বড়লেখায় বাল্যবিবাহ ও শিশু অধিকার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত।

আব্দুল্লাহ আল মাহিন, বড়লেখা ,মৌলভীবাজার।

সারাদেশে বাল্যবিবাহ বন্ধ করে শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছে অ্যান্টি চাইল্ড ম্যারেজ অর্গানাইজেশন। এলাকারসমাজসেবী সংগঠন সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহযোগিতায় এবং উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায়বড়লেখা উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাল্যবিবাহ ও শিশু অধিকার বিষয়ক সেমিনারের মাধ্যমে শিশু কিশোরদেরবাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে রোখে দাড়াতে এবং  শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। তারই অংশস্বরুপসোমবার ১৩ মার্চ উপজেলার বিভাগীয় পর্যায়ে  শ্রেষ্ঠ  প্রতিষ্ঠান ইটাউরী মহিলা আলিম মাদ্রাসায় বাল্যবিবাহ ও শিশুঅধিকার বিষয়ক কর্মশালার উদ্ভোদনী অনুষ্ঠান হয়েছে।

এন্টি চাইল্ড মেরিজ অর্গানাইজেশনের সহকারী পরিচালক শফিউর রহমান শুভর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের উদ্ভোদন করেনসংগঠনের পরিচালক এবং শিশু নোবেল ২০২২ এর মনোনীত  রেদওয়ান আহমদ। আব্দুল আহাদ খানের সভাপতিত্বেপ্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসাইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেনইটাউরী হাজী ইউনুছ মিয়া মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এনাম উদ্দিন, দৌলতপুর সিনিয়র আলীম মাদ্রাসারপ্রিন্সিপাল মিসবাহ উদ্দিন।

এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেহেদি রাসেল ফাউন্ডেশন এর পরিচালক ফরিদুল ইসলাম জাবরুল,নির্বাহী পরিচালকআব্দুল হাকিমসহ আরো অনেক সদস্য, মাদ্রাসার শিক্ষক এবং অভিভাবকরা। সভা পরিচালনা করেন অ্যান্টি চাইল্ডম্যারেজ অর্গানাইজেশনের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মাহিন, রাফায়াত আহনাফ, জহুরুল ইসলাম।

সভার উদ্ভোদনী বক্তব্যে সংগঠনের পরিচলাক  রেদওয়ান আহমদ সকল শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন ,আমরা শিশুআমাদের অধিকার আমাদের নিজেদের প্রতিষ্টা করতে হবে। আমাদের সবাইকে একজোট হয়ে আমাদের আধিকার প্রতিষ্ঠা ওবাল্যবিবাহ বন্ধ করতে হবে।  যাতে আমরা একটি সুন্দর সমাজ তথা দেশ গঠন করতে পারি। 

এছাড়া সেমিনারের প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসাইন  শিক্ষার্থীদেরকে বলেন , তোমাদের আশেপাশে যদি কোনো বাল্যবিবাহের সংবাদ শুনো তাহলে তৎক্ষনাৎ “৩৩৩” অথবা “১০৯” এ কল দিয়ে আমাদের জানাবেআমরা তৎক্ষনাৎ এই বিবাহের বিরুদ্ধে ব্যবস্তা গ্রহণ করবো।

তাছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বাল্যবিবাহের খারাপ দিক এবং কিভাবে বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে হয় এই বিষয়েছাত্রছাত্রীদের ধারণা প্রদান করেন।

বক্তারা শিশুদের কিভাবে নিজেদের অধিকার আদায় করতে হবে এবং জীবনে সফল হতে হবে এই বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণমতামত প্রদান করেন।

বড়লেখায় জাগরণীর পক্ষ থেকে এসএসসি/দাখিল উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান।

শাহরিয়ার শাকিল
বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

স্বপ্ন সাহস নিয়ে আগামীর পথ চলো, জ্ঞানের আলোয় গড়বে জগৎ উচ্চ কন্ঠে বলো। জ্ঞানের আলোয় খুঁজি স্বপ্নের দ্বার, আগামীর দিন শুধু সম্ভাবনার,এই প্রতিপ্রাদ্যকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার সুপরিচিত সামাজিক সংগঠন জাগরণী ইসলামী তরুণ সংঘের পক্ষ থেকে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরো এস এস সি / দাখিল উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের কে সংর্বধনা প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ১১ ঘটিকার সময় সৈয়দা মোকাম মাদ্রাসার হলরুমে সংগঠনের সভাপতি এম কলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াব রায়হানের পরিচালনায় পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ব্যাংক কর্মকর্তা মোঃ শাহেদ আহমদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রাফাত আহমদ, জাগরণী ইসলামী তরুণ সংঘের উপদেষ্টা মাওলানা কবির হোসাইন, আব্দুল হামিদ তাজুল, আব্দুল লতিফ, তাহের আহমেদ, জুনেদ আহমেদ। কিশোরকন্ঠ পাঠক ফোরাম এর বড়লেখা উপজেলা সভাপতি তুফাজ্জল হোসাইন।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জাগরণী ইসলামী তরুণ সংঘের সহ-সভাপতি সাংবাদিক শাহরিয়ার শাকিল, অর্থ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ছাদিকুর রহমান প্রমুখ।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাগরণীর দপ্তর সম্পাদক রাহাত আহমেদ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আলী আব্বাস, প্রকাশনা সম্পাদক তায়েফ আহমেদ সহ উপস্থিত ছিলেন জাগরণীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দু।

অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দুগন সংগঠনের ভুয়সী প্রশংসা করে বলেন,শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড, শিক্ষাই জাতির অগ্রগতি, তাই সমাজের সকল তরুণদের কাছে শিক্ষার আলো পৌঁছিয়ে দিয়ে সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। পড়ালেখার পাশাপাশি নৈতিকতা ও মূল্যবোধ সৃষ্টি করতে হবে। পিতা মাতার প্রতি বেশি যত্নশীল হতে হবে, পড়াশোনার পাশাপাশি সামাজিক কাজে এগিয়ে আসতে হবে। কবির ভাষায় একটি কথা বলেন,
থেমে নাকো পথে কভু,
হও মহান মহীয়ান,
মানুষ কে ভালোবেসে হদয়কে করো দান।
পরিশেষে সকল শিক্ষার্থীদের সার্বঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করে অনুষ্ঠানে সমাপ্তি করা হয়েছে।

“আলোকিত ফাউন্ডেশন সোনাতুলা”র উদ্যোগে এসএসসি উত্তীর্ণদের কৃতি সংবর্ধনা প্রদান।

নিজস্ব সংবাদঃ আলোকিত ফাউন্ডেশন সোনাতুলা’র উদ্যোগে সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয় হলরুমে এস এস সি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের কৃতি সংবর্ধনা ২০২২ অনুষ্টিত।

উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবক।

নারীশিক্ষা একাডেমি ড্রিগ্রী কলেজের প্রিন্সিপাল ও সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষানুরাগী সদস্য জনাব এ কে এম হেলাল উদ্দিন সাহেব এর সভাপতিত্বে ও সাবেক ইউপি সদস্য ফয়ছল আলম স্বপন এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ০৬ নং বড়লেখা সদর ইউপি চেয়ারম্যান জনাব ছালেহ আহমদ জুয়েল , বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব সায়ফুর রহমান, ডাইরেক্টর সিটি ক্লিনিক বড়লেখা।

শিক্ষার্থীর হাতে ক্রেস্ট তুলে দিচ্ছেন অতিথিবৃন্দ।

উপস্থিত ছিলেন আলোকিত ফাউন্ডেশন সোনাতুলার উপদেষ্টা সাবেক ইউপি সদস্য জনাব মুতিউর রহমান, জনাব হাজী আতাউর রহমান, জনাব হাজী ইসরাইল আলী,জনাব আব্দুস সত্তার, জনাব আব্দুর রাজ্জাক, জনাব আব্দুল হাফিজ, উপদেষ্টা ও বড়ময়দান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব ডাঃ সজল সরকার, জনাব ডাঃ রিংকু চক্রবর্তী,উপদেষ্টা ও সোনাতুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মাষ্টার জামিল আহমদ,জনাব নিবারন সরকার, জনাব শামলাল বিশ্বাস,সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি জনাব আব্দুর রাজ্জাক, সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আব্দুল লতিফ, শিক্ষক শিক্ষিকা বৃন্দ
উপস্থিত ছিলেন আলোকিত ফাউন্ডেশন এর সদস্য জনাব জাহেদ আহমদ, প্রবাসী দাতা সদস্য আলা উদ্দিন, শামছুল ইসলাম, সদস্য জনাব শাকিল আহমদ, জনাব আব্দুল কুদ্দুস, জনাব আশরাফুল ইসলাম, জনব জেবুল আহমদ, জনাব জুনেদ আহমদ, জনাব আব্দুস সামাদ, জনাব কামাল হোসেন, জনাব আব্দুল্লাহ আহমদ, জনাব কাওসার হোসেন,জনাব জাবেদ আহমদ, মুন্না আহমদ, মুন্না হোসেন, উজ্জল সরকার, সাগর সরকার, সৌরব সরকার,জাকারিয়া আহমদ আবিদ, মারজান আহমদ, এমরান হোসেন, সুলতান আহমদ প্রমুখ

বড়লেখায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে নিসচার বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও সমাবেশ।

বড়লেখা প্রতিনিধিঃ “আইন মেনে সড়কে চলি, নিরাপদে ঘরে ফিরি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২২ উপলক্ষে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) বড়লেখা উপজেলা শাখার উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১১ ঘটিকায় বড়লেখা পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক পদক্ষিন করে উপজেলা পরিষদ চত্তরে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে র‍্যালী শেষ হয়।

জাতীয় সামাজিক সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই নিসচা’র কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সদস্য ও বড়লেখা উপজেলা শাখার সভাপতি তাহমীদ ইশাদ রিপনের তত্বাবধানে এবং সাধারণ সম্পাদক আইনুল ইসলামের পরিচালনায় র‍্যালী ও সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বিবেকানন্দ দাস নান্টু, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহীদ-উল ইসলাম প্রিন্স, ডিএসপি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, নিসচার উপদেষ্টা ইকবাল হোসাইন, পৃষ্টপোষক তপন চৌধুরী, মোহাম্মদ তারেক হাসনাত, সহ-সভাপতি মার্জানুল ইসলাম, আব্দুল আজিজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম শিরুল, নোমান উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাস্টার খালেদ আহমদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, প্রকাশনা সম্পাদক মারুফ হোসাইন সুমন, প্রচার সম্পাদক নূরে আলম মোহন, দুর্ঘটনা অনুসন্ধান বিষয়ক সম্পাদক রমা কান্ত দাস, দপ্তর সম্পাদক রাসেল আহমদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অপুজিত দাস, একতা রক্তদান সংস্থা’র উপদেষ্টা ব্যবসায়ী জমির উদ্দিন, পাবলিকেশন সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক রুবেল হোসাইন, মানবসেবা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম শুভ।

এছাড়াও নিসচার কার্যনির্বাহী সদস্য সাব্বির আহমদ, হাফিজুর রহমান জিল্লুর, এনাম উদ্দিন, সাধারণ সদস্য গণেশ কর, অজিত রবি দাস, জুনেদ আহমদ, কবির আহমদ, আব্দুল হামিদ, মাহমুদ আলম তুহিন, সাইফুর রহমান মুন্নাসহ আরোও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সকল পর্যায়ের জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, আজ ২২ শে অক্টোবর যার মৃত্যুর মাধ্যমে এদেশে নিরাপদ সড়ক চাই নামে সামাজিক আন্দোলনের সূচনা নিসচার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের সহধর্মিণী জাহানার কাঞ্চন। তিনি সড়কে প্রাণ বিসর্জন দিয়ে আমাদের শিখিয়ে দিয়ে গেছেন যে, ‘সড়ক দুর্ঘটনা’ নিছক নিয়তি নয়। এটা মানবসৃষ্ট একটি ব্যাধি। এই ব্যাধি থেকে পরিত্রাণ পাবার জন্যই ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ নামে একটি সামাজিক আন্দোলনের জন্ম হয়েছে। পরবর্তীতে সাড়া দেশের মানুষের প্রাণের দাবীতে পরিণত হয়েছে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’। তাই সর্বোস্তরের জনগণের দাবীকে আমলে নিয়ে, বাংলাদেশ সরকার, জাহানারা কাঞ্চনের মৃত্যু দিন- ২২ শে অক্টোবর’কে ‘জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস’ হিসেবে ঘোষনা দিয়েছে কয়েক বছর আগেই।

জাতীয় সামাজিক সংগঠন নিসচার কার্যক্রম কারো বিরুদ্ধে নয়, এটা সামাজিক সংগঠন। সমাজের সকলকে নিয়ে নিসচা আন্দোলন করে যাচ্ছে। সকলের সহযোগিতা নিয়েই বাংলাদেশকে সড়ক দুর্ঘটনামুক্ত রাখতে নিসচা কর্মীরা অঙ্গীকারবন্ধ। এসময় তাঁরা সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর বিধিমালা বাস্তবায়নের জোর দাবী জানান।

তারা আরোও বলেন, নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখা সড়ক দুর্ঘটনারোধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক-মানবিক, স্বেচ্ছাসেবী, ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক অঙ্গণেও নিসচার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, এদিকে বেলা ১২ ঘটিকায় উপজেলা প্রশাসন ও নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখার যৌথ উদ্যোগে উপজেলা পরিষদের হলরুমে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাহাঙ্গীর হোসাইনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা সোয়েব আহমদ।

বড়লেখায় কোলের শিশুকে হত্যার অভিযোগে বাবা আটক

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখায় আল-আমিন নামে দুইমাস বয়সী শিশুপুত্রকে হত্যার অভিযোগে আব্দুল মতিন (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার বিকেলে তিনটার দিকে তাকে আটক করা হয়। তিনি উপজেলার পূর্ব-দোয়ালিয়া (রামকটার টিলা) গ্রামের নিমার আলীর ছেলে। পুলিশ নিহত শিশুর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।

থানা পুলিশ, নিহত শিশুর মা লাবনী আক্তার ও মামা জাবেদ আহমদের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মতিন (৩২) ঘরে স্ত্রী রেখে একাধিক বিয়ে করেছে। এর জের ধরে লাবনী আক্তার ও তার স্বামী আব্দুল মতিনের দাম্পত্য কলহ চলছিল। রোববার বিকেলে আব্দুল মতিন ও স্ত্রী লাবনী আক্তারের মধ্যে ঝগড়া-ঝাটি চলছিল। আব্দুল মতিন স্ত্রীকে মারধরের একপর্যায়ে ৭০ দিনের শিশুপুত্রের উপরও আঘাত পড়ে। সন্ধ্যায় শিশুপুত্রসহ লাবনীকে বাবার বাড়ির লোকজন তাদের বাড়িতে নিয়ে যান। সোমবার সকালে শিশুপুত্রের শরীর খারাপ করলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

বড়লেখায় যুবক খুনের ঘটনায় সাংবাদিক সহ ৯ জনের নামে মামলা। আটক ২

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বড়লেখা উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নের পাকশাইল গ্রামের কামরুল হোসেন এনাম খুনের ঘটনায় সাংবাদিক সহ ৯ জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ২১ আগস্ট নিহত এনামের বাবা বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার ২ জন আসামীকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়,
গত ২০ আগস্ট সকালে হাকালুকি হাওরের মালাম বিল থেকে পাকশাইল গ্রামের কামরুল হোসেন এনাম নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত কামরুল হোসেন এনাম পাকশাইল গ্রামের দিনমজুর সিরাজ উদ্দিনের পুত্র। সে ‘পাকশাইল গ্রেট ভিশন এসোসিয়েশন’ নামক স্থানীয় একটি সামাজিক সংগঠনের সহ সভাপতি ছিল। ১৯ আগস্ট রাতে কে বা কারা তাকে হত্যা করে লাশ পাকশাইল গ্রাম ঘেষা হাকালুকি হাওরের মালাম বিলে ফেলে রাখে। ২০ আগস্ট সকালে স্থানীয়রা বিলে লাশ দেখতে পেয়ে থানা পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ এসে এনামের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। ময়না তদন্ত শেষে ঐইদিন রাত সাড়ে ৮ টায় এনামকে পাকশাইল গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হয়। তার জানাযার নামাজে বর্ণি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনাম উদ্দিন,উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক অধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিন,ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জুবের আহমদ সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশ নেন।

স্থানীয়দের সাথে আলাপ করে জানা যায়,তরুণ একজন সমাজকর্মীর এমন নির্মম মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না তারা। পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সবাই এই হত্যাকান্ডের সুষ্ট বিচার দাবী করছেন। কিন্তু,কে বা কারা এনামকে হত্যা করেছে সে বিষয়ে কেউ সঠিক তথ্য দিতে পারছেন না।

তবে কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার মতে,হাকালুকি হাওরের মালাম বিলের গাছ নিধনকারীদের শাস্তির দাবী সহ বিভিন্ন দাবীতে বেশ কিছুদিন থেকে খুবই সক্রিয় দেখা গেছে কামরুল হোসেন এনামকে। তার এসব ভূমিকার কারণে প্রভাবশালী একটি মহল ক্ষুব্ধ ছিল। সংক্ষুব্ধ এরকম কোনো পক্ষ হয়ত পরিকল্পিতভাবে এনামকে হত্যা করেছে। তবে স্থানীদের এ ধারণার সাথে ভিন্নমত পোষণ করেন নিহত এনামের বাবা সিরাজ উদ্দিন। তার অভিযোগের তীর ছেলের সহকর্মীদের দিকে।

সিরাজ উদ্দিনের মতে,তার ছেলে কামরুল হোসেন এনাম ছিল ‘পাকশাইল গ্রেট ভিশন এসোসিয়েশন’র সক্রিয় এবং সম্ভাবনাময় নেতৃত্ব৷ সে ছিল প্রতিবাদী। সে সংস্থার সভাপতি,সহ সভাপতি,সেক্রেটারী এবং অর্থ সম্পাদকের অনিয়ম এবং স্বেচ্ছাচারিতার প্রতিবাদ করত। তাছাড়া আগামী কাউন্সিলে সে এসোসিয়েশনের সভাপতি পদে প্রার্থী হয়ে বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। এসব কারণে সংস্থার কয়েকজন প্রভাবশালী সদস্যের সাথে কিছুদিন থেকে তার মনোমালিন্য চলছিল। এরই জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তাই,সিরাজ উদ্দিন ২১ আগস্ট বড়লেখা থানায় গিয়ে এই সংস্থার ৯ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ মামলার অন্যতম ২ আসামী সাইফুল হোসেন পাভেল (২৬) এবং মাছুম আহমদ (২৪) কে ইতিমধ্যে আটক করেছে। আটক সাইফুল হোসেন পাভেল এসোসিয়েশনের অর্থ সম্পাদক এবং একই এলাকার মৃত আজির উদ্দিনের ছেলে। আর মাছুম আহমদ বর্ণি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি,পাকশাইল গ্রামের বাসিন্দা মোঃছফির উদ্দিনের ছেলে। মাছুমের বড় ভাই বড়লেখা প্রেসক্লাবের সদস্য জামিল আহমদ। তাকেও এ মামলায় আসামী করা হয়েছে।

এজাহার সূত্রানুযায়ী,মামলার ৯ আসামী হলেন এসোসিয়েশনের সহ সভাপতি সাংবাদিক জামিল আহমদ,সভাপতি এইচ.এম ফয়সল,সিনিয়র সহ সভাপতি শাহীদুল হক,ইমন আহমদ,সেক্রেটারি জাহাঙ্গির আলম,মাছুম আহমদ,সাংগঠনিক সম্পাদক কবির আহমদ,অর্থ সম্পাদক সাইফুল হোসেন পাভেল ও প্রচার সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ। তাদের সকলের গ্রামের বাড়ী পাকশাইল এবং তারা নিহত কামরুল হোসেন এনামের সহকর্মী।

সার্বিক বিষয় জানতে যোগাযোগ করা হলে বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গির হোসেন সরদার জানান,নিহতের পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। ২ জন আসামীকে আটক করা হয়েছে। হত্যা রহস্য উদঘাটনের স্বার্থে গ্রেফতারকৃত দু’জনের রিমান্ড আবেদন করা হবে। অন্যান্য আসামীদেরকেও গ্রেফতারের অভিযান চলছে। কাউকে ছাড় নয়,দোষীদেরকে অবশ্যই আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

এদিকে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত প্রকৃত দোষীদেরকে আড়াল করতেই নিহত এনামের সহকর্মীদের নামে মামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ আসামীদের স্বজনদের। তাদের দাবী,পুলিশ সুষ্ট ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এনামের হত্যাকান্ডে জড়িতদের বের করুক। সঠিক তদন্ত ছাড়া মামলার উপর ভিত্তি করে নিরীহ-নিরপরাধ যুবকদেরকে গ্রেফতার,হয়রানী করলে প্রকৃত হত্যাকারীরা আড়ালে থেকে যেতে পারে।

৫ জনকে অভিযুক্ত করে ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর হত্যা মামলার চার্জশীট দাখিল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সাংবাদিক সহ ৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে সিলেট পলিটেকনিক কলেজ ছাত্রলীগ কর্মী,বড়লেখা উপজেলার বর্ণী ইউনিয়নের আহমদপুর গ্রামের সাইফুর হত্যা মামলার চুড়ান্ত প্রতিবেদন (চার্জশীট) দাখিল করেছে পুলিশ। আজ (২৭ জুলাই) সকালে মৌলভীবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আলোচিত এ মামলার চার্জশীট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আতাউর রহমান।

আদালত এবং পুলিশ সূত্র জানায়,বড়লেখা প্রেসক্লাবের সদস্য,বর্ণি ইউনিয়নের পাকশাইল গ্রামের মোঃ ছফির উদ্দিনের ছেলে জামিল আহমদ,আহমদপুর গ্রামের আনছার আলীর ছেলে বাবলু হোসেন,জবলু হোসেন,কামাল হোসেন, এবং একই গ্রামের মৃত মস্তাব আলীর ছেলে জয়নাল উদ্দিন’কে চার্জশীটে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত ৫ জনের মধ্যে জামিল ছাড়া বাকী ৪ জন বর্তমানে কারাগারে আছেন।

উল্লেখ্য,গত বছরের ৩১ জুলাই বর্ণি ইউনিয়নের আহমদপুর গ্রামের আব্দুল আহাদের ছেলে,সিলেট পলিটেকনিক কলেজের ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমানের রহস্যজনক মৃত্যু হয়। বিকাল ৪ টার দিকে নিজ বাড়ির কক্ষ থেকে পুলিশ তার নিথর দেহ উদ্ধার করেছিল। লাশ পাঠানো হয় মর্গে। ময়নাতদন্ত শেষে পারিবারিক কবরস্থানে সাইফুরকে দাফন করা হয়। রহস্যজনক এ মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে পুলিশকে অপেক্ষা করতে হয় প্রায় ৩ মাস। ২০২০ সালের ২৬ অক্টোবর হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পৌঁছায় বড়লেখা পুলিশের হাতে। প্রতিবেদনে সাইফুরকে শ্বাসরোধে হত্যা করার বিষয়টি বলা হয়। তখন নিহত সাইফুর রহমানের ছোট ভাই এমদাদুর রহমান বাদী হয়ে আসামী অজ্ঞাতনামা রেখে একটি মামলা দায়ের করেন। ঐ দিন সন্ধ্যায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন আসামী হিসেবে আহমদপুর গ্রামের আনছার আলীর ৩ ছেলে বাবলু,জবলু এবং কামাল হোসেনকে আটক করে। গ্রেফতারকৃত এই ৩ জনের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে চলতি বছরের ৭ জানুয়ারী জয়নাল উদ্দিন নামে আরেক সন্দেহভাজন আসামীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। দীর্ঘ তদন্ত শেষে আজ কারাগারে থাকা ৪ জনের সাথে একই ইউনিয়নের বাসিন্দা সাংবাদিক জামিলকে যুক্ত করে আলোচিত এ মামলার চার্জশীট দিল পুলিশ।

নিসচা বড়লেখা শাখার ৩৯ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন

নিজস্ব সংবাদঃ

নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) এর বড়লেখা উপজেলা শাখার ৩৯ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে।

রবিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সামাজিক সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই নিসচা’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন, মহাসচিব সৈয়দ এহসানুল হক কামাল ২০২১- ২২ সালের জন্য নবগঠিত এই কমিটির অনুমোদন দেন। তাহমীদ ইশাদ রিপন কে সভাপতি ও আইনুল ইসলাম কে সাধারণ সম্পাদক করে উক্ত কমিটি অনুমোদন করা হয়।

অনুমোদনের কপি নিসচা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিসচা উপজেলার শাখার সভাপতি তাহমীদ ইশাদ রিপন, সহ সভাপতি মার্জানুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আইনুল ইসলামের হাতে তুলে দেন নিসচা কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নিসচা কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব সৈয়দ এহসানুল হক কামাল,কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক আসাদুর রহমান আসাদ, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম আজাদ হোসাইন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মিরাজুল মঈন জয় সহ প্রমূখ।

কমিটিতে স্থানপ্রাপ্তরা হলেন, সহ সভাপতি মার্জানুল ইসলাম ,আব্দুর রহমান ,আব্দুল আজিজ , সহ সাধারণ সম্পাদক নোমান উদ্দিন, সিরাজুল ইসলাম শিরুল,আমান হাসান, অর্থ সম্পাদক মাওলানা মাছুম আহমদ , সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ আহমদ ,দুর্ঘটনা অনুসন্ধান ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক রমা কান্ত দাস, অফিস সম্পাদক রাসেল আহমদ, প্রচার সম্পাদক নুরে আলম মোহন ,প্রকাশনা সম্পাদক মারুফ হোসাইন , আইন বিষয়ক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া , সমাজ কল্যাণ ও ক্রীড়া সম্পাদক কামরুল ইসলাম ,সাংস্কৃতিক সম্পাদক অপুজিত দাস, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক জাহানারা বেগম , যুব বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ বদরুল ইসলাম , কার্যকরী সদস্য কেফায়েত উল্লাহ, রাকিবুল হাসান, রোকসানা বেগম, রেদওয়ান আহমদ, সাব্বির আহমদ, হাফিজুর রহমান, মোঃ আছাদ উদ্দিন, ছারওয়ার আলম, ওলিউর রহমান, মোঃ দেলোয়ার, সুমন বৈদ্য, নিরঞ্জন দেবনাথ নিলু, মোঃ ছায়েদ হোসেন, রহিমা বেগম, জাহেদ আহমদ, এমদাদুল ইসলাম, রাসেল আহমদ মাছুম, আব্দুল মুমিন, আবু বকর৷

উল্লেখ্যঃ নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) বড়লেখা উপজেলা শাখার ২০২০ -২১ সালের আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করে ২০২১-২২ ও ২৩ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩৯ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিটি, ১১ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা কমিটি ও ১৫ সদস্য বিশিষ্ট পৃষ্ঠপোষক কমিটির পূর্ণাঙ্গ অনুমোদন প্রদান করা হয়।

গলাব্যথার রোগীকে ‘ক্যান্সার’ আক্রান্ত বলে বড়লেখার চিকিৎসকের প্রতারণা!

মায়ের প্রচন্ড গলাব্যাথা। কোথায় মায়ের চিকিৎসা করাবেন এ নিয়ে চিন্তায় পড়েন যান বিয়ানীবাজার উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের রেজাউল করিম রাজু। বিভিন্ন মাধ্যমে বড়লেখা উপজেলার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক সঞ্জয় কান্তি শীল সঞ্জুর নামডাক শুনে তার কাছে যান। হোমিও চিকিৎসক সঞ্জু তাৎক্ষণিক রোগীকে দেখে জানান ‘ক্যান্সার’ হয়েছে। তিনি তা ভালো করতে পারবেন।ঘটনাটি গত বছরের ২ ডিসেম্বর। এরপর কয়েক দফায় ‘ক্যান্সার’ ভালো করার নামে ওই নারীর ছেলের থেকে ওষুধ দিয়ে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। কিন্তু ভালো হওয়া তো দূরের কথা দিন দিন রোগীর অবস্থা অবনতির দিকে। বিষয়টি নিয়ে ওই হোমিও চিকিৎসকের কাছে কথা বলতে গিয়ে দুর্ব্যবহারের শিকার হন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী রেজাউল করিম রাজুর।এ অবস্থায় প্রতিকার চেয়ে গত ৩১ জানুয়ারি বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদীপ বিশ্বাসের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগি দেন রোগীর ছেলে রেজাউল করিম রাজু। গত বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্মদীপ বিশ্বাসের গঠিত তদন্তদল অভিযোগটির তদন্ত করছেন।জানা গেছে, উপজেলার পানিধার এলাকায় নিজ বাড়িতে ঝর্নাময়ী হোমিও হল নামক ফার্মেসিতে চেম্বার খুলে দীর্ঘদিন বিভিন্ন অসুখের চিকিৎসা করছেন সঞ্জয় কান্তি শীল সঞ্জু। নামের সাথে হোমিওপ্যাথির নানা ডিগ্রি সংযুক্ত থাকলেও ব্যবস্থাপত্রে তিনি হোমিও ছাড়াও অ্যালোপ্যাথির উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক, আয়ুর্বেদিক, কবিরাজিসহ সবধরনের ওষুধ লেখেন। ক্যান্সারসহ কঠিন অসুখ ভালো করার নানা ধরনের প্রচারপত্র বিলি করে তিনি সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকৃষ্ট করে চিকিৎসার নামে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছেন বলে মানুষের অভিযোগ দীর্ঘদিনের।অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন মাধ্যমে হোমিও চিকিৎসক সঞ্জয় কান্তি শীল সঞ্জুর নামডাক শুনে পার্শ্ববর্তী বিয়ানীবাজার উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের রেজাউল করিম রাজু গত ২ ডিসেম্বর গলাব্যথায় আক্রান্ত অসুস্থ মা ছায়ারুন নেছাকে তার নিকট নিয়ে যান। সঞ্জু পরীক্ষা করে জানায়, ক্যান্সার হয়েছে এবং সে চিকিৎসা দিয়ে ভালো করতে পারবে। কয়েক দফা ওষুধ দিয়ে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। তার ওষুধে ওই নারীর শারীরিক অবস্থার ক্রমশ অবনতি ঘটতে থাকে। গত ২৬ জানুয়ারি রেজাউল করিম রেজা চিকিৎসকের চেম্বারে মায়ের শারীরিক অবস্থা জানাতে গেলে তিনি অকথ্য ভাষায় গালাগালা করে চেম্বার থেকে বের করে দেয়।রেজাউল করিম রেজা জানান, বিভিন্ন জনের মাধ্যমে তার সুনাম শুনে অসুস্থ মাকে চিকিৎসা করতে নিয়ে যান। ক্যান্সার হয়েছে জানিয়ে চিকিৎসার নামে সে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। তার ওষুধে মায়ের ক্রমশ অবনতি ঘটে। সর্বশেষ জানাতে গেলে মারাত্মক দুর্ব্যবহার করে চেম্বার থেকে বের করে দেয়। তার প্রতারণা ও অপচিকিৎসায় আমার মা এখন মৃত্যুমুখে। এখন বুঝতে পারছি তার চিকিৎসার সুনাম করা লোকগুলো তারই নিয়োজিত দালাল। অবশেষে তার অপচিকিৎসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।হোমিও চিকিৎসক সঞ্জয় কান্তি শীল সঞ্জু জানান, ওই রোগীর ছেলের সাথে ওষুধ কেনা নিয়ে একটু ঝামেলা হয়েছে। তিনি কোনো দুর্ব্যবহার করেননি।‘‘তবে ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসা করানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বক্তব্য না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান।’’বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদীপ বিশ্বাস বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বলেন, ‘অভিযোগটি তদন্তের জন্য হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. রামেন্দ্র সিংহকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছিলাম। বুধবার সকালে কমিটি তদন্ত সম্পন্ন করেছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

সুত্রঃ সিলেটটুডে

দেশে কোন গৃহহীন থাকবে না-আলহাজ্ব মোঃ শাহাব উদ্দিন


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশে কোনো মানুষই আর গৃহহীন থাকবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের গৃহহীনদের জন্য গৃহের ব্যবস্থা করছে।

রোববার মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের দুর্যোগ সহনীয় গৃহনির্মাণ প্রকল্পের আওতায় মৌলভীবাজারের বড়লেখায় নির্মাণাধীন ৫০টি পাকাঘর পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা জানান।

পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসজনিত মহামারিকালে সমগ্র বিশ্ব বিপর্যস্ত হলেও বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রম থেমে থাকেনি। এ সময় পরিবেশমন্ত্রী অসহায়, ভূমিহীন ও গৃহহীনদের পাশে সমাজের বিত্তবান মানুষদের দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

গৃহ নির্মাণকাজ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজারের ডিসি নাহিদ আহসান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সোয়েব আহমদ, বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. উবায়েদ উল্লাহ খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশন শীত বস্ত্র বিতরণ।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

হাজারো দুঃসংবাদের ভীড়ে একটি ভাল খবর। করোনা মহামারীতে দেশে যখন টালমাটাল অবস্থা, দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষজন যখন কাজ হারিয়ে দিশেহারা তখন তাদের পাশে আলোকবর্তিকা হয়ে পাশে দাড়িয়েছে মানবতার সংগঠন সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশন। করোনার শুরু থেকে আর্থিক সহায়তা, খাদ্যদ্রব্য ও জরুরী ঔষধ সরবরাহের পাশাপাশি নানাবিদ সাহায্য নিয়ে সব সময় মানুষের পাশে থেকেছে মৌলভীবাজার বড়লেখার সংগঠন অন্যতম জনপ্রিয় সংগঠন সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশন।

দেশে ধীরে ধীরে শীত জেকে বসতে শুরু করেছে, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে। কনকনে শীত আর শৈত্যপ্রবাহে দরিদ্ররা চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছেন। ঠিক এই সময়েই শীতার্ত অসহায় ও দুস্থ মানুষদের উষ্ণতা দিতে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে পাশে দাড়িয়েছেন কানাডা প্রবাসী সৈয়দ মেহেদী রাসেল। তার প্রতিষ্ঠিত ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আজ ইটাউরী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে শতাধিক দরিদ্র্য শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এছাড়াও পরবর্তী আরো বিভিন্ন ধাপে কম্বল, বাচ্চা ও বৃদ্ধদের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে।

ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবী কর্মীরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে শতাধিক সহায়হীনদেরকে কম্বল বিতরণ করেন। এছাড়া যারা আসতে পারেননি ও বয়স্কদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে কম্বল পৌছে দেন ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবী কর্মীরা।

ফাউন্ডেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম জাবরুলের সঞ্চালনায় এবং সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জাকারিয়ার সভাপতিত্বে নিজ বাহাদুরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ময়নুল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শীতার্ত মানুষের হাতে কম্বল তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নিজবাহাদুর পুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুস শুকুর, সাধারন সম্পাদক খায়রুল আলম, ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা সৈয়দ আব্দুল রহিম উনু, ইটাউরী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ওয়াহিদুল হক এপলু, উপজেলা যুবলীগের সদস্য সৈয়দ জিল্লুর রহমান, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আব্দুল করিম, সাধারন সম্পাদক বদরুল আলম উজ্জল, ইউপি সদস্য সাজু আহমদ।

আরো উপস্থিত ছিলেন, সৈয়দ সাইদুল রহমান সাহেল, আব্দুল জলিল ছটন, ফয়জুল রহমান বেলাই, আব্দুল হামিদ, মৌও: নুর উদ্দিন, সুমন আহমদ, নাজিম উদ্দিন প্রমূখ।

ফাউন্ডেশনের চেযারপারসন সৈয়দ মেহেদী রাসেল বলেন, সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করছি। দেশে এখন তীব্র শীত, এই সময়ে দুস্থ শীতার্তদের পাশে আমাদের সকলের পাশে থাকা উচিত। আমরা প্রথম ধাপে শতাধিক কম্বল বিতরণ করেছি, শীঘ্রই আমরা আরো কম্বল এবং শীতবস্ত্র করবো। মানুষের পাশে থাকার এই প্রয়াসে আপনাদের সকলের সহযোগীতা চাই।

সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ আব্দুল হাকিম, মাওঃ ক্বারী আব্দুস সামাদ, সৈয়দ শাকারিয়া, সৈয়দ এমরানুল হক, সৈয়দ আব্দুল বারী প্রমূখ।

বড়লেখার পরগনাহী দৌলতপুর সিঃ আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক আলাউদ্দিন খাঁন সংবর্ধিত


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

মৌলভী বাজারের বড়লেখা উপজেলার পরগনাহী দৌলতপুর সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার সহকারী জুনিয়র শিক্ষক মোঃ আলাউদ্দিন খাঁনের দীর্ঘ ৩১ বছরের শিক্ষকতা জীবনের অবসর জনিত ভার্চুয়াল বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্টিত হয়।

গতকাল (২৫ শে নভেম্বর) শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮ থেকে ১০.৩০মিনিট পর্যন্ত
লন্ডন থেকে প্রাক্তন ছাত্র আবু নোমান ও মাদ্রাসার আজীবনদাতা সদস্য সাংবাদিক কাজী রমিজ উদ্দীনের সঞ্চালনায় প্রাক্তন ছাত্র সাংবাদিক মোঃ ইবাদুর রহমান জাকিরের কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে কাতার থেকে হাফিজ মাওলানা দেলওয়ার হোসেন পরিবেশনায় দৌলতপুর ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি, মাদ্রাসা আজীবন দাতা সদস্য মোঃ নাজমুল হক টুনু সাহেবের সভাপতিত্বে বিদায়ী শিক্ষক মোঃ আলাউদ্দীন খান সাহেবের ৩১ বছরের নানান স্মৃতি নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন সাবেক প্রধান শিক্ষক,আজীবন দাতা সদস্য মাওঃ আব্দুস ছবুর, তিনি বলেন একজন আর্দশ শিক্ষকের যে সব গুনাবলি থাকা দরকার ১. সবসময় প্রস্তুত থাকেন ২. সবসময় পড়াশোনার মধ্যে থাকেন ৩. সব ধরনের পরিবেশের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেন ৪. ছাত্রছাত্রীদের সত্যের পথে চালিয়ে যান ৫. ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহ দিয়ে থাকেন ৬. ছাত্রছাত্রীদের সাথে আত্মিক বন্ধন তৈরি করেন ৭. আনন্দের সাথে পড়িয়ে থাকেন ।এই সব গুনাবলি মাষ্টার আলা উদ্দির খাঁন সাহেবের ছিলো, এ ছাড়া আরো অংশ গ্রহন করেন মাদ্রাসাে প্রাক্তন শিক্ষক মাওঃ লিয়াকত হোসেন, বড়লেখা আইডিয়াল সোসাইটির সভাপতি ও সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুস সালাম, দৌলতপুর ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সেক্রেটারী আব্দুল গফুর মফিক, আরবী প্রভাষক মাওঃ আব্দুল কাদির, আলোকিত বড়লেখার সেক্রেটারী লন্ডন প্রবাসী জয়নাল আবেদীন, মাদ্রাসার ইবতেদায়ী প্রধান মাওঃ হারুনুর রশীদ, মাদ্রাসার গর্ভনিং বডির সদস্য এমরানুল হক (বাবু), উত্তর শাহবাজপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোঃ সাইফুল্লাহ, জুনিয়র শিক্ষক ফয়জুল হক, প্রাক্তন ছাত্র আজীবনদাতা সদস্য, মাওঃ হাবিবুল করিম, লন্ডন প্রবাসী ও মাদ্রাসার আজিবন দাতা সদস্য ফেরদৌস আহমদ, ফ্রান্স প্রবাসী তারেক আহমদ, আমেরিকা প্রবাসী সালা উদ্দীন শাহিন, হোসাইন আহমদ ও তোফায়েল আহমদ, লন্ডন প্রবাসী জিয়াউর রহমান জিয়া, ফয়সল আহমদ রাসেল ও জাহেদ আহমদ,মাদ্রাসার অতিরিক্ত শিক্ষক মাওঃ কমর উদ্দিন (বাদশা), বীমা কর্মকর্তা মোঃ মোস্তাক আহমদ, লন্ডন প্রবাসী মোঃরুহেল আহমদ,লন্ডন প্রবাসী মোঃজামিল আহমদ, লন্ডন প্রবাসী আব্দুল কাদির ও মোঃ সামসুদ্দোহা মনজু প্রমূখ।
এছাড়া মাদ্রাসা অফিস কক্ষে প্রজেক্টর মাধ্যমে ভার্চুয়াল অনুষ্টানে উপস্হিত ছিলেন সাংবাদিক আশফাক আহমদ জুনেদ, জুনিয়র শিক্ষক মাওলান জাহিদ আহমদ, প্রাক্তন ছাত্র জুবায়ের আহমদ, শিক্ষক ক্বারী ছফির উদ্দীন, ময়নুল ইসলাম সহ আরো অনেকে।
দেশ বিদেশ থেকে প্রায় ১৫০ জন প্রাক্তন ছাত্রের ভার্চুয়াল উপস্হিতে বিদায়ী শিক্ষক মোঃআলাউদ্দীন খান সাহেব কে ক্রেস্ট তুলে দেন মাদ্রাসার অফিস কক্ষে উপস্থিতি অতিথিবৃন্দ।

