বড়লেখায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে নিসচার বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও সমাবেশ।

বড়লেখা প্রতিনিধিঃ “আইন মেনে সড়কে চলি, নিরাপদে ঘরে ফিরি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২২ উপলক্ষে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) বড়লেখা উপজেলা শাখার উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১১ ঘটিকায় বড়লেখা পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক পদক্ষিন করে উপজেলা পরিষদ চত্তরে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে র‍্যালী শেষ হয়।

জাতীয় সামাজিক সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই নিসচা’র কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সদস্য ও বড়লেখা উপজেলা শাখার সভাপতি তাহমীদ ইশাদ রিপনের তত্বাবধানে এবং সাধারণ সম্পাদক আইনুল ইসলামের পরিচালনায় র‍্যালী ও সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বিবেকানন্দ দাস নান্টু, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহীদ-উল ইসলাম প্রিন্স, ডিএসপি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, নিসচার উপদেষ্টা ইকবাল হোসাইন, পৃষ্টপোষক তপন চৌধুরী, মোহাম্মদ তারেক হাসনাত, সহ-সভাপতি মার্জানুল ইসলাম, আব্দুল আজিজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম শিরুল, নোমান উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাস্টার খালেদ আহমদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, প্রকাশনা সম্পাদক মারুফ হোসাইন সুমন, প্রচার সম্পাদক নূরে আলম মোহন, দুর্ঘটনা অনুসন্ধান বিষয়ক সম্পাদক রমা কান্ত দাস, দপ্তর সম্পাদক রাসেল আহমদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অপুজিত দাস, একতা রক্তদান সংস্থা’র উপদেষ্টা ব্যবসায়ী জমির উদ্দিন, পাবলিকেশন সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক রুবেল হোসাইন, মানবসেবা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম শুভ।

এছাড়াও নিসচার কার্যনির্বাহী সদস্য সাব্বির আহমদ, হাফিজুর রহমান জিল্লুর, এনাম উদ্দিন, সাধারণ সদস্য গণেশ কর, অজিত রবি দাস, জুনেদ আহমদ, কবির আহমদ, আব্দুল হামিদ, মাহমুদ আলম তুহিন, সাইফুর রহমান মুন্নাসহ আরোও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সকল পর্যায়ের জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, আজ ২২ শে অক্টোবর যার মৃত্যুর মাধ্যমে এদেশে নিরাপদ সড়ক চাই নামে সামাজিক আন্দোলনের সূচনা নিসচার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের সহধর্মিণী জাহানার কাঞ্চন। তিনি সড়কে প্রাণ বিসর্জন দিয়ে আমাদের শিখিয়ে দিয়ে গেছেন যে, ‘সড়ক দুর্ঘটনা’ নিছক নিয়তি নয়। এটা মানবসৃষ্ট একটি ব্যাধি। এই ব্যাধি থেকে পরিত্রাণ পাবার জন্যই ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ নামে একটি সামাজিক আন্দোলনের জন্ম হয়েছে। পরবর্তীতে সাড়া দেশের মানুষের প্রাণের দাবীতে পরিণত হয়েছে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’। তাই সর্বোস্তরের জনগণের দাবীকে আমলে নিয়ে, বাংলাদেশ সরকার, জাহানারা কাঞ্চনের মৃত্যু দিন- ২২ শে অক্টোবর’কে ‘জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস’ হিসেবে ঘোষনা দিয়েছে কয়েক বছর আগেই।

জাতীয় সামাজিক সংগঠন নিসচার কার্যক্রম কারো বিরুদ্ধে নয়, এটা সামাজিক সংগঠন। সমাজের সকলকে নিয়ে নিসচা আন্দোলন করে যাচ্ছে। সকলের সহযোগিতা নিয়েই বাংলাদেশকে সড়ক দুর্ঘটনামুক্ত রাখতে নিসচা কর্মীরা অঙ্গীকারবন্ধ। এসময় তাঁরা সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর বিধিমালা বাস্তবায়নের জোর দাবী জানান।

তারা আরোও বলেন, নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখা সড়ক দুর্ঘটনারোধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক-মানবিক, স্বেচ্ছাসেবী, ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক অঙ্গণেও নিসচার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, এদিকে বেলা ১২ ঘটিকায় উপজেলা প্রশাসন ও নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখার যৌথ উদ্যোগে উপজেলা পরিষদের হলরুমে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাহাঙ্গীর হোসাইনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা সোয়েব আহমদ।

হাকালুকিতে পানিবন্ধী মানুষের মাঝে মুফতি জামিল কাসিমীর ত্রাণ বিতরণ

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ ০৭নং তালিমপুর ইউনিয়ন শাখার ব্যবস্থাপনায় এবং আসন্ন ০৭নং তালিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আলিম-উলামা ও জনসাধারণ সমর্থিত, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ মনোনীত সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা, তরুণ আলিমে দ্বীন মুফতি জামিল আহমদ কাসিমীর অর্থায়নে, হাকালুকি হাওরাঞ্চলের পানিবন্ধী মানুষের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

গতকাল (রবিবার) দিনব্যাপী ত্রাণ সামগ্রী বিতরণকালে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুফতি জামিল কাসিমী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সার্বিক খোজ-খবর নেন এবং সর্বদা মানুষের পাশে থাকার ও সেবা করার অংগীকার ব্যক্ত করেন। জনসাধারণ একজন আলিম জনপ্রতিনিধি পেয়ে হৃদয় থেকে আনন্দ প্রকাশ করে এবং উচ্ছ্বাসিত হয়। তাদের সর্বাত্মক সমর্থন এবং সহযোগীতায় এই আলিম প্রতিনিধিকে বিজয়ী করার অভিপ্রায় প্রকাশ করেন। হাওরাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী রাংজিউল জামিয়া নজিবিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসায়, মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল খেলাফত মজলিস নেতা মাওঃ শায়েখ সালেহ নজিব আল আইয়্যুবীর সভাপতিত্বে বিকাল ৩টায় এক “মতবিনিময় সভা” অনুষ্ঠিত হয়। শায়েখের অসাধারণ মেহমানদারি এবং দিক-নির্দেশনায় কর্মীগণ উজ্জীবিত হয়। এই দীর্ঘ যাত্রায় সফরসঙ্গী ছিলেন- ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সংগ্রামী সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রনেতা আহমাদুল হক উমামা, সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফিয মাওঃ তায়্যিবুর রহমান, মৌলভীবাজার জেলা ছাত্র জমিয়তের সভাপতি মাওঃ শিহাবুদ্দীন শাহ আলম, বড়লেখা উপজেলা যুব জমিয়ত সভাপতি হাফিয মাওঃ ইয়াহইয়া আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মাওঃ সাইফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওঃ মাহবুবুর রহমান, দায়ী সম্পাদক হাফিয সিরাজুল ইসলাম, যুবনেতা মাওঃ শাহাবুদ্দীন, বড়লেখা উপজেলা ছাত্র জমিয়তের সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান আহমদ। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আয়োজনকে বাস্তবে রুপদান করেন- তালিমপুর ইউপি ছাত্র জমিয়তের সভাপতি মাওঃ ওলিউর রহমান শামিম, সাধারণ সম্পাদক হাফিয এবাদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিয ফাহিম আহমদ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- কাঁঠালতলি ইউপি ছাত্র জমিয়তের সভাপতি হাফিয মাহমুদুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক জুনাইদ আল হাবিব, যুবনেতা মাওঃ নাঈমুল হাসান, তালিমপুর ইউপি ছাত্র জমিয়তের সহ-সভাপতি মাওঃ জিয়াউর রহমান, মাওঃ মারুফ আহমদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফিয কিবরিয়া আহমদ, সহ-সাংগঠণিক সম্পাদক হাফিয জামিল আহমদ, অর্থ সম্পাদক মাওঃ শাহেদ আহমদ, প্রচার সম্পাদক হাফিয হুসাইন আহমদ, স্কুল-কলেজ বিষয়ক সম্পাদক মারজান আহমদ, হাফিয হাবিবুল্লাহ সাদি, আহমদ সুমন, সাইদুল ইসলাম, সাঈদ আহমদ ঈমন, জালাল আহমদ প্রমুখ।

সিলেটে করোনায় মৃত্যুর মিছিলে আরো ৫জন যোগ হলো


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

সিলেটে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে। এ মিছিলে প্রতিদিনই সামিল হচ্ছেন করোনা আক্রান্তরা।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ১৩৫ জন। এর আগে গতকাল শনিবার (২৫ জুলাই) সিলেটে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন একজন।

রোববার (২৬ জুলাই) সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য)’র কার্যালয় কর্তৃক করোনা পরিস্থিতির আপডেট (আরও তথ্যসহ) থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

নতুন মারা যাওয়া ৫ জনের মধ্যে সবাই সিলেট জেলা বাসিন্দা। এ নিয়ে জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা ১০১ জন। আর সুনামগঞ্জে মারা গেছেন ১৪ জন, হবিগঞ্জে ১০ এবং মৌলভীবাজার জেলায় ১০ জন মারা গেছেন।

এদিকে সিলেটে প্রতিদিন বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী সংখ্যা। গত ৫ এপ্রিল সিলেটে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর প্রতিদিনই বাড়ছে রোগী।

সবশেষ রোববার (২৬ জুলাই) দুপুর ১২ টা পর্যন্ত সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৪১৩ জন। এরমধ্যে সিলেট জেলায় ৩ হাজার ৯৮২ জন, সুনামগঞ্জে ১ হাজার ৩৯৭, হবিগঞ্জে ১ হাজার ১১৬ এবং মৌলভীবাজারে ৯১৮ জন রোগী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

অন্যদিকে সিলেট বিভাগে প্রতিদিনই বাড়ছে সুস্থ রোগী সংখ্যা। গত ২৭ এপ্রিল বিভাগে প্রথম সুনামগঞ্জে দুই রোগী করোনাভাইরাস জয় করে বাড়ি ফেরেন। এরপর প্রতিদিন বিভাগের বিভিন্ন জেলার রোগীরা করোনা জয় করে বাড়ি ফিরছেন।

সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘন্টায় ৩ হাজার ১০০ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এরমধ্যে সিলেট জেলায় ৯৮২, সুনামগঞ্জে ১০৬২, হবিগঞ্জে ৫৬১, মৌলভীবাজারে ৪৯৫ জন রোগী করোনা জয় করে বাড়ি ফিরেছেন।

বিয়ানীবাজারে ৬জন করো’না রোগী শনাক্ত


বিশেষ প্রতিনিধিঃ

বিয়ানীবাজারে নতুন করে উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তার দেড় বছর বয়সী ছে’লেসহ ৬ জনের শরীরে করো’নাভাই’রাস শনাক্ত হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) রাতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে তাদের করো’না শনাক্ত হয়। বিয়ানীবাজার উপজে’লা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মক’র্তা ডাঃ মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ডাঃ মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরী জানান, নতুন পজেটিভ শনাক্ত হওয়াদের নমুনা সংগ্রহ করে গত ১৭ জুন সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হয় এবং আজ সোমবার রাতে তাদের রিপোর্ট পজেটিভ আসে।

নতুন আ’ক্রান্তরা হচ্ছেন- উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তা (ইউএনও) মৌসুমী মাহবুবের দেড় বছর বয়সী শি’শু পুত্র আরাব, ইউএনও’র বাসার কর্মচারী আব্দুল্লাহ আল মামুন (৩৫) ও রিনা বেগম (৩৫), বিয়ানীবাজার উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যকর্মী সঞ্জয় বিশ্বা’স (৩৬), পৌরশহরতলী ফতেহপুরের আলী হোসেন (২৭) ও আলীনগর ইউনিয়নের নিজ মোহাম্ম’দপুর গ্রামের জয়নাল আবেদীন (৪৩)।

আগামীকাল ২১ জুন থেকে কারফিউ তুলে নেয়া হচ্ছে সৌদি আরবে!

নিউজ ডেস্কঃ আগামীকাল ২১ জুন, রবিবার থেকে সকল প্রকার কারফিউ তুলে নেয়া হচ্ছে সৌদি আরবে! এরফলে সকল প্রকার লকডাউন এর বিধিনিষেধ উঠিয়ে নেয়া হবে, ফলে পূর্বের মতোই স্বাভাবিক হবে জীবনযাত্রা!

অবশেষে কয়েকমাস চলার পড়ে সৌদি আরবে আগামীকাল থেকে সকল প্রকার কারফিউ তুলে নেয়া হচ্ছে। ইতিপূর্বে বিগত রমজান মাসে বেশকিছু নিয়ম কানুন ও নিষেধাজ্ঞা বহাল করে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য দোকানপাট ও শপিং মল খুলে দেয়া হয়েছিলো, কিন্তু রমজান শেষ হবার পূর্বেই পুনরায় কারফিউ জারি করা হয়। অবশেষে দীর্ঘ কয়েক মাস পড়ে আগামীকাল রবিবার, ২১ জুন থেকে সৌদি আরবে সম্পূর্ণরূপে কারফিউ তুলে দেয়া হচ্ছে।

কারফিউ তুলে নেয়া হলেও পরবর্তী ঘোষণা পর্যন্ত ওমরাহ হজ বন্ধ থাকবে। সৌদি আরবে ইতিমধ্যে ডোমেস্টিক ফ্লাইট চালু হলেও বাইরের কোন দেশের সাথে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হচ্ছে না। সকল প্রকার আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরবর্তী ঘোষণা আসা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

এছাড়াও সৌদি আরবের সাথে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর স্থলপথ এবং সমুদ্রপথ পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

সৌদি আরবে দিনে দিনে বাড়ছেই করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা, এর মাঝেই চলমান কারফিউ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কারফিউ তুলে নেয়ার ফলে আগের মতোই সচল হয়ে উঠবে জনজীবন।

বড়লেখায় আরো দু জন করোনা রোগী সনাক্ত


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় নতুন করে আরও দুইজন করোনা আক্রান্ত পুরুষ রোগী শনাক্ত হয়েছে। নতুন শনাক্ত দুইজনের একজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফার্মাসিস্ট (৩২) এবং অপরজন একটি ওষুধ কোম্পানীর বিক্রয় প্রতিনিধি (৩২)। তাদের একজনের বাড়ি পৌরসভার হাটবন্দ এলাকায় এবং অপরজনের বাড়ি পাখিয়ালা এলাকায়। শনিবার (২০জুন) উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদ্বীপ বিশ্বাস এ তথ্য জানিয়েছেন।

এ বিষযে জানা যায়,গত ২৫ এপ্রিল বড়লেখার কাসেমনগর এলাকায় প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। সে হিসেবে  সংক্রামনের এখন মোট করোনা  শনাক্ত রোগির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫জনে। তাদের মধ্যে ৭জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

নতুন শনাক্ত দুজনের নমুনা ১৭ জুন পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। শনিবার তাদের রিপোর্টে করোনা পজিটিভ আসে। আক্রান্ত দুজনেই নিজ বাড়িতে হোম আইসোলেশনে রয়েছেন। তাদের শরীরের করোনার উপসর্গ নেই।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদ্বীপ বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করে শনিবার বিকাল বেলা , তাদের দু’জনের মধ্যে করোনার উপসর্গ জ্বর-কাশি ছিল। ১৭ জুন তাদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়। তারা দু’জনেই সুস্থ আছেন। তাদের বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।

করোনা আক্রান্ত মাশরাফি

বাংলাদেশের ক্রীড়া জগতেও এবার হানা দিয়েছে করোনা ভাইরাস। তামিম ইকবালের বড় ভাই সাবেক ক্রিকেটার নাফিস ইকবাল কোভিড-১৯ পজিটিভ হওয়ার খবর আগেই পাওয়া গেছে। এবার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বাংলাদেশের সফলতম ওয়ানডে অধিনায়ক ও নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা।

শনিবার (২০ জুন) করোনা পজিটিভ হওয়ার ফলাফল এসেছে তার।

দু’দিন ধরেই জ্বরে ভুগছিলেন সংসদ সদস্য মাশরাফি। তার উপসর্গ ছিল গা ও মাথা ব্যথা। এ জন্য শুক্রবার (১৯ জুন) পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন তিনি।

ফলাফল পজিটিভ এলেও আপাতত জ্বর ও গা ব্যথা ছাড়া অন্য কোনো সমস্যা নেই মাশরাফির। বর্তমানে নিজের বাসাতেই আইসোলেশনে আছেন তিনি।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকেই বেশ সক্রিয় ছিলেন মাশরাফি। তিনি তার নির্বাচনী এলাকা নড়াইল-২ আসনে দুস্থ-অসহায়দের পাশে অর্থ সহায়তা থেকে শুরু করে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে মাশরাফির শ্বাশুড়ি ও স্ত্রীর বোন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন তারা। ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’ অবশ্য তাদের সংস্পর্শে আসেননি। এমনকি দুই সপ্তাহ ধরে ঢাকার একটি বাসায় কোয়ারেন্টিনে ছিলেন তিনি। কিন্তু তাতেও করোনায় আক্রান্ত হওয়া থেকে রক্ষা পেলেন না ৩৬ বছর বয়সী পেসার।

সুত্রঃ বাংলা নিউজ টোয়েন্টিফোর.কম

বড়লেখার ডাক্তার হোসাইন আহমদ করোনা আক্রান্ত

এম. এম আতিকুর রহমান ;

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার চান্দগ্রামের কৃতি সন্তান সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের এসোসিয়েট প্রফেসর ডাক্তার হোসাইন আহমেদ কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছেন।

করোনা ভাইরাস উপসর্গ পজিটিভ সনাক্ত হলে আজ দুপুরে তাঁকে সিলেট মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজন মানবিক ও গরিবের ডাক্তার হিসেবে তাঁর সমধিক পরিচিত রয়েছে। তিনি গরীব অসহায় রোগীকে ফ্রী চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। বিশেষত এলাকার যেকোনো মানুষকে প্রায় বিনামূল্যে চিকিৎসার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন এ তরুণ উদীয়মান সমাজকর্মী।

তিনি আক্রান্তের খবরে ব্যতীত হৃদয়ে ব্যক্তি ও সামাজিক অঙ্গনে দোয়া চাওয়া হচ্ছে। তাঁর পরিবার বড়লেখাবাসীসহ
সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

এ মানবতাবাদী সকলের প্রিয় ডাক্তার হোসাইন আহমদকে দ্রুত শিফা দানে কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা দয়াময়ের তরে।

বড়লেখায় নতুন ২ তরুণীসহ করোনা আক্রান্ত ২৩ জন

এম.এম আতিকুর রহমান ;

মৌলভীবাজারের বড়লেখাসহ জেলায় করোনা ভাইরাসে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ জন। এর মধ্যে বড়লেখা পৌরসভার একই পরিবারভুক্ত ২ তরুণী রয়েছেন। ক্রমে ক্রমে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এ পর্যন্ত বড়লেখার সংখ্যা দাঁড়ালো ২৩ জনে।

এছাড়াও আজ নতুন করে জুড়ী উপজেলায় ৪ জন, মৌলভীবাজারে ৬ জন, শ্রীমঙ্গলে ১জন এবং কমলগঞ্জের ১ জন আক্রান্ত হয়েছেন বলে মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন অফিস সুত্রে জানা গেছে।

বড়লেখা পৌরসভার একই পরিবারের দুবোন হলেন
১ নং ওয়ার্ড বরাইগ্রাম এর বাসিন্দা।

নতুন ১৪ জন সহ মৌলভীবাজার জেলায় মোট করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩১ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৭৬ জন।

করোনা ভাইরাস নিয়ে বিশ্বকে চমকে দিলো সৌদি আরব!!

