বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটির উদ্দোগে আল-কোরআন বিতরণ।

সামাজিক সংগঠন বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটির উদ্যোগে এবং সংগঠনের প্রবাসী সদস্যবৃন্দের অর্থায়নে আজ (১০ নভেম্বর) দুপুর ২.০০ ঘটিকার সময় বড়লেখা উপজেলার লিচুবাগান নুরানী তালীমুল কোরআন ইসলামী একাডেমী এতিমখানা মাদ্রাসার হাফিজদের মধ্যে কোরআন শরীফ বিতরণ ও দুয়া মাহফীল অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রুবেল হোসাইনের সঞ্চালনায় ও সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সিরাজুল ইসলাম শিরুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়। কোরআনে কারীম থেকে তেলাওয়াত করেন হাফিজ তাওসিফ ইমরান,
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রচার সম্পাদক আব্দুল হালিম,সদস্য আক্তার হোসেন, মাওলানা কারী সাইফুর রহমান, হাফিজ মাওলানা ইব্রাহিম খলিল।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য পেশ করেন বিশিষ্ট সমাজসেবক পাবলিকেশন সোসাইটির সম্মানিত প্রধান উপদেষ্টা জনাব আব্দুল আহাদ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের বিশিষ্ঠ সমাজসেবক পাবলিকেশন সোসাইটির সম্মানিত উপদেষ্টা জনাব আব্দুল কুদ্দুস স্বপন।

সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক তোফায়েল আহমেদ তুহেল ও সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ আব্দুস সামাদ।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অফিস সম্পাদক জনাব নিজাম উদ্দিন,জুবায়ের আহমেদ দিলশাদ,
মাওলানা আব্দুস সবুর সুমন হাফিজ তাওসিফ ইমরান জাহেদ আহমেদ আক্তার হোসেন আবু বক্কর মাহফুজুর রহমান সানি
এমরান হোসেন রায়হান হোসেন প্রমুখ।

সংগঠনের প্রতিষ্টাতা সৌদি প্রবাসী মাহতাব আল মামুন, আজকের অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ, সংগঠনের সকল প্রবাসী ও দাতা সদস্য এবং যারা অনুষ্ঠানে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন সকলের প্রশংসা করেন এবং সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্যঃ অনুষ্ঠান শেষে হাফিজ বাচ্ছাদের আপ্যায়ন করানো হয়।

রাসূল (সাঃ) কে নিয়ে ব্যাঙ্গচিত্র করায় দৌলতপুর ছাত্র সমাজের প্রতিবাদী মিছিল ও সমাবেশ


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৩ নং নিজ বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ছাত্র সমাজের উদ্দ্যোগে ফ্রান্স সরকারের রাষ্ট্রীয় মদদপৃষ্টে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) ছবি ব্যাঙ্গচিত্র প্রর্দশন ও অবমাননার প্রতিবাদে (২রা নভেম্বর) বাদ আছর দৌলতপুর বাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ আয়োজন করা হয়।

এতে কাওছার আহমেদের পরিচালনায়, প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দৌলতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মাওঃআব্দুস সবুর,আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয় মুফাস্সির পরিষদ বোর্ড মৌলভীবাজার জেলা শাখার সদস্য মাওঃ কমর উদ্দিন (বাদশা),দৌলতপুর জামে মসজিদের ইমাম মাওঃআইনুল ইসলাম,পকুয়া মসজিদের মুয়াজ্জিন সাইফুর রহমান,এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ছাত্রনেতা আব্দুল মুহিত মুর্শেদ,শিক্ষক সামসোদ্দুহা মঞ্জু,তানভীর আহমেদ,তায়েফ আহমেদ,শাহীন আহমেদ, ছাত্রনেতা আলিউর রহমান,ছাত্রনেতা আসাদুর রহমান,ছাত্রনেতা অলিউর রহমান বাবু,মাসুম আহমেদ,ফাহাদ আহমদ নাহিদ,আবুল হাসনাত,ওয়াহিদুর রহমান, মাহফুজুর রহমান,কামরুল ইসলাম,মারুফ আহমেদ,রাফায়াত আহনাফ,সহ রাসূল সাঃ প্রেমি তাওহীদি জনতা,যুবসমাজ ও ছাত্রসমাজ অংশ গ্রহন করে।

বড়লেখায় তালামিযের ঈদে মিলাদুন নবী সাঃ উপলক্ষে র‌্যালী ও মিলাদ মাহফিল।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা শাখার উদ্যোগে ১২ই রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাঃ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা এবং মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

(৩০অক্টোবর) বড়লেখা সদর ইউনিয়ন মিলনায়তনে বিকেলে উক্ত অনুষ্ঠানে উপজেলা তালামীযের সভাপতি নুরুল ইসলাম বাবলু এর সভাপতিত্বে উপজেলা তালামীযের সাধারণ সম্পাদক রুবেল আহমদ এর পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা আল ইসলাহ এর সহ-সভাপতি মাওলানা ছালেহ আহমদ জুয়েল। প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া কেন্দ্রীয় পরিষদের সম্মানিত সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রনেতা মুজতবা হাসান চৌধুরী নোমান, প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন উপজেলা আল ইসলাহ এর সভাপতি মাওলানা আব্দুর রহমান, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আল ইসলাহ এর যুগ্ন সম্পাদক মাষ্টার নাজিম উদ্দিন।

এছাড়া আরো উপস্হিত ছিলেন আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া কেন্দ্রীয় পরিষদের সাবেক সদস্য মাহমুদুল হাসান, উপজেলা আল ইসলাহ এর সাধারন সম্পাদক মাওলানা কাজী আব্দুল মুমিত, সাংগঠনিক সম্পাদক মাষ্টার শামছুল ইসলাম, লতিফিয়া ইমাম মুয়াজ্জিন পরিষদের সভাপতি মাওলানা কুতুবুল আলম, উপজেলা আল ইসলাহ এর সহ-সাধারণ সম্পাদক শাহেদ আহমদ জুয়েল, লতিফিয়া কারী সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক আমানুর রহমান, উপজেলা তালামীযের সহ-সভাপতি রুহুল আমিন রুহেল, সহ-সাধারণ সম্পাদক রেদওয়ান হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ হাকিম জীবন, পৌর তালামীযের সভাপতি হাবিবুর রহমান সহ উপজেলা আল ইসলাহ, তালামীয ও লতিফিয়া কারী সোসাইটির নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন ওয়ার্ড ইউনিয়ন শাখার কর্মীবৃন্দ।

১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে শোভাযাত্রা বড়লেখা বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ৬নং সদর ইউনিয়নে এসে মিলাদ ও দোয়ার মাধ্যমে শেষ হয়।

লেখনী-বক্তৃতা ও কাজের মাধ্যমে সত্যের দিকে দাওয়াত।

।। এম. এম আতিকুর রহমান ।।

এক. লেখনী-বক্তৃতার মাধ্যমে দাওয়াত
লেখনী ও বক্তৃতার মাধ্যমে দাওয়াতের একটির সম্পর্ক যবানের সঙ্গে, আরেকটির সম্পর্ক কলমের সঙ্গে। সুতরাং দাওয়াতের কাজ যে প্রকারেই করা হোক না কেন, দা’ঈর ভাষা, সাহিত্যের মানে উত্তীর্ণ হওয়া জরুরি। প্রথমে তাঁর মাতৃভাষা ও তাঁর সমাজের পরিভাষা সম্পর্কে তাঁকে প্রাজ্ঞ হতে হবে; চাই তাঁর মাতৃভাষা যাই হোক না কেন। কারণ, সে যদি নিজের এলাকার মানুষকে মাতৃভাষায় সত্যের দীনের দাওয়াত দেয়, তাহলে তা বেশি কার্যকর হবে।

পক্ষান্তরে কোনো ভিন্নভাষী যদি ভিন্ন ভাষায় দাওয়াতের কাজ করে, তাহলে তা এতটা কার্যকর ও প্রভাবসম্পন্ন হবে না। যেমন ধরুন, আমি যদি ‘চাতরাল’ গিয়ে আমার ভাষায় ওয়াজ করি, তাহলে আস্থা ও মুহাব্বতের কারণে হয়তো-বা মানুষ আমার ওয়াজ শুনবে এবং আমার প্রতি তারা ভক্তি-শ্রদ্ধাও প্রদর্শন করবে, কিন্তু তাতে ওই রকম প্রভাব পড়বে না, যা ওই ভাষাভাষী একজনের ওয়াজে হবে। তাই প্রত্যেক দা’ঈর কর্তব্য হলো, তার মাতৃভাষা ও সাহিত্যে পাণ্ডিত্য অর্জন করা।

