ করা হবে, যাতে ওমরাহ হাজিদের প্রত্যেকের হজের বিধি ও আচার পালনের সময় নির্দিষ্ট করা হবে এবং জানিয়ে দেয়া হবে। এছাড়াও শর্তসাপেক্ষে প্রত্যেক হাজিকে হজ এর পারমিট প্রদান করা হবে, এবং পারমিট পাওয়া সাপেক্ষেই নির্ধারিত সময়ে হাজিরা নিজ নিজ হজ এর আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে পারবেন।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৫নং দক্ষিন শাহবাজপুর ইউনিয়নের তারাদরম গ্রামে বিএনপি পরিবারের সদস্য মরণ ব্যাধি ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত এবাদুর রহমানের চিকিৎসার জন্য ফোরামের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা ৭০,০০০/= টাকা প্রদান করা হয়েছে।(১৪সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪ ঘটিকার সময় রোগীর বাড়ীতে তার পাশাপাশি আরো চারটা পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। এসময় বহির্বিশ্ব জাতীয়তাবাদী ফোরাম বড়লেখার আমন্ত্রণে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা পৌর বিএনপির সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান, পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধাররন সম্পাদক আতাউর রহমান শহীদ, যুগ্ন- সম্পাদক জালাল আহমদ তালাল,মীর শামিমুর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক হাজী সেলিম, উপজেলা মহিলা দল নেত্রী আমিনা বেগম ডলি, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনিস আহমেদ, বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান হেলাল, সাবেক যুবদল সভাপতি শাহজাহান উদ্দিন, উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন যুবদল নেতা আলিম উদ্দিন, সেচ্ছাসেবক দল নেতা ফখরুল ইসলাম, যুবদল নেতা সাজ্জাদুর রহমান সুহেল, ছাত্র মজলিসের মৌলভীবাজার জেলা সাবেক সভাপতি মোঃ খায়রুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা শরিফ উদ্দিন, রুবেল হুসাইন, আব্দুল ফাত্তাহ, আমিনুল ইসলাম, নাহিদ আহমেদ, আব্দুল বাছিত প্রমুখ। এছাড়াও অনুষ্টানে বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান হেলাল ও শাহজাহান উদ্দিন প্রত্যেকে ৫০০০।= টাকা করে এবাদের চিকিৎসা বাবত প্রদান করেন।
আগামীকাল ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ মঙ্গলবার থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সংক্ষিপ্ত আকারে ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইট চালুর অনুমোদন দিয়েছে সৌদি সিভিল এভিয়েশন জেনারেল অথরিটি।
গত সপ্তাহে প্রকাশিত ২৫ টি দেশের নাগরিকগণ স্বাভাবিক ফ্লাইট চালু হওয়ার আগ পর্যন্ত এই সুবিধা পারবেন। তার মধ্যে বাংলাদেশের নাম রয়েছে! তবে অবশ্যই ৭টি নির্দেশনা মেনে যাত্রীদের যাতায়াত করতে হবে।
ডিসেম্বর নাগাদ করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ১জানুয়ারি ২০২১ থেকে বাকি সকল দেশের নাগরিকগণ সৌদি থেকে এবং সৌদিতে প্রবেশ করতে পারবেন।
বাংলাদেশ থেকে যারা নতুন আসবেন অবশ্যই আপনার স্পন্সরের বিষয়ে সঠিক তথ্য জেনে তারপরে আসবেন কারণ বর্তমানে এখানকার পরিস্থিতি অত্যন্ত শোচনীয়। দালালের মধুর কথায় কান দেবেন না।
বড়লেখা উপজেলা প্রশাসন আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে করোনা ভাইরাসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত নন এমপিও কারিগরি, মাদ্রাসা ও স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদ্রসার শিক্ষক-কর্মচারীদের অনুকূলে অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়। এসময় ৭৫ জন শিক্ষক – কর্মচারীর অনুকূলে ৩,৪০,০০০ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শামীম আল ইমরানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমেদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিন সহ কর্মকর্তাবৃন্দ।
এছাড়াও আজ আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসন, বড়লেখার আয়োজনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ সহ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
পর্তুগালের স্পেন বর্ডার এর কাছাকাছি অবস্থিত ভিলা নোভা ডে সার্ভেইরা শহরে মোঃ জামাল উদ্দিন একটি শিপ-বিল্ডিং ফ্যাক্টরিতে কাজ করতেন, পর্তুগাল স্থানীয় সময় বৃহঃবার ভোর ৪ ঘটিকায় কাজ চলাকালীন সময়ে হঠাৎ করে উপর থেকে বড় লোহার একটি বক্স তার শরীরের ওপর পড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান দুর্ঘটনায় তিনি মর্মান্তিকভাবে ঘটনাস্থলে নিহত হন।তার লাশ স্থানীয় একটি হাসপাতালের হিমাঘরে রাখা হয়েছে।
নিহত মোহাম্মদ জামাল উদ্দিনের বাড়ি মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলায় ,৫নংদক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের কাইতাবন্দ গ্রামের মৃত তৈয়ব আলীর ছেলে। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে এবং এক মেয়ে সহ পর্তুগালের ৬বছর ধরে ভিয়েনা কাস্তেলো অঞ্চলে বসবাস করতেন ।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল মাত্র ৩৯ বছর, এই ক্ষণজন্মা সদালাপী, সুন্দর চরিত্রের অধিকারী মোহাম্মদ জামাল উদ্দিনের অকালমৃত্যুতে পরিবারসহ পর্তুগালে অবস্থিত বাংলাদেশ কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে আসে। প্রবাসীরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন এবং সার্বিক সহযোগিতা করছেন।
স্থানীয় ইউপি মেম্বার আনিছ আহমদ পর্তুগাল প্রবাসী জামাল উদ্দিনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তার মৃত্যুতে পর্তুগালের প্রবাসী, দেশে থাকা আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। লাশ দেশে আনার জন্য প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পৌরশহরে(২৯আগষ্ট)গত গভীর রাত থেকে টানা ৬-৮ঘন্টার ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢল থেকে নেমে আসা আকস্মিক বন্যাতে প্লাবিত হয়ে বড়লেখা শহরের বিভিন্ন বাসা,বাড়ি,দোকান পাট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো পানি ঢুকে পড়ে ব্যপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।উপজেলা পরিষদের আসপাশ সহ চান্দগ্রাম রোড, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন, মসজিদ , ক্লিনিক , পশু হাসপাতাল ,ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রাস্তা সহ উত্তর চৌমুহনী থেকে বড়লেখা সরকারি কলেজ পর্যন্ত পানিতে তলিয়ে যায়।
ব্যবসায়ীরা জানান, এই পানি’র কারণে আমাদের দোকানে’র অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, উনারা জানান বিগত দিনে পানি আরো বেশি থাকতো, কিন্তু এইবার খাল খনন করে দেওয়ার কারণে পানি তারাতাড়ি নেমে যাচ্ছে নিচের দিকে। এদিকে শহরের পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থার থাকলেও নেমে যেতে পারছে না বৃষ্টির পানি। নিচু রাস্তার কোথাও হাঁটু, আবার কোথাও কোমর সমান পানিতে তলিয়ে গেছে।রাস্তায় পানি থাকায় চলাচল করতে পারছেনা যানবাহন। এসময় যাতায়ত কারিরা দূর্ভোগে পড়েন।প্রায় সারারাতর টানা বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে। পৌরশহরের বেশিরভাগ এলাকা পানিতে সয়লাব হয়ে যাওয়ায় চলাচলে সীমাহীন দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। শহরের অনেক এলাকায় দোকানপাট ও ব্যাবসায়ীদের গোদামে পানি ঢুকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এদিকে রোববার ভোরে প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করেন পৌর মেয়র আবু ইমাম মো. কামরান চৌধুরী।
এম. এম আতিকুর রহমান ঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা ইমাম মুয়াজ্জিন পরিষদের উদ্যোগে বড়লেখা-জুড়ীর সংসদ সদস্য পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন এর আশু সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান আজ ১৯ আগস্ট বড়লেখা পৌরসভার হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা সভাপতি বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা রুহুল আমিন এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব নগর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফিজ মাওলানা মনোয়ার হোসেন মাহমুদীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ,
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার মেয়র আবুল ইমাম মোঃ কামরান চৌধুরী, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল আহাদ, বড়লেখা হিফজুল কুরআন মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা খলিলুর রহমান, বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক এম. এম আতিকুর রহমান, সুড়িকান্দি মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ও মসজিদের ইমাম মাওলানা ওলিউর রহমান, পরিষদের সহ সভাপতি হাফিজ মাওলানা একরাম আলী, সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আবুল হাসান হাদী, পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ মাওলানা তৌয়বুর রহমান, অর্থ সম্পাদক মুখলিসুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা বদরুল ইসলাম, মাওলানা মুতাহিরুল ইসলাম প্রমুখ।
মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার১ নংবর্ণি ইউনিয়নের ৯নংওয়ার্ডের বর্ণি “প্রবাসী জনকল্যাণ পরিষদ” এর পক্ষ থেকে উপজেলার২নংদাসের বাজার ইউনিয়নের সুড়িকান্দি (চুলুপাঁড়া)গ্রামের কৃতি সন্তান বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজের মেধাবী ছাত্র কিডনীরোগী জিন্নাতুল বাহার জাহেদ এর চিকিৎসার জন্য ৫০০০০/(পঞ্চাশ হাজার টাকা)আর্থিক সহয়তা তাঁর মা-বাবার হাতে প্রদান করা হয়েছে।এতে উপস্থিত ছিলেন,২নংদাসের বাজারের সাবেক চেয়ারম্যান মাহতাব উদ্দিন (মাতাই)১নংবর্নি ইউনিয়ন০৯ ওয়ার্ডের ইউঃপিঃসদস্য হাজী ছায়ফুজ্জামান ছরওয়ার ডাঃ শাহাব উদ্দিন, ডাঃ সুনাম উদ্দিন, বর্ণি প্রবাসী জন কল্যাণ পরিষদ এর সদস্য রুছিত আহমদ,আলী হোসেন (কুয়েত প্রবাসী)প্রমূখ।
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড প্রবাসীদের অরাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠন প্রবাসী ভয়েস এর ডাকে শুক্রবার এক ভার্চুয়াল ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।
মৌলভীবাজারের কুলাউরার কৃতি সন্তান আমেরিকা প্রবাসী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট উবায়েদ আনসারির সভাপতিত্বে এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট রাহমাত মাও এর পরিচালনায় শুরুতে পবিত্র কুরআনে পাক থেকে তেলাওয়াত করেন গ্রিসের এথেন্স প্রতিনিধি আলি হোসাইন হেলাল।
দুই সেশনের অধিবেশনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন শহর থেকে প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করেন। এর অন্যতম হলেন মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক ভিপি ও সমগ্র সৌদি আরবের সমন্বয়ক বিশিষ্ট আলোচক ও স্কলার হাফিজ ইমদাদুল্লাহ আনসারি, আমেরিকার নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি জাছিমুল হক, ইউ এ ই- দুবাই প্রতিনিধি আহমেদ সুহেল, কাতার প্রতিনিধি এম ডি জালাল উদ্দিন, শারজাহ প্রতিনিধি এস কে সরওয়ার খান, মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক এম এনালাইসিস আহমেদ সুমন, ইতালির আনকোনা প্রতিনিধি মামুন হোসাইন, আজমান প্রতিনিধি ফরহাদ বখত্ সৌদি আরব জেদ্দা প্রতিনিধি সাইদুর রহমান, গ্রিসের এথেন্স প্রতিনিধি আলী হোসাইন হেলাল, বাহরাইন প্রতিনিধি রায়হান আহমেদ, মাল্টা প্রতিনিধি জুমেল চৌধুরী, সৌদি আরব আল গাছিম প্রতিনিধি মহরম আলী, কাতার শাহনিয়া প্রতিনিধি খোরশেদ আলম খোকন, লন্ডন প্রতিনিধি মাহমুদ আল মারজান, মধ্য আমেরিকার দেশ বেলিজ প্রতিনিধি আহমেদ হোসাইন, সহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন, করোনাকালীন সময়ে বাংলাদেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের কর্মস্থলে ফিরতে টেস্ট রিপোর্ট নিয়ে যে হয়রানি ও ম্যাসাকার হচ্ছে এসব খুবই অনৈতিক ও গর্হিত কাজ, যা দেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের মনোবল ব্যাপক ভাবে ব্যহত করছে, তাই এসব কর্মকান্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়, এবং সরকারের কাছে সমস্ত হয়রানি থেকে প্রতিকারের জন্য অনতিবিলম্বে আরো আন্তরিক ও ক্ষতিগ্রস্থদের দ্রুত সহযোগিতার দাবী জানান।
সভায় বিশ্ব নেতৃবৃন্দগণ বৈরুত ব্লাস্ট ও করোনায় অকালে ঝরে যাওয়া রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন। সেই সাথে বিশ্বব্যাপি প্রবাসীদের নিয়ে ভিডিওগ্রাফি -ফটোগ্রাফি এবং সাধারণ জ্ঞান বিষয়ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা ও প্রাইজ-সার্টিফিকেট প্রদান এবং স্পন্সরের মাধ্যমে প্রবাসীদের ব্যবসা বাণিজ্যকে প্রমোট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভাপতির বক্তব্যে উবায়েদ আনসারি বলেন, টেকনোলজি যেহেতু বিশ্বে বিপ্লব ঘঠাচ্ছে সেহেতু আমাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতির লক্ষ্যে জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে সে বিপ্লবের সহযোগি হতে হবে, তিনি আশা করেন প্রবাসীরা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের মেধার পরিচিতি বিশ্বময় তুলে ধরবেন এবং প্রবাসে অবস্থানরত নিজেদের ছেলে মেয়েদের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করানোর মাধ্যমে কমিউনিটির সাথে পরিচয় করাবেন, যাতে প্রবাসে বাঙালিদের ভীত আরো মজবুত হয়।
পরিশেষে বঙ্গবন্ধুর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে শোক এবং দেশ বিদেশের সকলের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি হয়।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী করোনা আক্রান্ত আলহাজ্ব মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি মহোদয়ের আশু রোগমুক্তি কামনা করে দোয়া ও প্রার্থনা করা হয়েছে।
উপজেলা পরিষদ হলরুমে আজ বিকেলে অনুষ্ঠিত মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, উপজেলা নির্বাহি অফিসার শামীম আল ইমরান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাব তাজ উদ্দিন, বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম সরদার, বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রত্নদ্বীপ বিশ্বাস, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগম হাসনা, উপজেলার সকল দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ।
মানুষের অসিম শক্তি ও সম্ভাবনাকে সবসময় শৃঙ্খলিত ও পঙ্গু করে রাখে সংস্কার ও ভ্রান্ত বিশ্বাস।অনন্ত সম্ভাবনা নিয়ে জন্মগ্রহণ করা সত্বেও পারিবারিক,সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পরিমন্ডলে প্রচলিত ধারনার শৃঙ্খলে সে ক্রমান্বয়ে বন্দি হয়ে পড়ে। পরিবেশ যা তাকে ভাবতে শেখায় সে তা-ই ভাবে।যে হতে পারতো যুগ শ্রস্টা বিজ্ঞানী,হতে পারতো শতাব্দির অভিযাত্রী,অমর কথাশিল্পী,হতে পারতো মহান নেতা বা বিপ্লবী,হতে পারতো আত্বজয়ী বীর বা ধর্মবেত্তা,সেই মানব শিশুই ভ্রান্ত ধারনায় বন্দি হয়ে পরিনত হয় কর্মবিমুখ হতাশ ব্যর্থ কাপুরুষ। এ ব্যর্থতার কারণ মেধা বা সামর্থের অভাব নয়,এ ব্যর্থতার কারণ মনোজাগতিক শিকল।সেই মনোজাগতিক শিকল হতে মুক্তবুদ্ধি চর্চার মাধ্যমে যারাই মুক্ত হতে পেরেছে তাদের মধ্যেই আমরা দেখতে পাই মানবিকতার উত্থান।
।আজকের এই দিনে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের এরকমই একজন মুক্তবুদ্ধির বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর হত্যা দিবস। ১৮৮৯ সালের ৩ ডিসেম্বর ভারতের মেদিনীপুর জেলায় যার জন্ম।বাবা ত্রৈলক্যানাথ।মা লক্ষী দেবী।ক্ষুদিরাম মেদিনীপুর হ্যামিলটন কলেজিয়েট স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখা পড়া করেন।দেশ মাতৃকাকে ব্রিটিশদের হাত থেকে রক্ষার জন্য তিনি ১৯০৩ সালে গুপ্ত সমিতিতে যোগ দেন।
মেদিনীপুর মারাঠা কেল্লার প্রবেশদ্বারে দাঁড়িয়ে ক্ষুদিরাম বই হাতে বলছেন, ‘আসুন পড়ুন।দেশের দুর্দশার খবর জানুন।অত্যাচারী রাজশক্তির নির্মমতার নজির এই বই আপনাদের জন্য।হঠাৎ’ অ্যাই ক্যায়া করতা হায়।চুপ বই।’ একজন হাবিলদার ক্ষুদিরামের হাত চেঁপে ধরলো। শক্তি ও বয়সে তাঁর চেয়ে অনেক বেশী। তবুও ক্ষুদিরামের কাছে’ কুছ পরোয়া নেহি’।হাবিলদারের মুখের মধ্যে এক বক্সিং মেরে দিলেন সমুস্ত শক্তি দিয়ে!তৎক্ষনাৎ নাক ফেঠে রক্ত বেরুলো! সত্যেন বসু ঠিক ঐ সময়ে এসে হাজির হলেন।দেখলেন বিষয়টি।শান্তনা দিলেন হাবিলদারকে।ক্ষুদিরাম মুহুর্তের মধ্যে হাওয়া।কয়েকদিন আত্বীয়ের বাড়ীতে আত্বগোপনে রইলেন।তাতে কী আর একজন দেশপ্রেমিক শান্তিপায়? দেশজোড়া বিপ্লবের ঢেউ। হাজার হাজার ছেলে- মেয়ে জড়িয়ে আছে দেশ মাতৃকার কাজে।পুলিশের ভয়ে আর কতদিন পালিয়ে থাকা যায়।মনস্হির করলেন পুলিশের কাছে ধরা দিবেন!তাই আলীগঞ্জের তাঁতশালায় এসে ধরা দিলেন!পুলিশ অ্যাসল্ড ও নিষিদ্ধ বই বিলির অপরাধে ক্ষুদিরামের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা হলো।বাংলা সহ সারা ভারতবর্ষ এই প্রথম ক্ষুদিরামকে চিনলো।দাউ-দাউ করে জ্বলে উঠলো আন্দোলনের দাবানল।
ক্ষুদিরাম বসু হয়ে উঠলেো সারা ভারতবর্ষের একজন বিপ্লবীর নাম।যে নামটি শুনলেই চেতনার আয়নায় ভেসে উঠে একটি ফাঁসির দৃশ্য।যিনি ফাঁসির মঞ্চে হাসিমুখে মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছিলেন।জীবন বাঁচানোর লোভ দেখিয়েও যাকে মিথ্যা বলানো যায়নি।১৯০৮ সালের ৩০ এপ্রিল অত্যাচারী কিংসফোর্টোর গাড়ী লক্ষ্য করে তিনি বোমা নিক্ষেপ করেন।এজন্য ব্রিটিশ সরকার ১৯০৮ সালের ১১ আগষ্ট তাঁকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করে।চলে গেলেন বাংলার বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসু কিন্তু ‘ জাগিয়ে দিলেন চমক্ মেরে;আছে যারা অর্দ্ধ চেতনা’।
যুগে যুগে কিছু মহৎপ্রাণ মানুষ আছেন, যারা আপন যোগ্যতায় ও মহিমায় জ্বলে থাকেন আকাশের ধ্রুবতারা হয়ে, একান্ত লোক চক্ষুর আড়ালে, নীরবে, নিভৃতে থাকেন। এদের মধ্যে নেই আমিত্বের অহমিকার বহিঃপ্রকাশ। নিতান্ত প্রচার বিমুখ মানুষগুলো থেকে যান মানুষের দৃষ্টিরেখার বাইরে।এমনই একজন প্রচার বিমুখ আলোকিত মানুষ আতাউর রহমান আতা (দাসের বাজার ইউনিয়নের বার বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শফিকুর রহমানের ছোটভাই এবং বড়লেখার ইতিহাসে সম্ভবতঃ প্রথম সিএসপি এম এ মজিদের আপন ভাতিজা)। বড়লেখার ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি বিদ্যাপীঠ এফআর মুহিউস সুন্নাহ মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটের সাবেক কাউন্সিল ফয়জুর রহমানের ছোট ভাই।
যিনি বিলেতের মাটিতে বৃহত্তর সিলেটের একজন গর্বিত সন্তান হিসেবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। বড়লেখাবাসীর গর্বের নাড়ীছেড়া ধন এই মানুষটি ১৯৫৮ সালে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার সুড়িকান্দি গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। স্কুল জীবনের পরেই ১৯৭০ সালে তিনি তার পরিবার পিতা- মাতার সাথে ব্রিটেনে পাড়ি জমান। তিনি ব্রিটেনের বিভিন্ন স্থানে বসবাস করেন- Yorkshire, London, Newcastle, Buckinghamshire, এবং Northumberland. শিক্ষা জীবন সমাপ্তির পর তিনি লন্ডনের Tower Hamlet এর সাথে সংযুক্ত হন এবং স্থানীয় সরকারের অধীন Social Service Department এ কাজ করেন। তিনি একই সাথে তার পেশাগত শিক্ষাও চালিয়ে যান এবং অক্সফোর্ড এর Ruskin কলেজ হতে Certificate in Qualified Social Work ( CQSW) সম্পন্ন করেন। সত্তরের দশকের শেষের দিকে তিনি গভীরভাবে জড়িয়ে পড়েন সামাজিক, রাজনৈতিক এবং লেবার পার্টির বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে। তখন তিনি বিভিন্ন সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বে চলে আসেন-যেমন Bangladesh Youth Organization,Tower Hamlets Association for Racist Equalities,Mitali Housing Association ইত্যাদি। একই সময়ে তিনি স্থানীয় লেবার পার্টির গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থেকে ১৯৯৪ ইং সনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। তখন লেবার পার্টি পূর্ব লন্ডনে ক্ষমতায় এলে তিনি দ্রুততার সাথে নেতৃত্বের পাদপ্রদীপে চলে আসেন এবং কেবিনেটের সদস্যপদ লাভ করেন। তিনি ফাইন্যান্স কমিটি এবং অডিট প্যানেলের সভাপতি মনোনীত হন (১৯৯৫-১৯৯৬) এ। সোসাল সার্ভিস কমিটির সভাপতি মনোনীত হন (১৯৯৬-১৯৯৭) এ এছাড়াও Performance Management Working Party এর সভাপতি মনোনীত হন (১৯৯৭- ৯৮)তে অত্যন্ত সফলভাবে, (১৯৯৯-২০০০) এ কেবিনেট সদস্য হিসেবে ফাইন্যান্স ও অডিট প্যানেলে দায়িত্ব পালন করেন।(২০০০-২০০৩) এ কেবিনেট মেম্বার হিসেবে ও দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট সংস্থার সম্মুখ সারিতে থেকে নেতৃত্ব দানের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখেন।এগুলোর মধ্যে তিনি পরিচালক ছিলেন, Tinkerbel Trust (1996-1997) এ, পরিচালক Bethnal Green City Challenge company (1994-1995) এ পরিচালক Spitalfield Market. Community Trust (1994-1997) এ, পরিচালক Mile and Par Partnership 2000 (-2003) এ, পরিচালক কাচারাল ইন্ডাষ্ট্রিজ ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি – CIDA (2000-2003) এ, সভাপতি বৈশাখী মেলা (২০০০-২০০৩)এ, সভাপতি নজরুল সেন্টার শেডো বোর্ড(২০০০-২০০৩) এ। ব্যক্তি জীবনে আতাউর রহমান বেগম হাসনা রহমানের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। মিসেস রহমানও একজন নিঃস্বার্থ সমাজকর্মী।
সর্বশেষ তিনি বড়লেখাবাসীর মানবসেবার অনন্য সংগঠন, বড়লেখা ফাউন্ডেশন ইউকে এর অভিভাবকের ভুমিকায় উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন। অত্যন্ত সদালাপী, নিরহংকার, সজ্জন এ মানুষটি অনেকটা পর্দার আড়ালে থেকে নিভৃতে মানবতার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এমন একজন গুণীজনকে নতুন প্রজন্মের কাছে বহু আগে পরিচিত করানো প্রয়োজন ছিল। তাঁর ক্যারিয়ার ও জীবন থেকে নতুন প্রজন্মের অনেক কিছু শেখার আছে। কথায় আছে, যে দেশে গুণীজনের কদর নাই, সেই দেশে গুণীজন জন্মায় না।
আমরা আমাদের এই কৃতি সন্তানকে স্বশ্রদ্ধ অভিবাদন জানাই। বড়লেখায় অগনিত আলোকিত আতাউর রহমানের জন্ম হোক বার বার, এ প্রত্যাশা। তাঁর দীর্ঘ নেক হায়াত কামনা করি। ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন পরিবার- পরিজনসহ এই ফরিয়াদ দয়াময় মাবুদের তরে মনেপ্রাণে।
এক. লেখনী-বক্তৃতার মাধ্যমে দাওয়াত লেখনী ও বক্তৃতার মাধ্যমে দাওয়াতের একটির সম্পর্ক যবানের সঙ্গে, আরেকটির সম্পর্ক কলমের সঙ্গে। সুতরাং দাওয়াতের কাজ যে প্রকারেই করা হোক না কেন, দা’ঈর ভাষা, সাহিত্যের মানে উত্তীর্ণ হওয়া জরুরি। প্রথমে তাঁর মাতৃভাষা ও তাঁর সমাজের পরিভাষা সম্পর্কে তাঁকে প্রাজ্ঞ হতে হবে; চাই তাঁর মাতৃভাষা যাই হোক না কেন। কারণ, সে যদি নিজের এলাকার মানুষকে মাতৃভাষায় সত্যের দীনের দাওয়াত দেয়, তাহলে তা বেশি কার্যকর হবে।
পক্ষান্তরে কোনো ভিন্নভাষী যদি ভিন্ন ভাষায় দাওয়াতের কাজ করে, তাহলে তা এতটা কার্যকর ও প্রভাবসম্পন্ন হবে না। যেমন ধরুন, আমি যদি ‘চাতরাল’ গিয়ে আমার ভাষায় ওয়াজ করি, তাহলে আস্থা ও মুহাব্বতের কারণে হয়তো-বা মানুষ আমার ওয়াজ শুনবে এবং আমার প্রতি তারা ভক্তি-শ্রদ্ধাও প্রদর্শন করবে, কিন্তু তাতে ওই রকম প্রভাব পড়বে না, যা ওই ভাষাভাষী একজনের ওয়াজে হবে। তাই প্রত্যেক দা’ঈর কর্তব্য হলো, তার মাতৃভাষা ও সাহিত্যে পাণ্ডিত্য অর্জন করা।
দাওয়াতের আরেকটি প্রকার হলো লেখা। একজন দা’ঈর লেখা খুব পরিষ্কার ও সুন্দর হওয়া চাই এবং নিয়ম-নীতি অনুযায়ী হওয়া চাই। লেখার সাহিত্যমানও উচ্চাঙ্গের হওয়া চাই। দা’ঈর লেখা যদি অসুন্দর ও অশুদ্ধ হয়, তাহলে প্রথমেই পাঠক তাতে বিরক্ত হবে। সে ভাববে, যার লেখাই বিশুদ্ধ নয়, সে আবার আমাকে কী শেখাবে! তাই লেখা সুন্দর করাও দা’ঈর অনেক বড় গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
আজকাল সর্বসাধারণের কাছে সংবাদ পৌঁছানোর কাজকে শক্তিশালী গণমাধ্যম দিয়ে সম্পাদন করা হয়। তাই দা’ঈর জন্য এ বিষয়টিও জানা থাকা জরুরি।
গণমাধ্যমও দুই ধরনের : এক. টেক্সট বা লৈখিক মিডিয়া, তথা পত্র-পত্রিকা, ওয়েবসাইট ইত্যাদি।
দুই. অডিও-ভিডিও মিডিয়া, তথা রেডিও, টেলিভিশন, ইউটিউব ইত্যাদি।
লৈখিক মিডিয়ায় দাওয়াতের কাজ করতে হলে লেখায় সাহিত্যমান থাকা জরুরি। অডিও-ভিডিও মিডিয়ায় কাজ করতে হলে যবানের ভাষা ও আলোচনা সাহিত্যমানে উত্তীর্ণ হওয়া জরুরি। লৈখিক মিডিয়ার সম্পর্ক কলমের সঙ্গে, আর অডিও-ভিডিও মিডিয়ার সম্পর্ক যবানের সঙ্গে। এ জন্য উভয় ক্ষেত্রেই দা’ঈর পাণ্ডিত্য থাকা জরুরি।
দুই. কাজের মাধ্যমে দাওয়াত দাওয়াতের দ্বিতীয় পদ্ধতিটি হলো- নিজের জীবনে ইসলামী বিধিবিধান পালনের বাস্তব নমুনা পেশ করা। সত্য সুন্দর ও মজলুম মানুষের পক্ষে দাড়াতে নিজের আমল আখলাক, চাল চলন উন্নত হওয়া চাই। এটি দাওয়াতের সবচেয়ে কার্যকর ও গতিশীল মাধ্যম। এজন্য নিজের সংশোধন ও প্রস্তুতির নিমিত্তে প্রয়োজন তাজকিয়ায়ে নফসের উন্নয়ন। আমার যে আমলের মাধ্যমে আমি অন্যের কাছে দাওয়াত পেশ করবো, তা দুরস্ত করার জন্য প্রয়োজন মুসলিহ ও মুরব্বী; প্রয়োজন এমন কিছু মানুষের সোহবত ও সাহচর্য, যাঁরা নিজেরা আত্মশুদ্ধি অর্জন করেছেন।
আল্লাহ্র নীতি এটাই যে, যেমনিভাবে শারীরিক রোগীর চিকিৎসা একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারই করতে পারেন, ঠিক তেমনি আত্মার বাতেনী রোগ-ব্যাধির চিকিৎসাও একজন রূহানী ডাক্তার ছাড়া সম্ভব নয়।
(চলবে)
মূল-মুফতি মুহাম্মাদ রফী উসমানী (সাম্প্রতিক বিবেচনায় কিছু পরিবর্তিত)
আজ প্রায় পাঁচটা মাস, প্রতিদিন ওঁরা একজন না একজনের ফোন আসছেই। হুজুর মাদ্রাসা কবে খুলবে? আমরা কবে আসবো? বাড়িতে আর ভাল্লাগেনা।
আশার প্রহর গুনা শেষ হচ্ছে না। আজ আট আগস্ট মাদ্রাসা সমুহ খোলার কথা, কিন্তু দুই দিন আগে যখন শুনলাম যে না আট আগস্ট মাদ্রাসা খুলছে না, তখন অপেক্ষার পালা শেষ করে এঁদেরকে শান্তনা দিলাম, কিন্তু না! ওরা বলছে আমরা আট আগস্ট চলে আসবো হুজুর!
