সারাদেশে বাল্যবিবাহ বন্ধ করে শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছে অ্যান্টি চাইল্ড ম্যারেজ অর্গানাইজেশন। এলাকারসমাজসেবী সংগঠন সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহযোগিতায় এবং উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায়বড়লেখা উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাল্যবিবাহ ও শিশু অধিকার বিষয়ক সেমিনারের মাধ্যমে শিশু কিশোরদেরবাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে রোখে দাড়াতে এবং শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। তারই অংশস্বরুপসোমবার ১৩ মার্চ উপজেলার বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান ইটাউরী মহিলা আলিম মাদ্রাসায় বাল্যবিবাহ ও শিশুঅধিকার বিষয়ক কর্মশালার উদ্ভোদনী অনুষ্ঠান হয়েছে।
এন্টি চাইল্ড মেরিজ অর্গানাইজেশনের সহকারী পরিচালক শফিউর রহমান শুভর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের উদ্ভোদন করেনসংগঠনের পরিচালক এবং শিশু নোবেল ২০২২ এর মনোনীত রেদওয়ান আহমদ। আব্দুল আহাদ খানের সভাপতিত্বেপ্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসাইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেনইটাউরী হাজী ইউনুছ মিয়া মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এনাম উদ্দিন, দৌলতপুর সিনিয়র আলীম মাদ্রাসারপ্রিন্সিপাল মিসবাহ উদ্দিন।
এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেহেদি রাসেল ফাউন্ডেশন এর পরিচালক ফরিদুল ইসলাম জাবরুল,নির্বাহী পরিচালকআব্দুল হাকিমসহ আরো অনেক সদস্য, মাদ্রাসার শিক্ষক এবং অভিভাবকরা। সভা পরিচালনা করেন অ্যান্টি চাইল্ডম্যারেজ অর্গানাইজেশনের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মাহিন, রাফায়াত আহনাফ, জহুরুল ইসলাম।
সভার উদ্ভোদনী বক্তব্যে সংগঠনের পরিচলাক রেদওয়ান আহমদ সকল শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন ,আমরা শিশুআমাদের অধিকার আমাদের নিজেদের প্রতিষ্টা করতে হবে। আমাদের সবাইকে একজোট হয়ে আমাদের আধিকার প্রতিষ্ঠা ওবাল্যবিবাহ বন্ধ করতে হবে। যাতে আমরা একটি সুন্দর সমাজ তথা দেশ গঠন করতে পারি।
এছাড়া সেমিনারের প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসাইন শিক্ষার্থীদেরকে বলেন , তোমাদের আশেপাশে যদি কোনো বাল্যবিবাহের সংবাদ শুনো তাহলে তৎক্ষনাৎ “৩৩৩” অথবা “১০৯” এ কল দিয়ে আমাদের জানাবেআমরা তৎক্ষনাৎ এই বিবাহের বিরুদ্ধে ব্যবস্তা গ্রহণ করবো।
তাছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বাল্যবিবাহের খারাপ দিক এবং কিভাবে বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে হয় এই বিষয়েছাত্রছাত্রীদের ধারণা প্রদান করেন।
বক্তারা শিশুদের কিভাবে নিজেদের অধিকার আদায় করতে হবে এবং জীবনে সফল হতে হবে এই বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণমতামত প্রদান করেন।
স্বপ্ন সাহস নিয়ে আগামীর পথ চলো, জ্ঞানের আলোয় গড়বে জগৎ উচ্চ কন্ঠে বলো। জ্ঞানের আলোয় খুঁজি স্বপ্নের দ্বার, আগামীর দিন শুধু সম্ভাবনার,এই প্রতিপ্রাদ্যকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার সুপরিচিত সামাজিক সংগঠন জাগরণী ইসলামী তরুণ সংঘের পক্ষ থেকে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরো এস এস সি / দাখিল উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের কে সংর্বধনা প্রদান করা হয়েছে।
শনিবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ১১ ঘটিকার সময় সৈয়দা মোকাম মাদ্রাসার হলরুমে সংগঠনের সভাপতি এম কলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াব রায়হানের পরিচালনায় পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ব্যাংক কর্মকর্তা মোঃ শাহেদ আহমদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রাফাত আহমদ, জাগরণী ইসলামী তরুণ সংঘের উপদেষ্টা মাওলানা কবির হোসাইন, আব্দুল হামিদ তাজুল, আব্দুল লতিফ, তাহের আহমেদ, জুনেদ আহমেদ। কিশোরকন্ঠ পাঠক ফোরাম এর বড়লেখা উপজেলা সভাপতি তুফাজ্জল হোসাইন।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জাগরণী ইসলামী তরুণ সংঘের সহ-সভাপতি সাংবাদিক শাহরিয়ার শাকিল, অর্থ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ছাদিকুর রহমান প্রমুখ।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাগরণীর দপ্তর সম্পাদক রাহাত আহমেদ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আলী আব্বাস, প্রকাশনা সম্পাদক তায়েফ আহমেদ সহ উপস্থিত ছিলেন জাগরণীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দু।
অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দুগন সংগঠনের ভুয়সী প্রশংসা করে বলেন,শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড, শিক্ষাই জাতির অগ্রগতি, তাই সমাজের সকল তরুণদের কাছে শিক্ষার আলো পৌঁছিয়ে দিয়ে সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। পড়ালেখার পাশাপাশি নৈতিকতা ও মূল্যবোধ সৃষ্টি করতে হবে। পিতা মাতার প্রতি বেশি যত্নশীল হতে হবে, পড়াশোনার পাশাপাশি সামাজিক কাজে এগিয়ে আসতে হবে। কবির ভাষায় একটি কথা বলেন, থেমে নাকো পথে কভু, হও মহান মহীয়ান, মানুষ কে ভালোবেসে হদয়কে করো দান। পরিশেষে সকল শিক্ষার্থীদের সার্বঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করে অনুষ্ঠানে সমাপ্তি করা হয়েছে।
নিজস্ব সংবাদঃ আলোকিত ফাউন্ডেশন সোনাতুলা’র উদ্যোগে সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয় হলরুমে এস এস সি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের কৃতি সংবর্ধনা ২০২২ অনুষ্টিত।
উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবক।
নারীশিক্ষা একাডেমি ড্রিগ্রী কলেজের প্রিন্সিপাল ও সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষানুরাগী সদস্য জনাব এ কে এম হেলাল উদ্দিন সাহেব এর সভাপতিত্বে ও সাবেক ইউপি সদস্য ফয়ছল আলম স্বপন এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ০৬ নং বড়লেখা সদর ইউপি চেয়ারম্যান জনাব ছালেহ আহমদ জুয়েল , বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব সায়ফুর রহমান, ডাইরেক্টর সিটি ক্লিনিক বড়লেখা।
শিক্ষার্থীর হাতে ক্রেস্ট তুলে দিচ্ছেন অতিথিবৃন্দ।
উপস্থিত ছিলেন আলোকিত ফাউন্ডেশন সোনাতুলার উপদেষ্টা সাবেক ইউপি সদস্য জনাব মুতিউর রহমান, জনাব হাজী আতাউর রহমান, জনাব হাজী ইসরাইল আলী,জনাব আব্দুস সত্তার, জনাব আব্দুর রাজ্জাক, জনাব আব্দুল হাফিজ, উপদেষ্টা ও বড়ময়দান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব ডাঃ সজল সরকার, জনাব ডাঃ রিংকু চক্রবর্তী,উপদেষ্টা ও সোনাতুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মাষ্টার জামিল আহমদ,জনাব নিবারন সরকার, জনাব শামলাল বিশ্বাস,সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি জনাব আব্দুর রাজ্জাক, সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আব্দুল লতিফ, শিক্ষক শিক্ষিকা বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন আলোকিত ফাউন্ডেশন এর সদস্য জনাব জাহেদ আহমদ, প্রবাসী দাতা সদস্য আলা উদ্দিন, শামছুল ইসলাম, সদস্য জনাব শাকিল আহমদ, জনাব আব্দুল কুদ্দুস, জনাব আশরাফুল ইসলাম, জনব জেবুল আহমদ, জনাব জুনেদ আহমদ, জনাব আব্দুস সামাদ, জনাব কামাল হোসেন, জনাব আব্দুল্লাহ আহমদ, জনাব কাওসার হোসেন,জনাব জাবেদ আহমদ, মুন্না আহমদ, মুন্না হোসেন, উজ্জল সরকার, সাগর সরকার, সৌরব সরকার,জাকারিয়া আহমদ আবিদ, মারজান আহমদ, এমরান হোসেন, সুলতান আহমদ প্রমুখ
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখায় আল-আমিন নামে দুইমাস বয়সী শিশুপুত্রকে হত্যার অভিযোগে আব্দুল মতিন (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার বিকেলে তিনটার দিকে তাকে আটক করা হয়। তিনি উপজেলার পূর্ব-দোয়ালিয়া (রামকটার টিলা) গ্রামের নিমার আলীর ছেলে। পুলিশ নিহত শিশুর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।
থানা পুলিশ, নিহত শিশুর মা লাবনী আক্তার ও মামা জাবেদ আহমদের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মতিন (৩২) ঘরে স্ত্রী রেখে একাধিক বিয়ে করেছে। এর জের ধরে লাবনী আক্তার ও তার স্বামী আব্দুল মতিনের দাম্পত্য কলহ চলছিল। রোববার বিকেলে আব্দুল মতিন ও স্ত্রী লাবনী আক্তারের মধ্যে ঝগড়া-ঝাটি চলছিল। আব্দুল মতিন স্ত্রীকে মারধরের একপর্যায়ে ৭০ দিনের শিশুপুত্রের উপরও আঘাত পড়ে। সন্ধ্যায় শিশুপুত্রসহ লাবনীকে বাবার বাড়ির লোকজন তাদের বাড়িতে নিয়ে যান। সোমবার সকালে শিশুপুত্রের শরীর খারাপ করলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বড়লেখা উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নের পাকশাইল গ্রামের কামরুল হোসেন এনাম খুনের ঘটনায় সাংবাদিক সহ ৯ জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ২১ আগস্ট নিহত এনামের বাবা বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার ২ জন আসামীকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ২০ আগস্ট সকালে হাকালুকি হাওরের মালাম বিল থেকে পাকশাইল গ্রামের কামরুল হোসেন এনাম নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত কামরুল হোসেন এনাম পাকশাইল গ্রামের দিনমজুর সিরাজ উদ্দিনের পুত্র। সে ‘পাকশাইল গ্রেট ভিশন এসোসিয়েশন’ নামক স্থানীয় একটি সামাজিক সংগঠনের সহ সভাপতি ছিল। ১৯ আগস্ট রাতে কে বা কারা তাকে হত্যা করে লাশ পাকশাইল গ্রাম ঘেষা হাকালুকি হাওরের মালাম বিলে ফেলে রাখে। ২০ আগস্ট সকালে স্থানীয়রা বিলে লাশ দেখতে পেয়ে থানা পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ এসে এনামের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। ময়না তদন্ত শেষে ঐইদিন রাত সাড়ে ৮ টায় এনামকে পাকশাইল গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হয়। তার জানাযার নামাজে বর্ণি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনাম উদ্দিন,উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক অধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিন,ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জুবের আহমদ সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশ নেন।
স্থানীয়দের সাথে আলাপ করে জানা যায়,তরুণ একজন সমাজকর্মীর এমন নির্মম মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না তারা। পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সবাই এই হত্যাকান্ডের সুষ্ট বিচার দাবী করছেন। কিন্তু,কে বা কারা এনামকে হত্যা করেছে সে বিষয়ে কেউ সঠিক তথ্য দিতে পারছেন না।
তবে কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার মতে,হাকালুকি হাওরের মালাম বিলের গাছ নিধনকারীদের শাস্তির দাবী সহ বিভিন্ন দাবীতে বেশ কিছুদিন থেকে খুবই সক্রিয় দেখা গেছে কামরুল হোসেন এনামকে। তার এসব ভূমিকার কারণে প্রভাবশালী একটি মহল ক্ষুব্ধ ছিল। সংক্ষুব্ধ এরকম কোনো পক্ষ হয়ত পরিকল্পিতভাবে এনামকে হত্যা করেছে। তবে স্থানীদের এ ধারণার সাথে ভিন্নমত পোষণ করেন নিহত এনামের বাবা সিরাজ উদ্দিন। তার অভিযোগের তীর ছেলের সহকর্মীদের দিকে।
সিরাজ উদ্দিনের মতে,তার ছেলে কামরুল হোসেন এনাম ছিল ‘পাকশাইল গ্রেট ভিশন এসোসিয়েশন’র সক্রিয় এবং সম্ভাবনাময় নেতৃত্ব৷ সে ছিল প্রতিবাদী। সে সংস্থার সভাপতি,সহ সভাপতি,সেক্রেটারী এবং অর্থ সম্পাদকের অনিয়ম এবং স্বেচ্ছাচারিতার প্রতিবাদ করত। তাছাড়া আগামী কাউন্সিলে সে এসোসিয়েশনের সভাপতি পদে প্রার্থী হয়ে বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। এসব কারণে সংস্থার কয়েকজন প্রভাবশালী সদস্যের সাথে কিছুদিন থেকে তার মনোমালিন্য চলছিল। এরই জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তাই,সিরাজ উদ্দিন ২১ আগস্ট বড়লেখা থানায় গিয়ে এই সংস্থার ৯ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ মামলার অন্যতম ২ আসামী সাইফুল হোসেন পাভেল (২৬) এবং মাছুম আহমদ (২৪) কে ইতিমধ্যে আটক করেছে। আটক সাইফুল হোসেন পাভেল এসোসিয়েশনের অর্থ সম্পাদক এবং একই এলাকার মৃত আজির উদ্দিনের ছেলে। আর মাছুম আহমদ বর্ণি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি,পাকশাইল গ্রামের বাসিন্দা মোঃছফির উদ্দিনের ছেলে। মাছুমের বড় ভাই বড়লেখা প্রেসক্লাবের সদস্য জামিল আহমদ। তাকেও এ মামলায় আসামী করা হয়েছে।
এজাহার সূত্রানুযায়ী,মামলার ৯ আসামী হলেন এসোসিয়েশনের সহ সভাপতি সাংবাদিক জামিল আহমদ,সভাপতি এইচ.এম ফয়সল,সিনিয়র সহ সভাপতি শাহীদুল হক,ইমন আহমদ,সেক্রেটারি জাহাঙ্গির আলম,মাছুম আহমদ,সাংগঠনিক সম্পাদক কবির আহমদ,অর্থ সম্পাদক সাইফুল হোসেন পাভেল ও প্রচার সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ। তাদের সকলের গ্রামের বাড়ী পাকশাইল এবং তারা নিহত কামরুল হোসেন এনামের সহকর্মী।
সার্বিক বিষয় জানতে যোগাযোগ করা হলে বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গির হোসেন সরদার জানান,নিহতের পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। ২ জন আসামীকে আটক করা হয়েছে। হত্যা রহস্য উদঘাটনের স্বার্থে গ্রেফতারকৃত দু’জনের রিমান্ড আবেদন করা হবে। অন্যান্য আসামীদেরকেও গ্রেফতারের অভিযান চলছে। কাউকে ছাড় নয়,দোষীদেরকে অবশ্যই আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
এদিকে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত প্রকৃত দোষীদেরকে আড়াল করতেই নিহত এনামের সহকর্মীদের নামে মামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ আসামীদের স্বজনদের। তাদের দাবী,পুলিশ সুষ্ট ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এনামের হত্যাকান্ডে জড়িতদের বের করুক। সঠিক তদন্ত ছাড়া মামলার উপর ভিত্তি করে নিরীহ-নিরপরাধ যুবকদেরকে গ্রেফতার,হয়রানী করলে প্রকৃত হত্যাকারীরা আড়ালে থেকে যেতে পারে।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সাংবাদিক সহ ৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে সিলেট পলিটেকনিক কলেজ ছাত্রলীগ কর্মী,বড়লেখা উপজেলার বর্ণী ইউনিয়নের আহমদপুর গ্রামের সাইফুর হত্যা মামলার চুড়ান্ত প্রতিবেদন (চার্জশীট) দাখিল করেছে পুলিশ। আজ (২৭ জুলাই) সকালে মৌলভীবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আলোচিত এ মামলার চার্জশীট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আতাউর রহমান।
আদালত এবং পুলিশ সূত্র জানায়,বড়লেখা প্রেসক্লাবের সদস্য,বর্ণি ইউনিয়নের পাকশাইল গ্রামের মোঃ ছফির উদ্দিনের ছেলে জামিল আহমদ,আহমদপুর গ্রামের আনছার আলীর ছেলে বাবলু হোসেন,জবলু হোসেন,কামাল হোসেন, এবং একই গ্রামের মৃত মস্তাব আলীর ছেলে জয়নাল উদ্দিন’কে চার্জশীটে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত ৫ জনের মধ্যে জামিল ছাড়া বাকী ৪ জন বর্তমানে কারাগারে আছেন।
উল্লেখ্য,গত বছরের ৩১ জুলাই বর্ণি ইউনিয়নের আহমদপুর গ্রামের আব্দুল আহাদের ছেলে,সিলেট পলিটেকনিক কলেজের ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমানের রহস্যজনক মৃত্যু হয়। বিকাল ৪ টার দিকে নিজ বাড়ির কক্ষ থেকে পুলিশ তার নিথর দেহ উদ্ধার করেছিল। লাশ পাঠানো হয় মর্গে। ময়নাতদন্ত শেষে পারিবারিক কবরস্থানে সাইফুরকে দাফন করা হয়। রহস্যজনক এ মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে পুলিশকে অপেক্ষা করতে হয় প্রায় ৩ মাস। ২০২০ সালের ২৬ অক্টোবর হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পৌঁছায় বড়লেখা পুলিশের হাতে। প্রতিবেদনে সাইফুরকে শ্বাসরোধে হত্যা করার বিষয়টি বলা হয়। তখন নিহত সাইফুর রহমানের ছোট ভাই এমদাদুর রহমান বাদী হয়ে আসামী অজ্ঞাতনামা রেখে একটি মামলা দায়ের করেন। ঐ দিন সন্ধ্যায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন আসামী হিসেবে আহমদপুর গ্রামের আনছার আলীর ৩ ছেলে বাবলু,জবলু এবং কামাল হোসেনকে আটক করে। গ্রেফতারকৃত এই ৩ জনের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে চলতি বছরের ৭ জানুয়ারী জয়নাল উদ্দিন নামে আরেক সন্দেহভাজন আসামীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। দীর্ঘ তদন্ত শেষে আজ কারাগারে থাকা ৪ জনের সাথে একই ইউনিয়নের বাসিন্দা সাংবাদিক জামিলকে যুক্ত করে আলোচিত এ মামলার চার্জশীট দিল পুলিশ।
জাকির আহমদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ গাছ নিধনকারী দূর্ণীতিবাজদের কবল থেকে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহৎ জলাভূমি হাকালুকি হাওরকে রক্ষার দাবীতে বড়লেখায় মানবন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৬ জুন সন্ধায় উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নের ফকির বাজারে ‘পাকশাইল গ্রেট ভিশন এসোসিয়েশন’ নামে একটি সামাজিক সংগঠনের ব্যানারে এ মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি এইচ.এম ফয়সলের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গির আলমের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন এসোসিয়েশনের সহ সভাপতি কামরুল হোসেন এনাম,শাহীদুল হক,সাংবাদিক জামিল আহমদ, ইমন আহমদ ও শাহিদুর রহমান জুনেদ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এসোসিয়েশনের সহ সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হোসেন,সাইদুল ইসলাম,হাফিজুর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক কবির আহমদ,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আবজল হোসেন,সাজু আহমদ,অর্থ সম্পাদক সাইফুল হোসেন পাভেল,সহ অর্থ সম্পাদক কামরুল হোসেন,অফিস সম্পাদক কবির আহমদ,প্রচার সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ,ক্রীড়া সম্পাদক কবির আহমদ(দক্ষিণ) প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন,হাকালুকি এশিয়ার একটি বৃহৎ জলাভূমি। এই হাওরের পরিবেশ রক্ষা করা সরকারের দায়িত্ব। কিন্তু,দুঃখজনক হলেও সত্য,সরকারী দলের অনেক নেতারা এখন এই ঐতিহ্যবাহী হাওরের পরিবেশ বিনষ্টের সাথে জড়িয়ে গেছেন। গাছ নিধন,অতিথি পাখি ও মাছ শিকার সহ নানা অসদুপায়ে তারা হাওর থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছেন। এর ফলে হাওরের জীববৈচিত্র হুমকির মুখে পড়ছে। আর এর মূল প্রভাব পড়ছে বর্ণি ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে। কারণ,হাওরের পরিবেশের সাথে পাকশাইল সহ ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের মানুষের স্বার্থ জড়িত। এই হাওরকে পরিবেশ বিনষ্টকারী দূর্ণীতিবাজদের হাত থেকে বাঁচানো মানে বর্ণি ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষকে বাঁচানো। বক্তারা এসময় পরিবেশ বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতি আহ্বান জানান।
পুলিশি নির্যাতনে’ যুবক আখলিয়ার রায়হান মৃত্যুর ৫ দিনেও উত্তাল ছিল সিলেট। একই দিন রাস্তা থেকে সাধারণ জনতাকে সরিয়ে দিতে গেলে উল্টো পুলিশকে ধাওয়া করে বিক্ষুব্ধ জনতা।
(১৫অক্টোবর) বৃহস্পতিবার বিকালে রায়হানের বাসার কাছে নেহারীপাড়ায় সিলেটে-সুনামগঞ্জ সড়কে জনতা টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেছে।
একই সময়ে সুবিদবাজারে ও দুপুরে আম্বরখানা পয়েন্টে ও শহীদ মিনারে, সন্ধ্যায় কোর্ট পয়েন্টে পৃথক প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানব অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনে বক্তরা অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের গ্রেফতার ও ফাঁসি দাবি করে বলেন, পুলিশ হেফাজতে কারো মৃত্যু কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না।
এর আগে দুপুরে নিহত রায়হানের মা সালমা বেগমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট লোকজন রেজিস্ট্রি মাঠ থেকে মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসক এম, কাজী এমদাদুল ইসলামের নিকট রায়হান হত্যাকারীদের বিচার ও দোষীদের গ্রেফতার দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছেন।
এদিকে বিকালে পাঠানটুলায় রাস্থা অবরোধ করলে পুলিশ তাদেরকে সরিয়ে দিতে গেলে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী পুলিশকে ধাওয়া করে।
অভিযোগ উঠেছে সিলেটে বন্দর বাজার ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনে মারা যান রায়হান।
নিহতের চাচা মো. হাবিবুল্লাহ জানান, ভোর রাত চারটার দিকে রায়হান একজন পুলিশ সদস্যের ফোন দিয়ে তার মায়ের মোবাইলে কল করে বলে, ‘আমারে বাঁচাও, ১০ হাজার টাকা লইয়া তাড়াতাড়ি ফাঁড়িতে আসেন। ’ এরপর পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিত হন রায়হানকে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।
মো. হাবিবুল্লাহর দাবি, কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদে ফজরের নামাজ পড়ে পাশের ফাঁড়িতে রায়হানের সন্ধানে গেলে ডিউটিরত কনস্টেবল তাকে জানান- ‘সবাই ঘুমে। সকালে আসেন। এ সময় ১০ হাজার টাকা নিয়ে তাকে ফাঁড়িতে যেতে বলা হয়।