প্রবাসী সমাজ কল্যাণ সংস্থা সোনাতুলার সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান।

নিজস্ব সংবাদঃ

সোনাতুলা ইসলামী সমাজ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে নিজ গ্রামের প্রবাসীদের নিয়ে গঠিত প্রবাসী সমাজ কল্যাণ সংস্থা,সোনাতুলা’র সদস্য ও দায়িত্বশীলদেরকে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

সোনাতুলা ইসলামী সমাজ কল্যাণ পরিষদের শুভাকাংখী বড়লেখা বাজারের বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী রূপসাগরের সত্বধিকারী জনাব জুবের আহমদের বাড়িতে বুধবার (১৬/১২/২০২০ইং) সন্ধ্যা ৭.০০ ঘটিকায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্টিত হয়।


প্রবাসী সমাজ কল্যাণ সংস্থার সভাপতি হাফিজ জয়নাল আবেদিনের সভাপতিত্বে ও সাইফুল ইসলাম নয়নের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন বড়লেখা মোহাম্মদিয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা নিজাম উদ্দিন।


অন্যান্যদের মধ্যে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সোনাতুলা ইসলামী সমাজ কল্যাণের সক্রেটারী, সায়ফুল ইসলাম(নয়ন), সহ-সক্রেটারী,ছাব্বির আহমদ, কোষাধক্ষ্য আছার উদ্দিন, এবং প্রবাসি সমাজ কল্যাণের পক্ষ বক্তব্য রাখেন সংস্থার সহ-সভাপতি আব্দুল হামিদ আন্তর্জাতিক বিষযক সম্পাদক সাহেদ আহমদ, প্রমুখ।
প্রবাসীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ছাব্বির হোসেন, হাসান আহমদ, মাসুম আহমদ, সমছ উদ্দিন, এলাইছ মিয়া, সুনাম উদ্দিন, খয়রুল হোসেন, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। এছাড়াও সোনাতুলা ইসলামি সমাজ কল্যাণ পরিষদের অন্যান্য দায়িত্বশীলরাও উপস্থিত ছিলেন।


প্রবাসী সমাজ কল্যাণ সংস্থার বক্তারা সোনাতুলা এলাকায় বিগত দিনে বাস্তবায়ন করা বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড ও বর্তমানে হাতে থাকা বিভিন্ন কাজের পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

পরগনাহী দৌলতপুর আলিম মাদ্রাসায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন।


মোঃইবাদুর রহমান জাকিরঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পরগনাহী দৌলতপুর আলিম মাদ্রাসায়
১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে মাদ্রাসা হলরুমে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ মিছবাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার শিক্ষক আব্দুল মালিক, আলাউদ্দিন, আশিকুর রহমান প্রমুখ।
উপস্থিত ছিলেন আজীবন দাতা সদস্য মাওলানা আব্দুস ছবুর।
এসময় শহীদ হওয়া বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং পরে তাদের রুহের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
দোয়া পরিচালনা করেন মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ মিছবাহ উদ্দিন।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। পৃথিবীর ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাঙালি বুদ্ধিজীবী নিধন বাংলাদেশের ইতিহাসে নৃশংসতম ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ। জাতি যখন বিজয়ের খুব কাছে সেই সময় পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগিতায় রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনী দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ধরে ধরে হত্যা করে। ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড চালায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। বাঙালি শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, আইনজীবী, শিল্পী, দার্শনিক ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদগণ এই সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞের শিকার হন।

মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের কমিটি গঠন;সভাপতি আঃ রহমান, সম্পাদকঃকামরুল


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা’র সর্বপ্রথম রক্তদানকারী ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন বড়লেখা মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্টিত হয়।

সামাজিক ও আত্ব মানবিক কাজ গতিশীল করার লক্ষ্যে সংগঠনের স্থায়ী পরিষদের নির্দেশনার আলোকে (১২ডিসেম্বর) শনিবার বিকেলে মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উপজেলা কার্যালয়ে সংগঠনের সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলামের সঞ্চালনায় দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্টিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগম হাছনা, ফাউন্ডেশনের স্থায়ী পরিষদের মহাসচিব কামাল হোসেন, স্থায়ী পরিষদের সদস্য বেলাল আহমদ, রিফাত আহমদ।

প্রধান অতিথি রেহানা বেগম (হাসনা) বলেন আর্ত্ব মানবতার কাজে মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন উপজেলার মধ্যে এগিয়ে আছে, ২০১২ সালের ১৮ই ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা পর থেকে দেশে-বিদেশে হাজারো ব্যাগ রক্তদানসহ ভিন্ন দূর্যোগ কালীন সময়ে রমজানে ঈদে খাদ্য সামগ্রীয় ও ঈদ বস্ত্র বিতরণ করে আসছে এই ফাউন্ডেশন আমরা দেখতেছি, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান সৌদিআরব প্রবাসী মোঃগুলজার হোসেন হাসান, প্রতিষ্টাকালিন সদস্য মোঃতাজুল ইসলাম,মোঃহিফজুর রহমান,আহমেদ জেবলু,রায়হান আহমদ প্রমুখ এদের অবদানে আজ এই পর্যন্ত।

পরে সংগঠনের উপদেষ্টা ও উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগম (হাছনা) নব নির্বাচীত কার্যকরি-কমিটির নাম ঘোষণা করেন।

সভাপতি পূর্নঃনির্বাচিত মোঃ আব্দুর রহমান,সিনিয়র সহঃ সভাপতি মুমিনুর রশিদ (মুন্না), সহঃ সভাপতি শিমুল চৌধুরী, মিছবাহ উদ্দিন মাছুম, শ্রীঃ নিক্কন দে, সাধারণ সম্পাদক পূর্নঃনির্বাচিত কামরুল ইসলাম, সহঃ সাধারণ সম্পাদক শিপলু আহমদ, কাওসার আহমদ, মাহমুদুল হাসান (জুয়েল), নাহিদ আহমদ রিমন, সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফ আল মামুন, সহঃ সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ এবাদ , রাসেল আহমদ, নজমুল ইসলাম,সাদিকুর রহমান (ফাহিম), প্রচার সম্পাদক নাছির আহমদ, সহঃ প্রচার সম্পাদক ময়নুল ইসলাম ১, তানভীর আহমদ, শাহরিয়ার শাকিব, অর্থ সম্পাদক মোহাম্মেদ আলী, সহঃ অর্থ সম্পাদক লিটন আহমদ, জাবেদ আহমদ, অফিস বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মুহিত,সহঃ অফিস বিষয়ক সম্পাদক শামীম আহমদ, শাহরান সাকিব, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রেদওয়ান আহমদ, সহ তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক জামিল হোসেন, ত্রাণ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক, জুয়েল আহমদ সহ ত্রাণ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক রাজু কাপালী, ক্রীড়া সম্পাদক ময়নুল ইসলাম ২, সহঃ ক্রীড়া সম্পাদক আলতাফ হোসেন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক কাওসার আহমদ ২, সহঃ সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন (দুলাল), সহঃ শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মামুন আহমদ, রক্ত বিষয়ক সম্পাদক পারভেজ মাসুদ, সহ রক্ত বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার (শান্ত), আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক জায়েদ আরমান, সহ আন্তজার্তিক বিষয়ক সম্পাদক অলিউর রহমান বশর, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক বেলাল আহমদ , সহঃ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক নাহিদ আহমদ ২, সদস্য জামিল আহমদ, বিজিত দাস, অপু আহমদ, বেলাল আহমদ ২, আব্দুল্লাহ হোসেন, ইমুরুল হোসেন, রাজীব কপালী, মিছবাউর রহমান তুহিন, সুমন আহমদ, শিমুল মাহমুদ, নাজমুল ইসলাম সহ প্রমুখ।

বড়লেখা বিএনপির সম্মেলন:সভাপতি হাফিজ, সম্পাদক খছরু, সাংগঠনিক শহীদ খাঁন

মোঃইবাদুর রহমান জাকির

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলন রোববার (৬ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি এম নাসের রহসান।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদে পুনরায় আব্দুল হাফিজ, সাধারণ সম্পাদক পদে মুজিবুর রহমান খছরু ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে অধ্যাপক আব্দুস শহীদ খাঁনের নাম ঘোষণা করা হয়।

শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু।

সম্মেলন উদ্বোধন করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি এম নাসের রহসান।

সাবেক কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান খছরু ও সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস শহীদ খানের যৌথ সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহঃসভাপতি ফয়জুল করিম ময়ুন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান (ভিপি মিজান), সহ সভাপতি এমএ মুকিত, সহ সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন মাতুক, যুগ্ম সম্পাদক ফখরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মতিন বখত, প্রচার সম্পাদক ইদ্রিস আলী, সহ সাধারণ সম্পাদক মুহিতুর রহমান হেলাল, মাহমুদুর রহমান, জেলা যুবদলের সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক জিএম মোক্তাদির রাজু, বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাফিজ, পৌর বিএনপির সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল, জুড়ী উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান চুনু, বড়লেখা উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান রাহেনা বেগম হাছনা, উপজেলা যুবদলের পক্ষে সাইফুল ইসলাম খোকন, আব্দুল কাদির পলাশ ও এসএম শরীফুল ইসলাম বাবলু, স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষে রায়হান মোহাম্মদ মুজিব, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি হাজী সেলিম, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদলের আহব্বায়ক ফয়ছল আহমদ প্রমুখ।

এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাধারণ সম্পাদক বক্তব্য রাখেন।

প্রসঙ্গত, সর্বশেষ ২০১৬ সালে উপজেলা বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই সম্মেলনে দলের নেতাকর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে আব্দুল হাফিজকে সভাপতি, মুজিবুর রহমান খছরু সাধারণ সম্পাদক ও অধ্যাপক আব্দুস শহীদ খান সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।

স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মোঃ সাইদুল ইসলামের গণসংযোগ।

ইবাদুর রহমান জাকির, বড়লেখাঃ

মৌলভী বাজারের বড়লেখায় নির্বাচন কমিশনের বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র গৃহীত হওয়ার পরই গণসংযোগ শুরু করেছেন পৌর নাগরিক মনোনিত স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মোঃ সাইদুল ইসলাম।

৩ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই করেন নির্বাচনের রিটার্ণিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন ।

মনোনয়নপত্র গৃহীত হওয়ার ঘোষণা শুনেই এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের ও ব্যবসায়ী,ক্রিড়ামদী ও সাধারণ ভোটারের সাথে গণসংযোগ শুরু করেন।
৪ (ডিসেম্বর) পৌরসভার ভিন্ন ফুটবল ক্রিকেট ক্লাবের খেলওয়াড় বৃন্দের সাথে দেখা করেন।

ইসলাম বিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহবান-ডাঃ শফিকুর রহমান

ভাস্কর্য স্থাপনের ইসলাম বিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহবান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডাঃ শফিকুর রহমান ৩ ডিসেম্বর ২০২০ এক বিবৃতি প্রদান করেছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ একটি মুসলিম রাষ্ট্র। সাংবিধানিকভাবে এ দেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। দেশের ধর্মপপ্রাণ মানুষ যুগযুগ ধরে ইসলামী মূল্যবোধের আলোকে নিজেদের জীবন পরিচালনার চেষ্টা করে আসছে। আমরা লক্ষ্য করছি, সাম্প্রতিককালে মূর্তি নির্মাণ নিয়ে ইসলামী আদর্শ ও শরীয়াহ বিরোধী এক অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্কের অবতারণা করা হয়েছে। কারো কারো পক্ষ থেকে ভাস্কর্য ও মূর্তি এক নয় বলে দেশব্যাপী ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমগণ স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, মূর্তি ও ভাস্কর্য একই। ভাস্কর্য ও মূর্তি নির্মাণ করা ইসলামে নিষিদ্ধ। কোনো প্রাণীর মূর্তি বা ভাস্কর্য তৈরি করা ইসলামে শিরক বলে গণ্য করা হয়েছে। যারা এটাকে শিল্প বলে যুক্তি দিচ্ছেন তারা যদি কুরআন হাদীস থেকে এর সপক্ষে কোনো স্পষ্ট প্রমাণ পেশ করতে পারেন তাহলে জনমনে কোনো প্রশ্ন থাকবেনা। এটা তাদের পক্ষে কিছুতেই সম্ভব হবেনা। কিছু লোক আল্লাহর ঘর বায়তুল্লাহকে ভাস্কর্য বলেছেন। নির্বোধ ব্যক্তিদের এটা বাড়াবাড়ি। কোনো কোনো ব্যক্তি ভাস্কর্যের পক্ষে তাদের অবস্থান ব্যক্ত করতে গিয়ে অতীতের কিছু উদাহারণ টানেন। আমাদের বক্তব্য হচ্ছে এটা সর্বাবস্থায় পরিত্যাজ্য এবং হারাম। অন্য ধর্মাবলম্বীগণ তাদের ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে উপাসনালয়ে কিংবা নিজ নিজ স্থাপনায় মূর্তি সংরক্ষণ করলে তাতে কারো আপত্তি থাকার কথা নয়। কিন্তু উন্মুক্ত স্থানে মূর্তি বা ভাস্কর্য স্থাপনের কোনো অনুমতি ইসলাম দেয়নি। কেউ কেউ মূর্তি ও ভাস্কর্য নির্মাণকে বৈধ করার এবং এ ব্যাপারে যুক্তি তুলে ধরার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন যা মুসলিম জাতির জন্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

আমরা সুস্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে কোনো প্রাণীর মূর্তি নির্মাণ করা কবিরা গুনাহ ও হারাম। মূর্তি সংগ্রহ, মূর্তি নির্মাণ, এবং মূর্তির বেঁচাকেনা ইসলামে কঠিনভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘‘এবং তারা বলেছিল, তোমরা কখনো পরিত্যাগ করো না তোমাদের উপাস্যদেরকে এবং কখনো পরিত্যাগ করো না ওয়াদ্দ, সুওয়া, ইয়াগূছ, ইয়াঊক ও নাসরকে। অথচ তারা অনেককে পথভ্রষ্ট করেছে” (সূরা নূহ আয়াত ২৩-২৪)।

এই আয়াতে উল্লিখিত মূর্তিগুলো সম্পর্কে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা:) বলেন, ‘এগুলো হচ্ছে নূহ (আ:) এর সম্প্রদায়ের কিছু পূণ্যবান লোকের নাম। তারা যখন মৃত্যুবরণ করেছে তখন শয়তান তাদের সম্পদায়কে এই কুমন্ত্রণা দিয়েছে যে, তাদের স্মৃতি বিজড়িত স্থানগুলোতে মূর্তি স্থাপন করা হোক এবং তাদের নামে সেগুলোকে নামকরণ করা হোক। লোকেরা এমনই করল। ওই প্রজন্ম যদিও এই সব মূর্তির পুজা করেনি কিন্তু ধীরে ধীরে প্রকৃত বিষয় অস্পষ্ট হয়ে গেল এবং পরবর্তী প্রজন্ম তাদের পূজায় লিপ্ত হলো। (সহীহ বুখারী হাদীস নং: ৪৯২০)।

কুরআন হাদীসের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় মূর্তি বা ভাস্কর্য নির্মাণ বা স্থাপনের কোনো অনুমতি ইসলাম দেয়নি। মূর্তি বা ভাস্কর্য এক নয় মর্মে যারা বিতর্ক সৃষ্টি করছেন তারা অত্যন্ত গর্হিত কাজ করছেন। আপামর জনগণের ঈমানী চেতনার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মধ্যেই কল্যাণ। আমরা ভাস্কর্যের নামে মূর্তি নির্মাণ করার মত ইসলাম বিরোধী এই কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি আহবান জানাচ্ছি”।

ভাস্কর্য নির্মাণ করে মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত করার অধিকার কারো নেই-আল্লামা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী

বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ’র মুহতারাম সভাপতি আল্লামা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী বলেন, দেশে ভাস্কর্য নির্মাণ নিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হচ্ছে। নানাভাবে আলিম-উলামার প্রতি বিষোদগার করা হচ্ছে। যা মোটেই কাম্য নয়। এদেশ সংখ্যাগরিষ্ট মুসলমানের দেশ, মসজিদের দেশ। এখানে রাস্তার মোড়ে বা প্রতিষ্ঠানে কোনো ব্যক্তি বা প্রাণীর ভাস্কর্য তৈরি করে মুসলমানদের অনুভূতির মূলে আঘাত হানার অধিকার কারো নেই। কোনো ব্যক্তি বা প্রাণীর ভাস্কর্য তৈরি করা ইসলাম সমর্থন করে না। তাই এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে হবে। বর্তমান বিশ্ব অত্যন্ত ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। করোনা মহামারিতে বিশ্ব আজ অসহায়। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের আল্লাহর প্রতি মনোনিবেশ করতে হবে। আল্লাহর অসন্তুষ্টি ও গযবের কারণ হয় এমন আচরণ ও সিদ্ধান্ত থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে। দেশের পরিস্থিতি উত্তপ্তের পক্ষে আমরা নই। তবে ঈমান-আকীদার প্রশ্নে আমরা আপোসহীন। তাই ইসলাম বিরোধী কোনো কার্যক্রম পরিচালনা না করার জন্য আমরা সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।
আল্লামা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী আজ বৃহস্পতিবার (০৩.১২.২০২০) বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ’র কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। সংগঠনের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা একেএম মনোওর আলী’র পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এতে সংগঠনের কার্যকরী পরিষদের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ বড়লেখা পৌর নির্বাচনে তিন মেয়র প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ

মোঃইবাদুর রহমান জাকির

মৌলভী বাজারের ড়লেখায় আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ৩ মেয়র প্রার্থীরই মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। ৩ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে যাচাই-বাছাই শেষে মৌলভীবাজার জেলা নির্বাচন ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা দেন।

মনোনয়ন বৈধ ঘোষিত মেয়র প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামী লীগের মনোনীত বর্তমান মেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী, বিএনপি মনোনীত আনোয়ারুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সাইদুল ইসলাম।

রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন জানান, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইকালে কোনো ত্রুটি না থাকায় ৩ মেয়র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, প্রথম ধাপে আগামী ২৮ ডিসেম্বর ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে বড়লেখা পৌরসভার ভোট গ্রহণ করা হবে। নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন আগামী ১০ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ১১ ডিসেম্বর। বড়লেখা পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে মোট ১৫ হাজার ৪৪৩ জন ভোটার আছেন।

ইউকে সুপ্রিম কোর্ট এর এডভোকেট হয়েছেন বড়লেখার রাফিকুল ইসলাম।

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নারী শিক্ষা একাডেমি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হারুন -উর-রশীদ ও সিদ্দেক আলী উচ্চ বিদ্যালয় এর সাবেক সিনিয়র শিক্ষিকা লাইলি বেগম এর একমাত্র পুত্র মোঃ রাফিকুল ইসলাম এর ইউকে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীর সনদ লাভ করে তালিকাভুক্ত হয়েছেন।

লন্ডনস্থ সলিসিটর রেগুলেশন অথরিটির প্রধান পল ফিলিপ স্বাক্ষরিত এক সনদে সম্প্রতি তাঁকে ইউকে হাই কোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে প্রেকটিস করার অনুমতি প্রদান করেছেন।

বড়লেখার এ কৃতি সন্তান ইউকে’র মানচেস্টারস্থ সালফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে এল এল বি অনার্স এবং বার্মিংহামস্থ অয়ালবারহামটন ইউনিভার্সিটি থেকে এলপিসি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। উল্লেখ্য যে, ২০০৬ সালে বড়লেখা পিসি সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ২০০৮ সালে সিলেট জালালাবাদ কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ২০১০ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ আর্মী হতে অফিসার ট্রেনিং সম্পন্ন করেন।
মোঃ রাফিকুল ইসলাম রাফি পেশাগত জীবনে সফলতার জন্য সকলের দোয়া কামনা করেছেন।

বড়লেখায় মাংসের দোকানে অভিযান,লাইসেন্স ও মূল্য তালিকা না থাকায় জরিমানা।

ফয়সাল মাহমুদ, বড়লেখাঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখায় লাইসেন্স ও মূল্য তালিকা না থাকায় দুই মাংসের দোকানকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

নোংরা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মাংস বিক্রি, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার প্রত্যয়ন এবং লাইসেন্স না থাকা সহ বিভিন্ন অনিয়মের কারণে ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ করতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

সোমবার (৩০ নভেম্বর) সকালে উপজেলার রতুলী বাজারের মাংসের দোকানে এই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত লায়লা নীরা।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২টি পৃথক মামলায় ৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড আদায় করা হয়। এসময় লাইসেন্স না থাকায় ও মাংস মূল্য তালিকা না টাঙানোর অপরাধে শাহজালাল মাংসের দোকানকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা একই সঙ্গে মূল্য তালিকা না টাঙানোর অপরাধে মামু ভাগ্না মাংসের দোকানকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করে বড়লেখা থানা পুলিশ।

বড়লেখা পৌর নির্বাচনে তরুনরা কাউন্সিলর পদপ্রার্থী।

মোঃইবাদুর রহমান জাকির

আসন্ন বড়লেখা নির্বাচনের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসাবে প্রতিটা ওয়ার্ড থেকে একাধিক ছাত্রলীগ ছাত্রদলের সাবেক এবং বর্তমান তরুন নেতা কর্মিদের হয়তো কাউন্সিলর নির্বাচনে মাঠে দেখা মিলতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে এবারের তারুণ্য নির্ভর সম্ভাবনাময় একাধিক ছাত্র সংগঠনের নেতা কর্মী কাউন্সিলর পদপ্রার্থী থাকায় তারুণদের মধ্য বইছে নির্বাচনী প্রচারণার নানান গুঞ্জন।

আব্দুল আব্দুল হাফিজ ললন ৫নং ওয়ার্ডের দুই বারের জনপ্রিয় (বর্তমান কাউন্সিলর)। এলাকায় রয়েছে বেশ জনপ্রিয়তা। সাবেক বড়লেখা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি। বর্তমান মৌলভীবাজার জেলা যুবদলের সহ সভাপতি। সকল নির্বাচনী প্রস্তুতি শেষ থাকছেন মাঠে। নাহিদ আহমদ চৌধুরী সাবেক মদন মোহন কলেজ ছাত্রদল নেতা। বর্তমান মৌলভীবাজার জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ সভাপতি। সাবেক কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ৬নং ওয়ার্ড, এবারে রয়েছে নির্বাচন করা না করা নিয়ে নানান গুঞ্জন শেষ পর্যন্ত কি মাঠে থাকবেন। এলাকায় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক পর্যায়ে তার রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। তানিমুল ইসলাম তানিম বড়লেখা উপজেলা ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক সভাপতি। নির্বাচনী মাঠে ভোট যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামছেন আলোড়ন সৃষ্টি করে।নির্বাচন করবেন ৯নং ওয়ার্ডে। ছুটে চলেছেন ভোটারদের মন জয় করতে দিন রাত। মোস্তাক আহমদ সাবেক বড়লেখা উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক। মৌলভীবাজার জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল সহ সাধারণ সম্পাদক। নির্বাচন করবেন ৩নং ওয়ার্ডে সাবেক ছাত্রনেতা হিসেবে বেশ জনপ্রিয়তা তার। তারুন্য নির্ভর নির্বাচনে মাঠে নেমেছেন জয়ের আশা নিয়ে। আবুল হোসেন সাবেক বড়লেখা পৌর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বিগত দিনে ১নং ওয়ার্ডে দুই বার কাউন্সিলর নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন কিন্তু দুই বারই পরাজিত হয়েছেন। এবার আশার আলো দেখছেন এই সাবেক ছাত্রনেতা। ছিদ্রাতুল কাদের আবির সদ্য সাবেক পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি। রয়েছে জনপ্রিয়তা রয়েছে বেশ পরিচিতি কর্মি বান্ধব ছাত্রনেতা হিসেবে ব্যাপক সুনাম রয়েছে। শেষ পর্যন্ত হয়তো ৬নং ওয়ার্ডে মাঠে দেখা যেতা পারে থাকে। নাদের আহমদ সাবেক বড়লেখা সরকারি কলেজ ছাত্রদল যুগ্ম আহবায়ক, মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রদল নেতা। দাসের বাজার ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা শফিকুর রহমানের পুত্র।নির্বাচন করবেন ২নং ওয়ার্ডে। ছাত্রনেতা হিসেবে ভোটে শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবেন। জামিল হোসেন সদ্য সাবেক বড়লেখা পৌর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক। নির্বাচন করতে প্রস্তুত ৪নং ওয়ার্ডে মতবিনিময় সভা সহ বেশ প্রচারনা চালাচ্ছেন। শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবেন তিনি। মনসুর আহমদ (প্রিন্স) বড়লেখা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সদ্য নির্বাচিত সদস্য সচিব। জনপ্রিয় ছাত্রনেতা হিসেবে রয়েছে তার অনেক পরিচিতি। পৌর নির্বাচনে সর্বকনিষ্ঠ কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করতে পারেন ৯নং ওয়ার্ডে তা শুনা যাচ্ছে। ইতি মধ্যে তরুণ সমাজসেবক যুবসমাজ নিয়ে মতবিনিময় সভা করেছেন। বয়স কম হবার কারণে নির্বাচন করা না করা নিয়ে রয়েছে অনেক গুঞ্জন আলোচনা সমালোচনা। মো সাইফুল রানা বড়লেখা পৌর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। নির্বাচন করতে পারেন ৪নং ওয়ার্ডে এমনটা শুনা যাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবেন এই ছাত্রজনতা।

২৮ তারিখ প্রথম ধাপে পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ধরা হচ্ছে তারুণ্য নির্ভর এক ঝাক সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগ ছাত্রদলের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী থাকায় নির্বাচন মাঠে খুব জমে উঠেবে এবং উৎসব মুখর পরিবেশ সৃষ্টি হবে।

মুজিব বর্ষ উপলক্ষে পরগনাহী দৌলতপুর মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ ও কোরআন বিতরণ।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে সারাদেশ ব্যাপী বৃক্ষরোপনের অংশ হিসেবে (২৯নভেম্বর) বুধবার দুপুর ২ঘটিকার সময় মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পরগনাহী দৌলতপুর সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা হলরুমে ফ্রান্স প্রবাসী এমদাদুল হকের সার্বিক সহযোগীতায় হিফজ বিভাগের ছাত্রদের মধ্যে পবিত্র আল কোরআন,মাস্ক বিতরণ করা হয়।
এডহক কমিটির সদস্য মোঃ এমরানুল হক (বাবু’র) সঞ্চালনায় দৌলতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ও মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের সভাপতি মাষ্টার মাওলানা আব্দুছ সবুরের সভাপতিত্বে হাঃ মিসবাহ উদ্দিন কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ৩ নং নিজ বাহাদুর পুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাষ্টার ময়নুল হক, প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন দেশের সেরা উদ্ভভাবক খুলনা বিভাগের যশোর শর্শা উপজেলার কৃতি সন্তান মোঃ মিজানুর রহমান,বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পরগনাহী দৌলতপুর আলিম মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মাষ্টার ফয়জুল হক,মাদ্রাসার আজীবন দাতা সদস্য শিক্ষানুরাগী সাংবাদিক কাজী রমিজ উদ্দিন প্রমুখ।
দেশের সেরা উদ্ভভাবক মোঃ মিজানুর রহমান কে সম্মাননা স্বারক মাদ্রাসার পক্ষ থেকে প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য, মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের ছাত্রদের মধ্য পবিত্র আল কোরআন,মাস্ক,ফলজ গাছের চারা বিতরণ ও মাদ্রাসার আঙ্গিনায় ফলের গাছ রোপন করা হয়।

বড়লেখায় চতুর্থ দিনের মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় ১৭টি মামলা।

মোঃইবাদুর রহমান জাকির

করোনার দ্বিতীয় ধাপ সামলাতে বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিতে মৌলভীবাজারের বড়লেখায় টানা চতুর্থ দিনের মত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। মাস্ক ব্যবহার না করার কারণে ১৭ টি মামলায় ৫৫০০/ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।এসময় মাস্ক ও বিতরণ করাহয়।

বুধবার (২৫নভেম্বর) দুপুরে বড়লেখা পৌরশহরে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শামীম আল ইমরান।কোর্ট পরিচালনায় বড়লেখা থানা পুলিশ সর্বাত্মক সহযোগিতা করে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শামীম আল ইমরান বলেন, করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় দেশ ব্যায়াপী আক্রান্ত রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। দ্বিতীয় ধাক্কা সামলাতে সরকারী নির্দেশনা রয়েছে বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলাফেরা করতে। তাই বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিন্তে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশক্রমে সারা জেলায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।এরই প্রেক্ষিতে বড়লেখা উপজেলায় আজ চতুর্থ দিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। এসময় মাস্ক ব্যবহার না করার কারণে ১৭ টি মামলায় ৫৫০০/ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে আদায় করাহয়েছে। মানুষ জনকে আরো সচেতন করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মানাসহ মাস্ক পরাতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বড়লেখায় রাত্রি কালীন ‘পুলিশ-জনতা’যৌথ পাহারা শুরু

মোঃইবাদুর রহমান জাকির:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলাকে চুরি-ডাকাতিমুক্ত রাখতে রাত্রী কালীন ‘পুলিশ-জনতার যৌথ পাহারা কার্যক্রম’ শুরু করেছে বড়লেখা থানা পুলিশ। শীত মৌসুমে চুরি-ডাকাতি বেড়ে যাওয়া জেলা পুলিশের উদ্যোগে এ কার্যক্রম নেয়া হয়েছে।

সোমবার (২৩ নভেম্বর) রাতে উপজেলার দক্ষিনভাগ বাজারে জেলা পুলিশের আয়োজনে ‘পুলিশ-জনতার’ যৌথ পাহারা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাদেক কাওসার দস্তগীর ও বড়লেখা থানার (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম সরদার। পরে উপজেলার প্রতিটি বাজারে ও গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার মোড়ে এ’কার্যক্রম শুরু করা হয়।

এ ব্যাপারে বড়লেখা থানার (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম সরদার বলেন,আমাদের জনবল কম কিন্তু এই অজুহাতে চুরি- ডাকাতি মেনে নেয়া যাবে না। তাই মৌলভীবাজার জেলার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে শীত মৌসুমে চুরি-ডাকাতিমুক্ত রাখতে জেলা পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ পিপিএম (বার) এর পরিকল্পনায় প্রতিটি উপজেলায় ‘পুলিশ-জনতার যৌথ পাহারা কার্যক্রম’ নামে চুরি-ডাকাতি প্রতিরোধে একটি উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তাই সাধারণ জনগণকে পুলিশের সাথে সম্পৃক্ত করে উপজেলার প্রতিটি বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার মোড়ে ‘পুলিশ-জনতা যৌথ পাহারা কার্যক্রম সোমবার থেকে শুরু করা হয়েছে। উপজেলাসহ জেলা বাসী এর সুফল পাবে।

মৎস্য ও পর্যটন সম্ভাবনাময় মুড়িয়ার হাওরে চাই উন্নয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন!

সিলেট জেলার বিয়ানীবাজারের মুড়িয়া হাওরের অস্তিত্ব এখন হুমকির মুখে। বন্যা ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের সঙ্গে বালুমিশ্রিত পানি এসে হাওরের ১৯টি বিল অনেকটা ভরাট হয়ে গেছে। হাওরে হিজল-করস, বরুণ, চাইলা নলখাগড়া ও জারুল গাছ এখন আর চোখে পড়ে না।

বিভিন্ন প্রজাতির রুপালি মাছও বিলুপ্ত হয়ে গেছে। ফলে মুড়িয়া হাওরপাড়ের ১৭টি গ্রামের মানুষের জীবিকা নির্বাহ কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। গত ৪০ বছরে মুড়িয়া হাওরের উন্নয়নে কয়েকটি প্রকল্প গৃহীত হলেও বাস্তবায়িত হয়নি একটিও। জরুরি ভিত্তিতে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা না হলে এক দশকের মধ্যে হাওরের ভৌগোলিক অবকাঠামোর পরিবর্তনসহ পরিবেশ ভারসাম্য হবে হুমকির সম্মুখীন। এমন আশংকা পরিবেশ ও হাওর।

বিয়ানীবাজার উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়ন, বিয়ানীবাজার পৌরসভার সীমানা, শেওলা ও দুবাগ ইউনিয়নের কিছু অংশ নিয়ে হাওরের বিস্তৃতি আমি মুড়িয়া হাওর অঞ্চলের একজন পূর্ব মুড়িয়ার এ সন্তান হিসেবে বিষয় গুলি উপস্থাপন করিলাম । আয়তন আট বর্গমাইল। একসময় এ হাওরে ১১৫ প্রজাতির মাছ পাওয়া গেলেও বর্তমানে বেশির ভাগই বিলুপ্ত হয়ে গেছে। রানী, বাঘা আইড়, রায়েক, মধু, পাবদা, চিতল, বড় বাইন, রিটা, বোয়াল, কৈ, মাগুর এখন আর চোখে পড়ে না। হাওরের ১৯টি বিল প্রায় ভরাট হয়ে গেছে। সেচের মাধ্যমে বিলে মাছ ধরারসময় শুধু পুঁটি, টেংরা, ভেদা, শিং, চাপিলা, মলা, দারকিনা জাত ছাড়া অন্য মাছ ধরা পড়ে না।বিশাল হাওরজুড়ে কোথাও মাছের অভয়াশ্রম নেই।

বিয়ানীবাজার মৎস্যজীবী সমিতির সদস্য এখলাস উদ্দিন জানান, কারেন্ট ও মশারির জাল দিয়ে অবাধে মাছ শিকারের ফলে প্রজনন বাধাগ্রস্ত হয়। এ ছাড়া বন্যা ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের সঙ্গে বালুমিশ্রিত পানি ঢুকে বিলগুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে। আগে প্রচুর পাওয়া যেত এ রকম মাছ ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। মুড়িয়া হাওর ভারত সীমান্ত ঘেঁষে অবস্থিত। ফলে বছরের পর বছর ওপার থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের বালুতে বিলগুলো ভরাট হয়ে গেছে। শীতকালে শুকিয়ে যায়। বর্ষাকালে পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয়।হাওর এলাকার লোকজন জানান, ১৫-২০ বছর আগে শীতকালে বালিহাঁস, গলগলি হাঁসসহ দেশী-বিদেশী বিভিন্ন প্রজাতির পাখির কলকাকলিতে হাওরাঞ্চল মুখরিত হয়ে উঠত। এখন মাছরাঙাও চোখে পড়ে না। হিজল-করস, জারুল, বরুণ, চাইলা নলখাগড়াসহ অনেক গাছ মরে গেছে। ফলে দেশী-বিদেশী পাখির সমাগমও কমে গেছে। হাওরের কোড়া পাখি, কড়িকাইট্রা, শামুকভাঙরি, চিল, পানকৌড়ি, নানা জাতের বক হারিয়ে যেতে বসেছে।

মুড়িয়া হাওর ভরাট হয়ে যাওয়ায় ওই অঞ্চল পরিবেশ বিপর্যয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে। জরুরি ভিত্তিতে হাওর উন্নয়নের উদ্যোগ না নিলে কয়েক বছরের মধ্যে বিয়ানীবাজার পৌরসভা, শেওলা ও দুবাগ ইউনিয়নসহ ওই অঞ্চলে বর্ষা মৌসুমে স্থায়ী বন্যার সৃষ্টি হবে এবং বিপুল পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতির শিকার হবেন ৫০ হাজার মানুষ। হাওরের উদ্ভিদ সংরক্ষণের কোন ব্যবস্থা নেই। ফলে শুধু শণ ও কলুম বন ছাড়া কোথাও কোন গাছ চোখে পড়ে না। এখনও সামান্য যে কয়েকটি গাছ আছে পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে সেসবও মরে যাচ্ছে। বেতবন, পিচাশবন, নলখাগড়া, লুটকিবনও নেই।

হাওরে এক-চতুর্থাংশ গাছ ও বন থাকা অত্যাবশ্যক হওয়া সত্ত্বেও সরকারি কিংবা বেসরকারি কোন সংস্থার ওই বিষয়ে উদ্যোগ নেই। পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, পরিকল্পিতভাবে মুড়িয়া হাওরের উন্নয়নে ৫০ কোটি টাকার প্রয়োজন। কয়েক বছর আগে ২০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হলেও অর্থের অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি।

একান্ত প্রয়োজন
মুড়িয়া হাওর উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন
গনমানুষের ও রাজনৈতিক দাবী আকারে সবার প্রচেষ্টা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে ।
১) বিয়ানীবাজার–বড়দেশ- মনটেকা হয়ে বড়উধা মাইজকাপন ইনামপুর–আষ্টঘরী টু সারপার বাজার গ্রোথ সেন্টার,, নয়াগ্রাম বিওপি রাস্তা।
২)
শেওলা সেতু-দুবাগ -বড়উধা, তাজপুর হয়ে বড়লেখা সংযোগ রাস্তা,,
“”””
৩)দুবাগ – বড়উধা ভায়া আষ্টঘরী, সারপার বাজার গ্রোথ সেন্টার, নয়াগ্রাম বিওপি,টু লাতু রাস্তা

৪)বালিঙ্গা খাল খনন পূর্বক লেক তৈরী করা।

৫)হাওরের১৯টি বিল খনন ও বাঁধ তৈরি করা।

৬)মাছের অভয়াশ্রম কেন্দ্র স্থাপন।

৭)ওরম পুরি খালে সুইচ গেইট স্থাপন।

৮) হাওরের বাঁধে হিজল গাছ রোপন।
৯) প্রাকৃতিক সুন্দর্য উপভোগ ও দর্শনার্থীদের জন্য ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ।

লেখক
মোঃজুবায়ের আহমদ(মাছুম)
আষ্টঘরী পূর্ব মুড়িয়া
বিয়ানীবাজার সিলেট

২৮ ডিসেম্বর বড়লেখা পৌরসভা নির্বাচন।

মোঃইবাদুর রহমান জাকিরঃ

প্রথম ধাপে ২৫ পৌরসভায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। প্রথম ধাপে ডিসেম্বরের ২৮ তারিখে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনের তালিকা অনুযায়ী মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা পৌরসভা নির্বাচন হবে ২৮ ডিসেম্বর।

তবে প্রথম ধাপের নির্বাচন থেকে বাদ পড়েছে মৌলভীবাজার পৌরসভা নির্বাচন।

এ বছর নির্বাচনে সব পৌরসভায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযাযী, মনোনয়ন দাখিলের শেষ তারিখ ১ ডিসেম্বর, মনোনয়ন বাছাই ৩ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহার ১০ ডিসেম্বর এবং ভোট গ্রহণ ২৮ ডিসেম্বর।

বড়লেখায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা মাস্ক বিতরণ ও অর্থদণ্ড প্রদান।

মোঃইবাদুর রহমান জাকির

শীতকাল আগমনের শুরুতেই কোভিড ১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউ এর কারণে করােনা ভাইরাসে আক্রান্ত রােগী সংখ্যা ও মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউ প্রতিরােধে বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার ও অন্যান্য স্বাস্থ্য বিধি নিশ্চিতকল্পে মৌলভীবাজার জেলার জেলা প্রশাসক মহােদয়ের নির্দেশক্রমে (২২নভেম্বর) সারা জেলায় এক যােগে মােবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

বড়লেখা উপজেলায় আজ উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বড়লেখা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মােঃ শামীম আল ইমরান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত লায়লা নীরার নেতৃত্বে দুইটি মােবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। দুটি মােবাইল কোর্টে ৩৮ টি মামলায় ৭৬০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

এসময় জনগণের মধ্যে মাস্কও বিতরণ করা হয়। বড়লেখা থানার সেকেন্ড অফিসার এস আই প্রভাকর রায়ের নেতৃত্বাধীন বড়লেখা থানা পুলিশ মােবাইল কোর্ট কে সর্বাত্মক সহযােগিতা প্রদান করেন।

বড়লেখায় কালেক্টরেট সহকারীদের ৭দফা দাবীতে কর্মবিরতি।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পদোন্নতিসহ ৭ দফা দাবী আদায়ের আন্দোলনের তৃতীয় দিন মঙ্গলবার উপজেলা প্রশাসনের কালেক্টরেট সহকারীরা পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি পালন করেছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) কার্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত কর্মবিরতি সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন উপজেলা কালেক্টরেট সহকারী সমিতির সভাপতি তপন শর্ম্মা, সহসভাপতি অর্চনা রাণী দত্ত, সাধারণ সম্পাদক প্রতাপ চন্দ্র দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. এনাম হোসেন, অনিন্দ দাশ প্রমুখ।

বড়লেখায় সজারু হত্যার অপরাধে ৯ শিকারিকে জেল-জরিমানা।

মোঃইবাদুর রহমান জাকির

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বিলুপ্তপ্রায় সজারু হত্যার অপরাধে ৯ শিকারিকে জেল-জরিমানা দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার (১৪ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাধবকুণ্ড ইকোপার্কের বাজারিছড়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম আল ইমরান এই আদালত পরিচালনা করেন।

