সিলেটে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে। এ মিছিলে প্রতিদিনই সামিল হচ্ছেন করোনা আক্রান্তরা। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ১৩৫ জন। এর আগে গতকাল শনিবার (২৫ জুলাই) সিলেটে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন একজন।
রোববার (২৬ জুলাই) সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য)’র কার্যালয় কর্তৃক করোনা পরিস্থিতির আপডেট (আরও তথ্যসহ) থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
নতুন মারা যাওয়া ৫ জনের মধ্যে সবাই সিলেট জেলা বাসিন্দা। এ নিয়ে জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা ১০১ জন। আর সুনামগঞ্জে মারা গেছেন ১৪ জন, হবিগঞ্জে ১০ এবং মৌলভীবাজার জেলায় ১০ জন মারা গেছেন।
এদিকে সিলেটে প্রতিদিন বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী সংখ্যা। গত ৫ এপ্রিল সিলেটে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর প্রতিদিনই বাড়ছে রোগী।
সবশেষ রোববার (২৬ জুলাই) দুপুর ১২ টা পর্যন্ত সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৪১৩ জন। এরমধ্যে সিলেট জেলায় ৩ হাজার ৯৮২ জন, সুনামগঞ্জে ১ হাজার ৩৯৭, হবিগঞ্জে ১ হাজার ১১৬ এবং মৌলভীবাজারে ৯১৮ জন রোগী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।
অন্যদিকে সিলেট বিভাগে প্রতিদিনই বাড়ছে সুস্থ রোগী সংখ্যা। গত ২৭ এপ্রিল বিভাগে প্রথম সুনামগঞ্জে দুই রোগী করোনাভাইরাস জয় করে বাড়ি ফেরেন। এরপর প্রতিদিন বিভাগের বিভিন্ন জেলার রোগীরা করোনা জয় করে বাড়ি ফিরছেন।
সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘন্টায় ৩ হাজার ১০০ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এরমধ্যে সিলেট জেলায় ৯৮২, সুনামগঞ্জে ১০৬২, হবিগঞ্জে ৫৬১, মৌলভীবাজারে ৪৯৫ জন রোগী করোনা জয় করে বাড়ি ফিরেছেন।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ৬০ পিস ইয়াবাসহ বাবলু মিয়া (৫৮) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। গতরাত ১০টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের সাতকরাকান্দি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। বাবলু মিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের কেছরিগুল গ্রামের আব্দুল হাসিমের ছেলে।
বড়লেখা থানা পুলিশ সূত্রে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে আজ রোববার দুপুরে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৬০ পিস ইয়াবাসহ বাবলুকে আটক করা হয়েছে। রাতেই তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। আজকেই তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শামীম আল ইমরানের নেতৃত্বে উপজেলা মৎস্য অফিস ও বড়লেখা থানা পুলিশের সহায়তায় আজ হাকালুকি হাওরে মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন,১৯৫০ এ সারাদিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এসময় সরকার ঘোষিত অভয়াশ্রম "কৈয়ারকোনা বিলে" নিষিদ্ধ ঘোষিত কারেন্ট জাল,বেড় জাল এবং মাছ ধরার ছাই দিয়ে মাছ ধরার অপরাধে ০৫ জন কে সর্বমোট ২৫,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং ০৫ জন কে ভবিষ্যতে এই ধরনের কাজ না করার মুচলেকা আদায় করা হয়। মোবাইল কোর্টের অভিযানে প্রায় তিনলক্ষ টাকা মূল্য এর নিষিদ্ধ ঘোষিত কারেন্ট জাল, বেড় জাল ও মাছ ধরার ছাই জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
আজ ২৫ জুলাই মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ২০১৯-২০ অর্থ বছরে দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচির ১৪৭০ জন এবং কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল কর্মসূচির ৪২৫ জন উপকারভোগীর ভাতা বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত থেকে উদ্বোধন করেন প্রধান অথিতি মোঃ শাহাব উদ্দিন, এম.পি, মাননীয় মন্ত্রী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এসময় বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোয়েব আহমদ, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, বড়লেখা। আনোয়ার উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ, বড়লেখা। সভাপতিত্ব করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত লায়লা নীরা।
এছাড়া সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে জটিল রোগ ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, জন্মগত হৃদরোগ, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত ১০ জন রোগীর মাঝে জনপ্রতি ৫০,০০০/- টাকা হারে ৫,০০০০০/- টাকার চেক বিতরণ করা হয়।
আজ ২৫ জুলাই মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ২০১৯-২০ অর্থ বছরে দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচির ১৪৭০ জন এবং কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল কর্মসূচির ৪২৫ জন উপকারভোগীর ভাতা বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত থেকে উদ্বোধন করেন প্রধান অথিতি মোঃ শাহাব উদ্দিন, এম.পি, মাননীয় মন্ত্রী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এসময় বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোয়েব আহমদ, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, বড়লেখা। আনোয়ার উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ, বড়লেখা। সভাপতিত্ব করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত লায়লা নীরা।
এছাড়া সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে জটিল রোগ ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, জন্মগত হৃদরোগ, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত ১০ জন রোগীর মাঝে জনপ্রতি ৫০,০০০/- টাকা হারে ৫,০০০০০/- টাকার চেক বিতরণ করা হয়।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় জমি ক্রয় সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ব্যবসায়ী আব্দুল আহাদ (৩৫) মারা গেছেন। গতরাতে (২৩ জুলাই) সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আহাদ বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের সুজাউল (হরিনগর) গ্রামের শফিক উদ্দিনের ছেলে। আর অভিযুক্ত মাতাব উদ্দিন একই এলাকার চন্ডিনগর (হরিনগর) গ্রামের মৃত রজব আলীর ছেলে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল আহাদ ও তার স্বজনরা উপজেলার চন্ডিনগর (হরিনগর) গ্রামের মৃত রজব আলীর পুত্র মাতাব উদ্দিন ও তার সৎ ভাইদের কাছ থেকে সম্প্রতি কিছু জমি ক্রয়ের জন্য বায়নাপত্র করেন। জমি রেজিষ্ট্রির আগে নির্ধারিত মূল্যের অর্ধেকের বেশি টাকাও মাতাব উদ্দিনদের দেওয়া হয়। রেজিষ্ট্রি করার সময় অবশিষ্ট টাকা দেওয়ার কথা ছিল। পরবর্তীতে জমির কাগজপত্র সংক্রান্ত জটিলতা ও করোনাভাইরাসের কারণে জমি রেজিস্ট্রি হয়নি। এ অবস্থায় প্রায় দুই মাস আগে জমিতে চাষ করতে গেলে মাতাব উদ্দিনরা বাধা দেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে বৈঠক হলেও তা নিষ্পত্তি হয়নি। জমি নিয়ে স্থানীয়ভাবে বিচার চাওয়ায় আহাদের ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন মাতাব উদ্দিন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে আব্দুল আহাদ স্থানীয় অফিসবাজারে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। এরই মধ্যে মাতাব উদ্দিন আহাদের পথ রোধ করে দাঁড়ান। একপর্যায়ে মাতাব উদ্দিন দা দিয়ে আহাদের মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন সেখান থেকে তাঁকে (আহাদ) উদ্ধার করে প্রথমে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২টায় তিনি মারা যান।
বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইয়াছিনুল হক আজ (২৪ জুলাই) বিকেলে বলেন, ‘জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়ভাবে জেনেছি। নিহতের পরিবার এখনও মামলা দেননি। অভিযুক্ত ব্যক্তি আমাদের নজরদারিতে আছে। তাঁকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
বড়লেখা থানা ডিউটি অফিসারের মোবাইলে আজ রাত ৮ টায় কথা বললে আসামি গ্রেফতার বা মামলার বিষয়ে তিনি এখনো কিছু জানেন না বলে এ প্রতিবেদককে জানান।
আজ ২৫ জুলাই শুক্রবার মৌলভীবাজার জেলায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে মৌলভীবাজার জেলার সকল উপজেলায় সকলের মাস্ক পরিধান ও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে করোনা প্রতিরোধ কমিটি শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার এর ব্যবস্থাপনায় “সচেতন নাগরিক মঞ্চে একযোগে যোগদান করেন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান ও পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ। এছাড়াও এতে অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় জমি ক্রয় সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ব্যবসায়ী আব্দুল আহাদ (৩৫) মারা গেছেন। গতরাতে (২৩ জুলাই) সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আহাদ বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের সুজাউল (হরিনগর) গ্রামের শফিক উদ্দিনের ছেলে। আর অভিযুক্ত মাতাব উদ্দিন একই এলাকার চন্ডিনগর (হরিনগর) গ্রামের মৃত রজব আলীর ছেলে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল আহাদ ও তার স্বজনরা উপজেলার চন্ডিনগর (হরিনগর) গ্রামের মৃত রজব আলীর পুত্র মাতাব উদ্দিন ও তার সৎ ভাইদের কাছ থেকে সম্প্রতি কিছু জমি ক্রয়ের জন্য বায়নাপত্র করেন। জমি রেজিষ্ট্রির আগে নির্ধারিত মূল্যের অর্ধেকের বেশি টাকাও মাতাব উদ্দিনদের দেওয়া হয়। রেজিষ্ট্রি করার সময় অবশিষ্ট টাকা দেওয়ার কথা ছিল। পরবর্তীতে জমির কাগজপত্র সংক্রান্ত জটিলতা ও করোনাভাইরাসের কারণে জমি রেজিস্ট্রি হয়নি। এ অবস্থায় প্রায় দুই মাস আগে জমিতে চাষ করতে গেলে মাতাব উদ্দিনরা বাধা দেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে বৈঠক হলেও তা নিষ্পত্তি হয়নি। জমি নিয়ে স্থানীয়ভাবে বিচার চাওয়ায় আহাদের ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন মাতাব উদ্দিন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে আব্দুল আহাদ স্থানীয় অফিসবাজারে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। এরই মধ্যে মাতাব উদ্দিন আহাদের পথ রোধ করে দাঁড়ান। একপর্যায়ে মাতাব উদ্দিন দা দিয়ে আহাদের মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন সেখান থেকে তাঁকে (আহাদ) উদ্ধার করে প্রথমে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২টায় তিনি মারা যান।
বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইয়াছিনুল হক আজ (২৪ জুলাই) বিকেলে বলেন, ‘জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়ভাবে জেনেছি। নিহতের পরিবার এখনও মামলা দেননি। অভিযুক্ত ব্যক্তি আমাদের নজরদারিতে আছে। তাঁকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
বড়লেখা থানা ডিউটি অফিসারের মোবাইলে আজ রাত ৮ টায় কথা বললে আসামি গ্রেফতার বা মামলার বিষয়ে তিনি এখনো কিছু জানেন না বলে এ প্রতিবেদককে জানান।