রাত কিংবা দিন, যাদের নিয়ে আমি সাজিয়েছি আমার জীবন সাধনার অমর ভালোবাসা প্রিয় রাংজিয়ল জামেয়া, এদের প্রতি আমার ও অনেকটা হৃদয়ের ব্যাকুলতা অবশ্যই রয়েছে ।
জামেয়ার নাঈবে মুহতামিম হযরত মাওঃ আব্দুল মজিদ বললেন, এঁদেরকে সামাল দেয়া যাচ্ছে না। বললাম আমি আসছি।
সকাল দশটার দিকে রওয়ানা হলাম, একে একে বিচ্ছিন্ন ভাবে এদেরকে দেখে গেলাম, সর্বশেষ মাওঃ আব্দুল মজিদ এঁর বাড়িতে একত্রিত হলো ওঁরা প্রায় পঞ্চাশ জন।
মাওলানাকে বললাম এঁদের জন্য খাবার তৈরি করুন বিল আমি এসে পরিশোধ করবো, সাথে নিয়ে গেলাম রাজমহলের মিষ্টি,নিমকি, জিলাপি আর দই।
মাওলানার সাথে আমাকে তাঁরা রিসিভ করলো, প্রতিটি বাচ্ছার মুখে আনন্দ আর হাসি। একে একে সালাম মুসাফাহা করলাম। সালাতুল এশার পর মাওলানা আব্দুল মজিদ এঁর উঠানে এদের অভিভাবক সহ ঈদ আনন্দে শরিক হলাম আমি।
আশার আগে আধা ঘন্টার মত আলোচনা রাখলাম, পনেরো মিনিটের মতো দোয়া হলো।
দোয়া শেষে এঁদের একটাই দাবি হুজুর শিক্ষা বোর্ড মাদ্রাসা খোলার ঘোষণা কবে দিচ্ছে?
আমি যখন চলে আসবো, একে একে বিদায় নিচ্ছি আর বলছি খুব শিগগিরই মাদ্রাসা খুলবে, তোমরা চিন্তা কর না, তখন ছেলে গুলো তাদের অভিভাবকদের সামনে হাউমাউকরেকাঁদছে , আমি না দেখার বাহানা করে গাড়িতে বসে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম, লুকিং গ্লাসে তাকিয়ে দেখলাম এঁরা দাড়িয়ে চেয়ে আছে আমার পথ পানে , অনেকে কান্না ঝরা চোখ মুছছে। তাঁদের ভালোবাসায় আসে ব্যাকুলতা।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় জিম্মি রেস্টুরেন্ট ও পার্টি সেন্টারের ২য় শাখার উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বড়লেখা পৌর শহরের এম আলী শপিং সিটিতে রেস্টুরেন্ট ও পার্টি সেন্টারটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি বড়লেখা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ ও বিয়ানীবাজার উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাসেম পল্লব।
এ উপলক্ষে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা পৌর মেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী, বড়লেখা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন, বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিন, দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন, বিয়ানীবাজারের মুল্লাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আলমগীর হোসেন রুনু, বিয়ানীবাজার পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আব্দুল রউফ সুমন ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন রাসেল, সমাজসেবক আলী আহমদ, কয়েছ জিয়া, সুমন আহমদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালা করেন বড়লেখা উপজেলার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা রুহুল আমিন প্রমুখ। জিম্মি রেস্টুরেন্ট ও পার্টি সেন্টারের প্রথম শাখা সিলেটের বিয়ানীবাজার শহরে। বড়লেখায় আধুনিক মানসম্পন্ন রুচিশীল খাবার ও পার্টি সেন্টারের উদ্বোধনে অতিথিবৃন্দ আনন্দ প্রকাশ করে স্বাস্থ্য বিধি মেনে নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে সকল কর্মকান্ড পরিচালনার আহবান জানান।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ ০৭নং তালিমপুর ইউনিয়ন শাখার ব্যবস্থাপনায় এবং আসন্ন ০৭নং তালিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আলিম-উলামা ও জনসাধারণ সমর্থিত, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ মনোনীত সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা, তরুণ আলিমে দ্বীন মুফতি জামিল আহমদ কাসিমীর অর্থায়নে, হাকালুকি হাওরাঞ্চলের পানিবন্ধী মানুষের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
গতকাল (রবিবার) দিনব্যাপী ত্রাণ সামগ্রী বিতরণকালে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুফতি জামিল কাসিমী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সার্বিক খোজ-খবর নেন এবং সর্বদা মানুষের পাশে থাকার ও সেবা করার অংগীকার ব্যক্ত করেন। জনসাধারণ একজন আলিম জনপ্রতিনিধি পেয়ে হৃদয় থেকে আনন্দ প্রকাশ করে এবং উচ্ছ্বাসিত হয়। তাদের সর্বাত্মক সমর্থন এবং সহযোগীতায় এই আলিম প্রতিনিধিকে বিজয়ী করার অভিপ্রায় প্রকাশ করেন। হাওরাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী রাংজিউল জামিয়া নজিবিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসায়, মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল খেলাফত মজলিস নেতা মাওঃ শায়েখ সালেহ নজিব আল আইয়্যুবীর সভাপতিত্বে বিকাল ৩টায় এক “মতবিনিময় সভা” অনুষ্ঠিত হয়। শায়েখের অসাধারণ মেহমানদারি এবং দিক-নির্দেশনায় কর্মীগণ উজ্জীবিত হয়। এই দীর্ঘ যাত্রায় সফরসঙ্গী ছিলেন- ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সংগ্রামী সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রনেতা আহমাদুল হক উমামা, সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফিয মাওঃ তায়্যিবুর রহমান, মৌলভীবাজার জেলা ছাত্র জমিয়তের সভাপতি মাওঃ শিহাবুদ্দীন শাহ আলম, বড়লেখা উপজেলা যুব জমিয়ত সভাপতি হাফিয মাওঃ ইয়াহইয়া আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মাওঃ সাইফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওঃ মাহবুবুর রহমান, দায়ী সম্পাদক হাফিয সিরাজুল ইসলাম, যুবনেতা মাওঃ শাহাবুদ্দীন, বড়লেখা উপজেলা ছাত্র জমিয়তের সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান আহমদ। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আয়োজনকে বাস্তবে রুপদান করেন- তালিমপুর ইউপি ছাত্র জমিয়তের সভাপতি মাওঃ ওলিউর রহমান শামিম, সাধারণ সম্পাদক হাফিয এবাদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিয ফাহিম আহমদ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- কাঁঠালতলি ইউপি ছাত্র জমিয়তের সভাপতি হাফিয মাহমুদুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক জুনাইদ আল হাবিব, যুবনেতা মাওঃ নাঈমুল হাসান, তালিমপুর ইউপি ছাত্র জমিয়তের সহ-সভাপতি মাওঃ জিয়াউর রহমান, মাওঃ মারুফ আহমদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফিয কিবরিয়া আহমদ, সহ-সাংগঠণিক সম্পাদক হাফিয জামিল আহমদ, অর্থ সম্পাদক মাওঃ শাহেদ আহমদ, প্রচার সম্পাদক হাফিয হুসাইন আহমদ, স্কুল-কলেজ বিষয়ক সম্পাদক মারজান আহমদ, হাফিয হাবিবুল্লাহ সাদি, আহমদ সুমন, সাইদুল ইসলাম, সাঈদ আহমদ ঈমন, জালাল আহমদ প্রমুখ।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আয়োজনে আজ দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে ১১,৪০০ জন উপকারভোগীর মধ্যে ১০ কেজি করে ভিজিএফ এর চাল বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বড়লেখা মোঃ শামীম আল ইমরান এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ বড়লেখার চেয়ারম্যান সোয়েব আহমেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার উদ্দিন, উপজেলা পরিষদ, বড়লেখার ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ তাজ উদ্দিন, বড়লেখা সদর ইউপির চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজ উদ্দিন প্রমুখ। অনুষ্ঠান টি সঞ্চালনা করেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের মুমূর্ষু রোগীদের পরিবহণ সেবায় অ্যাম্বুলেন্স দান করেছেন প্রবাসী সমাজসেবক সোহেল আহমদ সুমন। নতুন এ এ্যাম্বুলেন্সের চাবি হস্তান্তর ও সার্ভিসের উদ্বোধন উপলক্ষে সুজানগর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ্যাম্বুলেন্স দাতা প্রবাসীর পিতা মোস্তফা উদ্দিনের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ।
ইউনিয়ন তথ্য কেন্দ্রের উদ্যোক্তা খলিলুর রহমান লিমনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সুজানগর ইউপি চেয়ারম্যান নছিব আলী, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সাব্বির আহমদ, এ্যাম্বুলেন্স দাতা প্রবাসী সোহেল আহমদ সুমন, জামেয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম আজিমগঞ্জ মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আব্দুল কাদির, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমরুল ইসলাম লাল, সাধারণ সম্পাদক সাহেদুল মজিদ নিকু, ইউপি মেম্বার মকবুল হোসেন সেবুল, ফরমান আহমদ, শহিদ আহমদ, সাবেক ইউপি মেম্বার সমছ উদ্দিন, সমাজসেক আনসার হোসেন, রুয়েল আহমদ প্রমুখ।
আজ ২৫ জুলাই মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ২০১৯-২০ অর্থ বছরে দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচির ১৪৭০ জন এবং কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল কর্মসূচির ৪২৫ জন উপকারভোগীর ভাতা বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত থেকে উদ্বোধন করেন প্রধান অথিতি মোঃ শাহাব উদ্দিন, এম.পি, মাননীয় মন্ত্রী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এসময় বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোয়েব আহমদ, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, বড়লেখা। আনোয়ার উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ, বড়লেখা। সভাপতিত্ব করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত লায়লা নীরা।
এছাড়া সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে জটিল রোগ ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, জন্মগত হৃদরোগ, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত ১০ জন রোগীর মাঝে জনপ্রতি ৫০,০০০/- টাকা হারে ৫,০০০০০/- টাকার চেক বিতরণ করা হয়।
আজ ২৫ জুলাই মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ২০১৯-২০ অর্থ বছরে দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচির ১৪৭০ জন এবং কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল কর্মসূচির ৪২৫ জন উপকারভোগীর ভাতা বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত থেকে উদ্বোধন করেন প্রধান অথিতি মোঃ শাহাব উদ্দিন, এম.পি, মাননীয় মন্ত্রী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এসময় বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোয়েব আহমদ, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, বড়লেখা। আনোয়ার উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ, বড়লেখা। সভাপতিত্ব করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত লায়লা নীরা।
এছাড়া সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে জটিল রোগ ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, জন্মগত হৃদরোগ, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত ১০ জন রোগীর মাঝে জনপ্রতি ৫০,০০০/- টাকা হারে ৫,০০০০০/- টাকার চেক বিতরণ করা হয়।
‘তাকবিরে তাশরিক’ হলো মহান আল্লাহ তাআলার একত্ববাদের স্বীকৃতি ও প্রশংসা ঘোষণা করা। প্রত্যেক হিজরি বছরের জিলহজ মাসের ৯ তারিখ ফজরের নামাজ থেকে ১৩ তারিখ আসরের নামাজ পর্যন্ত ২৩ ওয়াক্ত নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক এক বার পড়া ওয়াজিব। প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষ, মুকিম-মুসাফির, গ্রামবাসী-শহরবাসী, জামাআতে বা একাকি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর প্রত্যেকের ওপর একবার করে তাকবিরে তাশরিক পাঠ করা ওয়াজিব। তাকবিরে তাশরিক হলো- اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ وَاَللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ উচ্চারণ : ‘আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর, ওয়ালিল্লাহিল হামদ্। ’অর্থ হলো : “আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; আল্লাহ মহান, আল্লাহ ব্যতিত কোনো উপাস্য নেই; সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আল্লাহ মহান।” সে হিসেবে এ বছরের আগামী ৩১ জুলাই শুক্রবার ২০২০ (৯ জিলহজ) ফজর থেকে ০৪ আগস্ট মঙ্গলবার ২০২০ (১৩ জিলহজ) আসরের নামাজ পর্যন্ত ২৩ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পর ‘তাকবিরে তাশরিক’ পড়তে হবে। এ তাকবির প্রত্যেক ওয়াক্তে ১ বার পড়া ওয়াজিব। আর ৩ বার পড়া মোস্তাহাব। বিষয়টি খেয়াল করে যথাযথভাবে পালন করা প্রত্যেক মুমিনের জন্য জরুরী।
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে তথা মুসলিম উম্মাহকে উক্ত ২৩ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক পাঠ করে আল্লাহ তায়ালার ভালোবাসা ও নৈকট্য লাভের তৌফিক আতা ফরমান। আল্লাহুম্মা আমিন।
লেখকঃ এম. এম আতিকুর রহমান ফাজিল -জামেয়া মাদানিয়া কাজিরবাজার, সিলেট। কামিল, সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা।
মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধি ::মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের আতুয়া গ্রামের লন্ডন প্রবাসী,জামেয়াতুল উম্মা ইসলামিক স্কুল লণ্ডন E-1 এর শিক্ষক মাওলানা মোঃ মুমিনুল ইসলাম ফারুকী ও তাঁর বন্ধুদের অর্থায়নে এলাকার হত দরিদ্র,অসচ্ছল ৯০টি পরিবারের মাঝে ঈদের খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আতুয়া গ্রামে প্রবাসী মুমিনুল ইসলাম ফারুকীর নিজ বাড়িতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দরিদ্রদের মাঝে এসব সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।
এসময় উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ৩৮জন সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ৫২ জন ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের মাঝে ১০ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ লিটার তৈল, ২ টি সাবান ও নগদ ৫শত টাকা করে বিতরণ করা হয়।
বিতরণকালে স্থানীয় ইউপি সদস্য আলীম উদ্দিন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কালাচাঁদ চন্দ চন্দ, স্থানীয় স্কুল শিক্ষক আব্দুল করিম, উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের তালাক ও নিকাহ রেজিস্টার সাংবাদিক কাজী রমিজ উদ্দিন,আতুয়া জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওঃআব্দুস শহীদ, সুলতান মাহমুদ খান,তারেক মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
লন্ডন প্রবাসী মুমিনুল ইসলাম ফারুকী জানান, ‘করোনাভাইরাসের এই পরিস্থিতিতে খেটে খাওয়া হতদরিদ্র মানুষগুলো খুব কষ্টের মধ্য জীবনযাপন করছে।তাই প্রবাসে বসে আমি উদ্যোগ নিয়েছি এই দুঃসময়ে হতদরিদ্র মানুষের পাঁশে দাঁড়ানোর। এ উদ্যোগে আমার বন্ধুমহল এগিয়ে এসেছেন। তাদের আর্থিক সহযোগিতায় এবং আমার ভাই আব্দুস শহীদ ও মুজিরুল ইসলামের মাধ্যমে করোনাকালীন সময়ে আরও দুই দফায় অসহায় দরিদ্রদের মাঝে নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছি। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ৯০ টি হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ সম্পন্ন করা হয়েছে,দুঃখিদের মুখে হাসি ফুটানো ধনীদের নৈতিক দায়িত্ব। ধাপে ধাপে হতদরিদ্র পরিবারগুলোর মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের ধারা অব্যাহত রাখবো ইনশা আল্লাহ।’
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য রফিকুল আলমের ইন্তেকালে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি (২০ জুলাই) গতরাত ৩ ঘটিকায় গ্রামতলাস্থ তাঁর নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন।
মরহুমের জানাজার নামাজ আজ বেলা ২ ঘটিকায় সৈয়দা মোকাম মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্টিত হয়ে স্থানীয় গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। একজন সততা সম্পন্ন বিনয়ী ও পরোপকারী সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে সুপরিচিত উদীয়মান সমাজ সেবককে অকালে হারিয়ে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
আমরা তাঁর শোকাহত পরিবার পরিজনের সবরে জামিল দান এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের আলা মাকাম নসিব করুন দয়াময় আল্লাহর কাছে কায়মনোবাক্যে এই ফরিয়াদ জানাই।
কারো জন্য কোরবানী ওয়াজিব হওয়া কিংবা সুন্নত হওয়ার জন্য কোরবানীকারী কে ধনী হওয়া শর্ত। অর্থাৎ তার নিজের খরচ পাতি ও সে যাদের খরচ চালায় তাদের খরচপাতির অতিরিক্ত তার কাছে কোরবানী করার অর্থ থাকা। অতএব, কোন মুসলমানের যদি মাসিক বেতন বা আয় থাকে এবং এ বেতন দিয়ে তার খরচ চলে যায়, এর অতিরিক্ত তার কাছে কোরবানীর পশু কেনার অর্থ থাকে তাহলে সে ব্যক্তি কর্তৃক কোরবানী দেয়ার শরয়ীহ বিধান রয়েছে।
কোরবানী করার জন্য ধনী হওয়া শর্ত মর্মে দলিল হচ্ছে নবী (সাঃ) বাণী: “যে ব্যক্তির সামর্থ্য আছে অথচ সে কোরবানী করেনি সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়”[সুনানে ইবনে মাজাহ (৩১২৩), আলবানী ‘সহিহ সুনানে ইবনে মাজাহ’ গ্রন্থে হাদিসটিকে ‘হাসান’ বলেছেন] এখানে সামর্থ্য দ্বারা উদ্দেশ্য ধনী হওয়া।
প্রতিটি পরিবারের পক্ষ থেকে কোরবানী দেয়ার বিধান রয়েছে। দলিল হচ্ছে- নবী (সাঃ) বাণী: “প্রতিটি পরিবারের পক্ষ থেকে প্রতি বছর একটি কোরবানী দেয়া ওয়াজিব”[মুসনাদে আহমাদ (২০২০৭)] ইবনে হাজার ‘ফাতহুল বারী’ গ্রন্থে বলেন: হাদিসটির সনদ মজবুত। আলবানী ‘সহিহ সুনানে আবু দাউদ গ্রন্থে (২৭৮৮) হাদিসটিকে ‘হাসান’ বলেছেন]
এ বিধানের ক্ষেত্রে পুরুষ বা নারীর কোন ভেদ নেই। অতএব, কোন নারী যদি একাকী বসবাস করেন কিংবা তাঁর সন্তানদেরকে নিয়ে থাকেন তাহলে তাদেরকে কোরবানী করতে হবে।
প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী—যে ১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের ভেতরে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে; তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। অর্থ-কড়ি, টাকা-পয়সা, সোনা-রূপা, গহনা-অলঙ্কার, বসবাস ও খোরাকির অতিরিক্ত জমি, প্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সব আসবাবপত্র কোরবানির নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য। আর নেসাব হল স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরি, রূপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি। আর টাকা-পয়সা ও অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রে নিসাব হলো- এগুলোর মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হওয়া (টাকার অংকে প্রায় ৫৫ হাজার টাকা)। আর সোনা বা রূপা কিংবা টাকা-পয়সা এগুলোর কোনো একটি যদি পৃথকভাবে নেসাব পরিমাণ না থাকে কিন্তু প্রয়োজন অতিরিক্ত একাধিক বস্তু মিলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হয়ে যায়, তাহলেও কোরবানি করা ওয়াজিব। (আলমুহিতুল বুরহানী: ৮/৪৫৫; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া: ১৭/৪০৫)