দাওয়াতের আরেকটি প্রকার হলো লেখা। একজন দা’ঈর লেখা খুব পরিষ্কার ও সুন্দর হওয়া চাই এবং নিয়ম-নীতি অনুযায়ী হওয়া চাই। লেখার সাহিত্যমানও উচ্চাঙ্গের হওয়া চাই। দা’ঈর লেখা যদি অসুন্দর ও অশুদ্ধ হয়, তাহলে প্রথমেই পাঠক তাতে বিরক্ত হবে। সে ভাববে, যার লেখাই বিশুদ্ধ নয়, সে আবার আমাকে কী শেখাবে! তাই লেখা সুন্দর করাও দা’ঈর অনেক বড় গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

আজকাল সর্বসাধারণের কাছে সংবাদ পৌঁছানোর কাজকে শক্তিশালী গণমাধ্যম দিয়ে সম্পাদন করা হয়। তাই দা’ঈর জন্য এ বিষয়টিও জানা থাকা জরুরি।

গণমাধ্যমও দুই ধরনের :
এক. টেক্সট বা লৈখিক মিডিয়া, তথা পত্র-পত্রিকা, ওয়েবসাইট ইত্যাদি।

দুই. অডিও-ভিডিও মিডিয়া, তথা রেডিও, টেলিভিশন, ইউটিউব ইত্যাদি।

লৈখিক মিডিয়ায় দাওয়াতের কাজ করতে হলে লেখায় সাহিত্যমান থাকা জরুরি। অডিও-ভিডিও মিডিয়ায় কাজ করতে হলে যবানের ভাষা ও আলোচনা সাহিত্যমানে উত্তীর্ণ হওয়া জরুরি।
লৈখিক মিডিয়ার সম্পর্ক কলমের সঙ্গে, আর অডিও-ভিডিও মিডিয়ার সম্পর্ক যবানের সঙ্গে। এ জন্য উভয় ক্ষেত্রেই দা’ঈর পাণ্ডিত্য থাকা জরুরি।

দুই. কাজের মাধ্যমে দাওয়াত
দাওয়াতের দ্বিতীয় পদ্ধতিটি হলো- নিজের জীবনে ইসলামী বিধিবিধান পালনের বাস্তব নমুনা পেশ করা। সত্য সুন্দর ও মজলুম মানুষের পক্ষে দাড়াতে নিজের আমল আখলাক, চাল চলন উন্নত হওয়া চাই। এটি দাওয়াতের সবচেয়ে কার্যকর ও গতিশীল মাধ্যম। এজন্য নিজের সংশোধন ও প্রস্তুতির নিমিত্তে প্রয়োজন তাজকিয়ায়ে নফসের উন্নয়ন।
আমার যে আমলের মাধ্যমে আমি অন্যের কাছে দাওয়াত পেশ করবো, তা দুরস্ত করার জন্য প্রয়োজন মুসলিহ ও মুরব্বী; প্রয়োজন এমন কিছু মানুষের সোহবত ও সাহচর্য, যাঁরা নিজেরা আত্মশুদ্ধি অর্জন করেছেন।

আল্লাহ্‌র নীতি এটাই যে, যেমনিভাবে শারীরিক রোগীর চিকিৎসা একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারই করতে পারেন, ঠিক তেমনি আত্মার বাতেনী রোগ-ব্যাধির চিকিৎসাও একজন রূহানী ডাক্তার ছাড়া সম্ভব নয়।

(চলবে)

মূল-মুফতি মুহাম্মাদ রফী উসমানী
(সাম্প্রতিক বিবেচনায় কিছু পরিবর্তিত)

সমাজে যাদের উপর কোরবানী ওয়াজিব

কারো জন্য কোরবানী ওয়াজিব হওয়া কিংবা সুন্নত হওয়ার জন্য কোরবানীকারী কে ধনী হওয়া শর্ত। অর্থাৎ তার নিজের খরচ পাতি ও সে যাদের খরচ চালায় তাদের খরচপাতির অতিরিক্ত তার কাছে কোরবানী করার অর্থ থাকা। অতএব, কোন মুসলমানের যদি মাসিক বেতন বা আয় থাকে এবং এ বেতন দিয়ে তার খরচ চলে যায়, এর অতিরিক্ত তার কাছে কোরবানীর পশু কেনার অর্থ থাকে তাহলে সে ব্যক্তি কর্তৃক কোরবানী দেয়ার শরয়ীহ বিধান রয়েছে।

কোরবানী করার জন্য ধনী হওয়া শর্ত মর্মে দলিল হচ্ছে নবী (সাঃ) বাণী: “যে ব্যক্তির সামর্থ্য আছে অথচ সে কোরবানী করেনি সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়”[সুনানে ইবনে মাজাহ (৩১২৩), আলবানী ‘সহিহ সুনানে ইবনে মাজাহ’ গ্রন্থে হাদিসটিকে ‘হাসান’ বলেছেন] এখানে সামর্থ্য দ্বারা উদ্দেশ্য ধনী হওয়া।

প্রতিটি পরিবারের পক্ষ থেকে কোরবানী দেয়ার বিধান রয়েছে। দলিল হচ্ছে- নবী (সাঃ) বাণী: “প্রতিটি পরিবারের পক্ষ থেকে প্রতি বছর একটি কোরবানী দেয়া ওয়াজিব”[মুসনাদে আহমাদ (২০২০৭)] ইবনে হাজার ‘ফাতহুল বারী’ গ্রন্থে বলেন: হাদিসটির সনদ মজবুত। আলবানী ‘সহিহ সুনানে আবু দাউদ গ্রন্থে (২৭৮৮) হাদিসটিকে ‘হাসান’ বলেছেন]

এ বিধানের ক্ষেত্রে পুরুষ বা নারীর কোন ভেদ নেই। অতএব, কোন নারী যদি একাকী বসবাস করেন কিংবা তাঁর সন্তানদেরকে নিয়ে থাকেন তাহলে তাদেরকে কোরবানী করতে হবে।

প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী—যে ১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের ভেতরে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে; তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব।
অর্থ-কড়ি, টাকা-পয়সা, সোনা-রূপা, গহনা-অলঙ্কার, বসবাস ও খোরাকির অতিরিক্ত জমি, প্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সব আসবাবপত্র কোরবানির নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য।
আর নেসাব হল স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরি, রূপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি। আর টাকা-পয়সা ও অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রে নিসাব হলো- এগুলোর মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হওয়া (টাকার অংকে প্রায় ৫৫ হাজার টাকা)।
আর সোনা বা রূপা কিংবা টাকা-পয়সা এগুলোর কোনো একটি যদি পৃথকভাবে নেসাব পরিমাণ না থাকে কিন্তু প্রয়োজন অতিরিক্ত একাধিক বস্তু মিলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হয়ে যায়, তাহলেও কোরবানি করা ওয়াজিব। (আলমুহিতুল বুরহানী: ৮/৪৫৫; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া: ১৭/৪০৫)

আল-মাওসুআ আল-ফিকহিয়্যা গ্রন্থে (৫/৮১) এসেছে-

“কোরবানী ওয়াজিব হওয়া কিংবা সুন্নত হওয়ার জন্য পুরুষ হওয়া শর্ত নয়। কোরবানী পুরুষদের উপর যেমন ওয়াজিব হয় তেমনি নারীদের উপরও ওয়াজিব হয়। কারণ ওয়াজিব হওয়ার দলিলগুলো নর-নারী সবাইকে সমানভাবে শামিল করে।”(সংক্ষেপিত ও সমাপ্ত)

লেখক
ক্বাজী রমিজ উদ্দিন
নিকাহ রেজিস্টার
৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউঃপিঃ
বড়লেখা মৌলভীবাজার।

বড়লেখা পৌর ইউনিট সেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমেইফতার বিতরণ


