“আলোকিত ফাউন্ডেশন সোনাতুলা”র উদ্যোগে এসএসসি উত্তীর্ণদের কৃতি সংবর্ধনা প্রদান।

নিজস্ব সংবাদঃ আলোকিত ফাউন্ডেশন সোনাতুলা’র উদ্যোগে সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয় হলরুমে এস এস সি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের কৃতি সংবর্ধনা ২০২২ অনুষ্টিত।

উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবক।

নারীশিক্ষা একাডেমি ড্রিগ্রী কলেজের প্রিন্সিপাল ও সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষানুরাগী সদস্য জনাব এ কে এম হেলাল উদ্দিন সাহেব এর সভাপতিত্বে ও সাবেক ইউপি সদস্য ফয়ছল আলম স্বপন এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ০৬ নং বড়লেখা সদর ইউপি চেয়ারম্যান জনাব ছালেহ আহমদ জুয়েল , বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব সায়ফুর রহমান, ডাইরেক্টর সিটি ক্লিনিক বড়লেখা।

শিক্ষার্থীর হাতে ক্রেস্ট তুলে দিচ্ছেন অতিথিবৃন্দ।

উপস্থিত ছিলেন আলোকিত ফাউন্ডেশন সোনাতুলার উপদেষ্টা সাবেক ইউপি সদস্য জনাব মুতিউর রহমান, জনাব হাজী আতাউর রহমান, জনাব হাজী ইসরাইল আলী,জনাব আব্দুস সত্তার, জনাব আব্দুর রাজ্জাক, জনাব আব্দুল হাফিজ, উপদেষ্টা ও বড়ময়দান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব ডাঃ সজল সরকার, জনাব ডাঃ রিংকু চক্রবর্তী,উপদেষ্টা ও সোনাতুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মাষ্টার জামিল আহমদ,জনাব নিবারন সরকার, জনাব শামলাল বিশ্বাস,সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি জনাব আব্দুর রাজ্জাক, সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আব্দুল লতিফ, শিক্ষক শিক্ষিকা বৃন্দ
উপস্থিত ছিলেন আলোকিত ফাউন্ডেশন এর সদস্য জনাব জাহেদ আহমদ, প্রবাসী দাতা সদস্য আলা উদ্দিন, শামছুল ইসলাম, সদস্য জনাব শাকিল আহমদ, জনাব আব্দুল কুদ্দুস, জনাব আশরাফুল ইসলাম, জনব জেবুল আহমদ, জনাব জুনেদ আহমদ, জনাব আব্দুস সামাদ, জনাব কামাল হোসেন, জনাব আব্দুল্লাহ আহমদ, জনাব কাওসার হোসেন,জনাব জাবেদ আহমদ, মুন্না আহমদ, মুন্না হোসেন, উজ্জল সরকার, সাগর সরকার, সৌরব সরকার,জাকারিয়া আহমদ আবিদ, মারজান আহমদ, এমরান হোসেন, সুলতান আহমদ প্রমুখ

বড়লেখায় কোলের শিশুকে হত্যার অভিযোগে বাবা আটক

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখায় আল-আমিন নামে দুইমাস বয়সী শিশুপুত্রকে হত্যার অভিযোগে আব্দুল মতিন (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার বিকেলে তিনটার দিকে তাকে আটক করা হয়। তিনি উপজেলার পূর্ব-দোয়ালিয়া (রামকটার টিলা) গ্রামের নিমার আলীর ছেলে। পুলিশ নিহত শিশুর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।

থানা পুলিশ, নিহত শিশুর মা লাবনী আক্তার ও মামা জাবেদ আহমদের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মতিন (৩২) ঘরে স্ত্রী রেখে একাধিক বিয়ে করেছে। এর জের ধরে লাবনী আক্তার ও তার স্বামী আব্দুল মতিনের দাম্পত্য কলহ চলছিল। রোববার বিকেলে আব্দুল মতিন ও স্ত্রী লাবনী আক্তারের মধ্যে ঝগড়া-ঝাটি চলছিল। আব্দুল মতিন স্ত্রীকে মারধরের একপর্যায়ে ৭০ দিনের শিশুপুত্রের উপরও আঘাত পড়ে। সন্ধ্যায় শিশুপুত্রসহ লাবনীকে বাবার বাড়ির লোকজন তাদের বাড়িতে নিয়ে যান। সোমবার সকালে শিশুপুত্রের শরীর খারাপ করলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

বড়লেখায় যুবক খুনের ঘটনায় সাংবাদিক সহ ৯ জনের নামে মামলা। আটক ২

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বড়লেখা উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নের পাকশাইল গ্রামের কামরুল হোসেন এনাম খুনের ঘটনায় সাংবাদিক সহ ৯ জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ২১ আগস্ট নিহত এনামের বাবা বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার ২ জন আসামীকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়,
গত ২০ আগস্ট সকালে হাকালুকি হাওরের মালাম বিল থেকে পাকশাইল গ্রামের কামরুল হোসেন এনাম নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত কামরুল হোসেন এনাম পাকশাইল গ্রামের দিনমজুর সিরাজ উদ্দিনের পুত্র। সে ‘পাকশাইল গ্রেট ভিশন এসোসিয়েশন’ নামক স্থানীয় একটি সামাজিক সংগঠনের সহ সভাপতি ছিল। ১৯ আগস্ট রাতে কে বা কারা তাকে হত্যা করে লাশ পাকশাইল গ্রাম ঘেষা হাকালুকি হাওরের মালাম বিলে ফেলে রাখে। ২০ আগস্ট সকালে স্থানীয়রা বিলে লাশ দেখতে পেয়ে থানা পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ এসে এনামের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। ময়না তদন্ত শেষে ঐইদিন রাত সাড়ে ৮ টায় এনামকে পাকশাইল গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হয়। তার জানাযার নামাজে বর্ণি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনাম উদ্দিন,উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক অধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিন,ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জুবের আহমদ সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশ নেন।

স্থানীয়দের সাথে আলাপ করে জানা যায়,তরুণ একজন সমাজকর্মীর এমন নির্মম মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না তারা। পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সবাই এই হত্যাকান্ডের সুষ্ট বিচার দাবী করছেন। কিন্তু,কে বা কারা এনামকে হত্যা করেছে সে বিষয়ে কেউ সঠিক তথ্য দিতে পারছেন না।

তবে কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার মতে,হাকালুকি হাওরের মালাম বিলের গাছ নিধনকারীদের শাস্তির দাবী সহ বিভিন্ন দাবীতে বেশ কিছুদিন থেকে খুবই সক্রিয় দেখা গেছে কামরুল হোসেন এনামকে। তার এসব ভূমিকার কারণে প্রভাবশালী একটি মহল ক্ষুব্ধ ছিল। সংক্ষুব্ধ এরকম কোনো পক্ষ হয়ত পরিকল্পিতভাবে এনামকে হত্যা করেছে। তবে স্থানীদের এ ধারণার সাথে ভিন্নমত পোষণ করেন নিহত এনামের বাবা সিরাজ উদ্দিন। তার অভিযোগের তীর ছেলের সহকর্মীদের দিকে।

সিরাজ উদ্দিনের মতে,তার ছেলে কামরুল হোসেন এনাম ছিল ‘পাকশাইল গ্রেট ভিশন এসোসিয়েশন’র সক্রিয় এবং সম্ভাবনাময় নেতৃত্ব৷ সে ছিল প্রতিবাদী। সে সংস্থার সভাপতি,সহ সভাপতি,সেক্রেটারী এবং অর্থ সম্পাদকের অনিয়ম এবং স্বেচ্ছাচারিতার প্রতিবাদ করত। তাছাড়া আগামী কাউন্সিলে সে এসোসিয়েশনের সভাপতি পদে প্রার্থী হয়ে বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। এসব কারণে সংস্থার কয়েকজন প্রভাবশালী সদস্যের সাথে কিছুদিন থেকে তার মনোমালিন্য চলছিল। এরই জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তাই,সিরাজ উদ্দিন ২১ আগস্ট বড়লেখা থানায় গিয়ে এই সংস্থার ৯ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ মামলার অন্যতম ২ আসামী সাইফুল হোসেন পাভেল (২৬) এবং মাছুম আহমদ (২৪) কে ইতিমধ্যে আটক করেছে। আটক সাইফুল হোসেন পাভেল এসোসিয়েশনের অর্থ সম্পাদক এবং একই এলাকার মৃত আজির উদ্দিনের ছেলে। আর মাছুম আহমদ বর্ণি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি,পাকশাইল গ্রামের বাসিন্দা মোঃছফির উদ্দিনের ছেলে। মাছুমের বড় ভাই বড়লেখা প্রেসক্লাবের সদস্য জামিল আহমদ। তাকেও এ মামলায় আসামী করা হয়েছে।

এজাহার সূত্রানুযায়ী,মামলার ৯ আসামী হলেন এসোসিয়েশনের সহ সভাপতি সাংবাদিক জামিল আহমদ,সভাপতি এইচ.এম ফয়সল,সিনিয়র সহ সভাপতি শাহীদুল হক,ইমন আহমদ,সেক্রেটারি জাহাঙ্গির আলম,মাছুম আহমদ,সাংগঠনিক সম্পাদক কবির আহমদ,অর্থ সম্পাদক সাইফুল হোসেন পাভেল ও প্রচার সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ। তাদের সকলের গ্রামের বাড়ী পাকশাইল এবং তারা নিহত কামরুল হোসেন এনামের সহকর্মী।

সার্বিক বিষয় জানতে যোগাযোগ করা হলে বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গির হোসেন সরদার জানান,নিহতের পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। ২ জন আসামীকে আটক করা হয়েছে। হত্যা রহস্য উদঘাটনের স্বার্থে গ্রেফতারকৃত দু’জনের রিমান্ড আবেদন করা হবে। অন্যান্য আসামীদেরকেও গ্রেফতারের অভিযান চলছে। কাউকে ছাড় নয়,দোষীদেরকে অবশ্যই আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

এদিকে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত প্রকৃত দোষীদেরকে আড়াল করতেই নিহত এনামের সহকর্মীদের নামে মামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ আসামীদের স্বজনদের। তাদের দাবী,পুলিশ সুষ্ট ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এনামের হত্যাকান্ডে জড়িতদের বের করুক। সঠিক তদন্ত ছাড়া মামলার উপর ভিত্তি করে নিরীহ-নিরপরাধ যুবকদেরকে গ্রেফতার,হয়রানী করলে প্রকৃত হত্যাকারীরা আড়ালে থেকে যেতে পারে।

৫ জনকে অভিযুক্ত করে ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর হত্যা মামলার চার্জশীট দাখিল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সাংবাদিক সহ ৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে সিলেট পলিটেকনিক কলেজ ছাত্রলীগ কর্মী,বড়লেখা উপজেলার বর্ণী ইউনিয়নের আহমদপুর গ্রামের সাইফুর হত্যা মামলার চুড়ান্ত প্রতিবেদন (চার্জশীট) দাখিল করেছে পুলিশ। আজ (২৭ জুলাই) সকালে মৌলভীবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আলোচিত এ মামলার চার্জশীট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আতাউর রহমান।

আদালত এবং পুলিশ সূত্র জানায়,বড়লেখা প্রেসক্লাবের সদস্য,বর্ণি ইউনিয়নের পাকশাইল গ্রামের মোঃ ছফির উদ্দিনের ছেলে জামিল আহমদ,আহমদপুর গ্রামের আনছার আলীর ছেলে বাবলু হোসেন,জবলু হোসেন,কামাল হোসেন, এবং একই গ্রামের মৃত মস্তাব আলীর ছেলে জয়নাল উদ্দিন’কে চার্জশীটে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত ৫ জনের মধ্যে জামিল ছাড়া বাকী ৪ জন বর্তমানে কারাগারে আছেন।

উল্লেখ্য,গত বছরের ৩১ জুলাই বর্ণি ইউনিয়নের আহমদপুর গ্রামের আব্দুল আহাদের ছেলে,সিলেট পলিটেকনিক কলেজের ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমানের রহস্যজনক মৃত্যু হয়। বিকাল ৪ টার দিকে নিজ বাড়ির কক্ষ থেকে পুলিশ তার নিথর দেহ উদ্ধার করেছিল। লাশ পাঠানো হয় মর্গে। ময়নাতদন্ত শেষে পারিবারিক কবরস্থানে সাইফুরকে দাফন করা হয়। রহস্যজনক এ মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে পুলিশকে অপেক্ষা করতে হয় প্রায় ৩ মাস। ২০২০ সালের ২৬ অক্টোবর হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পৌঁছায় বড়লেখা পুলিশের হাতে। প্রতিবেদনে সাইফুরকে শ্বাসরোধে হত্যা করার বিষয়টি বলা হয়। তখন নিহত সাইফুর রহমানের ছোট ভাই এমদাদুর রহমান বাদী হয়ে আসামী অজ্ঞাতনামা রেখে একটি মামলা দায়ের করেন। ঐ দিন সন্ধ্যায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন আসামী হিসেবে আহমদপুর গ্রামের আনছার আলীর ৩ ছেলে বাবলু,জবলু এবং কামাল হোসেনকে আটক করে। গ্রেফতারকৃত এই ৩ জনের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে চলতি বছরের ৭ জানুয়ারী জয়নাল উদ্দিন নামে আরেক সন্দেহভাজন আসামীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। দীর্ঘ তদন্ত শেষে আজ কারাগারে থাকা ৪ জনের সাথে একই ইউনিয়নের বাসিন্দা সাংবাদিক জামিলকে যুক্ত করে আলোচিত এ মামলার চার্জশীট দিল পুলিশ।

হাকালুকি হাওরের মালাম বিলে গাছ নিধনকারীদের শাস্তির দাবীতে মানবন্ধন

জাকির আহমদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ গাছ নিধনকারী দূর্ণীতিবাজদের কবল থেকে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহৎ জলাভূমি হাকালুকি হাওরকে রক্ষার দাবীতে বড়লেখায় মানবন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৬ জুন সন্ধায় উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নের ফকির বাজারে ‘পাকশাইল গ্রেট ভিশন এসোসিয়েশন’ নামে একটি সামাজিক সংগঠনের ব্যানারে এ মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি এইচ.এম ফয়সলের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গির আলমের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন এসোসিয়েশনের সহ সভাপতি কামরুল হোসেন এনাম,শাহীদুল হক,সাংবাদিক জামিল আহমদ, ইমন আহমদ ও শাহিদুর রহমান জুনেদ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এসোসিয়েশনের সহ সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হোসেন,সাইদুল ইসলাম,হাফিজুর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক কবির আহমদ,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আবজল হোসেন,সাজু আহমদ,অর্থ সম্পাদক সাইফুল হোসেন পাভেল,সহ অর্থ সম্পাদক কামরুল হোসেন,অফিস সম্পাদক কবির আহমদ,প্রচার সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ,ক্রীড়া সম্পাদক কবির আহমদ(দক্ষিণ) প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন,হাকালুকি এশিয়ার একটি বৃহৎ জলাভূমি। এই হাওরের পরিবেশ রক্ষা করা সরকারের দায়িত্ব। কিন্তু,দুঃখজনক হলেও সত্য,সরকারী দলের অনেক নেতারা এখন এই ঐতিহ্যবাহী হাওরের পরিবেশ বিনষ্টের সাথে জড়িয়ে গেছেন। গাছ নিধন,অতিথি পাখি ও মাছ শিকার সহ নানা অসদুপায়ে তারা হাওর থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছেন। এর ফলে হাওরের জীববৈচিত্র হুমকির মুখে পড়ছে। আর এর মূল প্রভাব পড়ছে বর্ণি ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে। কারণ,হাওরের পরিবেশের সাথে পাকশাইল সহ ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের মানুষের স্বার্থ জড়িত। এই হাওরকে পরিবেশ বিনষ্টকারী দূর্ণীতিবাজদের হাত থেকে বাঁচানো মানে বর্ণি ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষকে বাঁচানো। বক্তারা এসময় পরিবেশ বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতি আহ্বান জানান।

মৎস্য ও পর্যটন সম্ভাবনাময় মুড়িয়ার হাওরে চাই উন্নয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন!

সিলেট জেলার বিয়ানীবাজারের মুড়িয়া হাওরের অস্তিত্ব এখন হুমকির মুখে। বন্যা ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের সঙ্গে বালুমিশ্রিত পানি এসে হাওরের ১৯টি বিল অনেকটা ভরাট হয়ে গেছে। হাওরে হিজল-করস, বরুণ, চাইলা নলখাগড়া ও জারুল গাছ এখন আর চোখে পড়ে না।

বিভিন্ন প্রজাতির রুপালি মাছও বিলুপ্ত হয়ে গেছে। ফলে মুড়িয়া হাওরপাড়ের ১৭টি গ্রামের মানুষের জীবিকা নির্বাহ কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। গত ৪০ বছরে মুড়িয়া হাওরের উন্নয়নে কয়েকটি প্রকল্প গৃহীত হলেও বাস্তবায়িত হয়নি একটিও। জরুরি ভিত্তিতে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা না হলে এক দশকের মধ্যে হাওরের ভৌগোলিক অবকাঠামোর পরিবর্তনসহ পরিবেশ ভারসাম্য হবে হুমকির সম্মুখীন। এমন আশংকা পরিবেশ ও হাওর।

বিয়ানীবাজার উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়ন, বিয়ানীবাজার পৌরসভার সীমানা, শেওলা ও দুবাগ ইউনিয়নের কিছু অংশ নিয়ে হাওরের বিস্তৃতি আমি মুড়িয়া হাওর অঞ্চলের একজন পূর্ব মুড়িয়ার এ সন্তান হিসেবে বিষয় গুলি উপস্থাপন করিলাম । আয়তন আট বর্গমাইল। একসময় এ হাওরে ১১৫ প্রজাতির মাছ পাওয়া গেলেও বর্তমানে বেশির ভাগই বিলুপ্ত হয়ে গেছে। রানী, বাঘা আইড়, রায়েক, মধু, পাবদা, চিতল, বড় বাইন, রিটা, বোয়াল, কৈ, মাগুর এখন আর চোখে পড়ে না। হাওরের ১৯টি বিল প্রায় ভরাট হয়ে গেছে। সেচের মাধ্যমে বিলে মাছ ধরারসময় শুধু পুঁটি, টেংরা, ভেদা, শিং, চাপিলা, মলা, দারকিনা জাত ছাড়া অন্য মাছ ধরা পড়ে না।বিশাল হাওরজুড়ে কোথাও মাছের অভয়াশ্রম নেই।

বিয়ানীবাজার মৎস্যজীবী সমিতির সদস্য এখলাস উদ্দিন জানান, কারেন্ট ও মশারির জাল দিয়ে অবাধে মাছ শিকারের ফলে প্রজনন বাধাগ্রস্ত হয়। এ ছাড়া বন্যা ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের সঙ্গে বালুমিশ্রিত পানি ঢুকে বিলগুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে। আগে প্রচুর পাওয়া যেত এ রকম মাছ ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। মুড়িয়া হাওর ভারত সীমান্ত ঘেঁষে অবস্থিত। ফলে বছরের পর বছর ওপার থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের বালুতে বিলগুলো ভরাট হয়ে গেছে। শীতকালে শুকিয়ে যায়। বর্ষাকালে পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয়।হাওর এলাকার লোকজন জানান, ১৫-২০ বছর আগে শীতকালে বালিহাঁস, গলগলি হাঁসসহ দেশী-বিদেশী বিভিন্ন প্রজাতির পাখির কলকাকলিতে হাওরাঞ্চল মুখরিত হয়ে উঠত। এখন মাছরাঙাও চোখে পড়ে না। হিজল-করস, জারুল, বরুণ, চাইলা নলখাগড়াসহ অনেক গাছ মরে গেছে। ফলে দেশী-বিদেশী পাখির সমাগমও কমে গেছে। হাওরের কোড়া পাখি, কড়িকাইট্রা, শামুকভাঙরি, চিল, পানকৌড়ি, নানা জাতের বক হারিয়ে যেতে বসেছে।

মুড়িয়া হাওর ভরাট হয়ে যাওয়ায় ওই অঞ্চল পরিবেশ বিপর্যয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে। জরুরি ভিত্তিতে হাওর উন্নয়নের উদ্যোগ না নিলে কয়েক বছরের মধ্যে বিয়ানীবাজার পৌরসভা, শেওলা ও দুবাগ ইউনিয়নসহ ওই অঞ্চলে বর্ষা মৌসুমে স্থায়ী বন্যার সৃষ্টি হবে এবং বিপুল পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতির শিকার হবেন ৫০ হাজার মানুষ। হাওরের উদ্ভিদ সংরক্ষণের কোন ব্যবস্থা নেই। ফলে শুধু শণ ও কলুম বন ছাড়া কোথাও কোন গাছ চোখে পড়ে না। এখনও সামান্য যে কয়েকটি গাছ আছে পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে সেসবও মরে যাচ্ছে। বেতবন, পিচাশবন, নলখাগড়া, লুটকিবনও নেই।

হাওরে এক-চতুর্থাংশ গাছ ও বন থাকা অত্যাবশ্যক হওয়া সত্ত্বেও সরকারি কিংবা বেসরকারি কোন সংস্থার ওই বিষয়ে উদ্যোগ নেই। পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, পরিকল্পিতভাবে মুড়িয়া হাওরের উন্নয়নে ৫০ কোটি টাকার প্রয়োজন। কয়েক বছর আগে ২০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হলেও অর্থের অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি।

একান্ত প্রয়োজন
মুড়িয়া হাওর উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন
গনমানুষের ও রাজনৈতিক দাবী আকারে সবার প্রচেষ্টা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে ।
১) বিয়ানীবাজার–বড়দেশ- মনটেকা হয়ে বড়উধা মাইজকাপন ইনামপুর–আষ্টঘরী টু সারপার বাজার গ্রোথ সেন্টার,, নয়াগ্রাম বিওপি রাস্তা।
২)
শেওলা সেতু-দুবাগ -বড়উধা, তাজপুর হয়ে বড়লেখা সংযোগ রাস্তা,,
“”””
৩)দুবাগ – বড়উধা ভায়া আষ্টঘরী, সারপার বাজার গ্রোথ সেন্টার, নয়াগ্রাম বিওপি,টু লাতু রাস্তা

৪)বালিঙ্গা খাল খনন পূর্বক লেক তৈরী করা।

৫)হাওরের১৯টি বিল খনন ও বাঁধ তৈরি করা।

৬)মাছের অভয়াশ্রম কেন্দ্র স্থাপন।

৭)ওরম পুরি খালে সুইচ গেইট স্থাপন।

৮) হাওরের বাঁধে হিজল গাছ রোপন।
৯) প্রাকৃতিক সুন্দর্য উপভোগ ও দর্শনার্থীদের জন্য ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ।

লেখক
মোঃজুবায়ের আহমদ(মাছুম)
আষ্টঘরী পূর্ব মুড়িয়া
বিয়ানীবাজার সিলেট

বড়লেখায় কালেক্টরেট সহকারীদের ৭দফা দাবীতে কর্মবিরতি।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পদোন্নতিসহ ৭ দফা দাবী আদায়ের আন্দোলনের তৃতীয় দিন মঙ্গলবার উপজেলা প্রশাসনের কালেক্টরেট সহকারীরা পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি পালন করেছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) কার্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত কর্মবিরতি সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন উপজেলা কালেক্টরেট সহকারী সমিতির সভাপতি তপন শর্ম্মা, সহসভাপতি অর্চনা রাণী দত্ত, সাধারণ সম্পাদক প্রতাপ চন্দ্র দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. এনাম হোসেন, অনিন্দ দাশ প্রমুখ।

জুড়ীতে ৫ বছর ধরে অকেজো কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত স্লুইস গেট

স্টাফ রিপোর্টারঃ মৌলভীবাজারের জুড়ীতে এক কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত স্লুইস গেটটি প্রায় ৫ বছর যাবত অকেজো হয়ে পড়ে আছে। সুফল পাচ্ছেন না কৃষক, সংশ্লিষ্ট সমবায় সমিতি নিয়েও রয়েছে এলাকাবাসীর বিস্তর অভিযোগ। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী ও সমবায় কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক ২০১২-১৩ অর্থ বছরে ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প (জাইকা)’র অর্থায়নে প্রায় ১ কোটি ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে উপজেলার পূর্বজুড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম বড়ধামাই গ্রামে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়। প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে কাউলীছড়ায় একটি স্লুইস গেট, খাল খনন, দেড় কিলোমিটার বেড়ি বাঁধ ও পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির কার্যালয় নির্মাণ করা হয়।

প্রকল্পের ভূমি দাতা জহির আলী, স্থানীয় বাসিন্দা রুবেল আহমদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, জুলেখা বেগমসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, এ এলাকার কৃষকের বোরো আবাদে পানি সেচের সুবিধার্থে স্লুইস গেট নির্মাণের পর বহু কষ্টে ২/৩ বছর সেটা ব্যবহার করা হয়। কিন্তু বেড়ি বাঁধে পর্যাপ্ত মাটি না থাকায় জমানোর আগেই বাঁধ অতিক্রম করে পানি চলে যায়। কৃষকরা আগের মত মেশিনের সাহায্যে পানি সেচ দিয়ে জমি চাষ করছেন। আর সরকারের কোটি টাকার স্লুইস গেট অকেজো পড়ে আছে। সার্বিক বিষয়টি দেখাশুনা ও কৃষকের উন্নয়নের জন্য কাউলীছড়া পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি গঠিত হয়। কিন্তু সমিতি গঠনের পর থেকে তাদের কোনো কার্যক্রম দেখা যায় নাই। গোপনে এ কমিটি গঠন করা হয়। এতে সঞ্চয় ও ঋণ কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সমিতির সম্পাদক ৫ বছর থেকে এলাকায় থাকেন না।

নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি গঠনের দাবি জানিয়ে সমিতির সদস্যরা বলেন- সরকারের কোটি টাকা ব্যয়ের উদ্দেশ্য সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হোক। প্রকাশ্যে সমিতির হিসাব অডিট করা হোক।

জানতে চাইলে কাউলীছড়া পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি (পাবসস) সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুনিম রাজন বলেন, বিভিন্ন সমস্যার কারণে সঞ্চয় বা শেয়ার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ডিসেম্বরে নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি করা হবে।

উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আমিরুল ইসলাম বলেন, ওই সমিতিতে ৮৮ জন সদস্য রয়েছেন। সমিতির সদস্য নিজেরা কমিটি করেন।

হেফাজতে ইসলামের সম্মেলনে ১৫১ সদস্য কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সম্মেলন আজ ১৫ নভেম্বর দিনব্যাপী হাটহাজারী মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে ব্যাপক আলাপ আলোচনা ও প্রস্তাবের মাধ্যমে সর্ব সম্মতিক্রমে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

এতে আমীরে হেফাজত নির্বাচিত হন- মজলুম জননেতা শায়খুল হাদীস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী ও মহাসচিব- জমিয়তের মহাসচিব শায়খুল হাদীস আল্লামা নুর হুসাইন কাসেমী।

উপদেষ্টামন্ডলীতে রয়েছেন বীর চট্টলার আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী, আমীরে মজলিস অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক, জমিয়তে সভাপতি শায়েখ মাওলানা জিয়া উদ্দিন,
মুফতী রশীদুর রহমান ফারুক পীর সাহেব বরুণী প্রমুখ।

নায়েবে আমীর হিসেবে খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আল্লামা ড. আহমদ আবদুল কাদের অন্যতম।

যুগ্ন মহাসচিবদের মধ্যে খতিবে বাঙাল মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, আল্লামা মামুনুল হক প্রমুখ অন্যতম।

সহকারী মহাসচিবদের মধ্যে খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর আল্লামা শাখাওয়াত হোসাইন, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, মাওলানা মুহাম্মদ শফিক উদ্দিন প্রমুখ অন্যতম।

প্রচার সম্পাদক- আজিজুল হক ইসলামাবাদী, আইন বিষয়ক সম্পাদক- জমিয়তের অ্যাডভোকেট মাওলানা শাহিনুর পাশা চৌধুরী,

আন্তর্জাতিক সম্পাদক- খেলাফত মজলিসের ইউরোপের পরিচালক সাবেক তুখোড় ছাত্রনেতা অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল কাদের সালেহ।

অন্যান্য দায়িত্বশীল ও সদস্যরা সহ ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

আন্জুমানে হেফাজতে ইসলামের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন মুফতি ফারুক আমীর, অধ্যাপক সবুর মহাসচিব।


এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

আণ্জুমানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার বার্ষিক অধিবেশন আজ ২২ অক্টোবর দুপুর ১২টা থেকে বরুণার মসজিদে ক্বাদিমে অনুষ্ঠিত হয়।