আদালতের অভিযানে সহায়তা করেন বনবিভাগের বড়লেখা রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা শেখর রঞ্জন দাস ও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হযরত আলী প্রমুখ।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় মাধবকুণ্ড ইকোপার্ক এলাকায় সজারু শিকারের অপরাধে ৯ জনকে আটক করে বনবিভাগ। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম আল ইমরান ঘটনাস্থলে যান। সেখানে আটককৃতরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের সামনে অপরাধ স্বীকার করে। এরপর আদালত সজারু হত্যায় সরাসরি জড়িত থাকায় বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইন ২০১২ অনুসারে বিওসি কেছরিগুল এলাকার সুবল ভূমিজ (২৫) ও জগ রবিচন্দ্রকে (২৫) এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। রাতেই তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

এছাড়া হত্যায় সহায়তা করার অপরাধে উকিল সাঁওতাল (৩৫), বুধু সাঁওতাল (২৬), ওমেশ সাঁওতাল (৩০), রমেশ সাঁওতাল (৩২), কার্তিক সাঁওতাল (৩৫), রাম সাঁওতাল (৩০) ও কৃষ্ণ সাঁওতালকে (৩৫) ১০ হাজার টাকা করে মোট ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত।

এদিকে দক্ষিণভাগ উত্তর ইউনিয়নের বিওসি কেছরিগুল এলাকায় টিলা কাটার অপরাধে ফখরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালককে নির্দেশ প্রদান করেন আদালাত।

বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম আল ইমরান জেল, জরিমানার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘টিলা ও বন্য প্রাণী আমাদের প্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। এগুলো রক্ষায় আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

পূর্ব মুড়িয়ায় উলামা মাশায়েখদের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল।

মোঃইবাদুর রহমান জাকিরঃ ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয় মদদে মহানবী (সা.) এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে ও ফরাসী পণ্য জাতীয়ভাবে বয়কটের ও রাষ্ট্রীয় প্রধান ফ্রান্স সরকারকে নিন্দা বাণী প্রদান এসব দাবীতে উলামা মাশায়েখ সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার পূর্ব মুড়িয়া ইউনিয়ন কতৃক আয়োজিত বাদ জুম্মা বিকাল ২টার সময় স্থানীয় সারপার বাজার বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

(১৩নভেম্বর) শুক্রবার বিকাল ৩ ঘটিকায় উলামা মাশায়েখ নেতাকর্মীদের এক বিক্ষোভ মিছিল বাজারের অলিগলি প্রদক্ষিণ করে। এর আগে বাদ জুম্মা পশ্চিম বাজারে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এ মানুয়েল মাক্রোঁর পুত্তলিকা দিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন উলামা-মাশায়েখ নেতাকর্মীরা।

এতে মাওলানাঃ আব্দুল আহাদের সঞ্চালনায়,হাফিজ আশরাফ আহমদের কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে মাওলানা আব্দুল গনীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন
মাওলানা আব্দুল মালিক কাসিমী শিক্ষক দারুস সুন্নাহ মুরাদগঞ্জ টাইটেল মাদ্রাসা,আরো বক্তব্য রাখেন সারপার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, মাওলানা ইসলাম উদ্দিন,সাবেক ইমাম নওয়াগ্রাম পাঞ্জেগানা মসজিদের হাঃমুহিবুর রহমান।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ আষ্টঘরী জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মাওলানা শওকত আহমদ,বড়উধা জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা হারুনুর রশীদ,আভঙ্গি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা রেজাউল করিম,বড়উধা পশ্চিম পাঞ্জেগানা মসজিদের ইমাম
মাওলানা আব্দুল জলিল, পূর্ব মুড়িয়া দাখিল মাদ্রারাসার শিক্ষক মাওঃদেলওয়ার হোসেন,সারপার দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওঃ আব্দুর রহমান তামেদ,পূর্ব মুড়িয়া ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাঃমোসাদ্দেক তাপাদার কাশেম,পূর্ব মুড়িয়া ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাহিদ চৌঃশাহিদ,৮নঃ ওয়ার্ড ছাত্রলীগ সভাপতি আব্দুল্লা আল সাঈদ চৌঃ (মুন্না) প্রমুখ।

মাওলানা কাসেমী তিনি বলেন বলেন, ফ্রান্সের সাথে বাংলাদেশের কুটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। পাশাপাশি সংসদে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব পাশ করতে হবে।

স্বাগত বক্তব্যে মাওঃরেজাউল করিম সভায় আগত সকলের কৃতজ্ঞতা জানান। ইসলামসহ সর্বস্তরের তৌহিদী জনতা।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে প্রবীন আলেম মাওলানা আব্দুল গণীর মুনাজাতের মধ্য দিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে বড়লেখায় গৃহহীনকে ৬টি গৃহ প্রদান।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার গৃহহীন ছয় পরিবারকে নতুন ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হচ্ছে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে ‘ক’ শ্রেণীর গৃহহীন (যাদের জমিও নাই, ঘরও নাই) পুনর্বাসনের লক্ষ্যে উপজেলার ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের বোয়ালী মৌজার ১২৫ নং দাগের সরকারি খাস জমিতে ঘরগুলো নির্মাণ করে দেওয়া হচ্ছে। দুই কক্ষ বিশিষ্ট সেমিপাকা প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যয় হবে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা।

বুধবার (১১ নভেম্বর) বিকেলে বড়লেখা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমেদ ও বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শামীম আল ইমরান আনুষ্ঠানিকভাবে ঘর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন।

এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. উবায়েদ উল্লাহ খান, উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আহমদ জুবায়ের লিটন, ইউপি সদস্য সেলিম আহমদ খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটির উদ্দোগে আল-কোরআন বিতরণ।

সামাজিক সংগঠন বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটির উদ্যোগে এবং সংগঠনের প্রবাসী সদস্যবৃন্দের অর্থায়নে আজ (১০ নভেম্বর) দুপুর ২.০০ ঘটিকার সময় বড়লেখা উপজেলার লিচুবাগান নুরানী তালীমুল কোরআন ইসলামী একাডেমী এতিমখানা মাদ্রাসার হাফিজদের মধ্যে কোরআন শরীফ বিতরণ ও দুয়া মাহফীল অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রুবেল হোসাইনের সঞ্চালনায় ও সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সিরাজুল ইসলাম শিরুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়। কোরআনে কারীম থেকে তেলাওয়াত করেন হাফিজ তাওসিফ ইমরান,
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রচার সম্পাদক আব্দুল হালিম,সদস্য আক্তার হোসেন, মাওলানা কারী সাইফুর রহমান, হাফিজ মাওলানা ইব্রাহিম খলিল।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য পেশ করেন বিশিষ্ট সমাজসেবক পাবলিকেশন সোসাইটির সম্মানিত প্রধান উপদেষ্টা জনাব আব্দুল আহাদ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের বিশিষ্ঠ সমাজসেবক পাবলিকেশন সোসাইটির সম্মানিত উপদেষ্টা জনাব আব্দুল কুদ্দুস স্বপন।

সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক তোফায়েল আহমেদ তুহেল ও সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ আব্দুস সামাদ।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অফিস সম্পাদক জনাব নিজাম উদ্দিন,জুবায়ের আহমেদ দিলশাদ,
মাওলানা আব্দুস সবুর সুমন হাফিজ তাওসিফ ইমরান জাহেদ আহমেদ আক্তার হোসেন আবু বক্কর মাহফুজুর রহমান সানি
এমরান হোসেন রায়হান হোসেন প্রমুখ।

সংগঠনের প্রতিষ্টাতা সৌদি প্রবাসী মাহতাব আল মামুন, আজকের অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ, সংগঠনের সকল প্রবাসী ও দাতা সদস্য এবং যারা অনুষ্ঠানে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন সকলের প্রশংসা করেন এবং সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্যঃ অনুষ্ঠান শেষে হাফিজ বাচ্ছাদের আপ্যায়ন করানো হয়।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে আর্থিক অনুদান ও ৩০জন গ্রাম পুলিশকে বাইসাইকেল প্রদান।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ হতে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় ৩০ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে করোনা কালীন আর্থিক অনুদান ও এলজিএসপি-৩ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা হলরুমে (৮নভেম্বর) বুধবার ৩০ জন গ্রাম পুলিশের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্টিত হয় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,মৌলভীবাজারজেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান,
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সিরাজ উদ্দিন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃতাজ উদ্দীন,উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগম হাছনা, বড়লেখা থানার অফিস ইনচার্জ জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার,

অনুষ্টানে সভাপতিত্ব করেন:মোঃ শামিম আল ইমরান,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বড়লেখা।
এছাড়া আরোও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বড়লেখায় বর্ণি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন।

মোঃইবাদুর রহমান জাকির

বাংলাদেশ সরকারের বন, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিনের চার দিনের সফরের অংশ হিসেবে উদ্বোধন করলেন মৌলভী বাজারের বড়লেখার বর্ণি ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র।

বর্ণি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের আয়োজনে উক্ত অনুষ্ঠানে উক্ত অনুষ্টানে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমেদের সঞ্চালনায়, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নিজাম উদ্দিন সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সুয়েব আহমদ, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সুন্দর, বড়লেখা পৌর সভার মেয়র আবুল ইমাম কামরান চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ তাজ উদ্দীন।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন বড়লেখা নারী শিক্ষা সরকারি ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ এ কে এম হেলাল। সমাবেশ শেষে ফিতা কেটে কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

রাসূল (সাঃ) কে নিয়ে ব্যাঙ্গচিত্র করায় দৌলতপুর ছাত্র সমাজের প্রতিবাদী মিছিল ও সমাবেশ


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৩ নং নিজ বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ছাত্র সমাজের উদ্দ্যোগে ফ্রান্স সরকারের রাষ্ট্রীয় মদদপৃষ্টে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) ছবি ব্যাঙ্গচিত্র প্রর্দশন ও অবমাননার প্রতিবাদে (২রা নভেম্বর) বাদ আছর দৌলতপুর বাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ আয়োজন করা হয়।

এতে কাওছার আহমেদের পরিচালনায়, প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দৌলতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মাওঃআব্দুস সবুর,আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয় মুফাস্সির পরিষদ বোর্ড মৌলভীবাজার জেলা শাখার সদস্য মাওঃ কমর উদ্দিন (বাদশা),দৌলতপুর জামে মসজিদের ইমাম মাওঃআইনুল ইসলাম,পকুয়া মসজিদের মুয়াজ্জিন সাইফুর রহমান,এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ছাত্রনেতা আব্দুল মুহিত মুর্শেদ,শিক্ষক সামসোদ্দুহা মঞ্জু,তানভীর আহমেদ,তায়েফ আহমেদ,শাহীন আহমেদ, ছাত্রনেতা আলিউর রহমান,ছাত্রনেতা আসাদুর রহমান,ছাত্রনেতা অলিউর রহমান বাবু,মাসুম আহমেদ,ফাহাদ আহমদ নাহিদ,আবুল হাসনাত,ওয়াহিদুর রহমান, মাহফুজুর রহমান,কামরুল ইসলাম,মারুফ আহমেদ,রাফায়াত আহনাফ,সহ রাসূল সাঃ প্রেমি তাওহীদি জনতা,যুবসমাজ ও ছাত্রসমাজ অংশ গ্রহন করে।

সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮’র পূর্ণ বাস্তবায়নে বড়লেখায় নিসচা’র সংবাদ সম্মেলন

মোঃইবাদুর রহমান জাকির

জনগনের প্রত্যাশিত সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর পূর্ণ বাস্তবায়ন চাই- এই দাবীতে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)- এর জরুরী সংবাদ সম্মেলন আজ ১ নভেম্বর রোববার সকালে সারাদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত।
তারই অংশ হিসাবে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) বড়লেখা উপজেলা শাখার অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় নিসচা কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিসচা বড়লেখা উপজেলা আহ্বায়ক তাহমীদ ইশাদ রিপন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক মার্জানুল ইসলাম, সদস্য সচিব আইনুল ইসলাম, কার্যকরী কমিটির সদস্য আব্দুল আজিজ,আহমেদ নোমান, রমা কান্ত দাস, রাসেল আহমদ, নূর আলম মোহন, লিমন আহমদ সহ প্রমুখ।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, দীর্ঘ ২৭ বছর এ আন্দোলনে নিসচা’র অনেক সাফল্য ও অর্জন এসেছে। এসব সাফল্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে। তবে কোন প্রাপ্তিতেই নিসচা থেমে থাকেনি। সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে নিসচা শুরু থেকে একটি সময়োপযোগী আইনের দাবি জানিয়ে আসছিল। পাশাপাশি শুধু আইন করলে হবেনা সড়কে আইন মানতে মানুষকে সচেতন করার ওপর ও নিসচা জোর দিয়ে আসছিল।

সড়ক পরিবহন আইনটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয় ২০১২ সাল থেকে। আইনের খসড়া সরকারি ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত থাকে দীর্ঘদিন। জনগণের মতামত দেয়ার সুযোগ ও রাখা হয়েছিল। নিরাপদ সড়কের দাবিতে যেসব সংগঠন কাজ করে তাদের প্রতিনিধিরা ও মতামত দিয়েছেন। এছাড়াও সরকার বিভিন্ন সময় ১৯৮৩ সালে প্রণীত আইনটি ও সময় উপযোগী করার উদ্যোগ নিয়েছিল।

অনেকটা সময় পেরিয়ে সড়কের বিশৃঙ্খলা অবস্থার বাস্তব চিত্র এবং ২০১৮ সালের ২৯ জুলাই রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বাস চাপায় শহীদ রমিজ উদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুইজন শিক্ষার্থী বাসচাপায় মর্মান্তিক মৃত্যুর প্রেক্ষিতে নিরাপদ সড়কের দাবিতে গড়ে ওঠা ছাত্র আন্দোলন এ আইনটি পাসের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। অবশেষে কোন চাপের মুখে নতি স্বীকার না করে সরকার এই আইনটি জাতীয় সংসদে পাস করে ২০১৮ সালে। এর প্রায় ১৫ মাস পর ২০১৯ সালের ১ নভেম্বর থেকে আইনটি কার্যকর শুরু করে সরকার। প্রথম ১৪ দিন সহনীয় মাত্রায় এই আইনের প্রয়োগ ছিল। পরবর্তীতে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের দাবিতে আইন এর কয়েকটি বিষয়ে পরবর্তী ছয় মাস পর্যন্ত বিবেচনার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। পরবর্তীতে করোনার কারণে এই আইন যথাযথ প্রয়োগের সময়সীমা বৃদ্ধি করে এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়।

কিন্তু লক্ষ্য করা যাচ্ছে সরকার নতুন সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ প্রয়োগে উদ্যোগ নেয় তখনই পরিবহন সেক্টরের একটি চক্র বাঁধার সৃষ্টি করে আসছে। তারা নতুন করে নানা ধরনের দাবিদাবা তুলে ধরে ধরছে। শুধু তাই নয় গণপরিবহন চলাচল বন্ধ করে জনগণকে ভোগান্তিতে ফেলে তারা। এমনকি নিসচা’কে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করাচ্ছে। যা সত্যিই দুঃখজনক।নিসচা মনে করে নতুন আইনের বিষয়ে তারা কোনো প্রস্তুতি ইচ্ছে করে নেয়নি এবং নিচ্ছেও না।

নিসচা দুঃখের সঙ্গে বলছে যে, সড়কে যদি শৃঙ্খলা না ফিরে আসে তাহলে কোন অবস্থাতেই সড়ক নিরাপদ হবে না। তাঁর প্রকৃত উদাহরণ এই করোনায় খালি সড়কে যে দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমাদের চূড়ান্ত প্রত্যাশা দুর্ঘটনা মুক্ত সড়ক- নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠা করা। যতদিন এটি পূরণ না হবে ততদিন নিসচা’র কর্মীরা সড়কে আছে এবং থাকবে।

নতুন আইনে কেউ আইন ভঙ্গ না করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার শঙ্কা অমূলক। যারা অন্যায় করবেন তাদের শাস্তির আওতায় আনতেই হবে। পরিবহন মালিক হোক ও শ্রমিক হোক কারো চাপের মুখে নতি স্বীকার করা যাবে না। আইনের বাস্তবায়ন আটকে রাখা যাবেনা। মানুষকে জিম্মি করে সরকারকে বিব্রত করে কেউ যদি এই আইনের বাস্তবায়ন ঠেকানোর চেষ্টা করেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। এটাই এখন আমাদের দাবি এবং সরকারের কাছে নিসচা জোর দাবি জানাচ্ছে আগামী ১ জানুয়ারি ২০২১ সাল হতে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর পূর্ণ বাস্তবায়ন যেন করা হয়।এরপর যেন আর কোন সময় বৃদ্ধি না করা হয়।

বড়লেখায় সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী জনাব আব্দুল আহাদের সমর্থনে মতবিনিময় সভা।

নিজস্ব সংবাদঃ মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখায় আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে বড়লেখা পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বড়লেখা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এবং বড়লেখা থানা কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় কমিটির সাধারন সম্পাদক জনাব আব্দুল আহাদ সাহেবের নিজ এলাকা পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের সকল স্থরের মানুষদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাত ৯ ঘটিকার সময় মেয়র পদপ্রার্থী আব্দুল আহাদ সাহেবের নিজ বাসভবনে মহুবন্দ এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বি ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি জনাব আকবর আলী সাহেবের সভাপতিত্বে ও বড়লেখা হাজীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী ও তরুণ সমাজ সেবক আমিনুল ইসলামের সঞ্চালনায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন এলাকার মুরব্বি জনাব ফরিজ আলী, জনাব রছমান আলী, জনাব কমর উদ্দিন কালা,জনাব হাবিবুর রহমান, সাবেক উপজেলা ছাএলীগ সাধারন সম্পাদক জনাব ইমদাদুল ইসলাম সজল, ব্যবসায়ী জনাব ইসলাম উদ্দিন, বড়লেখা উপজেলা শ্রমিক পরিবহন (সিএনজি)’ সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক লাল মিয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন, ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেহান পারভেজ রিপন, মাইজ পাড়া যুবকল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ, পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাহিদ আহমদ। শ্রমিক নেতা শাহিন আহমদ, তরুন সমাজ সেবক মিঃ সিপার আহমদ, যুব নেতা উস্তার আলী প্রমুখ।

বক্তরা বলেন এবার আসন্ন পৌরসভার নির্বাচনে যে কোন মূল্যে আমরা আমাদের এলাকার কৃতি সন্তান ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ আব্দুল আহাদ সাহেব কে মেয়র হিসেবে দেখতে চাই তাই সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি,,

বড়লেখায় তালামিযের ঈদে মিলাদুন নবী সাঃ উপলক্ষে র‌্যালী ও মিলাদ মাহফিল।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা শাখার উদ্যোগে ১২ই রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাঃ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা এবং মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

(৩০অক্টোবর) বড়লেখা সদর ইউনিয়ন মিলনায়তনে বিকেলে উক্ত অনুষ্ঠানে উপজেলা তালামীযের সভাপতি নুরুল ইসলাম বাবলু এর সভাপতিত্বে উপজেলা তালামীযের সাধারণ সম্পাদক রুবেল আহমদ এর পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা আল ইসলাহ এর সহ-সভাপতি মাওলানা ছালেহ আহমদ জুয়েল। প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া কেন্দ্রীয় পরিষদের সম্মানিত সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রনেতা মুজতবা হাসান চৌধুরী নোমান, প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন উপজেলা আল ইসলাহ এর সভাপতি মাওলানা আব্দুর রহমান, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আল ইসলাহ এর যুগ্ন সম্পাদক মাষ্টার নাজিম উদ্দিন।

এছাড়া আরো উপস্হিত ছিলেন আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া কেন্দ্রীয় পরিষদের সাবেক সদস্য মাহমুদুল হাসান, উপজেলা আল ইসলাহ এর সাধারন সম্পাদক মাওলানা কাজী আব্দুল মুমিত, সাংগঠনিক সম্পাদক মাষ্টার শামছুল ইসলাম, লতিফিয়া ইমাম মুয়াজ্জিন পরিষদের সভাপতি মাওলানা কুতুবুল আলম, উপজেলা আল ইসলাহ এর সহ-সাধারণ সম্পাদক শাহেদ আহমদ জুয়েল, লতিফিয়া কারী সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক আমানুর রহমান, উপজেলা তালামীযের সহ-সভাপতি রুহুল আমিন রুহেল, সহ-সাধারণ সম্পাদক রেদওয়ান হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ হাকিম জীবন, পৌর তালামীযের সভাপতি হাবিবুর রহমান সহ উপজেলা আল ইসলাহ, তালামীয ও লতিফিয়া কারী সোসাইটির নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন ওয়ার্ড ইউনিয়ন শাখার কর্মীবৃন্দ।

১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে শোভাযাত্রা বড়লেখা বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ৬নং সদর ইউনিয়নে এসে মিলাদ ও দোয়ার মাধ্যমে শেষ হয়।

বড়লেখায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমামের আহব্বানে তাওহীদি জনতা ভিক্ষোভ।


মোঃইবাদুর রহমান জাকিরঃ

ফ্রান্সে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এ-র অবমাননাকর চিত্র প্রদর্শনীর প্রতিবাদে মৌলভীবাজারের বড়লেখায় সর্ব স্তরের মুসলিম তৌহিদী জনতার উদ্যোগে (৩০ অক্টোবর) বাদ জুমা একযুগে বড়লেখা সদরে,কাঠালতলীতে,বাদ আছর অফিস বাজারে,বাদ মাগরিব,শাহবাজপুর বাজারে, বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ক্বারী মনোহর আলীর আহবানে সর্বস্তরের তাওহীদি জনতা অংশ গ্রহন করে।

এতে বক্তারা বলেন ফ্রান্সে কাফের মুশরিকরা মুসলমানদের প্রাণাধিক প্রিয় রাসুলুল্লাহ সাঃ এ-র ব্যাঙ চিত্র প্রদর্শনী করে অবমাননা করছে। এ অবস্থায় নবী প্রেমিক মুসলমানরা প্রতিবাদ প্রতিরোধে না করে নিরব থাকতে পারে না। তাঁরা অবিলম্বে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ফ্রান্সের পন্য বর্জন এবং দূতাবাস সহ কুটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য সরকার ও জনসাধারণকে আহবান জানান। হাজার হাজার তৌহিদী জনতার এ মিছিল উপজেলার ভিন্ন বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সমাবেশে মোনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।

রাসূল সা. এর অবমাননার প্রতিবাদে বড়লেখায় জমিয়তের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ।


এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয় মদদে মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা. এর ব্যাঙ্গচিত্র প্রদর্শন এবং মুসলমানদের উপর হামলা ও নিপীড়নের প্রতিবাদে; জমিয়ত, যুব জমিয়ত ও ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা শাখার উদ্যোগে আজ ২৮ অক্টোবর বাদ আসর এক
বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বড়লেখা কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে বড়লেখা বাজারের মূল সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে অনুষ্ঠিত “বিক্ষোভ সমাবেশে” সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জমিয়তের সভাপতি মাওঃ শায়েখ রমিজ উদ্দীন।

উপজেলা ছাত্র জমিয়তের আহবায়ক মাওঃ আবিদুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা জমিয়তের সহ-সভাপতি মাওঃ শায়েখ মুখলিসুর রহমান, সহ-সভাপতি মাওঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, বড়লেখা উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব, বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিস্ট এম.এম আতিকুর রহমান, বড়লেখা উপজেলা জমিয়তের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা বদরুল ইসলাম, সাহিত্য সম্পাদক মাওঃ হাফিয সাদিক আহমদ, ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ’র প্রাক্তন সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফিয মাওঃ তায়্যিবুর রহমান, বড়লেখা উপজেলা জমিয়তের অর্থ সম্পাদক হাফিয মাওঃ ইব্রাহীম খলিল, বড়লেখা উপজেলা যুব জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক মাওঃ সাইফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওঃ মাহবুবুর রহমান, যুবনেতা মাওঃ শাহাব উদ্দীন, মাওঃ জাকারিয়া আল আরশাদ, বড়লেখা উপজেলা ছাত্র জমিয়তের যুগ্ম আহবায়ক মাওঃ ওলিউর রহমান শামিম, যুগ্ম সদস্য সচিব হাফিয ফাহিম আহমদ প্রমুখ।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বড়লেখা উপজেলা যুব জমিয়তের প্রচার সম্পাদক মাওঃ মুজাহিদুল ইসলাম, তালিমপুর ইউপি যুব জমিয়তের সভাপতি মাওঃ আছাদুর রহমান, ছাত্রনেতা মাওঃ ফরহাদ আহমদ, মাওঃ ছাব্বির আহমদ, হাফিয জুনাইদ আল হাবিব, গোলাম রব্বানী মাসুম, হাফিয আব্দুল আজিজ এমরান, হাফিয হুসাইন আহমদ, গোলাম কিবরিয়া, মাহমুদুর রহমান প্রমুখ।
পরিশেষে সভাপতির আলোচনা ও মুনাজাতের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

১লা নভেম্বর থেকে লাউয়াছড়া ও মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত পযর্টন কেন্দ্র খুলবে।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

পর্যটকদের জন্য সিলেট বিভাগের অন্যতম আকর্ষণীয় দুটি স্থান লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ও মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত ১ নভেম্বর (রোববার) থেকে খুলছে। করোনা সংক্রমণের কারণে প্রায় ৭ মাস বন্ধ ছিলো এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই দুটি স্থান। ১ নভেম্বর থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পর্যটকরা লাউয়াছড়া ও মাধবকুন্ডে যেতে পারবেন।

ট্যুরিস্ট পুলিশ মৌলভীবাজার জোন-এর ফেসবুক আইডি থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

ট্যুরিস্ট পুলিশ মৌলভীবাজার জোন-এর ফেসবুক পোস্টে বলা হয়- ১ নভেম্বর থেকে খুলছে মৌলভীবাজার জেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবকুন্ড ইকোপার্কসহ বন বিভাগের নিয়ন্ত্রনাধীন সকল দর্শনীয় স্থান ও ইকোপার্ক। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দর্শনার্থীগনকে প্রবেশ করার জন্য পর্যটন সংশিষ্টসহ সকলকে অনুরোধ করা হল।

বন বিভাগের পক্ষ থেকেও এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ১২৫০ হেক্টর জমি নিয়ে লাউয়াছড়া সংরক্ষিত বনাঞ্চল। ১৯৯৬ সালে এটিকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। উদ্ভিদ আর প্রাণীবৈচিত্রের আঁধার এই বন বিভিন্ন বিরল ও বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত। বন বিভাগের হিসেব মতে, ২০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ৫৯ প্রজাতির সরীসৃপ (৩৯ প্রজাতির সাপ, ১৮ প্রজাতির লিজার্ড, ২ প্রজাতির কচ্ছপ), ২২ প্রজাতির উভচর, ২৪৬ প্রজাতির পাখি ও অসংখ্য কীট-পতঙ্গ রয়েছে। এই বনে বিরল প্রজাতির উল্লুক, মুখপোড়া হনুমান , চশমাপড়া হনুমানও দেখতে পাওয়া যায়।

অপরদিকে, মৌলভীবাজার জেলার বড়লখো উপজলোয় মাধবকুন্ড জলপ্রপাতটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জলপ্রপাত। প্রায় ২০০ ফুট উঁচু টিলা হতে পাহাড়ি ঝর্নার পতিত জলরাশি পর্যটকের জন্য আকর্ষণীয়। এ জলপ্রপাতের নিকটেই খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস। জলপ্রপাতের চতুর্দিকে বিশাল বনভূমি অবস্থিত। মাধবকুন্ড জলপ্রপাত সংলগ্ন কুন্ডে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের চৈত্রমাসের মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে বারুনী স্নান হয় এবং মেলা বসে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের এটি একটি তীর্থ স্থান।

সাইফুর হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার শ্বাসরোধে নয় যাহা পরিকল্পিত হত্যা।

মোঃইবাদুর রহমান জাকিরঃ

মৌলভী বাজারের বড়লেখায় গ্রামের বাড়িতে ঈদ করতে গিয়ে সিলেট পলিটেকনিক কলেজের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার সাইফুর রহমানের (২৭) মৃত্যুর রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। শ্বাসরোধে হত্যার ময়না তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই সোমবার বিকেলে পুলিশ পরিকল্পিত হত্যায় জড়িত ৩ আসামীকে গ্রেফতার করেছে। এরা হচ্ছে উপজেলার বর্নি ইউনিয়নের আহমদপুর গ্রামের আনসার আলীর ছেলে কামাল আহমেদ সাজু (২২), জবলু হোসেন (২৫) ও বাবুল হোসেন (২৭)। মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ আসামীদের আদালতে সোপর্দ করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়েছে। আদালত আসামীদের কারাগারে পাঠিয়েছেন।

জানা গেছে, উপজেলার আহমদপুর গ্রামের মাদ্রাসা শিক্ষক আব্দুল আহাদ ছেলেসহ সিলেটে বসবাস করেন। সাইফুর রহমান (২৭) সিলেট পলিটেকনিক কলেজের মেধাবী ছাত্র ও ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার। গ্রামের বাড়িতে ঈদ করতে গত ৩০ জুলাই একাই তিনি বাড়িতে যান। রাতে শয়নকক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন সন্ধ্যায় পুলিশের উপস্থিতিতে দরজা ভেঙ্গে ঘরের মেঝ থেকে তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। এসময় সাইফুর রহমানের চাচা বলাই মিয়াসহ এলাকার অনেকে জোর দিয়ে বলেন তাকে বিষাক্ত সাপ কামড় দিয়েছে। তার পায়ের উরুতে সাপের কামড়ের মতো কিছু চিহ্নও পাওয়া যায়। তারা তাকে বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এরপরও তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসকও তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর নিহত সাইফুর রহমানের লাশের ময়না তদন্ত শেষে স্বজনদের নিকট লাশ হস্তান্তর করা হয়।

নিহত সাইফুর রহমানের ছোটভাই এমদাদুর রহমান জানান, ‘আমরা প্রথম থেকেই বলেছিলাম সাপের ছোবলে আমার ভাইয়ের মৃত্যু হয়নি। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর সাপের কামড়ে মৃত্যুর নাটক সাজানো হয়। তখন অজ্ঞাত আসামী করে থানায় হত্যা মামলা দিতে গেলে পুলিশ বলেছিল ময়না তদন্ত প্রতিবেদনে হত্যার আলামত পাওয়া গেলে পুলিশ মামলা নিবে। শ্বাসরোধে হত্যার রিপোর্ট আসার পরই পুলিশ ডেকে নিয়ে মামলা নিয়েছে। হত্যায় জড়িত ৩ আসামীকে তাৎক্ষণিক পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অন্যান্য আসামীদের দ্রæত গ্রেফতার ও হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাচ্ছি।’

থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার জানান, নিহতের চাচা ও পাশের ঘরের বাসিন্দারা তখন বিষধর সাপের কামড়ে সাইফুর রহমানের মৃত্যু হয় বলে দাবী করেন। ময়না তদন্ত রিপোর্টের অপেক্ষায় ছিলেন। সোমবার ময়না তদন্ত প্রতিবেদন হাতে আসে। এতে শ্বাসরোধে হত্যার প্রমাণ মিলেছে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই এমদাদুর রহমান থানায় হত্যা মামলা করেছেন। বিকেলেই অভিযান চালিয়ে ৩ আসামীকে গ্রেফতার করেন। তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়েছেন। অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ফ্রান্সে ধর্মীয় অবমাননার প্রতিবাদে বড়লেখায় ছাত্র মজলিশের বিক্ষোভ মিছিল


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

ফ্রান্স সরকার কর্তৃক মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন প্রদর্শন ও ধর্মীয় অবমাননার প্রতিবাদে মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ছাত্র মজলিস….

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস বড়লেখা উপজেলা উত্তর সভাপতি মুহাম্মদ কামরুল হাসান এর সভাপতিত্বে ও দক্ষিন শাখার সভাপতি আব্দুল্লাহ আল নোমান এর পরিচালনায় মিছিল পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রাক্তন সুনামগঞ্জ জেলা সভাপতি ও খেলাফত মজলিস বড়লেখা উপজেলা সভাপতি কাজী মাওলানা এনামুল হক।

প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিস মৌলভীবাজার জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল খালিক।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ছাত্র মজলিস মৌলভীবাজার জেলা শাখার প্রাক্তন সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক এম এম আতিকুর রহমান, প্রাক্তন জেলা সভাপতি মুহাম্মদ খায়রুল ইসলাম, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রাক্তন সভাপতি খসরুল আলম, উপজেলা খেলাফত মজলিসের সহ সভাপতি মাওলানা শফিকুল ইসলাম, ছাত্র মজলিস জেলা বায়তুলমাল ও প্রকাশনা সম্পাদক মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান, উপজেলা খেলাফত মজলিসের সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফখরুল ইসলাম, ফয়সল আলম স্বপন।

উপস্থিত ছিলেন ছাত্র মজলিস মৌলভীবাজার জেলা শাখার প্রাক্তন সেক্রেটারি মুহাম্মদ এনামুল হক, জেলা অফিস ও প্রচার সম্পাদক আনিসুল ইসলাম, উপজেলা উত্তর শাখার সেক্রেটারি আশরাফ হোসেন, মেহেদি হাসান, আব্দুল মুকিত, সেলিম উদ্দিন, জাহেদ আহমদ প্রমুখ।

মিছিলটি পৌর শহরের শড়ক প্রদক্ষিন করে বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে এসে প্রতিবাদ সমাবেশ করে।

বড়লেখায় কুরআন তেলাওয়াত ও কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার ৬ নং সদর ইউনিয়নের গঙ্গারজল বালিছড়া ওয়েলফেয়ার সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত কুরআন তেলাওয়াত ও কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
২৪ (অক্টোবর) দুপুরে বালিছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে মুহিবুর রহমান ও জুনেদ আহমদ এর সঞ্চালনায় গ্রামের বিশিষ্ট মুরব্বি মকদ্দছ আলীর সভাপতিত্বে কুইজ প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ তাজ উদ্দীন, কাউন্সিলর জেহিন সিদ্দিকী, ইউপি সদস্য মঈন উদ্দিন, জয়নাল আবেদীন তাপাদার, আব্দুল মানিক, আজির উদ্দিন, আব্দুল আহাদ,হেলাল উদ্দিন, আলিম উদ্দিন, সাংবাদিক মইনুল ইসলাম, আকদ্দস আলী, প্রবাসী সয়েফ উদ্দিন, তানভীর, জাহিদ, সাইফুরসহ বালিছড়া ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সদস্যবৃন্দ।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সোয়েব আহমদ ওয়েলফেয়ার সোসাইটির ভূয়সি প্রশংসা করে বলেন, এ রকম উদ্যোগ যুব সমাজকে ইভটিজিং,মাদক ও নৈতিক অবক্ষয় থেকে বাঁচিয়ে রাখবে।

বড়লেখায় ইসলামী সমমনা দলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

পুলিশী হেফাজতে সিলেটে নিরীহ যুবক রায়হান আহমদ হত্যা, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীনতা, দুনীতি, খুন গুম ও ঢাবি শিক্ষকের সালাম, আল্লাহ হাফেজ নিয়ে চরম কটাক্যতা এবং সীমান্তে মানুষ হত্যা দেশব্যাপী ধর্ষণ-ব্যভিচারের প্রতিবাদে মৌলভীবাজারের বড়লেখায় সমমনা ইসলামী দলসমূহের ব্যানারে এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

(২৩ অক্টোবর) বাদ জু’মা বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খেলাফত মজলিসের জেলা তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক এম. এম আতিকুর রহমান বলেন, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্ধ্বগতি রোধে ব্যর্থতা এবং দেশব্যাপী ধর্ষণ-ব্যভিচার রোধে সরকার ব্যার্থতার পরিচয় দিচ্ছে। জনগণের সরকার হলে এসব নিয়ন্ত্রণে যথার্যথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হতো। তিনি অবিলম্বে এসকল দাবীসমূহ বাস্তবায়নের আহবান জানিয়ে বলেন, অন্যতায় ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে দেশ ও জাতিকে বিপর্যস্ততার হাত থেকে বাচাতে হবে।

খেলাফত মজলিসের উপজেলা সভাপতি মাওলানা কাজী এনামূল হকের সভাপতিত্বে ও সহ-সেক্রেটারী ফয়সল আলম স্বপন এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিস বড়লেখা উপজেলা সহ সভাপতি মাওলানা শফিকুল ইসলাম সিদ্দিকী, সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফখরুল ইসলাম, ছাত্র জমিয়তের উপজেলা আহবায়ক মাওলানা আবিদুর রহমান, যুগ্ম সদস্য সচিব ফাহিম আহমদ, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস বড়লেখা উপজেলা সভাপতি কামরুল হাসান, সুড়িকান্দি মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা জাকারিয়া আহমদ প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কাঠালতলী টাকি মহিলা টাইটেল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা শফিকুল ইসলাম সিদ্দিকী।

বড়লেখায়; যুক্তরাজ্য প্রবাসীর অর্থায়নে খাদ্য সামগ্রী ও অর্থ সহায়তা প্রদান।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের আতুয়া গ্রামের লন্ডন প্রবাসী স্কুল শিক্ষক মাওলানা মো. মুমিনুল ইসলাম ফারুকী ও তাঁর বন্ধুমহলের অর্থায়নে এলাকার দরিদ্র, অসচ্ছল ১০০টি পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আতুয়া গ্রামে প্রবাসী মুমিনুল ইসলাম ফারুকীর নিজ বাড়িতে দরিদ্রদের মাঝে এসব সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।

এসময় উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ১৬জন সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ৮৪ জন ইসলাম ধর্মাবলম্বীসহ মোট ১০০ জন দরীদ্র অসচ্ছল মানুষের মাঝে ১০ কেজি করে চাল, ১ কেজি ডাল, ১ কেজি লবণ, ২ টি সাবান ও নগদ ৫শত টাকা করে বিতরণ করা হয়

বিতরণকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আহমদ জুবায়ের লিটন, ইউপি সদস্য আলীম উদ্দিন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কালাচাঁদ চন্দ চন্দ, ছাতারখাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল করিম, মুজিরুল ইসলাম, ক্বারী আব্দুস শহীদ,সাংবাদিক কাজী মুহাম্মদ রমিজ উদ্দিন,দৈনিক ইনকিলাব বড়লেখা প্রতিনিধি সুলতান মাহমুদ খাঁন, বড়লেখা ডাকের বার্তা সম্পাদক তারেক মাহমুদ, প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মাওলানা মুমুনুল ইসলাম ফারুকী জানান, খেটে খাওয়া হতদরিদ্র মানুষগুলো খুব মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাই প্রবাসে বসে আমি উদ্যোগ নিয়েছি হতদরিদ্র মানুষের পাঁশে দাঁড়ানোর। এ উদ্যোগে আমার বন্ধুমহল এগিয়ে এসেছেন। তাদের আর্থিক সহযোগিতায় এবং আমার ভাই আব্দুশ শহীদ ও মুজিরুল ইসলামের মাধ্যমে করোনাকালীন সময়ে আরও ৪র্থ দফায় অসহায় দরিদ্রদের মাঝে নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছি। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ১০০টি হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ সম্পন্ন করা হয়েছে। ধাপে ধাপে হতদরিদ্র পরিবারগুলোর মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের ধারা অব্যাহত রাখবো ইনশাআল্লাহ।’

নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় দক্ষিণ বিয়ানীবাজার এর নৌকা চ্যাম্পিয়ান।


মোঃইবাদুর রহমান জাকিরঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার সুনাই নদীতে উওর শাহবাজপুর ইউনিয়ন এর ভাটাউছি বাঁধে ভাটাউচি ও তাজপুর এলাকাবাসী উদ্যোগে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার বিকালএই প্রতিযোগিতায় ৮ টি বড় নৌকা অংশ গ্রহণ করে। সিলেট জেলার দক্ষিণ বিয়ানীবাজার এর নৌকা চ্যাম্পিয়ান হয় এবং সাদিমাপুর নৌকা রানাস্আপ হয়। প্রথম পুরুস্কার হিসেবে একটি গরু এবং ২য় পুরস্কার একটি ছাগল দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন। এছাড়া অতিথি হিসেবে ৪নং উওর শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আহমদ জুবায়ের লিটন, শাহবাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোশাররফ হোসেন, সাব ইন্সপেক্টর রতন কুমার হাওলাদার, লন্ডন প্রবাসী সাইফুল ইসলাম, অধ্যাপক আব্দুস শহীদ খান তোহিদুর রহমান টিপু প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

সুজানগর আজিমগঞ্জে নিসচা উপজেলা শাখার জনসচেতনতামূলক প্রচার অভিযান।

মোঃইবাদুর রহমান জাকিরঃ

“মুজিব বর্ষের শপথ, সড়ক করবো নিরাপদ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২০ উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসাবে বড়লেখা উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের আজিমগঞ্জ বাজারে জনসচেতনতা’মূলক
প্রচারণা করেছে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) বড়লেখা উপজেলা শাখা।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় আজিমগঞ্জ বাজারে নিসচা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক তাহমীদ ইশাদ রিপনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আইনুল ইসলামের সঞ্চলনায় পথ সভার মধ্যে দিয়ে জনসচেতনতা’মূলক প্রচারাভিযান অনুষ্টিত হয়েছে।

