নিউইয়র্কে’র ১৪বছরের এক বাংলাদেশী কিশোরীর হৃদয়বিদারক আকুতি।

আমি যুথি। আমার বয়স ১৪। আমার একটা ছোট ভাই আছে ওর নাম তমাল বয়স ১২। আমাদের জন্ম নিউইয়র্কে। আমার আব্বু আম্মু দুজনেই চাকরি করেন। এখানে আমাদের চারজনের সংসার।অনেক পরিচিত জনও আছেন এখানে। আব্বু আম্মু দুজনেই বাংলাদেশী।আত্মীয় স্বজন দাদা দাদী নানা নানি সবাই দেশেই থাকেন। আমরা এখানে একটা স্কুলে পড়াশোনা করি।আমাদের খুব সুখের একটা সংসার। তবে কিছুদিন হলো আমরা স্কুলে যাচ্ছি না।কারণ চারিদিকে করোনার আতঙ্ক আর শহরটা লকডাউন। লক ডাউন কী আমি আসলে এত কিছু বুঝি না। তবে আমরা সবাই এখন বাসায় থাকি এখন এটা আমাদের জন্য খুব আনন্দদায়ক।এভাবে হেসে খেলে ১৫ দিন চলে গেল। পড়াশোনার চাপ নেই। সারদিন খেলা আর আম্মুর কাছে যা খেতে চাই তাই ই আম্মু বানিয়ে দিচ্ছে। খুব আনন্দে কাটছে দিনগুলো। মাঝে মাঝে আম্মু সতর্কতার সাথে থাকার জন্য সবাইকে বার বার হাত ধুতে বলছে আর আমরা ধুয়ে নিচ্ছি। আব্বু বাইরে গেলে মাস্ক গ্লাভস পড়ে যাচ্ছে আবার আসার পর গোসল করে নিচ্ছে। এভাবে নানা সাবধানতার মধ্যে একটু ভয়ে তবে সুখেই কাটছে দিনগুলো।

গত দুদিন ধরে আম্মুর একটু ঠান্ডা লেগেছে। হাঁচি-কাশি সাথে একটু জ্বর ও আছে। এই নিয়েই আম্মু সব কাজকর্ম করে যাচ্ছে। আব্বু বলছে ভয়ের কিছু নেই এত সাবধানে থাকছি আমরা তোমার মনেহয় সাধারণ ফ্লু।প্যারসিটামল খাও ঠিক হয়ে যাবে। আম্মু প্যারাসিটামল খেল।একটু ভালো বোধ করছিল সে।কিন্তু পরের দিন তার জ্বর আরও বেড়ে গেল। আব্বু ফোনে একজন ডাক্তারের সাথে কথা বললো। ডাক্তার শুনে হসপিটালে নিয়ে যেতে বললো। সেখানে নাকি টেস্ট করবে।

আব্বু আম্মুকে নিয়ে এলমহাস্ট হসপিটালে গেল।আমরা দুই ভাই বোন বাসায়। যাওয়ার সময় আব্বু বললো, সাবধানে থেক, কোনরকম দুষ্টুমি করবে না।আর কিচেনের কাছে যাবে না। খাবার টেবিলে রাখা আছে। আমাদের আসতে দেরি হলে তোমরা খেয়ে নিও।এই বলে আব্বু বের আম্মুকে নিয়ে বের হলো দুপুর বারোটার দিকে। এরপর বিকেল হয়ে যায় তারা আসে না। দুটার দিকে আব্বু ফোন দিয়ছিল।বললো, তোমরা খেয়েছো?
আমি বললাম হ্যা।
আচ্ছা তোমরা দুষ্টুমি কোর না, টিভি দেখ।তোমার আম্মুকে হসপিটালে ভর্তি করেছি তার টেস্টের রিপোর্ট এখনো আসেনি।আগামীকাল দিবে। আজ আমাকে এখানে তোমাদের আম্মুর কাছে থাকতে হবে। তোমরা খাবার প্লেট ধুয়ে গুছিয়ে রাখ।আর রাতে নিজেরা খেয়ে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আমাকে কল দিও।
আমি বললাম, আব্বু আমরা একা একা থাকব?
আমাদের খুব ভয় লাগবে তো।
আব্বু বললো,ভয়ের কিছু নেই মামুনি।এখন বড় হয়েছ না।তমালকে নিয়ে একটু খেলা কোরো।ওকেও বুঝিয়ে রেখো।বুঝতে পারছো না তোমাদের আম্মু অসুস্থ। এখন একটু শক্ত হতে হবে মা।ভয় পেলে চলবে?
ঠিক আছে আব্বু, আমরা থাকতে পারব। তুমি আম্মুকে ট্রিটমেন্ট দিয়ে সুস্থ করে নিয়ে আসো।

এই প্রথম মনে হলো আমি আসলেই অনেক বড়ো হয়ে গেছি।আমারও অনেক দায়িত্ব কর্তব্য আছে। আমার দায়িত্ব হলো আমার ছোট ভাইকে সামলে রাখা। সে যেন কষ্ট না পায় সেদিকে খেয়াল রাখা। এছাড়া বাসাটা গুছিয়ে রাখতে বলেছে আব্বু। আমরা ভাই বোন মিলে গুছিয়ে ফেললাম। ভাই কে বললাম আজ আমরা দুজন এক বিছানায় ঘুমাবো মজা হবে না?
ভাই বললো,আম্মু আব্বুকে ছাড়া কিভাবে থাকব আপু?যদি ভুত আসে।
আমি আছি না।ভুত আসবে না। বুঝতে পারছো না আম্মু অসুস্থ। সুস্থ হলেই চলে আসবে।

রাতে বাবাকে ভিডিও কল দিলাম।
আব্বু বললো, এইতো গুড, ঘুমিয়ে গেলেই দেখবে সকাল হয়ে গেছে। আগামীকাল রিপোর্ট পেলেই আমরা পেলেই আমরা চলে আসবো। তবে তোমার আম্মুর জ্বর একটু বেড়েছে।
আচ্ছা আব্বু গুড নাইট।

পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে কৌটাতে বিস্কুট ছিল দুই ভাই বোন তাই খেলাম।কিছুক্ষণ পরে ম্যাকডোনাল্ড থেকে আমাদের নাস্তা আার লাঞ্চ দিয়ে গেল। আব্বু নাকি অর্ডার করেছে।আমরা খুব মজা করে খেলাম।

দুপুরে আব্বু বললো, মা যুথি তুমি তো এখন বড় হয়েছ। বুঝতে পার।তোমাকে একটু ধৈর্য ধরতে হবে মা।তোমার ভাইকে আরও কিছু দিন দেখে রাখতে হবে।তোমার আম্মু আমি দুজনেই করোনায় আক্রান্ত। তোমার আম্মুর জ্বর বেড়েছে একটু শ্বাস কষ্ট ও হচ্ছে। তোমাদের কয়েক দিন একা একা থাকতে হবে পারবে না মা।
আমি খুব ভয় পেয়ে গেলাম। চোখ থেকে পানি পড়তে লাগলো। বললাম, পারবো আব্বু তুমি কোন চিন্তা করো না।

নিউইয়র্কে আমাদের কোন আত্মীয় নেই। পরিচিত যারা আছে তারাও কেউ আসছে না। আমরা একারাই এভাবে থাকতে লাগলাম। পরের দিন আব্বু ফোনে বললো যুথি বেশি করে নামাজ পড়ো আল্লাহর কাছে দোয়া কর তোমাদের আম্মুকে ICUতে রাখা হয়েছে। এই বলে আব্বু কেঁদে ফেললেন। আমি ও চোখের পানি আর রাখতে পারিনি সাথে তমালও কান্না করতে লাগলো।
আমি বললাম তুমি কেমন আছ আব্বু।
আমি ভালো আছি মা।তোমার আম্মুর জন্য বেশি বেশি দোয়া কর।
এরপর আমরা প্রতিদিন নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করতে থাকি।

দুদিন পরে একজন নার্স এসে আমাদের কাছে একঘন্টা থেকে গেল। আমাদের অনেক ভালো ভালো কথা বলে অনেক কিছু বুঝিয়ে গেছে। আমরা ছোট বলে হসপিটাল থেকে দেখতে এসেছে। নার্স বলেছে আম্মু সাত তলায় আর আব্বু আটতলায় আছে। কারো সাথে দেখা হচ্ছে না।

এভাবে আটদিন চলে গেল। আমরা একাএকা থাকছি।উবার ইটস অথবা ম্যাকডোনাল্ডের খাবার খাচ্ছি। এখন আর এসব খাবার খেতে ভালো লাগছে না। তবুও খাচ্ছি। দুই তিন দিন পর পর নার্স এসে দেখে যাচ্ছে। আটতম দিনে সোস্যাল মিডিয়া থেকে আমাদের নিতে এসেছিল আমরা যাইনি।আব্বু ফোনে তাদের বুঝিয়ে বললে তারা চলে যায়।

আজ নবম দিন। আব্বু বলেছে সে এখন ভালো আছে আজ বাসায় আসবে। রাতে আব্বু বাসায় আসে।তমাল দৌড়ে আব্বুকে ধরতে গেলে আব্বু দূরে সরে গেল। বললো সে এখন কয়েক দিন আলাদা থাকবে আমরা তাকে ধরতে পারব না।

আব্বুকে ধরতে না পারলেও আমরা খুব খুশি। কারণ আব্বু আমাদের কাছে আছে। আব্বুকে আম্মুর কথা জিজ্ঞেস করলাম।আব্বু আশার কথা শুনালো।

বললো,মা,তোমার আম্মু ও হয়তো ফিরে আসবেন। তার অবস্থা ও আগের থেকে ভালো। সাতদিন পর গতকাল তার অক্সিজেন খুলেছে। আমার সাথে একবার একমিনিট কথা হয়েছে। হয়তো দুই তিন দিন পর সেও ফিরে আসবে। আল্লাহ তোমাদের দোয়া কবুল করেছে মামনী। আমরা সবাই আবার আগের মতই ভালো থাকবো।
🇧🇩🇺🇸

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ত্রাণ দেওয়া নিয়ে সমালোচনার জবাব।

বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী জনকল্যানমুলক একটি দ্বীনি সংগঠনের নাম।১৯৪১ সালের জন্মলগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত একটি ইসলামী সমাজ বিনিমার্ণ তথা কল্যানমুখী রাস্ট্র কায়েমের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।একটি আদর্শিক ও দায়িত্বশীল সংগঠন হওয়ায় দেশের ও দেশের মানুষের যে কোন দুর্যোগ ও সংকটপুর্ণ মুহুর্তে অতীতেও ঐতিহাসিক ভুমিকা পালন করেছে এবং বর্তমান সময়েও করে যাচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ।শুধুমাত্র সংকট বা দুর্যোগকালীন নয় বরং নিয়মিতভাবেই প্রতি মাসে জামায়াত ইসলামি তাদের সাংগঠনিক আয়ের ১০% সমাজকল্যামুলক কাজে ব্যায় করে। আমরা গভীর ভাবে লক্ষ্য করছি করোনা ভাইরাসের প্রভাবে মানুষের মধ্যে যখন ব্যাপক ভীতি সঞ্চার তৈরি হয়েছে,তেমনি শারীরিক ও আর্থিক ভাবেও ব্যাপক ক্ষতির সম্মুক্ষিন হয়েছে এবং হচ্ছে।চরম আর্থিক সংকটের কারনে অনেক মানুষ যেমন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিতে ব্যর্থ হচ্ছে, আবার খাদ্যের অভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছে।এমতাবস্থায় অতীতের ন্যায় এবারো এই দুর্যোগ ও সংকটপুর্ণ মুহুর্তে সরকারের পাশাপাশি বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামিও তাদের নিজেস্ব সামর্থের সবটুকু ঢেলে দিয়ে মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যবস্থাসহ ক্ষুদার্ত মানুষের কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌচ্ছে দেওয়ার কর্মসুচি পালন করে যাচ্ছে।”প্রচারনা নয় আল্লাহর সন্তুষ্ঠিই মুল লক্ষ্য ” শ্লোগানকে সামনে রেখে এই কর্মসুচিগুলো পালন করে যাচ্ছে।কিন্তু কতিপয় সমালোচনাকারী বন্ধু এবং কিছু শুভাকাঙ্খিও জামায়াত ইসলামীর এই কাজগুলোর প্রচারনা না থাকায় বলে বেড়াচ্ছেন জামায়াত ইসলামী ও ছাত্রশিবির দেশের এই দুঃসময়ে ঘরে ঢুকে শুধু নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত আছে।তাই সাংগঠনিক নয় বরং নিজের দায়িত্বেই বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী দেশের এই ক্রান্তিকালে দেশের মানুষের জন্য নিজেদের সামর্থের সবটুকু উজার করে দিয়ে কি কি করছে তার একটা সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরছি।বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী সারাদেশে ৮৯ টি সাংগঠনিক মহানগরি ও জেলা শাখায় কাজ করে।তারমধ্যে একটি শাখা
জামায়াত ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিন ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত মানুষের সাহায্যে যাযা করেছে-

*খাদ্যসামগ্রী বিতরন করেছে-১১,৮৩৯ টি পরিবারে

*এককালিন সহযোগিতা করেছে- ৬০৯ টি পরিবারে

*চিকিৎসা সহায়তা করেছে-কয়েক হাজার জনকে

*মাস্ক বিতরন করেছে-৩৫,৮৬৭ জনের মাঝে

*সাবান ও হ্যান্ড ওয়াস বিতরন-২০,৯০৯ জনের মাঝে

*হ্যান্ড সেনিটাইজার বিতরন-৩৪১ টি পরিবারে

*ব্লিচিং পাউডার বিতরন-১৩ হাজার পরিবারে

*স্প্রে মেশিন বিতরন-১৩৪৩ টি পরিবারে

*পিপিই পোশাক বিতরন-১৫০ জনের মাঝে

*হ্যান্ড গ্লাবস বিতরন-২৯ হাজার পিচ

*হাত ধোয়ার জন্য পানির ব্যবস্থা করেছে-৫৬ টি স্পটে

*মসজিদ জীবানুমুক্তকরন কর্মসুচি-১৮৫ টি

*স্বাস্থ্য সচেতনতায় লিফলেট বিলি-২ লক্ষ

*সংগঠনের ডাক্তারদের মাধ্যমে ফোনে চিকিৎসা দিয়েছে লক্ষাধিক মানুষকে।

★ এসব কাজগুলো এখনো চলমান।

★ এসব কার্যক্রমের জন্য ইতিমধ্যেই খরচ করেছে-৬৫,০১০৩২(পয়ষট্রি লক্ষ এক হাজার বত্রিশ) টাকা।যার পুরটাই নিজেদের জনশক্তি ও শুভাকাঙ্খিদের দেওয়া টাকা।

★ একটা সাংগঠনিক শাখার কাজ যদি এটা হয়। তাহলে সারাদেশের ৮৯ টি সাংগঠনিক শাখার কাজ মোট কত হতে পারে একটু ভাবুন তো!

★ এছাড়াও মহিলা জামায়াত,বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ও ইসলামী ছাত্রীসংস্থাও আলাদা ভাবে এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরনের কাজ করছে।

অন্যান্য সামাজিক ও রাস্ট্রিয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ন্যায় প্রচারনা না থাকায় জামায়াত ইসলামীর কাজগুলো অনেকের চোখে পড়েনা। মহান রাব্বুল আলামীন আমাদের এই কাজগুলো শুধুমাত্র তাঁর সন্তুষ্ঠির জন্য কবুল করুন এবং এই মহামারী থেকে দেশ,জাতি ও মুসলিম উম্মাহকে হেফাজত করুন ও মুক্ত করুন।

-লেখক: মুহাম্মদ দেলওয়ার হোসেন,
সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ও সহকারী সেক্রেটারী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিন।

বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের নাতি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক

দৈনিক বড়লেখা ডেস্কঃ
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিব উল্যাহ পলাশ বিশ্বাস বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের নাতি। মুজিব উল্যাহ ওরফে পলাশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়। এরপর এ কমিটি স্থগিত করা হলে প্রভাবশালীদের চাপে তা পুনরায় বহাল রাখা হয়। একই পরিবারের এক নারীও সরকারি চাকরিজীবী।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বঙ্গবন্ধুর খুনি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) মাজেদ গ্রেফতার হয়েছেন গতকাল রাতে। কিন্তু তার আগে থেকেই ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক খুনি মাজেদের নাতি মুজিব উল্যাহ পলাশ মিয়া।

এলাকায় খবর নিয়ে জানা যায়, যে কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুজিব উল্যাহ পলাশ মিয়া, সেই কমিটি একবার স্থগিত করা করা হয়েছিল। পরে একটি প্রভাবশালী মহলের চাপে সেই কমিটি আবার বহাল করা হয়। খুনি মাজেদ গ্রেফতারের খবরে বোরহানউদ্দিনের চায়ের কাপে ফের ঝড়, এবার সেই প্রভাবশালী মহলের স্বরূপ উন্মোচন করা হোক, যারা দীর্ঘদিন বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের পরিবারকে ভয়ঙ্কর রকমের পৃষ্ঠপোষকতা করে যাচ্ছেন।

এলাকায় এখন এটাও বলাবলি হচ্ছে, খুনি মাজেদের পরিবারের এক নারী সদস্যকে সরকারি প্রাইমারি স্কুলের চাকরিও পাইয়ে দেয়া হয়েছিল। পরে এলাকার মানুষের আপত্তির মুখে ও গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিকে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিব উল্যাহ পলাশ বিশ্বাস খুনি মাজেদের নাতি কিনা জানতে চাইলে ভোলা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রিয়াজ মাহমুদ প্রথমে জানেন না বলে দাবি করেন। তারপর বলেন, ‘এ কমিটি আমরা দেইনি। আমরা কিছু করতে পারি না’।


দ্বিতীয়বার তাকে কল দিলে তিনি বলেন, ‘মুজিব উল্যাহ পলাশ খুনি মাজেদের নাতি না। কোটা লাগাইন্না নাতি হতে পারে’। এরপর তিনি প্রতিবেদককে ধমক দিয়ে বলেন, ‘আমরা কমিটি দিছি আমরা জানি না। আপনি কী জানেন?’

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা দুপুরে এ তথ্য পেয়েছি। এটি খুবই দুঃখজনক। আমাদের সময় কমিটির আগে সে নেতা হওয়ায় আমরা বিস্তারিত জানি না। এখন খবর নেয়া হচ্ছে। এ ঘটনার সঙ্গে কে কে জড়িত তা আমরা খুঁজে বের করব। তাদের শাস্তির আওতায় আনব’।

সুত্রঃজাগো নিউজ

বড়লেখায় বাল্যবিবাহ ও শিশু অধিকার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত।

আব্দুল্লাহ আল মাহিন, বড়লেখা ,মৌলভীবাজার।

সারাদেশে বাল্যবিবাহ বন্ধ করে শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছে অ্যান্টি চাইল্ড ম্যারেজ অর্গানাইজেশন। এলাকারসমাজসেবী সংগঠন সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহযোগিতায় এবং উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায়বড়লেখা উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাল্যবিবাহ ও শিশু অধিকার বিষয়ক সেমিনারের মাধ্যমে শিশু কিশোরদেরবাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে রোখে দাড়াতে এবং  শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। তারই অংশস্বরুপসোমবার ১৩ মার্চ উপজেলার বিভাগীয় পর্যায়ে  শ্রেষ্ঠ  প্রতিষ্ঠান ইটাউরী মহিলা আলিম মাদ্রাসায় বাল্যবিবাহ ও শিশুঅধিকার বিষয়ক কর্মশালার উদ্ভোদনী অনুষ্ঠান হয়েছে।

এন্টি চাইল্ড মেরিজ অর্গানাইজেশনের সহকারী পরিচালক শফিউর রহমান শুভর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের উদ্ভোদন করেনসংগঠনের পরিচালক এবং শিশু নোবেল ২০২২ এর মনোনীত  রেদওয়ান আহমদ। আব্দুল আহাদ খানের সভাপতিত্বেপ্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসাইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেনইটাউরী হাজী ইউনুছ মিয়া মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এনাম উদ্দিন, দৌলতপুর সিনিয়র আলীম মাদ্রাসারপ্রিন্সিপাল মিসবাহ উদ্দিন।

এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেহেদি রাসেল ফাউন্ডেশন এর পরিচালক ফরিদুল ইসলাম জাবরুল,নির্বাহী পরিচালকআব্দুল হাকিমসহ আরো অনেক সদস্য, মাদ্রাসার শিক্ষক এবং অভিভাবকরা। সভা পরিচালনা করেন অ্যান্টি চাইল্ডম্যারেজ অর্গানাইজেশনের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মাহিন, রাফায়াত আহনাফ, জহুরুল ইসলাম।

সভার উদ্ভোদনী বক্তব্যে সংগঠনের পরিচলাক  রেদওয়ান আহমদ সকল শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন ,আমরা শিশুআমাদের অধিকার আমাদের নিজেদের প্রতিষ্টা করতে হবে। আমাদের সবাইকে একজোট হয়ে আমাদের আধিকার প্রতিষ্ঠা ওবাল্যবিবাহ বন্ধ করতে হবে।  যাতে আমরা একটি সুন্দর সমাজ তথা দেশ গঠন করতে পারি। 

এছাড়া সেমিনারের প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসাইন  শিক্ষার্থীদেরকে বলেন , তোমাদের আশেপাশে যদি কোনো বাল্যবিবাহের সংবাদ শুনো তাহলে তৎক্ষনাৎ “৩৩৩” অথবা “১০৯” এ কল দিয়ে আমাদের জানাবেআমরা তৎক্ষনাৎ এই বিবাহের বিরুদ্ধে ব্যবস্তা গ্রহণ করবো।

তাছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বাল্যবিবাহের খারাপ দিক এবং কিভাবে বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে হয় এই বিষয়েছাত্রছাত্রীদের ধারণা প্রদান করেন।

বক্তারা শিশুদের কিভাবে নিজেদের অধিকার আদায় করতে হবে এবং জীবনে সফল হতে হবে এই বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণমতামত প্রদান করেন।

বড়লেখায় জাগরণীর পক্ষ থেকে এসএসসি/দাখিল উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান।

শাহরিয়ার শাকিল
বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

স্বপ্ন সাহস নিয়ে আগামীর পথ চলো, জ্ঞানের আলোয় গড়বে জগৎ উচ্চ কন্ঠে বলো। জ্ঞানের আলোয় খুঁজি স্বপ্নের দ্বার, আগামীর দিন শুধু সম্ভাবনার,এই প্রতিপ্রাদ্যকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার সুপরিচিত সামাজিক সংগঠন জাগরণী ইসলামী তরুণ সংঘের পক্ষ থেকে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরো এস এস সি / দাখিল উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের কে সংর্বধনা প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ১১ ঘটিকার সময় সৈয়দা মোকাম মাদ্রাসার হলরুমে সংগঠনের সভাপতি এম কলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াব রায়হানের পরিচালনায় পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ব্যাংক কর্মকর্তা মোঃ শাহেদ আহমদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রাফাত আহমদ, জাগরণী ইসলামী তরুণ সংঘের উপদেষ্টা মাওলানা কবির হোসাইন, আব্দুল হামিদ তাজুল, আব্দুল লতিফ, তাহের আহমেদ, জুনেদ আহমেদ। কিশোরকন্ঠ পাঠক ফোরাম এর বড়লেখা উপজেলা সভাপতি তুফাজ্জল হোসাইন।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জাগরণী ইসলামী তরুণ সংঘের সহ-সভাপতি সাংবাদিক শাহরিয়ার শাকিল, অর্থ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ছাদিকুর রহমান প্রমুখ।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাগরণীর দপ্তর সম্পাদক রাহাত আহমেদ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আলী আব্বাস, প্রকাশনা সম্পাদক তায়েফ আহমেদ সহ উপস্থিত ছিলেন জাগরণীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দু।

অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দুগন সংগঠনের ভুয়সী প্রশংসা করে বলেন,শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড, শিক্ষাই জাতির অগ্রগতি, তাই সমাজের সকল তরুণদের কাছে শিক্ষার আলো পৌঁছিয়ে দিয়ে সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। পড়ালেখার পাশাপাশি নৈতিকতা ও মূল্যবোধ সৃষ্টি করতে হবে। পিতা মাতার প্রতি বেশি যত্নশীল হতে হবে, পড়াশোনার পাশাপাশি সামাজিক কাজে এগিয়ে আসতে হবে। কবির ভাষায় একটি কথা বলেন,
থেমে নাকো পথে কভু,
হও মহান মহীয়ান,
মানুষ কে ভালোবেসে হদয়কে করো দান।
পরিশেষে সকল শিক্ষার্থীদের সার্বঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করে অনুষ্ঠানে সমাপ্তি করা হয়েছে।

“আলোকিত ফাউন্ডেশন সোনাতুলা”র উদ্যোগে এসএসসি উত্তীর্ণদের কৃতি সংবর্ধনা প্রদান।

নিজস্ব সংবাদঃ আলোকিত ফাউন্ডেশন সোনাতুলা’র উদ্যোগে সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয় হলরুমে এস এস সি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের কৃতি সংবর্ধনা ২০২২ অনুষ্টিত।

উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবক।

নারীশিক্ষা একাডেমি ড্রিগ্রী কলেজের প্রিন্সিপাল ও সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষানুরাগী সদস্য জনাব এ কে এম হেলাল উদ্দিন সাহেব এর সভাপতিত্বে ও সাবেক ইউপি সদস্য ফয়ছল আলম স্বপন এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ০৬ নং বড়লেখা সদর ইউপি চেয়ারম্যান জনাব ছালেহ আহমদ জুয়েল , বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব সায়ফুর রহমান, ডাইরেক্টর সিটি ক্লিনিক বড়লেখা।

শিক্ষার্থীর হাতে ক্রেস্ট তুলে দিচ্ছেন অতিথিবৃন্দ।

উপস্থিত ছিলেন আলোকিত ফাউন্ডেশন সোনাতুলার উপদেষ্টা সাবেক ইউপি সদস্য জনাব মুতিউর রহমান, জনাব হাজী আতাউর রহমান, জনাব হাজী ইসরাইল আলী,জনাব আব্দুস সত্তার, জনাব আব্দুর রাজ্জাক, জনাব আব্দুল হাফিজ, উপদেষ্টা ও বড়ময়দান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব ডাঃ সজল সরকার, জনাব ডাঃ রিংকু চক্রবর্তী,উপদেষ্টা ও সোনাতুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মাষ্টার জামিল আহমদ,জনাব নিবারন সরকার, জনাব শামলাল বিশ্বাস,সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি জনাব আব্দুর রাজ্জাক, সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আব্দুল লতিফ, শিক্ষক শিক্ষিকা বৃন্দ
উপস্থিত ছিলেন আলোকিত ফাউন্ডেশন এর সদস্য জনাব জাহেদ আহমদ, প্রবাসী দাতা সদস্য আলা উদ্দিন, শামছুল ইসলাম, সদস্য জনাব শাকিল আহমদ, জনাব আব্দুল কুদ্দুস, জনাব আশরাফুল ইসলাম, জনব জেবুল আহমদ, জনাব জুনেদ আহমদ, জনাব আব্দুস সামাদ, জনাব কামাল হোসেন, জনাব আব্দুল্লাহ আহমদ, জনাব কাওসার হোসেন,জনাব জাবেদ আহমদ, মুন্না আহমদ, মুন্না হোসেন, উজ্জল সরকার, সাগর সরকার, সৌরব সরকার,জাকারিয়া আহমদ আবিদ, মারজান আহমদ, এমরান হোসেন, সুলতান আহমদ প্রমুখ

রাত পোহালেই কাতার বিশ্বকাপ

আর মাত্র কয়েকঘণ্টা। রাত পোহালেই বিশ্বকাপের দিন। রোববার মরুর দেশ কাতারে শুরু হচ্ছে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত ও আকর্ষণীয় ইভেন্ট বিশ্বকাপ ফুটবল। ৩২ দেশের এই মহারণ ঘিরে বিশ্বজুড়ে ফুটবল প্রিয় মানুষের উত্তেজনা তুঙ্গে।

চার বছর ধরে অপেক্ষার যে পালা, তা শেষ হবে রোববার বাংলাদেশ সময় রাত ১০ টায়। কাতারের আল বাইত স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক দেশ কাতার এবং লাতিন আমেরিকার অন্যতম শক্তিশালী দল ইকুয়েডর।

বিশ্বকাপ ঘিরে বাংলাদেশের মানুষ দুই ভাগে বিভক্ত। মেসির আর্জেন্টিনা ও নেইমারের ব্রাজিলকে ঘিরেই এই জনপথের মানুষের সর্বাধিক আগ্রহ। অন্য কিছু দলর সমর্থক থাকলেও তা ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার তুলনায় নগণ্য।

রাত জেগে বিশ্বকাপের খেলা দেখার জন্য দর্শক-সমর্থকরাও প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে। প্রিয় দলের পতাকা উত্তোলন করে এবং ব্যানার টানিয়ে বিশ্বকাপকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ফুটবলপ্রেমীরা। সবার এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা সেই মাহেন্দ্রক্ষণের জন্য।

ফুটবল যে বাঙালির প্রাণের খেলা সেটা প্রমাণ হয় চার বছর পর বিশ্বকাপ আসলে। বিশ্বকাপের সময় বাংলাদেশের মানুষ যেভাবে উৎসব-আনন্দে মেতে ওঠে তা অবাক করার মতো। নিজেদের দেশ বিশ্বকাপের কাছাকাছি যেতে না পারলেও অন্যদেশ নিয়ে আনন্দের কমতি নেই। এমনকি ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকরা মারামারি পর্যন্ত করে বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়ে। যা ভিনদেশের গণমাধ্যমে খবরের রসদ জোগায়।

পথে-ঘাটে, অফিস-আদলতে এখন প্রধান আলোচনা বিশ্বকাপ। মেসির আর্জেন্টিনা জিতবে? নাকি নেইমারের ব্রাজিল? রোনালদোর পর্তুগালই বা কতদূর গিয়ে থামবে। নাকি এক আসর বিরতি দিয়ে জার্মানি আবার বাজিমাত করবে বিশ্ব্কাপ? এসব তর্ক এখন মানুষের মুখেমুখে। এই দলগুলোর বাইরে ফ্রান্স, স্পেন ও ইংল্যান্ডকেও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দাবিদার মানছে অনেকে।

শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে দামী এই ট্রফি কাদের হাতে উঠবে তা দেখতে অপেক্ষা করতে হবে এক মাস। ১৮ডিসেম্বর ফাইনালের পরই পাওয়া যাবে কাতারজয়ী দলটির নাম। স্বাগতিক কাতার বিশ্বকাপ জেতার সম্ভাব্য দেশগুলোর তালিকায় না থাকলেও আয়োজক হিসেবে দেশটি কতদূর যেতে পারে তাও আলোচনায় রয়েছে।

এশিয়ায় দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রথমবার হয়েছিল ২০০২ সালে জাপান-কোরিয়ায়। প্রথম এশিয়ায় হওয়া বিশ্বকাপের ট্রফি উড়িয়ে নিয়েছিল পেলের দেশ ব্রাজিল।

একটি হারানো বিজ্ঞপ্তি


আয়াত নামের একটি মেয়ে ইপিজেড বন্দরটিলা এলাকা থেকে কাল বিকাল আনুমানিক ‌৪.৩০ এর সময় বাড়ির সামনে থেকে হারানো যায় ।
নাম : আয়াত
পিতা : সোহেল
ঠিকানা : ওয়াজ মুন্সির বাড়ি নয়ারহাট ,বন্দরটিলা,ইপিজেড, চট্টগ্রাম ( নয়ারহাট বিদ্যুৎ অফিস এর সামনে বাসা)

কেউ যদি কোন অনুসন্ধান পেয়ে থাকেন উক্ত ঠিকানায় অথবা নম্বর এ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হইলো।।যোগাযোগ:০১৮২৬৩৫৬১৫২/০১৮৫৫৫২৪২৫৬/01301049379

লরির চাপায় স্বামীর সামনেই প্রাণ হারিয়েছেন স্ত্রী

পড়ে আছে স্ত্রীর নিথর মরদেহ, রক্তমাখা ব্যাগ হাতে স্বামীর বিলাপ!

রক্তমাখা ব্যাগ হাতে স্বামী রবিউলের বিলাপ। পাশেই পরে আছে স্ত্রী ইভার নিথর দেহ। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার নিশ্চিন্তপুরে অজ্ঞাত লরির চাপায় স্বামীর সামনেই প্রাণ হারিয়েছেন স্ত্রী ইভা (২০)।এসময় মোটরসাইকেল চালক স্বামী রবিউল আহত হয়েছেন। ১৫ নভেম্বর বিকেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ইভা সেনানিবাস এলাকার ময়নামতি আকাবপুর গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকার নিশ্চিন্তপুরে উল্টো পথে আসা একটি মোটরসাইকেলকে অজ্ঞাত একটি লরি চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী ইভা মারা যান।

এছাড়া মোটরসাইকেল চালক স্বামী রবিউল আহত হন। তাদের ছোট একটি কন্যা সন্তান রয়েছে বলেও জানা যায়।

বড়লেখায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে নিসচার বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও সমাবেশ।

বড়লেখা প্রতিনিধিঃ “আইন মেনে সড়কে চলি, নিরাপদে ঘরে ফিরি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২২ উপলক্ষে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) বড়লেখা উপজেলা শাখার উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১১ ঘটিকায় বড়লেখা পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক পদক্ষিন করে উপজেলা পরিষদ চত্তরে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে র‍্যালী শেষ হয়।

জাতীয় সামাজিক সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই নিসচা’র কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সদস্য ও বড়লেখা উপজেলা শাখার সভাপতি তাহমীদ ইশাদ রিপনের তত্বাবধানে এবং সাধারণ সম্পাদক আইনুল ইসলামের পরিচালনায় র‍্যালী ও সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বিবেকানন্দ দাস নান্টু, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহীদ-উল ইসলাম প্রিন্স, ডিএসপি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, নিসচার উপদেষ্টা ইকবাল হোসাইন, পৃষ্টপোষক তপন চৌধুরী, মোহাম্মদ তারেক হাসনাত, সহ-সভাপতি মার্জানুল ইসলাম, আব্দুল আজিজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম শিরুল, নোমান উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাস্টার খালেদ আহমদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, প্রকাশনা সম্পাদক মারুফ হোসাইন সুমন, প্রচার সম্পাদক নূরে আলম মোহন, দুর্ঘটনা অনুসন্ধান বিষয়ক সম্পাদক রমা কান্ত দাস, দপ্তর সম্পাদক রাসেল আহমদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অপুজিত দাস, একতা রক্তদান সংস্থা’র উপদেষ্টা ব্যবসায়ী জমির উদ্দিন, পাবলিকেশন সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক রুবেল হোসাইন, মানবসেবা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম শুভ।

এছাড়াও নিসচার কার্যনির্বাহী সদস্য সাব্বির আহমদ, হাফিজুর রহমান জিল্লুর, এনাম উদ্দিন, সাধারণ সদস্য গণেশ কর, অজিত রবি দাস, জুনেদ আহমদ, কবির আহমদ, আব্দুল হামিদ, মাহমুদ আলম তুহিন, সাইফুর রহমান মুন্নাসহ আরোও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সকল পর্যায়ের জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, আজ ২২ শে অক্টোবর যার মৃত্যুর মাধ্যমে এদেশে নিরাপদ সড়ক চাই নামে সামাজিক আন্দোলনের সূচনা নিসচার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের সহধর্মিণী জাহানার কাঞ্চন। তিনি সড়কে প্রাণ বিসর্জন দিয়ে আমাদের শিখিয়ে দিয়ে গেছেন যে, ‘সড়ক দুর্ঘটনা’ নিছক নিয়তি নয়। এটা মানবসৃষ্ট একটি ব্যাধি। এই ব্যাধি থেকে পরিত্রাণ পাবার জন্যই ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ নামে একটি সামাজিক আন্দোলনের জন্ম হয়েছে। পরবর্তীতে সাড়া দেশের মানুষের প্রাণের দাবীতে পরিণত হয়েছে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’। তাই সর্বোস্তরের জনগণের দাবীকে আমলে নিয়ে, বাংলাদেশ সরকার, জাহানারা কাঞ্চনের মৃত্যু দিন- ২২ শে অক্টোবর’কে ‘জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস’ হিসেবে ঘোষনা দিয়েছে কয়েক বছর আগেই।

জাতীয় সামাজিক সংগঠন নিসচার কার্যক্রম কারো বিরুদ্ধে নয়, এটা সামাজিক সংগঠন। সমাজের সকলকে নিয়ে নিসচা আন্দোলন করে যাচ্ছে। সকলের সহযোগিতা নিয়েই বাংলাদেশকে সড়ক দুর্ঘটনামুক্ত রাখতে নিসচা কর্মীরা অঙ্গীকারবন্ধ। এসময় তাঁরা সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর বিধিমালা বাস্তবায়নের জোর দাবী জানান।

তারা আরোও বলেন, নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখা সড়ক দুর্ঘটনারোধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক-মানবিক, স্বেচ্ছাসেবী, ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক অঙ্গণেও নিসচার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, এদিকে বেলা ১২ ঘটিকায় উপজেলা প্রশাসন ও নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখার যৌথ উদ্যোগে উপজেলা পরিষদের হলরুমে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাহাঙ্গীর হোসাইনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা সোয়েব আহমদ।

বড়লেখায় কোলের শিশুকে হত্যার অভিযোগে বাবা আটক

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখায় আল-আমিন নামে দুইমাস বয়সী শিশুপুত্রকে হত্যার অভিযোগে আব্দুল মতিন (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার বিকেলে তিনটার দিকে তাকে আটক করা হয়। তিনি উপজেলার পূর্ব-দোয়ালিয়া (রামকটার টিলা) গ্রামের নিমার আলীর ছেলে। পুলিশ নিহত শিশুর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।

থানা পুলিশ, নিহত শিশুর মা লাবনী আক্তার ও মামা জাবেদ আহমদের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মতিন (৩২) ঘরে স্ত্রী রেখে একাধিক বিয়ে করেছে। এর জের ধরে লাবনী আক্তার ও তার স্বামী আব্দুল মতিনের দাম্পত্য কলহ চলছিল। রোববার বিকেলে আব্দুল মতিন ও স্ত্রী লাবনী আক্তারের মধ্যে ঝগড়া-ঝাটি চলছিল। আব্দুল মতিন স্ত্রীকে মারধরের একপর্যায়ে ৭০ দিনের শিশুপুত্রের উপরও আঘাত পড়ে। সন্ধ্যায় শিশুপুত্রসহ লাবনীকে বাবার বাড়ির লোকজন তাদের বাড়িতে নিয়ে যান। সোমবার সকালে শিশুপুত্রের শরীর খারাপ করলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

৭ সহকর্মীকে অভিযুক্ত করে বড়লেখার কামরুল হত্যা মামলার চার্জশীট দাখিল

ইবাদুর রহমান, স্টাফ রিপোর্টার:
বড়লেখা উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নের পাকশাইল গ্রেট ভিশন এসোসিয়েশনের সহ সভাপতি কামরুল হোসেন এনাম হত্যা মামলার চুড়ান্ত প্রতিবেদন (চার্জশীট) দাখিল করেছে পুলিশ। আজ ৩ আগস্ট, ২০২২ ইং রোজ বুধবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হাবিবুর রহমান নিহত কামরুলের ৭ সহকর্মীকে অভিযুক্ত করে মৌলভীবাজার জেলা আদালতে আলোচিত এ হত্যাকান্ডের চার্জশীট দাখিল করেছে।

পুলিশ এবং আদালত সূত্রে জানা যায়,পুলিশের দীর্ঘ তদন্তে ২ জনের সম্পৃক্ততার না পাওয়ায় তাদেরকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। চার্জশীটে অভিযুক্ত ৭ জনের মধ্যে ৩ জন বর্তমানে কারাগারে আছেন। এর মধ্যে সাইফুল হোসেন পাভেল এবং মাছুম আহমদ নামে ২ জনকে আটক করা হয়েছিল মামলার পরপরই। ০৭/১০/২০২১ ইং সিলেটের জকিগঞ্জ সীমান্ত থেকে কবির আহমদ নামে আরেকজনকে আটক করেছিল পুলিশ। তারা ৩ জনই কারাগারে রয়েছেন। গ্রেফতারকৃত ৩ জন ছাড়া অভিযুক্ত ৪ জন হলেন পাকশাইল গ্রেট ভিশন এসোসিয়েশনের সভাপতি এইচ এম ফয়সল,সহ সভাপতি,বড়লেখা প্রেসক্লাবের সাবেক সদস্য জামিল আহমদ,সহ সভাপতি ইমন আহমদ ও সেক্রেটারি জাহাঙ্গির আলম।আদালত, পলাতক এই ৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেছেন।

উল্লেখ্য,গত বছরের ২০ আগস্ট হাকালুকি হাওরের মালাম বিল থেকে ‘পাকশাইল গ্রেট ভিশন এসোসিয়েশন’র সহ সভাপতি কামরুল হোসেন এনামের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের পিতা সিরাজ উদ্দিন, ছেলের সহকর্মী ৯ জনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন। মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২ জনকে এবং দেড় মাস পর আরেকজন’কে আটক করেছিল। দীর্ঘ ১১ মাসের বেশী সময় ধরে তদন্ত শেষে আজ ৩ আগস্ট, ২০২২ ইং আলোচিত এ হত্যাকান্ডের চার্জশীট দাখিল করলো পুলিশ।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধানের সাথে মেক্সিকো সেনাবাহিনীর কমান্ডার এর সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশে সফররত মেক্সিকো সেনাবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল ইউফেমিও আলবার্তো ইবারা ফ্লোরস (General Eufemio Alberto Ibarra Flores) আজ সোমবার (১৩-১২-২০২১) সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, এসবিপি, ওএসপি, এনডিইউ, পিএসসি, পিএইচডি এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে তাঁরা পারস্পরিক কুশলাদি বিনিময় ছাড়াও দু’দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান সুসম্পর্ক ও ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রায় পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।

পরবর্তীতে সেনাসদর হেলমেট কনফারেন্স রুমে সকল পিএসও গনের উপস্থিতিতে সেনাবাহিনী প্রধান তাঁর স্বাগত বক্তব্য রাখেন, অতপর মেক্সিকো সেনাবাহিনীর কমান্ডারকে ব্রিফিং প্রদান করা হয়ু এরপরে মেক্সিকো সেনাবাহিনীর কমান্ডার তাঁর বক্তব্য পেশ করেন। সভায় দু’দেশের মধ্যকার সম্পর্ক ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্র সমূহ চিহ্নিত করা হয়। এই সাক্ষাতের মধ্যে দিয়ে মেক্সিকো এবং বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্কের নতুন দ্বার উন্মোচিত হলো।

এর আগে, সেনাবাহিনী প্রধানের সাথে সাক্ষাতের পূর্বে মেক্সিকো সেনাবাহিনীর কমান্ডার ঢাকা সেনানিবাসস্থ শিখা অনির্বাণে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শাহাদৎ বরণকারী বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর সেনাকুঞ্জে তাঁকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে।

উল্লেখ্য, জেনারেল ইউফেমিও আলবার্তো এর নেতৃত্বে ০৫ সদস্যের মেক্সিকান সেনাবাহিনীর একটি প্রতিনিধি দল ০৮ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে গত ১১ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখ ঢাকায় আগমন করেন। প্রতিনিধি দলটি বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমি এবং সিলেট সেনানিবাস পরিদর্শন করবেন। এছাড়াও বাংলাদেশে সফররত প্রতিনিধি দলটি মহান বিজয় দিবস প্যারেড ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন। সফর শেষে প্রতিনিধি দলটি আগামী ১৮ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখ মেক্সিকোতে প্রত্যাবর্তন করবেন।

© ISPR

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডকে ২৪টি বোট উপহার দিয়েছে জাপান

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডকে ২৪টি বোট উপহার দিয়েছে জাপান…