নিহতের চাচা বলেন, পরে ৫ হাজার টাকা সংগ্রহ করে ফাঁড়িতে গেলে পুলিশ বলে রায়হান অসুস্থ। ওসমানী মেডিকেলে যান। এরপর মেডিকেল হাসপাতালের মর্গে এসে দেখেন রায়হানের লাশ। এই ঘটনায় নগরীতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
হাবিবুল্লাহ বলেন, রায়হানের পায়ের তলা ও হাঁটুর নিচসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার হাতের নখ উপড়ে ফেলা হয়েছে। ফাঁড়ির ভেতর ‘পুলিশ নির্যাতন’ করে তাকে হত্যা করেছে বলেও অভিযোগ তার।
এ ঘটনায় রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
এদিকে রায়হানের শরীরে অতিরিক্ত আঘাতের কারণেই মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. শামসুল ইসলাম। দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
ডা. শামসুল বলেন, রায়হানের শরীরে অনেকগুলো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাকে প্রচণ্ড মারধর করা হয়। এসব কারণেই তার মৃত্যু হতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে এ ব্যাপারে বিস্তারিত বলা যাবে।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পরগনাহী দৌলতপুর সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার উদ্যোগে ও ফ্রান্স প্রবাসী এমদাদুল হকের সার্বিক সহযোগিতায়,(২৭ শে আগষ্ট) বৃহস্পতিবার বাদ যোহর মাদ্রাসা হল রুমে স্বাস্হ্য বিধি মেনে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ,হাফিজিয়া শাখার এতিম,অনাত ছাত্রদের উপস্হিতিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় বন,পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন এম,পি মহোদয়ের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয়। এতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সহকারী অধ্যাপক মোঃ মিছবাহ উদ্দীনের সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন বড়লেখা থানার অফিস ইন-চার্জ মোঃ জাহাঙ্গীর সরদার, বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত (তদন্ত) কর্মকর্তা রতন কুমার,৩নং নিজ বাহাদুর পুর ইউনিয়ের চেয়ারম্যান মোঃময়নুল হক(মাষ্টার), ৪ নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আহমদ জুবায়ের লিটন, ৫ নং দক্ষিন শাহবাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রাক্তন ছাত্র মোঃসাহাব উদ্দীন, শাহবাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ মোশাররফ হোসাইন, ইটাউরী মহিলা আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক হাফিজ সফর উদ্দীন, ইটাউরী হাজী ইউনুছ মিয়া মেমোঃ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুর রহিম, ইউ/পি সদস্য শামীম উদ্দীন, মাদ্রাসার আজীবন দাতা সদস্য ও দৌলতপুর ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সাবেক সেক্রেটারী মোঃমজির উদ্দিন (মনু), গভার্নিং বডির সদস্য এমরানুল হক (বাবু) গভার্নিং বডির সদস্য সাংবাদিক কাজী রমিজ উদ্দিন, শিক্ষক ফয়জুল হক, বিশিষ্ট মুরুব্বি হাজী আব্দুল আহাদ মানিক, হাজী আকবর হোসাইন, হাজী নজরুল ইসলাম, হাজী আব্দুস সামাদ,মোস্তাক আহমদ সাহেল তায়েফ আহমদ, শামছুদ্দুহা মনজু, মনসুর আহমদ প্রমুখ।
এ ছাড়া আরো উপস্হিত ছিলেন বড়লেখা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য দৈনিক ভোরের কাগজের প্রতিনিধি মিজানুর রহমান,দৈনিক যুগান্তর প্রতিনিধি আব্দুর রব,সময়চিত্রের সম্পাদক ফয়জুল হক শিমুল,বড়লেখা ডাকের বার্তা সম্পাদক তারেক মাহমুদ ও মোঃইবাদুর রহমান জাকির।
মন্ত্রী সহ অন্যান্য জাতীয় ও স্হানীয় মৃত নেতৃবৃন্দের রূহের মাগফিরাত কামনা ও জীবিত নেতৃবৃন্দের সুস্হ্যতা কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মোঃ মিছবাহ উদ্দীন।
অনুষ্টানে ফ্রান্স প্রবাসী তরুন সমাজসেবক এমদাদুল হক মাদ্রাসার সাধারন তহবিলে এক লক্ষ টাকা প্রদানের ঘোষনা করেন।অনুষ্টান শেষে ক্যাম্পাসে অতিথিবৃন্দ একটি ফলজ গাছের চারা রোপন করে বৃক্ষরোপনের উদ্বোধন করেন।
এম. এম আতিকুর রহমান ঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা ইমাম মুয়াজ্জিন পরিষদের উদ্যোগে বড়লেখা-জুড়ীর সংসদ সদস্য পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন এর আশু সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান আজ ১৯ আগস্ট বড়লেখা পৌরসভার হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা সভাপতি বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা রুহুল আমিন এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব নগর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফিজ মাওলানা মনোয়ার হোসেন মাহমুদীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ,
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার মেয়র আবুল ইমাম মোঃ কামরান চৌধুরী, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল আহাদ, বড়লেখা হিফজুল কুরআন মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা খলিলুর রহমান, বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক এম. এম আতিকুর রহমান, সুড়িকান্দি মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ও মসজিদের ইমাম মাওলানা ওলিউর রহমান, পরিষদের সহ সভাপতি হাফিজ মাওলানা একরাম আলী, সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আবুল হাসান হাদী, পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ মাওলানা তৌয়বুর রহমান, অর্থ সম্পাদক মুখলিসুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা বদরুল ইসলাম, মাওলানা মুতাহিরুল ইসলাম প্রমুখ।
মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার১ নংবর্ণি ইউনিয়নের ৯নংওয়ার্ডের বর্ণি “প্রবাসী জনকল্যাণ পরিষদ” এর পক্ষ থেকে উপজেলার২নংদাসের বাজার ইউনিয়নের সুড়িকান্দি (চুলুপাঁড়া)গ্রামের কৃতি সন্তান বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজের মেধাবী ছাত্র কিডনীরোগী জিন্নাতুল বাহার জাহেদ এর চিকিৎসার জন্য ৫০০০০/(পঞ্চাশ হাজার টাকা)আর্থিক সহয়তা তাঁর মা-বাবার হাতে প্রদান করা হয়েছে।এতে উপস্থিত ছিলেন,২নংদাসের বাজারের সাবেক চেয়ারম্যান মাহতাব উদ্দিন (মাতাই)১নংবর্নি ইউনিয়ন০৯ ওয়ার্ডের ইউঃপিঃসদস্য হাজী ছায়ফুজ্জামান ছরওয়ার ডাঃ শাহাব উদ্দিন, ডাঃ সুনাম উদ্দিন, বর্ণি প্রবাসী জন কল্যাণ পরিষদ এর সদস্য রুছিত আহমদ,আলী হোসেন (কুয়েত প্রবাসী)প্রমূখ।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা খেলাফত মজলিসের নির্বাহী পরিষদের এক জরুরী বৈঠক ও করোনা আক্রান্ত মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন এমপি সহ অসুস্থ দেশ-বিদেশের সকলের জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা সভাপতি কাজী মাওলানা এনামুল হকের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের মৌলভীবাজার জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল খালিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সাংবাদিক এম. এম আতিকুর রহমান।
উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা লুতফুল রহমানের পরিচালনায় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সৌদি আরব জেদ্দার সাবেক নেতা মাওলানা এখলাসুর রহমান, উপজেলা সহ সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা খায়রুল ইসলাম, সহ সাধারণ সম্পাদক ও সদর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ফয়সল আলম স্বপন, বায়তুলমাল সম্পাদক মাওলানা মনসুর আহমদ, নির্বাহী সদস্য ও দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের সভাপতি হাফিজ মাওলানা আব্দুর রহিম, ছাত্র মজলিসের উপজেলা সেক্রেটারি সুলতান আহমদ প্রমুখ।
সভায় করোনাকালিন অসুস্থ ও কর্মহীন গণমানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সেবার মানসেই সকলকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার উপর গুরুত্বারোপ করেন নেতৃবৃন্দ। শেষে বড়লেখা-জুড়ীর সংসদ সদস্য পরিবেশ মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন সহ অসুস্থ দেশ-বিদেশের সকলের জন্য বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা লুতফুর রহমান।
স্টাফ রিপোর্টার ঃ কর্মহীন অসহায় মজলুম মানুষের নিরব আর্তনাদে সমাজ ও পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে। করোনাকালীন প্রবাসী, ব্যবসায়ীসহ কর্মহীন হয়ে গেছে অনেক পরিবার। তাই অসহায় গণমানুষের পাশে বিত্তবানদের দাঁড়াতেই হবে।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটির উদ্যোগে আজ ১৫ আগষ্ট পড়ন্ত বিকেলে শহরের ষাটমা স্কুল প্রাঙ্গণে গরিব অসহায় পরিবারের মাঝে বিশুদ্ধ পানির জন্য টিউবওয়েল বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে সাংবাদিক এম. এম আতিকুর রহমান উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
সোসাইটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সিরাজুল ইসলাম শিরুলের সভাপতিত্বে এবং সহ সাধারণ সম্পাদক ফাহাদ আহমদ ফাহিমের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন সোসাইটির প্রধান উপদেষ্টা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আহাদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক এডভোকেট আফজাল হোসেন। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সাংবাদিক,কলামিস্ট ও সমাজ সেবক এম. এম আতিকুর রহমান।
উপস্থিত ছিলেন সোসাইটির স্থায়ী কমিটির প্রধান সমন্ময়কারী মুহাম্মদ খায়রুল ইসলাম, স্থায়ী কমিটির সদস্য রিপন আহমদ, সিনিয়র সদস্য আমিনুল বাবলু, জামিল আহমদ, প্রচার সম্পাদক আব্দুল হালিম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ আব্দুস সামাদ, তরুণ কবি খন্দকার সাহেদ হাসান, ইমরান আহমদ, মুহাম্মদ জুবায়ের আহমদ, জয়দুল ইসলাম, হামিদা বেগম ঝুমা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ও পরিবেশ মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন এমপির সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে দোয়া পরিচালনা করেন স্থায়ী কমিটির প্রধান সমন্ময়ক মুহাম্মদ খায়রুল ইসলাম।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী করোনা আক্রান্ত আলহাজ্ব মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি মহোদয়ের আশু রোগমুক্তি কামনা করে দোয়া ও প্রার্থনা করা হয়েছে।
উপজেলা পরিষদ হলরুমে আজ বিকেলে অনুষ্ঠিত মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, উপজেলা নির্বাহি অফিসার শামীম আল ইমরান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাব তাজ উদ্দিন, বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম সরদার, বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রত্নদ্বীপ বিশ্বাস, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগম হাসনা, উপজেলার সকল দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ।
“মুজিববর্ষের আহ্বান, লাগাই গাছ বাড়াই বন” প্রতিপাদ্য ধারণ করে সারা দেশে এক কোটি বৃক্ষের চারা রোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। পরিবেশ রক্ষায় প্রয়োজনের তুলনায় আমাদের দেশে বৃক্ষ অনেক কম। তাই সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর সরকারি-বেসরকারিভাবে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। সেই কর্মসূচীর অালোকে সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শুরু হয়েছে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী ২০২০।
“একটি গাছ একটি প্রাণ; আসুন গাছ লাগাই, প্রাণ বাঁচাই” – এই স্লোগানে সামাজিক যুগপৎ আন্দোলনে সামাজিক মানবতাবাধী সংগঠন সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশনের “গড়ে তুলি আমাদের প্রিয় সবুজ বাংলাদেশ” কর্মসূচীর আওতায় গ্রামব্যাপী সহস্রাধিক বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের প্রথম ধাপের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু। প্রতিবারের মতো সকল ইতিবাচক সামাজিক আন্দোলনে গ্রামের তরুণদের পাশাপাশি এগিয়ে এসেছেন গণ্যমান্যরাও। গতকাল বড়লেখা উপজেলার ইটাউরী গ্রামের কমিউনিটি ক্লিনিক এর আঙিনায় বৃক্ষরোপণ এর মাধ্যমে এই কর্মসূচী উদ্বোধন করা হয়।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধনীতে অংশগ্রহণ করেন স্থানীয় ইউপি সদস্য সাজু আহমদ, উপজেলা স্বাস্থ্যকর্মী এমদাদুল হক শামীম, কমিউনিটি ক্লিনিক এর স্বাস্থ্যকর্মী করুণা সিধু পাল, আব্দুল হামিদ, আব্দুল আহাদ, ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা সৈয়দ মতিউর রহমান, আব্দুল জলিল ছটন, ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্টাতা সদস্য ও সমাজকর্মী সৈয়দ জিল্লুর রহমান, আব্দুল করিম, ক্বারী অব্দুল সামাদ, সৈয়দ জাকারিয়া, সৈয়দ এমরানুল হক, সৈয়দ শাকারিয়া, সৈয়দ আব্দুল হাকিম, ফরিদুল ইসলাম জাবরুল।
ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সৈয়দ মেহেদী রাসেল বলেন, “গড়ে তুলি আমাদের প্রিয় – সবুজ বাংলাদেশ” কর্মসূচীর আওতায় আমাদের ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর প্রথম ধাপ আমরা শুরু করেছি। এক হাজারেরও অধিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর এই প্রকল্প পর্যায়ক্রমে দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে ইনশাল্লাহ। সকলের প্রতি বিনীত আহবান আপনাদের নিজ আঙিনায় একটি করে হলে গাছ রোপণ করুন। এটি শুধুই পরিবেশকে রক্ষা করবে তাই নয় অদূর ভবিষ্যতে আপনার অর্থ আয়ের উৎস হয়ে উঠবে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষ সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। সুস্থ্য জীবনের জন্য নির্মল বায়ু ও অক্সিজেন দান করে গাছ। এসব গাছ বড় হলে পরিবেশ ও প্রতিবেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি। আসুন গাছ লাগাই, প্রাণ বাঁচাই; গড়ে তুলি আমাদের প্রিয় – সবুজ বাংলাদেশ।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শামীম আল ইমরান আজ বিকেলে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে টি আর বরাদ্দ থেকে নির্মিত দূর্যোগ সহনীয় ঘর এবং এইচবিবি প্রকল্পের আওতায় নির্মিত রাস্তার কাজ পরিদর্শন করেন।
এসময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান ও নিজ বাহাদুরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ময়নুল হক উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ বড়লেখা উপজেলায় “গ্রামীণ দরিদ্র গৃহহীন জনগোষ্ঠীর জন্য দূর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ ” প্রকল্পের আওতায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রায় ৭২,০০,০০০ টাকা ব্যয়ে ২৪ টি সেমিপাকা ঘর এবং ” গ্রামীণ মাটির রাস্তাসমূহ টেকসইকরণের লক্ষ্যে হেরিং বোন্ড (এইচবিবি) করণ” প্রকল্পের আওতায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রায় ২,৭৪,০০,০০০ টাকা ব্যয়ে ৫ কিমি রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে।
যুগে যুগে কিছু মহৎপ্রাণ মানুষ আছেন, যারা আপন যোগ্যতায় ও মহিমায় জ্বলে থাকেন আকাশের ধ্রুবতারা হয়ে, একান্ত লোক চক্ষুর আড়ালে, নীরবে, নিভৃতে থাকেন। এদের মধ্যে নেই আমিত্বের অহমিকার বহিঃপ্রকাশ। নিতান্ত প্রচার বিমুখ মানুষগুলো থেকে যান মানুষের দৃষ্টিরেখার বাইরে।এমনই একজন প্রচার বিমুখ আলোকিত মানুষ আতাউর রহমান আতা (দাসের বাজার ইউনিয়নের বার বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শফিকুর রহমানের ছোটভাই এবং বড়লেখার ইতিহাসে সম্ভবতঃ প্রথম সিএসপি এম এ মজিদের আপন ভাতিজা)। বড়লেখার ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি বিদ্যাপীঠ এফআর মুহিউস সুন্নাহ মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটের সাবেক কাউন্সিল ফয়জুর রহমানের ছোট ভাই।
যিনি বিলেতের মাটিতে বৃহত্তর সিলেটের একজন গর্বিত সন্তান হিসেবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। বড়লেখাবাসীর গর্বের নাড়ীছেড়া ধন এই মানুষটি ১৯৫৮ সালে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার সুড়িকান্দি গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। স্কুল জীবনের পরেই ১৯৭০ সালে তিনি তার পরিবার পিতা- মাতার সাথে ব্রিটেনে পাড়ি জমান। তিনি ব্রিটেনের বিভিন্ন স্থানে বসবাস করেন- Yorkshire, London, Newcastle, Buckinghamshire, এবং Northumberland. শিক্ষা জীবন সমাপ্তির পর তিনি লন্ডনের Tower Hamlet এর সাথে সংযুক্ত হন এবং স্থানীয় সরকারের অধীন Social Service Department এ কাজ করেন। তিনি একই সাথে তার পেশাগত শিক্ষাও চালিয়ে যান এবং অক্সফোর্ড এর Ruskin কলেজ হতে Certificate in Qualified Social Work ( CQSW) সম্পন্ন করেন। সত্তরের দশকের শেষের দিকে তিনি গভীরভাবে জড়িয়ে পড়েন সামাজিক, রাজনৈতিক এবং লেবার পার্টির বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে। তখন তিনি বিভিন্ন সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বে চলে আসেন-যেমন Bangladesh Youth Organization,Tower Hamlets Association for Racist Equalities,Mitali Housing Association ইত্যাদি। একই সময়ে তিনি স্থানীয় লেবার পার্টির গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থেকে ১৯৯৪ ইং সনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। তখন লেবার পার্টি পূর্ব লন্ডনে ক্ষমতায় এলে তিনি দ্রুততার সাথে নেতৃত্বের পাদপ্রদীপে চলে আসেন এবং কেবিনেটের সদস্যপদ লাভ করেন। তিনি ফাইন্যান্স কমিটি এবং অডিট প্যানেলের সভাপতি মনোনীত হন (১৯৯৫-১৯৯৬) এ। সোসাল সার্ভিস কমিটির সভাপতি মনোনীত হন (১৯৯৬-১৯৯৭) এ এছাড়াও Performance Management Working Party এর সভাপতি মনোনীত হন (১৯৯৭- ৯৮)তে অত্যন্ত সফলভাবে, (১৯৯৯-২০০০) এ কেবিনেট সদস্য হিসেবে ফাইন্যান্স ও অডিট প্যানেলে দায়িত্ব পালন করেন।(২০০০-২০০৩) এ কেবিনেট মেম্বার হিসেবে ও দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট সংস্থার সম্মুখ সারিতে থেকে নেতৃত্ব দানের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখেন।এগুলোর মধ্যে তিনি পরিচালক ছিলেন, Tinkerbel Trust (1996-1997) এ, পরিচালক Bethnal Green City Challenge company (1994-1995) এ পরিচালক Spitalfield Market. Community Trust (1994-1997) এ, পরিচালক Mile and Par Partnership 2000 (-2003) এ, পরিচালক কাচারাল ইন্ডাষ্ট্রিজ ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি – CIDA (2000-2003) এ, সভাপতি বৈশাখী মেলা (২০০০-২০০৩)এ, সভাপতি নজরুল সেন্টার শেডো বোর্ড(২০০০-২০০৩) এ। ব্যক্তি জীবনে আতাউর রহমান বেগম হাসনা রহমানের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। মিসেস রহমানও একজন নিঃস্বার্থ সমাজকর্মী।
সর্বশেষ তিনি বড়লেখাবাসীর মানবসেবার অনন্য সংগঠন, বড়লেখা ফাউন্ডেশন ইউকে এর অভিভাবকের ভুমিকায় উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন। অত্যন্ত সদালাপী, নিরহংকার, সজ্জন এ মানুষটি অনেকটা পর্দার আড়ালে থেকে নিভৃতে মানবতার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এমন একজন গুণীজনকে নতুন প্রজন্মের কাছে বহু আগে পরিচিত করানো প্রয়োজন ছিল। তাঁর ক্যারিয়ার ও জীবন থেকে নতুন প্রজন্মের অনেক কিছু শেখার আছে। কথায় আছে, যে দেশে গুণীজনের কদর নাই, সেই দেশে গুণীজন জন্মায় না।
আমরা আমাদের এই কৃতি সন্তানকে স্বশ্রদ্ধ অভিবাদন জানাই। বড়লেখায় অগনিত আলোকিত আতাউর রহমানের জন্ম হোক বার বার, এ প্রত্যাশা। তাঁর দীর্ঘ নেক হায়াত কামনা করি। ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন পরিবার- পরিজনসহ এই ফরিয়াদ দয়াময় মাবুদের তরে মনেপ্রাণে।
বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব এঁর ৯০ তম জন্মদিবস উপলক্ষে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দুঃস্থ মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। আজ আট আগস্ট সকালে বড়লেখা উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীম আল ইমরানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগম হাসনা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ দুস্থ মহিলাদের মধ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করেন।
আজ প্রায় পাঁচটা মাস, প্রতিদিন ওঁরা একজন না একজনের ফোন আসছেই। হুজুর মাদ্রাসা কবে খুলবে? আমরা কবে আসবো? বাড়িতে আর ভাল্লাগেনা।
আশার প্রহর গুনা শেষ হচ্ছে না। আজ আট আগস্ট মাদ্রাসা সমুহ খোলার কথা, কিন্তু দুই দিন আগে যখন শুনলাম যে না আট আগস্ট মাদ্রাসা খুলছে না, তখন অপেক্ষার পালা শেষ করে এঁদেরকে শান্তনা দিলাম, কিন্তু না! ওরা বলছে আমরা আট আগস্ট চলে আসবো হুজুর!