জনসচেতনতা’মূলক প্রচার অভিযানে উপস্থিত ছিলেন আজিমগঞ্জ বাজারের বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ, বণিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাদের আহমদ, আগর আতর ব্যবসায়ী তাজ উদ্দিন এবং
নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখার যুগ্ম-আহবায়ক মার্জানুল ইসলাম মার্জান, কার্যকরী কমিটির সদস্য মাস্টার খালেদ আহমদ, মাওলানা মাছুম আহমদ, রাসেল আহমদ ও শুভাকাঙ্ক্ষী মারুফ সুমন, আশরাফুল ইসলাম দিপু সহ প্রমুখ।

উল্লেখ্যঃ জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসাবে নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখা জনসচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে। তারই ধারাবাহিকতায় নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখার জনসচেতনতা’মূলক বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।

বড়লেখায় বিট পুলিশিং পদযাত্র অনুষ্ঠিত।

মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ-

দেশব্যাপী ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন ঘটনার প্রতিবাদের অংশ হিসেবে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে “নারীর প্রতি সহিংসতা নিরসনে, আপনার পুলিশ আপনার পাশে” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নারী ধর্ষণ ও নির্যাতন বিরোধী বিট পুলিশিং পদযাত্রা বড়লেখায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৭অক্টোবর) সকাল ১০ টায় ৬নং বড়লেখা সদর ইউনিয়নসহ উপজেলার সকল ইউ/পিঃ অফিসের সামনে থেকে বড়লেখা বিট পুলিশিং ও থানা পুলিশের যৌথ আয়োজনে, পদযাত্রায় অংশ গ্রহন করেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ,বড়লেখা পৌর মেয়র আবুল ইমাম কামরান চৌঃউপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃতাজ উদ্দিন, বড়লেখা উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রাহেনা বেগম হাসনা,উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দ,বড়লেখা থানা অফিস ইনচার্জ মোঃ জাহাঙ্গীর সরদার, জেলা পরিষদের সদস্য জুবায়দা ইকবাল,বিট পুলিশিং বড়লেখা উপজেলা শাখার সেক্রেটারী আব্দুল আহাদ,বড়লেখা উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছাঃজেবিন নাহার জেলি বড়লেখা থানা বিট পুলিশি ও স্বচেতন নাগরিক অংশ গ্রহন করেন।

বকেয়া বেতন ফিঃ জন্য চাপ,জলঢুপ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ।

মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার জলঢুপ উচ্চ বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে বকেয়া বেতন, মূল্যায়ন পরীক্ষার ফি আদায় করতে শিক্ষার্থীদের চাপ ও ফি না দিলে পরীক্ষা খাতা জমা না রাখার হুমকী প্রদানের অভিযোগ উঠেছে।
(১৫অক্টোবর)স্পতিবার সকালে শিক্ষার্থীরা বেতন আদায় করলেও পরীক্ষা ফি মওকুফের জন্য প্রধান শিক্ষক জালাল উদ্দিনের কাছে অনুরোধ জানান। জবাবে তিনি পরীক্ষা ফি না দিলে মূল্যায়ন পরীক্ষার উত্তরপত্র জমা নেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন। এসময় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে ও পরে বিদ্যালয়ের সামনে বিয়ানীবাজার-বারইগ্রাম সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এসময় সড়ক অবরোধ হয়ে পড়ে। পরে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের দাবী মানার আশ্বাস দিলে তারা অবরোধ তুলে নেয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, কয়েকদিন থেকে মূল্যায়ন পরীক্ষার উত্তরপত্র জমা নেওয়ার জন্য নিয়মিত আমাদের বিদ্যালয়ে আনা হচ্ছে। ওয়াসআপে শিক্ষকদের পাঠানো প্রশ্নপত্রের উত্তর আমাদের নিজস্ব কাগজে লিখে এনে জামা দিচ্ছি। তারপরও স্যাররা আমাদের কাছ থেকে ৫০ টাকা করে অতিরিক্ত পরীক্ষা ফি নিচ্ছেন। কেউ দিতে অপারগতা পূষণ করলেও খাতা জমা রাখা হচ্ছে না। আমরা এই বিষয়ের একটি সুষ্ঠু সমাধান চাই।

জহির আহমদ নামে এক অভিভাবক জানান, আমি একটা দোকানে চাকুরী করি। একমাত্র আমার উপার্জনে সংসার ও ছোট এক ভাইয়ের পড়া লেখার খরচ চলে। বর্তমান অবস্থায় খেয়ে পড়ে যেখানে বাঁচা দায় এমতাবস্থায় প্রায় ২ হাজার টাকা বেতন ও ফি বাবতে জমা দিতে হচ্ছে। ভাই জানিয়েছে ফি না দিলে নাকি পরীক্ষা দিতে দেওয়া হবে না তাই বাধ্য হয়ে দেনা করে ফি পরিশোধ করেছি।

জলঢুপ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জালাল উদ্দিন জানান, মূল্যায়ন পরীক্ষার জন্য ফি নিচ্ছি। যারা পারবে তারা দেবে না পারলে নিচ্ছি না। তবে সড়ক অবরোধের বিষয়ে কিছু জানি না।প্রধান শিক্ষক অবরোধের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক অস্বীকার করলেও ঘটনাস্থলে উপস্থিত লাউতা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান সামছুল হক বলেন, ছাত্রদের হট্টগোলের খবর শুনে এসেছি। আসার পর শুনলাম চাপ দিয়ে বেতন ও পরীক্ষা ফি আদায়ের প্রতিবাদে ছাত্ররা আন্দোলন করছে। তবে শিক্ষকরা তাদের দাবী মানার আশ্বাসে এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

বিয়ানীবাজার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মৌলুদুর রহমান জানান, এখন পর্যন্ত বেতন নেওয়া বা মওকুপের বিষয়ে আমাদের কোন নির্দেশনা দেওয়া হয় নি। তবে বেশ কয়েকটি বিদ্যালয়ে বেতন আদায়ের খবর পাচ্ছি। তবে বাধ্য করে কারো কাছ থেকে বেতন আদায় করা যাবে না বলে জানান তিনি। এখনও পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষার বিষয়ে কোন সিন্ধান্ত না হওয়ায় পরীক্ষা ফি আদায়ের কোন প্রশ্নেই আসে না।

রায়হান হত্যাঃ বিক্ষুব্ধ জনতা উত্তাল সিলেট প্রতিমধ্যে পুলিশি বাধা।


মোঃইবাদুর রহমান জাকিরঃ

পুলিশি নির্যাতনে’ যুবক আখলিয়ার রায়হান মৃত্যুর ৫ দিনেও উত্তাল ছিল সিলেট। একই দিন রাস্তা থেকে সাধারণ জনতাকে সরিয়ে দিতে গেলে উল্টো পুলিশকে ধাওয়া করে বিক্ষুব্ধ জনতা।

(১৫অক্টোবর) বৃহস্পতিবার বিকালে রায়হানের বাসার কাছে নেহারীপাড়ায় সিলেটে-সুনামগঞ্জ সড়কে জনতা টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেছে।

একই সময়ে সুবিদবাজারে ও দুপুরে আম্বরখানা পয়েন্টে ও শহীদ মিনারে, সন্ধ্যায় কোর্ট পয়েন্টে পৃথক প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানব অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনে বক্তরা অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের গ্রেফতার ও ফাঁসি দাবি করে বলেন, পুলিশ হেফাজতে কারো মৃত্যু কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না।

এর আগে দুপুরে নিহত রায়হানের মা সালমা বেগমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট লোকজন রেজিস্ট্রি মাঠ থেকে মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসক এম, কাজী এমদাদুল ইসলামের নিকট রায়হান হত্যাকারীদের বিচার ও দোষীদের গ্রেফতার দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছেন।

এদিকে বিকালে পাঠানটুলায় রাস্থা অবরোধ করলে পুলিশ তাদেরকে সরিয়ে দিতে গেলে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী পুলিশকে ধাওয়া করে।

অভিযোগ উঠেছে সিলেটে বন্দর বাজার ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনে মারা যান রায়হান।

নিহতের চাচা মো. হাবিবুল্লাহ জানান, ভোর রাত চারটার দিকে রায়হান একজন পুলিশ সদস্যের ফোন দিয়ে তার মায়ের মোবাইলে কল করে বলে, ‘আমারে বাঁচাও, ১০ হাজার টাকা লইয়া তাড়াতাড়ি ফাঁড়িতে আসেন। ’ এরপর পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিত হন রায়হানকে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।

মো. হাবিবুল্লাহর দাবি, কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদে ফজরের নামাজ পড়ে পাশের ফাঁড়িতে রায়হানের সন্ধানে গেলে ডিউটিরত কনস্টেবল তাকে জানান- ‘সবাই ঘুমে। সকালে আসেন। এ সময় ১০ হাজার টাকা নিয়ে তাকে ফাঁড়িতে যেতে বলা হয়।

নিহতের চাচা বলেন, পরে ৫ হাজার টাকা সংগ্রহ করে ফাঁড়িতে গেলে পুলিশ বলে রায়হান অসুস্থ। ওসমানী মেডিকেলে যান। এরপর মেডিকেল হাসপাতালের মর্গে এসে দেখেন রায়হানের লাশ। এই ঘটনায় নগরীতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

হাবিবুল্লাহ বলেন, রায়হানের পায়ের তলা ও হাঁটুর নিচসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার হাতের নখ উপড়ে ফেলা হয়েছে। ফাঁড়ির ভেতর ‘পুলিশ নির্যাতন’ করে তাকে হত্যা করেছে বলেও অভিযোগ তার।

এ ঘটনায় রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

এদিকে রায়হানের শরীরে অতিরিক্ত আঘাতের কারণেই মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. শামসুল ইসলাম। দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

ডা. শামসুল বলেন, রায়হানের শরীরে অনেকগুলো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাকে প্রচণ্ড মারধর করা হয়। এসব কারণেই তার মৃত্যু হতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে এ ব্যাপারে বিস্তারিত বলা যাবে।

বড়লেখায় উৎসর্গ ফাউন্ডেশনের বৃক্ষ রোপন ও পরিচিতি সভা অনুষ্টিত।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

উৎসর্গ ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার নব গঠিত কমিটির পরিচিতি সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন।
বৃহস্পতিবার(১৫অক্টোবর)বড়লেখা ডাক বাংলো প্রাঙ্গণে পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উৎসর্গ ফাউন্ডেশন বড়লেখা উপজেলা শাখার সভাপতি আবু হাসান রানার সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাকের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এমরান হোসেন,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক জুনেদ আহমদ,উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক মতিউর রহমান জাকের,বড়লেখা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সহ সভাপতি কামরুল হাসান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ সভাপতি আরিফুল ইসলাম আরিফ,মাসুদ আহমদ,ফারহান আহমদ সাইফ,আলী কাউছার, যুগ্মসাধারন সম্পাদক সজীব আহমদ,অনিবার্ণ দে,শেবুল আহমেদ,সালমান, আরিফুর রহমান,ফজলে রাব্বী,নিশাত, আহমদ সাকিল,সাইফুল ইসলাম, রুহুল,জুয়েল,শুভ,কামিল,মাসুম,নাহিদ,আরমান,ইমন,মাহফুজ,রুহান আলি,এপলু রহমান,আব্দুল্লা আল আমিন সহ প্রমুখ

পরিচিতি সভা শেষে সংগঠনের পক্ষ থেকে ফলজ গাছের চারা রোপন করা হয়।

বড়লেখায় টিলা কাটার দায়ে এক লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় ও দুইজন আটক।

মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধি:মৌলভীবাজারের বড়লেখায় অবৈধভাবে টিলা কেটে মাটি পরিবহনের দায়ে দুইজন ট্রাক ও ট্রাক্টর চালককে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। (১৫অক্টোবর)বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের করমপুর গ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত লায়লা নীরা।তারা হলেন ট্রাক চালক আব্দুল মুমিন ও ট্রাক্টর চালক তোফায়েল আহমদ। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের করমপুর গ্রামে প্রভাবশালীরা অবৈধভাবে প্রাকৃতিক টিলা কেটে মাটি বিক্রি করছিল। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত লায়লা নীরা পুলিশ নিয়ে সেখানে অভিযান চালান। এসময় টিলা কেটে মাটি পরিবহনের দায়ে ট্রাক চালক আব্দুল মুমিন ও ট্রাক্টর চালক তোফায়েল আহমদকে আটক করা হয়। পরে তাদেরকে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন-২০১০ অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে শাহবাজপুর তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রতন কুমার হালদার প্রমুখ সহায়তা করেন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত লায়লা নীরা অবৈধভাবে টিলা কাটার অপরাধে দুইজন পরিবহণ চালককে জরিমানা আদায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পরিবেশ রক্ষার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

চান্দ্রগ্রাম তালামিযের এস.এস.সি. ও দাখিল উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা প্রদান।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

মৌলভীবাজারেে বড়লেখার চান্দগ্রামে বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার সাবেক কেন্দ্রিয় সভাপতি মাওঃ বেলাল আহমদ বলেছেন,”যারা মেধার স্বাক্ষর রেখে উত্তীর্ণ হয়েছেন তাদের জীবনে পূর্ণ সফলতা ও স্বার্থকতা অর্জন করতে হবে। জীবনের প্রতিটি ধাপে তারা সফলতার সাথে স্বার্থকতা অর্জন করতে হবে। আর জীবনে সফল ও স্বার্থক হতে উন্নত চরিত্রের বিকল্প নেই।
তিনি অদ্য (১৪ অক্টোবর)বুধবার বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া বড়লেখা উপজেলার চান্দগ্রাম আঞ্চলিক শাখা কর্তৃক আয়োজিত দাখিল ও এস.এস.সি. উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
এ ছাড়া প্রধান বক্তার বক্তব্যে এম.সি কলেজ তালামীযের সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা কামরুল ইসলাম বাবু বলেন, মা-বাবা, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে নিজেকে মুল্যবান একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। যার মাধ্যমে দুনিয়া আখিরাত সমৃদ্ধ হবে। আর এভাবে ভবিষ্যত সাজিয়ে তুলতে লক্ষ্য স্থির করেই এগিয়ে যেতে হবে।
আঞ্চলিক শাখার সভাপতি মোঃ নাহিদ হোসাইন এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুর রহমান অপু’র পরিচালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র ক্বোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন আঞ্চলিক শাখার সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক হাফিজ আব্দুল্লাহ, নাতে রাসুল পরিবেশন করেন মোঃ মুজিবুর রহমান, শানে ফুলতলী পরিবেশন করেন করেন অত্র শাখার সদস্য মঞ্জুর আহমদ, স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাংগঠনিক সম্পাদক ইশতিয়াক আহমদ ও সংবর্ধিত ছাত্র নাইম হোসেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা আল ইসলাহ’র সহ সভাপতি মাওঃ কাজী আব্দুর রহমান, চান্দগ্রাম ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা’র প্রাক্তন প্রভাষক মাওঃ নুরুল ইসলাম, ইউকে আল ইসলাহ’র সাবেক ওয়েলফেয়ার সেক্রেটারী মাওঃ সেলিম উদ্দিন, চান্দগ্রাম ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক প্রভাষক মাওঃ নুরুল ইসলাম, উপজেলা আল ইসলাহর প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওঃ মাহবুবুল আলম, চান্দগ্রাম মাদ্রাসার শিক্ষক মাওঃ সাইদুল ইসলাম, উপজেলা আল ইসলাহ’র শিক্ষা ও সাংস্কৃতি সম্পাদক মাওঃ জয়নুল ইসলাম, সৌদি আল ইসলাহ নেতা জনাব মাহমুদ হাসান, বড়লেখা উপজেলা তালামীযের সাধারণ সম্পাদক রুবেল হোসাইন, সাবেক সভাপতি শাহীন উদ্দিন, সহ সভাপতি মাওঃ জহুরুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা সিদ্দিকুর রহমান ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ ও চান্দগ্রাম আঞ্চলিক শাখার সাবেক বর্তমান নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে দাখিল/এসএসসি কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেষ্ট ও সনদপত্র তুলে দেয়া হয়।

পরিশেষে, মাওঃ নুরুল ইসলাম এর দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি হয়।

দেশীয় প্রজাতির উদ্ভিদ রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার-পরিবেশ মন্ত্রী মো: শাহাব উদ্দিন

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার বন, বনভূমি ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় বদ্ধপরিকর। এর অংশ হিসেবে সরকার বাংলাদেশে বিলুপ্তির সম্মুখীন উদ্ভিদ প্রজাতির রেড লিস্ট প্রস্ততকরণ এবং আগ্রাসী বিদেশী গাছের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দেশজ উদ্ভিদ প্রজাতি তথা বনজসম্পদ রক্ষার কৌশলগত ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি উদ্ভাবনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এটি বাস্তবায়িত হলে আমাদের এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তা করবে।

আজ ১৪ অক্টোবর বুধবার বন অধিদপ্তরে “বাংলাদেশের উদ্ভিদ প্রজাতির জাতীয় রেডলিস্ট প্রণয়ন এবং নির্বাচিত সংরক্ষিত বনাঞ্চলের বিদেশী আগ্রাসী উদ্ভিদ ব্যবস্থাপনার উদ্ভাবন’ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী এসব কথা বলেন। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এমপি, সচিব জনাব জিয়াউল হাসান এনডিসি, অতিরিক্ত সচিব আহমদ শামীম আল রাজী, বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়ামের পরিচালক পরিমল সিংহ, সুফল প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোঃ রকিবুল হাসান মুকুল, আইইউসিএন বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ রাকিবুল আমীন প্রমুখ কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন। সভাপতিত্ব করেন প্রধান বন সংরক্ষক মোঃ আমীর হোসেন চৌধুরী।

বন মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বন অধিদপ্তরের টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পের আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম ও আইইউসিএন বাংলাদেশ কর্তৃক গৃহীত প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশে ১০০০ উদ্ভিদ প্রজাতির রেড লিস্ট প্রণয়ন সম্পূর্ণ হলে আমরা উদ্ভিদ ও বন সংরক্ষণে একটি বড় ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবো। তিনি বলেন, আমরা এরই মধ্যে প্রায় ৪০ টির অধিক জাতীয় উদ্যান ও অভয়ারণ্য ঘোষণা করেছি যা বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বনায়ন সম্প্রসারণে বেসরকারী এবং ব্যক্তি উদ্যোগে রোপণকৃত বিদেশী উদ্ভিদ প্রজাতির একটি বড় অংশ দেশীয় উদ্ভিদের অস্তিত্বের জন্য বিপদজনক হয়ে দাড়িয়েছে।

মন্ত্রী জানান, এই প্রকল্পের একটি বড় কাজ হলো বিদেশী প্রজাতির উদ্ভিদ চিহ্নিতকরণ এবং আগ্রাসী উদ্ভিদ সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য ৫টি ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান প্রণয়ন করা।বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে সুফল প্রকল্পের আওতাধীন কর্মসূচিটির সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের বন ও পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে মর্মে মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এলক্ষ্যে তিনি সবাইকে সরকারের সাথে বন-বন্যপ্রাণি ও পরিবেশ রক্ষায় একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। দেশের জনগণ যার যার অবস্থান থেকে সাধ্যমত কাজ করার মাধ্যমে পরিবেশগত উন্নয়নে আমাদের দেশ পৃথিবীতে রোল মডেল হিসেবে স্থান করে নিবে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কর্মশালার ২য় পর্বে ‘বাংলাদেশের উদ্ভিদ প্রজাতির জাতীয় রেডলিস্ট প্রণয়ন’ এবং ‘ বিদেশী আগ্রাসী উদ্ভিদ ব্যবস্থাপনা কৌশলপত্র প্রণয়ন ‘ শীর্ষক দুটি কর্ম অধিবেশনে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

শাহবাজপুর বেরেঙ্গাপুঞ্জিতে অভিযান চালিয়ে দুই মাদকসেবীকে আটক।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে ২ মাদকসেবীকে আটক করেছে শাহবাজপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ। মঙ্গলবার ( ১৩ অক্টোবর) রাত পৌনে নয়টার দিকর ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের বেরেঙ্গা পানপুঞ্জি এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের উভয়কে ৬ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছে, সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার পৌর শ্রীধরা গ্রামের মৃত মকবুল আলীর ছেলে রুহুল আমিন জিবুল(৩১) ও একই উপজেলার লাউতা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাড়িয়াবহর গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে মাসুম আহমদ(৩৪)।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে , গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে শাহবাজপুর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের বেরেঙ্গা পানপুঞ্জি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন । অভিযানকালে মাদক সেবনরত অবস্থায় ২ জনকে আটক করে। এ সময় তাদের কাঁছ থেকে ৪’শ গ্রাম দেশীয় চোলাই মদ ও পাঁচ পুরিয়া গাঁজাসহ মাদকসেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাদের প্রত্যেককে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম আল ইমরান।

বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম আল ইমরান বিষয়টি মঙ্গলবার রাতে ৯টায় নিশ্চিত করে বলেন, আটককৃত ২ মাদক সেবীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৬ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে এবং জব্দকৃত মাদক ধ্বংস করা হয়েছে।

বড়লেখায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন।

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

“মুজিব বর্ষের শপথ, সড়ক করবো নিরাপদ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২০ উপলক্ষে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) বড়লেখা উপজেলা শাখার মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

রবিবার (১১ অক্টোবর) বিকাল ৪ ঘটিকায় মৌলভীবাজারের বড়লেখা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিসচা উপজেলা আহ্বায়ক তাহমীদ ইশাদ রিপনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আইনুল ইসলামের সঞ্চলনায় স্টিকার ও লিফলেট বিলির মাধ্যমে মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বড়লেখা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নিসচা বড়লেখা’র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বড়লেখা উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব এম. এম আতিকুর রহমান, উপদেষ্টা সাংবাদিক সুলতান আহমদ খলিল।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহঃ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হান্নান, নিসচা বড়লেখার উপদেষ্টা ও ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আহাদ, ট্রাফিক সার্জন সাইদুল ইসলাম, আলভীন রেস্টুরেন্টের পরিচালক প্রভাষক তারেক আহমদ, হানিফ মোবাইল ও বিকাশ কাস্টমার কেয়ার সত্ত্বাধিকারী নাট্যকর্মী হানিফ পারভেস, বড়লেখা মানবসেবা সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম শুভ, সহ প্রচার সম্পাদক তুহিন আহমদ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নিসচা বড়লেখা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহমান, মার্জানুল ইসলাম মার্জান, কার্যকরী কমিটির সদস্য আব্দুল আজিজ, মাস্টার খালেদ আহমদ, মাওলানা মাছুম আহমদ, রমা কান্ত দাস, আলী হোসেন, রাকিবুল ইসলাম, ইশহাক আহমদ, ছাত্রনেতা আব্দুল্লাহ আল নোমান, জামাল উদ্দিন প্রমুখ।

উল্লেখ্যঃ জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) বড়লেখা উপজেলা শাখা জনসচেতনতামূলক স্টিকার লাগানো, ট্রাফিক ক্যাম্পেইন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, সকল সড়ক দ্রুত সংস্কারের দাবিতে স্মারকলিপি পেশ,
জনসচেতনতা’র লক্ষে চালক ও যাত্রীদের মধ্যে মাক্স বিতরণ, পরিবহন শ্রমিকদের সাথে মতবিনিময় সভা, ২২ অক্টোবর জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, নিসচা প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চনের সহধর্মিণী মরহুমা জাহানারা কাঞ্চনের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত নিহতদের জন্য দোয়া মাহফিল, বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ সড়কের পাশে জনসচেতনতা মূলক সাইনবোর্ড স্থাপন, সড়ক আইন সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রচারণা, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পরিবার’গুলোর সাথে সৌজন্যেমূলক সাক্ষাৎ ও সার্বিক খোঁজ-খবর রাখা সহ মাসব্যাপী নানাবিধ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

বড়লেখায় মহিলা আওয়ামীলীগের কর্মী সমাবেশ অনুষ্টিত।


নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ২নং দাসের বাজার ইউ/পিঃ (মহিলা) আওয়ামীলীগের উদ্দ্যোগে(১১অক্টোবর) রবিবার পশ্চিম শংকরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক মহিলা কর্মী সমাবেশের আয়োজন করা হয়,এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা (মহিলা) আওয়ামীলীগের সভাপতি মোছাঃজেবিন নাহার (জেলী)এছাড়া ইউ/পিঃ ও ওয়ার্ড মহিলা দায়িত্বশীলবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন, প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন,কোনো দেশ যখন বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়ে তখন প্রয়োজন হয় শক্ত, দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্বের। ১৯৭৫ সালে বড় ধরনের জাতীয় বিপর্যয়ের মুখে পড়ে নেতৃত্বের অভাবে দিশাহারা হয়ে পড়েছিল বাঙ্গালী জনগোষ্টি এবং এ বাংলাদেশ। এই দুঃসময়ে নেতৃত্বের এই অভাব পূরণ করেছেন বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।একটানা চার দশক মৃত্যুর সঙ্গে লড়ার সাহস দেখিয়ে তিনি আজ দেশের শক্তিশালী নেতৃত্বের অভাব পূরণ করেছেন।গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছেন। ছোট ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিশ্বের বিশাল পরিধিতে তিনি পরিচিত ও আলোচিত।বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত কে মজবুদ করার লক্ষে আমরা কাজ করে যাচ্ছি,আজ দেশ ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত,আসুন আমরা জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে লালন করি,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করি।জয় বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজ্ঞিবী হোক।বড়লেখায়(মহিলা)আওয়ামীলীগের কর্মী সমাবেশ অনুষ্টিত
নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ২নং দাসের বাজার ইউ/পিঃ (মহিলা) আওয়ামীলীগের উদ্দ্যোগে(১১অক্টোবর) রবিবার পশ্চিম শংকরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক মহিলা কর্মী সমাবেশের আয়োজন করা হয়,এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা (মহিলা) আওয়ামীলীগের সভাপতি মোছাঃজেবিন নাহার (জেলী)এছাড়া ইউ/পিঃ ও ওয়ার্ড মহিলা দায়িত্বশীলবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন, প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন,কোনো দেশ যখন বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়ে তখন প্রয়োজন হয় শক্ত, দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্বের। ১৯৭৫ সালে বড় ধরনের জাতীয় বিপর্যয়ের মুখে পড়ে নেতৃত্বের অভাবে দিশাহারা হয়ে পড়েছিল বাঙ্গালী জনগোষ্টি এবং এ বাংলাদেশ। এই দুঃসময়ে নেতৃত্বের এই অভাব পূরণ করেছেন বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।একটানা চার দশক মৃত্যুর সঙ্গে লড়ার সাহস দেখিয়ে তিনি আজ দেশের শক্তিশালী নেতৃত্বের অভাব পূরণ করেছেন।গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছেন। ছোট ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিশ্বের বিশাল পরিধিতে তিনি পরিচিত ও আলোচিত।বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত কে মজবুদ করার লক্ষে আমরা কাজ করে যাচ্ছি,আজ দেশ ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত,আসুন আমরা জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে লালন করি,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করি।জয় বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজ্ঞিবী হোক।

অপরাধীদের শাস্তি হবেই, কেউ রেহাই পাবে না- আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন এমপি


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন এমপি বলেছেন, আইন সংশোধন করে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইনমন্ত্রীকে নির্দেশনা দিয়েছেন।অপরাধীদের শাস্তি হবেই।কেউ রেহাই পাবে না। ধর্ষকদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। তাদের কেউ আশ্রয়-প্রশ্রয় দিবেন না। পক্ষ নিবেন না। সামাজিকভাবে বর্জনের পাশাপাশি পারিবারিকভাবেও বর্জন করতে হবে। কোনো বিবেকবান মা-বাবা, স্বজন এদের আশ্রয় দিতে পারেন না। জঘন্যতম এই অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণে রাখার একমাত্র পথই হচ্ছে এদের বর্জন করা।

রোববার দুপুরে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নের পাকশাইল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রের কাজ বাস্তবায়ন করছে।৩ কোটি ৪৮ লাখ ৫৬ হাজার টাকা ব্যায়ে।

বড়লেখা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউএনও মো. শামীম আল ইমরান। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত লায়লা নীরা, পৌরসভার মেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সুন্দর, ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার, উপাধ্যক্ষ একেএম হেলাল উদ্দিন, প্রফেসার (অব:) বিধান চন্দ্র দাস, ইউপি চেয়ারম্যান আহমেদ জুবায়ের লিটন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. উবায়েদ উল্লাহ খান।

সম্প্রতি বড়লেখায় তরুণী ধর্ষণ ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে পরিবেশমন্ত্রী আরো বলেন, ‘জঘন্যতম এ ঘটনায় জড়িত দু’জনকে পুলিশ কারাগারে পাঠিয়েছে। এদের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া দরকার। এমসি কলেজ হোষ্টেলে ধর্ষণের ঘটনায় সিলেটবাসীর মুখে কালিমা লেগেছে। মানুষ প্রতিবাদ করছে। ঢাকা থেকে পায়ে হেটে কয়েকজন যুবক সিলেট এসেছেন প্রতিবাদ জানাতে।

বিনা ভোটের সরকারের সন্ত্রাসী ধর্ষণের মহা উৎসব পালন করছেঃ অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান

মোঃইবাদুর রহমান জাকির বড়লেখা প্রতিনিধিঃ

দেশের বর্তমান পরিস্হিতির প্রতিবাদে বিএনপি কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসুচির অংশ হিসাবে (৮অক্টোবর) বিকালে বড়লেখার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন বিএনপি,যুবদল,ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে স্হানীয় ইউপি অফিসের সামনে অনুষ্টিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য ও বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান বলেন,” বিনা ভোটে নির্বাচিত এই অথর্ব সরকারের সার্বিক ব্যর্থতায় দেশ আজ একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিনত হতে চলেছে।নারী ও শিশু ধর্ষন পাক হানাদার বাহিনীকেও হার মানাচ্ছে।সার্বিক দিক বিবেচনায় বলা যায় দেশে ‘৭২-‘৭৪ এর পরিস্থিতি বিরাজ করছে,১২৮বছরের (এমসি) কলেজের সোনালী ইতিহাসকে কলংকিত করেছে,নোয়াখালী বেগমগঞ্জের বধুকে ধর্ষণ করেছে, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা তাই এখনি আমাদের এর বিরুদ্ধে সর্বাত্বক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।”
ইউনিয়ন বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাক তাপাদার কাননের সঞ্চালনায় অনুষ্টিত এই বিক্ষোভ সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক মখলিছুর রহমান,যুববিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম,যুবদল নেতা আলিম উদ্দিন,আদনান ওয়াহিদ মিশু, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক খায়রুল ইসলাম সবুজ,১নং সদস্য জুনেদ আহমদ,ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সি. যুগ্ম আহবায়ক শাহিন আহমদ প্রমূখ।

বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে উপস্হিত ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দিন জমির,সহ সভাপতি তফজ্জুল ইসলাম, আনোয়ার হুসেন,সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদির,ক্রীড়া সম্পাদক আব্দুল হাছিব,ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আব্দুস শুক্কুর, বড়লেখা ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য মাজহারুল ইসলাম,তারেক মুন্না, আতিকুর রহমান সহ বিপুল সংখ্যক নেতা কর্মী।

বড়লেখায় চা শ্রমিকের মধ্যে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ।


মোঃইবাদুর রহমান জাকিরঃ

মৌলভীবাজারের উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় বড়লেখার আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সমাজসেবা অধিদফতর কর্তৃক চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ১৮৭৯ জন চা শ্রমিকদের মধ্যে ৫,০০০ টাকা করে সর্বমোট ৯৩,৯৫,০০০ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

আজ ৮ অক্টোবর বিকেলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চেক বিতরণ এর উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ,বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আলহাজ্ব মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি। পৃথক আরেক অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসন, বড়লেখা কর্তৃক সরকারের বিভিন্ন সংস্থার অর্থায়নে গৃহহীন /দুঃস্থ/অসহায় ২৬২ টি পরিবারের জন্য বাস্তবায়িত ঘরের চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বড়লেখা মোঃ শামীম আল ইমরান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দুটি অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ, বড়লেখার চেয়ারম্যান সোয়েব আহমেদ, বড়লেখা পৌরসভার মেয়র আবুল ইমাম মোঃ কামরান চৌধুরী, উপজেলা পরিষদ, বড়লেখার সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম সুন্দর প্রমুখ। অনুষ্ঠান দুটি পরিচালনা করেন উপজেলা পরিষদ, বড়লেখার ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ তাজ উদ্দিন।

৭ মাস পর নির্বাচনী এলাকায় মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন হাজারো মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত।

মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

দীর্ঘ ৭ মাস পর মাননীয় বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন ফিরলেন নিজ নির্বাচনী এলাকায়। এনিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী এলাকার মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা বিরাজ করছে। করোনা আক্রান্ত হয়ে যখন হাসপাতালে ছিলে তখন এলাকার মানুষের মধ্যে বিরাজ করছিল ব্যাপক দুশ্চিন্তা। হাজার হাজার লোক আজ তাদের প্রিয় নেতাকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত। বরণ করে নিল ফুলেল শুভেচ্ছায়।

আজ মাননীয় মন্ত্রী সিলেটে এসে প্রয়াত মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান এর মাজার জিয়ারত করে নিজ এলাকায় ফিরলেন, দলমত নির্বিশেষে সকলের ভালবাসায় সিক্ত হলেন, নিজেও হলে পড়লেন ভীষন আবেগাপ্লুত।

মাননীয় মন্ত্রীকে বড়লেখা এবং বিয়ানীবাজার সীমান্তবর্তী সুনাই নদীর ব্রিজের আপামর জনসাধারণ ও নেতাকর্মী ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।এসময় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা চেয়ারম্যান সুয়েব আহমদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সুন্দর, উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা এবং জুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার গণ, বড়লেখা পৌর মেয়র আবু ইমাম কামরান চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ তাজ উদ্দীন, জুড়িও বড়লেখা উপজেলা অফিসার্স ইনচার্জ, উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দ।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ সহ হাজার হাজার সাধারণমানুষ। এসময় মন্ত্রীকে সর্বসাধারণের মানুষ সামাজিক দূরত্ব মেনে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।

মন্ত্রী পরবর্তীতে বড়লেখায় পৌঁছে প্রথমেই প্রথমেই উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রয়াত ও সহ-সভাপতি নিমার আলী ও ফয়েজ আলি এবং সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত আনোয়ার উদ্দিনের কবর জিয়ারত করার মাধ্যমে তাঁর কর্মসূচি শুরু করেন। মাননীয় মন্ত্রী উপস্থিত নেতাকর্মীরা এবং সাধারন মানুষের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি অসুস্থ থাকাকালীন সময়ে আপনার যেভাবে আমার জন্য দোয়া করেছেন আমি আপনাদের কাছে চির কৃতজ্ঞ হয়ে থাকব এবং আবার উনার জন্য দোয়া কামনা করেন।

বড়লেখার কালিকাবাড়ী চা বাগান থেকে ১৪ লিটার চোলাই মদসহ আটক২

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ১৪ লিটার চোলাই মদ ও মদ তৈরির বিভিন্ন উপকরণসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে শাহবাজপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ। ২৯ সেপ্টম্বর মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের কালিকাবাড়ি চা বাগান থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটকৃতরা হলেন- উপজেলার ৪নংউত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের কালিকাবাড়ি চা বাগানের বজ্রনাথ রবি দাসের পুত্র সন্তোস রবি দাস (৩৪) ও সায়পুর গ্রামের মনু মিয়ার পুত্র কাজল মিয়া (৫৫)।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শাহবাজপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে উপ-পরিদর্শক (এসআই) রতন কুমার হাওলাদার ও সহকারি উপ-পরিদর্শক (এএসআই) তাজুল ইসলামসহ একদল পুলিশ উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের কালিকাবাড়ি চা বাগানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করেন। এ সময় সন্তোস রবি দাসের বসত ঘর থেকে ১৪ লিটার চোলাই মদ এবং মদ তৈরির বিভিন্ন উপকরণ ও কাঁচামাল জব্দ করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শাহবাজপুর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে ১৪ লিটার চোলাই মদ ও মদ তৈরির বিভিন্ন উপকরণসহ দু’জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত সন্তোস রবি দাস দীর্ঘদিন থেকে তাঁর বসত ঘরে মদ তৈরি করে আসছিলেন। সেখানে বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদকসেবীরা মাদক সেবন করতে আসতেন। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আটককৃতদের বুধবার আদালতে প্রেরণ করা হবে।

এমসি কলেজের সাবেক তিন ছাত্র সংসদের দায়িত্বশীলের বিবৃতি।

আমরা ধর্ষকদের কলেজ থেকে স্হায়ী বহিষ্কার ও দৃষ্টান্ত স্হাপনে ট্রাইবুন্যালের মাধ্যমে বিচার নিশ্চিতের দাবী করছি ;-
সিলেট এমসি কলেজ ছাত্র সংসদের সর্বশেষ নির্বাচিত ভিপি আসাদুজ্জামান চৌধুরী পাপ্পু, জিএস ওমর মোহাম্মদ আশরাফ ইমন ও এজিএস মো. আব্দুস সহিদ খান ছাত্র সংসদের পক্ষে এক বিবৃতিতে কলেজ হুস্টেলে স্বামীকে নিয়ে বেড়াতে গিয়ে গনধর্ষনের স্বীকার হওয়ার ঘটনাকে শতবর্ষী এ কলেজের অর্জনের ইতিহাসের বিপরীতে সবচেয়ে কলঙ্কময় ঘটনা হিসাবে উল্লেখ করেছেন।বিবৃতিতে ছাত্র সংসদ কালবিলম্ব না করে কোনো ধরনের তদন্ত ছাড়া স্টাপ কাউন্সিলের সভা করে কিংবা অধ্যক্ষ তাঁর নির্বাহী ক্ষমতাবলে মিডিয়া দ্বারা চিহ্নিত ধর্ষকদের কলেজ থেকে স্হায়ীভাবে বহিষ্কার করার দাবী জানাচ্ছে। ছাত্র সংসদ চিহ্নিত ধর্ষকদের অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় এনে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী মহলের প্রতিও জোর দাবী জানাচ্ছে।ছাত্র সংসদ মনে করে ঐতিহ্যবাহী এ হুস্টেলে হঠাৎ করে এ ধরনের ঘঠনা ঘটতে পারে না, নিশ্চয় সংশ্লিষ্ট ব্লকের সুপার এবং হুস্টেলের ব্লকগুলোর সুপারদের নৈতিক ও শৃঙ্খলা রক্ষাজনিত ত্রুটি এর জন্য দায়ী, তাই তদন্তপূর্বক এই রহস্যও উদঘাঠন করা প্রয়োজন এবং তদন্তের স্বার্থে এবং নৈতিক প্রশ্নে সংশ্লিষ্ট হুস্টেল সুপারের পদত্যাগ এবং ঘটনার ব্যাখা প্রদান প্রয়োজন। ছাত্র সংসদ আরো মনে করে এই বিশাল কলেজের সার্বিক নিরাপত্তা বিধান এবং সংশ্লিষ্ট সকলের দায়িত্ব পালনের বিষয়টি মনিটরিং করা মাননীয় অধ্যক্ষের অন্যতম দায়িত্ব ;তাই সিলেটবাসী ও কলেজের সাবেক ও বর্তমান ছাত্র- ছাত্রী সৃষ্ট ঘটনায় স্যারের গৃহীত পদক্ষেপ সহ ব্যাখ্যা দাবী করছে।

বিজ্ঞপ্তি

বড়লেখায় মাদ্রাসার ছাত্রদের মাঝে ইউনিফর্ম বিতরণ।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

শাহবাজপুর ব্লাড ডোনেট ক্লাবের সহযোগিতায় ও আমেরিকা প্রবাসী সুহেল আহমদ এর অর্থায়নে বড়লেখার শাহবাজপুর “দারুর রাশাদ লিডিং মাদ্রাসার” ছাত্রদের মাঝে ইউনিফর্ম (পাঞ্জাবী ও পায়জামা)উপহার হিসেবে বিতরণ করা হয়।

(২৬সেপ্টম্ভর)শনিবার,দুপুর ২ঘটিকায় দারুর রাশাদ মাদ্রাসায় এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।উক্ত অনুষ্ঠানে

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শাহবাজপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এস আই রতন হাওলাদার,
শাহবাজপুর দারুর রাশাদ লিডিং মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা মামুন আশরাফ,ইমাম মোয়াজ্জিম কল্যাণ পরিষদের সেক্রেটারি মাওলানা নুর ইসলাম খান,শাহবাজপুর রেলওয়ে জামে মসজিদের ইমাম মাও.নজরুল ইসলাম,মাওলানা আব্দুল্লা,সমাজসেবক সোলেমান হোসেন,ইমান উদ্দিন বলাই,
শাহবাজপুর ব্লাড ডোনেট ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তোয়াহিদুর রহমান টিপু,প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক মতিউর রহমান জাকের, ব্যবসায়ী আরিফ আহমদ,রিপন আহমদ,ছাত্রনেতা ছাব্বির আহমদ,শাহবাজপুর ব্লাড ডোনেট ক্লাবের সহ সভাপতি শামিম আহমদ,দায়িত্বশীল শারজাদ হোসেন শুভ, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক জাহিদ আহমদ,দেলোয়ার হোসেন, রিমন আহমদ,আব্দুল্লা আল আমিন সহ প্রমুখ।