বাংলাদেশ ও জাপানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ৫০ পূর্তি উপলক্ষ্যে কোস্ট গার্ডের কার্যক্রমকে আরও বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাপানের উন্নয়ন সংস্থা জাইকার অর্থায়নে সর্বমোট ২৪টি বোট উপহার দেওয়া হয়েছে।

২৪টি বোটের মাঝে ৪টি (২০মিটার) তেল দূষণ নিয়ন্ত্রণকারী। কোস্ট গার্ডের বহরে প্রথমবারের মতো অত্যাধুনিক এসব বোট যুক্ত হচ্ছে। এই বোটগুলো ২৫ নটিক্যাল মাইল বেগে চলতে সক্ষম। বাকি ২০টি (১০ মিটার) বোট টহল ও উদ্ধার মিশনে ব্যবহৃত হবে। এর সর্বোচ্চ গতি ৩৫ নটিক্যাল মাইল।

কোস্ট গার্ডের ভূমিকার জন্য চট্রগ্রাম বন্দর এখন জলদস্যু মুক্ত। তাদেরকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গতকাল বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে জাহাজগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।

Bangladesh Military Affairs

সমুদ্রে ইঞ্জিন বিকল হয়ে আটকে পড়া বোট থেকে ১৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে নৌবাহিনী।

সমুদ্রে ইঞ্জিন বিকল হয়ে আটকে পড়া বোট থেকে ১৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে নৌবাহিনী…

বাঁশখালীর অদূরে সমুদ্রে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ডুবোচরে আটকে পড়া বোট থেকে ১৮ জন ক্রুকে জীবিত উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

নৌবাহিনী জাহাজ তিতাস বাঁশখালীর অদূরে গেন্ডামারা কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশে ডুবোচরে আটকে পড়া ‘এফ ভি মদিনা’ নামের বোট থেকে ১৮ জন ক্রুকে জীবিত উদ্ধার করে।

উল্লেখ্য, বোটটি ১৮ জন ক্রু নিয়ে চট্টগ্রাম হতে মাতারবাড়ির উদ্দেশ্যে গমন করে। পথিমধ্যে বৈরী আবহাওয়ার কারণে বোটটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে ডুবোচরে আটকে পরে।

© ISPR
.
Bangladesh Military Affairs

প্রথমবারের মতো আগারগাঁও পর্যন্ত চললো মেট্রোরেল

প্রথমবারের মতো আজ পরীক্ষামূলকভাবে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত চলেছে মেট্রোরেল। এর আগে মিরপুর ১০ নম্বর পর্যন্ত মোট ছয়টি স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেন চলাচল করেছে।

আজ সকাল পৌনে ১১টার দিকে প্রথমবারের মতো মেট্রোরেলটি আগারগাঁও পর্যন্ত আসে। ট্রেনটি ৪৫ মিনিট স্টেশনে দাড়িয়ে থাকে এবং পরবর্তীতে দিয়াবাড়ির উদ্দেশ্যে ফিরে যায়।

মেট্রোরেলটি উত্তরা নর্থ স্টেশন থেকে ঘন্টায় ১০০ কিঃমি গতিতে মিরপুর-১০ আসে। তারপর ১৫-২০ কিঃমি গতিতে আগারগাঁও স্টেশন পর্যন্ত এসে পৌছায়।

সবমিলিয়ে ২০২৩ সা‌লের ডি‌সেম্বরের মধ্যে দিয়াবা‌ড়ি থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ট্রেন চল‌বে এবং আগামী বছর ১৬ ডি‌সেম্বর থেকে দিয়াবা‌ড়ি থে‌কে আগারগাঁও অং‌শে যাত্রীবাহী ট্রেন চল‌বে।

Bangladesh Military Affairs

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর মধ্যে যৌথ প্রশিক্ষণ ও মহড়া ‘কারাত- ২০২১’ সমাপ্ত

বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর মধ্যে যৌথ প্রশিক্ষণ ও মহড়া Cooperation Afloat Readiness and Training (CARAT)- 2021 এর সমাপনী অনুষ্ঠান আজ বৃহস্পতিবার (০৯-১২-২০২১) চট্টগ্রামস্থ বানৌজা ঈসাখানে স্কুল অফ মেরিটাইম ওয়ারফেয়ার এন্ড ট্যাকটিকস (এসএমডব্লিউটি) এর মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সহকারী নৌপ্রধান (অপারেশন্স) রিয়ার এডমিরাল এম আশরাফুল হক এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত এইচ.ই. মিঃ আর্ল আর. মিলার (H.E. Mr Earl R. Miller) উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ, মহড়ায় অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজের অধিনায়কগণ ও আমন্ত্রিত অন্যান্য অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

যৌথ এ প্রশিক্ষণ ও মহড়ায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর মধ্যকার সর্ববৃহৎ যৌথ মহড়া। উক্ত মহড়ায় উভয় দেশের ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে Subject Matter Expert Exchange (SMEE) সহ প্রত্যক্ষভাবে সমুদ্র মহড়ায় অংশগ্রহণ করে। যৌথ এ প্রশিক্ষণ ও মহড়ার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সু-সম্পর্কের আরো উন্নতি হবে এবং Maritime Security -র বিষয়ে উভয় দেশের পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

© Bangladesh Navy

বড়লেখায় যুবক খুনের ঘটনায় সাংবাদিক সহ ৯ জনের নামে মামলা। আটক ২

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বড়লেখা উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নের পাকশাইল গ্রামের কামরুল হোসেন এনাম খুনের ঘটনায় সাংবাদিক সহ ৯ জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ২১ আগস্ট নিহত এনামের বাবা বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার ২ জন আসামীকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়,
গত ২০ আগস্ট সকালে হাকালুকি হাওরের মালাম বিল থেকে পাকশাইল গ্রামের কামরুল হোসেন এনাম নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত কামরুল হোসেন এনাম পাকশাইল গ্রামের দিনমজুর সিরাজ উদ্দিনের পুত্র। সে ‘পাকশাইল গ্রেট ভিশন এসোসিয়েশন’ নামক স্থানীয় একটি সামাজিক সংগঠনের সহ সভাপতি ছিল। ১৯ আগস্ট রাতে কে বা কারা তাকে হত্যা করে লাশ পাকশাইল গ্রাম ঘেষা হাকালুকি হাওরের মালাম বিলে ফেলে রাখে। ২০ আগস্ট সকালে স্থানীয়রা বিলে লাশ দেখতে পেয়ে থানা পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ এসে এনামের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। ময়না তদন্ত শেষে ঐইদিন রাত সাড়ে ৮ টায় এনামকে পাকশাইল গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হয়। তার জানাযার নামাজে বর্ণি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনাম উদ্দিন,উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক অধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিন,ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জুবের আহমদ সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশ নেন।

স্থানীয়দের সাথে আলাপ করে জানা যায়,তরুণ একজন সমাজকর্মীর এমন নির্মম মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না তারা। পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সবাই এই হত্যাকান্ডের সুষ্ট বিচার দাবী করছেন। কিন্তু,কে বা কারা এনামকে হত্যা করেছে সে বিষয়ে কেউ সঠিক তথ্য দিতে পারছেন না।

তবে কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার মতে,হাকালুকি হাওরের মালাম বিলের গাছ নিধনকারীদের শাস্তির দাবী সহ বিভিন্ন দাবীতে বেশ কিছুদিন থেকে খুবই সক্রিয় দেখা গেছে কামরুল হোসেন এনামকে। তার এসব ভূমিকার কারণে প্রভাবশালী একটি মহল ক্ষুব্ধ ছিল। সংক্ষুব্ধ এরকম কোনো পক্ষ হয়ত পরিকল্পিতভাবে এনামকে হত্যা করেছে। তবে স্থানীদের এ ধারণার সাথে ভিন্নমত পোষণ করেন নিহত এনামের বাবা সিরাজ উদ্দিন। তার অভিযোগের তীর ছেলের সহকর্মীদের দিকে।

সিরাজ উদ্দিনের মতে,তার ছেলে কামরুল হোসেন এনাম ছিল ‘পাকশাইল গ্রেট ভিশন এসোসিয়েশন’র সক্রিয় এবং সম্ভাবনাময় নেতৃত্ব৷ সে ছিল প্রতিবাদী। সে সংস্থার সভাপতি,সহ সভাপতি,সেক্রেটারী এবং অর্থ সম্পাদকের অনিয়ম এবং স্বেচ্ছাচারিতার প্রতিবাদ করত। তাছাড়া আগামী কাউন্সিলে সে এসোসিয়েশনের সভাপতি পদে প্রার্থী হয়ে বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। এসব কারণে সংস্থার কয়েকজন প্রভাবশালী সদস্যের সাথে কিছুদিন থেকে তার মনোমালিন্য চলছিল। এরই জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তাই,সিরাজ উদ্দিন ২১ আগস্ট বড়লেখা থানায় গিয়ে এই সংস্থার ৯ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ মামলার অন্যতম ২ আসামী সাইফুল হোসেন পাভেল (২৬) এবং মাছুম আহমদ (২৪) কে ইতিমধ্যে আটক করেছে। আটক সাইফুল হোসেন পাভেল এসোসিয়েশনের অর্থ সম্পাদক এবং একই এলাকার মৃত আজির উদ্দিনের ছেলে। আর মাছুম আহমদ বর্ণি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি,পাকশাইল গ্রামের বাসিন্দা মোঃছফির উদ্দিনের ছেলে। মাছুমের বড় ভাই বড়লেখা প্রেসক্লাবের সদস্য জামিল আহমদ। তাকেও এ মামলায় আসামী করা হয়েছে।

এজাহার সূত্রানুযায়ী,মামলার ৯ আসামী হলেন এসোসিয়েশনের সহ সভাপতি সাংবাদিক জামিল আহমদ,সভাপতি এইচ.এম ফয়সল,সিনিয়র সহ সভাপতি শাহীদুল হক,ইমন আহমদ,সেক্রেটারি জাহাঙ্গির আলম,মাছুম আহমদ,সাংগঠনিক সম্পাদক কবির আহমদ,অর্থ সম্পাদক সাইফুল হোসেন পাভেল ও প্রচার সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ। তাদের সকলের গ্রামের বাড়ী পাকশাইল এবং তারা নিহত কামরুল হোসেন এনামের সহকর্মী।

সার্বিক বিষয় জানতে যোগাযোগ করা হলে বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গির হোসেন সরদার জানান,নিহতের পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। ২ জন আসামীকে আটক করা হয়েছে। হত্যা রহস্য উদঘাটনের স্বার্থে গ্রেফতারকৃত দু’জনের রিমান্ড আবেদন করা হবে। অন্যান্য আসামীদেরকেও গ্রেফতারের অভিযান চলছে। কাউকে ছাড় নয়,দোষীদেরকে অবশ্যই আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

এদিকে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত প্রকৃত দোষীদেরকে আড়াল করতেই নিহত এনামের সহকর্মীদের নামে মামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ আসামীদের স্বজনদের। তাদের দাবী,পুলিশ সুষ্ট ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এনামের হত্যাকান্ডে জড়িতদের বের করুক। সঠিক তদন্ত ছাড়া মামলার উপর ভিত্তি করে নিরীহ-নিরপরাধ যুবকদেরকে গ্রেফতার,হয়রানী করলে প্রকৃত হত্যাকারীরা আড়ালে থেকে যেতে পারে।

৫ জনকে অভিযুক্ত করে ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর হত্যা মামলার চার্জশীট দাখিল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সাংবাদিক সহ ৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে সিলেট পলিটেকনিক কলেজ ছাত্রলীগ কর্মী,বড়লেখা উপজেলার বর্ণী ইউনিয়নের আহমদপুর গ্রামের সাইফুর হত্যা মামলার চুড়ান্ত প্রতিবেদন (চার্জশীট) দাখিল করেছে পুলিশ। আজ (২৭ জুলাই) সকালে মৌলভীবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আলোচিত এ মামলার চার্জশীট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আতাউর রহমান।

আদালত এবং পুলিশ সূত্র জানায়,বড়লেখা প্রেসক্লাবের সদস্য,বর্ণি ইউনিয়নের পাকশাইল গ্রামের মোঃ ছফির উদ্দিনের ছেলে জামিল আহমদ,আহমদপুর গ্রামের আনছার আলীর ছেলে বাবলু হোসেন,জবলু হোসেন,কামাল হোসেন, এবং একই গ্রামের মৃত মস্তাব আলীর ছেলে জয়নাল উদ্দিন’কে চার্জশীটে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত ৫ জনের মধ্যে জামিল ছাড়া বাকী ৪ জন বর্তমানে কারাগারে আছেন।

উল্লেখ্য,গত বছরের ৩১ জুলাই বর্ণি ইউনিয়নের আহমদপুর গ্রামের আব্দুল আহাদের ছেলে,সিলেট পলিটেকনিক কলেজের ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমানের রহস্যজনক মৃত্যু হয়। বিকাল ৪ টার দিকে নিজ বাড়ির কক্ষ থেকে পুলিশ তার নিথর দেহ উদ্ধার করেছিল। লাশ পাঠানো হয় মর্গে। ময়নাতদন্ত শেষে পারিবারিক কবরস্থানে সাইফুরকে দাফন করা হয়। রহস্যজনক এ মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে পুলিশকে অপেক্ষা করতে হয় প্রায় ৩ মাস। ২০২০ সালের ২৬ অক্টোবর হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পৌঁছায় বড়লেখা পুলিশের হাতে। প্রতিবেদনে সাইফুরকে শ্বাসরোধে হত্যা করার বিষয়টি বলা হয়। তখন নিহত সাইফুর রহমানের ছোট ভাই এমদাদুর রহমান বাদী হয়ে আসামী অজ্ঞাতনামা রেখে একটি মামলা দায়ের করেন। ঐ দিন সন্ধ্যায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন আসামী হিসেবে আহমদপুর গ্রামের আনছার আলীর ৩ ছেলে বাবলু,জবলু এবং কামাল হোসেনকে আটক করে। গ্রেফতারকৃত এই ৩ জনের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে চলতি বছরের ৭ জানুয়ারী জয়নাল উদ্দিন নামে আরেক সন্দেহভাজন আসামীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। দীর্ঘ তদন্ত শেষে আজ কারাগারে থাকা ৪ জনের সাথে একই ইউনিয়নের বাসিন্দা সাংবাদিক জামিলকে যুক্ত করে আলোচিত এ মামলার চার্জশীট দিল পুলিশ।

হাকালুকি হাওরের মালাম বিলে গাছ নিধনকারীদের শাস্তির দাবীতে মানবন্ধন

জাকির আহমদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ গাছ নিধনকারী দূর্ণীতিবাজদের কবল থেকে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহৎ জলাভূমি হাকালুকি হাওরকে রক্ষার দাবীতে বড়লেখায় মানবন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৬ জুন সন্ধায় উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নের ফকির বাজারে ‘পাকশাইল গ্রেট ভিশন এসোসিয়েশন’ নামে একটি সামাজিক সংগঠনের ব্যানারে এ মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি এইচ.এম ফয়সলের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গির আলমের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন এসোসিয়েশনের সহ সভাপতি কামরুল হোসেন এনাম,শাহীদুল হক,সাংবাদিক জামিল আহমদ, ইমন আহমদ ও শাহিদুর রহমান জুনেদ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এসোসিয়েশনের সহ সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হোসেন,সাইদুল ইসলাম,হাফিজুর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক কবির আহমদ,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আবজল হোসেন,সাজু আহমদ,অর্থ সম্পাদক সাইফুল হোসেন পাভেল,সহ অর্থ সম্পাদক কামরুল হোসেন,অফিস সম্পাদক কবির আহমদ,প্রচার সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ,ক্রীড়া সম্পাদক কবির আহমদ(দক্ষিণ) প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন,হাকালুকি এশিয়ার একটি বৃহৎ জলাভূমি। এই হাওরের পরিবেশ রক্ষা করা সরকারের দায়িত্ব। কিন্তু,দুঃখজনক হলেও সত্য,সরকারী দলের অনেক নেতারা এখন এই ঐতিহ্যবাহী হাওরের পরিবেশ বিনষ্টের সাথে জড়িয়ে গেছেন। গাছ নিধন,অতিথি পাখি ও মাছ শিকার সহ নানা অসদুপায়ে তারা হাওর থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছেন। এর ফলে হাওরের জীববৈচিত্র হুমকির মুখে পড়ছে। আর এর মূল প্রভাব পড়ছে বর্ণি ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে। কারণ,হাওরের পরিবেশের সাথে পাকশাইল সহ ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের মানুষের স্বার্থ জড়িত। এই হাওরকে পরিবেশ বিনষ্টকারী দূর্ণীতিবাজদের হাত থেকে বাঁচানো মানে বর্ণি ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষকে বাঁচানো। বক্তারা এসময় পরিবেশ বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতি আহ্বান জানান।

নিসচা বড়লেখা শাখার ৩৯ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন

নিজস্ব সংবাদঃ

নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) এর বড়লেখা উপজেলা শাখার ৩৯ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে।

রবিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সামাজিক সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই নিসচা’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন, মহাসচিব সৈয়দ এহসানুল হক কামাল ২০২১- ২২ সালের জন্য নবগঠিত এই কমিটির অনুমোদন দেন। তাহমীদ ইশাদ রিপন কে সভাপতি ও আইনুল ইসলাম কে সাধারণ সম্পাদক করে উক্ত কমিটি অনুমোদন করা হয়।

অনুমোদনের কপি নিসচা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিসচা উপজেলার শাখার সভাপতি তাহমীদ ইশাদ রিপন, সহ সভাপতি মার্জানুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আইনুল ইসলামের হাতে তুলে দেন নিসচা কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নিসচা কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব সৈয়দ এহসানুল হক কামাল,কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক আসাদুর রহমান আসাদ, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম আজাদ হোসাইন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মিরাজুল মঈন জয় সহ প্রমূখ।

কমিটিতে স্থানপ্রাপ্তরা হলেন, সহ সভাপতি মার্জানুল ইসলাম ,আব্দুর রহমান ,আব্দুল আজিজ , সহ সাধারণ সম্পাদক নোমান উদ্দিন, সিরাজুল ইসলাম শিরুল,আমান হাসান, অর্থ সম্পাদক মাওলানা মাছুম আহমদ , সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ আহমদ ,দুর্ঘটনা অনুসন্ধান ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক রমা কান্ত দাস, অফিস সম্পাদক রাসেল আহমদ, প্রচার সম্পাদক নুরে আলম মোহন ,প্রকাশনা সম্পাদক মারুফ হোসাইন , আইন বিষয়ক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া , সমাজ কল্যাণ ও ক্রীড়া সম্পাদক কামরুল ইসলাম ,সাংস্কৃতিক সম্পাদক অপুজিত দাস, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক জাহানারা বেগম , যুব বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ বদরুল ইসলাম , কার্যকরী সদস্য কেফায়েত উল্লাহ, রাকিবুল হাসান, রোকসানা বেগম, রেদওয়ান আহমদ, সাব্বির আহমদ, হাফিজুর রহমান, মোঃ আছাদ উদ্দিন, ছারওয়ার আলম, ওলিউর রহমান, মোঃ দেলোয়ার, সুমন বৈদ্য, নিরঞ্জন দেবনাথ নিলু, মোঃ ছায়েদ হোসেন, রহিমা বেগম, জাহেদ আহমদ, এমদাদুল ইসলাম, রাসেল আহমদ মাছুম, আব্দুল মুমিন, আবু বকর৷

উল্লেখ্যঃ নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) বড়লেখা উপজেলা শাখার ২০২০ -২১ সালের আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করে ২০২১-২২ ও ২৩ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩৯ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিটি, ১১ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা কমিটি ও ১৫ সদস্য বিশিষ্ট পৃষ্ঠপোষক কমিটির পূর্ণাঙ্গ অনুমোদন প্রদান করা হয়।

গলাব্যথার রোগীকে ‘ক্যান্সার’ আক্রান্ত বলে বড়লেখার চিকিৎসকের প্রতারণা!

মায়ের প্রচন্ড গলাব্যাথা। কোথায় মায়ের চিকিৎসা করাবেন এ নিয়ে চিন্তায় পড়েন যান বিয়ানীবাজার উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের রেজাউল করিম রাজু। বিভিন্ন মাধ্যমে বড়লেখা উপজেলার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক সঞ্জয় কান্তি শীল সঞ্জুর নামডাক শুনে তার কাছে যান। হোমিও চিকিৎসক সঞ্জু তাৎক্ষণিক রোগীকে দেখে জানান ‘ক্যান্সার’ হয়েছে। তিনি তা ভালো করতে পারবেন।ঘটনাটি গত বছরের ২ ডিসেম্বর। এরপর কয়েক দফায় ‘ক্যান্সার’ ভালো করার নামে ওই নারীর ছেলের থেকে ওষুধ দিয়ে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। কিন্তু ভালো হওয়া তো দূরের কথা দিন দিন রোগীর অবস্থা অবনতির দিকে। বিষয়টি নিয়ে ওই হোমিও চিকিৎসকের কাছে কথা বলতে গিয়ে দুর্ব্যবহারের শিকার হন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী রেজাউল করিম রাজুর।এ অবস্থায় প্রতিকার চেয়ে গত ৩১ জানুয়ারি বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদীপ বিশ্বাসের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগি দেন রোগীর ছেলে রেজাউল করিম রাজু। গত বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্মদীপ বিশ্বাসের গঠিত তদন্তদল অভিযোগটির তদন্ত করছেন।জানা গেছে, উপজেলার পানিধার এলাকায় নিজ বাড়িতে ঝর্নাময়ী হোমিও হল নামক ফার্মেসিতে চেম্বার খুলে দীর্ঘদিন বিভিন্ন অসুখের চিকিৎসা করছেন সঞ্জয় কান্তি শীল সঞ্জু। নামের সাথে হোমিওপ্যাথির নানা ডিগ্রি সংযুক্ত থাকলেও ব্যবস্থাপত্রে তিনি হোমিও ছাড়াও অ্যালোপ্যাথির উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক, আয়ুর্বেদিক, কবিরাজিসহ সবধরনের ওষুধ লেখেন। ক্যান্সারসহ কঠিন অসুখ ভালো করার নানা ধরনের প্রচারপত্র বিলি করে তিনি সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকৃষ্ট করে চিকিৎসার নামে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছেন বলে মানুষের অভিযোগ দীর্ঘদিনের।অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন মাধ্যমে হোমিও চিকিৎসক সঞ্জয় কান্তি শীল সঞ্জুর নামডাক শুনে পার্শ্ববর্তী বিয়ানীবাজার উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের রেজাউল করিম রাজু গত ২ ডিসেম্বর গলাব্যথায় আক্রান্ত অসুস্থ মা ছায়ারুন নেছাকে তার নিকট নিয়ে যান। সঞ্জু পরীক্ষা করে জানায়, ক্যান্সার হয়েছে এবং সে চিকিৎসা দিয়ে ভালো করতে পারবে। কয়েক দফা ওষুধ দিয়ে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। তার ওষুধে ওই নারীর শারীরিক অবস্থার ক্রমশ অবনতি ঘটতে থাকে। গত ২৬ জানুয়ারি রেজাউল করিম রেজা চিকিৎসকের চেম্বারে মায়ের শারীরিক অবস্থা জানাতে গেলে তিনি অকথ্য ভাষায় গালাগালা করে চেম্বার থেকে বের করে দেয়।রেজাউল করিম রেজা জানান, বিভিন্ন জনের মাধ্যমে তার সুনাম শুনে অসুস্থ মাকে চিকিৎসা করতে নিয়ে যান। ক্যান্সার হয়েছে জানিয়ে চিকিৎসার নামে সে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। তার ওষুধে মায়ের ক্রমশ অবনতি ঘটে। সর্বশেষ জানাতে গেলে মারাত্মক দুর্ব্যবহার করে চেম্বার থেকে বের করে দেয়। তার প্রতারণা ও অপচিকিৎসায় আমার মা এখন মৃত্যুমুখে। এখন বুঝতে পারছি তার চিকিৎসার সুনাম করা লোকগুলো তারই নিয়োজিত দালাল। অবশেষে তার অপচিকিৎসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।হোমিও চিকিৎসক সঞ্জয় কান্তি শীল সঞ্জু জানান, ওই রোগীর ছেলের সাথে ওষুধ কেনা নিয়ে একটু ঝামেলা হয়েছে। তিনি কোনো দুর্ব্যবহার করেননি।‘‘তবে ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসা করানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বক্তব্য না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান।’’বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদীপ বিশ্বাস বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বলেন, ‘অভিযোগটি তদন্তের জন্য হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. রামেন্দ্র সিংহকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছিলাম। বুধবার সকালে কমিটি তদন্ত সম্পন্ন করেছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

সুত্রঃ সিলেটটুডে

দেশে কোন গৃহহীন থাকবে না-আলহাজ্ব মোঃ শাহাব উদ্দিন


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশে কোনো মানুষই আর গৃহহীন থাকবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের গৃহহীনদের জন্য গৃহের ব্যবস্থা করছে।

রোববার মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের দুর্যোগ সহনীয় গৃহনির্মাণ প্রকল্পের আওতায় মৌলভীবাজারের বড়লেখায় নির্মাণাধীন ৫০টি পাকাঘর পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা জানান।

পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসজনিত মহামারিকালে সমগ্র বিশ্ব বিপর্যস্ত হলেও বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রম থেমে থাকেনি। এ সময় পরিবেশমন্ত্রী অসহায়, ভূমিহীন ও গৃহহীনদের পাশে সমাজের বিত্তবান মানুষদের দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

গৃহ নির্মাণকাজ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজারের ডিসি নাহিদ আহসান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সোয়েব আহমদ, বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. উবায়েদ উল্লাহ খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশন শীত বস্ত্র বিতরণ।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

হাজারো দুঃসংবাদের ভীড়ে একটি ভাল খবর। করোনা মহামারীতে দেশে যখন টালমাটাল অবস্থা, দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষজন যখন কাজ হারিয়ে দিশেহারা তখন তাদের পাশে আলোকবর্তিকা হয়ে পাশে দাড়িয়েছে মানবতার সংগঠন সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশন। করোনার শুরু থেকে আর্থিক সহায়তা, খাদ্যদ্রব্য ও জরুরী ঔষধ সরবরাহের পাশাপাশি নানাবিদ সাহায্য নিয়ে সব সময় মানুষের পাশে থেকেছে মৌলভীবাজার বড়লেখার সংগঠন অন্যতম জনপ্রিয় সংগঠন সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশন।

দেশে ধীরে ধীরে শীত জেকে বসতে শুরু করেছে, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে। কনকনে শীত আর শৈত্যপ্রবাহে দরিদ্ররা চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছেন। ঠিক এই সময়েই শীতার্ত অসহায় ও দুস্থ মানুষদের উষ্ণতা দিতে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে পাশে দাড়িয়েছেন কানাডা প্রবাসী সৈয়দ মেহেদী রাসেল। তার প্রতিষ্ঠিত ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আজ ইটাউরী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে শতাধিক দরিদ্র্য শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এছাড়াও পরবর্তী আরো বিভিন্ন ধাপে কম্বল, বাচ্চা ও বৃদ্ধদের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে।

ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবী কর্মীরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে শতাধিক সহায়হীনদেরকে কম্বল বিতরণ করেন। এছাড়া যারা আসতে পারেননি ও বয়স্কদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে কম্বল পৌছে দেন ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবী কর্মীরা।

ফাউন্ডেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম জাবরুলের সঞ্চালনায় এবং সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জাকারিয়ার সভাপতিত্বে নিজ বাহাদুরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ময়নুল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শীতার্ত মানুষের হাতে কম্বল তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নিজবাহাদুর পুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুস শুকুর, সাধারন সম্পাদক খায়রুল আলম, ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা সৈয়দ আব্দুল রহিম উনু, ইটাউরী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ওয়াহিদুল হক এপলু, উপজেলা যুবলীগের সদস্য সৈয়দ জিল্লুর রহমান, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আব্দুল করিম, সাধারন সম্পাদক বদরুল আলম উজ্জল, ইউপি সদস্য সাজু আহমদ।

আরো উপস্থিত ছিলেন, সৈয়দ সাইদুল রহমান সাহেল, আব্দুল জলিল ছটন, ফয়জুল রহমান বেলাই, আব্দুল হামিদ, মৌও: নুর উদ্দিন, সুমন আহমদ, নাজিম উদ্দিন প্রমূখ।

ফাউন্ডেশনের চেযারপারসন সৈয়দ মেহেদী রাসেল বলেন, সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করছি। দেশে এখন তীব্র শীত, এই সময়ে দুস্থ শীতার্তদের পাশে আমাদের সকলের পাশে থাকা উচিত। আমরা প্রথম ধাপে শতাধিক কম্বল বিতরণ করেছি, শীঘ্রই আমরা আরো কম্বল এবং শীতবস্ত্র করবো। মানুষের পাশে থাকার এই প্রয়াসে আপনাদের সকলের সহযোগীতা চাই।

সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ আব্দুল হাকিম, মাওঃ ক্বারী আব্দুস সামাদ, সৈয়দ শাকারিয়া, সৈয়দ এমরানুল হক, সৈয়দ আব্দুল বারী প্রমূখ।

বড়লেখার পরগনাহী দৌলতপুর সিঃ আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক আলাউদ্দিন খাঁন সংবর্ধিত


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

মৌলভী বাজারের বড়লেখা উপজেলার পরগনাহী দৌলতপুর সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার সহকারী জুনিয়র শিক্ষক মোঃ আলাউদ্দিন খাঁনের দীর্ঘ ৩১ বছরের শিক্ষকতা জীবনের অবসর জনিত ভার্চুয়াল বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্টিত হয়।

গতকাল (২৫ শে নভেম্বর) শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮ থেকে ১০.৩০মিনিট পর্যন্ত
লন্ডন থেকে প্রাক্তন ছাত্র আবু নোমান ও মাদ্রাসার আজীবনদাতা সদস্য সাংবাদিক কাজী রমিজ উদ্দীনের সঞ্চালনায় প্রাক্তন ছাত্র সাংবাদিক মোঃ ইবাদুর রহমান জাকিরের কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে কাতার থেকে হাফিজ মাওলানা দেলওয়ার হোসেন পরিবেশনায় দৌলতপুর ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি, মাদ্রাসা আজীবন দাতা সদস্য মোঃ নাজমুল হক টুনু সাহেবের সভাপতিত্বে বিদায়ী শিক্ষক মোঃ আলাউদ্দীন খান সাহেবের ৩১ বছরের নানান স্মৃতি নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন সাবেক প্রধান শিক্ষক,আজীবন দাতা সদস্য মাওঃ আব্দুস ছবুর, তিনি বলেন একজন আর্দশ শিক্ষকের যে সব গুনাবলি থাকা দরকার ১. সবসময় প্রস্তুত থাকেন ২. সবসময় পড়াশোনার মধ্যে থাকেন ৩. সব ধরনের পরিবেশের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেন ৪. ছাত্রছাত্রীদের সত্যের পথে চালিয়ে যান ৫. ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহ দিয়ে থাকেন ৬. ছাত্রছাত্রীদের সাথে আত্মিক বন্ধন তৈরি করেন ৭. আনন্দের সাথে পড়িয়ে থাকেন ।এই সব গুনাবলি মাষ্টার আলা উদ্দির খাঁন সাহেবের ছিলো, এ ছাড়া আরো অংশ গ্রহন করেন মাদ্রাসাে প্রাক্তন শিক্ষক মাওঃ লিয়াকত হোসেন, বড়লেখা আইডিয়াল সোসাইটির সভাপতি ও সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুস সালাম, দৌলতপুর ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সেক্রেটারী আব্দুল গফুর মফিক, আরবী প্রভাষক মাওঃ আব্দুল কাদির, আলোকিত বড়লেখার সেক্রেটারী লন্ডন প্রবাসী জয়নাল আবেদীন, মাদ্রাসার ইবতেদায়ী প্রধান মাওঃ হারুনুর রশীদ, মাদ্রাসার গর্ভনিং বডির সদস্য এমরানুল হক (বাবু), উত্তর শাহবাজপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোঃ সাইফুল্লাহ, জুনিয়র শিক্ষক ফয়জুল হক, প্রাক্তন ছাত্র আজীবনদাতা সদস্য, মাওঃ হাবিবুল করিম, লন্ডন প্রবাসী ও মাদ্রাসার আজিবন দাতা সদস্য ফেরদৌস আহমদ, ফ্রান্স প্রবাসী তারেক আহমদ, আমেরিকা প্রবাসী সালা উদ্দীন শাহিন, হোসাইন আহমদ ও তোফায়েল আহমদ, লন্ডন প্রবাসী জিয়াউর রহমান জিয়া, ফয়সল আহমদ রাসেল ও জাহেদ আহমদ,মাদ্রাসার অতিরিক্ত শিক্ষক মাওঃ কমর উদ্দিন (বাদশা), বীমা কর্মকর্তা মোঃ মোস্তাক আহমদ, লন্ডন প্রবাসী মোঃরুহেল আহমদ,লন্ডন প্রবাসী মোঃজামিল আহমদ, লন্ডন প্রবাসী আব্দুল কাদির ও মোঃ সামসুদ্দোহা মনজু প্রমূখ।
এছাড়া মাদ্রাসা অফিস কক্ষে প্রজেক্টর মাধ্যমে ভার্চুয়াল অনুষ্টানে উপস্হিত ছিলেন সাংবাদিক আশফাক আহমদ জুনেদ, জুনিয়র শিক্ষক মাওলান জাহিদ আহমদ, প্রাক্তন ছাত্র জুবায়ের আহমদ, শিক্ষক ক্বারী ছফির উদ্দীন, ময়নুল ইসলাম সহ আরো অনেকে।
দেশ বিদেশ থেকে প্রায় ১৫০ জন প্রাক্তন ছাত্রের ভার্চুয়াল উপস্হিতে বিদায়ী শিক্ষক মোঃআলাউদ্দীন খান সাহেব কে ক্রেস্ট তুলে দেন মাদ্রাসার অফিস কক্ষে উপস্থিতি অতিথিবৃন্দ।

ড: এনায়েত উল্লাহ আব্বাসীও শাহরিয়ার কবিরের টকশো

।। অধ্যাপক আব্দুল কাদির সালেহ ।।

গত ২০ ডিসেম্বর রাতে ডঃ মাওলানা এনায়েত উল্লাহ আব্বাসী শাহরিয়ার কবিরের টকশোটি সরাসরি দেখতে পারিনি । একটু দেরীতে বাসায় ফিরে দেখেছি ।
ধন্যবাদ ও অভিনন্দন ড: আব্বাসী সাহেব । আল্লাহ আপনার ইলম ও হিকমাহর উপর বরকত দান করুন ।

দু জনের বক্তব্যে শাহরিয়ার কবীরকে দ্বিধাগ্রস্থ ও অপ্রস্তুত মনে হয়েছে । শাহরিয়ার বরাবরের মতোই কিছু বহু চর্চিত শব্দের মধ্যে ঘুরপাক খেয়েছেন এবং তাঁর বক্তব্যে সস্তা সেনসেসন তৈরীর জন্য বঙ্গবন্ধু , ৭১ মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের সংবিধান এবং সেক্যুলার রাষ্ট্রের ধারনা টেনে এনে তাঁর নিজের নিয়ন্ত্রন আনবার ব্যর্থ চেষ্ঠা করেছেন। মি: শাহরিয়ার আলেম উলামাদের নাম উচ্চারণ করতেও সব্যতা দেখায়নি।মামুনুল হকের বাবা আজিজুল হক, আহমদ শফি , মোল্লা এসব সম্বোধন তাচ্ছিল্য পূর্ণ ভাবে করেছেন । এটা তার চিরাচরিত চৈরিত্র বৈশিষ্ট এবং ড: আব্বাসীকে উত্তেজিত করার অপকৌশল ছিল মাত্র ।
আব্বাসী সাহেব তার এই অপকৌশলকে গোড়াতেই বুঝতে পেরেছেন এবং আগাগোড়াই ছিলেন শান্ত , প্রানবন্ত এবং বক্তব্যের মূল কেন্দ্রীয় পয়েন্টের উপর স্থির ও চলমান।

শাহরিয়ার কবির প্রসংগকে কেন্দ্রীয় আলোচনা থেকে সরিয়ে তুচ্ছ বিতর্ক তৈরীর চেষ্ঠা করেছেন কিন্তু আব্বাসী সাহেব বরাবরই তথ্যভিত্তিক এবং একাডেমিক আলোচনা করে অতি সুনিপূণভাবে ধর্ম নিরপেক্ষতার অসারতা এবং এটি যে ক্লাস অফ সিভিলাইজেসনের যুদ্ধে ইসলামের রাজনৈতিক উত্থানকে ঠেকাবার পুজিবাদী হাতিয়ার সেটি সাব্যস্ত করে স্পষ্ঠ বলে দিয়েছেন এটি একটি হাইপোথেটিক্যাল ধারনা , যার বাস্তবায়ন পৃথিবীতে একটিও নেই । তিনি বিপরীতে খেলাফত রাষ্ট্র ব্যবস্থার ব্যাপকতা ও অবশ্যম্ভাবিতা বেশ যুৎসইভাবে তুলে ধরেছেন ।

উল্লেখযোগ্যভাবে তিনি মি: শাহরিয়ার কবীরকে তার বঙ্গবন্ধুর দেয়া ধর্ম নিরপেক্ষতার মূলনীতিকে, যা প্রতিষ্ঠিত কোন সংজ্ঞায় মিলেনা বা পৃথিবীর কোন রাষ্ট্রেই নেই এর নাম পরিবর্তন করার প্রস্তাবটিও দারুন যৌক্তিক ভাবে উত্থাপন করেছেন । তিনি শাহরিয়ার কবীরকে বেশ ক’টি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বিম্বিষায় পাঠিয়ে দিয়ে কাদিয়ানী এবং খেলাফত ইস্যুতে তাকে বলেছেন ‘আপনি জানেন না’ । কবীর এই চ্যালেন্জ নিতে পারেন নি । মাওলানা মওদুদী,জামাত সাঈদী ইত্যাদি ইস্যুতেও তিনি কৌশলে শাহরিয়ার কবিরকে উঠে দাঁড়াতে দেন নি ।

পরিশেষে মি: শাহরিয়ার ইসলাম ও খেলাফত নিয়ে কাজ করা এবং এর প্রতিষ্ঠার দাবী উত্থাপনকে নাগরিক ও সাংবিধানিক অধিকার হিসেবে মেনে নিতে বাধ্য হয়েছেন ।
পুরো সময়ে শাহরিয়ারের অসহায়ত্ব দৃশ্যমান ছিল এবং শেষদিকে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে চলে যেতেও ইচ্ছা ব্যাক্ত করেছেন ।

আব্বাসী সাহেব শুরু থেকেই তাঁর বক্তব্যকে মূল পয়েন্টে কেন্দ্রীভূত রেখেছেন এবং ইসলাম এবং খেলাফত দুনিয়াতে আছে এবং অচিরেই আসবে বলে বক্তব্য সমাপ্ত করেছেন ।
আজকের এই টকশোটি স্মরনীয় হয়ে থাকবে ।

লেখক ঃ অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল কাদির সালেহ
আন্তর্জাতিক সম্পাদক, হেফাজতে ইসলাম ও যুগ্ম মহাসচিব খেলাফত মজলিস।

প্রবাসী সমাজ কল্যাণ সংস্থা সোনাতুলার সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান।

নিজস্ব সংবাদঃ

সোনাতুলা ইসলামী সমাজ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে নিজ গ্রামের প্রবাসীদের নিয়ে গঠিত প্রবাসী সমাজ কল্যাণ সংস্থা,সোনাতুলা’র সদস্য ও দায়িত্বশীলদেরকে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

সোনাতুলা ইসলামী সমাজ কল্যাণ পরিষদের শুভাকাংখী বড়লেখা বাজারের বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী রূপসাগরের সত্বধিকারী জনাব জুবের আহমদের বাড়িতে বুধবার (১৬/১২/২০২০ইং) সন্ধ্যা ৭.০০ ঘটিকায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্টিত হয়।


প্রবাসী সমাজ কল্যাণ সংস্থার সভাপতি হাফিজ জয়নাল আবেদিনের সভাপতিত্বে ও সাইফুল ইসলাম নয়নের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন বড়লেখা মোহাম্মদিয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা নিজাম উদ্দিন।


অন্যান্যদের মধ্যে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সোনাতুলা ইসলামী সমাজ কল্যাণের সক্রেটারী, সায়ফুল ইসলাম(নয়ন), সহ-সক্রেটারী,ছাব্বির আহমদ, কোষাধক্ষ্য আছার উদ্দিন, এবং প্রবাসি সমাজ কল্যাণের পক্ষ বক্তব্য রাখেন সংস্থার সহ-সভাপতি আব্দুল হামিদ আন্তর্জাতিক বিষযক সম্পাদক সাহেদ আহমদ, প্রমুখ।
প্রবাসীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ছাব্বির হোসেন, হাসান আহমদ, মাসুম আহমদ, সমছ উদ্দিন, এলাইছ মিয়া, সুনাম উদ্দিন, খয়রুল হোসেন, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। এছাড়াও সোনাতুলা ইসলামি সমাজ কল্যাণ পরিষদের অন্যান্য দায়িত্বশীলরাও উপস্থিত ছিলেন।


প্রবাসী সমাজ কল্যাণ সংস্থার বক্তারা সোনাতুলা এলাকায় বিগত দিনে বাস্তবায়ন করা বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড ও বর্তমানে হাতে থাকা বিভিন্ন কাজের পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

পরগনাহী দৌলতপুর আলিম মাদ্রাসায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পরগনাহী দৌলতপুর আলিম মাদ্রাসায়
১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে মাদ্রাসা হলরুমে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ মিছবাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার শিক্ষক আব্দুল মালিক, আলাউদ্দিন, আশিকুর রহমান প্রমুখ।
উপস্থিত ছিলেন আজীবন দাতা সদস্য মাওলানা আব্দুস ছবুর।
এসময় শহীদ হওয়া বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং পরে তাদের রুহের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
দোয়া পরিচালনা করেন মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ মিছবাহ উদ্দিন।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। পৃথিবীর ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাঙালি বুদ্ধিজীবী নিধন বাংলাদেশের ইতিহাসে নৃশংসতম ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ। জাতি যখন বিজয়ের খুব কাছে সেই সময় পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগিতায় রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনী দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ধরে ধরে হত্যা করে। ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড চালায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। বাঙালি শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, আইনজীবী, শিল্পী, দার্শনিক ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদগণ এই সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞের শিকার হন।

পরগনাহী দৌলতপুর আলিম মাদ্রাসায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন।


মোঃইবাদুর রহমান জাকিরঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পরগনাহী দৌলতপুর আলিম মাদ্রাসায়
১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে মাদ্রাসা হলরুমে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ মিছবাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার শিক্ষক আব্দুল মালিক, আলাউদ্দিন, আশিকুর রহমান প্রমুখ।
উপস্থিত ছিলেন আজীবন দাতা সদস্য মাওলানা আব্দুস ছবুর।
এসময় শহীদ হওয়া বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং পরে তাদের রুহের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
দোয়া পরিচালনা করেন মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ মিছবাহ উদ্দিন।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। পৃথিবীর ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাঙালি বুদ্ধিজীবী নিধন বাংলাদেশের ইতিহাসে নৃশংসতম ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ। জাতি যখন বিজয়ের খুব কাছে সেই সময় পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগিতায় রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনী দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ধরে ধরে হত্যা করে। ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড চালায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। বাঙালি শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, আইনজীবী, শিল্পী, দার্শনিক ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদগণ এই সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞের শিকার হন।

মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের কমিটি গঠন;সভাপতি আঃ রহমান, সম্পাদকঃকামরুল


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা’র সর্বপ্রথম রক্তদানকারী ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন বড়লেখা মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্টিত হয়।

সামাজিক ও আত্ব মানবিক কাজ গতিশীল করার লক্ষ্যে সংগঠনের স্থায়ী পরিষদের নির্দেশনার আলোকে (১২ডিসেম্বর) শনিবার বিকেলে মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উপজেলা কার্যালয়ে সংগঠনের সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলামের সঞ্চালনায় দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্টিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগম হাছনা, ফাউন্ডেশনের স্থায়ী পরিষদের মহাসচিব কামাল হোসেন, স্থায়ী পরিষদের সদস্য বেলাল আহমদ, রিফাত আহমদ।