রাত কিংবা দিন, যাদের নিয়ে আমি সাজিয়েছি আমার জীবন সাধনার অমর ভালোবাসা প্রিয় রাংজিয়ল জামেয়া, এদের প্রতি আমার ও অনেকটা হৃদয়ের ব্যাকুলতা অবশ্যই রয়েছে ।
জামেয়ার নাঈবে মুহতামিম হযরত মাওঃ আব্দুল মজিদ বললেন, এঁদেরকে সামাল দেয়া যাচ্ছে না। বললাম আমি আসছি।
সকাল দশটার দিকে রওয়ানা হলাম, একে একে বিচ্ছিন্ন ভাবে এদেরকে দেখে গেলাম, সর্বশেষ মাওঃ আব্দুল মজিদ এঁর বাড়িতে একত্রিত হলো ওঁরা প্রায় পঞ্চাশ জন।
মাওলানাকে বললাম এঁদের জন্য খাবার তৈরি করুন বিল আমি এসে পরিশোধ করবো, সাথে নিয়ে গেলাম রাজমহলের মিষ্টি,নিমকি, জিলাপি আর দই।
মাওলানার সাথে আমাকে তাঁরা রিসিভ করলো, প্রতিটি বাচ্ছার মুখে আনন্দ আর হাসি। একে একে সালাম মুসাফাহা করলাম। সালাতুল এশার পর মাওলানা আব্দুল মজিদ এঁর উঠানে এদের অভিভাবক সহ ঈদ আনন্দে শরিক হলাম আমি।
আশার আগে আধা ঘন্টার মত আলোচনা রাখলাম, পনেরো মিনিটের মতো দোয়া হলো।
দোয়া শেষে এঁদের একটাই দাবি হুজুর শিক্ষা বোর্ড মাদ্রাসা খোলার ঘোষণা কবে দিচ্ছে?
আমি যখন চলে আসবো, একে একে বিদায় নিচ্ছি আর বলছি খুব শিগগিরই মাদ্রাসা খুলবে, তোমরা চিন্তা কর না, তখন ছেলে গুলো তাদের অভিভাবকদের সামনে হাউমাউকরেকাঁদছে , আমি না দেখার বাহানা করে গাড়িতে বসে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম, লুকিং গ্লাসে তাকিয়ে দেখলাম এঁরা দাড়িয়ে চেয়ে আছে আমার পথ পানে , অনেকে কান্না ঝরা চোখ মুছছে। তাঁদের ভালোবাসায় আসে ব্যাকুলতা।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় জিম্মি রেস্টুরেন্ট ও পার্টি সেন্টারের ২য় শাখার উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বড়লেখা পৌর শহরের এম আলী শপিং সিটিতে রেস্টুরেন্ট ও পার্টি সেন্টারটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি বড়লেখা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ ও বিয়ানীবাজার উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাসেম পল্লব।
এ উপলক্ষে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা পৌর মেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী, বড়লেখা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন, বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিন, দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন, বিয়ানীবাজারের মুল্লাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আলমগীর হোসেন রুনু, বিয়ানীবাজার পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আব্দুল রউফ সুমন ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন রাসেল, সমাজসেবক আলী আহমদ, কয়েছ জিয়া, সুমন আহমদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালা করেন বড়লেখা উপজেলার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা রুহুল আমিন প্রমুখ। জিম্মি রেস্টুরেন্ট ও পার্টি সেন্টারের প্রথম শাখা সিলেটের বিয়ানীবাজার শহরে। বড়লেখায় আধুনিক মানসম্পন্ন রুচিশীল খাবার ও পার্টি সেন্টারের উদ্বোধনে অতিথিবৃন্দ আনন্দ প্রকাশ করে স্বাস্থ্য বিধি মেনে নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে সকল কর্মকান্ড পরিচালনার আহবান জানান।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ ০৭নং তালিমপুর ইউনিয়ন শাখার ব্যবস্থাপনায় এবং আসন্ন ০৭নং তালিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আলিম-উলামা ও জনসাধারণ সমর্থিত, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ মনোনীত সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা, তরুণ আলিমে দ্বীন মুফতি জামিল আহমদ কাসিমীর অর্থায়নে, হাকালুকি হাওরাঞ্চলের পানিবন্ধী মানুষের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
গতকাল (রবিবার) দিনব্যাপী ত্রাণ সামগ্রী বিতরণকালে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুফতি জামিল কাসিমী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সার্বিক খোজ-খবর নেন এবং সর্বদা মানুষের পাশে থাকার ও সেবা করার অংগীকার ব্যক্ত করেন। জনসাধারণ একজন আলিম জনপ্রতিনিধি পেয়ে হৃদয় থেকে আনন্দ প্রকাশ করে এবং উচ্ছ্বাসিত হয়। তাদের সর্বাত্মক সমর্থন এবং সহযোগীতায় এই আলিম প্রতিনিধিকে বিজয়ী করার অভিপ্রায় প্রকাশ করেন। হাওরাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী রাংজিউল জামিয়া নজিবিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসায়, মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল খেলাফত মজলিস নেতা মাওঃ শায়েখ সালেহ নজিব আল আইয়্যুবীর সভাপতিত্বে বিকাল ৩টায় এক “মতবিনিময় সভা” অনুষ্ঠিত হয়। শায়েখের অসাধারণ মেহমানদারি এবং দিক-নির্দেশনায় কর্মীগণ উজ্জীবিত হয়। এই দীর্ঘ যাত্রায় সফরসঙ্গী ছিলেন- ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সংগ্রামী সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রনেতা আহমাদুল হক উমামা, সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফিয মাওঃ তায়্যিবুর রহমান, মৌলভীবাজার জেলা ছাত্র জমিয়তের সভাপতি মাওঃ শিহাবুদ্দীন শাহ আলম, বড়লেখা উপজেলা যুব জমিয়ত সভাপতি হাফিয মাওঃ ইয়াহইয়া আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মাওঃ সাইফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওঃ মাহবুবুর রহমান, দায়ী সম্পাদক হাফিয সিরাজুল ইসলাম, যুবনেতা মাওঃ শাহাবুদ্দীন, বড়লেখা উপজেলা ছাত্র জমিয়তের সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান আহমদ। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আয়োজনকে বাস্তবে রুপদান করেন- তালিমপুর ইউপি ছাত্র জমিয়তের সভাপতি মাওঃ ওলিউর রহমান শামিম, সাধারণ সম্পাদক হাফিয এবাদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিয ফাহিম আহমদ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- কাঁঠালতলি ইউপি ছাত্র জমিয়তের সভাপতি হাফিয মাহমুদুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক জুনাইদ আল হাবিব, যুবনেতা মাওঃ নাঈমুল হাসান, তালিমপুর ইউপি ছাত্র জমিয়তের সহ-সভাপতি মাওঃ জিয়াউর রহমান, মাওঃ মারুফ আহমদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফিয কিবরিয়া আহমদ, সহ-সাংগঠণিক সম্পাদক হাফিয জামিল আহমদ, অর্থ সম্পাদক মাওঃ শাহেদ আহমদ, প্রচার সম্পাদক হাফিয হুসাইন আহমদ, স্কুল-কলেজ বিষয়ক সম্পাদক মারজান আহমদ, হাফিয হাবিবুল্লাহ সাদি, আহমদ সুমন, সাইদুল ইসলাম, সাঈদ আহমদ ঈমন, জালাল আহমদ প্রমুখ।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আয়োজনে আজ দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে ১১,৪০০ জন উপকারভোগীর মধ্যে ১০ কেজি করে ভিজিএফ এর চাল বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বড়লেখা মোঃ শামীম আল ইমরান এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ বড়লেখার চেয়ারম্যান সোয়েব আহমেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার উদ্দিন, উপজেলা পরিষদ, বড়লেখার ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ তাজ উদ্দিন, বড়লেখা সদর ইউপির চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজ উদ্দিন প্রমুখ। অনুষ্ঠান টি সঞ্চালনা করেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের মুমূর্ষু রোগীদের পরিবহণ সেবায় অ্যাম্বুলেন্স দান করেছেন প্রবাসী সমাজসেবক সোহেল আহমদ সুমন। নতুন এ এ্যাম্বুলেন্সের চাবি হস্তান্তর ও সার্ভিসের উদ্বোধন উপলক্ষে সুজানগর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ্যাম্বুলেন্স দাতা প্রবাসীর পিতা মোস্তফা উদ্দিনের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ।
ইউনিয়ন তথ্য কেন্দ্রের উদ্যোক্তা খলিলুর রহমান লিমনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সুজানগর ইউপি চেয়ারম্যান নছিব আলী, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সাব্বির আহমদ, এ্যাম্বুলেন্স দাতা প্রবাসী সোহেল আহমদ সুমন, জামেয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম আজিমগঞ্জ মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আব্দুল কাদির, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমরুল ইসলাম লাল, সাধারণ সম্পাদক সাহেদুল মজিদ নিকু, ইউপি মেম্বার মকবুল হোসেন সেবুল, ফরমান আহমদ, শহিদ আহমদ, সাবেক ইউপি মেম্বার সমছ উদ্দিন, সমাজসেক আনসার হোসেন, রুয়েল আহমদ প্রমুখ।
মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ গাছ লাগিয়ে ভরব এ দেশ, তৈরী কর সুখের পরিবেশ” প্রাকৃতিক ভারসাম্য জীব বৈচিত্র সুরক্ষায় এব অর্থনৈতিক ও আর্থ-সামাজি উন্নয়নে বৃক্ষ ও বনাঞ্চলের অাবাদ অপরিসীম।প্রাকৃতিক ভারসাম্ রক্ষা করার লক্ষে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বড়লেখা সরকারী কলেজের উদ্দ্যোগে।রবিবার(২৬জুলাই)সকাল১১ঘটিকার সময় সরকারি কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী অনুষ্টিত হয়।এতে কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তওহীদুল ইসলাম ফরহাদের সঞ্চালনায়।অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা সরকারী কলেজের শিক্ষক মো: রেজাউল ইসলাম মিন্টু এবং বড়লেখা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান হোসেন ,সাধারণ সম্পাদক জুনেদ আহমদ , পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান , বড়লেখা সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি কামরুল হুসেন , সহ সভাপতি শোভন দত্ত , সহ সভাপতি মুহিবুর রহমানপড সজিব , যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মুহতাছিম হুসেন মাহাদী , যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সৌরভ দাস , সাংগঠনিক সম্পাদক তুফায়েল আহমদ সহ কলেজ ছাত্রলীগ নেতা জাবিদ আহমদ জাহেদ আহমদ ,জিসান , রাজ্জাক , মুন্না, ছামি আরও কলেজ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।
আজ ২৫ জুলাই মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ২০১৯-২০ অর্থ বছরে দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচির ১৪৭০ জন এবং কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল কর্মসূচির ৪২৫ জন উপকারভোগীর ভাতা বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত থেকে উদ্বোধন করেন প্রধান অথিতি মোঃ শাহাব উদ্দিন, এম.পি, মাননীয় মন্ত্রী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এসময় বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোয়েব আহমদ, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, বড়লেখা। আনোয়ার উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ, বড়লেখা। সভাপতিত্ব করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত লায়লা নীরা।
এছাড়া সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে জটিল রোগ ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, জন্মগত হৃদরোগ, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত ১০ জন রোগীর মাঝে জনপ্রতি ৫০,০০০/- টাকা হারে ৫,০০০০০/- টাকার চেক বিতরণ করা হয়।
আজ ২৫ জুলাই মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ২০১৯-২০ অর্থ বছরে দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচির ১৪৭০ জন এবং কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল কর্মসূচির ৪২৫ জন উপকারভোগীর ভাতা বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত থেকে উদ্বোধন করেন প্রধান অথিতি মোঃ শাহাব উদ্দিন, এম.পি, মাননীয় মন্ত্রী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এসময় বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোয়েব আহমদ, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, বড়লেখা। আনোয়ার উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ, বড়লেখা। সভাপতিত্ব করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত লায়লা নীরা।
এছাড়া সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে জটিল রোগ ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, জন্মগত হৃদরোগ, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত ১০ জন রোগীর মাঝে জনপ্রতি ৫০,০০০/- টাকা হারে ৫,০০০০০/- টাকার চেক বিতরণ করা হয়।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় জমি ক্রয় সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ব্যবসায়ী আব্দুল আহাদ (৩৫) মারা গেছেন। গতরাতে (২৩ জুলাই) সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আহাদ বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের সুজাউল (হরিনগর) গ্রামের শফিক উদ্দিনের ছেলে। আর অভিযুক্ত মাতাব উদ্দিন একই এলাকার চন্ডিনগর (হরিনগর) গ্রামের মৃত রজব আলীর ছেলে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল আহাদ ও তার স্বজনরা উপজেলার চন্ডিনগর (হরিনগর) গ্রামের মৃত রজব আলীর পুত্র মাতাব উদ্দিন ও তার সৎ ভাইদের কাছ থেকে সম্প্রতি কিছু জমি ক্রয়ের জন্য বায়নাপত্র করেন। জমি রেজিষ্ট্রির আগে নির্ধারিত মূল্যের অর্ধেকের বেশি টাকাও মাতাব উদ্দিনদের দেওয়া হয়। রেজিষ্ট্রি করার সময় অবশিষ্ট টাকা দেওয়ার কথা ছিল। পরবর্তীতে জমির কাগজপত্র সংক্রান্ত জটিলতা ও করোনাভাইরাসের কারণে জমি রেজিস্ট্রি হয়নি। এ অবস্থায় প্রায় দুই মাস আগে জমিতে চাষ করতে গেলে মাতাব উদ্দিনরা বাধা দেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে বৈঠক হলেও তা নিষ্পত্তি হয়নি। জমি নিয়ে স্থানীয়ভাবে বিচার চাওয়ায় আহাদের ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন মাতাব উদ্দিন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে আব্দুল আহাদ স্থানীয় অফিসবাজারে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। এরই মধ্যে মাতাব উদ্দিন আহাদের পথ রোধ করে দাঁড়ান। একপর্যায়ে মাতাব উদ্দিন দা দিয়ে আহাদের মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন সেখান থেকে তাঁকে (আহাদ) উদ্ধার করে প্রথমে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২টায় তিনি মারা যান।
বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইয়াছিনুল হক আজ (২৪ জুলাই) বিকেলে বলেন, ‘জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়ভাবে জেনেছি। নিহতের পরিবার এখনও মামলা দেননি। অভিযুক্ত ব্যক্তি আমাদের নজরদারিতে আছে। তাঁকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
বড়লেখা থানা ডিউটি অফিসারের মোবাইলে আজ রাত ৮ টায় কথা বললে আসামি গ্রেফতার বা মামলার বিষয়ে তিনি এখনো কিছু জানেন না বলে এ প্রতিবেদককে জানান।
আজ ২৫ জুলাই শুক্রবার মৌলভীবাজার জেলায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে মৌলভীবাজার জেলার সকল উপজেলায় সকলের মাস্ক পরিধান ও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে করোনা প্রতিরোধ কমিটি শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার এর ব্যবস্থাপনায় “সচেতন নাগরিক মঞ্চে একযোগে যোগদান করেন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান ও পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ। এছাড়াও এতে অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় জমি ক্রয় সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ব্যবসায়ী আব্দুল আহাদ (৩৫) মারা গেছেন। গতরাতে (২৩ জুলাই) সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আহাদ বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের সুজাউল (হরিনগর) গ্রামের শফিক উদ্দিনের ছেলে। আর অভিযুক্ত মাতাব উদ্দিন একই এলাকার চন্ডিনগর (হরিনগর) গ্রামের মৃত রজব আলীর ছেলে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল আহাদ ও তার স্বজনরা উপজেলার চন্ডিনগর (হরিনগর) গ্রামের মৃত রজব আলীর পুত্র মাতাব উদ্দিন ও তার সৎ ভাইদের কাছ থেকে সম্প্রতি কিছু জমি ক্রয়ের জন্য বায়নাপত্র করেন। জমি রেজিষ্ট্রির আগে নির্ধারিত মূল্যের অর্ধেকের বেশি টাকাও মাতাব উদ্দিনদের দেওয়া হয়। রেজিষ্ট্রি করার সময় অবশিষ্ট টাকা দেওয়ার কথা ছিল। পরবর্তীতে জমির কাগজপত্র সংক্রান্ত জটিলতা ও করোনাভাইরাসের কারণে জমি রেজিস্ট্রি হয়নি। এ অবস্থায় প্রায় দুই মাস আগে জমিতে চাষ করতে গেলে মাতাব উদ্দিনরা বাধা দেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে বৈঠক হলেও তা নিষ্পত্তি হয়নি। জমি নিয়ে স্থানীয়ভাবে বিচার চাওয়ায় আহাদের ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন মাতাব উদ্দিন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে আব্দুল আহাদ স্থানীয় অফিসবাজারে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। এরই মধ্যে মাতাব উদ্দিন আহাদের পথ রোধ করে দাঁড়ান। একপর্যায়ে মাতাব উদ্দিন দা দিয়ে আহাদের মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন সেখান থেকে তাঁকে (আহাদ) উদ্ধার করে প্রথমে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২টায় তিনি মারা যান।
বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইয়াছিনুল হক আজ (২৪ জুলাই) বিকেলে বলেন, ‘জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়ভাবে জেনেছি। নিহতের পরিবার এখনও মামলা দেননি। অভিযুক্ত ব্যক্তি আমাদের নজরদারিতে আছে। তাঁকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
বড়লেখা থানা ডিউটি অফিসারের মোবাইলে আজ রাত ৮ টায় কথা বললে আসামি গ্রেফতার বা মামলার বিষয়ে তিনি এখনো কিছু জানেন না বলে এ প্রতিবেদককে জানান।