আল-মাওসুআ আল-ফিকহিয়্যা গ্রন্থে (৫/৮১) এসেছে-
“কোরবানী ওয়াজিব হওয়া কিংবা সুন্নত হওয়ার জন্য পুরুষ হওয়া শর্ত নয়। কোরবানী পুরুষদের উপর যেমন ওয়াজিব হয় তেমনি নারীদের উপরও ওয়াজিব হয়। কারণ ওয়াজিব হওয়ার দলিলগুলো নর-নারী সবাইকে সমানভাবে শামিল করে।”(সংক্ষেপিত ও সমাপ্ত)
লেখক ক্বাজী রমিজ উদ্দিন নিকাহ রেজিস্টার ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউঃপিঃ বড়লেখা মৌলভীবাজার।
নিউজ ডেস্কঃ এ যেন সিনেমার দৃশ্য। প্রেমিকার জন্য উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুতের উঁচু টাওয়ারে উঠে পড়লেন প্রেমিক ! তারপর থেকে উচ্চস্বরে বলতে থাকেন– প্রেমিকার সঙ্গে তার বিয়ে না হলে আত্মহত্যা করবেন। এক কান দুই কান করে মধ্যরাতে জড়ো হতে থাকেন এলাকাবাসী।
খবর যায় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকর্মীদের কানেও। অবশেষে টান টান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে তার প্রেমিকার সঙ্গে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে নানা কৌশলে আদমজী বিহারি ক্যাম্পের বিপ্লব নামের ওই প্রেমিককে আড়াই ঘন্টা পর নামানো হয় ওই টাওয়ার থেকে।
জানা যায়, প্রেমিকার সঙ্গে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় বাবা-মায়ের সঙ্গে অভিমান করে আত্মহত্যা করতে বিদ্যুতের উঁচু টাওয়ারের ৬৫ থেকে ৭০ ফুট ওপরে উঠে ওই প্রেমিক। পরে প্রেমিকার সঙ্গে বিয়ে দেয়ার শর্তে প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর বিপ্লব নামে ওই যুবককে অক্ষত অবস্থায় নিচে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ।
এ সময় উপস্থিত জনতার চোখেমুখে আতঙ্ক বিরাজ করছিল। সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ৬নং ওয়ার্ডের সুমিলপাড়া এলাকায় শনিবার মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানাযায়, ১৭০ ফুট উঁচু এবং ১ লাখ ৩২ হাজার ভোল্টের বিদ্যুতের কেবল পরিবাহী ওই টাওয়ারের অনেক উঁচুতে উঠে অবস্থান নেন নারায়ণগঞ্জ সিটির ৬নং ওয়ার্ডস্থ আদমজী বিহারী ক্যাম্পের বাসিন্দা বিপ্লব নামে এক যুবক।
পাশেই দড়ি বেঁধে ফাঁসি দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন তিনি। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা, পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের অনেক অনুরোধেও নিচে নামতে রাজি হচ্ছিলেন না বিপ্লব।
অনেক চেষ্টার পর শর্ত মানায় প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিহারী ক্যাম্পের গুলু মেম্বারের কথায় কিছুটা নিচে নেমে এলে আশেপাশের লোকজনের চিৎকার শুরু করে। তাকে নিচে নামিয়ে আনতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের এগিয়ে যেতে দেখে বিপ্লব ফের ওপরের দিকে উঠতে থাকে।
এর কিছুক্ষণ পর তার ভাইয়ের মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিসের হ্যান্ড মাইকে কথা বলতে পুনরায় কিছুটা নিচে নেমে এলে অপর প্রান্ত দিয়ে স্থানীয় দুজন ওপরে উঠে তাকে ধরে ফেলে। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তার ওপরে উঠে তাকে অক্ষত নিচে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়।
বিপ্লবের বাবা বলেন, ‘ছেলে মাদকাসক্ত। প্রায়ই মাদকের টাকার জন্য ঘরে হুমকি-ধমকি দেয়।
প্রবাস ডেস্কঃ সৌদি আরবের রিয়াদে ১০ জন বাংলাদেশী নাগরিক ও ১ জন ভারতীয় নাগরিক সহ মোট ১১ জন সিম জালিয়াতি চক্রের সদস্যকে গ্রেফতার করেছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ২০ জুন, শনিবারে এই গ্রেফতারের ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, অনেকদিন ধরেই সিমকার্ড জালিয়াতি করে আসছিলো এই চক্রটি। তারা অন্য মানুষের আইডি দিয়ে সিমকার্ড ভেরিফাই করে তারপর সেগুলো বিভিন্ন অসাধু উপায়ে সাধারন মানুষজনের কাছে বিক্রি করতো। সাধারন মানুষজন নিজের তথ্য ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে সিমকার্ড কেনার পর তাদের এই তথ্য কপি করে আরো অসংখ্য সিম তার নামে ভেরিফাই করা হতো। এসকল সিমকার্ড দিয়ে কোন অসাধু কার্যকলাপ করা হলে সেক্ষেত্রে অপরাধীকে সিম দিয়ে খুজে বের করার উপায় থাকতো না।
পূর্ববর্তী অসংখ্য অভিযোগের পড়ে তদন্ত করে রিয়াদে এই চক্রের কাজের স্থানে অভিযান চালিয়ে চক্রের ১১ জন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। এদের মধ্যে ১০ জন বাংলাদেশী নাগরিক, এবং ১ জন ভারতীয় নাগরিক।
অভিযান চালানোর পড়ে অভিযান স্থল থেকে বিপুল পরিমান সৌদি নাগরিকদের আইডি কার্ড ছবি ও কপি, বেশকিছু প্রবাসীদের ইকামার ছবি, এবং নকল প্রায় ১৬ হাজার সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়।
নিউজ ডেস্কঃ আগামীকাল ২১ জুন, রবিবার থেকে সকল প্রকার কারফিউ তুলে নেয়া হচ্ছে সৌদি আরবে! এরফলে সকল প্রকার লকডাউন এর বিধিনিষেধ উঠিয়ে নেয়া হবে, ফলে পূর্বের মতোই স্বাভাবিক হবে জীবনযাত্রা!
অবশেষে কয়েকমাস চলার পড়ে সৌদি আরবে আগামীকাল থেকে সকল প্রকার কারফিউ তুলে নেয়া হচ্ছে। ইতিপূর্বে বিগত রমজান মাসে বেশকিছু নিয়ম কানুন ও নিষেধাজ্ঞা বহাল করে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য দোকানপাট ও শপিং মল খুলে দেয়া হয়েছিলো, কিন্তু রমজান শেষ হবার পূর্বেই পুনরায় কারফিউ জারি করা হয়। অবশেষে দীর্ঘ কয়েক মাস পড়ে আগামীকাল রবিবার, ২১ জুন থেকে সৌদি আরবে সম্পূর্ণরূপে কারফিউ তুলে দেয়া হচ্ছে।
কারফিউ তুলে নেয়া হলেও পরবর্তী ঘোষণা পর্যন্ত ওমরাহ হজ বন্ধ থাকবে। সৌদি আরবে ইতিমধ্যে ডোমেস্টিক ফ্লাইট চালু হলেও বাইরের কোন দেশের সাথে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হচ্ছে না। সকল প্রকার আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরবর্তী ঘোষণা আসা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
এছাড়াও সৌদি আরবের সাথে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর স্থলপথ এবং সমুদ্রপথ পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
সৌদি আরবে দিনে দিনে বাড়ছেই করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা, এর মাঝেই চলমান কারফিউ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কারফিউ তুলে নেয়ার ফলে আগের মতোই সচল হয়ে উঠবে জনজীবন।
দু’দিন ধরেই জ্বরে ভুগছিলেন সংসদ সদস্য মাশরাফি। তার উপসর্গ ছিল গা ও মাথা ব্যথা। এ জন্য শুক্রবার (১৯ জুন) পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন তিনি।
ফলাফল পজিটিভ এলেও আপাতত জ্বর ও গা ব্যথা ছাড়া অন্য কোনো সমস্যা নেই মাশরাফির। বর্তমানে নিজের বাসাতেই আইসোলেশনে আছেন তিনি।
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকেই বেশ সক্রিয় ছিলেন মাশরাফি। তিনি তার নির্বাচনী এলাকা নড়াইল-২ আসনে দুস্থ-অসহায়দের পাশে অর্থ সহায়তা থেকে শুরু করে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে মাশরাফির শ্বাশুড়ি ও স্ত্রীর বোন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন তারা। ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’ অবশ্য তাদের সংস্পর্শে আসেননি। এমনকি দুই সপ্তাহ ধরে ঢাকার একটি বাসায় কোয়ারেন্টিনে ছিলেন তিনি। কিন্তু তাতেও করোনায় আক্রান্ত হওয়া থেকে রক্ষা পেলেন না ৩৬ বছর বয়সী পেসার।
বড়লেখা ডেস্কঃ করোনা ভাইরাসের তান্ডবে যখন পুরো বিশ্বই বিদ্ধস্ত। এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চিকিৎসক ও বিজ্ঞানীরা যখন করোনার প্রতিষেধক আবিস্কারের কাজে ব্যস্ত। ঠিক তখনই করোনা ভাইরাস নিয়ে বড় একটি সুখবর দিয়েছে সৌদি আরব। মদিনার তাইবাহ ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক দাবি করেছেন হাদিস অনুসারে কালোজিরা ব্যবহার করে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের সম্পূর্ণ সুস্থ করা সম্ভব।
তাদের গবেষণাপত্রটি সম্প্রতি মার্কিন জার্নাল ‘পাবলিক হেলথ রিসার্চ-এ প্রকাশিত হয়েছে বলে জানিয়েছে মুসলিম ইঙ্ক নামে একটি সাময়িকী।
এর প্রতিবেদনে বলা হয়- হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কালোজিরা হলো সর্বরোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার ওষুধ। শুধু বিষ ছাড়া। আয়েশা (রা.) জিজ্ঞেস করেন, বিষ কী? রাসূল (সা.) বলেছেন, মৃত্যু। (সহীহ বুখারি-৫৩৬৩)
গবেষকরা জানিয়েছেন, করোনা আক্রান্ত রোগীকে দুই গ্রাম কালোজিরা, এক গ্রাম চামেলি ফুল, এক চামচ মধু একসঙ্গে ভালো ভাবে মিশিয়ে খাওয়াতে হবে। এটি খাওয়ার পর জুস কিংবা একটি কমলা খেতে দেয়া যেতে পারে। তবে লেবু খেলে বেশি ভালো। করোনামুক্ত না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন এভাবে খেতে হবে।
সৌদির গবেষক দলটি বলছে, রোগীর করোনা শনাক্ত হওয়ার প্রথম সপ্তাহে দিনে পাঁচবার উপরোক্ত নিয়ম অনুসারে কালোজিরা খাও- য়াতে হবে। আর সুস্থ হয়ে ওঠার পর মহামারি শেষ না হওয়া পর্যন্ত দিনে একবার করে খেতে হবে সেগুলো।রোগীর কাশি বেশি এবং শ্বাসকষ্ট হলে কালোজিরা ও লবঙ্গ মেশানো পানি গরম করে নাক দিয়ে বাষ্প টেনে নেয়া যেতে পারে।
কালোজিরা-চামেলিও পানিতে গরম করে বাষ্প নাক দিয়ে টানতে পারেন।গবেষকরা বলছেন,অক্সিজেনের অভাব হলে এক চামচ কালোজিরা, এক চামচ চামেলি এবং এক কাপ পানি একটি পাত্রে নিয়ে হালকা গরম করতে হবে। এভাবে দিনে পাঁচ থেকে ছয়বার পানি গরম করে বাষ্প নাক দিয়ে টেনে নিতে হবে।মদীনার গবেষক দলটির সদস্য ডা. সালেহ মুহাম্মদ বলেন, আল্লাহর রহমতে যেসব করোনা রোগীদের এই পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে, তাদের সবাই সেরে উঠছেন। এই পদ্ধতিতে রোগীদের সেরে উঠতে এক সপ্তাহের বেশি সময় লাগছে না।
এম.এম আতিকুর রহমান ; বড়লেখা থেকে ঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখায় আজ ১০ জুন বুধবার, বড়লেখা হিফযুল কুরআন মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে বড়লেখা উপজেলার মসজিদ সমূহের খতিব ও ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কল্যাণার্থে এবং জনসেবার উদ্দেশ্যে গঠণ করা হয় ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদ বড়লেখা।
আহবায়ক কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত “পরামর্শ সভায়” সভাপতিত্ব করেন- পরিষদের আহবায়ক এবং বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সম্মানিত খতিব মুফতি মাওলানা রুহুল আমীন। পরিষদের সদস্য সচিব এবং ইয়াকুবনগর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাও. মুনাওয়ার হুসাইন মাহমুদীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আলোচনা পেশ করেন- বড়লেখা উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জিনগন। পরে সকলের সম্মতিক্রমে, তিন বছর মেয়াদি ৩১ সদস্য বিশিষ্ট “কার্যকরী কমিটি” ঘোষণা করা হয়। কমিটির দায়িত্বশীলগণ হলেনঃ সভাপতিঃ মুফতি রুহুল আমীন বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। সহ-সভাপতিঃ মাও. ফয়জুল বারী কাঁঠালতলী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। সহ-সভাপতিঃ মুফতি আব্দুল বাসিত সুজানগর বড়বাড়ী জামে মসজিদ। সহ-সভাপতিঃ মাও. একরাম আলী চুকারপুঞ্জী জামে মসজিদ। সহ-সভাপতিঃ মাও. আব্দুল হান্নান পশ্চিম পাখিয়ালা টিলা জামে মসজিদ। সহ- সভাপতিঃ মাও. ফারুক আহমদ গাজিটেকা নাজিরের চক জামে মসজিদ। সাধারণ সম্পাদকঃ হাফিয মাও. মুনাওয়ার হুসাইন মাহমুদী ইয়াকুবনগর জামে মসজিদ। যুগ্ম সম্পাদকঃ মাও. বদরুল ইসলাম পাতন জামে মসজিদ। সহ-সাধারণ সম্পাদকঃ হাফিজ মাও. সাদিক আহমদ এফ.আর মুহিউসসুন্নাহ কমপ্লেক্স জামে মসজিদ। সহ-সাধারণ সম্পাদকঃ হাফিয মাও. আবুল হাসান হাদী কাঁঠালতলী জামে মসজিদ সাংগঠনিক সম্পাদকঃ হাফিয মাও. তায়্যিবুর রহমান চানপুর বায়তুল মামুর জামে মসজিদ, শাহবাজপুর। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকঃ মাও. আতাউর রহমান মোহাম্মদনগর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকঃ মাও. আব্দুল হাফিজ কাঁঠালতলী উত্তর জামে মসজিদ। অর্থ সম্পাদকঃ মাও. মুখলিসুর রহমান পানিধার মারকায মসজিদ। প্রচার সম্পাদকঃ হাফিয মাও. ইয়াহইয়া আহমদ বড়লেখা থানা জামে মসজিদ। সহ-প্রচার সম্পাদকঃ মাও. শিহাব উদ্দীন পশ্চিম বানিকোনা জামে মসজিদ। সহ-প্রচার সম্পাদকঃ মাও. মাহবুবুর রহমান সর্দার পাড়া জামে মসজিদ। সাহিত্য সম্পাদকঃ হাফিয মাও. রশিদ আহমদ বারইগ্রাম জামে মসজিদ।প্রকাশনা সম্পাদকঃ মুফতি মছিহুর রহমান শিমুলিয়া জামে মসজিদ। সমাজকল্যাণ সম্পাদকঃ মাও. এনাম উদ্দীন গৌরনগর মাদ্রাসা জামে মসজিদ। অফিস সম্পাদকঃ মাও. লায়েছ আহমদ বড়লেখা হাজিগঞ্জ বাজার জামে মসজিদ।
সদস্যরা হলেন হাফিয হুসাইন আহমদ, মাও. আব্দুল মতিন, মাও. নজরুল ইসলাম নয়ন, মাও. মাহতাব উদ্দীন, মাও. আব্দুল, মাও. আতাউর রহমান, মাও. জুনেদ আহমদ, সাইফুর রহমান, মাও. জামিল আহমদ, মাও. মুঈনুল ইসলাম প্রমুখ। এছাড়া বড়লেখা উপজেলার সকল মসজিদের খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিনদেরকে সাধারণ সদস্য ঘোষণা করা হয়। পরিশেষে, দেশ-জাতীর কল্যান কামনা করে এবং বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মহামারি করোনাভাইরাস থেকে মুক্তির জন্য সভাপতির মুনাজাতের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
নিউজ ডেস্কঃ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ, কুলাউড়া ও রাজনগর উপজেলায় চর্মরোগ জাতীয় গুটি, খোঁড়া, ফুলাসহ ভাইরাস রোগে গবাদি পশু আক্রান্ত হচ্ছে।
এপর্যন্ত এ রোগে তিন উপজেলার প্রায় তিন হাজার গবাদি পশু আক্রান্ত হয়েছে ও একটি মহিষসহ ৩টি গরু মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের এমটাই অভিযোগ।
তবে করোনা ভাইরাসের মধ্যেও উপজেলা চিকিৎসা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছে প্রাণি সম্পদ বিভাগ। প্রতিষেধক না থাকায় এ রোগ ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তরটি। সরেজমিনে ঘুরে জানা যায়, লাম্পিং স্কিন ডিজিজ নামে চর্মরোগ জাতীয় একটি ভাইরাস রোগ গবাদি পশুর মধ্যে মারাত্মকহারে সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর, শমশেরনগর, পতনউষার, মাধবপুর, আদমপুর, মুন্সীবাজার ইউনিয়নসহ বিভিন্ন গ্রাম ও চা বাগান এলাকা, কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়ন ও রাজনগর উপজেলার কামারচাক, মরিচা এসব এলাকায় গবাদি পশুর গুটি বসন্তসহ ভাইরাস রোগের সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায় দেড় মাস সময় ধরে বিভিন্ন এলাকায় এ রোগের সংক্রমণ বেড়েই চলেছে।
এ রোগের লক্ষনসরূপ পশুর গলাসহ সারা দেহে গুটি, খোঁড়া, ফুলা দেখা দিচ্ছে। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে বিশ দিন আগে পতনঊষারের শ্রীসূর্য্য এলাকার অসিত শীল এর ১টি, পনের দিন আগে আলীনগর ইউনিয়নের কামদপুর গ্রামের মনাফ মিয়ার ১টি, মাধবপুর ইউনিয়নের নোওয়াগাঁও গ্রামের সাবাজ মিয়া ২টি, দশ দিন আগে মুন্সীবাজার ইউনিয়নের বাসুদেবপুর এলাকায় ১সহ মোট ৫টি গরু মারা গেছে। এছাড়া সপ্তাহ দিন আগে রাজনগর উপজেলার মরিচা গ্রামের শামীম মিয়ার লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ১টি মহিষ উক্ত রোগে মারা গেছে।
পতনউষারের তোয়াবুর রহমান, আক্তার মিয়া, মরিচা গ্রামের শামীম মিয়া, শমশেরনগর সতিঝির গ্রামের সিদ্দিকুর রহমান, আলীনগরের মনাফ মিয়া, মুন্সীবাজার ইউনয়িনের আশরাফুল ইসলামসহ কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, তাদের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে এসব রোগে ব্যাপক হারে গবাদি পশু আক্রান্ত হচ্ছে। সব মিলিয়ে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে আক্রান্ত হবে প্রায় ৫ হাজার গবাদি পশু বলে দাবি করেন তারা। তারা আরও অভিযোগ করেন, আক্রান্ত পশুর জন্য সরকারিভাবে ভালো কোন চিকিৎসা সুবিধাও পাওয়া যাচ্ছে না। বেসরকারি চিকিৎসকদের অধিক মূল্য দিয়ে চিকিৎসা করাতে হচ্ছে।
নিউজ ডেস্কঃ একটি আইসিইউ’র জন্য চব্বিশ ঘণ্টা ধরে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ঘুরেছে। টাকা যত লাগে তত দিতেও চেয়েছিল। কিন্তু মেলেনি একটি আইসিইউ। শেষ পর্যন্ত শ্বাসকষ্ট নিয়ে প্রথমে মারা গেল বড় ভাই। তার ৮ ঘণ্টা পর মারা যান ছোট ভাই। হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে মারা যান ছোট ভাই মো. শাহজাহান (৩২)। তিনি হাটহাজারী বাজারের এন জহুর মার্কেটের কাপড়ের দোকানের ব্যবসায়ী।
এর আগে দুপুরে মারা যান বড় ভাই মো. শাহ আলম (৩৬)। তিনি মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী। তারা হাটহাজারী পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের পূর্ব দেওয়ান নগর জোহরা বাপের বাড়ির মরহুম গোলাম রসুলের ছেলে। তাদের করুণ মৃত্যুতে হাটহাজারী পৌর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে এবং আইসিইউ না পাওয়ায় একরকম বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগ তুলেন তাদের স্বজনরা।
স্বজনরা জানান, করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে ৩০শে মে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন দুই ভাই। এরমধ্যে তাদের শ্বাসকষ্ট চরমে পৌঁছালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের আইসিইউতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। এরপর শুরু হয় আইসিইউর খোঁজ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে একের পর এক চট্টগ্রাম মহানগরীর সরকারি-বেসরকারি সবক’টি হাসপাতাল ঘুরে ঘুরে একটি আইসিইউ ভিক্ষা চাওয়া হয়। এ জন্য যত টাকা প্রয়োজন তত টাকা দিতেও রাজি ছিল পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু কোথাও আইসিইউ শয্যা খালি নেই বলে জানান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষগুলো। ফলে আইসিইউর অভাবে শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে হাসপাতালেই মারা যান বড় ভাই মো. শাহ আলম।
এরপর ছোট ভাইকে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠে পরিবারের সকলে। কিন্তু একটি আইসিইউ না পাওয়ার কারণে রাত ১০টার দিকে শ্বাসকষ্টে ভুগে মারা যান ছোট ভাই মো. শাহজাহানও।
স্বজনরা আরো জানান, শাহ আলম দুবাইয়ে সবজি ব্যবসা করতেন। গত জানুয়ারি মাসে ছুটিতে এসে লকডাউনে আটকা পড়ে আর দুবাইয়ে ফিরতে পারেননি তিনি। শাহ আলমের ৬ বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। অন্যদিকে তার ছোট ভাই শাহজাহানের রয়েছে হাটহাজারী বাজারে এন জহুর শপিং সেন্টার মার্কেটে একটি কাপড়ের দোকান। স্ত্রী ছাড়াও তার রয়েছে এক ও পাঁচবছর বয়সী দুটি সন্তান।