প্রধান অতিথি রেহানা বেগম (হাসনা) বলেন আর্ত্ব মানবতার কাজে মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন উপজেলার মধ্যে এগিয়ে আছে, ২০১২ সালের ১৮ই ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা পর থেকে দেশে-বিদেশে হাজারো ব্যাগ রক্তদানসহ ভিন্ন দূর্যোগ কালীন সময়ে রমজানে ঈদে খাদ্য সামগ্রীয় ও ঈদ বস্ত্র বিতরণ করে আসছে এই ফাউন্ডেশন আমরা দেখতেছি, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান সৌদিআরব প্রবাসী মোঃগুলজার হোসেন হাসান, প্রতিষ্টাকালিন সদস্য মোঃতাজুল ইসলাম,মোঃহিফজুর রহমান,আহমেদ জেবলু,রায়হান আহমদ প্রমুখ এদের অবদানে আজ এই পর্যন্ত।

পরে সংগঠনের উপদেষ্টা ও উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগম (হাছনা) নব নির্বাচীত কার্যকরি-কমিটির নাম ঘোষণা করেন।

সভাপতি পূর্নঃনির্বাচিত মোঃ আব্দুর রহমান,সিনিয়র সহঃ সভাপতি মুমিনুর রশিদ (মুন্না), সহঃ সভাপতি শিমুল চৌধুরী, মিছবাহ উদ্দিন মাছুম, শ্রীঃ নিক্কন দে, সাধারণ সম্পাদক পূর্নঃনির্বাচিত কামরুল ইসলাম, সহঃ সাধারণ সম্পাদক শিপলু আহমদ, কাওসার আহমদ, মাহমুদুল হাসান (জুয়েল), নাহিদ আহমদ রিমন, সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফ আল মামুন, সহঃ সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ এবাদ , রাসেল আহমদ, নজমুল ইসলাম,সাদিকুর রহমান (ফাহিম), প্রচার সম্পাদক নাছির আহমদ, সহঃ প্রচার সম্পাদক ময়নুল ইসলাম ১, তানভীর আহমদ, শাহরিয়ার শাকিব, অর্থ সম্পাদক মোহাম্মেদ আলী, সহঃ অর্থ সম্পাদক লিটন আহমদ, জাবেদ আহমদ, অফিস বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মুহিত,সহঃ অফিস বিষয়ক সম্পাদক শামীম আহমদ, শাহরান সাকিব, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রেদওয়ান আহমদ, সহ তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক জামিল হোসেন, ত্রাণ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক, জুয়েল আহমদ সহ ত্রাণ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক রাজু কাপালী, ক্রীড়া সম্পাদক ময়নুল ইসলাম ২, সহঃ ক্রীড়া সম্পাদক আলতাফ হোসেন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক কাওসার আহমদ ২, সহঃ সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন (দুলাল), সহঃ শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মামুন আহমদ, রক্ত বিষয়ক সম্পাদক পারভেজ মাসুদ, সহ রক্ত বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার (শান্ত), আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক জায়েদ আরমান, সহ আন্তজার্তিক বিষয়ক সম্পাদক অলিউর রহমান বশর, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক বেলাল আহমদ , সহঃ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক নাহিদ আহমদ ২, সদস্য জামিল আহমদ, বিজিত দাস, অপু আহমদ, বেলাল আহমদ ২, আব্দুল্লাহ হোসেন, ইমুরুল হোসেন, রাজীব কপালী, মিছবাউর রহমান তুহিন, সুমন আহমদ, শিমুল মাহমুদ, নাজমুল ইসলাম সহ প্রমুখ।

বড়লেখা বিএনপির সম্মেলন:সভাপতি হাফিজ, সম্পাদক খছরু, সাংগঠনিক শহীদ খাঁন

মোঃইবাদুর রহমান জাকির

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলন রোববার (৬ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি এম নাসের রহসান।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদে পুনরায় আব্দুল হাফিজ, সাধারণ সম্পাদক পদে মুজিবুর রহমান খছরু ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে অধ্যাপক আব্দুস শহীদ খাঁনের নাম ঘোষণা করা হয়।

শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু।

সম্মেলন উদ্বোধন করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি এম নাসের রহসান।

সাবেক কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান খছরু ও সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস শহীদ খানের যৌথ সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহঃসভাপতি ফয়জুল করিম ময়ুন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান (ভিপি মিজান), সহ সভাপতি এমএ মুকিত, সহ সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন মাতুক, যুগ্ম সম্পাদক ফখরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মতিন বখত, প্রচার সম্পাদক ইদ্রিস আলী, সহ সাধারণ সম্পাদক মুহিতুর রহমান হেলাল, মাহমুদুর রহমান, জেলা যুবদলের সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক জিএম মোক্তাদির রাজু, বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাফিজ, পৌর বিএনপির সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল, জুড়ী উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান চুনু, বড়লেখা উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান রাহেনা বেগম হাছনা, উপজেলা যুবদলের পক্ষে সাইফুল ইসলাম খোকন, আব্দুল কাদির পলাশ ও এসএম শরীফুল ইসলাম বাবলু, স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষে রায়হান মোহাম্মদ মুজিব, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি হাজী সেলিম, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদলের আহব্বায়ক ফয়ছল আহমদ প্রমুখ।

এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাধারণ সম্পাদক বক্তব্য রাখেন।

প্রসঙ্গত, সর্বশেষ ২০১৬ সালে উপজেলা বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই সম্মেলনে দলের নেতাকর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে আব্দুল হাফিজকে সভাপতি, মুজিবুর রহমান খছরু সাধারণ সম্পাদক ও অধ্যাপক আব্দুস শহীদ খান সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।

স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মোঃ সাইদুল ইসলামের গণসংযোগ।

ইবাদুর রহমান জাকির, বড়লেখাঃ

মৌলভী বাজারের বড়লেখায় নির্বাচন কমিশনের বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র গৃহীত হওয়ার পরই গণসংযোগ শুরু করেছেন পৌর নাগরিক মনোনিত স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মোঃ সাইদুল ইসলাম।

৩ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই করেন নির্বাচনের রিটার্ণিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন ।

মনোনয়নপত্র গৃহীত হওয়ার ঘোষণা শুনেই এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের ও ব্যবসায়ী,ক্রিড়ামদী ও সাধারণ ভোটারের সাথে গণসংযোগ শুরু করেন।
৪ (ডিসেম্বর) পৌরসভার ভিন্ন ফুটবল ক্রিকেট ক্লাবের খেলওয়াড় বৃন্দের সাথে দেখা করেন।

ইসলাম বিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহবান-ডাঃ শফিকুর রহমান

ভাস্কর্য স্থাপনের ইসলাম বিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহবান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডাঃ শফিকুর রহমান ৩ ডিসেম্বর ২০২০ এক বিবৃতি প্রদান করেছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ একটি মুসলিম রাষ্ট্র। সাংবিধানিকভাবে এ দেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। দেশের ধর্মপপ্রাণ মানুষ যুগযুগ ধরে ইসলামী মূল্যবোধের আলোকে নিজেদের জীবন পরিচালনার চেষ্টা করে আসছে। আমরা লক্ষ্য করছি, সাম্প্রতিককালে মূর্তি নির্মাণ নিয়ে ইসলামী আদর্শ ও শরীয়াহ বিরোধী এক অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্কের অবতারণা করা হয়েছে। কারো কারো পক্ষ থেকে ভাস্কর্য ও মূর্তি এক নয় বলে দেশব্যাপী ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমগণ স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, মূর্তি ও ভাস্কর্য একই। ভাস্কর্য ও মূর্তি নির্মাণ করা ইসলামে নিষিদ্ধ। কোনো প্রাণীর মূর্তি বা ভাস্কর্য তৈরি করা ইসলামে শিরক বলে গণ্য করা হয়েছে। যারা এটাকে শিল্প বলে যুক্তি দিচ্ছেন তারা যদি কুরআন হাদীস থেকে এর সপক্ষে কোনো স্পষ্ট প্রমাণ পেশ করতে পারেন তাহলে জনমনে কোনো প্রশ্ন থাকবেনা। এটা তাদের পক্ষে কিছুতেই সম্ভব হবেনা। কিছু লোক আল্লাহর ঘর বায়তুল্লাহকে ভাস্কর্য বলেছেন। নির্বোধ ব্যক্তিদের এটা বাড়াবাড়ি। কোনো কোনো ব্যক্তি ভাস্কর্যের পক্ষে তাদের অবস্থান ব্যক্ত করতে গিয়ে অতীতের কিছু উদাহারণ টানেন। আমাদের বক্তব্য হচ্ছে এটা সর্বাবস্থায় পরিত্যাজ্য এবং হারাম। অন্য ধর্মাবলম্বীগণ তাদের ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে উপাসনালয়ে কিংবা নিজ নিজ স্থাপনায় মূর্তি সংরক্ষণ করলে তাতে কারো আপত্তি থাকার কথা নয়। কিন্তু উন্মুক্ত স্থানে মূর্তি বা ভাস্কর্য স্থাপনের কোনো অনুমতি ইসলাম দেয়নি। কেউ কেউ মূর্তি ও ভাস্কর্য নির্মাণকে বৈধ করার এবং এ ব্যাপারে যুক্তি তুলে ধরার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন যা মুসলিম জাতির জন্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

আমরা সুস্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে কোনো প্রাণীর মূর্তি নির্মাণ করা কবিরা গুনাহ ও হারাম। মূর্তি সংগ্রহ, মূর্তি নির্মাণ, এবং মূর্তির বেঁচাকেনা ইসলামে কঠিনভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘‘এবং তারা বলেছিল, তোমরা কখনো পরিত্যাগ করো না তোমাদের উপাস্যদেরকে এবং কখনো পরিত্যাগ করো না ওয়াদ্দ, সুওয়া, ইয়াগূছ, ইয়াঊক ও নাসরকে। অথচ তারা অনেককে পথভ্রষ্ট করেছে” (সূরা নূহ আয়াত ২৩-২৪)।

এই আয়াতে উল্লিখিত মূর্তিগুলো সম্পর্কে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা:) বলেন, ‘এগুলো হচ্ছে নূহ (আ:) এর সম্প্রদায়ের কিছু পূণ্যবান লোকের নাম। তারা যখন মৃত্যুবরণ করেছে তখন শয়তান তাদের সম্পদায়কে এই কুমন্ত্রণা দিয়েছে যে, তাদের স্মৃতি বিজড়িত স্থানগুলোতে মূর্তি স্থাপন করা হোক এবং তাদের নামে সেগুলোকে নামকরণ করা হোক। লোকেরা এমনই করল। ওই প্রজন্ম যদিও এই সব মূর্তির পুজা করেনি কিন্তু ধীরে ধীরে প্রকৃত বিষয় অস্পষ্ট হয়ে গেল এবং পরবর্তী প্রজন্ম তাদের পূজায় লিপ্ত হলো। (সহীহ বুখারী হাদীস নং: ৪৯২০)।

কুরআন হাদীসের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় মূর্তি বা ভাস্কর্য নির্মাণ বা স্থাপনের কোনো অনুমতি ইসলাম দেয়নি। মূর্তি বা ভাস্কর্য এক নয় মর্মে যারা বিতর্ক সৃষ্টি করছেন তারা অত্যন্ত গর্হিত কাজ করছেন। আপামর জনগণের ঈমানী চেতনার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মধ্যেই কল্যাণ। আমরা ভাস্কর্যের নামে মূর্তি নির্মাণ করার মত ইসলাম বিরোধী এই কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি আহবান জানাচ্ছি”।

ভাস্কর্য নির্মাণ করে মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত করার অধিকার কারো নেই-আল্লামা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী

বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ’র মুহতারাম সভাপতি আল্লামা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী বলেন, দেশে ভাস্কর্য নির্মাণ নিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হচ্ছে। নানাভাবে আলিম-উলামার প্রতি বিষোদগার করা হচ্ছে। যা মোটেই কাম্য নয়। এদেশ সংখ্যাগরিষ্ট মুসলমানের দেশ, মসজিদের দেশ। এখানে রাস্তার মোড়ে বা প্রতিষ্ঠানে কোনো ব্যক্তি বা প্রাণীর ভাস্কর্য তৈরি করে মুসলমানদের অনুভূতির মূলে আঘাত হানার অধিকার কারো নেই। কোনো ব্যক্তি বা প্রাণীর ভাস্কর্য তৈরি করা ইসলাম সমর্থন করে না। তাই এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে হবে। বর্তমান বিশ্ব অত্যন্ত ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। করোনা মহামারিতে বিশ্ব আজ অসহায়। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের আল্লাহর প্রতি মনোনিবেশ করতে হবে। আল্লাহর অসন্তুষ্টি ও গযবের কারণ হয় এমন আচরণ ও সিদ্ধান্ত থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে। দেশের পরিস্থিতি উত্তপ্তের পক্ষে আমরা নই। তবে ঈমান-আকীদার প্রশ্নে আমরা আপোসহীন। তাই ইসলাম বিরোধী কোনো কার্যক্রম পরিচালনা না করার জন্য আমরা সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।
আল্লামা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী আজ বৃহস্পতিবার (০৩.১২.২০২০) বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ’র কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। সংগঠনের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা একেএম মনোওর আলী’র পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এতে সংগঠনের কার্যকরী পরিষদের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ বড়লেখা পৌর নির্বাচনে তিন মেয়র প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ

মোঃইবাদুর রহমান জাকির

মৌলভী বাজারের ড়লেখায় আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ৩ মেয়র প্রার্থীরই মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। ৩ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে যাচাই-বাছাই শেষে মৌলভীবাজার জেলা নির্বাচন ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা দেন।

মনোনয়ন বৈধ ঘোষিত মেয়র প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামী লীগের মনোনীত বর্তমান মেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী, বিএনপি মনোনীত আনোয়ারুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সাইদুল ইসলাম।

রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন জানান, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইকালে কোনো ত্রুটি না থাকায় ৩ মেয়র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, প্রথম ধাপে আগামী ২৮ ডিসেম্বর ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে বড়লেখা পৌরসভার ভোট গ্রহণ করা হবে। নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন আগামী ১০ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ১১ ডিসেম্বর। বড়লেখা পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে মোট ১৫ হাজার ৪৪৩ জন ভোটার আছেন।

ইউকে সুপ্রিম কোর্ট এর এডভোকেট হয়েছেন বড়লেখার রাফিকুল ইসলাম।

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নারী শিক্ষা একাডেমি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হারুন -উর-রশীদ ও সিদ্দেক আলী উচ্চ বিদ্যালয় এর সাবেক সিনিয়র শিক্ষিকা লাইলি বেগম এর একমাত্র পুত্র মোঃ রাফিকুল ইসলাম এর ইউকে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীর সনদ লাভ করে তালিকাভুক্ত হয়েছেন।

লন্ডনস্থ সলিসিটর রেগুলেশন অথরিটির প্রধান পল ফিলিপ স্বাক্ষরিত এক সনদে সম্প্রতি তাঁকে ইউকে হাই কোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে প্রেকটিস করার অনুমতি প্রদান করেছেন।

বড়লেখার এ কৃতি সন্তান ইউকে’র মানচেস্টারস্থ সালফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে এল এল বি অনার্স এবং বার্মিংহামস্থ অয়ালবারহামটন ইউনিভার্সিটি থেকে এলপিসি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। উল্লেখ্য যে, ২০০৬ সালে বড়লেখা পিসি সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ২০০৮ সালে সিলেট জালালাবাদ কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ২০১০ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ আর্মী হতে অফিসার ট্রেনিং সম্পন্ন করেন।
মোঃ রাফিকুল ইসলাম রাফি পেশাগত জীবনে সফলতার জন্য সকলের দোয়া কামনা করেছেন।

বড়লেখায় মাংসের দোকানে অভিযান,লাইসেন্স ও মূল্য তালিকা না থাকায় জরিমানা।

ফয়সাল মাহমুদ, বড়লেখাঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখায় লাইসেন্স ও মূল্য তালিকা না থাকায় দুই মাংসের দোকানকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

নোংরা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মাংস বিক্রি, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার প্রত্যয়ন এবং লাইসেন্স না থাকা সহ বিভিন্ন অনিয়মের কারণে ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ করতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

সোমবার (৩০ নভেম্বর) সকালে উপজেলার রতুলী বাজারের মাংসের দোকানে এই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত লায়লা নীরা।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২টি পৃথক মামলায় ৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড আদায় করা হয়। এসময় লাইসেন্স না থাকায় ও মাংস মূল্য তালিকা না টাঙানোর অপরাধে শাহজালাল মাংসের দোকানকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা একই সঙ্গে মূল্য তালিকা না টাঙানোর অপরাধে মামু ভাগ্না মাংসের দোকানকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করে বড়লেখা থানা পুলিশ।

বড়লেখা পৌর নির্বাচনে তরুনরা কাউন্সিলর পদপ্রার্থী।

মোঃইবাদুর রহমান জাকির

আসন্ন বড়লেখা নির্বাচনের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসাবে প্রতিটা ওয়ার্ড থেকে একাধিক ছাত্রলীগ ছাত্রদলের সাবেক এবং বর্তমান তরুন নেতা কর্মিদের হয়তো কাউন্সিলর নির্বাচনে মাঠে দেখা মিলতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে এবারের তারুণ্য নির্ভর সম্ভাবনাময় একাধিক ছাত্র সংগঠনের নেতা কর্মী কাউন্সিলর পদপ্রার্থী থাকায় তারুণদের মধ্য বইছে নির্বাচনী প্রচারণার নানান গুঞ্জন।

আব্দুল আব্দুল হাফিজ ললন ৫নং ওয়ার্ডের দুই বারের জনপ্রিয় (বর্তমান কাউন্সিলর)। এলাকায় রয়েছে বেশ জনপ্রিয়তা। সাবেক বড়লেখা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি। বর্তমান মৌলভীবাজার জেলা যুবদলের সহ সভাপতি। সকল নির্বাচনী প্রস্তুতি শেষ থাকছেন মাঠে। নাহিদ আহমদ চৌধুরী সাবেক মদন মোহন কলেজ ছাত্রদল নেতা। বর্তমান মৌলভীবাজার জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ সভাপতি। সাবেক কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ৬নং ওয়ার্ড, এবারে রয়েছে নির্বাচন করা না করা নিয়ে নানান গুঞ্জন শেষ পর্যন্ত কি মাঠে থাকবেন। এলাকায় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক পর্যায়ে তার রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। তানিমুল ইসলাম তানিম বড়লেখা উপজেলা ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক সভাপতি। নির্বাচনী মাঠে ভোট যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামছেন আলোড়ন সৃষ্টি করে।নির্বাচন করবেন ৯নং ওয়ার্ডে। ছুটে চলেছেন ভোটারদের মন জয় করতে দিন রাত। মোস্তাক আহমদ সাবেক বড়লেখা উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক। মৌলভীবাজার জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল সহ সাধারণ সম্পাদক। নির্বাচন করবেন ৩নং ওয়ার্ডে সাবেক ছাত্রনেতা হিসেবে বেশ জনপ্রিয়তা তার। তারুন্য নির্ভর নির্বাচনে মাঠে নেমেছেন জয়ের আশা নিয়ে। আবুল হোসেন সাবেক বড়লেখা পৌর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বিগত দিনে ১নং ওয়ার্ডে দুই বার কাউন্সিলর নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন কিন্তু দুই বারই পরাজিত হয়েছেন। এবার আশার আলো দেখছেন এই সাবেক ছাত্রনেতা। ছিদ্রাতুল কাদের আবির সদ্য সাবেক পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি। রয়েছে জনপ্রিয়তা রয়েছে বেশ পরিচিতি কর্মি বান্ধব ছাত্রনেতা হিসেবে ব্যাপক সুনাম রয়েছে। শেষ পর্যন্ত হয়তো ৬নং ওয়ার্ডে মাঠে দেখা যেতা পারে থাকে। নাদের আহমদ সাবেক বড়লেখা সরকারি কলেজ ছাত্রদল যুগ্ম আহবায়ক, মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রদল নেতা। দাসের বাজার ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা শফিকুর রহমানের পুত্র।নির্বাচন করবেন ২নং ওয়ার্ডে। ছাত্রনেতা হিসেবে ভোটে শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবেন। জামিল হোসেন সদ্য সাবেক বড়লেখা পৌর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক। নির্বাচন করতে প্রস্তুত ৪নং ওয়ার্ডে মতবিনিময় সভা সহ বেশ প্রচারনা চালাচ্ছেন। শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবেন তিনি। মনসুর আহমদ (প্রিন্স) বড়লেখা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সদ্য নির্বাচিত সদস্য সচিব। জনপ্রিয় ছাত্রনেতা হিসেবে রয়েছে তার অনেক পরিচিতি। পৌর নির্বাচনে সর্বকনিষ্ঠ কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করতে পারেন ৯নং ওয়ার্ডে তা শুনা যাচ্ছে। ইতি মধ্যে তরুণ সমাজসেবক যুবসমাজ নিয়ে মতবিনিময় সভা করেছেন। বয়স কম হবার কারণে নির্বাচন করা না করা নিয়ে রয়েছে অনেক গুঞ্জন আলোচনা সমালোচনা। মো সাইফুল রানা বড়লেখা পৌর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। নির্বাচন করতে পারেন ৪নং ওয়ার্ডে এমনটা শুনা যাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবেন এই ছাত্রজনতা।

২৮ তারিখ প্রথম ধাপে পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ধরা হচ্ছে তারুণ্য নির্ভর এক ঝাক সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগ ছাত্রদলের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী থাকায় নির্বাচন মাঠে খুব জমে উঠেবে এবং উৎসব মুখর পরিবেশ সৃষ্টি হবে।

মুজিব বর্ষ উপলক্ষে পরগনাহী দৌলতপুর মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ ও কোরআন বিতরণ।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে সারাদেশ ব্যাপী বৃক্ষরোপনের অংশ হিসেবে (২৯নভেম্বর) বুধবার দুপুর ২ঘটিকার সময় মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পরগনাহী দৌলতপুর সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা হলরুমে ফ্রান্স প্রবাসী এমদাদুল হকের সার্বিক সহযোগীতায় হিফজ বিভাগের ছাত্রদের মধ্যে পবিত্র আল কোরআন,মাস্ক বিতরণ করা হয়।
এডহক কমিটির সদস্য মোঃ এমরানুল হক (বাবু’র) সঞ্চালনায় দৌলতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ও মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের সভাপতি মাষ্টার মাওলানা আব্দুছ সবুরের সভাপতিত্বে হাঃ মিসবাহ উদ্দিন কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ৩ নং নিজ বাহাদুর পুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাষ্টার ময়নুল হক, প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন দেশের সেরা উদ্ভভাবক খুলনা বিভাগের যশোর শর্শা উপজেলার কৃতি সন্তান মোঃ মিজানুর রহমান,বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পরগনাহী দৌলতপুর আলিম মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মাষ্টার ফয়জুল হক,মাদ্রাসার আজীবন দাতা সদস্য শিক্ষানুরাগী সাংবাদিক কাজী রমিজ উদ্দিন প্রমুখ।
দেশের সেরা উদ্ভভাবক মোঃ মিজানুর রহমান কে সম্মাননা স্বারক মাদ্রাসার পক্ষ থেকে প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য, মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের ছাত্রদের মধ্য পবিত্র আল কোরআন,মাস্ক,ফলজ গাছের চারা বিতরণ ও মাদ্রাসার আঙ্গিনায় ফলের গাছ রোপন করা হয়।

বড়লেখায় চতুর্থ দিনের মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় ১৭টি মামলা।

মোঃইবাদুর রহমান জাকির

করোনার দ্বিতীয় ধাপ সামলাতে বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিতে মৌলভীবাজারের বড়লেখায় টানা চতুর্থ দিনের মত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। মাস্ক ব্যবহার না করার কারণে ১৭ টি মামলায় ৫৫০০/ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।এসময় মাস্ক ও বিতরণ করাহয়।

বুধবার (২৫নভেম্বর) দুপুরে বড়লেখা পৌরশহরে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শামীম আল ইমরান।কোর্ট পরিচালনায় বড়লেখা থানা পুলিশ সর্বাত্মক সহযোগিতা করে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শামীম আল ইমরান বলেন, করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় দেশ ব্যায়াপী আক্রান্ত রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। দ্বিতীয় ধাক্কা সামলাতে সরকারী নির্দেশনা রয়েছে বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলাফেরা করতে। তাই বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিন্তে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশক্রমে সারা জেলায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।এরই প্রেক্ষিতে বড়লেখা উপজেলায় আজ চতুর্থ দিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। এসময় মাস্ক ব্যবহার না করার কারণে ১৭ টি মামলায় ৫৫০০/ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে আদায় করাহয়েছে। মানুষ জনকে আরো সচেতন করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মানাসহ মাস্ক পরাতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বড়লেখায় রাত্রি কালীন ‘পুলিশ-জনতা’যৌথ পাহারা শুরু

মোঃইবাদুর রহমান জাকির:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলাকে চুরি-ডাকাতিমুক্ত রাখতে রাত্রী কালীন ‘পুলিশ-জনতার যৌথ পাহারা কার্যক্রম’ শুরু করেছে বড়লেখা থানা পুলিশ। শীত মৌসুমে চুরি-ডাকাতি বেড়ে যাওয়া জেলা পুলিশের উদ্যোগে এ কার্যক্রম নেয়া হয়েছে।

সোমবার (২৩ নভেম্বর) রাতে উপজেলার দক্ষিনভাগ বাজারে জেলা পুলিশের আয়োজনে ‘পুলিশ-জনতার’ যৌথ পাহারা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাদেক কাওসার দস্তগীর ও বড়লেখা থানার (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম সরদার। পরে উপজেলার প্রতিটি বাজারে ও গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার মোড়ে এ’কার্যক্রম শুরু করা হয়।

এ ব্যাপারে বড়লেখা থানার (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম সরদার বলেন,আমাদের জনবল কম কিন্তু এই অজুহাতে চুরি- ডাকাতি মেনে নেয়া যাবে না। তাই মৌলভীবাজার জেলার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে শীত মৌসুমে চুরি-ডাকাতিমুক্ত রাখতে জেলা পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ পিপিএম (বার) এর পরিকল্পনায় প্রতিটি উপজেলায় ‘পুলিশ-জনতার যৌথ পাহারা কার্যক্রম’ নামে চুরি-ডাকাতি প্রতিরোধে একটি উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তাই সাধারণ জনগণকে পুলিশের সাথে সম্পৃক্ত করে উপজেলার প্রতিটি বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার মোড়ে ‘পুলিশ-জনতা যৌথ পাহারা কার্যক্রম সোমবার থেকে শুরু করা হয়েছে। উপজেলাসহ জেলা বাসী এর সুফল পাবে।

মৎস্য ও পর্যটন সম্ভাবনাময় মুড়িয়ার হাওরে চাই উন্নয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন!

সিলেট জেলার বিয়ানীবাজারের মুড়িয়া হাওরের অস্তিত্ব এখন হুমকির মুখে। বন্যা ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের সঙ্গে বালুমিশ্রিত পানি এসে হাওরের ১৯টি বিল অনেকটা ভরাট হয়ে গেছে। হাওরে হিজল-করস, বরুণ, চাইলা নলখাগড়া ও জারুল গাছ এখন আর চোখে পড়ে না।

বিভিন্ন প্রজাতির রুপালি মাছও বিলুপ্ত হয়ে গেছে। ফলে মুড়িয়া হাওরপাড়ের ১৭টি গ্রামের মানুষের জীবিকা নির্বাহ কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। গত ৪০ বছরে মুড়িয়া হাওরের উন্নয়নে কয়েকটি প্রকল্প গৃহীত হলেও বাস্তবায়িত হয়নি একটিও। জরুরি ভিত্তিতে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা না হলে এক দশকের মধ্যে হাওরের ভৌগোলিক অবকাঠামোর পরিবর্তনসহ পরিবেশ ভারসাম্য হবে হুমকির সম্মুখীন। এমন আশংকা পরিবেশ ও হাওর।

বিয়ানীবাজার উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়ন, বিয়ানীবাজার পৌরসভার সীমানা, শেওলা ও দুবাগ ইউনিয়নের কিছু অংশ নিয়ে হাওরের বিস্তৃতি আমি মুড়িয়া হাওর অঞ্চলের একজন পূর্ব মুড়িয়ার এ সন্তান হিসেবে বিষয় গুলি উপস্থাপন করিলাম । আয়তন আট বর্গমাইল। একসময় এ হাওরে ১১৫ প্রজাতির মাছ পাওয়া গেলেও বর্তমানে বেশির ভাগই বিলুপ্ত হয়ে গেছে। রানী, বাঘা আইড়, রায়েক, মধু, পাবদা, চিতল, বড় বাইন, রিটা, বোয়াল, কৈ, মাগুর এখন আর চোখে পড়ে না। হাওরের ১৯টি বিল প্রায় ভরাট হয়ে গেছে। সেচের মাধ্যমে বিলে মাছ ধরারসময় শুধু পুঁটি, টেংরা, ভেদা, শিং, চাপিলা, মলা, দারকিনা জাত ছাড়া অন্য মাছ ধরা পড়ে না।বিশাল হাওরজুড়ে কোথাও মাছের অভয়াশ্রম নেই।

বিয়ানীবাজার মৎস্যজীবী সমিতির সদস্য এখলাস উদ্দিন জানান, কারেন্ট ও মশারির জাল দিয়ে অবাধে মাছ শিকারের ফলে প্রজনন বাধাগ্রস্ত হয়। এ ছাড়া বন্যা ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের সঙ্গে বালুমিশ্রিত পানি ঢুকে বিলগুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে। আগে প্রচুর পাওয়া যেত এ রকম মাছ ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। মুড়িয়া হাওর ভারত সীমান্ত ঘেঁষে অবস্থিত। ফলে বছরের পর বছর ওপার থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের বালুতে বিলগুলো ভরাট হয়ে গেছে। শীতকালে শুকিয়ে যায়। বর্ষাকালে পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয়।হাওর এলাকার লোকজন জানান, ১৫-২০ বছর আগে শীতকালে বালিহাঁস, গলগলি হাঁসসহ দেশী-বিদেশী বিভিন্ন প্রজাতির পাখির কলকাকলিতে হাওরাঞ্চল মুখরিত হয়ে উঠত। এখন মাছরাঙাও চোখে পড়ে না। হিজল-করস, জারুল, বরুণ, চাইলা নলখাগড়াসহ অনেক গাছ মরে গেছে। ফলে দেশী-বিদেশী পাখির সমাগমও কমে গেছে। হাওরের কোড়া পাখি, কড়িকাইট্রা, শামুকভাঙরি, চিল, পানকৌড়ি, নানা জাতের বক হারিয়ে যেতে বসেছে।

মুড়িয়া হাওর ভরাট হয়ে যাওয়ায় ওই অঞ্চল পরিবেশ বিপর্যয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে। জরুরি ভিত্তিতে হাওর উন্নয়নের উদ্যোগ না নিলে কয়েক বছরের মধ্যে বিয়ানীবাজার পৌরসভা, শেওলা ও দুবাগ ইউনিয়নসহ ওই অঞ্চলে বর্ষা মৌসুমে স্থায়ী বন্যার সৃষ্টি হবে এবং বিপুল পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতির শিকার হবেন ৫০ হাজার মানুষ। হাওরের উদ্ভিদ সংরক্ষণের কোন ব্যবস্থা নেই। ফলে শুধু শণ ও কলুম বন ছাড়া কোথাও কোন গাছ চোখে পড়ে না। এখনও সামান্য যে কয়েকটি গাছ আছে পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে সেসবও মরে যাচ্ছে। বেতবন, পিচাশবন, নলখাগড়া, লুটকিবনও নেই।

হাওরে এক-চতুর্থাংশ গাছ ও বন থাকা অত্যাবশ্যক হওয়া সত্ত্বেও সরকারি কিংবা বেসরকারি কোন সংস্থার ওই বিষয়ে উদ্যোগ নেই। পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, পরিকল্পিতভাবে মুড়িয়া হাওরের উন্নয়নে ৫০ কোটি টাকার প্রয়োজন। কয়েক বছর আগে ২০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হলেও অর্থের অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি।

একান্ত প্রয়োজন
মুড়িয়া হাওর উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন
গনমানুষের ও রাজনৈতিক দাবী আকারে সবার প্রচেষ্টা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে ।
১) বিয়ানীবাজার–বড়দেশ- মনটেকা হয়ে বড়উধা মাইজকাপন ইনামপুর–আষ্টঘরী টু সারপার বাজার গ্রোথ সেন্টার,, নয়াগ্রাম বিওপি রাস্তা।
২)
শেওলা সেতু-দুবাগ -বড়উধা, তাজপুর হয়ে বড়লেখা সংযোগ রাস্তা,,
“”””
৩)দুবাগ – বড়উধা ভায়া আষ্টঘরী, সারপার বাজার গ্রোথ সেন্টার, নয়াগ্রাম বিওপি,টু লাতু রাস্তা

৪)বালিঙ্গা খাল খনন পূর্বক লেক তৈরী করা।

৫)হাওরের১৯টি বিল খনন ও বাঁধ তৈরি করা।

৬)মাছের অভয়াশ্রম কেন্দ্র স্থাপন।

৭)ওরম পুরি খালে সুইচ গেইট স্থাপন।

৮) হাওরের বাঁধে হিজল গাছ রোপন।
৯) প্রাকৃতিক সুন্দর্য উপভোগ ও দর্শনার্থীদের জন্য ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ।

লেখক
মোঃজুবায়ের আহমদ(মাছুম)
আষ্টঘরী পূর্ব মুড়িয়া
বিয়ানীবাজার সিলেট

২৮ ডিসেম্বর বড়লেখা পৌরসভা নির্বাচন।

মোঃইবাদুর রহমান জাকিরঃ

প্রথম ধাপে ২৫ পৌরসভায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। প্রথম ধাপে ডিসেম্বরের ২৮ তারিখে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনের তালিকা অনুযায়ী মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা পৌরসভা নির্বাচন হবে ২৮ ডিসেম্বর।

তবে প্রথম ধাপের নির্বাচন থেকে বাদ পড়েছে মৌলভীবাজার পৌরসভা নির্বাচন।

এ বছর নির্বাচনে সব পৌরসভায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযাযী, মনোনয়ন দাখিলের শেষ তারিখ ১ ডিসেম্বর, মনোনয়ন বাছাই ৩ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহার ১০ ডিসেম্বর এবং ভোট গ্রহণ ২৮ ডিসেম্বর।

বড়লেখায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা মাস্ক বিতরণ ও অর্থদণ্ড প্রদান।

মোঃইবাদুর রহমান জাকির

শীতকাল আগমনের শুরুতেই কোভিড ১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউ এর কারণে করােনা ভাইরাসে আক্রান্ত রােগী সংখ্যা ও মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউ প্রতিরােধে বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার ও অন্যান্য স্বাস্থ্য বিধি নিশ্চিতকল্পে মৌলভীবাজার জেলার জেলা প্রশাসক মহােদয়ের নির্দেশক্রমে (২২নভেম্বর) সারা জেলায় এক যােগে মােবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

বড়লেখা উপজেলায় আজ উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বড়লেখা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মােঃ শামীম আল ইমরান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত লায়লা নীরার নেতৃত্বে দুইটি মােবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। দুটি মােবাইল কোর্টে ৩৮ টি মামলায় ৭৬০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

এসময় জনগণের মধ্যে মাস্কও বিতরণ করা হয়। বড়লেখা থানার সেকেন্ড অফিসার এস আই প্রভাকর রায়ের নেতৃত্বাধীন বড়লেখা থানা পুলিশ মােবাইল কোর্ট কে সর্বাত্মক সহযােগিতা প্রদান করেন।

রায়হান হত্যায় অন্যান্যরাও জড়িত স্বীকার করল এস আই আকবর।

নিউজ ডেস্কঃ সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নিহত রায়হান আহমদকে ‘খুনের’ দায় একা নিতে রাজি নন বরখাস্তকৃত এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া। ৭ দিনের রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আকবর বলেন, যা ঘটেছে তাতে সবারই দোষ আছে। তিনি একা কিছু করেননি। সবাই মিলে করেছেন।

মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) আদালতের এপিপি সৈয়দ শামীম জানান, রায়হানকে হত্যাকাণ্ডের দায় আকবর একা নেননি। ‘আকবর বলেছেন, তিনি একা দায়ী নন। তিনিসহ এই মামলার আসামিরা সবাই মিলেই রায়হানকে পিটিয়ে আহত করেছেন। এরপর রায়হানকে হাসপাতালেও নিয়ে যান তারা। পরবর্তীতে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন।’

গত ১০ নভেম্বর সিলেট চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে আকবরকে হাজির করা হয়। এসময় তদন্ত কর্মকর্তা সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে বিচারক আবুল কাশেম তা মঞ্জুর করেন।

গত ১১ অক্টোবর (১০ অক্টোবর দিবাগত) মধ্যরাতে রায়হানকে নগরীর কাষ্টঘর থেকে ধরে আনে বন্দরবাজার ফাঁড়ি পুলিশ। ১১ অক্টোবর ভোরে ওসমানী হাসপাতালে তিনি মারা যান। রায়হানের পরিবারের অভিযোগ, ফাঁড়িতে ধরে এনে রাতভর নির্যাতনের ফলে রায়হান মারা যান। ১২ অক্টোবর রাত আড়াইটার দিকে রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার বাদি হয়ে সিলেট কোতোয়ালি থানায় নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে মামলা করেন।

মামলায় রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার উল্লেখ করেন, প্রতিদিনের মতো ১০ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে তার স্বামী রায়হান আহমদ নিজ কর্মস্থল নগরীর স্টেডিয়াম মার্কেটস্থ ডা. গোলাম কিবরিয়া ও ডা. শান্তা রাণীর চেম্বারে যান। পরদিন (১১ অক্টোবর) ভোর ৪টা ৩৩ মিনিটে ০১৭৮৩-৫৬১১১১ মোবাইল ফোন নম্বর থেকে শ্বাশুড়ি (রায়হানের মা সালমা বেগম)-এর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বর (০১৭৮৭৫৭০৯৪৯)-এ কল দিলে সেটি রিসিভ করেন রায়হানের চাচা হাবিবুল্লাহ।

এসময় রায়হান আর্তনাদ করে বলেন, তিনি বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে আছেন। তাকে বাঁচাতে দ্রুত ১০ হাজার টাকা নিয়ে বন্দর ফাঁড়িতে যেতে বলেন রায়হান। এ কথা শুনে রায়হানের চাচা ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে রায়হান কোথায় জানতে চাইলে দায়ত্বিরত একজন পুলিশ বলেন, সে ঘুমিয়ে গেছে। আর যে পুলিশ রায়হানকে ধরে নিয়ে এসেছেন তিনিও চলে গেছেন। এসময় হাবিবুল্লাহকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ফাঁড়িতে আসার কথা বলেন ওই পুলিশ সদস্য।
পুলিশের কথামতো হাববিুল্লাহ আবারও সকাল পৌনে ১০ টার দিকে ফাঁড়িতে গেলে দায়িত্বরত পুলিশ জানান, রায়হান অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সঙ্গে সঙ্গে রায়হানের চাচা ওসমানী হাসপাতালে গিয়ে জরুরি বিভাগে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, রায়হানকে সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে তিনি মারা যান। এসময় হাবিবুল্লাহ পরিবারের অন্যান্য সদস্য ও আত্মীয়-স্বজনকে খবর দিলে তারা গিয়ে ওসমানীর মর্গে রায়হানের ক্ষত-বিক্ষত লাশ দেখতে পান।

১২ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে পুলিশ রায়হানের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। পরে বাদ এশা আখালিয়া জামে মসজিদের পার্শ্ববর্তী কবরস্থানে রায়হানের লাশ দাফন করা হয়।

এদিকে, ১২ অক্টোবর সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) মো. আজবাহার আলী শেখের তত্ত্বাবধানে মহানগর পুলিশের তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান কমিটি তদন্ত করে ফাঁড়িতে পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর বিষয়ে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়। ওই দিনই ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াসহ চারজনকে সাময়িক বরখাস্ত ও তিনজনকে ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহার করা হয়। ১৩ অক্টোবর থেকে প্রধান অভিযুক্ত এসআই আকবর পলাতক ছিলেন। তার পালানোতে সহায়তা ও তথ্য গোপনের অভিযোগে ২১ অক্টোবর ফাঁড়ির আরেক এসআই হাসানকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

১৪ অক্টোবর মামলাটি পুলিশ সদর দফতরের নির্দেশে পিবিআইতে স্থানান্তর হয়। এর আগে পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য রায়হানের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের আবেদন করেন মামলার (সাবেক) তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার এসআই আবদুল বাতেন। পরে ১৫ অক্টোবর পিবিআই সিলেটের আখালিয়া নবাবি মসজিদ কবরস্থান থেকে রায়হানের মরদেহ উত্তোলন কাজ শেষ করে। ময়না তদন্তের রিপোর্টে জানা যায় ভোঁতা অস্ত্রের আঘাতেই রায়হানের মৃত্যু হয়।

তদন্তভার পাওয়ার পর পিবিআইর টিম ঘটনাস্থল বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ি, নগরের কাস্টঘর, নিহতের বাড়ি পরিদর্শন করে। সর্বোপরি মরদেহ কবর থেকে তোলার পর পুনরায় ময়নাতদন্ত করা হয়।

নিহত রায়হানের মরদেহে ১১১টি আঘাতের চিহ্ন উঠে এসেছে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে। এসব আঘাতের ৯৭টি ফোলা আঘাত ও ১৪টি ছিল গুরুতর জখমের চিহ্ন। এসব আঘাত লাঠি দ্বারাই করা হয়েছে। অসংখ্য আঘাতের কারণে হাইপোভলিউমিক শক ও নিউরোজেনিক শকে মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, কিডনিসহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো কর্মক্ষমতা হারানোর কারণে রায়হানের মৃত্যু হয়েছে।

২০ অক্টোবর দুপুরে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হান আহমদ হত্যা মামলায় ওই ফাঁড়ির কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাসকে ও ২৩ অক্টোবর কনস্টেবল হারুনুর রশিদকে গ্রেফতারের পর পাঁচদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। রোববার (২৫ অক্টোবর) কনস্টেবল টিটুকে ফের তিনদিনের রিমান্ডে নেয় পিবিআই।

পিবিআই এ ঘটনায় আকবরসহ চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। এদের মধ্যে কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস ও হারুন উর রশিদকে দুই দফায় আটদিন ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আশেক এলাহীকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। তবে তারা কেউ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হননি।

এদিকে, ঘটনার ২৮ দিন পর সোমবার (৯ নভেম্বর) দুপুরে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার লক্ষ্মীপ্রসাদ ইউনিয়নের ডোনা সীমান্ত এলাকা থেকে এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে গ্রেফতারের কথা জানায় পুলিশ। বিকেল ৫টা ৫৩ মিনিটে কঠোর নিরাপত্তায় তাকে কানাইঘাট থেকে সিলেট পুলিশ সুপার কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। পরে সন্ধ্যায় নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন। রাত পৌনে ৮টার দিকে তাকে পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

পরদিন আকবর হোসেন ভূঁইয়ার সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে সিলেটের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মো. আবুল কাশেম এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সফিক উদ্দিন-মনোয়ারা বেগম ফাউন্ডেশনের আত্বপ্রকাশ।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

সেবার বন্ধনে আঁকড়ে ধরবো মানবতাকে’ এই স্লোগান নিয়ে সিলেটেে বিয়ানীবাজারে আত্মপ্রকাশ করেছে সফিক উদ্দিন-মনোয়ারা বেগম ফাউন্ডেশন। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সমাজের উন্নয়নমূলক কাজ সম্পাদনের লক্ষ্যে প্রবীণ ফুটবলার মরহুম সফিক উদ্দিনের পরিবারবর্গ এই ফাউন্ডেশনটি গঠন করেন। ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষ্যে শুক্রবার বিকালে গরিব ও দুস্থদের মাঝে পোশাক ও খাদ্য সামগ্রী এবং একটি মসজিদে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়।

ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এম. সুমন আহমদের সভাপতিত্বে ও রোটারেক্ট ক্লাব অব বিয়ানীবাজারের সভাপতি এ এইচ মাহবুব হোসাইনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রোকসানা বেগম লিমা। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঘুঙ্গাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছরোয়ার আলম, সংযুক্ত আবর আমিরাত বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সংস্থার যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল হাছিব খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক সালেহ আহমদ, সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি খালেদুর রহমান, বিয়ানীবাজার সমাজকল্যাণ সমিতি তুলুস (ফ্রান্স) এর অর্থ সম্পাদক রেহান উদ্দিন, আলম হোসেন প্রমুখ।

সভার শুরুতে সফিক উদ্দিন মনোয়ারা বেগম ফাউন্ডেশনের দ্বায়িত্বশীলদের নাম ঘোষণা করেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এম. সুমন আহমদ।অন্যানরা হলেন- ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান এমরান হোসেন, সেক্রেটারী রায়হান আহমদ, ট্রেজারার তাহমিনা বেগম তান্নি, সদস্য মাজেদা আক্তার শিমু। বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে মরহুম সফিক উদ্দিনের রুহের মাগেফরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা সামছ উদ্দিন।

বড়লেখায় কালেক্টরেট সহকারীদের ৭দফা দাবীতে কর্মবিরতি।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পদোন্নতিসহ ৭ দফা দাবী আদায়ের আন্দোলনের তৃতীয় দিন মঙ্গলবার উপজেলা প্রশাসনের কালেক্টরেট সহকারীরা পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি পালন করেছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) কার্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত কর্মবিরতি সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন উপজেলা কালেক্টরেট সহকারী সমিতির সভাপতি তপন শর্ম্মা, সহসভাপতি অর্চনা রাণী দত্ত, সাধারণ সম্পাদক প্রতাপ চন্দ্র দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. এনাম হোসেন, অনিন্দ দাশ প্রমুখ।

জুড়ীতে ৫ বছর ধরে অকেজো কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত স্লুইস গেট

স্টাফ রিপোর্টারঃ মৌলভীবাজারের জুড়ীতে এক কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত স্লুইস গেটটি প্রায় ৫ বছর যাবত অকেজো হয়ে পড়ে আছে। সুফল পাচ্ছেন না কৃষক, সংশ্লিষ্ট সমবায় সমিতি নিয়েও রয়েছে এলাকাবাসীর বিস্তর অভিযোগ। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী ও সমবায় কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক ২০১২-১৩ অর্থ বছরে ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প (জাইকা)’র অর্থায়নে প্রায় ১ কোটি ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে উপজেলার পূর্বজুড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম বড়ধামাই গ্রামে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়। প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে কাউলীছড়ায় একটি স্লুইস গেট, খাল খনন, দেড় কিলোমিটার বেড়ি বাঁধ ও পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির কার্যালয় নির্মাণ করা হয়।

প্রকল্পের ভূমি দাতা জহির আলী, স্থানীয় বাসিন্দা রুবেল আহমদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, জুলেখা বেগমসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, এ এলাকার কৃষকের বোরো আবাদে পানি সেচের সুবিধার্থে স্লুইস গেট নির্মাণের পর বহু কষ্টে ২/৩ বছর সেটা ব্যবহার করা হয়। কিন্তু বেড়ি বাঁধে পর্যাপ্ত মাটি না থাকায় জমানোর আগেই বাঁধ অতিক্রম করে পানি চলে যায়। কৃষকরা আগের মত মেশিনের সাহায্যে পানি সেচ দিয়ে জমি চাষ করছেন। আর সরকারের কোটি টাকার স্লুইস গেট অকেজো পড়ে আছে। সার্বিক বিষয়টি দেখাশুনা ও কৃষকের উন্নয়নের জন্য কাউলীছড়া পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি গঠিত হয়। কিন্তু সমিতি গঠনের পর থেকে তাদের কোনো কার্যক্রম দেখা যায় নাই। গোপনে এ কমিটি গঠন করা হয়। এতে সঞ্চয় ও ঋণ কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সমিতির সম্পাদক ৫ বছর থেকে এলাকায় থাকেন না।

নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি গঠনের দাবি জানিয়ে সমিতির সদস্যরা বলেন- সরকারের কোটি টাকা ব্যয়ের উদ্দেশ্য সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হোক। প্রকাশ্যে সমিতির হিসাব অডিট করা হোক।

জানতে চাইলে কাউলীছড়া পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি (পাবসস) সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুনিম রাজন বলেন, বিভিন্ন সমস্যার কারণে সঞ্চয় বা শেয়ার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ডিসেম্বরে নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি করা হবে।

উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আমিরুল ইসলাম বলেন, ওই সমিতিতে ৮৮ জন সদস্য রয়েছেন। সমিতির সদস্য নিজেরা কমিটি করেন।

হেফাজতে ইসলামের সম্মেলনে ১৫১ সদস্য কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সম্মেলন আজ ১৫ নভেম্বর দিনব্যাপী হাটহাজারী মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে ব্যাপক আলাপ আলোচনা ও প্রস্তাবের মাধ্যমে সর্ব সম্মতিক্রমে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

এতে আমীরে হেফাজত নির্বাচিত হন- মজলুম জননেতা শায়খুল হাদীস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী ও মহাসচিব- জমিয়তের মহাসচিব শায়খুল হাদীস আল্লামা নুর হুসাইন কাসেমী।

উপদেষ্টামন্ডলীতে রয়েছেন বীর চট্টলার আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী, আমীরে মজলিস অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক, জমিয়তে সভাপতি শায়েখ মাওলানা জিয়া উদ্দিন,
মুফতী রশীদুর রহমান ফারুক পীর সাহেব বরুণী প্রমুখ।

নায়েবে আমীর হিসেবে খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আল্লামা ড. আহমদ আবদুল কাদের অন্যতম।

যুগ্ন মহাসচিবদের মধ্যে খতিবে বাঙাল মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, আল্লামা মামুনুল হক প্রমুখ অন্যতম।

সহকারী মহাসচিবদের মধ্যে খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর আল্লামা শাখাওয়াত হোসাইন, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, মাওলানা মুহাম্মদ শফিক উদ্দিন প্রমুখ অন্যতম।

প্রচার সম্পাদক- আজিজুল হক ইসলামাবাদী, আইন বিষয়ক সম্পাদক- জমিয়তের অ্যাডভোকেট মাওলানা শাহিনুর পাশা চৌধুরী,

আন্তর্জাতিক সম্পাদক- খেলাফত মজলিসের ইউরোপের পরিচালক সাবেক তুখোড় ছাত্রনেতা অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল কাদের সালেহ।

অন্যান্য দায়িত্বশীল ও সদস্যরা সহ ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

বড়লেখায় সজারু হত্যার অপরাধে ৯ শিকারিকে জেল-জরিমানা।

মোঃইবাদুর রহমান জাকির

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বিলুপ্তপ্রায় সজারু হত্যার অপরাধে ৯ শিকারিকে জেল-জরিমানা দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার (১৪ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাধবকুণ্ড ইকোপার্কের বাজারিছড়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম আল ইমরান এই আদালত পরিচালনা করেন।

আদালতের অভিযানে সহায়তা করেন বনবিভাগের বড়লেখা রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা শেখর রঞ্জন দাস ও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হযরত আলী প্রমুখ।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় মাধবকুণ্ড ইকোপার্ক এলাকায় সজারু শিকারের অপরাধে ৯ জনকে আটক করে বনবিভাগ। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম আল ইমরান ঘটনাস্থলে যান। সেখানে আটককৃতরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের সামনে অপরাধ স্বীকার করে। এরপর আদালত সজারু হত্যায় সরাসরি জড়িত থাকায় বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইন ২০১২ অনুসারে বিওসি কেছরিগুল এলাকার সুবল ভূমিজ (২৫) ও জগ রবিচন্দ্রকে (২৫) এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। রাতেই তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

এছাড়া হত্যায় সহায়তা করার অপরাধে উকিল সাঁওতাল (৩৫), বুধু সাঁওতাল (২৬), ওমেশ সাঁওতাল (৩০), রমেশ সাঁওতাল (৩২), কার্তিক সাঁওতাল (৩৫), রাম সাঁওতাল (৩০) ও কৃষ্ণ সাঁওতালকে (৩৫) ১০ হাজার টাকা করে মোট ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত।

এদিকে দক্ষিণভাগ উত্তর ইউনিয়নের বিওসি কেছরিগুল এলাকায় টিলা কাটার অপরাধে ফখরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালককে নির্দেশ প্রদান করেন আদালাত।

বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম আল ইমরান জেল, জরিমানার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘টিলা ও বন্য প্রাণী আমাদের প্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। এগুলো রক্ষায় আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

পূর্ব মুড়িয়ায় উলামা মাশায়েখদের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল।

মোঃইবাদুর রহমান জাকিরঃ ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয় মদদে মহানবী (সা.) এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে ও ফরাসী পণ্য জাতীয়ভাবে বয়কটের ও রাষ্ট্রীয় প্রধান ফ্রান্স সরকারকে নিন্দা বাণী প্রদান এসব দাবীতে উলামা মাশায়েখ সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার পূর্ব মুড়িয়া ইউনিয়ন কতৃক আয়োজিত বাদ জুম্মা বিকাল ২টার সময় স্থানীয় সারপার বাজার বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

(১৩নভেম্বর) শুক্রবার বিকাল ৩ ঘটিকায় উলামা মাশায়েখ নেতাকর্মীদের এক বিক্ষোভ মিছিল বাজারের অলিগলি প্রদক্ষিণ করে। এর আগে বাদ জুম্মা পশ্চিম বাজারে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এ মানুয়েল মাক্রোঁর পুত্তলিকা দিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন উলামা-মাশায়েখ নেতাকর্মীরা।

এতে মাওলানাঃ আব্দুল আহাদের সঞ্চালনায়,হাফিজ আশরাফ আহমদের কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে মাওলানা আব্দুল গনীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন
মাওলানা আব্দুল মালিক কাসিমী শিক্ষক দারুস সুন্নাহ মুরাদগঞ্জ টাইটেল মাদ্রাসা,আরো বক্তব্য রাখেন সারপার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, মাওলানা ইসলাম উদ্দিন,সাবেক ইমাম নওয়াগ্রাম পাঞ্জেগানা মসজিদের হাঃমুহিবুর রহমান।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ আষ্টঘরী জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মাওলানা শওকত আহমদ,বড়উধা জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা হারুনুর রশীদ,আভঙ্গি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা রেজাউল করিম,বড়উধা পশ্চিম পাঞ্জেগানা মসজিদের ইমাম
মাওলানা আব্দুল জলিল, পূর্ব মুড়িয়া দাখিল মাদ্রারাসার শিক্ষক মাওঃদেলওয়ার হোসেন,সারপার দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওঃ আব্দুর রহমান তামেদ,পূর্ব মুড়িয়া ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাঃমোসাদ্দেক তাপাদার কাশেম,পূর্ব মুড়িয়া ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাহিদ চৌঃশাহিদ,৮নঃ ওয়ার্ড ছাত্রলীগ সভাপতি আব্দুল্লা আল সাঈদ চৌঃ (মুন্না) প্রমুখ।

মাওলানা কাসেমী তিনি বলেন বলেন, ফ্রান্সের সাথে বাংলাদেশের কুটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। পাশাপাশি সংসদে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব পাশ করতে হবে।

স্বাগত বক্তব্যে মাওঃরেজাউল করিম সভায় আগত সকলের কৃতজ্ঞতা জানান। ইসলামসহ সর্বস্তরের তৌহিদী জনতা।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে প্রবীন আলেম মাওলানা আব্দুল গণীর মুনাজাতের মধ্য দিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে বড়লেখায় গৃহহীনকে ৬টি গৃহ প্রদান।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার গৃহহীন ছয় পরিবারকে নতুন ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হচ্ছে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে ‘ক’ শ্রেণীর গৃহহীন (যাদের জমিও নাই, ঘরও নাই) পুনর্বাসনের লক্ষ্যে উপজেলার ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের বোয়ালী মৌজার ১২৫ নং দাগের সরকারি খাস জমিতে ঘরগুলো নির্মাণ করে দেওয়া হচ্ছে। দুই কক্ষ বিশিষ্ট সেমিপাকা প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যয় হবে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা।

বুধবার (১১ নভেম্বর) বিকেলে বড়লেখা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমেদ ও বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শামীম আল ইমরান আনুষ্ঠানিকভাবে ঘর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন।

এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. উবায়েদ উল্লাহ খান, উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আহমদ জুবায়ের লিটন, ইউপি সদস্য সেলিম আহমদ খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটির উদ্দোগে আল-কোরআন বিতরণ।

সামাজিক সংগঠন বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটির উদ্যোগে এবং সংগঠনের প্রবাসী সদস্যবৃন্দের অর্থায়নে আজ (১০ নভেম্বর) দুপুর ২.০০ ঘটিকার সময় বড়লেখা উপজেলার লিচুবাগান নুরানী তালীমুল কোরআন ইসলামী একাডেমী এতিমখানা মাদ্রাসার হাফিজদের মধ্যে কোরআন শরীফ বিতরণ ও দুয়া মাহফীল অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রুবেল হোসাইনের সঞ্চালনায় ও সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সিরাজুল ইসলাম শিরুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়। কোরআনে কারীম থেকে তেলাওয়াত করেন হাফিজ তাওসিফ ইমরান,
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রচার সম্পাদক আব্দুল হালিম,সদস্য আক্তার হোসেন, মাওলানা কারী সাইফুর রহমান, হাফিজ মাওলানা ইব্রাহিম খলিল।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য পেশ করেন বিশিষ্ট সমাজসেবক পাবলিকেশন সোসাইটির সম্মানিত প্রধান উপদেষ্টা জনাব আব্দুল আহাদ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের বিশিষ্ঠ সমাজসেবক পাবলিকেশন সোসাইটির সম্মানিত উপদেষ্টা জনাব আব্দুল কুদ্দুস স্বপন।

সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক তোফায়েল আহমেদ তুহেল ও সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ আব্দুস সামাদ।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অফিস সম্পাদক জনাব নিজাম উদ্দিন,জুবায়ের আহমেদ দিলশাদ,
মাওলানা আব্দুস সবুর সুমন হাফিজ তাওসিফ ইমরান জাহেদ আহমেদ আক্তার হোসেন আবু বক্কর মাহফুজুর রহমান সানি
এমরান হোসেন রায়হান হোসেন প্রমুখ।

সংগঠনের প্রতিষ্টাতা সৌদি প্রবাসী মাহতাব আল মামুন, আজকের অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ, সংগঠনের সকল প্রবাসী ও দাতা সদস্য এবং যারা অনুষ্ঠানে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন সকলের প্রশংসা করেন এবং সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্যঃ অনুষ্ঠান শেষে হাফিজ বাচ্ছাদের আপ্যায়ন করানো হয়।

ঐক্যের ডাক দিলেন নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন

আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রে ‘প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট’ বা নতুন নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম ভাষণে জো বাইডেন সকল বিভেদ ভুলে ঐক্য ও সহনশীল সমাজ গড়ে তোলার আহবান জানান।

যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে উদ্দীপ্ত এক ভাষণে তিনি যারা তাকে ভোট দিয়েছেন, যারা তাকে ভোট দেননি, ডেমোক্র্যাট, রিপাবলিকান সবাইকে শত্রুতা ভুলে সহযোগিতার সম্পর্ক তৈরির আহবান জানান। তিনি ঐক্য শব্দটির উপর বারবার বিশেষ গুরুত্ব দেন।

যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক সময় যে ধরনের বিভেদ ও তিক্ততা তৈরি হয়েছে সেদিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করছিলেন তিনি।

তিনি বলেন, “আমরা কি হতে চাই সে নিয়ে জোরালো সিদ্ধান্ত নেবার সময় এসেছে।”

“আমরা যদি একে অপরকে সহযোগিতা না করার সিদ্ধান্ত নিতে পারি, তাহলে সহযোগিতা করার সিদ্ধান্তও নিতে পারি।”

ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “আমিও বেশ কয়েকবার হেরেছি, আমি আপনার হতাশা বুঝতে পারছি।”

দেশটিতে পুলিশের হাতে কৃষ্ণাঙ্গদের মৃত্যুকে ঘিরে সহিংস আন্দোলন, করোনাভাইরাসে বিশ্বের সবচাইতে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যুর অভিজ্ঞতা না ভুলে নতুন সমাজ গড়তে সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে বলেন তিনি।

জো বাইডেনের রানিং মেট কমালা হ্যারিস হতে যাচ্ছেন আমেরিকার ইতিহাসের প্রথম নারী, কৃষ্ণাঙ্গ এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভাইস প্রেসিডেন্ট।

কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারি প্রতিরোধে নেতৃত্ব দিতে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞানীদের সমন্বয়ে একটি দল গঠন করার ঘোষণা দেন। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার গুরুত্ব উল্লেখ করেন।

তিনি তার ভোটার, প্রচারণা ক্যাম্পের কর্মী, নির্বাচনে নানা ধরনের কাজে যারা অংশ নিয়েছেন, নিজের পরিবার, বন্ধু ও সহকর্মীদের ধন্যবাদ জানান।

দেশটির কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠীকে বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “আপনারা যেভাবে আমার সাথে ছিলেন, সেভাবেই আমিও আপনাদের পাশেই থাকবো।”

৭৮ বছর বয়সী জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের সবচাইতে বেশি বয়সী প্রেসিডেন্ট।

মার্কিন ইতিহাসে যেকোনো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে এবারের নির্বাচনে। যার সংখ্যা ছিল সাত কোটি ৪০ লাখ।

জো বাইডেন মঞ্চে ওঠার আগে তার ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত কমালা হ্যারিস তার ভাষণে বলেন, তিনি এখনি কাজ শুরু করতে প্রস্তুত।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে আর্থিক অনুদান ও ৩০জন গ্রাম পুলিশকে বাইসাইকেল প্রদান।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ হতে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় ৩০ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে করোনা কালীন আর্থিক অনুদান ও এলজিএসপি-৩ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা হলরুমে (৮নভেম্বর) বুধবার ৩০ জন গ্রাম পুলিশের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্টিত হয় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,মৌলভীবাজারজেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান,
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সিরাজ উদ্দিন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃতাজ উদ্দীন,উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগম হাছনা, বড়লেখা থানার অফিস ইনচার্জ জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার,

অনুষ্টানে সভাপতিত্ব করেন:মোঃ শামিম আল ইমরান,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বড়লেখা।
এছাড়া আরোও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বড়লেখায় বর্ণি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন।

মোঃইবাদুর রহমান জাকির

বাংলাদেশ সরকারের বন, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিনের চার দিনের সফরের অংশ হিসেবে উদ্বোধন করলেন মৌলভী বাজারের বড়লেখার বর্ণি ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র।

বর্ণি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের আয়োজনে উক্ত অনুষ্ঠানে উক্ত অনুষ্টানে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমেদের সঞ্চালনায়, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নিজাম উদ্দিন সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সুয়েব আহমদ, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সুন্দর, বড়লেখা পৌর সভার মেয়র আবুল ইমাম কামরান চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ তাজ উদ্দীন।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন বড়লেখা নারী শিক্ষা সরকারি ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ এ কে এম হেলাল। সমাবেশ শেষে ফিতা কেটে কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

জুড়ীতে সেতু উদ্বোধন ও ভিন্ন প্রকল্পের ভিত্তিস্থাপন করেন বনমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন

মোঃইবাদুর রহমান জাকির, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
মৌলভীবাজারের জুড়ীতে একটি সেতুর উদ্বোধন, দুইটি সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ূ পরিবর্তনমন্ত্রী মো: শাহাব উদ্দিন এমপি। বৃহস্পতিবার দিনভর জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকটি কর্মসূচীতে তিনি অংশগ্রহণ করেন।
সকাল সাড়ে ১১টায় জুড়ী-বড়লেখা রোডে নির্মিত জাঙ্গিরাই সেতুর উদ্বোধন, দুপুর ১২টায় উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে উপজেলার বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠনের মধ্যে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ, সাড়ে ১২টায় জুড়ী কামিনীগঞ্জ বাজারে স্থানীয় দিশারী সমাজ কল্যাণ সংস্থা আয়োজিত বৃক্ষরোপন কর্মসূচী উদ্বোধন করেন মাননীয় মন্ত্রী। দুপুর দেড় ঘটিকায় উপজেলার সাগরনাল ইউনিয়নের কয়লাঘাটে জুড়ী নদীর উপর সেতু নির্মাণ কাজের এবং পরে বৃন্দারঘাটে জুড়ী নদীর উপর সেতু নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ূ পরিবর্তন মন্ত্রী মো: শাহাব উদ্দিন এমপি।
এ সকল কর্মসূচীতে মন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা এম এ মোঈদ ফারুক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান রুহুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা বদরুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মাসুক আহমদ চেয়ারম্যান, জুড়ী থানার ওসি সন্জয় চক্রবর্তী, উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল মতিন,
উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রিংকু রঞ্জন দাশ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রনজিতা শর্মা, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান কিশোর রায় চৌধুরী, দিশারী সমাজ কল্যাণ সংস্থার সভাপতি যুদ্ধাহত বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সহিদ চৌধুরী খুশী, উপেলাা যুবলীগ সভাপতি মামুনুর রশীদ সাজু, সহ সভাপতি আহমদ কামাল অহিদ, সাধারন সম্পাদক শেখরুল ইসলাম, সাগরনাল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক শাহীন আহমদ, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সাহাব উদ্দিন সাবেল, সাধারন সম্পাদক ইকবাল ভুইয়া উজ্জ্বল, কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আদনান আশফাক, সাধারন সম্পাদক গৌতম দাস প্রমুখ। এছাড়া প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রাসূল (সাঃ) কে নিয়ে ব্যাঙ্গচিত্র করায় দৌলতপুর ছাত্র সমাজের প্রতিবাদী মিছিল ও সমাবেশ


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৩ নং নিজ বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ছাত্র সমাজের উদ্দ্যোগে ফ্রান্স সরকারের রাষ্ট্রীয় মদদপৃষ্টে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) ছবি ব্যাঙ্গচিত্র প্রর্দশন ও অবমাননার প্রতিবাদে (২রা নভেম্বর) বাদ আছর দৌলতপুর বাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ আয়োজন করা হয়।

এতে কাওছার আহমেদের পরিচালনায়, প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দৌলতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মাওঃআব্দুস সবুর,আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয় মুফাস্সির পরিষদ বোর্ড মৌলভীবাজার জেলা শাখার সদস্য মাওঃ কমর উদ্দিন (বাদশা),দৌলতপুর জামে মসজিদের ইমাম মাওঃআইনুল ইসলাম,পকুয়া মসজিদের মুয়াজ্জিন সাইফুর রহমান,এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ছাত্রনেতা আব্দুল মুহিত মুর্শেদ,শিক্ষক সামসোদ্দুহা মঞ্জু,তানভীর আহমেদ,তায়েফ আহমেদ,শাহীন আহমেদ, ছাত্রনেতা আলিউর রহমান,ছাত্রনেতা আসাদুর রহমান,ছাত্রনেতা অলিউর রহমান বাবু,মাসুম আহমেদ,ফাহাদ আহমদ নাহিদ,আবুল হাসনাত,ওয়াহিদুর রহমান, মাহফুজুর রহমান,কামরুল ইসলাম,মারুফ আহমেদ,রাফায়াত আহনাফ,সহ রাসূল সাঃ প্রেমি তাওহীদি জনতা,যুবসমাজ ও ছাত্রসমাজ অংশ গ্রহন করে।

সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮’র পূর্ণ বাস্তবায়নে বড়লেখায় নিসচা’র সংবাদ সম্মেলন

মোঃইবাদুর রহমান জাকির

জনগনের প্রত্যাশিত সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর পূর্ণ বাস্তবায়ন চাই- এই দাবীতে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)- এর জরুরী সংবাদ সম্মেলন আজ ১ নভেম্বর রোববার সকালে সারাদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত।
তারই অংশ হিসাবে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) বড়লেখা উপজেলা শাখার অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় নিসচা কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিসচা বড়লেখা উপজেলা আহ্বায়ক তাহমীদ ইশাদ রিপন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক মার্জানুল ইসলাম, সদস্য সচিব আইনুল ইসলাম, কার্যকরী কমিটির সদস্য আব্দুল আজিজ,আহমেদ নোমান, রমা কান্ত দাস, রাসেল আহমদ, নূর আলম মোহন, লিমন আহমদ সহ প্রমুখ।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, দীর্ঘ ২৭ বছর এ আন্দোলনে নিসচা’র অনেক সাফল্য ও অর্জন এসেছে। এসব সাফল্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে। তবে কোন প্রাপ্তিতেই নিসচা থেমে থাকেনি। সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে নিসচা শুরু থেকে একটি সময়োপযোগী আইনের দাবি জানিয়ে আসছিল। পাশাপাশি শুধু আইন করলে হবেনা সড়কে আইন মানতে মানুষকে সচেতন করার ওপর ও নিসচা জোর দিয়ে আসছিল।

সড়ক পরিবহন আইনটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয় ২০১২ সাল থেকে। আইনের খসড়া সরকারি ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত থাকে দীর্ঘদিন। জনগণের মতামত দেয়ার সুযোগ ও রাখা হয়েছিল। নিরাপদ সড়কের দাবিতে যেসব সংগঠন কাজ করে তাদের প্রতিনিধিরা ও মতামত দিয়েছেন। এছাড়াও সরকার বিভিন্ন সময় ১৯৮৩ সালে প্রণীত আইনটি ও সময় উপযোগী করার উদ্যোগ নিয়েছিল।

অনেকটা সময় পেরিয়ে সড়কের বিশৃঙ্খলা অবস্থার বাস্তব চিত্র এবং ২০১৮ সালের ২৯ জুলাই রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বাস চাপায় শহীদ রমিজ উদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুইজন শিক্ষার্থী বাসচাপায় মর্মান্তিক মৃত্যুর প্রেক্ষিতে নিরাপদ সড়কের দাবিতে গড়ে ওঠা ছাত্র আন্দোলন এ আইনটি পাসের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। অবশেষে কোন চাপের মুখে নতি স্বীকার না করে সরকার এই আইনটি জাতীয় সংসদে পাস করে ২০১৮ সালে। এর প্রায় ১৫ মাস পর ২০১৯ সালের ১ নভেম্বর থেকে আইনটি কার্যকর শুরু করে সরকার। প্রথম ১৪ দিন সহনীয় মাত্রায় এই আইনের প্রয়োগ ছিল। পরবর্তীতে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের দাবিতে আইন এর কয়েকটি বিষয়ে পরবর্তী ছয় মাস পর্যন্ত বিবেচনার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। পরবর্তীতে করোনার কারণে এই আইন যথাযথ প্রয়োগের সময়সীমা বৃদ্ধি করে এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়।

কিন্তু লক্ষ্য করা যাচ্ছে সরকার নতুন সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ প্রয়োগে উদ্যোগ নেয় তখনই পরিবহন সেক্টরের একটি চক্র বাঁধার সৃষ্টি করে আসছে। তারা নতুন করে নানা ধরনের দাবিদাবা তুলে ধরে ধরছে। শুধু তাই নয় গণপরিবহন চলাচল বন্ধ করে জনগণকে ভোগান্তিতে ফেলে তারা। এমনকি নিসচা’কে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করাচ্ছে। যা সত্যিই দুঃখজনক।নিসচা মনে করে নতুন আইনের বিষয়ে তারা কোনো প্রস্তুতি ইচ্ছে করে নেয়নি এবং নিচ্ছেও না।

নিসচা দুঃখের সঙ্গে বলছে যে, সড়কে যদি শৃঙ্খলা না ফিরে আসে তাহলে কোন অবস্থাতেই সড়ক নিরাপদ হবে না। তাঁর প্রকৃত উদাহরণ এই করোনায় খালি সড়কে যে দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমাদের চূড়ান্ত প্রত্যাশা দুর্ঘটনা মুক্ত সড়ক- নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠা করা। যতদিন এটি পূরণ না হবে ততদিন নিসচা’র কর্মীরা সড়কে আছে এবং থাকবে।

নতুন আইনে কেউ আইন ভঙ্গ না করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার শঙ্কা অমূলক। যারা অন্যায় করবেন তাদের শাস্তির আওতায় আনতেই হবে। পরিবহন মালিক হোক ও শ্রমিক হোক কারো চাপের মুখে নতি স্বীকার করা যাবে না। আইনের বাস্তবায়ন আটকে রাখা যাবেনা। মানুষকে জিম্মি করে সরকারকে বিব্রত করে কেউ যদি এই আইনের বাস্তবায়ন ঠেকানোর চেষ্টা করেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। এটাই এখন আমাদের দাবি এবং সরকারের কাছে নিসচা জোর দাবি জানাচ্ছে আগামী ১ জানুয়ারি ২০২১ সাল হতে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর পূর্ণ বাস্তবায়ন যেন করা হয়।এরপর যেন আর কোন সময় বৃদ্ধি না করা হয়।

ওসমানী হাসাপাতালে দর্শনার্থী প্রবেশ ও রোগী দেখার সময়ে ব্যাপক পরিবর্তন।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

করোনা পরিস্থিতিতে সরকারি নির্দেশনার পাশাপাশি কোভিড-১৯ প্রতিরোধ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালে দর্শনাথী প্রবেশ ও রোগী দেখার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

আজ রোববার (১ নভেম্বর) থেকে রোগী দেখার সময়সূচী এবং দর্শনার্থী প্রবেশ ও নির্গমনের জন্য প্রবেশদ্বার উন্মুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছেন সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ইউনুছুর রহমান।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কিছুটা কমে গেলেও একেবারে শেষ হয়নি। যার জন্য আমাদেরকে আরও বেশী সচেতন হতে হবে। রোগীদের সেবার স্বার্থে ও করোনাভাইরাসের ২য় ওয়েব মোকাবেলা সকলকে হাসপাতালের গৃহিত সিদ্ধান্ত মেনে চলার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।

রোগী দেখার সময়সূচী, শীতকাল : ১ অক্টোবর থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে ৫ পর্যন্ত।

গ্রীষ্মকাল : ১ এপ্রিল থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন বিকাল ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত।

দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত প্রবেশদ্বার গেইট নং ৩ : অ্যাটেনডেন্ট পাসকার্ডধারী দর্শনার্থী এবং ভিজিটিং আওয়ারের দর্শনার্থী প্রবেশ ও নির্গমনের জন্য। একই সাথে বহি:বিভাগ থেকে আগত রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য উন্মোক্ত থাকবে।

গেইট নং ৪ : বহি:বিভাগ চিকিৎসাপ্রাপ্ত রোগীর টিকেট দেখানো সাপেক্ষে ডিসপেনসারী হতে ঔষধ নেওয়ার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

গেইট নং ৫ : কোভিড-১৯ সাসপেক্ট রোগী ও দর্শনার্থী প্রবেশের জন্য একাংশ উন্মুক্ত থাকবে।

র‌্যাম্প গেইট : শুধুমাত্র লেবার রোগীর প্রবেশ এবং সামগ্রী আনা নেওয়ার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

প্যাথলজী/ জরুরী করিডোর : শুধুমাত্র সাধারন ভর্তিকৃত/ লেবার ভর্তিকৃত রোগীর জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

প্রশাসনিক করিডোর : চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

বড়লেখায় সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী জনাব আব্দুল আহাদের সমর্থনে মতবিনিময় সভা।

নিজস্ব সংবাদঃ মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখায় আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে বড়লেখা পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বড়লেখা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এবং বড়লেখা থানা কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় কমিটির সাধারন সম্পাদক জনাব আব্দুল আহাদ সাহেবের নিজ এলাকা পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের সকল স্থরের মানুষদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাত ৯ ঘটিকার সময় মেয়র পদপ্রার্থী আব্দুল আহাদ সাহেবের নিজ বাসভবনে মহুবন্দ এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বি ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি জনাব আকবর আলী সাহেবের সভাপতিত্বে ও বড়লেখা হাজীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী ও তরুণ সমাজ সেবক আমিনুল ইসলামের সঞ্চালনায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন এলাকার মুরব্বি জনাব ফরিজ আলী, জনাব রছমান আলী, জনাব কমর উদ্দিন কালা,জনাব হাবিবুর রহমান, সাবেক উপজেলা ছাএলীগ সাধারন সম্পাদক জনাব ইমদাদুল ইসলাম সজল, ব্যবসায়ী জনাব ইসলাম উদ্দিন, বড়লেখা উপজেলা শ্রমিক পরিবহন (সিএনজি)’ সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক লাল মিয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন, ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেহান পারভেজ রিপন, মাইজ পাড়া যুবকল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ, পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাহিদ আহমদ। শ্রমিক নেতা শাহিন আহমদ, তরুন সমাজ সেবক মিঃ সিপার আহমদ, যুব নেতা উস্তার আলী প্রমুখ।

বক্তরা বলেন এবার আসন্ন পৌরসভার নির্বাচনে যে কোন মূল্যে আমরা আমাদের এলাকার কৃতি সন্তান ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ আব্দুল আহাদ সাহেব কে মেয়র হিসেবে দেখতে চাই তাই সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি,,

বড়লেখায় তালামিযের ঈদে মিলাদুন নবী সাঃ উপলক্ষে র‌্যালী ও মিলাদ মাহফিল।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা শাখার উদ্যোগে ১২ই রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাঃ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা এবং মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

(৩০অক্টোবর) বড়লেখা সদর ইউনিয়ন মিলনায়তনে বিকেলে উক্ত অনুষ্ঠানে উপজেলা তালামীযের সভাপতি নুরুল ইসলাম বাবলু এর সভাপতিত্বে উপজেলা তালামীযের সাধারণ সম্পাদক রুবেল আহমদ এর পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা আল ইসলাহ এর সহ-সভাপতি মাওলানা ছালেহ আহমদ জুয়েল। প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া কেন্দ্রীয় পরিষদের সম্মানিত সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রনেতা মুজতবা হাসান চৌধুরী নোমান, প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন উপজেলা আল ইসলাহ এর সভাপতি মাওলানা আব্দুর রহমান, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আল ইসলাহ এর যুগ্ন সম্পাদক মাষ্টার নাজিম উদ্দিন।

এছাড়া আরো উপস্হিত ছিলেন আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া কেন্দ্রীয় পরিষদের সাবেক সদস্য মাহমুদুল হাসান, উপজেলা আল ইসলাহ এর সাধারন সম্পাদক মাওলানা কাজী আব্দুল মুমিত, সাংগঠনিক সম্পাদক মাষ্টার শামছুল ইসলাম, লতিফিয়া ইমাম মুয়াজ্জিন পরিষদের সভাপতি মাওলানা কুতুবুল আলম, উপজেলা আল ইসলাহ এর সহ-সাধারণ সম্পাদক শাহেদ আহমদ জুয়েল, লতিফিয়া কারী সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক আমানুর রহমান, উপজেলা তালামীযের সহ-সভাপতি রুহুল আমিন রুহেল, সহ-সাধারণ সম্পাদক রেদওয়ান হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ হাকিম জীবন, পৌর তালামীযের সভাপতি হাবিবুর রহমান সহ উপজেলা আল ইসলাহ, তালামীয ও লতিফিয়া কারী সোসাইটির নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন ওয়ার্ড ইউনিয়ন শাখার কর্মীবৃন্দ।

১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে শোভাযাত্রা বড়লেখা বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ৬নং সদর ইউনিয়নে এসে মিলাদ ও দোয়ার মাধ্যমে শেষ হয়।

বড়লেখায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমামের আহব্বানে তাওহীদি জনতা ভিক্ষোভ।


মোঃইবাদুর রহমান জাকিরঃ

ফ্রান্সে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এ-র অবমাননাকর চিত্র প্রদর্শনীর প্রতিবাদে মৌলভীবাজারের বড়লেখায় সর্ব স্তরের মুসলিম তৌহিদী জনতার উদ্যোগে (৩০ অক্টোবর) বাদ জুমা একযুগে বড়লেখা সদরে,কাঠালতলীতে,বাদ আছর অফিস বাজারে,বাদ মাগরিব,শাহবাজপুর বাজারে, বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ক্বারী মনোহর আলীর আহবানে সর্বস্তরের তাওহীদি জনতা অংশ গ্রহন করে।

এতে বক্তারা বলেন ফ্রান্সে কাফের মুশরিকরা মুসলমানদের প্রাণাধিক প্রিয় রাসুলুল্লাহ সাঃ এ-র ব্যাঙ চিত্র প্রদর্শনী করে অবমাননা করছে। এ অবস্থায় নবী প্রেমিক মুসলমানরা প্রতিবাদ প্রতিরোধে না করে নিরব থাকতে পারে না। তাঁরা অবিলম্বে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ফ্রান্সের পন্য বর্জন এবং দূতাবাস সহ কুটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য সরকার ও জনসাধারণকে আহবান জানান। হাজার হাজার তৌহিদী জনতার এ মিছিল উপজেলার ভিন্ন বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সমাবেশে মোনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।

রাসূল সা. এর অবমাননার প্রতিবাদে বড়লেখায় জমিয়তের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ।


এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয় মদদে মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা. এর ব্যাঙ্গচিত্র প্রদর্শন এবং মুসলমানদের উপর হামলা ও নিপীড়নের প্রতিবাদে; জমিয়ত, যুব জমিয়ত ও ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা শাখার উদ্যোগে আজ ২৮ অক্টোবর বাদ আসর এক
বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বড়লেখা কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে বড়লেখা বাজারের মূল সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে অনুষ্ঠিত “বিক্ষোভ সমাবেশে” সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জমিয়তের সভাপতি মাওঃ শায়েখ রমিজ উদ্দীন।

উপজেলা ছাত্র জমিয়তের আহবায়ক মাওঃ আবিদুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা জমিয়তের সহ-সভাপতি মাওঃ শায়েখ মুখলিসুর রহমান, সহ-সভাপতি মাওঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, বড়লেখা উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব, বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিস্ট এম.এম আতিকুর রহমান, বড়লেখা উপজেলা জমিয়তের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা বদরুল ইসলাম, সাহিত্য সম্পাদক মাওঃ হাফিয সাদিক আহমদ, ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ’র প্রাক্তন সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফিয মাওঃ তায়্যিবুর রহমান, বড়লেখা উপজেলা জমিয়তের অর্থ সম্পাদক হাফিয মাওঃ ইব্রাহীম খলিল, বড়লেখা উপজেলা যুব জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক মাওঃ সাইফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওঃ মাহবুবুর রহমান, যুবনেতা মাওঃ শাহাব উদ্দীন, মাওঃ জাকারিয়া আল আরশাদ, বড়লেখা উপজেলা ছাত্র জমিয়তের যুগ্ম আহবায়ক মাওঃ ওলিউর রহমান শামিম, যুগ্ম সদস্য সচিব হাফিয ফাহিম আহমদ প্রমুখ।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বড়লেখা উপজেলা যুব জমিয়তের প্রচার সম্পাদক মাওঃ মুজাহিদুল ইসলাম, তালিমপুর ইউপি যুব জমিয়তের সভাপতি মাওঃ আছাদুর রহমান, ছাত্রনেতা মাওঃ ফরহাদ আহমদ, মাওঃ ছাব্বির আহমদ, হাফিয জুনাইদ আল হাবিব, গোলাম রব্বানী মাসুম, হাফিয আব্দুল আজিজ এমরান, হাফিয হুসাইন আহমদ, গোলাম কিবরিয়া, মাহমুদুর রহমান প্রমুখ।
পরিশেষে সভাপতির আলোচনা ও মুনাজাতের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

১লা নভেম্বর লাউয়াছড়া ও মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত পযর্টন কেন্দ্র খুলবে।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

পর্যটকদের জন্য সিলেট বিভাগের অন্যতম আকর্ষণীয় দুটি স্থান লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ও মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত ১ নভেম্বর (রোববার) থেকে খুলছে। করোনা সংক্রমণের কারণে প্রায় ৭ মাস বন্ধ ছিলো এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই দুটি স্থান। ১ নভেম্বর থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পর্যটকরা লাউয়াছড়া ও মাধবকুন্ডে যেতে পারবেন।

ট্যুরিস্ট পুলিশ মৌলভীবাজার জোন-এর ফেসবুক পেজ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

ট্যুরিস্ট পুলিশ মৌলভীবাজার জোন-এর ফেসবুক পোস্টে বলা হয়- ১ নভেম্বর থেকে খুলছে মৌলভীবাজার জেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবকুন্ড ইকোপার্কসহ বন বিভাগের নিয়ন্ত্রনাধীন সকল দর্শনীয় স্থান ও ইকোপার্ক। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দর্শনার্থীগনকে প্রবেশ করার জন্য পর্যটন সংশিষ্টসহ সকলকে অনুরোধ করা হল।

বন বিভাগের পক্ষ থেকেও এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ১২৫০ হেক্টর জমি নিয়ে লাউয়াছড়া সংরক্ষিত বনাঞ্চল। ১৯৯৬ সালে এটিকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। উদ্ভিদ আর প্রাণীবৈচিত্রের আঁধার এই বন বিভিন্ন বিরল ও বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত। বন বিভাগের হিসেব মতে, ২০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ৫৯ প্রজাতির সরীসৃপ (৩৯ প্রজাতির সাপ, ১৮ প্রজাতির লিজার্ড, ২ প্রজাতির কচ্ছপ), ২২ প্রজাতির উভচর, ২৪৬ প্রজাতির পাখি ও অসংখ্য কীট-পতঙ্গ রয়েছে। এই বনে বিরল প্রজাতির উল্লুক, মুখপোড়া হনুমান , চশমাপড়া হনুমানও দেখতে পাওয়া যায়।

অপরদিকে, মৌলভীবাজার জেলার বড়লখো উপজলোয় মাধবকুন্ড জলপ্রপাতটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জলপ্রপাত। প্রায় ২০০ ফুট উঁচু টিলা হতে পাহাড়ি ঝর্নার পতিত জলরাশি পর্যটকের জন্য আকর্ষণীয়। এ জলপ্রপাতের নিকটেই খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস। জলপ্রপাতের চতুর্দিকে বিশাল বনভূমি অবস্থিত। মাধবকুন্ড জলপ্রপাত সংলগ্ন কুন্ডে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের চৈত্রমাসের মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে বারুনী স্নান হয় এবং মেলা বসে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের এটি একটি তীর্থ স্থান।

১লা নভেম্বর থেকে লাউয়াছড়া ও মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত পযর্টন কেন্দ্র খুলবে।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

পর্যটকদের জন্য সিলেট বিভাগের অন্যতম আকর্ষণীয় দুটি স্থান লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ও মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত ১ নভেম্বর (রোববার) থেকে খুলছে। করোনা সংক্রমণের কারণে প্রায় ৭ মাস বন্ধ ছিলো এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই দুটি স্থান। ১ নভেম্বর থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পর্যটকরা লাউয়াছড়া ও মাধবকুন্ডে যেতে পারবেন।

ট্যুরিস্ট পুলিশ মৌলভীবাজার জোন-এর ফেসবুক আইডি থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

ট্যুরিস্ট পুলিশ মৌলভীবাজার জোন-এর ফেসবুক পোস্টে বলা হয়- ১ নভেম্বর থেকে খুলছে মৌলভীবাজার জেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবকুন্ড ইকোপার্কসহ বন বিভাগের নিয়ন্ত্রনাধীন সকল দর্শনীয় স্থান ও ইকোপার্ক। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দর্শনার্থীগনকে প্রবেশ করার জন্য পর্যটন সংশিষ্টসহ সকলকে অনুরোধ করা হল।