বড়লেখা ডেস্কঃ করোনা ভাইরাসের তান্ডবে যখন পুরো বিশ্বই বিদ্ধস্ত। এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চিকিৎসক ও বিজ্ঞানীরা যখন করোনার
প্রতিষেধক আবিস্কারের কাজে ব্যস্ত। ঠিক
তখনই করোনা ভাইরাস নিয়ে বড় একটি
সুখবর দিয়েছে সৌদি আরব। মদিনার
তাইবাহ ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক
দাবি করেছেন হাদিস অনুসারে কালোজিরা
ব্যবহার করে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের
সম্পূর্ণ সুস্থ করা সম্ভব।

তাদের গবেষণাপত্রটি সম্প্রতি মার্কিন
জার্নাল ‘পাবলিক হেলথ রিসার্চ-এ প্রকাশিত
হয়েছে বলে জানিয়েছে মুসলিম ইঙ্ক নামে
একটি সাময়িকী।

এর প্রতিবেদনে বলা হয়- হযরত আয়েশা
সিদ্দিকা (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কালোজিরা
হলো সর্বরোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার
ওষুধ। শুধু বিষ ছাড়া। আয়েশা (রা.)
জিজ্ঞেস করেন, বিষ কী? রাসূল (সা.)
বলেছেন, মৃত্যু। (সহীহ বুখারি-৫৩৬৩)

গবেষকরা জানিয়েছেন, করোনা আক্রান্ত
রোগীকে দুই গ্রাম কালোজিরা, এক গ্রাম
চামেলি ফুল, এক চামচ মধু একসঙ্গে ভালো
ভাবে মিশিয়ে খাওয়াতে হবে। এটি খাওয়ার
পর জুস কিংবা একটি কমলা খেতে দেয়া
যেতে পারে। তবে লেবু খেলে বেশি ভালো।
করোনামুক্ত না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন
এভাবে খেতে হবে।

সৌদির গবেষক দলটি বলছে, রোগীর করোনা
শনাক্ত হওয়ার প্রথম সপ্তাহে দিনে পাঁচবার
উপরোক্ত নিয়ম অনুসারে কালোজিরা খাও-
য়াতে হবে। আর সুস্থ হয়ে ওঠার পর মহামারি
শেষ না হওয়া পর্যন্ত দিনে একবার করে
খেতে হবে সেগুলো।রোগীর কাশি বেশি এবং
শ্বাসকষ্ট হলে কালোজিরা ও লবঙ্গ মেশানো
পানি গরম করে নাক দিয়ে বাষ্প টেনে নেয়া
যেতে পারে।

কালোজিরা-চামেলিও পানিতে গরম করে
বাষ্প নাক দিয়ে টানতে পারেন।গবেষকরা
বলছেন,অক্সিজেনের অভাব হলে এক চামচ কালোজিরা, এক চামচ চামেলি এবং এক
কাপ পানি একটি পাত্রে নিয়ে হালকা গরম
করতে হবে। এভাবে দিনে পাঁচ থেকে ছয়বার
পানি গরম করে বাষ্প নাক দিয়ে টেনে নিতে
হবে।মদীনার গবেষক দলটির সদস্য ডা.
সালেহ মুহাম্মদ বলেন, আল্লাহর রহমতে
যেসব করোনা রোগীদের এই পদ্ধতিতে
চিকিৎসা দেয়া হয়েছে, তাদের সবাই সেরে
উঠছেন। এই পদ্ধতিতে রোগীদের সেরে
উঠতে এক সপ্তাহের বেশি সময় লাগছে না।

করোনায় স্বাস্থ্যসচিবের স্ত্রী মারা গেছেন


ঢাকা: সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নানের স্ত্রী কামরুন নাহার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শনিবার (১৩ জুন) দিবাগত রাত ১টার দিকে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন স্বাস্থ্য সচিবের একান্ত সচিব (উপসচিব) খন্দকার জাকির হোসেন।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের শোক
স্বাস্থ্যসচিবের স্ত্রী কামরুন নাহারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। তিনি কামরুন নাহারের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

সুত্রঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

বড়লেখায় করোনায় নতুন আক্রান্ত ৪ জন, ডাক্তার নার্সসহ জেলায় ২৬ জন

এম.এম আতিকুর রহমান ;

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ৪ জনসহ ডাক্তার নার্স মিলিয়ে আরও ২৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭৮ জন।

আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুর সাড়ে ১২ টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মৌলভীবাজার জেলা সিভিল সার্জন ডা. তৌউহীদ আহমদ। তিনি জানান, ঢাকা থেকে গত রাতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। আরও বেশ কিছু নমুনার রিপোর্টের অপেক্ষা করছি আমরা।

নতুন আক্রান্ত ২৬ জনের মধ্যে সদর উপজেলায় ৫ জন, রাজনগরে ২ জন, কুলাউড়ায় ১২ জন, বড়লেখায় ৪ জন, কমলগঞ্জে ১ জন এবং শ্রীমঙ্গলে ২ জন। আক্রান্তদের মধ্যে নারী-পুরুষ, শিশুও রয়েছেন । নতুন রিপোর্ট আসলে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

লাশ রেখে পালালো স্বামী, পিতৃপক্ষের দাফনে অস্বীকৃতি, দায়িত্ব নিল পুলিশ।

নিউজ ডেস্কঃ জীবন-মৃত্যুর সার্বক্ষণিক সঙ্গী স্বামী স্ত্রী। পৃথিবীতে সব থেকে নিরাপদ আশ্রয় স্থল সন্তানের কাছে তার বাবা-মা ও পিতৃ পরিবার। আর একজন মানুষ হিসেবে তার অন্যতম অধিকার মৃত্যু পরবর্তী সম্মানজনক শেষকৃত্য। এই করোনাকালে অনেক চেনা মানুষ কেন যেন অচেনা করে হয়ে যাচ্ছে।
মনোয়ারা বেগম (২৫) যিনি তাঁর নিকটজনদের একটু স্বচ্ছলতার জন্য নিজের জীবন নিজের সুখ স্বাচ্ছন্দ বিলিয়ে দিয়ে স্বামীর সাথে ঢাকায় গার্মেন্টসে কাজ করতেন। তার জীবনে যারা ছিলেন ওতোপ্রোতভাবে জড়িত সেই স্বামী ও পিতার পরিবার করোনা সন্দেহে তার লাশ দাফনে অস্বীকৃতি জানায়, ফেলে রেখে যায় তার লাশ। সংবাদ পেয়ে তার দাফনের দায়িত্ব নেয় নীলফামারী জেলা পুলিশ।

নীলফামারীর মনোয়ারা বেগম(২৫),স্বামী শরিফুল ইসলাম সহ ঢাকায় একটি পোষাক কারখানায় কাজ করত। ঢাকায় অবস্থানকালে সর্দি-কাশী ও জ্বর উপসর্গ নিয়ে গত ০৫জুন ২০২০ খ্রিঃ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য স্বামীসহ ভর্তি হয়ে করোনা ভাইরাস সংক্রমন সন্দেহে নমুনা প্রদান করেন (রিপোর্ট অপেক্ষমান)। চিকিৎসারত অবস্থায় ০৯ জুন ২০২০ খ্রিঃ রাত্রি অনুমান ০১ঃ৩০ টার সময় মনোয়ারা বেগম রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেন।

অতঃপর স্বামীর বাড়ী ও পিতার বাড়ীর লোকজন মৃতদেহ রংপুর হতে আনবেনা এবং অত্র থানা এলাকায় দাফন করবেনা মর্মে বিষয়টি জলঢাকা পৌরসভার প্যানেল মেয়র জানতে পারলে তিনি ০৯ জুন ২০২০ অফিসার ইনচার্জ, জলঢাকা থানা,নীলফামারীকে জানায়।

প্যানেল মেয়রের সহায়তায় উক্ত লাশ দাফনের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে জলঢাকায় আনলে মৃতার স্বামী শরিফুল ইসলাম বঙ্গবন্ধু চত্ত্বরে মৃতদেহ মাইক্রোতে রেখে কৌশলে পালিয়ে যায়।

এমনকি পরবর্তীতে মৃতার স্বামীর বাড়ীর ও পিতার বাড়ীর এলাকায় মৃতদেহ দাফনের জন্য যোগাযোগ করা হলে তারাও দাফন করতে অস্বীকৃতি জানান।

এমতাবস্থায় নীলফামারী জেলা পুলিশের উদ্দোগে মৃতা মনোয়ারার মৃতদেহ ০৯ জুন ২০২০ খ্রিঃ পৌরসভা কেন্দ্রীয় কবরস্থানে ধর্মীয় বিধান অনুসারে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

বড়লেখা-মৌলভীবাজারসহ সিলেট বিভাগ রেডজোনেপুরোপুরি লকডাউন হচ্ছে

এম.এম আতিকুর রহমান,বড়লেখাঃ সম্প্রতি দেশে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) বিস্তার ঠেকাতে এলাকাভিত্তিক লকডাউনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আক্রান্তের আধিক্যতা বিবেচনায় রেড জোন, ইয়েলো জোন ও গ্রিন জোনে চিহ্নিত করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাস্তবায়ন হবে স্বাস্থ্যবিধিসহ আইনি কঠোর পদক্ষেপ।

সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে এ কথা জানানোর পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেশের তিনটি বিভাগ, ৫০টি জেলা ও ৪০০টি উপজেলাকে পুরোপুরি লকডাউন (রেড জোন বিবেচিত) করা হচ্ছে। আংশিক লকডাউন (ইয়েলো জোন বিবেচিত) দেখানো হচ্ছে পাঁচটি বিভাগ, ১৩টি জেলা ও ১৯টি উপজেলাকে। আর লকডাউন নয় (গ্রিন জোন বিবেচিত) এমন জেলা দেখানো হচ্ছে একটি এবং উপজেলা দেখানো হচ্ছে ৭৫টি।

মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে সর্বশেষ করা তালিকায় সিলেট বিভাগের সব ক’টি জেলাকেই বলা হচ্ছে পুরোপুরি লকডাউন। বিভাগের জেলাগুলো হলো মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ ও সিলেট।

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে জানা যায়, আজ রবিবার (৭ জুন) থেকেই কিছু জায়গায় জোনিং ব্যবস্থার মাধ্যমে লকডাউন শুরু হচ্ছে। বেশি আক্রান্ত এলাকাকে রেড, অপেক্ষাকৃত কম আক্রান্ত এলাকাকে ইয়োলো ও একেবারে কম আক্রান্ত বা সংক্রমণমুক্ত এলাকাকে গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করে স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়ন করা হবে। গ্রিন জোনে সতর্কতা এবং ইয়েলো জোনে সংক্রমণ যেন আর না বাড়ে সেজন্য পদক্ষেপ থাকলেও রেড জোনে করোনার বিশেষ গাইডলাইন অনুযায়ী কঠোর হবে পুলিশ।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ বুলেটিন অনুসারে, দেশে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৩ হাজার ২৬ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন ৮৪৬ জন। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায়ই মারা গেছেন ৪২ জন।
করোনা ভাইরাস উপসর্গের ভয়াবহতা রোধে সরকারের এইসকল পদক্ষেপ যথাযথ বাস্তবায়ন ও সচেতনতা বৃদ্ধি অপরিহার্য।

এভাবে চলতে থাকলে হাসপাতালে জায়গা দিতে পারব না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্কঃ ‘গার্মেন্ট আসলো, ঈদ আসলো, বাজার করল, ঈদে যাওয়া-আসা করল। এক লাফে ৫০ হাজার হয়ে গেল। সব সময় বলছি, সংক্রমণের চেইনটা যদি কাট করতে না পারি তাহলে সেটা কিন্তু বন্ধ হবে না। এভাবে চলতে থাকলে আরও ৬০-৭০ হাজার নতুন অ্যাড হয়ে যাবে। তখন কোনও হাসপাতালে আমরা জায়গা দিতে পারব না। কারণ এত রোগী এসে যাবে তাদের ১০ পারসেন্টেরও যদি হসপিটালাইজেশন লাগে তাহলে পরে আপনারা দেখেন ৭০-৮০ হাজার লোকের আবার নতুন করে জায়গা দিতে হবে। আমাদের সে জায়গা আছে কি? এটা হলো দেখার বিষয়।’

করোনাভাইরাসের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে শনিবার (৬ জুন) ‘বিয়ন্ড দ্য প্যানডেমিক’ এর পঞ্চম পর্ব ‘করোনা সংকটকালে স্বাস্থ্যসেবা’ শিরোনামে অনলাইন আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

চব্বিশ ঘণ্টা ঘুরেও মেলেনি আইসিইউ, মারা গেলেন দুই ভাই

নিউজ ডেস্কঃ একটি আইসিইউ’র জন্য চব্বিশ ঘণ্টা ধরে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ঘুরেছে। টাকা যত লাগে তত দিতেও চেয়েছিল। কিন্তু মেলেনি একটি আইসিইউ। শেষ পর্যন্ত শ্বাসকষ্ট নিয়ে প্রথমে মারা গেল বড় ভাই। তার ৮ ঘণ্টা পর মারা যান ছোট ভাই। হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে মারা যান ছোট ভাই মো. শাহজাহান (৩২)। তিনি হাটহাজারী বাজারের এন জহুর মার্কেটের কাপড়ের দোকানের ব্যবসায়ী।

এর আগে দুপুরে মারা যান বড় ভাই মো. শাহ আলম (৩৬)। তিনি মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী। তারা হাটহাজারী পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের পূর্ব দেওয়ান নগর জোহরা বাপের বাড়ির মরহুম গোলাম রসুলের ছেলে। তাদের করুণ মৃত্যুতে হাটহাজারী পৌর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে এবং আইসিইউ না পাওয়ায় একরকম বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগ তুলেন তাদের স্বজনরা।

স্বজনরা জানান, করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে ৩০শে মে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন দুই ভাই। এরমধ্যে তাদের শ্বাসকষ্ট চরমে পৌঁছালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের আইসিইউতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। এরপর শুরু হয় আইসিইউর খোঁজ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে একের পর এক চট্টগ্রাম মহানগরীর সরকারি-বেসরকারি সবক’টি হাসপাতাল ঘুরে ঘুরে একটি আইসিইউ ভিক্ষা চাওয়া হয়। এ জন্য যত টাকা প্রয়োজন তত টাকা দিতেও রাজি ছিল পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু কোথাও আইসিইউ শয্যা খালি নেই বলে জানান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষগুলো। ফলে আইসিইউর অভাবে শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে হাসপাতালেই মারা যান বড় ভাই মো. শাহ আলম।

এরপর ছোট ভাইকে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠে পরিবারের সকলে। কিন্তু একটি আইসিইউ না পাওয়ার কারণে রাত ১০টার দিকে শ্বাসকষ্টে ভুগে মারা যান ছোট ভাই মো. শাহজাহানও।

স্বজনরা আরো জানান, শাহ আলম দুবাইয়ে সবজি ব্যবসা করতেন। গত জানুয়ারি মাসে ছুটিতে এসে লকডাউনে আটকা পড়ে আর দুবাইয়ে ফিরতে পারেননি তিনি। শাহ আলমের ৬ বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। অন্যদিকে তার ছোট ভাই শাহজাহানের রয়েছে হাটহাজারী বাজারে এন জহুর শপিং সেন্টার মার্কেটে একটি কাপড়ের দোকান। স্ত্রী ছাড়াও তার রয়েছে এক ও পাঁচবছর বয়সী দুটি সন্তান।

স্বজনদের অভিযোগ, ৩০শে মে চমেক হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর দুই ভাইয়ের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু আজ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট আসেনি। ফলে মৃত্যুর আগে তারা করোনা আক্রান্ত কিনা তাও জানতে পারলো না। তাদের করুণ মৃত্যুতে হাটহাজারীতে শোকের মাতম চলছে।

বড়লেখায় মাস্ক না পরায় ২৭জন কে মোবাইল কোর্টে অর্থদণ্ড

বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শামীম আল ইমরান আজ (০৭জুন) বড়লেখা পৌরসভার হাজীগঞ্জ বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে মাস্ক না পরা ও স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন,২০১৮ আইনে ২৭ টি মামলায় ১০,১০০/= টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। এসময় মাস্ক বিহীন জনসাধারণের মধ্যে মাস্কও বিতরণ করা হয়। বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইয়াছিনুল হকের নেতৃত্ব বড়লেখা থানা পুলিশ মোবাইল কোর্ট কে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করেন।

সিলেটে চিকিৎসা না পেয়ে বন্দরবাজারের আরএল ইলেকট্রনিক্সের মালিকের মৃত্যু

নিউজ ডেস্কঃ সিলেট নগরীর ৪টি হাসপাতালে ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে মারা গেছেন বন্দরবাজার এলাকার এক ব্যবসায়ী। শুক্রবার সকালে হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেন না পেয়ে চিকিৎসার অভাবেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন বন্দরবাজারের আর এল ইলেকট্রনিকের স্বত্বাধিকারী ও সিলেট নগরীর কুমারপাড়ার বাসিন্দা ইকবাল হোসেন খোকা (৫৫)।
চিকিৎসা না পেয়ে বাবাকে হারানো ছেলে এই হৃদয় বিদারক ঘটনার বর্নণা করেছেন শুধুমাত্র অন্য কারো পরিবারে যাতে এরকম ঘটনা না ঘটে।
ইকবাল হোসেন খোকার ছেলে তিহাম জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তার বাবার বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। তখন তিনি প্রথমেই সোবাহানীঘাট এলাকার একটি হাসাপাতালে এম্বুলেন্সের জন্য কল করেন। এম্বুলেন্স বাসায় আসার পর দেখা যায় এর সাথে যে অক্সিজেন সিস্টেম রয়েছে সেটি ভাঙ্গা। তাই এই অবস্থায়ই রোগীকে সোবাহানীঘাটের ঐ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি বার বার তাদেরকে অক্সিজেনের ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করলেও তারা রোগীকে রেখে নিয়মকানুন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যান। এক পর্যায়ে জানান তারা রোগীকে রাখবেন না, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে নিয়ে যেতে। অনেক অনুরোধ করার পরও তারা অক্সিজেনের ব্যবস্থা করে দেন নি। পরে আমরা রোগীকে নিয়ে দক্ষিণ সুরমার নর্থ ইস্ট হাসপাতালে যাই। সেখানে গেলে কর্তৃপক্ষ জানান তাদের হাসপাতালে সিট নেই, রোগীর চিকিৎসা দেয়া সম্ভব নয়। তখন আমরা পরিচিত এক চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করি। তিনি আমাদের পরামর্শ দেন শহীদ ডা. শামসুদ্দিন হাসপাতালে যাওয়ার জন্য।
তিহাম অভিযোগ করে বলেন, শামসুদ্দিন হাসপাতালে গিয়ে তারা সবকিছু বন্ধ পান। ১০-১৫ মিনিট পরে এক নিরাপত্তাকর্মী এসে জানান হাসপাতালের সবাই ঘুমে। অন্য কোথাও রোগীকে নিয়ে যেতে। তখন তারা সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দিকে রওয়ানা হন। সেখানে জরুরী বিভাগে যাওয়ার পর তারা সিসিইতে নিয়ে একটি ইসিজি করেন। এরপরই হাসপাতালের ইর্মাজেন্সিতে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমার বাবাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
দেশের সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে কোভিড-১৯ রোগীদেরও চিকিৎসা দেয়ার সরকারি নির্দেশনা থাকার পরও শংকটাপন্ন অবস্থায় সিলেটের কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতাল ভর্তি না করায় ক্ষোভ জানিয়েছেন মারা যাওয়া রোগীর পরিবারের স্বজনরা।
এরআগে, গত ৩১ মে দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্টে ভোগা নগরীর কাজীটুলা এলাকার বাসিন্দা এক নারী অসুস্থ হলে সিলেটের ৬টি বেসরকারী হাসপাতাল ঘুরেও চিকিৎসা পাননি। পরে ওসমানী হাসপাতালে যাওয়ার পথে তারও মৃত্যু হয়। একই দিনে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে স্ট্রোক করে সিলেটে আসা এক রোগী ৭টি হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে মারা যান।
এদিকে, এই দুটি ঘটনার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোকে সতর্ক করে চিঠি দেয়া হলেও আবারো ঘটল প্রায় একই ধরণের ঘটনা।
সূত্র:
সিলেটভিউ২৪ডটকম/৫ জুন ২০২০

সিলেটে চিকিৎসা না পেয়ে বন্দরবাজারের আরএল ইলেকট্রনিক্সের মালিকের মৃত্যু

নিউজ ডেস্কঃ সিলেট নগরীর ৪টি হাসপাতালে ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে মারা গেছেন বন্দরবাজার এলাকার এক ব্যবসায়ী। শুক্রবার সকালে হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেন না পেয়ে চিকিৎসার অভাবেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন বন্দরবাজারের আর এল ইলেকট্রনিকের স্বত্বাধিকারী ও সিলেট নগরীর কুমারপাড়ার বাসিন্দা ইকবাল হোসেন খোকা (৫৫)।
চিকিৎসা না পেয়ে বাবাকে হারানো ছেলে এই হৃদয় বিদারক ঘটনার বর্নণা করেছেন শুধুমাত্র অন্য কারো পরিবারে যাতে এরকম ঘটনা না ঘটে।
ইকবাল হোসেন খোকার ছেলে তিহাম জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তার বাবার বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। তখন তিনি প্রথমেই সোবাহানীঘাট এলাকার একটি হাসাপাতালে এম্বুলেন্সের জন্য কল করেন। এম্বুলেন্স বাসায় আসার পর দেখা যায় এর সাথে যে অক্সিজেন সিস্টেম রয়েছে সেটি ভাঙ্গা। তাই এই অবস্থায়ই রোগীকে সোবাহানীঘাটের ঐ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি বার বার তাদেরকে অক্সিজেনের ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করলেও তারা রোগীকে রেখে নিয়মকানুন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যান। এক পর্যায়ে জানান তারা রোগীকে রাখবেন না, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে নিয়ে যেতে। অনেক অনুরোধ করার পরও তারা অক্সিজেনের ব্যবস্থা করে দেন নি। পরে আমরা রোগীকে নিয়ে দক্ষিণ সুরমার নর্থ ইস্ট হাসপাতালে যাই। সেখানে গেলে কর্তৃপক্ষ জানান তাদের হাসপাতালে সিট নেই, রোগীর চিকিৎসা দেয়া সম্ভব নয়। তখন আমরা পরিচিত এক চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করি। তিনি আমাদের পরামর্শ দেন শহীদ ডা. শামসুদ্দিন হাসপাতালে যাওয়ার জন্য।
তিহাম অভিযোগ করে বলেন, শামসুদ্দিন হাসপাতালে গিয়ে তারা সবকিছু বন্ধ পান। ১০-১৫ মিনিট পরে এক নিরাপত্তাকর্মী এসে জানান হাসপাতালের সবাই ঘুমে। অন্য কোথাও রোগীকে নিয়ে যেতে। তখন তারা সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দিকে রওয়ানা হন। সেখানে জরুরী বিভাগে যাওয়ার পর তারা সিসিইতে নিয়ে একটি ইসিজি করেন। এরপরই হাসপাতালের ইর্মাজেন্সিতে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমার বাবাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
দেশের সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে কোভিড-১৯ রোগীদেরও চিকিৎসা দেয়ার সরকারি নির্দেশনা থাকার পরও শংকটাপন্ন অবস্থায় সিলেটের কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতাল ভর্তি না করায় ক্ষোভ জানিয়েছেন মারা যাওয়া রোগীর পরিবারের স্বজনরা।
এরআগে, গত ৩১ মে দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্টে ভোগা নগরীর কাজীটুলা এলাকার বাসিন্দা এক নারী অসুস্থ হলে সিলেটের ৬টি বেসরকারী হাসপাতাল ঘুরেও চিকিৎসা পাননি। পরে ওসমানী হাসপাতালে যাওয়ার পথে তারও মৃত্যু হয়। একই দিনে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে স্ট্রোক করে সিলেটে আসা এক রোগী ৭টি হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে মারা যান।
এদিকে, এই দুটি ঘটনার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোকে সতর্ক করে চিঠি দেয়া হলেও আবারো ঘটল প্রায় একই ধরণের ঘটনা।
সূত্র:
সিলেটভিউ২৪ডটকম/৫ জুন ২০২০