স্বজনদের অভিযোগ, ৩০শে মে চমেক হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর দুই ভাইয়ের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু আজ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট আসেনি। ফলে মৃত্যুর আগে তারা করোনা আক্রান্ত কিনা তাও জানতে পারলো না। তাদের করুণ মৃত্যুতে হাটহাজারীতে শোকের মাতম চলছে।
|| ক্যান্সারে আক্রান্ত একজন প্রবাসী বাংলাদেশির শেষ ইচ্ছা পূরণ করে,মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত প্রতিষ্ঠা করলেন সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকেরা ||
রানা শিকদার,বয়স ৩২ বছর।একজন প্রবাসি কর্মী,একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা।বাড়ি নারায়ণগঞ্জে।সংসারে স্বাচ্ছন্দ্য আনতে ২০০৮ সালে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার আগেই চলে যান সিঙ্গাপুর। সিঙ্গাপুরে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে খেয়ে না খেয়ে পরিবার ও দেশের জন্য টাকা পাঠান।
মে মাসের শুরুর দিকে হঠাৎ রানার পেটে ব্যথা আর বমি শুরু হয়।পরীক্ষা নিরীক্ষার পর জানা গেল তার পাকস্থলীতে ক্যানসার। চিকিৎসকেরা জানালেন, একেবারে শেষ পর্যায়ে ক্যানসার,তাদের আর কিছু করার নেই।
রানা বলেন,”মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ল।সঙ্গে সঙ্গে মা আর ছেলের মুখটা ভেসে উঠল মনে’। ডাক্তারদের বললাম, যেহেতু বাঁচব না,তাই জীবনের শেষ কটা দিন পরিবারের সঙ্গে কাটাতে চাই। কিন্তু, ততদিনে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। বিমান চলাচল বন্ধ। ভেবেছিলাম, জীবনে হয়তো আর কোনো দিনই ছেলের মুখটা দেখতে পাব না। সারাক্ষণ কান্না করতাম”।
সিঙ্গাপুরের হাসপাতালের চিকিৎসক সিনথিয়া গুহ হঠাৎ রানার জীবনের গল্প শুনলেন।বললেন,‘দেখি কী করা যায়।’ সিনথিয়া বলেন,‘রানার শেষ ইচ্ছাটা (দেশে ফেরা) আমি জানতে পারি ১৫ মে। এক বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি বাংলাদেশ হাইকমিশনে যোগাযোগ করতে বললেন।যোগাযোগ করি,কিন্তু আশানুরূপ সাড়া পাইনি।এক পর্যায়ে হাসপাতালের একজন নার্স প্রস্তাব করেন, আমরা ক্রাউডসোর্সিংয়ের মাধ্যমে রানার জন্য ফান্ড তৈরি করতে পারি।
তার দল তখন রানাকে বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য সব ধরণের প্রচেষ্টা শুরু করে।
সিনথিয়া বলেন,”১০ জুনের আগে স্বাভাবিক ফ্লাইট চালু হওয়ার সম্ভাবনা নেই।কিন্তু ততদিনে অনেক দেরি হয়ে যাবে।আমি দ্রুত একটা মেডিকেল ইভাকুয়েশন কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করি। তারা জানায়, যদি সিঙ্গাপুরের স্থানীয় কেউ দায়িত্ব নেয়, তবে তারা রোগী ঢাকায় পৌঁছে দেবে। টাকা পরে দিলেও হবে। এরপর দ্রুত যোগাযোগ করি সিঙ্গাপুরের মাইগ্রেন্ট ওয়ার্কার্স সেন্টারে। তারা অভিবাসীদের অধিকার নিয়ে কাজ করে। আমরা ক্রাউডসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ফান্ড জোগাড়ের পুরো ব্যাপারটা তাদের বুঝিয়ে দেই”।
ডা.সিনথিয়া জানান,”যখন সব মোটামুটি গুছিয়ে আনা হচ্ছে,তখন বাংলাদেশ হাইকমিশন রানার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলল।তহবিল ছাড়াও, বাংলাদেশ হাই কমিশন রানা যে বাংলাদেশী তার প্রমাণ হিসাবে চাইলে সমস্যা দেখা দেয়।”
সিনথিয়া বাংলাদেশে রানার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে হাইকমিশনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেন।এরপর হাইকমিশন বলল,করোনা পরীক্ষার ফলাফলও জমা দিতে হবে।তাও দেওয়া হয়।এর পর এক শুক্রবার বাংলাদেশ হাইকমিশন জানায়,রানাকে বাংলাদেশের কোন হাসপাতাল গ্রহণ করবে তা তাদের জানাতে এবং ওই হাসপাতালের একটা চিঠি হাইকমিশনে পাঠাতে।
সিনথিয়িা বলেন,”সৌভাগ্যবশত, আমি বাংলাদেশে প্রায় ছয় বছরের মতো ক্যানসারের ওপর কাজ করেছি। তাই সেখানে আমার পরিচিত ডাক্তারদের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালযয়ে (বিএসএমএমইউ) যোগাযোগ করি। তারা রানাকে গ্রহণ করতে রাজি হয় এবং একটা চিঠিও পাঠায়।”
ডা.সিনথিয়া বলেন,”হাইকমিশনে ওই চিঠি জমা দেওয়ার পর তারা জানায়, বিশেষ বিমান অবতরণের জন্য সিভিল এভিয়েশনের অনুমতি লাগবে। আবার বাংলাদেশে যোগাযোগ করে অনুমতি জোগাড় করি। সবশেষে ২২ মে রাতে আমরা রানাকে তার জন্মভূমিতে,পরিবারের কাছে পাঠাতে সক্ষম হই।”
অবশেষে গত ২২ মে মধ্যরাতে প্রাইভেট বিমান চার্টার্ড এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে রানাকে পৌঁছে দেন বাংলাদেশে। তার সাথে এসেছেন হাসপাতালটির দু’জন ডাক্তারও।
রানাকে বিশেষ বিমানে বাংলাদেশে পাঠাতে খরচ হয় ৪৮ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার বা ৩১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। আর রানার জন্য ডা. সিনথিয়ারা যে তহবিল গঠন করেছিলেন মাত্র ৭২ ঘণ্টায় তাতে জমা পড়ে ৬০ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার বা ৩৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। বাকি টাকা খরচ হবে রানার পরিবারের কল্যানে।
বিএসএমএমইউ হাসপাতালের অনুমতি নিয়ে ২৩ মে দুপুরে নারায়ণগঞ্জে নিজ বাড়িতে চলে যান রানা শিকদার। আছেন পরিবারের সান্নিধ্যে।
কেন এতটা ঝামেলা নিলেন— জানতে চাইলে সিনথিয়া বলেন,”রানার চাওয়া তো খুব বেশি কিছু না।শুধু জীবনের শেষ কয়টাদিন পরিবারের সঙ্গে কাটাতে চেয়েছেন তিনি। মানুষ হিসেবে যদি এইটুকু না করতে পারতাম,তবে নিজেকে অপরাধী মনে হতো।”
আবেগাপ্লুত রানা বলেন,”আমার কাছে কৃতজ্ঞতা জানানোর কোনো ভাষা নেই,” তিনি নিশ্চিত সিনথিয়া গুহ এবং তার দলটি মানুষ ছিলেন না। “তারা ফেরেশতা।”
সীমাহীন কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ভালবাসা রইলো সিনথিয়া গুহ এবং সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকদের জন্যে।দোয়া করুন অসুস্থ রানা শিকদারের জন্যে। পরিশেষে বলতে চাই,যত প্রতিকুলতাই আসুক সর্বদাই জয় হোক মানবতার,জয় হোক উদার হৃদয়ের।
|| ক্যান্সারে আক্রান্ত একজন প্রবাসী বাংলাদেশির শেষ ইচ্ছা পূরণ করে,মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত প্রতিষ্ঠা করলেন সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকেরা ||
রানা শিকদার,বয়স ৩২ বছর।একজন প্রবাসি কর্মী,একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা।বাড়ি নারায়ণগঞ্জে।সংসারে স্বাচ্ছন্দ্য আনতে ২০০৮ সালে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার আগেই চলে যান সিঙ্গাপুর। সিঙ্গাপুরে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে খেয়ে না খেয়ে পরিবার ও দেশের জন্য টাকা পাঠান।
মে মাসের শুরুর দিকে হঠাৎ রানার পেটে ব্যথা আর বমি শুরু হয়।পরীক্ষা নিরীক্ষার পর জানা গেল তার পাকস্থলীতে ক্যানসার। চিকিৎসকেরা জানালেন, একেবারে শেষ পর্যায়ে ক্যানসার,তাদের আর কিছু করার নেই।
রানা বলেন,”মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ল।সঙ্গে সঙ্গে মা আর ছেলের মুখটা ভেসে উঠল মনে’। ডাক্তারদের বললাম, যেহেতু বাঁচব না,তাই জীবনের শেষ কটা দিন পরিবারের সঙ্গে কাটাতে চাই। কিন্তু, ততদিনে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। বিমান চলাচল বন্ধ। ভেবেছিলাম, জীবনে হয়তো আর কোনো দিনই ছেলের মুখটা দেখতে পাব না। সারাক্ষণ কান্না করতাম”।
সিঙ্গাপুরের হাসপাতালের চিকিৎসক সিনথিয়া গুহ হঠাৎ রানার জীবনের গল্প শুনলেন।বললেন,‘দেখি কী করা যায়।’ সিনথিয়া বলেন,‘রানার শেষ ইচ্ছাটা (দেশে ফেরা) আমি জানতে পারি ১৫ মে। এক বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি বাংলাদেশ হাইকমিশনে যোগাযোগ করতে বললেন।যোগাযোগ করি,কিন্তু আশানুরূপ সাড়া পাইনি।এক পর্যায়ে হাসপাতালের একজন নার্স প্রস্তাব করেন, আমরা ক্রাউডসোর্সিংয়ের মাধ্যমে রানার জন্য ফান্ড তৈরি করতে পারি।
তার দল তখন রানাকে বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য সব ধরণের প্রচেষ্টা শুরু করে।
সিনথিয়া বলেন,”১০ জুনের আগে স্বাভাবিক ফ্লাইট চালু হওয়ার সম্ভাবনা নেই।কিন্তু ততদিনে অনেক দেরি হয়ে যাবে।আমি দ্রুত একটা মেডিকেল ইভাকুয়েশন কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করি। তারা জানায়, যদি সিঙ্গাপুরের স্থানীয় কেউ দায়িত্ব নেয়, তবে তারা রোগী ঢাকায় পৌঁছে দেবে। টাকা পরে দিলেও হবে। এরপর দ্রুত যোগাযোগ করি সিঙ্গাপুরের মাইগ্রেন্ট ওয়ার্কার্স সেন্টারে। তারা অভিবাসীদের অধিকার নিয়ে কাজ করে। আমরা ক্রাউডসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ফান্ড জোগাড়ের পুরো ব্যাপারটা তাদের বুঝিয়ে দেই”।
ডা.সিনথিয়া জানান,”যখন সব মোটামুটি গুছিয়ে আনা হচ্ছে,তখন বাংলাদেশ হাইকমিশন রানার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলল।তহবিল ছাড়াও, বাংলাদেশ হাই কমিশন রানা যে বাংলাদেশী তার প্রমাণ হিসাবে চাইলে সমস্যা দেখা দেয়।”
সিনথিয়া বাংলাদেশে রানার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে হাইকমিশনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেন।এরপর হাইকমিশন বলল,করোনা পরীক্ষার ফলাফলও জমা দিতে হবে।তাও দেওয়া হয়।এর পর এক শুক্রবার বাংলাদেশ হাইকমিশন জানায়,রানাকে বাংলাদেশের কোন হাসপাতাল গ্রহণ করবে তা তাদের জানাতে এবং ওই হাসপাতালের একটা চিঠি হাইকমিশনে পাঠাতে।
সিনথিয়িা বলেন,”সৌভাগ্যবশত, আমি বাংলাদেশে প্রায় ছয় বছরের মতো ক্যানসারের ওপর কাজ করেছি। তাই সেখানে আমার পরিচিত ডাক্তারদের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালযয়ে (বিএসএমএমইউ) যোগাযোগ করি। তারা রানাকে গ্রহণ করতে রাজি হয় এবং একটা চিঠিও পাঠায়।”
ডা.সিনথিয়া বলেন,”হাইকমিশনে ওই চিঠি জমা দেওয়ার পর তারা জানায়, বিশেষ বিমান অবতরণের জন্য সিভিল এভিয়েশনের অনুমতি লাগবে। আবার বাংলাদেশে যোগাযোগ করে অনুমতি জোগাড় করি। সবশেষে ২২ মে রাতে আমরা রানাকে তার জন্মভূমিতে,পরিবারের কাছে পাঠাতে সক্ষম হই।”
অবশেষে গত ২২ মে মধ্যরাতে প্রাইভেট বিমান চার্টার্ড এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে রানাকে পৌঁছে দেন বাংলাদেশে। তার সাথে এসেছেন হাসপাতালটির দু’জন ডাক্তারও।
রানাকে বিশেষ বিমানে বাংলাদেশে পাঠাতে খরচ হয় ৪৮ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার বা ৩১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। আর রানার জন্য ডা. সিনথিয়ারা যে তহবিল গঠন করেছিলেন মাত্র ৭২ ঘণ্টায় তাতে জমা পড়ে ৬০ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার বা ৩৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। বাকি টাকা খরচ হবে রানার পরিবারের কল্যানে।
বিএসএমএমইউ হাসপাতালের অনুমতি নিয়ে ২৩ মে দুপুরে নারায়ণগঞ্জে নিজ বাড়িতে চলে যান রানা শিকদার। আছেন পরিবারের সান্নিধ্যে।
কেন এতটা ঝামেলা নিলেন— জানতে চাইলে সিনথিয়া বলেন,”রানার চাওয়া তো খুব বেশি কিছু না।শুধু জীবনের শেষ কয়টাদিন পরিবারের সঙ্গে কাটাতে চেয়েছেন তিনি। মানুষ হিসেবে যদি এইটুকু না করতে পারতাম,তবে নিজেকে অপরাধী মনে হতো।”
আবেগাপ্লুত রানা বলেন,”আমার কাছে কৃতজ্ঞতা জানানোর কোনো ভাষা নেই,” তিনি নিশ্চিত সিনথিয়া গুহ এবং তার দলটি মানুষ ছিলেন না। “তারা ফেরেশতা।”
সীমাহীন কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ভালবাসা রইলো সিনথিয়া গুহ এবং সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকদের জন্যে।দোয়া করুন অসুস্থ রানা শিকদারের জন্যে। পরিশেষে বলতে চাই,যত প্রতিকুলতাই আসুক সর্বদাই জয় হোক মানবতার,জয় হোক উদার হৃদয়ের।
দেশের জন্য বেঁচে থাকা, মানুষের জন্য মানবতা এই বানীকে ধারন করে দেশ, মানুষ, সমাজ ও পরিবেশের সার্বিক কল্যানকে সামনে:‘আত্মার কাছে দায়বদ্ধতায়, হাতে রাখি হাত’ এ স্লোগান নিয়ে ২০২০ সালের মার্চ মাসে বড়লেখা উপজেলা ব্যাপী প্রতিষ্টিত হয় “মাববিক যাত্রা ” নামক সেচ্ছাসেবী সংগঠন। এরই বাস্তব প্রমাণ হতে পারে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষুদ্র প্রয়াসের মাধ্যম ‘সহযোগীতা করা’’প্রতিষ্ঠার পর সারা মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় প্রশংসিত হতে থাকে তাদের কার্যক্রম। গত করোনা প্রাদুর্ভাবে সুবিধাবঞ্চিতদের মধ্যে বন্ধু হয়ে কাজ করে পরিচিত হয়েছিলেন।এ লক্ষ্যেই উপজেলা সুবিধাবঞ্চিতদের স্বার্থে অসহায়, নিপীড়িত এবং দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়াতে বড়লেখা বাজারের বিশিষ্ট ব্যাবসায়ি কিড’স ফেয়ার এর সত্বাধিকারী জাবের আহমদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠে “মানবিক যাত্রা ” মানবিক যাত্রায় পরামর্শক দাতা রয়েছেন তারা হলেন,তুহিন অাহমদ,তোহাহিদুর রহমান টিপু,ইকবাল হোসেন,শিমুল চৌধুরী,অাব্দুর রহমান,কামরুল ইসলাম,মুবিন মোহাম্মদ, তারেক হাসনাত,সাইফুল ইসলাম জিবু,ইকবাল হোসাইন, অাইনুল ইসলাম,শাহিদুর রহমান জুনেদ তাহমিদ ইশাদ রিপন। এই একত্রীকরণ আর ভালো কাজ করার অঙ্গীকার নিয়ে জন্ম হয়।শুরু হয় মানবসেবার আগামীর পথচলা।
ছোট্ট পরিসরে জন্ম নেওয়া ওই সংঘঠনটির পরিধি এখন অনেক বড়। অনেক যত্নে বোনা ছোট্ট গাছটি যেন আজ বটবৃক্ষ। এখন তার অনেক ডালপালা উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের গ্রাম পর্যন্ত।এই গাছের ছায়ায়ই প্রাণ জুড়ান সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশু এবং অসহায়, নিপীড়িত এবং দুস্থ মানুষেরা। সংগঠনটি ‘আত্মার কাছে দায়বদ্ধতায় হাতে রাখি হাত’ স্লোগান নিয়ে শুরু তাদের কার্যক্রম।
সংগঠনটির একদল উচ্ছ¡ল, স্বাপ্নিক তরুণ-তরুণী সদস্যরা মানবসেবার ব্রত নিয়ে স্বার্থহীন মানসিকতার স্বপ্নকে ধারণ করে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা,অসহায় শিক্ষিত নারী সমাজকে শিলাই মিশিন প্রদান করা,অসহায় রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবাও, অসুস্থ কাউকে মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরিয়ে আনার সম্মিলিত প্রচেষ্টা করবেন। এছাড়া জবুথবু শীতের কাঁপুনি থেকে রক্ষায় হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীকে এক টুকরো উষ্ণতা দেওয়ার জন্য হলে ঘুরে শীতবস্ত্র সংগ্রহ করে বিতরণ করবেন, বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মুহূর্তে আর্তমানবতার সেবায় প্রসারিত করবেন তাদের সেবার হাত। এই সংগঠনটি ইতিমধ্যে অনেক সামাজিক কাজে ভুমিকা রেখেছে ।বর্তমানে করোনা কালীন সময়ে অনেক অসহায় ও খেটে খাওয়া মানুষের মধ্যে খাদ্য সহায়তা ও নগদ অর্থ উপহার দেয়া হয়েছে যা “মানবিক যাত্রার” এর ফেসবুক পেইজ এ ছবিসহ পোস্ট বিদ্যমান রয়েছে। এবং খুব শীগ্রই সেলাই মেশিন বিবরণ করা হবে।সকল বিত্তবান ভাইদের সহযোগিতা কামনা করেন।
আজ ৩০ মে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৯তম শাহাদাৎ বার্ষিকী।দক্ষিন পুর্ব এশিয়ায় যারা ভারতের মত একটা দেশের পাশে অবস্থান করে তাদের জন্য সার্বভৌমত্বের ইস্যু যখনই আসবে তখনই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার কথা আসবে।যখন বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় রাষ্ট্রে তখন জিয়ার কথা মনে পড়ে যাবে। যিনি বাংলাদেশকে শুধু তার ভুগোল দেন নি ইতিহাসও দিয়েছিলেন।যিনি বাংঙ্গালীর হাজার বছরের পলায়নপরতার ইতিহাসকে, চর্যার কবি ও রাজা ভুসুকু’র পরিচয় লুকিয়ে বাঁচার পথকে মাড়িয়ে দেশের মধ্যে মানুষের মধ্যেই থেকে যুদ্ধ চালিয়ে গেছেন। অমিত তেজের গেরিলা ও যোদ্ধা ছিলেন জিয়া।তাই কখনো পলায়ন করেন নি তিনি।তিনিই সেই মানুষ যিনি বাংলাদেশকে একটি রাষ্ট্রে পরিনত করেছিলেন।তিনি রাষ্ট্রনায়ক,প্রথম স্টেটসম্যান!!!তিনি বাংলাদেশের সমগ্র উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাদের নেতা যারা দেশের মধ্যে যুদ্ধ করেছেন,যারা পাকিস্তানী হায়েনাদের হাতে জিম্মি থেকেও যুদ্ধে সাহায্য করে ছিলেন।দেশের মধ্যে অসীম কষ্ট স্বীকার করেছেন। আজ ৩০ মে সেই মহানায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার ৩৯তম শাহাদাৎ বার্ষিকী। বাংলাদেশ কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করে এই বীরের। বাংলাদেশে রাজনৈতিক অভিধানে সামরিক শাসনের সেনাবাহিনী ও সার্বভৌমত্বের সেনাবাহিনীর ফারাকটা বোধগম্যতার মধ্যে আসেনি এখনো।এরশাদ ছিল সামরিক শাসনের প্রতিভূ। কিন্তু প্রায়শই ছাগলের নম্বর ছাড়া শাবকদের উদবাহু নৃত্য দেখা যায় এই রাজনীতিকদের মধ্যে। তারা এই ভেদ করতে জানেন না। জাতীয় সংসদে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া নিয়ে যে সব বক্তব্য দেওয়া হয় তার জবাব দেবার দরকার নেই এখানে ৩ টা জিনিস মনে রাখলেই এসব নিয়ে ভাবনার কিছু নেইঃ ১.লে.কর্নেল শাফায়াত জামিল- এর “একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ,রক্তাক্ত মধ্য আগস্ট ও ষড়যন্ত্রময় নভেম্বর ” -এ সবিস্তার বর্ণনা আছে। তিনি জিয়ার পক্ষের লোক ছিলেন না।কিন্তু উল্লেখ করেছেন যে জিয়ার কি পরিমান জনপ্রিয়তা ছিল সেনাবাহিনীতে।তাহের আসলে সেই হিসেবে জিয়ার মাপের সেনা কর্মকর্তা ছিলেন না।জাসদের রোমান্টিক ও টাউট প্রকৃতির বিপ্লবীরা তাহেরকে চে’গুয়েভারা ভাবতে ভালবাসতেন। ২.হাসানুল হক ইনুরা সেই সময় একদম নাবালক ছিলেন।তাই একবার ইন্ডিয়াবিরোধী আবার ইন্ডিয়ার ভাড়াটে খেলোয়ার হিসেবে খেলেছেন। ৩.ভারতের ও আমেরিকার একটা বোঝাপড়ার রাজনীতি ছিল। জিয়া এইসময় রাষ্ট্রগঠনে মনোযোগ দিয়ে ছিলেন।তিনি ছিলেন যে কোন ষড়যন্ত্রের বাইরে। উইকিলিকস মারফত পাওয়া আমেরিকান দূতাবাসের তারবার্তা এবং সিআইএ’র ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে আসা নভেম্বরের রক্তঝরা বিভিন্ন ঘটনার অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে উল্লেখ আছে – “জিয়া সেনাপ্রধান হওয়ার পর শফিউল্লাহকে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে যুক্ত করা হলেও, খালেদ মোশাররফের বিষয়ে তখনো কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি বলে ঢাকাস্থ আমেরিকান রাষ্ট্রদূত ডেভিস বোস্টার ওয়াশিংটনকে জানান। এর প্রায় দেড় মাসের পর ৩রা নভেম্বর ভোর দুইটার দিকে খালেদ মোশাররফ ও কর্নেল শাফায়াত জামিলের নেতৃত্বে সিনিয়র সেনা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থান শুরু করে। “রক্তপাতহীন” সেই অভ্যুত্থানে সেনাপ্রধান জিয়া ও বিমান বাহিনী প্রধান জি. এম. তোয়াবকে গ্রেপ্তার করা হয়; বঙ্গভবনে অবরুদ্ধ করা হয় রাষ্ট্রপতি মোশতাককে। তাদের সমর্থনে ঢাকার আকাশে একটি ট্যাংক-বিধ্বংসী মিগ বিমান ও একটি হেলিকপ্টার মহড়া দেয়। বোস্টারের মতে, মোশতাককে ৪টি শর্ত দেন খালেদ মোশাররফ – ১) জিয়াকে সরিয়ে তাকে সেনাপ্রধান ঘোষণা করতে হবে; ২) জুনিয়র মেজরদেরকে সেনানিবাসে ফেরত পাঠাতে হবে; ৩) মোশতাক সরকারের সমর্থক ট্যাংক ইউনিটকে নিরস্ত্র করতে হবে এবং ৪) মোশতাককে রাষ্ট্রপতি পদে থাকতে হবে। সমঝোতার এক পর্যায়ে বিকেলের পর খালেদ মোশাররফ সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং জিয়াকে পদত্যাগে বাধ্য করেন। মোশতাকের দাবী অনুযায়ী শেখ মুজিবের হত্যার সাথে যুক্ত মেজরদের দেশত্যাগের অনুমতিও দেন তিনি। খালেদ মোশাররফের দায়িত্ব গ্রহনের বিষয়টি রেডিওতে ঘোষণা করা হয় ৪ঠা নভেম্বর রাত ১১টায়। এর আগে নিরাপত্তা চেয়ে কুমিল্লা সেনানিবাসের কাছে সাহায্য চেয়েছিল মোশতাক সরকার। কিন্তু কুমিল্লার কমান্ডার সেনাপ্রধান বা খালেদ মোশাররফের আদেশ ছাড়া কোন পদক্ষেপ নিতে অস্বীকৃতি জানান বলে তারবার্তায় উল্লেখ করা হয়। তারবার্তায় রাষ্ট্রদূত বলেন খালেদ মোশাররফ ও মোশতাক দুজনেই রক্তপাত এড়াতে চাইছিলেন কেননা এতে করে ভারত হস্তক্ষেপ করার একটা অজুহাত পাবে। মঙ্গলবার ও বুধবার টানা আলোচনা চলে। বৃহস্পতিবার (৬ই নভেম্বর) মোশতাক পদত্যাগ করলে একইদিনে প্রধান বিচারপতি এ. এস. এম. সায়েমকে রাষ্ট্রপতি বানিয়ে সংসদ বিলুপ্ত করা হয়।”(উইকিলিক্স) আসলে আওয়ামীলীগ সরকারের গত ১০ বছরের শাসনামলে যে অমানবিক হত্যাকান্ড,গুম, খুন, জেল,ফাসি হয়েছে তাকে ছোট করে দেখাবার একটি আবুল ফজলীয় পদ্ধতি হাসানুল হক ইনুরা প্রয়োগ করেন।শেখ হাসিনা ট্যাংকের ওপর উদবাহু নৃত্য করা ইনুকে কখনোই ভুলবে না!!! বিচার, অবিচার ও অতিবিচার!!! ১৯৯৪ সালের ট্রেনে হামলার “কাহিনী” ধরে স্থানীয় আদালত বিএনপির ৯ জনের ফাসির হুকুম দিয়েছে!!লক্ষনীয় যে, আওয়ামীলীগ নেত্রী শেখ হাসিনার এই ট্রেন সফর ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে দীর্ঘতম ট্রেন যাত্রা।এমনকি মহাত্ম্বা গান্ধীর ট্রেন ভ্রমনও এত দীর্ঘ ছিল না। ‘৯০ পরবর্তী বিএনপির শাসনামলে ‘৯১-‘৯৬ সালে এই ছিল রাজনৈতিক কালচার।কথিত আছে এই ঘটণা ছিল একটি সেনশেশান তৈরির চেষ্টা।