বন বিভাগের পক্ষ থেকেও এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ১২৫০ হেক্টর জমি নিয়ে লাউয়াছড়া সংরক্ষিত বনাঞ্চল। ১৯৯৬ সালে এটিকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। উদ্ভিদ আর প্রাণীবৈচিত্রের আঁধার এই বন বিভিন্ন বিরল ও বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত। বন বিভাগের হিসেব মতে, ২০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ৫৯ প্রজাতির সরীসৃপ (৩৯ প্রজাতির সাপ, ১৮ প্রজাতির লিজার্ড, ২ প্রজাতির কচ্ছপ), ২২ প্রজাতির উভচর, ২৪৬ প্রজাতির পাখি ও অসংখ্য কীট-পতঙ্গ রয়েছে। এই বনে বিরল প্রজাতির উল্লুক, মুখপোড়া হনুমান , চশমাপড়া হনুমানও দেখতে পাওয়া যায়।

অপরদিকে, মৌলভীবাজার জেলার বড়লখো উপজলোয় মাধবকুন্ড জলপ্রপাতটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জলপ্রপাত। প্রায় ২০০ ফুট উঁচু টিলা হতে পাহাড়ি ঝর্নার পতিত জলরাশি পর্যটকের জন্য আকর্ষণীয়। এ জলপ্রপাতের নিকটেই খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস। জলপ্রপাতের চতুর্দিকে বিশাল বনভূমি অবস্থিত। মাধবকুন্ড জলপ্রপাত সংলগ্ন কুন্ডে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের চৈত্রমাসের মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে বারুনী স্নান হয় এবং মেলা বসে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের এটি একটি তীর্থ স্থান।

নিজের আপত্তিকর প্রকাশ করায় এরদোগানের মামলা


আন্তর্জাতিক ডেক্সঃ

নিজের আপত্তিকর ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশ করায় ফরাসী সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন শার্লি হেবদোর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান। বুধবার তিনি ম্যাগাজিনটির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করেন।

এরদোগানের আইনজীবী জানিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে ঘৃণ্য কার্টুনের অভিযোগ এনে ম্যাগাজিনটির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন এরদোগান।

তুর্কি সংবাদমাধ্যম ইয়েনি শাফাক জানিয়েছে, আঙ্কারার প্রসিকিউটরের কাছে এ অভিযোগটি জমা পড়েছে। আইনজীবী হুসেই আদিন জানিয়েছেন, ম্যাগাজিন কর্তৃপক্ষ ও কার্টুনিস্টের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

এর আগে এদিন দেশের প্রেসিডেন্টকে অপমান করায় আঙ্কারার প্রসিকিউটরও শার্লি হেবদোর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তুরস্কের আইনে মামলা দায়ের করেছেন।

তুর্কি কর্মকর্তারা বলছেন, পত্রিকাটি সাংস্কৃতিক বর্ণবাদ ও বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেয়ার জন্য এটি ‘ঘৃণ্য প্রচেষ্টা’।

রয়টার্স জানিয়েছে, এরদোগানকে নিয়ে যে ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশ করা হয়েছে, তার কভারে দেখা গেছে, এরদোগান একটি সাদা টি-শার্ট পরে বসে আছেন। হাতে একটি ক্যানের ভেতর পানীয় জাতীয় দ্রব্য রাখা এবং পাশে দাঁড়িয়ে আছে ইসলামিক হিজাব পড়া এক নারী।

এর আগে ইসলামের নবী হযরত মোহাম্মদকে (সা.) নিয়ে ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশ করায় ফ্রান্স ও তুরস্কের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। চলতি মাসেই ফ্রান্সের এক শিক্ষক ক্লাস রুমে ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশ করার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। পরে ওই শিক্ষককে এক মুসলিম তরুণের হাতে প্রাণ দিতে হয়।

যদিও তরুণটি হামলার পরেই পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন। ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশের ঘটনায় ওই শিক্ষকের প্রতি সম্মান জানাতে গিয়ে ইসলাম ও বিশ্বনবীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো।

তুর্কি যোগাযোগ অধিদফতর বলছে, আমাদের জনগণের সন্দেহ নেই যে প্রশ্নবিদ্ধ ব্যাঙ্গচিত্রের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সব আইনগত ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বিয়ানী বাজারে চোলাইমদসহ গ্রেফতার১

মোঃইবাদুর রহমান জাকির

সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার থানা পুলিশের অভিযানে ৫ লিটার দেশীয় চোলাইমদসহ একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামী বিয়ানীবাজার উপজেলার মাটিকাটা গ্রামের মৃত সিরাজ উদ্দিনের ছেলে আব্দুল গনি (৪৫)। বুধবার পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৫ লিটার দেশীয় তেরী চোলাইমদসহ তাকে আটক করে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৮ অক্টোবর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিয়ানীবাজার থানার এসআই নূর মিয়া ও এসআই শাহ আলম এর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে বিয়ানীবাজার পৌরশহরে দক্ষিণবাজারে সালমা বোডিং এর পিছনে আব্দুল গণিকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ৫ লিটার দেশীয় তৈরী চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়েছে।

বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিল্লোল রায় আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সিলেটের মাননীয় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম মহোদয়ের দিক নির্দেশনায় বিয়ানীবাজার মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা মদসহ একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা দায়ের করে জেল হাজতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে। বিয়ানীবাজার যেকোন অপরাধ মুক্ত করতে থানা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

সাইফুর হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার শ্বাসরোধে নয় যাহা পরিকল্পিত হত্যা।

মোঃইবাদুর রহমান জাকিরঃ

মৌলভী বাজারের বড়লেখায় গ্রামের বাড়িতে ঈদ করতে গিয়ে সিলেট পলিটেকনিক কলেজের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার সাইফুর রহমানের (২৭) মৃত্যুর রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। শ্বাসরোধে হত্যার ময়না তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই সোমবার বিকেলে পুলিশ পরিকল্পিত হত্যায় জড়িত ৩ আসামীকে গ্রেফতার করেছে। এরা হচ্ছে উপজেলার বর্নি ইউনিয়নের আহমদপুর গ্রামের আনসার আলীর ছেলে কামাল আহমেদ সাজু (২২), জবলু হোসেন (২৫) ও বাবুল হোসেন (২৭)। মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ আসামীদের আদালতে সোপর্দ করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়েছে। আদালত আসামীদের কারাগারে পাঠিয়েছেন।

জানা গেছে, উপজেলার আহমদপুর গ্রামের মাদ্রাসা শিক্ষক আব্দুল আহাদ ছেলেসহ সিলেটে বসবাস করেন। সাইফুর রহমান (২৭) সিলেট পলিটেকনিক কলেজের মেধাবী ছাত্র ও ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার। গ্রামের বাড়িতে ঈদ করতে গত ৩০ জুলাই একাই তিনি বাড়িতে যান। রাতে শয়নকক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন সন্ধ্যায় পুলিশের উপস্থিতিতে দরজা ভেঙ্গে ঘরের মেঝ থেকে তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। এসময় সাইফুর রহমানের চাচা বলাই মিয়াসহ এলাকার অনেকে জোর দিয়ে বলেন তাকে বিষাক্ত সাপ কামড় দিয়েছে। তার পায়ের উরুতে সাপের কামড়ের মতো কিছু চিহ্নও পাওয়া যায়। তারা তাকে বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এরপরও তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসকও তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর নিহত সাইফুর রহমানের লাশের ময়না তদন্ত শেষে স্বজনদের নিকট লাশ হস্তান্তর করা হয়।

নিহত সাইফুর রহমানের ছোটভাই এমদাদুর রহমান জানান, ‘আমরা প্রথম থেকেই বলেছিলাম সাপের ছোবলে আমার ভাইয়ের মৃত্যু হয়নি। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর সাপের কামড়ে মৃত্যুর নাটক সাজানো হয়। তখন অজ্ঞাত আসামী করে থানায় হত্যা মামলা দিতে গেলে পুলিশ বলেছিল ময়না তদন্ত প্রতিবেদনে হত্যার আলামত পাওয়া গেলে পুলিশ মামলা নিবে। শ্বাসরোধে হত্যার রিপোর্ট আসার পরই পুলিশ ডেকে নিয়ে মামলা নিয়েছে। হত্যায় জড়িত ৩ আসামীকে তাৎক্ষণিক পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অন্যান্য আসামীদের দ্রæত গ্রেফতার ও হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাচ্ছি।’

থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার জানান, নিহতের চাচা ও পাশের ঘরের বাসিন্দারা তখন বিষধর সাপের কামড়ে সাইফুর রহমানের মৃত্যু হয় বলে দাবী করেন। ময়না তদন্ত রিপোর্টের অপেক্ষায় ছিলেন। সোমবার ময়না তদন্ত প্রতিবেদন হাতে আসে। এতে শ্বাসরোধে হত্যার প্রমাণ মিলেছে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই এমদাদুর রহমান থানায় হত্যা মামলা করেছেন। বিকেলেই অভিযান চালিয়ে ৩ আসামীকে গ্রেফতার করেন। তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়েছেন। অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ফ্রান্সে ধর্মীয় অবমাননার প্রতিবাদে বড়লেখায় ছাত্র মজলিশের বিক্ষোভ মিছিল


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

ফ্রান্স সরকার কর্তৃক মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন প্রদর্শন ও ধর্মীয় অবমাননার প্রতিবাদে মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ছাত্র মজলিস….

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস বড়লেখা উপজেলা উত্তর সভাপতি মুহাম্মদ কামরুল হাসান এর সভাপতিত্বে ও দক্ষিন শাখার সভাপতি আব্দুল্লাহ আল নোমান এর পরিচালনায় মিছিল পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রাক্তন সুনামগঞ্জ জেলা সভাপতি ও খেলাফত মজলিস বড়লেখা উপজেলা সভাপতি কাজী মাওলানা এনামুল হক।

প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিস মৌলভীবাজার জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল খালিক।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ছাত্র মজলিস মৌলভীবাজার জেলা শাখার প্রাক্তন সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক এম এম আতিকুর রহমান, প্রাক্তন জেলা সভাপতি মুহাম্মদ খায়রুল ইসলাম, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রাক্তন সভাপতি খসরুল আলম, উপজেলা খেলাফত মজলিসের সহ সভাপতি মাওলানা শফিকুল ইসলাম, ছাত্র মজলিস জেলা বায়তুলমাল ও প্রকাশনা সম্পাদক মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান, উপজেলা খেলাফত মজলিসের সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফখরুল ইসলাম, ফয়সল আলম স্বপন।

উপস্থিত ছিলেন ছাত্র মজলিস মৌলভীবাজার জেলা শাখার প্রাক্তন সেক্রেটারি মুহাম্মদ এনামুল হক, জেলা অফিস ও প্রচার সম্পাদক আনিসুল ইসলাম, উপজেলা উত্তর শাখার সেক্রেটারি আশরাফ হোসেন, মেহেদি হাসান, আব্দুল মুকিত, সেলিম উদ্দিন, জাহেদ আহমদ প্রমুখ।

মিছিলটি পৌর শহরের শড়ক প্রদক্ষিন করে বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে এসে প্রতিবাদ সমাবেশ করে।

ছেলে হত্যার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে আমরন অনশনে রায়হানের মা।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

ছেলে হত্যার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে আমরন অনশনে নেমেছেন সিলেটের বন্দরবাজার ফাঁড়িতে পুলিশি নির্যাতনে নিহত রায়হান আহমদের মা সালমা বেগম। রবিবার সকাল ১১ টা থেকে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তিনি বন্দরবাজার ফাঁড়ির সামনে অনশনে বসেন। অনশনস্থলে তারা হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন ধরনের ফেস্টুন প্রদর্শন করেন। অনশনরত রায়হানের পরিবারের সদস্যদের মাথায় এসময় কাফনের কাপড় (সাদা কাপড়) বাঁধা রয়েছে।

প্রসঙ্গত গত ১১ অক্টোবর সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে নগরীর নেহারিপাড়া মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে রায়হান আহমদকে গুরুতর আহত অবস্থায় ওসমানী মেডেকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন বন্দরবাজার ফাঁড়ির এএসআই আশেকে এলাহী। সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান রায়হান। এ ঘটনায় রায়হানের স্ত্রী হত্যা ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইনে থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর বন্দর বাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবরসহ চার পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত ও তিন জনকে প্রত্যাহার করা হয়।

মামলার তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই ইতোমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাশ ও হারুনুর রশিদকে গ্রেফতার করে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে।

বড়লেখায় কুরআন তেলাওয়াত ও কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার ৬ নং সদর ইউনিয়নের গঙ্গারজল বালিছড়া ওয়েলফেয়ার সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত কুরআন তেলাওয়াত ও কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
২৪ (অক্টোবর) দুপুরে বালিছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে মুহিবুর রহমান ও জুনেদ আহমদ এর সঞ্চালনায় গ্রামের বিশিষ্ট মুরব্বি মকদ্দছ আলীর সভাপতিত্বে কুইজ প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ তাজ উদ্দীন, কাউন্সিলর জেহিন সিদ্দিকী, ইউপি সদস্য মঈন উদ্দিন, জয়নাল আবেদীন তাপাদার, আব্দুল মানিক, আজির উদ্দিন, আব্দুল আহাদ,হেলাল উদ্দিন, আলিম উদ্দিন, সাংবাদিক মইনুল ইসলাম, আকদ্দস আলী, প্রবাসী সয়েফ উদ্দিন, তানভীর, জাহিদ, সাইফুরসহ বালিছড়া ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সদস্যবৃন্দ।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সোয়েব আহমদ ওয়েলফেয়ার সোসাইটির ভূয়সি প্রশংসা করে বলেন, এ রকম উদ্যোগ যুব সমাজকে ইভটিজিং,মাদক ও নৈতিক অবক্ষয় থেকে বাঁচিয়ে রাখবে।

বড়লেখায় ইসলামী সমমনা দলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

পুলিশী হেফাজতে সিলেটে নিরীহ যুবক রায়হান আহমদ হত্যা, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীনতা, দুনীতি, খুন গুম ও ঢাবি শিক্ষকের সালাম, আল্লাহ হাফেজ নিয়ে চরম কটাক্যতা এবং সীমান্তে মানুষ হত্যা দেশব্যাপী ধর্ষণ-ব্যভিচারের প্রতিবাদে মৌলভীবাজারের বড়লেখায় সমমনা ইসলামী দলসমূহের ব্যানারে এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

(২৩ অক্টোবর) বাদ জু’মা বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খেলাফত মজলিসের জেলা তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক এম. এম আতিকুর রহমান বলেন, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্ধ্বগতি রোধে ব্যর্থতা এবং দেশব্যাপী ধর্ষণ-ব্যভিচার রোধে সরকার ব্যার্থতার পরিচয় দিচ্ছে। জনগণের সরকার হলে এসব নিয়ন্ত্রণে যথার্যথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হতো। তিনি অবিলম্বে এসকল দাবীসমূহ বাস্তবায়নের আহবান জানিয়ে বলেন, অন্যতায় ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে দেশ ও জাতিকে বিপর্যস্ততার হাত থেকে বাচাতে হবে।

খেলাফত মজলিসের উপজেলা সভাপতি মাওলানা কাজী এনামূল হকের সভাপতিত্বে ও সহ-সেক্রেটারী ফয়সল আলম স্বপন এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিস বড়লেখা উপজেলা সহ সভাপতি মাওলানা শফিকুল ইসলাম সিদ্দিকী, সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফখরুল ইসলাম, ছাত্র জমিয়তের উপজেলা আহবায়ক মাওলানা আবিদুর রহমান, যুগ্ম সদস্য সচিব ফাহিম আহমদ, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস বড়লেখা উপজেলা সভাপতি কামরুল হাসান, সুড়িকান্দি মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা জাকারিয়া আহমদ প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কাঠালতলী টাকি মহিলা টাইটেল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা শফিকুল ইসলাম সিদ্দিকী।

আন্জুমানে হেফাজতে ইসলামের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন মুফতি ফারুক আমীর, অধ্যাপক সবুর মহাসচিব।


এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

আণ্জুমানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার বার্ষিক অধিবেশন আজ ২২ অক্টোবর দুপুর ১২টা থেকে বরুণার মসজিদে ক্বাদিমে অনুষ্ঠিত হয়।

ওলিকুল শিরোমনী আল্লামা মুফতী রশীদুর রহমান ফারুক পীর সাহেব বরুণী’র সভাপতিত্বে দুই অধিবেশনে শুরা সদস্যরা বিস্তারিত আলোচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে মুফতি রশীদুর রহমান ফারুক বর্ণভীকে আমীর ও বড়লেখার কৃতি সন্তান অধ্যাপক মাওলানা আবদুস সবুরকে মহাসচিব নির্বাচিত করা হয়েছে।

নায়েবে আমীররা হলেন মাওলানা সাইদুর রহমান বর্ণভী, মাওলানা ওলিউর রহমান বর্ণভী, আল্লামা আব্দুল বারী ধর্মপুরী, মাওলানা আবদাল হোসেন খান, মাওলানা নুরে আলম হামিদী, মাওলানা বদরুল আলম হামিদী, কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা শাহ নজরুল ইসলাম, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকরা হলেন শায়েখ মাওলানা মুজাদ্দিদ আলী, মাওলানা মুজিবুর রহমান মুজাহিদ, মুফতি শফিকুর রহমান সিলেট, মাওলানা জাবের আহমদ হবিগঞ্জি, মাওলানা হেলাল আহমদ হেতিমগঞ্জি, মাওলানা লুৎফুর রহমান জাকারিয়া কমলগঞ্জি। অর্থ সম্পাদক মুফতি হিফজুর রহমান ফুয়াদ, প্রচার সম্পাদক মাওলানা জিয়া উদ্দিন ইউসুফ প্রমুখ। এছাড়াও আমীরে আন্জুমান ও মহাসচিব অন্যান্য সম্পাদকীয় ও সদস্যবৃন্দ নিযুক্ত করবেন মর্মে শুরা অধিবেশনে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

নবনির্বাচিত জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানকে বড়লেখা উপজেলা আওয়ামীলীগের ফুলেল শুভেচছা।

মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের উপ নির্বাচনে মিছবাহুর রহমান জয়লাভ করায় বড়লেখা উপজেলা আওয়ামীলীগ পরিবার থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ।

গতকাল মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের উপনির্বাচনে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ মিছবাহউর রহমান এর বিপুল ভোটে জয়লাভ করার কারণে বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

প্রয়াত ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের মৃত্যুর কারণে গতকাল এ জেলায় উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ভোটগ্রহণ শেষে বেসরকারিভাবে আলহাজ্ব মিছবাহউর রহমান কে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তখন ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সুন্দর, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান সুয়েব আহমদ, বড়লেখা পৌরসভা মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল ইমাম কামরান চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো: তাজউদ্দীন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক একেএম হেলাল, বড়লেখা পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল আহাদ, সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সিরাজ উদ্দিন, মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সুমন আহমদ।

বড়লেখায়; যুক্তরাজ্য প্রবাসীর অর্থায়নে খাদ্য সামগ্রী ও অর্থ সহায়তা প্রদান।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের আতুয়া গ্রামের লন্ডন প্রবাসী স্কুল শিক্ষক মাওলানা মো. মুমিনুল ইসলাম ফারুকী ও তাঁর বন্ধুমহলের অর্থায়নে এলাকার দরিদ্র, অসচ্ছল ১০০টি পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আতুয়া গ্রামে প্রবাসী মুমিনুল ইসলাম ফারুকীর নিজ বাড়িতে দরিদ্রদের মাঝে এসব সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।

এসময় উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ১৬জন সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ৮৪ জন ইসলাম ধর্মাবলম্বীসহ মোট ১০০ জন দরীদ্র অসচ্ছল মানুষের মাঝে ১০ কেজি করে চাল, ১ কেজি ডাল, ১ কেজি লবণ, ২ টি সাবান ও নগদ ৫শত টাকা করে বিতরণ করা হয়

বিতরণকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আহমদ জুবায়ের লিটন, ইউপি সদস্য আলীম উদ্দিন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কালাচাঁদ চন্দ চন্দ, ছাতারখাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল করিম, মুজিরুল ইসলাম, ক্বারী আব্দুস শহীদ,সাংবাদিক কাজী মুহাম্মদ রমিজ উদ্দিন,দৈনিক ইনকিলাব বড়লেখা প্রতিনিধি সুলতান মাহমুদ খাঁন, বড়লেখা ডাকের বার্তা সম্পাদক তারেক মাহমুদ, প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মাওলানা মুমুনুল ইসলাম ফারুকী জানান, খেটে খাওয়া হতদরিদ্র মানুষগুলো খুব মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাই প্রবাসে বসে আমি উদ্যোগ নিয়েছি হতদরিদ্র মানুষের পাঁশে দাঁড়ানোর। এ উদ্যোগে আমার বন্ধুমহল এগিয়ে এসেছেন। তাদের আর্থিক সহযোগিতায় এবং আমার ভাই আব্দুশ শহীদ ও মুজিরুল ইসলামের মাধ্যমে করোনাকালীন সময়ে আরও ৪র্থ দফায় অসহায় দরিদ্রদের মাঝে নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছি। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ১০০টি হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ সম্পন্ন করা হয়েছে। ধাপে ধাপে হতদরিদ্র পরিবারগুলোর মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের ধারা অব্যাহত রাখবো ইনশাআল্লাহ।’

মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়াতে মা কে পুড়িয়ে হত্যা।

নিউজ ডেস্কঃ গত রোববার রাতে মায়ের কাছে মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার বায়না ধরে ছেলে আবু হানিফ। কিন্তু মা তাতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষুব্ধ হয় সে। রাতে ঘুমন্ত মায়ের শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় আবু হানিফ। গতকাল শুক্রবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান হনুফা বেগম। এ ঘটনায় হনুফা বেগমের ভাই দুলাল মিয়া বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।

এ ব্যাপারে শেরপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, হনুফা বেগমের তিন ছেলেমেয়ের মধ্যে আবু হানিফ বড়। সে কিছুদিন ধরে মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার কথা বলছিল মা হনুফা বেগমকে। তিনি রাজি না হওয়ায় গতকাল শুক্রবার রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় তাঁর শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় আবু হানিফ। দগ্ধ হনুফা বেগমকে প্রথমে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতাল এবং পরে ময়মনসিংসহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার হনুফা মারা যান।

নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় দক্ষিণ বিয়ানীবাজার এর নৌকা চ্যাম্পিয়ান।


মোঃইবাদুর রহমান জাকিরঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার সুনাই নদীতে উওর শাহবাজপুর ইউনিয়ন এর ভাটাউছি বাঁধে ভাটাউচি ও তাজপুর এলাকাবাসী উদ্যোগে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার বিকালএই প্রতিযোগিতায় ৮ টি বড় নৌকা অংশ গ্রহণ করে। সিলেট জেলার দক্ষিণ বিয়ানীবাজার এর নৌকা চ্যাম্পিয়ান হয় এবং সাদিমাপুর নৌকা রানাস্আপ হয়। প্রথম পুরুস্কার হিসেবে একটি গরু এবং ২য় পুরস্কার একটি ছাগল দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন। এছাড়া অতিথি হিসেবে ৪নং উওর শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আহমদ জুবায়ের লিটন, শাহবাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোশাররফ হোসেন, সাব ইন্সপেক্টর রতন কুমার হাওলাদার, লন্ডন প্রবাসী সাইফুল ইসলাম, অধ্যাপক আব্দুস শহীদ খান তোহিদুর রহমান টিপু প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

সুজানগর আজিমগঞ্জে নিসচা উপজেলা শাখার জনসচেতনতামূলক প্রচার অভিযান।

মোঃইবাদুর রহমান জাকিরঃ

“মুজিব বর্ষের শপথ, সড়ক করবো নিরাপদ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২০ উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসাবে বড়লেখা উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের আজিমগঞ্জ বাজারে জনসচেতনতা’মূলক
প্রচারণা করেছে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) বড়লেখা উপজেলা শাখা।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় আজিমগঞ্জ বাজারে নিসচা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক তাহমীদ ইশাদ রিপনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আইনুল ইসলামের সঞ্চলনায় পথ সভার মধ্যে দিয়ে জনসচেতনতা’মূলক প্রচারাভিযান অনুষ্টিত হয়েছে।

জনসচেতনতা’মূলক প্রচার অভিযানে উপস্থিত ছিলেন আজিমগঞ্জ বাজারের বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ, বণিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাদের আহমদ, আগর আতর ব্যবসায়ী তাজ উদ্দিন এবং
নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখার যুগ্ম-আহবায়ক মার্জানুল ইসলাম মার্জান, কার্যকরী কমিটির সদস্য মাস্টার খালেদ আহমদ, মাওলানা মাছুম আহমদ, রাসেল আহমদ ও শুভাকাঙ্ক্ষী মারুফ সুমন, আশরাফুল ইসলাম দিপু সহ প্রমুখ।

উল্লেখ্যঃ জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসাবে নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখা জনসচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে। তারই ধারাবাহিকতায় নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখার জনসচেতনতা’মূলক বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।

বড়লেখায় বিট পুলিশিং পদযাত্র অনুষ্ঠিত।

মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ-

দেশব্যাপী ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন ঘটনার প্রতিবাদের অংশ হিসেবে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে “নারীর প্রতি সহিংসতা নিরসনে, আপনার পুলিশ আপনার পাশে” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নারী ধর্ষণ ও নির্যাতন বিরোধী বিট পুলিশিং পদযাত্রা বড়লেখায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৭অক্টোবর) সকাল ১০ টায় ৬নং বড়লেখা সদর ইউনিয়নসহ উপজেলার সকল ইউ/পিঃ অফিসের সামনে থেকে বড়লেখা বিট পুলিশিং ও থানা পুলিশের যৌথ আয়োজনে, পদযাত্রায় অংশ গ্রহন করেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ,বড়লেখা পৌর মেয়র আবুল ইমাম কামরান চৌঃউপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃতাজ উদ্দিন, বড়লেখা উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রাহেনা বেগম হাসনা,উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দ,বড়লেখা থানা অফিস ইনচার্জ মোঃ জাহাঙ্গীর সরদার, জেলা পরিষদের সদস্য জুবায়দা ইকবাল,বিট পুলিশিং বড়লেখা উপজেলা শাখার সেক্রেটারী আব্দুল আহাদ,বড়লেখা উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছাঃজেবিন নাহার জেলি বড়লেখা থানা বিট পুলিশি ও স্বচেতন নাগরিক অংশ গ্রহন করেন।

বকেয়া বেতন ফিঃ জন্য চাপ,জলঢুপ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ।

মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার জলঢুপ উচ্চ বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে বকেয়া বেতন, মূল্যায়ন পরীক্ষার ফি আদায় করতে শিক্ষার্থীদের চাপ ও ফি না দিলে পরীক্ষা খাতা জমা না রাখার হুমকী প্রদানের অভিযোগ উঠেছে।
(১৫অক্টোবর)স্পতিবার সকালে শিক্ষার্থীরা বেতন আদায় করলেও পরীক্ষা ফি মওকুফের জন্য প্রধান শিক্ষক জালাল উদ্দিনের কাছে অনুরোধ জানান। জবাবে তিনি পরীক্ষা ফি না দিলে মূল্যায়ন পরীক্ষার উত্তরপত্র জমা নেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন। এসময় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে ও পরে বিদ্যালয়ের সামনে বিয়ানীবাজার-বারইগ্রাম সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এসময় সড়ক অবরোধ হয়ে পড়ে। পরে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের দাবী মানার আশ্বাস দিলে তারা অবরোধ তুলে নেয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, কয়েকদিন থেকে মূল্যায়ন পরীক্ষার উত্তরপত্র জমা নেওয়ার জন্য নিয়মিত আমাদের বিদ্যালয়ে আনা হচ্ছে। ওয়াসআপে শিক্ষকদের পাঠানো প্রশ্নপত্রের উত্তর আমাদের নিজস্ব কাগজে লিখে এনে জামা দিচ্ছি। তারপরও স্যাররা আমাদের কাছ থেকে ৫০ টাকা করে অতিরিক্ত পরীক্ষা ফি নিচ্ছেন। কেউ দিতে অপারগতা পূষণ করলেও খাতা জমা রাখা হচ্ছে না। আমরা এই বিষয়ের একটি সুষ্ঠু সমাধান চাই।

জহির আহমদ নামে এক অভিভাবক জানান, আমি একটা দোকানে চাকুরী করি। একমাত্র আমার উপার্জনে সংসার ও ছোট এক ভাইয়ের পড়া লেখার খরচ চলে। বর্তমান অবস্থায় খেয়ে পড়ে যেখানে বাঁচা দায় এমতাবস্থায় প্রায় ২ হাজার টাকা বেতন ও ফি বাবতে জমা দিতে হচ্ছে। ভাই জানিয়েছে ফি না দিলে নাকি পরীক্ষা দিতে দেওয়া হবে না তাই বাধ্য হয়ে দেনা করে ফি পরিশোধ করেছি।

জলঢুপ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জালাল উদ্দিন জানান, মূল্যায়ন পরীক্ষার জন্য ফি নিচ্ছি। যারা পারবে তারা দেবে না পারলে নিচ্ছি না। তবে সড়ক অবরোধের বিষয়ে কিছু জানি না।প্রধান শিক্ষক অবরোধের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক অস্বীকার করলেও ঘটনাস্থলে উপস্থিত লাউতা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান সামছুল হক বলেন, ছাত্রদের হট্টগোলের খবর শুনে এসেছি। আসার পর শুনলাম চাপ দিয়ে বেতন ও পরীক্ষা ফি আদায়ের প্রতিবাদে ছাত্ররা আন্দোলন করছে। তবে শিক্ষকরা তাদের দাবী মানার আশ্বাসে এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

বিয়ানীবাজার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মৌলুদুর রহমান জানান, এখন পর্যন্ত বেতন নেওয়া বা মওকুপের বিষয়ে আমাদের কোন নির্দেশনা দেওয়া হয় নি। তবে বেশ কয়েকটি বিদ্যালয়ে বেতন আদায়ের খবর পাচ্ছি। তবে বাধ্য করে কারো কাছ থেকে বেতন আদায় করা যাবে না বলে জানান তিনি। এখনও পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষার বিষয়ে কোন সিন্ধান্ত না হওয়ায় পরীক্ষা ফি আদায়ের কোন প্রশ্নেই আসে না।

রায়হান হত্যাঃ বিক্ষুব্ধ জনতা উত্তাল সিলেট প্রতিমধ্যে পুলিশি বাধা।


মোঃইবাদুর রহমান জাকিরঃ

পুলিশি নির্যাতনে’ যুবক আখলিয়ার রায়হান মৃত্যুর ৫ দিনেও উত্তাল ছিল সিলেট। একই দিন রাস্তা থেকে সাধারণ জনতাকে সরিয়ে দিতে গেলে উল্টো পুলিশকে ধাওয়া করে বিক্ষুব্ধ জনতা।

(১৫অক্টোবর) বৃহস্পতিবার বিকালে রায়হানের বাসার কাছে নেহারীপাড়ায় সিলেটে-সুনামগঞ্জ সড়কে জনতা টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেছে।

একই সময়ে সুবিদবাজারে ও দুপুরে আম্বরখানা পয়েন্টে ও শহীদ মিনারে, সন্ধ্যায় কোর্ট পয়েন্টে পৃথক প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানব অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনে বক্তরা অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের গ্রেফতার ও ফাঁসি দাবি করে বলেন, পুলিশ হেফাজতে কারো মৃত্যু কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না।

এর আগে দুপুরে নিহত রায়হানের মা সালমা বেগমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট লোকজন রেজিস্ট্রি মাঠ থেকে মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসক এম, কাজী এমদাদুল ইসলামের নিকট রায়হান হত্যাকারীদের বিচার ও দোষীদের গ্রেফতার দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছেন।

এদিকে বিকালে পাঠানটুলায় রাস্থা অবরোধ করলে পুলিশ তাদেরকে সরিয়ে দিতে গেলে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী পুলিশকে ধাওয়া করে।

অভিযোগ উঠেছে সিলেটে বন্দর বাজার ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনে মারা যান রায়হান।

নিহতের চাচা মো. হাবিবুল্লাহ জানান, ভোর রাত চারটার দিকে রায়হান একজন পুলিশ সদস্যের ফোন দিয়ে তার মায়ের মোবাইলে কল করে বলে, ‘আমারে বাঁচাও, ১০ হাজার টাকা লইয়া তাড়াতাড়ি ফাঁড়িতে আসেন। ’ এরপর পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিত হন রায়হানকে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।

মো. হাবিবুল্লাহর দাবি, কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদে ফজরের নামাজ পড়ে পাশের ফাঁড়িতে রায়হানের সন্ধানে গেলে ডিউটিরত কনস্টেবল তাকে জানান- ‘সবাই ঘুমে। সকালে আসেন। এ সময় ১০ হাজার টাকা নিয়ে তাকে ফাঁড়িতে যেতে বলা হয়।

নিহতের চাচা বলেন, পরে ৫ হাজার টাকা সংগ্রহ করে ফাঁড়িতে গেলে পুলিশ বলে রায়হান অসুস্থ। ওসমানী মেডিকেলে যান। এরপর মেডিকেল হাসপাতালের মর্গে এসে দেখেন রায়হানের লাশ। এই ঘটনায় নগরীতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

হাবিবুল্লাহ বলেন, রায়হানের পায়ের তলা ও হাঁটুর নিচসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার হাতের নখ উপড়ে ফেলা হয়েছে। ফাঁড়ির ভেতর ‘পুলিশ নির্যাতন’ করে তাকে হত্যা করেছে বলেও অভিযোগ তার।

এ ঘটনায় রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

এদিকে রায়হানের শরীরে অতিরিক্ত আঘাতের কারণেই মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. শামসুল ইসলাম। দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

ডা. শামসুল বলেন, রায়হানের শরীরে অনেকগুলো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাকে প্রচণ্ড মারধর করা হয়। এসব কারণেই তার মৃত্যু হতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে এ ব্যাপারে বিস্তারিত বলা যাবে।

বড়লেখায় উৎসর্গ ফাউন্ডেশনের বৃক্ষ রোপন ও পরিচিতি সভা অনুষ্টিত।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

উৎসর্গ ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার নব গঠিত কমিটির পরিচিতি সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন।
বৃহস্পতিবার(১৫অক্টোবর)বড়লেখা ডাক বাংলো প্রাঙ্গণে পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উৎসর্গ ফাউন্ডেশন বড়লেখা উপজেলা শাখার সভাপতি আবু হাসান রানার সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাকের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এমরান হোসেন,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক জুনেদ আহমদ,উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক মতিউর রহমান জাকের,বড়লেখা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সহ সভাপতি কামরুল হাসান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ সভাপতি আরিফুল ইসলাম আরিফ,মাসুদ আহমদ,ফারহান আহমদ সাইফ,আলী কাউছার, যুগ্মসাধারন সম্পাদক সজীব আহমদ,অনিবার্ণ দে,শেবুল আহমেদ,সালমান, আরিফুর রহমান,ফজলে রাব্বী,নিশাত, আহমদ সাকিল,সাইফুল ইসলাম, রুহুল,জুয়েল,শুভ,কামিল,মাসুম,নাহিদ,আরমান,ইমন,মাহফুজ,রুহান আলি,এপলু রহমান,আব্দুল্লা আল আমিন সহ প্রমুখ

পরিচিতি সভা শেষে সংগঠনের পক্ষ থেকে ফলজ গাছের চারা রোপন করা হয়।

বড়লেখায় টিলা কাটার দায়ে এক লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় ও দুইজন আটক।

মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধি:মৌলভীবাজারের বড়লেখায় অবৈধভাবে টিলা কেটে মাটি পরিবহনের দায়ে দুইজন ট্রাক ও ট্রাক্টর চালককে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। (১৫অক্টোবর)বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের করমপুর গ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত লায়লা নীরা।তারা হলেন ট্রাক চালক আব্দুল মুমিন ও ট্রাক্টর চালক তোফায়েল আহমদ। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের করমপুর গ্রামে প্রভাবশালীরা অবৈধভাবে প্রাকৃতিক টিলা কেটে মাটি বিক্রি করছিল। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত লায়লা নীরা পুলিশ নিয়ে সেখানে অভিযান চালান। এসময় টিলা কেটে মাটি পরিবহনের দায়ে ট্রাক চালক আব্দুল মুমিন ও ট্রাক্টর চালক তোফায়েল আহমদকে আটক করা হয়। পরে তাদেরকে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন-২০১০ অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে শাহবাজপুর তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রতন কুমার হালদার প্রমুখ সহায়তা করেন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত লায়লা নীরা অবৈধভাবে টিলা কাটার অপরাধে দুইজন পরিবহণ চালককে জরিমানা আদায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পরিবেশ রক্ষার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

হাফিজ মিছবাহ উদ্দিনের প্রবাস যাত্রা উপলক্ষে সম্মাননা স্বারক প্রদান “


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জের ভাদেশ্বর হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন এন্ড

হেল্পিং ফাউন্ডেশন অব ভাদেশ্বর হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ্ব হাফিজ মিছবাহ উদ্দিন সাহেবের আমেরিকা প্রবাস যাত্রা উপলক্ষে আজ বাদ জোহর ভাদেশ্বর হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসায় সম্মাননা স্বারক প্রদান করেন অত্র সংগঠনের সদস্যবৃন্দ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ভাদেশ্বর হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট আলহাজ্ব হাফিজ মাওঃ আব্দুল কাইয়্যুম,হাফিজ মাওঃআব্দুল বাসিত,হাফিজ মাওঃ রজব আলী,হাফিজ মাওঃ সাহাব উদ্দিন,

অত্র মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সদস্য তাহের আলী ও আতাউর রহমান,পাপলু আহমদ,স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন অফ হেল্পিং ফাউন্ডেশন অফ ভাদেশ্বর হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার সদস্য হাফিজ তানজিদ খাঁন নাইম,হাফিজ সায়েম আহমদ,হাফিজ নাহিদুর রহমান,হাফিজ সাহেদ আহমদ,হাফিজ সৈয়দ জাকারিয়া কিবরিয়া,হাফিজ জুনেদ আহমদ,হাফিজ নাহিদুল ইসলাম,হাফিজ হিমেল,হাফিজ সাহেদ আহমদ, সরওয়ার হোসেন এবং অত্র মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্রবৃন্দ প্রমূখ।

চান্দ্রগ্রাম তালামিযের এস.এস.সি. ও দাখিল উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা প্রদান।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

মৌলভীবাজারেে বড়লেখার চান্দগ্রামে বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার সাবেক কেন্দ্রিয় সভাপতি মাওঃ বেলাল আহমদ বলেছেন,”যারা মেধার স্বাক্ষর রেখে উত্তীর্ণ হয়েছেন তাদের জীবনে পূর্ণ সফলতা ও স্বার্থকতা অর্জন করতে হবে। জীবনের প্রতিটি ধাপে তারা সফলতার সাথে স্বার্থকতা অর্জন করতে হবে। আর জীবনে সফল ও স্বার্থক হতে উন্নত চরিত্রের বিকল্প নেই।
তিনি অদ্য (১৪ অক্টোবর)বুধবার বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া বড়লেখা উপজেলার চান্দগ্রাম আঞ্চলিক শাখা কর্তৃক আয়োজিত দাখিল ও এস.এস.সি. উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
এ ছাড়া প্রধান বক্তার বক্তব্যে এম.সি কলেজ তালামীযের সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা কামরুল ইসলাম বাবু বলেন, মা-বাবা, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে নিজেকে মুল্যবান একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। যার মাধ্যমে দুনিয়া আখিরাত সমৃদ্ধ হবে। আর এভাবে ভবিষ্যত সাজিয়ে তুলতে লক্ষ্য স্থির করেই এগিয়ে যেতে হবে।
আঞ্চলিক শাখার সভাপতি মোঃ নাহিদ হোসাইন এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুর রহমান অপু’র পরিচালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র ক্বোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন আঞ্চলিক শাখার সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক হাফিজ আব্দুল্লাহ, নাতে রাসুল পরিবেশন করেন মোঃ মুজিবুর রহমান, শানে ফুলতলী পরিবেশন করেন করেন অত্র শাখার সদস্য মঞ্জুর আহমদ, স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাংগঠনিক সম্পাদক ইশতিয়াক আহমদ ও সংবর্ধিত ছাত্র নাইম হোসেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা আল ইসলাহ’র সহ সভাপতি মাওঃ কাজী আব্দুর রহমান, চান্দগ্রাম ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা’র প্রাক্তন প্রভাষক মাওঃ নুরুল ইসলাম, ইউকে আল ইসলাহ’র সাবেক ওয়েলফেয়ার সেক্রেটারী মাওঃ সেলিম উদ্দিন, চান্দগ্রাম ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক প্রভাষক মাওঃ নুরুল ইসলাম, উপজেলা আল ইসলাহর প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওঃ মাহবুবুল আলম, চান্দগ্রাম মাদ্রাসার শিক্ষক মাওঃ সাইদুল ইসলাম, উপজেলা আল ইসলাহ’র শিক্ষা ও সাংস্কৃতি সম্পাদক মাওঃ জয়নুল ইসলাম, সৌদি আল ইসলাহ নেতা জনাব মাহমুদ হাসান, বড়লেখা উপজেলা তালামীযের সাধারণ সম্পাদক রুবেল হোসাইন, সাবেক সভাপতি শাহীন উদ্দিন, সহ সভাপতি মাওঃ জহুরুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা সিদ্দিকুর রহমান ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ ও চান্দগ্রাম আঞ্চলিক শাখার সাবেক বর্তমান নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে দাখিল/এসএসসি কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেষ্ট ও সনদপত্র তুলে দেয়া হয়।

পরিশেষে, মাওঃ নুরুল ইসলাম এর দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি হয়।

দেশীয় প্রজাতির উদ্ভিদ রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার-পরিবেশ মন্ত্রী মো: শাহাব উদ্দিন

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার বন, বনভূমি ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় বদ্ধপরিকর। এর অংশ হিসেবে সরকার বাংলাদেশে বিলুপ্তির সম্মুখীন উদ্ভিদ প্রজাতির রেড লিস্ট প্রস্ততকরণ এবং আগ্রাসী বিদেশী গাছের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দেশজ উদ্ভিদ প্রজাতি তথা বনজসম্পদ রক্ষার কৌশলগত ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি উদ্ভাবনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এটি বাস্তবায়িত হলে আমাদের এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তা করবে।

আজ ১৪ অক্টোবর বুধবার বন অধিদপ্তরে “বাংলাদেশের উদ্ভিদ প্রজাতির জাতীয় রেডলিস্ট প্রণয়ন এবং নির্বাচিত সংরক্ষিত বনাঞ্চলের বিদেশী আগ্রাসী উদ্ভিদ ব্যবস্থাপনার উদ্ভাবন’ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী এসব কথা বলেন। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এমপি, সচিব জনাব জিয়াউল হাসান এনডিসি, অতিরিক্ত সচিব আহমদ শামীম আল রাজী, বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়ামের পরিচালক পরিমল সিংহ, সুফল প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোঃ রকিবুল হাসান মুকুল, আইইউসিএন বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ রাকিবুল আমীন প্রমুখ কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন। সভাপতিত্ব করেন প্রধান বন সংরক্ষক মোঃ আমীর হোসেন চৌধুরী।

বন মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বন অধিদপ্তরের টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পের আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম ও আইইউসিএন বাংলাদেশ কর্তৃক গৃহীত প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশে ১০০০ উদ্ভিদ প্রজাতির রেড লিস্ট প্রণয়ন সম্পূর্ণ হলে আমরা উদ্ভিদ ও বন সংরক্ষণে একটি বড় ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবো। তিনি বলেন, আমরা এরই মধ্যে প্রায় ৪০ টির অধিক জাতীয় উদ্যান ও অভয়ারণ্য ঘোষণা করেছি যা বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বনায়ন সম্প্রসারণে বেসরকারী এবং ব্যক্তি উদ্যোগে রোপণকৃত বিদেশী উদ্ভিদ প্রজাতির একটি বড় অংশ দেশীয় উদ্ভিদের অস্তিত্বের জন্য বিপদজনক হয়ে দাড়িয়েছে।

মন্ত্রী জানান, এই প্রকল্পের একটি বড় কাজ হলো বিদেশী প্রজাতির উদ্ভিদ চিহ্নিতকরণ এবং আগ্রাসী উদ্ভিদ সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য ৫টি ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান প্রণয়ন করা।বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে সুফল প্রকল্পের আওতাধীন কর্মসূচিটির সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের বন ও পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে মর্মে মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এলক্ষ্যে তিনি সবাইকে সরকারের সাথে বন-বন্যপ্রাণি ও পরিবেশ রক্ষায় একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। দেশের জনগণ যার যার অবস্থান থেকে সাধ্যমত কাজ করার মাধ্যমে পরিবেশগত উন্নয়নে আমাদের দেশ পৃথিবীতে রোল মডেল হিসেবে স্থান করে নিবে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কর্মশালার ২য় পর্বে ‘বাংলাদেশের উদ্ভিদ প্রজাতির জাতীয় রেডলিস্ট প্রণয়ন’ এবং ‘ বিদেশী আগ্রাসী উদ্ভিদ ব্যবস্থাপনা কৌশলপত্র প্রণয়ন ‘ শীর্ষক দুটি কর্ম অধিবেশনে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

শাহবাজপুর বেরেঙ্গাপুঞ্জিতে অভিযান চালিয়ে দুই মাদকসেবীকে আটক।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে ২ মাদকসেবীকে আটক করেছে শাহবাজপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ। মঙ্গলবার ( ১৩ অক্টোবর) রাত পৌনে নয়টার দিকর ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের বেরেঙ্গা পানপুঞ্জি এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের উভয়কে ৬ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছে, সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার পৌর শ্রীধরা গ্রামের মৃত মকবুল আলীর ছেলে রুহুল আমিন জিবুল(৩১) ও একই উপজেলার লাউতা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাড়িয়াবহর গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে মাসুম আহমদ(৩৪)।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে , গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে শাহবাজপুর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের বেরেঙ্গা পানপুঞ্জি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন । অভিযানকালে মাদক সেবনরত অবস্থায় ২ জনকে আটক করে। এ সময় তাদের কাঁছ থেকে ৪’শ গ্রাম দেশীয় চোলাই মদ ও পাঁচ পুরিয়া গাঁজাসহ মাদকসেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাদের প্রত্যেককে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম আল ইমরান।

বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম আল ইমরান বিষয়টি মঙ্গলবার রাতে ৯টায় নিশ্চিত করে বলেন, আটককৃত ২ মাদক সেবীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৬ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে এবং জব্দকৃত মাদক ধ্বংস করা হয়েছে।

” রক্ষকরা আজ বক্ষকের ভুমিকায় অবতীর্ণ “-এম. এম আতিকুর রহমান।।

জাতি হিসেবে আমরা লজ্জিত! সরকার কি তাদের বেতন দেয়না, তাহলে কেন এতো টাকার প্রয়োজন??