করোনা পরিস্থিতিতে কোরবানির পশুর হাট কতটুকু জমবে তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছেন ব্যাসায়িরা। তবে এসব দুশ্চিন্তা পাশ কাটিয়ে “চান্দগ্রাম” হাটে এবার বড় তারকা হিসেবে আলোচনায় রয়েছে ছোট বালক জামিল এর গরু ।গরুই সর্বোচ্চ মূল্যে বিক্রি হবে বলে ধারণা তাদের। ষাঁড়টির দৈর্ঘ্য ৬ফুট, উচ্চতা ৫ ফুট, ওজন ৭ মণ। লাল রঙের সুঠাম স্বাস্থ্যের ষাঁড়টির নাম বিক্রির জন্যই কেবল দেওয়া হয়েছে । লাল শরীরের বসও পিছিয়ে নেই। এই বসের ওজন ৭মণ। বৃহঃবার দুপুরে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার খামারি জামিল এর খামারে এই ষাঁড় গরু টির দেখা মিলে। আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দেশিয় জাতের গরুটি দেশীয় পদ্ধতিতে নিজের খামারে মোটাতাজা করেছেন তিনি। খামারি জামিল জানান, গরুটি খুব শান্ত স্বভাবের। ওর কোনও রাগ নেই। কারও দিকে তেড়েও আসে না। ৪ বছর ধরে আমি গরুর খামার করছি।৫ মাস আগে দাম হয়েছে দেড় লাখ টাকায়। তবে ২ লাখ টাকা পেলে গরু টি ছেড়ে দেবেন বলে জানান তিনি। জামিল আরও জানান, প্রতিদিন দুই বেলা ১০ কেজি করে খাবার খায় গরু দুটি। এরমধ্যে রয়েছে গমের ভুসি, ধানের গুঁড়া, ভুট্টা, শুকনো খড় ও কাঁচা ঘাস। এছাড়া মাঝেমধ্যে ভাতও খায়। প্রতিদিন প্রায় এক হাজার টাকার খাদ্য লাগে। কোনও ধরনের মেডিসিন ব্যবহার করা হয়নি। তবে প্রাণিসম্পদ অফিসের পরামর্শ নিয়েছি।
এদিকে দেখতে প্রতিদিনই লোকজন তার বাড়িতে ভিড় করছেন। গরু দেখতে আসা সাংবাদিক কাজী রমিজ উদ্দিন , বড় আকৃতির গরুর কথা শুনে দেখার আগ্রহ হয়েছিল। তাই দেখতে আসছি। আমি অনেক খামারির কাছে খবর নিয়েছি, এত বড় গরু আর নেই। কিন্তু করোনাকালে দুশ্চিন্তায় রয়েছি। কেননা, করোনাভাইরাস ও সাধারণ মানুষের পকেটে টাকা না থাকার কারণে এবার সারা দেশের পশুর হাটগুলোতে পশু কম থাকবে। সেই সঙ্গে ক্রেতাও কম থাকবে। কারণ, করোনার কারণে অনেক ক্রেতা-বিক্রেতা হাটে যাওয়া থেকে বিরত থাকবেন। আবার অনেকে আর্থিক কারণে পশু কেনার চিন্তাই করবেন না। ফলে লোকসানও বেশি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
করোনাভাইরাসের মধ্যে খামারিরা গরু বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধি ::মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের আতুয়া গ্রামের লন্ডন প্রবাসী,জামেয়াতুল উম্মা ইসলামিক স্কুল লণ্ডন E-1 এর শিক্ষক মাওলানা মোঃ মুমিনুল ইসলাম ফারুকী ও তাঁর বন্ধুদের অর্থায়নে এলাকার হত দরিদ্র,অসচ্ছল ৯০টি পরিবারের মাঝে ঈদের খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আতুয়া গ্রামে প্রবাসী মুমিনুল ইসলাম ফারুকীর নিজ বাড়িতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দরিদ্রদের মাঝে এসব সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।
এসময় উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ৩৮জন সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ৫২ জন ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের মাঝে ১০ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ লিটার তৈল, ২ টি সাবান ও নগদ ৫শত টাকা করে বিতরণ করা হয়।
বিতরণকালে স্থানীয় ইউপি সদস্য আলীম উদ্দিন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কালাচাঁদ চন্দ চন্দ, স্থানীয় স্কুল শিক্ষক আব্দুল করিম, উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের তালাক ও নিকাহ রেজিস্টার সাংবাদিক কাজী রমিজ উদ্দিন,আতুয়া জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওঃআব্দুস শহীদ, সুলতান মাহমুদ খান,তারেক মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
লন্ডন প্রবাসী মুমিনুল ইসলাম ফারুকী জানান, ‘করোনাভাইরাসের এই পরিস্থিতিতে খেটে খাওয়া হতদরিদ্র মানুষগুলো খুব কষ্টের মধ্য জীবনযাপন করছে।তাই প্রবাসে বসে আমি উদ্যোগ নিয়েছি এই দুঃসময়ে হতদরিদ্র মানুষের পাঁশে দাঁড়ানোর। এ উদ্যোগে আমার বন্ধুমহল এগিয়ে এসেছেন। তাদের আর্থিক সহযোগিতায় এবং আমার ভাই আব্দুস শহীদ ও মুজিরুল ইসলামের মাধ্যমে করোনাকালীন সময়ে আরও দুই দফায় অসহায় দরিদ্রদের মাঝে নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছি। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ৯০ টি হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ সম্পন্ন করা হয়েছে,দুঃখিদের মুখে হাসি ফুটানো ধনীদের নৈতিক দায়িত্ব। ধাপে ধাপে হতদরিদ্র পরিবারগুলোর মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের ধারা অব্যাহত রাখবো ইনশা আল্লাহ।’
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আজ ২৩ জুলাই উপজেলা পরিষদ হলরুমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি এর ঐচ্ছিক তহবিলের চেক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শামীম আল ইমরান এর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে ফেসবুকে লাইভে প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী বড়লেখা-জুড়ী আসনের সংসদ সদস্য মোঃ শাহাব উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার উদ্দিন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ তাজ উদ্দিন।
উক্ত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী মহোদয়ের ঐচ্ছিক তহবিলের ২০১৯-২০ অর্থবছরের বরাদ্দ থেকে ১১৫ জন ব্যক্তি ও ২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪,৯৭,০০০ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার যেভাবে দেশের দরিদ্র মানুষদের সুযোগ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে তাতে আগামীতে সরকারী ভাতা নেয়ার মানুষও খুঁজে পাওয়া যাবে না। করোনা মহামারীর সময়েও ঝুঁকি নিয়ে সরকার দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছে। সোমবার বিকালে মৌলভীবাজারের বড়লেখার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র অসহায়দের মাঝে বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বয়স্ক বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার চালু করেছিল।তারই ধারাবাহিকতায় উত্তর শাহবাজপুরে বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধীদের ভাতার কার্ড করে দেয়া হয়েছে। বাকি যারা রয়েছেন আগামী এক বছরের মধ্যে সবাইকে ভাতার আওতায় আনা হবে। কেউ বাদ পড়বে না।উত্তর শাহবাজপুর ইউপি ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) সেলিম আহমদ খানের সভাপতিত্বে ও ইউপি মেম্বার বদরুল ইসলামের পরিচালনায় বিভিন্ন ভাতার কার্ড বিতরণের সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইউএনও মো. শামীম আল ইমরান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিন,উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা উবায়েদ উল্লাহ খান, ভিডিও কনফারেন্সে লন্ডন থেকে বক্তব্য রাখেন উত্তর শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান আহমদ জুবায়ের লিটন,ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক, ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিক উদ্দিন, আওয়ামী লীগ নেতা জোবের আহমদ, যুবলীগ নেতা কামাল উদ্দিন প্রমুখ।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য রফিকুল আলমের ইন্তেকালে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি (২০ জুলাই) গতরাত ৩ ঘটিকায় গ্রামতলাস্থ তাঁর নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন।
মরহুমের জানাজার নামাজ আজ বেলা ২ ঘটিকায় সৈয়দা মোকাম মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্টিত হয়ে স্থানীয় গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। একজন সততা সম্পন্ন বিনয়ী ও পরোপকারী সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে সুপরিচিত উদীয়মান সমাজ সেবককে অকালে হারিয়ে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
আমরা তাঁর শোকাহত পরিবার পরিজনের সবরে জামিল দান এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের আলা মাকাম নসিব করুন দয়াময় আল্লাহর কাছে কায়মনোবাক্যে এই ফরিয়াদ জানাই।
ভারতের করিমগঞ্জে গণপিটুতে নিহত হওয়া তিন বাংলাদেশীর দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাদের বাড়ি মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায়। নিহত দুজন হলেন-উপজেলার তালিমপুর ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর গ্রামের মৃত আছদ্দর আলীর ছেলে মো. নুনু মিয়া (২৭) এবং একই গ্রামের আব্দুল মানিকের ছেলে জুয়েল আহমদ (২৬)। তারা সম্পর্কে পরস্পর চাচা-ভাতিজা। দুজনেই পেশায় অটোরিক্সা চালক বলে জানা গেছে।
বড়লেখা উপজেলার তালিমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিদ্যুৎ কান্তি দাস আজ বিকেলে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন। চেয়ারম্যান জানান, নিহত হওয়া তিনজনের মধ্যে দুজনের বাড়ি তালিমপুর ইউপির কাঞ্চনপুর এলাকায়। তিনি তাদের পরিবারের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছেন যে তারা দুজন গত শুক্রবার জুড়ীতে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর থেকে তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। আজ সকালে জুড়ী থানা পুলিশ তাকে জানায় যে তারা ভারতে খুন হয়েছেন। পরে তিনি নিহতদের ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত হন।
নিহত জুয়েল মিয়ার বড়ভাই রুবেল জানান, গত শুক্রবার এক ব্যক্তি তাদেরকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। আজ সকালে তারা জানতে পেরেছেন যে তারা ভারতে গিয়ে খুন হয়েছেন। তবে তারা কেন এবং কী জন্য ভারতে যায় সে ব্যাপারে কিছুই জানা যায়নি।
বিজিবি ৫২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল গাজী শহীদুল্লাহ বলেন, ভারতে নিহত হওয়া দুই বাংলাদেশীর পরিচয় জানা গেছে। তাদের দুজনের বাড়ি বড়লেখায়। আর নিহত হওয়া অপরজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
স্থানীয় পুলিশের বরাত দিয়ে সেখানকার সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, নিহত বাংলাদেশীরা গত শনিবার রাতে সীমান্ত পেরিয়ে করিমগঞ্জের পাথরকান্দি অঞ্চলে বগরিজান চা বাগান এলাকায় ঢুকে পড়ে। স্থানীয় লোকজন গরুচোর সন্দেহে এসময়ে তাদের ওপর হামলা করে। হামলার এক পর্যায়ে ঘটনাস্থলেই তারা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। ঐ এলাকার পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে নিহত তিন জনের লাশ উদ্ধার করে। লাশ হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নিউজ ডেস্কঃ সিলেটে অর্থের বিনিময়ে করোনা রোগীদের ভুয়া সার্টিফিকেট প্রদান ও নিজে করোনা আক্রান্ত হয়েও রোগী দেখার দায়ে এএইচএম শাহ আলম নামে এক চিকিৎসককে একলাখ টাকা জরিমানা ও চার মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রোববার রাতে নগরীর মধু শহীদ এলাকার বেসরকারি মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেডের নীচ তলায় ডা. শাহ আলমের চেম্বারে অভিযান চালায় র্যাব-৯। অভিযানের নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুনন্দা রায়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুনন্দা রায় বলেন, ‘ডা. আলমকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তিনি তার অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাকে ৪ মাসের জেল, ১ লাখ টাকা জরিমানা করার পাশাপাশি অনাদায়ে আরও ১ মাসের জেল দেওয়া হয়। তার সব অনিয়মের প্রমাণ আমাদের কাছে রয়েছে।’
র্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সামিউল আলম জানান, ডা. আলম বিদেশযাত্রীসহ কয়েকজনকে করোনার ভুয়া সার্টিফিকেট টাকার বিনিময়ে দিয়েছেন বলে র্যাবের কাছে স্বীকার করেন। পরে তাকে নিয়ে তার চেম্বার মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেডে অভিযান চালানো হয়।
সামিউল আলম বলেন, ‘তিনি ওসমানী মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতেন। যদিও তিনি কোনো সরকারি হাসপাতালে চাকরি করতেন না। এ ছাড়া তিনি নিজে গত ১৪ জুলাই করোনা আক্রান্ত হন। এই তথ্য গোপন রেখেই তিনি চেম্বারে রোগী দেখে যাচ্ছেন।’
বিদেশ যাত্রীদের জন্য বিভিন্ন দেশ ও এয়ারলাইন্স করোনা নেগেটিভ সার্টিফেকেট বাধ্যতামূলক করার পর প্রবাসীদের টার্গেট করেন ডা. শাহ আলম। ‘করোনা নেগেটিভ’ সার্টিফিকেট দেওয়ার বিপরীতে তিনি চার হাজার টাকা করে আদায় করেন। ফ্লাইটের ৪৮ ঘন্টা আগে তিনি ওই প্রবাসীকে ডেকে নিয়ে হাতে ধরিয়ে দেন প্রত্যয়নপত্র। রোগী বা যাত্রীকে না দেখেই নিজের প্যাডে দেওয়া ওই প্রত্যয়পত্রে ডা. শাহ আলম লিখে দেন, তিনি ওই ব্যক্তিকে তার চেম্বারে দেখেছেন। তার মধ্যে কোভিড-১৯ এর কোন লক্ষণ নেই।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় দুর্বৃত্তের দেওয়া আগুনে পুড়ে ৩টি গরু মারা গেছে। গতমধ্যরাতে উপজেলার দক্ষিণভাগ উত্তর (কাঠালতলী) ইউনিয়নের পশ্চিম কাঠালতলী গ্রামে উপজেলা তাঁতি লীগের সভাপতি, আ’লীগ নেতা ঠিকাদার মহিউদ্দিন আহমদ গোলজারের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত রাত ১টার দিকে হঠাৎ করে সেমিপাকা গোয়ালঘরে আগুন লাগে। এসময় গোয়ালে থাকা গরু হাঁকডাক ও লাফালাফি করতে থাকে। গরুর হাঁকডাক শুনে মহিউদ্দিন আহমদ গোলজার ঘর থেকে বের হয়ে গোয়ালঘরে আগুন দেখতে পান। ঘটনা বুঝতে পেরে এলাকার লোকজন এসে দীর্ঘ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে আগুনে গোয়ালে থাকা একটি গাভিসহ তিনটি গরু মারা যায়। পাশাপাশি সেখানে রাখা একটি পানির পাম্প ধান ভাঙার মেশিন, গাড়ির টায়ারসহ বিভিন্ন মালামালও পুড়ে যায়।
বাড়ীর মালিক ঠিকাদার মহিউদ্দিন আহমদ গোলজার আজ বলেন, পূর্বশত্রুতার জেরে ধরে কেউ হয়তো তাঁর গোয়ালঘরে আগুন দিয়েছে। তা নাহলে এখানে আগুন লাগার কথা নয়। তিনটি গরুসহ গোয়ালে থাকা পানির পাম্প, ধান ভাঙার মেশিন, গাড়ির টায়ারসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে তাঁর প্রায় ৬ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
বড়লেখা ফায়রাসার্ভিসের ফায়ারম্যান সফিউল আলম রোববার জানান, রাতে আমরা আগুন লাগার খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই স্থানীয়রা ফোনে জানান আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। পরে আর সেখানে যাওয়া হয়নি।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক, বড়লেখা পৌরসভা’র ২ নং ওয়ার্ড থেকে বার বার নির্বাচিত কাউন্সিলর, বিশিষ্ট সমাজ সেবক জেহীন সিদ্দিকী আর্ত মানবতার সেবায় করোনার প্রাদুর্ভাবে বিপর্যস্ত অসহায় মানুষের জন্য মানবিক দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আজ তিনি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।
তাঁর দ্রুত সুস্থতার জন্য মহান আল্লাহর কাছে তিনিসহ কায়মনোবাক্যে দোয়া কামনা করেছেন বড়লেখা উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ ও বড়লেখার পৌর মেয়র আবুল ইমাম মোঃ কামরান চৌধুরী। বড়লেখা উপজেলার মধ্যে করোনা পজিটিভ সনাক্ত বেশি হয়েছে কাউন্সিলার জেহিন সিদ্দিকীর ওয়ার্ডে। তিনি আক্রান্ত এলাকা ও পরিবারের দেখাশোনা করেই যাচ্ছিলেন। এই মানবতার খেদমতে নিয়োজিত ব্যক্তির আশু সুস্থতায় সকলের দোয়া প্রত্যাশি।
আজ ১৭ জুলাই শুক্রবার মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার ৭ নং ফুলতলা ইউনিয়নের বুটলি গ্রামের পরিতোষ পাল পিতাঃ মৃত লোকেশ পাল গতরাত ১২.৪৫ মিনিটে করোনায় আক্রান্ত হয়ে বড়লেখা উপজেলা শহরের গাজীটেকা নামক স্থানের সরৎ ম্যানশনের ৩য় তলায় পরলোকগমন করেন।
ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজার সভাপতি মাওঃ এহসানুল হক জাকারিয়া জানান, পরলোকগমনকারীর ছেলে পার্থ পাল মুঠোফোনে জানান, উনার বাবা করোনা পজেটিভ অবস্থায় পরলোকগমন করেছেন কিন্তু সৎকারের জন্য কোনো মানুষ খোজে পাচ্ছেন না, আমরা উনার বাবার সৎকার করবো কি না? তিনি বলেন যদি প্রশাসন অনুমতি দেন তাহলে সৎকার করে দিবো। তিনি তখন বড়লেখা উপজেলার ওসি এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সাথে আলাপ করে জানান তারা অনুমতি দিয়েছেন, তবে জুড়ী উপজেলার কথা বলতে হবে, মৃত ব্যক্তির ছেলে জুড়ী স্বাস্থ কর্মকর্তা এবং প্রশাসনের সাথে আলাপ করেন। ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজারের সভাপতিও উভয় উপজেলা প্রশাসনের সাথে আলাপ করে, তাদের অনুমতিতে সৎকার কার্জ সম্পন্ন করেন। ইকরামুল মুসলিমীন সভাপতি আরো জানান, আমরা এম্বুলেন্স দিয়ে বড়লেখা বাসা থেকে লাশ নিয়ে জুড়ীতে আসি, সেখানে আমরা লাশকে স্নান করাই। মৃত ব্যক্তির ছেলে, মূখাগ্নী দেন। ভোররাত থেকে সকাল ১০.৩০ মিনিট পর্যন্ত সৎকার চলে। ইতোপূর্বে ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গলে বীর মুক্তিযোদ্ধা বিকাশ দত্তের সৎকার করে এবং শমসেরনগর খ্রীস্টান চার্চের শ্যামুয়েল রোকন মল্লিককে ফ্রী অক্সিজেনসহ বিভিন্ন সেবা দিয়ে আসছে।
এটা ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজারের ২য় হিন্দু সৎকার এবং ইকরামুল মুসলিমীনে মৌলভীবাজারের ১৪ তম করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর দাফন-কাফন। এর পূর্বে মৌলভীবাজার সদরে ৩টি, শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ৬টি, জুড়ী উপজেলায় আজসহ ৩ টি এবং কুলাউড়া উপজেলায় ১ টি এবং আজ বড়লেখা উপজেলায় ১ টি সহ ১৪তম দাফন-কাফন সম্পন্ন করে।
জুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানার অফিসার ইনচার্জ সহ সুশীল সমাজ ইকরামুল মুসলিমিন ফাউন্ডেশন এর এমন মানবসেবার দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানান।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শামীম আল ইমরান আজ ১৬ জুলাই দুপুরে পৌরসভার হলিলাইফ স্পেশালাইজড হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এতে ক্লিনিক পরিচালনার লাইসেন্স না থাকা, মেয়াদ উত্তীর্ণ রি-এজেন্ট ব্যবহার করা এবং প্রদত্ত সেবার নির্ধারিত মূল্য তালিকা না থাকায় মেডিকেল প্র্যাকটিস এবং বেসরকারি ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরী (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুসারে ৫০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। এসময় লাইসেন্স না পাওয়া পর্যন্ত ক্লিনিকের সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা কালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. রত্নদ্বীপ বিশ্বাস এবং বড়লেখা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রতন দেবনাথ সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করেন।