বড়লেখায় স্বামী স্ত্রী দু’জনেইকরোনায় আক্রান্ত

এম.এম আতিকুর রহমান বড়লেখা::

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় নতুন করে আরও দুজন স্বামী স্ত্রী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তারা উপজেলার বারইগ্রাম এলাকার বাসিন্দা। আক্রান্ত স্বামীর বয়স ২৬ বছর আর স্ত্রীর ২১ বছর। শুক্রবার রাতেই উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করে। আক্রান্তরা নিজেদের বাড়িতে আইসোলোশনে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদীপ বিশ্বাস শুক্রবার রাতে সাংবাদিকদের বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে করোনার উপসর্গ জ্বর-কাশি থাকাতে গত ৩১ মে তাদের নমুনা সংগ্রহে করে ঢাকায় ল্যাবে পাঠানো হয়েছিল। আজ রাতে তাদের রিপোর্ট এসেছে। দুজনেরই করোনা ভাইরাস উপসর্গ পজিটিভ হয়েছে। তারা বর্তমানে বাড়িতে অবস্থান করেছেন। দ্রুত প্রশাসনিকভাবে তাদের বাড়ি লকডাউন করা হবে।

বিয়ানীবাজার করোনা সনাক্ত আরোও ৫জন

এবাদুর রহমান জাকিরঃ বিয়ানীবাজারে নতুন করে আরও ৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে প্রবাসী অধ্যুষিত এ উপজেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ২ জনসহ মোট ১৭ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন প্রথম শনাক্ত হওয়া ৫জন।

নতুন ৫ জন শনাক্ত হওয়ার বিষয়টি বুধবার রাতে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. আবু ইসহাক আজাদ।

তিনি বলেন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে নতুন ৫ জনের শরীরে করোনাভাইরাস পজেটিভ ধরা পড়েছে।

তিনি আরও বলেন, আক্রান্তদের মধ্যে করোনা রোগীর সংস্পর্শে আসা ও কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের শিকার রোগীও রয়েছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, নতুন আক্রান্ত সকলেই পৌরসভার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। এর মধ্যে একজন নারী ও একজন ব্যাংক কর্মকর্তাও রয়েছেন। আক্রান্তরা হলেন, খাসাড়ীপাড়া এলাকার ৪৫ বছরের একজন, খাসার ২৭ বছরের এক যুবক, নয়াগ্রামের ২৫ বছর বয়সের একজন ও ২৭ বছরের এক যুবক এবং অন্যজন হলেন সুপাতলা এলাকার ৩০ বছরের এক যুবক।

বিয়ানীবাজারের বৃদ্ধ করোনা আক্রান্ত হয়ে শহীদ সামছু উদ্দিন হাসপাতালে মৃত্যু


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে শনিবার দিবাগত রাতে করোনা ‘পজিটিভ’ শনাক্ত হওয়া বিয়ানীবাজারের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (৩১ মে) সকাল ১০ টার দিকে শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালের তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না-লিল্লাহ…রাজিউন)।

মৃত বৃদ্ধের নাম তমছির আলী (৭৫)। তাঁর বাড়ি ১০নং মুড়িয়া ইউনিয়নের পূর্ব মুড়িয়া তাজপুর (মাজরপট্রি) গ্রামে। তিনি ফিরোজ আলীর ছোট ভাই। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মৃত বৃদ্ধের নাতি মাছুম উদ্দিন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মৃত তমছির আলীর শরীরে গত কয়েকদিন থেকে করোনা রোগের উপসর্গ দেখা দেয়। তারপর তাঁকে প্রথমে বিয়ানীবাজার পৌরশহরের আলফা ক্লিনিক থেকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই তাঁর করোনার নমুনা নেওয়া হয়। রাত ১টার দিকে তাঁর করোনার রিপোর্ট ‘পজিটিভ’ আসে। তখন তাঁকে শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে্র আইসোলেশন সেন্টারে ওই বৃদ্ধকে নেয়া হয়। পরে রবিবার সকাল ১০টার দিকে শামসুদ্দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এদিকে নিহতের মরদেহ দাফনের জন্য বাড়িতে নিয়ে আসায় প্রক্রিয়া চলছে বলে পারিবারিকসূত্রে জানা গেছে।

প্রবাসে বড়লেখা আজিম আহমদের করোনা জয়


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে।তবে এই রোগ থেকে সুস্থ হয়ে  ফিরছেন অনেকেই। সংযুক্ত আরব আমিরাতের উম্মুল-কোয়াইনে করোনা জয় করে সুস্থ হয়ে ফিরে আসা তেমনই একজন বড়লেখার আজিম আহমদ অফিস বাজার এলাকার।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১৮ দিন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে অবশেষে সুস্থ হয়ে আজ শনিবার (৩০ মে) বাসায় ফিরেছেন তিনি। গত ১৪ মে উম্মুল-কোয়াইন ফিল্ড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। করোনা পরীক্ষা নিরীক্ষায় নেগেটিভ রেজাল্ট পাওয়ার পর সম্পূর্ণ সুস্থ হলে তাকে ছাড়পত্র দেন চিকিৎসকরা ।

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৫নং দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের অফিসবাজার এলাকার সন্তান সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী আজিম আহমদ বর্তমানে করোনা মুক্ত হয়ে বাসায় অবস্থান করছেন।

প্রবাসী আজিম আহমদ করোনাক্রান্তকালীন দিনগুলির করুণ মূহুর্তগুলো বর্ণনা করেছেন মুটোফোনেপ্রতিবেদকের কাছে। নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি বলেন-‘প্রবাস জীবন হচ্ছে এমন একটি জীবন যে জীবনটি পাড়ি দিতে হয় পরিবারের কোন সদস্য ছাড়া সম্পূর্ণ একাকীভাবে। সে রকম একটি জীবনে সাধারণ জ্বরই হয়ে ওঠে অনেক বড় দুশ্চিন্তার কারণ। আর এরকম একটা প্রাণঘাতী অসুখ হলে তো কথাই নেই নিজের মনোবল ধরে রাখা কঠিন। তাই করোনা পজিটিভ রিপোর্ট  জেনে আমি খুব ঘাবড়ে গিয়েছিলাম। বার বার দেশে থাকা বন্ধু বান্ধব পরিবার এবং আত্মীয় স্বজন ও পাড়া প্রতিবেশীর কথা মনে পড়ছিল। মনে মনে ভাবতাম মরে গেলে আমার লাশটাও দেশে পৌঁছাবে না। তবে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি আমি আমার ফেইসবুকে শেয়ার করি । আর এতে দেশে বিদেশে থাকা অসংখ্য মানুষ আমাকে ফোন করে মনে সাহস যোগান। সবার সাপোর্ট পেয়ে ও সাহসিকতায় আমার মনোবল বেড়ে যায়। সর্বোপরি এখানকার ডাক্তারদের আন্তরিক সেবা, সকলের দোয়া আর আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি সুস্থ হয়েছি। ’

আজিম আহমদ বলেন, ‘প্রথম দিকে সারা শরীরে ব্যথা এবং জ্বর অনুভূত হতে থাকে, একটানা বেশ কয়েক দিন এ উপসর্গ থাকার পর ধীরে ধীরে গলাব্যথা শুরু হয়।  শুরুতে স্থানীয় হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ  বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে কোভিড-১৯ এর টেস্ট করেন এবং করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পজিটিভ ধরা পড়ে’।

তবে তার শরীরে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ খুব একটা মারাত্মক পর্যায়ের না হলেও তার ডায়বেটিস থাকায়  তাকে সরাসরি হাসপাতালে ভর্তির জন্য পরামর্শ প্রদান করা হয় বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, গত ১৪ মে আমাকে অমলকোয়াইন হসপিটালে ভর্তি করা হয়। ততদিনে আমার শরীরে অবস্থা খুবই নাজুক হয়ে পড়ে। প্রচণ্ড জ্বর আসত। খুব বেশী শ্বাস কষ্ট ছিল না তবে গলায় মনে হত ভারী কিছু আটকে আছে। কথা বলতে গেলে হাঁপিয়ে উঠতাম। হাটতে গেলে দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে মনে হত। এভাবে হাসপাতালে প্রথম ১ টা সপ্তাহ আমার কঠিন মুহূর্ত ছিল। তবে ডাক্তাররা অত্যন্ত যত্ন সহকারে সেবা দিয়েছেন। এক সপ্তাহ পর আমার খানিকটা উন্নতি হতে থাকে।

এসময় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধের পাশাপাশি দিনে ৩-৪ বার চা এবং নিয়মিত গরম পানি খেয়েছি। এছাড়া পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে বিন্দুমাত্র ছাড় দেইনি। আর মানসিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য আমি নিজেকে ব্যস্ত রেখেছি বিভিন্নভাবে। তারপর আমি ধীরে ধীর সুস্থতা লাভ করি।’

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং ঘরে থাকার অনুরোধ জানিয়ে করোনা জয়ী আজিম আহমদ বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য মানসিক দৃঢ়তার কোন বিকল্প নেই। ’

বাংলাদেশে আটকে পড়া ১২০ ভারতীয় নাগরিক দেশে ফিরেছে আজ

নিউজ ডেস্কঃ বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবে চলমান লকডাউনে ভারতের বিভিন্ন এলাকায় আটকে পড়া ২০ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। একইদিন বাংলাদেশে আটকে পড়া ১২০ ভারতীয় নিজ দেশে ফিরে গেছেন। দীর্ঘ প্রায় দুই মাস পর বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দেশে ফেরত আসা ও ভারতে ফেরর যাওয়াদের কারণে সরগরম হয়ে উঠে বিয়ানীবাজারের শেওলা স্থল বন্দরের ইমিগেশন। দুই দেশের সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের যোগাযোগের মাধ্যমে আবেদন করা এসব নাগরিকদের বিশেষ ব্যবস্থায় নিজ নিজ দেশে প্রেরণ করা হয়। আসা যাওয়ার এ প্রক্রিয়া সীমান্ত আইন ও স্থলবন্দরের স্বাভাবিক নিয়মে সম্পাদন করা হয়েছে। এসময় বিজিবি, ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থলবন্দর সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) বিস্তার ঠেকাতে সতর্কতামূলক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইমিগ্রেশন সুবিধা বন্ধ থাকায় ভারতের বিভিন্ন এলাকায় এসব বাংলাদেশি নাগরিকরা আটকে পড়েছিলেন। এর আগে তারা পড়ালেখা, ব্যবসা-বানিজ্য ও চিকিৎসাসহ নানা কারণে ভারতে গিয়েছিলেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারি নির্দেশনা ও বিশেষ ব্যবস্থাপনায় শেওলা স্থলবন্দর দিয়ে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে এবং তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর সব ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম শেষে সবাইকে হোম কোয়ারেন্টিনে অবস্থান করার নির্দেশ বাড়ি ফেরত যাবার সুযোগ দেয়া হয়েছে। তবে তাদের শরীরে করোনার কোনো উপসর্গ পাওয়া যায়নি। একইভাবে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় আটকে পড়া ১২০ ভারতীয় নাগরিক শেওলা স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে ফেরে গেছেন। তবে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়টি ভারত সীমান্ত এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্তরা দেখবেন বলেও জানা গেছে।

ভারতের এনআইটি শিলচরে অধ্যয়নরত নাইমুল হক নামের এক বাংলাদেশি নাগরিক বলেন, গত ২০ মার্চ থেকে শিলচরের একটি রেস্টহাউজে আমিসহ আরও কয়েকজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী লকডাউনে ছিলাম। আমাদের সকলের করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ পরীক্ষা করা হয়েছে। পরবর্তীতে আমাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অনুমতি পাওয়ায় আমরা দুই মাস ৮ দিন পর বাংলাদেশে ফিরে এসেছি। তিনি বলেন, বন্দরের কর্মকর্তারা আমাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর প্রথম ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইন মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতে ফেরত যাওয়া আয়শা সিদ্দিকা নামের এক ভারতীয় নাগরিক বলেন, ‘প্রায় আড়াই মাসের মতো সময় হয়ে গেল আমি ভারতের আসাম থেকে বাংলাদেশে এসেছিলাম। দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সমস্যা ছাড়াও পরিবারের সঙ্গে খুব একটা যোগাযোগ করতে পারছিলাম না। এ নিয়ে তারাও খুব টেনশনে ছিল। পরে আমাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অনুমতি পাওয়ায় আমরা দুই মাস পর ভারতে ফিরে যাচ্ছি। তিনি বলেন, শেওলা স্থলবন্দর থেকে সব ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম শেষে আমাদেরকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই ভারতে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। এখানকার দায়িত্বরত কর্মকর্তারা বলছেন ভারত সীমান্তের কর্মকর্তারা আমাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশের সুযোগ দেবেন।

স্থলবন্দেরর মেডিকেল টিমের দায়িত্বে থাকা বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. নয়ন মল্লিক বলেন, বৃহস্পতিবার ভারত থেকে দেশে ফেরা ২০ বাংলাদেশি নাগরিককে শেওলা স্থলবন্দর হয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশের পর সবাইকে হোম কোয়ারেন্টিনে অবস্থান করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে করোনাভাইরাসের কোন উপসর্গের উপস্থিতি মিলেনি। পাশাপাশি তারা সকলেই শারিরিকভাবে সুস্থ রয়েছেন।

এদিকে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, চলমান লকডাউনের কারণে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় আটকে পড়া ১২০ ভারতীয় নাগরিকের দেশের ফেরত যাবার সবধরনের অনুমতি মেলায় প্রাতিষ্ঠানিক সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে।

জুড়ীতে করোনায় মারা যাওয়া যুবকের দাফন সম্পন্ন, ভাতিজা আক্রান্ত

এম.এম আতিকুর রহমান
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামের এই প্রথম মৃত যুবক আব্দুল হান্নানের জানাজা ও দাফন গতরাত প্রায় ১ ঘটিকায় স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে।
জানাজা ও দাফন যৌথভাবে সম্পন্ন করেছে উপজেলা প্রশাসন ও জুড়ী থানা পুলিশ। এতে উপস্থিত ছিলেন জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অসিম চন্দ বণিক, জুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও ডাঃ সমরজিৎ সিংহ, করোনার প্রথম সারীর সাহসী সম্মুখযোদ্ধা জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার, জুড়ী থানার ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম সেলিম, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন, মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি হুমায়ুন রশিদ রাজি, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী জাকির হোসেন মনির প্রমুখ।
কওমি মাদ্রাসা শিক্ষক ছাত্রদের সমন্বয়ে গঠিত একরামুল মুসলিমিন ফাউন্ডেশন এর মৌলভীবাজার জেলা টমি প্রধান মাওঃ এহসান জাকারিয়ার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলও দাফনের জন্যে আসে বলে জানান জুড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার।

করোনায় আক্রান্ত মৃত আব্দুল হান্নানের জন্য সকলের নিকট দোয়া চেয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন।

জানা যায়, আব্দুল হান্নানের দুটো কিডনি বিকল হয়ে যাওয়ায় গত ১১ মে চিকিৎসার জন্য সিলেটের রাগীব রাবেয়া হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে করোনার উপসর্গ দেখা দিলে ১৬ মে তাকে সিলেট শামস উদ্দিন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে গতরাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

আব্দুল হান্নানের চিকিৎসাকালীন তার ভাতিজা আব্দুর রাজ্জাক সার্বক্ষণিক সাথে থাকায় সেও করোনা আক্রান্ত হয়ে একই হাসপাতালের আইসোলেশনে রয়েছে। রাত প্রায় ১১ টায় সিলেট শামস উদ্দিন হাসপাতালের একটি লাশবাহী এম্বুলেন্সে তার লাশ নিয়ে আসা হয় জুড়ী থানায়।

জুড়ী থানা পুলিশ আইনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে করোনায় মৃত যুবক আব্দুল হান্নানের জানাজা ও দাফন স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী সম্পন্ন করে।

শ্রীমঙ্গল করোনা আক্রান্ত হয়ে পৌর কাউন্সিলরের মৃত্যু

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পৌর কাউন্সিলর মারা গেছেন। এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর এক ডাক্তার নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

নিয়ে উপজেলায় করোনায় প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটলো।আর এনিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ১২ জনে দাঁড়ালো। তবে এর মধ্যে ফুলছড়া চা বাগানের এক শ্রমিকের মেয়ে করোনায় আক্রান্ত কলেজ ছাত্রী সুস্থ হয়েছেন।

সোমবার সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজে স্থাপিত পিসিআর ল্যাবের পরীক্ষা থেকে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল আহাদ ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর চিকিৎসক ডাঃ তানভির রাহাতের করোনা দেহে সনাক্তের বিষয়টি ধরা পড়ে ।

আজ সকালে পৌর কাউন্সিলর মারা যান। লকডাউন চলাকালে ত্রাণ বিতরণকালে তিনি করোনায় সংক্রমিত হতে পারেন বলে পরিবারের সদস্যরা মনে করছেন।

জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে গত ২১ মে তাদের করোনা ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ করে সিলেট ল্যাবে পাঠানো হয়েছিল।

এদিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান,খবর পেয়ে রাতেই আমরা পৌর কাউন্সিলর এর কালিঘাট রোডের বাসা ও ডাক্তারের হাসপাতালের ভিতরে কোয়ার্টার লকডাউন করা হয়।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী ঈদের রাতে ফোনে জানান,আক্রান্তদের শারীরিক অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। আমরা পরিবারসহ আশপাশের কয়েকজন ব্যক্তিকে হোম কোয়ারিন্টিনে থাকতে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আক্রান্ত পরিবারের সদস্যদের নমুনা সংগ্রহের উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাদের নমুনা সংগ্রহ করে সিলেট পাঠানো হবে।

এ নিয়ে শ্রীমঙ্গল উপজেলায় প্রথম মৃত্যুর পাশাপাশি করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১২ জনে দাঁড়ালো।

আক্রান্তের ১১ দিন পর করোনা রোগী সংক্রামক থাকে না: গবেষণা

নিউজ ডেস্কঃ নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীরা সংক্রমণের প্রথম তিন থেকে চার দিন সবচেয়ে বেশি সংক্রামক এ তথ্য আগেই জানা গেছে। তবে এখন এক দল গবেষক বলছেন, আক্রান্তের ১১ দিন পর ওই রোগী আর সংক্রামক থাকে না। ওই সময় নমুনা পরীক্ষায় পজেটিভ এলেও তিনি আর অন্যকে সংক্রামিত করতে পারেন না।

সিঙ্গাপুরের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞদের একটি গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। সিঙ্গাপুর শহরের ৭৩ জন কভিড-১৯ রোগীর তথ্যের ভিত্তিতে এ গবেষণাটি করা হয়েছে।

সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল সেন্টার ফর ইনফেকশাস ডিজিস এবং দ্য অ্যাকাডেমি অব মেডিসিনের যৌথ এ গবেষণায় বলা হয়েছে, পরীক্ষায় পজেটিভ আসা মানেই কিন্তু সংক্রমণ সক্ষম বা ভাইরাসের সক্রিয় থাকা নয়। সংক্রমণের ১১ দিন পর ভাইরাসটি আর আলাদা হতে পারে না বা কালচার (সংখ্যা বৃদ্ধি) করতে পারে না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সর্বশেষ এ পর্যবেক্ষণটি হাসপাতাল থেকে রোগীর ছাড়া পাওয়ার মানদণ্ডে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। এখন পর্যন্ত এ মানদণ্ডটি সংক্রমণ সক্ষমের পরিবর্তে পরীক্ষায় পর পর দুইবার নেগেটিভ আসার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হচ্ছে।

সিঙ্গাপুরের স্ট্রেইট টাইমসের এক প্রতিবেদনের বলা হয়েছে, সর্বশেষ গবেষণার প্রমাণগুলো ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা যায় কিনা- তা দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মূল্যায়ন করবে।

এর আগে এ সংক্রান্ত একাধিক গবেষণায় দেখানো হয়েছে, আক্রান্ত ব্যক্তি সুস্থ হওয়ার পর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী পরপর দুইবার নমুনা পরীক্ষায় করোনাভাইরাস নেগেটিভ আসার পরও তার হাঁচি কাশির মাধ্যমে ভাইরাস বেরিয়ে আসতে দেখা গেছে। অনেকের ক্ষেত্রে ফুসফুসের মরা কোষও বেরিয়ে আসে। তবে সেটি অন্য মানুষকে সংক্রমণে সক্ষম কিনা তা নিশ্চিত ছিল না। এবার সিঙ্গাপুরের গবেষকরা জানালেন, নমুনায় পজেটিভ এলেও তা আর সংক্রামক থাকে না।

এখন পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে মোট ৩১ হাজার ৬৮ জন রোগীর মধ্যে ১৩ হাজার ৮৮২ জন বা প্রায় ৪৫ শতাংশ রোগীকে হাসপাতাল ও কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র থেকে ছাড় দেয়া হয়েছে। গত শনিবার দুপুর পর্যন্ত একদিনে দেশটিতে ৬৪২ জন কভিড-১৯ শনাক্ত হয়েছে।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ২ জুন থেকে প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় চালু করার পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে দেশটি। এরই অংশ হিসেবে সরকার প্রাক-প্রাথমিকের কর্মীদের সক্রিয়ভাবে স্ক্রিনিং করছে। গত শুক্রবার কর্মচারীদের মধ্যে দুইজনের কভিড-১৯ পজিটিভ ফল পাওয়া গেছে। এখন পর্যন্ত প্রাক-প্রাথমিকের সাত কর্মচারীর মধ্যে নভেল করোনাভাইরাস শনাক্ত হলো।