মাত্র ১০ হাজার টাকা ঘুষ না পেয়ে সিলেট পুলিশ ফাঁড়িতে রাতভর নির্যাতন করে রায়হান নামের যুবকটিকে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ মৃতের পরিবারের। ভাবতেই চোখে জল আসে যে নিহত রায়হানের মাত্র ২ মাসের একটা শিশু সন্তান রয়েছে !
সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত কঠোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে চলছে আমজনতার বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ।

পবিত্র কুরআনের ফরমান ” তোমাদের কি হয়েছে? কেন তোমরা আল্লাহর পথে জিহাদ/ সংগ্রাম করছো না ! অথচ নির্যাতন পুরুষ নারী শিশু আবাল বৃদ্ধ বনিতা আর্তনাদ করে ফরিয়াদ করছে -হে আমাদের রব, জালিমদের অধ্যুষিত এ জনপদ থেকে আমাদেরকে উদ্ধার করো এবং আমাদের জন্য অলী/পৃষ্ঠপোষক ও সাহায্যকারী পাঠাও “।
সহি হাদিসে রাসুলুল্লাহ সাঃ এরশাদ ফরমান – “তোমরা মজলুমের বদদোয়া থেকে বেঁচে থাকো, কেননা মজলুম ব্যক্তি ও আল্লাহর মধ্যে পর্দা থাকে না”।
আমরা সত্য-সুন্দর ও মজলুমের পক্ষে। আল্লাহ তায়ালা জালিমের উপর মজলুমের বিজয় দান করুন।

লেখক ; এম. এম আতিকুর রহমান
সদস্য সচিব
বড়লেখা উপজেলা প্রেসক্লাব
মৌলভীবাজার।

বড়লেখায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন।

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

“মুজিব বর্ষের শপথ, সড়ক করবো নিরাপদ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২০ উপলক্ষে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) বড়লেখা উপজেলা শাখার মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

রবিবার (১১ অক্টোবর) বিকাল ৪ ঘটিকায় মৌলভীবাজারের বড়লেখা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিসচা উপজেলা আহ্বায়ক তাহমীদ ইশাদ রিপনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আইনুল ইসলামের সঞ্চলনায় স্টিকার ও লিফলেট বিলির মাধ্যমে মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বড়লেখা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নিসচা বড়লেখা’র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বড়লেখা উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব এম. এম আতিকুর রহমান, উপদেষ্টা সাংবাদিক সুলতান আহমদ খলিল।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহঃ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হান্নান, নিসচা বড়লেখার উপদেষ্টা ও ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আহাদ, ট্রাফিক সার্জন সাইদুল ইসলাম, আলভীন রেস্টুরেন্টের পরিচালক প্রভাষক তারেক আহমদ, হানিফ মোবাইল ও বিকাশ কাস্টমার কেয়ার সত্ত্বাধিকারী নাট্যকর্মী হানিফ পারভেস, বড়লেখা মানবসেবা সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম শুভ, সহ প্রচার সম্পাদক তুহিন আহমদ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নিসচা বড়লেখা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহমান, মার্জানুল ইসলাম মার্জান, কার্যকরী কমিটির সদস্য আব্দুল আজিজ, মাস্টার খালেদ আহমদ, মাওলানা মাছুম আহমদ, রমা কান্ত দাস, আলী হোসেন, রাকিবুল ইসলাম, ইশহাক আহমদ, ছাত্রনেতা আব্দুল্লাহ আল নোমান, জামাল উদ্দিন প্রমুখ।

উল্লেখ্যঃ জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) বড়লেখা উপজেলা শাখা জনসচেতনতামূলক স্টিকার লাগানো, ট্রাফিক ক্যাম্পেইন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, সকল সড়ক দ্রুত সংস্কারের দাবিতে স্মারকলিপি পেশ,
জনসচেতনতা’র লক্ষে চালক ও যাত্রীদের মধ্যে মাক্স বিতরণ, পরিবহন শ্রমিকদের সাথে মতবিনিময় সভা, ২২ অক্টোবর জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, নিসচা প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চনের সহধর্মিণী মরহুমা জাহানারা কাঞ্চনের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত নিহতদের জন্য দোয়া মাহফিল, বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ সড়কের পাশে জনসচেতনতা মূলক সাইনবোর্ড স্থাপন, সড়ক আইন সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রচারণা, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পরিবার’গুলোর সাথে সৌজন্যেমূলক সাক্ষাৎ ও সার্বিক খোঁজ-খবর রাখা সহ মাসব্যাপী নানাবিধ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

বড়লেখায় মহিলা আওয়ামীলীগের কর্মী সমাবেশ অনুষ্টিত।


নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ২নং দাসের বাজার ইউ/পিঃ (মহিলা) আওয়ামীলীগের উদ্দ্যোগে(১১অক্টোবর) রবিবার পশ্চিম শংকরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক মহিলা কর্মী সমাবেশের আয়োজন করা হয়,এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা (মহিলা) আওয়ামীলীগের সভাপতি মোছাঃজেবিন নাহার (জেলী)এছাড়া ইউ/পিঃ ও ওয়ার্ড মহিলা দায়িত্বশীলবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন, প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন,কোনো দেশ যখন বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়ে তখন প্রয়োজন হয় শক্ত, দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্বের। ১৯৭৫ সালে বড় ধরনের জাতীয় বিপর্যয়ের মুখে পড়ে নেতৃত্বের অভাবে দিশাহারা হয়ে পড়েছিল বাঙ্গালী জনগোষ্টি এবং এ বাংলাদেশ। এই দুঃসময়ে নেতৃত্বের এই অভাব পূরণ করেছেন বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।একটানা চার দশক মৃত্যুর সঙ্গে লড়ার সাহস দেখিয়ে তিনি আজ দেশের শক্তিশালী নেতৃত্বের অভাব পূরণ করেছেন।গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছেন। ছোট ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিশ্বের বিশাল পরিধিতে তিনি পরিচিত ও আলোচিত।বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত কে মজবুদ করার লক্ষে আমরা কাজ করে যাচ্ছি,আজ দেশ ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত,আসুন আমরা জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে লালন করি,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করি।জয় বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজ্ঞিবী হোক।বড়লেখায়(মহিলা)আওয়ামীলীগের কর্মী সমাবেশ অনুষ্টিত
নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ২নং দাসের বাজার ইউ/পিঃ (মহিলা) আওয়ামীলীগের উদ্দ্যোগে(১১অক্টোবর) রবিবার পশ্চিম শংকরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক মহিলা কর্মী সমাবেশের আয়োজন করা হয়,এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা (মহিলা) আওয়ামীলীগের সভাপতি মোছাঃজেবিন নাহার (জেলী)এছাড়া ইউ/পিঃ ও ওয়ার্ড মহিলা দায়িত্বশীলবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন, প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন,কোনো দেশ যখন বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়ে তখন প্রয়োজন হয় শক্ত, দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্বের। ১৯৭৫ সালে বড় ধরনের জাতীয় বিপর্যয়ের মুখে পড়ে নেতৃত্বের অভাবে দিশাহারা হয়ে পড়েছিল বাঙ্গালী জনগোষ্টি এবং এ বাংলাদেশ। এই দুঃসময়ে নেতৃত্বের এই অভাব পূরণ করেছেন বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।একটানা চার দশক মৃত্যুর সঙ্গে লড়ার সাহস দেখিয়ে তিনি আজ দেশের শক্তিশালী নেতৃত্বের অভাব পূরণ করেছেন।গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছেন। ছোট ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিশ্বের বিশাল পরিধিতে তিনি পরিচিত ও আলোচিত।বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত কে মজবুদ করার লক্ষে আমরা কাজ করে যাচ্ছি,আজ দেশ ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত,আসুন আমরা জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে লালন করি,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করি।জয় বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজ্ঞিবী হোক।

অপরাধীদের শাস্তি হবেই, কেউ রেহাই পাবে না- আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন এমপি


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন এমপি বলেছেন, আইন সংশোধন করে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইনমন্ত্রীকে নির্দেশনা দিয়েছেন।অপরাধীদের শাস্তি হবেই।কেউ রেহাই পাবে না। ধর্ষকদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। তাদের কেউ আশ্রয়-প্রশ্রয় দিবেন না। পক্ষ নিবেন না। সামাজিকভাবে বর্জনের পাশাপাশি পারিবারিকভাবেও বর্জন করতে হবে। কোনো বিবেকবান মা-বাবা, স্বজন এদের আশ্রয় দিতে পারেন না। জঘন্যতম এই অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণে রাখার একমাত্র পথই হচ্ছে এদের বর্জন করা।

রোববার দুপুরে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নের পাকশাইল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রের কাজ বাস্তবায়ন করছে।৩ কোটি ৪৮ লাখ ৫৬ হাজার টাকা ব্যায়ে।

বড়লেখা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউএনও মো. শামীম আল ইমরান। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত লায়লা নীরা, পৌরসভার মেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সুন্দর, ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার, উপাধ্যক্ষ একেএম হেলাল উদ্দিন, প্রফেসার (অব:) বিধান চন্দ্র দাস, ইউপি চেয়ারম্যান আহমেদ জুবায়ের লিটন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. উবায়েদ উল্লাহ খান।

সম্প্রতি বড়লেখায় তরুণী ধর্ষণ ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে পরিবেশমন্ত্রী আরো বলেন, ‘জঘন্যতম এ ঘটনায় জড়িত দু’জনকে পুলিশ কারাগারে পাঠিয়েছে। এদের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া দরকার। এমসি কলেজ হোষ্টেলে ধর্ষণের ঘটনায় সিলেটবাসীর মুখে কালিমা লেগেছে। মানুষ প্রতিবাদ করছে। ঢাকা থেকে পায়ে হেটে কয়েকজন যুবক সিলেট এসেছেন প্রতিবাদ জানাতে।

বিনা ভোটের সরকারের সন্ত্রাসী ধর্ষণের মহা উৎসব পালন করছেঃ অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান

মোঃইবাদুর রহমান জাকির বড়লেখা প্রতিনিধিঃ

দেশের বর্তমান পরিস্হিতির প্রতিবাদে বিএনপি কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসুচির অংশ হিসাবে (৮অক্টোবর) বিকালে বড়লেখার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন বিএনপি,যুবদল,ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে স্হানীয় ইউপি অফিসের সামনে অনুষ্টিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য ও বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান বলেন,” বিনা ভোটে নির্বাচিত এই অথর্ব সরকারের সার্বিক ব্যর্থতায় দেশ আজ একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিনত হতে চলেছে।নারী ও শিশু ধর্ষন পাক হানাদার বাহিনীকেও হার মানাচ্ছে।সার্বিক দিক বিবেচনায় বলা যায় দেশে ‘৭২-‘৭৪ এর পরিস্থিতি বিরাজ করছে,১২৮বছরের (এমসি) কলেজের সোনালী ইতিহাসকে কলংকিত করেছে,নোয়াখালী বেগমগঞ্জের বধুকে ধর্ষণ করেছে, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা তাই এখনি আমাদের এর বিরুদ্ধে সর্বাত্বক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।”
ইউনিয়ন বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাক তাপাদার কাননের সঞ্চালনায় অনুষ্টিত এই বিক্ষোভ সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক মখলিছুর রহমান,যুববিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম,যুবদল নেতা আলিম উদ্দিন,আদনান ওয়াহিদ মিশু, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক খায়রুল ইসলাম সবুজ,১নং সদস্য জুনেদ আহমদ,ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সি. যুগ্ম আহবায়ক শাহিন আহমদ প্রমূখ।

বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে উপস্হিত ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দিন জমির,সহ সভাপতি তফজ্জুল ইসলাম, আনোয়ার হুসেন,সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদির,ক্রীড়া সম্পাদক আব্দুল হাছিব,ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আব্দুস শুক্কুর, বড়লেখা ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য মাজহারুল ইসলাম,তারেক মুন্না, আতিকুর রহমান সহ বিপুল সংখ্যক নেতা কর্মী।

বড়লেখায় চা শ্রমিকের মধ্যে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ।


মোঃইবাদুর রহমান জাকিরঃ

মৌলভীবাজারের উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় বড়লেখার আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সমাজসেবা অধিদফতর কর্তৃক চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ১৮৭৯ জন চা শ্রমিকদের মধ্যে ৫,০০০ টাকা করে সর্বমোট ৯৩,৯৫,০০০ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

আজ ৮ অক্টোবর বিকেলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চেক বিতরণ এর উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ,বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আলহাজ্ব মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি। পৃথক আরেক অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসন, বড়লেখা কর্তৃক সরকারের বিভিন্ন সংস্থার অর্থায়নে গৃহহীন /দুঃস্থ/অসহায় ২৬২ টি পরিবারের জন্য বাস্তবায়িত ঘরের চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বড়লেখা মোঃ শামীম আল ইমরান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দুটি অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ, বড়লেখার চেয়ারম্যান সোয়েব আহমেদ, বড়লেখা পৌরসভার মেয়র আবুল ইমাম মোঃ কামরান চৌধুরী, উপজেলা পরিষদ, বড়লেখার সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম সুন্দর প্রমুখ। অনুষ্ঠান দুটি পরিচালনা করেন উপজেলা পরিষদ, বড়লেখার ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ তাজ উদ্দিন।

৭ মাস পর নির্বাচনী এলাকায় মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন হাজারো মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত।

মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

দীর্ঘ ৭ মাস পর মাননীয় বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন ফিরলেন নিজ নির্বাচনী এলাকায়। এনিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী এলাকার মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা বিরাজ করছে। করোনা আক্রান্ত হয়ে যখন হাসপাতালে ছিলে তখন এলাকার মানুষের মধ্যে বিরাজ করছিল ব্যাপক দুশ্চিন্তা। হাজার হাজার লোক আজ তাদের প্রিয় নেতাকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত। বরণ করে নিল ফুলেল শুভেচ্ছায়।

আজ মাননীয় মন্ত্রী সিলেটে এসে প্রয়াত মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান এর মাজার জিয়ারত করে নিজ এলাকায় ফিরলেন, দলমত নির্বিশেষে সকলের ভালবাসায় সিক্ত হলেন, নিজেও হলে পড়লেন ভীষন আবেগাপ্লুত।

মাননীয় মন্ত্রীকে বড়লেখা এবং বিয়ানীবাজার সীমান্তবর্তী সুনাই নদীর ব্রিজের আপামর জনসাধারণ ও নেতাকর্মী ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।এসময় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা চেয়ারম্যান সুয়েব আহমদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সুন্দর, উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা এবং জুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার গণ, বড়লেখা পৌর মেয়র আবু ইমাম কামরান চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ তাজ উদ্দীন, জুড়িও বড়লেখা উপজেলা অফিসার্স ইনচার্জ, উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দ।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ সহ হাজার হাজার সাধারণমানুষ। এসময় মন্ত্রীকে সর্বসাধারণের মানুষ সামাজিক দূরত্ব মেনে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।

মন্ত্রী পরবর্তীতে বড়লেখায় পৌঁছে প্রথমেই প্রথমেই উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রয়াত ও সহ-সভাপতি নিমার আলী ও ফয়েজ আলি এবং সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত আনোয়ার উদ্দিনের কবর জিয়ারত করার মাধ্যমে তাঁর কর্মসূচি শুরু করেন। মাননীয় মন্ত্রী উপস্থিত নেতাকর্মীরা এবং সাধারন মানুষের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি অসুস্থ থাকাকালীন সময়ে আপনার যেভাবে আমার জন্য দোয়া করেছেন আমি আপনাদের কাছে চির কৃতজ্ঞ হয়ে থাকব এবং আবার উনার জন্য দোয়া কামনা করেন।

বড়লেখার কালিকাবাড়ী চা বাগান থেকে ১৪ লিটার চোলাই মদসহ আটক২

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ১৪ লিটার চোলাই মদ ও মদ তৈরির বিভিন্ন উপকরণসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে শাহবাজপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ। ২৯ সেপ্টম্বর মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের কালিকাবাড়ি চা বাগান থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটকৃতরা হলেন- উপজেলার ৪নংউত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের কালিকাবাড়ি চা বাগানের বজ্রনাথ রবি দাসের পুত্র সন্তোস রবি দাস (৩৪) ও সায়পুর গ্রামের মনু মিয়ার পুত্র কাজল মিয়া (৫৫)।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শাহবাজপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে উপ-পরিদর্শক (এসআই) রতন কুমার হাওলাদার ও সহকারি উপ-পরিদর্শক (এএসআই) তাজুল ইসলামসহ একদল পুলিশ উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের কালিকাবাড়ি চা বাগানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করেন। এ সময় সন্তোস রবি দাসের বসত ঘর থেকে ১৪ লিটার চোলাই মদ এবং মদ তৈরির বিভিন্ন উপকরণ ও কাঁচামাল জব্দ করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শাহবাজপুর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে ১৪ লিটার চোলাই মদ ও মদ তৈরির বিভিন্ন উপকরণসহ দু’জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত সন্তোস রবি দাস দীর্ঘদিন থেকে তাঁর বসত ঘরে মদ তৈরি করে আসছিলেন। সেখানে বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদকসেবীরা মাদক সেবন করতে আসতেন। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আটককৃতদের বুধবার আদালতে প্রেরণ করা হবে।

এমসি কলেজে তরুনী ধর্ষন মালার প্রধান আসামী সাইফুর ছাতকে গ্রেফতার

মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধি:: সিলেট এমসি কলেজে স্বামীকে মারধর করে আটকে রেখে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামি সাইফুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে ছাতক থানা পুলিশ। আজ রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ছাতক খেয়াঘাটসংলগ্ন এলাকা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় ছাতক থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই হাবিবুর রহমান পিপিএম-এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে।
ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে সাইফুর রহমানকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরো তিনজনকে আসামি করে গতকাল শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরীর শাহপরান থানায় মামলা করেছিলেন ভুক্তভোগী তরুণীর স্বামী।
মামলার আসামিরা হলেন এম সাইফুর রহমান, মাহবুবুর রহমান রনি, তারেক, অর্জুন লঙ্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান। এদের মধ্যে চারজন ওই কলেজের শিক্ষার্থী। আসামিরা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।
ঘটনার পরই অভিযুক্তদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযানে নামে পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে পুলিশ অভিযুক্ত সাইফুরের কক্ষ থেকে একটি পাইপগান, চারটি রামদা, একটি ছুরি ও দুটি লোহার পাইপও উদ্ধার করে।
জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় স্বামী-স্ত্রী এমসি কলেজে বেড়াতে যান। এ সময় কলেজ ক্যাম্পাস থেকে ৫-৬ জন ছেলে জোরপূর্বক কলেজের ছাত্রাবাসে নিয়ে যায় দম্পতিকে। সেখানে একটি কক্ষে স্বামীকে আটকে রেখে তাঁর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে তারা। খবর পেয়ে ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে ভর্তি করে শাহপরাণ থানা পুলিশ।

ন্যাক্কারজনক পাশবিক এই ঘটনায় আমি ক্ষুব্ধ ও ব্যাথিত-নাদেল।

সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে শুক্রবার রাতে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক তরুণী। এ ঘটনায় ছাত্রলীগের ৬ নেতাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ছাত্রাবাসে ধর্ষণকান্ডে ক্ষোভে উত্তাল সিলেট। বিভিন্ন মহল থেকে ধর্ষকদের শাস্তির দাবি ওঠেছে।

ধর্ষণের সাথে জড়িত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের শাস্তি দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল। একইসঙ্গে এসব ছাত্রলীগ নেতাদের প্রশ্রয়দাতাদের চিহ্নিতেরও দাবি জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার এ বিষয়ে নিজের ফেসবুক একাউন্ট থেকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে শফিউল আলম নাদেল লেখেন-

শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রবাসে লোমহর্ষক ধর্ষণের ঘটনার নিন্দা জানানোর ভাষা নেই। ন্যাক্কারজনক পাশবিক এই ঘটনায় আমি ক্ষুব্ধ ও ব্যাথিত। খুব কষ্ট লাগছে যে, এম সি কলেজের পবিত্র ক্যাম্পাসে আমরা শিক্ষার্থী ছিলাম, সেই কলেজে এমন নির্মম জঘন্যতম অপরাধ সংগঠিত হলো।

যে ছাত্রলীগের মাধ্যমে আমরা সমাজ বদলের স্বপ্ন দেখতাম সেই ছাত্রলীগের নাম এই ঘটনায় জড়িয়ে পড়েছে। এমন নিষ্ঠুর, নৃশংসতা কোনো শুভবোধসম্পন্ন মানুষ মেনে নিতে পারে না। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। এমসি কলেজ বারবার কেনো অপরাধের জন্য শিরোনাম হচ্ছে। কারা এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাঙ্গনের আলোকিত ধারাকে কালিমা লেপন করছে তাও খোঁজা জরুরি। এমসি কলেজের ছাত্রাবাস পুড়িয়ে যারা উৎসব করেছিল তাদের শাস্তি নিশ্চিত করতে পারলে একই ছাত্রাবাসে এমন অপরাধ করার সাহস পেতো না এই দুর্বৃত্তরা। অভ্যন্তরিণ কোন্দলে যারা নিজের সহকর্মীদের যারা বিভিন্ন সময় খুন করেছে। তাদের শাস্তি হলে এই অপরাধীরা এমন বিকৃত চিন্তাও করতে পারতো না। কলংকজনক এ ঘটনায় আমি লজ্জিত, মর্মাহত। অপরাধীদের রাজনৈতিক দৃষ্টিকোন থেকে দেখার কোনো সুযোগ নেই। একটি বিষয় বোধগম্য হচ্ছে না, যেখানে কলেজের শ্রেণিকার্যক্রম বন্ধ। সেখানে গুটিকয়েক জনের জন্য ছাত্রাবাস খোলা থাকে কি করে? কলেজ প্রশাসন এর দায় এড়াতে পারেন না। ছাত্রাবাসে গৃহবধূ ধর্ষণের মতো বর্বরোচিত এ ঘটনায় যারা জড়িত তাদের সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। এসব নিকৃষ্ঠ অপরাধীদের পৃষ্ঠপোষক ও প্রশ্রয়দানকারীদেরও খুঁজে বের করতে হবে। পূণ্যভূমি সিলেটের ললাটে এমন ঘৃণ্য কালিমা যারা লেপন করেছে তাদের প্রতি তীব্র ঘৃণা। এই পৈশাচিক ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও দ্রুত শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানাচ্ছি। জয় হোক সুন্দরের। জয় হোক মানবতার।

এমসি কলেজের সাবেক তিন ছাত্র সংসদের দায়িত্বশীলের বিবৃতি।

আমরা ধর্ষকদের কলেজ থেকে স্হায়ী বহিষ্কার ও দৃষ্টান্ত স্হাপনে ট্রাইবুন্যালের মাধ্যমে বিচার নিশ্চিতের দাবী করছি ;-
সিলেট এমসি কলেজ ছাত্র সংসদের সর্বশেষ নির্বাচিত ভিপি আসাদুজ্জামান চৌধুরী পাপ্পু, জিএস ওমর মোহাম্মদ আশরাফ ইমন ও এজিএস মো. আব্দুস সহিদ খান ছাত্র সংসদের পক্ষে এক বিবৃতিতে কলেজ হুস্টেলে স্বামীকে নিয়ে বেড়াতে গিয়ে গনধর্ষনের স্বীকার হওয়ার ঘটনাকে শতবর্ষী এ কলেজের অর্জনের ইতিহাসের বিপরীতে সবচেয়ে কলঙ্কময় ঘটনা হিসাবে উল্লেখ করেছেন।বিবৃতিতে ছাত্র সংসদ কালবিলম্ব না করে কোনো ধরনের তদন্ত ছাড়া স্টাপ কাউন্সিলের সভা করে কিংবা অধ্যক্ষ তাঁর নির্বাহী ক্ষমতাবলে মিডিয়া দ্বারা চিহ্নিত ধর্ষকদের কলেজ থেকে স্হায়ীভাবে বহিষ্কার করার দাবী জানাচ্ছে। ছাত্র সংসদ চিহ্নিত ধর্ষকদের অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় এনে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী মহলের প্রতিও জোর দাবী জানাচ্ছে।ছাত্র সংসদ মনে করে ঐতিহ্যবাহী এ হুস্টেলে হঠাৎ করে এ ধরনের ঘঠনা ঘটতে পারে না, নিশ্চয় সংশ্লিষ্ট ব্লকের সুপার এবং হুস্টেলের ব্লকগুলোর সুপারদের নৈতিক ও শৃঙ্খলা রক্ষাজনিত ত্রুটি এর জন্য দায়ী, তাই তদন্তপূর্বক এই রহস্যও উদঘাঠন করা প্রয়োজন এবং তদন্তের স্বার্থে এবং নৈতিক প্রশ্নে সংশ্লিষ্ট হুস্টেল সুপারের পদত্যাগ এবং ঘটনার ব্যাখা প্রদান প্রয়োজন। ছাত্র সংসদ আরো মনে করে এই বিশাল কলেজের সার্বিক নিরাপত্তা বিধান এবং সংশ্লিষ্ট সকলের দায়িত্ব পালনের বিষয়টি মনিটরিং করা মাননীয় অধ্যক্ষের অন্যতম দায়িত্ব ;তাই সিলেটবাসী ও কলেজের সাবেক ও বর্তমান ছাত্র- ছাত্রী সৃষ্ট ঘটনায় স্যারের গৃহীত পদক্ষেপ সহ ব্যাখ্যা দাবী করছে।

বিজ্ঞপ্তি

গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দাবিতে এমসি কলেজ ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ

সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে জিম্মি করে স্ত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে এমসি কলেজ ছাত্রশিবির।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সাড়ে ৫ টার দিকে নগরীর শিবগঞ্জ এলাকায় বিক্ষোভ মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এমসি কলেজ ছাত্রশিবির সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা পূণ্যভূমি সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে জিম্মি করে স্ত্রীকে গণধর্ষণের মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে। এধরণের নৃশংস ও লোমহর্ষক ঘটনায় দেশবাসী আতঙ্কিত।

সমাবেশে তিনি বলেন, সরকারের প্রশ্রয়ে ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা ধর্ষণের মত ঘৃণ্য কাজ নির্বিঘ্নে করে যাচ্ছে। দেশের স্কুল, কলেজও আজ ছাত্রলীগের হাতে নিরাপদ নয়। এসময় তিনি গৃহবধু গণধর্ষণে জড়িতদের অবিলম্বের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান।

বিক্ষোভ মিছিলে এমসি কলেজ ছাত্রশিবির সেক্রেটারি শাহিন আহমদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। বিজ্ঞপ্তি

বড়লেখায় মাদ্রাসার ছাত্রদের মাঝে ইউনিফর্ম বিতরণ।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

শাহবাজপুর ব্লাড ডোনেট ক্লাবের সহযোগিতায় ও আমেরিকা প্রবাসী সুহেল আহমদ এর অর্থায়নে বড়লেখার শাহবাজপুর “দারুর রাশাদ লিডিং মাদ্রাসার” ছাত্রদের মাঝে ইউনিফর্ম (পাঞ্জাবী ও পায়জামা)উপহার হিসেবে বিতরণ করা হয়।

(২৬সেপ্টম্ভর)শনিবার,দুপুর ২ঘটিকায় দারুর রাশাদ মাদ্রাসায় এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।উক্ত অনুষ্ঠানে

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শাহবাজপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এস আই রতন হাওলাদার,
শাহবাজপুর দারুর রাশাদ লিডিং মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা মামুন আশরাফ,ইমাম মোয়াজ্জিম কল্যাণ পরিষদের সেক্রেটারি মাওলানা নুর ইসলাম খান,শাহবাজপুর রেলওয়ে জামে মসজিদের ইমাম মাও.নজরুল ইসলাম,মাওলানা আব্দুল্লা,সমাজসেবক সোলেমান হোসেন,ইমান উদ্দিন বলাই,
শাহবাজপুর ব্লাড ডোনেট ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তোয়াহিদুর রহমান টিপু,প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক মতিউর রহমান জাকের, ব্যবসায়ী আরিফ আহমদ,রিপন আহমদ,ছাত্রনেতা ছাব্বির আহমদ,শাহবাজপুর ব্লাড ডোনেট ক্লাবের সহ সভাপতি শামিম আহমদ,দায়িত্বশীল শারজাদ হোসেন শুভ, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক জাহিদ আহমদ,দেলোয়ার হোসেন, রিমন আহমদ,আব্দুল্লা আল আমিন সহ প্রমুখ।

অনুষ্টান শেষে প্রধান অতিথি আহমদ জুবায়ের লিটন ও শাহবাজপুর ব্লাড ডোনেট ক্লাবের সভাপতি তোয়াহিদুর রহমান টিপু,সম্পাদক মতিউর রহমান জাকের এর হাতে মাদ্রাসার পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্র বৃন্দ।

সিলেটের এমসি কলেজের হোস্টেল থেকে অস্ত্র উদ্ধার।


বিশেষ প্রতিনিধিঃ

সিলেট এমসি কলেজের হোস্টেলে এক তরুণীকে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুরের রুম থেকে দেশি-বিদেশি অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে পুলিশ বাদী হয়ে সাইফুরকে আসামি করে অস্ত্র আইনে এ মামলা দায়ের করে।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের শাহ পরাণ (রহ.) থানার ওসি শাহপরান আব্দুল কাইয়ুম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাত ২ টার দিকে হোস্টেলে অভিযান চালিয়ে দেশি-বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করে। অভিযানে একটি বিদেশি পিস্তল, চারটি রামদা, দুটি লোহার পাইপ উদ্ধার করা হয়।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে সিলেট এমসি কলেজের হোস্টেলে এক তরুণীকে গণধর্ষণ করেছে মহানগর ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। অভিযুক্ত এসব কর্মীরা সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক রণজিৎ সরকারের অনুসারী বলে জানা গেছে।

এদিকে তরুণীকে গণধর্ষণের ঘটনায় ৬ জনকে আসামি করে এসএমপির শাহপরাণ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নির্যাতিত ওই তরুণীর স্বামী মাইদুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

মামলার আসামীরা হলো- এমসি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর, শাহ রনি, অর্জুন, মাহফুজ, রবিউল ও তারেক।

সিলেটে স্বামীকে বেধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণ ও নির্যাতন করলো ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।


বিশেষ প্রতিনিধিঃ

সিলেট এমসি কলেজের হোস্টেলে এক তরুণীকে গণধর্ষণ করেছে মহানগর ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে নগরীর টিলাগড়ে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত এসব কর্মীরা সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক রণজিৎ সরকারের অনুসারী বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ধর্ষিত তরুণী তার স্বামীকে নিয়ে সিলেটের এমসি কলেজের ঘুরতে আসেন। ঘুরার এক পর্যায়ে রাত ৮ টার দিকে তরুণীর স্বামী সিগারেট খাওয়ার জন্য এমসি কলেজের গেইটের বাইরে বের হন। এসময় কয়েকজন যুবক তরুণীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যেতে চান। এতে তরুণীর স্বামী প্রতিবাদ করলে তাকে মারধোর শুরু করেন ছাত্রলীগের কর্মীরা। এক পর্যায়ে তরুণী ও তার স্বামীকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এমসি কলেজের হোস্টেলে নিয়ে যান। সেখানে স্বামীকে বেঁধে ছাত্রলীগের তিন-চারজন নেতাকর্মী তরুণীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন।

এসময় তাদের সাথে থাকা ৯০ টি মডেলের একটি কারও ছিনিয়ে নিয়ে যান ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে কারটি তাদের জিম্মায় নেয়। এবং তরুণীকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে প্রেরণ করে।

ঘটনার ব্যাপারে শ্রীকান্ত ছাত্রাবাসের হোস্টেল সুপার ও পলিটিক্যাল সায়েন্সের এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর জীবন কৃষ্ণ আচার্য্য বলেন, ঘট৫না শোনার পরপর ঘটনাস্থলে পুলিশ-র‌্যাব-৯ এর সদস্যরা উপস্থিত হয়েছিলেন। এরপর পুলিশ ধর্ষিত তরুণীর বক্তব্যে রেকর্ড করে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে প্রেরণ করে।

হোস্টেল বন্ধ হল অবস্থায় অভিযুক্তরা কিভাবে হোস্টেলে প্রবেশ করলো; এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আসলে হোস্টেল বন্ধ থাকলে আনঅফিসিয়ালি কিছু ছাত্র হোস্টেলে রয়ে গেছে। যারা টিউশনি করে এমন ছাত্ররা থাকে। তবে অভিযুক্তরা আমাদের কলেজের ছাত্ররা কি-না সেটা কালকে যাচাই-বাছাই করে জানাতে পারবো। আর আমাদের পক্ষ থেকে কি পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে এটিও শনিবার বলতে পারবো।’

এদিকে ঘটনার পরপর র‌্যাব-৯ সিলেটের এএসপি সামিউল আলম, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোহা. সোহেল রেজা পিপিএম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোহা. সোহেল রেজা পিপিএম জানান- রাত ৯টার দিকে তিন-চারজন মিলে এমসি কলেজ গেট থেকে ওই তরুণীকে ধরে নিয়ে যায়। এসময় তার স্বামী বাঁধা দিলে তাকেও মারধর করে তারা। পরে তাকে বালুচরস্থ কলেজ হোস্টেলে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে।

বড়লেখায়ঃ দক্ষিন দৌলতপুর যুব সমাজের উদ্দোগে আর্থিক সহযোগীতা প্রদান।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মৌলভী বাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার ৩নং নিজ বাহাদুরপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর (দক্ষিণ) যুব সমাজের উদ্যোগে(২৪শে সেপ্টম্বর),বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় স্হানীয় দক্ষিণ দৌলতপুর পান্জেগানা মসজিদের সামনে দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রামের অসচ্ছল, অসহায় হতদরিদ্র ৭০ জন মানুষের মাঝে নগদ অর্থ (৫০০টাকা) খামের ভিতর ভরে বিতরণ করা হয়।
দৌলতপুর (দক্ষিন) যুব সমাজের আহবায়ক ব্যবসায়ী আব্দুন নুরের সভাপতিত্বে যুগ্ম-আহবায়ক জামিল আহমদের পরিচালনায় নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রামের বিশিষ্ট মুরুব্বি ফারুক আহমেদ,মাসুক আহমদ,লন্ডন প্রবাসী হাজী মজির উদ্দিন মনু,মতছিন আলী,হাজী আজির উদ্দীন,সামছ উদ্দীন চুনু, তাজ উদ্দীন,আলমাছ আলী,দোয়াদ আলী,আব্দুশ শুকুর,হারুনুর রশিদ,সিরাজ উদ্দীন,ছায়াদ আলী,আলতাফ হোসেন,ইন্দ্র মোহন বিশ্বাস,বিরেন্দ্র বিশ্বাস,কাতার প্রবাসী জাবের আহমদ,জামিল আহমদ,কামরুল ইসলাম,সামছুদ্দোহা মন্জু,মারজান আহমদ,আব্দুল্লাহ, আমির আলী প্রমূখ।

দৌলতপুর(দক্ষিন)যুব সমাজের আহবায়ক ব্যবসায়ী আব্দুন নুর জানান আমাদের যে রকম সাহায্যের হাত নিয়ে অতীতে ছিলো,ভবিষ্যতে ও থাকবে ইনশাআল্লাহ। নগদ অর্থ সহ খাদ্য সামগ্রীয় বিতরণ সহ গ্রামের নানা উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে থাকবে অংশিধারিত্ব।

বড়লেখায় দুই ইউনিয়নের উপ নির্বাচনে৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা।


মোঃইবাদুর রহমান, জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দুইটি ইউনিয়নের দুইটি ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য পদে ৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বুধবার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রির্টানিং অফিসার সাদেকুর রহমানের কাছে তারা মনোনয়নপত্র জমা দেন। আগামী ২০ অক্টোবর দুইটি সাধারণ আসনের শূন্যপদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বড়লেখা সদর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের শূন্য ইউপি সদস্য পদে ৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন-আব্দুস ছালাম, আব্দুস সহীদ ও সজল দে।

অপরদিকে দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের শূন্য ইউপি সদস্য পদে ৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন-বেলাল আহমদ, জাফর ইকবাল, ময়নুল ইসলাম মনু ও শ্যামল রঞ্জন পাল।

বড়লেখায় ‘সিএনআরএস’ প্রকল্পের আওতায় ৯৪নারীদের মধ্য সেলাই মিশিন বিতরণ।


মোঃইবাদুর রহমান জাকিরঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় আয় বৃদ্ধিমূলক কাজের জন্য (২২সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার দুপুরে সেভ দ্যা চিলড্রেনের অর্থায়নে ও বেসরকারি সংস্থা সেন্টার ফর ন্যাচারাল রিসোর্স স্টাডিজের (সিএনআরএস) সূচনা প্রকল্পের ৯৪ জন উপকারভোগী দুস্থ মহিলা ও কিশোরীকে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।

উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুিষ্ঠত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরানের সভাপতিত্বে ও সূচনার প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী সৈয়দ আব্দুস সামাদের সঞ্চালনায় সেলাই মেশিন বিতরণের সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মুহাম্মদ তাজ উদ্দিন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা উবায়েদ উল্লাহ খান, সমাজসেবা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শামসুন্নাহার, সাংবাদিক আব্দুর রব, তপন কুমার দাস, ইউপি সদস্য হিফজুর রহমান প্রমুখ। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সুচনা প্রকল্পের সিনিয়র ম্যানেজার মাহবুব হাসান।

বড়লেখায় আওয়ামীলীগের তিন নেতার স্বরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌরসভার বাসিন্দা উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি নিমার আলী, ফৈয়াজ আলী ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিন স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পৌরসভা মিলনায়তনে বড়লেখা পৌর পরিষদ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে। দোয়া ও মিলাদ মাহফিল উপলক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন পৌরসভার মেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী। পৌরসভার কাউন্সিলর রেহান পারভেজ রিপনের উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সুন্দর,নিমার আলীর ভাতিজা উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন, ফৈয়াজ আলীর ভাতিজা আতাউর রহমান প্রমুখ। দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মনোয়ার হোসেন মাহমুদী। এ সময় উপজেলা আওয়ামীলীগ ও যুবলীগ নেতৃবৃন্দ, পৌরসভার কাউন্সিলর ও নাগরিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বড়লেখায় চোরাইকৃত কম্পিউটার- মুঠোফোনসহ ৫ চোর আটক।


বিশেষ প্রতিনিধিঃ

বড়লেখায় চোরাই কম্পিউটার- মুঠোফোনসহ ৫ চোর আটক করে পুলিশ।
রাতের আঁধারে একটি দোকানের তালা ভেঙে একটি কম্পিউটার, পাঁচটি মুঠোফোন ও নগদ কিছু টাকা নিয়ে গিয়েছিল চোরেরা। দোকান চুরির ঘটনায় দোকান মালিক দারস্থ হন পুলিশের। দোকান মালিকের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েই চোরদের গ্রেফতারে নামে পুলিশ। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে এক চোরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর একে একে আরও চার চোর ধরা পড়ে পুলিশের জালে। তাদের দেওয়া তথ্যে উদ্ধার করা হয়েছে কম্পিউটার ও পাঁচটি মুঠোফোন।

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় দোকানের তালা ভেঙে চুরি করে নিয়ে যাওয়া কম্পিউটার ও মুঠোফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় জড়িত পাঁচ চোরকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে তাদের উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন-উপজেলার ৭নং তালিমপুর ইউনিয়নের তালিমপুর গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে হালিমুর রশীদ হালিম (২০),৬নং বড়লেখা সদর ইউনিয়নের গঙ্গারজল গ্রামের শফিক উদ্দিনের ছেলে জহির আহমদ (২১), একই এলাকার আব্দুল খালিকের ছেলে সুজন আহমদ (২২), জফরপুর গ্রামের মৃত মনির আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম (৪০) ও ৩নং নিজবাহাদুরপুর ইউনিয়নের চান্দগ্রামের মৃত মখদ্দছ আলীর ছেলে সাইদুল ইসলাম (২২)।