আওয়ামীলীগ ডান বাম করে ৪ বার ক্ষমতায় এলো।কিন্তু ইতিপূর্বে এসববের কোন বালাই ছিলনা। আওয়ামীলীগ যেভাবে বিএনপির সৃষ্ট বাধা বিপত্তির উল্লেখ করে, এর মাত্র ২ শতাংশ করা হলে এই দলের গোফদার নেতারা জীবনেও ফিরে আসতো না।
মনে রাখা জরুরী যে ক্ষমতার পাদপীঠ থেকে আওয়ামীলীগ যখন বিদায় নেয়,তখন তাদের পক্ষে দাঁড়ানোর ৫% মানুষ ছিল না।সব জাতীয় দৈনিক দেখতে পারেন,আহমদ ছফা ও বিভিন্ন লেখকের লেখা সাময়িক পত্রে দেখতে পারেন।৪টা বাদে পত্রিকা তো সব ব্যান্ড। সেনাছাউনির গল্প তোলে আওয়ামীলীগ??? জিয়া শৃঙ্খলা ফিরিয়ে রাষ্ট্র গড়ে তুলেছে।সামরিক বাহিনীকে স্থায়ীভাবে ব্যারাকে পাঠিয়েছিল।জিয়া শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর উদ্যোগ নিয়ে ছিলেন এটাই ঠিক।
কারণ তিনি সামরিক শাসনের সেনাবাহিনী নয়, সার্বভৌমত্বের জন্য প্রয়োজনীয় সেনাবাহিনীর প্রবর্তন করেছিলেন।মোটা ও পাতলা দাগে বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী ও পন্ডিত সমাজ ভারতের রিসার্চ ও এনালাইজিং উইং র-এর বানানো তত্ব ফেরী করে বেড়িয়েছে।কিন্তু এই র’ আবার জিয়া হত্যার পরপর এরশাদকে দিয়ে ৯ বছর সেনা শাসন চালিয়ে সামরিক শাসনের বাংলাদেশে পরিনত করেছিল।জাতীয় পার্টির সাথে আওয়ামীলীগ সমন্বয় করে এই আন্দোলনে ছিল।এর প্রমান ১৯৮৬ সালের এরশাদের অধীনে নির্বাচন। এই দায় তারা এখনো এরা যৌথভাবেচালিয়ে যাচ্ছে। আওয়ামীলীগ নেত্রী শেখ হাসিনা তার ভাইরা যে সামরিক বাহিনীর গর্বিত সদস্য ছিলেন সেটা বেশ রেলিশ করেই বলেন প্রতিটি স্বশস্ত্র বাহিনী দিবসে।এমন কি তার মাছুম ছোট ভাই শেখ রাশেলেরওস্বপ্প ছিল এই বাহিনীর গৌরবান্বিত সদস্য হবার -সেটাও উল্লেখ করেন।বাংলাদেশের যে কোন মানুষই সেটা চাইবে।বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী তার সার্বভৌমত্ব রক্ষার মধ্য দিয়ে গড়ে উঠেছে যুদ্ধের মধ্য দিয়ে।
এর বাইরে তার অন্য ভুমিকা খুব কম।জিয়া সেই চর্চার মধ্যদিয়ে একটি শক্তিশালী বাহিনী গঠন করতে চেয়েছিলেন।বেগম জিয়াও সেই ধারণাই পোষন করতেন।এখনো কুখ্যাত খুনী স্বৈরাচারী শাসক এরশাদের মর্যাদা রক্ষা হয় সাবেক প্রসিডেন্ট হিসেবে!! কিন্তু চোখের সামনে জিয়ার মত জনপ্রিয় রাষ্ট্রনায়ককে হেয় করা হয়। অবৈধ সরকারের মামলা বৈধ হয়ে যায়।বেগম জিয়াকে ২৪ মাস বন্দী রাখা হয়েছে।মেজিস্ট্রেট কোর্ট যে জামিন দিতে সক্ষম, সেটা আপিলেট ডিভিশন অবধি টানা হয়েছে সময় লম্বা করার জন্য। বেসিক জিনিসটা হলো খালেদা জিয়ার নামে একটা মিথ্যা মামলা ফখরুদ্দীন- মঈনুদ্দিন – মাসুদুদ্দীন ৩ জুলাই ২০০৮ এ দিয়েছিল । মামলা খালেদা জিয়ার নামে দেয়া হয়েছে,শেখ হাসিনার নামেও দেয়া হয়েছিল। শেখ হাসিনার মামলা প্রত্যাহার হয়েছে।
বেগম খালেদা জিয়ারটা চলছে।সেনাসমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকারের মামলা চলার অর্থ এখনো সেই সরকারের ধারাবাহিকতায় দেশ চলছে।আওয়ামীলীগ যদি এই মামলা আর একদিনও চালু রাখে তবে বুঝতে হবে আওয়ামীলীগ সেই সেনাসমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকারের প্রেতাত্মা। কেউ কেউ বলেন আওয়ামীলীগ বৈধতা দিয়েছে সেই সরকারের।এর মানে দাঁড়ায় সেনাসমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকার বৈধ ছিলনা।কারণ বৈধ হলে তার বৈধতা দেবার প্রশ্ন আসবে কেন? কোন অবৈধ সরকারের দেয়া মামলা কিভাবে চলে?
বাংলাদেশে সামরিক বাহিনীর পোশাক পড়ে ক্ষমতায় এসে টিকে থাকার ইতিহাসে এরশাদ, ফখরুদ্দীন- মইন উদ্দীন ইন্ডিয়ার আশির্বাদ নিয়ে চলেছে।এরশাদের পুরো নয় বছর ভারত তাকে সমর্থন দিয়েছে।এমনকি রাষ্ট্রধর্ম বিল এদের পরামর্শেই করা হয়েছিল।এদের কেউই জনপ্রিয় ছিল না।এরশাদ যে তাদের লোক ছিল তার প্রমান ১৯৮৬ সালে আওয়ামীলীগ এরশাদের অধীনে “জাতীয় বেঈমান” খেতাব লাভের পরও সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল।এই পরামর্শ তারা ইন্ডিয়া থেকেই পেয়েছিল।আবার ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী ভোটারবিহীন নির্বাচনে এরশাদের জাতীয় পার্টি সেই একই ঋন ইন্ডিয়ার কথায় পুষিয়ে দিয়েছে।
আর জনসমর্থনহীন সেনাসমর্থিত ২০০৭ এর সরকার এবং এখন অব্দি তারই ধারাবাহিকতার সরকার টিকে আছে ভারতের পরামর্শে। ভারত দায়িত্ব নিয়ে আমেরিকা ও ইউরোপকে এইসব সরকারের জন্য তদবির করেছে।একটা সময় ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ মনে করতো জামায়াতে ইসলামকে সংসদীয় রাজনীতিতে রেখে দিলে তাদের সুবিধা।এই বক্তব্য তারা নিয়মিত দিয়ে এসেছে।এখন আমেরিকা যেহেতু ভারতের চোখে দক্ষিন পূর্ব এশিয়ার সবকিছু দেখে তাই তাদের তত্ব পরিবর্তন হয়েছে।এরা পাকিস্তানকে যেভাবে দেখে সেইভাবেই বাংলাদেশকে দেখতে চায়।আওয়ামীলীগ ছাড়া সকল দল ও মতকে এরা ভারতবিরোধী হিসেবে বিবেচনা করে। এখন অনেকেই প্রশ্ন তুলবেন জিয়াউর রহমান কি সামরিক বাহিনীর হাত ধরে এসেছেন?না,এই দায় জিয়াউর রহমানের নয়।বাকশাল আওয়ামীলীগের ভিতরের মন্ত্রীরা মোশতাকের সাথে জোট হয়েছিল।সামরিক শাসন দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট।শেখ মুজিবুর রহমানের বাকশাল দুঃশাসনে যে শুন্যস্থান তৈরি হয়েছিল সেখানে জনপ্রিয় সেনাপ্রধান ছিলেন জিয়াউর রহমান।তিনি সেনাবাহিনীর সামরিকশাসন তত্বের প্রতিভূ ছিলেন না তিনি ছিলেন সেনাবাহিনীর সার্বভৌমত্ব তত্বের প্রতিভূ।
যে কারণে এরশাদের মাধ্যমে সাড়ে তিনবছরের মাথায় জিয়াউর রহমানকে হত্যা করা হয়েছে।জিয়াউর রহমান যেহেতু রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন,একজন গেরিলা যোদ্ধা ছিলেন তাই তাঁর সাথে অন্যদের তুলনা অবাস্তব।
লেখক সাবেক ছাত্রনেতা, বর্তমান মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য ও বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক।
নিউজ ডেস্কঃ বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবে চলমান লকডাউনে ভারতের বিভিন্ন এলাকায় আটকে পড়া ২০ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। একইদিন বাংলাদেশে আটকে পড়া ১২০ ভারতীয় নিজ দেশে ফিরে গেছেন। দীর্ঘ প্রায় দুই মাস পর বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দেশে ফেরত আসা ও ভারতে ফেরর যাওয়াদের কারণে সরগরম হয়ে উঠে বিয়ানীবাজারের শেওলা স্থল বন্দরের ইমিগেশন। দুই দেশের সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের যোগাযোগের মাধ্যমে আবেদন করা এসব নাগরিকদের বিশেষ ব্যবস্থায় নিজ নিজ দেশে প্রেরণ করা হয়। আসা যাওয়ার এ প্রক্রিয়া সীমান্ত আইন ও স্থলবন্দরের স্বাভাবিক নিয়মে সম্পাদন করা হয়েছে। এসময় বিজিবি, ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
স্থলবন্দর সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) বিস্তার ঠেকাতে সতর্কতামূলক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইমিগ্রেশন সুবিধা বন্ধ থাকায় ভারতের বিভিন্ন এলাকায় এসব বাংলাদেশি নাগরিকরা আটকে পড়েছিলেন। এর আগে তারা পড়ালেখা, ব্যবসা-বানিজ্য ও চিকিৎসাসহ নানা কারণে ভারতে গিয়েছিলেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারি নির্দেশনা ও বিশেষ ব্যবস্থাপনায় শেওলা স্থলবন্দর দিয়ে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে এবং তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর সব ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম শেষে সবাইকে হোম কোয়ারেন্টিনে অবস্থান করার নির্দেশ বাড়ি ফেরত যাবার সুযোগ দেয়া হয়েছে। তবে তাদের শরীরে করোনার কোনো উপসর্গ পাওয়া যায়নি। একইভাবে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় আটকে পড়া ১২০ ভারতীয় নাগরিক শেওলা স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে ফেরে গেছেন। তবে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়টি ভারত সীমান্ত এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্তরা দেখবেন বলেও জানা গেছে।
ভারতের এনআইটি শিলচরে অধ্যয়নরত নাইমুল হক নামের এক বাংলাদেশি নাগরিক বলেন, গত ২০ মার্চ থেকে শিলচরের একটি রেস্টহাউজে আমিসহ আরও কয়েকজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী লকডাউনে ছিলাম। আমাদের সকলের করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ পরীক্ষা করা হয়েছে। পরবর্তীতে আমাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অনুমতি পাওয়ায় আমরা দুই মাস ৮ দিন পর বাংলাদেশে ফিরে এসেছি। তিনি বলেন, বন্দরের কর্মকর্তারা আমাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর প্রথম ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইন মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছেন।
ভারতে ফেরত যাওয়া আয়শা সিদ্দিকা নামের এক ভারতীয় নাগরিক বলেন, ‘প্রায় আড়াই মাসের মতো সময় হয়ে গেল আমি ভারতের আসাম থেকে বাংলাদেশে এসেছিলাম। দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সমস্যা ছাড়াও পরিবারের সঙ্গে খুব একটা যোগাযোগ করতে পারছিলাম না। এ নিয়ে তারাও খুব টেনশনে ছিল। পরে আমাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অনুমতি পাওয়ায় আমরা দুই মাস পর ভারতে ফিরে যাচ্ছি। তিনি বলেন, শেওলা স্থলবন্দর থেকে সব ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম শেষে আমাদেরকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই ভারতে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। এখানকার দায়িত্বরত কর্মকর্তারা বলছেন ভারত সীমান্তের কর্মকর্তারা আমাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশের সুযোগ দেবেন।
স্থলবন্দেরর মেডিকেল টিমের দায়িত্বে থাকা বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. নয়ন মল্লিক বলেন, বৃহস্পতিবার ভারত থেকে দেশে ফেরা ২০ বাংলাদেশি নাগরিককে শেওলা স্থলবন্দর হয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশের পর সবাইকে হোম কোয়ারেন্টিনে অবস্থান করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে করোনাভাইরাসের কোন উপসর্গের উপস্থিতি মিলেনি। পাশাপাশি তারা সকলেই শারিরিকভাবে সুস্থ রয়েছেন।
এদিকে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, চলমান লকডাউনের কারণে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় আটকে পড়া ১২০ ভারতীয় নাগরিকের দেশের ফেরত যাবার সবধরনের অনুমতি মেলায় প্রাতিষ্ঠানিক সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে।
মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জে ছাতকে চলতি বছরেও লিচুর বাম্পার ফলন হয়েছে। জৈষ্ঠ্য মাসের রসালো ফল পাকা লিচু এখানের গাছে গাছে ঝুলছে। এখানের লিচু বাগান গুলো এখন মনোমুগ্ধকর দর্শনীয় স্থানে পরিণত হয়েছে। চারিদিকে শুধু পাকা লিচু আর লিচুর সমাহার। ছাতক উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের মানিকপুর, গোদাবাড়ী, বড়্গল্লা, চানপুর, রাজারগাও, কচুদাইড় গ্রামে রয়েছে রসালো ফল লিচুর বাগান। দোয়ারাবাজার উপজেলার লামাসানীয়া গ্রামেও লিচু বাগানের বিস্তৃতি ঘটেছে। ছাতকের মানিকপুর গ্রামে প্রথমে বাণিজ্যিক ভাবে লিচু চাষ শুরু হয়। আর এখান থেকেই আশ-পাশ গ্রামের মানুষ লিচু চাষে আগ্রহী হয়ে পড়েন। স্থানীয়রা জানান শতাধিক বছর পূর্বে গৌরীপুরের জমিদারের কাছারিবাড়ী ছিল মানিকপুর গ্রামে। বর্তমানে ঐ বাড়ীটিতে মানিকপুর জামে মসজিদ নির্মান করা হয়েছে। জমিদারের নায়েব হরিপদ রায় ও শান্তিপদ রায় কাছারি বাড়ীতে কয়েকটি লিচু গাছ লাগিয়েছিলেন। বিশাল আকারের লিচু গাছগুলো এখনো কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে রয়েছে কাছারি বাড়ীতে । কাছারি বাড়ীর এসব লিচু গাছ থেকে গ্রামের বাড়ীতে বাড়ীতে ২/১ টি করে গাছ লাগিয়েছিলেন গ্রামের লোকজন। এ গাছগুলোতে লিচুর ভালো ফলন হওয়ায় এবং ভালো বাজারমূল্য পাওয়ায় লিচু চাষে গ্রামের অনেকেই আগ্রহী হয়ে পড়েন।এবং বাণিজ্যিকভাবে কয়েকজন লিচু উৎপাদন শুরু করেন। ২০১৪ সালে বাগানীরা কোটি টাকার লিচু বিক্রি করে এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করেন। এ থেকেই লিচুর গ্রাম হিসেবে মানিকপুর পরিচিতি লাভ করে। পর্যায়ক্রমে আশ-পাশের গ্রামগুলোতেও বাণিজ্যিকভাবে লিচুর চাষ শুরু হয়। মানিকপুর গ্রামের লিচু চাষী আবু তাহের রইছ মিয়া, আলী হোসেন, আরব আলী, শুকুর আলী, জামাল উদ্দিন, বাদল মিয়া, মতিউর রহমান, রবি মিয়া গোদাবাড়ী গ্রামের আনর মিয়া, ফরিদ মিয়া, বাচ্চু মিয়া, রুস্তুম আলী জানান, বাড়ীর অাঙ্গিনায় রোপণকৃত লিচু গাছের লিচু বিক্রি করে তাদের কিছুটা আয় হলে তারা লিচুর বাগান করতে আগ্রহী হন। মূলত তারা জমিদারের কাছারি বাড়ীর লিচু গাছ থেকেই চারা সংগ্রহ করে লিচুর বাগান করেছেন। প্রতিবছরই এখানে লিচুর ভালো ফলন হচ্ছে। কয়েকটি গ্রামের বাগানীরা লিচু বিক্রি করে প্রতি মৌসুমে প্রায় দেড় কোটি টাকা আয় করেন। লিচুর ভালো ফলনের জন্য উপজেলা কৃষি বিভাগের সহযোগিতা নেন তারা। বাগানীরা জানান বাগানের লিচু চামচিকা পোকামাকড় থেকে রক্ষা করতে তাদের প্রচুর কষ্ট করতে হয়। দু’বছর ধরে স্থানীয় সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিকের প্রচেষ্টায় গ্রামগুলো বিদ্যুতায়িত হয়েছে। বিদ্যুতায়নের আগে বাগানের অর্ধেক লিচু চামচিকা, বাদুড় ও পোকামাকড় নষ্ট করে ফেলতো। বিদ্যুত আসার কারনে বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যাবহার করে পোকামাকড়, চামচিকা, বাদুড়, কটকটি ইত্যাদি প্রাণী তাড়ানো সম্ভব হচ্ছে। ছাতকের বাগান গুলোর লিচু সুমিষ্ট হলেও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের লিচুর চেয়ে আকারে অনেকটা ছোট। কয়েকবছর আগে সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল এখানের লিচু চাষীদের উন্নত জাতের লিচুর চারা দিয়েছিলেন। এসব চারা থেকে এখানে বড় আকারের লিচুও ফলন হচ্ছে। লিচু চাষীরা জানান বাগানে চাষকৃত লিচু বাজারজাত করতে তাদের সমস্যা হচ্ছে। রাজারগাও থেকে চৌমুহনী বাজার রাস্তার একটি ব্রিজ ধসে পড়ায় এখানে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। লিচু নিয়ে দোয়ারা উপজেলার বালিউরা বাজার হয়ে তাদের ছাতক শহরে আসতে হচ্ছে। এতে পরিবহন খাতে তাদের অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হয়। এ অঞ্চলে উৎপাদিত লিচু দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি হলেও চলতি মৌসুমে করোনা ভাইরাসের কারনে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় তাদের বাগানের লিচু শুধু সিলেট অঞ্চলে বিক্রি হচ্ছে। লিচুর ভালো ফলন হওয়ায় চাষীরা আশাবাদী চলতি মৌসুমেও তারা দেড় কোটি টাকার লিচু বিক্রি করতে পারবেন। দোয়ারাবাজার উপজেলা সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার ও গোদাবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হামিদ জানিয়েছেন লিচু চাষে মানুষকে আগ্রহী করতে অব্যাহত ভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এখানের অধিকাংশ লিচু চাষীরা তার পরামর্শে লিচু বাগান করেছেন। এ অঞ্চলের মাটি লিচু চাষের উপযোগী বিধায় তিনি সবসময় লিচু চাষে উন্নত প্রযুক্তি ব্যাবহার ও লিচু চাষে চাষীদের সব ধরনের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। ছাতক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তৌফিক হোসেন খান জানান ছাতকে পূর্ব থেকেই লিচুর ফলন হতো। বর্তমানে এখানে উন্নতজাতের লিচুর চাষ হচ্ছে। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি বিভাগ লিচু চাষীদের সবধরনের সহযোগিতা করছে।
মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার দক্ষিনভাগ বাজারে কয়েকমাস থেকে এক বৃদ্ধ মহিলার আগমন।তিনি একজন মানসিক রোগী।বাজারের রাস্তার পাশে কয়েকটি বস্তা বর্তি বোতল ও বাজারের বিভিন্ন ময়লা আবর্জনা নিয়ে নুয়ে নুয়ে উনাকে প্রায় সময় হাটতে দেখা যায়। বিভিন্ন পথচারি ও জনসাধারন উনাকে টাকা দিয়ে সাহায্য করতে চাইলে তা ও উনি নিতে আগ্রহি হোন না।তবে খাবারের কোন কিছু কিনে দিলে অনেক সময় খেতে দেখা যায়।প্রতিদিন রাতে বাজারের বিভিন্ন মার্কেটের সামনেই উনার ঘুমানোর স্থান।দিনে পথচারিদের বিস্কুট,পানি,জুস,বিরানি খেয়েই চলে। অনেক দিন রাতে উনাকে খুজে খুজে এলাকার অনেক মানবিক ব্যক্তিবর্গ উনাকে রাতের খাবার দিয়ে যেতে দেখা যায়।
বর্তমান অবস্থা