ওলিকুল শিরোমনী আল্লামা মুফতী রশীদুর রহমান ফারুক পীর সাহেব বরুণী’র সভাপতিত্বে দুই অধিবেশনে শুরা সদস্যরা বিস্তারিত আলোচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে মুফতি রশীদুর রহমান ফারুক বর্ণভীকে আমীর ও বড়লেখার কৃতি সন্তান অধ্যাপক মাওলানা আবদুস সবুরকে মহাসচিব নির্বাচিত করা হয়েছে।

নায়েবে আমীররা হলেন মাওলানা সাইদুর রহমান বর্ণভী, মাওলানা ওলিউর রহমান বর্ণভী, আল্লামা আব্দুল বারী ধর্মপুরী, মাওলানা আবদাল হোসেন খান, মাওলানা নুরে আলম হামিদী, মাওলানা বদরুল আলম হামিদী, কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা শাহ নজরুল ইসলাম, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকরা হলেন শায়েখ মাওলানা মুজাদ্দিদ আলী, মাওলানা মুজিবুর রহমান মুজাহিদ, মুফতি শফিকুর রহমান সিলেট, মাওলানা জাবের আহমদ হবিগঞ্জি, মাওলানা হেলাল আহমদ হেতিমগঞ্জি, মাওলানা লুৎফুর রহমান জাকারিয়া কমলগঞ্জি। অর্থ সম্পাদক মুফতি হিফজুর রহমান ফুয়াদ, প্রচার সম্পাদক মাওলানা জিয়া উদ্দিন ইউসুফ প্রমুখ। এছাড়াও আমীরে আন্জুমান ও মহাসচিব অন্যান্য সম্পাদকীয় ও সদস্যবৃন্দ নিযুক্ত করবেন মর্মে শুরা অধিবেশনে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

রায়হান হত্যাঃ বিক্ষুব্ধ জনতা উত্তাল সিলেট প্রতিমধ্যে পুলিশি বাধা।


মোঃইবাদুর রহমান জাকিরঃ

পুলিশি নির্যাতনে’ যুবক আখলিয়ার রায়হান মৃত্যুর ৫ দিনেও উত্তাল ছিল সিলেট। একই দিন রাস্তা থেকে সাধারণ জনতাকে সরিয়ে দিতে গেলে উল্টো পুলিশকে ধাওয়া করে বিক্ষুব্ধ জনতা।

(১৫অক্টোবর) বৃহস্পতিবার বিকালে রায়হানের বাসার কাছে নেহারীপাড়ায় সিলেটে-সুনামগঞ্জ সড়কে জনতা টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেছে।

একই সময়ে সুবিদবাজারে ও দুপুরে আম্বরখানা পয়েন্টে ও শহীদ মিনারে, সন্ধ্যায় কোর্ট পয়েন্টে পৃথক প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানব অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনে বক্তরা অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের গ্রেফতার ও ফাঁসি দাবি করে বলেন, পুলিশ হেফাজতে কারো মৃত্যু কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না।

এর আগে দুপুরে নিহত রায়হানের মা সালমা বেগমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট লোকজন রেজিস্ট্রি মাঠ থেকে মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসক এম, কাজী এমদাদুল ইসলামের নিকট রায়হান হত্যাকারীদের বিচার ও দোষীদের গ্রেফতার দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছেন।

এদিকে বিকালে পাঠানটুলায় রাস্থা অবরোধ করলে পুলিশ তাদেরকে সরিয়ে দিতে গেলে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী পুলিশকে ধাওয়া করে।

অভিযোগ উঠেছে সিলেটে বন্দর বাজার ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনে মারা যান রায়হান।

নিহতের চাচা মো. হাবিবুল্লাহ জানান, ভোর রাত চারটার দিকে রায়হান একজন পুলিশ সদস্যের ফোন দিয়ে তার মায়ের মোবাইলে কল করে বলে, ‘আমারে বাঁচাও, ১০ হাজার টাকা লইয়া তাড়াতাড়ি ফাঁড়িতে আসেন। ’ এরপর পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিত হন রায়হানকে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।

মো. হাবিবুল্লাহর দাবি, কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদে ফজরের নামাজ পড়ে পাশের ফাঁড়িতে রায়হানের সন্ধানে গেলে ডিউটিরত কনস্টেবল তাকে জানান- ‘সবাই ঘুমে। সকালে আসেন। এ সময় ১০ হাজার টাকা নিয়ে তাকে ফাঁড়িতে যেতে বলা হয়।

নিহতের চাচা বলেন, পরে ৫ হাজার টাকা সংগ্রহ করে ফাঁড়িতে গেলে পুলিশ বলে রায়হান অসুস্থ। ওসমানী মেডিকেলে যান। এরপর মেডিকেল হাসপাতালের মর্গে এসে দেখেন রায়হানের লাশ। এই ঘটনায় নগরীতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

হাবিবুল্লাহ বলেন, রায়হানের পায়ের তলা ও হাঁটুর নিচসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার হাতের নখ উপড়ে ফেলা হয়েছে। ফাঁড়ির ভেতর ‘পুলিশ নির্যাতন’ করে তাকে হত্যা করেছে বলেও অভিযোগ তার।

এ ঘটনায় রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

এদিকে রায়হানের শরীরে অতিরিক্ত আঘাতের কারণেই মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. শামসুল ইসলাম। দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

ডা. শামসুল বলেন, রায়হানের শরীরে অনেকগুলো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাকে প্রচণ্ড মারধর করা হয়। এসব কারণেই তার মৃত্যু হতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে এ ব্যাপারে বিস্তারিত বলা যাবে।

আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুতে বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রীর শোক প্রকাশ।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

হেফাজতে ইসলামের আমির, হাটহাজারী মাদ্রাসার দীর্ঘদিনের মহাপরিচালক আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আলহাজ্ব মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি।

আজ এক শোক বার্তায় পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমে-দ্বীন মওলানা আল্লামা আহমদ শফী দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি দেশের কওমী মাদ্রাসাগুলোর মধ্যে প্রাচীন ও বৃহত্তম চট্টগ্রামের হাটহাজারী দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার মহাপরিচালক হিসেবে কওমী মাদ্রাসাগুলোর নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশে ইসলামী শিক্ষার বিস্তার ও স্বীকৃতি অর্জনে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য। পরিবেশ মন্ত্রী আজ এক শোকবার্তায় মরহুমের বিদ্রেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

উল্লেখ্য, উপমহাদেশের বিখ্যাত আলেমে দ্বীন, বাংলাদেশের কওমি মাদ্রাসা সমূহের শীর্ষ সংগঠন আল হাইয়াতুল উলিয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া এর চেয়ারম্যান, বেফাকুল মাদারিস, বাংলাদেশের চেয়ারম্যান, আল-জামিয়াতুল আহলিয়া মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী, চট্টগ্রাম মাদ্রাসার সম্মানিত মহাপরিচালক আল্লামা শাহ আহমদ শফী আজ বিকেলে রাজধানী ঢাকার গেণ্ডারিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পাখিয়ারটিলা গ্রামে ১৯১৬ সালে জন্মগ্রহণকারী শাহ আহমদ শফী মৃত্যুকালে দুই ছেলে ও তিন মেয়ে ও অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

অবশেষে বাংলাদেশের সাথে সৌদি আরব ফ্লাইট চালু হচ্ছে।

আগামীকাল ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ মঙ্গলবার থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সংক্ষিপ্ত আকারে ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইট চালুর অনুমোদন দিয়েছে সৌদি সিভিল এভিয়েশন জেনারেল অথরিটি।

গত সপ্তাহে প্রকাশিত ২৫ টি দেশের নাগরিকগণ স্বাভাবিক ফ্লাইট চালু হওয়ার আগ পর্যন্ত এই সুবিধা পারবেন। তার মধ্যে বাংলাদেশের নাম রয়েছে! তবে অবশ্যই ৭টি নির্দেশনা মেনে যাত্রীদের যাতায়াত করতে হবে।

ডিসেম্বর নাগাদ করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ১জানুয়ারি ২০২১ থেকে বাকি সকল দেশের নাগরিকগণ সৌদি থেকে এবং সৌদিতে প্রবেশ করতে পারবেন।

বাংলাদেশ থেকে যারা নতুন আসবেন অবশ্যই আপনার স্পন্সরের বিষয়ে সঠিক তথ্য জেনে তারপরে আসবেন কারণ বর্তমানে এখানকার পরিস্থিতি অত্যন্ত শোচনীয়। দালালের মধুর কথায় কান দেবেন না।

বড়লেখায় মন্ত্রীর সুস্থতা কামনায় ইমাম মুয়াজ্জিন পরিষদের দোয়া মাহফিল

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা ইমাম মুয়াজ্জিন পরিষদের উদ্যোগে বড়লেখা-জুড়ীর সংসদ সদস্য পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন এর আশু সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান আজ ১৯ আগস্ট বড়লেখা পৌরসভার হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা সভাপতি বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা রুহুল আমিন এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব নগর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফিজ মাওলানা মনোয়ার হোসেন মাহমুদীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ,

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার মেয়র আবুল ইমাম মোঃ কামরান চৌধুরী, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল আহাদ, বড়লেখা হিফজুল কুরআন মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা খলিলুর রহমান, বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক এম. এম আতিকুর রহমান, সুড়িকান্দি মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ও মসজিদের ইমাম মাওলানা ওলিউর রহমান, পরিষদের সহ সভাপতি হাফিজ মাওলানা একরাম আলী, সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আবুল হাসান হাদী, পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ মাওলানা তৌয়বুর রহমান, অর্থ সম্পাদক মুখলিসুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা বদরুল ইসলাম, মাওলানা মুতাহিরুল ইসলাম প্রমুখ।

প্রবাসী জনকল্যাণ পরিষদের অার্থিক সহায়তা প্রদান

মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার১ নংবর্ণি ইউনিয়নের ৯নংওয়ার্ডের বর্ণি “প্রবাসী জনকল্যাণ পরিষদ” এর পক্ষ থেকে উপজেলার২নংদাসের বাজার ইউনিয়নের সুড়িকান্দি (চুলুপাঁড়া)গ্রামের কৃতি সন্তান বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজের মেধাবী ছাত্র কিডনীরোগী জিন্নাতুল বাহার জাহেদ এর চিকিৎসার জন্য ৫০০০০/(পঞ্চাশ হাজার টাকা)আর্থিক সহয়তা তাঁর মা-বাবার হাতে প্রদান করা হয়েছে।এতে উপস্থিত ছিলেন,২নংদাসের বাজারের সাবেক চেয়ারম্যান মাহতাব উদ্দিন (মাতাই)১নংবর্নি ইউনিয়ন০৯ ওয়ার্ডের ইউঃপিঃসদস্য হাজী ছায়ফুজ্জামান ছরওয়ার ডাঃ শাহাব উদ্দিন, ডাঃ সুনাম উদ্দিন, বর্ণি প্রবাসী জন কল্যাণ পরিষদ এর সদস্য রুছিত আহমদ,আলী হোসেন (কুয়েত প্রবাসী)প্রমূখ।

জুড়ীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একজনের মৃত্যু

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়নের ফুলতলা বাজারে আজ ১৬ আগস্ট রবিবার দুপুরে টিনের ঘরে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একজনের মৃত্যু হয়।

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত ব্যক্তির নাম ওয়াহিদ উল্লাহ (৫০), পিতা হবিব উল্লাহ, গ্রাম বিরইনতলা।
ফুলতলা ইউনিয়ন পরিষদের স্থানীয় ইউপি সদস্য মারুফ আহমেদ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ওয়াহিদ উল্লাহর মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

জুড়ী থানার ওসি তদন্ত আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ফুলতলা ইউনিয়নের ফুলতলা বাজারের একটি টিনের ঘরে কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে ওয়াহিদুল্লাহর মৃত্যু ঘটে। এ ব্যাপারে তদন্ত করে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

বড়লেখায় খেলাফত মজলিসের নির্বাহী বৈঠক ও দোয়া মাহফিল

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা খেলাফত মজলিসের নির্বাহী পরিষদের এক জরুরী বৈঠক ও করোনা আক্রান্ত মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন এমপি সহ অসুস্থ দেশ-বিদেশের সকলের জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা সভাপতি কাজী মাওলানা এনামুল হকের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের মৌলভীবাজার জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল খালিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সাংবাদিক এম. এম আতিকুর রহমান।

উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা লুতফুল রহমানের পরিচালনায় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সৌদি আরব জেদ্দার সাবেক নেতা মাওলানা এখলাসুর রহমান, উপজেলা সহ সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা খায়রুল ইসলাম, সহ সাধারণ সম্পাদক ও সদর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ফয়সল আলম স্বপন, বায়তুলমাল সম্পাদক মাওলানা মনসুর আহমদ, নির্বাহী সদস্য ও দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের সভাপতি হাফিজ মাওলানা আব্দুর রহিম, ছাত্র মজলিসের উপজেলা সেক্রেটারি সুলতান আহমদ প্রমুখ।

সভায় করোনাকালিন অসুস্থ ও কর্মহীন গণমানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সেবার মানসেই সকলকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার উপর গুরুত্বারোপ করেন নেতৃবৃন্দ।
শেষে বড়লেখা-জুড়ীর সংসদ সদস্য পরিবেশ মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন সহ অসুস্থ দেশ-বিদেশের সকলের জন্য বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা লুতফুর রহমান।

কর্মহীন অসহায় মানুষের পাশে বিত্তবানদের দাঁড়াতে হবে – এম. এম আতিক

স্টাফ রিপোর্টার ঃ
কর্মহীন অসহায় মজলুম মানুষের নিরব আর্তনাদে সমাজ ও পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে। করোনাকালীন প্রবাসী, ব্যবসায়ীসহ কর্মহীন হয়ে গেছে অনেক পরিবার। তাই অসহায় গণমানুষের পাশে বিত্তবানদের দাঁড়াতেই হবে।

মৌলভীবাজারের বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটির উদ্যোগে আজ ১৫ আগষ্ট পড়ন্ত বিকেলে শহরের ষাটমা স্কুল প্রাঙ্গণে গরিব অসহায় পরিবারের মাঝে বিশুদ্ধ পানির জন্য টিউবওয়েল বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে সাংবাদিক এম. এম আতিকুর রহমান উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

সোসাইটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সিরাজুল ইসলাম শিরুলের সভাপতিত্বে এবং সহ সাধারণ সম্পাদক ফাহাদ আহমদ ফাহিমের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন সোসাইটির প্রধান উপদেষ্টা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আহাদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক এডভোকেট আফজাল হোসেন।
প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সাংবাদিক,কলামিস্ট ও সমাজ সেবক এম. এম আতিকুর রহমান।

উপস্থিত ছিলেন সোসাইটির স্থায়ী কমিটির প্রধান সমন্ময়কারী মুহাম্মদ খায়রুল ইসলাম, স্থায়ী কমিটির সদস্য রিপন আহমদ, সিনিয়র সদস্য আমিনুল বাবলু, জামিল আহমদ, প্রচার সম্পাদক আব্দুল হালিম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ আব্দুস সামাদ, তরুণ কবি খন্দকার সাহেদ হাসান, ইমরান আহমদ, মুহাম্মদ জুবায়ের আহমদ, জয়দুল ইসলাম, হামিদা বেগম ঝুমা প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ও পরিবেশ মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন এমপির সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে দোয়া পরিচালনা করেন স্থায়ী কমিটির প্রধান সমন্ময়ক মুহাম্মদ খায়রুল ইসলাম।

বড়লেখায় পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রীর জন্য দোয়া মাহফিল

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী করোনা আক্রান্ত আলহাজ্ব মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি মহোদয়ের আশু রোগমুক্তি কামনা করে দোয়া ও প্রার্থনা করা হয়েছে।

উপজেলা পরিষদ হলরুমে আজ বিকেলে অনুষ্ঠিত মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, উপজেলা নির্বাহি অফিসার শামীম আল ইমরান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাব তাজ উদ্দিন, বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম সরদার, বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রত্নদ্বীপ বিশ্বাস, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগম হাসনা, উপজেলার সকল দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ।

বড়লেখায় সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

“মুজিববর্ষের আহ্বান, লাগাই গাছ বাড়াই বন” প্রতিপাদ্য ধারণ করে সারা দেশে এক কোটি বৃক্ষের চারা রোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। পরিবেশ রক্ষায় প্রয়োজনের তুলনায় আমাদের দেশে বৃক্ষ অনেক কম। তাই সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর সরকারি-বেসরকারিভাবে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। সেই কর্মসূচীর অালোকে সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শুরু হয়েছে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী ২০২০।

“একটি গাছ একটি প্রাণ; আসুন গাছ লাগাই, প্রাণ বাঁচাই” – এই স্লোগানে সামাজিক যুগপ​ৎ আন্দোলনে সামাজিক মানবতাবাধী সংগঠন সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশনের “গড়ে তুলি আমাদের প্রিয় সবুজ বাংলাদেশ” কর্মসূচীর আওতায় গ্রামব্যাপী সহস্রাধিক বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের প্রথম ধাপের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু। প্রতিবারের মতো সকল ইতিবাচক সামাজিক আন্দোলনে গ্রামের তরুণদের পাশাপাশি এগিয়ে এসেছেন গণ্যমান্যরাও। গতকাল বড়লেখা উপজেলার ইটাউরী গ্রামের কমিউনিটি ক্লিনিক এর আঙিনায় বৃক্ষরোপণ এর মাধ্যমে এই কর্মসূচী উদ্বোধন করা হয়।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধনীতে অংশগ্রহণ করেন স্থানীয় ইউপি সদস্য সাজু আহমদ, উপজেলা স্বাস্থ্যকর্মী এমদাদুল হক শামীম, কমিউনিটি ক্লিনিক এর স্বাস্থ্যকর্মী করুণা সিধু পাল, আব্দুল হামিদ, আব্দুল আহাদ, ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা সৈয়দ মতিউর রহমান, আব্দুল জলিল ছটন, ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্টাতা সদস্য ও সমাজকর্মী সৈয়দ জিল্লুর রহমান, আব্দুল করিম, ক্বারী অব্দুল সামাদ, সৈয়দ জাকারিয়া, সৈয়দ এমরানুল হক, সৈয়দ শাকারিয়া, সৈয়দ আব্দুল হাকিম, ফরিদুল ইসলাম জাবরুল।

ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সৈয়দ মেহেদী রাসেল বলেন, “গড়ে তুলি আমাদের প্রিয় – সবুজ বাংলাদেশ” কর্মসূচীর আওতায় আমাদের ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর প্রথম ধাপ আমরা শুরু করেছি। এক হাজারেরও অধিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর এই প্রকল্প পর্যায়ক্রমে দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে ইনশাল্লাহ। সকলের প্রতি বিনীত আহবান আপনাদের নিজ আঙিনায় একটি করে হলে গাছ রোপণ করুন। এটি শুধুই পরিবেশকে রক্ষা করবে তাই নয় অদূর ভবিষ্যতে আপনার অর্থ আয়ের উৎস হয়ে উঠবে।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষ সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। সুস্থ্য জীবনের জন্য নির্মল বায়ু ও অক্সিজেন দান করে গাছ। এসব গাছ বড় হলে পরিবেশ ও প্রতিবেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি। আসুন গাছ লাগাই, প্রাণ বাঁচাই; গড়ে তুলি আমাদের প্রিয় – সবুজ বাংলাদেশ।

বড়লেখায় দূর্যোগ সহনীয় ঘর ও এইচবিবি প্রকল্পের আওতায় নির্মিত রাস্তার কাজ পরিদর্শন

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শামীম আল ইমরান আজ বিকেলে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে টি আর বরাদ্দ থেকে নির্মিত দূর্যোগ সহনীয় ঘর এবং এইচবিবি প্রকল্পের আওতায় নির্মিত রাস্তার কাজ পরিদর্শন করেন।

এসময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান ও নিজ বাহাদুরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ময়নুল হক উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ বড়লেখা উপজেলায় “গ্রামীণ দরিদ্র গৃহহীন জনগোষ্ঠীর জন্য দূর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ ” প্রকল্পের আওতায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রায় ৭২,০০,০০০ টাকা ব্যয়ে ২৪ টি সেমিপাকা ঘর এবং ” গ্রামীণ মাটির রাস্তাসমূহ টেকসইকরণের লক্ষ্যে হেরিং বোন্ড (এইচবিবি) করণ” প্রকল্পের আওতায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রায় ২,৭৪,০০,০০০ টাকা ব্যয়ে ৫ কিমি রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে।

বড়লেখার প্রচার বিমুখী এক আলোকিত মুখ আতাউর রহমান

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

যুগে যুগে কিছু মহৎপ্রাণ মানুষ আছেন, যারা আপন যোগ্যতায় ও মহিমায় জ্বলে থাকেন আকাশের ধ্রুবতারা হয়ে, একান্ত লোক চক্ষুর আড়ালে, নীরবে, নিভৃতে থাকেন। এদের মধ্যে নেই আমিত্বের অহমিকার বহিঃপ্রকাশ। নিতান্ত প্রচার বিমুখ মানুষগুলো থেকে যান মানুষের দৃষ্টিরেখার বাইরে।এমনই একজন প্রচার বিমুখ আলোকিত মানুষ আতাউর রহমান আতা (দাসের বাজার ইউনিয়নের বার বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শফিকুর রহমানের ছোটভাই এবং বড়লেখার ইতিহাসে সম্ভবতঃ প্রথম সিএসপি এম এ মজিদের আপন ভাতিজা)। বড়লেখার ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি বিদ্যাপীঠ এফআর মুহিউস সুন্নাহ মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটের সাবেক কাউন্সিল ফয়জুর রহমানের ছোট ভাই।

যিনি বিলেতের মাটিতে বৃহত্তর সিলেটের একজন গর্বিত সন্তান হিসেবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। বড়লেখাবাসীর গর্বের নাড়ীছেড়া ধন এই মানুষটি ১৯৫৮ সালে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার সুড়িকান্দি গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। স্কুল জীবনের পরেই ১৯৭০ সালে তিনি তার পরিবার পিতা- মাতার সাথে ব্রিটেনে পাড়ি জমান। তিনি ব্রিটেনের বিভিন্ন স্থানে বসবাস করেন- Yorkshire, London, Newcastle, Buckinghamshire, এবং Northumberland. শিক্ষা জীবন সমাপ্তির পর তিনি লন্ডনের Tower Hamlet এর সাথে সংযুক্ত হন এবং স্থানীয় সরকারের অধীন Social Service Department এ কাজ করেন। তিনি একই সাথে তার পেশাগত শিক্ষাও চালিয়ে যান এবং অক্সফোর্ড এর Ruskin কলেজ হতে Certificate in Qualified Social Work ( CQSW) সম্পন্ন করেন। সত্তরের দশকের শেষের দিকে তিনি গভীরভাবে জড়িয়ে পড়েন সামাজিক, রাজনৈতিক এবং লেবার পার্টির বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে। তখন তিনি বিভিন্ন সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বে চলে আসেন-যেমন Bangladesh Youth Organization,Tower Hamlets Association for Racist Equalities,Mitali Housing Association ইত্যাদি। একই সময়ে তিনি স্থানীয় লেবার পার্টির গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থেকে ১৯৯৪ ইং সনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। তখন লেবার পার্টি পূর্ব লন্ডনে ক্ষমতায় এলে তিনি দ্রুততার সাথে নেতৃত্বের পাদপ্রদীপে চলে আসেন এবং কেবিনেটের সদস্যপদ লাভ করেন। তিনি ফাইন্যান্স কমিটি এবং অডিট প্যানেলের সভাপতি মনোনীত হন (১৯৯৫-১৯৯৬) এ।
সোসাল সার্ভিস কমিটির সভাপতি মনোনীত হন (১৯৯৬-১৯৯৭) এ এছাড়াও Performance Management Working Party এর সভাপতি মনোনীত হন (১৯৯৭- ৯৮)তে অত্যন্ত সফলভাবে, (১৯৯৯-২০০০) এ কেবিনেট সদস্য হিসেবে ফাইন্যান্স ও অডিট প্যানেলে দায়িত্ব পালন করেন।(২০০০-২০০৩) এ কেবিনেট মেম্বার হিসেবে ও দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট সংস্থার সম্মুখ সারিতে থেকে নেতৃত্ব দানের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখেন।এগুলোর মধ্যে তিনি পরিচালক ছিলেন, Tinkerbel Trust (1996-1997) এ, পরিচালক Bethnal Green City Challenge company (1994-1995) এ পরিচালক Spitalfield Market. Community Trust (1994-1997) এ, পরিচালক Mile and Par Partnership 2000 (-2003) এ, পরিচালক কাচারাল ইন্ডাষ্ট্রিজ ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি – CIDA (2000-2003) এ, সভাপতি বৈশাখী মেলা (২০০০-২০০৩)এ, সভাপতি নজরুল সেন্টার শেডো বোর্ড(২০০০-২০০৩) এ।
ব্যক্তি জীবনে আতাউর রহমান বেগম হাসনা রহমানের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। মিসেস রহমানও একজন নিঃস্বার্থ সমাজকর্মী।

সর্বশেষ তিনি বড়লেখাবাসীর মানবসেবার অনন্য সংগঠন, বড়লেখা ফাউন্ডেশন ইউকে এর অভিভাবকের ভুমিকায় উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন। অত্যন্ত সদালাপী, নিরহংকার, সজ্জন এ মানুষটি অনেকটা পর্দার আড়ালে থেকে নিভৃতে মানবতার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এমন একজন গুণীজনকে নতুন প্রজন্মের কাছে বহু আগে পরিচিত করানো প্রয়োজন ছিল। তাঁর ক্যারিয়ার ও জীবন থেকে নতুন প্রজন্মের অনেক কিছু শেখার আছে। কথায় আছে, যে দেশে গুণীজনের কদর নাই, সেই দেশে গুণীজন জন্মায় না।

আমরা আমাদের এই কৃতি সন্তানকে স্বশ্রদ্ধ অভিবাদন জানাই। বড়লেখায় অগনিত আলোকিত আতাউর রহমানের জন্ম হোক বার বার, এ প্রত্যাশা। তাঁর দীর্ঘ নেক হায়াত কামনা করি। ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন পরিবার- পরিজনসহ এই ফরিয়াদ দয়াময় মাবুদের তরে মনেপ্রাণে।

বঙ্গমাতা ৯০ তম জন্মদিবসে বড়লেখায় আলোচনা সভা সেলাই মেশিন বিতরণ

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব এঁর ৯০ তম জন্মদিবস উপলক্ষে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দুঃস্থ মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।
আজ আট আগস্ট সকালে বড়লেখা উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীম আল ইমরানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগম হাসনা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ দুস্থ মহিলাদের মধ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করেন।

রাংজিয়ল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল শায়খ সালেহ নাজিব আল- আইয়ুবির অন্যরকম ঈদ পুনর্মিলনীর

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

আজ প্রায় পাঁচটা মাস, প্রতিদিন ওঁরা একজন না একজনের ফোন আসছেই। হুজুর মাদ্রাসা কবে খুলবে? আমরা কবে আসবো? বাড়িতে আর ভাল্লাগেনা।

আশার প্রহর গুনা শেষ হচ্ছে না। আজ আট আগস্ট মাদ্রাসা সমুহ খোলার কথা, কিন্তু দুই দিন আগে যখন শুনলাম যে না আট আগস্ট মাদ্রাসা খুলছে না, তখন অপেক্ষার পালা শেষ করে এঁদেরকে শান্তনা দিলাম, কিন্তু না! ওরা বলছে আমরা আট আগস্ট চলে আসবো হুজুর!

রাত কিংবা দিন, যাদের নিয়ে আমি সাজিয়েছি আমার জীবন সাধনার অমর ভালোবাসা প্রিয় রাংজিয়ল জামেয়া, এদের প্রতি আমার ও অনেকটা হৃদয়ের ব্যাকুলতা অবশ্যই রয়েছে ।

জামেয়ার নাঈবে মুহতামিম হযরত মাওঃ আব্দুল মজিদ বললেন, এঁদেরকে সামাল দেয়া যাচ্ছে না। বললাম আমি আসছি।

সকাল দশটার দিকে রওয়ানা হলাম, একে একে বিচ্ছিন্ন ভাবে এদেরকে দেখে গেলাম, সর্বশেষ মাওঃ আব্দুল মজিদ এঁর বাড়িতে একত্রিত হলো ওঁরা প্রায় পঞ্চাশ জন।

মাওলানাকে বললাম এঁদের জন্য খাবার তৈরি করুন বিল আমি এসে পরিশোধ করবো, সাথে নিয়ে গেলাম রাজমহলের মিষ্টি,নিমকি, জিলাপি আর দই।

মাওলানার সাথে আমাকে তাঁরা রিসিভ করলো, প্রতিটি বাচ্ছার মুখে আনন্দ আর হাসি। একে একে সালাম মুসাফাহা করলাম। সালাতুল এশার পর মাওলানা আব্দুল মজিদ এঁর উঠানে এদের অভিভাবক সহ ঈদ আনন্দে শরিক হলাম আমি।

আশার আগে আধা ঘন্টার মত আলোচনা রাখলাম, পনেরো মিনিটের মতো দোয়া হলো।

দোয়া শেষে এঁদের একটাই দাবি হুজুর শিক্ষা বোর্ড মাদ্রাসা খোলার ঘোষণা কবে দিচ্ছে?