বাংলাদেশ ফুটবল উন্নয়ন সমিতির পাশাপাশি চলছে পুরো দেশে। সাপোর্টারস ফোরাম বাংলাদেশ ফুটবল উন্নয়ন সমিতি গঠনের কাজ। এই ধারাবাহিকতায় মৌলভীবাজার জেলায় সাপোর্টারস ফোরাম বা,ফু,উ,স। কমিটি ঘোষণা করা হয় কমিটি সভাপতি মনোনীত হোন মোঃ আব্দুল কুদ্দুস এবং সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হোন জাকির আহমেদ রোমান। উল্লেখ্য সভাপতি-মোঃআব্দুল কুদ্দুস খেলোর জীবনে মৌলভীবাজার ওয়ান্ডার্স ক্লাবের সাবেক ফুটবলার বড়লেখা উপজেলার ৫নং দক্ষিন শাহবাজপুর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান। এবং সাধারণ সম্পাদক জাকির আহমেদ রোমান মৌলভীবাজার জেলা ফুটবল দলের সাবেক ফুটবলার।সিলেট বিভাগের অন্য জেলার সাপোর্টারস ফোরামের নতুন কমিটি গুলি কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তারা। ধন্যবাদ জানান গ্রামীন ফুটবল বিপ্লবী জালাল হোসেন লাইজু কে। এবং যারা ফুটবল কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন মোফাজ্জল হোসেন বিপুল ও সি ই ও মামুন সহ সবাই কে ধন্যবাদ জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
কারো জন্য কোরবানী ওয়াজিব হওয়া কিংবা সুন্নত হওয়ার জন্য কোরবানীকারী কে ধনী হওয়া শর্ত। অর্থাৎ তার নিজের খরচ পাতি ও সে যাদের খরচ চালায় তাদের খরচপাতির অতিরিক্ত তার কাছে কোরবানী করার অর্থ থাকা। অতএব, কোন মুসলমানের যদি মাসিক বেতন বা আয় থাকে এবং এ বেতন দিয়ে তার খরচ চলে যায়, এর অতিরিক্ত তার কাছে কোরবানীর পশু কেনার অর্থ থাকে তাহলে সে ব্যক্তি কর্তৃক কোরবানী দেয়ার শরয়ীহ বিধান রয়েছে।
কোরবানী করার জন্য ধনী হওয়া শর্ত মর্মে দলিল হচ্ছে নবী (সাঃ) বাণী: “যে ব্যক্তির সামর্থ্য আছে অথচ সে কোরবানী করেনি সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়”[সুনানে ইবনে মাজাহ (৩১২৩), আলবানী ‘সহিহ সুনানে ইবনে মাজাহ’ গ্রন্থে হাদিসটিকে ‘হাসান’ বলেছেন] এখানে সামর্থ্য দ্বারা উদ্দেশ্য ধনী হওয়া।
প্রতিটি পরিবারের পক্ষ থেকে কোরবানী দেয়ার বিধান রয়েছে। দলিল হচ্ছে- নবী (সাঃ) বাণী: “প্রতিটি পরিবারের পক্ষ থেকে প্রতি বছর একটি কোরবানী দেয়া ওয়াজিব”[মুসনাদে আহমাদ (২০২০৭)] ইবনে হাজার ‘ফাতহুল বারী’ গ্রন্থে বলেন: হাদিসটির সনদ মজবুত। আলবানী ‘সহিহ সুনানে আবু দাউদ গ্রন্থে (২৭৮৮) হাদিসটিকে ‘হাসান’ বলেছেন]
এ বিধানের ক্ষেত্রে পুরুষ বা নারীর কোন ভেদ নেই। অতএব, কোন নারী যদি একাকী বসবাস করেন কিংবা তাঁর সন্তানদেরকে নিয়ে থাকেন তাহলে তাদেরকে কোরবানী করতে হবে।
প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী—যে ১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের ভেতরে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে; তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। অর্থ-কড়ি, টাকা-পয়সা, সোনা-রূপা, গহনা-অলঙ্কার, বসবাস ও খোরাকির অতিরিক্ত জমি, প্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সব আসবাবপত্র কোরবানির নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য। আর নেসাব হল স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরি, রূপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি। আর টাকা-পয়সা ও অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রে নিসাব হলো- এগুলোর মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হওয়া (টাকার অংকে প্রায় ৫৫ হাজার টাকা)। আর সোনা বা রূপা কিংবা টাকা-পয়সা এগুলোর কোনো একটি যদি পৃথকভাবে নেসাব পরিমাণ না থাকে কিন্তু প্রয়োজন অতিরিক্ত একাধিক বস্তু মিলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হয়ে যায়, তাহলেও কোরবানি করা ওয়াজিব। (আলমুহিতুল বুরহানী: ৮/৪৫৫; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া: ১৭/৪০৫)
আল-মাওসুআ আল-ফিকহিয়্যা গ্রন্থে (৫/৮১) এসেছে-
“কোরবানী ওয়াজিব হওয়া কিংবা সুন্নত হওয়ার জন্য পুরুষ হওয়া শর্ত নয়। কোরবানী পুরুষদের উপর যেমন ওয়াজিব হয় তেমনি নারীদের উপরও ওয়াজিব হয়। কারণ ওয়াজিব হওয়ার দলিলগুলো নর-নারী সবাইকে সমানভাবে শামিল করে।”(সংক্ষেপিত ও সমাপ্ত)
লেখক ক্বাজী রমিজ উদ্দিন নিকাহ রেজিস্টার ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউঃপিঃ বড়লেখা মৌলভীবাজার।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পকুয়া যুব সমাজের উদ্যোগে পকুয়া গ্রামের সীমানার নেম প্লেইট স্থাপনের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ করা হয়।এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৩নং নিজবাহাদুরপুর ইউ/পি চেয়ারম্যান মাষ্টার ময়নুল হক।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, প্যানেল চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন, ২নংওয়ার্ড সদস্য শামিম উদ্দিন, সাবেক ইউ পি সদস্য রফিক উদ্দিন পংকি গল্লাসাঙ্গন উচ্চ বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক মাহমুদুর রহমান সরফ,সহকারী শিক্ষক সাইদুর রহমান আবুল,দৌলতপুর হাছিব আলী কিন্ডারগার্টেন এর প্রধান শিক্ষক সুমন আহমদ, সহকারী শিক্ষক হাছান আহমদ সবুজ,ব্যবসায়ী কবির হোসেন টিপু,কিবরিয়া খান,মোঃ আব্দুল্লাহ, জামিল আহমদ,ইন্দ্র মোহন বিশ্বাস প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাষ্টার ময়নুল হক বলেন আর্থ সামাজিক উন্নয়ননে যুবকদের কে সম্পৃক্ত করে তাদের স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি গ্রামের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে।পকুয়া যুব সংঘ তাদের কর্মস্পৃহা ও কর্মোদ্দীপনা কাজে লাগিয়ে গ্রামকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।এ লক্ষ্যে তাদেরকে বিভিন্ন উন্নয়মুখী কাজ করতে যাচ্ছে। এসব কর্মকান্ড বাস্তবায়নের জন্যে যুবকরা প্রশংসার পাত্র।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা প্রশাসনের আয়োজনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে গৃহীত “বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা (পার্বত্য চট্রগ্রাম ব্যতীত) ” শীর্ষক কর্মসূচির চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের আওতায় অধ্যায়নরত ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে সংযুক্ত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী বড়লেখা -জুড়ী আসনের সাংসদ মোঃ শাহাব উদ্দিন।
আজ ২৬ জুন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শামীম আল ইমরান এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ বড়লেখার চেয়ারম্যান সোয়েব আহমেদ।
উপজেলা পরিষদ হলরুমে স্বাস্থ্য বিধি মেনে উক্ত অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ ২৫৪ জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা বৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ৪ বছরের এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গত ২০ জুন রাতে একজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
অভিযুক্ত শিশুটির চাচাত ভাই গ্রেফতারকৃত জাবেদ আহমদ (১৬) উপজেলার দক্ষিনভাগ দক্ষিন ইউনিয়নের কাসেমনগর গ্রামের আমীর হোসেনের পুত্র।
এই ধর্ষনের ঘটনাটি বৃহস্পতিবার সন্ধার দিকে উপজেলার দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউনিয়নের কাসেমনগর গ্রামে ঘটে। পরে ধর্ষনের শিকার শিশুটিকে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
এলাকাবাসী পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ধর্ষনের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত জাবেদ আহমদ ভিকটিমের চাচাত ভাই হওয়ার সুবাদে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে শিশুটিকে তার বাড়িতে ডেকে নেয়। পরে হঠাৎ কান্নার শব্দ পেয়ে মেয়েটির মা তাদের বাড়ীতে গিয়ে মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় পান। পরে পরিবারের লোকজন মেয়েটিকে নিয়ে প্রথমে আজিজ মেডিকেলে এবং সেখান থেকে বড়লেখা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিকি চিকিৎসার দেয়া হয়। পরে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে প্রেরণ করা হয়েছে।
ঘটনায় অভিযুক্ত চাচাতো ভাই জাবেদ আহমদ (১৬) কে আসামী করে থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ শনিবার রাতেই জাবেদ আহমদ (১৬) কে গ্রেফতার করেছে।
এ ঘটনায় বড়লেখা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. ইয়াছিনুল হক আসামীকে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় নতুন করে আরও দুইজন করোনা আক্রান্ত পুরুষ রোগী শনাক্ত হয়েছে। নতুন শনাক্ত দুইজনের একজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফার্মাসিস্ট (৩২) এবং অপরজন একটি ওষুধ কোম্পানীর বিক্রয় প্রতিনিধি (৩২)। তাদের একজনের বাড়ি পৌরসভার হাটবন্দ এলাকায় এবং অপরজনের বাড়ি পাখিয়ালা এলাকায়। শনিবার (২০জুন) উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদ্বীপ বিশ্বাস এ তথ্য জানিয়েছেন।
এ বিষযে জানা যায়,গত ২৫ এপ্রিল বড়লেখার কাসেমনগর এলাকায় প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। সে হিসেবে সংক্রামনের এখন মোট করোনা শনাক্ত রোগির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫জনে। তাদের মধ্যে ৭জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
নতুন শনাক্ত দুজনের নমুনা ১৭ জুন পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। শনিবার তাদের রিপোর্টে করোনা পজিটিভ আসে। আক্রান্ত দুজনেই নিজ বাড়িতে হোম আইসোলেশনে রয়েছেন। তাদের শরীরের করোনার উপসর্গ নেই।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদ্বীপ বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করে শনিবার বিকাল বেলা , তাদের দু’জনের মধ্যে করোনার উপসর্গ জ্বর-কাশি ছিল। ১৭ জুন তাদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়। তারা দু’জনেই সুস্থ আছেন। তাদের বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।
ইবাদুর রহমান জাকিরঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গোয়ালী বিহাইডহর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন প্রতিষ্টানের ভূমি দাতা সদস্য বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান।তিনি এ অঞ্চলের শিক্ষা বিস্তারে প্রায় ৩ যুগেরও অধিক সময় থেকে ব্যাপক ভুমিকা পালন করে আসছেন। শাহবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের টানা ৬ বারের নির্বাচিত প্রতিনিধি সহ স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় শিক্ষা বিস্তারে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ শিক্ষা অর্জনকারী জনাব খান এ অঞ্চলের মানুষের কাছে একটি জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে ইতিমধ্যে আত্বপ্রকাশ করেছেন।তিনি রাজনীতি ও শিক্ষা সংগঠকের পাশাপাশি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ গার্লস কলেজে দীর্ঘ ২২ বৎসর থেকে অধ্যাপনা করে আসছেন।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার চান্দগ্রামের কৃতি সন্তান সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের এসোসিয়েট প্রফেসর ডাক্তার হোসাইন আহমেদ কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছেন।
করোনা ভাইরাস উপসর্গ পজিটিভ সনাক্ত হলে আজ দুপুরে তাঁকে সিলেট মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজন মানবিক ও গরিবের ডাক্তার হিসেবে তাঁর সমধিক পরিচিত রয়েছে। তিনি গরীব অসহায় রোগীকে ফ্রী চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। বিশেষত এলাকার যেকোনো মানুষকে প্রায় বিনামূল্যে চিকিৎসার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন এ তরুণ উদীয়মান সমাজকর্মী।
তিনি আক্রান্তের খবরে ব্যতীত হৃদয়ে ব্যক্তি ও সামাজিক অঙ্গনে দোয়া চাওয়া হচ্ছে। তাঁর পরিবার বড়লেখাবাসীসহ সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।
এ মানবতাবাদী সকলের প্রিয় ডাক্তার হোসাইন আহমদকে দ্রুত শিফা দানে কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা দয়াময়ের তরে।
“ছাত্রদের প্রধান কাজ হচ্ছে পড়াশুনা করে নিজেকে ভবিষ্যতের উপযোগী নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলা। আর অবসর সময়ে ছাত্র রাজনীতি সহ সৃজনশীল কর্মকান্ডের মাধ্যমে নিজের নেতৃত্বের বিকাশ ঘঠানো।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে মেধাবী ছাত্র সমাজকে নিয়ে নৌবিহারে গমন সহ নানা ভাবে উৎসাহিত করে একটি মেধা নির্ভর নেতৃত্ব সৃষ্টির জন্য জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল গঠন করেন।তাই পড়াশুনার পাশাপাশি অবসর সময়ে ছাত্র রাজনীতি করতে চাইলে ছাত্রদেরকে ছাত্রদলের পতাকাতলে সমবেত হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।
“আজ উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের উদ্দোগে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের এক সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য ও বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান এসব বলেন। ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সি. যুগ্ম আহবায়ক শাহীন আহমদের সভাপতিত্বে ও ছাত্রনেতা তারেক মুন্নার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দিন জমির,সাধারন সম্পাদক মখলিছুর রহমান,যুগ্ম সম্পাদক তোয়াহিদুর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদির প্রমূখ। সভায় বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাক তাপাদার কানন,ইউনিয়ন যুবদল নেতা আলিম উদ্দিন,আদনান ওয়াহিদ মিশু,উপজেলা ছাত্রদল নেতা জুনেদ আহমদ,ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা মাজহারুল ইসলাম, আতিকুর রহমান সহ নেতৃবৃন্দ।সভায় এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ক্রেস্ট প্রদান ও মিষ্ঠি মুখ করানো হয়।
মৌলভীবাজারের বড়লেখাসহ জেলায় করোনা ভাইরাসে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ জন। এর মধ্যে বড়লেখা পৌরসভার একই পরিবারভুক্ত ২ তরুণী রয়েছেন। ক্রমে ক্রমে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এ পর্যন্ত বড়লেখার সংখ্যা দাঁড়ালো ২৩ জনে।
এছাড়াও আজ নতুন করে জুড়ী উপজেলায় ৪ জন, মৌলভীবাজারে ৬ জন, শ্রীমঙ্গলে ১জন এবং কমলগঞ্জের ১ জন আক্রান্ত হয়েছেন বলে মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন অফিস সুত্রে জানা গেছে।
বড়লেখা পৌরসভার একই পরিবারের দুবোন হলেন ১ নং ওয়ার্ড বরাইগ্রাম এর বাসিন্দা।
নতুন ১৪ জন সহ মৌলভীবাজার জেলায় মোট করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩১ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৭৬ জন।
.কোভিড-১৯ ভাইরাস পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহের জন্য গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলায় ২টি করে মোট ৪টি বুথ স্থাপন করে দিলেন কানাডা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, দৈনিক শুভ প্রতিদিনের সম্পাদক ও প্রকাশক সরওয়ার হোসেন। রোববার (১৪ জুন) সকাল ১১টায় গোলাপগঞ্জে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থাপিত দুটি বুথের অনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সরওয়ার হোসেন। নিজস্ব অর্থায়নের এ চারটি বুথ স্থাপন করে দেন তিনি।
নিজে উপস্থিত থেকে এ বুথ স্থাপনের সময় তিনি বলেন, করোনায় সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। তাদের সুরক্ষার ব্যবস্থা না থাকায় অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন। তারা সুস্থ না থাকলে কিভাবে আমাদের জন্য করোনা সংকটে কাজ করবে। এজন্য এই নমুনা সংগ্রহের বুথ স্থাপন করা হয়েছে। এসময় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শাহীনুর ইসলাম শাহিন, গোলাপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম এ ওয়াদুদ এমরুল, ব্রাজিল যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবু সুফিয়ান উজ্জল, ছাত্রলীগ নেতা রাহাত তপাদার প্রমুখ।
এদিকে, গোলাপগঞ্জে বুথ স্থাপনের পরই দুপুর ২টায় বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থাপিত আরও দুটি বুথের উদ্বোধন করেন সরওয়ার হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম পল্লব, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরী, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. আবু ইসহাক আজাদ. মেডিকেল অফিসার ডা. আবুল বাশার রুম্মান।
বিয়ানীবাজারে বুথ স্থাপনকালে সরওয়ার হোসেন বলেন, করোনাকালে আমার চেয়ে বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জের সাধারণ মানুষের জন্য ভয় বেশি। তাই তো আমি এ বিপদের সময় নিজের সুরক্ষার কথা চিন্তা না করে মানুষের পাশে আছি। পাশে থাকতে চাই। করোনা মহামারীতে মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হতে চাই। করোনা বিপদ যতই বড় হোকনা কেন, আমি দুই উপজেলার মানুষের পাশে আছি, থাকব ইনশাল্লাহ।
এর আগে সরওয়ার হোসেন গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলার করোনা রোগীদের সেবায় নিয়োজিতদের পিপিই ও সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়া কয়েক দফায় এই দুই উপজেলার কর্মহীন সহাস্রাধিক মানুষের মাঝেও খাদ্য সামাগ্রী বিতরন করেছেন তিনি।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা সহ জেলায় নতুন করে আরও ১৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে পুলিশ ও স্বাস্থ্যকর্মীও রয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯১ জন।
আজ শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে মৌলভীবাজার জেলা সিভিল সার্জন ডা. তৌউহীদ আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এদিকে মোট ১৪ জনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এরমধ্যে নতুন ১৩ জন এবং পুরনো একজনের আবারো পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে।
নতুন আক্রান্ত ১৩ জনের মধ্যে মৌলভীবাজার-২৫০ শয্যা হাসপাতালের ৩ জন, বড়লেখায় ২জন, রাজনগরে ১ জন, কুলাউড়ায় ৫ জন, কমলগঞ্জে ১ জন এবং শ্রীমঙ্গলে ১ জন। এছাড়া কমলগঞ্জে আগে থেকে আক্রান্ত একজনের আবারও পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। আক্রান্তদের মধ্যে নারী পুরুষ উভয়েই রয়েছেন ।
এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯১ জন, সুস্থ হয়েছেন ৬৯ জন, মারা গেছেন ৪ জন। আরও প্রায় ৬০০ রিপোর্ট পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ৪ জনসহ ডাক্তার নার্স মিলিয়ে আরও ২৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭৮ জন।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুর সাড়ে ১২ টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মৌলভীবাজার জেলা সিভিল সার্জন ডা. তৌউহীদ আহমদ। তিনি জানান, ঢাকা থেকে গত রাতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। আরও বেশ কিছু নমুনার রিপোর্টের অপেক্ষা করছি আমরা।
নতুন আক্রান্ত ২৬ জনের মধ্যে সদর উপজেলায় ৫ জন, রাজনগরে ২ জন, কুলাউড়ায় ১২ জন, বড়লেখায় ৪ জন, কমলগঞ্জে ১ জন এবং শ্রীমঙ্গলে ২ জন। আক্রান্তদের মধ্যে নারী-পুরুষ, শিশুও রয়েছেন । নতুন রিপোর্ট আসলে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এম.এম আতিকুর রহমান ; বড়লেখা থেকে ঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখায় আজ ১০ জুন বুধবার, বড়লেখা হিফযুল কুরআন মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে বড়লেখা উপজেলার মসজিদ সমূহের খতিব ও ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কল্যাণার্থে এবং জনসেবার উদ্দেশ্যে গঠণ করা হয় ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদ বড়লেখা।
আহবায়ক কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত “পরামর্শ সভায়” সভাপতিত্ব করেন- পরিষদের আহবায়ক এবং বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সম্মানিত খতিব মুফতি মাওলানা রুহুল আমীন। পরিষদের সদস্য সচিব এবং ইয়াকুবনগর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাও. মুনাওয়ার হুসাইন মাহমুদীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আলোচনা পেশ করেন- বড়লেখা উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জিনগন। পরে সকলের সম্মতিক্রমে, তিন বছর মেয়াদি ৩১ সদস্য বিশিষ্ট “কার্যকরী কমিটি” ঘোষণা করা হয়। কমিটির দায়িত্বশীলগণ হলেনঃ সভাপতিঃ মুফতি রুহুল আমীন বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। সহ-সভাপতিঃ মাও. ফয়জুল বারী কাঁঠালতলী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। সহ-সভাপতিঃ মুফতি আব্দুল বাসিত সুজানগর বড়বাড়ী জামে মসজিদ। সহ-সভাপতিঃ মাও. একরাম আলী চুকারপুঞ্জী জামে মসজিদ। সহ-সভাপতিঃ মাও. আব্দুল হান্নান পশ্চিম পাখিয়ালা টিলা জামে মসজিদ। সহ- সভাপতিঃ মাও. ফারুক আহমদ গাজিটেকা নাজিরের চক জামে মসজিদ। সাধারণ সম্পাদকঃ হাফিয মাও. মুনাওয়ার হুসাইন মাহমুদী ইয়াকুবনগর জামে মসজিদ। যুগ্ম সম্পাদকঃ মাও. বদরুল ইসলাম পাতন জামে মসজিদ। সহ-সাধারণ সম্পাদকঃ হাফিজ মাও. সাদিক আহমদ এফ.আর মুহিউসসুন্নাহ কমপ্লেক্স জামে মসজিদ। সহ-সাধারণ সম্পাদকঃ হাফিয মাও. আবুল হাসান হাদী কাঁঠালতলী জামে মসজিদ সাংগঠনিক সম্পাদকঃ হাফিয মাও. তায়্যিবুর রহমান চানপুর বায়তুল মামুর জামে মসজিদ, শাহবাজপুর। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকঃ মাও. আতাউর রহমান মোহাম্মদনগর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকঃ মাও. আব্দুল হাফিজ কাঁঠালতলী উত্তর জামে মসজিদ। অর্থ সম্পাদকঃ মাও. মুখলিসুর রহমান পানিধার মারকায মসজিদ। প্রচার সম্পাদকঃ হাফিয মাও. ইয়াহইয়া আহমদ বড়লেখা থানা জামে মসজিদ। সহ-প্রচার সম্পাদকঃ মাও. শিহাব উদ্দীন পশ্চিম বানিকোনা জামে মসজিদ। সহ-প্রচার সম্পাদকঃ মাও. মাহবুবুর রহমান সর্দার পাড়া জামে মসজিদ। সাহিত্য সম্পাদকঃ হাফিয মাও. রশিদ আহমদ বারইগ্রাম জামে মসজিদ।প্রকাশনা সম্পাদকঃ মুফতি মছিহুর রহমান শিমুলিয়া জামে মসজিদ। সমাজকল্যাণ সম্পাদকঃ মাও. এনাম উদ্দীন গৌরনগর মাদ্রাসা জামে মসজিদ। অফিস সম্পাদকঃ মাও. লায়েছ আহমদ বড়লেখা হাজিগঞ্জ বাজার জামে মসজিদ।
সদস্যরা হলেন হাফিয হুসাইন আহমদ, মাও. আব্দুল মতিন, মাও. নজরুল ইসলাম নয়ন, মাও. মাহতাব উদ্দীন, মাও. আব্দুল, মাও. আতাউর রহমান, মাও. জুনেদ আহমদ, সাইফুর রহমান, মাও. জামিল আহমদ, মাও. মুঈনুল ইসলাম প্রমুখ। এছাড়া বড়লেখা উপজেলার সকল মসজিদের খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিনদেরকে সাধারণ সদস্য ঘোষণা করা হয়। পরিশেষে, দেশ-জাতীর কল্যান কামনা করে এবং বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মহামারি করোনাভাইরাস থেকে মুক্তির জন্য সভাপতির মুনাজাতের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শামীম আল ইমরান আজ (০৭জুন) বড়লেখা পৌরসভার হাজীগঞ্জ বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে মাস্ক না পরা ও স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন,২০১৮ আইনে ২৭ টি মামলায় ১০,১০০/= টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। এসময় মাস্ক বিহীন জনসাধারণের মধ্যে মাস্কও বিতরণ করা হয়। বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইয়াছিনুল হকের নেতৃত্ব বড়লেখা থানা পুলিশ মোবাইল কোর্ট কে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করেন।
দৈনিক বড়লেখা ঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখার তরুণ মৎস্য খামার মালিক সমছ উদ্দিন (৩৪) হত্যার ২ দিনের মধ্যে পুলিশ হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ হত্যাকান্ডে জড়িত ৫ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে। উদ্ধার করেছে হত্যায় ব্যবহৃত ৩টি ধারালো দা। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত হয় নারীঘটিত বিষয়কে কেন্দ্র করেই ব্যবসায়ী সমছ উদ্দিনকে খুন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে গ্রেফতারকৃত আসামীদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে- রহমানীয়া চা বাগানের বাসিন্দা শচিন নায়েক জগাই (৩৫), মোহাম্মদনগর গ্রামের হাফিজুর রহমান (২৮), হেলাল উদ্দিন হেলাই (৩৫), মোক্তার আলী (৪৫) ও জসিম উদ্দিন (৪২)।
উপজেলার মোহাম্মদনগর এলাকায় আব্দুর রাজ্জাক এর পরিত্যক্ত ঘর থেকে সোমবার (১৮ মে) রাতে সমছ উদ্দিনের জবাই করা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের মধ্যগ্রামতলা গ্রামের আমির উদ্দিনের ছেলে।
এলাকাবাসী ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সমছ উদ্দিন নিখোঁজের পর তার বাবা আমির উদ্দিন থানায় জিডি করেন। এ জিডির ভিত্তিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাদেক কাউসার দস্তগীরের দিক নির্দেশনায় বড়লেখা থানার ওসি মো. ইয়াছিনুল হকের নেতৃত্বে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে নিখোঁজের পরদিন রাতে একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে সমছ উদ্দিনের জবাই করা লাশ উদ্ধার করে। এরপর তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ রহমানীয়া চা বাগানের মৃত সত্য নায়েকের ছেলে শচিন নায়েক ও মোহাম্মদনগর গ্রামের আজির উদ্দিনের ছেলে হাফিজুর রহমানকে আটক করে। তাদের দেয়া তথ্যে পুলিশ মৃত জহুর আলীর ছেলে হেলাল উদ্দিন হেলাইকেও আটক করে। হত্যাকান্ডের ব্যাপারে সে পুলিশকে গুরুত্বপুর্ণ তথ্য প্রদান করে। পরে তার দেয়া তথ্যে পুলিশ মোক্তার আলী ও জসীম উদ্দিনকে আটক এবং হত্যকান্ডে ব্যবহৃত ৩টি দা উদ্ধার করে।
থানার ওসি মো. ইয়াছিনুল হক সাংবাদিকদের জানান, নিখোঁজের পিতার জিডির ভিত্তিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাদেক কাউসার দস্তগীর স্যারের দিক নির্দেশায় এক পর্যায়ে সমছ উদ্দিনের জবাই করা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকান্ডে সম্পৃক্ত ৫ জনকেই একে একে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে পুলিশকে জানিয়েছে নারীঘটিত বিষয়কে কেন্দ্র করেই তারা সমছ উদ্দিনকে খুন করেছে। মঙ্গলবার তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এ ব্যাপারে নিহতের পিতা বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। থানা অফিসার ইনচার্জ এ-র চৌকস ভুমিকায় দ্রুত আসামি গ্রেফতার করতে পারায় এলাকায় অনেকটা স্বস্তি বিরাজ করছে।
এম আতিকুর রহমানঃ একে একে দেশের ৬৪ টি জেলা অতিক্রম করে করোনা ভাইরাস এখন উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। আমরা যেনো পৌঁছে দিয়েছি অভিজাত এই ভাইরাসটিকে।
সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার, জকিগঞ্জ, গোলাপগঞ্জ, বিশ্বনাথ, বালাগঞ্জ সহ একে একে ফেঞ্চুগঞ্জ, দক্ষিণ সুরমায় ও করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। গোলাপগঞ্জে এক করোনা আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে এসে একই পরিবারের ১৩ জন করোনা আক্রান্ত হন! মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা জুড়ী সহ প্রতিটি উপজেলায় একাধিক সনাক্ত ও আক্রান্ত হয়ে কঠিন পরিস্থিতির দিকে ধাবমান।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৮ মে, ২০২০ পর্যন্ত সিলেট অঞ্চলে মোট করোনায় আক্রান্ত (শনাক্তকৃত) ৪৩৩ জন (সিলেট জেলায়-১৬৬ জন, হবিগঞ্জে-১৩২ জন, সুনামগঞ্জে-৭৫ জন ও মৌলভীবাজারে-৬১ জন)।
সারা দেশে যখন এক বা দুই ডিজিটের করোনা রোগী শনাক্ত হতো, তখন সাধারণের মাঝে যে সাবধানতা/সচেতনতা পরিলক্ষিত হতো, বর্তমানে সহস্রাধিক শনাক্ত হলেও সচেতনতা অনেকগুণ কমে গেছে। উপরন্তু, যানজট আর জমায়েত এবং ঈদ শপিং দেখে মনে হবে; এ দেশ থেকে করোনা কত আগে বিদায় নিয়েছে।
আসুন, সরকার নির্দেশিত সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি। সচেতন হই অন্যান্যদের সচেতন হতে উদ্বুদ্ধ করি। নিজে সুস্থ থাকি। পরিবার-পরিজন সমাজ ও দেশকে নিরাপদ রাখি। করোনা নামক মহামারী থেকে আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুক, সুস্থ রাখুন। বরকতময় এ সময়ে আমরা কায়মনোবাক্যে দয়াময় এ-র দরবারে বেশি বেশি ফরিয়াদ করি। তিনি যেনো আমাদের সকলকে এবং দেশকে রক্ষা করেন।
মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে রবিবার(১০মে)সকাল ১১ঘটিকায় ৫নং দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের পাহাড়ি দূর্গম এলাকা বোবারতলে করোনা প্রাদুর্ভাবে গৃহবদ্ধ কর্মহীন অসহায় শতাধিক পরিবারের মধ্য মাহে রমজানের উপহার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এমাদুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ফয়সল আহমদ,উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাওঃ মুজাহিদুল ইসলাম, ইউনিয়ন সেক্রেটারি হাফিজ মাওঃ আব্দুস সবুর,ছাত্রনেতা আশরাফুল ইসলাম,আব্দুল লতিফ সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এই স্লোগানকে সামনে রেখে আজ ০৭/০৫/২০ ইং রোজ বৃহস্পতিবার বড়লেখা উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী পাকশাইল গ্রামের সামাজিক সেবামূলক সংস্থা পাকশাইল গ্রেট ভিশন এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে, নতুন মাটি ভরাট করা এলাকার একমাত্র বৃহত্তম কবর স্থানে আকাশি, বেলজিয়াম ও বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ২০০ টি গাছের চারা রোপণ করার লক্ষ্যে আনয়ন করা হয়েছে। আজ প্রায় ১১০ টি চারা লাগানোর মাধ্যমে এই মহৎ কাজের শুভ উদ্ভোধন হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন পাকশাইল গ্রামের সম্মানিত মেম্বার জনাব আব্দুল মতিন কদর, গ্রেট ভিশনের সম্মানিত উপদেষ্টা জনাব আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ সুমন, জনাব ফয়ছল আহমদ, পাকশাইল মোকাম কমিটির সেক্রেটারি জনাব আব্দুল কুদ্দুস।গ্রেট ভিশনের সেক্রেটারি শাহিদুর রহমান জুনেদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সিনিয়র সহ-সেক্রেটারি সাহিদুল হক, সহ সেক্রেটারি ইমন আহমদ, অর্থ সম্পাদক নাহিদ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রহমান, ক্রীড়া সম্পাদক কবির আহমদ, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক কামরুল আহমদ ও মাহবুবুল আলম, ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক সাইফুল হোসেন পাবেল, শ্রমিক কল্যাণ সম্পাদক ফয়ছল আহমদ টিপু, রাহেদ আহমদ, এমাদ, জুনেদ, মারুফ, কিবরিয়া প্রমুখ।
উল্লেখ্য গত ১৫ দিন থেকে গ্রেট ভিশনের পরিচালনায় মানবতার ঘর নামে একটি দোকান থেকে এলাকার অসহায়, হত দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য, সবজি ও মাছ দিয়ে আসছে।
ইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ আলহাজ্জ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর অর্থায়নে ১০ হাজার পরিবারে খাদ্য সহায়তার অংশ হিসেবে (৪মে) দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নে ৫৫০ পরিবারের মধ্যে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়। ,এতে মৌলভীবাজার ১ (বড়লেখা-জুড়ি) নির্বাচনী এলাকার বিগত সংসদ নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্জ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর এ নির্বাচনী এলাকায় ১০ হাজার পরিবারে খাদ্য সহায়তা কর্মসুচি এগিয়ে চলছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশ নায়ক তারেক রহমানের আহবানে সাড়া দিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে জনাব মিঠু এ কর্মসুচি তে অর্থায়ন করছেন এবং বাস্তবায়ন করছে সংশ্লিষ্ট ইউনিট বিএনপির কমিটি সমুহ আর সমন্বয় করছে নির্বাচনী এলাকার ২ উপজেলা ও এক পৌর কমিটি।দুপুরে দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নে এ খাদ্য সহায়তা কর্মসুচীর উদ্বোধন করেন বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক জনাব মুজিবুর রহমান খছরু। এসময় উপস্হিত ছিলেন বড়লেখা পৌর বিএনপির সভাপতি জনাব আনোয়ারুল ইসলাম,উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান,উপজেলা প্রচার সম্পাদক ও দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস স্বপন,পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, যুব বিষয়ক সম্পাদক আলতাফ হুসেন,ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক আনিস আহমদ মেম্বার,বিএনপি নেতা শাহজাহান উদ্দিন, যুবদল সভাপতি কামাল উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক হাদি হুসেন, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মুমিনুর রশিদ, যুগ্ন সম্পাদক নাসির হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোস্তাক তাপাদার কানন, উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র নেতা নাদের আহমদ, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক কাওছার আহমদ,উপজেলা ছাত্রদল নেতা জুনেদ আহমদ সহ বিএনপি ও অঙ্গঁ- সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মী বৃন্দ।
আশফাক জুনেদঃ দীর্ঘ এক বছর পর আমাদের নিকট পবিত্র রমজান এসে পৌঁছেছে।ত্যাগ ও সংযমনের মাস হচ্ছে রমজান।এই মাস যেমন আসে রহমতের বার্তা নিয়ে আবার তেমনি মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের জন্য আসে চিন্তার কারণ হয়ে।
রমজানে বিশেষ করে আমাদের সিলেটে মেয়ের বাড়িতে ইফতারি পাঠানোর একটি প্রথা প্রচলিত রয়েছে ।এই মাসে মেয়ের শশুর বাড়িতে হরেক রকম খাবার দাবার পাঠাতে হয়। সেটা একবার নয় কয়েকবার। বহুকাল থেকে আমাদের সমাজের প্রচলিত প্রথা এটি।এর অন্যতা হলে মেয়েকে শশুর বাড়িতে খোঁটা পেতে হয়।
এই ইফতারি পাঠানো বিত্তবানদের জন্য সহজ হলেও অনেক মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের জন্য চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।রমজান আসার সাথে সাথে কপালে চিন্তার বাঝ পড়ে এসব পরিবারের মাঝে।শশুর বাড়িতে মেয়ের মান-সম্মান রক্ষা করতে কষ্ট করে হলেও মেয়ের বাড়িতে হরেক রকম ইফতার সামগ্রী পাঠান এসব পরিবারের কর্তারা।
কিন্তু বিগতে বছর গুলোতে কষ্ট করে ইফতারি পাঠানো গেলেও এবার তা যে একেবারেই অসম্ভব ।সারাবিশ্বের ন্যায় করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবে থমকে আছে বাংলাদেশেও।আর এই ভাইরাস ঠেকাতে দেশে চলছে সাধারণ ছুটি।ফলে অঘোষিত লকডাউন চলছে সারাদেশে।যার কারণে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন দেশের সিংহভাগ মানুষ।ঘরে খাবার যোগাতে যেখানে রীতিমত যুদ্ধ করতে হচ্ছে সেখানে এই রমজানে মেয়ের বাড়িতে ইফতারি পাঠানো তাদের কাছে মরার উপর খাড়ার ঘা।কেমন করে মেয়ের বাড়িতে ইফতারি পাঠাবেন এমন চিন্তায় চিন্তিত তারা।এই কঠিন পরিস্থিতিতে দার দেনা করাও সম্ভব না।তাই দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে সরকারি ভাবে এই ‘ইফতারি’ প্রচলন বন্ধ করা হোক।এতে করে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবার এই ‘ইফতারি’ পাঠানোর নামে হরেক জাতের খাদ্যসামগ্রী পাঠানো থেকে রেহাই পাবে এবং সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন হওয়া থেকেও রক্ষা পাবে।সরকারি ভাবে নিষেধ হলে মেয়ের বাড়ি থেকেও খোঁটা দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।তাই এইদিকগুলা বিবেচনা করে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করে অনতিবিলম্বে এই ইফতারির প্রচলন বন্ধ করার দাবি জানাচ্ছি।
যেকোনও মুহূর্তে যাত্রী পারাপারের জন্য প্রস্তুত রয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গত ২৫ মার্চ থেকেই যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ রেখেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। তবে সম্প্রতি সময়ে লকডাউন বিষয়ে সরকারের শৈথিল্য মনোভাব থাকায় ট্রেনকেও প্রস্তুত রেখেছে সংস্থাটি। সরকারের উচ্চমহলের নির্দেশনা পেলেই যে কোনও মুহূর্তে যাত্রী আনা-নেওয়ার জন্য চালু করে দেওয়া হবে। মন্ত্রণালয়ের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, গত ২৫ মার্চের পর মালবাহী ট্রেন ছাড়া পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সারাদেশে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়। তবে ট্রেন পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্ত স্টেশন মাস্টার, ট্রেন চালক-গার্ডসহ মাঠ পর্যায়ের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী সংশ্লিষ্ট হেডকোয়ার্টার এবং স্টেশনে রয়েছেন। ট্রেনগুলোও প্রতিদিন রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। এরইমধ্যে লাগেজ ভ্যান ট্রেন চালানোর নির্দেশনা পাওয়া গেছে। সরকারের নির্দেশনা পাওয়া গেলে যাত্রীবাহী ট্রেনও পরিচালনা করা হবে। তবে করোনা পরিস্থিতিতে যদি ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত হয় তাহলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সব নির্দেশনা মেনেই পরিচালনা করা হবে।