প্রতিদিনের মতো ঈদের দিন এভাবে চলছিল।ঈদের পর দিন সকালে বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সহ: সাধারন সম্পাদক ও নাজমা বস্ত্রালয়ের স্বত্তাধিকারি জনাব সাইফুল ইসলাম ও বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী সিরাজ হোটেলের স্বত্তাধিকারি জনাব সিরাজ উদ্দিনের একটি মহৎ উদ্দ্যোগের মাধ্যমে বদলে যায় উনার পূর্বের গঠন।উনারা নিজ উদ্দ্যোগে মহিলাকে নিয়ে (একজন মহিলাকে দিয়ে) ভালভাবে পরিস্কার করে গোসল শেষে নতুন কাপড়-চোপড় পরিধান করিয়ে খাবার দেন।এবং সিরাজ উদ্দিন উদ্দ্যোগ নেন যে একটি বাড়িতে একজন মহিলাকে দায়িত্ব দিয়ে প্রতিদিন উনার থাকার ব্যবস্থা ও সিরাজ হোটেলের পক্ষ থেকে তিনবেলা খাবার ব্যবস্থা করবেন।
উনার সাথে (মহিলা) কথা বললে উনি উনার বাড়ি,এলাকা,কারো নাম কিছুই বলতে পারেন নি।তবে উনার কথাবার্তার ভাষায় বুঝা যাচ্ছে যে উনি কুমিল্লার বাসিন্দা হতে পারেন।যদি কোন ব্যক্তিবর্গ উনার পরিচয় পেয়ে থাকেন তাহলে নিচের নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
পোষ্টটি সকলে শেয়ার করার অনুরোধ করছি..আমরা সকলে মিলে দেখি এই মহিলার বাড়ি পর্যন্ত পৌছানো যায় কিনা।
নিউজ ডেস্কঃ নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীরা সংক্রমণের প্রথম তিন থেকে চার দিন সবচেয়ে বেশি সংক্রামক এ তথ্য আগেই জানা গেছে। তবে এখন এক দল গবেষক বলছেন, আক্রান্তের ১১ দিন পর ওই রোগী আর সংক্রামক থাকে না। ওই সময় নমুনা পরীক্ষায় পজেটিভ এলেও তিনি আর অন্যকে সংক্রামিত করতে পারেন না।
সিঙ্গাপুরের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞদের একটি গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। সিঙ্গাপুর শহরের ৭৩ জন কভিড-১৯ রোগীর তথ্যের ভিত্তিতে এ গবেষণাটি করা হয়েছে।
সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল সেন্টার ফর ইনফেকশাস ডিজিস এবং দ্য অ্যাকাডেমি অব মেডিসিনের যৌথ এ গবেষণায় বলা হয়েছে, পরীক্ষায় পজেটিভ আসা মানেই কিন্তু সংক্রমণ সক্ষম বা ভাইরাসের সক্রিয় থাকা নয়। সংক্রমণের ১১ দিন পর ভাইরাসটি আর আলাদা হতে পারে না বা কালচার (সংখ্যা বৃদ্ধি) করতে পারে না।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সর্বশেষ এ পর্যবেক্ষণটি হাসপাতাল থেকে রোগীর ছাড়া পাওয়ার মানদণ্ডে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। এখন পর্যন্ত এ মানদণ্ডটি সংক্রমণ সক্ষমের পরিবর্তে পরীক্ষায় পর পর দুইবার নেগেটিভ আসার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হচ্ছে।
সিঙ্গাপুরের স্ট্রেইট টাইমসের এক প্রতিবেদনের বলা হয়েছে, সর্বশেষ গবেষণার প্রমাণগুলো ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা যায় কিনা- তা দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মূল্যায়ন করবে।
এর আগে এ সংক্রান্ত একাধিক গবেষণায় দেখানো হয়েছে, আক্রান্ত ব্যক্তি সুস্থ হওয়ার পর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী পরপর দুইবার নমুনা পরীক্ষায় করোনাভাইরাস নেগেটিভ আসার পরও তার হাঁচি কাশির মাধ্যমে ভাইরাস বেরিয়ে আসতে দেখা গেছে। অনেকের ক্ষেত্রে ফুসফুসের মরা কোষও বেরিয়ে আসে। তবে সেটি অন্য মানুষকে সংক্রমণে সক্ষম কিনা তা নিশ্চিত ছিল না। এবার সিঙ্গাপুরের গবেষকরা জানালেন, নমুনায় পজেটিভ এলেও তা আর সংক্রামক থাকে না।
এখন পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে মোট ৩১ হাজার ৬৮ জন রোগীর মধ্যে ১৩ হাজার ৮৮২ জন বা প্রায় ৪৫ শতাংশ রোগীকে হাসপাতাল ও কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র থেকে ছাড় দেয়া হয়েছে। গত শনিবার দুপুর পর্যন্ত একদিনে দেশটিতে ৬৪২ জন কভিড-১৯ শনাক্ত হয়েছে।
দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ২ জুন থেকে প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় চালু করার পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে দেশটি। এরই অংশ হিসেবে সরকার প্রাক-প্রাথমিকের কর্মীদের সক্রিয়ভাবে স্ক্রিনিং করছে। গত শুক্রবার কর্মচারীদের মধ্যে দুইজনের কভিড-১৯ পজিটিভ ফল পাওয়া গেছে। এখন পর্যন্ত প্রাক-প্রাথমিকের সাত কর্মচারীর মধ্যে নভেল করোনাভাইরাস শনাক্ত হলো।
নিউজ ডেস্কঃ গ্রামের বাড়িতে মেয়ের লাশ দাফন হবে না, এজন্য এক অ্যাম্বুলেন্সে ড্রাইভারের সাথে ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে চুক্তি করেছিলেন মেয়ের মৃতদেহ দাফনের। সে জন্য চুক্তির টাকাও পরিশোধ করেছিলেন সেই হতভাগ্য পিতা। কিন্তু সেই মৃতদেহ ওই অ্যাম্বুলেন্সের চালক দাফন না করেই ফেলে দেয় তিস্তায়। দুই দিন পর সেই মৃতদেহ তিস্তার পানিতে ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা।
আদিতমারী থানা পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিচয় শনাক্ত হবার পর সেই হতভাগ্য পিতার কাছে পুনরায় লাশ দাফনের দায়িত্ব এসে কাঁধে চাপে। কিন্তু ঘটনা জানতে পেরে এবার পুলিশেই দায়িত্ব তুলে নেয় লাশ দাফনের।
এমনিই এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে মৃত পোশাক শ্রমিক মৌসুমী আক্তারের হতভাগ্য বাবা গোলাম মোস্তফার কপালে! এমনই এক হৃদয় বিদারক ঘটনায় আদিতমারী থানা পুলিশ পোশাক শ্রমিক মৌসুমী আক্তারের(২২) মরদেহ রবিবার সন্ধ্যায় তিস্তা নদী থেকে উদ্ধার করে। আজ সোমবার ঈদের দিন বিকেলে মরদেহের জানাজা শেষে মৃতের নিজ গ্রামে দাফন করে যৌথভাবে আদিতমারী ও পাটগ্রাম থানা পুলিশ। মৃত পোশাক শ্রমিক মৌসুমী আক্তার পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রামের গোলাম মোস্তফার মেয়ে। তিনি একই উপজেলার বাউড়া ইউনিয়নের সরকারের হাট এলাকার স্বামী নিগৃহীতা মিজানুর রহমানের স্ত্রী।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানান, বাউড়া ইউনিয়নের সরকারের হাট এলাকার আবুল কালামের ছেলে মিজানুর রহমানের সাথে ৬ মাস আগে বিয়ে হয় পোশাক শ্রমিক মৌসুমী আক্তারের।
বিয়ের পর থেকেই স্বামীর সাথে সম্পর্কের অবনতি ঘটলে একাই গাজীপুরে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন মৌসুমী। গত বৃহস্পতিবার অসুস্থতা অনুভব করলে একটি ট্রাক যোগে পাটগ্রামে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। পথিমধ্যে রংপুরের তাজহাট এলাকায় পৌঁছলে ট্রাকচালক তাকে মৃত দেখে মরদেহ ফেলে পালিয়ে যান। অজ্ঞাত মরদেহ হিসেবে তাজহাট থানা পুলিশ মৌসুমীর মরদেহ উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠান। পরদিন শুক্রবার খবর পেয়ে মৃতের বাবা গোলাম মোস্তফা তাজহাট থানায় গিয়ে মেয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন। মেয়ের মরদেহ বুঝে নিয়ে বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ নেওয়াজ নিশাতকে মোবাইলে বিষয়টি অবগত করে নিজ এলাকায় মরদেহ দাফনের অনুমতি চান। কিন্তু চেয়ারম্যান ওই মরদেহ করোনায় আক্রান্ত সন্দেহে তার পরিবার ও মরদেহবাহী গাড়ি পুড়িয়ে দেয়ার হুমকী দেন বলে অভিযোগ করেন মৃতের বাবা গোলাম মোস্তফা।
নিরুপায় হয়ে হতভাগ্য গরিব বাবা মেয়ের মরদেহ দাফন করতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকার একজন লাশবাহী গাড়ি চালকের সাথে ৫ হাজার টাকা চুক্তি করেন। চালক মরদেহ দাফনের আশ্বাস দিয়ে গোলাম মোস্তফাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে মরদেহটি তিস্তা নদীতে ফেলে দেন। দুই দিন পরে স্থানীয়দের খবরে রবিবার (২৪মে) রাতে উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের গোবর্দ্ধন গ্রামে তিস্তা নদী থেকে সরকারি ব্যাগে মোড়ানো অজ্ঞাত মরদেহটি উদ্ধার করে আদিতমারী থানা পুলিশ।
সোমবার (২৫ মে) ঈদের নামাজ শেষে আদিতমারী থানা পুলিশ মরদেহটির জানাজা শেষে আদিতমারী কেন্দ্রীয় কবর স্থানে দাফনের প্রস্তুতি নিতেই খবর পেয়ে পরিচয় শনাক্ত করেন মৃতের বাবা গোলাম মোস্তফা। অবশেষে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় আদিতমারী থানা পুলিশ পাটগ্রাম থানা পুলিশের সহায়তায় পাটগ্রামের নিজ গ্রামে বিকেলে মৌসুমীকে দাফন করেন।
মৌসুমীর বাবা গোলাম মোস্তফা এর সাথে আদিতমারী থানা চত্বরে কথা হলে তিনি বলেন, হাতে পায়ে ধরতে চেয়েও লাশ গ্রামে নিতে দেয়নি আবু সাঈদ নেওয়াজ নিশাত চেয়ারম্যান। বাধ্য হয়ে একজন ড্রাইভারকে ৫ হাজার টাকা দিয়েছি লাশ দাফন করতে। তারাও দাফন না করে নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছে। অবশেষে আবারো মেয়ের মরদেহ শনাক্ত করতে হলো আদিতমারী থানায়। মেয়ের মরদেহ নিয়ে যারা ব্যবসা করেছে তাদের বিচার দাবি করেন তিনি।
বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবু সাঈদ নেওয়াজ নিশাতের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তিনি মোবাইল ফোন রিসিভ করেননি। আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয় বিদারক ও দুঃখজনক। সরকারি ব্যাগে মোড়ানো মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় একটি ইউডি মামলা করা হয়েছে। মৃতের পরিচয় নিশ্চিত হবার পর তার বাবার আকুতি জেনে পুলিশ সুপারের নির্দেশে দুই থানা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে মরদেহ তার গ্রামে দাফন করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
হাসপাতালে মাস্ক-পিপিইসহ চিকিৎসকদের সুরক্ষা সরঞ্জামের ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করায় ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের এক চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। এরপর আবার পুলিশের হাতে মারধর এবং মানসিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় দ্বিতীয়বার তিনি খবরের শিরোনাম হয়েছেন। খবর বিবিসি।
গত শনিবার থেকে ২০ বছরের অভিজ্ঞ অ্যানাস্থেসিস্ট ডা. সুধাকর রাওকে মারধর ও মানসিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেছে। ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওগুলো বিস্তৃতভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভাইরাল হওয়া বেশ কয়েকটি ভিডিওতে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের বিশাখাপত্তমের দক্ষিণাঞ্চলের যেখানে ডা. রাও বসবাস ও কাজ করেন, সেখানকার একটি মহাসড়কে তাকে পুলিশের সঙ্গে দেখা যায়। কর্তৃপক্ষ বলছে, পরে তাকে মানসিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল।
একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ডা. রাও খালি গায়ে রাস্তার পাশে থাকা একটি গাড়ির ভেতরে বসে আছেন এবং তার আশেপাশে পুলিশ চিৎকার করছে। আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, একজন কনস্টেবল তাকে লাঠিপেটা করছেন এবং পেছনে হাত বাঁধা অবস্থায় তিনি রাস্তায় শুয়ে আছেন। অপর একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উৎসুক জনতার ভিড়ের সামনে পুলিশ অফিসাররা ওই চিকিৎসকে ধরে অটোরিকশায় তুলছেন।
পুলিশ বলছে, চিকিৎসককে লাঠিপেটা করা ওই কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে তদন্ত হবে।
তবে পুলিশ তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার আগে তিনি ওই সময়ের মধ্যে জড়ো হওয়া স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘পুলিশ সদস্যরা আমাকে জোর করে গাড়ি থেকে নামিয়ে আনে। তারা আমার ফোন ও ওয়ালেট ছিনিয়ে নেয় এবং আমাকে মারধর করে।’
এর আগে গত ৩ এপ্রিল সরকারি হাসপাতালে কর্মরত ডা. রাও গণমাধ্যমে বলেছিলেন, চিকিৎসকদের পর্যাপ্ত মাস্ক, পিপিইসহ সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম দেয়া হচ্ছে না। স্থানীয় একটি টেলিভিশকে তিনি বলেন, ‘নতুন মাস্ক চাওয়ায় আমাদের ১৫ দিন ধরে ব্যবহার করে আসা মাস্ক ব্যবহার করতে বলা হচ্ছে। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমরা কীভাবে রোগীদের চিকিৎসা দিতে পারি?’ এ ভিডিও ক্লিপটিও সেসময় ভাইরাল হয়ে যায়।
এ ঘটনায় সরকার বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেয় এবং ডা. রাওকে সাময়িক বরখাস্ত করে। কর্মকর্তারা এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না দিলেও জনসম্মুখে বলেছেন, ডা. রাও অন্য চিকিৎসকের মনোবল দুর্বল করে দিচ্ছেন। এর কয়েক দিন পর রাও একটি ভিডিওতে ক্ষমা চান এবং তার বরখাস্তের আদেশ বাতিলের আহ্বান জানান। কিন্তু তার আহ্বানে সাড়া দেয়নি কর্তৃপক্ষ।
এ ঘটনার পর থেকেই ডা. রাও ও তার পরিবারকে হুমকি-ধমকি দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা। শনিবার ডা. রাও বলেন, গত কয়েকদিন ধরে মানুষ ফোন করে আমাকে হুমকি দিচ্ছেন।
রাওয়ের মা কাবেরি রাও বলেন, তার কোনো মানসিক স্বাস্থের সমস্যা নেই। তিনি একজন নামী চিকিৎসক। হাসপাতালে সুরক্ষা সরঞ্জামের ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের পর থেকে তাকে নির্যাতনের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। এসব নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে তিনি খুব চাপের মধ্যে ছিলেন।
এ বিষয়ে বিশাখাপত্তমের পুলিশ কমিশনার আরকে মিনা বিবিসিকে বলেন, ‘একজন মাতাল লোক রাস্তায় উল্টাপাল্টা আচরণ করছে- এমন খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। পুলিশ গিয়ে দেখে ওই চিকিৎসক রাস্তার বেড়িক্যাড সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করছেন এবং রাস্তায় একটি মদের বোতল ছুঁড়ে ফেলছেন।’
তার দাবি, পুলিশ যাওয়ার আগেই স্থানীয় লোকজন তাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রেখেছিল। তারা চিকিৎসকের বিরুদ্ধে পুলিশকে বাধা প্রদান এবং ক্ষতিসাধনের অভিযোগে মামলা করেছেন।
ভিডিওতে পুলিশ কর্তৃক ডা. রাওয়ের হাত বাঁধার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিলে কমিশনার মিনা বলেন, তিনি পুলিশের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছিলেন। তিনি একজন কনস্টেবলের কাছ থেকে ফোন ছিনিয়ে নিয়ে রাস্তায় ফেলে দিয়েছিলেন। তিনি সম্ভবত মনস্তাত্ত্বিক সমস্যায় ভুগছেন। প্রথমে তাকে থানায় নেয়া হয়েছিল এবং পরে তাকে প্রাথমিক পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানকার চিকিৎসকরা তাকে একটি মানসিক হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দিয়েছিলেন।
এদিকে হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা. রাধা রাণী বলেন, তার অবস্থা স্থিতিশীল মনে হলেও তাকে দুই সপ্তাহ পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।
বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেল এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমানের আরেকটি পরিচয়, তিনি গায়ক। গানের প্রতি তার দুর্বলতা সবার জানা। গেল ২০১৬ সালের কোরবানি ঈদে গায়ক হিসেবে হাজির হয়ে হৈ চৈ ফেলে দেন সারাদেশে।
হাট, ঘাট, মাঠ, সর্বত্রই ছিলো মাহফুজুর রহমানকে নিয়ে আলোচনা। ১০টি গান নিয়ে তার একক সংগীতানুষ্ঠানটি সেই ঈদের সবেচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান হিসেবে স্থান দখল করে নেয়।
সেই শুরু, এখনো গান করছেন মাহফুজুর রহমান। তার বেসুরো গায়কী নিয়ে অনেক সমালোচনা ও বিতর্ক চললেও দমে যাননি তিনি। গান করে চলেছেন নিয়মিতভাবেই।
গেলো কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারের রোজা ঈদেও গানের অনুষ্ঠান নিয়ে হাজির হচ্ছেন ড. মাহফুজুর রহমান। এটিএন বাংলা সূত্রে জানা গেছে, মৌলিক কিছু গান দিয়ে সাজানো হয়েছে এবারের অনুষ্ঠানটি।
ইতিমধ্যে গানের রেকর্ডিং হয়ে গেছে। এবারের অনুষ্টানের শিরোনাম দেয়া হয়েছে ‘হিমেল হাওয়া ছুঁয়ে যায় আমায়’। এটি এটিএন বাংলায় প্রচার হবে ঈদের পরদিন রাত ১০টা ৩০ মিনিটে।
করোনার প্রভাবে ঘরবন্দী হয়ে কাটবে এবারের ঈদ। একঘেয়েমির এই সময়ে ড. মাহফুজুর রহমানের গানের অনুষ্ঠান ভিন্ন মাত্রার আনন্দ যোগ করবে বলে প্রত্যাশা চ্যানেলটির।
১ মামুন ছেলের স্কুলে দাড়িয়ে আছে ছেলের জন্য। আজকে তার ছেলে মাহবুবের পরিক্ষার ফলাফল জানাবে। ছেলেটার জন্যই এসেছে। অনেক ছেলেমেয়ের বাবা মা এসেছে।আর তাদের সন্তানদের নিয়ে প্রশংসা করছে। এক মহিলা অন্য মহিলাকে বলছে “দেখবেন আমার ছেলেই প্রথম হবে”মামুন এইসব কথা শুনছে আর দাড়িয়ে আছে।ছেলের জন্য তারও চিন্তা হচ্ছে।কারন শেষের কয়েকটি পরিক্ষার সময়ে ছেলে অসুস্থ হয়ে গিয়েছিল। কেমন ফলাফল হবে জানে না। কিছুক্ষণ পরে মাহবুব আসলো। মনটা ভারি ভারি। মুখেও তেমন হাসি নেই। মনে হয় ফলাফল ভাল হয় নি। অনেকে ছেলের জন্য টিউশানির ব্যাবস্থা করেছে। কিন্তু মামুন সেটা পারে নি।কাছে আসার পরে মামুন জিজ্ঞেস করলো -কি হয়েছে বাবা? মন খারাপ কেন? -বাবা আমি ক্লাসের মধ্যে প্রথম হয়েছি। -কি!! আরে এতে মন খারাপ করে আছ কেন? -দেখলাম তুমি কেমন করো।তুমি খুশি হয়েছ? -হ্যা বাবা।অনেক খুশি হয়েছি। বলো তুমি আজকে কি চাও? আজকে দিবো। -সত্যি দিবে? তোমার কাছে অত টাকা হবে? -অবশ্যই হবে। -তাহলে আমার জন্য আইসক্রিম আনবে। -শুধু আইসক্রিম? -আইসক্রিম হলেই হবে। ছেলেকে স্কুলে রেখে মামুন অফিসে চলে গেল। আজ তার অনেক বেশি খুশি লাগছে। আজ মামুনের ছোট বেলার কথা মনে পরছে। ছোট বেলায় যখন মামুন তার বাবাকে গিয়ে বলেছিল -বাবা আমি ফার্স্ট হয়েছি। -সেটা কি বাবা? -আমি সবার চেয়ে ভাল নাম্বার পেয়েছি। -বাবারে। তোর এই কাজের জন্য আমার।অনেক খুশি লাগছে। আমি তোকে ডাক্তার বানাবো। মামুনের বাবা সেদিন ছেলেকে ডাক্তার বানানোর সপ্ন দেখেছিল। কিন্তু মাঠে কাজ করে সেই সপ্ন পুরন করতে পারে নি। মামুনের ইচ্ছা তার ছেলেকে ডাক্তার বানাবে। সে শত চেষ্টা।করে হলেও সপ্ন নামের সোনার হরিনকে ধরার চেষ্টা করবে।যেই হরিনকে মামুন ধরতে পারে নি।
২ মাহবুব বাড়িতে এসে দেখে কাদের আংকেল এসেছে।মাহবুব কাদের আংকেলকে বলল -আংকেল। আমি এবারো ফার্স্ট হয়েছি। -তাই! তাহলে তো তোমাকে একটা গিফট দিতে হবে? -কি গিফট দিবেন? -তোমার প্রিয় জিনিস আইসক্রিম। এই নাও ৫০ টাকা। ওই দুরের ওই দোকান থেকে আইসক্রিম কিনে খাবে। -আচ্ছা। -কিনে ওখান থেকেই খেয়ে আসবে। কারন বাড়িতে আনতে নষ্ট হয়ে যাবে।. খুশি মনে মাহবুব টাকা নিয়ে চলে গেল আইসক্রিম কিনতে। মাহবুব অন্যের কাছ থেকে টাকা অথবা কোন গিফট নেয় না। কিন্তু কাদের আংকেল কিছু দিলে তার মা নিতে বলেছে। কাদের আংকেল তাদের কাছের মানুষ। . দোকানে গিয়ে মাহবুব দেখলো সবগুলো দোকান বন্ধ। এই দুপুরবেলা দোকান বন্ধ থাকে।টাকাটা আংকেল কে ফেরত দেওয়া দরকার। তাই বাড়িতে চলে যাওয়াই ভাল। . ৩ মামুন সাহেব অনেক বলার পরে আজকের দিনে ছুটি নিতে পেরেছে। আজকে তার ছেলেকে নিয়ে ঘুরবে। দুপুরবেলা গাড়ি না পাওয়ায় হেটেই বাজারে চলে যাচ্ছে মামুন। যত তারাতারি সম্ভব বাসায় যেতে হবে। যখন ছেলেকে আইসক্রিম দিবে আর তার প্রিয় মাছ নিয়ে যাবে। তখন তার ছেলে অনেক খুশি হবে। যেই খুশিটা দেখার জন্য মামুনের মনটা মানছে না।বাজারে গিয়ে মাহবুবের প্রিয় মাছ আরো তার প্রিয় খাবারগুলো কিনলো।ব্যাগ হাতে রিক্সায় চড়ে বাড়ির দিকে রওনা হল।সে জানে ছেলে তার জন্য অপেক্ষা করছে। . ৪ মাহবুব বাড়িতে এসে আংকেল কে খুজে পেল না। মনে হয় চলে গেছে। টাকাটা জানালা দিয়ে ভেতরে রেখে দিয়ে তার মত খেলতে চলে যাবে। মাহবুব দরজা বন্ধ পেয়ে জানালা দিয়ে টাকা রাখার জন্য হাত বাড়ালো। জানালায় তাকাতে মাহবুব দেখলো তার মা শুয়ে আছে। কিন্তু এভাবে শুয়ে আছে কেন? আর কাদের আংকেল পাশে শুয়ে আছে কেন?আর তাদের এইরকম হয়ে থাকার কারন কি? জিজ্ঞেস করা দরকার। তাই মাহবুব আংকেলকে ডাক দিলো। . ৫ মামুন পথে আসার সময়ে অনেক কিছুই ভেবেছে। ছেলের কথা ভেবেছে।বাড়িতে এসে মাহবুব কে ডেকে না পাওয়ার পরে ঘরে ঢুকলো। ঘরে ঢুকে মাহবুব ছেলেকে দেখলো। কিন্তু ছেলের মুখের হাসি দেখলো না। ছেলেটা ঘুমিয়ে আছে।মামুনের ফার্স্ট হওয়া ছেলে আজ ঘুমিয়ে আছে।মামুনের সপ্নটা সপ্নই থেকে গেল।সপ্ন নামের সোনার হরিনের দেখা মামুন পেল না। শুধু কাঁদতে কাঁদতে বলল “কি অন্যায় করেছিলাম আমি? যে আজকে আমার সপ্ন দেখা ছেলেকে লাশ দেখতে হল” . মামুনের স্ত্রি রান্না।ঘর থেকে মাছ কাটার বটি নিয়ে এসেছে। কিছু একটা কাটার জন্য। আজকেও মামুনের স্ত্রি বটি দিয়ে কাটলো। তবে মাছ না কেটে আজকে ছেলের গলা কাটলো। মাছের চেয়ে বেশি রক্ত বেড়িয়ে মেঝেতে ছড়িয়ে গেল। অনেক বোঝানোর পরেও যখন ছেলে শুনলো না। বলল “আমি বাবাকে বলবো সব”। তাই কাদেরের বুদ্ধিতে ছেলের গলায় বটি চালাতে হল। পরে ছেলেকে হত্যা করার অপরাধ বুঝলো। কিন্তু পরকিয়া প্রেমের কারনে পরে বুঝেও কোন লাভ হলো না। কালেক্টেড