ওদের নিয়ে রাতের খাবার খেলাম, বাড়িতে ফিরলাম আর ফজরের আযান শুনছিলাম মুয়াজ্জিনের কন্ঠে।

আমি যখন চলে আসবো, একে একে বিদায় নিচ্ছি আর বলছি খুব শিগগিরই মাদ্রাসা খুলবে, তোমরা চিন্তা কর না, তখন ছেলে গুলো তাদের অভিভাবকদের সামনে হাউমাউকরেকাঁদছে , আমি না দেখার বাহানা করে গাড়িতে বসে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম, লুকিং গ্লাসে তাকিয়ে দেখলাম এঁরা দাড়িয়ে চেয়ে আছে আমার পথ পানে , অনেকে কান্না ঝরা চোখ মুছছে। তাঁদের ভালোবাসায় আসে ব্যাকুলতা।

হাকালুকিতে পানিবন্ধী মানুষের মাঝে মুফতি জামিল কাসিমীর ত্রাণ বিতরণ

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ ০৭নং তালিমপুর ইউনিয়ন শাখার ব্যবস্থাপনায় এবং আসন্ন ০৭নং তালিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আলিম-উলামা ও জনসাধারণ সমর্থিত, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ মনোনীত সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা, তরুণ আলিমে দ্বীন মুফতি জামিল আহমদ কাসিমীর অর্থায়নে, হাকালুকি হাওরাঞ্চলের পানিবন্ধী মানুষের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

গতকাল (রবিবার) দিনব্যাপী ত্রাণ সামগ্রী বিতরণকালে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুফতি জামিল কাসিমী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সার্বিক খোজ-খবর নেন এবং সর্বদা মানুষের পাশে থাকার ও সেবা করার অংগীকার ব্যক্ত করেন। জনসাধারণ একজন আলিম জনপ্রতিনিধি পেয়ে হৃদয় থেকে আনন্দ প্রকাশ করে এবং উচ্ছ্বাসিত হয়। তাদের সর্বাত্মক সমর্থন এবং সহযোগীতায় এই আলিম প্রতিনিধিকে বিজয়ী করার অভিপ্রায় প্রকাশ করেন। হাওরাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী রাংজিউল জামিয়া নজিবিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসায়, মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল খেলাফত মজলিস নেতা মাওঃ শায়েখ সালেহ নজিব আল আইয়্যুবীর সভাপতিত্বে বিকাল ৩টায় এক “মতবিনিময় সভা” অনুষ্ঠিত হয়। শায়েখের অসাধারণ মেহমানদারি এবং দিক-নির্দেশনায় কর্মীগণ উজ্জীবিত হয়। এই দীর্ঘ যাত্রায় সফরসঙ্গী ছিলেন- ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সংগ্রামী সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রনেতা আহমাদুল হক উমামা, সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফিয মাওঃ তায়্যিবুর রহমান, মৌলভীবাজার জেলা ছাত্র জমিয়তের সভাপতি মাওঃ শিহাবুদ্দীন শাহ আলম, বড়লেখা উপজেলা যুব জমিয়ত সভাপতি হাফিয মাওঃ ইয়াহইয়া আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মাওঃ সাইফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওঃ মাহবুবুর রহমান, দায়ী সম্পাদক হাফিয সিরাজুল ইসলাম, যুবনেতা মাওঃ শাহাবুদ্দীন, বড়লেখা উপজেলা ছাত্র জমিয়তের সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান আহমদ। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আয়োজনকে বাস্তবে রুপদান করেন- তালিমপুর ইউপি ছাত্র জমিয়তের সভাপতি মাওঃ ওলিউর রহমান শামিম, সাধারণ সম্পাদক হাফিয এবাদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিয ফাহিম আহমদ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- কাঁঠালতলি ইউপি ছাত্র জমিয়তের সভাপতি হাফিয মাহমুদুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক জুনাইদ আল হাবিব, যুবনেতা মাওঃ নাঈমুল হাসান, তালিমপুর ইউপি ছাত্র জমিয়তের সহ-সভাপতি মাওঃ জিয়াউর রহমান, মাওঃ মারুফ আহমদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফিয কিবরিয়া আহমদ, সহ-সাংগঠণিক সম্পাদক হাফিয জামিল আহমদ, অর্থ সম্পাদক মাওঃ শাহেদ আহমদ, প্রচার সম্পাদক হাফিয হুসাইন আহমদ, স্কুল-কলেজ বিষয়ক সম্পাদক মারজান আহমদ, হাফিয হাবিবুল্লাহ সাদি, আহমদ সুমন, সাইদুল ইসলাম, সাঈদ আহমদ ঈমন, জালাল আহমদ প্রমুখ।

বড়লেখায় সাড়ে এগার হাজার উপকারভোগীর মধ্যে ঈদুল আজহার চাল বিতরণ

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আয়োজনে আজ দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে ১১,৪০০ জন উপকারভোগীর মধ্যে ১০ কেজি করে ভিজিএফ এর চাল বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বড়লেখা মোঃ শামীম আল ইমরান এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ বড়লেখার চেয়ারম্যান সোয়েব আহমেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার উদ্দিন, উপজেলা পরিষদ, বড়লেখার ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ তাজ উদ্দিন, বড়লেখা সদর ইউপির চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজ উদ্দিন প্রমুখ। অনুষ্ঠান টি সঞ্চালনা করেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান।

বড়লেখায় মুমূর্ষু রোগীদের সেবায় প্রবাসীর এ্যাম্বুলেন্স প্রদান

এম. এম আতিকুর রহমান

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের মুমূর্ষু রোগীদের পরিবহণ সেবায় অ্যাম্বুলেন্স দান করেছেন প্রবাসী সমাজসেবক সোহেল আহমদ সুমন। নতুন এ এ্যাম্বুলেন্সের চাবি হস্তান্তর ও সার্ভিসের উদ্বোধন উপলক্ষে সুজানগর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ্যাম্বুলেন্স দাতা প্রবাসীর পিতা মোস্তফা উদ্দিনের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ।

ইউনিয়ন তথ্য কেন্দ্রের উদ্যোক্তা খলিলুর রহমান লিমনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সুজানগর ইউপি চেয়ারম্যান নছিব আলী, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সাব্বির আহমদ, এ্যাম্বুলেন্স দাতা প্রবাসী সোহেল আহমদ সুমন, জামেয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম আজিমগঞ্জ মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আব্দুল কাদির, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমরুল ইসলাম লাল, সাধারণ সম্পাদক সাহেদুল মজিদ নিকু, ইউপি মেম্বার মকবুল হোসেন সেবুল, ফরমান আহমদ, শহিদ আহমদ, সাবেক ইউপি মেম্বার সমছ উদ্দিন, সমাজসেক আনসার হোসেন, রুয়েল আহমদ প্রমুখ।

সিলেটে করোনায় মৃত্যুর মিছিলে আরো ৫জন যোগ হলো


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

সিলেটে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে। এ মিছিলে প্রতিদিনই সামিল হচ্ছেন করোনা আক্রান্তরা।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ১৩৫ জন। এর আগে গতকাল শনিবার (২৫ জুলাই) সিলেটে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন একজন।

রোববার (২৬ জুলাই) সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য)’র কার্যালয় কর্তৃক করোনা পরিস্থিতির আপডেট (আরও তথ্যসহ) থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

নতুন মারা যাওয়া ৫ জনের মধ্যে সবাই সিলেট জেলা বাসিন্দা। এ নিয়ে জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা ১০১ জন। আর সুনামগঞ্জে মারা গেছেন ১৪ জন, হবিগঞ্জে ১০ এবং মৌলভীবাজার জেলায় ১০ জন মারা গেছেন।

এদিকে সিলেটে প্রতিদিন বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী সংখ্যা। গত ৫ এপ্রিল সিলেটে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর প্রতিদিনই বাড়ছে রোগী।

সবশেষ রোববার (২৬ জুলাই) দুপুর ১২ টা পর্যন্ত সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৪১৩ জন। এরমধ্যে সিলেট জেলায় ৩ হাজার ৯৮২ জন, সুনামগঞ্জে ১ হাজার ৩৯৭, হবিগঞ্জে ১ হাজার ১১৬ এবং মৌলভীবাজারে ৯১৮ জন রোগী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

অন্যদিকে সিলেট বিভাগে প্রতিদিনই বাড়ছে সুস্থ রোগী সংখ্যা। গত ২৭ এপ্রিল বিভাগে প্রথম সুনামগঞ্জে দুই রোগী করোনাভাইরাস জয় করে বাড়ি ফেরেন। এরপর প্রতিদিন বিভাগের বিভিন্ন জেলার রোগীরা করোনা জয় করে বাড়ি ফিরছেন।

সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘন্টায় ৩ হাজার ১০০ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এরমধ্যে সিলেট জেলায় ৯৮২, সুনামগঞ্জে ১০৬২, হবিগঞ্জে ৫৬১, মৌলভীবাজারে ৪৯৫ জন রোগী করোনা জয় করে বাড়ি ফিরেছেন।

বড়লেখায় মাতৃত্বকালীন ভাতা ও দুরারোগ্যদের মধ্যে মন্ত্রীর অনুদান প্রদান

এম. এম আতিকুর রহমান ;

আজ ২৫ জুলাই মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ২০১৯-২০ অর্থ বছরে দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচির ১৪৭০ জন এবং কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল কর্মসূচির ৪২৫ জন উপকারভোগীর ভাতা বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত থেকে উদ্বোধন করেন প্রধান অথিতি মোঃ শাহাব উদ্দিন, এম.পি, মাননীয় মন্ত্রী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এসময় বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোয়েব আহমদ, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, বড়লেখা। আনোয়ার উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ, বড়লেখা। সভাপতিত্ব করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত লায়লা নীরা।

এছাড়া সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে জটিল রোগ ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, জন্মগত হৃদরোগ, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত ১০ জন রোগীর মাঝে জনপ্রতি ৫০,০০০/- টাকা হারে ৫,০০০০০/- টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

বড়লেখায়মাতৃত্বকালীন ভাতা ও দুরারোগ্যদের মধ্যে মন্ত্রীর অনুদান প্রদান

এম. এম আতিকুর রহমান ;

আজ ২৫ জুলাই মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ২০১৯-২০ অর্থ বছরে দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচির ১৪৭০ জন এবং কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল কর্মসূচির ৪২৫ জন উপকারভোগীর ভাতা বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত থেকে উদ্বোধন করেন প্রধান অথিতি মোঃ শাহাব উদ্দিন, এম.পি, মাননীয় মন্ত্রী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এসময় বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোয়েব আহমদ, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, বড়লেখা। আনোয়ার উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ, বড়লেখা। সভাপতিত্ব করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত লায়লা নীরা।

এছাড়া সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে জটিল রোগ ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, জন্মগত হৃদরোগ, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত ১০ জন রোগীর মাঝে জনপ্রতি ৫০,০০০/- টাকা হারে ৫,০০০০০/- টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

বড়লেখায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একজন খুন

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় জমি ক্রয় সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ব্যবসায়ী আব্দুল আহাদ (৩৫) মারা গেছেন। গতরাতে (২৩ জুলাই) সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আহাদ বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের সুজাউল (হরিনগর) গ্রামের শফিক উদ্দিনের ছেলে। আর অভিযুক্ত মাতাব উদ্দিন একই এলাকার চন্ডিনগর (হরিনগর) গ্রামের মৃত রজব আলীর ছেলে।  

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল আহাদ ও তার স্বজনরা উপজেলার চন্ডিনগর (হরিনগর) গ্রামের মৃত রজব আলীর পুত্র মাতাব উদ্দিন ও তার সৎ ভাইদের কাছ থেকে সম্প্রতি কিছু জমি ক্রয়ের জন্য বায়নাপত্র করেন। জমি রেজিষ্ট্রির আগে নির্ধারিত মূল্যের অর্ধেকের বেশি টাকাও মাতাব উদ্দিনদের দেওয়া হয়। রেজিষ্ট্রি করার সময় অবশিষ্ট টাকা দেওয়ার কথা ছিল। পরবর্তীতে জমির কাগজপত্র সংক্রান্ত জটিলতা ও করোনাভাইরাসের কারণে জমি রেজিস্ট্রি হয়নি। এ অবস্থায় প্রায় দুই মাস আগে জমিতে চাষ করতে গেলে মাতাব উদ্দিনরা বাধা দেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে বৈঠক হলেও তা নিষ্পত্তি হয়নি। জমি নিয়ে স্থানীয়ভাবে বিচার চাওয়ায় আহাদের ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন মাতাব উদ্দিন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে আব্দুল আহাদ স্থানীয় অফিসবাজারে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। এরই মধ্যে মাতাব উদ্দিন আহাদের পথ রোধ করে দাঁড়ান। একপর্যায়ে মাতাব উদ্দিন দা দিয়ে আহাদের মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন সেখান থেকে তাঁকে (আহাদ) ‍উদ্ধার করে প্রথমে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২টায় তিনি মারা যান। 

বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইয়াছিনুল হক আজ (২৪ জুলাই) বিকেলে বলেন, ‘জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়ভাবে জেনেছি। নিহতের পরিবার এখনও মামলা দেননি। অভিযুক্ত ব্যক্তি আমাদের নজরদারিতে আছে। তাঁকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

বড়লেখা থানা ডিউটি অফিসারের মোবাইলে আজ রাত ৮ টায় কথা বললে আসামি গ্রেফতার বা মামলার বিষয়ে তিনি এখনো কিছু জানেন না বলে এ প্রতিবেদককে জানান।

মৌলভীবাজারে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে সচেতনতায় নাগরিক মঞ্চ

এম. এম আতিকুর রহমান ;

আজ ২৫ জুলাই শুক্রবার মৌলভীবাজার জেলায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে মৌলভীবাজার জেলার সকল উপজেলায়
সকলের মাস্ক পরিধান ও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে করোনা প্রতিরোধ কমিটি শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার এর ব্যবস্থাপনায় “সচেতন নাগরিক মঞ্চে একযোগে যোগদান করেন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান ও পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ। এছাড়াও এতে অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

বড়লেখায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একজন খুন

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় জমি ক্রয় সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ব্যবসায়ী আব্দুল আহাদ (৩৫) মারা গেছেন। গতরাতে (২৩ জুলাই) সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আহাদ বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের সুজাউল (হরিনগর) গ্রামের শফিক উদ্দিনের ছেলে। আর অভিযুক্ত মাতাব উদ্দিন একই এলাকার চন্ডিনগর (হরিনগর) গ্রামের মৃত রজব আলীর ছেলে।  

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল আহাদ ও তার স্বজনরা উপজেলার চন্ডিনগর (হরিনগর) গ্রামের মৃত রজব আলীর পুত্র মাতাব উদ্দিন ও তার সৎ ভাইদের কাছ থেকে সম্প্রতি কিছু জমি ক্রয়ের জন্য বায়নাপত্র করেন। জমি রেজিষ্ট্রির আগে নির্ধারিত মূল্যের অর্ধেকের বেশি টাকাও মাতাব উদ্দিনদের দেওয়া হয়। রেজিষ্ট্রি করার সময় অবশিষ্ট টাকা দেওয়ার কথা ছিল। পরবর্তীতে জমির কাগজপত্র সংক্রান্ত জটিলতা ও করোনাভাইরাসের কারণে জমি রেজিস্ট্রি হয়নি। এ অবস্থায় প্রায় দুই মাস আগে জমিতে চাষ করতে গেলে মাতাব উদ্দিনরা বাধা দেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে বৈঠক হলেও তা নিষ্পত্তি হয়নি। জমি নিয়ে স্থানীয়ভাবে বিচার চাওয়ায় আহাদের ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন মাতাব উদ্দিন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে আব্দুল আহাদ স্থানীয় অফিসবাজারে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। এরই মধ্যে মাতাব উদ্দিন আহাদের পথ রোধ করে দাঁড়ান। একপর্যায়ে মাতাব উদ্দিন দা দিয়ে আহাদের মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন সেখান থেকে তাঁকে (আহাদ) ‍উদ্ধার করে প্রথমে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২টায় তিনি মারা যান। 

বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইয়াছিনুল হক আজ (২৪ জুলাই) বিকেলে বলেন, ‘জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়ভাবে জেনেছি। নিহতের পরিবার এখনও মামলা দেননি। অভিযুক্ত ব্যক্তি আমাদের নজরদারিতে আছে। তাঁকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

বড়লেখা থানা ডিউটি অফিসারের মোবাইলে আজ রাত ৮ টায় কথা বললে আসামি গ্রেফতার বা মামলার বিষয়ে তিনি এখনো কিছু জানেন না বলে এ প্রতিবেদককে জানান।

কোরবানির হাটে দেশীয় বড় গরু দেখতে জনতার ভীড়

মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

করোনা পরিস্থিতিতে কোরবানির পশুর হাট কতটুকু জমবে তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছেন ব্যাসায়িরা। তবে এসব দুশ্চিন্তা পাশ কাটিয়ে “চান্দগ্রাম” হাটে এবার বড় তারকা হিসেবে আলোচনায় রয়েছে ছোট বালক জামিল এর গরু ।গরুই সর্বোচ্চ মূল্যে বিক্রি হবে বলে ধারণা তাদের।
ষাঁড়টির দৈর্ঘ্য ৬ফুট, উচ্চতা ৫ ফুট, ওজন ৭ মণ। লাল রঙের সুঠাম স্বাস্থ্যের ষাঁড়টির নাম বিক্রির জন্যই কেবল দেওয়া হয়েছে । লাল শরীরের বসও পিছিয়ে নেই। এই বসের ওজন ৭মণ।
বৃহঃবার দুপুরে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার খামারি জামিল এর খামারে এই ষাঁড় গরু টির দেখা মিলে। আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দেশিয় জাতের গরুটি দেশীয় পদ্ধতিতে নিজের খামারে মোটাতাজা করেছেন তিনি।
খামারি জামিল জানান, গরুটি খুব শান্ত স্বভাবের। ওর কোনও রাগ নেই। কারও দিকে তেড়েও আসে না। ৪ বছর ধরে আমি গরুর খামার করছি।৫ মাস আগে দাম হয়েছে দেড় লাখ টাকায়। তবে ২ লাখ টাকা পেলে গরু টি ছেড়ে দেবেন বলে জানান তিনি।
জামিল আরও জানান, প্রতিদিন দুই বেলা ১০ কেজি করে খাবার খায় গরু দুটি। এরমধ্যে রয়েছে গমের ভুসি, ধানের গুঁড়া, ভুট্টা, শুকনো খড় ও কাঁচা ঘাস। এছাড়া মাঝেমধ্যে ভাতও খায়। প্রতিদিন প্রায় এক হাজার টাকার খাদ্য লাগে। কোনও ধরনের মেডিসিন ব্যবহার করা হয়নি। তবে প্রাণিসম্পদ অফিসের পরামর্শ নিয়েছি।

এদিকে দেখতে প্রতিদিনই লোকজন তার বাড়িতে ভিড় করছেন। গরু দেখতে আসা সাংবাদিক কাজী রমিজ উদ্দিন , বড় আকৃতির গরুর কথা শুনে দেখার আগ্রহ হয়েছিল। তাই দেখতে আসছি। আমি অনেক খামারির কাছে খবর নিয়েছি, এত বড় গরু আর নেই।
কিন্তু করোনাকালে দুশ্চিন্তায় রয়েছি। কেননা, করোনাভাইরাস ও সাধারণ মানুষের পকেটে টাকা না থাকার কারণে এবার সারা দেশের পশুর হাটগুলোতে পশু কম থাকবে। সেই সঙ্গে ক্রেতাও কম থাকবে। কারণ, করোনার কারণে অনেক ক্রেতা-বিক্রেতা হাটে যাওয়া থেকে বিরত থাকবেন। আবার অনেকে আর্থিক কারণে পশু কেনার চিন্তাই করবেন না। ফলে লোকসানও বেশি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

করোনাভাইরাসের মধ্যে খামারিরা গরু বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

বড়লেখায় প্রবাসী দুই বন্ধুর খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ

মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধি ::মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের আতুয়া গ্রামের লন্ডন প্রবাসী,জামেয়াতুল উম্মা ইসলামিক স্কুল লণ্ডন E-1 এর শিক্ষক মাওলানা মোঃ মুমিনুল ইসলাম ফারুকী ও তাঁর বন্ধুদের অর্থায়নে এলাকার হত দরিদ্র,অসচ্ছল ৯০টি পরিবারের মাঝে ঈদের খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আতুয়া গ্রামে প্রবাসী মুমিনুল ইসলাম ফারুকীর নিজ বাড়িতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দরিদ্রদের মাঝে এসব সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।

এসময় উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ৩৮জন সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ৫২ জন ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের মাঝে ১০ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ লিটার তৈল, ২ টি সাবান ও নগদ ৫শত টাকা করে বিতরণ করা হয়।

বিতরণকালে স্থানীয় ইউপি সদস্য আলীম উদ্দিন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কালাচাঁদ চন্দ চন্দ, স্থানীয় স্কুল শিক্ষক আব্দুল করিম, উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের তালাক ও নিকাহ রেজিস্টার সাংবাদিক কাজী রমিজ উদ্দিন,আতুয়া জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওঃআব্দুস শহীদ, সুলতান মাহমুদ খান,তারেক মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

লন্ডন প্রবাসী মুমিনুল ইসলাম ফারুকী জানান, ‘করোনাভাইরাসের এই পরিস্থিতিতে খেটে খাওয়া হতদরিদ্র মানুষগুলো খুব কষ্টের মধ্য জীবনযাপন করছে।তাই প্রবাসে বসে আমি উদ্যোগ নিয়েছি এই দুঃসময়ে হতদরিদ্র মানুষের পাঁশে দাঁড়ানোর। এ উদ্যোগে আমার বন্ধুমহল এগিয়ে এসেছেন। তাদের আর্থিক সহযোগিতায় এবং আমার ভাই আব্দুস শহীদ ও মুজিরুল ইসলামের মাধ্যমে করোনাকালীন সময়ে আরও দুই দফায় অসহায় দরিদ্রদের মাঝে নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছি। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ৯০ টি হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ সম্পন্ন করা হয়েছে,দুঃখিদের মুখে হাসি ফুটানো ধনীদের নৈতিক দায়িত্ব। ধাপে ধাপে হতদরিদ্র পরিবারগুলোর মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের ধারা অব্যাহত রাখবো ইনশা আল্লাহ।’

বড়লেখায় মন্ত্রী মহোদয়ের ঐচ্ছিক তহবিলের চেক বিতরণ

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আজ ২৩ জুলাই উপজেলা পরিষদ হলরুমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি এর ঐচ্ছিক তহবিলের চেক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শামীম আল ইমরান এর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে ফেসবুকে লাইভে প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী বড়লেখা-জুড়ী আসনের সংসদ সদস্য মোঃ শাহাব উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার উদ্দিন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ তাজ উদ্দিন।

উক্ত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী মহোদয়ের ঐচ্ছিক তহবিলের ২০১৯-২০ অর্থবছরের বরাদ্দ থেকে ১১৫ জন ব্যক্তি ও ২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪,৯৭,০০০ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

সরকারী ভাতা নেয়ার মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না : পরিবেশ মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার যেভাবে দেশের দরিদ্র মানুষদের সুযোগ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে তাতে আগামীতে সরকারী ভাতা নেয়ার মানুষও খুঁজে পাওয়া যাবে না। করোনা মহামারীর সময়েও ঝুঁকি নিয়ে সরকার দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছে।
সোমবার বিকালে মৌলভীবাজারের বড়লেখার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র অসহায়দের মাঝে বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বয়স্ক বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার চালু করেছিল।তারই ধারাবাহিকতায় উত্তর শাহবাজপুরে বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধীদের ভাতার কার্ড করে দেয়া হয়েছে। বাকি যারা রয়েছেন আগামী এক বছরের মধ্যে সবাইকে ভাতার আওতায় আনা হবে। কেউ বাদ পড়বে না।উত্তর শাহবাজপুর ইউপি ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) সেলিম আহমদ খানের সভাপতিত্বে ও ইউপি মেম্বার বদরুল ইসলামের পরিচালনায় বিভিন্ন ভাতার কার্ড বিতরণের সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইউএনও মো. শামীম আল ইমরান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিন,উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা উবায়েদ উল্লাহ খান, ভিডিও কনফারেন্সে লন্ডন থেকে বক্তব্য রাখেন উত্তর শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান আহমদ জুবায়ের লিটন,ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক, ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিক উদ্দিন, আওয়ামী লীগ নেতা জোবের আহমদ, যুবলীগ নেতা কামাল উদ্দিন প্রমুখ।

বড়লেখায় ইউপি সদস্যে’র ইন্তেকাল

এম. এম আতিকুর রহমান ;

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য রফিকুল আলমের ইন্তেকালে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি (২০ জুলাই) গতরাত ৩ ঘটিকায় গ্রামতলাস্থ তাঁর নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন।

মরহুমের জানাজার নামাজ আজ বেলা ২ ঘটিকায় সৈয়দা মোকাম মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্টিত হয়ে স্থানীয় গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
একজন সততা সম্পন্ন বিনয়ী ও পরোপকারী সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে সুপরিচিত উদীয়মান সমাজ সেবককে অকালে হারিয়ে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আমরা তাঁর শোকাহত পরিবার পরিজনের সবরে জামিল দান এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের আলা মাকাম নসিব করুন দয়াময় আল্লাহর কাছে কায়মনোবাক্যে এই ফরিয়াদ জানাই।

জুড়ীতে ২ মাদক ব্যবসায়ী চোলাই মদ সহ আটক

এম. এম আতিকুর রহমান ;

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে করোনা ভাইরাসের মহামারীতেও চলছে বিভিন্ন কায়দায় মাদকের রমরমা ব্যবসা। জুড়ী থানার পুলিশ প্রতিনিয়ত অভিযান চালিয়ে মাদক উদ্ধারসহ মাদক ব্যবসায়ীদেরকে আটক করছে। পুলিশের কঠোর নজরদারি ও অব্যাহত অভিযানের ফলে জুড়ীর মাদক ব্যবসায়ীরা আতঙ্কের মধ্যে থাকে। পুলিশের তৎপরতার জন্য মাদক ব্যবসাীরা প্রায়ই একের পর এক ধরা পড়ছে চৌকস পুলিশের হাতে।

গত ২০ জুলাই জুড়ী থানা পুলিশ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে দেশীয় ২৫ লিটার চোলাই মদসহ আটক করছে। জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম এর নেতৃত্বে গতসন্ধ্যায় উপজেলার সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন ফুলতলার এলবিনটিলা এলাকায় একদল পুলিশ থানার তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী পূর্ব বটুলি গ্রামের নুর উদ্দিনের পুত্র জসিম উদ্দিন রুমেল (৩৮) এবং এলবিনটিলা গ্রামের মৃত বিদেশি দাসের পুত্র মানিক দাস (৩৫) কে ২৫ লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ গ্রেফতার করেন।
তাদের বিরুদ্ধে জুড়ী থানায় মাদক মামলা হয়েছে। মামলা নং-১৬, ধারাঃ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) এর ২৪ (খ)। আজ তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ভারতে গণপিটুনিতে নিহত ২ জন বড়লেখার

এম. এম আতিকুর রহমান ;

ভারতের করিমগঞ্জে গণপিটুতে নিহত হওয়া তিন বাংলাদেশীর দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাদের বাড়ি মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায়। নিহত দুজন হলেন-উপজেলার তালিমপুর ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর গ্রামের মৃত আছদ্দর আলীর ছেলে মো. নুনু মিয়া (২৭) এবং একই গ্রামের আব্দুল মানিকের ছেলে জুয়েল আহমদ (২৬)। তারা সম্পর্কে পরস্পর চাচা-ভাতিজা। দুজনেই পেশায় অটোরিক্সা চালক বলে জানা গেছে। 