জানতে চাইলে রেলওয়ে মহাপরিচালক মো. শামছুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচলের কোনও সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। তবে আমরা প্রস্তুত। সবগুলো ট্রেন প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সরকার যখনই সিদ্ধান্ত দেবে আমরা তখনই ট্রেন চালাতে পারবো। আমরা সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।
রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, ২৫ মার্চ থেকেই যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু আমরা মালবাহী ট্রেন পরিচালনা করে আসছি। আমরা ট্রেন চালাতে সব সময়ই প্রস্তুত। আল লাগেজ ভ্যান ট্রেন চালানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পাওয়া গেছে। লাগেজ ভ্যান, বিভিন্ন যাত্রীবাহী ট্রেনের সঙ্গে একটি করে ‘লাগেজ ভ্যান’ কোচ চালানো হত। এখন আমরা পুরো একটি ট্রেনই শুধু মাত্র লাগেজ ভ্যান দিয়ে চালাব।
তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে, আগামী ১/২ দিনের মধ্যেই লাগেজ ভ্যান ট্রেন চালানো হবে। তরমুজ থেকে শুরু করে সব ধরনের সবজি-ফলমূল, কাঁচামাল বহন করা হবে এ ট্রেনে।
রেলপথ সচিব মো. মোফাজ্জেল হোসেন জানান, করোনার সময়ে ট্রেন পরিচালনা করতে হলে কী কী পদক্ষেপ নিতে হবে এজন্য আমরা বেশ কয়েকবার বৈঠক করেছি। যদি দূরপাল্লার ট্রেন পরিচালনা করতে হয় তাহলে নির্ধারিত দূরত্ব রেখে যাতে যাত্রী বসানো হবে। এ জন্য এক একটি কোচে থাকা আসন সংখ্যার বিপরীতে অর্ধেক কিংবা তার বেশি সিট খালি রেখে টিকিট বিক্রি করবো। সে ক্ষেত্রে যাত্রীদেরও সর্বোচ্চ সর্তক হতে হবে। সুত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন
আমাদের গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজার জেলা অন্তর্গত বড়লেখা ২নং দাসের বাজার ইউনিয়নের সুড়িকান্দি (রসগ্রামের) ঐতিহ্যবাহী বাড়ি।
জন্মের ৩বছর পর্যন্ত শিশুকাল কেটেছিল সেই বাড়িতে পরবর্তীতে সেখান থেকে বড়লেখা পৌর:শহরে আমার বাবা ও চাচাগন জায়গা কিনে বাড়ি বানিয়ে এসেছেন। সেখানে আজও অনাবদ্য বসবাস করে আসছি।
আমাদের পারিবারিক ঐতিহ্য বড়লেখা ইসলামিয়া বিল্ডিং ও টঙ্গীওয়ালা বাড়ির স্বনামটি আজও গোটা বড়লেখায় বিসৃত। বড়লেখা হাজিগঞ্জ বাজারের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত প্রচীনতম ইসলামিয়া বিল্ডিংটিও আমার দাদাদের তৈরিকৃত নিজস্ব সম্পওির উপর দাড়িয়ে আছে। উওরসূরী তথা ভূমির মালিকানা হিসাবে বর্তমানে বাবা ও আমাদের চাচাগন (বাবার চাছাতো ভাইগন & যৌত মালিকানাধীন) সেগুলোর দেখাশুনার কাজ করছেন। এছাড়াও রয়েছে আরো বেশ কিছু ভূমির সওাধিকারী।
দ্বিতীয়ত,আমাদের গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজার জেলা অন্তর্গত বড়লেখা ২নং (ইউনিয়ন) দাশের বাজার সুড়িকান্দি (রসগ্রামের) ঐতিহ্যবাহী বাড়ি। আমাদের গ্রামের বাড়িটি টঙ্গীওয়ালা বাড়ী বা হাতিওয়ালা বাড়ী বলে পরিচিতিটি বেশ বিসৃত।
তৎকালীন সময়ে এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও পারিবারিক সমস্যাদূরীকরণে আমাদের বাড়িটি বিচারালয় কেন্দ্র হিসাবে পরিচালিত হত।
আমাদের দাদার ৫ভাই ও তিন বোনদের মধ্যে আমার দাদা ছিলেন সর্ব প্রধান। মুলত দাদার দ্বিতীয় ভাই মস্তকিম আলী (মম্তই মিয়া) যার কর্মের গুণে আমাদের পরিবারটি ঐতিহ্যগত দিকে আজও অনেকটা এগিয়ে রয়েছে।
এছাড়া উনার বাকী ভাইগন পারিবারিক ব্যবসা,মহালদারের ব্যবসা,হাতি ব্যবসা,কৃষি সহ বিভিন্ন কর্মসংস্থানের জড়িত ছিলেন। নিজ বাড়িতেও হরিণ পালন ও মহীষ পালনে দেখাশুনা করতেন।
মস্তকিম আলী (মস্তই মিয়া) ছিলেন একদিকে ন্যায় বিচারক এবং অন্যদিকে ছিলেন একজন স্বনামধন্য হাতি ব্যবসায়ী। তৎকালীন ভারতের (বর্তমান) আসাম রাজ্যের অন্তর্গত করিমগঞ্জে তিনি হাতি ব্যবসাতে নিজেকে আত্ননিবেশ করেন।
লোকমুখে শুনা যেত যে হাকিম নড়েন কিন্ত মস্তকিম আলী মস্তই মিয়ার সিদ্ধান্ত (পরিবর্তন) নড়ে না। যত বড়ই সমস্যা হোকনা কেন মস্তকিম আলী (মস্তই মিয়া) তা অতি সহজে বিচারিক কাজ সম্পন্য করতে পারতেন।
বড়লেখা উপজেলা সহ অন্যান্য এলাকায় যারা প্রবীণ লোক রয়েছেন তারা মস্তকিম আলীকে (মস্তই মিয়াকে) চেনেননা বলে এমন লোক পাওয়া অত্যন্ত দুষ্কর।
আমাদের পরিবারের (তৎকালীন যৌথ পরিবারে) মোট ৯টি বড় হাতি ছিলো। তার মধ্যে সবছেয়ে বড় (পুরুষ) হাতিটি ছিলো বাংলাদেশের বৃহৎ কয়েকটি হাতির মধ্যে একটি।
আমার দাদী এবং বাবার মুখ থেকে শুনা সম্ভবত ১৯৭১ কিংবা এর কিছুদিন পর স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বৃহৎ আকারের হাতিটি দেখে মুগ্ধ হয়ে তৎকালীন সময়ে সে হাতিটিকে হাজার খানেক টাকা দিয়ে পুরুষ্কৃত করেছিলেন।
যেটি আমাদের দাদাগনের নিজস্ব সম্পওির উপর নির্মিত হয়ে এখনো রয়ে গেছে। উওরসূরী তথা ভূমির মালিকানা হিসাবে বর্তমানে বাবা ও আমাদের চাচাগন (বাবার চাছাতো ভাইগন & যৌত মালিকানাধীন) সেগুলোর দেখাশুনার কাজ করছেন। এছাড়াও রয়েছে আরো বেশ কিছু ভূমির সওাধিকারী।
আবার অনেকে আমাদের বাড়ি ও পারিবারিক পরিচয় দিয়ে অনেক জায়গাতে আত্নীয়তার বন্ধনেও আবদ্ধ হয়েছেন (এমন অসংখ্য নজীরও রয়েছে)
কালের অবর্তমানে হয়তো অনেকগুলো হারিয়ে গেছে,হারিয়ে গেছে ঐতিহ্যবাহী টঙ্গীওয়ালা বাড়িতে বিচারিক কাজের সেই ধ্বনি উচ্চাষিত কন্ঠসূর,হারিয়ে গেছে হাতির গলায় ঘন্টি পরিয়ে কল কল শব্দ পেরিয়ে বাড়িতে আসার সেই সৃতিময় মুহুর্তটি,হারিয়ে গেছে আরও কত কি,ফ্যাকাশ দরেছে ঐতিহ্যবাহী ইসলামিয়া বিল্ডিয়ের সৌন্দর্যরুপী ভবনের রংধনুতে,কিন্ত হারিয়ে যায়নি পরিবারের অতীত ঐতিহ্যগাতা হারানো দিনের সফল পরিক্রমা।
বড়লেখা উপজেলার বাহীরে কিংবা পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন স্থানে আলাপচারিতা ও পরিচয়ের সুবাদে যখন যানতে পারি আমাদের পারিবারিক ঐতিহ্যের স্মৃতি বিজড়িত এমন নন্দনময়ী বৈনাঢ্য ইতিহাস সত্যি নিজেকে অনেক ধন্য মনে হয়।
সত্যি কথা বলতে গেলে আজও অনেক স্থানে লোকমুখে যতটুকু আমাদের বাড়ীর পরিচিতি এবং দাদাগনকে লোকজন যতটুকু চেনেন ততটুকু আমাদের বাপ-চাচাগনকেও লোকজন চেনেননা।
একসময়ের প্রাণচাঞ্চল্য বাড়িটি কালের বিবর্তনে নিস্তব্ধতার ছোয়া লেগেই আছে। দাদার পাচঁ ভাইদের সন্তান-সাতন্তীগন (নাতি-নাতনী) সকলেই দেশ বিদেশে স্থায়ী বসবাস সহ শহরাঞ্চলে চলে গিয়ে বাড়িটি অনেকটাই লোক-লোকারণ্যহীন।
জহির আলীর পাচঁ সন্তান ও তিন মেয়ে ছিলেন যথাক্রমে (আমার দাদাগন)
১।মরহুম ইব্রাহীম আলী। ২।মরহুম মস্তকিম আলী (মস্তই মিয়া) ৩।মরহুম মন্তজির আলী। ৪।মরহুম মুছব্বির আলী এবং ৫।মরহুম সফিকুর রহমান (চঞ্চল) বাকী দাদীদের নাম (দাদার বোনদের) স্বরুণ করতে পারছিনা।
আমি যতটুকু জানি আমার দাদার বাবার নাম ছিলো জহির আলী মিয়া এবং জহির আলী মিয়ার বাবার নাম ছিলো ইলিম আলী। জহীর আলীগন দুইভাই ছিলেন। জহির আলী ও রাশীদ আলী।
বেচেঁ থাকুক পারিবারিক ঐতিহ্য……… বেচেঁ থাকুক কালজয়ী ইতিহাস হয়ে আমাদের জীবন তরে….যুগের পর যুগ দরে…….প্রজন্মের ইতিহাস হয়ে।
বড়লেখা ডেস্কঃ বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা ব্যক্তি কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া বড়বিল গ্রামের জিন্নাত আলী আর নেই। মস্তিস্কে টিউমার আক্রান্ত জিন্নাত গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
আজ (২৮এপ্রিল) ভোরে ইন্তেকাল করেন। ইন্না…রাজিউন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ২৪ বছর। তার পিতার নাম আমির হামজা।
জিন্নাত আলীর উচ্চতা ছিল ৮ ফুট ৮ ইঞ্চি। ওজন ছিল ১৩০ কেজি। তার এই উচ্চতা মোটেও স্বাভাবিক ছিল না। হরমোনজনিত সমস্যায় তিনি বিপাকে ছিলেন। ফলে অনেক দিন থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়েও তিনি চিকিৎসা নিয়েছেন।
জিন্নাত আলীর পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা যায়, জিন্নাত দেশের সবচেয়ে দীর্ঘকায় মানুষ। তার এই উচ্চতার জন্য পরিবারের লোকজন গর্বিত ছিলেন না। বরং তারা মনে করতেন, অভাব ও দারিদ্র্যের কারণে সুচিকিৎসার অভাবে উচ্চতা থামানো যায়নি।
জিন্নাত স্বাভাবিক মানুষের মত জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং সেভাবেই বড় হচ্ছিলেন। ১২ বছর বয়স পর্যন্ত তার গ্রথ স্বাভাবিক ছিল। ১২ বছর বয়সের পর থেকে তিনি অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকেন।
জিন্নাতের প্রচুর খাবার প্রয়োজন হতো। প্রতিবেলায় এক কেজি চালের ভাত, আর প্রচুর পরিমাণে তরকারি লাগতো। পরিবার সেটা ঠিকমতো দিতে পারতো না। অতিরিক্ত উচ্চতার জন্য জিন্নাত আলী তেমন কোন কাজও করতে পারতেন না।
দৈনিক বড়লেখাঃ করোনা পরিস্থিতিতে চলছে ধানা কাটা শ্রমিক সংকট। এ অবস্থায় কৃষকের জমির বোরো ধান কেটে দিলেন বড়লেখা উপজেলার ১নং বর্নি ইউনিয়নের পাকশাইল আইডিয়াল হাইস্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এর ২১ এপ্রিল ২০২০ ইং তারিখের প্রেরিত পত্রের প্রেক্ষিতে (২৮এপ্রিল) মঙ্গলবার সকালে পাকশাইল আইডিয়াল হাইস্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী (পুরুষ) মিলে পাকশাইল গ্রামের দরিদ্র কৃষক মো. নুর উদ্দিন মিয়ার প্রায় ৩০ শতক জমির বোরো ধান কাটায় সহযোগিতা করেন।
প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে ধান আহরণ কাজে নিযুক্ত ছিলেন- বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ রেহান উদ্দিন, মো. সোহরাব হোসাইন, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বিদ্যালয়ের দপ্তরি মো. ছইফ উদ্দিন।
নিজস্ব সংবাদঃ বর্তমান সময়ের করোনা মহামারি প্রেক্ষাপটে করণীয় এবং বর্জনীয় কি? এ নিয়ে এক তাৎপর্যপূর্ণ মিটিং করা হয় বড়লেখা উপজেলার সুজানগর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে।
সোমবারে (২৭এপ্রিল) ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব নসিব আলী সাহেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারগণ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ,আগর এসোসিয়েশনের ব্যক্তিবর্গ, আজিমগঞ্জ বাজার কমিটি, সিএনজি কমিটি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ সহ অন্যান্যরা।
সভায় প্রাথমিকভাবে কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়:
(১) বাজারে লোকজনের সমাগম কমিয়ে আনা। (২) একজনের বেশি মোটর সাইকেলে যাতায়াত না করা। (৩) বিকেল ৫:৩০ এরপর পর বাজারের মধ্যে কোন লোক না থাকা । (৪)যেহেতু বর্তমানে রমজান মাস ইফতার নিয়ে আসা যাওয়ার একটা রীতি রেওয়াজ আছে তাই বর্তমান সময়ে বিবেচনা করে আমরা ইফতার দেওয়া এবং নেওয়া থেকে বিরত থাকব কোনো ভাবেই এটি গ্রহণযোগ্য নয়। (৫) বিভিন্ন সংযোগ সড়কগুলোতে চেকপোস্ট বসানো হবে। (৬) জনসচেতনা মূলক প্রচার চলমান থাকবে। (৭)সিএনজি ড্রাইভার দের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র একজন আরোহী নিয়ে ব্যাংকে যাওয়ার জন্য ব্যবহার করা যাবে অন্যথায় কোন সিএনজি রাস্তায় বের হতে পারবে না। (৮) এলাকায় কোন বাহিরের লোক আসলে সাথে সাথে ইউনিয়ন পরিষদকে অবগত করা। ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন, নিরাপদে থাকুন,অন্যকে নিরাপদ থাকতে সাহায্য করুন,আসুন সবাই মিলে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই একমাত্র আল্লাহই পারেন আমাদের এই বিপদ থেকে উদ্ধার করতে।
এম.এম আতিকুর রহমানঃ বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ উত্তর (কাঠালতলী) ইউনিয়নের সাবেক চার চারবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও কাঠালতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক বড়খলা গ্রামের কৃতি সন্তান আমেরিকার স্হায়ী বাসিন্দা আলহাজ্ব মুছব্বির আলী আজ রাত প্রায় ৮ ঘটিকায় আমেরিকার একটি হাসপাতালে ইহকাল ত্যাগ করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। মানুষ গড়ার কারিগর এ কৃতীমান বীর পুরুষ শিক্ষকতার পাশাপাশি সমাজ সেবায়ও অনবদ্য অবদান রেখে গেছেন। তিনি বিএনপির দক্ষ রাজনীতিবিদ হিসেবে ইউনিয়নের চার চার বারের সফল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। এ সময়ে তিনি এলাকার উন্নয়ন অগ্রগতি এবং সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়। অমায়িক ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন এ ক্ষণজন্মা শিক্ষাবিদ হাজার হাজার কৃতিত্বের অধিকারী ছাত্র -ছাত্রী তৈরী করেছেন। যারা আজ সমাজের বিভিন্ন শ্রেনীপেশায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। তাঁর ইন্তেকালে এলাকায় ও দেশ-বিদেশের হাজারো ভক্ত অনুরাগীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। আমরা কায়মনোবাক্যে মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মাকাম কামনা করছি এবং পরিবার পরিজন সহ সকলকে সবরে জামিল প্রদানের মিনতি করছি।
মোঃইবাদুর রহমান জাকিরঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পৌরসভার সীমা প্রাচীর সংলগ্ন ৬নং সদর ইউনিয়নের পূর্ব মাইজপাড়া গ্রামের ভিতর ভায়া(কেছরিগুল)পাঁচমিরের মাজার রোডে মানুষ চলাচলের রাস্তা অনুপযোগী হওয়ায় পুর্ব মাইজপাড়া গ্রামের মুরব্বিগনের নেতৃত্বে (২৭এপ্রিল)সোমবার সকালে দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করা হয়।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় এবার এক নারীর শরিরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দুই জন।
রোববার (২৬ এপ্রিল) সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের পিসিঅার ল্যাবে ১৫৬ জনের নমুনা পরিক্ষা করা হয়। পরিক্ষায় বড়লেখার ১ জনের করোনা পজিটিভ আসে।
বড়লেখা উপজেলা সাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রত্নদ্বীপ বিশ্বাস আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন আক্রান্ত নারির বাসা বড়লেখা পৌর এলাকায়। তার বাসা লকডাউন করা হবে।
এর আগে শনিবার বড়লেখায় প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়।আক্রান্ত অই যুবকের বয়স অনুমান ৩৫ বছর। তিনি বর্তমানে শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি রয়েছেন। তার বাড়ি বড়লেখা দক্ষিনভাগ ইউপির উত্তর কাশেম নগর গ্রামে। তিনি সমন ভাগ চা বাগানে চা,ছোলা ও পিয়াজ বিক্রি করতেন।
ইবাদুর রহমান জাকিরঃমৌলভীবাজারের বড়লেখার উপজেলার ৫ নং দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের বিছরাবন্দ গ্রামের কৃতিসন্তান মাহতাব আল মামুন সৌদি আরব প্রবাসী। তিনি স্বদেশে এলাকার মানুষের মমতায় অসহায় দরিদ্রের কল্যাণে বড়লেখা উপজেলার মেধাবী তরুণদের সমন্বয়ে গঠন করেন একটি ভিন্নধর্মী সাহিত্য ভিত্তিক সামাজিক সংগঠন “বড়লেখা পাবলিকেশন্স সোসাইটি”। এই সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে উপজেলার বিভিন্ন স্কুল,মাদ্রাসা ও এতিমখানায় সাহায্য সহযোগিতা অব্যাহত।
উপজেলায় এই সংগঠনের মাধ্যমে কয়েকটি টিউবওয়েল সহ বিভিন্ন মাদ্রাসায় হিজাব সৌরবিদ্যুৎ , সিলিং ফ্যান বিতরণ সহ অসংখ্য ছাত্র/ছাত্রীদের পঠ্য পুস্তক বিতরণ করতে সক্ষম হয়েছে।
এ ছাড়া ও বর্তমান সমাজের তরুণ লেখক লেখিকাদের সমন্বয় সুন্দর সাহিত্য প্রকাশনায় বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটি হতে প্রকাশনার বদ্ধপরিকর।
বিশ্বের মানুষ যখন করোনা প্রাদূর্ভাবে গৃহবন্দী এক দিকে অর্থনৈতিক মন্দা অপর দিকে চলছে করোনা আক্রান্তের সাড়ি সাড়ি। বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর মিছিল, সে সময়ে আজ স্বদেশের অসহায় নিম্নবৃত্ত মধ্যবৃত্তের কথা ভূলে যাননি বরং বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটির প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান মাহতাব আল মামুন অসংখ্য মানুষের মতো তিনিও সোসাইটির ব্যাবস্থাপনায় প্রবাসী প্রিয়জনদের আর্থিক সহযোগিতায় নিয়ে ইতিমধ্যে উপজেলার বেশ কিছু পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন।
উল্লেখ্য, বড়লেখাবাসীর কল্যাণে নাড়ির ঠাঁনে আরও তিনটি উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি যা একমাত্র তাহাঁর অক্লান্ত প্রচেষ্টায়, মানুষের মূখে হাসি ফুঁটানো হবে। বড়লেখা পাবলিকেশন্স সোসাইটির ব্যাবস্থাপনায় আগামী ২৯এপ্রিল উপজেলার শতাধিক পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রীয় বিতরণ করা হবে, তাছাড়া আগামী ১মে তাঁহার নিজ গ্রামে খাদ্য ও ২৫রামাজান ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হবে ।
মাহতাব আল মামুনের বাল্যকাল থেকে সমাজের কিছু করার অভিপ্রায় ছিল তাঁর ধারাবাহিকতার আলোকে মানবসেবা ইবাদাত মনে করে সর্বদাই মানুষের পাঁশে। আসুন আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে বড়লেখা পাবলিকেশন্স সোসাইটিসহ যে কোন সামাজিক সংগঠন কে সহযোগীতা করি “নিজে ঘরে থাকি অন্যকে ঘরে থাকতে উৎসাহিত করি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখি দেশও জাতিকে করোনা প্রাদূর্ভাব মুক্তরাখি” পাশাপাশি সাহায্যের হাত নিয়ে মানুষের পাঁশে দাঁড়াই।
আহলান সাহলান সু-স্বাগতম পবিত্র মাহে রমজানুল মোবারক। শুরু হওয়া রমজান মাস হলো ইবাদতের বসন্তকাল। এ মাসে প্রতিটি মুমিন হৃদয়ে বয়ে আনে জান্নাতি সুবাস। এ মাসে মহান প্রতিপালক আল্লাহ তায়ালা প্রতি মুহূর্তে দিনে-রাতে মুমিনদের উপর অবারিত রহমতের বারিধারা বর্ষণ করেন। ইবাদতপাগল মুমিনদের জন্য মাগফিরাত ও জান্নাতের সকল আয়োজন প্রস্তুত রেখেছেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ’লা।
রমজান শব্দটি আরবি ‘রমজুন’ শব্দ থেকে উৎগত হয়েছে। শাব্দিক অর্থ হচ্ছে, জ্বালিয়ে দেওয়া, ভষ্মীভুত হওয়া ইত্যাদি। যেহেতু রোজা পালনের মাধ্যমে মানুষের মনের ক্রোধ, কু-প্রবৃত্তি, হিংসা-বিদ্বেষ সব কিছু ভষ্মীভুত হয়ে যায়, তাই রোজার এ সিয়াম সাধনার মাসকে রমজান মাস বলা হয়।