‘তাকবিরে তাশরিক’ হলো মহান আল্লাহ তাআলার একত্ববাদের স্বীকৃতি ও প্রশংসা ঘোষণা করা। প্রত্যেক হিজরি বছরের জিলহজ মাসের ৯ তারিখ ফজরের নামাজ থেকে ১৩ তারিখ আসরের নামাজ পর্যন্ত ২৩ ওয়াক্ত নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক এক বার পড়া ওয়াজিব। প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষ, মুকিম-মুসাফির, গ্রামবাসী-শহরবাসী, জামাআতে বা একাকি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর প্রত্যেকের ওপর একবার করে তাকবিরে তাশরিক পাঠ করা ওয়াজিব। তাকবিরে তাশরিক হলো- اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ وَاَللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ উচ্চারণ : ‘আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর, ওয়ালিল্লাহিল হামদ্। ’অর্থ হলো : “আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; আল্লাহ মহান, আল্লাহ ব্যতিত কোনো উপাস্য নেই; সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আল্লাহ মহান।” সে হিসেবে এ বছরের আগামী ৩১ জুলাই শুক্রবার ২০২০ (৯ জিলহজ) ফজর থেকে ০৪ আগস্ট মঙ্গলবার ২০২০ (১৩ জিলহজ) আসরের নামাজ পর্যন্ত ২৩ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পর ‘তাকবিরে তাশরিক’ পড়তে হবে। এ তাকবির প্রত্যেক ওয়াক্তে ১ বার পড়া ওয়াজিব। আর ৩ বার পড়া মোস্তাহাব। বিষয়টি খেয়াল করে যথাযথভাবে পালন করা প্রত্যেক মুমিনের জন্য জরুরী।
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে তথা মুসলিম উম্মাহকে উক্ত ২৩ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক পাঠ করে আল্লাহ তায়ালার ভালোবাসা ও নৈকট্য লাভের তৌফিক আতা ফরমান। আল্লাহুম্মা আমিন।
লেখকঃ এম. এম আতিকুর রহমান ফাজিল -জামেয়া মাদানিয়া কাজিরবাজার, সিলেট। কামিল, সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী বড়লেখা-জুড়ী আসনের সংসদ সদস্য মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি সাপেক্ষে মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার লাঠিটিলায় সাফারি পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কাজ শুরু করছে। তিনি আরও বলেন, বড়লেখার মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতের নিকট কেবল কার এবং এশিয়ার বৃহৎ হাকালুকি হাওড়ের উন্নয়নে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
পরিবেশ মন্ত্রী বৃহস্পতিবার মৌলভীবাজারের বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি’র ঐচ্ছিক তহবিল এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের দুরারোগ্য রোগে আক্রান্তদের মধ্যে অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠান ঢাকাস্থ সরকারি বাসভবন হতে অনলাইনে উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দুটি অনুষ্ঠানে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে। লাঠিটিলায় সাফারি পার্ক নির্মান এবং হাকালুকি হাওর ও মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতের বিশেষ উন্নয়নে মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন এমপি মহোদয় এর উদ্যোগের খবরে তাঁর নিজ এলাকা বড়লেখা-জুড়ীর জনসাধারণের মধ্যে খুশীর আমেজও বিরাজমান।
করোনা পরিস্থিতিতে কোরবানির পশুর হাট কতটুকু জমবে তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছেন ব্যাসায়িরা। তবে এসব দুশ্চিন্তা পাশ কাটিয়ে “চান্দগ্রাম” হাটে এবার বড় তারকা হিসেবে আলোচনায় রয়েছে ছোট বালক জামিল এর গরু ।গরুই সর্বোচ্চ মূল্যে বিক্রি হবে বলে ধারণা তাদের। ষাঁড়টির দৈর্ঘ্য ৬ফুট, উচ্চতা ৫ ফুট, ওজন ৭ মণ। লাল রঙের সুঠাম স্বাস্থ্যের ষাঁড়টির নাম বিক্রির জন্যই কেবল দেওয়া হয়েছে । লাল শরীরের বসও পিছিয়ে নেই। এই বসের ওজন ৭মণ। বৃহঃবার দুপুরে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার খামারি জামিল এর খামারে এই ষাঁড় গরু টির দেখা মিলে। আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দেশিয় জাতের গরুটি দেশীয় পদ্ধতিতে নিজের খামারে মোটাতাজা করেছেন তিনি। খামারি জামিল জানান, গরুটি খুব শান্ত স্বভাবের। ওর কোনও রাগ নেই। কারও দিকে তেড়েও আসে না। ৪ বছর ধরে আমি গরুর খামার করছি।৫ মাস আগে দাম হয়েছে দেড় লাখ টাকায়। তবে ২ লাখ টাকা পেলে গরু টি ছেড়ে দেবেন বলে জানান তিনি। জামিল আরও জানান, প্রতিদিন দুই বেলা ১০ কেজি করে খাবার খায় গরু দুটি। এরমধ্যে রয়েছে গমের ভুসি, ধানের গুঁড়া, ভুট্টা, শুকনো খড় ও কাঁচা ঘাস। এছাড়া মাঝেমধ্যে ভাতও খায়। প্রতিদিন প্রায় এক হাজার টাকার খাদ্য লাগে। কোনও ধরনের মেডিসিন ব্যবহার করা হয়নি। তবে প্রাণিসম্পদ অফিসের পরামর্শ নিয়েছি।
এদিকে দেখতে প্রতিদিনই লোকজন তার বাড়িতে ভিড় করছেন। গরু দেখতে আসা সাংবাদিক কাজী রমিজ উদ্দিন , বড় আকৃতির গরুর কথা শুনে দেখার আগ্রহ হয়েছিল। তাই দেখতে আসছি। আমি অনেক খামারির কাছে খবর নিয়েছি, এত বড় গরু আর নেই। কিন্তু করোনাকালে দুশ্চিন্তায় রয়েছি। কেননা, করোনাভাইরাস ও সাধারণ মানুষের পকেটে টাকা না থাকার কারণে এবার সারা দেশের পশুর হাটগুলোতে পশু কম থাকবে। সেই সঙ্গে ক্রেতাও কম থাকবে। কারণ, করোনার কারণে অনেক ক্রেতা-বিক্রেতা হাটে যাওয়া থেকে বিরত থাকবেন। আবার অনেকে আর্থিক কারণে পশু কেনার চিন্তাই করবেন না। ফলে লোকসানও বেশি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
করোনাভাইরাসের মধ্যে খামারিরা গরু বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত পরিবেশ মন্ত্রীর ঐচ্ছিক তহবিল এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের দুরারোগ্য রোগে আক্রান্তদের মধ্যে অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনলাইনে উদ্বোধন করেন বড়লেখা-জুড়ী আসনের সংসদ সদস্য পরিবেশ মন্ত্রী আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন।
পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, ‘করোনাভাইরাসের এই দুঃসময়ে সরকার বিভিন্নভাবে অসহায় মানুষকে সহায়তা করছে। আজকের ঐচ্ছিক তহবিল ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের অনুদানের পরিমাণ কম হলেও এটা সরকারের আন্তরিকতা ও সদিচ্ছার প্রতিফলন। জীবন বাঁচাতে এবং বাসযোগ্য পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে বেশি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বৃক্ষ, বন্যা, প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে আমাদের রক্ষা করে। এ সময় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক পরিধান ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাচলের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান মন্ত্রী।
জুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল ইমরান রুহুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জুড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মোঈদ ফারুক, জুড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বদরুল হোসেন এবং উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান রঞ্জিতা শর্মা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে পরিবেশ মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিনের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে ৭৮ জন ব্যক্তি ও ৪টি প্রতিষ্ঠানের নিকট ৪ লাখ ৩ হাজার টাকার অনুদানের চেক এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে ৯ জন দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তির নিকট প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।
মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধি ::মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের আতুয়া গ্রামের লন্ডন প্রবাসী,জামেয়াতুল উম্মা ইসলামিক স্কুল লণ্ডন E-1 এর শিক্ষক মাওলানা মোঃ মুমিনুল ইসলাম ফারুকী ও তাঁর বন্ধুদের অর্থায়নে এলাকার হত দরিদ্র,অসচ্ছল ৯০টি পরিবারের মাঝে ঈদের খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আতুয়া গ্রামে প্রবাসী মুমিনুল ইসলাম ফারুকীর নিজ বাড়িতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দরিদ্রদের মাঝে এসব সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।
এসময় উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ৩৮জন সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ৫২ জন ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের মাঝে ১০ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ লিটার তৈল, ২ টি সাবান ও নগদ ৫শত টাকা করে বিতরণ করা হয়।
বিতরণকালে স্থানীয় ইউপি সদস্য আলীম উদ্দিন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কালাচাঁদ চন্দ চন্দ, স্থানীয় স্কুল শিক্ষক আব্দুল করিম, উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের তালাক ও নিকাহ রেজিস্টার সাংবাদিক কাজী রমিজ উদ্দিন,আতুয়া জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওঃআব্দুস শহীদ, সুলতান মাহমুদ খান,তারেক মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
লন্ডন প্রবাসী মুমিনুল ইসলাম ফারুকী জানান, ‘করোনাভাইরাসের এই পরিস্থিতিতে খেটে খাওয়া হতদরিদ্র মানুষগুলো খুব কষ্টের মধ্য জীবনযাপন করছে।তাই প্রবাসে বসে আমি উদ্যোগ নিয়েছি এই দুঃসময়ে হতদরিদ্র মানুষের পাঁশে দাঁড়ানোর। এ উদ্যোগে আমার বন্ধুমহল এগিয়ে এসেছেন। তাদের আর্থিক সহযোগিতায় এবং আমার ভাই আব্দুস শহীদ ও মুজিরুল ইসলামের মাধ্যমে করোনাকালীন সময়ে আরও দুই দফায় অসহায় দরিদ্রদের মাঝে নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছি। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ৯০ টি হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ সম্পন্ন করা হয়েছে,দুঃখিদের মুখে হাসি ফুটানো ধনীদের নৈতিক দায়িত্ব। ধাপে ধাপে হতদরিদ্র পরিবারগুলোর মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের ধারা অব্যাহত রাখবো ইনশা আল্লাহ।’
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আজ ২৩ জুলাই উপজেলা পরিষদ হলরুমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি এর ঐচ্ছিক তহবিলের চেক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শামীম আল ইমরান এর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে ফেসবুকে লাইভে প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী বড়লেখা-জুড়ী আসনের সংসদ সদস্য মোঃ শাহাব উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার উদ্দিন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ তাজ উদ্দিন।
উক্ত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী মহোদয়ের ঐচ্ছিক তহবিলের ২০১৯-২০ অর্থবছরের বরাদ্দ থেকে ১১৫ জন ব্যক্তি ও ২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪,৯৭,০০০ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার যেভাবে দেশের দরিদ্র মানুষদের সুযোগ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে তাতে আগামীতে সরকারী ভাতা নেয়ার মানুষও খুঁজে পাওয়া যাবে না। করোনা মহামারীর সময়েও ঝুঁকি নিয়ে সরকার দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছে। সোমবার বিকালে মৌলভীবাজারের বড়লেখার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র অসহায়দের মাঝে বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বয়স্ক বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার চালু করেছিল।তারই ধারাবাহিকতায় উত্তর শাহবাজপুরে বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধীদের ভাতার কার্ড করে দেয়া হয়েছে। বাকি যারা রয়েছেন আগামী এক বছরের মধ্যে সবাইকে ভাতার আওতায় আনা হবে। কেউ বাদ পড়বে না।উত্তর শাহবাজপুর ইউপি ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) সেলিম আহমদ খানের সভাপতিত্বে ও ইউপি মেম্বার বদরুল ইসলামের পরিচালনায় বিভিন্ন ভাতার কার্ড বিতরণের সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইউএনও মো. শামীম আল ইমরান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিন,উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা উবায়েদ উল্লাহ খান, ভিডিও কনফারেন্সে লন্ডন থেকে বক্তব্য রাখেন উত্তর শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান আহমদ জুবায়ের লিটন,ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক, ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিক উদ্দিন, আওয়ামী লীগ নেতা জোবের আহমদ, যুবলীগ নেতা কামাল উদ্দিন প্রমুখ।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য রফিকুল আলমের ইন্তেকালে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি (২০ জুলাই) গতরাত ৩ ঘটিকায় গ্রামতলাস্থ তাঁর নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন।