দারিদ্র ও ক্ষুধা মুক্ত সুখী সমৃদ্ধ আদর্শবান পাকশাইল গ্রাম গড়তে যেসব মহান ব্যক্তিবর্গ সুদূর প্রবাস থেকে সাহায্য সহযোগিতা ও নিরলসভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তাদের মধ্যে অন্যতম যুক্তরাজ্য প্রবাসী জনাব মিসবাউল হক রুপন ভাই, কুয়েত প্রবাসী জনাব আব্দুর রহমান এবাদ চাচা, যুক্তরাজ্য প্রবাসী জনাব নাজমুল হক সেলিম ভাই, ফ্রান্স প্রবাসী জনাব আব্দুল বাসিত ভাই, যুক্তরাজ্য প্রবাসী জনাব শামিম উদ্দিন ভাই, যুক্তরাজ্য প্রবাসী জনাব শিহাব উদ্দিন ভাই, পর্তুগাল প্রবাসী জনাব ইমদাদুল হক নানু ভাই, পর্তুগাল প্রবাসী জনাব বদরুল ইসলাম ভাই, গ্রীস প্রবাসী জনাব আবু তাহের ভাই ও ইতালি প্রবাসী জনাব আব্দুল হালিম রাজু ভাই।
সত্যিই আপনাদের অবদান কখনো ভুলা যাবেনা। আপনাদের’কে ধন্যবাদ আর কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা আমাদের জানা নেই। গ্রামের জন্য দেশের জন্য এবং দেশের মানুষের জন্য আপনাদের ভালোবাসা দেখে সত্যি আমরা মুগ্ধ। অবশ্যই পাকশাইলের ইতিহাসে আপনাদের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যুগ-যুগান্তরে গ্রামের সেবায় আপনাদের’কে আইডল হিসেবে স্বরণ করবে। পাকশাইলবাসী আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ ও চির ঋণী।আমরা আপনাদের’কে নিয়ে ধন্য ও গর্বিত।
এলাকার সকল প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের জন্য বিনম্র শ্রদ্ধা, ভালোবাসা আর দোয়া রইল। সেলুট আপনাদের’কে। এলাকার সেবায় সব সময় সহযোগিতা হাত প্রসারিত করার জন্য। আশা করি এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখবেন।
দোয়া করি মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়া’লা আপনাদের প্রবাস জীবন সুখী সুন্দর ও সফল করেন, সকল প্রকার বিপদ আপদ ও মুসিবত থেকে হেফাজতে ও আমানতে রাখেন। এই মহান কাজের বিনিময়ে দুনিয়া ও আখেরাতে এর সর্বোত্তম প্রতিদান দান করেন আমিন।
পরিশেষে সকল প্রবাসীদের পক্ষ থেকে একটি বার্তা ও দোয়া রইলঃ ভালো থেকো বাংলাদেশ, ভালো থেকো গ্রাম, ভালো থেকো প্রিয় পরিবার।
এখন থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য সংবলিত কোনও পোস্ট দেওয়া ও লাইক-শেয়ার করতে পারবেন না। ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ নিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক পরিপত্রে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৭ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব কাজী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পরিপত্রে বলা হয়েছে, কেউ নির্দেশনা না মানলে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি ও এর সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ‘সরকারি প্রতিষ্ঠান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ প্রণয়ন করেছে। এ নির্দেশিকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং কর্মচারীদের করণীয়-বর্জনীয় নির্ধারণ করা এবং এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
জারি করা নির্দেশনার আলোকে সরকারের সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং এর আওতাধীন অধিদফতর/পরিদফতর/সংস্থার কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও কতগুলো বিষয় অনুসরণের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
এতে বলা হয়, অন্য কোনও রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য সংবলিত কোনও পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকেও বিরত থাকতে হবে। সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে সরকার বা রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনও পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
পরিপত্রে বলা হয়, জাতীয় ঐক্য ও চেতনার পরিপন্থী কোনও তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোনও সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে এমন বা ধর্মনিরপেক্ষতা নীতির পরিপন্থী কোনও তথ্য প্রকাশ করা যাবে না। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট বা আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে এমন কোনও পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
পরিপত্রে আরও বলা হয়, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোনও সার্ভিস/পেশাকে হেয় প্রতিপন্ন করে কোনও পোস্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। লিঙ্গবৈষম্য বা এ সংক্রান্ত বিতর্কমূলক কোনও তথ্য প্রকাশ করা যাবে না।
জনমনে অসন্তোষ বা অপ্রীতিকর মনোভাব সৃষ্টি করতে পারে এমন কোনও বিষয়ে লেখা, অডিও বা ভিডিও ইত্যাদি প্রকাশ বা শেয়ার করা যাবে না। এতে ভিত্তিহীন, অসত্য ও অশ্লীল তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকারও কথা বলা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কোনও ‘কন্টেন্ট’ বা ‘ফ্রেন্ড’ সিলেকশনে সবাইকে সতর্কতা অবলম্বন এবং অপ্রয়োজনীয় ট্যাগ, রেফারেন্স বা শেয়ার করা পরিহার করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার বা নিজ অ্যাকাউন্টে ক্ষতিকারক কন্টেন্টের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মচারী ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হবেন এবং সেজন্য প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সুত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন
আক্রান্ত হওয়ার এক মাসেরও বেশি সময়ের পর অবশেষে করোনা ভাইরাস থেকে সম্পূর্ণ সু্স্থ হয়ে ওঠেছেন পাওলো দিবালা।
আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের সাম্প্রতিক দুই টেস্টের ফলাফল কোভিড-১৯ নেগেটিভ এসেছে। বুধবার (০৬ এপ্রিল) এমনটাই জানিয়েছে তার ক্লাব জুভেন্টাস।
ইতালিয়ান সিরি’আ চ্যাম্পিয়ন তুরিনের বুড়িরা জানায়, ২৬ বছর বয়সী তারকা করোনা থেকে সম্পূর্ণ হয়ে ওঠেছেন এবং তার আর দীর্ঘদিন হোম আইসোলেসনে থাকতে হবে না।
একইদিনে নিজের সুস্থ হয়ে ওঠার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন দিবালা। জুভ ফরোয়ার্ড তার অফিসিয়াল ইন্সটাগ্রামে নিজের হাস্যোজ্জ্বল এক ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘আমার মুখই সবকিছু বলে দিচ্ছে। অবশেষে কোভিড-১৯ থেকে আরোগ্য লাভ করলাম।’
শুরুতেই ডিফেন্ডার ড্যানিয়েল রুদিগার ও মিডফিল্ডার ব্লেইস মাতুইদির করোনা পজিটিভ পাওয়া যায় জুভেন্টাস শিবিরে। এরপর ২১ মার্চ দিবালা এবং তার বান্ধবীও এই মরণঘাতি রোগে আক্রান্ত হোন। সুত্রঃবাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে এক হিন্দু পরিবারের সবাই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে। মঙ্গলবার নোটারি পাবলিকের কার্যালয়, চুয়াডাঙ্গা থেকে এফিডেভিটের মাধ্যমে স্বপরিবারে নাম ও ধর্ম পরিবর্তন করেন তারা। এরপর জীবননগর সাব. রেজিস্ট্রার অফিসের মুহুরি মাওলানা আব্দুল ওয়াজেদের কাছে কলেমা পড়ে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হন ওই পরিবারের সদস্যরা।
ধর্মান্তরিত হওয়াই নিমাই দাসের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ইব্রাহিম খলিল, স্ত্রী আরতীর নাম আয়েশা খাতুন, বড় ছেলে শ্রী আনন্দ দাসের নাম হাসান আলী, মেয়ে শ্রীমতি শিল্পী দাসের নাম সুমাইয়া আক্তার ও এক বছর বয়সের ছোট ছেলেটি শ্রী কৃষ্ণ দাসের নাম রাখা হয় হুসাইন আলী। এখন থেকে তারা ইসলামের সকল নিয়ম-কানুন পালন করবেন বলে জানিয়েছেন। এমনকি রোজা রাখার জন্যও তারা মানসিকভাবে প্রস্তুত। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর তারা নিজ বাড়িতেই অবস্থান করছেন।
নওমুসলিম ইব্রাহিম খলিল বলেন, ইসলাম ধর্মের ওপর আমার অনেক আগে থেকে টান রয়েছে। এরপর থেকে ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন ধরণের বই পুস্তক পড়ে ধর্মের প্রতিপালন দেখে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে আরো আগ্রহ সৃষ্টি হয়। যে কারণে পৃথিবীতে ইসলাম ধর্ম একমাত্র সঠিক ধর্ম মেনে আমি স্বপরিবারে স্বেচ্ছায় হিন্দু ধর্ম থেকে ইসলাম ধর্ম পালনের সিদ্ধান্ত নিই। আমার স্ত্রী ও মেয়ে দুজনেই পর্দা পছন্দ করে। সবার আন্তরিক সহযোগিতায় আল্লাহর রহমতে নিরাপদে ও ভালো আছি। ইসলাম ধর্ম, নামাজ, রোজা পালনের জন্য মেম্বর সাহেবসহ প্রতিবেশিরা সহযোগিতা করেছেন।
মাওলানা আব্দুল ওয়াজেদ জানান, নওমুসলিম ইব্রাহিম খলিল ব্যক্তিগত জীবনে ভালো একজন মানুষ হিসেবেই পরিচিত। তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণের ইচ্ছার বিষয়ে স্থানীয় মুসলিমদের ও মেম্বরের কাছে জানালে সকলেই তাকে সাহায্য করেন। বিষয়টি জানার পর যতটুকু সম্ভব তাদের পাশে থাকতে চেষ্টা করেছি। এফিডেভিটের পর তারা স্থানীয় মেম্বর ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের সামনে সপরিবারে কালিমা ত্বায়্যীবা ও কালীমা শাহাদত পাঠ করেন। আল্লাহ তাদের পরিবারকে কবুল করুক।
সীমান্ত ইউনিয়নের হরিহরনগর গ্রামের মেম্বার আরজান হোসেন বলেন, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার আগ্রহ প্রকাশের পর থেকে তিনি তাদেরকে সহযোগিতা করে আসছেন। প্রায় এক মাস আগে তার কাছে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের ইচ্ছার কথা জানান। এলাকার মানুষ তাদের নিরাপদ বসবাসের ব্যাপারে সচেতন। সবার সহযোগিতামূলক মনোভাব রয়েছে।
নিউজ ডেস্কঃ মানবতাবিরোধী অপরাধেয়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তি চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী তেরশ্রী কালী নারায়ণ (কে এন) ইনস্টিটিউশনের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ সোলায়মান ইসলাম (৪০) ফেসবুক পোস্ট দিলে তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয় এবং তিনি গ্রেফতার হন।
ঘিওর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) আশরাফুল আলম বলেন, গ্রেফতারকৃত শিক্ষক ঘিওর উপজেলার তেরশ্রী কে. এন ইনস্টিটিউশনের সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবেক কর্মরত রয়েছে। তার বাড়ি মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার জিয়নপুর ইউনিয়নের আবুডাঙ্গা গ্রামে।
শনিবার (২ মে) রাতে তিনি তার ফেসবুকে দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর মুক্তি চেয়ে স্ট্যাটাস দেন। রবিবার রাতেই তাকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে। ওসি আশরাফুল আলম বলেন তাকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। সুত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন
মৃত্যুর অপেক্ষা অনাহারে অথবা করোনায় করোনাভাইরাস যখন প্রথমবারের মতো দেশে পৌঁছে যায় তখন লাতিন আমেরিকার দেশ হাইতি কর্তৃপক্ষ এবং দেশটির মানবিক বিশেষজ্ঞরা আতঙ্কিত হয়ে যান। তাদের এই আশঙ্কার নেপথ্যে দেশের ভঙ্গুর স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। কিন্তু সেই আশঙ্কাকেও ছাপিয়ে যায় মহামারির অর্থনৈতিক পরিণতি; যা দেশের দরিদ্রদের জন্য করোনার চেয়েও ভয়াবহ প্রাণঘাতী রূপে হাজির হয়েছে।
শনিবার পর্যন্ত মাত্র আটজনের মৃত্যু নিয়ে কোভিড-১৯ মহামারি দেশটিতে এখনও প্রকোপ শুরুর ইঙ্গিত দিচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশটিতে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার নিয়ম অনেকের কাছে অসাধ্য বিলাসিতার মতো; যেখানে অসংখ্য মানুষ অপ্রাতিষ্ঠানিক অর্থনৈতিক খাতের ওপর নির্ভর করে দিনে এনে দিনেই খেয়ে বেঁচে থাকেন।
করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধের প্রচেষ্টা হিসাবে লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে দারিদ্রপীড়িত দেশ হাইতির ক্ষমতাসীন সরকার আগামী ১১ মে থেকে জনসম্মুখে মাস্ক পরা প্রত্যেকের জন্য বাধ্যতামূলক ঘোষণা করেছে।
মাস্ক দূরের বিষয়, অনেক হাইতিয়ান এখন প্রশ্ন তুলেছেন : আজ না খেয়ে মরবো নাকি কাল করোনায়?
পেশনভিল শহরের পোর্ট-অ-প্রিন্সের পূর্বদিকের পাহাড়ি এলাকায় ব্যবসায়িক কার্যক্রম সপ্তাহে তিনদিন সীমাবদ্ধ রাখার বিধি-নিষেধ চালুর বিরুদ্ধে রাস্তায় প্রতিবাদ করেছেন ব্যবসায়ীরা। এই এলাকার একটি টাউন হলকে কেন্দ্র করে এই নির্দেশনা জারি করা হলেও শেষ পর্যন্ত তা ব্যর্থ হয়েছে।
গত ১৯ মার্চ করোনা রোগী পাওয়া গেছে বলে ঘোষণা দেয়ার পর দেশটিতে আতঙ্কিত হয়ে লোকজনের কেনাকাটা বেড়ে যায়। এখন অনেকেই সাধ্যের বাইরে গিয়েও বেশি পরিমাণে কেনাকাটা করছেন। এর ফলে দেশটিতে পণ্য-সামগ্রীর দাম আকাশচুম্বী। গত বছরের এই সময়ে চালের দাম যা ছিল; বর্তমানে তা দেশটির কিছু কিছু বাজারে দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে।
গত মার্চ থেকেই দেশটিতে মুদ্রাস্ফীতি শুরু হয়েছে। করোনা মহামারির আতঙ্কে আমেরিকার এই দেশটিতে দেড় বছর আগে যে মন্দা দেখা দিয়েছিল; সেটি ফেরার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। অনলাইনে বার্ষিক অর্থনৈতিক সম্মেলনে অংশ নিয়ে হাইতির প্রধানমন্ত্রী জোসেফ জুথে বলেছেন, ক্রমবর্ধমান সঙ্কটের কারণে আমাদের অর্থনীতি প্রায় চার শতাংশ সঙ্কুচিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
হাইতির অর্থনীতিবিদ এতজার এমিলি বলছেন, দেশের নাগরিকদের অর্ধেকই কৃষি খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট; যদিও মোট অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে কৃষি খাতের অবদান মাত্র ২১ শতাংশ।
দরিদ্র শ্রমিক, যারা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র খামারের মালিক তাদের আয় চলতি মৌসুমে কমে গেছে। তাদের জন্য পরবর্তী মৌসুমের ফসল চাষের প্রস্তুতিগ্রহণ কঠিন হয়ে পড়েছে। খরার কারণে ইতোমধ্যে কিছু কিছু অঞ্চলে মারাত্মক সমস্যা তৈরি হয়েছে।
করোনাভাইরাস মহামারি বিশ্ব অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেয়ার অনেক আগে থেকেই জাতিসংঘ সতর্ক করে দিয়ে আসছে যে, চলতি বছরে প্রায় ৪০ শতাংশ হাইতিয়ানের জরুরি মানবিক ত্রাণ সহায়তা প্রয়োজন হতে পারে।
এতসংখ্যক মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দেয়ার বিষয়টি একটি দেশকে দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছানোর ইঙ্গিত বলে সতর্ক করে দেয় জাতিসংঘ। সংস্থাটি জানায়, মার্চের শুরুতেই হাইতির প্রায় ৩০ লাখ মানুষ মারাত্মক খাদ্য অনিশ্চয়তার মুখে পড়বেন।
প্রবাসী হাইতিয়ানরা প্রত্যেক বছর কোটি কোটি ডলার পাঠিয়ে দেশকে গভীর দারিদ্র থেকে রক্ষা করে আসছেন। বিদেশে থাকা দেশটির নাগরিকরা প্রত্যেক বছর ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেন; যা দেশটির মোট জিডিপির প্রায় এক তৃতীয়াংশ।
দেশটির অর্থনীতিবিদ কেসনার ফ্যারেল বলেন, হাইতিয়ানরা খাবার, শিক্ষা এমনকি শেষকৃত্যের জন্যও রেমিট্যান্সের ওপর নির্ভর করেন। দেশটির অধিকাংশ প্রবাসীই বসবাস করেন যুক্তরাষ্ট্রে; বিশ্বের সর্ববৃহৎ অর্থনীতির এই দেশটিতে করোনার ভয়াবহ প্রকোপে বেকারত্ব মারাত্মক আকার ধারণ করেছে, সঙ্কটে পড়েছেন হাইতিয়ানরাও।
হাইতির অর্থ মন্ত্রণালয় এক পূর্বাভাষে বলেছে, আগামী মাসে দেশের রেমিট্যান্সের পরিমাণ এক চতুর্থাংশ হ্রাস পেতে পারে।
ফ্যারেল বলেন, আমরা বলতে চাই, আমেরিকানরা যখন ফ্লুতে ভোগেন, হাইতি তখন নিউমোনিয়ায় ভোগে। যুক্তরাষ্ট্রে যদি লাখ লাখ প্রবাসী চাকরি হারান তাহলে আমাদের দেশে নিশ্চিতভাবে চরম দারিদ্র নেমে আসবে।
আশফাক জুনেদঃ দীর্ঘ এক বছর পর আমাদের নিকট পবিত্র রমজান এসে পৌঁছেছে।ত্যাগ ও সংযমনের মাস হচ্ছে রমজান।এই মাস যেমন আসে রহমতের বার্তা নিয়ে আবার তেমনি মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের জন্য আসে চিন্তার কারণ হয়ে।
রমজানে বিশেষ করে আমাদের সিলেটে মেয়ের বাড়িতে ইফতারি পাঠানোর একটি প্রথা প্রচলিত রয়েছে ।এই মাসে মেয়ের শশুর বাড়িতে হরেক রকম খাবার দাবার পাঠাতে হয়। সেটা একবার নয় কয়েকবার। বহুকাল থেকে আমাদের সমাজের প্রচলিত প্রথা এটি।এর অন্যতা হলে মেয়েকে শশুর বাড়িতে খোঁটা পেতে হয়।
এই ইফতারি পাঠানো বিত্তবানদের জন্য সহজ হলেও অনেক মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের জন্য চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।রমজান আসার সাথে সাথে কপালে চিন্তার বাঝ পড়ে এসব পরিবারের মাঝে।শশুর বাড়িতে মেয়ের মান-সম্মান রক্ষা করতে কষ্ট করে হলেও মেয়ের বাড়িতে হরেক রকম ইফতার সামগ্রী পাঠান এসব পরিবারের কর্তারা।
কিন্তু বিগতে বছর গুলোতে কষ্ট করে ইফতারি পাঠানো গেলেও এবার তা যে একেবারেই অসম্ভব ।সারাবিশ্বের ন্যায় করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবে থমকে আছে বাংলাদেশেও।আর এই ভাইরাস ঠেকাতে দেশে চলছে সাধারণ ছুটি।ফলে অঘোষিত লকডাউন চলছে সারাদেশে।যার কারণে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন দেশের সিংহভাগ মানুষ।ঘরে খাবার যোগাতে যেখানে রীতিমত যুদ্ধ করতে হচ্ছে সেখানে এই রমজানে মেয়ের বাড়িতে ইফতারি পাঠানো তাদের কাছে মরার উপর খাড়ার ঘা।কেমন করে মেয়ের বাড়িতে ইফতারি পাঠাবেন এমন চিন্তায় চিন্তিত তারা।এই কঠিন পরিস্থিতিতে দার দেনা করাও সম্ভব না।তাই দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে সরকারি ভাবে এই ‘ইফতারি’ প্রচলন বন্ধ করা হোক।এতে করে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবার এই ‘ইফতারি’ পাঠানোর নামে হরেক জাতের খাদ্যসামগ্রী পাঠানো থেকে রেহাই পাবে এবং সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন হওয়া থেকেও রক্ষা পাবে।সরকারি ভাবে নিষেধ হলে মেয়ের বাড়ি থেকেও খোঁটা দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।তাই এইদিকগুলা বিবেচনা করে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করে অনতিবিলম্বে এই ইফতারির প্রচলন বন্ধ করার দাবি জানাচ্ছি।