সূত্র: ব্লুমবার্গ

অর্জুনপুর সমাজ কল্যাণ সংস্থার ঈদ সামগ্রী বিতরণ


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধি, মৌলভীবাজারেে বড়লেখা উপজেলার ৪নং উত্তর শাহবাজপুরে অর্জুনপুর সমাজ কল্যাণ সংস্থার আয়োজনে তৃতীয় বারের মতন অসহায় ও নিন্মবিত্তের মধ্যে ইউনিয়ন ব্যাপি ৪০০ শত পরিবারকে ঈদ উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়, যেসব খাদ্য দেওয়া হয় তা..(চাল১০ কেজি,পিয়াজ২ কেজি,আলু২ কেজি,মশুর ডাল১ কেজি,ময়দা১ কেজি,চিনি১ কেজি, সয়াবিন ১ লিটার) বৃহঃবার(২১মে) বিকাল ৩ঘটিকার সময়,
আজকের এই কার্যক্রম উদ্বোধনের সময় উপস্থিতি ছিলেন সংস্থার উপদেষ্টা আব্দুল হক (মহরীর),মাসুক আহমদ,ফয়ছল আলম, বদরুল ইসলাম, কার্যকারি কমিটির সভাপতি -ইকবাল হোসেন,সিনিয়র সহ সভাপতি-ডাঃজাকির হোসেন রনি,সাধারণ সম্পাদক-মইনুল ইসলাম,সাংগঠনিক সম্পাদক -হায়দার কামাল মাছুম,যুগ্ম সম্পাদক-আমিনুল ইসলাম পারভেজ,সহ সাধারণ সম্পাদক-জুনেদ আহমদ,অর্থ সম্পাদক-আবু জাফর রাফসান,সহ অর্থ সম্পাদক-তারেক আহমদ,প্রচার সাম্পাদক-মারজান আহমদ,
সহ প্রচার সাম্পাদক-সাদিকুর রহমান,নাহিদ আহমদ, সাজেদুল ইসলাম,শাহিন আহমদ,সালমান আহমদ,সহ
সমাজ কল্যাণ সংস্থার সদস্য বৃন্দ।

ছায়েদ আলী মাহবুব হোসেন পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা প্রদান

ডেক্স নিউজঃ সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে বুধবার ২ ঘটিকায় বাগবাড়ি ব্র্যাক অফিস সংলগ্ন মাঠে মানবিক সহায়তা সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে । কেবি অটো ব্রিকস লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ছায়েদ আলী মাহবুব হোসেনের পক্ষ থেকে দিরাই পৌরসভার বাগবাড়ি ও আনোয়ারপুর গ্রামের অসহায় ও গরীব পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করা হয়। বুধবার দুপুরে বাগবাড়ি ব্র্যাক অফিস সংলগ্ন মাঠে মানবিক সহায়তা সামগ্রী বিতরণ কমসূচি উদ্ভোধন করেন দিরাই পৌরসভার মেয়র মোশারফ মিয়া, উপস্থিত ছিলেন দিরাই উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যডভোকেট অভিরাম তালুকদার, বাগবাড়ী গ্রামের, কামরুজ্জামান,সফিক মিয়া সহ এলাকার সর্বস্থরের জনতা। পৌর মেয়র মোশাররফ মিয়া বলেন ছায়েদ আলী মাহবুব হোসেনের মত সমাজের সবাই এগিয়ে আসলেই করোনা দুঃসময়ে মানুষ উপকৃত হবে, পৌরবাসীরপক্ষ থেকে যারাই পৌরএলাকায় ত্রান সহায়তা প্রদান করেছেন সবাইকে ধন্যবাদ ,উক্ত মানবিক সহায়তা প্রদানে ছায়েদ আলী মাহবুব হোসেন (রেজু) পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কেবি অটো ব্রিকস লিমিটেড এর জেনারেল ম্যানেজার প্রবাস সরকার ও ছামাদ আলী, জয়নাল মিয়া। উল্লেখ্য যে ছায়েদ আলী মাহবুব তার প্রতিনিধির মাধ্যমে করোনার দুঃসময়ে ২ হজার পরিবারের পাশে দাড়ানো কাজ করে যাচ্ছে , তার মধ্যে শাল্লা উপজেলা, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ এর দরগাহপুর মাদ্রাসায়, পাগলা , শীনাথপুর মৎসজীবী সমিতিসহ সিলেট আখালিয়া এলাকায় মানবিক সহায়তা সামগ্রী প্রদান করেছে। ছায়েদ আলী মাহবুব হোসেন(রেজু) করোনা পরিস্থিতি শান্ত না হওয়া পর্যন্ত এলাকার গরীব দুঃখিদের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন,, মানুষ মানূষের পাশে থাকবে এটাই তার চাওয়া। এছাড়াও দিরাই-শাল্লার বিভিন্ন এলাকার বিত্তবানদের গরীব দুঃখিদের সেবায় যেমন করে এগিয়ে আসছেন তা অব্যাহত রাখার আহবান জানিয়েছেন তিনি।

পাকশাইলে,মানবতার ঘরের উদ্দোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ।

নিজস্ব সংবাদঃ আমার প্রতিবেশিদের সাথে আছে হয়তোবা রক্তের বন্ধন।
আমার পাশের গ্রামের ভাইটিওতো আমারই আপনজন।

পাকশাইল গ্রেট ভিশন এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান মানবতার ঘরের ২৯ তম দিনের কার্যক্রম সম্পন্ন। মানবতার ঘর থেকে ১৫ টি পরিবারকে ৯ম তম সেবা দেয়া হয়েছে এবং পার্শবর্তী গ্রাম পূর্ব মনারাই,রংপুর ও মনাদিতে ৫৫ টি পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।উক্ত বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রেট ভিশনের শুভাকাংখী বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী জনাব ফয়ছল আহমদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রেট ভিশনের উপদেষ্টা জনাব আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ সুমন,সংস্থার সভাপতি এইচ এম ফয়সল,সিনিয়র সহ সভাপতি জাহাংগির আলম,সেক্রেটারি শাহিদুর রহমান জুনেদ,সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক সাহিদুল হক, সাধারণ সম্পাদক ইমন আহমদ,সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম,অর্থ সম্পাদক নাহিদ আহমদ,ক্রিড়া সম্পাদক কবির আহমদ,সহ ক্রিড়া সম্পাদক কামরুল আহমদ,সহ-ক্রীড়া সম্পাদক মাহবুব আলম, ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক সাইফুল হোসন,শিক্ষা সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাহীর,সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইমরান আহমদ, সংস্থার সদস্য আব্দুল মালিক, আলী হোসেন, নাহিদ প্রমূখ।

আমরা আমাদের এ পথচলা অব্যাহত রাখতে বদ্ধপরিকর, আপনি থাকুন আমাদের পাশে।সে হোক অর্থ দিয়ে, মেধা দিয়ে কিংবা একটুখানি উৎসাহ দিয়ে। সকলের সহযোগীতা কে মহান আল্লাহ্‌ পাক কবুল করে এর উত্তম প্রতিদান দান করুন।

বড়লেখায় শ্রমিকদের মধ্যে (বিএনপি)র ত্রাণ বিতরণ


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজার ১ নির্বাচনী এলাকায় বিগত সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্জ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর করোনায় অভাবগ্রস্থ১০ হাজার পরিবারে খাদ্য সহায়তা প্রতি ইউনিয়নে বিতরণের অংশ হিসেবে মাহে রামাজানের শেষের দিকে, বুধবার(২০মে) বড়লেখায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল বড়লেখা উপজেলা শাখার তত্বাবধানে ২০০ পরিবারে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।

বড়লেখা পৌর শহরে সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে দুপুর ২ ঘঠিকায় এ কর্মসুচির উদ্বোধন করেন বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাফিজ।এসময় উপস্হিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মুজিবুর রহমান খছরু,সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান,উপজেলা শ্রমিকদল সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম ,শ্রমিক নেতা আব্দুল আহাদ,সলিম আহমদ,আলী হুসেন, বাবুল আহমদ,সীপার আহমদ ও ফয়সল আহমদ সহ বিপুল সংখ্যক নেতা কর্মী।

উল্লেখ্য উপজেলা বি,এন,পি সভাপতি আব্দুল হাফিজ উদ্বোধকের বক্তব্যে তিনি বলেন জাতীয়তাবাদী পরিবার দেশের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে সর্বদা, সে সাথে বিএনপি’র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রবাস থেকেও দেশের এই ক্লান্তিলগ্নে শ্রমজীবী মানুষের কথা ভেবে, মৌলভী বাজার জেলা বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্জ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর অর্থায়নে শ্রমজীবী মানুষের জন্য আজকের এই ত্রাণ বিতরণ, আল্লাহ এই ত্রাণ গুলো কবুল করেন,আসুন আমরা নিজে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখি অন্যকে দুরত্ব বজায় রাখতে উৎসাহিত করি আর সবাই মহাবিপদ থেকে বাচার জন্য আল্লাহর সাহায্য চাই।

বিশ্বনাথে যুক্তরাজ্য প্রবাসী আবুল কালামের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

মোঃমোছন আলী বিশেষ প্রতিনিধি :: বিশ্বব্যাপি মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে-গৃহবন্দি হতদরিদ্র পরিবারে আজ চরম বিপর্যয়! এহেন পরিস্থিতি মোকাবেলায় সিলেটের বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়নের জানাইয়া গ্রামের
যুক্তরাজ্যের ওল্ডহাম বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম শাহ এর উদ্যোগে এবং করম আলী শাহ (রাঃ) ফাউন্ডেশন ও পরিবারের পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

বিতরণকৃত খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে ছিল তেল, ময়দা, আলু, আটা, লাচ্ছি ও নারিকেল।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন শাহ ফজর আলী, শাহ আমির উদ্দিন, আক্তার হোসেন রানা,শাহ লিলু মিয়া, শাহ ফয়সল আহমদ, শাহ সায়েদ আহমদ, ওয়াসিম আহমদ, শাহ নিজাম উদ্দিন, আজিজুল ইসলাম, রুকেল মিয়া, ফরিদ উদ্দিন, শাহ ফাহিম, শাহ ছালাম, শাহ সামি ও শাহ লায়েক আহমদ প্রমুখ।

বিশ্বনাথে করোনা প্রভাবে সাময়িক অসুবিধাগ্রস্ত আলেমদের মধ্যে নগদ অর্থ প্রদান

আনহার বিন সাইদ,বিশ্বনাথঃ ” করোনা ” মহামারিতে যখন সারা বিশ্ব্য বিপর্যস্ত ঠিক সেই মুহুর্তে লন্ডনে অবস্থানরত বিশ্বনাথের কিছু ভাইদের অর্থায়নে ” ওলামা হেল্পিং ফাউন্ডেশন বিশ্বনাথ এর; উদ্দোগে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের; প্রায় ২০ জন অসচ্ছল আলেম পরিবারের মধ্য নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।

অত্র ফান্ডশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান (সাংবাদিক ) মাওলানা আনহার বিন সাইদ, বাইছ চেয়ারম্যান মাওলানা হারুনুর রশিদ (ইমাম বরুনী জামে মসজিদ) । সেক্রেটারি; মাওলানা আব্দুল কাদির(বরুনী),
কোষাদক্ষ ( দশঘর ইউনিয়ন তাবলিগ জামাতের জিম্মাদার)মোঃশফিকুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মৌলবী কামাল উদ্দীন, প্রমুখ।

ওলামা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান (সাংবাদিক) মাওলানা,আনহার বিন সাইদ; এক বিবৃতিতে বলেন ” করোনা ” মহামারিতে সারা ওয়াল্ডে এক ভয়াবহ অবস্থা বিরাজকরছে।
প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের অবস্থা দিন দিন নাজুক হচ্ছে। যার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (কওমী মাদ্রাসা) বন্ধ থাকায় শিক্ষকরা আর্থিকভাবে নানান সমষ্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।
এদিকে (সামনে) পবিত্র ঈদুল ফিতর আসন্ন, তাই তারা; যাতে তাদের পরিবারকে নিয়ে হাসিমুখে আসন্ন ঈদকে উদযাপন করতে পারেন সে দিকে লক্ষ্য রেখে আমরা এই উদ্দোগ গ্রহণ করেছি।

আলহামদুলিল্লাহ!
আমাদের অনেকেই তাওফিক অনুযায়ী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন আল্লাহ তাদের সবাইকে সকল ধরনের বিপদ আপদ থেকে হেফাজত করুন।

চলমান প্রেক্ষাপটে করোনা’রভয়াবহতা! স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অপরিহার্য

এম আতিকুর রহমানঃ একে একে দেশের ৬৪ টি জেলা অতিক্রম করে করোনা ভাইরাস এখন উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। আমরা যেনো পৌঁছে দিয়েছি অভিজাত এই ভাইরাসটিকে।

সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার, জকিগঞ্জ, গোলাপগঞ্জ, বিশ্বনাথ, বালাগঞ্জ সহ একে একে ফেঞ্চুগঞ্জ, দক্ষিণ সুরমায় ও করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। গোলাপগঞ্জে এক করোনা আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে এসে একই পরিবারের ১৩ জন করোনা আক্রান্ত হন!
মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা জুড়ী সহ প্রতিটি উপজেলায় একাধিক সনাক্ত ও আক্রান্ত হয়ে কঠিন পরিস্থিতির দিকে ধাবমান।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৮ মে, ২০২০ পর্যন্ত সিলেট অঞ্চলে মোট করোনায় আক্রান্ত (শনাক্তকৃত) ৪৩৩ জন (সিলেট জেলায়-১৬৬ জন, হবিগঞ্জে-১৩২ জন, সুনামগঞ্জে-৭৫ জন ও মৌলভীবাজারে-৬১ জন)।

সারা দেশে যখন এক বা দুই ডিজিটের করোনা রোগী শনাক্ত হতো, তখন সাধারণের মাঝে যে সাবধানতা/সচেতনতা পরিলক্ষিত হতো, বর্তমানে সহস্রাধিক শনাক্ত হলেও সচেতনতা অনেকগুণ কমে গেছে।
উপরন্তু, যানজট আর জমায়েত এবং ঈদ শপিং দেখে মনে হবে; এ দেশ থেকে করোনা কত আগে বিদায় নিয়েছে।

আসুন, সরকার নির্দেশিত সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি। সচেতন হই অন্যান্যদের সচেতন হতে উদ্বুদ্ধ করি। নিজে সুস্থ থাকি। পরিবার-পরিজন সমাজ ও দেশকে নিরাপদ রাখি। করোনা নামক মহামারী থেকে আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুক, সুস্থ রাখুন।
বরকতময় এ সময়ে আমরা কায়মনোবাক্যে দয়াময় এ-র দরবারে বেশি বেশি ফরিয়াদ করি। তিনি যেনো আমাদের সকলকে এবং দেশকে রক্ষা করেন।

জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ

নিউজ ডেস্কঃ

মরণব্যাধি করোনা ভাইরাসে থমকে গেছে সারাদেশ। সারা বিশ্বের সাথে পাল্লা দিয়ে জ্যামিতিক হারে দেশব্যাপী বাড়ছে আক্রান্তের হার। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে করোনা মোকাবেলায় আর্ত মানবতার সেবায় অনেকেই ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ভূমিকা সারাদেশব্যাপী ব্যাপক প্রশংসিত হয়। করোনার প্রাদুর্ভাব দিন দিন যেমন বাড়ছে, তেমন ছাত্রলীগের ব্যতিক্রমী কার্যক্রম নানাভাবে খবরের শিরোনাম হচ্ছে।

এবার অসহায়,দুস্হ,রিকশাওয়ালা, টমটম ওয়ালা, সবজি ব্যবসায়ী ও খেটে খাওয়ামানুষদের মাঝে ২০০ প্যাকেট ইফতার বিতরণ করলো জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রলীগ।

বর্নীতে রমজান ফুড ও ঈদ সামগ্রী উপহার

মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার বর্ণি প্রবাসী জন কল্যাণ পরিষদের উদ্দ্যোগে
বিশ্ব মহামারী করোনা ভাইরাসের সংকটময়
মুহূর্তে,শনিবার(১৬মে)২২ রামাদ্বানে
১নং বর্ণী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের
মধ্যবিত্ত, শ্রমজীবী, অসহায় ও হত-দরিদ্র
মানুষদের জন্য উপহারস্বরূপ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যদ্রব্য রমজান ফুড ও ঈদ সামগ্রীয় উপহার ১২০টি পরিবারের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া হয়।এতে বর্ণি প্রবাসী জন কল্যাণ পরিষদের সদস্যবৃন্দের দ্বায়িতরত ব্যাক্তিগন রাতে বাড়ি বাড়ি নিয়ে পৌছেদেন।

বড়লেখায় জেলা পরিষদের ত্রাণ বিতরণ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় করোনা প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন পেশার কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় পরিবারের মধ্যে উপহার হিসেবে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করছে মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ। জেলা পরিষদের (বড়লেখায়) সংরক্ষিত ১নং ওয়ার্ড সদস্য জোবেদা ইকবালের তত্ত্বাবধানে বড়লেখা উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিছরাবাজার এলাকায় দেড় শতাধিক দরিদ্র পরিবারের মধ্যে এই খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।

উপহার সামগ্রীর প্রত্যেক প্যাকেটে ছিল চাল, ডাল,তেল, আলু ও সেমাই।

শুক্রবার (১৫ মে) সকাল ১১টায় উপজেলার বিছরাবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে দরিদ্রদের মাঝে এসব খাদ্যসামগ্রী বিতরণ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ।

মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের সংরক্ষিত ১নং ওয়ার্ড সদস্য জোবেদা ইকবালের সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বড়লেখা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক ইকবাল হোসেন স্বপনের’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মুজাম্মেল হোসেন,বিশিষ্ট মুরব্বী আব্দুস শহিদ ময়না, বিশিষ্ট সমাজ সেবক সিরাজ উদ্দিন,ইফতেখার হোসেন রিপন,কয়েছ আহমদ প্রমুখ

অনুষ্ঠানে উপস্থিত লোকজনকে মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে করোনা প্রতিরোধক দিক-নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।

রোহিঙ্গা করোনায় আক্রান্ত, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় স্থানীয়রা

নিউজ ডেস্কঃ কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালংয়ের লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একজন করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন রোহিঙ্গা নেতারাও। উখিয়া নাগরিক আন্দোলনের সভাপতি নুর মোহাম্মদ সিকদার বলেন, ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে করোনার সংক্রমণ হওয়া মানে এটি আমাদের জন্য ভয়ের বিষয়। কারণ, ক্যাম্পে অসংখ্য মানুষ কাজ করছেন। স্থানীয়দের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি অনেক সংস্থায় মানুষ চাকরি করেন। চাকরির সুবাধে ক্যাম্পের আসা-যাওয়া করেন তারা। ফলে খুব দ্রুতই স্থানীয়দের মধ্যে করোনা ছড়িয়ে পড়তে পারে।’

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজের ল্যাবে ১৮৬ জনের মধ্যে ১২ জনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তাদের মধ্যে একজন রোহিঙ্গা। প্রথমে দু’জন আক্রান্তের কথা বলা হলেও পরে জানা যায় একজন রোহিঙ্গা, অপরজন স্থানীয়। ওই রোহিঙ্গা লম্বাশিয়া ১নং (পশ্চিম) রোহিঙ্গা ক্যাম্পে থাকেন। অপরজন কুতুপালং বাজারের পাশে অবস্থিত ঘুমধুম ইউনিয়নের কচুবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পরিচয় গোপন করে রোহিঙ্গা সেজে স্থানীয় এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।

রোহিঙ্গার করোনা আক্রান্তের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কারণ ওই অঞ্চলের স্থানীয়দের একমাত্র বাজার কুতুপালং। রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘেঁষা কুতুপালং বাজার আগে সপ্তাহে দুদিন বসতো। রোহিঙ্গারা আসার পর সেখানে প্রতিদিন কেনাবেচা হয়। লকডাউন থাকার পরও বাজারে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জনসমাগম চোখে পড়ার মতো। এছাড়া দেশি-বিদেশি হাজারো এনজিও কর্মীর আনাগোনা রয়েছে বাজারে।

কুতুপালং বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘আমরা করোনার ঝুঁকিতে রয়েছি। যেকোনও সময় আমরা আক্রান্ত হতে পারি। কারণ, এরইমধ্যে দু’জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের একজনের বাড়ি কুতুপালং বাজারের পূর্ব পাশে। আরেকজন কুতুপালং বাজারের পশ্চিমে। আমরা মাঝখানে অবস্থান করছি। কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ভেতরে ৩৫০ স্থানীয় বাংলাদেশি পরিবার বাস করছে। তারা সবচেয়ে ঝুঁকিতে আছে। তাই খুব দ্রুত আগের মতো লকডাউন কড়াকড়ি না করলে করোনা থেকে রক্ষা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।’উখিয়ার কুতুপালং নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কমিউনিটি নেতা ইউনুছ আরমান বলেন, ‘করোনা নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশ মেনে সব কিছু করছি। পার্শ্ববর্তী লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে করোনা রোগী শনাক্তের খবরে আমরা উদ্বিগ্ন ও আতঙ্কিত হয়ে পড়ছি। এ কারণে আমাদের আরও বেশি সচেতন হতে হবে এবং অন্যদের মাঝেও সচেতনতা বাড়াতে হবে’।

লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মোহাম্মদ আয়ুব মাঝি বলেন, ‘করোনায় আক্রান্ত রোহিঙ্গা নুরুল আলম ভয়ে প্রথমে বাসা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে শুক্রবার সকালে রোহিঙ্গা নেতাদের সহায়তায় তাকে এবং পুরো পরিবারটিকে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন এসে নিয়ে গেছে।’

কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের স্বাস্থ্য সমন্বয়কারী ডা. আবু মোহাম্মদ তোহা বলেন, কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতাল থেকে নমুনা আসায় প্রথমে আমরা দু’জন রোহিঙ্গা বলেছিলাম। পরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এক ব্যক্তি রোহিঙ্গা নন। ভালো চিকিৎসা পাওয়ার জন্য রোহিঙ্গা পরিচয় দিয়ে এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম কচুবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা তিনি। বর্তমানে তিনি নিজ বাড়িতেই আছেন। আক্রান্ত রোহিঙ্গাকে এমএসএফ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. অনুপম বড়ুয়া বলেন, কক্সবাজারের করোনা শনাক্তকরণ ল্যাবে মোট ৩৩৬২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তাদের মধ্যে জেলায় শনাক্ত হয়েছে ১৩২ জনের। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ১২ জনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তাদের মধ্যে একজন রোহিঙ্গা।

বর্তমানে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আক্রান্তদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য প্রায় এক হাজার ৯০০ শয্যার আইসোলেশন সেন্টার তৈরির কাজ চলছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৫০০ শয্যার কাজ শেষ হয়েছে। এছাড়াও করোনা আক্রান্তদের জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার পরিচালিত হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দিতে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সুত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন

হিলিতে সড়কের পাশে দীর্ঘক্ষণ পড়ে রইলো অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ

নিউজ ডেস্কঃ দিনাজপুরের হিলিতে করোনার উপসর্গ নিয়ে অজ্ঞাত (৪৮) এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর পর দীর্ঘ সময় রাস্তায় পড়ে ছিল মরদেহ, করোনার ভয়ে তার কাছে কেউ যায়নি।

আজ শুক্রবার সকাল থেকে হিলি জয়পুরহাট সড়কের গোড়স্থান নামক সড়কের পার্শ্বে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। পরে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।

হাকিমপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বেলাল হোসেন বলেন, সংবাদ পেয়ে মরদেহ উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে গিয়েছি। স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পেরেছি ওই ব্যক্তি কান পরিষ্কার করার কাজ করতেন ও মাদকসেবী ছিলেন। করোনার কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কাজ কর্ম না থাকায় স্থানীয়দের কাছ থেকে সাহায্য নিয়ে চলতেন। গোরস্থানের পার্শ্বে একটি দোকানের বারান্দায় রাত্রিযাপন করতেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, কিছুদিন ধরে এই ব্যক্তি শ্বাসকষ্টেও ভুগছিল। আজ সকালের কোন এক সময়ে তিনি মারা যান, তার নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে এই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে কিনা ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে তা নিশ্চিতের জন্য নমুনা সংগ্রহ করার পর তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। ময়না তদন্ত শেষে মরদেহের কোন স্বজন না পাওয়া গেলে মরদেহ দাফনের জন্য ‘আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের’ কাছে হস্তান্তর করা হবে। সুত্রঃ বণিক বার্তা

মহামারীর প্রভাব বীমা নবায়নে সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশ বিমান

কভিড-১৯ মহামারীর প্রভাবে উড়োজাহাজ বহরের বীমা নবায়ন নিয়ে সংকটে পড়তে পারে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। সাধারণ বীমা করপোরেশনের সম্প্রতি ভিডিও কনফারেন্সে অনুষ্ঠিত এক বোর্ড সভার আলোচনায় বিমানের এ সংকটের বিষয়টি উঠে আসে। সভার কার্যপত্র সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস নিজ বহরের উড়োজাহাজের ফ্লাইট পরিচালনায় বিদ্যমান বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকির বিপরীতে বীমা কাভারেজ নিয়ে থাকে। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান হওয়ায় সংস্থাটির বহরের উড়োজাহাজগুলো সরকারি সম্পদ হিসেবে পরিগণিত হয়ে থাকে। প্রচলিত বীমা আইন অনুযায়ী, সরকারি সম্পদের বীমা সাধারণ বীমা করপোরেশনে করানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে অনুযায়ী বিদ্যমান বিভিন্ন ঝুঁকির বিপরীতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরের উড়োজাহাজগুলোর বীমা পলিসি সাধারণ বীমা করপোরেশন থেকে করানো হয়েছে।

সাধারণ বীমা করপোরেশনের কর্মকর্তারা বলছেন, কভিড-১৯ মহামারীর কারণে বিশ্বের সব এয়ারলাইনসই কার্যত বন্ধ রয়েছে। ফলে উড়োজাহাজ চলাচল শিল্প বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এ কারণে বিদ্যমান বীমাগুলোর নবায়ন প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়ার ক্ষেত্রে অনেক বীমা প্রতিষ্ঠানই অনীহা প্রকাশ করবে। এছাড়া প্রিমিয়ামের পরিমাণও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া আগের লোকসানের কারণে কিছু পুনঃবীমাকারী প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে আন্ডাররাইটিং কার্যক্রম স্থগিত রেখেছে এবং বেশির ভাগ পুনঃবীমাকারী প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ সক্ষমতাও কমিয়ে এনেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বীমা নবায়নে কোন পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে, সে বিষয়ে ফেব্রুয়ারিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিদ্ধান্ত চেয়ে পাঠানো হয়। বিষয়টি বর্তমানে মন্ত্রণালয়ের বিবেচনাধীন আছে।

করপোরেশনের বোর্ড সভার কার্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে বর্তমান বছরের অর্থাৎ ২০২০-২১ সালে এয়ারলাইনসগুলোর বীমা বা পুনঃবীমা নবায়ন করতে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নবায়ন সম্পন্ন করতে না পারলে বিমানের উড়োজাহাজ চলাচল বিঘ্ন হতে পারে। এ পরিস্থিতি বিবেচনা করে বর্তমান বছরের নবায়ন কার্যক্রম অর্থনৈতিক ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে নবায়ন কমিটি লন্ডনে উপস্থিত থেকে পুনঃবীমা কার্যক্রমের ব্রোকার বা পুনঃবীমাকারীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সম্পন্ন করাটাই যৌক্তিক হবে। এছাড়া আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে এ কার্যক্রম সম্পন্ন করা অনেক সময়সাপেক্ষ হবে এবং বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে যথাযথ প্রিমিয়াম নির্ধারণ করাটাও কঠিন হবে।

বোর্ড সভায় এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অনুমতির বিষয়টি নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এ বিষয়ে সাধারণ বীমা করপোরেশনের চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছর দেশে টেন্ডারের মাধ্যমে এ কাজটি সম্পন্ন করা হয়। এ বছর চলমান করোনা পরিস্থিতিতে দেশে টেন্ডার করার পরিবেশ নেই। তাই লন্ডনে বিশ্বের শীর্ষ ১৫টি কোম্পানির মাধ্যমে কাজটি সম্পন্ন করতে চাচ্ছি।

সূত্রমতে, ১৯৭৩ সাল থেকে সাধারণ বীমা করপোরেশন লন্ডনের লয়েডস মার্কেটভিত্তিক বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় পুনঃবীমা ব্রোকার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজ বহরের মূল্যের ওপর পুনঃবীমা কাভারেজ নিয়ে আসছে। অর্থ মন্ত্রণালয়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এবং সাধারণ বীমা করপোরেশনের প্রতিনিধি সমন্বয়ে গঠিত টিম লন্ডনের লয়েডস মার্কেটে গিয়ে এ পুনঃবীমার কাজ সম্পন্ন করে। সাধারণ বীমা করপোরেশন পর্ষদের অনুমোদিত টপ রেটেড ব্রোকারদের কাছে উড়োজাহাজের প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠানো হয় এবং তাদের উপস্থিতিতে এ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত অবহিত করা হয়। সুত্রঃ বণিক বার্তা

ইসলামী ব্যাংক কাঁঠালতলী থেকে মধ্য আয়ের গ্রাহকদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

ফয়সাল মাহমুদঃ করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। এ অবস্থায় আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মহাসংকটে পড়েছেন নিম্ন মধ্য আয়ের শ্রমজীবী মানুষ। দীর্ঘ এই লকডাউনে নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষও নেমে যাচ্ছেন হতদরিদ্রের কাতারে। ঘরে খাবার নেই অথচ কাউকে বলতেও পারছেন না। বাইরে গিয়ে হাত পাততে পারছেন না। নেই আয়ের কোনো উৎস। দেশের এই ক্রান্তিকালে সরকারের ত্রাণ তৎপরতার পাশাপাশি সারা দেশের দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এসেছেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি। থেমে নেই মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক কাঁঠালতলী আউটলেট শাখা।

বৃহস্পতিবার (১৪মে) প্রথমবারের মতো পবিত্র রমজান মাস ও ঈদুল ফিতর কে সামনে রেখে নিম্ন মধ্য আয়ের ব্যাংক গ্রাহকদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী উপহার হিসেবে বিতরণ করা হয়।

উপহার হিসেবে ১০ কেজি চাল, ২ লিটার সয়াবিন তেল, ২ কেজি পেঁয়াজ, ২ কেজি ছোলা, ১ কেজি ডাল, ১ কেজি চিনি, ১ কেজি লবন ও ২ প্যাকেট সেমাই দেওয়া হয়।

ব্যাংক ইনচার্জ জুবায়ের আহমদ শিমুল বলেন, আমাদের ব্যাংকের খুব অসহায় গ্রাহকদের মধ্যে এই উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। কাঁঠালতলী ইসলামী আউটলেট শাখা সবসময় অসহায় গ্রাহকদের পাশে ছিলো এবং আগামীতেও থাকবে। এই ত্রাণ সামগ্রী এখন স্বল্প পরিসরে প্রদান করা হয়েছে যা আরও বড় আকারে প্রদান অব্যাহত থাকবে।

উপহার সামগ্রী প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন, দক্ষিণভাগ উত্তর ইউপির ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আলতাফ হোসেন, ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আলিম উদ্দিন সহ ব্যাংক কর্মকর্তাবৃন্দ।

টাকা না দেয়ায় দেনাদারকে জড়িয়ে ধরলেন করোনা রোগী

নিউজ ডেস্কঃ কক্সবাজারে পাওনা টাকা চেয়ে না পাওয়ায় করোনা ছড়িয়ে দিতে দেনাদারকে জড়িয়ে ধরেছেন করোনায় আক্রান্ত এক রোগী। মঙ্গলবার বিকেলে জেলা সদরের লিংক রোড এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।গত তিনদিন আগে সদরের বাংলাবাজারে করোনা শনাক্ত হয়ে লকডাউনে থাকা জাহাঙ্গীর আলম নামে ওই ব্যক্তি এই ঘটনা ঘটিয়েছেন।

সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউপির চেয়ারম্যান টিপু সুলতান জানান, করোনা আক্রান্ত যুবক জাহাঙ্গীর লিংক রোড এলাকার সালামতের নামে একজনের থেকে কিছু টাকা পেতেন। জাহাঙ্গীর লকডাউন ভেঙে পাওনা টাকা নিতে সালামতকে খুঁজতে যান। এ সময় দেনাদার সালামত টাকা দিতে কয়েকদিন সময় চান। সালামতের থেকে পাওনা টাকা আদায়ের কৌশল হিসেবে জাহাঙ্গীর উত্তেজিত হয়ে সালামতকে জড়িয়ে ধরে বলেন, করোনায় আমিও মরব-তুইও মর। বিষয়টি নিয়ে সালামতসহ স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
তিনি আরো জানান, খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। দেনাদার সালামতকে দ্রুত সাবান ও জীবাণুনাশক দিয়ে গোসল করার ব্যবস্থা করানো হয়।

স্থানীয়রা জানান, লকডাউন অমান্য করে করোনা রোগী গত দুইদিন ধরে মোটরসাইকেল নিয়ে রাস্তায় বের হচ্ছেন। এ নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে
কক্সবাজার সদর ইউএনও মাহমুদ উল্লাহ মারুফ জানান, তিনি খবর পেয়েছেন। লিংক রোড স্টেশনে করোনা রোগী জাহাঙ্গীর লকডাউন অমান্য করে লোকজনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি করেছেন। তাকে রামু আইসোলেশন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সুত্রঃসুরমানিউজ

বড়লেখায় নাসির উদ্দীন মিঠুর সৌজন্যে দক্ষিণভাগে বিএনপি’র ত্রান বিতরণ


মোঃইবাদুর রহমান জাকির (বিশেষ প্রতিনিধি) বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার পক্ষে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সহ সভাপতি, বিগত সংসদ নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী আলহাজ্জ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর সৌজন্যে জুড়ী -বড়লেখার-করোনায় অভাব গ্রস্থদের মধ্যে খাদ্য সহায়তা কর্মসুচির অংশ হিসেবে দশ হাজার পরিবারকে পর্যায়ক্রমে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হবে।এরই অংশ হিসাবে আজ মঙ্গলবার বড়লেখার দক্ষিণভাগ ইউনিয়নে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুশ শহীদ খান।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে এ ইউনিয়নের প্রায় ৫০০ পরিবারে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়।
এসময় উপস্হিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম,জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য আলহাজ্জ্ব আব্দুল মুকিত লুলু, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক ডা. আইনুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়জুর রহমান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল আহমদ,ইউনিয়ন বিএনপি নেতা হাফিজ খলিলুর রহমান শাহীন, জেলা যুবদলের সহ সাধারন সম্পাদক ইকবাল হুসেন,উপজেলা যুবদল নেতা আমিনুল ইসলাম মেম্বার,উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি এবি সিদ্দিকী দুলাল,সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সাইফুর রহমান, সিনিয়র ছাত্রদল নেতা নাদের আহমদ প্রমুখ।

করোনা ভাইরাসঃ বাংলাদেশে মোট সুস্থ হয়েছেন২ হাজার ৯০২ জন রোগী


ডেক্স রিপোর্টঃ

বিশ্বব্যাপী নতুন করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা প্রতিনিয়তই বাড়ছে। ইতোমধ্যে ২ লাখ ৮৭ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছেন। আক্রান্ত হয়েছেন সাড়ে ৪৪ লাখেরও বেশি। এ ছাড়া, সুস্থও হয়েছেন ১৯ লাখ ২৭ হাজারেরও বেশি মানুষ।

মঙ্গলবার ওয়ার্ল্ডোমিটার এর ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্য ও বিভিন্ন দেশের সরকারি হিসাব অনুযায়ী জানা যায়। বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৬ জন এবং মারা গেছেন ২ লাখ ৮৭ হাজার ৩৩৬ জন। এ ছাড়া, সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ২৭ হাজার ৫৬৮ জন।

করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ লাখ ৪৭ হাজার ৮৮১ জন এবং মারা গেছেন ৮০ হাজার ৬৮২ জন। এ ছাড়া, সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ৩২ হাজার ৭৩৩ জন।

যুক্তরাষ্ট্রের পর সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত রয়েছে ইউরোপের দেশ স্পেনে। সেখানে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ২৭ হাজার ৪৩৬ জন এবং মারা গেছেন ২৬ হাজার ৭৪৪ জন। এ ছাড়া, সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার ১৩৯ জন।

যুক্তরাষ্ট্রের পর এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছেন যুক্তরাজ্যে। দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৩২ হাজার ১৪১ জন মারা গেছেন। আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ২৪ হাজার ৩৩২ জন। এ ছাড়া, সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ১৫ জন।

এ ছাড়া, ইতালিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ১৯ হাজার ৮১৪ জন, মারা গেছেন ৩০ হাজার ৭৩৯ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৬ হাজার ৫৮৭ জন। ফ্রান্সে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫৪৭ জন, মারা গেছেন ২৬ হাজার ৬৪৬ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৫৬ হাজার ৮৩৫ জন। জার্মানিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৭৬ জন, মারা গেছেন ৭ হাজার ৬৬১ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৬১৭ জন।মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ২৮৬ জন, মারা গেছেন ৬ হাজার ৬৮৫ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৮৭ হাজার ৪২২ জন। তুরস্কে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭৭১ জন, মারা গেছেন ৩ হাজার ৮৪১ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৯৫ হাজার ৭৮০ জন। ভাইরাসটির সংক্রমণস্থল চীনে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৪ হাজার ১১ জন, মারা গেছেন ৪ হাজার ৬৩৭ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৭৯ হাজার ১৯৮ জন।

নতুন করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে রাশিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে। রাশিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ২১ হাজার ৩৪৪ জন, মারা গেছেন ২ হাজার ৯ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৩৯ হাজার ৮০১ জন। ব্রাজিলে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫৯৪ জন, মারা গেছেন ১১ হাজার ৬৫৩ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৬৭ হাজার ৩৮৪ জন।

উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ১৫ হাজার ৬৯১ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। মারা গেছেন ২৩৯ জন। এ ছাড়া, সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৯০২ জন।

বড়লেখায়ঃবোবারতলে জামায়াতে ইসলামীর খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে রবিবার(১০মে)সকাল ১১ঘটিকায় ৫নং দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের পাহাড়ি দূর্গম এলাকা বোবারতলে করোনা প্রাদুর্ভাবে গৃহবদ্ধ কর্মহীন অসহায় শতাধিক পরিবারের মধ্য মাহে রমজানের উপহার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এমাদুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ফয়সল আহমদ,উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাওঃ মুজাহিদুল ইসলাম, ইউনিয়ন সেক্রেটারি হাফিজ মাওঃ আব্দুস সবুর,ছাত্রনেতা আশরাফুল ইসলাম,আব্দুল লতিফ সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বড়লেখার উত্তর শাহবাজপুরে নাসির উদ্দিন মিঠুর ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত

নাহিদ আহমেদঃ করোনা ভাইরাসে অভাবগ্রস্থ ১০ হাজার পরিবারে খাদ্য সহায়তার অংশ হিসেবে আজ বড়লেখার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নে বিগত সংসদ নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী মৌলভী বাজার জেলা বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্জ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর সৌজন্যে ও বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে ৭০০ পরিবারে খাদ্য সহায়তা বিতরন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার এ কর্মসুচির উদ্বোধন করেন বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মুজিবুর রহমান খছরু।
এসময় উপস্হিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান,সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি মঈন উদ্দিন,ইউনিয়ন সভাপতি জামাল উদ্দিন জমির,সাবেক সভাপতি আলহাজ্জ্ব মুছব্বির আলী, সাধারন সম্পাদক মখলিছুর রহমান,ইউনিয়ন বিএনপির উপদেষ্টা আলহাজ্জ্ব লুৎফুর রহমান লুতই, আলহাজ্জ্ব আজিজুর রহমান ময়না,সহ সভাপতি তফজ্জুল ইসলাম,আনোয়ার হুসেন মেম্বার,আব্দুস শহীদ সানুর মেম্বার।ইউনিয়ন বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম,ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাক তাপাদার কানন, ক্রিড়া সম্পাদক আব্দুল হাছিব,যুবদল নেতা বাহার উদ্দিন, জামিল আহমদ,আব্দুস শুক্কুর,উপজেলা ছাত্রদল নেতা নাদের আহমদ,উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক কাওছার আহমদ,উপজেলা ছাত্রদল নেতা জুনেদ আহমদ, কে আই সবুজ, শাহীন আহমদ,আতিকুর রহমান,তারেক মুন্না, মাজহারুল ইসলাম,মুর্শেদ আহমদ,বিলাল আহমদ, শাকিল আহমদ প্রমুখ।
উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপি নেতাদের নিয়ে ইউনিয়নের ৯ ওয়ার্ডে নির্ধারিত পরিবারের হাতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন।

বাংলাদেশী শ্রমিকদের পাঠিয়ে দিচ্ছে বিভিন্ন দেশ

স্থিতিশীল শ্রমবাজার নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক

নিউজ ডেস্কঃ নভেল করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে হুমকির মুখে পড়েছে বাংলাদেশের প্রবাসী শ্রমিকদের বাজার। বাংলাদেশের শ্রমবাজার হিসেবে পরিচিত সব দেশ বাংলাদেশের শ্রমিকদের ফেরত পাঠিয়ে দিচ্ছে। এরই মধ্যে গত সপ্তাহে সাড়ে তিন হাজারের বেশি প্রবাসী ফিরেছেন। আগামী কয়েক সপ্তাহে আরো ২৯ হাজার শ্রমিককে ফেরত পাঠানো হবে। মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজার নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে এক ভিডিও বার্তায় এ তথ্য দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

গতকাল ঢাকায় প্রবাসী কর্মীদের ফেরত আনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পঞ্চম আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সভাপতিত্বেও ওই বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধিরা ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন।

বৈঠকের পর ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের জানান, নভেল করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) মহামারীর পটভূমিতে প্রায় ২৯ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশী আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দেশে ফিরবেন। ওই কর্মীরা মূলত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছেন। তাদের বেশির ভাগই সেখানে বিভিন্ন অপরাধ করে কারাগারে সাজা ভোগ করছিলেন। নভেল করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের পরিপ্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সরকার তাদের ক্ষমা করে নিজ নিজ দেশে পাঠাচ্ছে। আবার অনেকে ওই দেশগুলোয় অবৈধভাবে অবস্থান করছিলেন। তারাও সাধারণ ক্ষমার আওতায় দেশে ফিরছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশী যারা বিদেশে থেকে ফিরতে চান, তাদের সবাইকে ফিরিয়ে আনা হবে। এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। গত সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্য থেকে ৩ হাজার ৬৯৫ জন বাংলাদেশী ফিরেছেন। তাদের বড় অংশই মধ্যপ্রাচ্যে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া। করোনাভাইরাসের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সরকারগুলো তাদের ক্ষমা করে দিয়েছে এবং তাদের প্রথম দিকে পাঠাচ্ছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আরো অনেকে আসবেন। আমাদের ধারণামতে, আগামী কয়েক সপ্তাহে ২৮ হাজার ৮৪৯ জন প্রবাসী আমাদের দেশে আসতে পারেন। আমরা কীভাবে ব্যবস্থা করছি, সেগুলো নিয়ে বৈঠকে আলোচনা করেছি। বিদেশে গিয়ে করোনাভাইরাসের কারণে আটকে পড়েছেন এমন বাংলাদেশীদের ভারত, জাপান, চীন, সিঙ্গাপুর থেকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। গত কয়েক দিনে ২ হাজার ৮৫৩ জনকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য থেকে আরো ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।