মরহুমের জানাজার নামাজ আজ বেলা ২ ঘটিকায় সৈয়দা মোকাম মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্টিত হয়ে স্থানীয় গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। একজন সততা সম্পন্ন বিনয়ী ও পরোপকারী সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে সুপরিচিত উদীয়মান সমাজ সেবককে অকালে হারিয়ে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
আমরা তাঁর শোকাহত পরিবার পরিজনের সবরে জামিল দান এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের আলা মাকাম নসিব করুন দয়াময় আল্লাহর কাছে কায়মনোবাক্যে এই ফরিয়াদ জানাই।
মৌলভীবাজারের জুড়ীতে করোনা ভাইরাসের মহামারীতেও চলছে বিভিন্ন কায়দায় মাদকের রমরমা ব্যবসা। জুড়ী থানার পুলিশ প্রতিনিয়ত অভিযান চালিয়ে মাদক উদ্ধারসহ মাদক ব্যবসায়ীদেরকে আটক করছে। পুলিশের কঠোর নজরদারি ও অব্যাহত অভিযানের ফলে জুড়ীর মাদক ব্যবসায়ীরা আতঙ্কের মধ্যে থাকে। পুলিশের তৎপরতার জন্য মাদক ব্যবসাীরা প্রায়ই একের পর এক ধরা পড়ছে চৌকস পুলিশের হাতে।
গত ২০ জুলাই জুড়ী থানা পুলিশ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে দেশীয় ২৫ লিটার চোলাই মদসহ আটক করছে। জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম এর নেতৃত্বে গতসন্ধ্যায় উপজেলার সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন ফুলতলার এলবিনটিলা এলাকায় একদল পুলিশ থানার তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী পূর্ব বটুলি গ্রামের নুর উদ্দিনের পুত্র জসিম উদ্দিন রুমেল (৩৮) এবং এলবিনটিলা গ্রামের মৃত বিদেশি দাসের পুত্র মানিক দাস (৩৫) কে ২৫ লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ গ্রেফতার করেন। তাদের বিরুদ্ধে জুড়ী থানায় মাদক মামলা হয়েছে। মামলা নং-১৬, ধারাঃ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) এর ২৪ (খ)। আজ তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
ভারতের করিমগঞ্জে গণপিটুতে নিহত হওয়া তিন বাংলাদেশীর দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাদের বাড়ি মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায়। নিহত দুজন হলেন-উপজেলার তালিমপুর ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর গ্রামের মৃত আছদ্দর আলীর ছেলে মো. নুনু মিয়া (২৭) এবং একই গ্রামের আব্দুল মানিকের ছেলে জুয়েল আহমদ (২৬)। তারা সম্পর্কে পরস্পর চাচা-ভাতিজা। দুজনেই পেশায় অটোরিক্সা চালক বলে জানা গেছে।
বড়লেখা উপজেলার তালিমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিদ্যুৎ কান্তি দাস আজ বিকেলে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন। চেয়ারম্যান জানান, নিহত হওয়া তিনজনের মধ্যে দুজনের বাড়ি তালিমপুর ইউপির কাঞ্চনপুর এলাকায়। তিনি তাদের পরিবারের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছেন যে তারা দুজন গত শুক্রবার জুড়ীতে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর থেকে তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। আজ সকালে জুড়ী থানা পুলিশ তাকে জানায় যে তারা ভারতে খুন হয়েছেন। পরে তিনি নিহতদের ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত হন।
নিহত জুয়েল মিয়ার বড়ভাই রুবেল জানান, গত শুক্রবার এক ব্যক্তি তাদেরকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। আজ সকালে তারা জানতে পেরেছেন যে তারা ভারতে গিয়ে খুন হয়েছেন। তবে তারা কেন এবং কী জন্য ভারতে যায় সে ব্যাপারে কিছুই জানা যায়নি।
বিজিবি ৫২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল গাজী শহীদুল্লাহ বলেন, ভারতে নিহত হওয়া দুই বাংলাদেশীর পরিচয় জানা গেছে। তাদের দুজনের বাড়ি বড়লেখায়। আর নিহত হওয়া অপরজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
স্থানীয় পুলিশের বরাত দিয়ে সেখানকার সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, নিহত বাংলাদেশীরা গত শনিবার রাতে সীমান্ত পেরিয়ে করিমগঞ্জের পাথরকান্দি অঞ্চলে বগরিজান চা বাগান এলাকায় ঢুকে পড়ে। স্থানীয় লোকজন গরুচোর সন্দেহে এসময়ে তাদের ওপর হামলা করে। হামলার এক পর্যায়ে ঘটনাস্থলেই তারা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। ঐ এলাকার পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে নিহত তিন জনের লাশ উদ্ধার করে। লাশ হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নিউজ ডেস্কঃ সিলেটে অর্থের বিনিময়ে করোনা রোগীদের ভুয়া সার্টিফিকেট প্রদান ও নিজে করোনা আক্রান্ত হয়েও রোগী দেখার দায়ে এএইচএম শাহ আলম নামে এক চিকিৎসককে একলাখ টাকা জরিমানা ও চার মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রোববার রাতে নগরীর মধু শহীদ এলাকার বেসরকারি মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেডের নীচ তলায় ডা. শাহ আলমের চেম্বারে অভিযান চালায় র্যাব-৯। অভিযানের নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুনন্দা রায়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুনন্দা রায় বলেন, ‘ডা. আলমকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তিনি তার অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাকে ৪ মাসের জেল, ১ লাখ টাকা জরিমানা করার পাশাপাশি অনাদায়ে আরও ১ মাসের জেল দেওয়া হয়। তার সব অনিয়মের প্রমাণ আমাদের কাছে রয়েছে।’
র্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সামিউল আলম জানান, ডা. আলম বিদেশযাত্রীসহ কয়েকজনকে করোনার ভুয়া সার্টিফিকেট টাকার বিনিময়ে দিয়েছেন বলে র্যাবের কাছে স্বীকার করেন। পরে তাকে নিয়ে তার চেম্বার মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেডে অভিযান চালানো হয়।
সামিউল আলম বলেন, ‘তিনি ওসমানী মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতেন। যদিও তিনি কোনো সরকারি হাসপাতালে চাকরি করতেন না। এ ছাড়া তিনি নিজে গত ১৪ জুলাই করোনা আক্রান্ত হন। এই তথ্য গোপন রেখেই তিনি চেম্বারে রোগী দেখে যাচ্ছেন।’
বিদেশ যাত্রীদের জন্য বিভিন্ন দেশ ও এয়ারলাইন্স করোনা নেগেটিভ সার্টিফেকেট বাধ্যতামূলক করার পর প্রবাসীদের টার্গেট করেন ডা. শাহ আলম। ‘করোনা নেগেটিভ’ সার্টিফিকেট দেওয়ার বিপরীতে তিনি চার হাজার টাকা করে আদায় করেন। ফ্লাইটের ৪৮ ঘন্টা আগে তিনি ওই প্রবাসীকে ডেকে নিয়ে হাতে ধরিয়ে দেন প্রত্যয়নপত্র। রোগী বা যাত্রীকে না দেখেই নিজের প্যাডে দেওয়া ওই প্রত্যয়পত্রে ডা. শাহ আলম লিখে দেন, তিনি ওই ব্যক্তিকে তার চেম্বারে দেখেছেন। তার মধ্যে কোভিড-১৯ এর কোন লক্ষণ নেই।
মৌলভীবাজার টাউন কামিল মাদরাসার সাবেক উপাধ্যক্ষ মৌলভীবাজার জেলা জামে মসজিদের সাবেক পেশ ইমাম ও খতিব, আল্লামা ফুলতলী ছাহেব ক্বিবলাহ (র.) এর খলিফা, উস্তাজুল উলামা হযরত মাওলানা আকমল আলী হুজুর আজ বিকাল ৪ঃ২৫ মিনিটের সময় ইন্তিকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিয়ুন। দীর্ঘদিন যাবত তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। তিনি রাজনগর উপজেলার পাঁচগাওয়ের বাসিন্দা।
হাজার হাজার আলেমেরও বরেণ্য এ শিক্ষাবিদের মৃত্যুতে দেশ বিদেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর শোকাহত পরিবার পরিজন সহ গুণগ্রাহী সকলকে সবরে জামিলের এবং হযরতকে জান্নাতুল ফেরদৌসের আলা মাকাম নসিব করবার জন্য কায়মনোবাক্যে দয়াময়ের তরে আমারা ফরিয়াদ জানাই।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় দুর্বৃত্তের দেওয়া আগুনে পুড়ে ৩টি গরু মারা গেছে। গতমধ্যরাতে উপজেলার দক্ষিণভাগ উত্তর (কাঠালতলী) ইউনিয়নের পশ্চিম কাঠালতলী গ্রামে উপজেলা তাঁতি লীগের সভাপতি, আ’লীগ নেতা ঠিকাদার মহিউদ্দিন আহমদ গোলজারের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত রাত ১টার দিকে হঠাৎ করে সেমিপাকা গোয়ালঘরে আগুন লাগে। এসময় গোয়ালে থাকা গরু হাঁকডাক ও লাফালাফি করতে থাকে। গরুর হাঁকডাক শুনে মহিউদ্দিন আহমদ গোলজার ঘর থেকে বের হয়ে গোয়ালঘরে আগুন দেখতে পান। ঘটনা বুঝতে পেরে এলাকার লোকজন এসে দীর্ঘ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে আগুনে গোয়ালে থাকা একটি গাভিসহ তিনটি গরু মারা যায়। পাশাপাশি সেখানে রাখা একটি পানির পাম্প ধান ভাঙার মেশিন, গাড়ির টায়ারসহ বিভিন্ন মালামালও পুড়ে যায়।
বাড়ীর মালিক ঠিকাদার মহিউদ্দিন আহমদ গোলজার আজ বলেন, পূর্বশত্রুতার জেরে ধরে কেউ হয়তো তাঁর গোয়ালঘরে আগুন দিয়েছে। তা নাহলে এখানে আগুন লাগার কথা নয়। তিনটি গরুসহ গোয়ালে থাকা পানির পাম্প, ধান ভাঙার মেশিন, গাড়ির টায়ারসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে তাঁর প্রায় ৬ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
বড়লেখা ফায়রাসার্ভিসের ফায়ারম্যান সফিউল আলম রোববার জানান, রাতে আমরা আগুন লাগার খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই স্থানীয়রা ফোনে জানান আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। পরে আর সেখানে যাওয়া হয়নি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ আর নেই। আজ ১৭ জুলাই শুক্রবার সকালে রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতাল ল্যাবএইডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না-লিল্লাহ)
অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ ১৯৩২ সালের ১৫ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য এবং উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ‘ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ’র (ইউডা) ভিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ তুলনামূলক রাজনীতি, প্রশাসন-ব্যবস্থা, বাংলাদেশের রাজনীতি, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি, দক্ষিণ এশিয়ার সামরিক বাহিনী সম্পর্কে গবেষণা করেন। তার লিখিত গ্রন্থের সংখ্যা অর্ধশতাধিক। লিখিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:
রাষ্ট্র বিজ্ঞানের কথা(১৯৬৬) মধ্যযুগের রাষ্ট্র চিন্তা (১৯৪৫) তুলানামূলক রাজনীতি: রাজনৈতিক বিশ্লেষণ (১৯৮২) বাংলাদেশে গণতন্ত্র সংকট (১৯৯২) সমাজ ও রাজনীতি (১৯৯৩) গণতন্ত্রের ভবিষৎ ( ১৯৯৪) শান্তি চুক্তি ও অন্যান্য প্রবন্ধ (১৯৯৮) আঞ্চলিক সহযোগিতা, জাতীয় নিরাপত্তা (১৯৯৯) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য প্রবন্ধ (২০০০)
শিক্ষাক্ষেত্রে অনবদ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ ১৯৯২ সালে একুশে পদক পান অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ। ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী এ শিক্ষাবিদ ও দার্শনিকের মৃত্যুতে আমরা শোকাভিভূত। মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌসের আলা মাকাম নসিব করুন মাবুদের দরবারে এই ফরিয়াদ মনেপ্রাণে।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক, বড়লেখা পৌরসভা’র ২ নং ওয়ার্ড থেকে বার বার নির্বাচিত কাউন্সিলর, বিশিষ্ট সমাজ সেবক জেহীন সিদ্দিকী আর্ত মানবতার সেবায় করোনার প্রাদুর্ভাবে বিপর্যস্ত অসহায় মানুষের জন্য মানবিক দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আজ তিনি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।