মোঃইবাদুর রহমান জাকির- বিশেষ প্রতিনিধিঃ

টিপ টিপ বৃষ্টি তার মাঝেও থেমে নেই সেচ্ছাসেবীর দল একঝাঁক তরুণ মেধাবী যুবকদের নিঃস্বার্থে মানবতার কাজ,মৌলভীবাজারের বড়লেখার সর্বপ্রথম রক্তদানকারীও সেচ্ছাসেবী সংগঠন মানব কল্যান ফাউন্ডেশন দক্ষিণ গ্রামতলা ইউনিটের সেচ্ছাসেবীদের আয়োজনে ইফতার বিতরন করা হয়।

মহামারী করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবে সরকার অঘোষিত লকডাউনে পিছিয়ে পড়া দক্ষিণ গ্রামতলা পৌর ২নংওয়ার্ড ও আদিত্যের মহল ৩নং ইউনিয়নসহ পৌরসভার বেশ কয়েকটি সুবিধাবঞ্চিত অসহায় পরিবারের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ইফতার বিতরণ করা হয়।উল্লেখ্য বড়লেখা হিফজুল কোরআন একাডেমির এতিমখানায় ছাত্রদের সাথে নিয়ে (২১মে) ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের স্থায়ীপরিষদের মহাসচিব কামাল হোসেন,সহঃসাংগঠনিক সম্পাদক, মাহমুদ হাসান জুয়েল, সদস্য রাসেল আহমদ, শামিম আহমদ,সুমন আহমদ,নজমুল আহমদ,পাবেল আহমদ,ইমন আহমদ,প্রমুখ

ছায়েদ আলী মাহবুব হোসেন পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা প্রদান

ডেক্স নিউজঃ সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে বুধবার ২ ঘটিকায় বাগবাড়ি ব্র্যাক অফিস সংলগ্ন মাঠে মানবিক সহায়তা সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে । কেবি অটো ব্রিকস লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ছায়েদ আলী মাহবুব হোসেনের পক্ষ থেকে দিরাই পৌরসভার বাগবাড়ি ও আনোয়ারপুর গ্রামের অসহায় ও গরীব পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করা হয়। বুধবার দুপুরে বাগবাড়ি ব্র্যাক অফিস সংলগ্ন মাঠে মানবিক সহায়তা সামগ্রী বিতরণ কমসূচি উদ্ভোধন করেন দিরাই পৌরসভার মেয়র মোশারফ মিয়া, উপস্থিত ছিলেন দিরাই উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যডভোকেট অভিরাম তালুকদার, বাগবাড়ী গ্রামের, কামরুজ্জামান,সফিক মিয়া সহ এলাকার সর্বস্থরের জনতা। পৌর মেয়র মোশাররফ মিয়া বলেন ছায়েদ আলী মাহবুব হোসেনের মত সমাজের সবাই এগিয়ে আসলেই করোনা দুঃসময়ে মানুষ উপকৃত হবে, পৌরবাসীরপক্ষ থেকে যারাই পৌরএলাকায় ত্রান সহায়তা প্রদান করেছেন সবাইকে ধন্যবাদ ,উক্ত মানবিক সহায়তা প্রদানে ছায়েদ আলী মাহবুব হোসেন (রেজু) পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কেবি অটো ব্রিকস লিমিটেড এর জেনারেল ম্যানেজার প্রবাস সরকার ও ছামাদ আলী, জয়নাল মিয়া। উল্লেখ্য যে ছায়েদ আলী মাহবুব তার প্রতিনিধির মাধ্যমে করোনার দুঃসময়ে ২ হজার পরিবারের পাশে দাড়ানো কাজ করে যাচ্ছে , তার মধ্যে শাল্লা উপজেলা, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ এর দরগাহপুর মাদ্রাসায়, পাগলা , শীনাথপুর মৎসজীবী সমিতিসহ সিলেট আখালিয়া এলাকায় মানবিক সহায়তা সামগ্রী প্রদান করেছে। ছায়েদ আলী মাহবুব হোসেন(রেজু) করোনা পরিস্থিতি শান্ত না হওয়া পর্যন্ত এলাকার গরীব দুঃখিদের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন,, মানুষ মানূষের পাশে থাকবে এটাই তার চাওয়া। এছাড়াও দিরাই-শাল্লার বিভিন্ন এলাকার বিত্তবানদের গরীব দুঃখিদের সেবায় যেমন করে এগিয়ে আসছেন তা অব্যাহত রাখার আহবান জানিয়েছেন তিনি।

পাকশাইলে,মানবতার ঘরের উদ্দোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ।

নিজস্ব সংবাদঃ আমার প্রতিবেশিদের সাথে আছে হয়তোবা রক্তের বন্ধন।
আমার পাশের গ্রামের ভাইটিওতো আমারই আপনজন।

পাকশাইল গ্রেট ভিশন এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান মানবতার ঘরের ২৯ তম দিনের কার্যক্রম সম্পন্ন। মানবতার ঘর থেকে ১৫ টি পরিবারকে ৯ম তম সেবা দেয়া হয়েছে এবং পার্শবর্তী গ্রাম পূর্ব মনারাই,রংপুর ও মনাদিতে ৫৫ টি পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।উক্ত বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রেট ভিশনের শুভাকাংখী বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী জনাব ফয়ছল আহমদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রেট ভিশনের উপদেষ্টা জনাব আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ সুমন,সংস্থার সভাপতি এইচ এম ফয়সল,সিনিয়র সহ সভাপতি জাহাংগির আলম,সেক্রেটারি শাহিদুর রহমান জুনেদ,সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক সাহিদুল হক, সাধারণ সম্পাদক ইমন আহমদ,সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম,অর্থ সম্পাদক নাহিদ আহমদ,ক্রিড়া সম্পাদক কবির আহমদ,সহ ক্রিড়া সম্পাদক কামরুল আহমদ,সহ-ক্রীড়া সম্পাদক মাহবুব আলম, ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক সাইফুল হোসন,শিক্ষা সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাহীর,সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইমরান আহমদ, সংস্থার সদস্য আব্দুল মালিক, আলী হোসেন, নাহিদ প্রমূখ।

আমরা আমাদের এ পথচলা অব্যাহত রাখতে বদ্ধপরিকর, আপনি থাকুন আমাদের পাশে।সে হোক অর্থ দিয়ে, মেধা দিয়ে কিংবা একটুখানি উৎসাহ দিয়ে। সকলের সহযোগীতা কে মহান আল্লাহ্‌ পাক কবুল করে এর উত্তম প্রতিদান দান করুন।

বড়লেখায় শ্রমিকদের মধ্যে (বিএনপি)র ত্রাণ বিতরণ


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজার ১ নির্বাচনী এলাকায় বিগত সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্জ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর করোনায় অভাবগ্রস্থ১০ হাজার পরিবারে খাদ্য সহায়তা প্রতি ইউনিয়নে বিতরণের অংশ হিসেবে মাহে রামাজানের শেষের দিকে, বুধবার(২০মে) বড়লেখায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল বড়লেখা উপজেলা শাখার তত্বাবধানে ২০০ পরিবারে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।

বড়লেখা পৌর শহরে সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে দুপুর ২ ঘঠিকায় এ কর্মসুচির উদ্বোধন করেন বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাফিজ।এসময় উপস্হিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মুজিবুর রহমান খছরু,সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান,উপজেলা শ্রমিকদল সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম ,শ্রমিক নেতা আব্দুল আহাদ,সলিম আহমদ,আলী হুসেন, বাবুল আহমদ,সীপার আহমদ ও ফয়সল আহমদ সহ বিপুল সংখ্যক নেতা কর্মী।

উল্লেখ্য উপজেলা বি,এন,পি সভাপতি আব্দুল হাফিজ উদ্বোধকের বক্তব্যে তিনি বলেন জাতীয়তাবাদী পরিবার দেশের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে সর্বদা, সে সাথে বিএনপি’র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রবাস থেকেও দেশের এই ক্লান্তিলগ্নে শ্রমজীবী মানুষের কথা ভেবে, মৌলভী বাজার জেলা বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্জ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর অর্থায়নে শ্রমজীবী মানুষের জন্য আজকের এই ত্রাণ বিতরণ, আল্লাহ এই ত্রাণ গুলো কবুল করেন,আসুন আমরা নিজে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখি অন্যকে দুরত্ব বজায় রাখতে উৎসাহিত করি আর সবাই মহাবিপদ থেকে বাচার জন্য আল্লাহর সাহায্য চাই।