বড়লেখা উপজেলার তালিমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিদ্যুৎ কান্তি দাস আজ বিকেলে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন।  চেয়ারম্যান জানান, নিহত হওয়া তিনজনের মধ্যে দুজনের বাড়ি তালিমপুর ইউপির কাঞ্চনপুর এলাকায়। তিনি তাদের পরিবারের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছেন যে তারা দুজন গত শুক্রবার জুড়ীতে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর থেকে তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। আজ সকালে জুড়ী থানা পুলিশ তাকে জানায় যে তারা ভারতে খুন হয়েছেন। পরে তিনি নিহতদের ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত হন। 

নিহত জুয়েল মিয়ার বড়ভাই রুবেল জানান, গত শুক্রবার এক ব্যক্তি তাদেরকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। আজ সকালে তারা জানতে পেরেছেন যে তারা ভারতে গিয়ে খুন হয়েছেন। তবে তারা কেন এবং কী জন্য ভারতে যায় সে ব্যাপারে কিছুই জানা যায়নি।  

বিজিবি ৫২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল গাজী শহীদুল্লাহ বলেন, ভারতে নিহত হওয়া দুই বাংলাদেশীর পরিচয় জানা গেছে। তাদের দুজনের বাড়ি বড়লেখায়। আর নিহত হওয়া অপরজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

স্থানীয় পুলিশের বরাত দিয়ে সেখানকার সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, নিহত বাংলাদেশীরা গত শনিবার রাতে সীমান্ত পেরিয়ে করিমগঞ্জের পাথরকান্দি অঞ্চলে বগরিজান চা বাগান এলাকায় ঢুকে পড়ে। স্থানীয় লোকজন গরুচোর সন্দেহে এসময়ে তাদের ওপর হামলা করে। হামলার এক পর্যায়ে ঘটনাস্থলেই তারা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।
ঐ এলাকার পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে নিহত তিন জনের লাশ উদ্ধার করে। লাশ হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সিলেটে টাকার বিনিময়ে করোনার ভুয়া সার্টিফিকেট দিতেন ডা. শাহ আলম

ডাঃ শাহ আলম প্রতি শুক্রবার বড়লেখায় ও রোগী দেখেন।

নিউজ ডেস্কঃ ‌সি‌লে‌টে অর্থের বিনিময়ে করোনা রোগীদের ভুয়া সার্টিফিকেট প্রদান ও নিজে করোনা আক্রান্ত হয়েও রোগী দেখার দায়ে এএইচএম শাহ আলম নামে এক চিকিৎসককে একলাখ টাকা জরিমানা ও চার মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রোববার রা‌তে নগরীর মধু শহীদ এলাকার বেসরকা‌রি মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেডের নীচ তলায় ডা. শাহ আলমের চেম্বারে অভিযান চালায় র‌্যাব-৯। অভিযানের নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুনন্দা রায়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুনন্দা রায় বলেন, ‘ডা. আলমকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তিনি তার অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাকে ৪ মাসের জেল, ১ লাখ টাকা জরিমানা করার পাশাপাশি অনাদায়ে আরও ১ মাসের জেল দেওয়া হয়। তার সব অনিয়মের প্রমাণ আমাদের কাছে রয়েছে।’

র‌্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সামিউল আলম জানান, ডা. আলম বিদেশযাত্রীসহ কয়েকজনকে করোনার ভুয়া সার্টিফিকেট টাকার বিনিময়ে দিয়েছেন বলে র‌্যাবের কাছে স্বীকার করেন। পরে তাকে নিয়ে তার চেম্বার মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেডে অভিযান চালানো হয়।

সামিউল আলম বলেন, ‘তিনি ওসমানী মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতেন। যদিও তিনি কোনো সরকারি হাসপাতালে চাকরি করতেন না। এ ছাড়া তিনি নিজে গত ১৪ জুলাই করোনা আক্রান্ত হন। এই তথ্য গোপন রেখেই তিনি চেম্বারে রোগী দেখে যাচ্ছেন।’

বিদেশ যাত্রীদের জন্য বিভিন্ন দেশ ও এয়ারলাইন্স করোনা নেগেটিভ সার্টিফেকেট বাধ্যতামূলক করার পর প্রবাসীদের টার্গেট করেন ডা. শাহ আলম। ‘করোনা নেগেটিভ’ সার্টিফিকেট দেওয়ার বিপরী‌তে তিনি চার হাজার টাকা করে আদায় করেন। ফ্লাইটের ৪৮ ঘন্টা আগে তিনি ওই প্রবাসীকে ডেকে নিয়ে হাতে ধরিয়ে দেন প্রত্যয়নপত্র। রোগী বা যাত্রীকে না দেখেই নিজের প্যাডে দেওয়া ওই প্রত্যয়পত্রে ডা. শাহ আলম লিখে দেন, তিনি ওই ব্যক্তিকে তার চেম্বারে দেখেছেন। তার মধ্যে কোভিড-১৯ এর কোন লক্ষণ নেই।

সুত্রঃ সমকাল (অনলাইন)

মৌলভীবাজার টাউন সিনিয়র মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ আল্লামা আকমল আলী আর নেই

এম. এম আতিকুর রহমান ;

মৌলভীবাজার টাউন কামিল মাদরাসার সাবেক উপাধ্যক্ষ মৌলভীবাজার জেলা জামে মসজিদের সাবেক পেশ ইমাম ও খতিব, আল্লামা ফুলতলী ছাহেব ক্বিবলাহ (র.) এর খলিফা, উস্তাজুল উলামা হযরত মাওলানা আকমল আলী হুজুর আজ বিকাল ৪ঃ২৫ মিনিটের সময় ইন্তিকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিয়ুন। দীর্ঘদিন যাবত তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। তিনি রাজনগর উপজেলার পাঁচগাওয়ের বাসিন্দা।

হাজার হাজার আলেমেরও বরেণ্য এ শিক্ষাবিদের মৃত্যুতে দেশ বিদেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর শোকাহত পরিবার পরিজন সহ গুণগ্রাহী সকলকে সবরে জামিলের এবং হযরতকে জান্নাতুল ফেরদৌসের আলা মাকাম নসিব করবার জন্য কায়মনোবাক্যে দয়াময়ের তরে আমারা ফরিয়াদ জানাই।

বড়লেখায় দুর্বৃত্তের দেয়া আগুনে গোয়ালঘর পুড়ে ৩টি গরুর মৃত্যু

এম. এম আতিকুর রহমান ;

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় দুর্বৃত্তের দেওয়া আগুনে পুড়ে ৩টি গরু মারা গেছে। গতমধ্যরাতে উপজেলার দক্ষিণভাগ উত্তর (কাঠালতলী) ইউনিয়নের পশ্চিম কাঠালতলী গ্রামে উপজেলা তাঁতি লীগের সভাপতি, আ’লীগ নেতা ঠিকাদার মহিউদ্দিন আহমদ গোলজারের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত রাত ১টার দিকে হঠাৎ করে সেমিপাকা গোয়ালঘরে আগুন লাগে। এসময় গোয়ালে থাকা গরু হাঁকডাক ও লাফালাফি করতে থাকে। গরুর হাঁকডাক শুনে মহিউদ্দিন আহমদ গোলজার ঘর থেকে বের হয়ে গোয়ালঘরে আগুন দেখতে পান। ঘটনা বুঝতে পেরে এলাকার লোকজন এসে দীর্ঘ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে আগুনে গোয়ালে থাকা একটি গাভিসহ তিনটি গরু মারা যায়। পাশাপাশি সেখানে রাখা একটি পানির পাম্প ধান ভাঙার মেশিন, গাড়ির টায়ারসহ বিভিন্ন মালামালও পুড়ে যায়।

বাড়ীর মালিক ঠিকাদার মহিউদ্দিন আহমদ গোলজার আজ বলেন, পূর্বশত্রুতার জেরে ধরে কেউ হয়তো তাঁর গোয়ালঘরে আগুন দিয়েছে। তা নাহলে এখানে আগুন লাগার কথা নয়। তিনটি গরুসহ গোয়ালে থাকা পানির পাম্প, ধান ভাঙার মেশিন, গাড়ির টায়ারসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে তাঁর প্রায় ৬ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

বড়লেখা ফায়রাসার্ভিসের ফায়ারম্যান সফিউল আলম রোববার জানান, রাতে আমরা আগুন লাগার খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই স্থানীয়রা ফোনে জানান আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। পরে আর সেখানে যাওয়া হয়নি।

বড়লেখায় মহিলা মাদ্রাসার জন্য ১৫ লাখ টাকার জমিদান

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখার দক্ষিণভাগ মোহাম্মদিয়া (টিলাবাজার) দারুল হাদিস টাইটেল মাদ্রাসায় স্বতন্ত্র মহিলা বিভাগ খোলার জন্য ১৫ লাখ টাকার ১৫ শতাংশ ভুমি দান করেছেন আলহাজ শামছুল হক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ শামছুল হক। তিনি কাতার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ব্যবসায়ী শরিফুল হক সাজুর পিতা।
১৮ জুলাই শনিবার দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি মাদ্রাসা কমিটির হাতে দানকৃত ভুমির দলিল হস্তান্তর করেন। এ উপলক্ষে মাদ্রাসা কমিটির পক্ষ থেকে তাকে এক সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
ঐতিহ্যবাহী বড়খলা বশিরিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আলা উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক এম সামছুল হকের পরিচালনায় মাদ্রাসা ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত সভায় সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্য রাখেন ভুমি দানকারী সমাজসেবক আলহাজ শামছুল হক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সুজানগর ইউপি চেয়ারম্যান নছিব আলী, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ সাব্বির আহমদ, আমেরিকা প্রবাসী ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিন তাপাদার, মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি ইমান উদ্দিন, সমাজসেবক ফখরুল ইসলাম শুনু, আব্দুল মুকিত লুলু, আওয়ামী লীগ নেতা তাজ উদ্দিন লতা, ছমির উদ্দিন, কাতার প্রবাসী জামাল উদ্দিন আহমদ, দক্ষিণভাগ বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আব্দুল হক, কাতারস্থ আল এহসান সমাজকল্যাণ পরিষদের সভাপতি আব্বাস উদ্দিন, জামেয়া ইসলামিয়া আজিমগঞ্জ মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল কাদির, দক্ষিণভাগ মোহাম্মদিয়া দারুল হাদিস টাইটেল মাদ্রাসার মোহতামিম কাওছার আহমদ, মুফতি খায়রুল ইসলাম, মহিউদ্দিন আহমদ আদনান, হাফেজ খলিলুর রহমান শাহীন প্রমুখ।

বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপকড. এমাজউদ্দীন আহমদ আর নেই…

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ আর নেই। আজ ১৭ জুলাই শুক্রবার সকালে রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতাল ল্যাবএইডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না-লিল্লাহ)

অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ ১৯৩২ সালের ১৫ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য এবং উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ‘ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ’র (ইউডা) ভিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ তুলনামূলক রাজনীতি, প্রশাসন-ব্যবস্থা, বাংলাদেশের রাজনীতি, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি, দক্ষিণ এশিয়ার সামরিক বাহিনী সম্পর্কে গবেষণা করেন। তার লিখিত গ্রন্থের সংখ্যা অর্ধশতাধিক। লিখিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:

রাষ্ট্র বিজ্ঞানের কথা(১৯৬৬)
মধ্যযুগের রাষ্ট্র চিন্তা (১৯৪৫)
তুলানামূলক রাজনীতি: রাজনৈতিক বিশ্লেষণ (১৯৮২)
বাংলাদেশে গণতন্ত্র সংকট (১৯৯২)
সমাজ ও রাজনীতি (১৯৯৩)
গণতন্ত্রের ভবিষৎ ( ১৯৯৪)
শান্তি চুক্তি ও অন্যান্য প্রবন্ধ (১৯৯৮)
আঞ্চলিক সহযোগিতা, জাতীয় নিরাপত্তা (১৯৯৯)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য প্রবন্ধ (২০০০)

শিক্ষাক্ষেত্রে অনবদ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ ১৯৯২ সালে একুশে পদক পান অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ। ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী এ শিক্ষাবিদ ও দার্শনিকের মৃত্যুতে আমরা শোকাভিভূত। মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌসের আলা মাকাম নসিব করুন মাবুদের দরবারে এই ফরিয়াদ মনেপ্রাণে।

বড়লেখা পৌর কাউন্সিলার জেহিন সিদ্দিকী করোনা আক্রান্ত।

এম. এম আতিকুর রহমান ;

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক, বড়লেখা পৌরসভা’র ২ নং ওয়ার্ড থেকে বার বার নির্বাচিত কাউন্সিলর, বিশিষ্ট সমাজ সেবক জেহীন সিদ্দিকী আর্ত মানবতার সেবায় করোনার প্রাদুর্ভাবে বিপর্যস্ত অসহায় মানুষের জন্য মানবিক দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আজ তিনি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

তাঁর দ্রুত সুস্থতার জন্য মহান আল্লাহর কাছে তিনিসহ কায়মনোবাক্যে দোয়া কামনা করেছেন বড়লেখা উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ ও বড়লেখার পৌর মেয়র আবুল ইমাম মোঃ কামরান চৌধুরী।
বড়লেখা উপজেলার মধ্যে করোনা পজিটিভ সনাক্ত বেশি হয়েছে কাউন্সিলার জেহিন সিদ্দিকীর ওয়ার্ডে। তিনি আক্রান্ত এলাকা ও পরিবারের দেখাশোনা করেই যাচ্ছিলেন। এই মানবতার খেদমতে নিয়োজিত ব্যক্তির আশু সুস্থতায় সকলের দোয়া প্রত্যাশি।

বড়লেখায় করোনায় মৃত পার্থপালের সৎকারে ইকরামুল মুসলিমীনের সম্প্রতির দৃষ্টান্ত স্থাপন

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

আজ ১৭ জুলাই শুক্রবার মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার ৭ নং ফুলতলা ইউনিয়নের বুটলি গ্রামের পরিতোষ পাল পিতাঃ মৃত লোকেশ পাল গতরাত ১২.৪৫ মিনিটে করোনায় আক্রান্ত হয়ে বড়লেখা উপজেলা শহরের গাজীটেকা নামক স্থানের সরৎ ম্যানশনের ৩য় তলায় পরলোকগমন করেন।

ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজার সভাপতি মাওঃ এহসানুল হক জাকারিয়া জানান, পরলোকগমনকারীর ছেলে পার্থ পাল মুঠোফোনে জানান, উনার বাবা করোনা পজেটিভ অবস্থায় পরলোকগমন করেছেন কিন্তু সৎকারের জন্য কোনো মানুষ খোজে পাচ্ছেন না, আমরা উনার বাবার সৎকার করবো কি না? তিনি বলেন যদি প্রশাসন অনুমতি দেন তাহলে সৎকার করে দিবো। তিনি তখন বড়লেখা উপজেলার ওসি এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সাথে আলাপ করে জানান তারা অনুমতি দিয়েছেন, তবে জুড়ী উপজেলার কথা বলতে হবে, মৃত ব্যক্তির ছেলে জুড়ী স্বাস্থ কর্মকর্তা এবং প্রশাসনের সাথে আলাপ করেন। ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজারের সভাপতিও উভয় উপজেলা প্রশাসনের সাথে আলাপ করে, তাদের অনুমতিতে সৎকার কার্জ সম্পন্ন করেন। ইকরামুল মুসলিমীন সভাপতি আরো জানান, আমরা এম্বুলেন্স দিয়ে বড়লেখা বাসা থেকে লাশ নিয়ে জুড়ীতে আসি, সেখানে আমরা লাশকে স্নান করাই। মৃত ব্যক্তির ছেলে, মূখাগ্নী দেন। ভোররাত থেকে সকাল ১০.৩০ মিনিট পর্যন্ত সৎকার চলে।
ইতোপূর্বে ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গলে বীর মুক্তিযোদ্ধা বিকাশ দত্তের সৎকার করে এবং শমসেরনগর খ্রীস্টান চার্চের শ্যামুয়েল রোকন মল্লিককে ফ্রী অক্সিজেনসহ বিভিন্ন সেবা দিয়ে আসছে।

এটা ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজারের ২য় হিন্দু সৎকার এবং ইকরামুল মুসলিমীনে মৌলভীবাজারের ১৪ তম করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর দাফন-কাফন। এর পূর্বে মৌলভীবাজার সদরে ৩টি, শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ৬টি, জুড়ী উপজেলায় আজসহ ৩ টি এবং কুলাউড়া উপজেলায় ১ টি এবং আজ বড়লেখা উপজেলায় ১ টি সহ ১৪তম দাফন-কাফন সম্পন্ন করে।

জুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানার অফিসার ইনচার্জ সহ সুশীল সমাজ ইকরামুল মুসলিমিন ফাউন্ডেশন এর এমন মানবসেবার দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানান।

বড়লেখা হলিলাইফ স্পেশালাইজড হাসপাতালে মোবাইল কোর্টে ৫০ হাজার জরিমানা

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শামীম আল ইমরান আজ ১৬ জুলাই দুপুরে পৌরসভার হলিলাইফ স্পেশালাইজড হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এতে ক্লিনিক পরিচালনার লাইসেন্স না থাকা, মেয়াদ উত্তীর্ণ রি-এজেন্ট ব্যবহার করা এবং প্রদত্ত সেবার নির্ধারিত মূল্য তালিকা না থাকায় মেডিকেল প্র‍্যাকটিস এবং বেসরকারি ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরী (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুসারে ৫০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। এসময় লাইসেন্স না পাওয়া পর্যন্ত ক্লিনিকের সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা কালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. রত্নদ্বীপ বিশ্বাস এবং বড়লেখা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রতন দেবনাথ সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করেন।

১কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন‌ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে সারাদেশে এক কোটি বৃক্ষের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন‌ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা—

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটায় গণভবন হতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে সারাদেশে এক কোটি বৃক্ষের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। মাননীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী জনাব মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব জিয়াউল হাসান এনডিসি এসময় উপস্থিত ছিলেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তেঁতুল, ছাতিয়ান ও চালতা প্রজাতির বৃক্ষের চারা রোপণ করতঃ উক্ত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পরপরই প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় স্বাস্থ্য নির্দেশিকা মেনে নূন্যতম একটি করে বনজ, ফলদ ও ঔষধি বৃক্ষের চারা রোপণের মাধ্যমে উক্ত কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে নির্দেশনা রয়েছে।
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীকে স্মরণীয় করে রাখার লক্ষ্যে মুজিববর্ষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় দেশের ৪৯২ টি উপজেলার প্রতিটিতে ইতোমধ্যে ২০,৩২৫ টি করে বিবিধ প্রজাতির বনজ, ঔষধি ও ফলদ বৃক্ষের চারা বন বিতরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে । ইতোমধ্যে প্রতিটি জেলায় সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে জেলা পরিবেশ ও বন উন্নয়ন কমিটির সভার সিদ্ধান্তের আলোকে উপজেলা পরিবেশ ও বন উন্নয়ন কমিটি চারা বিতরণ ও রোপণ বিষয়ে বিষদ কর্মপরিকল্পনাসহ চারা গ্রহণকারীদের তালিকা প্রণয়ন করেছে। মুজিববর্ষে রোপণের জন্য উত্তোলিত এক কোটি চারার মধ্যে শতকরা পঞ্চাশ ভাগ ফলদ এবং অবশিষ্ট পঞ্চাশ ভাগ বনজ, ঔষধি ও শোভাবর্ধনকারী প্রজাতির চারার উত্তোলন ইতোমধ্যেই নিশ্চিত করা হয়েছে। কোন প্রকার বিদেশী প্রজাতির চারা এ কাজের জন্য উত্তোলন করা হয়নি। তাছাড়া বর্ণিত বৃক্ষরোপণ কার্য আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ এর মধ্যে সম্পন্ন করার বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষে সারাদেশে রোপিত ১ কোটি গাছকে ‘স্মারক বৃক্ষ’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে । মুজিববর্ষের এক কোটি চারা ছাড়াও চলতি বৃক্ষরোপণ অভিযানকালে প্রতিটি সংসদীয় আসনের বিপরীতে ৫ হাজার করে মোট ১৫ লক্ষ বনজ, ফলদ ও ঔষধি চারা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংস্থার ক্যাম্পাসে রোপণের জন্য বিতরণ করা হবে।

ঢাকাদক্ষিণে বাড়ির পানির ট্যাংকিতে বিষ, নারী-শিশুসহ ৮ জন আক্রান্ত।

সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জে উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত কানিশাইল গ্রামে বিষাক্ত পানি খেয়ে মর্তুজ আলীর পরিবারের নারীসহ ৮জন আক্রান্ত হয়েছেন৷ আজ বুধবার সকালে এই ঘটনা ঘটেছে৷ এসময় পানির ট্যাংকিতে বিষের উপস্থিতি টের পাওয়া যায়। খবর পেয়ে ইউপি চেয়ারম্যান, সদস্যগণ, ইউপি সচিব, উদ্যোক্তা ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত হন৷
পানি পান করে অচেতন হওয়া সবাইকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করা হয়েছে। গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশকে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে৷

মৌলভীবাজার জেলা সাপোর্টারস ফোরামের সভাপতি আঃ কুদ্দুস সম্পাদক জাকির আহমদ

বাংলাদেশ ফুটবল উন্নয়ন সমিতির পাশাপাশি চলছে পুরো দেশে। সাপোর্টারস ফোরাম বাংলাদেশ ফুটবল উন্নয়ন সমিতি গঠনের কাজ। এই ধারাবাহিকতায়  মৌলভীবাজার জেলায় সাপোর্টারস ফোরাম বা,ফু,উ,স। কমিটি ঘোষণা করা হয় কমিটি সভাপতি মনোনীত হোন মোঃ আব্দুল কুদ্দুস এবং সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হোন জাকির আহমেদ রোমান। উল্লেখ্য  সভাপতি-মোঃআব্দুল কুদ্দুস  খেলোর জীবনে মৌলভীবাজার ওয়ান্ডার্স ক্লাবের সাবেক ফুটবলার বড়লেখা উপজেলার ৫নং দক্ষিন শাহবাজপুর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান। এবং  সাধারণ সম্পাদক জাকির আহমেদ রোমান মৌলভীবাজার জেলা ফুটবল দলের সাবেক ফুটবলার।সিলেট বিভাগের অন্য জেলার সাপোর্টারস ফোরামের নতুন  কমিটি গুলি কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তারা। ধন্যবাদ জানান  গ্রামীন ফুটবল বিপ্লবী জালাল হোসেন লাইজু কে। এবং যারা ফুটবল  কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য  নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন  মোফাজ্জল হোসেন বিপুল ও সি ই ও মামুন সহ সবাই কে  ধন্যবাদ জানান।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সমাজে যাদের উপর কোরবানী ওয়াজিব

কারো জন্য কোরবানী ওয়াজিব হওয়া কিংবা সুন্নত হওয়ার জন্য কোরবানীকারী কে ধনী হওয়া শর্ত। অর্থাৎ তার নিজের খরচ পাতি ও সে যাদের খরচ চালায় তাদের খরচপাতির অতিরিক্ত তার কাছে কোরবানী করার অর্থ থাকা। অতএব, কোন মুসলমানের যদি মাসিক বেতন বা আয় থাকে এবং এ বেতন দিয়ে তার খরচ চলে যায়, এর অতিরিক্ত তার কাছে কোরবানীর পশু কেনার অর্থ থাকে তাহলে সে ব্যক্তি কর্তৃক কোরবানী দেয়ার শরয়ীহ বিধান রয়েছে।

কোরবানী করার জন্য ধনী হওয়া শর্ত মর্মে দলিল হচ্ছে নবী (সাঃ) বাণী: “যে ব্যক্তির সামর্থ্য আছে অথচ সে কোরবানী করেনি সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়”[সুনানে ইবনে মাজাহ (৩১২৩), আলবানী ‘সহিহ সুনানে ইবনে মাজাহ’ গ্রন্থে হাদিসটিকে ‘হাসান’ বলেছেন] এখানে সামর্থ্য দ্বারা উদ্দেশ্য ধনী হওয়া।

প্রতিটি পরিবারের পক্ষ থেকে কোরবানী দেয়ার বিধান রয়েছে। দলিল হচ্ছে- নবী (সাঃ) বাণী: “প্রতিটি পরিবারের পক্ষ থেকে প্রতি বছর একটি কোরবানী দেয়া ওয়াজিব”[মুসনাদে আহমাদ (২০২০৭)] ইবনে হাজার ‘ফাতহুল বারী’ গ্রন্থে বলেন: হাদিসটির সনদ মজবুত। আলবানী ‘সহিহ সুনানে আবু দাউদ গ্রন্থে (২৭৮৮) হাদিসটিকে ‘হাসান’ বলেছেন]

এ বিধানের ক্ষেত্রে পুরুষ বা নারীর কোন ভেদ নেই। অতএব, কোন নারী যদি একাকী বসবাস করেন কিংবা তাঁর সন্তানদেরকে নিয়ে থাকেন তাহলে তাদেরকে কোরবানী করতে হবে।

প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী—যে ১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের ভেতরে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে; তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব।
অর্থ-কড়ি, টাকা-পয়সা, সোনা-রূপা, গহনা-অলঙ্কার, বসবাস ও খোরাকির অতিরিক্ত জমি, প্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সব আসবাবপত্র কোরবানির নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য।
আর নেসাব হল স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরি, রূপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি। আর টাকা-পয়সা ও অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রে নিসাব হলো- এগুলোর মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হওয়া (টাকার অংকে প্রায় ৫৫ হাজার টাকা)।
আর সোনা বা রূপা কিংবা টাকা-পয়সা এগুলোর কোনো একটি যদি পৃথকভাবে নেসাব পরিমাণ না থাকে কিন্তু প্রয়োজন অতিরিক্ত একাধিক বস্তু মিলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হয়ে যায়, তাহলেও কোরবানি করা ওয়াজিব। (আলমুহিতুল বুরহানী: ৮/৪৫৫; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া: ১৭/৪০৫)

আল-মাওসুআ আল-ফিকহিয়্যা গ্রন্থে (৫/৮১) এসেছে-

“কোরবানী ওয়াজিব হওয়া কিংবা সুন্নত হওয়ার জন্য পুরুষ হওয়া শর্ত নয়। কোরবানী পুরুষদের উপর যেমন ওয়াজিব হয় তেমনি নারীদের উপরও ওয়াজিব হয়। কারণ ওয়াজিব হওয়ার দলিলগুলো নর-নারী সবাইকে সমানভাবে শামিল করে।”(সংক্ষেপিত ও সমাপ্ত)

লেখক
ক্বাজী রমিজ উদ্দিন
নিকাহ রেজিস্টার
৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউঃপিঃ
বড়লেখা মৌলভীবাজার।

রিজেন্ট মামলার প্রধান আসামি সাহেদ অস্ত্রসহ গ্রেফতার।

সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটার রামগতি সীমান্ত এলাকা থেকে অবৈধ অস্ত্রসহ মো. সাহেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার শাঁখরা কোমরপুর গ্রামের লবঙ্গবতী নদী তীর সীমান্ত থেকে আনুমানিক ভোর ৫.০০ থেকে ৫.৩০ এর দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সেখান দিয়ে নদী পেরিয়ে সাহেদ ভারতে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করছিল। এর আগেও একবার একই সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়েছিলেন তিনি। সকাল নয়টার দিকে হেলিকপ্টারযোগে তাকে ঢাকায় আনা হবে।

যুবকদের কর্মস্পীহায় এগিয়ে যাচ্ছে গ্রাম – মাষ্টার ময়নুল হক


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পকুয়া যুব সমাজের উদ্যোগে পকুয়া গ্রামের সীমানার নেম প্লেইট স্থাপনের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ করা হয়।এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৩নং নিজবাহাদুরপুর ইউ/পি চেয়ারম্যান মাষ্টার ময়নুল হক।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, প্যানেল চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন, ২নংওয়ার্ড সদস্য শামিম উদ্দিন, সাবেক ইউ পি সদস্য রফিক উদ্দিন পংকি গল্লাসাঙ্গন উচ্চ বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক মাহমুদুর রহমান সরফ,সহকারী শিক্ষক সাইদুর রহমান আবুল,দৌলতপুর হাছিব আলী কিন্ডারগার্টেন এর প্রধান শিক্ষক সুমন আহমদ, সহকারী শিক্ষক হাছান আহমদ সবুজ,ব্যবসায়ী কবির হোসেন টিপু,কিবরিয়া খান,মোঃ আব্দুল্লাহ, জামিল আহমদ,ইন্দ্র মোহন বিশ্বাস প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাষ্টার ময়নুল হক বলেন
আর্থ সামাজিক উন্নয়ননে যুবকদের কে সম্পৃক্ত করে তাদের স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি গ্রামের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে।পকুয়া যুব সংঘ তাদের কর্মস্পৃহা ও কর্মোদ্দীপনা কাজে লাগিয়ে গ্রামকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।এ লক্ষ্যে তাদেরকে বিভিন্ন উন্নয়মুখী কাজ করতে যাচ্ছে। এসব কর্মকান্ড বাস্তবায়নের জন্যে যুবকরা প্রশংসার পাত্র।