হিজরি দ্বিতীয় বর্ষে রমজান মাসব্যাপী রোজা রাখার নির্দেশ প্রদান করা হয়। পরিভাষায় সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত খানাপিনা ও জৈন কামনা বাসনাসহ বৈধ জৈবিক চাহিদাও পূরণ থেকে বিরত থাকার নামই সিয়াম সাধনা বা রোজা। আল্লাহ তায়ালা কোন মাসকে অন্য মাসের উপর, কোন দিবসকে অন্য দিবসের উপর শ্রেষ্টত্ব দান করেছেন। এরকমই পবিত্র রমজানুল মোবারক হলো শ্রেষ্ঠ মাসের অন্যতম একটি মাস। এর প্রতি মুহূর্তে ইবাদত পাগল মুমিনদের উপর বর্ষিত হয় রহমতের বারিধারা। এজন্যই বহুগুন আমলের সওয়াব বেড়ে যায়। হাদিসে প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এরশাদ ফরমান, রমজানে আসমানের বরকতের দরজা খুলে যায়, জান্নাতের সব দুয়ার খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দুয়ার বন্ধ করে দেয়া হয়। মরদুদ শয়তান শৃঙ্খলিত হয়। আল্লাহর বান্দদের জন্য রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মহান মুক্তি বার্তা নিয়ে ধাবমান হয় রমজান। এতে রয়েছে শবে কদরের রজনী, যা হাজারো মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ। এসব নানাবিধ মর্যাদা বৈশিষ্ট্যের অপূর্ব সমাহার মাহে রমজান। তাই তো রমজান মাসকে ইবাদতের বসন্তকাল বলা হয়ে থাকে। ইবাদত, তাকওয়া ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের উর্বর সময়। এ উর্বর সময়ে বান্দা যথাযথভাবে নিষ্ঠার সাথে কাজে লাগাতে পারলে একটুখানি সাধনা, ক্ষুদ্র পরিশীলন এবং অনুশীলন এ-র মাধ্যমে প্রশান্তির বারিধারায় সিক্ত হয়ে হাসিল করতে পারেন আল্লাহ তায়ালা’র মহাসন্তুষ্টি। তথা দুনিয়ায় কল্যাণ ও আখেরাতে মহামুক্তি।
ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে রোজা অন্যতম একটি স্তম্ভ। রোজার বিধান ও মাহাত্ম্য সম্পর্কে মহান আল্লাহ তায়ালা কুরআন কারিমে ইরশাদ করেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রমজানের রোজা ফরজ করা হয়েছে যেভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর ফরজ করা হয়েছিল, যাতে করে তোমরা মুত্তাকি হতে পার’।
হযরত কা’ব ইবনে উজরা (রা.) হতে বর্নিত, তিনি বলেন- একদা রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমাদেরকে বললেন, তোমরা মিম্বরের নিকট সমবেত হও। আমরা সকলেই তথায় উপস্থিত হলাম। যখন তিনি মিম্বরের প্রথম সিড়িঁতে পা রাখলেন,তখন বললেন, আমীন, যখন দ্বিতীয় সিঁড়িতে পা রাখলেন বললেন, আমীন, যখন তিনি তৃতীয় সিঁড়িতে পা রাখলেন বললেন, আমীন। হযরত কা’ব ইবনে উজরা (রা.) বলেন, যখন তিনি (মিম্বর থেকে) অবতরণ করলেন, আমরা জিজ্ঞেস করলাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আজ (মিম্বরে উঠার সময়) আমরা আপনাকে এমন কিছু কথা বলতে শুনেছি, যা ইতিপূর্বে কখনো শুনিনি। উত্তরে তিনি বললেন, জিবরাইল (আ.) আমার নিকট আগমন করেছিলেন, যখন আমি প্রথম সিড়িঁতে পা রাখলাম, তখন তিনি বললেন, ধ্বংস হোক ঐ ব্যক্তি যে রমজান মাস পেল, তবুও তার গুনাহ মাফ করাতে পারলো না। আমি বললাম, আমীন। যখন দ্বিতীয় সিড়িঁতে পা রাখলাম তখন বললেন, ধ্বংস হোক ঐ ব্যক্তি যার নিকট আপনার নাম উচ্চারিত হলো অথচ সে আপনার প্রতি দরূদ শরীফ পাঠ করলো না। আমি বললাম আমীন। যখন তৃতীয় সিড়িঁতে পা রাখলাম, তখন বললেন, ধ্বংস হোক ঐ ব্যক্তি যে তার পিতা-মাতা উভয়কে অথবা একজনকে পেল আর তারা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাতে পারল না। অর্থাৎ তাদের খেদমতের মাধ্যমে নিজেকে জান্নাতী করতে পারলো না। আমি বললাম, আমীন।
হযরত আবু হুরয়রা (রা.) বলেন, রমজান মাস লাভকারী ব্যক্তি যে উত্তমরূপে সিয়াম ও কিয়াম (রোজা, তারাবী ও অন্যান্য আমল) পালন করে, তার প্রথম পুরস্কার এই যে, সে গুনাহ থেকে ঐ দিনের মতো পবিত্র হয় যেদিন মায়ের গর্ভ থেকে ভূমিষ্ঠ হয়েছিল।
হযরত সালমান ফারসী (রা:) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, মহানবী (সা:) শা’বান মাসের শেষ দিন আমাদেরকে সম্বোধন করে ইরশাদ করেন, ‘হে লোক সকল! তোমরা মনযোগ দিয়ে শোনে রাখ, তোমাদের সামনে এমন একটি মাস সমাগত। যে মাস মহা পবিত্র, রহমত-বরকত ও নাজাতে ভরপুর। এই মাসের রোজাকে আল্লাহ তায়ালা তোমাদের উপর ফরজ করেছেন। যে লোক এই মাসে আল্লাহর সন্তুষ ও তার নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে রোজা রাখবে আল্লাহ তার পূর্ববর্তী সমস্ত গোনাহ মাফ করে দিবেন।
হজরত আবু সাঈদ খুদরী (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, আল্লাহ তাআলা রমজান মাসের প্রত্যেক দিবস ও রাত্রিতে অসংখ্য ব্যক্তিকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান করেন। এবং প্রত্যেক মুমিন বান্দার একটি করে দুআ কবুল করেন।
রমজান আমাদেরকে আল্লাহর রহমত লাভের সুবর্ণ সুযোগ করে দিয়েছে। এই দশকে আমরা বেশি বেশি করে ইবাদত-বন্দেগী, কুরআন তেলাওয়াত, দান সদকা, তওবা, ইস্তেগফার ও দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারি। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে পবিত্র এই মাসের যথাযথ হক আদায় করে রোজা, তারাবিহ, তাহাজ্জুদ, তেলাওয়াত সহ অন্যান্য নফল ইবাদতে আত্মনিয়োগ করার তাওফিক দিন। নেফাকি বদচরিত্র- মিথ্যা, ওয়াদা খেলাপী, আমানতের খিয়ানত, অশ্লীলতা/অশ্লীল কথা বলা ইত্যাদি থেকে বিরত থেকে পরিপূর্ণ মুমিনের গুণাবলী অর্জন করার মাধ্যমে আগামীর সুন্দর একেক ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ গঠনের তৌফিক দিন। কায়মনোবাক্যে মহান রাব্বুল আলামিনের নিকট করি সেই মিনতি।
নাহিদ আহমদ বড়লেখাঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখায় করোনা ভাইরাসের কারনে অঘোষিত লকডাউনে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। এতে অনেক গরিব দরিদ্র পরিবার খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন।
এসব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ও কাতার বিএনপির সাধারন সম্পাদক জনাব শরিফুল হক সাজু। সাজুর নিজ অর্থায়নে ২ নং দাসের বাজার ইউনিয়নের প্রায় ৫০০ টি পরিবারের মাঝে ফ্রি সবজি বিতরন করা হয়।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই সবজি বিতরন শুরু হয়। সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত চলে সবজি বিতরন। ৫০০ টি পরিবারের মধ্যে আলু, টমেটো, শসা, পাতা কবি, মরিচ, লাল শাক, ঢেড়শ বিতরন করা হয়।
উক্ত সবজি বিতরন উদ্বোধন করেন ২নং দাসের বাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব কমর উদ্দিন সাহেব। এছাড়াও দাসের বাজার ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, সেচ্ছাসেবক দল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্তিত ছিলেন।
মোঃইবাদুর রহমান জাকির,সিনিয়র প্রতিবেদকঃ মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার দক্ষিন ভাগের কাশেমপুরে করোনা আক্রান্ত রুগী ধরা পড়ায় শনিবার রাত২টায় ঐ ব্যক্তির গ্রাম লকডাউন (অবরুদ্ধ) করেছে উপজেলা প্রশাসন।
বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রত্নদ্বীপ বিশ্বাস শনিবার রাত দুইটায় এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, করোনা আক্রান্ত ওই ব্যক্তির বাড়ি কাশেমনগর। প্রশাসন তাঁর গ্রাম লকডাউন করেছে। ওই ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের কেউ করোনা আক্রান্ত কিনা তা নিশ্চিত নমুনা সংগ্রহ করা হবে। তিনি এখন সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি আছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরান জানান, আক্রান্ত ব্যক্তির গ্রাম লকডাউন করা হয়েছে। এখন কেউ এই এলাকায় যেতে পারবেন না। আবার কেউ বের হতে পারবেন না।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, আক্রান্ত ওই ব্যক্তি পুরুষ। তাঁর বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর। তিনি গত ২০ এপ্রিল জ্বর-কাশিসহ করোনার উপসর্গ নিয়ে সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি হন। শনিবার সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেলের পিসিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় তাঁর করোনা পজেটিভ ধরা পড়ে। তিনি এখন সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি আছেন। ওই ব্যক্তির বাড়ি উপজেলার দক্ষিণভাগ ইউনিয়নের কাশেমনগর গ্রামে। তিনি সমনভাগ এলাকায় ছোলা ও পিয়াজু বিক্রি করতেন।
১. সামনের দিনগুলো অধিকতর কঠিন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কেউ হতাশ হবেন না। ভেঙ্গে পড়বেন না। যথাযথ পথ- পদ্ধতি ও নিয়ম মেনে চলার প্রাণান্তকর চেষ্টা করবো আমরা। একে অন্যের খবর নেবো। পাশে থাকবো…
২. আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে একটি ঘোষণা দিতে চাই যে, আপনারা লকডাউনে থাকাকালীন ছোট-বড় কোন সমস্যায় নিপতিত হলে দয়া করে একটু “নক” করবেন। যে কোন ধরণের “সার্ভিস” প্রদান করতে আমি/আমরা কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি। ঔষধ, বাজার খরচ, খাদ্য সংকটসহ বিবিধ বিষয়ে অনায়াসে আমাদের সহায়তা নিতে পারেন। মূল্য /বিনামূল্য/ ফ্রি সবধরণের ব্যবস্থা আমরা করতে যাচ্ছি। সদিচ্ছা থাকলে কোন কিছুই অসম্ভব নয়…
৩. এসব কাজ বাস্তবায়ন করতে ৩ টি সংস্থা আমাদের সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেছে- ক.বড়লেখা ফ্রেন্ডস ক্লাব, ইউ. কে, খ. বড়লেখা ব্লাড ডোনেট ক্লাব, বড়লেখা ও গ. দূর্বার মুক্ত স্কাউট দল, বড়লেখা।
৪. মহান সৃষ্টিকর্তা সকলের সহায় হোন। প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের জন্য নিরন্তর ভালোবাসা। শুভ কামনা।
লেখকঃ প্রধান শিক্ষক, মোহাম্মদনগর স.প্রা.বি, বড়লেখা মোবাইলঃ০১৭৩৪৪৬১৬৯১, ০১৭৮২৬৮৬৮২৬
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৫নং দক্ষিন শাহবাজপুর ইউনিয়নের তারাদরম গ্রামের যুবকদের উদ্যোগে করোন প্রাদুর্ভাবে আটকে পড়া এলাকার নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেনীর মানুষের কষ্ট লাগবের কথা চিন্তা করে, এই মাহে রামজান মাসে প্রতি সাপ্তাহে একদিন এলাকায় ফ্রি সবজি( আলু, ডাল, টমেটো, ডিম, ছুলা(চানা), কাচা মরিচ, মিষ্টি কুমড়া ইত্যাদি থাকবে)ও ইফতার সামগ্রী বিতরনের আয়োজন শুরু করে শনিবার(২৫এপ্রিল)সকালে।
মহতি এই কার্যক্রমে এলাকার এক শ্রেণী যুবকের স্বর্তঃস্ফুত অংশগ্রহনে শুরু হয়। এলাকার দেশী ও প্রবাসী কিছু ভাইদের আর্থিক সহযোগিতায় ফ্রি সবজি ও ইফতার সামগ্রী বিতরনী শুরু হয়। এ অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন জসিম উদ্দিন, আশরাফুর রহমান, মুহাম্মদ খায়রুল ইসলাম, রুহেল আলিম,মাহমুদুল হাসান, আব্দুল কাইয়ুম, রুবেল আহমদ, গৌছ উদ্দিন,আফজালুর রহমান,রুবেল হোসাইন, নিজাম উদ্দিন, আমির হোসেন, মোহাম্মদ দিলু, কাশেম উদ্দিন, কাওছার আহমদ, আবুল হাশিম, আব্দুল আলিম, শরীফ উদ্দিন, আতিকুর রহমান নজমুল প্রমুখ।
নিজস্ব সংবাদঃ মহামারী করোনাভাইরাসের ফলে গৃহবন্ধি, কর্মহীন, আর্থিক ও খাদ্য সংকটে পড়া মধ্যবিত্ত লোকদের সহযোগিতা করার লক্ষে নিজের দায়বদ্ধতা থেকে পাশে দাড়িয়েছেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন। তিনি ব্যাক্তিগত উদ্দোগে নিজস্ব তহবিল থেকে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মানুষের ঘরে ঘরে গাড়িতে করে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন। বড়লেখার মানুষের দোয়ারে দোয়ারে ঘুরে খুজ খবর নিচ্ছেন। সাধ্যমত সবাইকে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। সেজন্য সাধারণ জনগণও খুশি।
আজ (২২এপ্রিল) বিভিন্ন এলাকায় খাদ্য বিতরণ শেষে তাজ উদ্দিন বলেন আমি আপনাদের লোক,তাই ক্ষুদ্র অবস্হান থেকে আপনাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টায়। এবং সকল বিত্তবান লোক যেনো সাময়িক অসুবিধাগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাড়ায় সেই আহব্বানও করে আসছেন।
জামিল আহমদ, স্টাফ রিপোর্টারঃ- বর্ণি ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতির চাচার দোকান থেকে সরকারি ৩২ বস্তা চাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সুমন চন্দ্র দাসের চাচা প্রদীপ চন্দ্র দাস (৪৭) কে আটক করেছে পুলিশ।গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪ টায় বড়লেখা উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নের ফকির বাজারে এই চাল উদ্ধারের ঘটনাটি ঘটে। ছাত্রলীগ সভাপতি সুমনের পিতা ও আটক প্রদীপ চন্দ্র দাসের ভাই সুবোধ চন্দ্র দাস বর্ণি ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ড মেম্বার।
কুলাউড়া-বড়লেখা-জুড়ি সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাদেক কাওসার দস্তগির চাল উদ্ধার ও আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গোপন সূত্রে বড়লেখা ফুড ইন্সপেক্টরের কাছে খবর আসে। তিনি আমাদের জানালে তাৎক্ষনিক উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ওসি ঘটনাস্থলে গিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩২ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার করা হয়। এসময় প্রদীপ চন্দ্র দাসকে আটক করা হয়।
এদিকে বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরান চাল উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সরকারি গুদামের ৩২ বস্তা চাল উদ্ধার করেছি। এগুলো ভিজিডি ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল। ঐই ব্যবসায়ী বলেছেন, এগুলো উপকারভোগীদের কাছ থেকে কিনেছেন। কিন্তু এটা কেনাও অন্যায়। এইগুলো কেউ বিক্রি করতে পারেন না। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হবে। তিনি আরো বলেন করোনাকালীন সময়েও এই রকমের চাল চুরি যাহা নিতান্তই দুঃখজনক।
জাকির আহমদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ হাকালুকি হাওরের দখল বাণিজ্যের সংবাদ প্রকাশের জেরে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘মৌলভীবাজার প্রতিদিন’র বড়লেখা উপজেলা প্রতিনিধি ও বড়লেখা প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক জামিল আহমদের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রাতে উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আহত সাংবাদিক জামিল একই ইউনিয়নের পাকশাইল গ্রামের মোঃছফির উদ্দিনের ছেলে। সে মৌলভীবাজার প্রতিদিন ছাড়াও মৌলভীবাজার সমাচার নামক পত্রিকাতেও বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে।
জানা যায়,গত ১৩ মার্চ হাকালুকি হাওরে সংখ্যালঘু ও নিরীহ লোকদের জমি দখল নিয়ে মৌলভীবাজার প্রতিদিনে ‘হাকালুকি হাওরে ক্ষনতাসীনদের দখল বাণিজ্য’ শিরোনামে অনুসন্ধানী একটি প্রতিবেদন লিখেছিলেন জামিল। এ সংবাদ প্রকাশের পর পরই সরকারী দলের নেতাকর্মীরা মোবাইল ফোনে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। তিনি হুমকির প্রতিকারে ১৩ মার্চ সন্ধায় বড়লেখা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) দায়ের করেন। বড়লেখা থানায় সাংবাদিক জামিলের দায়ের করা সে জিডি’র নাম্বার ২৯১। জিডি দায়েরের ২ দিন না পেরুতেই তার উপর ন্যাক্ষারজনক হামলা ঘটনা ঘটলো।
জানা যায়,১৫ মার্চ রাত ১০ টার দিকে সাংবাদিক জামিল আহমদ স্থানীয় ফকির বাজার থেকে তার গ্রামের বাড়ি পাকশাইল ফিরছিলেন। এসময় পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা কয়েকজন মুখোশধারী সন্ত্রাসী জামিলের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তার চিৎকার শুনে পথচারী ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় সাংবাদিক জামিলকে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
এদিকে প্রেসক্লাবের তরুণ সদস্য,সাংবাদিক জামিল আহমদের উপর ন্যাক্ষারজনক হামলার নিন্দা জানিয়েছে বড়লেখা উপজেলা প্রেসক্লাব। প্রেসক্লাবের সভাপতি অসিত রঞ্জন দাস এবং সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র দাস হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন,’সত্য ও বস্তুনিষ্ট সংবাদ লিখে সমাজকে আলোকিত করাই সাংবাদিকদের কাজ। অন্যায়-অপকর্ম তুলে ধরার কারণে সাংবাদিক জামিল আহমদকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তার উপর হামলাকারীদেরকে গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখী করতে হবে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের গ্রেফতার করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান এই দুই সাংবাদিক নেতা।
জাকির আহমদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ হাকালুকি হাওরের দখল বাণিজ্যের সংবাদ প্রকাশের জেরে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘মৌলভীবাজার প্রতিদিন’র বড়লেখা উপজেলা প্রতিনিধি ও বড়লেখা প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক জামিল আহমদের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রাতে উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আহত সাংবাদিক জামিল একই ইউনিয়নের পাকশাইল গ্রামের মোঃছফির উদ্দিনের ছেলে। সে মৌলভীবাজার প্রতিদিন ছাড়াও মৌলভীবাজার সমাচার নামক পত্রিকাতেও বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে।
জানা যায়,গত ১৩ মার্চ হাকালুকি হাওরে সংখ্যালঘু ও নিরীহ লোকদের জমি দখল নিয়ে মৌলভীবাজার প্রতিদিনে ‘হাকালুকি হাওরে ক্ষনতাসীনদের দখল বাণিজ্য’ শিরোনামে অনুসন্ধানী একটি প্রতিবেদন লিখেছিলেন জামিল। এ সংবাদ প্রকাশের পর পরই সরকারী দলের নেতাকর্মীরা মোবাইল ফোনে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। তিনি হুমকির প্রতিকারে ১৩ মার্চ সন্ধায় বড়লেখা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) দায়ের করেন। বড়লেখা থানায় সাংবাদিক জামিলের দায়ের করা সে জিডি’র নাম্বার ২৯১। জিডি দায়েরের ২ দিন না পেরুতেই তার উপর ন্যাক্ষারজনক হামলা ঘটনা ঘটলো।
জানা যায়,১৫ মার্চ রাত ১০ টার দিকে সাংবাদিক জামিল আহমদ স্থানীয় ফকির বাজার থেকে তার গ্রামের বাড়ি পাকশাইল ফিরছিলেন। এসময় পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা কয়েকজন মুখোশধারী সন্ত্রাসী জামিলের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তার চিৎকার শুনে পথচারী ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় সাংবাদিক জামিলকে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
এদিকে প্রেসক্লাবের তরুণ সদস্য,সাংবাদিক জামিল আহমদের উপর ন্যাক্ষারজনক হামলার নিন্দা জানিয়েছে বড়লেখা উপজেলা প্রেসক্লাব। প্রেসক্লাবের সভাপতি অসিত রঞ্জন দাস এবং সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র দাস হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন,’সত্য ও বস্তুনিষ্ট সংবাদ লিখে সমাজকে আলোকিত করাই সাংবাদিকদের কাজ। অন্যায়-অপকর্ম তুলে ধরার কারণে সাংবাদিক জামিল আহমদকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তার উপর হামলাকারীদেরকে গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখী করতে হবে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের গ্রেফতার করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান এই দুই সাংবাদিক নেতা।