বিশ্বনাথে যুক্তরাজ্য প্রবাসী আবুল কালামের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

মোঃমোছন আলী বিশেষ প্রতিনিধি :: বিশ্বব্যাপি মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে-গৃহবন্দি হতদরিদ্র পরিবারে আজ চরম বিপর্যয়! এহেন পরিস্থিতি মোকাবেলায় সিলেটের বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়নের জানাইয়া গ্রামের
যুক্তরাজ্যের ওল্ডহাম বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম শাহ এর উদ্যোগে এবং করম আলী শাহ (রাঃ) ফাউন্ডেশন ও পরিবারের পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

বিতরণকৃত খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে ছিল তেল, ময়দা, আলু, আটা, লাচ্ছি ও নারিকেল।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন শাহ ফজর আলী, শাহ আমির উদ্দিন, আক্তার হোসেন রানা,শাহ লিলু মিয়া, শাহ ফয়সল আহমদ, শাহ সায়েদ আহমদ, ওয়াসিম আহমদ, শাহ নিজাম উদ্দিন, আজিজুল ইসলাম, রুকেল মিয়া, ফরিদ উদ্দিন, শাহ ফাহিম, শাহ ছালাম, শাহ সামি ও শাহ লায়েক আহমদ প্রমুখ।

সন্তানের কাঁধে পিতার লাশ বড় বোঝা-এই বোঝা বয়ে বেড়াতে হয় শেষ অব্দি।

ছাইদুল মাহবুব, বড়লেখাঃ জন্মিলেই মরিতে হয় এটাই রূঢ় বাস্তবতা। এমনই এক রূঢ় বাস্তবতার শিকার মাওলানা হাফিজ লুৎফুর রহমান (রহ.) এর সন্তানেরা! পৃথিবীর আলো বাতাস বুঝে ওঠার আগেই হারাতে হয় মমতাময়ী মা’কে।মা হারানোর যন্ত্রণা ভুলতে না ভুলতেই হারাতে হলো প্রিয়তম পিতা’কে।

পিতামাতার এই শূন্যতা মুছে দেবে কে? কার হাত ধরেইবা স্কুলে যাবে তারা? তবুও এই শোক কে শক্তিতে পরিণত করে লড়তে হবে তাদেরকে।এই আলো হাওয়া জলের জীবন ছেড়ে একদিন তাদেরকে পা রাখতে হবে চাঁদের মাটিতে।বাবার স্বপ্নরা বৃথা যেতে পারেনা।হুজুরের জীবনের অন্তিম মুহুর্তে কোরআন থেকে যে কটি নসিহত করে গেছেন ছেলে মেয়েদের উদ্দেশ্যে তার মধ্যে একটি হচ্ছে তার কথার চেয়ে আর কার কথা উত্তম হতে পারে?
যে মানুষকে আল্লাহর পথে ডাকে,নেক আমল করে আর ঘোষণা করে আমি মুসলমানদের অন্তর্ভুক্ত।

অতএব,নেক আমল করার পাশাপাশি আল্লাহর পথে- দাওয়াতের ময়দানে কাজ করার জন্য উপদেশ দিয়ে গেছেন।অপচয় না করার কথা বলতে গিয়ে বলেছেন অপচয়কারী শয়তানের ভাই।এমনই গুরুত্বপূর্ণ বেশকিছু নসিহত করে গেছেন হুজুর।তাঁর ছেলে মেয়েরা সফলতার শীর্ষে যেতে পাশে দাঁড়ানোর বিকল্প নেই।তাদের জীবন থেকে যে ভালোবাসার জায়গা গুলো হারিয়ে গেছে চিরতরে সে জায়গা গুলো কখনো ফিরে পাবার নয়।তবুও আমরা কি পারিনা তাদেরকে ভালোবেসে বুকে জড়িয়ে নিতে।

পৃথিবীর সব পিতা’রাই চায় তাঁর সন্তান যেনো সফলতার শীর্ষে পোঁছাক।কিন্তু সফলতার গল্প দেখে ক’জন পিতা’ই মরতে পারেন? হুজুরের রুহানি সন্তানরা আসুন হুজুরের অসমাপ্ত কাজ তাঁর সন্তানদেরকে সফলতার সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছাতে স্নেহ,মমতায়, ভালোবসে পাশে দাঁড়াই।

বিশ্বনাথে করোনা প্রভাবে সাময়িক অসুবিধাগ্রস্ত আলেমদের মধ্যে নগদ অর্থ প্রদান

আনহার বিন সাইদ,বিশ্বনাথঃ ” করোনা ” মহামারিতে যখন সারা বিশ্ব্য বিপর্যস্ত ঠিক সেই মুহুর্তে লন্ডনে অবস্থানরত বিশ্বনাথের কিছু ভাইদের অর্থায়নে ” ওলামা হেল্পিং ফাউন্ডেশন বিশ্বনাথ এর; উদ্দোগে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের; প্রায় ২০ জন অসচ্ছল আলেম পরিবারের মধ্য নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।

অত্র ফান্ডশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান (সাংবাদিক ) মাওলানা আনহার বিন সাইদ, বাইছ চেয়ারম্যান মাওলানা হারুনুর রশিদ (ইমাম বরুনী জামে মসজিদ) । সেক্রেটারি; মাওলানা আব্দুল কাদির(বরুনী),
কোষাদক্ষ ( দশঘর ইউনিয়ন তাবলিগ জামাতের জিম্মাদার)মোঃশফিকুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মৌলবী কামাল উদ্দীন, প্রমুখ।

ওলামা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান (সাংবাদিক) মাওলানা,আনহার বিন সাইদ; এক বিবৃতিতে বলেন ” করোনা ” মহামারিতে সারা ওয়াল্ডে এক ভয়াবহ অবস্থা বিরাজকরছে।
প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের অবস্থা দিন দিন নাজুক হচ্ছে। যার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (কওমী মাদ্রাসা) বন্ধ থাকায় শিক্ষকরা আর্থিকভাবে নানান সমষ্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।
এদিকে (সামনে) পবিত্র ঈদুল ফিতর আসন্ন, তাই তারা; যাতে তাদের পরিবারকে নিয়ে হাসিমুখে আসন্ন ঈদকে উদযাপন করতে পারেন সে দিকে লক্ষ্য রেখে আমরা এই উদ্দোগ গ্রহণ করেছি।

আলহামদুলিল্লাহ!
আমাদের অনেকেই তাওফিক অনুযায়ী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন আল্লাহ তাদের সবাইকে সকল ধরনের বিপদ আপদ থেকে হেফাজত করুন।

বড়লেখায় হাজী ইসমাইল আলী ফাউন্ডেশনের উপহার ও নগদ অর্থসহায়তা প্রদান

আজ (১৭মে) বিকেলে বড়লেখায় শিক্ষাবিদ হাজী ইছমাইল আলী ফাউন্ডেশন এর ব্যবস্থাপনায় তৃতীয় দফায় বড়লেখার কর্মহীন ও প্রয়োজনগ্রস্ত বেশ কিছু পরিবার ও আলেম ওলামার মধ্যে রমজানের ঈদ উপহার সামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়। ফাউন্ডেশনের সভাপতি এম. এম. আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিস বড়লেখা উপজেলা সভাপতি কাজী মাওলানা এনামুল হক, প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদ এর সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জননেতা এমাদুল ইসলাম, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বড়লেখা সদর ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান ফয়সল আলম স্বপন, উপজেলা খেলাফত মজলিসের সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফখরুল ইসলাম, সামাজিক সংগঠন আন নাজাত সভাপতি বিশিষ্ট ব্যাংকার মোঃ আব্দুর রউফ, ছাত্রনেতা সুলতান আহমদ প্রমুখ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড আওয়ামিলীগ এর সভাপতি ফাউন্ডেনের উপদেষ্টা অব্দুল মতিন কলা মিঞা, বিশিষ্ট মুরব্বি মাওঃ আব্দুল গফুর, ইটালী প্রবাসী জুবায়ের আহমদ, খেলাফত মজলিস নেতা মাওলানা মানসুর আহমদ, সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমান, মাওলানা মো: হিফজুর রহমান, মাওলানা আবুল হোসাইন, মাওলানা ফয়জুর রহমান, মোঃ নজরুল ইসলাম চৌধুরী, তরুণ সমাজ সেবক খালেদ আহমদ প্রমুখ।
ফাউন্ডেশনের সহ. সেক্রেটারি হাসান বিন কারিম এর পরিচালনায় এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি মো: আবু সাঈদ ফরহাদ, প্রচার সম্পাদক আফাজ উদ্দিন, সদস্য নাহিদ আহমদ, মো: নাজমুল ইসলাম সোহাগ, মোঃ আব্দুস সলাম, মো: সাইদুল ইসলাম, সুহেল আহমদ প্রমুখ।