এম সি কলেজের ছাত্র হত্যার রহস্য উৎঘাটনের দাবীতে মানববন্ধন


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

এমসি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্র হাফিজ ইফজাল আহমদ এর রহস্যজনক মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে এমসি কলেজে মানববন্ধন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সোমবার সকাল ১১টায় কলেজ ফটকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান সোসাইটির উদ্যোগে এই মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়। 

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সকল শিক্ষার্থী ছাড়াও কলেজের অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীরাও এতে অংশ নেন। 
মানববন্ধনে ছাত্রলীগ, ছাত্র জমিয়ত, ছাত্র মজলিসসহ বিভিন্ন রাজৈনিতক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, অবিলম্বে হাফিজ ইফজাল আহমদের রহস্যঘেরা মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত করে মূল ঘটনা উন্মোচন করে দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় ছাত্রসমাজ কঠিন আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে। 

উল্লেখ্য, গত ২৫ জুন,বৃহস্পতিবার সকালে উপশহর বি ব্লক ১৮নং রোডের ৩নং বাসা বাহার মঞ্জিলের বাসার প্রাচীরের ভেতর থেকে ইফজাল আহমদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। 

এমসি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্র হাফিজ ইফজাল আহমদ এর রহস্যজনক মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে এমসি কলেজে মানববন্ধন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সোমবার সকাল ১১টায় কলেজ ফটকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান সোসাইটির উদ্যোগে এই মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়। 

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সকল শিক্ষার্থী ছাড়াও কলেজের অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীরাও এতে অংশ নেন। 
মানববন্ধনে ছাত্রলীগ, ছাত্র জমিয়ত, ছাত্র মজলিসসহ বিভিন্ন রাজৈনিতক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, অবিলম্বে হাফিজ ইফজাল আহমদের রহস্যঘেরা মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত করে মূল ঘটনা উন্মোচন করে দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় ছাত্রসমাজ কঠিন আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে। 

উল্লেখ্য, গত ২৫ জুন,বৃহস্পতিবার সকালে উপশহর বি ব্লক ১৮নং রোডের ৩নং বাসা বাহার মঞ্জিলের বাসার প্রাচীরের ভেতর থেকে ইফজাল আহমদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

বিয়ানীবাজারে সরকারি কলেজের অধ্যক্ষকে, শিক্ষক পরিষদের বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদান

বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক দ্বারকেশ চন্দ্র নাথের অবসরজনিত উপলক্ষে শিক্ষক পরিষদের পক্ষ থেকে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

রোববার (২৮ জুন) বেলা দু’টায় শিক্ষক পরিষদ মিলনায়তনে বিদায়ী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ‘একজন আদর্শবান শিক্ষক, দক্ষ প্রশাসক ও ভালো মনের মানুষ ছিলেন বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক দ্বারকেশ চন্দ্র নাথ। তিনি এই কলেজের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। স্যার কলেজের ছাত্র-শিক্ষকদের বটবৃক্ষের মতো ছায়া দিয়েছিলেন। তাঁর কোন তুলনা হতে পারে না। তিনি সর্বোপরি পঞ্চখণ্ডের জ্ঞান চর্চার একজন সার্থক পুরুষ। বক্তারা স্যারের সু-স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।’

কলেজের উপাধ্যক্ষ মো. তারিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক এনামুল হক তালুকদার এর পরিচালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যক্ষ স্যারের সহধর্মিণী অর্চনা দেব নাথ, বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক হাবিবুর রহমান, দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. শহিদুল ইসলাম, ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মনসুর আলমগীর, অর্থনীতি বিভাগের সহায়তা অধ্যাপক ড. আবু ইউসুফ মো. শেরুজ্জামান, সুনামগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক অধ্যাপক ইকতেখার আলম, বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কথা সাহিত্যিক প্রশান্ত কুমার মৃধা, সাপ্তাহিক বিয়ানীবাজার বার্তা পত্রিকার সম্পাদক ছাদেক আহমদ আজাদ।

বিদায়ী বক্তব্যে অধ্যাপক দ্বারকেশ চন্দ্র নাথ বলেন, ‘বিয়ানীবাজার কলেজের সামগ্রিক উন্নয়নে এ জনপদের কৃতিসন্তান সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি’র অবদান অনস্বীকার্য। তিনি কলেজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় সহযোগিতা করায় শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রহিম, ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দিবাকর চন্দ্র পাল, দর্শন বিভাগের প্রভাষক ইশতিয়াক আহমদ, ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক উর্মি লাবণী চক্রবর্তী, শিক্ষক ফয়জুল ইসলাম, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের খণ্ডকালীন প্রভাষক আরবাব হোসেন খান, বাংলা বিভাগের খণ্ডকালীন প্রভাষক মো. জহির উদ্দিন, হাবিবুর রহমান, জুবায়ের আহমদ, জলঢুপ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সাধন কৃষ্ণ নাথ, সঞ্জয় কুমার নাথ, সাংবাদিক আহমদ রেজা চৌধুরী।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কলেজ শিক্ষক তৌহিদুল ইসলাম, গীতা পাঠ করেন সঞ্জয় দেব নাথ।

সিলেটে উজানি ঢলে বন্যা, চরম দূর্ভোগে মানুষ।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

পাহাড় দুহিতা নদীগুলো উজানি ঢলে আগেই ছাপিয়ে গেছে। সিলেটের সবকটি নদীর দুকূল যখন ঢলের স্রোতে প্লাবিত ঠিক তখনই আষাঢ়ের আকাশ ভাঙ্গা বর্ষণ। ভরাট নদীর দুই তীরে এখন তাই প্লাবন ডেকেছে।

সুরমা, কুশিয়ারা, সারী, গোয়াইন, পিয়াইনসহ সবকটি নদীর পানি বিপদ সীমা ছাপিয়ে বইছে ক’দিন আগ থেকেই।

ফলে একটা বিপদসংকেত বয়ে বেড়াচ্ছে। একটা প্রবল বন্যার পদধ্বনিতে উদ্বেগাকুল কয়েকটি উপজেলার লাখো বাসিন্দা। হাজারো মানুষ পানিতে নিমজ্জিত। বন্দী আছেন শত শত পরিবার।

সিলেটের জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কোম্পানিগন্জের অধিকাংশ এলাকা এখন পানিতে নিমজ্জিত। জৈন্তাপুর সদরের বেশিরভাগ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে এলাকার বাসিন্দারা মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছেন।

জৈন্তাপুরের বেশিরভাগ এলাকা পানিতে টুইটুম্বর।নিম্নাঞ্চলে ঘর বাড়ি পানিতে সওলাব হয়ে পড়েছে। শত শত বাড়ি ঘরে এখন পানি।

গোয়াইনঘাট থেকে আবদুল মালিক জানান, এক মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয় দফা আকস্মিক বন্যায় উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে আছেন।হাজার খানেক কাঁচা ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। অনেকে বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছেন। তবে বেশিরভাগ মানুষ আশ্রয়হীন অবস্থায় আছেন।

এমনিতেই করোনা পরিস্থিতিতে আয় রোজগারবিহীন গরীব এই উপজেলার বেশিরভাগ মানুষ এখন চরম সংকটাপন্ন পরিস্থিতিতে কোনোমতে বেঁচে আছেন। বন্যা তাদের জীবনে এখন মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দেখা দিয়েছে।

এদিকে বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে উপজেলার রাস্তাঘাট। গোয়াইন সারী সড়ক ডুবে যাওয়ায় উপজেলার অভ্যন্তরীণ ও জেলার সাথে যোগাযোগ ভেঙে পড়েছে।

বালু পরিবহনকারী বলগেট নৌকার ধাক্কায় গোয়াইনঘাটের গোয়াইন সেতুর সিকিউরিটি পোস্ট হেলে পড়েছে। ফলে ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সেতু এখন কিছুটা ঝুঁকিতে রয়েছে। দ্রুত মেরামত না করলে সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

হাওরাঞ্চলের ২৫/৩০টি গ্রামের অর্ধসহস্রাধিক ঘরবাড়েতে পানি উঠেছে। লোকজন স্বজনদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। শতশত ষ্টিলবডি বলগেট আসায় গোয়াইনব্রীজের সিকিউরিটি পোস্ট ৩/৪দিন পূর্বে হেলে পড়ে আজ একেবারে পড়ে যাওয়ায় ব্রীজ এখন ঝুঁকির মুখে রয়েছে।

ইউএনও নাজমুস সাকিব বলেন, বলগেটের ধাক্কা এবং স্রোতের তোড়ে এমন হয়েছে। শনিবার বিশেষজ্ঞ দল আসবে। থানার অফিসার ইনচার্য আবদুল আহাদ বলেন, একটি বলগেট(জাহাজ) আটক করা হয়েছে।

ইউএনও জানিয়েছেন, ৩৫০টি ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে।প্রায় ১৩ হজার লোক পানি বন্দী রয়েছেন। বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। এখনও আশ্রয়কেদ্রে কেউ আসেনি।

দ্রুত গতিতে বাড়ছে পানি। প্রবল বর্ষণ আর ঝড় অব্যাহত রয়েছে।রাত বাড়লে অবস্হা আরো ভয়ানক হতে পারে।কবলিত এলাকায় তাৎক্ষনিক উদ্ধার করে নিরাপদে আনার তেমন কোন প্রস্তুতিও সংশ্লিষ্টদের নেই।

বন্যার কারণে লকডাউনে এখন ঘরে বন্দী লাখো মানুষ। গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুরের হাজার হাজার বাড়িঘর ও রাস্তাঘাট পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়ায় তারা লকডাউনে আছেন বাধ্য হয়ে।

এই এলাকার বেশিরভাগ মানুষ পাথর কোয়ারীতে অথবা বালু তোলার শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। আবহাওয়া বিভাগের একটি সূত্র জানিয়েছে, আরো কয়েক দিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।

সুরমা, কুশিয়ারা, সারীসহ জেলার অধিকাংশ নদ নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে পড়ায় বৃষ্টি অথবা ঢলের পানি ধারণ ক্ষমতা কমেছে অনেক। তাছাড়া হাওর বাওরও পলিতে ভরে গেছে। ফলে বানের পানি সহজেই এসব জনপদ প্লাবিত করে ক্ষয়ক্ষতি বাড়িয়ে দেয়।

বিয়ানীবাজার পৌরসভার ৪৭ কোটি ৪৯ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকার বাজেট ঘোষণা।

মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ
বিয়ানীবাজার পৌরসভার ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে।রোববার (২৮ জুন) বিকাল ৩ ঘটিকায় পৌরসভা মিলনায়তনে ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ৪৭ কোটি ৪৯ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকার বাজেট ঘোষণা করেন মেয়র মোঃ আব্দুস শুকুর।

যা চলতি অর্থবছরের (২০১৯-২০) চেয়ে ৫৩ লক্ষ ৫১ হাজার টাকা বেশি। পৌরসভার প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৭ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা। রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি টাকা এবং রাজস্ব ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি ৮ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা। ২০২০-২১ অর্থবছরে উন্নয়ন আয় ধরা হয়েছে ৪৩ কোটি ৩৪ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা এবং উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৩ কোটি ৩০ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা। এবং সার্বিক উদ্ধৃত ধরা হয়েছে ২৬ লক্ষ ৭৮ হাজার টাকা।পৌরসভার মেয়র মোঃ আব্দুস শুকুরের সভাপতিত্বে উন্মুক্ত বাজেট অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন প্যানেল মেয়র-১ সাইফুল আলম জুনু, প্যানেল মেয়র-২ নাজিম উদ্দিন, কাউন্সিলর মিসবাহ উদ্দিন ও আবদুল কাইয়ুম।

এতে উপস্থিত ছিলেন বিয়ানীবাজারের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধি, পৌরসভার কাউন্সিলর বৃন্দ।

বড়লেখায় শিক্ষা বৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

এম. এম আতিকুর রহমান ;

মৌলভীবাজারের বড়লেখা প্রশাসনের আয়োজনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে গৃহীত “বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা (পার্বত্য চট্রগ্রাম ব্যতীত) ” শীর্ষক কর্মসূচির চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের আওতায় অধ্যায়নরত ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে সংযুক্ত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী বড়লেখা -জুড়ী আসনের সাংসদ মোঃ শাহাব উদ্দিন।

আজ ২৬ জুন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শামীম আল ইমরান এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ বড়লেখার চেয়ারম্যান সোয়েব আহমেদ।

উপজেলা পরিষদ হলরুমে স্বাস্থ্য বিধি মেনে উক্ত অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ ২৫৪ জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা বৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন।

বিয়ানীবাজারে ট্রাক ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ৩

সিলেটের বিয়ানীবাজারের আব্দুল্লাহপুরে হযরত রায়পুরী সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সংলগ্ন এলাকায় ট্রাক ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে সিএনজি চালকসহ ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

আহতদেরকে উ’দ্ধার করে স্থানীয়রা বিয়ানীবাজার উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রেরণ করেছেন।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে বিয়ানীবাজারের খশির আব্দুল্লাহপুর এলাকার এ দুর্ঘ’টনা ঘটে। এতে সিএনজি অটোরিকশাটি ধুমড়ে মুচড়ে যায়।

বিয়ানীবাজারে ৬জন করো’না রোগী শনাক্ত


বিশেষ প্রতিনিধিঃ

বিয়ানীবাজারে নতুন করে উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তার দেড় বছর বয়সী ছে’লেসহ ৬ জনের শরীরে করো’নাভাই’রাস শনাক্ত হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) রাতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে তাদের করো’না শনাক্ত হয়। বিয়ানীবাজার উপজে’লা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মক’র্তা ডাঃ মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ডাঃ মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরী জানান, নতুন পজেটিভ শনাক্ত হওয়াদের নমুনা সংগ্রহ করে গত ১৭ জুন সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হয় এবং আজ সোমবার রাতে তাদের রিপোর্ট পজেটিভ আসে।

নতুন আ’ক্রান্তরা হচ্ছেন- উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তা (ইউএনও) মৌসুমী মাহবুবের দেড় বছর বয়সী শি’শু পুত্র আরাব, ইউএনও’র বাসার কর্মচারী আব্দুল্লাহ আল মামুন (৩৫) ও রিনা বেগম (৩৫), বিয়ানীবাজার উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যকর্মী সঞ্জয় বিশ্বা’স (৩৬), পৌরশহরতলী ফতেহপুরের আলী হোসেন (২৭) ও আলীনগর ইউনিয়নের নিজ মোহাম্ম’দপুর গ্রামের জয়নাল আবেদীন (৪৩)।

প্রেমিকাকে বিয়ের দাবিতে বিদ্যুতের টাওয়ারের ৭০ ফুট উঁচুতে যুবক !

নিউজ ডেস্কঃ এ যেন সিনেমার দৃশ্য। প্রেমিকার জন্য উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুতের উঁচু টাওয়ারে উঠে পড়লেন প্রেমিক ! তারপর থেকে উচ্চস্বরে বলতে থাকেন– প্রেমিকার সঙ্গে তার বিয়ে না হলে আত্মহত্যা করবেন। এক কান দুই কান করে মধ্যরাতে জড়ো হতে থাকেন এলাকাবাসী।

খবর যায় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকর্মীদের কানেও। অবশেষে টান টান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে তার প্রেমিকার সঙ্গে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে নানা কৌশলে আদমজী বিহারি ক্যাম্পের বিপ্লব নামের ওই প্রেমিককে আড়াই ঘন্টা পর নামানো হয় ওই টাওয়ার থেকে।

জানা যায়, প্রেমিকার সঙ্গে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় বাবা-মায়ের সঙ্গে অভিমান করে আত্মহত্যা করতে বিদ্যুতের উঁচু টাওয়ারের ৬৫ থেকে ৭০ ফুট ওপরে উঠে ওই প্রেমিক। পরে প্রেমিকার সঙ্গে বিয়ে দেয়ার শর্তে প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর বিপ্লব নামে ওই যুবককে অক্ষত অবস্থায় নিচে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ।

এ সময় উপস্থিত জনতার চোখেমুখে আতঙ্ক বিরাজ করছিল। সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ৬নং ওয়ার্ডের সুমিলপাড়া এলাকায় শনিবার মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে।

জানাযায়, ১৭০ ফুট উঁচু এবং ১ লাখ ৩২ হাজার ভোল্টের বিদ্যুতের কেবল পরিবাহী ওই টাওয়ারের অনেক উঁচুতে উঠে অবস্থান নেন নারায়ণগঞ্জ সিটির ৬নং ওয়ার্ডস্থ আদমজী বিহারী ক্যাম্পের বাসিন্দা বিপ্লব নামে এক যুবক।

পাশেই দড়ি বেঁধে ফাঁসি দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন তিনি। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা, পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের অনেক অনুরোধেও নিচে নামতে রাজি হচ্ছিলেন না বিপ্লব।

অনেক চেষ্টার পর শর্ত মানায় প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিহারী ক্যাম্পের গুলু মেম্বারের কথায় কিছুটা নিচে নেমে এলে আশেপাশের লোকজনের চিৎকার শুরু করে। তাকে নিচে নামিয়ে আনতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের এগিয়ে যেতে দেখে বিপ্লব ফের ওপরের দিকে উঠতে থাকে।

এর কিছুক্ষণ পর তার ভাইয়ের মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিসের হ্যান্ড মাইকে কথা বলতে পুনরায় কিছুটা নিচে নেমে এলে অপর প্রান্ত দিয়ে স্থানীয় দুজন ওপরে উঠে তাকে ধরে ফেলে। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তার ওপরে উঠে তাকে অক্ষত নিচে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়।

বিপ্লবের বাবা বলেন, ‘ছেলে মাদকাসক্ত। প্রায়ই মাদকের টাকার জন্য ঘরে হুমকি-ধমকি দেয়।

বড়লেখায় শিশু ধর্ষন চাচাতো ভাই গ্রেফতার

এম. এম আতিকুর রহমান ;

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ৪ বছরের এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গত ২০ জুন রাতে একজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

অভিযুক্ত শিশুটির চাচাত ভাই গ্রেফতারকৃত জাবেদ আহমদ (১৬) উপজেলার দক্ষিনভাগ দক্ষিন ইউনিয়নের কাসেমনগর গ্রামের আমীর হোসেনের পুত্র।

এই ধর্ষনের ঘটনাটি বৃহস্পতিবার সন্ধার দিকে উপজেলার দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউনিয়নের কাসেমনগর গ্রামে ঘটে। পরে ধর্ষনের শিকার শিশুটিকে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।

এলাকাবাসী পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ধর্ষনের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত জাবেদ আহমদ ভিকটিমের চাচাত ভাই হওয়ার সুবাদে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে শিশুটিকে তার বাড়িতে ডেকে নেয়। পরে হঠাৎ কান্নার শব্দ পেয়ে মেয়েটির মা তাদের বাড়ীতে গিয়ে মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় পান। পরে পরিবারের লোকজন মেয়েটিকে নিয়ে প্রথমে আজিজ মেডিকেলে এবং সেখান থেকে বড়লেখা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিকি চিকিৎসার দেয়া হয়। পরে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে প্রেরণ করা হয়েছে।

ঘটনায় অভিযুক্ত চাচাতো ভাই জাবেদ আহমদ (১৬) কে আসামী করে থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ শনিবার রাতেই জাবেদ আহমদ (১৬) কে গ্রেফতার করেছে।

এ ঘটনায় বড়লেখা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. ইয়াছিনুল হক আসামীকে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ।

আগামীকাল ২১ জুন থেকে কারফিউ তুলে নেয়া হচ্ছে সৌদি আরবে!

নিউজ ডেস্কঃ আগামীকাল ২১ জুন, রবিবার থেকে সকল প্রকার কারফিউ তুলে নেয়া হচ্ছে সৌদি আরবে! এরফলে সকল প্রকার লকডাউন এর বিধিনিষেধ উঠিয়ে নেয়া হবে, ফলে পূর্বের মতোই স্বাভাবিক হবে জীবনযাত্রা!

অবশেষে কয়েকমাস চলার পড়ে সৌদি আরবে আগামীকাল থেকে সকল প্রকার কারফিউ তুলে নেয়া হচ্ছে। ইতিপূর্বে বিগত রমজান মাসে বেশকিছু নিয়ম কানুন ও নিষেধাজ্ঞা বহাল করে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য দোকানপাট ও শপিং মল খুলে দেয়া হয়েছিলো, কিন্তু রমজান শেষ হবার পূর্বেই পুনরায় কারফিউ জারি করা হয়। অবশেষে দীর্ঘ কয়েক মাস পড়ে আগামীকাল রবিবার, ২১ জুন থেকে সৌদি আরবে সম্পূর্ণরূপে কারফিউ তুলে দেয়া হচ্ছে।

কারফিউ তুলে নেয়া হলেও পরবর্তী ঘোষণা পর্যন্ত ওমরাহ হজ বন্ধ থাকবে। সৌদি আরবে ইতিমধ্যে ডোমেস্টিক ফ্লাইট চালু হলেও বাইরের কোন দেশের সাথে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হচ্ছে না। সকল প্রকার আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরবর্তী ঘোষণা আসা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

এছাড়াও সৌদি আরবের সাথে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর স্থলপথ এবং সমুদ্রপথ পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

সৌদি আরবে দিনে দিনে বাড়ছেই করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা, এর মাঝেই চলমান কারফিউ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কারফিউ তুলে নেয়ার ফলে আগের মতোই সচল হয়ে উঠবে জনজীবন।

বড়লেখায় আরো দু জন করোনা রোগী সনাক্ত


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় নতুন করে আরও দুইজন করোনা আক্রান্ত পুরুষ রোগী শনাক্ত হয়েছে। নতুন শনাক্ত দুইজনের একজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফার্মাসিস্ট (৩২) এবং অপরজন একটি ওষুধ কোম্পানীর বিক্রয় প্রতিনিধি (৩২)। তাদের একজনের বাড়ি পৌরসভার হাটবন্দ এলাকায় এবং অপরজনের বাড়ি পাখিয়ালা এলাকায়। শনিবার (২০জুন) উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদ্বীপ বিশ্বাস এ তথ্য জানিয়েছেন।

এ বিষযে জানা যায়,গত ২৫ এপ্রিল বড়লেখার কাসেমনগর এলাকায় প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। সে হিসেবে  সংক্রামনের এখন মোট করোনা  শনাক্ত রোগির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫জনে। তাদের মধ্যে ৭জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

নতুন শনাক্ত দুজনের নমুনা ১৭ জুন পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। শনিবার তাদের রিপোর্টে করোনা পজিটিভ আসে। আক্রান্ত দুজনেই নিজ বাড়িতে হোম আইসোলেশনে রয়েছেন। তাদের শরীরের করোনার উপসর্গ নেই।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদ্বীপ বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করে শনিবার বিকাল বেলা , তাদের দু’জনের মধ্যে করোনার উপসর্গ জ্বর-কাশি ছিল। ১৭ জুন তাদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়। তারা দু’জনেই সুস্থ আছেন। তাদের বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।

অধ্যাপক আঃ সহিদ খান গোয়ালী বিহাইডহর সরঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত

ইবাদুর রহমান জাকিরঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গোয়ালী বিহাইডহর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন প্রতিষ্টানের ভূমি দাতা সদস্য বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান।তিনি এ অঞ্চলের শিক্ষা বিস্তারে প্রায় ৩ যুগেরও অধিক সময় থেকে ব্যাপক ভুমিকা পালন করে আসছেন। শাহবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের টানা ৬ বারের নির্বাচিত প্রতিনিধি সহ স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় শিক্ষা বিস্তারে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ শিক্ষা অর্জনকারী জনাব খান এ অঞ্চলের মানুষের কাছে একটি জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে ইতিমধ্যে আত্বপ্রকাশ করেছেন।তিনি রাজনীতি ও শিক্ষা সংগঠকের পাশাপাশি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ গার্লস কলেজে দীর্ঘ ২২ বৎসর থেকে অধ্যাপনা করে আসছেন।

করোনা আক্রান্ত মাশরাফি

বাংলাদেশের ক্রীড়া জগতেও এবার হানা দিয়েছে করোনা ভাইরাস। তামিম ইকবালের বড় ভাই সাবেক ক্রিকেটার নাফিস ইকবাল কোভিড-১৯ পজিটিভ হওয়ার খবর আগেই পাওয়া গেছে। এবার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বাংলাদেশের সফলতম ওয়ানডে অধিনায়ক ও নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা।

শনিবার (২০ জুন) করোনা পজিটিভ হওয়ার ফলাফল এসেছে তার।

দু’দিন ধরেই জ্বরে ভুগছিলেন সংসদ সদস্য মাশরাফি। তার উপসর্গ ছিল গা ও মাথা ব্যথা। এ জন্য শুক্রবার (১৯ জুন) পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন তিনি।

ফলাফল পজিটিভ এলেও আপাতত জ্বর ও গা ব্যথা ছাড়া অন্য কোনো সমস্যা নেই মাশরাফির। বর্তমানে নিজের বাসাতেই আইসোলেশনে আছেন তিনি।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকেই বেশ সক্রিয় ছিলেন মাশরাফি। তিনি তার নির্বাচনী এলাকা নড়াইল-২ আসনে দুস্থ-অসহায়দের পাশে অর্থ সহায়তা থেকে শুরু করে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে মাশরাফির শ্বাশুড়ি ও স্ত্রীর বোন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন তারা। ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’ অবশ্য তাদের সংস্পর্শে আসেননি। এমনকি দুই সপ্তাহ ধরে ঢাকার একটি বাসায় কোয়ারেন্টিনে ছিলেন তিনি। কিন্তু তাতেও করোনায় আক্রান্ত হওয়া থেকে রক্ষা পেলেন না ৩৬ বছর বয়সী পেসার।

সুত্রঃ বাংলা নিউজ টোয়েন্টিফোর.কম

বড়লেখার ডাক্তার হোসাইন আহমদ করোনা আক্রান্ত

এম. এম আতিকুর রহমান ;

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার চান্দগ্রামের কৃতি সন্তান সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের এসোসিয়েট প্রফেসর ডাক্তার হোসাইন আহমেদ কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছেন।

করোনা ভাইরাস উপসর্গ পজিটিভ সনাক্ত হলে আজ দুপুরে তাঁকে সিলেট মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজন মানবিক ও গরিবের ডাক্তার হিসেবে তাঁর সমধিক পরিচিত রয়েছে। তিনি গরীব অসহায় রোগীকে ফ্রী চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। বিশেষত এলাকার যেকোনো মানুষকে প্রায় বিনামূল্যে চিকিৎসার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন এ তরুণ উদীয়মান সমাজকর্মী।

তিনি আক্রান্তের খবরে ব্যতীত হৃদয়ে ব্যক্তি ও সামাজিক অঙ্গনে দোয়া চাওয়া হচ্ছে। তাঁর পরিবার বড়লেখাবাসীসহ
সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

এ মানবতাবাদী সকলের প্রিয় ডাক্তার হোসাইন আহমদকে দ্রুত শিফা দানে কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা দয়াময়ের তরে।

“ছাত্রদের কাজ নিজেকে ভাবিষ্যতের উপযোগী করে গড়ে তুলা”-অধ্যাপক আঃ সহিদ খান


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

“ছাত্রদের প্রধান কাজ হচ্ছে পড়াশুনা করে নিজেকে ভবিষ্যতের উপযোগী নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলা। আর অবসর সময়ে ছাত্র রাজনীতি সহ সৃজনশীল কর্মকান্ডের মাধ্যমে নিজের নেতৃত্বের বিকাশ ঘঠানো।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে মেধাবী ছাত্র সমাজকে নিয়ে নৌবিহারে গমন সহ নানা ভাবে উৎসাহিত করে একটি মেধা নির্ভর নেতৃত্ব সৃষ্টির জন্য জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল গঠন করেন।তাই পড়াশুনার পাশাপাশি অবসর সময়ে ছাত্র রাজনীতি করতে চাইলে ছাত্রদেরকে ছাত্রদলের পতাকাতলে সমবেত হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।