তাঁর দ্রুত সুস্থতার জন্য মহান আল্লাহর কাছে তিনিসহ কায়মনোবাক্যে দোয়া কামনা করেছেন বড়লেখা উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ ও বড়লেখার পৌর মেয়র আবুল ইমাম মোঃ কামরান চৌধুরী। বড়লেখা উপজেলার মধ্যে করোনা পজিটিভ সনাক্ত বেশি হয়েছে কাউন্সিলার জেহিন সিদ্দিকীর ওয়ার্ডে। তিনি আক্রান্ত এলাকা ও পরিবারের দেখাশোনা করেই যাচ্ছিলেন। এই মানবতার খেদমতে নিয়োজিত ব্যক্তির আশু সুস্থতায় সকলের দোয়া প্রত্যাশি।
আজ ১৭ জুলাই শুক্রবার মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার ৭ নং ফুলতলা ইউনিয়নের বুটলি গ্রামের পরিতোষ পাল পিতাঃ মৃত লোকেশ পাল গতরাত ১২.৪৫ মিনিটে করোনায় আক্রান্ত হয়ে বড়লেখা উপজেলা শহরের গাজীটেকা নামক স্থানের সরৎ ম্যানশনের ৩য় তলায় পরলোকগমন করেন।
ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজার সভাপতি মাওঃ এহসানুল হক জাকারিয়া জানান, পরলোকগমনকারীর ছেলে পার্থ পাল মুঠোফোনে জানান, উনার বাবা করোনা পজেটিভ অবস্থায় পরলোকগমন করেছেন কিন্তু সৎকারের জন্য কোনো মানুষ খোজে পাচ্ছেন না, আমরা উনার বাবার সৎকার করবো কি না? তিনি বলেন যদি প্রশাসন অনুমতি দেন তাহলে সৎকার করে দিবো। তিনি তখন বড়লেখা উপজেলার ওসি এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সাথে আলাপ করে জানান তারা অনুমতি দিয়েছেন, তবে জুড়ী উপজেলার কথা বলতে হবে, মৃত ব্যক্তির ছেলে জুড়ী স্বাস্থ কর্মকর্তা এবং প্রশাসনের সাথে আলাপ করেন। ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজারের সভাপতিও উভয় উপজেলা প্রশাসনের সাথে আলাপ করে, তাদের অনুমতিতে সৎকার কার্জ সম্পন্ন করেন। ইকরামুল মুসলিমীন সভাপতি আরো জানান, আমরা এম্বুলেন্স দিয়ে বড়লেখা বাসা থেকে লাশ নিয়ে জুড়ীতে আসি, সেখানে আমরা লাশকে স্নান করাই। মৃত ব্যক্তির ছেলে, মূখাগ্নী দেন। ভোররাত থেকে সকাল ১০.৩০ মিনিট পর্যন্ত সৎকার চলে। ইতোপূর্বে ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গলে বীর মুক্তিযোদ্ধা বিকাশ দত্তের সৎকার করে এবং শমসেরনগর খ্রীস্টান চার্চের শ্যামুয়েল রোকন মল্লিককে ফ্রী অক্সিজেনসহ বিভিন্ন সেবা দিয়ে আসছে।
এটা ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজারের ২য় হিন্দু সৎকার এবং ইকরামুল মুসলিমীনে মৌলভীবাজারের ১৪ তম করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর দাফন-কাফন। এর পূর্বে মৌলভীবাজার সদরে ৩টি, শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ৬টি, জুড়ী উপজেলায় আজসহ ৩ টি এবং কুলাউড়া উপজেলায় ১ টি এবং আজ বড়লেখা উপজেলায় ১ টি সহ ১৪তম দাফন-কাফন সম্পন্ন করে।
জুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানার অফিসার ইনচার্জ সহ সুশীল সমাজ ইকরামুল মুসলিমিন ফাউন্ডেশন এর এমন মানবসেবার দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানান।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শামীম আল ইমরান আজ ১৬ জুলাই দুপুরে পৌরসভার হলিলাইফ স্পেশালাইজড হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এতে ক্লিনিক পরিচালনার লাইসেন্স না থাকা, মেয়াদ উত্তীর্ণ রি-এজেন্ট ব্যবহার করা এবং প্রদত্ত সেবার নির্ধারিত মূল্য তালিকা না থাকায় মেডিকেল প্র্যাকটিস এবং বেসরকারি ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরী (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুসারে ৫০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। এসময় লাইসেন্স না পাওয়া পর্যন্ত ক্লিনিকের সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা কালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. রত্নদ্বীপ বিশ্বাস এবং বড়লেখা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রতন দেবনাথ সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে সারাদেশে এক কোটি বৃক্ষের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা—
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটায় গণভবন হতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে সারাদেশে এক কোটি বৃক্ষের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। মাননীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী জনাব মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব জিয়াউল হাসান এনডিসি এসময় উপস্থিত ছিলেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তেঁতুল, ছাতিয়ান ও চালতা প্রজাতির বৃক্ষের চারা রোপণ করতঃ উক্ত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পরপরই প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় স্বাস্থ্য নির্দেশিকা মেনে নূন্যতম একটি করে বনজ, ফলদ ও ঔষধি বৃক্ষের চারা রোপণের মাধ্যমে উক্ত কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে নির্দেশনা রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীকে স্মরণীয় করে রাখার লক্ষ্যে মুজিববর্ষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় দেশের ৪৯২ টি উপজেলার প্রতিটিতে ইতোমধ্যে ২০,৩২৫ টি করে বিবিধ প্রজাতির বনজ, ঔষধি ও ফলদ বৃক্ষের চারা বন বিতরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে । ইতোমধ্যে প্রতিটি জেলায় সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে জেলা পরিবেশ ও বন উন্নয়ন কমিটির সভার সিদ্ধান্তের আলোকে উপজেলা পরিবেশ ও বন উন্নয়ন কমিটি চারা বিতরণ ও রোপণ বিষয়ে বিষদ কর্মপরিকল্পনাসহ চারা গ্রহণকারীদের তালিকা প্রণয়ন করেছে। মুজিববর্ষে রোপণের জন্য উত্তোলিত এক কোটি চারার মধ্যে শতকরা পঞ্চাশ ভাগ ফলদ এবং অবশিষ্ট পঞ্চাশ ভাগ বনজ, ঔষধি ও শোভাবর্ধনকারী প্রজাতির চারার উত্তোলন ইতোমধ্যেই নিশ্চিত করা হয়েছে। কোন প্রকার বিদেশী প্রজাতির চারা এ কাজের জন্য উত্তোলন করা হয়নি। তাছাড়া বর্ণিত বৃক্ষরোপণ কার্য আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ এর মধ্যে সম্পন্ন করার বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষে সারাদেশে রোপিত ১ কোটি গাছকে ‘স্মারক বৃক্ষ’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে । মুজিববর্ষের এক কোটি চারা ছাড়াও চলতি বৃক্ষরোপণ অভিযানকালে প্রতিটি সংসদীয় আসনের বিপরীতে ৫ হাজার করে মোট ১৫ লক্ষ বনজ, ফলদ ও ঔষধি চারা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংস্থার ক্যাম্পাসে রোপণের জন্য বিতরণ করা হবে।
সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জে উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত কানিশাইল গ্রামে বিষাক্ত পানি খেয়ে মর্তুজ আলীর পরিবারের নারীসহ ৮জন আক্রান্ত হয়েছেন৷ আজ বুধবার সকালে এই ঘটনা ঘটেছে৷ এসময় পানির ট্যাংকিতে বিষের উপস্থিতি টের পাওয়া যায়। খবর পেয়ে ইউপি চেয়ারম্যান, সদস্যগণ, ইউপি সচিব, উদ্যোক্তা ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত হন৷ পানি পান করে অচেতন হওয়া সবাইকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করা হয়েছে। গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশকে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে৷
বাংলাদেশ ফুটবল উন্নয়ন সমিতির পাশাপাশি চলছে পুরো দেশে। সাপোর্টারস ফোরাম বাংলাদেশ ফুটবল উন্নয়ন সমিতি গঠনের কাজ। এই ধারাবাহিকতায় মৌলভীবাজার জেলায় সাপোর্টারস ফোরাম বা,ফু,উ,স। কমিটি ঘোষণা করা হয় কমিটি সভাপতি মনোনীত হোন মোঃ আব্দুল কুদ্দুস এবং সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হোন জাকির আহমেদ রোমান। উল্লেখ্য সভাপতি-মোঃআব্দুল কুদ্দুস খেলোর জীবনে মৌলভীবাজার ওয়ান্ডার্স ক্লাবের সাবেক ফুটবলার বড়লেখা উপজেলার ৫নং দক্ষিন শাহবাজপুর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান। এবং সাধারণ সম্পাদক জাকির আহমেদ রোমান মৌলভীবাজার জেলা ফুটবল দলের সাবেক ফুটবলার।সিলেট বিভাগের অন্য জেলার সাপোর্টারস ফোরামের নতুন কমিটি গুলি কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তারা। ধন্যবাদ জানান গ্রামীন ফুটবল বিপ্লবী জালাল হোসেন লাইজু কে। এবং যারা ফুটবল কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন মোফাজ্জল হোসেন বিপুল ও সি ই ও মামুন সহ সবাই কে ধন্যবাদ জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
কারো জন্য কোরবানী ওয়াজিব হওয়া কিংবা সুন্নত হওয়ার জন্য কোরবানীকারী কে ধনী হওয়া শর্ত। অর্থাৎ তার নিজের খরচ পাতি ও সে যাদের খরচ চালায় তাদের খরচপাতির অতিরিক্ত তার কাছে কোরবানী করার অর্থ থাকা। অতএব, কোন মুসলমানের যদি মাসিক বেতন বা আয় থাকে এবং এ বেতন দিয়ে তার খরচ চলে যায়, এর অতিরিক্ত তার কাছে কোরবানীর পশু কেনার অর্থ থাকে তাহলে সে ব্যক্তি কর্তৃক কোরবানী দেয়ার শরয়ীহ বিধান রয়েছে।
কোরবানী করার জন্য ধনী হওয়া শর্ত মর্মে দলিল হচ্ছে নবী (সাঃ) বাণী: “যে ব্যক্তির সামর্থ্য আছে অথচ সে কোরবানী করেনি সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়”[সুনানে ইবনে মাজাহ (৩১২৩), আলবানী ‘সহিহ সুনানে ইবনে মাজাহ’ গ্রন্থে হাদিসটিকে ‘হাসান’ বলেছেন] এখানে সামর্থ্য দ্বারা উদ্দেশ্য ধনী হওয়া।
প্রতিটি পরিবারের পক্ষ থেকে কোরবানী দেয়ার বিধান রয়েছে। দলিল হচ্ছে- নবী (সাঃ) বাণী: “প্রতিটি পরিবারের পক্ষ থেকে প্রতি বছর একটি কোরবানী দেয়া ওয়াজিব”[মুসনাদে আহমাদ (২০২০৭)] ইবনে হাজার ‘ফাতহুল বারী’ গ্রন্থে বলেন: হাদিসটির সনদ মজবুত। আলবানী ‘সহিহ সুনানে আবু দাউদ গ্রন্থে (২৭৮৮) হাদিসটিকে ‘হাসান’ বলেছেন]
এ বিধানের ক্ষেত্রে পুরুষ বা নারীর কোন ভেদ নেই। অতএব, কোন নারী যদি একাকী বসবাস করেন কিংবা তাঁর সন্তানদেরকে নিয়ে থাকেন তাহলে তাদেরকে কোরবানী করতে হবে।
প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী—যে ১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের ভেতরে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে; তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। অর্থ-কড়ি, টাকা-পয়সা, সোনা-রূপা, গহনা-অলঙ্কার, বসবাস ও খোরাকির অতিরিক্ত জমি, প্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সব আসবাবপত্র কোরবানির নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য। আর নেসাব হল স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরি, রূপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি। আর টাকা-পয়সা ও অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রে নিসাব হলো- এগুলোর মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হওয়া (টাকার অংকে প্রায় ৫৫ হাজার টাকা)। আর সোনা বা রূপা কিংবা টাকা-পয়সা এগুলোর কোনো একটি যদি পৃথকভাবে নেসাব পরিমাণ না থাকে কিন্তু প্রয়োজন অতিরিক্ত একাধিক বস্তু মিলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হয়ে যায়, তাহলেও কোরবানি করা ওয়াজিব। (আলমুহিতুল বুরহানী: ৮/৪৫৫; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া: ১৭/৪০৫)
আল-মাওসুআ আল-ফিকহিয়্যা গ্রন্থে (৫/৮১) এসেছে-
“কোরবানী ওয়াজিব হওয়া কিংবা সুন্নত হওয়ার জন্য পুরুষ হওয়া শর্ত নয়। কোরবানী পুরুষদের উপর যেমন ওয়াজিব হয় তেমনি নারীদের উপরও ওয়াজিব হয়। কারণ ওয়াজিব হওয়ার দলিলগুলো নর-নারী সবাইকে সমানভাবে শামিল করে।”(সংক্ষেপিত ও সমাপ্ত)