পুলিশ ও লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার দিবাগত রাতে বড়লেখা ডিগ্রি কলেজ এলাকার উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদের মার্কেটের ব্যবসায়ী আশীষ চন্দ্র নাথের অন্নপূর্ণা এন্ড আঁখি ফটোস্ট্যাট ও কম্পিউটারের দোকানে চোর হানা দেয়। চোরেরা দোকানের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশে করে একটি ডেক্সটপ কম্পিউটার, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পাঁচটি মুঠোফোন ও ক্যাশবক্স ভেঙে নগদ ৪ হাজার ৮০০ টাকা নিয়ে যায়। পরদিন ১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ভোরে স্থানীয়রা দোকান মালিক আশীষ চন্দ্র নাথকে জানান তার দোকানের শার্টার খোলা। পরে তিনি দোকানে এসে দেখেন তার দোকানের তালা ভাঙা ও শার্টার খোলা। ভেতরে প্রবেশ করে দেখেন দোকানের একটি ডেক্সটপ কম্পিউটার, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পাঁচটি মুঠোফোন ও ক্যাশবক্স থাকা নগদ টাকা ৪ হাজার ৮০০ টাকা নেই। এই ঘটনায় তিনি ওইদিনই থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনাটি তদন্তে নামে পুলিশ। এরপরই গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বড়লেখা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুব্রত কুমার দাস ও সহকারি পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) কামাল হোসেন গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চুরির সঙ্গে জড়িত হালিমুর রশীদ হালিমকে গ্রেফতার করেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একে একে জহির আহমদ, সুজন আহমদ ও শফিকুল ইসলাম গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যমতে চুরি হওয়া কম্পিউটার ও মুঠোফোন চান্দগ্রাম বাজারের আরিয়ান টেলিকম থেকে উদ্ধার এবং দোকান মালিক সাইদুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।

বড়লেখা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুব্রত কুমার দাস শুক্রবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দোকান মালিকের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনাটি তদন্তে নেমে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হালিমকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একে একে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার চুরির কথা স্বীকার করে হালিমুর রশীদ হালিম ও জহির আহমদ আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দি শেষে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বড়লেখায় প্রবাসী মানবিক ঐক্য ফান্ডের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু।

সমছ উদ্দিন সৌদি থেকেঃ
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা বড়লেখার প্রবাসীদের কল্যাণে প্রবাসীদের নিয়ে সংগঠিত “বড়লেখা প্রবাসী মানবিক ঐক্য ফান্ড” নামে এক‌টি সমিতি কেন্দ্রিক সংগঠনের কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।

বড়লেখা উপজেলার সুপরিচিত সামাজিক সংগঠন বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান সৌদি আরব প্রবাসী জনাব মাহতাব আল মামুন এর উদ্যোগে মানবিক চিন্তাধারায় এই সংগঠন করা হয়।

প্রবাসীদের নিয়ে গঠিত সংগঠনের প্রতিষ্টাতা জনাব মাহতাব আল মামুনের কাছে সংগঠন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি দৈনিক বড়লেখাকে জানান শুধুমাত্র বড়লেখার কিছুসংখ্যক প্রবাসীদের কল্যাণের কথা চিন্তা করে এই প্রবাসী মানবিক ফান্ড তৈরি করার উদ্যোগ নিয়েছি।বিভিন্ন সময় দেখা যায় অনেক প্রবাসী দেশে যাওয়ার পর অর্থনৈতিক সমস্যার মধ্যে পড়েন। তাছাড়াও প্রবাসীরা সবার বিপদে সবসময় এগিয়ে আসলেও প্রবাসীদের বিপদে তেমন কাউকে এগিয়ে আসতে দেখা যায়না।এদের পিছনে আর্থিকভাবে সমর্থন দেয়ার মতো কাউকে পাওয়া যায় না। সাময়িক অসুবিধাগ্রস্ত সেই প্রবাসীদের সাহায্য করার চিন্তা থেকে এই সংগঠন তৈরি করা।

শুক্রবারে (১৮সেপ্টেম্বর২০) সংগঠনের এক বছরের জন্য কার্যকরী কমিটির দায়িত্বশীল সহ সকল সদস্যগণের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়।

নবগঠিত পরিচালনা পরিষদের পরামর্শক হিসেবে জনাব আব্দুল মালিক, জনাব মাসুম উদ্দিন, জনাব সামসুল ইসলাম (শিপন)কে নির্বাচিত করা হয়।

কার্যকরী পরিষদে রয়েছেনঃ

চেয়ারম্যান জনাব মাহতাব আল মামুন।
সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান জনাব শাহীন আহমেদ
মহাসচিব জনাব আবু হাসান
,যুগ্ম মহাসচিব জনাব শাহীন আহমেদ (জুনিয়র)।
আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জনাব কামাল আহমদ।
সহকারী আন্তর্জাতিক জনাব হোসাইন আহমেদ।
পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক জনাব জামিল আহমেদ।
সহকারী সম্পাদক ” জনাব আসফাক আহমেদ।
তথ্য বিষয়ক সম্পাদক জনাব ওলিউর রহমান লাল।
সহকারী জনাব জুবায়ের আহমেদ।
মিডিয়া বিষয়ক সম্পাদক জনাব আরমান জায়েদ।

এ ছাড়াও সংগঠনের প্রতিনিধি হিসেবে দেশে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন জনাব সিরাজুল ইসলাম শিরুল, জুবায়ের আহমেদ দিলশাদ।

তাছাড়া সদস্য হিসেবে আছেন, জনাব আব্দুল হক, আব্দুল জলিল, খছরুল আমীন, হাসান আহমেদ, আলী হোসেন, জয়নুল ইসলাম, জাহেদ হোসাইন, সাহেদ আহমেদ (সিনিয়র), সাহেদ আহমেদ( জুনিয়র), জুনেদ আহমেদ, জিয়াউর রহমান, মাহমুদুর রহমান, সতেজ আহমেদ, রায়হান আহমেদ, আমিনুল ইসলাম, আলী আহমেদ।

আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুতে বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রীর শোক প্রকাশ।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

হেফাজতে ইসলামের আমির, হাটহাজারী মাদ্রাসার দীর্ঘদিনের মহাপরিচালক আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আলহাজ্ব মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি।

আজ এক শোক বার্তায় পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমে-দ্বীন মওলানা আল্লামা আহমদ শফী দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি দেশের কওমী মাদ্রাসাগুলোর মধ্যে প্রাচীন ও বৃহত্তম চট্টগ্রামের হাটহাজারী দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার মহাপরিচালক হিসেবে কওমী মাদ্রাসাগুলোর নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশে ইসলামী শিক্ষার বিস্তার ও স্বীকৃতি অর্জনে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য। পরিবেশ মন্ত্রী আজ এক শোকবার্তায় মরহুমের বিদ্রেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

উল্লেখ্য, উপমহাদেশের বিখ্যাত আলেমে দ্বীন, বাংলাদেশের কওমি মাদ্রাসা সমূহের শীর্ষ সংগঠন আল হাইয়াতুল উলিয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া এর চেয়ারম্যান, বেফাকুল মাদারিস, বাংলাদেশের চেয়ারম্যান, আল-জামিয়াতুল আহলিয়া মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী, চট্টগ্রাম মাদ্রাসার সম্মানিত মহাপরিচালক আল্লামা শাহ আহমদ শফী আজ বিকেলে রাজধানী ঢাকার গেণ্ডারিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পাখিয়ারটিলা গ্রামে ১৯১৬ সালে জন্মগ্রহণকারী শাহ আহমদ শফী মৃত্যুকালে দুই ছেলে ও তিন মেয়ে ও অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

বড়লেখায় দুর্বার স্কাউট দলের নেতৃত্বে চতুর্থ দফায় সাবান ও মাস্ক বিতরণ।

নিজস্ব সংবাদ: দুর্বার মুক্ত স্কাউট দল বড়লেখার একটি চৌকস সামাজিক সংগঠন। করোনা সহ যাবতীয় সামাজিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তারা বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকে। করোনা মহামারী শুরু থেকেই তারা সাধারণ মানুষের পাশে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি নিয়ে এসেছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ ভাগ ও রতুলি বাজারে সাবান এবং মাস্ক বিতরণ কার্যক্রম করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব শামীম আল ইমরান এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিকশিক্ষা কর্মকর্তা হাওলাদার আজিজুল ইসলাম, পি আই ও ওবায়দুল্লা খান, শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান আহমেদ জুবায়ের লিটন, দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মইনুল ইসলাম, দক্ষিণ ভাগ উওর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এনাম উদ্দিন, তালিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিদ্যুৎ কান্ত দাস, পরিচালনা করেন মোহাম্মদ নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজিম উদ্দিন,পরবর্তীতে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাব মোঃ তাজউদ্দীন এর নেতৃত্বে উক্ত স্থানে মাস্ক বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। এসময় দক্ষিণভাগ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ আজির উদ্দিন ও রতুলি বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইদুল রহমান সাইদুল উপস্থিত ছিলেন।

বড়লেখায় মোবাইল কোর্টে ৮টি দোকানে ২৩,০০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায়র


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার,বড়লেখা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শামীম আল ইমরান ১৭সেপ্টেম্ভর বিকালে বড়লেখা পৌরসভার হাজীগঞ্জ বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের বাজার মনিটরিং করেন। এসময় মূল্য তালিকা না টানানো, এবং টানানো মূল্য তালিকা অস্পষ্ট ও প্রকাশ্য স্থানে না রাখা, অধিক মূল্যে দ্রব্য বিক্রি করা ইত্যাদি কারণে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আট টি মামলায় ২৩,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এস আই প্রভাকর রায়ের নেতৃত্বাধীন বড়লেখা থানা পুলিশ মোবাইল কোর্ট কে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করেন।

পানি ও ডিম সেদ্ধ করা শিখতে বাংলাদেশে আসছেন এক হাজার কর্মকর্তা

নিউজ ডেস্কঃ নোয়াল্যান্ডের এক হাজার সরকারি কর্মকর্তাকে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় অভিজ্ঞতা অর্জন করতে বাংলাদেশে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির শিশুশিক্ষা অধিদপ্তর। নোয়াল্যান্ডের পরিকল্পনা কমিশন এর অনুমোদনও দিয়েছে।

প্রকল্পটির পরিচালক ডেভিড নেকমট ‘একটু থামুন’কে বলেন, ‘আমরা আনন্দে দিশেহারা। ৫ বছরে এক হাজার কর্মকর্তাকে বাংলাদেশে পাঠানোর প্রস্তাবটি পাস হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে নোয়াল্যান্ডের কর্মকর্তারা পানি ও ডিম সেদ্ধ করা এবং তা শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা বিষয়ে ধারণা নিতে পারবেন। আর এ জন্য বাংলাদেশি প্রশিক্ষণ বিশেষভাবে প্রয়োজন ছিল।’

নোয়াল্যান্ডের শিশুশিক্ষা অধিদপ্তর বাংলাদেশ যাত্রার জন্য প্রাথমিকভাবে ১০ কোটি টলার (নোয়াল্যান্ডীয় মুদ্রা) পাবে। আর এই সেদ্ধ পানি ও ডিম বিতরণ কর্মসূচির জন্য মোট বরাদ্দের পরিমাণ ৩০ হাজার ১৫০ কোটি টলার।
নোয়াল্যান্ডের শিশুশিক্ষা অধিদপ্তর ও পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ সফরে এসে কর্মকর্তারা ট্যাপ থেকে পানি মজুত করা এবং বাজার থেকে ডিম কেনা শিখবেন। এ ছাড়া সেগুলো সেদ্ধ করার নিয়ম এবং বিতরণের উপায় সম্পর্কেও ধারণা নেবেন। এই সফরের সুযোগ পাবেন দেশটির শিশুশিক্ষা মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা কমিশন এবং বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন বিভাগের কর্মকর্তারা। নোয়াল্যান্ডের শিশুশিক্ষা অধিদপ্তর বাংলাদেশ যাত্রার জন্য প্রাথমিকভাবে ১০ কোটি টলার (নোয়াল্যান্ডীয় মুদ্রা) পাবে। আর এই সেদ্ধ পানি ও ডিম বিতরণ কর্মসূচির জন্য মোট বরাদ্দের পরিমাণ ৩০ হাজার ১৫০ কোটি টলার। এর আওতায় পাঁচ বছর ধরে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ শিক্ষার্থীকে পুষ্টিকর সেদ্ধ ডিম ও গরম পানি খেতে দেওয়া হবে। নোয়াল্যান্ডের ২০১টি অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা এই সুবিধা পাবে।

বেতের ভয় না দেখালে পোলাপান ডিম খাবে না। অথচ ডিম ওদের দরকার। ছেলেবেলায় ডিম খাইনি বলেই আজ আমি পোড়–খাওয়া বিরোধীদলীয় নেতা।
অ্যালেন কলিমউড, নোয়াল্যান্ডের বিরোধীদলীয় নেতা
তবে নোয়াল্যান্ডের বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেন কলিমউড প্রকল্পটির ব্যাপারে কিছুটা দ্বিমত প্রকাশ করেছেন। ‘একটু থামুন’কে তিনি বলেন, ‘আমি নিজে ছেলেবেলায় ডিম খেতে চাইতাম না। আমার ছেলেও এখন ডিম খায় না। নোয়াল্যান্ডে খুঁজলে এ রকম লাখ লাখ শিশু পাওয়া যাবে, যারা ডিমের নাম শুনলে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেবে। তাই আমার কথা হলো, আপনারা শুধু ডিম নয়, সঙ্গে চিকন জালি বেতও আমদানি করুন। শুনেছি, বাংলাদেশে সস্তায় উন্নত মানের বেত পাওয়া যায়। বেতের ভয় না দেখালে পোলাপান ডিম খাবে না। অথচ ডিম ওদের দরকার। ছেলেবেলায় ডিম খাইনি বলেই আজ আমি পোড়–খাওয়া বিরোধীদলীয় নেতা।’

বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেন কলিমউডের মতামত জানানো হলে প্রকল্প পরিচালক ডেভিড নেকমট বলেন, ‘ডিম কীভাবে খাওয়াতে হয়, তা শেখার জন্যই তো কর্মকর্তারা বাংলাদেশে যাচ্ছেন। সেখানে গিয়ে তাঁরা বেত নাকি জুজুর ভয় দেখিয়ে ডিম খাওয়ানো শিখে আসবেন, তা তো আমরা বলতে পারি না। তবে শুনেছি, বাংলাদেশে কাউকে কোনো কিছু গেলানোর মতো আন্তর্জাতিক মানের বিশেষজ্ঞ আছেন। তাঁদের ওপর আমাদের আস্থা আছে

বড়লেখা উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতার মৃত্যুতে উপজেলা চেয়ারম্যান’র শোকবার্তাঃ

বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বড়লেখা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জনাব মোঃ তাজ উদ্দিনের চাচা মোঃ নিমার আলীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন, বড়লেখা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব সোয়েব আহমদ।
তিনি এক শোকবার্তায় বলেন, নিমার আলী সাহেব একজন প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা ছিলেন, উনার মৃত্যুতে বড়লেখা আওয়ামী লীগ পরিবার শোকাহত। তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আদর্শের একজন একনিষ্ঠ অনুসারী ছিলেন। আওয়ামী লীগের জন্য উনার ত্যাগ, অবদান ভুলার মত নয়। স্থানীয় আওয়ামী লীগে তাঁর মতো একজন নিবেদিতপ্রাণ ও ত্যাগী নেতার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

সীমিত আকারে ওমরাহ হজ চালু করার সিদ্ধান্ত।

নিউজ ডেস্কঃ শীঘ্রই সৌদি আরবে সীমিত পরিসরে ওমরাহ হজ চালু করে দেয়া হবে। শুধুমাত্র সৌদি আরবে অবস্থানরত স্থানীয়দের ওমরাহ হজ পালনের সুযোগ দেয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি সরকার।

১৫ সেপ্টেম্বর থেকে প্রথম দফায় সৌদি আরবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হয়েছে অভ্যান্তরীন মন্ত্রণালয়, এবং সৌদি আরবে আন্তর্জাতিক ভ্রমনের সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা আগামী ১ জানুয়ারি, ২০২১ থেকে সম্পূর্ণ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। করোনাভাইরাসের বর্তমান পরিস্থিতির উন্নয়ন এর উপর ভিত্তি করে সৌদি আরবে ওমরাহ হজ পুনরায় চালু করার জন্য একটি পরিকল্পনা নেয়া হবে এবং ওমরাহ হজ আবার চালু করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয় এর একটি বিশ্বস্ত সূত্র।

তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দফায় সকল স্বাস্থ্যবিধি ও শর্ত এবং নিয়মাবলী মেনে সৌদি আরবে অবস্থানরত স্থানীয়রা ওমরাহ হজ করার সুযোগ পাবেন। হজের বিধিগুলো পালন করবার পূর্বে প্রত্যেক হাজিকে সাথে করে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট বহন করতে হবে। সৌদি আরবে অবস্থানরত স্থানীয় সৌদি নাগরিক এবং প্রবাসী, সকলেই অনুমতি পাওয়া সাপেক্ষে ওমরাহ হজ পালন করতে পারবেন।

ওমরাহ হজে স্থানীয়দের কি কি নিয়ম পালন করতে হবে সেগুলোর সাথে ওমরাহ হজ চালুর তারিখও ঘোষণা দেয়া হবে বলে জানিয়েছে সৌদি আরবের হজ এবং ওমরাহ মন্ত্রণালয়।

এছাড়াও একটি সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রণালয় এর পক্ষ থেকে একটি মোবাইল এপ লঞ্চ করা হবে, যাতে ওমরাহ হাজিদের প্রত্যেকের হজের বিধি ও আচার পালনের সময় নির্দিষ্ট করা হবে এবং জানিয়ে দেয়া হবে। এছাড়াও শর্তসাপেক্ষে প্রত্যেক হাজিকে হজ এর পারমিট প্রদান করা হবে, এবং পারমিট পাওয়া সাপেক্ষেই নির্ধারিত সময়ে হাজিরা নিজ নিজ হজ এর আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে পারবেন।

বড়লেখায় ক্যান্সার আক্রান্ত এবাদের পাশে; বহির্বিশ্ব জাতীয়তাবাদী ফোরাম”


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৫নং দক্ষিন শাহবাজপুর ইউনিয়নের তারাদরম গ্রামে বিএনপি পরিবারের সদস্য মরণ ব্যাধি ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত এবাদুর রহমানের চিকিৎসার জন্য ফোরামের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা ৭০,০০০/= টাকা প্রদান করা হয়েছে।(১৪সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪ ঘটিকার সময় রোগীর বাড়ীতে তার পাশাপাশি আরো চারটা পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
এসময় বহির্বিশ্ব জাতীয়তাবাদী ফোরাম বড়লেখার আমন্ত্রণে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা পৌর বিএনপির সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান, পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধাররন সম্পাদক আতাউর রহমান শহীদ, যুগ্ন- সম্পাদক জালাল আহমদ তালাল,মীর শামিমুর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক হাজী সেলিম, উপজেলা মহিলা দল নেত্রী আমিনা বেগম ডলি, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনিস আহমেদ, বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান হেলাল, সাবেক যুবদল সভাপতি শাহজাহান উদ্দিন, উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন যুবদল নেতা আলিম উদ্দিন, সেচ্ছাসেবক দল নেতা ফখরুল ইসলাম, যুবদল নেতা সাজ্জাদুর রহমান সুহেল, ছাত্র মজলিসের মৌলভীবাজার জেলা সাবেক সভাপতি মোঃ খায়রুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা শরিফ উদ্দিন, রুবেল হুসাইন, আব্দুল ফাত্তাহ, আমিনুল ইসলাম, নাহিদ আহমেদ, আব্দুল বাছিত প্রমুখ।
এছাড়াও অনুষ্টানে বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান হেলাল ও শাহজাহান উদ্দিন প্রত্যেকে ৫০০০।= টাকা করে এবাদের চিকিৎসা বাবত প্রদান করেন।

অবশেষে বাংলাদেশের সাথে সৌদি আরব ফ্লাইট চালু হচ্ছে।

আগামীকাল ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ মঙ্গলবার থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সংক্ষিপ্ত আকারে ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইট চালুর অনুমোদন দিয়েছে সৌদি সিভিল এভিয়েশন জেনারেল অথরিটি।

গত সপ্তাহে প্রকাশিত ২৫ টি দেশের নাগরিকগণ স্বাভাবিক ফ্লাইট চালু হওয়ার আগ পর্যন্ত এই সুবিধা পারবেন। তার মধ্যে বাংলাদেশের নাম রয়েছে! তবে অবশ্যই ৭টি নির্দেশনা মেনে যাত্রীদের যাতায়াত করতে হবে।

ডিসেম্বর নাগাদ করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ১জানুয়ারি ২০২১ থেকে বাকি সকল দেশের নাগরিকগণ সৌদি থেকে এবং সৌদিতে প্রবেশ করতে পারবেন।

বাংলাদেশ থেকে যারা নতুন আসবেন অবশ্যই আপনার স্পন্সরের বিষয়ে সঠিক তথ্য জেনে তারপরে আসবেন কারণ বর্তমানে এখানকার পরিস্থিতি অত্যন্ত শোচনীয়। দালালের মধুর কথায় কান দেবেন না।

বিয়ানীবাজারের ক্রীড়াঙ্গনের সবার প্রিয় মূখ কাওছার আর নেই।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

সিলেট বিয়ানীবাজারের ক্রীড়াঙ্গনের সবার প্রিয়মূখ ‘ক্রিকেট পাগল কাওছার’ নামে সুপরিচিত মো. কাওছার আহমদ আর নেই। রোববার রাত ১২টার দিকে পৌর শহরের শ্রীধরা গ্রামের তার নিজ বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন)।

ক্রিকেটপাগল কাওছারের মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া পড়েছে বিয়ানীবাজার উপজেলা সহ স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে। তার মৃত্যুর সংবাদ চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই দেশ – বিদেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কাওছারকে ঘিরে পুরনো স্মৃতি রোমন্থন করে আবেগ অাপ্লুত হয়ে পোস্ট প্রকাশ করছেন কাওছার কে দেখা যেতো মিছিলে আগের সারিতে আবার কখনো দেখা যেতো খেলার দর্শক গ্যালারীতে।

বড়লেখা আওয়ামীলীগের সাধারণ সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিনের ইন্তেকাল

বড়লেখা উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিন ইন্তেকাল করিয়াছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তিনি ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হাসপাতালে আজ (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ ঘটিকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

মরহুমের জানাজার নামাজ (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ ঘটিকার সময় বড়লেখা পৌরসভারপাখিয়ালা শাহী ঈদগাহ ময়দানে আনুষ্ঠিত হবে। এতে সকল মুসলমান ভাইদের জানাজার নামাজে শরিক হওয়ার জন্য আহবান করা হয়েছে।

আল্লাহ তায়া’লা যেন তাঁকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং তাঁর পরিবার পরিজন সহ সকলকে সবরে জামিল আতা ফরমান। আমিন।

বড়লেখায় ৭৫ জন শিক্ষক কর্মচারীর মধ্যে চেক বিতরণ

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

বড়লেখা উপজেলা প্রশাসন আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে করোনা ভাইরাসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত নন এমপিও কারিগরি, মাদ্রাসা ও স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদ্রসার শিক্ষক-কর্মচারীদের অনুকূলে অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়। এসময় ৭৫ জন শিক্ষক – কর্মচারীর অনুকূলে ৩,৪০,০০০ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শামীম আল ইমরানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমেদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিন সহ কর্মকর্তাবৃন্দ।

এছাড়াও আজ আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসন, বড়লেখার আয়োজনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ সহ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

বড়লেখায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি।

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখার কাঠালতলী ইউনিয়নের দক্ষিণ মুছেগুলের জুনাব আলীর বাড়িতে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

আজ ৮ সেপ্টেম্বর ভোর ০৫-৩০ মিনিটের সময় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুরো ঘর জ্বলে ছারখার হয়ে যায়। এতে ঘরের সোফা সেট, ফ্রিজ সহ যাবতীয় মালামাল ভস্মীভূত হয়ে আনুমানিক ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিক পর্যায়ে জানা গেছে। ভোরে আগুন লেগেই মুহুর্তের মধ্যে পুরো বাড়ীতে ছড়িয়ে নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যায়। খবর পেয়ে বড়লেখা ফায়ার সার্ভিসের লোকজন আসার পূর্বেই সবকিছু পুড়ে যায়। মর্মান্তিক এ ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও বাড়ি ঘর আসবাবপত্র সব পুড়ে গিয়ে ব্যাপকভাবে ক্ষয়ক্ষতিতে বাড়ীর মালিক বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।

পর্তুগালে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় বড়লেখার জামাল নিহত।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

পর্তুগালের স্পেন বর্ডার এর কাছাকাছি অবস্থিত ভিলা নোভা ডে সার্ভেইরা শহরে মোঃ জামাল উদ্দিন একটি শিপ-বিল্ডিং ফ্যাক্টরিতে কাজ করতেন, পর্তুগাল স্থানীয় সময় বৃহঃবার ভোর ৪ ঘটিকায় কাজ চলাকালীন সময়ে হঠাৎ করে উপর থেকে বড় লোহার একটি বক্স তার শরীরের ওপর পড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান দুর্ঘটনায় তিনি মর্মান্তিকভাবে ঘটনাস্থলে নিহত হন।তার লাশ স্থানীয় একটি হাসপাতালের হিমাঘরে রাখা হয়েছে।

নিহত মোহাম্মদ জামাল উদ্দিনের বাড়ি মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলায় ,৫নংদক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের কাইতাবন্দ গ্রামের মৃত তৈয়ব আলীর ছেলে। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে এবং এক মেয়ে সহ পর্তুগালের ৬বছর ধরে ভিয়েনা কাস্তেলো অঞ্চলে বসবাস করতেন ।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল মাত্র ৩৯ বছর, এই ক্ষণজন্মা সদালাপী, সুন্দর চরিত্রের অধিকারী মোহাম্মদ জামাল উদ্দিনের অকালমৃত্যুতে পরিবারসহ পর্তুগালে অবস্থিত বাংলাদেশ কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে আসে। প্রবাসীরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন এবং সার্বিক সহযোগিতা করছেন।

স্থানীয় ইউপি মেম্বার আনিছ আহমদ পর্তুগাল প্রবাসী জামাল উদ্দিনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তার মৃত্যুতে পর্তুগালের প্রবাসী, দেশে থাকা আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। লাশ দেশে আনার জন্য প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

বড়লেখায় টানা বৃষ্টিতে আকস্মিক বন্যা, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি


মোঃইবাদুর রহমান জাকির,বড়লেখাঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পৌরশহরে(২৯আগষ্ট)গত গভীর রাত থেকে টানা ৬-৮ঘন্টার ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢল থেকে নেমে আসা আকস্মিক বন্যাতে প্লাবিত হয়ে বড়লেখা শহরের বিভিন্ন বাসা,বাড়ি,দোকান পাট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো পানি ঢুকে পড়ে ব্যপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।উপজেলা পরিষদের আসপাশ সহ চান্দগ্রাম রোড, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন, মসজিদ , ক্লিনিক , পশু হাসপাতাল ,ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রাস্তা সহ উত্তর চৌমুহনী থেকে বড়লেখা সরকারি কলেজ পর্যন্ত পানিতে তলিয়ে যায়।

ব্যবসায়ীরা জানান, এই পানি’র কারণে আমাদের দোকানে’র অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, উনারা জানান বিগত দিনে পানি আরো বেশি থাকতো, কিন্তু এইবার খাল খনন করে দেওয়ার কারণে পানি তারাতাড়ি নেমে যাচ্ছে নিচের দিকে।
এদিকে শহরের পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থার থাকলেও নেমে যেতে পারছে না বৃষ্টির পানি। নিচু রাস্তার কোথাও হাঁটু, আবার কোথাও কোমর সমান পানিতে তলিয়ে গেছে।রাস্তায় পানি থাকায় চলাচল করতে পারছেনা যানবাহন। এসময় যাতায়ত কারিরা দূর্ভোগে পড়েন।প্রায় সারারাতর টানা বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে। পৌরশহরের বেশিরভাগ এলাকা পানিতে সয়লাব হয়ে যাওয়ায় চলাচলে সীমাহীন দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। শহরের অনেক এলাকায় দোকানপাট ও ব্যাবসায়ীদের গোদামে পানি ঢুকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এদিকে রোববার ভোরে প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করেন পৌর মেয়র আবু ইমাম মো. কামরান চৌধুরী।

পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী’র সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পরগনাহী দৌলতপুর সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার উদ্যোগে ও ফ্রান্স প্রবাসী এমদাদুল হকের সার্বিক সহযোগিতায়,(২৭ শে আগষ্ট) বৃহস্পতিবার বাদ যোহর মাদ্রাসা হল রুমে স্বাস্হ্য বিধি মেনে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ,হাফিজিয়া শাখার এতিম,অনাত ছাত্রদের উপস্হিতিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় বন,পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন এম,পি মহোদয়ের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয়। এতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সহকারী অধ্যাপক মোঃ মিছবাহ উদ্দীনের সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন বড়লেখা থানার অফিস ইন-চার্জ মোঃ জাহাঙ্গীর সরদার, বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত (তদন্ত) কর্মকর্তা রতন কুমার,৩নং নিজ বাহাদুর পুর ইউনিয়ের চেয়ারম্যান মোঃময়নুল হক(মাষ্টার), ৪ নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আহমদ জুবায়ের লিটন, ৫ নং দক্ষিন শাহবাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রাক্তন ছাত্র মোঃসাহাব উদ্দীন, শাহবাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ মোশাররফ হোসাইন, ইটাউরী মহিলা আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক হাফিজ সফর উদ্দীন, ইটাউরী হাজী ইউনুছ মিয়া মেমোঃ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুর রহিম, ইউ/পি সদস্য শামীম উদ্দীন, মাদ্রাসার আজীবন দাতা সদস্য ও দৌলতপুর ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সাবেক সেক্রেটারী মোঃমজির উদ্দিন (মনু), গভার্নিং বডির সদস্য এমরানুল হক (বাবু) গভার্নিং বডির সদস্য সাংবাদিক কাজী রমিজ উদ্দিন, শিক্ষক ফয়জুল হক, বিশিষ্ট মুরুব্বি হাজী আব্দুল আহাদ মানিক, হাজী আকবর হোসাইন, হাজী নজরুল ইসলাম, হাজী আব্দুস সামাদ,মোস্তাক আহমদ সাহেল তায়েফ আহমদ, শামছুদ্দুহা মনজু, মনসুর আহমদ প্রমুখ।

এ ছাড়া আরো উপস্হিত ছিলেন বড়লেখা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য দৈনিক ভোরের কাগজের প্রতিনিধি মিজানুর রহমান,দৈনিক যুগান্তর প্রতিনিধি আব্দুর রব,সময়চিত্রের সম্পাদক ফয়জুল হক শিমুল,বড়লেখা ডাকের বার্তা সম্পাদক তারেক মাহমুদ ও মোঃইবাদুর রহমান জাকির।

মন্ত্রী সহ অন্যান্য জাতীয় ও স্হানীয় মৃত নেতৃবৃন্দের রূহের মাগফিরাত কামনা ও জীবিত নেতৃবৃন্দের সুস্হ্যতা কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মোঃ মিছবাহ উদ্দীন।

অনুষ্টানে ফ্রান্স প্রবাসী তরুন সমাজসেবক এমদাদুল হক মাদ্রাসার সাধারন তহবিলে এক লক্ষ টাকা প্রদানের ঘোষনা করেন।অনুষ্টান শেষে ক্যাম্পাসে অতিথিবৃন্দ একটি ফলজ গাছের চারা রোপন করে বৃক্ষরোপনের উদ্বোধন করেন।

সি আর দত্তের মৃত্যু পরিবেশ মন্ত্রীর শোক প্রকাশ।

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মহান মুক্তিযোদ্ধর ৪ নং সেক্টর কমান্ডার মেজর জেনারেল (অব.) সি আর দত্ত বীর উত্তম এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মৌলভীবাজার ০১ বড়লেখা জুড়ী আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. শাহাব উদ্দিন। 

আজ ২৫ আগস্ট এক শোকবার্তায় মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে তাঁর বীরত্ব ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। মৌলভীবাজারে ক্যাম্প স্থাপন করে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে তিনি বীর বিক্রমে যুদ্ধ পরিচালনা করেন। বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) এর প্রতিষ্ঠাতা মহাপরিচালক হিসেবে দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় তিনি অসামান্য অবদান রেখেছেন। একাধিকবার মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকালে মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে তাঁর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। তাঁর মৃত্যুতে জাতি এক শ্রেষ্ঠ সন্তানকে হারাল। 

তিনি সি আর দত্তের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

বড়লেখায় হরিণের বিরল চামড়া উদ্ধার

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, মৌলভীবাজারের কাছে গোপন সূত্রে খবর ছিল বড়লেখা পৌরসভার একটি বাড়িতে হরিণের চামড়া সংরক্ষণ করা হয়েছে।

নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বড়লেখা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শামীম আল ইমরানের নেতৃত্বে আজ ২৩ আগস্ট বিকেলে বন বিভাগ ও বড়লেখা থানা পুলিশের সহায়তায় এক অভিযান চালিয়ে দুইটি মায়া হরিণের চামড়া উদ্ধার করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন সুত্র জানায়, এ ব্যাপারে বন বিভাগ থেকে নিয়মিত মামলা দায়েরের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

জুড়ীতে মন্দিরে চুরি পাঁচ আসামি গ্রেফতার

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের কুচাই চা বাগানের শ্রী দূর্গা মন্দিরে চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৫ জনকে জুড়ী থানা পুলিশ গ্রেফতার করে আজ ২৩শে আগষ্ট আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে।

জুড়ী থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ শে আগষ্ট রাতে হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দূর্গামন্দিরের তালা ভেঙে উপাসনালয়ের বেশ কিছু মালামাল চুরি হয়। ঘটনার পরদিন মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি জগজীবন নায়েক একটি অভিযোগ দায়ের করিলে গোপন সংবাদ পেয়ে উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে পাঁচ জনকে আটক করতে সক্ষম হয়। আটককৃতরা হলো পূর্ব জুড়ী ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামের রবাই মিয়ার পুত্র কামরুল ইসলাম (২৭) উত্তর জামকান্দি গ্রামের মৃত ইয়াছিন আলীর পুত্র শিপন আহমদ (২২) একই গ্রামের মৃত আং সাত্তারের পুত্র সোহেল মিয়া (২২) পূর্ব গোয়ালবাড়ী গ্রামের লাল মিয়ার পুত্র আং জলিল (৩০) এবং গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের রুপাছড়া গ্রামের আং হান্নানের পুত্র জসিম উদ্দিন (৩০)।
জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ সন্ঞ্জয় চক্রবর্তী বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামীদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আসামী সোহেল আহমদ এর বসতবাড়ি উত্তর জামকান্দি থেকে চোরাইকৃত কাসার কিছু মালামাল এবং তালা কাটার সাঁড়াশি জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীগণ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত মন্দিরের চুরির ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। আসামীদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

বিশ্বনাথে এম পি মোকাব্বির খানের গাড়িতে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন।

মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ সিলেট ২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগরের) আসনের এম পি মোকাব্বির খানের গাড়িতে গত ১০ আগস্ট উপজেলা আইন-শৃংখলা কমিটির মাসিক সভায় যোগদানের পথিমধ্যে হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও হামলাকারীদের গ্রেপ্তার দাবিতে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলাবাসীর ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচিটি পালন করা হয়।
শনিবার (২২আগষ্ট) সকাল ১১ঃ০০ ঘঠিকায় উপজেলা সদরের বাসিয়া ব্রিজে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, করোনাকালে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করে নিজেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে ছিলেন। এমন মানুষের উপর হামলা দুঃখজনক ও চরম নিন্দনীয়। তাছাড়া সেদিন ইউএনও’র আমন্ত্রনে ও পুলিশ প্রটৌকলে আইন-শৃংখলা কমিটির সভায় যোগদান করে ছিলেন এমপি মোকাব্বির খান। তবে সেদিন ইউএনও-পুলিশ এমপির নিরাপত্তা দিতে সেদিন সম্পূর্ণরুপে নিজেদের ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। দ্রুত হামলার সাথে জড়িত সন্ত্রাসী ও পরিকল্পনাকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টন্তা শাস্তি প্রদানের জন্য প্রশাসনসহ সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

জেলা গণফোরামের যুগ্ম আহবায়ক নিজাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সংগঠক হোসাইন আহমদ রাজনের পরিচালনায় কোরআন তেলাওয়াত করেন সাহেদ আহমেদ সিপু, মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন- মহানগর গণফোরামের আহবায়ক অ্যাডভোকেট এমদাদুল হক, সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন, জেলা গণফোরামের যুগ্ম আহবায়ক ডা. শাহ আজাদ আলী, বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা হাবিবুর রহমান, বিশ্বনাথ দারুল উলুম ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা নোমান আহমদ, বৈরাগী বাজার রেডরোজ সমাজ কল্যাণ সংস্থার সভাপতি মোশারফ আলী, গনফোরাম নেতা তোফায়েল আহমদ।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে উপস্হিত ছিলেন লামাকাজী ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার চমক আলী, আবুল কালাম, অলংকারী ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার সায়েকুর রহমান, বিশ্বনাথ পুরাণ বাজারের ব্যবসায়ী বিলকিছ মিয়া, সংগঠক আরব আলী, নেপুর মিয়া প্রমুখসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

বড়লেখায় মন্ত্রীর সুস্থতা কামনায় ইমাম মুয়াজ্জিন পরিষদের দোয়া মাহফিল

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা ইমাম মুয়াজ্জিন পরিষদের উদ্যোগে বড়লেখা-জুড়ীর সংসদ সদস্য পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন এর আশু সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান আজ ১৯ আগস্ট বড়লেখা পৌরসভার হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা সভাপতি বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা রুহুল আমিন এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব নগর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফিজ মাওলানা মনোয়ার হোসেন মাহমুদীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ,

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার মেয়র আবুল ইমাম মোঃ কামরান চৌধুরী, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল আহাদ, বড়লেখা হিফজুল কুরআন মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা খলিলুর রহমান, বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক এম. এম আতিকুর রহমান, সুড়িকান্দি মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ও মসজিদের ইমাম মাওলানা ওলিউর রহমান, পরিষদের সহ সভাপতি হাফিজ মাওলানা একরাম আলী, সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আবুল হাসান হাদী, পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ মাওলানা তৌয়বুর রহমান, অর্থ সম্পাদক মুখলিসুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা বদরুল ইসলাম, মাওলানা মুতাহিরুল ইসলাম প্রমুখ।

জুড়ীতে সিএনজিতে ১০০ লিটার মদসহ বড়লেখার যুবক আটক

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজার জুড়ীতে ১০০ লিটার চোলাই মদ ও একটি সিএনজি অটোরিকশাসহ কামরুল ইসলাম (২৬) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় উপজেলার ধামাই চা বাগানের ফাঁড়ি শিলঘাট এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়েছে।

আটককৃত কামরুল বড়লেখা উপজেলার গঙ্গারজল গ্রামের ফারুক উদ্দিনের পুত্র।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে জুড়ী থানার এসআই সুপ্রিয় নন্দী ও এসআই কামাল সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ওই এলাকায় অভিযান চালান। এ সময় তাঁরা সন্দেহবশত একটি সিএনজি অটোরিকশা আটক করেন। পরে সিএনজি অটোরিকশা তল্লাশি করে ১০০ লিটার চোলাই মদ পাওয়া যায়। পরে সিএনজি অটোরিকশাসহ কামরুলকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জুড়ী থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ বিষয়ে মাদক দ্রব্য আইনে মামলা হয়েছে।

প্রবাসী জনকল্যাণ পরিষদের অার্থিক সহায়তা প্রদান

মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার১ নংবর্ণি ইউনিয়নের ৯নংওয়ার্ডের বর্ণি “প্রবাসী জনকল্যাণ পরিষদ” এর পক্ষ থেকে উপজেলার২নংদাসের বাজার ইউনিয়নের সুড়িকান্দি (চুলুপাঁড়া)গ্রামের কৃতি সন্তান বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজের মেধাবী ছাত্র কিডনীরোগী জিন্নাতুল বাহার জাহেদ এর চিকিৎসার জন্য ৫০০০০/(পঞ্চাশ হাজার টাকা)আর্থিক সহয়তা তাঁর মা-বাবার হাতে প্রদান করা হয়েছে।এতে উপস্থিত ছিলেন,২নংদাসের বাজারের সাবেক চেয়ারম্যান মাহতাব উদ্দিন (মাতাই)১নংবর্নি ইউনিয়ন০৯ ওয়ার্ডের ইউঃপিঃসদস্য হাজী ছায়ফুজ্জামান ছরওয়ার ডাঃ শাহাব উদ্দিন, ডাঃ সুনাম উদ্দিন, বর্ণি প্রবাসী জন কল্যাণ পরিষদ এর সদস্য রুছিত আহমদ,আলী হোসেন (কুয়েত প্রবাসী)প্রমূখ।

জুড়ীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একজনের মৃত্যু

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়নের ফুলতলা বাজারে আজ ১৬ আগস্ট রবিবার দুপুরে টিনের ঘরে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একজনের মৃত্যু হয়।

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত ব্যক্তির নাম ওয়াহিদ উল্লাহ (৫০), পিতা হবিব উল্লাহ, গ্রাম বিরইনতলা।
ফুলতলা ইউনিয়ন পরিষদের স্থানীয় ইউপি সদস্য মারুফ আহমেদ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ওয়াহিদ উল্লাহর মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

জুড়ী থানার ওসি তদন্ত আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ফুলতলা ইউনিয়নের ফুলতলা বাজারের একটি টিনের ঘরে কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে ওয়াহিদুল্লাহর মৃত্যু ঘটে। এ ব্যাপারে তদন্ত করে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

বড়লেখায় খেলাফত মজলিসের নির্বাহী বৈঠক ও দোয়া মাহফিল

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা খেলাফত মজলিসের নির্বাহী পরিষদের এক জরুরী বৈঠক ও করোনা আক্রান্ত মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন এমপি সহ অসুস্থ দেশ-বিদেশের সকলের জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা সভাপতি কাজী মাওলানা এনামুল হকের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের মৌলভীবাজার জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল খালিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সাংবাদিক এম. এম আতিকুর রহমান।

উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা লুতফুল রহমানের পরিচালনায় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সৌদি আরব জেদ্দার সাবেক নেতা মাওলানা এখলাসুর রহমান, উপজেলা সহ সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা খায়রুল ইসলাম, সহ সাধারণ সম্পাদক ও সদর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ফয়সল আলম স্বপন, বায়তুলমাল সম্পাদক মাওলানা মনসুর আহমদ, নির্বাহী সদস্য ও দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের সভাপতি হাফিজ মাওলানা আব্দুর রহিম, ছাত্র মজলিসের উপজেলা সেক্রেটারি সুলতান আহমদ প্রমুখ।

সভায় করোনাকালিন অসুস্থ ও কর্মহীন গণমানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সেবার মানসেই সকলকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার উপর গুরুত্বারোপ করেন নেতৃবৃন্দ।
শেষে বড়লেখা-জুড়ীর সংসদ সদস্য পরিবেশ মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন সহ অসুস্থ দেশ-বিদেশের সকলের জন্য বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা লুতফুর রহমান।

বড়লেখায় জাতীয় শোক দিবসে নানান কর্মসূচী পালন

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী নানান কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে।

আজ ১৫ আগস্ট দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন সকাল দশটায় উপজেলা পরিষদ চত্তরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। 
এসময় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিন, সহকারি কমিশনার (ভূমি) নুসরাত লায়লা নীরা, থানার অফিসার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর সরদার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদীপ বিশ্বাস, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাওলাদার আজিজুল ইসলাম, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আশরাফুল আলম খান, কৃষি কর্মকর্তা দেবল সরকার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা উবায়েদ উল্লাহ­ খান, সমাজসেবা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। শেষে উপজেলা পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভা, অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও যুব ঋণ বিতরণ, বৃক্ষ রোপণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ। 
এদিকে
উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বাদ জুহর বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিন, উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সুন্দর, পৌর মেয়র আবুল ইমাম মোঃ কামরান চৌধুরী সহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্র লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মিলাদ ও দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন মাওলানা জাফরী ও মুড়াউল হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হাফিজ মাওলানা শফিক লুকুস।

এছাড়াও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল ও উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নানা কর্মসূচির মাধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করেছে। 
সভা সমুহে ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধু সহ শাহাদাত বরণকারীদের রুহের মাগফেরাত এবং পরিবেশ মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিনের আশু সুস্থতা কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়েছে।