নিউজ ডেস্কঃ আক্রান্ত কারারক্ষীরা হাসপাতালে ডিউটি করার সময় সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে
ঢাকার কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ১০ জন কারারক্ষী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বুধবার (২৯ এপ্রিল) এ তথ্য নিশ্চিত করেন কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল কবির চৌধুরী।
তিনি বলেন, “কারাগারের পাশে ২০০-২৫০ জন কারারক্ষী থাকেন। এদের মধ্যে ১০ জন কারারক্ষী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।”
ইকবাল কবির চৌধুরী বলেন, “কারারক্ষীদের হাসপাতালে ডিউটি থাকে। সেখান থেকে তারা সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন।”
জেল সুপার আরও বলেন, “আক্রান্তদের বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।” সুত্রঃ ঢাকা ট্রিবিউন
নিউজ ডেস্কঃ করোনায় রাজধানী ঢাকাসহ দেশজুড়ে ‘লকডাউন’ ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধ থাকায় অর্থাভাবে পড়েছেন অনেক মানুষই। বিশেষ এ সময়ে খাদ্য সংকট নিন্মবিত্ত ছাড়িয়ে মধ্যবিত্তকেও ছুঁয়েছে। এ অবস্থায় দরিদ্রদের অনেকেই সরকারি ত্রাণ সুবিধা পেলেও লজ্জায় নিজেদের কথা জানাতে পারে না মধ্যবিত্ত। তাই দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত উভয় শ্রেনীর জন্যই ত্রাণ সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে এসেছে ‘রিলিফ ইন রেসপন্স টু কভিড-১৯’।
এ কার্যক্রমের উদ্যোক্তা ব্যাংকার শামীম আহমেদ বলেন, ‘ফেসবুকের মাধ্যমে আমরা দুইভাবে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছি।ঢাকা সিটির মধ্যে যারা আছেন তাদের কাছে সরাসরি খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করছি।আর ঢাকার বাইরে যারা আছেন তাদের কাছে টাকা পাঠিয়ে দিচ্ছি। আমরা এ পর্যন্ত ৫০ পরিবারকে নগদ অর্থ সহায়তা দিয়েছি, ১৫০ পরিবারকে খাদ্যপণ্য দিয়েছি এবং ২৫ পরিবারের মাঝে সবজি বিতরণ করেছি।’ তিনি জানান, ইফতারিসহ খাবার প্যাকেটও তারা বিতরণ করছেন। নিম্নআয়, দিনমুজুর, রিক্সাচালক, এটিএম বুথ সিকিউরিটি গার্ডরা আমাদের এই খাদ্য বিতরণ কর্মসূচীতে অর্ন্তভুক্ত আছে। জানান, কিছু বন্ধু, সহকর্মী, প্রবাসী ও সংগঠন পাশে রয়েছেন। যারা আর্থিকভাবে ও শ্রম দিয়ে সহযোগিতা করছেন। যেমন – করোনা মোকাবেলায় আমরা বাংলাদেশ, বিদ্যানন্দ। বন্ধুদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে সহযোগিতা করছেন মোহাম্মদ ফারুক ও মোজাক্কের।
তিনি বলেন, ‘ত্রাণের সহযোগিতায় বেশিরভাগ অনুরোধ এসেছে ফেসবুক বন্ধুদের কাছ থেকে এবং আমাদের পেইজ থেকে।’ ত্রাণ বিতরণ করতে গিয়ে বিচিত্র সব অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ঢাকার মিরপুরে এক পরিবারে বাবা-মা তাদের নিজের দুই কন্যা সন্তানকে ফেলে অন্যত্র চলে গেছে।অর্থের অভাবে মা তার বাচ্চাকে দুধ খাওয়াতে পারছে না। মধ্যবিত্ত পরিবার খাদ্য সংকটে পড়েছে।কারো কাছে হাত পেতে কিছু চাইতেও পারছেনা।’
শামীম আহমেদ জানান, অসহায় বিধবা অথবা মধ্যবিত্ত পরিবারের কেউ খাদ্য সংকটে পড়ে থাকলে যোগাযোগ করতে। তাহলে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হবে। তার ইমেইল- helphandsbd@gmail.com। ফোন_নাম্বার-০১৭১৩৩২৯৪৪৭। সুত্রঃ কালের কন্ঠ
তাহাজ্জুদ নামাজের শ্রেষ্ঠ সুযোগ রমাদান রহমতের শ্রেষ্ঠ সময় তাহাজ্জুদের সময়, রমাদান মাস রহমতের শ্রেষ্ঠ মাস। বছরের বিশেষ রাতসমূহে সূর্যাস্তের পর আল্লাহ তাআলা দুনিয়ার নিকটতম আসমানে অবতরণ করেন। তাহাজ্জুদের সময়ে প্রতিটি রাতেই আল্লাহ তাআলা প্রথম আসমানে এসে বান্দাদের ফরিয়াদ শোনেন। কোরআনুল করিমে আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রিয় হাবিব (সা.) কে উদ্দেশ করে বলেন, ‘এবং রাত্রির কিছু অংশ তাহাজ্জুদ কায়েম করবে, ইহা তোমার এক অতিরিক্ত কর্তব্য। আশা করা যায় তোমার প্রতিপালক তোমাকে প্রতিষ্ঠিত করবেন প্রশংসিত স্থান-মাকামে মাহমুদে।’ (সুরা ১৭ ইসরা, আয়াত ৭৯)। ‘হে বস্ত্রাবৃত! রাতে দণ্ডায়মান হও কিছু অংশ বাদ দিয়ে; অর্ধরাত্রি অথবা তদপেক্ষা কিছু কম অথবা তদপেক্ষা বেশি এবং কোরআন আবৃত্তি করো সুবিন্যস্তভাবে ও স্পষ্টভাবে। আমি তোমার প্রতি অবতীর্ণ করেছি গুরুত্বপূর্ণ বাণী। নিশ্চয় ইবাদতের জন্য রাত্রিতে ওঠা প্রবৃত্তি দলনে সহায়ক এবং স্পষ্ট উচ্চারণের অনুকূল। নিশ্চয় দিবাভাগে রয়েছে তোমার দীর্ঘ কর্মব্যস্ততা। তুমি নিজ পালনকর্তার নাম স্মরণ করো এবং একাগ্রচিত্তে তাতে নিমগ্ন হও।’ (সুরা ৭৩ মুজ্জাম্মিল, আয়াত: ১-৮)। ‘হে চাদরাবৃত! ওঠো, সতর্ক করো, আপন পালনকর্তার মাহাত্ম্য ঘোষণা করো, স্বীয় পোশাক পবিত্র করো এবং অপবিত্রতা থেকে দূরে থাকো। অন্যকে কিছু দান করে অধিক প্রতিদান আশা করবে না। আর তোমার পালনকর্তার উদ্দেশে ধৈর্য ধারণ করো।’ (সুরা ৭৪ মুদ্দাচ্ছির, আয়াত ১-৭)।
তাহাজ্জুদ সংকট উত্তরণের ও আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের সেরা মাধ্যম। রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতি রাতেই তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করতেন। তাই এটি সুন্নত, অতিরিক্ত হিসেবে নফল। নবীজি (সা.)–এর জন্য এটি অতিরিক্ত দায়িত্ব ছিল। পাঁচ ওয়াক্ত নির্ধারিত নফলের মধ্যে তাহাজ্জুদ সর্বোৎকৃষ্ট আমল। হজরত আলী (রা.) বলেছেন: ‘যাঁরাই ইবাদতে অধ্যাত্ম জগতে আল্লাহর নৈকট্য লাভে ঊর্ধ্বারোহণ করেছেন; তাঁরাই রাত জেগে তাহাজ্জুদ পড়েছেন।’ (দিওয়ানে আলী, নাহজুল বালাগা)। তাহাজ্জুদ হলো মোক্ষ লাভের মোক্ষম মাধ্যম। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘ফরজ নামাজসমূহের পর উত্তম নামাজ হলো তাহাজ্জুদ। (মুসলিম, আলফিয়্যাহ, পৃষ্ঠা ৯৭, হাদিস ৪০৫)।
‘তাহাজ্জুদ অন্ধকারে পড়তে হয়’ ও ‘তাহাজ্জুদ পড়লে জিন আসে’ এবং ‘তাহাজ্জুদ শুরু করলে নিয়মিত আদায় করতে হয়’ এই ভয়ে অনেকে তাহাজ্জুদ পড়েন না। প্রকৃতপক্ষে এসব ভুল ধারণা। তবে কারও ঘুমের ব্যাঘাত যেন না হয় এবং প্রচার মানসিকতা যেন না থাকে, এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। তাহাজ্জুদ নিয়মিত আদায় করতে পারলে তা অতি উত্তম। নফল ইবাদত বিশেষ উদ্দেশ্য বা প্রয়োজন ছাড়া প্রচার না করাই বাঞ্ছনীয়।
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আল্লাহ তাআলা সেই স্বামীর প্রতি রহম করেছেন, যে নিজে রাতে উঠে তাহাজ্জুদ পড়ে এবং তার স্ত্রীকে জাগায়। যদি সে উঠতে অস্বীকার করে, তবে তার মুখমণ্ডলে পানিছিটা দেয়। আল্লাহ তাআলা সেই স্ত্রীর প্রতি রহম করেছেন, যে নিজে রাতে উঠে তাহাজ্জুদ পড়ে এবং তার স্বামীকে জাগায়। যদি সে উঠতে অস্বীকার করে, তবে তার মুখমণ্ডলে পানিছিটা দেয়।’ (আবু দাউদ ও নাসায়ি, আলফিয়্যাহ, পৃষ্ঠা ৯৭, হাদিস ৪০৭)। এ ছাড়া যদি কেউ তাহাজ্জুদের জন্য ডাকার নির্দেশ বা অনুমতি দেন, তাঁকে তাহাজ্জুদের জন্য ডেকে তোলা যাবে; অন্যথা নয়।
সুন্নত ও নফল নামাজে কিরাত তিলাওয়াতের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা জরুরি নয়। নফল নামাজে রুকু, সিজদাসহ প্রতিটি রুকন বা পর্ব দীর্ঘ করা সুন্নত ও মোস্তাহাব। এ জন্য রুকু ও সিজদায় তাসবিহ অনেকবার পড়া যায় এবং অন্যান্য পর্বেও বেশি পরিমাণে বিভিন্ন দোয়া মাসুরা, যা কোরআন হাদিসে আছে, পাঠ করা যায়। একই রাকাতের একই সুরা বারবার এবং বিভিন্ন সুরা ও বিভিন্ন আয়াত পড়া যায়।
রমাদান মাসে যেহেতু ফরজ রোজা পালনের জন্য সহায়ক হিসেবে সাহ্রি খাওয়ার সুন্নত আদায়ের জন্য আমরা সবাই উঠি এবং সাহ্রির সময়ই হলো তাহাজ্জুদের সময়; সুতরাং রমাদানে তাহাজ্জুদ আদায় করা খুবই সহজ। তাহাজ্জুদ দুই রাকাত করে আট রাকাত, বারো রাকাত বা আরও কম বা বেশিও পড়া যায়। রমাদানের নফলের সওয়াব ফরজের সমান, ফরজের সওয়াব সত্তর গুণ।
রাতের দুই–তৃতীয়াংশ অতিবাহিত হওয়ার পর থেকে তথা রাত দুইটার পর থেকে ফজরের ওয়াক্ত আরম্ভ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তাহাজ্জুদের সময়। সাহ্রির সময় শেষ হলে তথা ফজরের ওয়াক্ত শুরু হলে তাহাজ্জুদের ওয়াক্ত শেষ হয়।
মুফতি মাওলানা শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনীবাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির যুগ্ম মহাসচিব ও আহ্ছানিয়া ইনস্টিটিউট অব সুফিজমের সহকারী অধ্যাপক
পবিত্র ও মহিমান্বিত রমজান চলমান। রমজানুল মুবারক এর আসল উদ্দেশ্য তাকওয়া অর্জন। তাকওয়া বা পরহেজগারিতা অবলম্বনের মূলে হলো গোনাহ থেকে বিরত থাকা। গোনাহ থেকে বেচে থাকার প্রচেষ্টাই কেবলমাত্র একজন ইমানদারকে প্রকৃত মুমিন মুসলমানরুপে গড়ে তুলতে পারে। এবং এ-র কোন বিকল্প নেই। পবিত্র কালিমায় বিশ্বাস করেই শুধু পরিপূর্ণ মুমিন মুসলমান হওয়া যায় না। এজন্য প্রচেষ্টার সাথে কিছু বিশেষ মুমিনের গুণাবলী অর্জন করতে হবে। সেই সাথে বর্জনীয় নেফাকি মুনাফেকি চরিত্র পরিহার করতে হয়। কুরআন নাজিলের মহিমান্বিত রমজানুল মুবারক এর মাসে তাই আমাদের সকলকেই তা অর্জনের প্রয়াস চালানো অব্যাহত রাখতে হবে। কুরআনের সুরা মু’য়মিনুনের প্রথম ১০ আয়াত সহ বিভিন্ন আয়াতে ও রাসুলুল্লাহ সাঃ এ-র বিভিন্ন হাদিসে মুমিনদের গুণাবলীর বর্ননা দেয়া হয়েছে। নেফাকি চরিত্র তথা মুনাফেকের আলামতের চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে। মুমিনের গুণাবলী অর্জন এবং মুনাফেকি আলামত বর্জন করা অপরিহার্য। তাহলেই আমরা দুনিয়ার শান্তি ও আখেরাতে মুক্তি অর্জন করতে পারি। সহীহ বুখারী ও মুসলিম শরীফের হাদিসে প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এরশাদ ফরমান মুনাফেকের আলামত ৩টি, অপর রেওয়ায়তে ৪টি। কথা বললে মিথ্যা বলা, ওয়াদা খেলাপী করা। আমানতের খিয়ানত করা এবং ঝগড়া বিবাদ হলে অশ্লীল ভাষায় কথা বলা। এসকল মৌলিক মন্দ কার্যকলাপগুলো পরিহার করে মুমিনদের গুণাবলী অর্জন করতে হবে। তাহলেই আমরা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নতি সাধন করতে পারি। শান্তিময় খেলাফত আলা মিন হাজিহিন নবুয়ত এ-র আদলে ইনসাফপূর্ণ একটি সমাজ প্রতিষ্ঠিত করতে পারবো। সুতরাং কুরআন নাজিলের মহিমান্বিত মাসেই আমাদেরকে সংকল্পবদ্ধ হয়ে সুন্দর শান্তিময় সমাজ বিনির্মানে ধাবমান হতেই হবে।
প্রিয়ভাজন একজনের রেখাপাত করার মতো জ্ঞানীদের উক্তি এখানে প্রণিধানযোগ্য।
তিনটি জিনিসের উপর ভরসা করা ঠিক নয়। নদীর পাড়ের বাড়ি, ব্রেক ছাড়া গাড়ি, পর্দা ছাড়া নারী। তিনটি জিনিস একবার আসে।মাতা-পিতা, সৌন্দর্য্য, যৌবন। তিনটি জিনিস ফিরিয়ে আনা যায়না। বন্দুকের গুলি, কথা, রূহ। তিনটি জিনিস মৃত্যুর পর উপকারে আসে। সু-সন্তান, সদকা, ইলম। তিনটি জিনিস সম্মান নষ্ট করে। চুরি, চোগলখুরী, মিথ্যা। তিনটি জিনিস পেরেশানিতে রাখে। হিংসা, অভাব, সন্দেহ। তিনটি জিনিসকে সর্বদা মনে রেখ। উপদেশ, উপকার, মৃত্যু। তিনটি জিনিসকে আয়ত্বে রেখ। রাগ, জিহবা, অন্তর। তিনটি জিনিস অভ্যাস কর।নামাজ, সত্য বলা, হালাল রিযিক। তিনটি জিনিস থেকে দূরে থেকো। মিথ্যা, অহংকার, অভিশাপ। তিনটি জিনিসের জন্য যুদ্ধ কর। দেশ, জাতি, সত্য। তিনটি জিনিসকে চিন্তা করে ব্যবহার কর।কলম, কসম, কদম।
মহান আল্লাহ তায়ালা দয়া করে রমজানের উছিলায় বরকতময় দিবস গুলোকে সঠিকভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ করে দিন। আলোকিত ব্যক্তি ও সমাজ বিনির্মানে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করার তৌফিক দিন আমাদের সকলকে। লেখক ; সাংবাদিক ও কলামিস্ট।
আমাদের গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজার জেলা অন্তর্গত বড়লেখা ২নং দাসের বাজার ইউনিয়নের সুড়িকান্দি (রসগ্রামের) ঐতিহ্যবাহী বাড়ি।
জন্মের ৩বছর পর্যন্ত শিশুকাল কেটেছিল সেই বাড়িতে পরবর্তীতে সেখান থেকে বড়লেখা পৌর:শহরে আমার বাবা ও চাচাগন জায়গা কিনে বাড়ি বানিয়ে এসেছেন। সেখানে আজও অনাবদ্য বসবাস করে আসছি।
আমাদের পারিবারিক ঐতিহ্য বড়লেখা ইসলামিয়া বিল্ডিং ও টঙ্গীওয়ালা বাড়ির স্বনামটি আজও গোটা বড়লেখায় বিসৃত। বড়লেখা হাজিগঞ্জ বাজারের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত প্রচীনতম ইসলামিয়া বিল্ডিংটিও আমার দাদাদের তৈরিকৃত নিজস্ব সম্পওির উপর দাড়িয়ে আছে। উওরসূরী তথা ভূমির মালিকানা হিসাবে বর্তমানে বাবা ও আমাদের চাচাগন (বাবার চাছাতো ভাইগন & যৌত মালিকানাধীন) সেগুলোর দেখাশুনার কাজ করছেন। এছাড়াও রয়েছে আরো বেশ কিছু ভূমির সওাধিকারী।
দ্বিতীয়ত,আমাদের গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজার জেলা অন্তর্গত বড়লেখা ২নং (ইউনিয়ন) দাশের বাজার সুড়িকান্দি (রসগ্রামের) ঐতিহ্যবাহী বাড়ি। আমাদের গ্রামের বাড়িটি টঙ্গীওয়ালা বাড়ী বা হাতিওয়ালা বাড়ী বলে পরিচিতিটি বেশ বিসৃত।
তৎকালীন সময়ে এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও পারিবারিক সমস্যাদূরীকরণে আমাদের বাড়িটি বিচারালয় কেন্দ্র হিসাবে পরিচালিত হত।
আমাদের দাদার ৫ভাই ও তিন বোনদের মধ্যে আমার দাদা ছিলেন সর্ব প্রধান। মুলত দাদার দ্বিতীয় ভাই মস্তকিম আলী (মম্তই মিয়া) যার কর্মের গুণে আমাদের পরিবারটি ঐতিহ্যগত দিকে আজও অনেকটা এগিয়ে রয়েছে।
এছাড়া উনার বাকী ভাইগন পারিবারিক ব্যবসা,মহালদারের ব্যবসা,হাতি ব্যবসা,কৃষি সহ বিভিন্ন কর্মসংস্থানের জড়িত ছিলেন। নিজ বাড়িতেও হরিণ পালন ও মহীষ পালনে দেখাশুনা করতেন।
মস্তকিম আলী (মস্তই মিয়া) ছিলেন একদিকে ন্যায় বিচারক এবং অন্যদিকে ছিলেন একজন স্বনামধন্য হাতি ব্যবসায়ী। তৎকালীন ভারতের (বর্তমান) আসাম রাজ্যের অন্তর্গত করিমগঞ্জে তিনি হাতি ব্যবসাতে নিজেকে আত্ননিবেশ করেন।
লোকমুখে শুনা যেত যে হাকিম নড়েন কিন্ত মস্তকিম আলী মস্তই মিয়ার সিদ্ধান্ত (পরিবর্তন) নড়ে না। যত বড়ই সমস্যা হোকনা কেন মস্তকিম আলী (মস্তই মিয়া) তা অতি সহজে বিচারিক কাজ সম্পন্য করতে পারতেন।
বড়লেখা উপজেলা সহ অন্যান্য এলাকায় যারা প্রবীণ লোক রয়েছেন তারা মস্তকিম আলীকে (মস্তই মিয়াকে) চেনেননা বলে এমন লোক পাওয়া অত্যন্ত দুষ্কর।
আমাদের পরিবারের (তৎকালীন যৌথ পরিবারে) মোট ৯টি বড় হাতি ছিলো। তার মধ্যে সবছেয়ে বড় (পুরুষ) হাতিটি ছিলো বাংলাদেশের বৃহৎ কয়েকটি হাতির মধ্যে একটি।
আমার দাদী এবং বাবার মুখ থেকে শুনা সম্ভবত ১৯৭১ কিংবা এর কিছুদিন পর স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বৃহৎ আকারের হাতিটি দেখে মুগ্ধ হয়ে তৎকালীন সময়ে সে হাতিটিকে হাজার খানেক টাকা দিয়ে পুরুষ্কৃত করেছিলেন।
যেটি আমাদের দাদাগনের নিজস্ব সম্পওির উপর নির্মিত হয়ে এখনো রয়ে গেছে। উওরসূরী তথা ভূমির মালিকানা হিসাবে বর্তমানে বাবা ও আমাদের চাচাগন (বাবার চাছাতো ভাইগন & যৌত মালিকানাধীন) সেগুলোর দেখাশুনার কাজ করছেন। এছাড়াও রয়েছে আরো বেশ কিছু ভূমির সওাধিকারী।
আবার অনেকে আমাদের বাড়ি ও পারিবারিক পরিচয় দিয়ে অনেক জায়গাতে আত্নীয়তার বন্ধনেও আবদ্ধ হয়েছেন (এমন অসংখ্য নজীরও রয়েছে)
কালের অবর্তমানে হয়তো অনেকগুলো হারিয়ে গেছে,হারিয়ে গেছে ঐতিহ্যবাহী টঙ্গীওয়ালা বাড়িতে বিচারিক কাজের সেই ধ্বনি উচ্চাষিত কন্ঠসূর,হারিয়ে গেছে হাতির গলায় ঘন্টি পরিয়ে কল কল শব্দ পেরিয়ে বাড়িতে আসার সেই সৃতিময় মুহুর্তটি,হারিয়ে গেছে আরও কত কি,ফ্যাকাশ দরেছে ঐতিহ্যবাহী ইসলামিয়া বিল্ডিয়ের সৌন্দর্যরুপী ভবনের রংধনুতে,কিন্ত হারিয়ে যায়নি পরিবারের অতীত ঐতিহ্যগাতা হারানো দিনের সফল পরিক্রমা।
বড়লেখা উপজেলার বাহীরে কিংবা পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন স্থানে আলাপচারিতা ও পরিচয়ের সুবাদে যখন যানতে পারি আমাদের পারিবারিক ঐতিহ্যের স্মৃতি বিজড়িত এমন নন্দনময়ী বৈনাঢ্য ইতিহাস সত্যি নিজেকে অনেক ধন্য মনে হয়।
সত্যি কথা বলতে গেলে আজও অনেক স্থানে লোকমুখে যতটুকু আমাদের বাড়ীর পরিচিতি এবং দাদাগনকে লোকজন যতটুকু চেনেন ততটুকু আমাদের বাপ-চাচাগনকেও লোকজন চেনেননা।
একসময়ের প্রাণচাঞ্চল্য বাড়িটি কালের বিবর্তনে নিস্তব্ধতার ছোয়া লেগেই আছে। দাদার পাচঁ ভাইদের সন্তান-সাতন্তীগন (নাতি-নাতনী) সকলেই দেশ বিদেশে স্থায়ী বসবাস সহ শহরাঞ্চলে চলে গিয়ে বাড়িটি অনেকটাই লোক-লোকারণ্যহীন।
জহির আলীর পাচঁ সন্তান ও তিন মেয়ে ছিলেন যথাক্রমে (আমার দাদাগন)
১।মরহুম ইব্রাহীম আলী। ২।মরহুম মস্তকিম আলী (মস্তই মিয়া) ৩।মরহুম মন্তজির আলী। ৪।মরহুম মুছব্বির আলী এবং ৫।মরহুম সফিকুর রহমান (চঞ্চল) বাকী দাদীদের নাম (দাদার বোনদের) স্বরুণ করতে পারছিনা।
আমি যতটুকু জানি আমার দাদার বাবার নাম ছিলো জহির আলী মিয়া এবং জহির আলী মিয়ার বাবার নাম ছিলো ইলিম আলী। জহীর আলীগন দুইভাই ছিলেন। জহির আলী ও রাশীদ আলী।
বেচেঁ থাকুক পারিবারিক ঐতিহ্য……… বেচেঁ থাকুক কালজয়ী ইতিহাস হয়ে আমাদের জীবন তরে….যুগের পর যুগ দরে…….প্রজন্মের ইতিহাস হয়ে।
বড়লেখা ডেস্কঃ বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা ব্যক্তি কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া বড়বিল গ্রামের জিন্নাত আলী আর নেই। মস্তিস্কে টিউমার আক্রান্ত জিন্নাত গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
আজ (২৮এপ্রিল) ভোরে ইন্তেকাল করেন। ইন্না…রাজিউন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ২৪ বছর। তার পিতার নাম আমির হামজা।
জিন্নাত আলীর উচ্চতা ছিল ৮ ফুট ৮ ইঞ্চি। ওজন ছিল ১৩০ কেজি। তার এই উচ্চতা মোটেও স্বাভাবিক ছিল না। হরমোনজনিত সমস্যায় তিনি বিপাকে ছিলেন। ফলে অনেক দিন থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়েও তিনি চিকিৎসা নিয়েছেন।
জিন্নাত আলীর পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা যায়, জিন্নাত দেশের সবচেয়ে দীর্ঘকায় মানুষ। তার এই উচ্চতার জন্য পরিবারের লোকজন গর্বিত ছিলেন না। বরং তারা মনে করতেন, অভাব ও দারিদ্র্যের কারণে সুচিকিৎসার অভাবে উচ্চতা থামানো যায়নি।
জিন্নাত স্বাভাবিক মানুষের মত জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং সেভাবেই বড় হচ্ছিলেন। ১২ বছর বয়স পর্যন্ত তার গ্রথ স্বাভাবিক ছিল। ১২ বছর বয়সের পর থেকে তিনি অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকেন।
জিন্নাতের প্রচুর খাবার প্রয়োজন হতো। প্রতিবেলায় এক কেজি চালের ভাত, আর প্রচুর পরিমাণে তরকারি লাগতো। পরিবার সেটা ঠিকমতো দিতে পারতো না। অতিরিক্ত উচ্চতার জন্য জিন্নাত আলী তেমন কোন কাজও করতে পারতেন না।