লেখক ক্বাজী রমিজ উদ্দিন নিকাহ রেজিস্টার ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউঃপিঃ বড়লেখা মৌলভীবাজার।
সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটার রামগতি সীমান্ত এলাকা থেকে অবৈধ অস্ত্রসহ মো. সাহেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার শাঁখরা কোমরপুর গ্রামের লবঙ্গবতী নদী তীর সীমান্ত থেকে আনুমানিক ভোর ৫.০০ থেকে ৫.৩০ এর দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সেখান দিয়ে নদী পেরিয়ে সাহেদ ভারতে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করছিল। এর আগেও একবার একই সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়েছিলেন তিনি। সকাল নয়টার দিকে হেলিকপ্টারযোগে তাকে ঢাকায় আনা হবে।
মৌলভীবাজার জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি পাওয়া যায়নি। তবে শ্রীমঙ্গলে মৃত একজনের দাফন কাফন ইকরামুল মুসলিমিন ফাউন্ডেশন সম্পন্ন করেছে। ফাউন্ডেশনের জেলা সভাপতি মাওলানা এহসান জাকারিয়া জানান, ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজারের ১২তম দাফন এটা।
শ্রীমঙ্গল পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের শ্যামলী আবাসিক এলাকার নৌবাহিনীর অবঃ চিফ পিটি অফিসার সাহাব উদ্দিন (৬৫) করোনা পজেটিভ নিয়ে গতরাত ১০ ঘটিকায় ঢাকা সিএমএইচ হসপিটালে ইন্তেকাল করেন। আজ বিকেলে উনার জানাজা ও দাফন কাফন ইকরামুল মুসলিমিন ফাউন্ডেশন সম্পন্ন করেছে।
এদিকে আজ রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে মৌলভীবাজারের সিভিল সার্জন কোভিড-১৯ কোয়ারেন্টিন ও আইসোলেশনের দৈনিক প্রতিবেদনের মাধ্যমে করোনার সর্বশেষ তথ্য জানানো হয়। তথ্য অনুযায়ী গেল ২৪ ঘণ্টায় জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন শ্রীমঙ্গলে ১জন। ২৪ ঘণ্টায় জেলায় করোনামুক্ত হয়েছেন ৩৩ জন। তবে এই সময়ে জেলায় নতুন কারো করোনা শনাক্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
এ পর্যন্ত মৌলভীবাজার জেলায় করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা ৬৫৭ জন। এদের মধ্যে সদরে ১৯ জন, রাজনগরে ৪৭ জন, কুলাউড়ায় ১১০ জন, বড়লেখায় ৫৫ জন, কমলগঞ্জে ৭৪ জন, শ্রীমঙ্গলে ৬৪, জুড়ীতে ৫৬ এবং মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালের ২৩১ জন রয়েছেন।
মোট আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৬৪ জন এবং পজিটিভ সনাক্ত হয়ে মারা গেছেন ৮ জন।
জেলায় এখন পর্যন্ত কোয়ারেন্টিনে গেছেন ৩ হাজার ৭৭ জন। যাদের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২ হাজার ৯৫৮ জন।
বাহরাইনে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের বিলের পার গ্রামের মরহুম রাজিব আলীর ছেলে সিদ্দেক আলী নিহত হয়েছেন। জানা জায়, সিদ্দেক আলী বাহরাইনে একটি কোম্পানীর গাড়ী চালাতেন। প্রতিদিনের ন্যায় গতকাল শনিবার বিকেলে কোম্পানীর কাজের সাইড থেকে লোক আনতে গাড়ী চালিয়ে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় পতিত হয়ে তিনি মারা যান। এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নিহতের এলাকা হাজীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত বাচ্চু গনমাধ্যমকে জানান, নিহত সিদ্দেক আলীর করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা নেয়া হয়েছে। করোনার ফলাফল নেগেটিভ আসলে লাশ দেশে আনা হবে। বাহরাইনে সিদ্দেক আলীর মৃত্যুতে তাঁর পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
অদ্য ১১ জুলাই শনিবার মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের হাঠবন্দের ওয়ার্ডের কমিশনার শামিম সাহেবের চাচাত ভাই সাবেক ষাঠমা স্কুলের সাবেক শিক্ষক, মাস্টার তবারক মিয়া (৬০) করোনা পজেটিভ নিয়ে সিলেট মাউন্ট এডোরা হসপিটালে গতরাত ১২.৩০ মিনিটের সময় মৃত্যবরণ করেন। সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রত্ন জিৎ বিশ্বাস এর উপস্থিতিতে ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজার এর বড়লেখা উপজেলা শাখা মৃত ব্যক্তির দাফন-কাফন সম্পন্ন করে। সকাল ১০টা থেকে দাফন কার্য শুরু হয়ে দুপুর ১২.৫০ মিনিট পর্যন্ত চলে।
ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজার জেলা সভাপতি মাওঃ এহসানুল হক জাকারিয়ার ইমামতিতে দাফন অংশগ্রহণ করেন ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা সভাপতি উপজেলা খেলাফত মজলিসের সহ সাধারণ সম্পাদক মাওঃ ফখরুল ইসলাম, মুফতি কলিমুল ইসলাম হাবিবী, মাও সিহাব উদ্দিন, হা.হোসাইন আহমদ, মাও আমিনুল ইসলাম ও মোজাহিদুল ইসলাম মাছুম। জানাযায় এবং জিয়ারতে শরীক হন বড়লোখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা রুহুল আমিন, উপজেলা খেলাফত মজলিসের সহ সভাপতি মাও মনোয়ার হোসেন মাহমুদি খতিব ইয়াকুব নগর জামে মসজিদ। ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজার বড়লেখা উপজেলার সহসভাপতি মাওঃ মনসুর আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মাছুম আহমদ প্রমুখ।
এটা ছিল করোনা পজিটিভে ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজারের ১১ তম দাফন-কাফন। এর আগে জেলার জুড়ী ২ টি, মৌলভীবাজার সদরে ২টি, শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ৫টি এবং কুলাউড়া উপজেলায় ১ টি এবং আজ বড়লেখা উপজেলায় ১ টি, দাফন-কাফনের সাহসী ও মানবতাবাদী কার্যক্রম।
তিনি লন্ডনে অল্প বয়সেই পরিচিত হয়ে উঠেছেন নিজস্ব প্রয়াস ও কর্ম তৎপরতায়। বৃটেনে বিভিন্ন টেলিভিশনে ইসলামী বিষয়াবলীর উপর লেকচারের পাশাপাশি আইন পেশায় সময়ও দেন নিয়মিত।
কিন্তু এসব কাজের বাহিরে তাঁর আলাদা পরিচয় যা ইতিমধ্যে গড়ে উঠেছে তা হলো, আর্ত মানবতার সেবা। তাঁরই তৈরি গরিব এন্ড ইয়াতিম ট্রাস্ট ফান্ড। তিনি ইউকেতে বিভিন্ন ফান্ড রেইজিং প্রোগ্রাম করে অর্থ সংগ্রহের মাধ্যমেই তা বাংলাদেশের গরিব জনগণের জীবন মান উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।
গরিব এন্ড ইয়াতিম ট্রাস্ট ফান্ডের উল্লেখযোগ্য প্রজেক্ট হচ্ছে গৃহহীন মানুষের জন্য ঘর তৈরি করে দেওয়া। সারা বছরব্যাপী ফুড বিতরণ প্যাকেজ। তার পাশাপাশি বিধবা মহিলাদের জন্য সেলাই ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, অন্ধ ও প্রতিবন্ধিদের নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম, হুইল চেয়ার ও শীতবস্ত্র বিতরণ ইত্যাদি প্রজেক্ট চালু থাকে সিলেট সহ দেশব্যাপী।
তাঁর সাথে রয়েছেন একঝাঁক প্রতিভাবান আলেম। ইউকে র আলোচিত খতিব মাওঃ তাজুল ইসলাম গরিব এন্ড ইয়াতিম ট্রাস্টের অন্যতম ব্যাক্তিত্ব। দেশে কাজ আঞ্জাম দেন মাওলানা সাকালাইন শাফি।
মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে একটি মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করেছেন যার নাম নাজাত ইসলামী মারকাজ৷ যেখানেই দুর্যোগ সেখানেই হাজির হয়ে যায় গরিব এন্ড ইয়াতিম ট্রাস্ট ফান্ডের গাড়ি ত্রাণ নিয়ে।
বৃটেনে এখন খুব কঠিন সময় পার হচ্ছে। বাঙালি কমিউনিটির অনেক বড় মাপের ব্যাক্তিত্বও করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন৷ এই কঠিন সময়েও বাংলাদেশকে ভুলেননি প্রবাসী ভাইয়েরা। মাওলানা হামিদী তাঁদের অন্যতম। বৃটেনের মানুষের কাছ থেকে ডলার এনে দেশের আর্ত মানবতার কল্যাণে অনবদ্য অবদান রেখে যাচ্ছেন। জনকল্যাণে তাঁর আগামীর পথচলা আরও ব্যাপকভাবে সাফল্যের হোক কায়মনোবাক্যে এ প্রার্থনা মাবুদের তরে।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পকুয়া যুব সমাজের উদ্যোগে পকুয়া গ্রামের সীমানার নেম প্লেইট স্থাপনের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ করা হয়।এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৩নং নিজবাহাদুরপুর ইউ/পি চেয়ারম্যান মাষ্টার ময়নুল হক।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, প্যানেল চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন, ২নংওয়ার্ড সদস্য শামিম উদ্দিন, সাবেক ইউ পি সদস্য রফিক উদ্দিন পংকি গল্লাসাঙ্গন উচ্চ বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক মাহমুদুর রহমান সরফ,সহকারী শিক্ষক সাইদুর রহমান আবুল,দৌলতপুর হাছিব আলী কিন্ডারগার্টেন এর প্রধান শিক্ষক সুমন আহমদ, সহকারী শিক্ষক হাছান আহমদ সবুজ,ব্যবসায়ী কবির হোসেন টিপু,কিবরিয়া খান,মোঃ আব্দুল্লাহ, জামিল আহমদ,ইন্দ্র মোহন বিশ্বাস প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাষ্টার ময়নুল হক বলেন আর্থ সামাজিক উন্নয়ননে যুবকদের কে সম্পৃক্ত করে তাদের স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি গ্রামের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে।পকুয়া যুব সংঘ তাদের কর্মস্পৃহা ও কর্মোদ্দীপনা কাজে লাগিয়ে গ্রামকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।এ লক্ষ্যে তাদেরকে বিভিন্ন উন্নয়মুখী কাজ করতে যাচ্ছে। এসব কর্মকান্ড বাস্তবায়নের জন্যে যুবকরা প্রশংসার পাত্র।
এমসি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্র হাফিজ ইফজাল আহমদ এর রহস্যজনক মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে এমসি কলেজে মানববন্ধন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার সকাল ১১টায় কলেজ ফটকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান সোসাইটির উদ্যোগে এই মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সকল শিক্ষার্থী ছাড়াও কলেজের অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীরাও এতে অংশ নেন। মানববন্ধনে ছাত্রলীগ, ছাত্র জমিয়ত, ছাত্র মজলিসসহ বিভিন্ন রাজৈনিতক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, অবিলম্বে হাফিজ ইফজাল আহমদের রহস্যঘেরা মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত করে মূল ঘটনা উন্মোচন করে দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় ছাত্রসমাজ কঠিন আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৫ জুন,বৃহস্পতিবার সকালে উপশহর বি ব্লক ১৮নং রোডের ৩নং বাসা বাহার মঞ্জিলের বাসার প্রাচীরের ভেতর থেকে ইফজাল আহমদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এমসি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্র হাফিজ ইফজাল আহমদ এর রহস্যজনক মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে এমসি কলেজে মানববন্ধন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার সকাল ১১টায় কলেজ ফটকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান সোসাইটির উদ্যোগে এই মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সকল শিক্ষার্থী ছাড়াও কলেজের অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীরাও এতে অংশ নেন। মানববন্ধনে ছাত্রলীগ, ছাত্র জমিয়ত, ছাত্র মজলিসসহ বিভিন্ন রাজৈনিতক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, অবিলম্বে হাফিজ ইফজাল আহমদের রহস্যঘেরা মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত করে মূল ঘটনা উন্মোচন করে দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় ছাত্রসমাজ কঠিন আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৫ জুন,বৃহস্পতিবার সকালে উপশহর বি ব্লক ১৮নং রোডের ৩নং বাসা বাহার মঞ্জিলের বাসার প্রাচীরের ভেতর থেকে ইফজাল আহমদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিজস্ব সংবাদঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) বড়লেখা উপজেলা শখার ব্যবস্থাপনায় ও যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী নিসচা বড়লেখা’র উপদেষ্টা কমিনিটি নেতা আলহাজ্ব মুক্তাদির হোসেন মিসবাহ এবং সমাজসেবক ও প্রবাসী কমিটির নেতা তোফায়েল আহমদের অর্থায়নে বৈদ্যুতিক পাখা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।