চলমান সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে করোনা ভাইরাস (Covid-19) নামক মহামারি থেকে দেশ বিদেশের সকলের হেফাজত ও মুক্তির জন্য বিশেষ দোআ পরিচালনা করেন কাজী মাওলানা এনামুল হক। শেষে সবাইকে নিয়ে ইফতারের মাধ্যমে আয়োজনের সমাপ্তি হয়।বড়লেখায় হাজী ইসমাইল আলী ফাউন্ডেশনের
রমজানের ঈদ উপহার ও নগদ অর্থসহায়তা প্রদান

আজ বিকেলে বড়লেখায় শিক্ষাবিদ হাজী ইছমাইল আলী ফাউন্ডেশন এর ব্যবস্থাপনায় তৃতীয় দফায় বড়লেখার কর্মহীন ও প্রয়োজনগ্রস্ত বেশ কিছু পরিবার ও আলেম ওলামার মধ্যে রমজানের ঈদ উপহার সামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়। ফাউন্ডেশনের সভাপতি এম. এম. আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিস বড়লেখা উপজেলা সভাপতি কাজী মাওলানা এনামুল হক, প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদ এর সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জননেতা এমাদুল ইসলাম, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বড়লেখা সদর ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান ফয়সল আলম স্বপন, উপজেলা খেলাফত মজলিসের সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফখরুল ইসলাম, সামাজিক সংগঠন আন নাজাত সভাপতি বিশিষ্ট ব্যাংকার মোঃ আব্দুর রউফ, ছাত্রনেতা সুলতান আহমদ প্রমুখ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড আওয়ামিলীগ এর সভাপতি ফাউন্ডেনের উপদেষ্টা অব্দুল মতিন কলা মিঞা, বিশিষ্ট মুরব্বি মাওঃ আব্দুল গফুর, ইটালী প্রবাসী জুবায়ের আহমদ, খেলাফত মজলিস নেতা মাওলানা মানসুর আহমদ, সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমান, মাওলানা মো: হিফজুর রহমান, মাওলানা আবুল হোসাইন, মাওলানা ফয়জুর রহমান, মোঃ নজরুল ইসলাম চৌধুরী, তরুণ সমাজ সেবক খালেদ আহমদ প্রমুখ।
ফাউন্ডেশনের সহ. সেক্রেটারি হাসান বিন কারিম এর পরিচালনায় এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি মো: আবু সাঈদ ফরহাদ, প্রচার সম্পাদক আফাজ উদ্দিন, সদস্য নাহিদ আহমদ, মো: নাজমুল ইসলাম সোহাগ, মোঃ আব্দুস সলাম, মো: সাইদুল ইসলাম, সুহেল আহমদ প্রমুখ।

চলমান সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে করোনা ভাইরাস (Covid-19) নামক মহামারি থেকে দেশ বিদেশের সকলের হেফাজত ও মুক্তির জন্য বিশেষ দোআ পরিচালনা করেন কাজী মাওলানা এনামুল হক। শেষে সবাইকে নিয়ে ইফতারের মাধ্যমে আয়োজনের সমাপ্তি হয়।

ইসলামী ব্যাংক কাঁঠালতলী থেকে মধ্য আয়ের গ্রাহকদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

ফয়সাল মাহমুদঃ করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। এ অবস্থায় আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মহাসংকটে পড়েছেন নিম্ন মধ্য আয়ের শ্রমজীবী মানুষ। দীর্ঘ এই লকডাউনে নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষও নেমে যাচ্ছেন হতদরিদ্রের কাতারে। ঘরে খাবার নেই অথচ কাউকে বলতেও পারছেন না। বাইরে গিয়ে হাত পাততে পারছেন না। নেই আয়ের কোনো উৎস। দেশের এই ক্রান্তিকালে সরকারের ত্রাণ তৎপরতার পাশাপাশি সারা দেশের দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এসেছেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি। থেমে নেই মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক কাঁঠালতলী আউটলেট শাখা।

বৃহস্পতিবার (১৪মে) প্রথমবারের মতো পবিত্র রমজান মাস ও ঈদুল ফিতর কে সামনে রেখে নিম্ন মধ্য আয়ের ব্যাংক গ্রাহকদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী উপহার হিসেবে বিতরণ করা হয়।

উপহার হিসেবে ১০ কেজি চাল, ২ লিটার সয়াবিন তেল, ২ কেজি পেঁয়াজ, ২ কেজি ছোলা, ১ কেজি ডাল, ১ কেজি চিনি, ১ কেজি লবন ও ২ প্যাকেট সেমাই দেওয়া হয়।

ব্যাংক ইনচার্জ জুবায়ের আহমদ শিমুল বলেন, আমাদের ব্যাংকের খুব অসহায় গ্রাহকদের মধ্যে এই উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। কাঁঠালতলী ইসলামী আউটলেট শাখা সবসময় অসহায় গ্রাহকদের পাশে ছিলো এবং আগামীতেও থাকবে। এই ত্রাণ সামগ্রী এখন স্বল্প পরিসরে প্রদান করা হয়েছে যা আরও বড় আকারে প্রদান অব্যাহত থাকবে।

উপহার সামগ্রী প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন, দক্ষিণভাগ উত্তর ইউপির ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আলতাফ হোসেন, ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আলিম উদ্দিন সহ ব্যাংক কর্মকর্তাবৃন্দ।

এতেক্বাফের ফজিলত

আর মাগফিরাতের দশম ও শেষ দিন। একে একে আমাদের থেকে রহমত ও মাগফিরাতের দশক অতিবাহিত হয়ে আমরা রমজানের শেষ দশক অর্থাৎ নাজাতের দশকের দ্বারপ্রান্তে এসে পৌঁছে গেছি। আর শেষ দশকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো এতেকাফ করা। রাসুল (সা.) প্রতি বছর রমজানের শেষ দশকে এতেকাফ করতেন। হযরত আয়েশা রা. বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.) রমজান মাসের শেষ দশকে মসজিদে এতেকাফ করতেন। তার মৃত্যু পর্যন্ত তিনি এ আমল অব্যাহত রেখেছেন। তার ইন্তেকালের পর তার স্ত্রীরা এতেকাফ করেছেন’ (সহিহ বুখারি,১৯২২)