“আজ উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের উদ্দোগে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের এক সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য ও বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান এসব বলেন।
ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সি. যুগ্ম আহবায়ক শাহীন আহমদের সভাপতিত্বে ও ছাত্রনেতা তারেক মুন্নার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দিন জমির,সাধারন সম্পাদক মখলিছুর রহমান,যুগ্ম সম্পাদক তোয়াহিদুর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদির প্রমূখ। সভায় বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাক তাপাদার কানন,ইউনিয়ন যুবদল নেতা আলিম উদ্দিন,আদনান ওয়াহিদ মিশু,উপজেলা ছাত্রদল নেতা জুনেদ আহমদ,ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা মাজহারুল ইসলাম, আতিকুর রহমান সহ নেতৃবৃন্দ।সভায় এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ক্রেস্ট প্রদান ও মিষ্ঠি মুখ করানো হয়।

বড়লেখায় নতুন ২ তরুণীসহ করোনা আক্রান্ত ২৩ জন

এম.এম আতিকুর রহমান ;

মৌলভীবাজারের বড়লেখাসহ জেলায় করোনা ভাইরাসে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ জন। এর মধ্যে বড়লেখা পৌরসভার একই পরিবারভুক্ত ২ তরুণী রয়েছেন। ক্রমে ক্রমে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এ পর্যন্ত বড়লেখার সংখ্যা দাঁড়ালো ২৩ জনে।

এছাড়াও আজ নতুন করে জুড়ী উপজেলায় ৪ জন, মৌলভীবাজারে ৬ জন, শ্রীমঙ্গলে ১জন এবং কমলগঞ্জের ১ জন আক্রান্ত হয়েছেন বলে মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন অফিস সুত্রে জানা গেছে।

বড়লেখা পৌরসভার একই পরিবারের দুবোন হলেন
১ নং ওয়ার্ড বরাইগ্রাম এর বাসিন্দা।

নতুন ১৪ জন সহ মৌলভীবাজার জেলায় মোট করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩১ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৭৬ জন।

বড়লেখা-জুড়ী রেড জোনে নয়করোনা ভাইরাসে জেলার জোন বিভাজন

এম.এম আতিকুর রহমান ; বড়লেখা-জুড়ী প্রতিনিধি ঃ

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ ঠেকাতে দেশে আক্রান্তের অবস্থা বিবেচনায় রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত অঞ্চলকে রেড জোন আখ্যা দেওয়া হচ্ছে। বাকিগুলোকে ইয়েলো ও গ্রিনজোনে ভাগ করা হচ্ছে। অবশ্য এখনো মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলা রেড জোনের আওতা মুক্ত রয়েছে।

চলমান প্রেক্ষাপটে পর্যটন ও প্রবাসী অধ্যুষিত মৌলভীবাজার জেলার কোন এলাকা কোন জোনে পড়েছে- এ নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহের শেষ নাই।

মৌলভীবাজারের সংক্রমণ হার বিবেচেনা করে দেখা গেছে অধিকাংশ এলাকাই পড়েছে ইয়েলো ও গ্রিনজোনে। তবে কিছু অংশ পড়েছে রেড জোনে।

রেড জোনে যে যে এলাকা-
মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে- শ্রীমঙ্গল পৌরসভা এবং সদর ইউনিয়নের কিছু অংশ রেড জোনে পড়েছে। এছাড়া কুলাউড়া পৌরসভা এবং পৌর শহর সংলগ্ন কিছু এলাকা রেড জোনে পড়েছে।

জানা যায়- শ্রীমঙ্গলের কালিঘাট রোড, মিশন রোড, রুপসপুর, সবুজভাগ, মুসলিমবাগ, লালবাগ এবং বিরাইমপুর, কুলাউড়ার মাগুরা-মনসুর, নন্দনগর রেড জোনে পড়েছে।
জেলার বাকি সব এলাকা ইয়েলো এবং গ্রিনজোনে পড়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিভিল সার্জন ডা. তওহীদ আহমদ বলেন- সংক্রমণের হার বিশ্লেষণ করে মৌলভীবাজারের প্রত্যেক উপজেলা ও ইউনিয়নের রেড, গ্রিন ও ইয়েলো জোনে ভাগ করা হয়েছে। আজ ১৫ জুন সোমবার মন্ত্রণালয়ে সেটা প্রেরণ করা হয়েছে। যা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের মাধ্যমে সমন্বয় করে বাস্তবায়ন করা হবে।

যেভাবে জোন ভাগ হয়-
সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো এলাকায় ১ লাখের মধ্যে ১০ জন করোনা আক্রান্ত হলে রেড জোন। ৩ থেকে ৯.৯ শতাংশ আক্রান্ত হলে ইয়েলো জোন। আর ০ থেকে ২.৯ শতাংশ আক্রান্ত হলে গ্রিন জোন।

জানা গেছে, রেড জোন চিহ্নিত এলাকায় পুরো লকডাউন করে দেওয়া হবে। এ জোনের কেউ বাইরে যেতে বা বাইরে থেকে কেউ এ জোনের ভেতরে যেতে পারবে না। এ জোনের দোকানপাট, বিপণিবিতান, সরকারি-বেসরকারি কার্যালয় সব বন্ধ থাকবে। এমনকি এ জোনে ঘরে বসে নামাজ আদায় করতে নির্দেশনা দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

এ ব্যাপারে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ বলেন- সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা জোন ভিত্তিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

মৌলভীবাজার জেলায় এ পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৯১

জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৯১ জন, সুস্থ হয়েছে ৬৯ জন, মারা গেছেন ৪ জন। তবে ৬ শতাধিক রিপোর্ট এখনো অপেক্ষমান রয়েছে।

সিভিল সার্জন ডা. তওহীদ আহমদ বলেন, অন্য জেলার তুলনায় মৌলভীবাজারে আক্রান্তের হার এখনো কম। যে কারণে জেলার অধিকাংশ এলাকা পড়েছে ইয়েলো ও গ্রিন জোনে। তিনি বলেন- করোন সংক্রমণ ঠেকাতে মানুষকে সচেতন হতেই হবে। এর কোন বিকল্প নেই। আগামী ২ মাস আমাদের জন্য বিপদজনক হতে পারে। সাবধানতাই এ বিপদ উত্তরণের সম্বল। সংশ্লিষ্ট সকলকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথ পালন এবং সকলের কল্যাণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা সময়ের দাবি।

কোভিড-১৯, গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারে ২টি করে মোট ৪টি বুথ স্থাপন


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

.কোভিড-১৯ ভাইরাস পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহের জন্য গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলায় ২টি করে মোট ৪টি বুথ স্থাপন করে দিলেন কানাডা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, দৈনিক শুভ প্রতিদিনের সম্পাদক ও প্রকাশক সরওয়ার হোসেন। রোববার (১৪ জুন) সকাল ১১টায় গোলাপগঞ্জে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থাপিত দুটি বুথের অনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সরওয়ার হোসেন। নিজস্ব অর্থায়নের এ চারটি বুথ স্থাপন করে দেন তিনি।

নিজে উপস্থিত থেকে এ বুথ স্থাপনের সময় তিনি বলেন, করোনায় সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। তাদের সুরক্ষার ব্যবস্থা না থাকায় অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন। তারা সুস্থ না থাকলে কিভাবে আমাদের জন্য করোনা সংকটে কাজ করবে। এজন্য এই নমুনা সংগ্রহের বুথ স্থাপন করা হয়েছে। এসময় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শাহীনুর ইসলাম শাহিন, গোলাপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম এ ওয়াদুদ এমরুল, ব্রাজিল যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবু সুফিয়ান উজ্জল, ছাত্রলীগ নেতা রাহাত তপাদার প্রমুখ।

এদিকে, গোলাপগঞ্জে বুথ স্থাপনের পরই দুপুর ২টায় বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থাপিত আরও দুটি বুথের উদ্বোধন করেন সরওয়ার হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম পল্লব, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরী, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. আবু ইসহাক আজাদ. মেডিকেল অফিসার ডা. আবুল বাশার রুম্মান।

বিয়ানীবাজারে বুথ স্থাপনকালে সরওয়ার হোসেন বলেন, করোনাকালে আমার চেয়ে বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জের সাধারণ মানুষের জন্য ভয় বেশি। তাই তো আমি এ বিপদের সময় নিজের সুরক্ষার কথা চিন্তা না করে মানুষের পাশে আছি। পাশে থাকতে চাই। করোনা মহামারীতে মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হতে চাই। করোনা বিপদ যতই বড় হোকনা কেন, আমি দুই উপজেলার মানুষের পাশে আছি, থাকব ইনশাল্লাহ।

এর আগে সরওয়ার হোসেন গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলার করোনা রোগীদের সেবায় নিয়োজিতদের পিপিই ও সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়া কয়েক দফায় এই দুই উপজেলার কর্মহীন সহাস্রাধিক মানুষের মাঝেও খাদ্য সামাগ্রী বিতরন করেছেন তিনি।

পরীক্ষা নিয়ে ভাবছি না : মহাপরিচালক

নিউজ ডেস্কঃ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ বলেছেন, শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিয়ে আমরা এখনই ভাবছি না। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিরাপদ রাখা এখন আমাদের মূল লক্ষ্য। তাছাড়া মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে পড়ালেখা চালিয়ে যেতে হবে। পরীক্ষা শুধু শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের একটি পদ্ধতি মাত্র।

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষার সিলেবাস কমছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রাথমিক শিক্ষার মহাপরিচালক।

তিনি আরও বলেন, আমরা যতটুকু পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের পড়াতে পেরেছি তার ওপরই তাদের মূল্যায়ন করা হবে। পরীক্ষার থেকে পাঠদান চালিয়ে যাওয়া এবং শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার চর্চা চালিয়ে যাওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে আমরা বেশি আগ্রহী। তাই ডিজিটাল মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ক্লাস করা নিশ্চিত করতে কাজ করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। রেডিওর মাধ্যমেও শিক্ষার্থীদের পাঠদান পরিচালনা করা হবে। সে কাজও চলছে। আর মাঠ পর্যায় থেকে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের তথ্য জানার জন্য একটি সফটওয়্যার ডেভেলপ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

মো ফসিউল্লাহ বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে বিনামূল্যে টেলিফোন করে শিক্ষকদের পরামর্শ পেতে পারেন সে ব্যবস্থাও করা হয়েছে। ৩৩৩৬ নাম্বারে ফোন করে শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের সাথে সরাসরি কথা বলতে পারবেন। আর এজন্য তাদের কোন টাকা খরচ হবে না। এ সেবা চালু হলে শিক্ষার্থীরা ও পড়ালেখায় আগ্রহী হবেন। তারা যখন দেখতে পারবে কোন টাকা খরচ না করেই শিক্ষকের কাছ থেকে যেকোন বিষয় বুঝে নেয়া যাচ্ছে, তখন তারা এ সেবা পেতে আগ্রহী হয়ে উঠবে।

তিনি “হাকালুকি নিউজ”কে জানান, শিক্ষার মূল লক্ষ্য জ্ঞান অর্জন। পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের একটি আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। পরীক্ষা নিয়ে আমরা এখনই চিন্তা করছি না। কিছু উপজেলায় আগ্রহী শিক্ষকরা নিজ উদ্যোগে পরীক্ষা নিয়েছেন। তা নিয়ে ইতোমধ্যেই কিছু বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরীক্ষা নেয়ার কোনো নির্দেশনা দেয়নি।

মহাপরিচালক বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারেও করোনা ভাইরাস হানা দিয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৪৫ জনের মত শিক্ষক করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়েছেন।

করোনায় স্বাস্থ্যসচিবের স্ত্রী মারা গেছেন


ঢাকা: সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নানের স্ত্রী কামরুন নাহার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শনিবার (১৩ জুন) দিবাগত রাত ১টার দিকে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন স্বাস্থ্য সচিবের একান্ত সচিব (উপসচিব) খন্দকার জাকির হোসেন।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের শোক
স্বাস্থ্যসচিবের স্ত্রী কামরুন নাহারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। তিনি কামরুন নাহারের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

সুত্রঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

বড়লেখায় ২ জন সহ জেলায় নতুন ১৩ জন করোনা আক্রান্ত

এম.এম আতিকুর রহমান ;

মৌলভীবাজারের বড়লেখা সহ জেলায় নতুন করে আরও ১৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে পুলিশ ও স্বাস্থ্যকর্মীও রয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯১ জন।

আজ শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে মৌলভীবাজার জেলা সিভিল সার্জন ডা. তৌউহীদ আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এদিকে মোট ১৪ জনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এরমধ্যে নতুন ১৩ জন এবং পুরনো একজনের আবারো পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে।

নতুন আক্রান্ত ১৩ জনের মধ্যে মৌলভীবাজার-২৫০ শয্যা হাসপাতালের ৩ জন, বড়লেখায় ২জন, রাজনগরে ১ জন, কুলাউড়ায় ৫ জন, কমলগঞ্জে ১ জন এবং শ্রীমঙ্গলে ১ জন। এছাড়া কমলগঞ্জে আগে থেকে আক্রান্ত একজনের আবারও পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে।
আক্রান্তদের মধ্যে নারী পুরুষ উভয়েই রয়েছেন ।

এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯১ জন, সুস্থ হয়েছেন ৬৯ জন, মারা গেছেন ৪ জন। আরও প্রায় ৬০০ রিপোর্ট পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।

মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুতে বন ও পরিবেশ মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি’র শোক

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের মুখপাত্র এবং সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন এমপি।

পরিবেশ মন্ত্রী এক শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। শোকবার্তায় পরিবেশ ও বন মন্ত্রী জানান, মোহাম্মদ নাসিম ছিলেন এক বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী ছিলেন। আজীবন দেশ ও মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করেছেন এ জনদরদী রাজনীতিবিদ।তাঁর মৃত্যু দেশ ও জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। জনসেবা, দেশ ও সমাজের উন্নয়নে তাঁর অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

উল্লেখ্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় চার নেতার অন্যতম মোঃ মনসুর আলীর সন্তান মোহাম্মদ নাসিম (৭২) আজ শনিবার সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি ২০১৪-২০১৮ মেয়াদে বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে স্বরাষ্ট্র, গৃহায়ন ও গণপূর্ত এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও তিন সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

(বিজ্ঞপ্তি)

বড়লেখায় করোনায় নতুন আক্রান্ত ৪ জন, ডাক্তার নার্সসহ জেলায় ২৬ জন

এম.এম আতিকুর রহমান ;

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ৪ জনসহ ডাক্তার নার্স মিলিয়ে আরও ২৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭৮ জন।

আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুর সাড়ে ১২ টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মৌলভীবাজার জেলা সিভিল সার্জন ডা. তৌউহীদ আহমদ। তিনি জানান, ঢাকা থেকে গত রাতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। আরও বেশ কিছু নমুনার রিপোর্টের অপেক্ষা করছি আমরা।

নতুন আক্রান্ত ২৬ জনের মধ্যে সদর উপজেলায় ৫ জন, রাজনগরে ২ জন, কুলাউড়ায় ১২ জন, বড়লেখায় ৪ জন, কমলগঞ্জে ১ জন এবং শ্রীমঙ্গলে ২ জন। আক্রান্তদের মধ্যে নারী-পুরুষ, শিশুও রয়েছেন । নতুন রিপোর্ট আসলে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

১০ মাসের বাচ্চা পেটে নিয়ে মারা গেলেন প্রসূতি নারী,করোনা সন্দেহে চিকিৎসায় অবহেলা

নিউজ ডেস্কঃ চট্টগ্রামে আইসিইউর খুঁজতে খুঁজেতে ১০ মাসের সুস্থ বাচ্চা পেটে নিয়ে মারা গেলেন প্রসূতি নারী,করোনা সন্দেহে চিকিৎসায় অবহেলা

সাতদিন পর ছিল বাচ্চা ডেলিভারির তারিখ।
এর মধ্যেই উঠল প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট।পেটে অনাগত সেই বাচ্চা নিয়ে মেয়েটি দিনভর ঘুরলেন হাসপাতালে-হাসপাতালে।টানা ১৮ ঘন্টা চেষ্টা
করেও পুরো চট্টগ্রামে মেলেনি একটি আইসি-
ইউ (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র)। শেষে অনেকটা
বিনা চিকিৎসাতেই গভীর রাতে মৃত্যুর কোলে
ঢলে পড়লেন ১০ মাসের গর্ভবতী ওই নারী।
মাত্র এক সপ্তাহ পর, ১৮ জুন বাচ্চা জন্ম
দেওয়ার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারিত ছিল তার।
মৃত্যুকালে ফৌজদারহাটের কবরস্থানে মায়ের
সঙ্গী হল ওই বাচ্চাও— সুস্থ থেকেও পৃথিবীর
মুখটি আর দেখা হল না তার!

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল থেকে ৩০ বছর
বয়সী ওই গর্ভবতী নারীর জন্য তার স্বজনরা
চট্টগ্রামের এমন কোনো হাসপাতাল বাদ রাখে-
ননি, যেখানে তারা একটি আইসিইউ বেডের
খোঁজে যাননি। কোথাও না পেয়ে উপায়হীন
স্বজনরা ফেসবুকে পোস্ট দিয়েও একটি আই-
সিইউর জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেন।

নিয়ে হাসপাতাল থেকে হাসপাতাল আর
ওয়ার্ড থেকে ওয়ার্ডে দৌড়াদৌড়ি করে
মঙ্গলবার (৯ জুন) দিবাগত রাত ৪টার দিকে
চট্টগ্রাম মেডিকেলের করোনা ওয়ার্ডে মৃত্যুর
কোলে ঢলে পড়েন মুক্তা (৩০) নামের ওই নারী।

অথচ এর মাত্র আটদিন আগে করোনার সময়ে সরকারি-বেসরকারি সব হাসপাতালে প্রসূতি
মায়েদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনা পরীক্ষা
সহ অন্যান্য সুচিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে-
ছিলেন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের
ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের
সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ
সংশ্নিষ্ট বিবাদীদের এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে
বলা হয়েছিল।

সূত্রঃ চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বড়লেখায় ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদ গঠন

এম.এম আতিকুর রহমান ; বড়লেখা থেকে ঃ
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় আজ ১০ জুন বুধবার, বড়লেখা হিফযুল কুরআন মাদ্রাসা
প্রাঙ্গণে বড়লেখা উপজেলার মসজিদ সমূহের খতিব ও ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কল্যাণার্থে এবং জনসেবার উদ্দেশ্যে গঠণ করা হয় ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদ বড়লেখা।

আহবায়ক কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত “পরামর্শ সভায়” সভাপতিত্ব করেন- পরিষদের আহবায়ক এবং বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সম্মানিত খতিব মুফতি মাওলানা রুহুল আমীন।
পরিষদের সদস্য সচিব এবং ইয়াকুবনগর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাও. মুনাওয়ার হুসাইন মাহমুদীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আলোচনা পেশ করেন- বড়লেখা উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জিনগন। পরে সকলের সম্মতিক্রমে, তিন বছর মেয়াদি ৩১ সদস্য বিশিষ্ট “কার্যকরী কমিটি” ঘোষণা করা হয়।
কমিটির দায়িত্বশীলগণ হলেনঃ
সভাপতিঃ মুফতি রুহুল আমীন বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। সহ-সভাপতিঃ মাও. ফয়জুল বারী কাঁঠালতলী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। সহ-সভাপতিঃ মুফতি আব্দুল বাসিত সুজানগর বড়বাড়ী জামে মসজিদ। সহ-সভাপতিঃ মাও. একরাম আলী চুকারপুঞ্জী জামে মসজিদ। সহ-সভাপতিঃ মাও. আব্দুল হান্নান পশ্চিম পাখিয়ালা টিলা জামে মসজিদ। সহ- সভাপতিঃ মাও. ফারুক আহমদ গাজিটেকা নাজিরের চক জামে মসজিদ।
সাধারণ সম্পাদকঃ হাফিয মাও. মুনাওয়ার হুসাইন মাহমুদী ইয়াকুবনগর জামে মসজিদ।
যুগ্ম সম্পাদকঃ মাও. বদরুল ইসলাম পাতন জামে মসজিদ।
সহ-সাধারণ সম্পাদকঃ হাফিজ মাও. সাদিক আহমদ এফ.আর মুহিউসসুন্নাহ কমপ্লেক্স জামে মসজিদ। সহ-সাধারণ সম্পাদকঃ হাফিয মাও. আবুল হাসান হাদী কাঁঠালতলী জামে মসজিদ সাংগঠনিক সম্পাদকঃ হাফিয মাও. তায়্যিবুর রহমান চানপুর বায়তুল মামুর জামে মসজিদ, শাহবাজপুর। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকঃ মাও. আতাউর রহমান মোহাম্মদনগর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকঃ মাও. আব্দুল হাফিজ কাঁঠালতলী উত্তর জামে মসজিদ। অর্থ সম্পাদকঃ মাও. মুখলিসুর রহমান পানিধার মারকায মসজিদ। প্রচার সম্পাদকঃ হাফিয মাও. ইয়াহইয়া আহমদ বড়লেখা থানা জামে মসজিদ। সহ-প্রচার সম্পাদকঃ মাও. শিহাব উদ্দীন পশ্চিম বানিকোনা জামে মসজিদ। সহ-প্রচার সম্পাদকঃ মাও. মাহবুবুর রহমান সর্দার পাড়া জামে মসজিদ। সাহিত্য সম্পাদকঃ হাফিয মাও. রশিদ আহমদ বারইগ্রাম জামে মসজিদ।প্রকাশনা সম্পাদকঃ মুফতি মছিহুর রহমান শিমুলিয়া জামে মসজিদ। সমাজকল্যাণ সম্পাদকঃ মাও. এনাম উদ্দীন গৌরনগর মাদ্রাসা জামে মসজিদ। অফিস সম্পাদকঃ মাও. লায়েছ আহমদ বড়লেখা হাজিগঞ্জ বাজার জামে মসজিদ।

সদস্যরা হলেন হাফিয হুসাইন আহমদ, মাও. আব্দুল মতিন, মাও. নজরুল ইসলাম নয়ন, মাও. মাহতাব উদ্দীন, মাও. আব্দুল, মাও. আতাউর রহমান, মাও. জুনেদ আহমদ, সাইফুর রহমান, মাও. জামিল আহমদ, মাও. মুঈনুল ইসলাম প্রমুখ।
এছাড়া বড়লেখা উপজেলার সকল মসজিদের খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিনদেরকে সাধারণ সদস্য ঘোষণা করা হয়।
পরিশেষে, দেশ-জাতীর কল্যান কামনা করে এবং বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মহামারি করোনাভাইরাস থেকে মুক্তির জন্য সভাপতির মুনাজাতের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

সৌদিতে আটকে পড়াদের জন্য চালু হচ্ছে বিশেষ ফ্লাইট।

সমছ উদ্দিন, সৌদি প্রবাসীঃ করোনাভাইরাসের কারণে সৌদি আরবে লকডাউন এর পূর্বে যেসব প্রবাসীরা এক্সিট-রিএন্ট্রি অথবা এক্সিট ভিসা নিয়ে গেছেন। আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় সৌদি থেকে তারা বের হতে পারেননি। তাদের জন্যবিশেষ বিমান চালু হচ্ছে।
এছাড়া সৌদি আরবে ভিজিট ও ওমরা ভিসায় এসে যারা ফেরত যেতে পারেননি এবং সৌদি আরবের বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি তে অধ্যায়নরত ছাত্র/ছাত্রীরা দেশে ফেরত যেতে চান নিজ খরচে ওইসব ভিসা ধারীদের বাংলাদেশে ফেরত নেওয়ার লক্ষ্যে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর উদ্যোগে রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস এবং জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সহযোগিতায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এর মাধ্যমে দেশে ফেরত যেতে পারবেন বলে দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

প্রথমে দুটি বিশেষ ফ্লাইটের মাধ্যমে এসব যাত্রীরা দেশে ফেরত যেতে পারবেন। এর একটি আগামি ১৬ জুন ছেড়ে যাবে জেদ্দা কিং আব্দুল আজিজ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপর্ট থেকে আরেকটি ছেড়ে যাবে রিয়াদ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে পরবর্তী সময়ে চাহিদা অনুযায়ী আরও ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে দেশে ফেরত যাবার সুবিধা গ্রহণকারী প্রত্যেককে স্থানীয় কনস্যুলেট অথবা দূতাবাসে যোগাযোগ করে তাদের তালিকা করতে হবে ।
জেদ্দা বাংলাদেশ কনস্যুলেটের শ্রম ও কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন জেদ্দা অঞ্চলের উল্লেখিত ভিসা প্রাপ্তরা যেতে আগ্রহী তাদেরকে দূতাবাসের নির্ধারিত ০৫৫৬২২১৮৫৮ নাম্বার এর হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে যোগাযোগ করে পাসপোর্ট ফটোকপি এবং ভিসা ফটোকপি পাঠাতে হবে।
পরে দূতাবাস এবং কনস্যুলেট তালিকা তৈরি করে সংশ্লিষ্ট বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অফিসে তালিকা পাঠালে সেখান থেকে টিকেট সংগ্রহ করে আগ্রহীরা বাংলাদেশে ফেরত যেতে পারবে বলে জানা গেছে।
এদিকে বিমান বাংলাদেশ এর রিজিওনাল ম্যানেজার জানিয়েছেন, সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যবিধি মেনে ওইসব যাত্রীদেরকে বিমানে চড়তে হবে অসুস্থ অথবা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কেউ ফ্লাই করতে পারবেনা বলে জানিয়েছেন তিনি।
দূতাবাস অথবা কনস্যুলেটের তালিকার বাহিরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এর বিশেষ ফ্লাইটের মাধ্যমে কাউকে ট্রাভেল করতে দেয়া হবে না বলে তিনি জানিয়েছেন। তালিকা প্রাপ্তদের অবশ্যই রিয়াদ অথবা জেদ্দায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এর অফিস থেকে টিকেট সংগ্রহ করতে হবে কোন ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে এসব টিকেট বিক্রি করা হবে না বলে জানিয়েছেন।

বড়লেখায় প্রতারণা মামলায় ফয়সল আহমদ গ্রেফতার


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় প্রতারণা মামলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উপজেলা সেক্রেটারী মোঃ ফয়সল আহমদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাত দেড়টার দিকে থানার এসআই রাকিব মোহাম্মদের নেতৃত্বে পৌরশহরের (বালুচর) পাখিয়ালা বাসা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে সোমবার (৮ জুন) আদালতের মাধ্যমে পুলিশ তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ব্রিকফিল্ড ব্যবসায়ী মোয়াদ আহমেদ এর পৌনে ২ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে গত ২২ জানুয়ারি হাবিবুর রহমান হাবিবকে ১ নম্বর ও জামায়াত নেতা ফয়সল আহমদকে ২ নম্বর আসামি করে থানায় প্রতারণা মামলা করেন।এ মামলার প্রধান আসামি হাবিবুর রহমান হাবিব গত ১৭ মার্চ জামিন নিতে গেলে বিজ্ঞ আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ মামলার ২নং আসামি উপজেলা জামায়াত সেক্রেটারী ফয়সল আহমদ দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকার পর গ্রেফতার হোন

মৌলভীবাজারে ভাইরাস জনিত রোগে মারা যাচ্ছে গবাদি পশু

নিউজ ডেস্কঃ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ, কুলাউড়া ও রাজনগর উপজেলায় চর্মরোগ জাতীয় গুটি, খোঁড়া, ফুলাসহ ভাইরাস রোগে গবাদি পশু আক্রান্ত হচ্ছে।

এপর্যন্ত এ রোগে তিন উপজেলার প্রায় তিন হাজার গবাদি পশু আক্রান্ত হয়েছে ও একটি মহিষসহ ৩টি গরু মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের এমটাই অভিযোগ।

তবে করোনা ভাইরাসের মধ্যেও উপজেলা চিকিৎসা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছে প্রাণি সম্পদ বিভাগ। প্রতিষেধক না থাকায় এ রোগ ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তরটি।
সরেজমিনে ঘুরে জানা যায়, লাম্পিং স্কিন ডিজিজ নামে চর্মরোগ জাতীয় একটি ভাইরাস রোগ গবাদি পশুর মধ্যে মারাত্মকহারে সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর, শমশেরনগর, পতনউষার, মাধবপুর, আদমপুর, মুন্সীবাজার ইউনিয়নসহ বিভিন্ন গ্রাম ও চা বাগান এলাকা, কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়ন ও রাজনগর উপজেলার কামারচাক, মরিচা এসব এলাকায় গবাদি পশুর গুটি বসন্তসহ ভাইরাস রোগের সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায় দেড় মাস সময় ধরে বিভিন্ন এলাকায় এ রোগের সংক্রমণ বেড়েই চলেছে।