“হারুক গরম জিতুক মানবতা ফোটুক হাসি গরমার্ত মানুষের মুখে” স্লোগান কে সামনে রেখে শনিবার (২৭ জুন) বৈদ্যুতিক পাখা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। বড়লেখা সদর ইউনিয়নের হাটবন্দ গ্রামে ১টি পরিবারে ও ৫নং দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের মধ্যে গ্রামতলা গ্রামের ১ টি পরিবার’কে বৈদ্যুতিক পাখা দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। বৈদ্যুতিক পাখা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা সাংবাদিক সুলতান আহমদ খলিল, পৃষ্ঠপোষক শরফ উদ্দিন, আহ্বায়ক তাহমীদ ইশাদ রিপন, সদস্য সচিব আইনুল ইসলাম, কার্যকরী কমিটির সদস্য সিরাজুল ইসলাম শিরুল,আহমেদ নোমান,আলী আহমদ ও গ্রামতলা নাইট রাইডার্স ক্রিকেট ক্লাবের সভাপতি দুলাল আহমদ প্রমূখ।
নিরাপদ সড়ক চাই বড়লেখা উপজেলা শাখার উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী কমিটির নেতা আলহাজ্ব মুক্তাদির হোসেন মিসবাহ এবং সমাজসেবক ও প্রবাসী কমিটির নেতা তোফায়েল আহমদ জানান, অতিমাত্রার শীত যেমন অসহায় মানুষকে কষ্ট দেন তেমনি অতিমাত্রার গরমও মানুষকে পীড়া দেয়। কিন্তু সমাজের বিত্তবান, সামাজিক সহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ায়। কিন্তু গরমের সময় কেউ গরমার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ায় না। যেজন্য সমাজের অসহায় সুবিধা বঞ্চিত মানুষের কথা চিন্ত করে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। উনারা আরও বলেন, অসহায় মানুষের মাঝে বৈদ্যুতিক পাখা বিতরণ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক দ্বারকেশ চন্দ্র নাথের অবসরজনিত উপলক্ষে শিক্ষক পরিষদের পক্ষ থেকে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) বেলা দু’টায় শিক্ষক পরিষদ মিলনায়তনে বিদায়ী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ‘একজন আদর্শবান শিক্ষক, দক্ষ প্রশাসক ও ভালো মনের মানুষ ছিলেন বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক দ্বারকেশ চন্দ্র নাথ। তিনি এই কলেজের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। স্যার কলেজের ছাত্র-শিক্ষকদের বটবৃক্ষের মতো ছায়া দিয়েছিলেন। তাঁর কোন তুলনা হতে পারে না। তিনি সর্বোপরি পঞ্চখণ্ডের জ্ঞান চর্চার একজন সার্থক পুরুষ। বক্তারা স্যারের সু-স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।’
কলেজের উপাধ্যক্ষ মো. তারিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক এনামুল হক তালুকদার এর পরিচালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যক্ষ স্যারের সহধর্মিণী অর্চনা দেব নাথ, বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক হাবিবুর রহমান, দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. শহিদুল ইসলাম, ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মনসুর আলমগীর, অর্থনীতি বিভাগের সহায়তা অধ্যাপক ড. আবু ইউসুফ মো. শেরুজ্জামান, সুনামগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক অধ্যাপক ইকতেখার আলম, বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কথা সাহিত্যিক প্রশান্ত কুমার মৃধা, সাপ্তাহিক বিয়ানীবাজার বার্তা পত্রিকার সম্পাদক ছাদেক আহমদ আজাদ।
বিদায়ী বক্তব্যে অধ্যাপক দ্বারকেশ চন্দ্র নাথ বলেন, ‘বিয়ানীবাজার কলেজের সামগ্রিক উন্নয়নে এ জনপদের কৃতিসন্তান সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি’র অবদান অনস্বীকার্য। তিনি কলেজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় সহযোগিতা করায় শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রহিম, ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দিবাকর চন্দ্র পাল, দর্শন বিভাগের প্রভাষক ইশতিয়াক আহমদ, ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক উর্মি লাবণী চক্রবর্তী, শিক্ষক ফয়জুল ইসলাম, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের খণ্ডকালীন প্রভাষক আরবাব হোসেন খান, বাংলা বিভাগের খণ্ডকালীন প্রভাষক মো. জহির উদ্দিন, হাবিবুর রহমান, জুবায়ের আহমদ, জলঢুপ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সাধন কৃষ্ণ নাথ, সঞ্জয় কুমার নাথ, সাংবাদিক আহমদ রেজা চৌধুরী।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কলেজ শিক্ষক তৌহিদুল ইসলাম, গীতা পাঠ করেন সঞ্জয় দেব নাথ।
পাহাড় দুহিতা নদীগুলো উজানি ঢলে আগেই ছাপিয়ে গেছে। সিলেটের সবকটি নদীর দুকূল যখন ঢলের স্রোতে প্লাবিত ঠিক তখনই আষাঢ়ের আকাশ ভাঙ্গা বর্ষণ। ভরাট নদীর দুই তীরে এখন তাই প্লাবন ডেকেছে।
সুরমা, কুশিয়ারা, সারী, গোয়াইন, পিয়াইনসহ সবকটি নদীর পানি বিপদ সীমা ছাপিয়ে বইছে ক’দিন আগ থেকেই।
ফলে একটা বিপদসংকেত বয়ে বেড়াচ্ছে। একটা প্রবল বন্যার পদধ্বনিতে উদ্বেগাকুল কয়েকটি উপজেলার লাখো বাসিন্দা। হাজারো মানুষ পানিতে নিমজ্জিত। বন্দী আছেন শত শত পরিবার।
সিলেটের জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কোম্পানিগন্জের অধিকাংশ এলাকা এখন পানিতে নিমজ্জিত। জৈন্তাপুর সদরের বেশিরভাগ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে এলাকার বাসিন্দারা মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছেন।
জৈন্তাপুরের বেশিরভাগ এলাকা পানিতে টুইটুম্বর।নিম্নাঞ্চলে ঘর বাড়ি পানিতে সওলাব হয়ে পড়েছে। শত শত বাড়ি ঘরে এখন পানি।
গোয়াইনঘাট থেকে আবদুল মালিক জানান, এক মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয় দফা আকস্মিক বন্যায় উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে আছেন।হাজার খানেক কাঁচা ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। অনেকে বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছেন। তবে বেশিরভাগ মানুষ আশ্রয়হীন অবস্থায় আছেন।
এমনিতেই করোনা পরিস্থিতিতে আয় রোজগারবিহীন গরীব এই উপজেলার বেশিরভাগ মানুষ এখন চরম সংকটাপন্ন পরিস্থিতিতে কোনোমতে বেঁচে আছেন। বন্যা তাদের জীবনে এখন মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দেখা দিয়েছে।
এদিকে বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে উপজেলার রাস্তাঘাট। গোয়াইন সারী সড়ক ডুবে যাওয়ায় উপজেলার অভ্যন্তরীণ ও জেলার সাথে যোগাযোগ ভেঙে পড়েছে।
বালু পরিবহনকারী বলগেট নৌকার ধাক্কায় গোয়াইনঘাটের গোয়াইন সেতুর সিকিউরিটি পোস্ট হেলে পড়েছে। ফলে ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সেতু এখন কিছুটা ঝুঁকিতে রয়েছে। দ্রুত মেরামত না করলে সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
ইউএনও নাজমুস সাকিব বলেন, বলগেটের ধাক্কা এবং স্রোতের তোড়ে এমন হয়েছে। শনিবার বিশেষজ্ঞ দল আসবে। থানার অফিসার ইনচার্য আবদুল আহাদ বলেন, একটি বলগেট(জাহাজ) আটক করা হয়েছে।
ইউএনও জানিয়েছেন, ৩৫০টি ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে।প্রায় ১৩ হজার লোক পানি বন্দী রয়েছেন। বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। এখনও আশ্রয়কেদ্রে কেউ আসেনি।
দ্রুত গতিতে বাড়ছে পানি। প্রবল বর্ষণ আর ঝড় অব্যাহত রয়েছে।রাত বাড়লে অবস্হা আরো ভয়ানক হতে পারে।কবলিত এলাকায় তাৎক্ষনিক উদ্ধার করে নিরাপদে আনার তেমন কোন প্রস্তুতিও সংশ্লিষ্টদের নেই।
বন্যার কারণে লকডাউনে এখন ঘরে বন্দী লাখো মানুষ। গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুরের হাজার হাজার বাড়িঘর ও রাস্তাঘাট পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়ায় তারা লকডাউনে আছেন বাধ্য হয়ে।
এই এলাকার বেশিরভাগ মানুষ পাথর কোয়ারীতে অথবা বালু তোলার শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। আবহাওয়া বিভাগের একটি সূত্র জানিয়েছে, আরো কয়েক দিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।
সুরমা, কুশিয়ারা, সারীসহ জেলার অধিকাংশ নদ নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে পড়ায় বৃষ্টি অথবা ঢলের পানি ধারণ ক্ষমতা কমেছে অনেক। তাছাড়া হাওর বাওরও পলিতে ভরে গেছে। ফলে বানের পানি সহজেই এসব জনপদ প্লাবিত করে ক্ষয়ক্ষতি বাড়িয়ে দেয়।
মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ বিয়ানীবাজার পৌরসভার ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে।রোববার (২৮ জুন) বিকাল ৩ ঘটিকায় পৌরসভা মিলনায়তনে ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ৪৭ কোটি ৪৯ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকার বাজেট ঘোষণা করেন মেয়র মোঃ আব্দুস শুকুর।
যা চলতি অর্থবছরের (২০১৯-২০) চেয়ে ৫৩ লক্ষ ৫১ হাজার টাকা বেশি। পৌরসভার প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৭ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা। রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি টাকা এবং রাজস্ব ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি ৮ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা। ২০২০-২১ অর্থবছরে উন্নয়ন আয় ধরা হয়েছে ৪৩ কোটি ৩৪ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা এবং উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৩ কোটি ৩০ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা। এবং সার্বিক উদ্ধৃত ধরা হয়েছে ২৬ লক্ষ ৭৮ হাজার টাকা।পৌরসভার মেয়র মোঃ আব্দুস শুকুরের সভাপতিত্বে উন্মুক্ত বাজেট অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন প্যানেল মেয়র-১ সাইফুল আলম জুনু, প্যানেল মেয়র-২ নাজিম উদ্দিন, কাউন্সিলর মিসবাহ উদ্দিন ও আবদুল কাইয়ুম।
এতে উপস্থিত ছিলেন বিয়ানীবাজারের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধি, পৌরসভার কাউন্সিলর বৃন্দ।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা প্রশাসনের আয়োজনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে গৃহীত “বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা (পার্বত্য চট্রগ্রাম ব্যতীত) ” শীর্ষক কর্মসূচির চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের আওতায় অধ্যায়নরত ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে সংযুক্ত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী বড়লেখা -জুড়ী আসনের সাংসদ মোঃ শাহাব উদ্দিন।
আজ ২৬ জুন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শামীম আল ইমরান এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ বড়লেখার চেয়ারম্যান সোয়েব আহমেদ।
উপজেলা পরিষদ হলরুমে স্বাস্থ্য বিধি মেনে উক্ত অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ ২৫৪ জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা বৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন।
বড়লেখা নিউজঃ মৌলভীবাজারের জুড়ী-ফুলতলা সড়কের রত্না চা-বাগানের বাজারের পাশে ফুলতলা থেকে জুড়ী গামী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের জমিতে উল্টে পড়ে যায়। এতে ২০ জন যাত্রী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে ফুলতলা থেকে ছেড়ে যাওয়া বাসটি (নম্বর মৌলভীবাজার- চ ০০১৫০৫) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের জমিতে উল্টে পড়ে যায়।
ঘটনাস্থলে অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। আহত যাত্রীদেরকে চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতালের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