এতেকাফ শব্দটি আরবি ‘আকফ’ শব্দ থেকে নির্গত। এর অর্থ হচ্ছে অবস্থান করা, স্থির থাকা, কোনো স্থানে আটকে থাকা বা আবদ্ধ হয়ে পড়া। ইসলামী শরিয়তের পরিভাষায় রমজান মাসের শেষ দশক বা অন্য কোনো দিন দুনিয়াবি সব কাজকর্ম ও পরিবার-পরিজন থেকে কিছুটা বিচ্ছিন্ন হয়ে আল্লাহকে রাজি-খুশি করার নিয়তে পুরুষের জন্য মসজিদে ও নারীদের ঘরে নামাজের নির্দিষ্ট স্থানে ইবাদত করার উদ্দেশ্যে অবস্থান করা ও স্থির থাকাকে এতেকাফ বলে। রমজানের শেষ দশকে এতেকাফ করা সুন্নতে মোয়াক্কাদায়ে কেফায়া। অর্থাৎ এলাকার কিছুসংখ্যক মানুষ আদায় করলেই সকলের পক্ষ থেকে সুন্নতে কেফায়া আদায় হয়ে যাবে। তবে কেউই আদায় না করলে সকলেই গুনাহগার হবে। এতেকাফ করার মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর রহমত, ক্ষমা ও নৈকট্য লাভ করতে পারে। হযরত আতা খোরাসানী রহ. বলেন, এতেকাফকারীর দৃষ্টান্ত ওই ব্যক্তির মতো, যে আল্লাহর দরবারে পড়ে থাকে আর এ কথা বলতে থাকে, হে আল্লাহ! যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি আমাকে ক্ষমা না করবেন আমি এখান থেকে নড়ব না (বাদায়েউস সানায়ে-২ এতেকাফের একটি বৈশিষ্ট্য হলোÑ যতক্ষণ মানুষ এতেকাফ অবস্থায় থাকে তার চলাফেরা, কথাবার্তা, পানাহার, ঘুম, প্রতিটি মুহূর্ত ইবাদত হিসেবে গণ্য হয়। আর এতেকাফ সুন্নত হওয়ার হেকমত হলো এটাই যে, এতেকাফ ছাড়া লাইলাতুল কদরের ফজিলত ও মর্যাদা লাভের নিশ্চিত কোনো পদ্ধতি নেই।

এতেকাফের ফজিলত : এতেকাফের দ্বারা জাহান্নাম দূরে চলে যায়। রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে এক দিন এতেকাফ করবে আল্লাহ তায়ালা তার ও জাহান্নামের মাঝে তিন পরিখা পরিমাণ দূরত্ব সৃষ্টি করবেন; যার দূরত্ব দুই দিগন্তের দূরত্বের থেকে বেশি দূরত্ব হবে। (কানযুল উম্মাল, হাদিস নং-২৪০১৯)

এতেকাফকারী দুই হজ ও দুই ওমরার সাওয়াব পাবেন। রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি রমজানে দশ দিন এতেকাফ করবে তার আমল দুই হজ ও দুই ওমরার সমতুল্য ( কানযুল উম্মাল, হাদিস নং-২৪০০৬)।

এতেকাফকারী লাইলাতুল কদরের মর্যাদা লাভ করতে পারবেন। কেননা রমজানের শেষ দশকের রাতগুলোর যেকোনো একটিতে লাইলাতুল কদর রয়েছে। আর লাইলাতুল কদরের ইবাদত হাজার মাস তথা তিরাশি বছর চার মাস ইবাদত করার চেয়েও উত্তম। সুতরাং যে ব্যক্তি শেষ দশকে এতেকাফ করবে তার প্রতিটি মুহূর্ত যেহেতু ইবাদত হিসেবে গণ্য হচ্ছে ফলে সে লাইলাতুল কদর পেয়ে যাচ্ছেন, এ রাতের সুমহান মর্যাদা লাভ করতে পারছেন। রাসুল (সা.) লাইলাতুল কদর প্রাপ্তির আশা নিয়েই এতেকাফ করতেন। তিনি প্রথম দশকেও এতেকাফ করেছেন, মধ্য দশকেও করেছেন, এরপর শেষ দশকে করেছেন। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমি প্রথম দশকে এতেকাফ করেছি, লাইলাতুল কদর তালাশ করেছি, এরপর মধ্য দশকে এতেকাফ করেছি, এরপর আমাকে তা দেওয়া হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে, তা শেষ দশকে। অতএব তোমাদের মধ্যে যার এতেকাফ করা পছন্দ হয় সে যেন এতেকাফ করে। এরপর সাহাবায়ে কেরাম তার সঙ্গে এতেকাফ করলেন। তিনি আরো বলেন, আমি তা বিজোড় রাতে পেয়েছি (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২৮২৮)।

অতএব আমরা যারা আল্লাহর প্রিয় বান্দা হতে চাই, আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে চাই, লাইলাতুল কদরের সুমহান মর্যাদা লাভ করতে চাই, সর্বোপরি জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচতে চাই, তাদের জন্য উচিত হলো, রমজানের শেষ দশকে এতেকাফ করা
তেকাফ করা সুন্নতে মোয়াক্কাদায়ে কেফায়া।
লেখক
মোঃইবাদুর রহমান জাকির
এম এ(এল,এল,বি)
অধ্যয়নরত
সিলেট ল কলেজ।

বড়লেখায়; যুবশক্তি সমাজ কল্যাণ পরিষদের ইফতার বিতরণ


মোঃইবাদুর রহমান জাকির (বিশেষ প্রতিবেদক) মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার সামাজিক সংগঠনও স্বেচ্ছাসেবী সংঘটন যুবশক্তি সমাজকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে
মঙ্গলবার (১২ মে)পর্তুগাল প্রবাসী আবুল হাসানের অর্থায়নে বড়লেখা পৌর:শহরে অবস্থানরত দেঢ় শতাধিক সু্বিধাবঞ্চিত ও ছিন্নমূল রোজাদার নারী পুরুষদের মাঝে ইফতার বিতরণী অনুষ্টিত হয়।

এতে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আব্দুল হাফিজ ললন,যুবশক্তি সমাজকল্যাণ পরিষদের স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান কাউন্সিলর জেহীন সিদ্দিকী,স্থায়ী কমিটির সদস্য জাহিদ হাসান জাবেদ,আবুল হাসনাত শরফ ও বাকের আহমদ।

এ ছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন যুবশক্তি সমাজকল্যাণ পরিষদের কার্যকরি কমিটির সভাপতি তাহমীদ ইশাদ রিপন,সিনি:সহ:সভাপতি আমিনুল বাবলু,সহ:সভাপতি জামিল আহমদ,সাদিকুর রহমান সাহেদ,সাধারণ সম্পাদক আইনুল ইসলাম,যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ইমরান আহমদ,অর্থ সম্পাদক নূরে আলম মোহন ও সহ:প্রচার সম্পাদক আরিফ আহমদ।

উপস্থিত অতিথিবৃন্দ আর্তমানবতার সেবায় যুবশক্তি সমাজকল্যাণ পরিষদের আগামীর মানবিক কার্যক্রমকে আরো বেশী করে সমাজের সু্বিধাবঞ্চিত ছিন্নমূলদের কাছে পৌছে দিতে যুবশক্তি সমাজকল্যাণ পরিষদের সদস্যবৃন্দের প্রতি আহবান জানান এবং পর্তুগাল প্রবাসী আবুল হাসানের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি আবুল হাসানের মত ভিত্তবান যেন সমাজের কল্যাণে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহবান জানান”

বড়লেখায়ঃবোবারতলে জামায়াতে ইসলামীর খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে রবিবার(১০মে)সকাল ১১ঘটিকায় ৫নং দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের পাহাড়ি দূর্গম এলাকা বোবারতলে করোনা প্রাদুর্ভাবে গৃহবদ্ধ কর্মহীন অসহায় শতাধিক পরিবারের মধ্য মাহে রমজানের উপহার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এমাদুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ফয়সল আহমদ,উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাওঃ মুজাহিদুল ইসলাম, ইউনিয়ন সেক্রেটারি হাফিজ মাওঃ আব্দুস সবুর,ছাত্রনেতা আশরাফুল ইসলাম,আব্দুল লতিফ সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পবিত্র রমজানে সপরিবারে ইসলাম গ্রহণ।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে এক হিন্দু পরিবারের সবাই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে। মঙ্গলবার নোটারি পাবলিকের কার্যালয়, চুয়াডাঙ্গা থেকে এফিডেভিটের মাধ্যমে স্বপরিবারে নাম ও ধর্ম পরিবর্তন করেন তারা। এরপর জীবননগর সাব. রেজিস্ট্রার অফিসের মুহুরি মাওলানা আব্দুল ওয়াজেদের কাছে কলেমা পড়ে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হন ওই পরিবারের সদস্যরা।

ধর্মান্তরিত হওয়াই নিমাই দাসের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ইব্রাহিম খলিল, স্ত্রী আরতীর নাম আয়েশা খাতুন, বড় ছেলে শ্রী আনন্দ দাসের নাম হাসান আলী, মেয়ে শ্রীমতি শিল্পী দাসের নাম সুমাইয়া আক্তার ও এক বছর বয়সের ছোট ছেলেটি শ্রী কৃষ্ণ দাসের নাম রাখা হয় হুসাইন আলী। এখন থেকে তারা ইসলামের সকল নিয়ম-কানুন পালন করবেন বলে জানিয়েছেন।
এমনকি রোজা রাখার জন্যও তারা মানসিকভাবে প্রস্তুত। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর তারা নিজ বাড়িতেই অবস্থান করছেন।