এ রোগের লক্ষনসরূপ পশুর গলাসহ সারা দেহে গুটি, খোঁড়া, ফুলা দেখা দিচ্ছে। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে বিশ দিন আগে পতনঊষারের শ্রীসূর্য্য এলাকার অসিত শীল এর ১টি, পনের দিন আগে আলীনগর ইউনিয়নের কামদপুর গ্রামের মনাফ মিয়ার ১টি, মাধবপুর ইউনিয়নের নোওয়াগাঁও গ্রামের সাবাজ মিয়া ২টি, দশ দিন আগে মুন্সীবাজার ইউনিয়নের বাসুদেবপুর এলাকায় ১সহ মোট ৫টি গরু মারা গেছে। এছাড়া সপ্তাহ দিন আগে রাজনগর উপজেলার মরিচা গ্রামের শামীম মিয়ার লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ১টি মহিষ উক্ত রোগে মারা গেছে।

পতনউষারের তোয়াবুর রহমান, আক্তার মিয়া, মরিচা গ্রামের শামীম মিয়া, শমশেরনগর সতিঝির গ্রামের সিদ্দিকুর রহমান, আলীনগরের মনাফ মিয়া, মুন্সীবাজার ইউনয়িনের আশরাফুল ইসলামসহ কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, তাদের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে এসব রোগে ব্যাপক হারে গবাদি পশু আক্রান্ত হচ্ছে। সব মিলিয়ে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে আক্রান্ত হবে প্রায় ৫ হাজার গবাদি পশু বলে দাবি করেন তারা।
তারা আরও অভিযোগ করেন, আক্রান্ত পশুর জন্য সরকারিভাবে ভালো কোন চিকিৎসা সুবিধাও পাওয়া যাচ্ছে না। বেসরকারি চিকিৎসকদের অধিক মূল্য দিয়ে চিকিৎসা করাতে হচ্ছে।

বিয়ানীবাজারে আপন চাচীর ঘরের চালের ড্রাম থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিউজ ডেস্কঃ বিয়ানীবাজারে আপন চাচীর ঘরের চালের ড্রাম থেকে ৩ বছর বয়সী এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার সন্ধ্যায় উপজেলার কুড়ারবাজার ইউনিয়নের উত্তর আকাখাজানা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত শিশু উত্তর আকাখাজানা গ্রামের খছরু মিয়ার ছেলে।

ওই শিশু রোববার সকাল ৬টা থেকে নিখোঁজ ছিল। পরে এদিন বিকালে খছরু মিয়ার ছোটভাই রুনু মিয়ার স্ত্রী সুমা বেগমের ঘরের চালের ড্রাম থেকে ওই শিশুটিকেমৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

এ প্রতিবেদন লিখা পর্যন্ত জানা গেছে, খবর পেয়ে ওসি অবনী শংকর করসহ বিয়ানীবাজার থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত শিশুর লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন করে থানায় নিয়ে আসছে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে দু’জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন- সুমা বেগম (৪২) ও নাহিদ আহমদ (২৩)। তারা দুজনের সম্পর্কে ভাবি-দেবর।

কুমিল্লায় সম্পত্তির জন্য বাবাকে কু’পিয়ে ও পিটিয়ে হ’ত্যা করলো ছেলেরা

নিউজ ডেস্কঃ কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার ১নং কালিরবাজার ইউপির কমলাপুর উত্তর পাড়া গ্রামে দ্বিতীয় বিয়ে ও সম্পত্তি বিরোধ ও আত্মসাৎ’র জেরে প্রথম স্ত্রী ও সন্তান কর্তৃক পিতাকে কু’পিয়ে ও পি’টিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহতের ছোট বোন জাহানারা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী আনারকলি এবং স্থানীয় প্রতিবেশীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন থেকেই পারিবারিক কলহ চলছিলো।

প্রথম স্ত্রী ও সন্তানরা প্রতিনিয়ত মারধর করতো ও মেরে ফেলার হুমকি দিতো, ফলে দ্বিতীয় স্ত্রী ও কন্যাদের নিয়ে নারায়নসার এলাকায় বসবাস করতেন আলি আকবর বাচ্চু । গত কিছুদিন ধরে সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক কলহ বেড়ে যায়। ঈদের আগের দিন নিজ বাড়িতে আসেন তিনি। সম্পত্তি বিরোধের সুত্র ধরে প্রথম স্ত্রী রওশনআরা বেগম ও ছেলে খোকন, রোকন, ছোটন ঈদের দিন সকালে পিতার ওপর চড়াও হয়। ঝগড়ার একপর্যায়ে পিতাকে নির্মমভাবে মারধর করে হাত পা ভেঙে দেয় এবং বটি’দা দিয়ে কুপি,য়ে পায়ের রগ কেটে দেয়।

বাচ্চু মিয়ার শোর চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে এলেও তাদেরকে বাড়িতে ঢুকতে দেয়া হয় নি। গুরুতর আহত ও রক্তাক্ত বাচ্চু মিয়াকে চিকিৎসা করাতে কিংবা হাসপাতালে নিয়ে যেতে দেয়া হয়নি। খবর পেয়ে দ্বিতীয় স্ত্রী এলাকার লোকজন নিয়ে স্বামীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করালে মঙ্গলবার সকালে তার মৃত্যু হয়। পেশায় ট্রাক চালক বাচ্চু মিয়া কমলাপুর উত্তর পাড়া এলাকার ইব্রাহিম চৌধুরীর ছেলে। এ ঘটনায় নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী আনারকলি বেগম বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় উল্লেখিত আসামীদের নামে হ’ত্যা মামলা দায়ের করেছেন বলে জানান।

খবর পেয়ে নাজিরা বাজার ফাঁড়ি পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। এ ঘটনার পর থেকে নিহতের তিন ছেলে এবং প্রথম স্ত্রী পলাতক রয়েছে। একটি বিশেষ মহলের সহায়তায় মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সমঝোতার জন্য বাদীকে হুমকি ধমকি, দৌড়ঝাপ ও হত্যাকান্ডের ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে ধামাচাপা দিতে আসামিরা তৎপরতা চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা।

কোতোয়ালি থানাধীন নাজিরা বাজার ফাঁড়ি পুলিশের আইসি ইন্সপেক্টর মাহমুদ হাসান রুবেল জানান, পোস্টমর্টেম শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শুনেছি নিহতের সাথে পরিবারিক বিরোধ রয়েছে সন্তানদের। তদন্ত চলছে পোষ্টমর্টেম রিপোর্ট এলে মৃত্যুর বিস্তারিত জানা যাবে।

সুত্রঃ জাগো কুমিল্লা

এভাবে চলতে থাকলে হাসপাতালে জায়গা দিতে পারব না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্কঃ ‘গার্মেন্ট আসলো, ঈদ আসলো, বাজার করল, ঈদে যাওয়া-আসা করল। এক লাফে ৫০ হাজার হয়ে গেল। সব সময় বলছি, সংক্রমণের চেইনটা যদি কাট করতে না পারি তাহলে সেটা কিন্তু বন্ধ হবে না। এভাবে চলতে থাকলে আরও ৬০-৭০ হাজার নতুন অ্যাড হয়ে যাবে। তখন কোনও হাসপাতালে আমরা জায়গা দিতে পারব না। কারণ এত রোগী এসে যাবে তাদের ১০ পারসেন্টেরও যদি হসপিটালাইজেশন লাগে তাহলে পরে আপনারা দেখেন ৭০-৮০ হাজার লোকের আবার নতুন করে জায়গা দিতে হবে। আমাদের সে জায়গা আছে কি? এটা হলো দেখার বিষয়।’

করোনাভাইরাসের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে শনিবার (৬ জুন) ‘বিয়ন্ড দ্য প্যানডেমিক’ এর পঞ্চম পর্ব ‘করোনা সংকটকালে স্বাস্থ্যসেবা’ শিরোনামে অনলাইন আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

চব্বিশ ঘণ্টা ঘুরেও মেলেনি আইসিইউ, মারা গেলেন দুই ভাই

নিউজ ডেস্কঃ একটি আইসিইউ’র জন্য চব্বিশ ঘণ্টা ধরে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ঘুরেছে। টাকা যত লাগে তত দিতেও চেয়েছিল। কিন্তু মেলেনি একটি আইসিইউ। শেষ পর্যন্ত শ্বাসকষ্ট নিয়ে প্রথমে মারা গেল বড় ভাই। তার ৮ ঘণ্টা পর মারা যান ছোট ভাই। হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে মারা যান ছোট ভাই মো. শাহজাহান (৩২)। তিনি হাটহাজারী বাজারের এন জহুর মার্কেটের কাপড়ের দোকানের ব্যবসায়ী।

এর আগে দুপুরে মারা যান বড় ভাই মো. শাহ আলম (৩৬)। তিনি মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী। তারা হাটহাজারী পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের পূর্ব দেওয়ান নগর জোহরা বাপের বাড়ির মরহুম গোলাম রসুলের ছেলে। তাদের করুণ মৃত্যুতে হাটহাজারী পৌর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে এবং আইসিইউ না পাওয়ায় একরকম বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগ তুলেন তাদের স্বজনরা।

স্বজনরা জানান, করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে ৩০শে মে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন দুই ভাই। এরমধ্যে তাদের শ্বাসকষ্ট চরমে পৌঁছালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের আইসিইউতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। এরপর শুরু হয় আইসিইউর খোঁজ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে একের পর এক চট্টগ্রাম মহানগরীর সরকারি-বেসরকারি সবক’টি হাসপাতাল ঘুরে ঘুরে একটি আইসিইউ ভিক্ষা চাওয়া হয়। এ জন্য যত টাকা প্রয়োজন তত টাকা দিতেও রাজি ছিল পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু কোথাও আইসিইউ শয্যা খালি নেই বলে জানান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষগুলো। ফলে আইসিইউর অভাবে শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে হাসপাতালেই মারা যান বড় ভাই মো. শাহ আলম।

এরপর ছোট ভাইকে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠে পরিবারের সকলে। কিন্তু একটি আইসিইউ না পাওয়ার কারণে রাত ১০টার দিকে শ্বাসকষ্টে ভুগে মারা যান ছোট ভাই মো. শাহজাহানও।

স্বজনরা আরো জানান, শাহ আলম দুবাইয়ে সবজি ব্যবসা করতেন। গত জানুয়ারি মাসে ছুটিতে এসে লকডাউনে আটকা পড়ে আর দুবাইয়ে ফিরতে পারেননি তিনি। শাহ আলমের ৬ বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। অন্যদিকে তার ছোট ভাই শাহজাহানের রয়েছে হাটহাজারী বাজারে এন জহুর শপিং সেন্টার মার্কেটে একটি কাপড়ের দোকান। স্ত্রী ছাড়াও তার রয়েছে এক ও পাঁচবছর বয়সী দুটি সন্তান।

স্বজনদের অভিযোগ, ৩০শে মে চমেক হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর দুই ভাইয়ের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু আজ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট আসেনি। ফলে মৃত্যুর আগে তারা করোনা আক্রান্ত কিনা তাও জানতে পারলো না। তাদের করুণ মৃত্যুতে হাটহাজারীতে শোকের মাতম চলছে।

বড়লেখায় মাস্ক না পরায় ২৭জন কে মোবাইল কোর্টে অর্থদণ্ড

বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শামীম আল ইমরান আজ (০৭জুন) বড়লেখা পৌরসভার হাজীগঞ্জ বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে মাস্ক না পরা ও স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন,২০১৮ আইনে ২৭ টি মামলায় ১০,১০০/= টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। এসময় মাস্ক বিহীন জনসাধারণের মধ্যে মাস্কও বিতরণ করা হয়। বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইয়াছিনুল হকের নেতৃত্ব বড়লেখা থানা পুলিশ মোবাইল কোর্ট কে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করেন।

বিশ্বনাথে করোনা প্রভাবে সাময়িক অসুবিধাগ্রস্ত আলেমদের মধ্যে নগদ অর্থ প্রদান

আনহার বিন সাইদ,বিশ্বনাথঃ ” করোনা ” মহামারিতে যখন সারা বিশ্ব্য বিপর্যস্ত ঠিক সেই মুহুর্তে লন্ডনে অবস্থানরত বিশ্বনাথের কিছু ভাইদের অর্থায়নে ” ওলামা হেল্পিং ফাউন্ডেশন বিশ্বনাথ এর; উদ্দোগে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের; প্রায় ২০ জন অসচ্ছল আলেম পরিবারের মধ্য নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।

অত্র ফান্ডশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান (সাংবাদিক ) মাওলানা আনহার বিন সাইদ, বাইছ চেয়ারম্যান মাওলানা হারুনুর রশিদ (ইমাম বরুনী জামে মসজিদ) । সেক্রেটারি; মাওলানা আব্দুল কাদির(বরুনী),
কোষাদক্ষ ( দশঘর ইউনিয়ন তাবলিগ জামাতের জিম্মাদার)মোঃশফিকুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মৌলবী কামাল উদ্দীন, প্রমুখ।

ওলামা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান (সাংবাদিক) মাওলানা,আনহার বিন সাইদ; এক বিবৃতিতে বলেন ” করোনা ” মহামারিতে সারা ওয়াল্ডে এক ভয়াবহ অবস্থা বিরাজকরছে।
প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের অবস্থা দিন দিন নাজুক হচ্ছে। যার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (কওমী মাদ্রাসা) বন্ধ থাকায় শিক্ষকরা আর্থিকভাবে নানান সমষ্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।
এদিকে (সামনে) পবিত্র ঈদুল ফিতর আসন্ন, তাই তারা; যাতে তাদের পরিবারকে নিয়ে হাসিমুখে আসন্ন ঈদকে উদযাপন করতে পারেন সে দিকে লক্ষ্য রেখে আমরা এই উদ্দোগ গ্রহণ করেছি।

আলহামদুলিল্লাহ!
আমাদের অনেকেই তাওফিক অনুযায়ী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন আল্লাহ তাদের সবাইকে সকল ধরনের বিপদ আপদ থেকে হেফাজত করুন।

চলমান প্রেক্ষাপটে করোনা’রভয়াবহতা! স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অপরিহার্য

এম আতিকুর রহমানঃ একে একে দেশের ৬৪ টি জেলা অতিক্রম করে করোনা ভাইরাস এখন উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। আমরা যেনো পৌঁছে দিয়েছি অভিজাত এই ভাইরাসটিকে।

সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার, জকিগঞ্জ, গোলাপগঞ্জ, বিশ্বনাথ, বালাগঞ্জ সহ একে একে ফেঞ্চুগঞ্জ, দক্ষিণ সুরমায় ও করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। গোলাপগঞ্জে এক করোনা আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে এসে একই পরিবারের ১৩ জন করোনা আক্রান্ত হন!
মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা জুড়ী সহ প্রতিটি উপজেলায় একাধিক সনাক্ত ও আক্রান্ত হয়ে কঠিন পরিস্থিতির দিকে ধাবমান।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৮ মে, ২০২০ পর্যন্ত সিলেট অঞ্চলে মোট করোনায় আক্রান্ত (শনাক্তকৃত) ৪৩৩ জন (সিলেট জেলায়-১৬৬ জন, হবিগঞ্জে-১৩২ জন, সুনামগঞ্জে-৭৫ জন ও মৌলভীবাজারে-৬১ জন)।

সারা দেশে যখন এক বা দুই ডিজিটের করোনা রোগী শনাক্ত হতো, তখন সাধারণের মাঝে যে সাবধানতা/সচেতনতা পরিলক্ষিত হতো, বর্তমানে সহস্রাধিক শনাক্ত হলেও সচেতনতা অনেকগুণ কমে গেছে।
উপরন্তু, যানজট আর জমায়েত এবং ঈদ শপিং দেখে মনে হবে; এ দেশ থেকে করোনা কত আগে বিদায় নিয়েছে।

আসুন, সরকার নির্দেশিত সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি। সচেতন হই অন্যান্যদের সচেতন হতে উদ্বুদ্ধ করি। নিজে সুস্থ থাকি। পরিবার-পরিজন সমাজ ও দেশকে নিরাপদ রাখি। করোনা নামক মহামারী থেকে আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুক, সুস্থ রাখুন।
বরকতময় এ সময়ে আমরা কায়মনোবাক্যে দয়াময় এ-র দরবারে বেশি বেশি ফরিয়াদ করি। তিনি যেনো আমাদের সকলকে এবং দেশকে রক্ষা করেন।

জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ

নিউজ ডেস্কঃ

মরণব্যাধি করোনা ভাইরাসে থমকে গেছে সারাদেশ। সারা বিশ্বের সাথে পাল্লা দিয়ে জ্যামিতিক হারে দেশব্যাপী বাড়ছে আক্রান্তের হার। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে করোনা মোকাবেলায় আর্ত মানবতার সেবায় অনেকেই ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ভূমিকা সারাদেশব্যাপী ব্যাপক প্রশংসিত হয়। করোনার প্রাদুর্ভাব দিন দিন যেমন বাড়ছে, তেমন ছাত্রলীগের ব্যতিক্রমী কার্যক্রম নানাভাবে খবরের শিরোনাম হচ্ছে।

এবার অসহায়,দুস্হ,রিকশাওয়ালা, টমটম ওয়ালা, সবজি ব্যবসায়ী ও খেটে খাওয়ামানুষদের মাঝে ২০০ প্যাকেট ইফতার বিতরণ করলো জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রলীগ।

চলাচলের জন্য প্রস্তুত ট্রেন, অপেক্ষা নির্দেশের

যেকোনও মুহূর্তে যাত্রী পারাপারের জন্য প্রস্তুত রয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গত ২৫ মার্চ থেকেই যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ রেখেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। তবে সম্প্রতি সময়ে লকডাউন বিষয়ে সরকারের শৈথিল্য মনোভাব থাকায় ট্রেনকেও প্রস্তুত রেখেছে সংস্থাটি। সরকারের উচ্চমহলের নির্দেশনা পেলেই যে কোনও মুহূর্তে যাত্রী আনা-নেওয়ার জন্য চালু করে দেওয়া হবে। মন্ত্রণালয়ের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, গত ২৫ মার্চের পর মালবাহী ট্রেন ছাড়া পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সারাদেশে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়। তবে ট্রেন পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্ত স্টেশন মাস্টার, ট্রেন চালক-গার্ডসহ মাঠ পর্যায়ের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী সংশ্লিষ্ট হেডকোয়ার্টার এবং স্টেশনে রয়েছেন। ট্রেনগুলোও প্রতিদিন রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। এরইমধ্যে লাগেজ ভ্যান ট্রেন চালানোর নির্দেশনা পাওয়া গেছে। সরকারের নির্দেশনা পাওয়া গেলে যাত্রীবাহী ট্রেনও পরিচালনা করা হবে। তবে করোনা পরিস্থিতিতে যদি ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত হয় তাহলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সব নির্দেশনা মেনেই পরিচালনা করা হবে।

জানতে চাইলে রেলওয়ে মহাপরিচালক মো. শামছুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচলের কোনও সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। তবে আমরা প্রস্তুত। সবগুলো ট্রেন প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সরকার যখনই সিদ্ধান্ত দেবে আমরা তখনই ট্রেন চালাতে পারবো। আমরা সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।

রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, ২৫ মার্চ থেকেই যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু আমরা মালবাহী ট্রেন পরিচালনা করে আসছি। আমরা ট্রেন চালাতে সব সময়ই প্রস্তুত। আল লাগেজ ভ্যান ট্রেন চালানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পাওয়া গেছে। লাগেজ ভ্যান, বিভিন্ন যাত্রীবাহী ট্রেনের সঙ্গে একটি করে ‘লাগেজ ভ্যান’ কোচ চালানো হত। এখন আমরা পুরো একটি ট্রেনই শুধু মাত্র লাগেজ ভ্যান দিয়ে চালাব।

তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে, আগামী ১/২ দিনের মধ্যেই লাগেজ ভ্যান ট্রেন চালানো হবে। তরমুজ থেকে শুরু করে সব ধরনের সবজি-ফলমূল, কাঁচামাল বহন করা হবে এ ট্রেনে।

রেলপথ সচিব মো. মোফাজ্জেল হোসেন জানান, করোনার সময়ে ট্রেন পরিচালনা করতে হলে কী কী পদক্ষেপ নিতে হবে এজন্য আমরা বেশ কয়েকবার বৈঠক করেছি। যদি দূরপাল্লার ট্রেন পরিচালনা করতে হয় তাহলে নির্ধারিত দূরত্ব রেখে যাতে যাত্রী বসানো হবে। এ জন্য এক একটি কোচে থাকা আসন সংখ্যার বিপরীতে অর্ধেক কিংবা তার বেশি সিট খালি রেখে টিকিট বিক্রি করবো। সে ক্ষেত্রে যাত্রীদেরও সর্বোচ্চ সর্তক হতে হবে। সুত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন

লিফটের নিচে চিকিৎসকের লাশ: ক্লু খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ

ফাইল ছবি

বড়লেখা ডেস্কঃ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও বিভাগীয় প্রধান ডা. এম এ আজাদ সজলের মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশায় পুলিশ। তারা এখনও এই ঘটনার ক্লু খুঁজছে। এদিকে মঙ্গলবার রাতে তার ছোটভাই বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের ‍আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. রাসেল।

মামলার বাদী ডা. আজাদের ছোট ভাই ডা. শাহারিয়ার উচ্ছাস জানান, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে ঢাকার কেরানীগঞ্জের ইমামবাড়ি কবরস্থানে দাফন করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার বিকালে মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মসজিদ প্রাঙ্গণে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. রাসেল বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৯ জনকে থানায় নিয়ে ‍আসা হয়েছিল। ‍তাদের মঙ্গলবার থেকে বুধবার ১২টা পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কয়েকজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে মামলার তদন্তের স্বার্থে তাদের আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ‘ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এখনও হাতে ‍আসেনি। প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য জানা সম্ভব হবে। বিষয়টিকে আমরা অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চালাচ্ছি।’

প্রসঙ্গত ডা. এম এ আজাদ সজলের পরিবার ঢাকার কেরানীগঞ্জে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন। তিনি একা বরিশাল নগরীর কালিবাড়ি রোডের মমতা স্পেশালাইজড হাসপাতালের সপ্তম তলার একটি কক্ষে থাকতেন। মঙ্গলবার সেহেরির সময় ঢাকা থেকে তার স্ত্রী মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানান। পরে

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে খুঁজে না পেয়ে বিষয়টি পুলিশকে জানায়। এরপর পুলিশের উপস্থিতিতে তার কক্ষের দরজা ভেঙেও সেখানে পাওয়া যায়নি। পরে ১০ তলা হাসপাতালের সব জায়গাতে খুঁজে লিফটের নিচের কুঠুরিতে তার মরদেহ পাওয়া যায়। সুত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন

করোনায় ভাইরাসের পজিটিভ রিপোর্ট নিয়ে কর্মস্থলে যোগদান।

ছবিঃ প্রতিকি

বড়লেখা ডেস্কঃ ঢাকা ফেরত পিরোজপুর সদর উপজেলার এক গার্মেন্ট কর্মীর নমুনা পরীক্ষায় জানা গেছে তিনি করোনা পজিটিভ। কিন্তু রিপোর্ট আসার আগেই তিনি ঢাকার আশুলিয়ায় তার কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) পিরোজপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শিশির রঞ্জন অধিকারী এ তথ্য জানিয়েছেন।

ডা. শিশির রঞ্জন অধিকারী বলেন, ‘সিকদার মল্লিক ইউনিয়নের চালিতাখালী গ্রামের বাসিন্দা ওই ব্যক্তি ঢাকার আশুলিয়া থেকে গ্রামের বাড়িতে আসার পর গত ২৩ এপ্রিল নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়। সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে তার করোনাভাইরাস পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এরপর আমরা তার বাড়িতে গিয়ে জানতে পারি তিনি ২৫ এপ্রিল কর্মস্থল আশুলিয়ায় চলে গেছেন।’

পিরোজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বশির আহমেদ জানান, সোমবার রাতেই করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়িটি লকডাউন করা হয়েছে। তবে আক্রান্ত ব্যক্তির আশুলিয়ার পোশাক কারখানার কর্তৃপক্ষ এবং সেখানকার থানাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। এছাড়া তার গ্রামের বাড়িতে থাকা পরিবারের অন্য সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সুত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন

বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা ব্যক্তি কক্সবাজারের জিন্নাত আলী আর নেই

বড়লেখা ডেস্কঃ বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা ব্যক্তি কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া বড়বিল গ্রামের জিন্নাত আলী আর নেই। মস্তিস্কে টিউমার আক্রান্ত জিন্নাত গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

আজ (২৮এপ্রিল) ভোরে ইন্তেকাল করেন। ইন্না…রাজিউন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ২৪ বছর। তার পিতার নাম আমির হামজা।

জিন্নাত আলীর উচ্চতা ছিল ৮ ফুট ৮ ইঞ্চি। ওজন ছিল ১৩০ কেজি। তার এই উচ্চতা মোটেও স্বাভাবিক ছিল না। হরমোনজনিত সমস্যায় তিনি বিপাকে ছিলেন। ফলে অনেক দিন থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়েও তিনি চিকিৎসা নিয়েছেন।

জিন্নাত আলীর পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা যায়, জিন্নাত দেশের সবচেয়ে দীর্ঘকায় মানুষ। তার এই উচ্চতার জন্য পরিবারের লোকজন গর্বিত ছিলেন না। বরং তারা মনে করতেন, অভাব ও দারিদ্র্যের কারণে সুচিকিৎসার অভাবে উচ্চতা থামানো যায়নি।

জিন্নাত স্বাভাবিক মানুষের মত জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং সেভাবেই বড় হচ্ছিলেন। ১২ বছর বয়স পর্যন্ত তার গ্রথ স্বাভাবিক ছিল। ১২ বছর বয়সের পর থেকে তিনি অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকেন।

জিন্নাতের প্রচুর খাবার প্রয়োজন হতো। প্রতিবেলায় এক কেজি চালের ভাত, আর প্রচুর পরিমাণে তরকারি লাগতো। পরিবার সেটা ঠিকমতো দিতে পারতো না। অতিরিক্ত উচ্চতার জন্য জিন্নাত আলী তেমন কোন কাজও করতে পারতেন না।

বড়লেখায় বোরো ধান কেটে দিলেন স্কুল শিক্ষক ও শিক্ষার্থী

দৈনিক বড়লেখাঃ করোনা পরিস্থিতিতে চলছে ধানা কাটা শ্রমিক সংকট। এ অবস্থায় কৃষকের জমির বোরো ধান কেটে দিলেন বড়লেখা উপজেলার ১নং বর্নি ইউনিয়নের পাকশাইল আইডিয়াল হাইস্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এর ২১ এপ্রিল ২০২০ ইং তারিখের প্রেরিত পত্রের প্রেক্ষিতে (২৮এপ্রিল) মঙ্গলবার সকালে পাকশাইল আইডিয়াল হাইস্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী (পুরুষ) মিলে পাকশাইল গ্রামের দরিদ্র কৃষক মো. নুর উদ্দিন মিয়ার প্রায় ৩০ শতক জমির বোরো ধান কাটায় সহযোগিতা করেন।

প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে ধান আহরণ কাজে নিযুক্ত ছিলেন- বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ রেহান উদ্দিন, মো. সোহরাব হোসাইন, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বিদ্যালয়ের দপ্তরি মো. ছইফ উদ্দিন।

বড়লেখার সুজানগর ইউনিয়ন পরিষদে জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

নিজস্ব সংবাদঃ বর্তমান সময়ের করোনা মহামারি প্রেক্ষাপটে করণীয় এবং বর্জনীয় কি? এ নিয়ে এক তাৎপর্যপূর্ণ মিটিং করা হয় বড়লেখা উপজেলার সুজানগর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে।

সোমবারে (২৭এপ্রিল) ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব নসিব আলী সাহেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারগণ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ,আগর এসোসিয়েশনের ব্যক্তিবর্গ, আজিমগঞ্জ বাজার কমিটি, সিএনজি কমিটি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ সহ অন্যান্যরা।

সভায় প্রাথমিকভাবে কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়:

(১) বাজারে লোকজনের সমাগম কমিয়ে আনা।
(২) একজনের বেশি মোটর সাইকেলে যাতায়াত না করা।
(৩) বিকেল ৫:৩০ এরপর পর বাজারের মধ্যে কোন লোক না থাকা ।
(৪)যেহেতু বর্তমানে রমজান মাস ইফতার নিয়ে আসা যাওয়ার একটা রীতি রেওয়াজ আছে তাই বর্তমান সময়ে বিবেচনা করে আমরা ইফতার দেওয়া এবং নেওয়া থেকে বিরত থাকব কোনো ভাবেই এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
(৫) বিভিন্ন সংযোগ সড়কগুলোতে চেকপোস্ট বসানো হবে।
(৬) জনসচেতনা মূলক প্রচার চলমান থাকবে।
(৭)সিএনজি ড্রাইভার দের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র একজন আরোহী নিয়ে ব্যাংকে যাওয়ার জন্য ব্যবহার করা যাবে অন্যথায় কোন সিএনজি রাস্তায় বের হতে পারবে না।
(৮) এলাকায় কোন বাহিরের লোক আসলে সাথে সাথে ইউনিয়ন পরিষদকে অবগত করা।
ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন, নিরাপদে থাকুন,অন্যকে নিরাপদ থাকতে সাহায্য করুন,আসুন সবাই মিলে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই একমাত্র আল্লাহই পারেন আমাদের এই বিপদ থেকে উদ্ধার করতে।

বড়লেখায় আরো ১নারী করোনা আক্রান্ত।

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় এবার এক নারীর শরিরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দুই জন।

রোববার (২৬ এপ্রিল) সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের পিসিঅার ল্যাবে ১৫৬ জনের নমুনা পরিক্ষা করা হয়। পরিক্ষায় বড়লেখার ১ জনের করোনা পজিটিভ আসে।

বড়লেখা উপজেলা সাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রত্নদ্বীপ বিশ্বাস আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন আক্রান্ত নারির বাসা বড়লেখা পৌর এলাকায়। তার বাসা লকডাউন করা হবে।

এর আগে শনিবার বড়লেখায় প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়।আক্রান্ত অই যুবকের বয়স অনুমান ৩৫ বছর। তিনি বর্তমানে শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি রয়েছেন। তার বাড়ি বড়লেখা দক্ষিনভাগ ইউপির উত্তর কাশেম নগর গ্রামে। তিনি সমন ভাগ চা বাগানে চা,ছোলা ও পিয়াজ বিক্রি করতেন।

“মাহতাব আল মামুন”প্রবাসে থেকেও সবার ভালোবাসায় জড়িয়ে আছেন

মাহতাব আল মামুন


ইবাদুর রহমান জাকিরঃমৌলভীবাজারের বড়লেখার উপজেলার ৫ নং দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের বিছরাবন্দ গ্রামের কৃতিসন্তান মাহতাব আল মামুন সৌদি আরব প্রবাসী। তিনি স্বদেশে এলাকার মানুষের মমতায় অসহায় দরিদ্রের কল্যাণে বড়লেখা উপজেলার মেধাবী তরুণদের সমন্বয়ে গঠন করেন এক‌টি ভিন্নধর্মী সাহিত্য ভিত্তিক সামাজিক সংগঠন “বড়লেখা পাবলিকেশন্স সোসাইটি”। এই সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে উপজেলার বিভিন্ন স্কুল,মাদ্রাসা ও এতিমখানায় সাহায্য সহযোগিতা অব্যাহত।

উপজেলায় এই সংগঠনের মাধ্যমে কয়েকটি টিউবওয়েল সহ বিভিন্ন মাদ্রাসায় হিজাব সৌরবিদ্যুৎ , সিলিং ফ্যান বিতরণ সহ অসংখ্য ছাত্র/ছাত্রীদের পঠ্য পুস্তক বিতরণ করতে সক্ষম হয়েছে।

এ ছাড়া ও বর্তমান সমাজের তরুণ লেখক লেখিকাদের সমন্বয় সুন্দর সাহিত্য প্রকাশনায় বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটি হতে প্রকাশনার বদ্ধপরিকর।

বিশ্বের মানুষ যখন করোনা প্রাদূর্ভাবে গৃহবন্দী এক দিকে অর্থনৈতিক মন্দা অপর দিকে চলছে করোনা আক্রান্তের সাড়ি সাড়ি। বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর মিছিল, সে সময়ে আজ স্বদেশের অসহায় নিম্নবৃত্ত মধ্যবৃত্তের কথা ভূলে যাননি বরং বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটির প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান মাহতাব আল মামুন অসংখ্য মানুষের মতো তিনিও সোসাইটির ব্যাবস্থাপনায় প্রবাসী প্রিয়জনদের আর্থিক সহযোগিতায় নিয়ে ইতিমধ্যে উপজেলার বেশ কিছু পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন।

উল্লেখ্য, বড়লেখাবাসীর কল্যাণে নাড়ির ঠাঁনে আরও তিনটি উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি যা একমাত্র তাহাঁর অক্লান্ত প্রচেষ্টায়, মানুষের মূখে হাসি ফুঁটানো হবে। বড়লেখা পাবলিকেশন্স সোসাইটির ব্যাবস্থাপনায় আগামী ২৯এপ্রিল উপজেলার শতাধিক পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রীয় বিতরণ করা হবে, তাছাড়া আগামী ১মে তাঁহার নিজ গ্রামে খাদ্য ও ২৫রামাজান ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হবে ।

মাহতাব আল মামুনের বাল্যকাল থেকে সমাজের কিছু করার অভিপ্রায় ছিল তাঁর ধারাবাহিকতার আলোকে মানবসেবা ইবাদাত
মনে করে সর্বদাই মানুষের পাঁশে।
আসুন আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে বড়লেখা পাবলিকেশন্স সোসাইটিসহ যে কোন সামাজিক সংগঠন কে সহযোগীতা করি “নিজে ঘরে থাকি অন্যকে ঘরে থাকতে উৎসাহিত করি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখি দেশও জাতিকে করোনা প্রাদূর্ভাব মুক্তরাখি” পাশাপাশি সাহায্যের হাত নিয়ে মানুষের পাঁশে দাঁড়াই।

সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে, অবশেষে বড়লেখায়ও আঘাত হেনেছে “করোনা”-মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

আচ্ছালামুআলাইকুম/আদাব,
প্রিয় সহকর্মি শিক্ষকবৃন্দ,

১.
সামনের দিনগুলো অধিকতর কঠিন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কেউ হতাশ হবেন না। ভেঙ্গে পড়বেন না। যথাযথ পথ- পদ্ধতি ও নিয়ম মেনে চলার প্রাণান্তকর চেষ্টা করবো আমরা। একে অন্যের খবর নেবো। পাশে থাকবো…

২.
আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে একটি ঘোষণা দিতে চাই যে, আপনারা লকডাউনে থাকাকালীন ছোট-বড় কোন সমস্যায় নিপতিত হলে দয়া করে একটু “নক” করবেন। যে কোন ধরণের “সার্ভিস” প্রদান করতে আমি/আমরা কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি। ঔষধ, বাজার খরচ, খাদ্য সংকটসহ বিবিধ বিষয়ে অনায়াসে আমাদের সহায়তা নিতে পারেন।
মূল্য /বিনামূল্য/ ফ্রি সবধরণের ব্যবস্থা আমরা করতে যাচ্ছি। সদিচ্ছা থাকলে কোন কিছুই অসম্ভব নয়…

৩.
এসব কাজ বাস্তবায়ন করতে ৩ টি সংস্থা আমাদের সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেছে-
ক.বড়লেখা ফ্রেন্ডস ক্লাব, ইউ. কে,
খ. বড়লেখা ব্লাড ডোনেট ক্লাব, বড়লেখা ও
গ. দূর্বার মুক্ত স্কাউট দল, বড়লেখা।

৪.
মহান সৃষ্টিকর্তা সকলের সহায় হোন। প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের জন্য নিরন্তর ভালোবাসা। শুভ কামনা।

লেখকঃ প্রধান শিক্ষক, মোহাম্মদনগর স.প্রা.বি, বড়লেখা
মোবাইলঃ০১৭৩৪৪৬১৬৯১, ০১৭৮২৬৮৬৮২৬

তারাদরমে চালু হলো ফ্রি সবজি বাজার’


ইবাদুর রহমান জাকিরঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৫নং দক্ষিন শাহবাজপুর ইউনিয়নের তারাদরম গ্রামের যুবকদের উদ্যোগে করোন প্রাদুর্ভাবে আটকে পড়া এলাকার নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেনীর মানুষের কষ্ট লাগবের কথা চিন্তা করে, এই মাহে রামজান মাসে প্রতি সাপ্তাহে একদিন এলাকায় ফ্রি সবজি( আলু, ডাল, টমেটো, ডিম, ছুলা(চানা), কাচা মরিচ, মিষ্টি কুমড়া ইত্যাদি থাকবে)ও ইফতার সামগ্রী বিতরনের আয়োজন শুরু করে শনিবার(২৫এপ্রিল)সকালে।

মহতি এই কার্যক্রমে এলাকার এক শ্রেণী যুবকের স্বর্তঃস্ফুত অংশগ্রহনে শুরু হয়। এলাকার দেশী ও প্রবাসী কিছু ভাইদের আর্থিক সহযোগিতায় ফ্রি সবজি ও ইফতার সামগ্রী বিতরনী শুরু হয়। এ অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন জসিম উদ্দিন, আশরাফুর রহমান, মুহাম্মদ খায়রুল ইসলাম, রুহেল আলিম,মাহমুদুল হাসান, আব্দুল কাইয়ুম, রুবেল আহমদ, গৌছ উদ্দিন,আফজালুর রহমান,রুবেল হোসাইন, নিজাম উদ্দিন, আমির হোসেন, মোহাম্মদ দিলু, কাশেম উদ্দিন, কাওছার আহমদ, আবুল হাশিম, আব্দুল আলিম, শরীফ উদ্দিন, আতিকুর রহমান নজমুল প্রমুখ।

বিভীষিকাময় বর্ণনা : ‘বিছানার কাছেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাশ পড়ে ছিল’

শাহাদাত হোসেন বেসরকারি চ্যানেল যমুনা টেলিভিশনের একজন সিনিয়র রিপোর্টার। গত মাসের একদম শেষের দিকে একটু জ্বর উঠেছিল। খুব সামান্যই তাপমাত্রা ছিল। এরপর একটি প্যারাসিটামল খাওয়ার পর এক রাতেই জ্বর সেরে গিয়েছিল। এরপর তিনি পেশাগত দায়িত্বও পালন করেছেন।

কিন্তু বাড়িতে তার শ্বশুর কয়েকদিনের মধ্যে ব্যাপক জ্বর ও মাথাব্যথায় অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়ার পর ভাবলেন নিজেও একটু পরীক্ষা করিয়ে নেবেন। দেখা গেল তার কোনো উপসর্গ না থাকলেও তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এরপর তার শ্বশুরসহ পুরো পরিবারের সবাই আক্রান্ত হয়েছেন। শাহাদাত হোসেন বলছেন, হাসপাতালে ভর্তির পর তার মনে হয়েছে জীবনে এতটা অসহায় কোনো দিন বোধ করেননি।

‘ওয়ার্ডে লাশ পরেছিল ২৪ ঘণ্টা’
তিনি বলছেন, করোনাভাইরাস ‘পজিটিভ’ এটি জানার পর শুরুতে তিনি খুব আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে গিয়েছিলেন। কী করবেন ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলেন না।

সহকর্মীদের সহায়তায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তার ভাষায়, “হাসপাতালে চরম প্রতিকূলতার মধ্যে নয় দিন পার করেছি আমরা। ওখানে মনে হয়েছি রোগীরা একেবারে অভিভাবকহীন। আমি খুবই অসহায় বোধ করেছি।”

“দেখতাম চোখের সামনে রোগীরা মারা যাচ্ছে। লাশ ওয়ার্ডেই পরে থাকছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, তিনি বলেন।

” যেহেতু নির্দিষ্ট ব্যক্তি লাশ দাফন করেন হয়ত তাদের সংখ্যা কম কিন্তু মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে, সেকারণে হয়তবা। কিন্তু এতে একজন অসুস্থ রোগী যে এমনিতেই ভয়ে আছে তার মনের অবস্থা কী হয়?” তিনি বলেন।

তিনি হাসপাতালে তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে বলছিলেন, ২৪ ঘণ্টায় একজন চিকিৎসক আসতেন। অনেক দূর থেকে কথা বলে চলে যেতেন।

নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে একটি মানুষকেও পাওয়া যায় না। এরকমও হয়েছে যে নার্স আসেনি বলে একবার সকালের অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খাওয়া হয়নি। চিকিৎসক দিনে একবারও আসেনি সেটিও হয়েছে।

তিনি বলছেন, “কিন্তু একজন চিকিৎসকের কথায় আমার ভরসা পাওয়ার কথা। তার কথায় আমার মনোবল বেড়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু এখানে মানসিক সাপোর্ট দেয়ার কেউ ছিল না।”

অন্যান্য সুবিধাদির বর্ণনা দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, তিনি যে ওয়ার্ডে ছিলেন সেখানে এক শ’র মতো রোগী ছিল। এতজন রোগীর জন্য মাত্র তিনটি টয়লেট, তিনটি গোসলখানা।

শাহাদাত হোসেন একপর্যায়ে রোগী বাড়তে শুরু করার পর চিকিৎসকদের অনুরোধ করে তার শ্বশুরসহ বাড়ি চলে আসেন।

আর একটি হাসপাতালের চিত্র

দেশে সবচেয়ে প্রথম যে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সাংবাদিক শনাক্ত হয়েছিলেন সেটি ছিল ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের। সেখানে ভিডিওগ্রাফার হিসেবে কর্মরত আশিকুর রহমান রাজু আক্রান্তদের একজন।

তিনি বলছেন, শনাক্ত হওয়ার পর যখন কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে যান শুরুতেই ঘাবড়ে গিয়েছিলেন কারণ সবাই পিপিই পরে অনেক দূরে দাড়িয়ে আছেন।

তিনি তার প্রথম অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে বলেন, তাকে একজন ওয়ার্ড বয় একটা পলিথিন ব্যাগে বিছানার চাদর, বালিশ, বালিশের কাভার, টয়লেট টিস্যু আর একটা সাবান দেয়।

”এগুলো দিয়ে ওয়ার্ড বয় কেচিগেট তালা মেরে চলে গেল। নিজের বিছানাও নিজে গুছিয়ে নিতে হলো,” তিনি জানান।

তিনি বলছিলেন, প্রথম দিন তার জন্য দুপুরের খাবার নিয়ে কেউ আসেনি। চিকিৎসকদের ফোন করে তিনি সেটি জানানোর পর সাড়ে চারটার দিকে তার জন্য একটি বক্সে করে খাবার এসেছিল। কোনো প্লেট দেয়া হতো না। সেখানে পানি গরম করা থেকে শুরু করে সবকিছুই নিজেকে করে নিতে হয়েছে।

এমনকি জ্বর হলে যে মাথায় পানি দিতে হয়, ওই সময়ও সহায়তা দেয়ার কেউ ছিল না। একটা বালতি, মগ কিছুই ছিল না, এসব অভিযোগ তিনি করেছেন।

“খাবার রেখে যাওয়া হতো কেঁচি গেটের বাইরে। তারপর হ্যান্ডমাইকে সেটা জানানো হতো,” তিনি বলেন।

”অসুস্থ লোকদের গিয়ে সেই খাবার নিয়ে আসতে হতো। ওয়ার্ডে একজন নতুন বয়স্ক রোগী এসেছিলেন। তিনি এই তথ্যটা জানতেন না। তিনি এক রাত ও পরের সকাল না খেয়ে ছিলেন,” রহমান বলেন।

আশিকুর রহমান বলছিলেন, জ্বর নিয়ে যে কয় দিন বাসায় ছিলেন তার মনোবল চাঙ্গা ছিল। কিন্তু হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সাথে সাথেই সেটি হারাতে শুরু করেন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি, যারা আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে এসেছেন তারা ও তাদের পরিবার এবং তাদের স্বাস্থ্যসেবায় নিয়জিত ব্যক্তিরা সামাজিকভাবে ব্যাপক হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছেন এমন বেশকিছু অভিযোগ উঠেছে।

একসময় কুষ্ঠ আক্রান্ত রোগীদের যেভাবে সমাজ পরিত্যাগ করতো যেন সেরকম এক ধরনের অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে তাদের যেতে হচ্ছে। তার একটি বর্ণনা পাওয়া গেল এই দুই সংবাদকর্মীর ভাষায়।

অন্য আরো বেশ কয়েকজন সেরে ওঠা ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করা হলেও সামাজিক সমস্যার ভয়ে তারা কথা বলতে রাজি হননি।

আশিকুর রহমান রাজু বলছেন, যেসময় ভয়াবহ শরীর ব্যথা, জ্বর, মাথাব্যথা ও কাশি শুরু হয় সেই সময় তিনি বাড়িতে একাই ছিলেন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন কিনা এমন সন্দেহ হলে আইইডিসিআরে যোগাযোগ করেন। তার শরীর থেকে যখন স্বাস্থ্যকর্মীরা নমুনা সংগ্রহ করতে আসেন তখন এলাকার লোকজন ও বাড়িওয়ালার চরম ক্ষোভের মুখে পরেন তিনি।

“কেন আমি ওদের ডাকলাম, এইটা তারা বলছে। যেন আমি ওনাদের ডেকে কোন অন্যায় করছি,” তিনি বলেন।

”ওরা কেন আসছে, সেজন্য বাড়িওয়ালা আমার দরজা পিটাইতেছিল। এলাকার লোকজন এসে বাড়িওয়ালাকে ধরেছে।

”আমি তাদের বুঝিয়ে বললাম যে সাবধানতা হিসেবে চেকআপের জন্য আসছে। পরীক্ষা হলে আপনাদের জন্যই ভালো হবে, রহমান বলেন।

এরপর যেদিন করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার খবর পেলেন ওই দিন তিনি অ্যাম্বুলেন্স বাড়ির কাছে আনতে সাহস করেননি। অসুস্থ অবস্থায় হেঁটে গিয়ে দূর থেকে অ্যাম্বুলেন্স উঠেছিলেন।

সেরে ওঠার পর যেদিন গ্রামের বাড়িতে গেছেন চেনা পরিচিত লোকেরাও তার খবর নেননি।

“আমি আসতেছি এটা দেখেই বাড়ির কাছে পুরো রাস্তা খালি হয়ে গেল। আমি যেন ভিন গ্রহের কেউ এরকম মনে হচ্ছিল,” তিনি বলেন।

শাহাদাত হোসেন বলছেন, তার ফ্ল্যাটের লোকজনের কাছ থেকে চরম বৈষম্যের শিকার হয়েছেন তিনি ও তার পরিবার। রীতিমতো একঘরে করে ফেলার অবস্থা।

“মনে হয় যেন অসুস্থ হয়ে আমি বড় কোন পাপ করে ফেলেছি,” তিনি বলেন।

”হাসপাতালে আমার সাথে ছিলেন তাদের একজনকে দেখেছি অসহায়ত্বের কারণে কাঁদছেন। করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে জানার পর তার পরিবারকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়ার হুমকি পেয়েছেন,” বলেন হোসেন।

‘আপনি হাসপাতালের দায়িত্ব নেবেন?’
হাসপাতাল সম্পর্কে যে অভিযোগ করছিলেন সেরে ওঠা এই দু’জন সেনিয়ে কথা বলেছি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিল আহমেদের সাথে।

তিনি বলছেন, “বাইরে থেকে কেউ বুঝবে না যে আমরা কিসের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি।”

চিকিৎসকদের আক্রান্ত হওয়ার তথ্য দিয়ে তিনি বলেন, দেশে এ পর্যন্ত ১৩০ জন চিকিৎসক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। একজন মারাও গেছেন।

“চিকিৎসকেরা কাছে না গেলে তারা আক্রান্ত হলেন কিভাবে?” তিনি প্রশ্ন করেন।

”এখানে সবমিলিয়ে ৬০০ জন স্বাস্থ্যকর্মী। যারা সংসার, ছেলে-মেয়ে রেখে দিনের পর দিন দূরে থাকছেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন।

”তাদের আমরা এন-৯৫ মাস্ক দিতে পারিনি। যিনি চিকিৎসা করবেন তিনি যদি আক্রান্ত হন তাহলে আপনি হাসপাতালের দায়িত্ব নেবেন?” ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ বলেন।

‘এটা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ’
করোনাভাইরাস থেকে নিজেকে রক্ষা করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন উপায় হচ্ছে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা। স্বাস্থ্যকর্মীরা সেটাই করছেন বলে তিনি বলছেন।

হাসপাতালে মরদেহ ওয়ার্ড ফেলে রাখা অভিযোগ তিনি ‘অস্বাভাবিক’ বলে বর্ননা করেন।

”দিনে দু’বার অন্তত ডাক্তারদের রাউন্ড হয়। তিনি কি কাউকে তথ্যটা দিয়েছিলেন?” তিনি প্রশ্ন করেন।

” অসুস্থ অবস্থায় মানুষজন অনেক আবেগপ্রবণ থাকে। করোনাভাইরাসকে হয়ত তারা অন্য রোগের সাথে তুলনা করেছেন। কিন্তু বিষয়টাতো তা নয়,” ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ বলেন।

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় যে অভিজ্ঞতা তাদের হচ্ছে সেটিকে তিনি যুদ্ধের সাথে তুলনা করে বলেন যে, সারা বিশ্ব এটি নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে।

”যেসব দেশে সক্ষম স্বাস্থ্যসেবা রয়েছে তারাও ভেঙে পরছে। এটা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ,” তিনি বলেন।

কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ কারো সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
সূত্র : বিবিসি

বর্ণিতে ৩২ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার,ছাত্রলীগ সভাপতির চাচা আটক।

জামিল আহমদ, স্টাফ রিপোর্টারঃ- বর্ণি ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতির চাচার দোকান থেকে সরকারি ৩২ বস্তা চাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সুমন চন্দ্র দাসের চাচা প্রদীপ চন্দ্র দাস (৪৭) কে আটক করেছে পুলিশ।গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪ টায় বড়লেখা উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নের ফকির বাজারে এই চাল উদ্ধারের ঘটনাটি ঘটে। ছাত্রলীগ সভাপতি সুমনের পিতা ও আটক প্রদীপ চন্দ্র দাসের ভাই সুবোধ চন্দ্র দাস বর্ণি ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ড মেম্বার।

কুলাউড়া-বড়লেখা-জুড়ি সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাদেক কাওসার দস্তগির চাল উদ্ধার ও আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গোপন সূত্রে বড়লেখা ফুড ইন্সপেক্টরের কাছে খবর আসে। তিনি আমাদের জানালে তাৎক্ষনিক উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ওসি ঘটনাস্থলে গিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩২ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার করা হয়। এসময় প্রদীপ চন্দ্র দাসকে আটক করা হয়।

এদিকে বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরান চাল উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সরকারি গুদামের ৩২ বস্তা চাল উদ্ধার করেছি। এগুলো ভিজিডি ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল। ঐই ব্যবসায়ী বলেছেন, এগুলো উপকারভোগীদের কাছ থেকে কিনেছেন। কিন্তু এটা কেনাও অন্যায়। এইগুলো কেউ বিক্রি করতে পারেন না। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হবে। তিনি আরো বলেন করোনাকালীন সময়েও এই রকমের চাল চুরি যাহা নিতান্তই দুঃখজনক।

দুর্নীতি’র সংবাদ প্রচার করায় জামিল হোসেনের উপর হামলা,বড়লেখা প্রেসক্লাবের নিন্দা

জাকির আহমদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ
হাকালুকি হাওরের দখল বাণিজ্যের সংবাদ প্রকাশের জেরে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘মৌলভীবাজার প্রতিদিন’র বড়লেখা উপজেলা প্রতিনিধি ও বড়লেখা প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক জামিল আহমদের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রাতে উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আহত সাংবাদিক জামিল একই ইউনিয়নের পাকশাইল গ্রামের মোঃছফির উদ্দিনের ছেলে। সে মৌলভীবাজার প্রতিদিন ছাড়াও মৌলভীবাজার সমাচার নামক পত্রিকাতেও বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে।

জানা যায়,গত ১৩ মার্চ হাকালুকি হাওরে সংখ্যালঘু ও নিরীহ লোকদের জমি দখল নিয়ে মৌলভীবাজার প্রতিদিনে ‘হাকালুকি হাওরে ক্ষনতাসীনদের দখল বাণিজ্য’ শিরোনামে অনুসন্ধানী একটি প্রতিবেদন লিখেছিলেন জামিল। এ সংবাদ প্রকাশের পর পরই সরকারী দলের নেতাকর্মীরা মোবাইল ফোনে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। তিনি হুমকির প্রতিকারে ১৩ মার্চ সন্ধায় বড়লেখা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) দায়ের করেন। বড়লেখা থানায় সাংবাদিক জামিলের দায়ের করা সে জিডি’র নাম্বার ২৯১। জিডি দায়েরের ২ দিন না পেরুতেই তার উপর ন্যাক্ষারজনক হামলা ঘটনা ঘটলো।

জানা যায়,১৫ মার্চ রাত ১০ টার দিকে সাংবাদিক জামিল আহমদ স্থানীয় ফকির বাজার থেকে তার গ্রামের বাড়ি পাকশাইল ফিরছিলেন। এসময় পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা কয়েকজন মুখোশধারী সন্ত্রাসী জামিলের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তার চিৎকার শুনে পথচারী ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় সাংবাদিক জামিলকে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।

এদিকে প্রেসক্লাবের তরুণ সদস্য,সাংবাদিক জামিল আহমদের উপর ন্যাক্ষারজনক হামলার নিন্দা জানিয়েছে বড়লেখা উপজেলা প্রেসক্লাব। প্রেসক্লাবের সভাপতি অসিত রঞ্জন দাস এবং সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র দাস হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন,’সত্য ও বস্তুনিষ্ট সংবাদ লিখে সমাজকে আলোকিত করাই সাংবাদিকদের কাজ। অন্যায়-অপকর্ম তুলে ধরার কারণে সাংবাদিক জামিল আহমদকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তার উপর হামলাকারীদেরকে গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখী করতে হবে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের গ্রেফতার করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান এই দুই সাংবাদিক নেতা।

দুর্নীতি’র সংবাদ প্রচার করায় জামিল হোসেনের উপর হামলা,বড়লেখা প্রেসক্লাবের নিন্দা

জাকির আহমদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ
হাকালুকি হাওরের দখল বাণিজ্যের সংবাদ প্রকাশের জেরে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘মৌলভীবাজার প্রতিদিন’র বড়লেখা উপজেলা প্রতিনিধি ও বড়লেখা প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক জামিল আহমদের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রাতে উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আহত সাংবাদিক জামিল একই ইউনিয়নের পাকশাইল গ্রামের মোঃছফির উদ্দিনের ছেলে। সে মৌলভীবাজার প্রতিদিন ছাড়াও মৌলভীবাজার সমাচার নামক পত্রিকাতেও বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে।

জানা যায়,গত ১৩ মার্চ হাকালুকি হাওরে সংখ্যালঘু ও নিরীহ লোকদের জমি দখল নিয়ে মৌলভীবাজার প্রতিদিনে ‘হাকালুকি হাওরে ক্ষনতাসীনদের দখল বাণিজ্য’ শিরোনামে অনুসন্ধানী একটি প্রতিবেদন লিখেছিলেন জামিল। এ সংবাদ প্রকাশের পর পরই সরকারী দলের নেতাকর্মীরা মোবাইল ফোনে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। তিনি হুমকির প্রতিকারে ১৩ মার্চ সন্ধায় বড়লেখা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) দায়ের করেন। বড়লেখা থানায় সাংবাদিক জামিলের দায়ের করা সে জিডি’র নাম্বার ২৯১। জিডি দায়েরের ২ দিন না পেরুতেই তার উপর ন্যাক্ষারজনক হামলা ঘটনা ঘটলো।

জানা যায়,১৫ মার্চ রাত ১০ টার দিকে সাংবাদিক জামিল আহমদ স্থানীয় ফকির বাজার থেকে তার গ্রামের বাড়ি পাকশাইল ফিরছিলেন। এসময় পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা কয়েকজন মুখোশধারী সন্ত্রাসী জামিলের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তার চিৎকার শুনে পথচারী ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় সাংবাদিক জামিলকে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।

এদিকে প্রেসক্লাবের তরুণ সদস্য,সাংবাদিক জামিল আহমদের উপর ন্যাক্ষারজনক হামলার নিন্দা জানিয়েছে বড়লেখা উপজেলা প্রেসক্লাব। প্রেসক্লাবের সভাপতি অসিত রঞ্জন দাস এবং সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র দাস হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন,’সত্য ও বস্তুনিষ্ট সংবাদ লিখে সমাজকে আলোকিত করাই সাংবাদিকদের কাজ। অন্যায়-অপকর্ম তুলে ধরার কারণে সাংবাদিক জামিল আহমদকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তার উপর হামলাকারীদেরকে গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখী করতে হবে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের গ্রেফতার করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান এই দুই সাংবাদিক নেতা।