কর্মহীন অসহায় মানুষের পাশে বিত্তবানদের দাঁড়াতে হবে – এম. এম আতিক

স্টাফ রিপোর্টার ঃ
কর্মহীন অসহায় মজলুম মানুষের নিরব আর্তনাদে সমাজ ও পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে। করোনাকালীন প্রবাসী, ব্যবসায়ীসহ কর্মহীন হয়ে গেছে অনেক পরিবার। তাই অসহায় গণমানুষের পাশে বিত্তবানদের দাঁড়াতেই হবে।

মৌলভীবাজারের বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটির উদ্যোগে আজ ১৫ আগষ্ট পড়ন্ত বিকেলে শহরের ষাটমা স্কুল প্রাঙ্গণে গরিব অসহায় পরিবারের মাঝে বিশুদ্ধ পানির জন্য টিউবওয়েল বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে সাংবাদিক এম. এম আতিকুর রহমান উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

সোসাইটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সিরাজুল ইসলাম শিরুলের সভাপতিত্বে এবং সহ সাধারণ সম্পাদক ফাহাদ আহমদ ফাহিমের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন সোসাইটির প্রধান উপদেষ্টা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আহাদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক এডভোকেট আফজাল হোসেন।
প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সাংবাদিক,কলামিস্ট ও সমাজ সেবক এম. এম আতিকুর রহমান।

উপস্থিত ছিলেন সোসাইটির স্থায়ী কমিটির প্রধান সমন্ময়কারী মুহাম্মদ খায়রুল ইসলাম, স্থায়ী কমিটির সদস্য রিপন আহমদ, সিনিয়র সদস্য আমিনুল বাবলু, জামিল আহমদ, প্রচার সম্পাদক আব্দুল হালিম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ আব্দুস সামাদ, তরুণ কবি খন্দকার সাহেদ হাসান, ইমরান আহমদ, মুহাম্মদ জুবায়ের আহমদ, জয়দুল ইসলাম, হামিদা বেগম ঝুমা প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ও পরিবেশ মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন এমপির সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে দোয়া পরিচালনা করেন স্থায়ী কমিটির প্রধান সমন্ময়ক মুহাম্মদ খায়রুল ইসলাম।

প্রবাসী ভয়েসের ভার্চুয়াল কনফারেন্সে শোক ও দোয়া অনুষ্ঠিত

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড প্রবাসীদের অরাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠন প্রবাসী ভয়েস এর ডাকে শুক্রবার এক ভার্চুয়াল ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।

মৌলভীবাজারের কুলাউরার কৃতি সন্তান আমেরিকা প্রবাসী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট উবায়েদ আনসারির সভাপতিত্বে এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট রাহমাত মাও এর পরিচালনায় শুরুতে পবিত্র কুরআনে পাক থেকে তেলাওয়াত করেন গ্রিসের এথেন্স প্রতিনিধি আলি হোসাইন হেলাল।

দুই সেশনের অধিবেশনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন শহর থেকে প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করেন। এর অন্যতম হলেন মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক ভিপি ও সমগ্র সৌদি আরবের সমন্বয়ক বিশিষ্ট আলোচক ও স্কলার হাফিজ ইমদাদুল্লাহ আনসারি, আমেরিকার নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি জাছিমুল হক, ইউ এ ই- দুবাই প্রতিনিধি আহমেদ সুহেল, কাতার প্রতিনিধি এম ডি জালাল উদ্দিন, শারজাহ প্রতিনিধি এস কে সরওয়ার খান, মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক এম এনালাইসিস আহমেদ সুমন, ইতালির আনকোনা প্রতিনিধি মামুন হোসাইন, আজমান প্রতিনিধি ফরহাদ বখত্ সৌদি আরব জেদ্দা প্রতিনিধি সাইদুর রহমান, গ্রিসের এথেন্স প্রতিনিধি আলী হোসাইন হেলাল, বাহরাইন প্রতিনিধি রায়হান আহমেদ, মাল্টা প্রতিনিধি জুমেল চৌধুরী,
সৌদি আরব আল গাছিম প্রতিনিধি মহরম আলী, কাতার শাহনিয়া প্রতিনিধি খোরশেদ আলম খোকন, লন্ডন প্রতিনিধি মাহমুদ আল মারজান, মধ্য আমেরিকার দেশ বেলিজ প্রতিনিধি আহমেদ হোসাইন,
সহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, করোনাকালীন সময়ে বাংলাদেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের কর্মস্থলে ফিরতে টেস্ট রিপোর্ট নিয়ে যে হয়রানি ও ম্যাসাকার হচ্ছে এসব খুবই অনৈতিক ও গর্হিত কাজ, যা দেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের মনোবল ব্যাপক ভাবে ব্যহত করছে, তাই এসব কর্মকান্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়, এবং সরকারের কাছে সমস্ত হয়রানি থেকে প্রতিকারের জন্য অনতিবিলম্বে আরো আন্তরিক ও ক্ষতিগ্রস্থদের দ্রুত সহযোগিতার দাবী জানান।

সভায় বিশ্ব নেতৃবৃন্দগণ বৈরুত ব্লাস্ট ও করোনায় অকালে ঝরে যাওয়া রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন।
সেই সাথে বিশ্বব্যাপি প্রবাসীদের নিয়ে ভিডিওগ্রাফি -ফটোগ্রাফি এবং সাধারণ জ্ঞান বিষয়ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা ও প্রাইজ-সার্টিফিকেট প্রদান এবং স্পন্সরের মাধ্যমে প্রবাসীদের ব্যবসা বাণিজ্যকে প্রমোট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভাপতির বক্তব্যে উবায়েদ আনসারি বলেন, টেকনোলজি যেহেতু বিশ্বে বিপ্লব ঘঠাচ্ছে সেহেতু আমাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতির লক্ষ্যে জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে সে বিপ্লবের সহযোগি হতে হবে, তিনি আশা করেন প্রবাসীরা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের মেধার পরিচিতি বিশ্বময় তুলে ধরবেন এবং প্রবাসে অবস্থানরত নিজেদের ছেলে মেয়েদের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করানোর মাধ্যমে কমিউনিটির সাথে পরিচয় করাবেন, যাতে প্রবাসে বাঙালিদের ভীত আরো মজবুত হয়।

পরিশেষে বঙ্গবন্ধুর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে শোক এবং দেশ বিদেশের সকলের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি হয়।

বড়লেখায় পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রীর জন্য দোয়া মাহফিল

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী করোনা আক্রান্ত আলহাজ্ব মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি মহোদয়ের আশু রোগমুক্তি কামনা করে দোয়া ও প্রার্থনা করা হয়েছে।

উপজেলা পরিষদ হলরুমে আজ বিকেলে অনুষ্ঠিত মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, উপজেলা নির্বাহি অফিসার শামীম আল ইমরান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাব তাজ উদ্দিন, বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম সরদার, বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রত্নদ্বীপ বিশ্বাস, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগম হাসনা, উপজেলার সকল দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ।

“জাগিয়ে দেরে চমক মেরে’ আছে যারা অর্দ্ধচেতন”

অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খানঃ

মানুষের অসিম শক্তি ও সম্ভাবনাকে সবসময় শৃঙ্খলিত ও পঙ্গু করে রাখে সংস্কার ও ভ্রান্ত বিশ্বাস।অনন্ত সম্ভাবনা নিয়ে জন্মগ্রহণ করা সত্বেও পারিবারিক,সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পরিমন্ডলে প্রচলিত ধারনার শৃঙ্খলে সে ক্রমান্বয়ে বন্দি হয়ে পড়ে। পরিবেশ যা তাকে ভাবতে শেখায় সে তা-ই ভাবে।যে হতে পারতো যুগ শ্রস্টা বিজ্ঞানী,হতে পারতো শতাব্দির অভিযাত্রী,অমর কথাশিল্পী,হতে পারতো মহান নেতা বা বিপ্লবী,হতে পারতো আত্বজয়ী বীর বা ধর্মবেত্তা,সেই মানব শিশুই ভ্রান্ত ধারনায় বন্দি হয়ে পরিনত হয় কর্মবিমুখ হতাশ ব্যর্থ কাপুরুষ। এ ব্যর্থতার কারণ মেধা বা সামর্থের অভাব নয়,এ ব্যর্থতার কারণ মনোজাগতিক শিকল।সেই মনোজাগতিক শিকল হতে মুক্তবুদ্ধি চর্চার মাধ্যমে যারাই মুক্ত হতে পেরেছে তাদের মধ্যেই আমরা দেখতে পাই মানবিকতার উত্থান।

।আজকের এই দিনে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের এরকমই একজন মুক্তবুদ্ধির বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর হত্যা দিবস। ১৮৮৯ সালের ৩ ডিসেম্বর ভারতের মেদিনীপুর জেলায় যার জন্ম।বাবা ত্রৈলক্যানাথ।মা লক্ষী দেবী।ক্ষুদিরাম মেদিনীপুর হ্যামিলটন কলেজিয়েট স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখা পড়া করেন।দেশ মাতৃকাকে ব্রিটিশদের হাত থেকে রক্ষার জন্য তিনি ১৯০৩ সালে গুপ্ত সমিতিতে যোগ দেন।

মেদিনীপুর মারাঠা কেল্লার প্রবেশদ্বারে দাঁড়িয়ে ক্ষুদিরাম বই হাতে বলছেন, ‘আসুন পড়ুন।দেশের দুর্দশার খবর জানুন।অত্যাচারী রাজশক্তির নির্মমতার নজির এই বই আপনাদের জন্য।হঠাৎ’ অ্যাই ক্যায়া করতা হায়।চুপ বই।’ একজন হাবিলদার ক্ষুদিরামের হাত চেঁপে ধরলো। শক্তি ও বয়সে তাঁর চেয়ে অনেক বেশী। তবুও ক্ষুদিরামের কাছে’ কুছ পরোয়া নেহি’।হাবিলদারের মুখের মধ্যে এক বক্সিং মেরে দিলেন সমুস্ত শক্তি দিয়ে!তৎক্ষনাৎ নাক ফেঠে রক্ত বেরুলো! সত্যেন বসু ঠিক ঐ সময়ে এসে হাজির হলেন।দেখলেন বিষয়টি।শান্তনা দিলেন হাবিলদারকে।ক্ষুদিরাম মুহুর্তের মধ্যে হাওয়া।কয়েকদিন আত্বীয়ের বাড়ীতে আত্বগোপনে রইলেন।তাতে কী আর একজন দেশপ্রেমিক শান্তিপায়? দেশজোড়া বিপ্লবের ঢেউ। হাজার হাজার ছেলে- মেয়ে জড়িয়ে আছে দেশ মাতৃকার কাজে।পুলিশের ভয়ে আর কতদিন পালিয়ে থাকা যায়।মনস্হির করলেন পুলিশের কাছে ধরা দিবেন!তাই আলীগঞ্জের তাঁতশালায় এসে ধরা দিলেন!পুলিশ অ্যাসল্ড ও নিষিদ্ধ বই বিলির অপরাধে ক্ষুদিরামের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা হলো।বাংলা সহ সারা ভারতবর্ষ এই প্রথম ক্ষুদিরামকে চিনলো।দাউ-দাউ করে জ্বলে উঠলো আন্দোলনের দাবানল।

ক্ষুদিরাম বসু হয়ে উঠলেো সারা ভারতবর্ষের একজন বিপ্লবীর নাম।যে নামটি শুনলেই চেতনার আয়নায় ভেসে উঠে একটি ফাঁসির দৃশ্য।যিনি ফাঁসির মঞ্চে হাসিমুখে মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছিলেন।জীবন বাঁচানোর লোভ দেখিয়েও যাকে মিথ্যা বলানো যায়নি।১৯০৮ সালের ৩০ এপ্রিল অত্যাচারী কিংসফোর্টোর গাড়ী লক্ষ্য করে তিনি বোমা নিক্ষেপ করেন।এজন্য ব্রিটিশ সরকার ১৯০৮ সালের ১১ আগষ্ট তাঁকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করে।চলে গেলেন বাংলার বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসু কিন্তু ‘ জাগিয়ে দিলেন চমক্ মেরে;আছে যারা অর্দ্ধ চেতনা’।

বড়লেখায় সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

“মুজিববর্ষের আহ্বান, লাগাই গাছ বাড়াই বন” প্রতিপাদ্য ধারণ করে সারা দেশে এক কোটি বৃক্ষের চারা রোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। পরিবেশ রক্ষায় প্রয়োজনের তুলনায় আমাদের দেশে বৃক্ষ অনেক কম। তাই সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর সরকারি-বেসরকারিভাবে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। সেই কর্মসূচীর অালোকে সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শুরু হয়েছে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী ২০২০।

“একটি গাছ একটি প্রাণ; আসুন গাছ লাগাই, প্রাণ বাঁচাই” – এই স্লোগানে সামাজিক যুগপ​ৎ আন্দোলনে সামাজিক মানবতাবাধী সংগঠন সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশনের “গড়ে তুলি আমাদের প্রিয় সবুজ বাংলাদেশ” কর্মসূচীর আওতায় গ্রামব্যাপী সহস্রাধিক বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের প্রথম ধাপের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু। প্রতিবারের মতো সকল ইতিবাচক সামাজিক আন্দোলনে গ্রামের তরুণদের পাশাপাশি এগিয়ে এসেছেন গণ্যমান্যরাও। গতকাল বড়লেখা উপজেলার ইটাউরী গ্রামের কমিউনিটি ক্লিনিক এর আঙিনায় বৃক্ষরোপণ এর মাধ্যমে এই কর্মসূচী উদ্বোধন করা হয়।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধনীতে অংশগ্রহণ করেন স্থানীয় ইউপি সদস্য সাজু আহমদ, উপজেলা স্বাস্থ্যকর্মী এমদাদুল হক শামীম, কমিউনিটি ক্লিনিক এর স্বাস্থ্যকর্মী করুণা সিধু পাল, আব্দুল হামিদ, আব্দুল আহাদ, ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা সৈয়দ মতিউর রহমান, আব্দুল জলিল ছটন, ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্টাতা সদস্য ও সমাজকর্মী সৈয়দ জিল্লুর রহমান, আব্দুল করিম, ক্বারী অব্দুল সামাদ, সৈয়দ জাকারিয়া, সৈয়দ এমরানুল হক, সৈয়দ শাকারিয়া, সৈয়দ আব্দুল হাকিম, ফরিদুল ইসলাম জাবরুল।

ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সৈয়দ মেহেদী রাসেল বলেন, “গড়ে তুলি আমাদের প্রিয় – সবুজ বাংলাদেশ” কর্মসূচীর আওতায় আমাদের ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর প্রথম ধাপ আমরা শুরু করেছি। এক হাজারেরও অধিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর এই প্রকল্প পর্যায়ক্রমে দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে ইনশাল্লাহ। সকলের প্রতি বিনীত আহবান আপনাদের নিজ আঙিনায় একটি করে হলে গাছ রোপণ করুন। এটি শুধুই পরিবেশকে রক্ষা করবে তাই নয় অদূর ভবিষ্যতে আপনার অর্থ আয়ের উৎস হয়ে উঠবে।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষ সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। সুস্থ্য জীবনের জন্য নির্মল বায়ু ও অক্সিজেন দান করে গাছ। এসব গাছ বড় হলে পরিবেশ ও প্রতিবেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি। আসুন গাছ লাগাই, প্রাণ বাঁচাই; গড়ে তুলি আমাদের প্রিয় – সবুজ বাংলাদেশ।

বড়লেখায় দূর্যোগ সহনীয় ঘর ও এইচবিবি প্রকল্পের আওতায় নির্মিত রাস্তার কাজ পরিদর্শন

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শামীম আল ইমরান আজ বিকেলে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে টি আর বরাদ্দ থেকে নির্মিত দূর্যোগ সহনীয় ঘর এবং এইচবিবি প্রকল্পের আওতায় নির্মিত রাস্তার কাজ পরিদর্শন করেন।

এসময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান ও নিজ বাহাদুরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ময়নুল হক উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ বড়লেখা উপজেলায় “গ্রামীণ দরিদ্র গৃহহীন জনগোষ্ঠীর জন্য দূর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ ” প্রকল্পের আওতায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রায় ৭২,০০,০০০ টাকা ব্যয়ে ২৪ টি সেমিপাকা ঘর এবং ” গ্রামীণ মাটির রাস্তাসমূহ টেকসইকরণের লক্ষ্যে হেরিং বোন্ড (এইচবিবি) করণ” প্রকল্পের আওতায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রায় ২,৭৪,০০,০০০ টাকা ব্যয়ে ৫ কিমি রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে।

বড়লেখার প্রচার বিমুখী এক আলোকিত মুখ আতাউর রহমান

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

যুগে যুগে কিছু মহৎপ্রাণ মানুষ আছেন, যারা আপন যোগ্যতায় ও মহিমায় জ্বলে থাকেন আকাশের ধ্রুবতারা হয়ে, একান্ত লোক চক্ষুর আড়ালে, নীরবে, নিভৃতে থাকেন। এদের মধ্যে নেই আমিত্বের অহমিকার বহিঃপ্রকাশ। নিতান্ত প্রচার বিমুখ মানুষগুলো থেকে যান মানুষের দৃষ্টিরেখার বাইরে।এমনই একজন প্রচার বিমুখ আলোকিত মানুষ আতাউর রহমান আতা (দাসের বাজার ইউনিয়নের বার বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শফিকুর রহমানের ছোটভাই এবং বড়লেখার ইতিহাসে সম্ভবতঃ প্রথম সিএসপি এম এ মজিদের আপন ভাতিজা)। বড়লেখার ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি বিদ্যাপীঠ এফআর মুহিউস সুন্নাহ মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটের সাবেক কাউন্সিল ফয়জুর রহমানের ছোট ভাই।

যিনি বিলেতের মাটিতে বৃহত্তর সিলেটের একজন গর্বিত সন্তান হিসেবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। বড়লেখাবাসীর গর্বের নাড়ীছেড়া ধন এই মানুষটি ১৯৫৮ সালে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার সুড়িকান্দি গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। স্কুল জীবনের পরেই ১৯৭০ সালে তিনি তার পরিবার পিতা- মাতার সাথে ব্রিটেনে পাড়ি জমান। তিনি ব্রিটেনের বিভিন্ন স্থানে বসবাস করেন- Yorkshire, London, Newcastle, Buckinghamshire, এবং Northumberland. শিক্ষা জীবন সমাপ্তির পর তিনি লন্ডনের Tower Hamlet এর সাথে সংযুক্ত হন এবং স্থানীয় সরকারের অধীন Social Service Department এ কাজ করেন। তিনি একই সাথে তার পেশাগত শিক্ষাও চালিয়ে যান এবং অক্সফোর্ড এর Ruskin কলেজ হতে Certificate in Qualified Social Work ( CQSW) সম্পন্ন করেন। সত্তরের দশকের শেষের দিকে তিনি গভীরভাবে জড়িয়ে পড়েন সামাজিক, রাজনৈতিক এবং লেবার পার্টির বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে। তখন তিনি বিভিন্ন সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বে চলে আসেন-যেমন Bangladesh Youth Organization,Tower Hamlets Association for Racist Equalities,Mitali Housing Association ইত্যাদি। একই সময়ে তিনি স্থানীয় লেবার পার্টির গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থেকে ১৯৯৪ ইং সনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। তখন লেবার পার্টি পূর্ব লন্ডনে ক্ষমতায় এলে তিনি দ্রুততার সাথে নেতৃত্বের পাদপ্রদীপে চলে আসেন এবং কেবিনেটের সদস্যপদ লাভ করেন। তিনি ফাইন্যান্স কমিটি এবং অডিট প্যানেলের সভাপতি মনোনীত হন (১৯৯৫-১৯৯৬) এ।
সোসাল সার্ভিস কমিটির সভাপতি মনোনীত হন (১৯৯৬-১৯৯৭) এ এছাড়াও Performance Management Working Party এর সভাপতি মনোনীত হন (১৯৯৭- ৯৮)তে অত্যন্ত সফলভাবে, (১৯৯৯-২০০০) এ কেবিনেট সদস্য হিসেবে ফাইন্যান্স ও অডিট প্যানেলে দায়িত্ব পালন করেন।(২০০০-২০০৩) এ কেবিনেট মেম্বার হিসেবে ও দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট সংস্থার সম্মুখ সারিতে থেকে নেতৃত্ব দানের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখেন।এগুলোর মধ্যে তিনি পরিচালক ছিলেন, Tinkerbel Trust (1996-1997) এ, পরিচালক Bethnal Green City Challenge company (1994-1995) এ পরিচালক Spitalfield Market. Community Trust (1994-1997) এ, পরিচালক Mile and Par Partnership 2000 (-2003) এ, পরিচালক কাচারাল ইন্ডাষ্ট্রিজ ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি – CIDA (2000-2003) এ, সভাপতি বৈশাখী মেলা (২০০০-২০০৩)এ, সভাপতি নজরুল সেন্টার শেডো বোর্ড(২০০০-২০০৩) এ।
ব্যক্তি জীবনে আতাউর রহমান বেগম হাসনা রহমানের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। মিসেস রহমানও একজন নিঃস্বার্থ সমাজকর্মী।

সর্বশেষ তিনি বড়লেখাবাসীর মানবসেবার অনন্য সংগঠন, বড়লেখা ফাউন্ডেশন ইউকে এর অভিভাবকের ভুমিকায় উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন। অত্যন্ত সদালাপী, নিরহংকার, সজ্জন এ মানুষটি অনেকটা পর্দার আড়ালে থেকে নিভৃতে মানবতার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এমন একজন গুণীজনকে নতুন প্রজন্মের কাছে বহু আগে পরিচিত করানো প্রয়োজন ছিল। তাঁর ক্যারিয়ার ও জীবন থেকে নতুন প্রজন্মের অনেক কিছু শেখার আছে। কথায় আছে, যে দেশে গুণীজনের কদর নাই, সেই দেশে গুণীজন জন্মায় না।

আমরা আমাদের এই কৃতি সন্তানকে স্বশ্রদ্ধ অভিবাদন জানাই। বড়লেখায় অগনিত আলোকিত আতাউর রহমানের জন্ম হোক বার বার, এ প্রত্যাশা। তাঁর দীর্ঘ নেক হায়াত কামনা করি। ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন পরিবার- পরিজনসহ এই ফরিয়াদ দয়াময় মাবুদের তরে মনেপ্রাণে।

লেখনী-বক্তৃতা ও কাজের মাধ্যমে সত্যের দিকে দাওয়াত।

।। এম. এম আতিকুর রহমান ।।

এক. লেখনী-বক্তৃতার মাধ্যমে দাওয়াত
লেখনী ও বক্তৃতার মাধ্যমে দাওয়াতের একটির সম্পর্ক যবানের সঙ্গে, আরেকটির সম্পর্ক কলমের সঙ্গে। সুতরাং দাওয়াতের কাজ যে প্রকারেই করা হোক না কেন, দা’ঈর ভাষা, সাহিত্যের মানে উত্তীর্ণ হওয়া জরুরি। প্রথমে তাঁর মাতৃভাষা ও তাঁর সমাজের পরিভাষা সম্পর্কে তাঁকে প্রাজ্ঞ হতে হবে; চাই তাঁর মাতৃভাষা যাই হোক না কেন। কারণ, সে যদি নিজের এলাকার মানুষকে মাতৃভাষায় সত্যের দীনের দাওয়াত দেয়, তাহলে তা বেশি কার্যকর হবে।

পক্ষান্তরে কোনো ভিন্নভাষী যদি ভিন্ন ভাষায় দাওয়াতের কাজ করে, তাহলে তা এতটা কার্যকর ও প্রভাবসম্পন্ন হবে না। যেমন ধরুন, আমি যদি ‘চাতরাল’ গিয়ে আমার ভাষায় ওয়াজ করি, তাহলে আস্থা ও মুহাব্বতের কারণে হয়তো-বা মানুষ আমার ওয়াজ শুনবে এবং আমার প্রতি তারা ভক্তি-শ্রদ্ধাও প্রদর্শন করবে, কিন্তু তাতে ওই রকম প্রভাব পড়বে না, যা ওই ভাষাভাষী একজনের ওয়াজে হবে। তাই প্রত্যেক দা’ঈর কর্তব্য হলো, তার মাতৃভাষা ও সাহিত্যে পাণ্ডিত্য অর্জন করা।

দাওয়াতের আরেকটি প্রকার হলো লেখা। একজন দা’ঈর লেখা খুব পরিষ্কার ও সুন্দর হওয়া চাই এবং নিয়ম-নীতি অনুযায়ী হওয়া চাই। লেখার সাহিত্যমানও উচ্চাঙ্গের হওয়া চাই। দা’ঈর লেখা যদি অসুন্দর ও অশুদ্ধ হয়, তাহলে প্রথমেই পাঠক তাতে বিরক্ত হবে। সে ভাববে, যার লেখাই বিশুদ্ধ নয়, সে আবার আমাকে কী শেখাবে! তাই লেখা সুন্দর করাও দা’ঈর অনেক বড় গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

আজকাল সর্বসাধারণের কাছে সংবাদ পৌঁছানোর কাজকে শক্তিশালী গণমাধ্যম দিয়ে সম্পাদন করা হয়। তাই দা’ঈর জন্য এ বিষয়টিও জানা থাকা জরুরি।

গণমাধ্যমও দুই ধরনের :
এক. টেক্সট বা লৈখিক মিডিয়া, তথা পত্র-পত্রিকা, ওয়েবসাইট ইত্যাদি।

দুই. অডিও-ভিডিও মিডিয়া, তথা রেডিও, টেলিভিশন, ইউটিউব ইত্যাদি।

লৈখিক মিডিয়ায় দাওয়াতের কাজ করতে হলে লেখায় সাহিত্যমান থাকা জরুরি। অডিও-ভিডিও মিডিয়ায় কাজ করতে হলে যবানের ভাষা ও আলোচনা সাহিত্যমানে উত্তীর্ণ হওয়া জরুরি।
লৈখিক মিডিয়ার সম্পর্ক কলমের সঙ্গে, আর অডিও-ভিডিও মিডিয়ার সম্পর্ক যবানের সঙ্গে। এ জন্য উভয় ক্ষেত্রেই দা’ঈর পাণ্ডিত্য থাকা জরুরি।

দুই. কাজের মাধ্যমে দাওয়াত
দাওয়াতের দ্বিতীয় পদ্ধতিটি হলো- নিজের জীবনে ইসলামী বিধিবিধান পালনের বাস্তব নমুনা পেশ করা। সত্য সুন্দর ও মজলুম মানুষের পক্ষে দাড়াতে নিজের আমল আখলাক, চাল চলন উন্নত হওয়া চাই। এটি দাওয়াতের সবচেয়ে কার্যকর ও গতিশীল মাধ্যম। এজন্য নিজের সংশোধন ও প্রস্তুতির নিমিত্তে প্রয়োজন তাজকিয়ায়ে নফসের উন্নয়ন।
আমার যে আমলের মাধ্যমে আমি অন্যের কাছে দাওয়াত পেশ করবো, তা দুরস্ত করার জন্য প্রয়োজন মুসলিহ ও মুরব্বী; প্রয়োজন এমন কিছু মানুষের সোহবত ও সাহচর্য, যাঁরা নিজেরা আত্মশুদ্ধি অর্জন করেছেন।

আল্লাহ্‌র নীতি এটাই যে, যেমনিভাবে শারীরিক রোগীর চিকিৎসা একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারই করতে পারেন, ঠিক তেমনি আত্মার বাতেনী রোগ-ব্যাধির চিকিৎসাও একজন রূহানী ডাক্তার ছাড়া সম্ভব নয়।

(চলবে)

মূল-মুফতি মুহাম্মাদ রফী উসমানী
(সাম্প্রতিক বিবেচনায় কিছু পরিবর্তিত)

বঙ্গমাতা ৯০ তম জন্মদিবসে বড়লেখায় আলোচনা সভা সেলাই মেশিন বিতরণ

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব এঁর ৯০ তম জন্মদিবস উপলক্ষে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দুঃস্থ মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।
আজ আট আগস্ট সকালে বড়লেখা উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীম আল ইমরানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগম হাসনা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ দুস্থ মহিলাদের মধ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করেন।

রাংজিয়ল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল শায়খ সালেহ নাজিব আল- আইয়ুবির অন্যরকম ঈদ পুনর্মিলনীর

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

আজ প্রায় পাঁচটা মাস, প্রতিদিন ওঁরা একজন না একজনের ফোন আসছেই। হুজুর মাদ্রাসা কবে খুলবে? আমরা কবে আসবো? বাড়িতে আর ভাল্লাগেনা।

আশার প্রহর গুনা শেষ হচ্ছে না। আজ আট আগস্ট মাদ্রাসা সমুহ খোলার কথা, কিন্তু দুই দিন আগে যখন শুনলাম যে না আট আগস্ট মাদ্রাসা খুলছে না, তখন অপেক্ষার পালা শেষ করে এঁদেরকে শান্তনা দিলাম, কিন্তু না! ওরা বলছে আমরা আট আগস্ট চলে আসবো হুজুর!

রাত কিংবা দিন, যাদের নিয়ে আমি সাজিয়েছি আমার জীবন সাধনার অমর ভালোবাসা প্রিয় রাংজিয়ল জামেয়া, এদের প্রতি আমার ও অনেকটা হৃদয়ের ব্যাকুলতা অবশ্যই রয়েছে ।

জামেয়ার নাঈবে মুহতামিম হযরত মাওঃ আব্দুল মজিদ বললেন, এঁদেরকে সামাল দেয়া যাচ্ছে না। বললাম আমি আসছি।

সকাল দশটার দিকে রওয়ানা হলাম, একে একে বিচ্ছিন্ন ভাবে এদেরকে দেখে গেলাম, সর্বশেষ মাওঃ আব্দুল মজিদ এঁর বাড়িতে একত্রিত হলো ওঁরা প্রায় পঞ্চাশ জন।

মাওলানাকে বললাম এঁদের জন্য খাবার তৈরি করুন বিল আমি এসে পরিশোধ করবো, সাথে নিয়ে গেলাম রাজমহলের মিষ্টি,নিমকি, জিলাপি আর দই।

মাওলানার সাথে আমাকে তাঁরা রিসিভ করলো, প্রতিটি বাচ্ছার মুখে আনন্দ আর হাসি। একে একে সালাম মুসাফাহা করলাম। সালাতুল এশার পর মাওলানা আব্দুল মজিদ এঁর উঠানে এদের অভিভাবক সহ ঈদ আনন্দে শরিক হলাম আমি।

আশার আগে আধা ঘন্টার মত আলোচনা রাখলাম, পনেরো মিনিটের মতো দোয়া হলো।

দোয়া শেষে এঁদের একটাই দাবি হুজুর শিক্ষা বোর্ড মাদ্রাসা খোলার ঘোষণা কবে দিচ্ছে?

ওদের নিয়ে রাতের খাবার খেলাম, বাড়িতে ফিরলাম আর ফজরের আযান শুনছিলাম মুয়াজ্জিনের কন্ঠে।

আমি যখন চলে আসবো, একে একে বিদায় নিচ্ছি আর বলছি খুব শিগগিরই মাদ্রাসা খুলবে, তোমরা চিন্তা কর না, তখন ছেলে গুলো তাদের অভিভাবকদের সামনে হাউমাউকরেকাঁদছে , আমি না দেখার বাহানা করে গাড়িতে বসে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম, লুকিং গ্লাসে তাকিয়ে দেখলাম এঁরা দাড়িয়ে চেয়ে আছে আমার পথ পানে , অনেকে কান্না ঝরা চোখ মুছছে। তাঁদের ভালোবাসায় আসে ব্যাকুলতা।

বড়লেখায় জিম্মি রেস্টুরেন্ট ও পার্টি সেন্টারের উদ্বোধন

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় জিম্মি রেস্টুরেন্ট ও পার্টি সেন্টারের ২য় শাখার উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বড়লেখা পৌর শহরের এম আলী শপিং সিটিতে রেস্টুরেন্ট ও পার্টি সেন্টারটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি বড়লেখা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ ও বিয়ানীবাজার উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাসেম পল্লব।

এ উপলক্ষে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা পৌর মেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী, বড়লেখা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন, বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিন, দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন, বিয়ানীবাজারের মুল্লাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আলমগীর হোসেন রুনু, বিয়ানীবাজার পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আব্দুল রউফ সুমন ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন রাসেল, সমাজসেবক আলী আহমদ, কয়েছ জিয়া, সুমন আহমদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালা করেন বড়লেখা উপজেলার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা রুহুল আমিন প্রমুখ।
জিম্মি রেস্টুরেন্ট ও পার্টি সেন্টারের প্রথম শাখা সিলেটের বিয়ানীবাজার শহরে। বড়লেখায় আধুনিক মানসম্পন্ন রুচিশীল খাবার ও পার্টি সেন্টারের উদ্বোধনে অতিথিবৃন্দ আনন্দ প্রকাশ করে স্বাস্থ্য বিধি মেনে নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে সকল কর্মকান্ড পরিচালনার আহবান জানান।

বড়লেখার আহবাব চৌধুরী ১০০ ইয়াবাসহ ঢাকায় আটক

এম. এম আতিকুর রহমান

মৌলভীবাজারের বড়লেখা ‌পৌর শহরের মহুবন্দ‌ গ্রামের মৃত সরোয়ারুল আলম চৌধুরীর পুত্র আহবাব চৌধুরীকে ঢাকায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারের পর নিজের প্রকৃত পরিচয় গোপন করার চেষ্টা করেও পারেনি ভদ্র পরিবারের পরিচিত আহবাব চৌধুরী।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ ইয়াবাসহ তাকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। যাত্রাবাড়ী থানার মামলা নম্বর- ৯৫ তাং ২৩/০৭/২০০০। সে বড়লেখার মৃত সারোয়ার আলমের পুত্র আহারুল আলম হিসেবে তার নাম লিপিবদ্ধ করায় বলে জানা গেছে।

রবিবার যাত্রাবাড়ী থানা থেকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার আহারুল আলম ওরফে আহবাবুল আলম সম্পর্কে জানতে বড়লেখা থানায় অনুসন্ধানপত্র পাঠানো হলে মূল তথ্য বেরিয়ে আসে।

থানা পুলিশ সহ বিভিন্ন সুত্রে জানা গেছে, অনেক দিন থেকে মাদকাসক্ত আহবাব চৌধুরী কখনো সাবেক সেনাপ্রধানের আত্মীয়, কখনো র‌্যাবের সোর্স পরিচয় দিয়ে আবার কখনো কথিত সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বড়লেখার জনপ্রতিনিধিসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ কিংবা নির্বাচনী প্রতিপক্ষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ফেইসবুকে বিভিন্ন মিথ্যা লেখা প্রচার করে আসছিল। কারো কোনো অনুমতি ছাড়া বিভিন্ন স্থানে লাইভ ভিডিও করে এবং ভিডিওর ভয় দেখিয়ে ট্রাক্টর চালক, অটো রিক্সা চালক এমনকি ফুটপাতে সবজি বিক্রি করতে বসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়াই ছিল তার কাজ। প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে চাঁদাবাজি করা ইত্যাদি পাপাচারই তার পেশায় পরিনত হয়ে যায়। ভয়ে অনেকেই মুখ খুলতেন না। সম্প্রতি বড়লেখা থানায় ঐ আহবাব চৌধুরীর বিরুদ্ধে পৌর মেয়র আবুল ইমাম মোঃ কামরান চৌধুরী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলাও দায়ের করেন।

ইয়াবাসহ যাত্রাবাড়ী থানায় আহবাব গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চত করে বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াছিনুল হক জানান, ঢাকা থেকে ২৬ জুলাই তার সম্পর্কে জানতে অনুসন্ধানপত্র এসেছে। বড়লেখায় সে আহবাব চৌধুরী নামে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা আছে। এ মামলায়ও তাকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হবে।

সচেতন মহল মনে করেন, ভালো পরিবারের কিছু ছেলেরাও ভদ্র ভেসে ইদানিং দুষ্কৃতকারী চক্রের খপ্পরে পড়ে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি ও অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়ছে। অভিভাবকদের কঠোর নজরদারি ও সচেতনতা বৃদ্ধিই তা প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।

বড়লেখার বর্ণীতে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট শাখার উদ্বোধন

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

আজ ২৮ জুলাই ইসলামী ব্যাংক মৌলভীবাজারের বড়লেখা শাখার অধীনে বর্ণি ইউনিয়নের ফকিরবাজারে শাখার ৬ষ্ঠ এজেন্ট আউটলেটের উদ্বোধন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সিলেট জোন প্রধান শিকদার মোহাম্মদ শিহাবুদ্দীন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী ব্যাংক বড়লেখার শাখার শাখা প্রধান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান।

আলোচনা পর্ব শেষে অতিথিরা ফিতা কেটে এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার উদ্বোধন করেন।

হাকালুকিতে পানিবন্ধী মানুষের মাঝে মুফতি জামিল কাসিমীর ত্রাণ বিতরণ

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ ০৭নং তালিমপুর ইউনিয়ন শাখার ব্যবস্থাপনায় এবং আসন্ন ০৭নং তালিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আলিম-উলামা ও জনসাধারণ সমর্থিত, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ মনোনীত সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা, তরুণ আলিমে দ্বীন মুফতি জামিল আহমদ কাসিমীর অর্থায়নে, হাকালুকি হাওরাঞ্চলের পানিবন্ধী মানুষের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

গতকাল (রবিবার) দিনব্যাপী ত্রাণ সামগ্রী বিতরণকালে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুফতি জামিল কাসিমী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সার্বিক খোজ-খবর নেন এবং সর্বদা মানুষের পাশে থাকার ও সেবা করার অংগীকার ব্যক্ত করেন। জনসাধারণ একজন আলিম জনপ্রতিনিধি পেয়ে হৃদয় থেকে আনন্দ প্রকাশ করে এবং উচ্ছ্বাসিত হয়। তাদের সর্বাত্মক সমর্থন এবং সহযোগীতায় এই আলিম প্রতিনিধিকে বিজয়ী করার অভিপ্রায় প্রকাশ করেন। হাওরাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী রাংজিউল জামিয়া নজিবিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসায়, মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল খেলাফত মজলিস নেতা মাওঃ শায়েখ সালেহ নজিব আল আইয়্যুবীর সভাপতিত্বে বিকাল ৩টায় এক “মতবিনিময় সভা” অনুষ্ঠিত হয়। শায়েখের অসাধারণ মেহমানদারি এবং দিক-নির্দেশনায় কর্মীগণ উজ্জীবিত হয়। এই দীর্ঘ যাত্রায় সফরসঙ্গী ছিলেন- ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সংগ্রামী সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রনেতা আহমাদুল হক উমামা, সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফিয মাওঃ তায়্যিবুর রহমান, মৌলভীবাজার জেলা ছাত্র জমিয়তের সভাপতি মাওঃ শিহাবুদ্দীন শাহ আলম, বড়লেখা উপজেলা যুব জমিয়ত সভাপতি হাফিয মাওঃ ইয়াহইয়া আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মাওঃ সাইফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওঃ মাহবুবুর রহমান, দায়ী সম্পাদক হাফিয সিরাজুল ইসলাম, যুবনেতা মাওঃ শাহাবুদ্দীন, বড়লেখা উপজেলা ছাত্র জমিয়তের সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান আহমদ। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আয়োজনকে বাস্তবে রুপদান করেন- তালিমপুর ইউপি ছাত্র জমিয়তের সভাপতি মাওঃ ওলিউর রহমান শামিম, সাধারণ সম্পাদক হাফিয এবাদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিয ফাহিম আহমদ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- কাঁঠালতলি ইউপি ছাত্র জমিয়তের সভাপতি হাফিয মাহমুদুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক জুনাইদ আল হাবিব, যুবনেতা মাওঃ নাঈমুল হাসান, তালিমপুর ইউপি ছাত্র জমিয়তের সহ-সভাপতি মাওঃ জিয়াউর রহমান, মাওঃ মারুফ আহমদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফিয কিবরিয়া আহমদ, সহ-সাংগঠণিক সম্পাদক হাফিয জামিল আহমদ, অর্থ সম্পাদক মাওঃ শাহেদ আহমদ, প্রচার সম্পাদক হাফিয হুসাইন আহমদ, স্কুল-কলেজ বিষয়ক সম্পাদক মারজান আহমদ, হাফিয হাবিবুল্লাহ সাদি, আহমদ সুমন, সাইদুল ইসলাম, সাঈদ আহমদ ঈমন, জালাল আহমদ প্রমুখ।

বড়লেখায় সাড়ে এগার হাজার উপকারভোগীর মধ্যে ঈদুল আজহার চাল বিতরণ

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আয়োজনে আজ দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে ১১,৪০০ জন উপকারভোগীর মধ্যে ১০ কেজি করে ভিজিএফ এর চাল বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বড়লেখা মোঃ শামীম আল ইমরান এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ বড়লেখার চেয়ারম্যান সোয়েব আহমেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার উদ্দিন, উপজেলা পরিষদ, বড়লেখার ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ তাজ উদ্দিন, বড়লেখা সদর ইউপির চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজ উদ্দিন প্রমুখ। অনুষ্ঠান টি সঞ্চালনা করেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান।

বড়লেখায় মুমূর্ষু রোগীদের সেবায় প্রবাসীর এ্যাম্বুলেন্স প্রদান

এম. এম আতিকুর রহমান

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের মুমূর্ষু রোগীদের পরিবহণ সেবায় অ্যাম্বুলেন্স দান করেছেন প্রবাসী সমাজসেবক সোহেল আহমদ সুমন। নতুন এ এ্যাম্বুলেন্সের চাবি হস্তান্তর ও সার্ভিসের উদ্বোধন উপলক্ষে সুজানগর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ্যাম্বুলেন্স দাতা প্রবাসীর পিতা মোস্তফা উদ্দিনের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ।

ইউনিয়ন তথ্য কেন্দ্রের উদ্যোক্তা খলিলুর রহমান লিমনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সুজানগর ইউপি চেয়ারম্যান নছিব আলী, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সাব্বির আহমদ, এ্যাম্বুলেন্স দাতা প্রবাসী সোহেল আহমদ সুমন, জামেয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম আজিমগঞ্জ মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আব্দুল কাদির, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমরুল ইসলাম লাল, সাধারণ সম্পাদক সাহেদুল মজিদ নিকু, ইউপি মেম্বার মকবুল হোসেন সেবুল, ফরমান আহমদ, শহিদ আহমদ, সাবেক ইউপি মেম্বার সমছ উদ্দিন, সমাজসেক আনসার হোসেন, রুয়েল আহমদ প্রমুখ।

বড়লেখা সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন

মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ
গাছ লাগিয়ে ভরব এ দেশ, তৈরী কর সুখের পরিবেশ” প্রাকৃতিক ভারসাম্য জীব বৈচিত্র সুরক্ষায় এব অর্থনৈতিক ও আর্থ-সামাজি উন্নয়নে বৃক্ষ ও বনাঞ্চলের অাবাদ অপরিসীম।প্রাকৃতিক ভারসাম্ রক্ষা করার লক্ষে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বড়লেখা সরকারী কলেজের উদ্দ্যোগে।রবিবার(২৬জুলাই)সকাল১১ঘটিকার সময় সরকারি কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী অনুষ্টিত হয়।এতে কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তওহীদুল ইসলাম ফরহাদের সঞ্চালনায়।অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা সরকারী কলেজের শিক্ষক মো: রেজাউল ইসলাম মিন্টু এবং বড়লেখা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান হোসেন ,সাধারণ সম্পাদক জুনেদ আহমদ , পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান , বড়লেখা সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি কামরুল হুসেন , সহ সভাপতি শোভন দত্ত , সহ সভাপতি মুহিবুর রহমানপড সজিব , যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মুহতাছিম হুসেন মাহাদী , যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সৌরভ দাস , সাংগঠনিক সম্পাদক তুফায়েল আহমদ সহ কলেজ ছাত্রলীগ নেতা জাবিদ আহমদ জাহেদ আহমদ ,জিসান , রাজ্জাক , মুন্না, ছামি আরও কলেজ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।