নওমুসলিম ইব্রাহিম খলিল বলেন, ইসলাম ধর্মের ওপর আমার অনেক আগে থেকে টান রয়েছে। এরপর থেকে ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন ধরণের বই পুস্তক পড়ে ধর্মের প্রতিপালন দেখে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে আরো আগ্রহ সৃষ্টি হয়। যে কারণে পৃথিবীতে ইসলাম ধর্ম একমাত্র সঠিক ধর্ম মেনে আমি স্বপরিবারে স্বেচ্ছায় হিন্দু ধর্ম থেকে ইসলাম ধর্ম পালনের সিদ্ধান্ত নিই। আমার স্ত্রী ও মেয়ে দুজনেই পর্দা পছন্দ করে। সবার আন্তরিক সহযোগিতায় আল্লাহর রহমতে নিরাপদে ও ভালো আছি। ইসলাম ধর্ম, নামাজ, রোজা পালনের জন্য মেম্বর সাহেবসহ প্রতিবেশিরা সহযোগিতা করেছেন।

মাওলানা আব্দুল ওয়াজেদ জানান, নওমুসলিম ইব্রাহিম খলিল ব্যক্তিগত জীবনে ভালো একজন মানুষ হিসেবেই পরিচিত। তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণের ইচ্ছার বিষয়ে স্থানীয় মুসলিমদের ও মেম্বরের কাছে জানালে সকলেই তাকে সাহায্য করেন। বিষয়টি জানার পর যতটুকু সম্ভব তাদের পাশে থাকতে চেষ্টা করেছি। এফিডেভিটের পর তারা স্থানীয় মেম্বর ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের সামনে সপরিবারে কালিমা ত্বায়্যীবা ও কালীমা শাহাদত পাঠ করেন। আল্লাহ তাদের পরিবারকে কবুল করুক।

সীমান্ত ইউনিয়নের হরিহরনগর গ্রামের মেম্বার আরজান হোসেন বলেন, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার আগ্রহ প্রকাশের পর থেকে তিনি তাদেরকে সহযোগিতা করে আসছেন। প্রায় এক মাস আগে তার কাছে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের ইচ্ছার কথা জানান। এলাকার মানুষ তাদের নিরাপদ বসবাসের ব্যাপারে সচেতন। সবার সহযোগিতামূলক মনোভাব রয়েছে।

আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর অর্থায়নে ৫৫০ পরিবারের মধ্যে খাদ্য বিতরণ


ইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ আলহাজ্জ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর অর্থায়নে ১০ হাজার পরিবারে খাদ্য সহায়তার অংশ হিসেবে (৪মে) দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নে ৫৫০ পরিবারের মধ্যে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়। ,এতে মৌলভীবাজার ১ (বড়লেখা-জুড়ি) নির্বাচনী এলাকার বিগত সংসদ নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্জ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর এ নির্বাচনী এলাকায় ১০ হাজার পরিবারে খাদ্য সহায়তা কর্মসুচি এগিয়ে চলছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশ নায়ক তারেক রহমানের আহবানে সাড়া দিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে জনাব মিঠু এ কর্মসুচি তে অর্থায়ন করছেন এবং বাস্তবায়ন করছে সংশ্লিষ্ট ইউনিট বিএনপির কমিটি সমুহ আর সমন্বয় করছে নির্বাচনী এলাকার ২ উপজেলা ও এক পৌর কমিটি।দুপুরে দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নে এ খাদ্য সহায়তা কর্মসুচীর উদ্বোধন করেন বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক জনাব মুজিবুর রহমান খছরু।
এসময় উপস্হিত ছিলেন বড়লেখা পৌর বিএনপির সভাপতি জনাব আনোয়ারুল ইসলাম,উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান,উপজেলা প্রচার সম্পাদক ও দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস স্বপন,পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, যুব বিষয়ক সম্পাদক আলতাফ হুসেন,ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক আনিস আহমদ মেম্বার,বিএনপি নেতা শাহজাহান উদ্দিন, যুবদল সভাপতি কামাল উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক হাদি হুসেন, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মুমিনুর রশিদ, যুগ্ন সম্পাদক নাসির হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোস্তাক তাপাদার কানন, উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র নেতা নাদের আহমদ, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক কাওছার আহমদ,উপজেলা ছাত্রদল নেতা জুনেদ আহমদ সহ বিএনপি ও অঙ্গঁ- সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মী বৃন্দ।

মহিমান্বিত রমজানঃ আমাদের করনীয়-আলেয়া খানম

আমাদের থেকে এবারের মহিমান্বিত রমজানুল মুবারকের প্রথম দশক বিদায় নিতে যাচ্ছে। রমজানের প্রথম দশ দিন রহমতের। আল্লাহ তায়ালা এ দশকে প্রত্যেকের উপর অবারিত রহমত বর্ষণ করতে থাকেন। যার ফলে মুসলমান নরনারীর মন-মনন উজ্জ্বল তারকারাজির ন্যায় ঝলমল হয়ে অশ্লীলতা ও পাপাচার থেকে মুক্ত হয়। মহান প্রভূর সান্যিধ্যের দিকে এগিয়ে যায় মানবাত্মা। রহমতের চাদরে আবৃত হয়ে নিজের জীবন যৌবনকে পূতপবিত্র করে তুলতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
সহীহ হাদীসে প্রিয় নবী মুহাম্মদুর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এরশাদ ফরমান, রমজানের প্রথম দশক রহমতের, মধ্যখানের দশক মাগফিরাতের এবং শেষের দশক জাহান্নাম থেকে মুক্তির।
যখন রমজান আসে জান্নাতের দরজা সমূহ খুলে দেয়া হয়। জাহান্নামের দরজা সমূহ বন্ধ করে দেয়া হয়। আর মরদুদ শয়তানদেরকে শিকলাবদ্ধ করে রাখা হয়। অপর বর্ননায় আসে আসমানের দরজা সমূহ খুলে দেয়া হয়।
রমজান মুমিনের জন্য ঢাল স্বরূপ। শত্রুর মোকাবেলায় ঢাল যেভাবে গুলি, তীর ধনুক ইত্যাদির আক্রমণ ও অনিষ্ঠ হতে রক্ষা করে সিয়াম সাধনাও সেভাবে মুমিন মুসলমানকে অন্যায়, অবিচার, জুলুম, নির্যাতন ইত্যাদি পাপাচার থেকে রক্ষা করে।
হাদিসে কুদসিতে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন,” রোজা আমার জন্য আর এর প্রতিদান আমি নিজে দান করব।”
যারা ঈমান ও ইহতেসাবের সাথে (সওয়াবের আশায়) রমজানের রোজা এবং কিয়ামুল লাইল ( তারাবীহ) আদায় করবে, আল্লাহ তায়ালা তাদের সমুদয় গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন।
এদিকে চলমান বিশ্বের দিকে দিকে মুসলমানদের উপর নির্যাতন নিপীড়নের স্টীম রোলার চলছে। আর অপর দিকে দেশে দেশে ইসলামের বিজয় নিশান উড্ডীন হওয়ার সমূহ সম্ভাবনার পূর্বাভাস মুসলিম উম্মাহকে আশান্বিত করছে।
রোজা ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধের প্রতীক। নিজেকে সংযম ও সংশোধনের মাধ্যমে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ এক অমলিন সুন্দর সমাজ বিনির্মানে সিয়াম সাধনা আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করে। গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের দুঃখ দুর্দশা লাঘবের উপলব্ধি সৃষ্টিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। বর্তমান সময়ে করোনা ভাইরাস উপসর্গের মধ্যে লকডাউন এর ফলে আমাদেরকে কর্মহীন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। বিত্তবান হৃদয়বানরা যার যার অবস্থান থেকে সাধ্যমত সহায়তা করতে উদ্যোগী হওয়া এ সময়ে ঈমান ও মানবতার দাবি।