বিশ্বাথ প্রতিনিধি ঃ সিলেটের বিশ্বনাথে পল্লিবিদ্যুৎ সমিতি করোনা পরিস্তিতির কারণ দেখিয়ে মিটার রিডিং না দেখেই গ্রাহকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। সরকারের অগ্রাধিকার উদ্যোগ বাস্তবায়নের অন্যতম প্রধান খাত হিসেবে দেশব্যাপী বিদ্যুৎ খাতের উত্তরণ এখন দৃশ্যত। তারপরেও নানা অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও স্বেচ্ছাচারিতার গ্যাড়াকলে গ্রাহক ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতি এ যেন নিত্য সঙ্গী হয়ে আছে বিশ্বনাথ উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির হাজার -হাজার গ্রাহকের।
পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকরা কয়েক মাসের অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল হাতে পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, প্রকৃত সত্যকে আড়াল করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে থেকে মনগড়া ভৌতিক বিলের খড়গ চাপিয়ে নানামুখী ভোগান্তিসহ গ্রাহকের পকেট কেটে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।
স্থানীয়রা জানায়, গত কয়েক মাস উপজেলার কোনো বাড়িতেই পল্লী বিদ্যুতের কোনো মিটার রিডার আসেননি রিডিং নিতে। করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে না আসার সুযোগ নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ তাদের মনগড়াভাবে অসংখ্য গ্রাহকের বিল তৈরি করেছেন।
বিগত কয়েক মাসে মিটারে রিডিং কম থাকলেও বিলের কাগজে তা বেশি লিখে গ্রাহকদের হাতে বিল ধরিয়ে দেয়া হয়েছে বলে গ্রাহকদের অভিযোগ।
এ যেন গোদের ওপর বিষফোঁড়া, একদিকে করোনা সংকট মোকাবিলায় সরকার ঘোষিত লকডাউন বা সাধারণ ছুটিতে কর্মহীন ঘরবন্দি মানুষের আর্থিক ও খাদ্য সংকটে জীবন-জীবিকা নাভিশ্বাস। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ বিলে বিলম্ব মাসুল মওকুফসহ গ্রাহকদের ভোগান্তি কমাতে সরকারি নির্দেশনাকেও মানছেন না। গড়বিলের কথা বলে দ্বিগুণ বা তিনগুন বেশি ভৌতিক বিলের বোঝা গ্রাহকের ঘাড়ে চাপিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কর্তৃপক্ষ।
কয়েছ আহমেদ একজন গ্রাহক বলেন, আমার আগে প্রতি মাসে বিদ্যুৎ বিল আসত ৭শ’ থেকে ৮শ’ টাকা। অথচ এবার তা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে বিল এসেছে ১৫০০ হাজার ২০০০টাকা। এটি ভূতুড়ে বিল ছাড়া কিছুই নয়।
উপজেলার সদরের বাসিন্দা কাউছার আহমেদ নামে একজন বলেন, সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী আমি মার্চ ও এপ্রিল মাসের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করিনি। আমাদের জানা ছিল পূর্বের দুই মাসে বিল জুন মাসে গ্রহণ করা হবে এবং এতে কোন অতিরিক্ত চার্জ বা জরিমানা করা হবে না। তবে মে মাসের বিলে পূর্বের দুই মাসে বিল সমন্বয় করা হয়েছে এবং সেখানে দেখা যায় পূর্বের দুই মাসের বিলের উপরে ৫% হারে অতিরিক্ত অর্থ যোগ করা হয়েছে- যা ভ্যাট উল্লেখ করা আছে। এছাড়াও মার্চ ও এপ্রিল এবং মে-জুন মাসের বিল বা অনান্য সময়ের বিলের দ্বিগুন বিল এসেছে মে -জুন মাসে। যদিও আমার ব্যবহারের পরিমাণ একই ছিল।
জানতে চাইলে বিশ্বনাথ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) সামিউল কবির বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে এবার এমনটা হয়েছে। আমাদের মিটার রিডারে যারা কাজ করেন তারা বাইরে বের হতে পারেননি। তাই মার্চ বা এপ্রিল মাসের বিদ্যুৎ বিল গত বছরের একই সময়ের বিল বা বর্তমান মাসের বিদ্যুৎ ক্রয়েরভিত্তিতে গড় বিল প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে মে -জুন মাসে সব সমন্বয় করা হয়েছে। এরপর থেকে বিল স্বাভাবিক আসবে। এর পরেও যদি কোন অসঙ্গতি থাকে, তাহলে অফিসে আসলে সমাধান করে দেওয়া হবে না হয় পরবর্তী মাসে তা সমন্বয় করে দেয়া হবে।
বিয়ানীবাজারে নতুন করে উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তার দেড় বছর বয়সী ছে’লেসহ ৬ জনের শরীরে করো’নাভাই’রাস শনাক্ত হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) রাতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে তাদের করো’না শনাক্ত হয়। বিয়ানীবাজার উপজে’লা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মক’র্তা ডাঃ মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ডাঃ মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরী জানান, নতুন পজেটিভ শনাক্ত হওয়াদের নমুনা সংগ্রহ করে গত ১৭ জুন সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হয় এবং আজ সোমবার রাতে তাদের রিপোর্ট পজেটিভ আসে।
নতুন আ’ক্রান্তরা হচ্ছেন- উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তা (ইউএনও) মৌসুমী মাহবুবের দেড় বছর বয়সী শি’শু পুত্র আরাব, ইউএনও’র বাসার কর্মচারী আব্দুল্লাহ আল মামুন (৩৫) ও রিনা বেগম (৩৫), বিয়ানীবাজার উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যকর্মী সঞ্জয় বিশ্বা’স (৩৬), পৌরশহরতলী ফতেহপুরের আলী হোসেন (২৭) ও আলীনগর ইউনিয়নের নিজ মোহাম্ম’দপুর গ্রামের জয়নাল আবেদীন (৪৩)।
বিশেষ প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড সিলেট জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) ১২টায় সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের নেতৃবৃন্দরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড এর সভাপতি মোহাম্মদ সালাউদ্দিন পারভেজ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তোফায়েল আহমদ রাজু,ক্রিরায় বিষয়ক সম্পাদক মহিউদ্দিন রাসেল, যুদ্ধাহত ও শহীদ পরিবার বিষয়ক সম্পাদক আফসাল আহমদ লিপু প্রমুখ।
নিউজ ডেস্কঃ এ যেন সিনেমার দৃশ্য। প্রেমিকার জন্য উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুতের উঁচু টাওয়ারে উঠে পড়লেন প্রেমিক ! তারপর থেকে উচ্চস্বরে বলতে থাকেন– প্রেমিকার সঙ্গে তার বিয়ে না হলে আত্মহত্যা করবেন। এক কান দুই কান করে মধ্যরাতে জড়ো হতে থাকেন এলাকাবাসী।
খবর যায় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকর্মীদের কানেও। অবশেষে টান টান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে তার প্রেমিকার সঙ্গে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে নানা কৌশলে আদমজী বিহারি ক্যাম্পের বিপ্লব নামের ওই প্রেমিককে আড়াই ঘন্টা পর নামানো হয় ওই টাওয়ার থেকে।
জানা যায়, প্রেমিকার সঙ্গে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় বাবা-মায়ের সঙ্গে অভিমান করে আত্মহত্যা করতে বিদ্যুতের উঁচু টাওয়ারের ৬৫ থেকে ৭০ ফুট ওপরে উঠে ওই প্রেমিক। পরে প্রেমিকার সঙ্গে বিয়ে দেয়ার শর্তে প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর বিপ্লব নামে ওই যুবককে অক্ষত অবস্থায় নিচে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ।
এ সময় উপস্থিত জনতার চোখেমুখে আতঙ্ক বিরাজ করছিল। সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ৬নং ওয়ার্ডের সুমিলপাড়া এলাকায় শনিবার মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানাযায়, ১৭০ ফুট উঁচু এবং ১ লাখ ৩২ হাজার ভোল্টের বিদ্যুতের কেবল পরিবাহী ওই টাওয়ারের অনেক উঁচুতে উঠে অবস্থান নেন নারায়ণগঞ্জ সিটির ৬নং ওয়ার্ডস্থ আদমজী বিহারী ক্যাম্পের বাসিন্দা বিপ্লব নামে এক যুবক।
পাশেই দড়ি বেঁধে ফাঁসি দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন তিনি। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা, পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের অনেক অনুরোধেও নিচে নামতে রাজি হচ্ছিলেন না বিপ্লব।
অনেক চেষ্টার পর শর্ত মানায় প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিহারী ক্যাম্পের গুলু মেম্বারের কথায় কিছুটা নিচে নেমে এলে আশেপাশের লোকজনের চিৎকার শুরু করে। তাকে নিচে নামিয়ে আনতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের এগিয়ে যেতে দেখে বিপ্লব ফের ওপরের দিকে উঠতে থাকে।
এর কিছুক্ষণ পর তার ভাইয়ের মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিসের হ্যান্ড মাইকে কথা বলতে পুনরায় কিছুটা নিচে নেমে এলে অপর প্রান্ত দিয়ে স্থানীয় দুজন ওপরে উঠে তাকে ধরে ফেলে। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তার ওপরে উঠে তাকে অক্ষত নিচে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়।
বিপ্লবের বাবা বলেন, ‘ছেলে মাদকাসক্ত। প্রায়ই মাদকের টাকার জন্য ঘরে হুমকি-ধমকি দেয়।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ৪ বছরের এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গত ২০ জুন রাতে একজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
অভিযুক্ত শিশুটির চাচাত ভাই গ্রেফতারকৃত জাবেদ আহমদ (১৬) উপজেলার দক্ষিনভাগ দক্ষিন ইউনিয়নের কাসেমনগর গ্রামের আমীর হোসেনের পুত্র।
এই ধর্ষনের ঘটনাটি বৃহস্পতিবার সন্ধার দিকে উপজেলার দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউনিয়নের কাসেমনগর গ্রামে ঘটে। পরে ধর্ষনের শিকার শিশুটিকে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
এলাকাবাসী পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ধর্ষনের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত জাবেদ আহমদ ভিকটিমের চাচাত ভাই হওয়ার সুবাদে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে শিশুটিকে তার বাড়িতে ডেকে নেয়। পরে হঠাৎ কান্নার শব্দ পেয়ে মেয়েটির মা তাদের বাড়ীতে গিয়ে মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় পান। পরে পরিবারের লোকজন মেয়েটিকে নিয়ে প্রথমে আজিজ মেডিকেলে এবং সেখান থেকে বড়লেখা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিকি চিকিৎসার দেয়া হয়। পরে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে প্রেরণ করা হয়েছে।
ঘটনায় অভিযুক্ত চাচাতো ভাই জাবেদ আহমদ (১৬) কে আসামী করে থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ শনিবার রাতেই জাবেদ আহমদ (১৬) কে গ্রেফতার করেছে।
এ ঘটনায় বড়লেখা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. ইয়াছিনুল হক আসামীকে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ।
প্রবাস ডেস্কঃ সৌদি আরবের রিয়াদে ১০ জন বাংলাদেশী নাগরিক ও ১ জন ভারতীয় নাগরিক সহ মোট ১১ জন সিম জালিয়াতি চক্রের সদস্যকে গ্রেফতার করেছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ২০ জুন, শনিবারে এই গ্রেফতারের ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, অনেকদিন ধরেই সিমকার্ড জালিয়াতি করে আসছিলো এই চক্রটি। তারা অন্য মানুষের আইডি দিয়ে সিমকার্ড ভেরিফাই করে তারপর সেগুলো বিভিন্ন অসাধু উপায়ে সাধারন মানুষজনের কাছে বিক্রি করতো। সাধারন মানুষজন নিজের তথ্য ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে সিমকার্ড কেনার পর তাদের এই তথ্য কপি করে আরো অসংখ্য সিম তার নামে ভেরিফাই করা হতো। এসকল সিমকার্ড দিয়ে কোন অসাধু কার্যকলাপ করা হলে সেক্ষেত্রে অপরাধীকে সিম দিয়ে খুজে বের করার উপায় থাকতো না।
পূর্ববর্তী অসংখ্য অভিযোগের পড়ে তদন্ত করে রিয়াদে এই চক্রের কাজের স্থানে অভিযান চালিয়ে চক্রের ১১ জন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। এদের মধ্যে ১০ জন বাংলাদেশী নাগরিক, এবং ১ জন ভারতীয় নাগরিক।
অভিযান চালানোর পড়ে অভিযান স্থল থেকে বিপুল পরিমান সৌদি নাগরিকদের আইডি কার্ড ছবি ও কপি, বেশকিছু প্রবাসীদের ইকামার ছবি, এবং নকল প্রায় ১৬ হাজার সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়।
নিউজ ডেস্কঃ আগামীকাল ২১ জুন, রবিবার থেকে সকল প্রকার কারফিউ তুলে নেয়া হচ্ছে সৌদি আরবে! এরফলে সকল প্রকার লকডাউন এর বিধিনিষেধ উঠিয়ে নেয়া হবে, ফলে পূর্বের মতোই স্বাভাবিক হবে জীবনযাত্রা!