প্রবাসী কর্মীদের দেশে ফেরা প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কুয়েত সরকার অবৈধদের ক্ষমা ঘোষণা করেছে। যারা সাধারণ ক্ষমার সুযোগ নিয়ে নাম নিবন্ধন করেছেন তাদের বিভিন্ন ক্যাম্পে রাখা হয়েছে। কুয়েতে প্রায় সাড়ে চার হাজার বাংলাদেশী বিভিন্ন ক্যাম্পে আছেন। শোনা যাচ্ছে, ক্যাম্পে ঠিকমতো খাবারদাবার দেয়া হচ্ছে না। এ বিষয়ে বাংলাদেশ মিশনকে উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কুয়েত সরকার যখনই চাইবে আমরা তাদের নিয়ে আসব। কুয়েত সরকার ১৯০ জনের তালিকা পাঠিয়েছিল। আমরা সম্মতি দিয়েছি। ১৪৪ জন ফিরেছেন। এয়ারলাইনস চালু হলে যখনই ফ্লাইট সিডিউল দেবে, তখনই সবাইকে আমরা নিয়ে আসব।

মন্ত্রী জানান, মালদ্বীপ থেকে আজ ৪০০ জন ফিরবেন। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ১ হাজার ৫০০ জনকে পাঠাবে। অবশ্যই আমরা তাদের গ্রহণ করব। মালদ্বীপে প্রবাসীদের যাতে সমস্যা না হয়, সেজন্য খাবার দিয়েছি। আগামীতে আরো দেব।’

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইউএইতে যথেষ্ট প্রবাসী বাংলাদেশী আটকে আছেন। ইউএই সরকার সবাইকে বলছে নিয়ে আসতে। শুধু আমরা আনছি না, পাকিস্তান ও ভারত আনছে। ভারতের প্রায় ১ লাখ ৯৭ হাজার কর্মীকে ইউএই থেকে ফেরত নেয়ার কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগামীতে সবচেয়ে বেশি ফিরবে কুয়েত থেকে। সৌদি আরব কতজনকে পাঠাবে সে বিষয়ে সংখ্যা এখনো দেয়নি। তবে ৪ হাজার ২৬২ জনের আসার সম্ভাবনা আছে। জর্ডান থেকে কর্মী ফেরত আসার সম্ভাবনা আছে। ওমান থেকে এক হাজার প্রবাসী বাংলাদেশী ফিরতে পারেন। লেবাননে অনেকে বেশ ঝামেলায় আছেন। ইরাকে বড়সংখ্যক লোকের চাকরি চলে গেছে। তাদের কীভাবে ফিরিয়ে আনা যায়, তা আমরা ভাবছি। সুত্রঃ বণিক বার্তা

সিলেটের হলি গেইট হোটেলে ‘করোনাযোদ্ধা’দের আবাসনের ব্যবস্থা করা হলো

ছবি প্রতিকি

নিউজ ডেস্কঃ সিলেটে করোনা (কোভিড-১৯) চিকিৎসায় জড়িত চিকিৎসক ও নার্সদের জন্য হোটেল নিশ্চিত হয়েছে। হোটেল কর্তৃপক্ষের সাথে আজ বুধবার ‘জেন্টলম্যান অ্যাগ্রিমেন্ট’ করেছে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, নগরীর দরগাহ গেইটস্থ হোটেল হলি গেইটে সিলেটের ‘করোনাযোদ্ধা’দের আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেটের সিভিল সার্জন ড. প্রেমানন্দ মন্ডল ও ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায়।

ডা. হিমাংশু লাল রায় বলেন, ‘হোটেল হলি গেইটের সাথে জেন্টলম্যান অ্যাগ্রিমেন্ট হয়ে গেছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। যতোদিন প্রয়োজন ততোদিন হোটেলের সাথে চুক্তি থাকবে।’

তিনি জানান, গেল কয়েকদিন ধরে করোনা চিকিৎসার সাথে জড়িতদের নগরীর কাজলশাহ এলাকার সিটি হোটেলে রাখা হচ্ছিল। আজ বুধবার থেকে চিকিৎসক ও নার্সরা হোটেল গলি গেইটে ওঠতে শুরু করবেন।

তবে হোটেল কর্তৃপক্ষের সাথে মাসিক ভিত্তিতে নাকি কিভাবে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, তা খোলাসা করতে চাননি হিমাংশু লাল রায়।

শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের সহ-স্বাস্থ্যকর্মীদের সিলেট শহরতলির খাদিমনগরস্থ বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (বিআরডিটিআই) রেস্ট হাউজে রাখার কথা থাকলেও সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে কর্তৃপক্ষ। এখন থেকে এ হাসপাতালের সবাই ডিউটি শেষে হোটেল হলি গেইটেই উঠবেন।

চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী সবার আবাসন, খাবার ও যাতায়াতের ব্যয় সরকারই বহন করবে।

জানা গেছে, সিলেটে করোনাক্রান্ত রোগীদের যারা চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন, তাদের সুরক্ষার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। চিকিৎসক, নার্সরা করোনাক্রান্ত রোগীদের সেবা দিয়ে নিজেদের বাসায় যেতে চান না। কারণ, এতে তাদের পরিবারের সদস্য আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা থাকে।

এ পরিস্থিতিতে চিকিৎসক, নার্সসহ চিকিৎসাসেবার সাথে জড়িত অন্যান্যদের জন্য পৃথক আবাসনের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেয় করোনা প্রতিরোধ বিষয়ক সিলেট বিভাগীয় কমিটি। এ কমিটির উদ্যোগে সিলেটে খোঁজা হয় হোটেল। কিন্তু নানা অজুহাতে কোনো হোটেলই চিকিৎসক বা নার্সদের রাখতে রাজি হয়নি। শেষপর্যন্ত হোটেল হলি গেইট কর্তৃপক্ষ চিকিৎসক-নার্সদের রাখতে সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছেন এ হোটেলের চেয়ারম্যান ও সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি এ টি এম শোয়েব।

কুমিল্লায় ২ শিশুসহ করোনা জয়ী ৭ জনকে চিকিৎসকদের শুভেচ্ছা

নিউজ ডেস্কঃ কুমিল্লার বুড়িচংয়ে করোনা জয়ী দুই শিশুসহ সাত জনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। নিয়ম মাফিক কোয়ারেন্টিন পালন ও সঠিকভাবে ওষুধ সেবনে সাত জন করোনা মুক্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৫ মে) বুড়িচং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. মীর হোসেন মিঠু এ তথ্য জানান।

সুস্থরা হলেন—জিয়াপুর গ্রামের দুই শিশু মোহাম্মদ সুদাইব, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবং তাদের ফুপু নার্গিস আক্তার। শিশু দু’টির দাদি ঢাকায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। সুস্থ হওয়া অন্যরা হলেন—বুড়িচং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. মনির হোসেন, গাড়ি চালক সাগর, বালিখাড়া গ্রামের মা সাথী আক্তার ও ছেলে মাহতাব।

ডা. মীর হোসেন মিঠু বলেন, ‘বুড়িচংয়ে আট জন আক্রান্তের মধ্যে সাত জন সুস্থ হয়েছেন। সুস্থ হওয়া ব্যক্তিদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। সবাই ঘরে থাকলে, নিয়ম মেনে চললে আক্রান্তের হার কমে যাবে। আক্রান্তরা নিয়ম মেনে চললে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।’

ছাতকে নতুন ৩ জন সহ মোট ৫জন করোনা পজেটিভ সনাক্ত

ছাতক প্রতিনিধিঃ ছাতকে আরো ৩ জন করোনা পজেটিভ রোগী সনাক্ত হয়েছে। ওই ৩ জন নিয়ে এখানে করোনা পজেটিভ রোগী ৫ জনে এসে দাঁড়ালো। মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী নমুনা সংগ্রহের প্রায় দেড় শ’ জনের মধ্যে করোনা পজেটিভ পাওয়া গেছে ৫ জন। নতুন সনাক্ত ৩ জনের মধ্যে ২জন উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের বাসিন্দা ও অপর জন ছাতক শহরের শ্যামপড়া এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। এর আগে যে ২ জন করোনা পজেটিভ সনাক্ত হয়েছে তাদের মধ্যে ১ জন ছাতক শহরের মন্ডলীভোগ-ছোরাবনগর এলাকার বাসিন্দা ও অপরজন শ্যামপাড়া এলাকার একটি কারখানার শ্রমিক। উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা ডাঃ রাজীব চক্রবর্ত্তী নতুন ৩ জন করোনা পজেটিভ রোগী সনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৮৬ জন করোনা, আক্রান্ত ১মৃত


ডেক্স রিপোর্টঃ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৮৬ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে।এ নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দশ হাজার ৯২৯। করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও ১ জন। এ নিয়ে দেশে মোট মারা গেছেন ১৮৩ জন।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে করোনার সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।এর আগে সোমবার দেশে ৬৮৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয় ও ৫ জনের মৃত্যু হয়।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত ৪ এপ্রিল সারাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৬১ জন। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে ৪ মে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১০ হাজার ১৪৩ জনে। একমাসে করোনা রোগী বেড়েছে ১০ হাজার ৭৩ জন। এছাড়া ৪ এপ্রিল দেশে শনাক্ত হয়েছিলো ৯ জন করোনা রোগী। ৪ মে শনাক্ত হয় ৬৮৮ জন।

গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা শুরু করে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম রোগী শনাক্ত হয়।

উত্তর পকুয়া যুবসমাজের উদ্দোগে ২য় দফায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ


ইবাদুর রহমান জাকির, বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৩নং নিজ বাহাদুর পুর ইউনিয়নের উত্তরপকুয়া যুব সমাজের উদ্দ্যোগে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া শ্রমিক ও দিনমজুর অসহায়-সুবিধা বনঞ্চিতদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার(৫মে)দুপুরে উত্তর পকুয়া ও দৌলতপুর গ্রামের কর্মহীন শতাধিক শ্রমিকদের মাঝে যুবসমাজ ও প্রবাসীদের অর্থায়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।এসময় উপস্থিত ছিলেন উত্তর পকুয়া যুবসমাজের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দীন পংকি তিনি বলেন, করোনা হলো মহামারী আল্লাহর গজব এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সরকারি নির্দেশনা মানতে গিয়ে যারা কর্মহীন হয়ে পড়েছে তাঁদের পাঁশে দাঁড়িয়েছে উত্তর পকুয়া যুব সমাজ খাদ্য সামগ্রীয় সহায়তা নিয়ে,আমি তাদের কে ধন্যবাদ জানাই। কর্মহীন যে সকল মানুষ কাজ না পেয়ে সহায় হয়ে পড়েছে তাদের জন্য আমাদের সকলের নৈতিক দ্বায়িত্ব হলো সহযোগীতার হাত কে অবমুক্ত করা ।
এছাড়া উত্তর পকুয়া যুবসমাজের সভাপতি হারুনুর রশীদ বলেন আমরা গ্রামের প্রবাসীদের সাহায্যের মাধ্যমে দ্বিতীয় বারের মতো দুস্থ ও কর্মহীনদের বাড়ি বাড়ি খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিচ্ছি এ জন্য মহান মাবুদের শুকরিয়া আদায় করছি। যুবসমাজের সেক্রেটারি মাওঃমোঃ আব্দুন নুর বলেন কর্মহীন মানুষের মাঝে আমরা জন প্রতি ১০ কেজি চাল,২ কেজি আলু,২লিটার তেল,২ কেজি পিয়াজ,২ কেজি ময়দা,২কেজি চিনি, খাদ্য সামগ্রী মাসের মধ্যে দুইবার বিতরণ করতে সক্ষম হয়েছি এতে যুবসমাজ ও প্রবাসীদের অবদান অতুলনীয়।খাদ্য সামগ্রী বিতরণে আরও উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্স প্রবাসী খয়রুল ইসলাম, আজাদ আহমদ ও সাংবাদিক সাদেক প্রমুখ ।

জুড়িতে আরো একজন করোনা সনাক্ত

জুড়ি প্রতিনিধিঃমৌলভীবাজারের জুড়ি থেকে করোনাভাইরাসের সংগৃহিত নমুনার ফলাফলে নতুন আরও একজন কোভিড-১৯ আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছেন। সোমবার (৪ মে) রাত এগারোটায় তথ্য নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) সমরজিৎ সিংহ।

তিনি বলেন, শনাক্ত ব্যক্তির বাড়ী উপজেলার জাংগিরাই এলাকায়। বাড়ী লকডাউনসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আমরা সেখানে যাচ্ছি প্রশাসন সহ।

আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর অর্থায়নে ৫৫০ পরিবারের মধ্যে খাদ্য বিতরণ


ইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ আলহাজ্জ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর অর্থায়নে ১০ হাজার পরিবারে খাদ্য সহায়তার অংশ হিসেবে (৪মে) দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নে ৫৫০ পরিবারের মধ্যে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়। ,এতে মৌলভীবাজার ১ (বড়লেখা-জুড়ি) নির্বাচনী এলাকার বিগত সংসদ নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্জ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর এ নির্বাচনী এলাকায় ১০ হাজার পরিবারে খাদ্য সহায়তা কর্মসুচি এগিয়ে চলছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশ নায়ক তারেক রহমানের আহবানে সাড়া দিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে জনাব মিঠু এ কর্মসুচি তে অর্থায়ন করছেন এবং বাস্তবায়ন করছে সংশ্লিষ্ট ইউনিট বিএনপির কমিটি সমুহ আর সমন্বয় করছে নির্বাচনী এলাকার ২ উপজেলা ও এক পৌর কমিটি।দুপুরে দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নে এ খাদ্য সহায়তা কর্মসুচীর উদ্বোধন করেন বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক জনাব মুজিবুর রহমান খছরু।
এসময় উপস্হিত ছিলেন বড়লেখা পৌর বিএনপির সভাপতি জনাব আনোয়ারুল ইসলাম,উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান,উপজেলা প্রচার সম্পাদক ও দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস স্বপন,পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, যুব বিষয়ক সম্পাদক আলতাফ হুসেন,ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক আনিস আহমদ মেম্বার,বিএনপি নেতা শাহজাহান উদ্দিন, যুবদল সভাপতি কামাল উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক হাদি হুসেন, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মুমিনুর রশিদ, যুগ্ন সম্পাদক নাসির হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোস্তাক তাপাদার কানন, উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র নেতা নাদের আহমদ, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক কাওছার আহমদ,উপজেলা ছাত্রদল নেতা জুনেদ আহমদ সহ বিএনপি ও অঙ্গঁ- সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মী বৃন্দ।

পীরগাছায় উপসর্গ ছাড়াই দুইজনের করোনা শনাক্ত

রংপুরের পীরগাছায় উপসর্গ ছাড়াই দুই জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। শুক্রবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা.সানোয়ার। তিনি জানান, আক্রান্তদের একজন পুরুষ ও অন্যজন নারী। দু’জনের তেমন কোনো উপসর্গ ছিল না।

আক্রান্তদের মধ্যে পীরগাছা থানায় কর্মরত এক উপ-পরিদর্শক(এসআই) ও ১৫ বছর বয়সী কিশোরী রয়েছে। গত ২৭ এপ্রিল তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ডা. সানোয়ার জানান, সরকারের গণপরিবহন বন্ধ ঘোষণার পর থেকে বাইরে থেকে মানুষের আসার সুযোগ ছিল কম। তাছাড়া এর আগে এ উপজেলায় কোনো করোনা রোগী শনাক্ত হয়নি। আক্রান্ত ওই কিশোরী বাড়িতে ছিলেন। তার বাড়িতে পরিবারের লোকজন ছাড়া অন্য কেউ যাতায়াত করেননি। উপ-পরিদর্শকও এক বছর ধরে এই থানায় কর্মরত। কীভাবে এই দুই জনের শরীরে কোভিড-১৯ পজেটিভ আসলো সেটি নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না, কেননা কারোরই তেমন কোনো উপসর্গ দেখা যায় নাই।

জানাগেছে সতর্কতার অংশ হিসেবে ২ এপ্রিল থেকে ৩ মে পর্যন্ত পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মীরসহ ১০১ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। এদের মধ্যে উপ-পরিদর্শক ও কিশোরীর শরীরে করোনাভাইরাস পজেটিভ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চত করা হয়।

সুত্রঃ ইত্তেফাক

পীরগাছায় উপসর্গ ছাড়াই দুইজনের করোনা শনাক্ত

রংপুরের পীরগাছায় উপসর্গ ছাড়াই দুই জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। শুক্রবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা.সানোয়ার। তিনি জানান, আক্রান্তদের একজন পুরুষ ও অন্যজন নারী। দু’জনের তেমন কোনো উপসর্গ ছিল না।

আক্রান্তদের মধ্যে পীরগাছা থানায় কর্মরত এক উপ-পরিদর্শক(এসআই) ও ১৫ বছর বয়সী কিশোরী রয়েছে। গত ২৭ এপ্রিল তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ডা. সানোয়ার জানান, সরকারের গণপরিবহন বন্ধ ঘোষণার পর থেকে বাইরে থেকে মানুষের আসার সুযোগ ছিল কম। তাছাড়া এর আগে এ উপজেলায় কোনো করোনা রোগী শনাক্ত হয়নি। আক্রান্ত ওই কিশোরী বাড়িতে ছিলেন। তার বাড়িতে পরিবারের লোকজন ছাড়া অন্য কেউ যাতায়াত করেননি। উপ-পরিদর্শকও এক বছর ধরে এই থানায় কর্মরত। কীভাবে এই দুই জনের শরীরে কোভিড-১৯ পজেটিভ আসলো সেটি নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না, কেননা কারোরই তেমন কোনো উপসর্গ দেখা যায় নাই।

জানাগেছে সতর্কতার অংশ হিসেবে ২ এপ্রিল থেকে ৩ মে পর্যন্ত পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মীরসহ ১০১ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। এদের মধ্যে উপ-পরিদর্শক ও কিশোরীর শরীরে করোনাভাইরাস পজেটিভ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চত করা হয়।

সুত্রঃ ইত্তেফাক

কাতারে করোনায় আক্রান্ত প্রায় ৩ হাজার বাংলাদেশি।


নাহিদ আহমদ : কাতারে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে প্রায় তিন হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি আক্রান্ত হয়েছেন। এত বেশি বাংলাদেশি আক্রান্ত হাওযায় আতঙ্ক বিরাজ করছে কমিউনিটিতে। ২৫ লাখ জনসংখ্যার ছোট দেশটিতে ৪ বাংলাদেশিসহ মারা গেছেন ১২ জন। আক্রান্ত হয়েছেন সাড়ে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ।

কাতার স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের ১৮ ভাগই প্রবাসী বাংলাদেশি। সংখ্যার হিসাবে প্রায় ৩ হাজার। এ অবস্থায় আতঙ্কিত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। রয়েছে খাদ্য সংঙ্কটও। করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঝুঁকিতে থাকা প্রবাসীদের কেউ কেউ চাকরিও হারিয়েছেন। এসব প্রবাসীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রবাসী বিভিন্ন সংগঠন।

সংক্রমণ ঝুঁকিতে সিলেট, লকডাউনেও বাজার-ব্যাংকে জটলা

নিউজ ডেস্কঃ করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে মানুষকে সুরক্ষায় লকডাউন ঘোষণা করে সিলেটে জেলা প্রশাসন। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বেরোতে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। যানবাহন চলাচলেও রয়েছে বাধা নিষেধ। কিন্তু এ অবস্থায় জেলার ব্যাংক পাড়া লোকে লোকারণ্য।

কেবল ব্যাংক নয়। নগরের কাঁচা বাজার ও সবজি মার্কেটেও মানুষের ভিড় দেখা গেছে। করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষায় শারীরিক দূরত্ব মেনে চলার কথা থাকলেও এর প্রতিফলন হচ্ছে না ব্যাংক পাড়া ও হাট-বাজারে।

রোববার (০৩ এপ্রিল) সিলেটের সরকারি-বেসরকারি কয়েকটি ব্যাংকে মানুষের ভিড় লক্ষ্যণীয় ছিল। এছাড়া সওদা কিনতে সড়কের পাশের বাজারগুলো ছিল যেন লোকে লোকারণ্য।

এদিন ব্যাংক খোলার সঙ্গে সঙ্গে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েছেন গ্রাহকরা। কথা বলে জানা গেছে, অনেকে ব্যাংক খোলার নির্ধারিত সময় সকাল ১০টার আগেই লাইনে এসে দাঁড়ান।

ব্যাংকের মানুষের জটলাসরেজমিনে দেখা যায়, নগরের বারুতখানা ডাচ বাংলা ব্যাংকে গ্রাহকদের উপচেপড়া ভিড়। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে গ্রাহকরা সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে টাকা উত্তোলনের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। একই অবস্থা ছিল নগরের তালতলা ইসলামী ব্যাংকে। গ্রাহকরা ফুটপাতে লাইনে অপেক্ষমাণ থাকতে দেখা গেছে। আর নগরের জিন্দাবাজার সোনালী ব্যাংকের করপোরেট শাখায় প্রতিটি সেবা শাখায় রীতিমত লোকজন হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন। গ্রাহকদের ভিড় সামলাতে সংশ্লিষ্টদের হিমশিম খেতে হয়।

এছাড়া নগরের লালদিঘীর পাড় ও কালিঘাট এলাকায় নিত্যপণ্য কিনতে ছিল সহস্রাধিক মানুষের আনাগোনা। শারীরিক দূরত্ব মানা দূরে থাক, অধিকাংশ লোকজন নিজেদের সুরক্ষায় মুখে মাস্কও ব্যবহার করেননি। ফলে মানুষকে শারীরিক দূরত্ব মানাতে প্রশাসনও যেন অপারগ হয়ে হাল ছেড়ে দিয়েছে।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেটের সহকারী পরিচালক ডা. আনিসুর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, সিলেটে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এরপরও শারীরিক দূরত্ব না মানা বা ঘরে না থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক। ব্যাংক বা হাট-বাজার বলেন, এদের মধ্যে কেউ একজন আক্রান্ত হলে আরও ১০ জন সংক্রমিত হবেন। এভাবে চলতে থাকলে করোনা মোকাবিলার সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যাবে। সুত্রঃবাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকাফেরৎ ব্যক্তিকে ‘কোয়ারেন্টিনের’ ভয় দেখিয়ে এসআইয়ের চাঁদা দাবি!