লেখিকা;
এম.এ মাস্টার্স, এমসি কলেজে, সিলেট।

এই কঠিন পরিস্থিতিতে প্রজ্ঞাপন জারি করে ইফতারি প্রথা বন্ধ করা হোক


আশফাক জুনেদঃ দীর্ঘ এক বছর পর আমাদের নিকট পবিত্র রমজান এসে পৌঁছেছে।ত্যাগ ও সংযমনের মাস হচ্ছে রমজান।এই মাস যেমন আসে রহমতের বার্তা নিয়ে আবার তেমনি মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের জন্য আসে চিন্তার কারণ হয়ে।

রমজানে বিশেষ করে আমাদের সিলেটে মেয়ের বাড়িতে ইফতারি পাঠানোর একটি প্রথা প্রচলিত রয়েছে ।এই মাসে মেয়ের শশুর বাড়িতে হরেক রকম খাবার দাবার পাঠাতে হয়। সেটা একবার নয় কয়েকবার। বহুকাল থেকে আমাদের সমাজের প্রচলিত প্রথা এটি।এর অন্যতা হলে মেয়েকে শশুর বাড়িতে খোঁটা পেতে হয়।

এই ইফতারি পাঠানো বিত্তবানদের জন্য সহজ হলেও অনেক মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের জন্য চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।রমজান আসার সাথে সাথে কপালে চিন্তার বাঝ পড়ে এসব পরিবারের মাঝে।শশুর বাড়িতে মেয়ের মান-সম্মান রক্ষা করতে কষ্ট করে হলেও মেয়ের বাড়িতে হরেক রকম ইফতার সামগ্রী পাঠান এসব পরিবারের কর্তারা।

কিন্তু বিগতে বছর গুলোতে কষ্ট করে ইফতারি পাঠানো গেলেও এবার তা যে একেবারেই অসম্ভব ।সারাবিশ্বের ন্যায় করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবে থমকে আছে বাংলাদেশেও।আর এই ভাইরাস ঠেকাতে দেশে চলছে সাধারণ ছুটি।ফলে অঘোষিত লকডাউন চলছে সারাদেশে।যার কারণে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন দেশের সিংহভাগ মানুষ।ঘরে খাবার যোগাতে যেখানে রীতিমত যুদ্ধ করতে হচ্ছে সেখানে এই রমজানে মেয়ের বাড়িতে ইফতারি পাঠানো তাদের কাছে মরার উপর খাড়ার ঘা।কেমন করে মেয়ের বাড়িতে ইফতারি পাঠাবেন এমন চিন্তায় চিন্তিত তারা।এই কঠিন পরিস্থিতিতে দার দেনা করাও সম্ভব না।তাই দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে সরকারি ভাবে এই ‘ইফতারি’ প্রচলন বন্ধ করা হোক।এতে করে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবার এই ‘ইফতারি’ পাঠানোর নামে হরেক জাতের খাদ্যসামগ্রী পাঠানো থেকে রেহাই পাবে এবং সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন হওয়া থেকেও রক্ষা পাবে।সরকারি ভাবে নিষেধ হলে মেয়ের বাড়ি থেকেও খোঁটা দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।তাই এইদিকগুলা বিবেচনা করে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করে অনতিবিলম্বে এই ইফতারির প্রচলন বন্ধ করার দাবি জানাচ্ছি।

আলোকিত ব্যক্তি ও সমাজ বিনির্মানে রমজানের ভুমিকা

এম.এম আতিকুর রহমান

পবিত্র ও মহিমান্বিত রমজান চলমান। রমজানুল মুবারক এর আসল উদ্দেশ্য তাকওয়া অর্জন। তাকওয়া বা পরহেজগারিতা অবলম্বনের মূলে হলো গোনাহ থেকে বিরত থাকা। গোনাহ থেকে বেচে থাকার প্রচেষ্টাই কেবলমাত্র একজন ইমানদারকে প্রকৃত মুমিন মুসলমানরুপে গড়ে তুলতে পারে। এবং এ-র কোন বিকল্প নেই। পবিত্র কালিমায় বিশ্বাস করেই শুধু পরিপূর্ণ মুমিন মুসলমান হওয়া যায় না। এজন্য প্রচেষ্টার সাথে কিছু বিশেষ মুমিনের গুণাবলী অর্জন করতে হবে। সেই সাথে বর্জনীয় নেফাকি মুনাফেকি চরিত্র পরিহার করতে হয়। কুরআন নাজিলের মহিমান্বিত রমজানুল মুবারক এর মাসে তাই আমাদের সকলকেই তা অর্জনের প্রয়াস চালানো অব্যাহত রাখতে হবে। কুরআনের সুরা মু’য়মিনুনের প্রথম ১০ আয়াত সহ বিভিন্ন আয়াতে ও রাসুলুল্লাহ সাঃ এ-র বিভিন্ন হাদিসে মুমিনদের গুণাবলীর বর্ননা দেয়া হয়েছে। নেফাকি চরিত্র তথা মুনাফেকের আলামতের চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে। মুমিনের গুণাবলী অর্জন এবং মুনাফেকি আলামত বর্জন করা অপরিহার্য। তাহলেই আমরা দুনিয়ার শান্তি ও আখেরাতে মুক্তি অর্জন করতে পারি।
সহীহ বুখারী ও মুসলিম শরীফের হাদিসে প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এরশাদ ফরমান মুনাফেকের আলামত ৩টি, অপর রেওয়ায়তে ৪টি। কথা বললে মিথ্যা বলা, ওয়াদা খেলাপী করা। আমানতের খিয়ানত করা এবং ঝগড়া বিবাদ হলে অশ্লীল ভাষায় কথা বলা। এসকল মৌলিক মন্দ কার্যকলাপগুলো পরিহার করে মুমিনদের গুণাবলী অর্জন করতে হবে। তাহলেই আমরা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নতি সাধন করতে পারি। শান্তিময় খেলাফত আলা মিন হাজিহিন নবুয়ত এ-র আদলে ইনসাফপূর্ণ একটি সমাজ প্রতিষ্ঠিত করতে পারবো। সুতরাং কুরআন নাজিলের মহিমান্বিত মাসেই আমাদেরকে সংকল্পবদ্ধ হয়ে সুন্দর শান্তিময় সমাজ বিনির্মানে ধাবমান হতেই হবে।

প্রিয়ভাজন একজনের রেখাপাত করার মতো জ্ঞানীদের উক্তি এখানে প্রণিধানযোগ্য।

তিনটি জিনিসের উপর ভরসা করা ঠিক নয়। নদীর পাড়ের বাড়ি, ব্রেক ছাড়া গাড়ি, পর্দা ছাড়া নারী।
তিনটি জিনিস একবার আসে।মাতা-পিতা, সৌন্দর্য্য, যৌবন।
তিনটি জিনিস ফিরিয়ে আনা যায়না। বন্দুকের গুলি, কথা, রূহ।
তিনটি জিনিস মৃত্যুর পর উপকারে আসে। সু-সন্তান,
সদকা, ইলম।
তিনটি জিনিস সম্মান নষ্ট করে। চুরি, চোগলখুরী, মিথ্যা।
তিনটি জিনিস পেরেশানিতে রাখে। হিংসা, অভাব, সন্দেহ।
তিনটি জিনিসকে সর্বদা মনে রেখ। উপদেশ, উপকার, মৃত্যু।
তিনটি জিনিসকে আয়ত্বে রেখ। রাগ, জিহবা, অন্তর।
তিনটি জিনিস অভ্যাস কর।নামাজ, সত্য বলা, হালাল রিযিক।
তিনটি জিনিস থেকে দূরে থেকো। মিথ্যা, অহংকার, অভিশাপ।
তিনটি জিনিসের জন্য যুদ্ধ কর। দেশ, জাতি, সত্য।
তিনটি জিনিসকে চিন্তা করে ব্যবহার কর।কলম, কসম, কদম।

মহান আল্লাহ তায়ালা দয়া করে রমজানের উছিলায় বরকতময় দিবস গুলোকে সঠিকভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ করে দিন। আলোকিত ব্যক্তি ও সমাজ বিনির্মানে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করার তৌফিক দিন আমাদের সকলকে।
লেখক ; সাংবাদিক ও কলামিস্ট।