অনুষ্টান শেষে প্রধান অতিথি আহমদ জুবায়ের লিটন ও শাহবাজপুর ব্লাড ডোনেট ক্লাবের সভাপতি তোয়াহিদুর রহমান টিপু,সম্পাদক মতিউর রহমান জাকের এর হাতে মাদ্রাসার পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্র বৃন্দ।

বড়লেখায়ঃ দক্ষিন দৌলতপুর যুব সমাজের উদ্দোগে আর্থিক সহযোগীতা প্রদান।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মৌলভী বাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার ৩নং নিজ বাহাদুরপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর (দক্ষিণ) যুব সমাজের উদ্যোগে(২৪শে সেপ্টম্বর),বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় স্হানীয় দক্ষিণ দৌলতপুর পান্জেগানা মসজিদের সামনে দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রামের অসচ্ছল, অসহায় হতদরিদ্র ৭০ জন মানুষের মাঝে নগদ অর্থ (৫০০টাকা) খামের ভিতর ভরে বিতরণ করা হয়।
দৌলতপুর (দক্ষিন) যুব সমাজের আহবায়ক ব্যবসায়ী আব্দুন নুরের সভাপতিত্বে যুগ্ম-আহবায়ক জামিল আহমদের পরিচালনায় নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রামের বিশিষ্ট মুরুব্বি ফারুক আহমেদ,মাসুক আহমদ,লন্ডন প্রবাসী হাজী মজির উদ্দিন মনু,মতছিন আলী,হাজী আজির উদ্দীন,সামছ উদ্দীন চুনু, তাজ উদ্দীন,আলমাছ আলী,দোয়াদ আলী,আব্দুশ শুকুর,হারুনুর রশিদ,সিরাজ উদ্দীন,ছায়াদ আলী,আলতাফ হোসেন,ইন্দ্র মোহন বিশ্বাস,বিরেন্দ্র বিশ্বাস,কাতার প্রবাসী জাবের আহমদ,জামিল আহমদ,কামরুল ইসলাম,সামছুদ্দোহা মন্জু,মারজান আহমদ,আব্দুল্লাহ, আমির আলী প্রমূখ।

দৌলতপুর(দক্ষিন)যুব সমাজের আহবায়ক ব্যবসায়ী আব্দুন নুর জানান আমাদের যে রকম সাহায্যের হাত নিয়ে অতীতে ছিলো,ভবিষ্যতে ও থাকবে ইনশাআল্লাহ। নগদ অর্থ সহ খাদ্য সামগ্রীয় বিতরণ সহ গ্রামের নানা উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে থাকবে অংশিধারিত্ব।

বড়লেখায় দুই ইউনিয়নের উপ নির্বাচনে৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা।


মোঃইবাদুর রহমান, জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দুইটি ইউনিয়নের দুইটি ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য পদে ৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বুধবার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রির্টানিং অফিসার সাদেকুর রহমানের কাছে তারা মনোনয়নপত্র জমা দেন। আগামী ২০ অক্টোবর দুইটি সাধারণ আসনের শূন্যপদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বড়লেখা সদর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের শূন্য ইউপি সদস্য পদে ৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন-আব্দুস ছালাম, আব্দুস সহীদ ও সজল দে।

অপরদিকে দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের শূন্য ইউপি সদস্য পদে ৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন-বেলাল আহমদ, জাফর ইকবাল, ময়নুল ইসলাম মনু ও শ্যামল রঞ্জন পাল।

বড়লেখায় ‘সিএনআরএস’ প্রকল্পের আওতায় ৯৪নারীদের মধ্য সেলাই মিশিন বিতরণ।


মোঃইবাদুর রহমান জাকিরঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় আয় বৃদ্ধিমূলক কাজের জন্য (২২সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার দুপুরে সেভ দ্যা চিলড্রেনের অর্থায়নে ও বেসরকারি সংস্থা সেন্টার ফর ন্যাচারাল রিসোর্স স্টাডিজের (সিএনআরএস) সূচনা প্রকল্পের ৯৪ জন উপকারভোগী দুস্থ মহিলা ও কিশোরীকে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।

উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুিষ্ঠত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরানের সভাপতিত্বে ও সূচনার প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী সৈয়দ আব্দুস সামাদের সঞ্চালনায় সেলাই মেশিন বিতরণের সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মুহাম্মদ তাজ উদ্দিন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা উবায়েদ উল্লাহ খান, সমাজসেবা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শামসুন্নাহার, সাংবাদিক আব্দুর রব, তপন কুমার দাস, ইউপি সদস্য হিফজুর রহমান প্রমুখ। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সুচনা প্রকল্পের সিনিয়র ম্যানেজার মাহবুব হাসান।

বড়লেখায় আওয়ামীলীগের তিন নেতার স্বরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌরসভার বাসিন্দা উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি নিমার আলী, ফৈয়াজ আলী ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিন স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পৌরসভা মিলনায়তনে বড়লেখা পৌর পরিষদ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে। দোয়া ও মিলাদ মাহফিল উপলক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন পৌরসভার মেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী। পৌরসভার কাউন্সিলর রেহান পারভেজ রিপনের উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সুন্দর,নিমার আলীর ভাতিজা উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন, ফৈয়াজ আলীর ভাতিজা আতাউর রহমান প্রমুখ। দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মনোয়ার হোসেন মাহমুদী। এ সময় উপজেলা আওয়ামীলীগ ও যুবলীগ নেতৃবৃন্দ, পৌরসভার কাউন্সিলর ও নাগরিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বড়লেখায় চোরাইকৃত কম্পিউটার- মুঠোফোনসহ ৫ চোর আটক।


বিশেষ প্রতিনিধিঃ

বড়লেখায় চোরাই কম্পিউটার- মুঠোফোনসহ ৫ চোর আটক করে পুলিশ।
রাতের আঁধারে একটি দোকানের তালা ভেঙে একটি কম্পিউটার, পাঁচটি মুঠোফোন ও নগদ কিছু টাকা নিয়ে গিয়েছিল চোরেরা। দোকান চুরির ঘটনায় দোকান মালিক দারস্থ হন পুলিশের। দোকান মালিকের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েই চোরদের গ্রেফতারে নামে পুলিশ। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে এক চোরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর একে একে আরও চার চোর ধরা পড়ে পুলিশের জালে। তাদের দেওয়া তথ্যে উদ্ধার করা হয়েছে কম্পিউটার ও পাঁচটি মুঠোফোন।

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় দোকানের তালা ভেঙে চুরি করে নিয়ে যাওয়া কম্পিউটার ও মুঠোফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় জড়িত পাঁচ চোরকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে তাদের উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন-উপজেলার ৭নং তালিমপুর ইউনিয়নের তালিমপুর গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে হালিমুর রশীদ হালিম (২০),৬নং বড়লেখা সদর ইউনিয়নের গঙ্গারজল গ্রামের শফিক উদ্দিনের ছেলে জহির আহমদ (২১), একই এলাকার আব্দুল খালিকের ছেলে সুজন আহমদ (২২), জফরপুর গ্রামের মৃত মনির আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম (৪০) ও ৩নং নিজবাহাদুরপুর ইউনিয়নের চান্দগ্রামের মৃত মখদ্দছ আলীর ছেলে সাইদুল ইসলাম (২২)।

পুলিশ ও লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার দিবাগত রাতে বড়লেখা ডিগ্রি কলেজ এলাকার উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদের মার্কেটের ব্যবসায়ী আশীষ চন্দ্র নাথের অন্নপূর্ণা এন্ড আঁখি ফটোস্ট্যাট ও কম্পিউটারের দোকানে চোর হানা দেয়। চোরেরা দোকানের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশে করে একটি ডেক্সটপ কম্পিউটার, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পাঁচটি মুঠোফোন ও ক্যাশবক্স ভেঙে নগদ ৪ হাজার ৮০০ টাকা নিয়ে যায়। পরদিন ১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ভোরে স্থানীয়রা দোকান মালিক আশীষ চন্দ্র নাথকে জানান তার দোকানের শার্টার খোলা। পরে তিনি দোকানে এসে দেখেন তার দোকানের তালা ভাঙা ও শার্টার খোলা। ভেতরে প্রবেশ করে দেখেন দোকানের একটি ডেক্সটপ কম্পিউটার, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পাঁচটি মুঠোফোন ও ক্যাশবক্স থাকা নগদ টাকা ৪ হাজার ৮০০ টাকা নেই। এই ঘটনায় তিনি ওইদিনই থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনাটি তদন্তে নামে পুলিশ। এরপরই গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বড়লেখা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুব্রত কুমার দাস ও সহকারি পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) কামাল হোসেন গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চুরির সঙ্গে জড়িত হালিমুর রশীদ হালিমকে গ্রেফতার করেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একে একে জহির আহমদ, সুজন আহমদ ও শফিকুল ইসলাম গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যমতে চুরি হওয়া কম্পিউটার ও মুঠোফোন চান্দগ্রাম বাজারের আরিয়ান টেলিকম থেকে উদ্ধার এবং দোকান মালিক সাইদুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।

বড়লেখা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুব্রত কুমার দাস শুক্রবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দোকান মালিকের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনাটি তদন্তে নেমে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হালিমকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একে একে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার চুরির কথা স্বীকার করে হালিমুর রশীদ হালিম ও জহির আহমদ আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দি শেষে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বড়লেখায় প্রবাসী মানবিক ঐক্য ফান্ডের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু।

সমছ উদ্দিন সৌদি থেকেঃ
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা বড়লেখার প্রবাসীদের কল্যাণে প্রবাসীদের নিয়ে সংগঠিত “বড়লেখা প্রবাসী মানবিক ঐক্য ফান্ড” নামে এক‌টি সমিতি কেন্দ্রিক সংগঠনের কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।

বড়লেখা উপজেলার সুপরিচিত সামাজিক সংগঠন বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান সৌদি আরব প্রবাসী জনাব মাহতাব আল মামুন এর উদ্যোগে মানবিক চিন্তাধারায় এই সংগঠন করা হয়।

প্রবাসীদের নিয়ে গঠিত সংগঠনের প্রতিষ্টাতা জনাব মাহতাব আল মামুনের কাছে সংগঠন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি দৈনিক বড়লেখাকে জানান শুধুমাত্র বড়লেখার কিছুসংখ্যক প্রবাসীদের কল্যাণের কথা চিন্তা করে এই প্রবাসী মানবিক ফান্ড তৈরি করার উদ্যোগ নিয়েছি।বিভিন্ন সময় দেখা যায় অনেক প্রবাসী দেশে যাওয়ার পর অর্থনৈতিক সমস্যার মধ্যে পড়েন। তাছাড়াও প্রবাসীরা সবার বিপদে সবসময় এগিয়ে আসলেও প্রবাসীদের বিপদে তেমন কাউকে এগিয়ে আসতে দেখা যায়না।এদের পিছনে আর্থিকভাবে সমর্থন দেয়ার মতো কাউকে পাওয়া যায় না। সাময়িক অসুবিধাগ্রস্ত সেই প্রবাসীদের সাহায্য করার চিন্তা থেকে এই সংগঠন তৈরি করা।

শুক্রবারে (১৮সেপ্টেম্বর২০) সংগঠনের এক বছরের জন্য কার্যকরী কমিটির দায়িত্বশীল সহ সকল সদস্যগণের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়।

নবগঠিত পরিচালনা পরিষদের পরামর্শক হিসেবে জনাব আব্দুল মালিক, জনাব মাসুম উদ্দিন, জনাব সামসুল ইসলাম (শিপন)কে নির্বাচিত করা হয়।

কার্যকরী পরিষদে রয়েছেনঃ

চেয়ারম্যান জনাব মাহতাব আল মামুন।
সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান জনাব শাহীন আহমেদ
মহাসচিব জনাব আবু হাসান
,যুগ্ম মহাসচিব জনাব শাহীন আহমেদ (জুনিয়র)।
আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জনাব কামাল আহমদ।
সহকারী আন্তর্জাতিক জনাব হোসাইন আহমেদ।
পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক জনাব জামিল আহমেদ।
সহকারী সম্পাদক ” জনাব আসফাক আহমেদ।
তথ্য বিষয়ক সম্পাদক জনাব ওলিউর রহমান লাল।
সহকারী জনাব জুবায়ের আহমেদ।
মিডিয়া বিষয়ক সম্পাদক জনাব আরমান জায়েদ।

এ ছাড়াও সংগঠনের প্রতিনিধি হিসেবে দেশে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন জনাব সিরাজুল ইসলাম শিরুল, জুবায়ের আহমেদ দিলশাদ।

তাছাড়া সদস্য হিসেবে আছেন, জনাব আব্দুল হক, আব্দুল জলিল, খছরুল আমীন, হাসান আহমেদ, আলী হোসেন, জয়নুল ইসলাম, জাহেদ হোসাইন, সাহেদ আহমেদ (সিনিয়র), সাহেদ আহমেদ( জুনিয়র), জুনেদ আহমেদ, জিয়াউর রহমান, মাহমুদুর রহমান, সতেজ আহমেদ, রায়হান আহমেদ, আমিনুল ইসলাম, আলী আহমেদ।

বড়লেখায় দুর্বার স্কাউট দলের নেতৃত্বে চতুর্থ দফায় সাবান ও মাস্ক বিতরণ।

নিজস্ব সংবাদ: দুর্বার মুক্ত স্কাউট দল বড়লেখার একটি চৌকস সামাজিক সংগঠন। করোনা সহ যাবতীয় সামাজিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তারা বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকে। করোনা মহামারী শুরু থেকেই তারা সাধারণ মানুষের পাশে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি নিয়ে এসেছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ ভাগ ও রতুলি বাজারে সাবান এবং মাস্ক বিতরণ কার্যক্রম করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব শামীম আল ইমরান এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিকশিক্ষা কর্মকর্তা হাওলাদার আজিজুল ইসলাম, পি আই ও ওবায়দুল্লা খান, শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান আহমেদ জুবায়ের লিটন, দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মইনুল ইসলাম, দক্ষিণ ভাগ উওর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এনাম উদ্দিন, তালিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিদ্যুৎ কান্ত দাস, পরিচালনা করেন মোহাম্মদ নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজিম উদ্দিন,পরবর্তীতে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাব মোঃ তাজউদ্দীন এর নেতৃত্বে উক্ত স্থানে মাস্ক বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। এসময় দক্ষিণভাগ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ আজির উদ্দিন ও রতুলি বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইদুল রহমান সাইদুল উপস্থিত ছিলেন।

বড়লেখায় মোবাইল কোর্টে ৮টি দোকানে ২৩,০০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায়র


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার,বড়লেখা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শামীম আল ইমরান ১৭সেপ্টেম্ভর বিকালে বড়লেখা পৌরসভার হাজীগঞ্জ বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের বাজার মনিটরিং করেন। এসময় মূল্য তালিকা না টানানো, এবং টানানো মূল্য তালিকা অস্পষ্ট ও প্রকাশ্য স্থানে না রাখা, অধিক মূল্যে দ্রব্য বিক্রি করা ইত্যাদি কারণে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আট টি মামলায় ২৩,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এস আই প্রভাকর রায়ের নেতৃত্বাধীন বড়লেখা থানা পুলিশ মোবাইল কোর্ট কে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করেন।

বড়লেখা উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতার মৃত্যুতে উপজেলা চেয়ারম্যান’র শোকবার্তাঃ

বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বড়লেখা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জনাব মোঃ তাজ উদ্দিনের চাচা মোঃ নিমার আলীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন, বড়লেখা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব সোয়েব আহমদ।
তিনি এক শোকবার্তায় বলেন, নিমার আলী সাহেব একজন প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা ছিলেন, উনার মৃত্যুতে বড়লেখা আওয়ামী লীগ পরিবার শোকাহত। তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আদর্শের একজন একনিষ্ঠ অনুসারী ছিলেন। আওয়ামী লীগের জন্য উনার ত্যাগ, অবদান ভুলার মত নয়। স্থানীয় আওয়ামী লীগে তাঁর মতো একজন নিবেদিতপ্রাণ ও ত্যাগী নেতার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

বড়লেখায় ক্যান্সার আক্রান্ত এবাদের পাশে; বহির্বিশ্ব জাতীয়তাবাদী ফোরাম”


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৫নং দক্ষিন শাহবাজপুর ইউনিয়নের তারাদরম গ্রামে বিএনপি পরিবারের সদস্য মরণ ব্যাধি ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত এবাদুর রহমানের চিকিৎসার জন্য ফোরামের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা ৭০,০০০/= টাকা প্রদান করা হয়েছে।(১৪সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪ ঘটিকার সময় রোগীর বাড়ীতে তার পাশাপাশি আরো চারটা পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
এসময় বহির্বিশ্ব জাতীয়তাবাদী ফোরাম বড়লেখার আমন্ত্রণে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা পৌর বিএনপির সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান, পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধাররন সম্পাদক আতাউর রহমান শহীদ, যুগ্ন- সম্পাদক জালাল আহমদ তালাল,মীর শামিমুর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক হাজী সেলিম, উপজেলা মহিলা দল নেত্রী আমিনা বেগম ডলি, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনিস আহমেদ, বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান হেলাল, সাবেক যুবদল সভাপতি শাহজাহান উদ্দিন, উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন যুবদল নেতা আলিম উদ্দিন, সেচ্ছাসেবক দল নেতা ফখরুল ইসলাম, যুবদল নেতা সাজ্জাদুর রহমান সুহেল, ছাত্র মজলিসের মৌলভীবাজার জেলা সাবেক সভাপতি মোঃ খায়রুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা শরিফ উদ্দিন, রুবেল হুসাইন, আব্দুল ফাত্তাহ, আমিনুল ইসলাম, নাহিদ আহমেদ, আব্দুল বাছিত প্রমুখ।
এছাড়াও অনুষ্টানে বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান হেলাল ও শাহজাহান উদ্দিন প্রত্যেকে ৫০০০।= টাকা করে এবাদের চিকিৎসা বাবত প্রদান করেন।

বড়লেখা আওয়ামীলীগের সাধারণ সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিনের ইন্তেকাল

বড়লেখা উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিন ইন্তেকাল করিয়াছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তিনি ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হাসপাতালে আজ (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ ঘটিকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

মরহুমের জানাজার নামাজ (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ ঘটিকার সময় বড়লেখা পৌরসভারপাখিয়ালা শাহী ঈদগাহ ময়দানে আনুষ্ঠিত হবে। এতে সকল মুসলমান ভাইদের জানাজার নামাজে শরিক হওয়ার জন্য আহবান করা হয়েছে।

আল্লাহ তায়া’লা যেন তাঁকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং তাঁর পরিবার পরিজন সহ সকলকে সবরে জামিল আতা ফরমান। আমিন।

বড়লেখায় ৭৫ জন শিক্ষক কর্মচারীর মধ্যে চেক বিতরণ

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

বড়লেখা উপজেলা প্রশাসন আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে করোনা ভাইরাসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত নন এমপিও কারিগরি, মাদ্রাসা ও স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদ্রসার শিক্ষক-কর্মচারীদের অনুকূলে অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়। এসময় ৭৫ জন শিক্ষক – কর্মচারীর অনুকূলে ৩,৪০,০০০ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শামীম আল ইমরানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমেদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিন সহ কর্মকর্তাবৃন্দ।

এছাড়াও আজ আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসন, বড়লেখার আয়োজনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ সহ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

বড়লেখায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি।

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখার কাঠালতলী ইউনিয়নের দক্ষিণ মুছেগুলের জুনাব আলীর বাড়িতে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

আজ ৮ সেপ্টেম্বর ভোর ০৫-৩০ মিনিটের সময় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুরো ঘর জ্বলে ছারখার হয়ে যায়। এতে ঘরের সোফা সেট, ফ্রিজ সহ যাবতীয় মালামাল ভস্মীভূত হয়ে আনুমানিক ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিক পর্যায়ে জানা গেছে। ভোরে আগুন লেগেই মুহুর্তের মধ্যে পুরো বাড়ীতে ছড়িয়ে নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যায়। খবর পেয়ে বড়লেখা ফায়ার সার্ভিসের লোকজন আসার পূর্বেই সবকিছু পুড়ে যায়। মর্মান্তিক এ ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও বাড়ি ঘর আসবাবপত্র সব পুড়ে গিয়ে ব্যাপকভাবে ক্ষয়ক্ষতিতে বাড়ীর মালিক বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।

পর্তুগালে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় বড়লেখার জামাল নিহত।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

পর্তুগালের স্পেন বর্ডার এর কাছাকাছি অবস্থিত ভিলা নোভা ডে সার্ভেইরা শহরে মোঃ জামাল উদ্দিন একটি শিপ-বিল্ডিং ফ্যাক্টরিতে কাজ করতেন, পর্তুগাল স্থানীয় সময় বৃহঃবার ভোর ৪ ঘটিকায় কাজ চলাকালীন সময়ে হঠাৎ করে উপর থেকে বড় লোহার একটি বক্স তার শরীরের ওপর পড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান দুর্ঘটনায় তিনি মর্মান্তিকভাবে ঘটনাস্থলে নিহত হন।তার লাশ স্থানীয় একটি হাসপাতালের হিমাঘরে রাখা হয়েছে।

নিহত মোহাম্মদ জামাল উদ্দিনের বাড়ি মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলায় ,৫নংদক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের কাইতাবন্দ গ্রামের মৃত তৈয়ব আলীর ছেলে। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে এবং এক মেয়ে সহ পর্তুগালের ৬বছর ধরে ভিয়েনা কাস্তেলো অঞ্চলে বসবাস করতেন ।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল মাত্র ৩৯ বছর, এই ক্ষণজন্মা সদালাপী, সুন্দর চরিত্রের অধিকারী মোহাম্মদ জামাল উদ্দিনের অকালমৃত্যুতে পরিবারসহ পর্তুগালে অবস্থিত বাংলাদেশ কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে আসে। প্রবাসীরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন এবং সার্বিক সহযোগিতা করছেন।

স্থানীয় ইউপি মেম্বার আনিছ আহমদ পর্তুগাল প্রবাসী জামাল উদ্দিনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তার মৃত্যুতে পর্তুগালের প্রবাসী, দেশে থাকা আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। লাশ দেশে আনার জন্য প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

বড়লেখায় টানা বৃষ্টিতে আকস্মিক বন্যা, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি


মোঃইবাদুর রহমান জাকির,বড়লেখাঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পৌরশহরে(২৯আগষ্ট)গত গভীর রাত থেকে টানা ৬-৮ঘন্টার ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢল থেকে নেমে আসা আকস্মিক বন্যাতে প্লাবিত হয়ে বড়লেখা শহরের বিভিন্ন বাসা,বাড়ি,দোকান পাট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো পানি ঢুকে পড়ে ব্যপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।উপজেলা পরিষদের আসপাশ সহ চান্দগ্রাম রোড, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন, মসজিদ , ক্লিনিক , পশু হাসপাতাল ,ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রাস্তা সহ উত্তর চৌমুহনী থেকে বড়লেখা সরকারি কলেজ পর্যন্ত পানিতে তলিয়ে যায়।

ব্যবসায়ীরা জানান, এই পানি’র কারণে আমাদের দোকানে’র অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, উনারা জানান বিগত দিনে পানি আরো বেশি থাকতো, কিন্তু এইবার খাল খনন করে দেওয়ার কারণে পানি তারাতাড়ি নেমে যাচ্ছে নিচের দিকে।
এদিকে শহরের পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থার থাকলেও নেমে যেতে পারছে না বৃষ্টির পানি। নিচু রাস্তার কোথাও হাঁটু, আবার কোথাও কোমর সমান পানিতে তলিয়ে গেছে।রাস্তায় পানি থাকায় চলাচল করতে পারছেনা যানবাহন। এসময় যাতায়ত কারিরা দূর্ভোগে পড়েন।প্রায় সারারাতর টানা বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে। পৌরশহরের বেশিরভাগ এলাকা পানিতে সয়লাব হয়ে যাওয়ায় চলাচলে সীমাহীন দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। শহরের অনেক এলাকায় দোকানপাট ও ব্যাবসায়ীদের গোদামে পানি ঢুকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এদিকে রোববার ভোরে প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করেন পৌর মেয়র আবু ইমাম মো. কামরান চৌধুরী।

পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী’র সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পরগনাহী দৌলতপুর সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার উদ্যোগে ও ফ্রান্স প্রবাসী এমদাদুল হকের সার্বিক সহযোগিতায়,(২৭ শে আগষ্ট) বৃহস্পতিবার বাদ যোহর মাদ্রাসা হল রুমে স্বাস্হ্য বিধি মেনে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ,হাফিজিয়া শাখার এতিম,অনাত ছাত্রদের উপস্হিতিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় বন,পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন এম,পি মহোদয়ের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয়। এতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সহকারী অধ্যাপক মোঃ মিছবাহ উদ্দীনের সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন বড়লেখা থানার অফিস ইন-চার্জ মোঃ জাহাঙ্গীর সরদার, বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত (তদন্ত) কর্মকর্তা রতন কুমার,৩নং নিজ বাহাদুর পুর ইউনিয়ের চেয়ারম্যান মোঃময়নুল হক(মাষ্টার), ৪ নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আহমদ জুবায়ের লিটন, ৫ নং দক্ষিন শাহবাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রাক্তন ছাত্র মোঃসাহাব উদ্দীন, শাহবাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ মোশাররফ হোসাইন, ইটাউরী মহিলা আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক হাফিজ সফর উদ্দীন, ইটাউরী হাজী ইউনুছ মিয়া মেমোঃ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুর রহিম, ইউ/পি সদস্য শামীম উদ্দীন, মাদ্রাসার আজীবন দাতা সদস্য ও দৌলতপুর ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সাবেক সেক্রেটারী মোঃমজির উদ্দিন (মনু), গভার্নিং বডির সদস্য এমরানুল হক (বাবু) গভার্নিং বডির সদস্য সাংবাদিক কাজী রমিজ উদ্দিন, শিক্ষক ফয়জুল হক, বিশিষ্ট মুরুব্বি হাজী আব্দুল আহাদ মানিক, হাজী আকবর হোসাইন, হাজী নজরুল ইসলাম, হাজী আব্দুস সামাদ,মোস্তাক আহমদ সাহেল তায়েফ আহমদ, শামছুদ্দুহা মনজু, মনসুর আহমদ প্রমুখ।

এ ছাড়া আরো উপস্হিত ছিলেন বড়লেখা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য দৈনিক ভোরের কাগজের প্রতিনিধি মিজানুর রহমান,দৈনিক যুগান্তর প্রতিনিধি আব্দুর রব,সময়চিত্রের সম্পাদক ফয়জুল হক শিমুল,বড়লেখা ডাকের বার্তা সম্পাদক তারেক মাহমুদ ও মোঃইবাদুর রহমান জাকির।

মন্ত্রী সহ অন্যান্য জাতীয় ও স্হানীয় মৃত নেতৃবৃন্দের রূহের মাগফিরাত কামনা ও জীবিত নেতৃবৃন্দের সুস্হ্যতা কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মোঃ মিছবাহ উদ্দীন।

অনুষ্টানে ফ্রান্স প্রবাসী তরুন সমাজসেবক এমদাদুল হক মাদ্রাসার সাধারন তহবিলে এক লক্ষ টাকা প্রদানের ঘোষনা করেন।অনুষ্টান শেষে ক্যাম্পাসে অতিথিবৃন্দ একটি ফলজ গাছের চারা রোপন করে বৃক্ষরোপনের উদ্বোধন করেন।

সি আর দত্তের মৃত্যু পরিবেশ মন্ত্রীর শোক প্রকাশ।

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মহান মুক্তিযোদ্ধর ৪ নং সেক্টর কমান্ডার মেজর জেনারেল (অব.) সি আর দত্ত বীর উত্তম এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মৌলভীবাজার ০১ বড়লেখা জুড়ী আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. শাহাব উদ্দিন। 

আজ ২৫ আগস্ট এক শোকবার্তায় মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে তাঁর বীরত্ব ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। মৌলভীবাজারে ক্যাম্প স্থাপন করে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে তিনি বীর বিক্রমে যুদ্ধ পরিচালনা করেন। বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) এর প্রতিষ্ঠাতা মহাপরিচালক হিসেবে দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় তিনি অসামান্য অবদান রেখেছেন। একাধিকবার মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকালে মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে তাঁর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। তাঁর মৃত্যুতে জাতি এক শ্রেষ্ঠ সন্তানকে হারাল। 

তিনি সি আর দত্তের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

বড়লেখায় হরিণের বিরল চামড়া উদ্ধার

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, মৌলভীবাজারের কাছে গোপন সূত্রে খবর ছিল বড়লেখা পৌরসভার একটি বাড়িতে হরিণের চামড়া সংরক্ষণ করা হয়েছে।

নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বড়লেখা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শামীম আল ইমরানের নেতৃত্বে আজ ২৩ আগস্ট বিকেলে বন বিভাগ ও বড়লেখা থানা পুলিশের সহায়তায় এক অভিযান চালিয়ে দুইটি মায়া হরিণের চামড়া উদ্ধার করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন সুত্র জানায়, এ ব্যাপারে বন বিভাগ থেকে নিয়মিত মামলা দায়েরের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

বড়লেখায় মন্ত্রীর সুস্থতা কামনায় ইমাম মুয়াজ্জিন পরিষদের দোয়া মাহফিল

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা ইমাম মুয়াজ্জিন পরিষদের উদ্যোগে বড়লেখা-জুড়ীর সংসদ সদস্য পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন এর আশু সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান আজ ১৯ আগস্ট বড়লেখা পৌরসভার হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা সভাপতি বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা রুহুল আমিন এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব নগর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফিজ মাওলানা মনোয়ার হোসেন মাহমুদীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ,

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার মেয়র আবুল ইমাম মোঃ কামরান চৌধুরী, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল আহাদ, বড়লেখা হিফজুল কুরআন মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা খলিলুর রহমান, বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক এম. এম আতিকুর রহমান, সুড়িকান্দি মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ও মসজিদের ইমাম মাওলানা ওলিউর রহমান, পরিষদের সহ সভাপতি হাফিজ মাওলানা একরাম আলী, সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আবুল হাসান হাদী, পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ মাওলানা তৌয়বুর রহমান, অর্থ সম্পাদক মুখলিসুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা বদরুল ইসলাম, মাওলানা মুতাহিরুল ইসলাম প্রমুখ।

প্রবাসী জনকল্যাণ পরিষদের অার্থিক সহায়তা প্রদান

মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার১ নংবর্ণি ইউনিয়নের ৯নংওয়ার্ডের বর্ণি “প্রবাসী জনকল্যাণ পরিষদ” এর পক্ষ থেকে উপজেলার২নংদাসের বাজার ইউনিয়নের সুড়িকান্দি (চুলুপাঁড়া)গ্রামের কৃতি সন্তান বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজের মেধাবী ছাত্র কিডনীরোগী জিন্নাতুল বাহার জাহেদ এর চিকিৎসার জন্য ৫০০০০/(পঞ্চাশ হাজার টাকা)আর্থিক সহয়তা তাঁর মা-বাবার হাতে প্রদান করা হয়েছে।এতে উপস্থিত ছিলেন,২নংদাসের বাজারের সাবেক চেয়ারম্যান মাহতাব উদ্দিন (মাতাই)১নংবর্নি ইউনিয়ন০৯ ওয়ার্ডের ইউঃপিঃসদস্য হাজী ছায়ফুজ্জামান ছরওয়ার ডাঃ শাহাব উদ্দিন, ডাঃ সুনাম উদ্দিন, বর্ণি প্রবাসী জন কল্যাণ পরিষদ এর সদস্য রুছিত আহমদ,আলী হোসেন (কুয়েত প্রবাসী)প্রমূখ।

বড়লেখায় খেলাফত মজলিসের নির্বাহী বৈঠক ও দোয়া মাহফিল

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা খেলাফত মজলিসের নির্বাহী পরিষদের এক জরুরী বৈঠক ও করোনা আক্রান্ত মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন এমপি সহ অসুস্থ দেশ-বিদেশের সকলের জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা সভাপতি কাজী মাওলানা এনামুল হকের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের মৌলভীবাজার জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল খালিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সাংবাদিক এম. এম আতিকুর রহমান।

উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা লুতফুল রহমানের পরিচালনায় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সৌদি আরব জেদ্দার সাবেক নেতা মাওলানা এখলাসুর রহমান, উপজেলা সহ সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা খায়রুল ইসলাম, সহ সাধারণ সম্পাদক ও সদর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ফয়সল আলম স্বপন, বায়তুলমাল সম্পাদক মাওলানা মনসুর আহমদ, নির্বাহী সদস্য ও দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের সভাপতি হাফিজ মাওলানা আব্দুর রহিম, ছাত্র মজলিসের উপজেলা সেক্রেটারি সুলতান আহমদ প্রমুখ।

সভায় করোনাকালিন অসুস্থ ও কর্মহীন গণমানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সেবার মানসেই সকলকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার উপর গুরুত্বারোপ করেন নেতৃবৃন্দ।
শেষে বড়লেখা-জুড়ীর সংসদ সদস্য পরিবেশ মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন সহ অসুস্থ দেশ-বিদেশের সকলের জন্য বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা লুতফুর রহমান।

বড়লেখায় জাতীয় শোক দিবসে নানান কর্মসূচী পালন

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী নানান কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে।

আজ ১৫ আগস্ট দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন সকাল দশটায় উপজেলা পরিষদ চত্তরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। 
এসময় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিন, সহকারি কমিশনার (ভূমি) নুসরাত লায়লা নীরা, থানার অফিসার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর সরদার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদীপ বিশ্বাস, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাওলাদার আজিজুল ইসলাম, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আশরাফুল আলম খান, কৃষি কর্মকর্তা দেবল সরকার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা উবায়েদ উল্লাহ­ খান, সমাজসেবা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। শেষে উপজেলা পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভা, অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও যুব ঋণ বিতরণ, বৃক্ষ রোপণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ। 
এদিকে
উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বাদ জুহর বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিন, উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সুন্দর, পৌর মেয়র আবুল ইমাম মোঃ কামরান চৌধুরী সহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্র লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মিলাদ ও দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন মাওলানা জাফরী ও মুড়াউল হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হাফিজ মাওলানা শফিক লুকুস।

এছাড়াও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল ও উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নানা কর্মসূচির মাধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করেছে। 
সভা সমুহে ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধু সহ শাহাদাত বরণকারীদের রুহের মাগফেরাত এবং পরিবেশ মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিনের আশু সুস্থতা কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়েছে।

কর্মহীন অসহায় মানুষের পাশে বিত্তবানদের দাঁড়াতে হবে – এম. এম আতিক

স্টাফ রিপোর্টার ঃ
কর্মহীন অসহায় মজলুম মানুষের নিরব আর্তনাদে সমাজ ও পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে। করোনাকালীন প্রবাসী, ব্যবসায়ীসহ কর্মহীন হয়ে গেছে অনেক পরিবার। তাই অসহায় গণমানুষের পাশে বিত্তবানদের দাঁড়াতেই হবে।

মৌলভীবাজারের বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটির উদ্যোগে আজ ১৫ আগষ্ট পড়ন্ত বিকেলে শহরের ষাটমা স্কুল প্রাঙ্গণে গরিব অসহায় পরিবারের মাঝে বিশুদ্ধ পানির জন্য টিউবওয়েল বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে সাংবাদিক এম. এম আতিকুর রহমান উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

সোসাইটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সিরাজুল ইসলাম শিরুলের সভাপতিত্বে এবং সহ সাধারণ সম্পাদক ফাহাদ আহমদ ফাহিমের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন সোসাইটির প্রধান উপদেষ্টা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আহাদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক এডভোকেট আফজাল হোসেন।
প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সাংবাদিক,কলামিস্ট ও সমাজ সেবক এম. এম আতিকুর রহমান।

উপস্থিত ছিলেন সোসাইটির স্থায়ী কমিটির প্রধান সমন্ময়কারী মুহাম্মদ খায়রুল ইসলাম, স্থায়ী কমিটির সদস্য রিপন আহমদ, সিনিয়র সদস্য আমিনুল বাবলু, জামিল আহমদ, প্রচার সম্পাদক আব্দুল হালিম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ আব্দুস সামাদ, তরুণ কবি খন্দকার সাহেদ হাসান, ইমরান আহমদ, মুহাম্মদ জুবায়ের আহমদ, জয়দুল ইসলাম, হামিদা বেগম ঝুমা প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ও পরিবেশ মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন এমপির সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে দোয়া পরিচালনা করেন স্থায়ী কমিটির প্রধান সমন্ময়ক মুহাম্মদ খায়রুল ইসলাম।

প্রবাসী ভয়েসের ভার্চুয়াল কনফারেন্সে শোক ও দোয়া অনুষ্ঠিত

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড প্রবাসীদের অরাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠন প্রবাসী ভয়েস এর ডাকে শুক্রবার এক ভার্চুয়াল ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।

মৌলভীবাজারের কুলাউরার কৃতি সন্তান আমেরিকা প্রবাসী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট উবায়েদ আনসারির সভাপতিত্বে এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট রাহমাত মাও এর পরিচালনায় শুরুতে পবিত্র কুরআনে পাক থেকে তেলাওয়াত করেন গ্রিসের এথেন্স প্রতিনিধি আলি হোসাইন হেলাল।

দুই সেশনের অধিবেশনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন শহর থেকে প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করেন। এর অন্যতম হলেন মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক ভিপি ও সমগ্র সৌদি আরবের সমন্বয়ক বিশিষ্ট আলোচক ও স্কলার হাফিজ ইমদাদুল্লাহ আনসারি, আমেরিকার নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি জাছিমুল হক, ইউ এ ই- দুবাই প্রতিনিধি আহমেদ সুহেল, কাতার প্রতিনিধি এম ডি জালাল উদ্দিন, শারজাহ প্রতিনিধি এস কে সরওয়ার খান, মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক এম এনালাইসিস আহমেদ সুমন, ইতালির আনকোনা প্রতিনিধি মামুন হোসাইন, আজমান প্রতিনিধি ফরহাদ বখত্ সৌদি আরব জেদ্দা প্রতিনিধি সাইদুর রহমান, গ্রিসের এথেন্স প্রতিনিধি আলী হোসাইন হেলাল, বাহরাইন প্রতিনিধি রায়হান আহমেদ, মাল্টা প্রতিনিধি জুমেল চৌধুরী,
সৌদি আরব আল গাছিম প্রতিনিধি মহরম আলী, কাতার শাহনিয়া প্রতিনিধি খোরশেদ আলম খোকন, লন্ডন প্রতিনিধি মাহমুদ আল মারজান, মধ্য আমেরিকার দেশ বেলিজ প্রতিনিধি আহমেদ হোসাইন,
সহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, করোনাকালীন সময়ে বাংলাদেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের কর্মস্থলে ফিরতে টেস্ট রিপোর্ট নিয়ে যে হয়রানি ও ম্যাসাকার হচ্ছে এসব খুবই অনৈতিক ও গর্হিত কাজ, যা দেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের মনোবল ব্যাপক ভাবে ব্যহত করছে, তাই এসব কর্মকান্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়, এবং সরকারের কাছে সমস্ত হয়রানি থেকে প্রতিকারের জন্য অনতিবিলম্বে আরো আন্তরিক ও ক্ষতিগ্রস্থদের দ্রুত সহযোগিতার দাবী জানান।

সভায় বিশ্ব নেতৃবৃন্দগণ বৈরুত ব্লাস্ট ও করোনায় অকালে ঝরে যাওয়া রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন।
সেই সাথে বিশ্বব্যাপি প্রবাসীদের নিয়ে ভিডিওগ্রাফি -ফটোগ্রাফি এবং সাধারণ জ্ঞান বিষয়ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা ও প্রাইজ-সার্টিফিকেট প্রদান এবং স্পন্সরের মাধ্যমে প্রবাসীদের ব্যবসা বাণিজ্যকে প্রমোট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভাপতির বক্তব্যে উবায়েদ আনসারি বলেন, টেকনোলজি যেহেতু বিশ্বে বিপ্লব ঘঠাচ্ছে সেহেতু আমাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতির লক্ষ্যে জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে সে বিপ্লবের সহযোগি হতে হবে, তিনি আশা করেন প্রবাসীরা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের মেধার পরিচিতি বিশ্বময় তুলে ধরবেন এবং প্রবাসে অবস্থানরত নিজেদের ছেলে মেয়েদের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করানোর মাধ্যমে কমিউনিটির সাথে পরিচয় করাবেন, যাতে প্রবাসে বাঙালিদের ভীত আরো মজবুত হয়।

পরিশেষে বঙ্গবন্ধুর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে শোক এবং দেশ বিদেশের সকলের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি হয়।

বড়লেখায় পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রীর জন্য দোয়া মাহফিল

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী করোনা আক্রান্ত আলহাজ্ব মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি মহোদয়ের আশু রোগমুক্তি কামনা করে দোয়া ও প্রার্থনা করা হয়েছে।

উপজেলা পরিষদ হলরুমে আজ বিকেলে অনুষ্ঠিত মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, উপজেলা নির্বাহি অফিসার শামীম আল ইমরান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাব তাজ উদ্দিন, বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম সরদার, বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রত্নদ্বীপ বিশ্বাস, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগম হাসনা, উপজেলার সকল দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ।