ছবি প্রতিকি

অসুস্থতার কথা বলে ছুটি নিয়ে পাশের থানায় গিয়ে এমন ঘটনা ঘটান তিনি

নিউজ ডেস্কঃ ঢাকাফেরৎ এক ব্যক্তিকে “হোম কোয়ারেন্টিনে রাখার” ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবির অপরাধে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মানিক মিয়াকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগ, অসুস্থতাজনিত (মেডিকেল) ছুটি নিয়ে কর্মস্থল ছেড়ে পার্শ্ববর্তী তাড়াশ থানায় গিয়ে এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ এপ্রিল ভুক্তভোগীর স্ত্রী উল্লাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করেন। ওসি বিষয়টি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানান।

অবশেষে বুধবার (২৯ এপ্রিল) “দায়িত্ব অবহেলার” কারণ দেখিয়ে এসআই মানিককে উল্লাপাড়া থেকে প্রত্যাহার করা হয়। ঢাকা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উল্লাপাড়ার ওসি দীপক কুমার।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী আবুজল প্রামাণিক তাড়াশ উপজেলার তালোম শিবপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। স্বল্প আয়ের এই ব্যক্তি ঢাকায় থাকেন। গত মার্চে দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকেই তিনি গ্রামের বাড়িতে এসে আটকা পড়েন। জীবিকার তাগিদে প্রায় এক মাস যাবৎ তিনি স্থানীয়ভাবে মাস্কের ব্যবসা শুরু করেন। গত ২৩ এপ্রিল তাকে “হোম কোয়ারেন্টিনে” রাখা হবে এমন হুমকি টাকা দাবি করেন অভিযুক্ত এসআই মানিক।

ওসি দীপক বলেন, “পুলিশ সুপার কার্যালয়ের এক আদেশ অনুযায়ী বুধবার রাতে মানিককে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। আদেশপত্রে চাঁদা দাবির বিষয়টি না থাকলেও দায়িত্ব অবহেলার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে।”

চিকিৎসাজনিত ছুটিতে পার্শ্ববর্তী থানায় গিয়ে এসআইয়ের চাঁদা দাবির ঘটনাটি ন্যাক্কারজনক বলে মন্তব্য করেন ওসি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে বৃহস্পতিবার রাতে অভিযুক্ত এসআই মানিক মিয়ার ব্যক্তিগত মুঠোফোনে কল করে ঢাকা ট্রিবিউন। সাংবাদিক পরিচয় শুনে তাৎক্ষণিক তিনি সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন।

প্রসঙ্গত, এর আগেও দায়িত্বে অবহেলা ও গাফিলতির অপরাধে মানিক মিয়ার বিরুদ্ধে উল্লাপাড়ায় থানার সিনিয়র সহকর্মীরা দু’টি সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন।

বিষয়টি সম্পর্কে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু ইউসুফ বলেন, “বিষয়টি বিব্রতকর। তারপরেও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” সুত্রঃ ঢাকা ট্রিবিউন

ইন্টারনেট থেকে শিখে করোনা ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ করছেন ছাতকের তরুণ চিকিৎসক

ছাতকে ঘুরে ঘুরে নমুনা সংগ্রহ করছেন ডা. তোফায়েল ও তার সহযোগীরা। ছবিঃ ঢাকা ট্রিবিউন

নিউজ ডেস্কঃ ছাতকে ঘুরে ঘুরে নমুনা সংগ্রহ করছেন ডা. তোফায়েল ও তার সহযোগীরা। তিনি বলেন, একজন চিকিৎসকের কখনোই রোগকে ভয় পাওয়া উচিত নয়। সব কিছু জেনে-বুঝে শুনে চিকিৎসা পেশায় এসেছি

গত ২৩ দিনে ৫২ জন সন্দেহভাজন কোভিড-১৯ (করোনাভাইরাস সৃষ্ট মহামারি) রোগীর শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছেন সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. তোফায়েল আহমদ সনি। ইন্টারনেটে ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব থেকে নমুনা সংগ্রহের প্রক্রিয়াটি শিখেছেন তিনি। আর দেশের এমন ক্রান্তিলগ্নে সেই স্বীয় অর্জিত বিদ্যাকে কাজে লাগিয়েছেন তিনি।

দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের শুরুতে নমুনা সংগ্রহ করতে ভয় পেতেন অনেক স্বাস্থ্যকর্মী। উপরন্তু ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ল্যাব টেকনিশিয়ান বয়স্ক ও ডায়বেটিকস রোগী। তাই কর্মস্থলের এলাকার মানুষকে সেবা দিতে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরে সন্দেহভাজনদের নুমনা সংগ্রহ করছেন ডা. তোফায়েল আহমেদ।

মুঠোফোনে তিনি ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “মেডিকেল কলেজে ইন্টার্নশিপ করার সময় ইউটিউব থেকে নমুনা পরীক্ষার বিষয়ে প্রাথমিক ধারণা লাভ করি। পরে চীনে কোভিড-১৯ মহামারি দেখা দিলে সেখানকার প্রশিক্ষিত প্যাথলজিস্টরা কীভাবে নমুনা সংগ্রহ করেন ইন্টারনেট ঘেঁটে তা জানার চেষ্টা করি। টানা ১০ দিন চীনের প্যাথলজিস্টদের নমুনা সংগ্রহের ভিডিও দেখে বেশ পরিষ্কার ধারণা পাই। ইন্টার্নিশিপের বিদ্যা ও ইন্টারনেটের ভিডিও দেখে বেশ ভালভাবেই বিষয়টি রপ্ত করি। সেগুলোকে পুঁজি করেই নমুনা সংগ্রহের কাজ শুরু করি। শুরুর দিনে ছাতক সদরের বাগবাড়ি আবাসিক এলাকা থেকে এক ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করি।”

এ কাজে তাকে সহযোগিতা করেন স্বাস্থ্যকর্মী স্বপন কুমার রায়।

গত ২৫ তারিখে ডা, তোফায়েল ও তার দল ছাতকের আকিজ প্লাস্টিক কোম্পানির কোভিড-১৯ রোগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করেন।

প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে ছাতকে আসা ব্যক্তিদের তালিকা থেকে প্রাথমিকভাবে সন্দেহভাজনদের চিহ্নিত করা হয়। এক্ষেত্রে চারটি বিষয় প্রধান্য দেওয়া হয়- প্রথমত: উপসর্গ (সর্দি, কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট) থাকলে, দ্বিতীয়ত: ১৪ দিনের মধ্যে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাত হলে, তৃতীয়ত: করোনাভাইরাসের রেডজোন এলাকা থেকে এলে এবং চতুর্থত: হাসপাতালে কাজ অথবা নিয়মিত যাতায়াত আছে এমন কারও সংস্পর্শে এলে।

এছাড়া ঢাকা, নরসিংদী, ময়নসিংহ, চট্টগ্রাম, গাজীপুর ও সাভারফেরৎ সন্দেহভাজনদের শরীর থেকেও নমুনা সংগ্রহ করেন তারা।

এলাকায় ঘুরে ঘুরে এভাবে নমুনা সংগ্রহের কথা শুনে স্বজন, শুভানুধ্যায়ী ও বন্ধুরা সবাই না করেছে।

কিন্তু সাহসী এই চিকিৎসক বলেন, “আমার কাছে বিষয়টি দেশের জন্য যুদ্ধে যাওয়ার মতো।”

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে মারা যাওয়া চিকিৎসক মঈন উদ্দিনের দাফন কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নেওয়া একমাত্র চিকিৎসকও ডা. তোফায়েল।

তিনি বলেন, গ্রামাঞ্চল থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে গিয়ে অনেক প্রতিকুলতার মোকাবেলা করতে হয়। নমুনা পরীক্ষার সময় সন্দেহভাজনরা সহযোগিতা না করতে চাইলে অনেক বুঝিয়ে-শুনিয়ে রাজি করতে হয়। শুরুতে তাদের বোঝানোর কাজটি করেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। তারপরেও অনেকে নমুনা দিতে চান না। সেক্ষেত্রে দীর্ঘক্ষণ কথা বলে আস্থা অর্জন করে কাজ করতে হয়।

একজনের কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে তিনজন স্বাস্থ্যকর্মীর প্রয়োজন। একজন সংগ্রহ করেন, একজন তাকে সহায়তা করেন এবং আরেকজন তথ্য লিখেন।

ডা. তোফায়েলের নেতৃত্বে ছাতকে তিনটি টিম নমুনা সংগ্রহের কাজ করছে। প্রতিটি টিমে ৭ থেকে ৮ জন করে লোক থাকেন।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের শুরুর দিকে ছাতকের স্বাস্থ্যকর্মীদের এ বিষয়ে তেমন কোনো প্রশিক্ষণ ছিলো না। এই সঙ্কটের মুখে তোফায়েল সরাসরি মাঠে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিলে পরিবারের সবাই নিষেধ করেন। তবে মা তাকে অভয় দেন। মায়ের উৎসাহে তিনি দ্ব্যর্থহীন চিত্তে ঝাঁপিয়ে পড়েন।

ডা. তোফায়েল জানান, নিজে আক্রান্ত না হলে ছাতকে কাজ করে যাবেন তিনি।

“একজন চিকিৎসকের কখনোই রোগকে ভয় পাওয়া উচিত নয়। সব কিছু জেনে-বুঝে শুনে চিকিৎসা পেশায় এসেছি।”

তার এমন অকুতোভয় উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন স্থানীয়রা।

ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাজীব চক্রবর্তী বলেন, চিকিৎসকরা সাধারণত সরাসরি নমুনা সংগ্রহের কাজটি করেন না। তাদের কাজ বিষয়টির সার্বিক তত্ত্বাবধান করা। কিন্তু ডা. তোফায়েল আহমদ সনি স্বেচ্ছায় কাজটি করছেন। তিনি একজন নিবেদিতপ্রাণ চিকিৎসক।

তরুণ এই চিকিৎসকের প্রশংসা করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. গোলাম কবির জানান, “সব ভয়ভীতি ও দ্বিধা কাটিয়ে তিনি যেভাবে একাই নমুনা সংগ্রহের কাজ করে যাচ্ছেন, তা প্রশংসনীয়। তিনি ছাড়াও অনেকেই এই সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তাদেরকেও আমরা ধন্যবাদ জানাই। আশা করি সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা এই সঙ্কট কাটিয়ে উঠবো।”

সুনামগঞ্জ ৫ আসনের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক বলেন, “ডাক্তার তোফায়েল আহমদ সনি একজন নিবেদিতপ্রাণ চিকিৎসক। মহামারির সময় তিনি মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে যে অন্যন্য ভুমিকা পালন করছেন তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।”

২ এপ্রিল থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত ডা. তোফায়েল সংগ্রহ করেছেন ৫২ জনের নমুনা। সুত্রঃ ঢাকা ট্রিবিউন

করোনায় প্রথম পুলিশযোদ্ধা কুমিল্লার বুড়িচংয়ের সন্তান না ফেরার দেশে চলে গেলেন।

ডেস্ক রিপোর্টঃ করোনা মোকাবেলায় মাঠ পর্যায়ের প্রধান সম্মুখ যোদ্ধা বাংলাদেশ পুলিশের এক গর্বিত সদস্য কনস্টেবল মোঃ জসিম উদ্দিন (৪০) করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

চলমান করোনাযুদ্ধে দেশের সম্মানিত জনগণকে সুরক্ষিত রাখতে গিয়ে মোঃ জসিম উদ্দিনের মৃত্যুতে বাংলাদেশ পুলিশ গভীরভাবে শোকাহত। একই সাথে দেশমাতৃকার সেবায় তাঁর এমন আত্মত্যাগে বাংলাদেশ পুলিশ গর্বিত। তাঁকে হারানোর শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ পুলিশ।

করোনাযুদ্ধে আত্মউৎসর্গকারী মোঃ জসিম উদ্দিন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ওয়ারী বিভাগের একটি পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন। করোনাকালে অর্পিত দায়িত্ব পালনকালে হঠাৎ করে জ্বরে আক্রান্ত হ‌লে গত ২৫ এপ্রিল ২০২০ খ্রিঃ তাঁর নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর-এ করোনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। এরপর থেকেই তিনি কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন।

কিন্তু গতকাল ২৮ এপ্রিল ২০২০ খ্রিঃ মঙ্গলবার রাতে কোয়ারেন্টাইনে থাকা অবস্থায় হঠাৎ করেই বে‌শি অসুস্থ হয়ে পড়‌লে তাঁকে তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানকার দায়িত্বরত চিকিৎসক রাত ১০টায় জসিম উদ্দিনকে মৃত ঘোষণা করেন। আজ ২৯ এপ্রিল ২০২০ খ্রিঃ সকালে আইইডিসিআর থেকে জানানো হয়, মোঃ জসিম উদ্দিন করোনা পজেটিভ ছিলেন অর্থাৎ তিনি কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছিলেন।

বাংলাদেশ পুলিশের ব্যবস্থাপনায় মোঃ জসিম উদ্দিনের মরদেহ গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায় পাঠানো হবে। সেখানেই ধর্মীয়রীতি মেনে তাঁকে দাফন করা হবে। তিনি স্ত্রীসহ দুই মেয়ে এক ছেলেসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। করোনা যুদ্ধে আত্মোউৎসর্গকারী কনস্টেবল মোঃ জসিম উদ্দিনের পরিবারের পাশে সর্বোতভাবে থাকবে বাংলাদেশ পুলিশ।”

লিফটের নিচে চিকিৎসকের লাশ: ক্লু খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ

ফাইল ছবি

বড়লেখা ডেস্কঃ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও বিভাগীয় প্রধান ডা. এম এ আজাদ সজলের মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশায় পুলিশ। তারা এখনও এই ঘটনার ক্লু খুঁজছে। এদিকে মঙ্গলবার রাতে তার ছোটভাই বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের ‍আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. রাসেল।

মামলার বাদী ডা. আজাদের ছোট ভাই ডা. শাহারিয়ার উচ্ছাস জানান, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে ঢাকার কেরানীগঞ্জের ইমামবাড়ি কবরস্থানে দাফন করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার বিকালে মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মসজিদ প্রাঙ্গণে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. রাসেল বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৯ জনকে থানায় নিয়ে ‍আসা হয়েছিল। ‍তাদের মঙ্গলবার থেকে বুধবার ১২টা পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কয়েকজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে মামলার তদন্তের স্বার্থে তাদের আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ‘ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এখনও হাতে ‍আসেনি। প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য জানা সম্ভব হবে। বিষয়টিকে আমরা অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চালাচ্ছি।’

প্রসঙ্গত ডা. এম এ আজাদ সজলের পরিবার ঢাকার কেরানীগঞ্জে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন। তিনি একা বরিশাল নগরীর কালিবাড়ি রোডের মমতা স্পেশালাইজড হাসপাতালের সপ্তম তলার একটি কক্ষে থাকতেন। মঙ্গলবার সেহেরির সময় ঢাকা থেকে তার স্ত্রী মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানান। পরে

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে খুঁজে না পেয়ে বিষয়টি পুলিশকে জানায়। এরপর পুলিশের উপস্থিতিতে তার কক্ষের দরজা ভেঙেও সেখানে পাওয়া যায়নি। পরে ১০ তলা হাসপাতালের সব জায়গাতে খুঁজে লিফটের নিচের কুঠুরিতে তার মরদেহ পাওয়া যায়। সুত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন

কোয়ারেন্টিন নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১

নীলফামারীর ডোমারে প্রতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংর্ঘষে সুমন ইসলাম (১৮) নামে এক তরুণ নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার গোমনাতি ইউনিয়নের উত্তর গোমনাতি এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। মধ্যরাতে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুমনের মৃত্যু হয়। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে ডোমার থানার ওসি মো. মোস্তাফিজার রহমান নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সুমন ওই এলাকার হারুন-অর রশীদের ছেলে। উপজেলার গোমনাতি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ জানান, ‘উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশে ঢাকা থেকে আসা চার জনকে উত্তর গোমনাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়। ওইদিন বিকালে কোয়ারেন্টিনে থাকা ব্যক্তিরা টয়লেটে যাওয়ার জন্য স্কুল ঘরের বাইরে এলে মালেক নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে। সেটি দেখে ফেলে রাকিব ইসলাম (২০)। সে মালেককে বলে, তুই কোয়ারেন্টিনে থাকা লোকদের কাছে গেছিস। তুই আমাদের এলাকায় আসতে পারবি না। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। এসময় সুমন তাদের ঝগড়া করতে নিষেধ করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই গ্রামের ক্যাম্পপাড়া এলাকার সুলতান উদ্দিনের ছেলে রাকিব (২০) একটি গাছের ডাল দিয়ে সুমনের ঘাড়ে আঘাত করে। এতে সুমন মাটিতে পড়ে যায়।’

তিনি জানান, এলাকাবাসী সুমনকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

ডোমার থানার ওসি মো. মোস্তাফিজার রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে। দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেফতার করা হবে। সুত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন

করোনায় ভাইরাসের পজিটিভ রিপোর্ট নিয়ে কর্মস্থলে যোগদান।

ছবিঃ প্রতিকি

বড়লেখা ডেস্কঃ ঢাকা ফেরত পিরোজপুর সদর উপজেলার এক গার্মেন্ট কর্মীর নমুনা পরীক্ষায় জানা গেছে তিনি করোনা পজিটিভ। কিন্তু রিপোর্ট আসার আগেই তিনি ঢাকার আশুলিয়ায় তার কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) পিরোজপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শিশির রঞ্জন অধিকারী এ তথ্য জানিয়েছেন।

ডা. শিশির রঞ্জন অধিকারী বলেন, ‘সিকদার মল্লিক ইউনিয়নের চালিতাখালী গ্রামের বাসিন্দা ওই ব্যক্তি ঢাকার আশুলিয়া থেকে গ্রামের বাড়িতে আসার পর গত ২৩ এপ্রিল নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়। সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে তার করোনাভাইরাস পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এরপর আমরা তার বাড়িতে গিয়ে জানতে পারি তিনি ২৫ এপ্রিল কর্মস্থল আশুলিয়ায় চলে গেছেন।’

পিরোজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বশির আহমেদ জানান, সোমবার রাতেই করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়িটি লকডাউন করা হয়েছে। তবে আক্রান্ত ব্যক্তির আশুলিয়ার পোশাক কারখানার কর্তৃপক্ষ এবং সেখানকার থানাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। এছাড়া তার গ্রামের বাড়িতে থাকা পরিবারের অন্য সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সুত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন

ঢেউপাশী হুজুর শায়খুল হাদিস আব্দুল মুমীতের ইন্তেকাল : দেশ বিদেশে শোকের ছায়া

এম.এম আতিকুর রহমানঃ মৌলভীবাজারের রত্ন খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা শায়খুল হাদীস আল্লামা আব্দুল মুমীত ঢেউপাশী মঙ্গলবার রাত সোয়া ৯টায় সিলেট মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তিনি দীর্ঘদিন থেকে নানা রোগে দুর্বল ছিলেন। তাঁর ইন্তেকালে বৃহত্তর সিলেটসহ দেশ বিদেশের আলেমসমাজের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। আলেম, উলামা-মাশায়েখ এবং দ্বীনদার বুদ্ধিজিবীদের মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে।

তাঁর ইন্তেকালে গভীর শোক এবং পরিবার পরিজনের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন খেলাফত মজলিসের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক, কেন্দ্রীয় মহাসচিব অধ্যাপক ড.আহমদ আবদুল কাদির, মৌলভীবাজার জেলা সভাপতি মাওলানা আহমদ বিলাল, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল খালিকসহ জেলা উপজেলা খেলাফত মজলিসের নেতৃবৃন্দ।

করোনা সংক্রণ থেকে সুরক্ষার এবং দেশে চলমান প্রেক্ষাপটে লকডাউন থাকার কারণে মরহুম ঢেউপাশী (রহঃ) এর পারিবার ও আলেমসমাজের সিদ্ধান্তে ভোর ৬ ঘটিকায় খুব সংক্ষিপ্তাকারে জানাযা ও দাফন উনার বাড়ীর পাশে অনুষ্টিত হবে।

ইতোমধ্যে মৌলভীবাজার পুলিশ প্রশাসন বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করেছেন। কাউকে হুজুরের বাড়িতে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। অতএব জানাযায় অংশগ্রহণের চেষ্টা না করে যে যেখানে আছেন বেশি বেশি তেলাওয়াত, নফল নামাজ ইত্যাদি করে দোয়া করতে পারেন হুজুরের জন্য।

দেশে করোনা পরিস্থিতি না হলে হুজুরের জানাযায় লক্ষাধিক আলেম-উলামাসহ ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশগ্রহণ করতেন এ জানাজা স্বরণীয় হয়ে থাকত।