“জাগিয়ে দেরে চমক মেরে’ আছে যারা অর্দ্ধচেতন”

অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খানঃ

মানুষের অসিম শক্তি ও সম্ভাবনাকে সবসময় শৃঙ্খলিত ও পঙ্গু করে রাখে সংস্কার ও ভ্রান্ত বিশ্বাস।অনন্ত সম্ভাবনা নিয়ে জন্মগ্রহণ করা সত্বেও পারিবারিক,সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পরিমন্ডলে প্রচলিত ধারনার শৃঙ্খলে সে ক্রমান্বয়ে বন্দি হয়ে পড়ে। পরিবেশ যা তাকে ভাবতে শেখায় সে তা-ই ভাবে।যে হতে পারতো যুগ শ্রস্টা বিজ্ঞানী,হতে পারতো শতাব্দির অভিযাত্রী,অমর কথাশিল্পী,হতে পারতো মহান নেতা বা বিপ্লবী,হতে পারতো আত্বজয়ী বীর বা ধর্মবেত্তা,সেই মানব শিশুই ভ্রান্ত ধারনায় বন্দি হয়ে পরিনত হয় কর্মবিমুখ হতাশ ব্যর্থ কাপুরুষ। এ ব্যর্থতার কারণ মেধা বা সামর্থের অভাব নয়,এ ব্যর্থতার কারণ মনোজাগতিক শিকল।সেই মনোজাগতিক শিকল হতে মুক্তবুদ্ধি চর্চার মাধ্যমে যারাই মুক্ত হতে পেরেছে তাদের মধ্যেই আমরা দেখতে পাই মানবিকতার উত্থান।

।আজকের এই দিনে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের এরকমই একজন মুক্তবুদ্ধির বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর হত্যা দিবস। ১৮৮৯ সালের ৩ ডিসেম্বর ভারতের মেদিনীপুর জেলায় যার জন্ম।বাবা ত্রৈলক্যানাথ।মা লক্ষী দেবী।ক্ষুদিরাম মেদিনীপুর হ্যামিলটন কলেজিয়েট স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখা পড়া করেন।দেশ মাতৃকাকে ব্রিটিশদের হাত থেকে রক্ষার জন্য তিনি ১৯০৩ সালে গুপ্ত সমিতিতে যোগ দেন।

মেদিনীপুর মারাঠা কেল্লার প্রবেশদ্বারে দাঁড়িয়ে ক্ষুদিরাম বই হাতে বলছেন, ‘আসুন পড়ুন।দেশের দুর্দশার খবর জানুন।অত্যাচারী রাজশক্তির নির্মমতার নজির এই বই আপনাদের জন্য।হঠাৎ’ অ্যাই ক্যায়া করতা হায়।চুপ বই।’ একজন হাবিলদার ক্ষুদিরামের হাত চেঁপে ধরলো। শক্তি ও বয়সে তাঁর চেয়ে অনেক বেশী। তবুও ক্ষুদিরামের কাছে’ কুছ পরোয়া নেহি’।হাবিলদারের মুখের মধ্যে এক বক্সিং মেরে দিলেন সমুস্ত শক্তি দিয়ে!তৎক্ষনাৎ নাক ফেঠে রক্ত বেরুলো! সত্যেন বসু ঠিক ঐ সময়ে এসে হাজির হলেন।দেখলেন বিষয়টি।শান্তনা দিলেন হাবিলদারকে।ক্ষুদিরাম মুহুর্তের মধ্যে হাওয়া।কয়েকদিন আত্বীয়ের বাড়ীতে আত্বগোপনে রইলেন।তাতে কী আর একজন দেশপ্রেমিক শান্তিপায়? দেশজোড়া বিপ্লবের ঢেউ। হাজার হাজার ছেলে- মেয়ে জড়িয়ে আছে দেশ মাতৃকার কাজে।পুলিশের ভয়ে আর কতদিন পালিয়ে থাকা যায়।মনস্হির করলেন পুলিশের কাছে ধরা দিবেন!তাই আলীগঞ্জের তাঁতশালায় এসে ধরা দিলেন!পুলিশ অ্যাসল্ড ও নিষিদ্ধ বই বিলির অপরাধে ক্ষুদিরামের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা হলো।বাংলা সহ সারা ভারতবর্ষ এই প্রথম ক্ষুদিরামকে চিনলো।দাউ-দাউ করে জ্বলে উঠলো আন্দোলনের দাবানল।

ক্ষুদিরাম বসু হয়ে উঠলেো সারা ভারতবর্ষের একজন বিপ্লবীর নাম।যে নামটি শুনলেই চেতনার আয়নায় ভেসে উঠে একটি ফাঁসির দৃশ্য।যিনি ফাঁসির মঞ্চে হাসিমুখে মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছিলেন।জীবন বাঁচানোর লোভ দেখিয়েও যাকে মিথ্যা বলানো যায়নি।১৯০৮ সালের ৩০ এপ্রিল অত্যাচারী কিংসফোর্টোর গাড়ী লক্ষ্য করে তিনি বোমা নিক্ষেপ করেন।এজন্য ব্রিটিশ সরকার ১৯০৮ সালের ১১ আগষ্ট তাঁকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করে।চলে গেলেন বাংলার বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসু কিন্তু ‘ জাগিয়ে দিলেন চমক্ মেরে;আছে যারা অর্দ্ধ চেতনা’।

বড়লেখায় সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

“মুজিববর্ষের আহ্বান, লাগাই গাছ বাড়াই বন” প্রতিপাদ্য ধারণ করে সারা দেশে এক কোটি বৃক্ষের চারা রোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। পরিবেশ রক্ষায় প্রয়োজনের তুলনায় আমাদের দেশে বৃক্ষ অনেক কম। তাই সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর সরকারি-বেসরকারিভাবে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। সেই কর্মসূচীর অালোকে সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শুরু হয়েছে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী ২০২০।

“একটি গাছ একটি প্রাণ; আসুন গাছ লাগাই, প্রাণ বাঁচাই” – এই স্লোগানে সামাজিক যুগপ​ৎ আন্দোলনে সামাজিক মানবতাবাধী সংগঠন সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশনের “গড়ে তুলি আমাদের প্রিয় সবুজ বাংলাদেশ” কর্মসূচীর আওতায় গ্রামব্যাপী সহস্রাধিক বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের প্রথম ধাপের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু। প্রতিবারের মতো সকল ইতিবাচক সামাজিক আন্দোলনে গ্রামের তরুণদের পাশাপাশি এগিয়ে এসেছেন গণ্যমান্যরাও। গতকাল বড়লেখা উপজেলার ইটাউরী গ্রামের কমিউনিটি ক্লিনিক এর আঙিনায় বৃক্ষরোপণ এর মাধ্যমে এই কর্মসূচী উদ্বোধন করা হয়।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধনীতে অংশগ্রহণ করেন স্থানীয় ইউপি সদস্য সাজু আহমদ, উপজেলা স্বাস্থ্যকর্মী এমদাদুল হক শামীম, কমিউনিটি ক্লিনিক এর স্বাস্থ্যকর্মী করুণা সিধু পাল, আব্দুল হামিদ, আব্দুল আহাদ, ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা সৈয়দ মতিউর রহমান, আব্দুল জলিল ছটন, ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্টাতা সদস্য ও সমাজকর্মী সৈয়দ জিল্লুর রহমান, আব্দুল করিম, ক্বারী অব্দুল সামাদ, সৈয়দ জাকারিয়া, সৈয়দ এমরানুল হক, সৈয়দ শাকারিয়া, সৈয়দ আব্দুল হাকিম, ফরিদুল ইসলাম জাবরুল।

ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সৈয়দ মেহেদী রাসেল বলেন, “গড়ে তুলি আমাদের প্রিয় – সবুজ বাংলাদেশ” কর্মসূচীর আওতায় আমাদের ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর প্রথম ধাপ আমরা শুরু করেছি। এক হাজারেরও অধিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর এই প্রকল্প পর্যায়ক্রমে দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে ইনশাল্লাহ। সকলের প্রতি বিনীত আহবান আপনাদের নিজ আঙিনায় একটি করে হলে গাছ রোপণ করুন। এটি শুধুই পরিবেশকে রক্ষা করবে তাই নয় অদূর ভবিষ্যতে আপনার অর্থ আয়ের উৎস হয়ে উঠবে।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষ সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। সুস্থ্য জীবনের জন্য নির্মল বায়ু ও অক্সিজেন দান করে গাছ। এসব গাছ বড় হলে পরিবেশ ও প্রতিবেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি। আসুন গাছ লাগাই, প্রাণ বাঁচাই; গড়ে তুলি আমাদের প্রিয় – সবুজ বাংলাদেশ।

বড়লেখায় দূর্যোগ সহনীয় ঘর ও এইচবিবি প্রকল্পের আওতায় নির্মিত রাস্তার কাজ পরিদর্শন

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শামীম আল ইমরান আজ বিকেলে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে টি আর বরাদ্দ থেকে নির্মিত দূর্যোগ সহনীয় ঘর এবং এইচবিবি প্রকল্পের আওতায় নির্মিত রাস্তার কাজ পরিদর্শন করেন।

এসময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান ও নিজ বাহাদুরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ময়নুল হক উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ বড়লেখা উপজেলায় “গ্রামীণ দরিদ্র গৃহহীন জনগোষ্ঠীর জন্য দূর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ ” প্রকল্পের আওতায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রায় ৭২,০০,০০০ টাকা ব্যয়ে ২৪ টি সেমিপাকা ঘর এবং ” গ্রামীণ মাটির রাস্তাসমূহ টেকসইকরণের লক্ষ্যে হেরিং বোন্ড (এইচবিবি) করণ” প্রকল্পের আওতায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রায় ২,৭৪,০০,০০০ টাকা ব্যয়ে ৫ কিমি রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে।

বড়লেখার প্রচার বিমুখী এক আলোকিত মুখ আতাউর রহমান

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

যুগে যুগে কিছু মহৎপ্রাণ মানুষ আছেন, যারা আপন যোগ্যতায় ও মহিমায় জ্বলে থাকেন আকাশের ধ্রুবতারা হয়ে, একান্ত লোক চক্ষুর আড়ালে, নীরবে, নিভৃতে থাকেন। এদের মধ্যে নেই আমিত্বের অহমিকার বহিঃপ্রকাশ। নিতান্ত প্রচার বিমুখ মানুষগুলো থেকে যান মানুষের দৃষ্টিরেখার বাইরে।এমনই একজন প্রচার বিমুখ আলোকিত মানুষ আতাউর রহমান আতা (দাসের বাজার ইউনিয়নের বার বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শফিকুর রহমানের ছোটভাই এবং বড়লেখার ইতিহাসে সম্ভবতঃ প্রথম সিএসপি এম এ মজিদের আপন ভাতিজা)। বড়লেখার ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি বিদ্যাপীঠ এফআর মুহিউস সুন্নাহ মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটের সাবেক কাউন্সিল ফয়জুর রহমানের ছোট ভাই।

যিনি বিলেতের মাটিতে বৃহত্তর সিলেটের একজন গর্বিত সন্তান হিসেবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। বড়লেখাবাসীর গর্বের নাড়ীছেড়া ধন এই মানুষটি ১৯৫৮ সালে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার সুড়িকান্দি গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। স্কুল জীবনের পরেই ১৯৭০ সালে তিনি তার পরিবার পিতা- মাতার সাথে ব্রিটেনে পাড়ি জমান। তিনি ব্রিটেনের বিভিন্ন স্থানে বসবাস করেন- Yorkshire, London, Newcastle, Buckinghamshire, এবং Northumberland. শিক্ষা জীবন সমাপ্তির পর তিনি লন্ডনের Tower Hamlet এর সাথে সংযুক্ত হন এবং স্থানীয় সরকারের অধীন Social Service Department এ কাজ করেন। তিনি একই সাথে তার পেশাগত শিক্ষাও চালিয়ে যান এবং অক্সফোর্ড এর Ruskin কলেজ হতে Certificate in Qualified Social Work ( CQSW) সম্পন্ন করেন। সত্তরের দশকের শেষের দিকে তিনি গভীরভাবে জড়িয়ে পড়েন সামাজিক, রাজনৈতিক এবং লেবার পার্টির বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে। তখন তিনি বিভিন্ন সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বে চলে আসেন-যেমন Bangladesh Youth Organization,Tower Hamlets Association for Racist Equalities,Mitali Housing Association ইত্যাদি। একই সময়ে তিনি স্থানীয় লেবার পার্টির গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থেকে ১৯৯৪ ইং সনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। তখন লেবার পার্টি পূর্ব লন্ডনে ক্ষমতায় এলে তিনি দ্রুততার সাথে নেতৃত্বের পাদপ্রদীপে চলে আসেন এবং কেবিনেটের সদস্যপদ লাভ করেন। তিনি ফাইন্যান্স কমিটি এবং অডিট প্যানেলের সভাপতি মনোনীত হন (১৯৯৫-১৯৯৬) এ।
সোসাল সার্ভিস কমিটির সভাপতি মনোনীত হন (১৯৯৬-১৯৯৭) এ এছাড়াও Performance Management Working Party এর সভাপতি মনোনীত হন (১৯৯৭- ৯৮)তে অত্যন্ত সফলভাবে, (১৯৯৯-২০০০) এ কেবিনেট সদস্য হিসেবে ফাইন্যান্স ও অডিট প্যানেলে দায়িত্ব পালন করেন।(২০০০-২০০৩) এ কেবিনেট মেম্বার হিসেবে ও দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট সংস্থার সম্মুখ সারিতে থেকে নেতৃত্ব দানের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখেন।এগুলোর মধ্যে তিনি পরিচালক ছিলেন, Tinkerbel Trust (1996-1997) এ, পরিচালক Bethnal Green City Challenge company (1994-1995) এ পরিচালক Spitalfield Market. Community Trust (1994-1997) এ, পরিচালক Mile and Par Partnership 2000 (-2003) এ, পরিচালক কাচারাল ইন্ডাষ্ট্রিজ ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি – CIDA (2000-2003) এ, সভাপতি বৈশাখী মেলা (২০০০-২০০৩)এ, সভাপতি নজরুল সেন্টার শেডো বোর্ড(২০০০-২০০৩) এ।
ব্যক্তি জীবনে আতাউর রহমান বেগম হাসনা রহমানের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। মিসেস রহমানও একজন নিঃস্বার্থ সমাজকর্মী।

সর্বশেষ তিনি বড়লেখাবাসীর মানবসেবার অনন্য সংগঠন, বড়লেখা ফাউন্ডেশন ইউকে এর অভিভাবকের ভুমিকায় উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন। অত্যন্ত সদালাপী, নিরহংকার, সজ্জন এ মানুষটি অনেকটা পর্দার আড়ালে থেকে নিভৃতে মানবতার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এমন একজন গুণীজনকে নতুন প্রজন্মের কাছে বহু আগে পরিচিত করানো প্রয়োজন ছিল। তাঁর ক্যারিয়ার ও জীবন থেকে নতুন প্রজন্মের অনেক কিছু শেখার আছে। কথায় আছে, যে দেশে গুণীজনের কদর নাই, সেই দেশে গুণীজন জন্মায় না।

আমরা আমাদের এই কৃতি সন্তানকে স্বশ্রদ্ধ অভিবাদন জানাই। বড়লেখায় অগনিত আলোকিত আতাউর রহমানের জন্ম হোক বার বার, এ প্রত্যাশা। তাঁর দীর্ঘ নেক হায়াত কামনা করি। ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন পরিবার- পরিজনসহ এই ফরিয়াদ দয়াময় মাবুদের তরে মনেপ্রাণে।

বঙ্গমাতা ৯০ তম জন্মদিবসে বড়লেখায় আলোচনা সভা সেলাই মেশিন বিতরণ

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব এঁর ৯০ তম জন্মদিবস উপলক্ষে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দুঃস্থ মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।
আজ আট আগস্ট সকালে বড়লেখা উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীম আল ইমরানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগম হাসনা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ দুস্থ মহিলাদের মধ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করেন।

রাংজিয়ল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল শায়খ সালেহ নাজিব আল- আইয়ুবির অন্যরকম ঈদ পুনর্মিলনীর

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

আজ প্রায় পাঁচটা মাস, প্রতিদিন ওঁরা একজন না একজনের ফোন আসছেই। হুজুর মাদ্রাসা কবে খুলবে? আমরা কবে আসবো? বাড়িতে আর ভাল্লাগেনা।

আশার প্রহর গুনা শেষ হচ্ছে না। আজ আট আগস্ট মাদ্রাসা সমুহ খোলার কথা, কিন্তু দুই দিন আগে যখন শুনলাম যে না আট আগস্ট মাদ্রাসা খুলছে না, তখন অপেক্ষার পালা শেষ করে এঁদেরকে শান্তনা দিলাম, কিন্তু না! ওরা বলছে আমরা আট আগস্ট চলে আসবো হুজুর!

রাত কিংবা দিন, যাদের নিয়ে আমি সাজিয়েছি আমার জীবন সাধনার অমর ভালোবাসা প্রিয় রাংজিয়ল জামেয়া, এদের প্রতি আমার ও অনেকটা হৃদয়ের ব্যাকুলতা অবশ্যই রয়েছে ।

জামেয়ার নাঈবে মুহতামিম হযরত মাওঃ আব্দুল মজিদ বললেন, এঁদেরকে সামাল দেয়া যাচ্ছে না। বললাম আমি আসছি।

সকাল দশটার দিকে রওয়ানা হলাম, একে একে বিচ্ছিন্ন ভাবে এদেরকে দেখে গেলাম, সর্বশেষ মাওঃ আব্দুল মজিদ এঁর বাড়িতে একত্রিত হলো ওঁরা প্রায় পঞ্চাশ জন।

মাওলানাকে বললাম এঁদের জন্য খাবার তৈরি করুন বিল আমি এসে পরিশোধ করবো, সাথে নিয়ে গেলাম রাজমহলের মিষ্টি,নিমকি, জিলাপি আর দই।

মাওলানার সাথে আমাকে তাঁরা রিসিভ করলো, প্রতিটি বাচ্ছার মুখে আনন্দ আর হাসি। একে একে সালাম মুসাফাহা করলাম। সালাতুল এশার পর মাওলানা আব্দুল মজিদ এঁর উঠানে এদের অভিভাবক সহ ঈদ আনন্দে শরিক হলাম আমি।

আশার আগে আধা ঘন্টার মত আলোচনা রাখলাম, পনেরো মিনিটের মতো দোয়া হলো।

দোয়া শেষে এঁদের একটাই দাবি হুজুর শিক্ষা বোর্ড মাদ্রাসা খোলার ঘোষণা কবে দিচ্ছে?

ওদের নিয়ে রাতের খাবার খেলাম, বাড়িতে ফিরলাম আর ফজরের আযান শুনছিলাম মুয়াজ্জিনের কন্ঠে।

আমি যখন চলে আসবো, একে একে বিদায় নিচ্ছি আর বলছি খুব শিগগিরই মাদ্রাসা খুলবে, তোমরা চিন্তা কর না, তখন ছেলে গুলো তাদের অভিভাবকদের সামনে হাউমাউকরেকাঁদছে , আমি না দেখার বাহানা করে গাড়িতে বসে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম, লুকিং গ্লাসে তাকিয়ে দেখলাম এঁরা দাড়িয়ে চেয়ে আছে আমার পথ পানে , অনেকে কান্না ঝরা চোখ মুছছে। তাঁদের ভালোবাসায় আসে ব্যাকুলতা।

বড়লেখায় জিম্মি রেস্টুরেন্ট ও পার্টি সেন্টারের উদ্বোধন

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় জিম্মি রেস্টুরেন্ট ও পার্টি সেন্টারের ২য় শাখার উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বড়লেখা পৌর শহরের এম আলী শপিং সিটিতে রেস্টুরেন্ট ও পার্টি সেন্টারটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি বড়লেখা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ ও বিয়ানীবাজার উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাসেম পল্লব।

এ উপলক্ষে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা পৌর মেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী, বড়লেখা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন, বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিন, দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন, বিয়ানীবাজারের মুল্লাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আলমগীর হোসেন রুনু, বিয়ানীবাজার পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আব্দুল রউফ সুমন ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন রাসেল, সমাজসেবক আলী আহমদ, কয়েছ জিয়া, সুমন আহমদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালা করেন বড়লেখা উপজেলার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা রুহুল আমিন প্রমুখ।
জিম্মি রেস্টুরেন্ট ও পার্টি সেন্টারের প্রথম শাখা সিলেটের বিয়ানীবাজার শহরে। বড়লেখায় আধুনিক মানসম্পন্ন রুচিশীল খাবার ও পার্টি সেন্টারের উদ্বোধনে অতিথিবৃন্দ আনন্দ প্রকাশ করে স্বাস্থ্য বিধি মেনে নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে সকল কর্মকান্ড পরিচালনার আহবান জানান।

বড়লেখার আহবাব চৌধুরী ১০০ ইয়াবাসহ ঢাকায় আটক

এম. এম আতিকুর রহমান

মৌলভীবাজারের বড়লেখা ‌পৌর শহরের মহুবন্দ‌ গ্রামের মৃত সরোয়ারুল আলম চৌধুরীর পুত্র আহবাব চৌধুরীকে ঢাকায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারের পর নিজের প্রকৃত পরিচয় গোপন করার চেষ্টা করেও পারেনি ভদ্র পরিবারের পরিচিত আহবাব চৌধুরী।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ ইয়াবাসহ তাকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। যাত্রাবাড়ী থানার মামলা নম্বর- ৯৫ তাং ২৩/০৭/২০০০। সে বড়লেখার মৃত সারোয়ার আলমের পুত্র আহারুল আলম হিসেবে তার নাম লিপিবদ্ধ করায় বলে জানা গেছে।

রবিবার যাত্রাবাড়ী থানা থেকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার আহারুল আলম ওরফে আহবাবুল আলম সম্পর্কে জানতে বড়লেখা থানায় অনুসন্ধানপত্র পাঠানো হলে মূল তথ্য বেরিয়ে আসে।

থানা পুলিশ সহ বিভিন্ন সুত্রে জানা গেছে, অনেক দিন থেকে মাদকাসক্ত আহবাব চৌধুরী কখনো সাবেক সেনাপ্রধানের আত্মীয়, কখনো র‌্যাবের সোর্স পরিচয় দিয়ে আবার কখনো কথিত সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বড়লেখার জনপ্রতিনিধিসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ কিংবা নির্বাচনী প্রতিপক্ষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ফেইসবুকে বিভিন্ন মিথ্যা লেখা প্রচার করে আসছিল। কারো কোনো অনুমতি ছাড়া বিভিন্ন স্থানে লাইভ ভিডিও করে এবং ভিডিওর ভয় দেখিয়ে ট্রাক্টর চালক, অটো রিক্সা চালক এমনকি ফুটপাতে সবজি বিক্রি করতে বসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়াই ছিল তার কাজ। প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে চাঁদাবাজি করা ইত্যাদি পাপাচারই তার পেশায় পরিনত হয়ে যায়। ভয়ে অনেকেই মুখ খুলতেন না। সম্প্রতি বড়লেখা থানায় ঐ আহবাব চৌধুরীর বিরুদ্ধে পৌর মেয়র আবুল ইমাম মোঃ কামরান চৌধুরী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলাও দায়ের করেন।

ইয়াবাসহ যাত্রাবাড়ী থানায় আহবাব গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চত করে বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াছিনুল হক জানান, ঢাকা থেকে ২৬ জুলাই তার সম্পর্কে জানতে অনুসন্ধানপত্র এসেছে। বড়লেখায় সে আহবাব চৌধুরী নামে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা আছে। এ মামলায়ও তাকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হবে।

সচেতন মহল মনে করেন, ভালো পরিবারের কিছু ছেলেরাও ভদ্র ভেসে ইদানিং দুষ্কৃতকারী চক্রের খপ্পরে পড়ে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি ও অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়ছে। অভিভাবকদের কঠোর নজরদারি ও সচেতনতা বৃদ্ধিই তা প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।

বড়লেখার বর্ণীতে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট শাখার উদ্বোধন

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

আজ ২৮ জুলাই ইসলামী ব্যাংক মৌলভীবাজারের বড়লেখা শাখার অধীনে বর্ণি ইউনিয়নের ফকিরবাজারে শাখার ৬ষ্ঠ এজেন্ট আউটলেটের উদ্বোধন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সিলেট জোন প্রধান শিকদার মোহাম্মদ শিহাবুদ্দীন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী ব্যাংক বড়লেখার শাখার শাখা প্রধান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান।

আলোচনা পর্ব শেষে অতিথিরা ফিতা কেটে এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার উদ্বোধন করেন।

হাকালুকিতে পানিবন্ধী মানুষের মাঝে মুফতি জামিল কাসিমীর ত্রাণ বিতরণ

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ ০৭নং তালিমপুর ইউনিয়ন শাখার ব্যবস্থাপনায় এবং আসন্ন ০৭নং তালিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আলিম-উলামা ও জনসাধারণ সমর্থিত, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ মনোনীত সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা, তরুণ আলিমে দ্বীন মুফতি জামিল আহমদ কাসিমীর অর্থায়নে, হাকালুকি হাওরাঞ্চলের পানিবন্ধী মানুষের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

গতকাল (রবিবার) দিনব্যাপী ত্রাণ সামগ্রী বিতরণকালে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুফতি জামিল কাসিমী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সার্বিক খোজ-খবর নেন এবং সর্বদা মানুষের পাশে থাকার ও সেবা করার অংগীকার ব্যক্ত করেন। জনসাধারণ একজন আলিম জনপ্রতিনিধি পেয়ে হৃদয় থেকে আনন্দ প্রকাশ করে এবং উচ্ছ্বাসিত হয়। তাদের সর্বাত্মক সমর্থন এবং সহযোগীতায় এই আলিম প্রতিনিধিকে বিজয়ী করার অভিপ্রায় প্রকাশ করেন। হাওরাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী রাংজিউল জামিয়া নজিবিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসায়, মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল খেলাফত মজলিস নেতা মাওঃ শায়েখ সালেহ নজিব আল আইয়্যুবীর সভাপতিত্বে বিকাল ৩টায় এক “মতবিনিময় সভা” অনুষ্ঠিত হয়। শায়েখের অসাধারণ মেহমানদারি এবং দিক-নির্দেশনায় কর্মীগণ উজ্জীবিত হয়। এই দীর্ঘ যাত্রায় সফরসঙ্গী ছিলেন- ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সংগ্রামী সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রনেতা আহমাদুল হক উমামা, সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফিয মাওঃ তায়্যিবুর রহমান, মৌলভীবাজার জেলা ছাত্র জমিয়তের সভাপতি মাওঃ শিহাবুদ্দীন শাহ আলম, বড়লেখা উপজেলা যুব জমিয়ত সভাপতি হাফিয মাওঃ ইয়াহইয়া আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মাওঃ সাইফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওঃ মাহবুবুর রহমান, দায়ী সম্পাদক হাফিয সিরাজুল ইসলাম, যুবনেতা মাওঃ শাহাবুদ্দীন, বড়লেখা উপজেলা ছাত্র জমিয়তের সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান আহমদ। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আয়োজনকে বাস্তবে রুপদান করেন- তালিমপুর ইউপি ছাত্র জমিয়তের সভাপতি মাওঃ ওলিউর রহমান শামিম, সাধারণ সম্পাদক হাফিয এবাদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিয ফাহিম আহমদ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- কাঁঠালতলি ইউপি ছাত্র জমিয়তের সভাপতি হাফিয মাহমুদুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক জুনাইদ আল হাবিব, যুবনেতা মাওঃ নাঈমুল হাসান, তালিমপুর ইউপি ছাত্র জমিয়তের সহ-সভাপতি মাওঃ জিয়াউর রহমান, মাওঃ মারুফ আহমদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফিয কিবরিয়া আহমদ, সহ-সাংগঠণিক সম্পাদক হাফিয জামিল আহমদ, অর্থ সম্পাদক মাওঃ শাহেদ আহমদ, প্রচার সম্পাদক হাফিয হুসাইন আহমদ, স্কুল-কলেজ বিষয়ক সম্পাদক মারজান আহমদ, হাফিয হাবিবুল্লাহ সাদি, আহমদ সুমন, সাইদুল ইসলাম, সাঈদ আহমদ ঈমন, জালাল আহমদ প্রমুখ।

বড়লেখায় সাড়ে এগার হাজার উপকারভোগীর মধ্যে ঈদুল আজহার চাল বিতরণ

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আয়োজনে আজ দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে ১১,৪০০ জন উপকারভোগীর মধ্যে ১০ কেজি করে ভিজিএফ এর চাল বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বড়লেখা মোঃ শামীম আল ইমরান এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ বড়লেখার চেয়ারম্যান সোয়েব আহমেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার উদ্দিন, উপজেলা পরিষদ, বড়লেখার ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ তাজ উদ্দিন, বড়লেখা সদর ইউপির চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজ উদ্দিন প্রমুখ। অনুষ্ঠান টি সঞ্চালনা করেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান।

বড়লেখায় মুমূর্ষু রোগীদের সেবায় প্রবাসীর এ্যাম্বুলেন্স প্রদান

এম. এম আতিকুর রহমান

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের মুমূর্ষু রোগীদের পরিবহণ সেবায় অ্যাম্বুলেন্স দান করেছেন প্রবাসী সমাজসেবক সোহেল আহমদ সুমন। নতুন এ এ্যাম্বুলেন্সের চাবি হস্তান্তর ও সার্ভিসের উদ্বোধন উপলক্ষে সুজানগর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ্যাম্বুলেন্স দাতা প্রবাসীর পিতা মোস্তফা উদ্দিনের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ।

ইউনিয়ন তথ্য কেন্দ্রের উদ্যোক্তা খলিলুর রহমান লিমনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সুজানগর ইউপি চেয়ারম্যান নছিব আলী, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সাব্বির আহমদ, এ্যাম্বুলেন্স দাতা প্রবাসী সোহেল আহমদ সুমন, জামেয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম আজিমগঞ্জ মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আব্দুল কাদির, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমরুল ইসলাম লাল, সাধারণ সম্পাদক সাহেদুল মজিদ নিকু, ইউপি মেম্বার মকবুল হোসেন সেবুল, ফরমান আহমদ, শহিদ আহমদ, সাবেক ইউপি মেম্বার সমছ উদ্দিন, সমাজসেক আনসার হোসেন, রুয়েল আহমদ প্রমুখ।

বড়লেখা সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন

মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ
গাছ লাগিয়ে ভরব এ দেশ, তৈরী কর সুখের পরিবেশ” প্রাকৃতিক ভারসাম্য জীব বৈচিত্র সুরক্ষায় এব অর্থনৈতিক ও আর্থ-সামাজি উন্নয়নে বৃক্ষ ও বনাঞ্চলের অাবাদ অপরিসীম।প্রাকৃতিক ভারসাম্ রক্ষা করার লক্ষে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বড়লেখা সরকারী কলেজের উদ্দ্যোগে।রবিবার(২৬জুলাই)সকাল১১ঘটিকার সময় সরকারি কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী অনুষ্টিত হয়।এতে কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তওহীদুল ইসলাম ফরহাদের সঞ্চালনায়।অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা সরকারী কলেজের শিক্ষক মো: রেজাউল ইসলাম মিন্টু এবং বড়লেখা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান হোসেন ,সাধারণ সম্পাদক জুনেদ আহমদ , পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান , বড়লেখা সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি কামরুল হুসেন , সহ সভাপতি শোভন দত্ত , সহ সভাপতি মুহিবুর রহমানপড সজিব , যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মুহতাছিম হুসেন মাহাদী , যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সৌরভ দাস , সাংগঠনিক সম্পাদক তুফায়েল আহমদ সহ কলেজ ছাত্রলীগ নেতা জাবিদ আহমদ জাহেদ আহমদ ,জিসান , রাজ্জাক , মুন্না, ছামি আরও কলেজ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

সিলেটে করোনায় মৃত্যুর মিছিলে আরো ৫জন যোগ হলো


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

সিলেটে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে। এ মিছিলে প্রতিদিনই সামিল হচ্ছেন করোনা আক্রান্তরা।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ১৩৫ জন। এর আগে গতকাল শনিবার (২৫ জুলাই) সিলেটে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন একজন।

রোববার (২৬ জুলাই) সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য)’র কার্যালয় কর্তৃক করোনা পরিস্থিতির আপডেট (আরও তথ্যসহ) থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

নতুন মারা যাওয়া ৫ জনের মধ্যে সবাই সিলেট জেলা বাসিন্দা। এ নিয়ে জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা ১০১ জন। আর সুনামগঞ্জে মারা গেছেন ১৪ জন, হবিগঞ্জে ১০ এবং মৌলভীবাজার জেলায় ১০ জন মারা গেছেন।

এদিকে সিলেটে প্রতিদিন বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী সংখ্যা। গত ৫ এপ্রিল সিলেটে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর প্রতিদিনই বাড়ছে রোগী।

সবশেষ রোববার (২৬ জুলাই) দুপুর ১২ টা পর্যন্ত সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৪১৩ জন। এরমধ্যে সিলেট জেলায় ৩ হাজার ৯৮২ জন, সুনামগঞ্জে ১ হাজার ৩৯৭, হবিগঞ্জে ১ হাজার ১১৬ এবং মৌলভীবাজারে ৯১৮ জন রোগী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

অন্যদিকে সিলেট বিভাগে প্রতিদিনই বাড়ছে সুস্থ রোগী সংখ্যা। গত ২৭ এপ্রিল বিভাগে প্রথম সুনামগঞ্জে দুই রোগী করোনাভাইরাস জয় করে বাড়ি ফেরেন। এরপর প্রতিদিন বিভাগের বিভিন্ন জেলার রোগীরা করোনা জয় করে বাড়ি ফিরছেন।

সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘন্টায় ৩ হাজার ১০০ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এরমধ্যে সিলেট জেলায় ৯৮২, সুনামগঞ্জে ১০৬২, হবিগঞ্জে ৫৬১, মৌলভীবাজারে ৪৯৫ জন রোগী করোনা জয় করে বাড়ি ফিরেছেন।

বড়লেখায় ৬০ পিছ ইয়াবাসহ বাবলুকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ।

এম. এম আতিকুর রহমান ;

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ৬০ পিস ইয়াবাসহ বাবলু মিয়া (৫৮) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ।
গতরাত ১০টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের সাতকরাকান্দি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। বাবলু মিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের কেছরিগুল গ্রামের আব্দুল হাসিমের ছেলে। 

বড়লেখা থানা পুলিশ সূত্রে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে আজ রোববার দুপুরে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৬০ পিস ইয়াবাসহ বাবলুকে আটক করা হয়েছে। রাতেই তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। আজকেই তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইনে হাকালুকি হাওরে মোবাইল কোর্ট ৫জনকে অর্থদণ্ড।

বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শামীম আল ইমরানের নেতৃত্বে উপজেলা মৎস্য অফিস ও বড়লেখা থানা পুলিশের সহায়তায় আজ হাকালুকি হাওরে মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন,১৯৫০ এ সারাদিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এসময় সরকার ঘোষিত অভয়াশ্রম "কৈয়ারকোনা বিলে" নিষিদ্ধ ঘোষিত কারেন্ট জাল,বেড় জাল এবং মাছ ধরার ছাই দিয়ে মাছ ধরার অপরাধে ০৫ জন কে সর্বমোট ২৫,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং ০৫ জন কে ভবিষ্যতে এই ধরনের কাজ না করার মুচলেকা আদায় করা হয়। মোবাইল কোর্টের অভিযানে প্রায় তিনলক্ষ টাকা মূল্য এর নিষিদ্ধ ঘোষিত কারেন্ট জাল, বেড় জাল ও মাছ ধরার ছাই জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

বড়লেখায় মাতৃত্বকালীন ভাতা ও দুরারোগ্যদের মধ্যে মন্ত্রীর অনুদান প্রদান

এম. এম আতিকুর রহমান ;

আজ ২৫ জুলাই মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ২০১৯-২০ অর্থ বছরে দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচির ১৪৭০ জন এবং কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল কর্মসূচির ৪২৫ জন উপকারভোগীর ভাতা বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত থেকে উদ্বোধন করেন প্রধান অথিতি মোঃ শাহাব উদ্দিন, এম.পি, মাননীয় মন্ত্রী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এসময় বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোয়েব আহমদ, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, বড়লেখা। আনোয়ার উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ, বড়লেখা। সভাপতিত্ব করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত লায়লা নীরা।

এছাড়া সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে জটিল রোগ ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, জন্মগত হৃদরোগ, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত ১০ জন রোগীর মাঝে জনপ্রতি ৫০,০০০/- টাকা হারে ৫,০০০০০/- টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

বড়লেখায়মাতৃত্বকালীন ভাতা ও দুরারোগ্যদের মধ্যে মন্ত্রীর অনুদান প্রদান

এম. এম আতিকুর রহমান ;

আজ ২৫ জুলাই মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ২০১৯-২০ অর্থ বছরে দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচির ১৪৭০ জন এবং কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল কর্মসূচির ৪২৫ জন উপকারভোগীর ভাতা বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত থেকে উদ্বোধন করেন প্রধান অথিতি মোঃ শাহাব উদ্দিন, এম.পি, মাননীয় মন্ত্রী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এসময় বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোয়েব আহমদ, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, বড়লেখা। আনোয়ার উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ, বড়লেখা। সভাপতিত্ব করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত লায়লা নীরা।

এছাড়া সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে জটিল রোগ ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, জন্মগত হৃদরোগ, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত ১০ জন রোগীর মাঝে জনপ্রতি ৫০,০০০/- টাকা হারে ৫,০০০০০/- টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

বড়লেখায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একজন খুন

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় জমি ক্রয় সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ব্যবসায়ী আব্দুল আহাদ (৩৫) মারা গেছেন। গতরাতে (২৩ জুলাই) সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আহাদ বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের সুজাউল (হরিনগর) গ্রামের শফিক উদ্দিনের ছেলে। আর অভিযুক্ত মাতাব উদ্দিন একই এলাকার চন্ডিনগর (হরিনগর) গ্রামের মৃত রজব আলীর ছেলে।  

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল আহাদ ও তার স্বজনরা উপজেলার চন্ডিনগর (হরিনগর) গ্রামের মৃত রজব আলীর পুত্র মাতাব উদ্দিন ও তার সৎ ভাইদের কাছ থেকে সম্প্রতি কিছু জমি ক্রয়ের জন্য বায়নাপত্র করেন। জমি রেজিষ্ট্রির আগে নির্ধারিত মূল্যের অর্ধেকের বেশি টাকাও মাতাব উদ্দিনদের দেওয়া হয়। রেজিষ্ট্রি করার সময় অবশিষ্ট টাকা দেওয়ার কথা ছিল। পরবর্তীতে জমির কাগজপত্র সংক্রান্ত জটিলতা ও করোনাভাইরাসের কারণে জমি রেজিস্ট্রি হয়নি। এ অবস্থায় প্রায় দুই মাস আগে জমিতে চাষ করতে গেলে মাতাব উদ্দিনরা বাধা দেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে বৈঠক হলেও তা নিষ্পত্তি হয়নি। জমি নিয়ে স্থানীয়ভাবে বিচার চাওয়ায় আহাদের ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন মাতাব উদ্দিন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে আব্দুল আহাদ স্থানীয় অফিসবাজারে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। এরই মধ্যে মাতাব উদ্দিন আহাদের পথ রোধ করে দাঁড়ান। একপর্যায়ে মাতাব উদ্দিন দা দিয়ে আহাদের মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন সেখান থেকে তাঁকে (আহাদ) ‍উদ্ধার করে প্রথমে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২টায় তিনি মারা যান। 

বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইয়াছিনুল হক আজ (২৪ জুলাই) বিকেলে বলেন, ‘জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়ভাবে জেনেছি। নিহতের পরিবার এখনও মামলা দেননি। অভিযুক্ত ব্যক্তি আমাদের নজরদারিতে আছে। তাঁকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

বড়লেখা থানা ডিউটি অফিসারের মোবাইলে আজ রাত ৮ টায় কথা বললে আসামি গ্রেফতার বা মামলার বিষয়ে তিনি এখনো কিছু জানেন না বলে এ প্রতিবেদককে জানান।

বড়লেখায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একজন খুন

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় জমি ক্রয় সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ব্যবসায়ী আব্দুল আহাদ (৩৫) মারা গেছেন। গতরাতে (২৩ জুলাই) সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আহাদ বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের সুজাউল (হরিনগর) গ্রামের শফিক উদ্দিনের ছেলে। আর অভিযুক্ত মাতাব উদ্দিন একই এলাকার চন্ডিনগর (হরিনগর) গ্রামের মৃত রজব আলীর ছেলে।  

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল আহাদ ও তার স্বজনরা উপজেলার চন্ডিনগর (হরিনগর) গ্রামের মৃত রজব আলীর পুত্র মাতাব উদ্দিন ও তার সৎ ভাইদের কাছ থেকে সম্প্রতি কিছু জমি ক্রয়ের জন্য বায়নাপত্র করেন। জমি রেজিষ্ট্রির আগে নির্ধারিত মূল্যের অর্ধেকের বেশি টাকাও মাতাব উদ্দিনদের দেওয়া হয়। রেজিষ্ট্রি করার সময় অবশিষ্ট টাকা দেওয়ার কথা ছিল। পরবর্তীতে জমির কাগজপত্র সংক্রান্ত জটিলতা ও করোনাভাইরাসের কারণে জমি রেজিস্ট্রি হয়নি। এ অবস্থায় প্রায় দুই মাস আগে জমিতে চাষ করতে গেলে মাতাব উদ্দিনরা বাধা দেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে বৈঠক হলেও তা নিষ্পত্তি হয়নি। জমি নিয়ে স্থানীয়ভাবে বিচার চাওয়ায় আহাদের ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন মাতাব উদ্দিন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে আব্দুল আহাদ স্থানীয় অফিসবাজারে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। এরই মধ্যে মাতাব উদ্দিন আহাদের পথ রোধ করে দাঁড়ান। একপর্যায়ে মাতাব উদ্দিন দা দিয়ে আহাদের মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন সেখান থেকে তাঁকে (আহাদ) ‍উদ্ধার করে প্রথমে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২টায় তিনি মারা যান। 

বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইয়াছিনুল হক আজ (২৪ জুলাই) বিকেলে বলেন, ‘জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়ভাবে জেনেছি। নিহতের পরিবার এখনও মামলা দেননি। অভিযুক্ত ব্যক্তি আমাদের নজরদারিতে আছে। তাঁকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

বড়লেখা থানা ডিউটি অফিসারের মোবাইলে আজ রাত ৮ টায় কথা বললে আসামি গ্রেফতার বা মামলার বিষয়ে তিনি এখনো কিছু জানেন না বলে এ প্রতিবেদককে জানান।

কোরবানির হাটে দেশীয় বড় গরু দেখতে জনতার ভীড়

মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

করোনা পরিস্থিতিতে কোরবানির পশুর হাট কতটুকু জমবে তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছেন ব্যাসায়িরা। তবে এসব দুশ্চিন্তা পাশ কাটিয়ে “চান্দগ্রাম” হাটে এবার বড় তারকা হিসেবে আলোচনায় রয়েছে ছোট বালক জামিল এর গরু ।গরুই সর্বোচ্চ মূল্যে বিক্রি হবে বলে ধারণা তাদের।
ষাঁড়টির দৈর্ঘ্য ৬ফুট, উচ্চতা ৫ ফুট, ওজন ৭ মণ। লাল রঙের সুঠাম স্বাস্থ্যের ষাঁড়টির নাম বিক্রির জন্যই কেবল দেওয়া হয়েছে । লাল শরীরের বসও পিছিয়ে নেই। এই বসের ওজন ৭মণ।
বৃহঃবার দুপুরে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার খামারি জামিল এর খামারে এই ষাঁড় গরু টির দেখা মিলে। আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দেশিয় জাতের গরুটি দেশীয় পদ্ধতিতে নিজের খামারে মোটাতাজা করেছেন তিনি।
খামারি জামিল জানান, গরুটি খুব শান্ত স্বভাবের। ওর কোনও রাগ নেই। কারও দিকে তেড়েও আসে না। ৪ বছর ধরে আমি গরুর খামার করছি।৫ মাস আগে দাম হয়েছে দেড় লাখ টাকায়। তবে ২ লাখ টাকা পেলে গরু টি ছেড়ে দেবেন বলে জানান তিনি।
জামিল আরও জানান, প্রতিদিন দুই বেলা ১০ কেজি করে খাবার খায় গরু দুটি। এরমধ্যে রয়েছে গমের ভুসি, ধানের গুঁড়া, ভুট্টা, শুকনো খড় ও কাঁচা ঘাস। এছাড়া মাঝেমধ্যে ভাতও খায়। প্রতিদিন প্রায় এক হাজার টাকার খাদ্য লাগে। কোনও ধরনের মেডিসিন ব্যবহার করা হয়নি। তবে প্রাণিসম্পদ অফিসের পরামর্শ নিয়েছি।

এদিকে দেখতে প্রতিদিনই লোকজন তার বাড়িতে ভিড় করছেন। গরু দেখতে আসা সাংবাদিক কাজী রমিজ উদ্দিন , বড় আকৃতির গরুর কথা শুনে দেখার আগ্রহ হয়েছিল। তাই দেখতে আসছি। আমি অনেক খামারির কাছে খবর নিয়েছি, এত বড় গরু আর নেই।
কিন্তু করোনাকালে দুশ্চিন্তায় রয়েছি। কেননা, করোনাভাইরাস ও সাধারণ মানুষের পকেটে টাকা না থাকার কারণে এবার সারা দেশের পশুর হাটগুলোতে পশু কম থাকবে। সেই সঙ্গে ক্রেতাও কম থাকবে। কারণ, করোনার কারণে অনেক ক্রেতা-বিক্রেতা হাটে যাওয়া থেকে বিরত থাকবেন। আবার অনেকে আর্থিক কারণে পশু কেনার চিন্তাই করবেন না। ফলে লোকসানও বেশি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

করোনাভাইরাসের মধ্যে খামারিরা গরু বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

বড়লেখায় প্রবাসী দুই বন্ধুর খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ

মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধি ::মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের আতুয়া গ্রামের লন্ডন প্রবাসী,জামেয়াতুল উম্মা ইসলামিক স্কুল লণ্ডন E-1 এর শিক্ষক মাওলানা মোঃ মুমিনুল ইসলাম ফারুকী ও তাঁর বন্ধুদের অর্থায়নে এলাকার হত দরিদ্র,অসচ্ছল ৯০টি পরিবারের মাঝে ঈদের খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আতুয়া গ্রামে প্রবাসী মুমিনুল ইসলাম ফারুকীর নিজ বাড়িতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দরিদ্রদের মাঝে এসব সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।

এসময় উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ৩৮জন সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ৫২ জন ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের মাঝে ১০ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ লিটার তৈল, ২ টি সাবান ও নগদ ৫শত টাকা করে বিতরণ করা হয়।

বিতরণকালে স্থানীয় ইউপি সদস্য আলীম উদ্দিন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কালাচাঁদ চন্দ চন্দ, স্থানীয় স্কুল শিক্ষক আব্দুল করিম, উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের তালাক ও নিকাহ রেজিস্টার সাংবাদিক কাজী রমিজ উদ্দিন,আতুয়া জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওঃআব্দুস শহীদ, সুলতান মাহমুদ খান,তারেক মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

লন্ডন প্রবাসী মুমিনুল ইসলাম ফারুকী জানান, ‘করোনাভাইরাসের এই পরিস্থিতিতে খেটে খাওয়া হতদরিদ্র মানুষগুলো খুব কষ্টের মধ্য জীবনযাপন করছে।তাই প্রবাসে বসে আমি উদ্যোগ নিয়েছি এই দুঃসময়ে হতদরিদ্র মানুষের পাঁশে দাঁড়ানোর। এ উদ্যোগে আমার বন্ধুমহল এগিয়ে এসেছেন। তাদের আর্থিক সহযোগিতায় এবং আমার ভাই আব্দুস শহীদ ও মুজিরুল ইসলামের মাধ্যমে করোনাকালীন সময়ে আরও দুই দফায় অসহায় দরিদ্রদের মাঝে নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছি। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ৯০ টি হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ সম্পন্ন করা হয়েছে,দুঃখিদের মুখে হাসি ফুটানো ধনীদের নৈতিক দায়িত্ব। ধাপে ধাপে হতদরিদ্র পরিবারগুলোর মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের ধারা অব্যাহত রাখবো ইনশা আল্লাহ।’

বড়লেখায় মন্ত্রী মহোদয়ের ঐচ্ছিক তহবিলের চেক বিতরণ

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আজ ২৩ জুলাই উপজেলা পরিষদ হলরুমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি এর ঐচ্ছিক তহবিলের চেক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শামীম আল ইমরান এর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে ফেসবুকে লাইভে প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী বড়লেখা-জুড়ী আসনের সংসদ সদস্য মোঃ শাহাব উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার উদ্দিন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ তাজ উদ্দিন।

উক্ত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী মহোদয়ের ঐচ্ছিক তহবিলের ২০১৯-২০ অর্থবছরের বরাদ্দ থেকে ১১৫ জন ব্যক্তি ও ২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪,৯৭,০০০ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

সরকারী ভাতা নেয়ার মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না : পরিবেশ মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার যেভাবে দেশের দরিদ্র মানুষদের সুযোগ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে তাতে আগামীতে সরকারী ভাতা নেয়ার মানুষও খুঁজে পাওয়া যাবে না। করোনা মহামারীর সময়েও ঝুঁকি নিয়ে সরকার দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছে।
সোমবার বিকালে মৌলভীবাজারের বড়লেখার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র অসহায়দের মাঝে বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বয়স্ক বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার চালু করেছিল।তারই ধারাবাহিকতায় উত্তর শাহবাজপুরে বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধীদের ভাতার কার্ড করে দেয়া হয়েছে। বাকি যারা রয়েছেন আগামী এক বছরের মধ্যে সবাইকে ভাতার আওতায় আনা হবে। কেউ বাদ পড়বে না।উত্তর শাহবাজপুর ইউপি ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) সেলিম আহমদ খানের সভাপতিত্বে ও ইউপি মেম্বার বদরুল ইসলামের পরিচালনায় বিভিন্ন ভাতার কার্ড বিতরণের সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইউএনও মো. শামীম আল ইমরান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিন,উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা উবায়েদ উল্লাহ খান, ভিডিও কনফারেন্সে লন্ডন থেকে বক্তব্য রাখেন উত্তর শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান আহমদ জুবায়ের লিটন,ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক, ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিক উদ্দিন, আওয়ামী লীগ নেতা জোবের আহমদ, যুবলীগ নেতা কামাল উদ্দিন প্রমুখ।

বড়লেখায় ইউপি সদস্যে’র ইন্তেকাল

এম. এম আতিকুর রহমান ;

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য রফিকুল আলমের ইন্তেকালে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি (২০ জুলাই) গতরাত ৩ ঘটিকায় গ্রামতলাস্থ তাঁর নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন।

মরহুমের জানাজার নামাজ আজ বেলা ২ ঘটিকায় সৈয়দা মোকাম মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্টিত হয়ে স্থানীয় গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
একজন সততা সম্পন্ন বিনয়ী ও পরোপকারী সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে সুপরিচিত উদীয়মান সমাজ সেবককে অকালে হারিয়ে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আমরা তাঁর শোকাহত পরিবার পরিজনের সবরে জামিল দান এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের আলা মাকাম নসিব করুন দয়াময় আল্লাহর কাছে কায়মনোবাক্যে এই ফরিয়াদ জানাই।

ভারতে গণপিটুনিতে নিহত ২ জন বড়লেখার

এম. এম আতিকুর রহমান ;

ভারতের করিমগঞ্জে গণপিটুতে নিহত হওয়া তিন বাংলাদেশীর দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাদের বাড়ি মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায়। নিহত দুজন হলেন-উপজেলার তালিমপুর ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর গ্রামের মৃত আছদ্দর আলীর ছেলে মো. নুনু মিয়া (২৭) এবং একই গ্রামের আব্দুল মানিকের ছেলে জুয়েল আহমদ (২৬)। তারা সম্পর্কে পরস্পর চাচা-ভাতিজা। দুজনেই পেশায় অটোরিক্সা চালক বলে জানা গেছে। 

বড়লেখা উপজেলার তালিমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিদ্যুৎ কান্তি দাস আজ বিকেলে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন।  চেয়ারম্যান জানান, নিহত হওয়া তিনজনের মধ্যে দুজনের বাড়ি তালিমপুর ইউপির কাঞ্চনপুর এলাকায়। তিনি তাদের পরিবারের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছেন যে তারা দুজন গত শুক্রবার জুড়ীতে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর থেকে তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। আজ সকালে জুড়ী থানা পুলিশ তাকে জানায় যে তারা ভারতে খুন হয়েছেন। পরে তিনি নিহতদের ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত হন। 

নিহত জুয়েল মিয়ার বড়ভাই রুবেল জানান, গত শুক্রবার এক ব্যক্তি তাদেরকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। আজ সকালে তারা জানতে পেরেছেন যে তারা ভারতে গিয়ে খুন হয়েছেন। তবে তারা কেন এবং কী জন্য ভারতে যায় সে ব্যাপারে কিছুই জানা যায়নি।  

বিজিবি ৫২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল গাজী শহীদুল্লাহ বলেন, ভারতে নিহত হওয়া দুই বাংলাদেশীর পরিচয় জানা গেছে। তাদের দুজনের বাড়ি বড়লেখায়। আর নিহত হওয়া অপরজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

স্থানীয় পুলিশের বরাত দিয়ে সেখানকার সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, নিহত বাংলাদেশীরা গত শনিবার রাতে সীমান্ত পেরিয়ে করিমগঞ্জের পাথরকান্দি অঞ্চলে বগরিজান চা বাগান এলাকায় ঢুকে পড়ে। স্থানীয় লোকজন গরুচোর সন্দেহে এসময়ে তাদের ওপর হামলা করে। হামলার এক পর্যায়ে ঘটনাস্থলেই তারা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।
ঐ এলাকার পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে নিহত তিন জনের লাশ উদ্ধার করে। লাশ হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সিলেটে টাকার বিনিময়ে করোনার ভুয়া সার্টিফিকেট দিতেন ডা. শাহ আলম

ডাঃ শাহ আলম প্রতি শুক্রবার বড়লেখায় ও রোগী দেখেন।

নিউজ ডেস্কঃ ‌সি‌লে‌টে অর্থের বিনিময়ে করোনা রোগীদের ভুয়া সার্টিফিকেট প্রদান ও নিজে করোনা আক্রান্ত হয়েও রোগী দেখার দায়ে এএইচএম শাহ আলম নামে এক চিকিৎসককে একলাখ টাকা জরিমানা ও চার মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রোববার রা‌তে নগরীর মধু শহীদ এলাকার বেসরকা‌রি মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেডের নীচ তলায় ডা. শাহ আলমের চেম্বারে অভিযান চালায় র‌্যাব-৯। অভিযানের নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুনন্দা রায়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুনন্দা রায় বলেন, ‘ডা. আলমকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তিনি তার অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাকে ৪ মাসের জেল, ১ লাখ টাকা জরিমানা করার পাশাপাশি অনাদায়ে আরও ১ মাসের জেল দেওয়া হয়। তার সব অনিয়মের প্রমাণ আমাদের কাছে রয়েছে।’

র‌্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সামিউল আলম জানান, ডা. আলম বিদেশযাত্রীসহ কয়েকজনকে করোনার ভুয়া সার্টিফিকেট টাকার বিনিময়ে দিয়েছেন বলে র‌্যাবের কাছে স্বীকার করেন। পরে তাকে নিয়ে তার চেম্বার মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেডে অভিযান চালানো হয়।

সামিউল আলম বলেন, ‘তিনি ওসমানী মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতেন। যদিও তিনি কোনো সরকারি হাসপাতালে চাকরি করতেন না। এ ছাড়া তিনি নিজে গত ১৪ জুলাই করোনা আক্রান্ত হন। এই তথ্য গোপন রেখেই তিনি চেম্বারে রোগী দেখে যাচ্ছেন।’

বিদেশ যাত্রীদের জন্য বিভিন্ন দেশ ও এয়ারলাইন্স করোনা নেগেটিভ সার্টিফেকেট বাধ্যতামূলক করার পর প্রবাসীদের টার্গেট করেন ডা. শাহ আলম। ‘করোনা নেগেটিভ’ সার্টিফিকেট দেওয়ার বিপরী‌তে তিনি চার হাজার টাকা করে আদায় করেন। ফ্লাইটের ৪৮ ঘন্টা আগে তিনি ওই প্রবাসীকে ডেকে নিয়ে হাতে ধরিয়ে দেন প্রত্যয়নপত্র। রোগী বা যাত্রীকে না দেখেই নিজের প্যাডে দেওয়া ওই প্রত্যয়পত্রে ডা. শাহ আলম লিখে দেন, তিনি ওই ব্যক্তিকে তার চেম্বারে দেখেছেন। তার মধ্যে কোভিড-১৯ এর কোন লক্ষণ নেই।

সুত্রঃ সমকাল (অনলাইন)

বড়লেখায় দুর্বৃত্তের দেয়া আগুনে গোয়ালঘর পুড়ে ৩টি গরুর মৃত্যু

এম. এম আতিকুর রহমান ;

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় দুর্বৃত্তের দেওয়া আগুনে পুড়ে ৩টি গরু মারা গেছে। গতমধ্যরাতে উপজেলার দক্ষিণভাগ উত্তর (কাঠালতলী) ইউনিয়নের পশ্চিম কাঠালতলী গ্রামে উপজেলা তাঁতি লীগের সভাপতি, আ’লীগ নেতা ঠিকাদার মহিউদ্দিন আহমদ গোলজারের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত রাত ১টার দিকে হঠাৎ করে সেমিপাকা গোয়ালঘরে আগুন লাগে। এসময় গোয়ালে থাকা গরু হাঁকডাক ও লাফালাফি করতে থাকে। গরুর হাঁকডাক শুনে মহিউদ্দিন আহমদ গোলজার ঘর থেকে বের হয়ে গোয়ালঘরে আগুন দেখতে পান। ঘটনা বুঝতে পেরে এলাকার লোকজন এসে দীর্ঘ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে আগুনে গোয়ালে থাকা একটি গাভিসহ তিনটি গরু মারা যায়। পাশাপাশি সেখানে রাখা একটি পানির পাম্প ধান ভাঙার মেশিন, গাড়ির টায়ারসহ বিভিন্ন মালামালও পুড়ে যায়।

বাড়ীর মালিক ঠিকাদার মহিউদ্দিন আহমদ গোলজার আজ বলেন, পূর্বশত্রুতার জেরে ধরে কেউ হয়তো তাঁর গোয়ালঘরে আগুন দিয়েছে। তা নাহলে এখানে আগুন লাগার কথা নয়। তিনটি গরুসহ গোয়ালে থাকা পানির পাম্প, ধান ভাঙার মেশিন, গাড়ির টায়ারসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে তাঁর প্রায় ৬ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

বড়লেখা ফায়রাসার্ভিসের ফায়ারম্যান সফিউল আলম রোববার জানান, রাতে আমরা আগুন লাগার খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই স্থানীয়রা ফোনে জানান আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। পরে আর সেখানে যাওয়া হয়নি।

বড়লেখায় মহিলা মাদ্রাসার জন্য ১৫ লাখ টাকার জমিদান

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখার দক্ষিণভাগ মোহাম্মদিয়া (টিলাবাজার) দারুল হাদিস টাইটেল মাদ্রাসায় স্বতন্ত্র মহিলা বিভাগ খোলার জন্য ১৫ লাখ টাকার ১৫ শতাংশ ভুমি দান করেছেন আলহাজ শামছুল হক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ শামছুল হক। তিনি কাতার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ব্যবসায়ী শরিফুল হক সাজুর পিতা।
১৮ জুলাই শনিবার দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি মাদ্রাসা কমিটির হাতে দানকৃত ভুমির দলিল হস্তান্তর করেন। এ উপলক্ষে মাদ্রাসা কমিটির পক্ষ থেকে তাকে এক সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
ঐতিহ্যবাহী বড়খলা বশিরিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আলা উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক এম সামছুল হকের পরিচালনায় মাদ্রাসা ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত সভায় সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্য রাখেন ভুমি দানকারী সমাজসেবক আলহাজ শামছুল হক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সুজানগর ইউপি চেয়ারম্যান নছিব আলী, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ সাব্বির আহমদ, আমেরিকা প্রবাসী ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিন তাপাদার, মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি ইমান উদ্দিন, সমাজসেবক ফখরুল ইসলাম শুনু, আব্দুল মুকিত লুলু, আওয়ামী লীগ নেতা তাজ উদ্দিন লতা, ছমির উদ্দিন, কাতার প্রবাসী জামাল উদ্দিন আহমদ, দক্ষিণভাগ বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আব্দুল হক, কাতারস্থ আল এহসান সমাজকল্যাণ পরিষদের সভাপতি আব্বাস উদ্দিন, জামেয়া ইসলামিয়া আজিমগঞ্জ মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল কাদির, দক্ষিণভাগ মোহাম্মদিয়া দারুল হাদিস টাইটেল মাদ্রাসার মোহতামিম কাওছার আহমদ, মুফতি খায়রুল ইসলাম, মহিউদ্দিন আহমদ আদনান, হাফেজ খলিলুর রহমান শাহীন প্রমুখ।

বড়লেখা পৌর কাউন্সিলার জেহিন সিদ্দিকী করোনা আক্রান্ত।

এম. এম আতিকুর রহমান ;

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক, বড়লেখা পৌরসভা’র ২ নং ওয়ার্ড থেকে বার বার নির্বাচিত কাউন্সিলর, বিশিষ্ট সমাজ সেবক জেহীন সিদ্দিকী আর্ত মানবতার সেবায় করোনার প্রাদুর্ভাবে বিপর্যস্ত অসহায় মানুষের জন্য মানবিক দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আজ তিনি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

তাঁর দ্রুত সুস্থতার জন্য মহান আল্লাহর কাছে তিনিসহ কায়মনোবাক্যে দোয়া কামনা করেছেন বড়লেখা উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ ও বড়লেখার পৌর মেয়র আবুল ইমাম মোঃ কামরান চৌধুরী।
বড়লেখা উপজেলার মধ্যে করোনা পজিটিভ সনাক্ত বেশি হয়েছে কাউন্সিলার জেহিন সিদ্দিকীর ওয়ার্ডে। তিনি আক্রান্ত এলাকা ও পরিবারের দেখাশোনা করেই যাচ্ছিলেন। এই মানবতার খেদমতে নিয়োজিত ব্যক্তির আশু সুস্থতায় সকলের দোয়া প্রত্যাশি।

বড়লেখায় করোনায় মৃত পার্থপালের সৎকারে ইকরামুল মুসলিমীনের সম্প্রতির দৃষ্টান্ত স্থাপন

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

আজ ১৭ জুলাই শুক্রবার মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার ৭ নং ফুলতলা ইউনিয়নের বুটলি গ্রামের পরিতোষ পাল পিতাঃ মৃত লোকেশ পাল গতরাত ১২.৪৫ মিনিটে করোনায় আক্রান্ত হয়ে বড়লেখা উপজেলা শহরের গাজীটেকা নামক স্থানের সরৎ ম্যানশনের ৩য় তলায় পরলোকগমন করেন।

ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজার সভাপতি মাওঃ এহসানুল হক জাকারিয়া জানান, পরলোকগমনকারীর ছেলে পার্থ পাল মুঠোফোনে জানান, উনার বাবা করোনা পজেটিভ অবস্থায় পরলোকগমন করেছেন কিন্তু সৎকারের জন্য কোনো মানুষ খোজে পাচ্ছেন না, আমরা উনার বাবার সৎকার করবো কি না? তিনি বলেন যদি প্রশাসন অনুমতি দেন তাহলে সৎকার করে দিবো। তিনি তখন বড়লেখা উপজেলার ওসি এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সাথে আলাপ করে জানান তারা অনুমতি দিয়েছেন, তবে জুড়ী উপজেলার কথা বলতে হবে, মৃত ব্যক্তির ছেলে জুড়ী স্বাস্থ কর্মকর্তা এবং প্রশাসনের সাথে আলাপ করেন। ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজারের সভাপতিও উভয় উপজেলা প্রশাসনের সাথে আলাপ করে, তাদের অনুমতিতে সৎকার কার্জ সম্পন্ন করেন। ইকরামুল মুসলিমীন সভাপতি আরো জানান, আমরা এম্বুলেন্স দিয়ে বড়লেখা বাসা থেকে লাশ নিয়ে জুড়ীতে আসি, সেখানে আমরা লাশকে স্নান করাই। মৃত ব্যক্তির ছেলে, মূখাগ্নী দেন। ভোররাত থেকে সকাল ১০.৩০ মিনিট পর্যন্ত সৎকার চলে।
ইতোপূর্বে ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গলে বীর মুক্তিযোদ্ধা বিকাশ দত্তের সৎকার করে এবং শমসেরনগর খ্রীস্টান চার্চের শ্যামুয়েল রোকন মল্লিককে ফ্রী অক্সিজেনসহ বিভিন্ন সেবা দিয়ে আসছে।

এটা ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজারের ২য় হিন্দু সৎকার এবং ইকরামুল মুসলিমীনে মৌলভীবাজারের ১৪ তম করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর দাফন-কাফন। এর পূর্বে মৌলভীবাজার সদরে ৩টি, শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ৬টি, জুড়ী উপজেলায় আজসহ ৩ টি এবং কুলাউড়া উপজেলায় ১ টি এবং আজ বড়লেখা উপজেলায় ১ টি সহ ১৪তম দাফন-কাফন সম্পন্ন করে।

জুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানার অফিসার ইনচার্জ সহ সুশীল সমাজ ইকরামুল মুসলিমিন ফাউন্ডেশন এর এমন মানবসেবার দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানান।

বড়লেখা হলিলাইফ স্পেশালাইজড হাসপাতালে মোবাইল কোর্টে ৫০ হাজার জরিমানা

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শামীম আল ইমরান আজ ১৬ জুলাই দুপুরে পৌরসভার হলিলাইফ স্পেশালাইজড হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এতে ক্লিনিক পরিচালনার লাইসেন্স না থাকা, মেয়াদ উত্তীর্ণ রি-এজেন্ট ব্যবহার করা এবং প্রদত্ত সেবার নির্ধারিত মূল্য তালিকা না থাকায় মেডিকেল প্র‍্যাকটিস এবং বেসরকারি ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরী (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুসারে ৫০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। এসময় লাইসেন্স না পাওয়া পর্যন্ত ক্লিনিকের সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা কালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. রত্নদ্বীপ বিশ্বাস এবং বড়লেখা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রতন দেবনাথ সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করেন।

মৌলভীবাজার জেলা সাপোর্টারস ফোরামের সভাপতি আঃ কুদ্দুস সম্পাদক জাকির আহমদ

বাংলাদেশ ফুটবল উন্নয়ন সমিতির পাশাপাশি চলছে পুরো দেশে। সাপোর্টারস ফোরাম বাংলাদেশ ফুটবল উন্নয়ন সমিতি গঠনের কাজ। এই ধারাবাহিকতায়  মৌলভীবাজার জেলায় সাপোর্টারস ফোরাম বা,ফু,উ,স। কমিটি ঘোষণা করা হয় কমিটি সভাপতি মনোনীত হোন মোঃ আব্দুল কুদ্দুস এবং সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হোন জাকির আহমেদ রোমান। উল্লেখ্য  সভাপতি-মোঃআব্দুল কুদ্দুস  খেলোর জীবনে মৌলভীবাজার ওয়ান্ডার্স ক্লাবের সাবেক ফুটবলার বড়লেখা উপজেলার ৫নং দক্ষিন শাহবাজপুর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান। এবং  সাধারণ সম্পাদক জাকির আহমেদ রোমান মৌলভীবাজার জেলা ফুটবল দলের সাবেক ফুটবলার।সিলেট বিভাগের অন্য জেলার সাপোর্টারস ফোরামের নতুন  কমিটি গুলি কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তারা। ধন্যবাদ জানান  গ্রামীন ফুটবল বিপ্লবী জালাল হোসেন লাইজু কে। এবং যারা ফুটবল  কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য  নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন  মোফাজ্জল হোসেন বিপুল ও সি ই ও মামুন সহ সবাই কে  ধন্যবাদ জানান।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সমাজে যাদের উপর কোরবানী ওয়াজিব

কারো জন্য কোরবানী ওয়াজিব হওয়া কিংবা সুন্নত হওয়ার জন্য কোরবানীকারী কে ধনী হওয়া শর্ত। অর্থাৎ তার নিজের খরচ পাতি ও সে যাদের খরচ চালায় তাদের খরচপাতির অতিরিক্ত তার কাছে কোরবানী করার অর্থ থাকা। অতএব, কোন মুসলমানের যদি মাসিক বেতন বা আয় থাকে এবং এ বেতন দিয়ে তার খরচ চলে যায়, এর অতিরিক্ত তার কাছে কোরবানীর পশু কেনার অর্থ থাকে তাহলে সে ব্যক্তি কর্তৃক কোরবানী দেয়ার শরয়ীহ বিধান রয়েছে।

কোরবানী করার জন্য ধনী হওয়া শর্ত মর্মে দলিল হচ্ছে নবী (সাঃ) বাণী: “যে ব্যক্তির সামর্থ্য আছে অথচ সে কোরবানী করেনি সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়”[সুনানে ইবনে মাজাহ (৩১২৩), আলবানী ‘সহিহ সুনানে ইবনে মাজাহ’ গ্রন্থে হাদিসটিকে ‘হাসান’ বলেছেন] এখানে সামর্থ্য দ্বারা উদ্দেশ্য ধনী হওয়া।

প্রতিটি পরিবারের পক্ষ থেকে কোরবানী দেয়ার বিধান রয়েছে। দলিল হচ্ছে- নবী (সাঃ) বাণী: “প্রতিটি পরিবারের পক্ষ থেকে প্রতি বছর একটি কোরবানী দেয়া ওয়াজিব”[মুসনাদে আহমাদ (২০২০৭)] ইবনে হাজার ‘ফাতহুল বারী’ গ্রন্থে বলেন: হাদিসটির সনদ মজবুত। আলবানী ‘সহিহ সুনানে আবু দাউদ গ্রন্থে (২৭৮৮) হাদিসটিকে ‘হাসান’ বলেছেন]

এ বিধানের ক্ষেত্রে পুরুষ বা নারীর কোন ভেদ নেই। অতএব, কোন নারী যদি একাকী বসবাস করেন কিংবা তাঁর সন্তানদেরকে নিয়ে থাকেন তাহলে তাদেরকে কোরবানী করতে হবে।

প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী—যে ১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের ভেতরে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে; তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব।
অর্থ-কড়ি, টাকা-পয়সা, সোনা-রূপা, গহনা-অলঙ্কার, বসবাস ও খোরাকির অতিরিক্ত জমি, প্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সব আসবাবপত্র কোরবানির নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য।
আর নেসাব হল স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরি, রূপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি। আর টাকা-পয়সা ও অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রে নিসাব হলো- এগুলোর মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হওয়া (টাকার অংকে প্রায় ৫৫ হাজার টাকা)।
আর সোনা বা রূপা কিংবা টাকা-পয়সা এগুলোর কোনো একটি যদি পৃথকভাবে নেসাব পরিমাণ না থাকে কিন্তু প্রয়োজন অতিরিক্ত একাধিক বস্তু মিলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হয়ে যায়, তাহলেও কোরবানি করা ওয়াজিব। (আলমুহিতুল বুরহানী: ৮/৪৫৫; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া: ১৭/৪০৫)

আল-মাওসুআ আল-ফিকহিয়্যা গ্রন্থে (৫/৮১) এসেছে-

“কোরবানী ওয়াজিব হওয়া কিংবা সুন্নত হওয়ার জন্য পুরুষ হওয়া শর্ত নয়। কোরবানী পুরুষদের উপর যেমন ওয়াজিব হয় তেমনি নারীদের উপরও ওয়াজিব হয়। কারণ ওয়াজিব হওয়ার দলিলগুলো নর-নারী সবাইকে সমানভাবে শামিল করে।”(সংক্ষেপিত ও সমাপ্ত)

লেখক
ক্বাজী রমিজ উদ্দিন
নিকাহ রেজিস্টার
৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউঃপিঃ
বড়লেখা মৌলভীবাজার।

যুবকদের কর্মস্পীহায় এগিয়ে যাচ্ছে গ্রাম – মাষ্টার ময়নুল হক


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পকুয়া যুব সমাজের উদ্যোগে পকুয়া গ্রামের সীমানার নেম প্লেইট স্থাপনের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ করা হয়।এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৩নং নিজবাহাদুরপুর ইউ/পি চেয়ারম্যান মাষ্টার ময়নুল হক।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, প্যানেল চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন, ২নংওয়ার্ড সদস্য শামিম উদ্দিন, সাবেক ইউ পি সদস্য রফিক উদ্দিন পংকি গল্লাসাঙ্গন উচ্চ বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক মাহমুদুর রহমান সরফ,সহকারী শিক্ষক সাইদুর রহমান আবুল,দৌলতপুর হাছিব আলী কিন্ডারগার্টেন এর প্রধান শিক্ষক সুমন আহমদ, সহকারী শিক্ষক হাছান আহমদ সবুজ,ব্যবসায়ী কবির হোসেন টিপু,কিবরিয়া খান,মোঃ আব্দুল্লাহ, জামিল আহমদ,ইন্দ্র মোহন বিশ্বাস প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাষ্টার ময়নুল হক বলেন
আর্থ সামাজিক উন্নয়ননে যুবকদের কে সম্পৃক্ত করে তাদের স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি গ্রামের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে।পকুয়া যুব সংঘ তাদের কর্মস্পৃহা ও কর্মোদ্দীপনা কাজে লাগিয়ে গ্রামকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।এ লক্ষ্যে তাদেরকে বিভিন্ন উন্নয়মুখী কাজ করতে যাচ্ছে। এসব কর্মকান্ড বাস্তবায়নের জন্যে যুবকরা প্রশংসার পাত্র।

বড়লেখায় শিক্ষা বৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

এম. এম আতিকুর রহমান ;

মৌলভীবাজারের বড়লেখা প্রশাসনের আয়োজনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে গৃহীত “বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা (পার্বত্য চট্রগ্রাম ব্যতীত) ” শীর্ষক কর্মসূচির চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের আওতায় অধ্যায়নরত ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে সংযুক্ত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী বড়লেখা -জুড়ী আসনের সাংসদ মোঃ শাহাব উদ্দিন।

আজ ২৬ জুন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শামীম আল ইমরান এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ বড়লেখার চেয়ারম্যান সোয়েব আহমেদ।

উপজেলা পরিষদ হলরুমে স্বাস্থ্য বিধি মেনে উক্ত অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ ২৫৪ জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা বৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন।

বড়লেখায় শিশু ধর্ষন চাচাতো ভাই গ্রেফতার

এম. এম আতিকুর রহমান ;

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ৪ বছরের এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গত ২০ জুন রাতে একজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

অভিযুক্ত শিশুটির চাচাত ভাই গ্রেফতারকৃত জাবেদ আহমদ (১৬) উপজেলার দক্ষিনভাগ দক্ষিন ইউনিয়নের কাসেমনগর গ্রামের আমীর হোসেনের পুত্র।

এই ধর্ষনের ঘটনাটি বৃহস্পতিবার সন্ধার দিকে উপজেলার দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউনিয়নের কাসেমনগর গ্রামে ঘটে। পরে ধর্ষনের শিকার শিশুটিকে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।

এলাকাবাসী পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ধর্ষনের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত জাবেদ আহমদ ভিকটিমের চাচাত ভাই হওয়ার সুবাদে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে শিশুটিকে তার বাড়িতে ডেকে নেয়। পরে হঠাৎ কান্নার শব্দ পেয়ে মেয়েটির মা তাদের বাড়ীতে গিয়ে মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় পান। পরে পরিবারের লোকজন মেয়েটিকে নিয়ে প্রথমে আজিজ মেডিকেলে এবং সেখান থেকে বড়লেখা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিকি চিকিৎসার দেয়া হয়। পরে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে প্রেরণ করা হয়েছে।

ঘটনায় অভিযুক্ত চাচাতো ভাই জাবেদ আহমদ (১৬) কে আসামী করে থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ শনিবার রাতেই জাবেদ আহমদ (১৬) কে গ্রেফতার করেছে।

এ ঘটনায় বড়লেখা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. ইয়াছিনুল হক আসামীকে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ।

বড়লেখায় আরো দু জন করোনা রোগী সনাক্ত


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় নতুন করে আরও দুইজন করোনা আক্রান্ত পুরুষ রোগী শনাক্ত হয়েছে। নতুন শনাক্ত দুইজনের একজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফার্মাসিস্ট (৩২) এবং অপরজন একটি ওষুধ কোম্পানীর বিক্রয় প্রতিনিধি (৩২)। তাদের একজনের বাড়ি পৌরসভার হাটবন্দ এলাকায় এবং অপরজনের বাড়ি পাখিয়ালা এলাকায়। শনিবার (২০জুন) উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদ্বীপ বিশ্বাস এ তথ্য জানিয়েছেন।

এ বিষযে জানা যায়,গত ২৫ এপ্রিল বড়লেখার কাসেমনগর এলাকায় প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। সে হিসেবে  সংক্রামনের এখন মোট করোনা  শনাক্ত রোগির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫জনে। তাদের মধ্যে ৭জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

নতুন শনাক্ত দুজনের নমুনা ১৭ জুন পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। শনিবার তাদের রিপোর্টে করোনা পজিটিভ আসে। আক্রান্ত দুজনেই নিজ বাড়িতে হোম আইসোলেশনে রয়েছেন। তাদের শরীরের করোনার উপসর্গ নেই।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদ্বীপ বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করে শনিবার বিকাল বেলা , তাদের দু’জনের মধ্যে করোনার উপসর্গ জ্বর-কাশি ছিল। ১৭ জুন তাদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়। তারা দু’জনেই সুস্থ আছেন। তাদের বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।

অধ্যাপক আঃ সহিদ খান গোয়ালী বিহাইডহর সরঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত

ইবাদুর রহমান জাকিরঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গোয়ালী বিহাইডহর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন প্রতিষ্টানের ভূমি দাতা সদস্য বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান।তিনি এ অঞ্চলের শিক্ষা বিস্তারে প্রায় ৩ যুগেরও অধিক সময় থেকে ব্যাপক ভুমিকা পালন করে আসছেন। শাহবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের টানা ৬ বারের নির্বাচিত প্রতিনিধি সহ স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় শিক্ষা বিস্তারে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ শিক্ষা অর্জনকারী জনাব খান এ অঞ্চলের মানুষের কাছে একটি জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে ইতিমধ্যে আত্বপ্রকাশ করেছেন।তিনি রাজনীতি ও শিক্ষা সংগঠকের পাশাপাশি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ গার্লস কলেজে দীর্ঘ ২২ বৎসর থেকে অধ্যাপনা করে আসছেন।

বড়লেখার ডাক্তার হোসাইন আহমদ করোনা আক্রান্ত

এম. এম আতিকুর রহমান ;

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার চান্দগ্রামের কৃতি সন্তান সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের এসোসিয়েট প্রফেসর ডাক্তার হোসাইন আহমেদ কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছেন।

করোনা ভাইরাস উপসর্গ পজিটিভ সনাক্ত হলে আজ দুপুরে তাঁকে সিলেট মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজন মানবিক ও গরিবের ডাক্তার হিসেবে তাঁর সমধিক পরিচিত রয়েছে। তিনি গরীব অসহায় রোগীকে ফ্রী চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। বিশেষত এলাকার যেকোনো মানুষকে প্রায় বিনামূল্যে চিকিৎসার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন এ তরুণ উদীয়মান সমাজকর্মী।

তিনি আক্রান্তের খবরে ব্যতীত হৃদয়ে ব্যক্তি ও সামাজিক অঙ্গনে দোয়া চাওয়া হচ্ছে। তাঁর পরিবার বড়লেখাবাসীসহ
সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

এ মানবতাবাদী সকলের প্রিয় ডাক্তার হোসাইন আহমদকে দ্রুত শিফা দানে কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা দয়াময়ের তরে।

“ছাত্রদের কাজ নিজেকে ভাবিষ্যতের উপযোগী করে গড়ে তুলা”-অধ্যাপক আঃ সহিদ খান


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

“ছাত্রদের প্রধান কাজ হচ্ছে পড়াশুনা করে নিজেকে ভবিষ্যতের উপযোগী নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলা। আর অবসর সময়ে ছাত্র রাজনীতি সহ সৃজনশীল কর্মকান্ডের মাধ্যমে নিজের নেতৃত্বের বিকাশ ঘঠানো।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে মেধাবী ছাত্র সমাজকে নিয়ে নৌবিহারে গমন সহ নানা ভাবে উৎসাহিত করে একটি মেধা নির্ভর নেতৃত্ব সৃষ্টির জন্য জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল গঠন করেন।তাই পড়াশুনার পাশাপাশি অবসর সময়ে ছাত্র রাজনীতি করতে চাইলে ছাত্রদেরকে ছাত্রদলের পতাকাতলে সমবেত হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।

“আজ উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের উদ্দোগে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের এক সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য ও বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান এসব বলেন।
ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সি. যুগ্ম আহবায়ক শাহীন আহমদের সভাপতিত্বে ও ছাত্রনেতা তারেক মুন্নার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দিন জমির,সাধারন সম্পাদক মখলিছুর রহমান,যুগ্ম সম্পাদক তোয়াহিদুর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদির প্রমূখ। সভায় বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাক তাপাদার কানন,ইউনিয়ন যুবদল নেতা আলিম উদ্দিন,আদনান ওয়াহিদ মিশু,উপজেলা ছাত্রদল নেতা জুনেদ আহমদ,ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা মাজহারুল ইসলাম, আতিকুর রহমান সহ নেতৃবৃন্দ।সভায় এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ক্রেস্ট প্রদান ও মিষ্ঠি মুখ করানো হয়।