হুজুর বৃহত্তর সিলেট বিভাগ তথা দেশের প্রবীণ শীর্ষ আলেম এবং ঐতিহ্যবাহী বরুনা মাদ্রাসার বর্তমান শায়খুল হাদিস। আল্লামা ঢেউপাশী (রাহ.) ছিলেন প্রবীণ প্রচারবিমুখ আলেমে দ্বীন অন্যতম ওরাসাতুল আম্বিয়া। গহরপুর জামেয়া থেকে ফারিগ হয়ে মৌলভীবাজার জামেয়া দ্বীনিয়া প্রতিষ্ঠিত করতে অন্যতম পুরোধার ভুমিকা পালন করেন। দীর্ঘদিন সেখানে বুখারীর দারস প্রদানকালে অধমও তাঁর সান্নিধ্য লাভে ধন্য হই। সিলেটের জামেয়া মাদানিয়া কাজিরবাজার মাদরাসার ১২ বছরে হাদীসের খেদমত করে আমৃত্যু তিনি ঐতিহ্যবাহী বরুণা মাদরাসার প্রায় ১ যুগ শায়খুল হাদিসের আসনে অধিষ্ট ছিলেন। তিনি হাজারো ছাত্রছাত্রীর প্রিয় শিক্ষক হিসেবে সমাদৃত ও সুপরিচিত ছিলেন। তাঁর হাতেগড়া অগণিত ছাত্রছাত্রী আজ দেশ বিদেশে বিভিন্ন আসনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

ঢেউপাশী হুজুরের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করছেন মঙ্গলবার রাতে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক শোকবার্তায় মানুষ গড়ার কারিগর ঢেউপাশির জীবন অবসানের মাধ্যমে ইলমে হাদিসের কানন থেকে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ঝরে পড়লো। হুজুরের ইন্তেকালে সিলেটবাসী একজন বরেণ্য ও নিভৃতচারী আলেমেদ্বীন হারালেন। তাঁর শুণ্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। মরহুমের শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে ঢেউপাশির হুজুরের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাভিভূত পরিবার পরিজন মুহিব্বিনন, মুতায়াল্লিকিনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে সকলকে সবরে জামিলের তৌফিক কামনা করেন।

আহ! একে একে সব আসাতিজায়ে কেরাম আমাদেরকে ইয়াতীম করে চলে যাচ্ছেন। যে বিচ্ছেদ সহ্য করা বড় কঠিন। আমার বোখারী শরীফের অন্যতম উস্তাদ শায়খুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক, আল্লমা আব্দুল্লা দরখাস্তি, আল্লামা ইসহাক, মাওলানা নেজাম উদ্দিন রাহিমাহুল্লাহ প্রমুখ কেউই আজ দুনিয়ায় নেই। আল্লাহ তায়ালা সকলের দরজা বুলন্দ করুন এবং সবাইকে জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মাকাম দান করুন।

আমার জীবনে যে ক’জন শফিক উস্তাদের সান্নিধ্য পাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল, আল্লামা আবদুল মুমিত ঢেউপাশি হুজুর তাদের অন্যতম। আজ তিনিও চলেগেলেন পরম প্রিয় মাওলার সান্নিধ্যে। এই মহামারি সময়ে হুজুরের জানাযায় শরীক হতে না পারা, শেষ বিদায় জানাবার সুযোগ না পাওয়ার বেদনা বড় পীড়াদায়ক। আল্লাহ তোমার এই মুখলিস বান্দাকে জান্নাতের উঁচু মাক্বাম দাও। আমাদের সকলকেই ধৈর্য ধরার তৌফিক দাও।

হুজুর প্রায় ৭০ বছর বয়সে স্ত্রী ৩ ছেলে ২ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন

বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা ব্যক্তি কক্সবাজারের জিন্নাত আলী আর নেই

বড়লেখা ডেস্কঃ বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা ব্যক্তি কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া বড়বিল গ্রামের জিন্নাত আলী আর নেই। মস্তিস্কে টিউমার আক্রান্ত জিন্নাত গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

আজ (২৮এপ্রিল) ভোরে ইন্তেকাল করেন। ইন্না…রাজিউন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ২৪ বছর। তার পিতার নাম আমির হামজা।

জিন্নাত আলীর উচ্চতা ছিল ৮ ফুট ৮ ইঞ্চি। ওজন ছিল ১৩০ কেজি। তার এই উচ্চতা মোটেও স্বাভাবিক ছিল না। হরমোনজনিত সমস্যায় তিনি বিপাকে ছিলেন। ফলে অনেক দিন থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়েও তিনি চিকিৎসা নিয়েছেন।

জিন্নাত আলীর পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা যায়, জিন্নাত দেশের সবচেয়ে দীর্ঘকায় মানুষ। তার এই উচ্চতার জন্য পরিবারের লোকজন গর্বিত ছিলেন না। বরং তারা মনে করতেন, অভাব ও দারিদ্র্যের কারণে সুচিকিৎসার অভাবে উচ্চতা থামানো যায়নি।

জিন্নাত স্বাভাবিক মানুষের মত জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং সেভাবেই বড় হচ্ছিলেন। ১২ বছর বয়স পর্যন্ত তার গ্রথ স্বাভাবিক ছিল। ১২ বছর বয়সের পর থেকে তিনি অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকেন।

জিন্নাতের প্রচুর খাবার প্রয়োজন হতো। প্রতিবেলায় এক কেজি চালের ভাত, আর প্রচুর পরিমাণে তরকারি লাগতো। পরিবার সেটা ঠিকমতো দিতে পারতো না। অতিরিক্ত উচ্চতার জন্য জিন্নাত আলী তেমন কোন কাজও করতে পারতেন না।

বড়লেখায় বোরো ধান কেটে দিলেন স্কুল শিক্ষক ও শিক্ষার্থী

দৈনিক বড়লেখাঃ করোনা পরিস্থিতিতে চলছে ধানা কাটা শ্রমিক সংকট। এ অবস্থায় কৃষকের জমির বোরো ধান কেটে দিলেন বড়লেখা উপজেলার ১নং বর্নি ইউনিয়নের পাকশাইল আইডিয়াল হাইস্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এর ২১ এপ্রিল ২০২০ ইং তারিখের প্রেরিত পত্রের প্রেক্ষিতে (২৮এপ্রিল) মঙ্গলবার সকালে পাকশাইল আইডিয়াল হাইস্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী (পুরুষ) মিলে পাকশাইল গ্রামের দরিদ্র কৃষক মো. নুর উদ্দিন মিয়ার প্রায় ৩০ শতক জমির বোরো ধান কাটায় সহযোগিতা করেন।

প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে ধান আহরণ কাজে নিযুক্ত ছিলেন- বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ রেহান উদ্দিন, মো. সোহরাব হোসাইন, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বিদ্যালয়ের দপ্তরি মো. ছইফ উদ্দিন।

বড়লেখার সুজানগর ইউনিয়ন পরিষদে জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

নিজস্ব সংবাদঃ বর্তমান সময়ের করোনা মহামারি প্রেক্ষাপটে করণীয় এবং বর্জনীয় কি? এ নিয়ে এক তাৎপর্যপূর্ণ মিটিং করা হয় বড়লেখা উপজেলার সুজানগর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে।

সোমবারে (২৭এপ্রিল) ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব নসিব আলী সাহেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারগণ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ,আগর এসোসিয়েশনের ব্যক্তিবর্গ, আজিমগঞ্জ বাজার কমিটি, সিএনজি কমিটি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ সহ অন্যান্যরা।

সভায় প্রাথমিকভাবে কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়:

(১) বাজারে লোকজনের সমাগম কমিয়ে আনা।
(২) একজনের বেশি মোটর সাইকেলে যাতায়াত না করা।
(৩) বিকেল ৫:৩০ এরপর পর বাজারের মধ্যে কোন লোক না থাকা ।
(৪)যেহেতু বর্তমানে রমজান মাস ইফতার নিয়ে আসা যাওয়ার একটা রীতি রেওয়াজ আছে তাই বর্তমান সময়ে বিবেচনা করে আমরা ইফতার দেওয়া এবং নেওয়া থেকে বিরত থাকব কোনো ভাবেই এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
(৫) বিভিন্ন সংযোগ সড়কগুলোতে চেকপোস্ট বসানো হবে।
(৬) জনসচেতনা মূলক প্রচার চলমান থাকবে।
(৭)সিএনজি ড্রাইভার দের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র একজন আরোহী নিয়ে ব্যাংকে যাওয়ার জন্য ব্যবহার করা যাবে অন্যথায় কোন সিএনজি রাস্তায় বের হতে পারবে না।
(৮) এলাকায় কোন বাহিরের লোক আসলে সাথে সাথে ইউনিয়ন পরিষদকে অবগত করা।
ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন, নিরাপদে থাকুন,অন্যকে নিরাপদ থাকতে সাহায্য করুন,আসুন সবাই মিলে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই একমাত্র আল্লাহই পারেন আমাদের এই বিপদ থেকে উদ্ধার করতে।

বড়লেখায়ঃ সেচ্ছায় শ্রমদানে মেরামত করা হলো পূর্ব মাইজ পাড়ার রাস্তা


মোঃইবাদুর রহমান জাকিরঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পৌরসভার সীমা প্রাচীর সংলগ্ন ৬নং সদর ইউনিয়নের পূর্ব মাইজপাড়া গ্রামের ভিতর ভায়া(কেছরিগুল)পাঁচমিরের মাজার রোডে মানুষ চলাচলের রাস্তা অনুপযোগী হওয়ায় পুর্ব মাইজপাড়া গ্রামের মুরব্বিগনের নেতৃত্বে (২৭এপ্রিল)সোমবার সকালে দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন গ্রামের মুরব্বী সুনা মিয়া,আজন মিয়া,আব্দুস সত্তার,ফখরুল ইসালাম,মনাই মিয়া,আব্দুন নূর,রজব আলী। সেচ্ছায় শ্রমদানে রাস্তা মেরামতকরেন আব্দুল মজিদ, আব্দুল জলিল, আব্দুল মুহিত, আবুল হোসেন, ইমরান আহমেদ, খালেদ আহমদ, নুরুল ইসলাম, জাহিদুর রহমান, শাহজান আহমেদ, সিদ্দিকুর রহমান, আব্দুর রাজ্জাক, শামিম আহমেদ ইমন, আহমেদ ফয়জুর রহমান, আরিফ আহমেদ, কাইয়ুম আহমেদ প্রমুখ।

বড়লেখায় আরো ১নারী করোনা আক্রান্ত।

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় এবার এক নারীর শরিরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দুই জন।

রোববার (২৬ এপ্রিল) সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের পিসিঅার ল্যাবে ১৫৬ জনের নমুনা পরিক্ষা করা হয়। পরিক্ষায় বড়লেখার ১ জনের করোনা পজিটিভ আসে।

বড়লেখা উপজেলা সাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রত্নদ্বীপ বিশ্বাস আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন আক্রান্ত নারির বাসা বড়লেখা পৌর এলাকায়। তার বাসা লকডাউন করা হবে।

এর আগে শনিবার বড়লেখায় প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়।আক্রান্ত অই যুবকের বয়স অনুমান ৩৫ বছর। তিনি বর্তমানে শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি রয়েছেন। তার বাড়ি বড়লেখা দক্ষিনভাগ ইউপির উত্তর কাশেম নগর গ্রামে। তিনি সমন ভাগ চা বাগানে চা,ছোলা ও পিয়াজ বিক্রি করতেন।

“মাহতাব আল মামুন”প্রবাসে থেকেও সবার ভালোবাসায় জড়িয়ে আছেন

মাহতাব আল মামুন


ইবাদুর রহমান জাকিরঃমৌলভীবাজারের বড়লেখার উপজেলার ৫ নং দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের বিছরাবন্দ গ্রামের কৃতিসন্তান মাহতাব আল মামুন সৌদি আরব প্রবাসী। তিনি স্বদেশে এলাকার মানুষের মমতায় অসহায় দরিদ্রের কল্যাণে বড়লেখা উপজেলার মেধাবী তরুণদের সমন্বয়ে গঠন করেন এক‌টি ভিন্নধর্মী সাহিত্য ভিত্তিক সামাজিক সংগঠন “বড়লেখা পাবলিকেশন্স সোসাইটি”। এই সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে উপজেলার বিভিন্ন স্কুল,মাদ্রাসা ও এতিমখানায় সাহায্য সহযোগিতা অব্যাহত।

উপজেলায় এই সংগঠনের মাধ্যমে কয়েকটি টিউবওয়েল সহ বিভিন্ন মাদ্রাসায় হিজাব সৌরবিদ্যুৎ , সিলিং ফ্যান বিতরণ সহ অসংখ্য ছাত্র/ছাত্রীদের পঠ্য পুস্তক বিতরণ করতে সক্ষম হয়েছে।

এ ছাড়া ও বর্তমান সমাজের তরুণ লেখক লেখিকাদের সমন্বয় সুন্দর সাহিত্য প্রকাশনায় বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটি হতে প্রকাশনার বদ্ধপরিকর।

বিশ্বের মানুষ যখন করোনা প্রাদূর্ভাবে গৃহবন্দী এক দিকে অর্থনৈতিক মন্দা অপর দিকে চলছে করোনা আক্রান্তের সাড়ি সাড়ি। বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর মিছিল, সে সময়ে আজ স্বদেশের অসহায় নিম্নবৃত্ত মধ্যবৃত্তের কথা ভূলে যাননি বরং বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটির প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান মাহতাব আল মামুন অসংখ্য মানুষের মতো তিনিও সোসাইটির ব্যাবস্থাপনায় প্রবাসী প্রিয়জনদের আর্থিক সহযোগিতায় নিয়ে ইতিমধ্যে উপজেলার বেশ কিছু পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন।

উল্লেখ্য, বড়লেখাবাসীর কল্যাণে নাড়ির ঠাঁনে আরও তিনটি উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি যা একমাত্র তাহাঁর অক্লান্ত প্রচেষ্টায়, মানুষের মূখে হাসি ফুঁটানো হবে। বড়লেখা পাবলিকেশন্স সোসাইটির ব্যাবস্থাপনায় আগামী ২৯এপ্রিল উপজেলার শতাধিক পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রীয় বিতরণ করা হবে, তাছাড়া আগামী ১মে তাঁহার নিজ গ্রামে খাদ্য ও ২৫রামাজান ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হবে ।

মাহতাব আল মামুনের বাল্যকাল থেকে সমাজের কিছু করার অভিপ্রায় ছিল তাঁর ধারাবাহিকতার আলোকে মানবসেবা ইবাদাত
মনে করে সর্বদাই মানুষের পাঁশে।
আসুন আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে বড়লেখা পাবলিকেশন্স সোসাইটিসহ যে কোন সামাজিক সংগঠন কে সহযোগীতা করি “নিজে ঘরে থাকি অন্যকে ঘরে থাকতে উৎসাহিত করি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখি দেশও জাতিকে করোনা প্রাদূর্ভাব মুক্তরাখি” পাশাপাশি সাহায্যের হাত নিয়ে মানুষের পাঁশে দাঁড়াই।

বড়লেখায় করোনা রুগী শনাক্ত, পুরো গ্রাম লক ডাউন

উপজেলা প্রশাসন


মোঃইবাদুর রহমান জাকির,সিনিয়র প্রতিবেদকঃ মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার দক্ষিন ভাগের কাশেমপুরে করোনা আক্রান্ত রুগী ধরা পড়ায় শনিবার রাত২টায় ঐ ব্যক্তির গ্রাম লকডাউন (অবরুদ্ধ) করেছে উপজেলা প্রশাসন।

বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রত্নদ্বীপ বিশ্বাস শনিবার রাত দুইটায় এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, করোনা আক্রান্ত ওই ব্যক্তির বাড়ি কাশেমনগর। প্রশাসন তাঁর গ্রাম লকডাউন করেছে।  ওই ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের কেউ করোনা আক্রান্ত কিনা তা নিশ্চিত নমুনা সংগ্রহ করা হবে। তিনি এখন সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি আছেন। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরান জানান, আক্রান্ত ব্যক্তির গ্রাম লকডাউন করা হয়েছে। এখন কেউ এই এলাকায় যেতে পারবেন না। আবার কেউ বের হতে পারবেন না। 

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, আক্রান্ত ওই ব্যক্তি পুরুষ। তাঁর বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর। তিনি  গত ২০ এপ্রিল  জ্বর-কাশিসহ করোনার উপসর্গ নিয়ে সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি হন। শনিবার সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেলের পিসিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় তাঁর করোনা পজেটিভ ধরা পড়ে।  তিনি এখন সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি আছেন। ওই ব্যক্তির বাড়ি উপজেলার দক্ষিণভাগ ইউনিয়নের কাশেমনগর গ্রামে।  তিনি সমনভাগ এলাকায় ছোলা ও পিয়াজু বিক্রি করতেন।

সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে, অবশেষে বড়লেখায়ও আঘাত হেনেছে “করোনা”-মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

আচ্ছালামুআলাইকুম/আদাব,
প্রিয় সহকর্মি শিক্ষকবৃন্দ,

১.
সামনের দিনগুলো অধিকতর কঠিন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কেউ হতাশ হবেন না। ভেঙ্গে পড়বেন না। যথাযথ পথ- পদ্ধতি ও নিয়ম মেনে চলার প্রাণান্তকর চেষ্টা করবো আমরা। একে অন্যের খবর নেবো। পাশে থাকবো…

২.
আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে একটি ঘোষণা দিতে চাই যে, আপনারা লকডাউনে থাকাকালীন ছোট-বড় কোন সমস্যায় নিপতিত হলে দয়া করে একটু “নক” করবেন। যে কোন ধরণের “সার্ভিস” প্রদান করতে আমি/আমরা কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি। ঔষধ, বাজার খরচ, খাদ্য সংকটসহ বিবিধ বিষয়ে অনায়াসে আমাদের সহায়তা নিতে পারেন।
মূল্য /বিনামূল্য/ ফ্রি সবধরণের ব্যবস্থা আমরা করতে যাচ্ছি। সদিচ্ছা থাকলে কোন কিছুই অসম্ভব নয়…

৩.
এসব কাজ বাস্তবায়ন করতে ৩ টি সংস্থা আমাদের সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেছে-
ক.বড়লেখা ফ্রেন্ডস ক্লাব, ইউ. কে,
খ. বড়লেখা ব্লাড ডোনেট ক্লাব, বড়লেখা ও
গ. দূর্বার মুক্ত স্কাউট দল, বড়লেখা।

৪.
মহান সৃষ্টিকর্তা সকলের সহায় হোন। প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের জন্য নিরন্তর ভালোবাসা। শুভ কামনা।

লেখকঃ প্রধান শিক্ষক, মোহাম্মদনগর স.প্রা.বি, বড়লেখা
মোবাইলঃ০১৭৩৪৪৬১৬৯১, ০১৭৮২৬৮৬৮২৬

তারাদরমে চালু হলো ফ্রি সবজি বাজার’


ইবাদুর রহমান জাকিরঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৫নং দক্ষিন শাহবাজপুর ইউনিয়নের তারাদরম গ্রামের যুবকদের উদ্যোগে করোন প্রাদুর্ভাবে আটকে পড়া এলাকার নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেনীর মানুষের কষ্ট লাগবের কথা চিন্তা করে, এই মাহে রামজান মাসে প্রতি সাপ্তাহে একদিন এলাকায় ফ্রি সবজি( আলু, ডাল, টমেটো, ডিম, ছুলা(চানা), কাচা মরিচ, মিষ্টি কুমড়া ইত্যাদি থাকবে)ও ইফতার সামগ্রী বিতরনের আয়োজন শুরু করে শনিবার(২৫এপ্রিল)সকালে।

মহতি এই কার্যক্রমে এলাকার এক শ্রেণী যুবকের স্বর্তঃস্ফুত অংশগ্রহনে শুরু হয়। এলাকার দেশী ও প্রবাসী কিছু ভাইদের আর্থিক সহযোগিতায় ফ্রি সবজি ও ইফতার সামগ্রী বিতরনী শুরু হয়। এ অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন জসিম উদ্দিন, আশরাফুর রহমান, মুহাম্মদ খায়রুল ইসলাম, রুহেল আলিম,মাহমুদুল হাসান, আব্দুল কাইয়ুম, রুবেল আহমদ, গৌছ উদ্দিন,আফজালুর রহমান,রুবেল হোসাইন, নিজাম উদ্দিন, আমির হোসেন, মোহাম্মদ দিলু, কাশেম উদ্দিন, কাওছার আহমদ, আবুল হাশিম, আব্দুল আলিম, শরীফ উদ্দিন, আতিকুর রহমান নজমুল প্রমুখ।

আমি আপনাদের লোক,তাই ক্ষুদ্র অবস্হান থেকে আপনাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা-তাজ উদ্দিন

খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করছেন তাজ উদ্দিন


নিজস্ব সংবাদঃ
মহামারী করোনাভাইরাসের ফলে গৃহবন্ধি, কর্মহীন, আর্থিক ও খাদ্য সংকটে পড়া মধ্যবিত্ত লোকদের সহযোগিতা করার লক্ষে নিজের দায়বদ্ধতা থেকে পাশে দাড়িয়েছেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন।
তিনি ব্যাক্তিগত উদ্দোগে নিজস্ব তহবিল থেকে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মানুষের ঘরে ঘরে গাড়িতে করে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন। বড়লেখার মানুষের দোয়ারে দোয়ারে ঘুরে খুজ খবর নিচ্ছেন। সাধ্যমত সবাইকে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। সেজন্য সাধারণ জনগণও খুশি।

আজ (২২এপ্রিল) বিভিন্ন এলাকায় খাদ্য বিতরণ শেষে তাজ উদ্দিন বলেন আমি আপনাদের লোক,তাই ক্ষুদ্র অবস্হান থেকে আপনাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টায়। এবং সকল বিত্তবান লোক যেনো সাময়িক অসুবিধাগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাড়ায় সেই আহব্বানও করে আসছেন।