বড়লেখায় নতুন ২ তরুণীসহ করোনা আক্রান্ত ২৩ জন

এম.এম আতিকুর রহমান ;

মৌলভীবাজারের বড়লেখাসহ জেলায় করোনা ভাইরাসে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ জন। এর মধ্যে বড়লেখা পৌরসভার একই পরিবারভুক্ত ২ তরুণী রয়েছেন। ক্রমে ক্রমে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এ পর্যন্ত বড়লেখার সংখ্যা দাঁড়ালো ২৩ জনে।

এছাড়াও আজ নতুন করে জুড়ী উপজেলায় ৪ জন, মৌলভীবাজারে ৬ জন, শ্রীমঙ্গলে ১জন এবং কমলগঞ্জের ১ জন আক্রান্ত হয়েছেন বলে মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন অফিস সুত্রে জানা গেছে।

বড়লেখা পৌরসভার একই পরিবারের দুবোন হলেন
১ নং ওয়ার্ড বরাইগ্রাম এর বাসিন্দা।

নতুন ১৪ জন সহ মৌলভীবাজার জেলায় মোট করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩১ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৭৬ জন।

বড়লেখায় ফেসবুক পেজে মেসেজ পেয়ে কৃষকের পাশে প্রশাসন

নিজস্ব সংবাদঃ গত ৮ জুন উপজেলা প্রশাসন,বড়লেখার ফেসবুক পেজে মেসেজের মাধ্যমে বড়লেখা উপজেলার একজন কৃষি উপকরণের জন্য সহযোগিতা চান।উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বড়লেখা মোঃ শামীম আল ইমরান সাথে সাথে উনার সাথে কথা বলে বিস্তারিত খোজ নেন।পরিবারের প্রবাসে থাকা সদস্য টাকা পাঠাতে না পারার কারনে তারা তাদের ৪ কিয়ার(১২০ শতক) জমিতে চাষাবাদ করতে ইচ্ছুক। উপজেলা নির্বাহী অফিসার,বড়লেখা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে অনুরোধ করলে একজন ইউনিয়ন উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে উনার জমিতে পাঠানো হয়।উক্ত কর্মকর্তা উনাকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন। আজ সেই ব্যক্তিকে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সার ও বীজ প্রদান করা হয়।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক করোনা সংকটের এই সময়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত এর লক্ষ্যে কৃষির উপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি অফিস। প্রিয় বড়লেখাবাসী, আপনার আশেপাশের জায়গা খালি না রেখে চাষাবাদ করুন।আপনাদের সর্বাত্মক সহযোগিতার জন্যে আমরা প্রস্তুত।

বড়লেখায় ২ জন সহ জেলায় নতুন ১৩ জন করোনা আক্রান্ত

এম.এম আতিকুর রহমান ;

মৌলভীবাজারের বড়লেখা সহ জেলায় নতুন করে আরও ১৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে পুলিশ ও স্বাস্থ্যকর্মীও রয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯১ জন।

আজ শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে মৌলভীবাজার জেলা সিভিল সার্জন ডা. তৌউহীদ আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এদিকে মোট ১৪ জনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এরমধ্যে নতুন ১৩ জন এবং পুরনো একজনের আবারো পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে।

নতুন আক্রান্ত ১৩ জনের মধ্যে মৌলভীবাজার-২৫০ শয্যা হাসপাতালের ৩ জন, বড়লেখায় ২জন, রাজনগরে ১ জন, কুলাউড়ায় ৫ জন, কমলগঞ্জে ১ জন এবং শ্রীমঙ্গলে ১ জন। এছাড়া কমলগঞ্জে আগে থেকে আক্রান্ত একজনের আবারও পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে।
আক্রান্তদের মধ্যে নারী পুরুষ উভয়েই রয়েছেন ।

এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯১ জন, সুস্থ হয়েছেন ৬৯ জন, মারা গেছেন ৪ জন। আরও প্রায় ৬০০ রিপোর্ট পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।

বড়লেখায় করোনায় নতুন আক্রান্ত ৪ জন, ডাক্তার নার্সসহ জেলায় ২৬ জন

এম.এম আতিকুর রহমান ;

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ৪ জনসহ ডাক্তার নার্স মিলিয়ে আরও ২৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭৮ জন।

আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুর সাড়ে ১২ টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মৌলভীবাজার জেলা সিভিল সার্জন ডা. তৌউহীদ আহমদ। তিনি জানান, ঢাকা থেকে গত রাতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। আরও বেশ কিছু নমুনার রিপোর্টের অপেক্ষা করছি আমরা।

নতুন আক্রান্ত ২৬ জনের মধ্যে সদর উপজেলায় ৫ জন, রাজনগরে ২ জন, কুলাউড়ায় ১২ জন, বড়লেখায় ৪ জন, কমলগঞ্জে ১ জন এবং শ্রীমঙ্গলে ২ জন। আক্রান্তদের মধ্যে নারী-পুরুষ, শিশুও রয়েছেন । নতুন রিপোর্ট আসলে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বড়লেখায় ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদ গঠন

এম.এম আতিকুর রহমান ; বড়লেখা থেকে ঃ
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় আজ ১০ জুন বুধবার, বড়লেখা হিফযুল কুরআন মাদ্রাসা
প্রাঙ্গণে বড়লেখা উপজেলার মসজিদ সমূহের খতিব ও ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কল্যাণার্থে এবং জনসেবার উদ্দেশ্যে গঠণ করা হয় ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদ বড়লেখা।

আহবায়ক কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত “পরামর্শ সভায়” সভাপতিত্ব করেন- পরিষদের আহবায়ক এবং বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সম্মানিত খতিব মুফতি মাওলানা রুহুল আমীন।
পরিষদের সদস্য সচিব এবং ইয়াকুবনগর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাও. মুনাওয়ার হুসাইন মাহমুদীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আলোচনা পেশ করেন- বড়লেখা উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জিনগন। পরে সকলের সম্মতিক্রমে, তিন বছর মেয়াদি ৩১ সদস্য বিশিষ্ট “কার্যকরী কমিটি” ঘোষণা করা হয়।
কমিটির দায়িত্বশীলগণ হলেনঃ
সভাপতিঃ মুফতি রুহুল আমীন বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। সহ-সভাপতিঃ মাও. ফয়জুল বারী কাঁঠালতলী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। সহ-সভাপতিঃ মুফতি আব্দুল বাসিত সুজানগর বড়বাড়ী জামে মসজিদ। সহ-সভাপতিঃ মাও. একরাম আলী চুকারপুঞ্জী জামে মসজিদ। সহ-সভাপতিঃ মাও. আব্দুল হান্নান পশ্চিম পাখিয়ালা টিলা জামে মসজিদ। সহ- সভাপতিঃ মাও. ফারুক আহমদ গাজিটেকা নাজিরের চক জামে মসজিদ।
সাধারণ সম্পাদকঃ হাফিয মাও. মুনাওয়ার হুসাইন মাহমুদী ইয়াকুবনগর জামে মসজিদ।
যুগ্ম সম্পাদকঃ মাও. বদরুল ইসলাম পাতন জামে মসজিদ।
সহ-সাধারণ সম্পাদকঃ হাফিজ মাও. সাদিক আহমদ এফ.আর মুহিউসসুন্নাহ কমপ্লেক্স জামে মসজিদ। সহ-সাধারণ সম্পাদকঃ হাফিয মাও. আবুল হাসান হাদী কাঁঠালতলী জামে মসজিদ সাংগঠনিক সম্পাদকঃ হাফিয মাও. তায়্যিবুর রহমান চানপুর বায়তুল মামুর জামে মসজিদ, শাহবাজপুর। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকঃ মাও. আতাউর রহমান মোহাম্মদনগর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকঃ মাও. আব্দুল হাফিজ কাঁঠালতলী উত্তর জামে মসজিদ। অর্থ সম্পাদকঃ মাও. মুখলিসুর রহমান পানিধার মারকায মসজিদ। প্রচার সম্পাদকঃ হাফিয মাও. ইয়াহইয়া আহমদ বড়লেখা থানা জামে মসজিদ। সহ-প্রচার সম্পাদকঃ মাও. শিহাব উদ্দীন পশ্চিম বানিকোনা জামে মসজিদ। সহ-প্রচার সম্পাদকঃ মাও. মাহবুবুর রহমান সর্দার পাড়া জামে মসজিদ। সাহিত্য সম্পাদকঃ হাফিয মাও. রশিদ আহমদ বারইগ্রাম জামে মসজিদ।প্রকাশনা সম্পাদকঃ মুফতি মছিহুর রহমান শিমুলিয়া জামে মসজিদ। সমাজকল্যাণ সম্পাদকঃ মাও. এনাম উদ্দীন গৌরনগর মাদ্রাসা জামে মসজিদ। অফিস সম্পাদকঃ মাও. লায়েছ আহমদ বড়লেখা হাজিগঞ্জ বাজার জামে মসজিদ।

সদস্যরা হলেন হাফিয হুসাইন আহমদ, মাও. আব্দুল মতিন, মাও. নজরুল ইসলাম নয়ন, মাও. মাহতাব উদ্দীন, মাও. আব্দুল, মাও. আতাউর রহমান, মাও. জুনেদ আহমদ, সাইফুর রহমান, মাও. জামিল আহমদ, মাও. মুঈনুল ইসলাম প্রমুখ।
এছাড়া বড়লেখা উপজেলার সকল মসজিদের খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিনদেরকে সাধারণ সদস্য ঘোষণা করা হয়।
পরিশেষে, দেশ-জাতীর কল্যান কামনা করে এবং বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মহামারি করোনাভাইরাস থেকে মুক্তির জন্য সভাপতির মুনাজাতের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

বড়লেখায় প্রতারণা মামলায় ফয়সল আহমদ গ্রেফতার


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় প্রতারণা মামলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উপজেলা সেক্রেটারী মোঃ ফয়সল আহমদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাত দেড়টার দিকে থানার এসআই রাকিব মোহাম্মদের নেতৃত্বে পৌরশহরের (বালুচর) পাখিয়ালা বাসা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে সোমবার (৮ জুন) আদালতের মাধ্যমে পুলিশ তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ব্রিকফিল্ড ব্যবসায়ী মোয়াদ আহমেদ এর পৌনে ২ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে গত ২২ জানুয়ারি হাবিবুর রহমান হাবিবকে ১ নম্বর ও জামায়াত নেতা ফয়সল আহমদকে ২ নম্বর আসামি করে থানায় প্রতারণা মামলা করেন।এ মামলার প্রধান আসামি হাবিবুর রহমান হাবিব গত ১৭ মার্চ জামিন নিতে গেলে বিজ্ঞ আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ মামলার ২নং আসামি উপজেলা জামায়াত সেক্রেটারী ফয়সল আহমদ দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকার পর গ্রেফতার হোন

বড়লেখা-মৌলভীবাজারসহ সিলেট বিভাগ রেডজোনেপুরোপুরি লকডাউন হচ্ছে

এম.এম আতিকুর রহমান,বড়লেখাঃ সম্প্রতি দেশে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) বিস্তার ঠেকাতে এলাকাভিত্তিক লকডাউনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আক্রান্তের আধিক্যতা বিবেচনায় রেড জোন, ইয়েলো জোন ও গ্রিন জোনে চিহ্নিত করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাস্তবায়ন হবে স্বাস্থ্যবিধিসহ আইনি কঠোর পদক্ষেপ।

সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে এ কথা জানানোর পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেশের তিনটি বিভাগ, ৫০টি জেলা ও ৪০০টি উপজেলাকে পুরোপুরি লকডাউন (রেড জোন বিবেচিত) করা হচ্ছে। আংশিক লকডাউন (ইয়েলো জোন বিবেচিত) দেখানো হচ্ছে পাঁচটি বিভাগ, ১৩টি জেলা ও ১৯টি উপজেলাকে। আর লকডাউন নয় (গ্রিন জোন বিবেচিত) এমন জেলা দেখানো হচ্ছে একটি এবং উপজেলা দেখানো হচ্ছে ৭৫টি।

মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে সর্বশেষ করা তালিকায় সিলেট বিভাগের সব ক’টি জেলাকেই বলা হচ্ছে পুরোপুরি লকডাউন। বিভাগের জেলাগুলো হলো মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ ও সিলেট।

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে জানা যায়, আজ রবিবার (৭ জুন) থেকেই কিছু জায়গায় জোনিং ব্যবস্থার মাধ্যমে লকডাউন শুরু হচ্ছে। বেশি আক্রান্ত এলাকাকে রেড, অপেক্ষাকৃত কম আক্রান্ত এলাকাকে ইয়োলো ও একেবারে কম আক্রান্ত বা সংক্রমণমুক্ত এলাকাকে গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করে স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়ন করা হবে। গ্রিন জোনে সতর্কতা এবং ইয়েলো জোনে সংক্রমণ যেন আর না বাড়ে সেজন্য পদক্ষেপ থাকলেও রেড জোনে করোনার বিশেষ গাইডলাইন অনুযায়ী কঠোর হবে পুলিশ।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ বুলেটিন অনুসারে, দেশে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৩ হাজার ২৬ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন ৮৪৬ জন। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায়ই মারা গেছেন ৪২ জন।
করোনা ভাইরাস উপসর্গের ভয়াবহতা রোধে সরকারের এইসকল পদক্ষেপ যথাযথ বাস্তবায়ন ও সচেতনতা বৃদ্ধি অপরিহার্য।

বড়লেখায় মাস্ক না পরায় ২৭জন কে মোবাইল কোর্টে অর্থদণ্ড

বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শামীম আল ইমরান আজ (০৭জুন) বড়লেখা পৌরসভার হাজীগঞ্জ বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে মাস্ক না পরা ও স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন,২০১৮ আইনে ২৭ টি মামলায় ১০,১০০/= টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। এসময় মাস্ক বিহীন জনসাধারণের মধ্যে মাস্কও বিতরণ করা হয়। বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইয়াছিনুল হকের নেতৃত্ব বড়লেখা থানা পুলিশ মোবাইল কোর্ট কে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করেন।

সাধারণের মাঝে অসাধারণ হয়ে ওঠা একটি নাম জয়নাল আবেদীন-ছাইদুল মাহবুব

দারিদ্রতার কষাঘাতে ঝর্ঝরিত হয়েছেন বারংবার কিন্তু দারিদ্রতা কখনো থামিয়ে দিতে পারেনি স্বপ্ন জয়ের যাত্রা।অজপাড়াগাঁ থেকে বেড়ে ওঠা একটি পুষ্প আপন আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে সুগন্ধ ছড়াচ্ছে দেশের একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে।করোনা যুদ্ধে সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন সুনামগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের চেয়ারে বসে।

হ্যাঁ বলছিলাম শ্রদ্ধাস্পদ আঙ্কেল জয়নাল আবেদীনের কথা।তিনি বড়লেখা উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের করমপুর গ্রামের আলো-বাতাস গায়ে মেখেই বড় হয়েছেন।
আব্বা প্রায়ই আঙ্কেলের সফলতার গল্প করতেন।তিনি স্থানীয় করমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন।১৯৯৮ সালে শাহবাজপুর উচ্চবিদ্যালয় থেকে প্রথম বিভাগে মাধ্যমিক পাশ করে ২০০১ সালে বড়লেখা সরকারি কলেজ থেকে দ্বিতীয় বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন।এবং সিলেট মুরারী চাঁদ কলেজ থেকে গণিত বিভাগে স্নাতক সম্মান এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন।

মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে যেনো নুন আনতে পান্তা ফুরায়।জীবনে অনেক ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করতে হয়েছে।তৃতীয় শ্রেণীর কেরানির চাকুরী নিয়ে কর্ম জীবনের অভিষেক হয়েছিলো।কিন্তু স্বপ্ন ছিলো একদিন বিসিএস ক্যাডার হয়ে প্রথম শ্রেণীর চাকুরী করবেন। বাস্তবেও তাই হয়েছে।তিনি সুন্দরের স্বপ্ন দেখতেন।সফলতার স্বপ্ন দেখতেন।স্বপ্নহীন জীবন মরিচীকার মতো।তাই স্বপ্ন গুলোকে বাস্তবতার রূপ দিতে করেছেন কঠিন অধ্যবসায়।যার দরুন আজ তিনি হয়েছেন প্রজন্মের কাছে এক প্রেরণার পিরামিড।এ যেনো ক্লান্তিহীন এক নাবিকের গল্প।সফলতার নাও বাইতে গিয়ে তিনি বিসিএসে তৃতীয়বার অকৃতকার্য হয়েও থেমে যাননি।চতুর্থ বার চেষ্টা করেছেন এবং সফলও হয়েছেন।

বর্তমানে তিনি সুনামগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের দায়ীত্ব পালন করছেন।নৈতিকতা, ধার্মিকতা, এবং যথাযথ দায়িত্ব পালন করে ইতিমধ্যেই সুনাম কুড়িয়েছেন বিভিন্ন জায়গায়।আঙ্কেলের এই সফলতা শাহবাজপুর তথা পুরো বড়লেখাবাসীর জন্য গৌরবের।আমরা বিশ্বাস করি আঙ্কেল উনার দায়িত্বপালনের ক্ষেত্রে সেরাটা দিয়ে পদোন্নতি নিয়ে একদিন আরো অনেক বড় হবেন।

লেখক-শিক্ষার্থী
অনার্স,রাষ্ট্রবিজ্ঞান।
বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ।

বড়লেখায় স্বামী স্ত্রী দু’জনেইকরোনায় আক্রান্ত

এম.এম আতিকুর রহমান বড়লেখা::

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় নতুন করে আরও দুজন স্বামী স্ত্রী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তারা উপজেলার বারইগ্রাম এলাকার বাসিন্দা। আক্রান্ত স্বামীর বয়স ২৬ বছর আর স্ত্রীর ২১ বছর। শুক্রবার রাতেই উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করে। আক্রান্তরা নিজেদের বাড়িতে আইসোলোশনে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদীপ বিশ্বাস শুক্রবার রাতে সাংবাদিকদের বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে করোনার উপসর্গ জ্বর-কাশি থাকাতে গত ৩১ মে তাদের নমুনা সংগ্রহে করে ঢাকায় ল্যাবে পাঠানো হয়েছিল। আজ রাতে তাদের রিপোর্ট এসেছে। দুজনেরই করোনা ভাইরাস উপসর্গ পজিটিভ হয়েছে। তারা বর্তমানে বাড়িতে অবস্থান করেছেন। দ্রুত প্রশাসনিকভাবে তাদের বাড়ি লকডাউন করা হবে।

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “মানবিক যাত্রার” আত্বপ্রকাশ


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

দেশের জন্য বেঁচে থাকা, মানুষের জন্য মানবতা এই বানীকে ধারন করে দেশ, মানুষ, সমাজ ও পরিবেশের সার্বিক কল্যানকে সামনে:‘আত্মার কাছে দায়বদ্ধতায়, হাতে রাখি হাত’ এ স্লোগান নিয়ে ২০২০ সালের মার্চ মাসে বড়লেখা উপজেলা ব্যাপী প্রতিষ্টিত হয় “মাববিক যাত্রা ” নামক সেচ্ছাসেবী সংগঠন। এরই বাস্তব প্রমাণ হতে পারে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষুদ্র প্রয়াসের মাধ্যম ‘সহযোগীতা করা’’প্রতিষ্ঠার পর সারা মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় প্রশংসিত হতে থাকে তাদের কার্যক্রম। গত করোনা প্রাদুর্ভাবে সুবিধাবঞ্চিতদের মধ্যে বন্ধু হয়ে কাজ করে পরিচিত হয়েছিলেন।এ লক্ষ্যেই উপজেলা সুবিধাবঞ্চিতদের স্বার্থে অসহায়, নিপীড়িত এবং দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়াতে বড়লেখা বাজারের বিশিষ্ট ব্যাবসায়ি কিড’স ফেয়ার এর সত্বাধিকারী জাবের আহমদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠে “মানবিক যাত্রা ” মানবিক যাত্রায় পরামর্শক দাতা রয়েছেন তারা হলেন,তুহিন অাহমদ,তোহাহিদুর রহমান টিপু,ইকবাল হোসেন,শিমুল চৌধুরী,অাব্দুর রহমান,কামরুল ইসলাম,মুবিন মোহাম্মদ, তারেক হাসনাত,সাইফুল ইসলাম জিবু,ইকবাল হোসাইন, অাইনুল ইসলাম,শাহিদুর রহমান জুনেদ
তাহমিদ ইশাদ রিপন।
এই একত্রীকরণ আর ভালো কাজ করার অঙ্গীকার নিয়ে জন্ম হয়।শুরু হয় মানবসেবার আগামীর পথচলা।

ছোট্ট পরিসরে জন্ম নেওয়া ওই সংঘঠনটির পরিধি এখন অনেক বড়। অনেক যত্নে বোনা ছোট্ট গাছটি যেন আজ বটবৃক্ষ। এখন তার অনেক ডালপালা উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের গ্রাম পর্যন্ত।এই গাছের ছায়ায়ই প্রাণ জুড়ান সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশু এবং অসহায়, নিপীড়িত এবং দুস্থ মানুষেরা। সংগঠনটি ‘আত্মার কাছে দায়বদ্ধতায় হাতে রাখি হাত’ স্লোগান নিয়ে শুরু তাদের কার্যক্রম।

সংগঠনটির একদল উচ্ছ¡ল, স্বাপ্নিক তরুণ-তরুণী সদস্যরা মানবসেবার ব্রত নিয়ে স্বার্থহীন মানসিকতার স্বপ্নকে ধারণ করে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা,অসহায় শিক্ষিত নারী সমাজকে শিলাই মিশিন প্রদান করা,অসহায় রোগীদের
বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবাও, অসুস্থ কাউকে মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরিয়ে আনার সম্মিলিত প্রচেষ্টা করবেন। এছাড়া জবুথবু শীতের কাঁপুনি থেকে রক্ষায় হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীকে এক টুকরো উষ্ণতা দেওয়ার জন্য হলে ঘুরে শীতবস্ত্র সংগ্রহ করে বিতরণ করবেন, বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মুহূর্তে আর্তমানবতার সেবায় প্রসারিত করবেন তাদের সেবার হাত।
এই সংগঠনটি ইতিমধ্যে অনেক সামাজিক কাজে ভুমিকা রেখেছে ।বর্তমানে করোনা কালীন সময়ে অনেক অসহায় ও খেটে খাওয়া মানুষের মধ্যে খাদ্য সহায়তা ও নগদ অর্থ উপহার দেয়া হয়েছে যা “মানবিক যাত্রার” এর ফেসবুক পেইজ এ ছবিসহ পোস্ট বিদ্যমান রয়েছে।
এবং খুব শীগ্রই সেলাই মেশিন বিবরণ করা হবে।সকল বিত্তবান ভাইদের সহযোগিতা কামনা করেন।

বড়লেখায় বিদ্যুৎ’র খুটি পড়ে ঘর ভেঙ্গে যাওয়া দরিদ্র পরিবারের পাশে দাড়ালো উপজেলা প্রশাসন


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

ঝড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটি পড়ে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর করমপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হতদরিদ্র লায়লা বেগমের পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই । পরিবার নিয়ে কোনমতে বসবাস করার শেষ সম্বল কুঁড়েঘরটি হারিয়ে প্রতিবেশীর ঘরে আশ্রয় নেওয়া দুর্গত এই পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়েছে বড়লেখা উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৪ মে) দুপুরে দুর্গত পরিবারটির জন্য অর্থ ও খাদ্য সহায়তা নিয়ে উপস্থিত হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মো. শামীম আল ইমরান। এসময় দ্রুততম সময়ের মধ্যে নতুন ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার জন্য ঝড়ে দুর্গত পরিবারটিকে আশ্বাস প্রদান করেন ।

জানা গেছে, গতকাল বুধবার বিকেলের দিকে সৃষ্ট ঝড়ে বড়লেখা উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের করমপুর গ্রামের মৃত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হতদরিদ্র লায়লা বেগমের কুঁড়েঘরে পাশে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটি পড়ে যায়। এসময় কেউ হতাহত না হলেও বসতঘর সম্পূর্ণ লণ্ডভণ্ড হয়েছে। এতে পরিবারটি প্রতিবেশীর বাড়িতে আশ্রয় নেয়।

এদিকে খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরান। পরে তিনি পরিবারটির হাতে পাঁচ হাজার টাকার চেক ও ২০কেজি চাল, ৫ কেজি আলু, ২কেজি ডাল, ২ কেজি পেয়াজ এবং ১ কেজি তেল তুলে দেন।

এসময় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, ৪নংউত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত (ইউপি) চেয়ারম্যান সেলিম আহমদ খান, ইউপি সদস্য বদরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শামীম আল ইমরান জানান, ‘ঝড়ে পরিবারটি ঘর হারিয়েছে। তাদের থাকার কোনো জায়গা নেই। অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। স্থানীয় সাংসদ ও সরকারের মাননীয় পরিবেশ বন জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিনের নির্দেশনায় তাদেরকে প্রাথমিকভাবে ৫হাজার টাকার চেক ও কিছু খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে । আজকের মধ্যেই ভাঙ্গা বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণ করার জন্য বড়লেখা জোনাল পল্লী বিদ্যুৎ- এর ডিজিএমকে অনুরোধ করা হয়েছে । কালকেই তাদের থাকার জন্য একটি ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।’

বড়লেখার করমপুরে বিদ্যুৎ এর খুঁটি ভেঙ্গে মুচড়ে গেলো বসতঘর

এবাদুর রহমান জাকিরঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ট্রান্সফরমারসহ বিদ্যুতের একটি খুঁটি ভেঙে পড়ে একটি বসতঘর দুমড়েমুচড়ে গেছে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন ওই বসতঘরের বাসিন্দারা। 

বুধবার (৩ জুন) দুপুরের দিকে উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের করমপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে পল্লী বিদ্যুত সমিতি বড়লেখা আঞ্চলিক কার্যালয়ের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে আশপাশের এলাকা ঝুঁকিমুক্ত করলেও খুঁটিটি ঘরের ওপর থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়নি।

স্থানীয় ও পল্লী বিদ্যুত কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে ঝড় আসে। এসময় মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের করমপুর গ্রামে পল্লী বিদ্যুতের সিঙ্গেল ফেজের একটি লাইনের ওপর গাছ পড়ে। লাইনের ওপর গাছ পড়লে অদূরে লয়লা বেগমের বসতঘর ঘেঁষা ১০ কেভি ট্রান্সফরমারসহ খুঁটি ভেঙে ঘরের ওপর পড়ে। এতে বসতঘরটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এ সময় ঘরে থাকা বাসিন্দারা তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে আসেন। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান বাসিন্দারা। তবে তাড়াহুড়ো করে বের হতে গিয়ে পরিবারের দুজন সদস্য আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পল্লী বিদ্যুত সমিতি বড়লেখা আঞ্চলিক কার্যালয়ের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে আশপাশের এলাকা ঝুঁকিমুক্ত করে। তবে ভাঙা খুঁটিটি ঘরের ওপর থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়নি। বুধবার রাত সাড়ে ১০ টায় এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত খুঁটিটি ঘরের ওপর ছিল। দুমড়েমুচড়ে যাওয়া ওই ঘরের বাসিন্দারা পাশের ঘরে আশ্রয় নিয়েছেন। 

বাড়ির বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বিদ্যুত লাইনের কাজ করার সময় বসত ঘরের লাগোয়া খুঁটি বসানো হয়। ওই খুঁটিতে ট্রান্সফরমারও লাগানো হয়। বাড়ির অদূরেও আরেকটি খুঁটি বসানো হয়। কিন্তু এগুলো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। আপত্তি জানালেও তখন লাইন টেনে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছিল। এরপর ঝুঁকিপূর্ণ একটি খুঁটি সরানোর জন্য লিখতি আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটিটি সরানো হয়নি। এরই মধ্যে একটি খুঁটি ভেঙে বসতঘরের ওপর পড়ে।

বসতঘরের বাসিন্দা লয়লা বেগম বলেন, ‘দুপুরে তুফান আইছে। কারেন্টের লাইনে গাছ পড়িয়া বড় খুঁটিত টান খাইছে। ইটাত ট্রান্সফরমার আছিল (ছিল)। আমার এক ছেলে বাইরে কামো আছিল (কাজে ছিল)। হে দেখছে লাইনে আগুন ধরিয়া ঘরোর উপর খুঁটি পড়ি যার। হে চিক (সে চিৎকার) দিছে। আমরা দৌড়াইয়া সব ঘর থাকি বারইছি। লাগা লাগ (পাশাপাশি) ঘরে আমরা ১৫ তাকি ২০ জন মানুুষ থাকি। আল্লায় বাঁচাইছইন। বিদ্যুতের মানুষ আইছইন। দেখিয়া লাইন কাটিছইন। খুঁটি রইছে। আমরা অন্য ঘরে উঠছি। গরিব মানুষ। ঘর বানানির ঠেকা (টাকা) নাই। সবতা ভাঙিয়া গেছে। কিলা ঘর বানাইতাম চিন্তাত আছি।’

স্থানীয় ইউপি সদস্য বদরুল আহমদ বলেন, ‘অল্পের জন্য বড় ধরণের দূর্ঘটনা থেকে মানুষ রক্ষা পেয়েছেন। আমি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। এখানে ঝুঁকিপূর্ণ একটি খুঁটি সরানোর জন্য স্থানীয় বাসিন্দারা লিখিতভাবে আবেদন দিয়েছেন। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না পল্লী বিদ্যুৎ অফিস। এর মধ্যে একটি খুঁটি ঝড়ে বসতঘরের উপর পড়ে ভেঙেছে। খুঁটিটি ঘরের লাগোয়া ছিল। গাফিলতি না করে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।’

এ বিষয়ে মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির-বড়লেখা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ

মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. এমাজ উদ্দিন সরদার বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় মুঠোফোনে বলেন, ‘ভেঙে পড়া খুঁটিতে ১০ কেভির ট্রান্সফরমার ছিল। খুঁটির অদূরের লাইনে গাছ পড়ে ওটাতে টান খেয়ে ভেঙে গেছে। আল্লাহ রক্ষা করেছেন। কেউ হতাহত হয়নি। লোকজন দেখে এসেছে। বৃহস্পতিবার খুঁটি সরানো হবে। খুঁটিটি ঘরের লাগোয়া ছিল। অনেক বছর আগে লাইন নির্মাণ হয়। তখন ডিজাইন অনুযায়ী হয়েছে। অন্য খুঁটি সরানোর লিখিত আবেদনের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমরা সরেজমিনে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

পরগনাহী দৌলতপুর মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে মাওলানা মিসবাহ উদ্দিন যোগদান।

ছাইদুল মাহবুবঃ- অধ্যক্ষ মাওলানা হাফিজ লুৎফুর রহমান হুজুরের অকাল প্রয়াণের পর থেকেই পরগনাহী দৌলতপুর সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে মাদ্রাসা পরিচালনা করছেন সহকারী অধ্যাপক মাওলানা জনাব মিসবাহ উদ্দিন হুজুর।একটা সময় সহপাঠীদের আড্ডায় উঠে আসতো মিসবাহ জনাব প্রিন্সিপ্যাল হলে কেমন চলবে প্রতিষ্ঠান।কারণ হুজুর খুব নীতিবান,তাকওয়াবান,পরহেজগার মানুষ।

এমন কোনো শিক্ষার্থী নেই যে হুজুরের সাবজেক্ট এর পড়া ক্লাসেই শিখেনি।উপস্থাপন ভঙ্গি এমন সহজ সরল যে ক্লাসের পড়া ক্লাসে না শিখে উপায় নেই।শরয়ী অনেক মাসআলা আছে যা ভাই বোন এক সাথে বসে শিক্ষা নিতে লজ্জাবোধ করতো। কিন্তু হুজুরের ক্লাসে ভাই বোন একই সাথে বসেই ক্লাস করতে পারতো কোনো অসুবিধেই হতোনা।বুঝতেই পারছেন কতটা অসাধারণ হুজুরের উপস্থাপনা।

সিলেবাসের পড়ার বাহিরেও ছিলো হুজুরের কিছু স্পেশাল পরামর্শ। আদর্শ ছাত্র,আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য হুজুর লিফলেট বানিয়ে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিতরণ করতেন যেখানে উত্তম চরিত্র, মেধাবী ছাত্র হওয়া সংক্রান্ত কিছু উপদেশ লিখা থাকতো।

অত্যান্ত স্পষ্টবাদী এবং অমায়িক একজন শিক্ষকের হাত ধরে প্রিয় প্রতিষ্ঠান পরগনাহী দৌলতপুর সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা আরো উন্নতি লাভ করবে ইনশা আল্লাহ।হুজুরের জন্য হায়াতে তায়্যেবাহ কামনা করছি এবং সদ্য প্রয়াত দু’জন অধ্যক্ষের রুহের আত্মার মাগ ফেরাত কামনা করছি।

প্রাক্তন শিক্ষার্থী,

পরগনাহী দৌলতপুর সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা।

এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানালো বোয়ালী ইসলামী ছাত্র পরিষদ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে বোয়ালী ইসলামী ছাত্র পরিষদ।

সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় বোয়ালী ইসলামী ছাত্র পরিষদের কার্যকারী কমিটির পক্ষ থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ২০২০ সালে অংশগ্রহণ করে কৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানানো হয়। উক্ত পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হতে পারেনি সেই সব শিক্ষার্থীদের আরো মনযোগ দিয়ে পড়াশোনা করার পরামর্শ দেওয়া হয় ।

এছাড়া শুভেচ্ছা বার্তায় বড়লেখা উপজেলার যে সকল শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে তাদের আগামীতেও এই সফলতার ধারা অব্যাহত রাখতে সংগঠনের পক্ষ থেকে আহবান জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সামাজিক কার্যক্রম থেকে দূরে সরাতে আজিম মোহাম্মদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও হুমকি।

ফেইক আইডিতে দেয়া একটি পুস্ট

বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা প্রবাসী ঐক্য পরিষদের ও দুবাই গেছেইজ আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আজিম মোহাম্মদ এক তরুন সমাজ সেবক। তিনি প্রবাসে থেকে জন্ম মাটির অসহায় মানুষের কথা চিন্তা করে মানবসেবাকে ইবাদাত মনে করে দেশের রাজনৈতিক প্রতিহিংসাকে পিছনে ফেলে বিশ্বের বিভন্ন দেশে অবস্থানরত বড়লেখা উপজেলার প্রবাসীদেরকে নিয়ে ২০১৯ প্রতিষ্টা করেন প্রবাসী ঐক্য পরিষদ। এই পরিষদের মাধ্যমে অনেক অসহায় মা-বোন চিকিৎসা খরচ প্রদান, ছাত্র-ছাত্রী পড়ালেখার খরচ, দরিদ্র মানুষ ত্রাণ প্রদান করে আসছেন। কিন্তু ইদানিং করোনা প্রাদুর্ভাবে যখন উপজেলার ভিবিন্ন এলাকায় ত্রান বিতরণ করে প্রবাসী ঐক্য পরিষদ। তা সামাজিক যোগাযোগ ফেইসবুক এ প্রকাশ পাওয়ার পর। কিছু সংখক খারাপ চরিত্রের অধিকার পরিচয় বিহীন নামে বেনামে ফেইসবুক এর আই,ডি,দিয়ে,আজিম মোহাম্মদ শিবির কর্মী ছিলেন,
৫০হাজার টাকা ঐক্য পরিষদের আত্বসাৎ করেছেন,৫নং দক্ষিণশাহবাজপুর ইউনিয়নে ৫নং মেম্বার প্রার্থী হবেন বলে বিভিন্ন রকম মিথ্যা গুজব রটানো হচ্ছে।

আজিম মোহাম্মদ মুটোফোনে আমাদের প্রতিনিধির সাথে কথা বলে জানান, তিনি আরো২০ বছর প্রবাসে থাকার ইচ্ছা। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মেম্বার প্রার্থী হওয়ার কোন ইচ্ছে নাই। তাছাড়া বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজনীতির জড়িত ছিলেন। তিনি দাবী করেন আমার রাজনৈতিক জীবনের অবিভাবক মুড়াউল গ্রামের বাসিন্দাও সিলেট জজ আদালত ২নং বারের এডভোকেট রঞ্জু দেবনাথ উনার হাতে ধরে প্রথম বাংলাদেশ আওয়ামীলীগে যোগদান করেন। পরবর্তীতে রঞ্জু দেবনাথ সহ আমরা অনেকই মুড়াউল আর্দশ “আওয়ামী সংঙ্গ চেতনা” নামে একটি সংগঠন করেছিলাম, আমি ঐ সংঘের দপ্তর সম্পাদক ছিলাম,দপ্তরের সব আমার নিকট থাকতো, মুড়াউল বাজারে আমার দুইটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিল টেইলারিং ও লাইব্রেরি এন্ড ষ্টেশনারী, দুটি দোকানে নিয়মিত আওয়ামী যুবলীগের মিটিং হতো।সমাজ সেবায় নিজকে বিলিয়ে দিতে চাই ইবাদাত মনে করে সততা নিষ্টাও আন্তরিকতার সহিত বড়লেখা প্রবাসী ঐক্য পরিষদের দায়িত্ব পালন করে আসছি।

প্রবাসী ঐক্য পরিষদের সিনিয়র দায়িত্বশীলের সাথে মুটোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমাদের এই পরিষদে কোন রাজনৈতিক পরিচয় নাই আামরা জন্মসূত্রে বড়লেখা উপজেলার নাগরিকও প্রবাসী সেচ্ছাসেবক। দুঃখের সহিত বলছি ,প্রবাসী ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক কে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগে যে আনিত অভিযোগ গুলি সর্ম্পূন্ন রুপে মিথ্যা বানোয়াট।
আমাদেরকে সামাজিক অঙ্গন থেকে দূরে সরানোর জন্য,এই মিথ্যা গুজব রটানো হচ্ছে, আমাদের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকের ব্যাপারে বলা,আর সংগঠনের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে এ অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্টানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি

প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্টানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন- ভাতা দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশ্বনাথ মহিলা কলেজের প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান মোঃমোছন আলী’র খোলা চিঠি।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
আপনাকে জানাই সালাম ও শ্রদ্ধা।

আমি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার প্রাইভেট প্রতিষ্টান বিশ্বনাথ মহিলা কলেজের উদ্যোক্তা, সম্পতি বিশ্বব্যাপি মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে-বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্টানের শিক্ষক ও মালিক পক্ষের পরিবার আজ চরম বিপর্যয়।এহেন পরিস্থিতি মোকাবেলায় চলমান করোনায় আপনি ২৭ এপ্রিল এক ভিডিও কনফারেন্সে বলেছেন, পরিস্থিতি ঠিক না হলে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। হয়তো বন্ধই থাকবে।
তাই, ঝুঁকি নিয়ে আপনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবেন না, এটাই স্বাভাবিক।
এ অবস্থায় প্রাইভেট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যারা চাকরি করেন সেসব শিক্ষক-কর্মচারীরা তারা চরম বিপাকে পড়েছেন। দেশের প্রায় অর্ধলক্ষাধিক বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্টান সরকারি কোনো সাহায্যা ছাড়া ছাত্র-ছাত্রীর মাসিক ফি থেকে পরিচালিত হয়। ৯৫ শতাংশ ভাড়া বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত স্কুলগুলোর মাসিক সম্পূর্ণ আয়ের ৩০ শতাংশ ঘর ভাড়া, ৫০ শতাংশ সম্মানিত শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতা, বাকি ২০ শতাংশ বা তারও বেশি গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় হয়ে যায়। অনেক প্রতিষ্ঠান বর্তমানে ভর্তুকি দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। স্কুল বন্ধ থাকায় এসব প্রতিষ্ঠানের আয়ের উৎস ছাত্র-ছাত্রী থেকে মাসিক ফি আদায় করতে পারছে না। এ কারণে স্কুল কর্তৃপক্ষরা শিক্ষকদের মাসিক বেতন দিতে পারছে না বা উদ্যোক্তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী পুরো বেতনের কোনো একটা অংশ প্রদান করছে। বেতন না পেয়ে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দুর্দশাগ্রস্ত। পাশাপাশি অর্থনৈতিক মহা সংকটে পড়ে শিক্ষা প্রতিষ্টানের পরিচালনা পর্ষদ আজ দিশেহারা!
লক্ষ লক্ষ কর্মহীন মানুষ ছুটবে দিগ্বিদিক লাগামহীন দ্রব্যমূল্যে নাভিশ্বাস উঠবে মানুষের। দেশজুড়ে থাকবে এক অস্থির পরিস্থিতি। এই অবস্থায় শিক্ষার্থীরা একদিনও ক্লাস না করে ছয় মাসের বেতন দিবে কি করে?’
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীক, এই দেশের জন্যে আপনি ও আপনার পরিবারের যে ত্যাগের নজির রয়েছে, তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার নিকট আকুল আবেদন আপনার ঘোষিত প্যাকেজ থেকে বাংলাদেশের অর্ধলক্ষাধিক বেসরকারী বা প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্টানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ভাতা দেওয়ার বিনীত অনুরোধ করছি।

শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় নিবেদিত
আপনার একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক

মোঃমোছন আলী
প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান
বিশ্বনাথ মহিলা কলেজ
বিশ্বনাথ, সিলেট ।