অবশেষে কয়েকমাস চলার পড়ে সৌদি আরবে আগামীকাল থেকে সকল প্রকার কারফিউ তুলে নেয়া হচ্ছে। ইতিপূর্বে বিগত রমজান মাসে বেশকিছু নিয়ম কানুন ও নিষেধাজ্ঞা বহাল করে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য দোকানপাট ও শপিং মল খুলে দেয়া হয়েছিলো, কিন্তু রমজান শেষ হবার পূর্বেই পুনরায় কারফিউ জারি করা হয়। অবশেষে দীর্ঘ কয়েক মাস পড়ে আগামীকাল রবিবার, ২১ জুন থেকে সৌদি আরবে সম্পূর্ণরূপে কারফিউ তুলে দেয়া হচ্ছে।
কারফিউ তুলে নেয়া হলেও পরবর্তী ঘোষণা পর্যন্ত ওমরাহ হজ বন্ধ থাকবে। সৌদি আরবে ইতিমধ্যে ডোমেস্টিক ফ্লাইট চালু হলেও বাইরের কোন দেশের সাথে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হচ্ছে না। সকল প্রকার আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরবর্তী ঘোষণা আসা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
এছাড়াও সৌদি আরবের সাথে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর স্থলপথ এবং সমুদ্রপথ পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
সৌদি আরবে দিনে দিনে বাড়ছেই করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা, এর মাঝেই চলমান কারফিউ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কারফিউ তুলে নেয়ার ফলে আগের মতোই সচল হয়ে উঠবে জনজীবন।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় নতুন করে আরও দুইজন করোনা আক্রান্ত পুরুষ রোগী শনাক্ত হয়েছে। নতুন শনাক্ত দুইজনের একজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফার্মাসিস্ট (৩২) এবং অপরজন একটি ওষুধ কোম্পানীর বিক্রয় প্রতিনিধি (৩২)। তাদের একজনের বাড়ি পৌরসভার হাটবন্দ এলাকায় এবং অপরজনের বাড়ি পাখিয়ালা এলাকায়। শনিবার (২০জুন) উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদ্বীপ বিশ্বাস এ তথ্য জানিয়েছেন।
এ বিষযে জানা যায়,গত ২৫ এপ্রিল বড়লেখার কাসেমনগর এলাকায় প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। সে হিসেবে সংক্রামনের এখন মোট করোনা শনাক্ত রোগির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫জনে। তাদের মধ্যে ৭জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
নতুন শনাক্ত দুজনের নমুনা ১৭ জুন পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। শনিবার তাদের রিপোর্টে করোনা পজিটিভ আসে। আক্রান্ত দুজনেই নিজ বাড়িতে হোম আইসোলেশনে রয়েছেন। তাদের শরীরের করোনার উপসর্গ নেই।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদ্বীপ বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করে শনিবার বিকাল বেলা , তাদের দু’জনের মধ্যে করোনার উপসর্গ জ্বর-কাশি ছিল। ১৭ জুন তাদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়। তারা দু’জনেই সুস্থ আছেন। তাদের বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।
ইবাদুর রহমান জাকিরঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গোয়ালী বিহাইডহর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন প্রতিষ্টানের ভূমি দাতা সদস্য বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান।তিনি এ অঞ্চলের শিক্ষা বিস্তারে প্রায় ৩ যুগেরও অধিক সময় থেকে ব্যাপক ভুমিকা পালন করে আসছেন। শাহবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের টানা ৬ বারের নির্বাচিত প্রতিনিধি সহ স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় শিক্ষা বিস্তারে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ শিক্ষা অর্জনকারী জনাব খান এ অঞ্চলের মানুষের কাছে একটি জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে ইতিমধ্যে আত্বপ্রকাশ করেছেন।তিনি রাজনীতি ও শিক্ষা সংগঠকের পাশাপাশি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ গার্লস কলেজে দীর্ঘ ২২ বৎসর থেকে অধ্যাপনা করে আসছেন।
দু’দিন ধরেই জ্বরে ভুগছিলেন সংসদ সদস্য মাশরাফি। তার উপসর্গ ছিল গা ও মাথা ব্যথা। এ জন্য শুক্রবার (১৯ জুন) পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন তিনি।
ফলাফল পজিটিভ এলেও আপাতত জ্বর ও গা ব্যথা ছাড়া অন্য কোনো সমস্যা নেই মাশরাফির। বর্তমানে নিজের বাসাতেই আইসোলেশনে আছেন তিনি।
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকেই বেশ সক্রিয় ছিলেন মাশরাফি। তিনি তার নির্বাচনী এলাকা নড়াইল-২ আসনে দুস্থ-অসহায়দের পাশে অর্থ সহায়তা থেকে শুরু করে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে মাশরাফির শ্বাশুড়ি ও স্ত্রীর বোন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন তারা। ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’ অবশ্য তাদের সংস্পর্শে আসেননি। এমনকি দুই সপ্তাহ ধরে ঢাকার একটি বাসায় কোয়ারেন্টিনে ছিলেন তিনি। কিন্তু তাতেও করোনায় আক্রান্ত হওয়া থেকে রক্ষা পেলেন না ৩৬ বছর বয়সী পেসার।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার চান্দগ্রামের কৃতি সন্তান সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের এসোসিয়েট প্রফেসর ডাক্তার হোসাইন আহমেদ কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছেন।
করোনা ভাইরাস উপসর্গ পজিটিভ সনাক্ত হলে আজ দুপুরে তাঁকে সিলেট মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজন মানবিক ও গরিবের ডাক্তার হিসেবে তাঁর সমধিক পরিচিত রয়েছে। তিনি গরীব অসহায় রোগীকে ফ্রী চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। বিশেষত এলাকার যেকোনো মানুষকে প্রায় বিনামূল্যে চিকিৎসার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন এ তরুণ উদীয়মান সমাজকর্মী।
তিনি আক্রান্তের খবরে ব্যতীত হৃদয়ে ব্যক্তি ও সামাজিক অঙ্গনে দোয়া চাওয়া হচ্ছে। তাঁর পরিবার বড়লেখাবাসীসহ সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।
এ মানবতাবাদী সকলের প্রিয় ডাক্তার হোসাইন আহমদকে দ্রুত শিফা দানে কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা দয়াময়ের তরে।
“ছাত্রদের প্রধান কাজ হচ্ছে পড়াশুনা করে নিজেকে ভবিষ্যতের উপযোগী নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলা। আর অবসর সময়ে ছাত্র রাজনীতি সহ সৃজনশীল কর্মকান্ডের মাধ্যমে নিজের নেতৃত্বের বিকাশ ঘঠানো।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে মেধাবী ছাত্র সমাজকে নিয়ে নৌবিহারে গমন সহ নানা ভাবে উৎসাহিত করে একটি মেধা নির্ভর নেতৃত্ব সৃষ্টির জন্য জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল গঠন করেন।তাই পড়াশুনার পাশাপাশি অবসর সময়ে ছাত্র রাজনীতি করতে চাইলে ছাত্রদেরকে ছাত্রদলের পতাকাতলে সমবেত হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।
“আজ উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের উদ্দোগে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের এক সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য ও বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান এসব বলেন। ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সি. যুগ্ম আহবায়ক শাহীন আহমদের সভাপতিত্বে ও ছাত্রনেতা তারেক মুন্নার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দিন জমির,সাধারন সম্পাদক মখলিছুর রহমান,যুগ্ম সম্পাদক তোয়াহিদুর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদির প্রমূখ। সভায় বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাক তাপাদার কানন,ইউনিয়ন যুবদল নেতা আলিম উদ্দিন,আদনান ওয়াহিদ মিশু,উপজেলা ছাত্রদল নেতা জুনেদ আহমদ,ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা মাজহারুল ইসলাম, আতিকুর রহমান সহ নেতৃবৃন্দ।সভায় এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ক্রেস্ট প্রদান ও মিষ্ঠি মুখ করানো হয়।
মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ দেশরত্ন শেখ হাসিনা ঘোষিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ভাই ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল ভাইয়ের নির্দেশে সুনামগঞ্জ জেলা যুবলীগের সংগ্রামী আহবায়ক সদর উপজেলার জননন্দিত চেয়ারম্যান প্রিয় নেতা প্রিয় ভাই খায়রুল হুদা চপল ভাইয়ের আহ্বানে ছাতক উপজেলা যুবলীগ নেতৃবৃন্দ.বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন ।প্রায় ৬৫০ ফলজ বনজ ঔষধি চারাগাছ উপজেলা থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে রোপন করা হয় । ছাতক উপজেলা যুবলীগের জসীম উদ্দিন এর সভাপতিত্বে সকল কার্য পরিচালনায় ছিলেন মাহবুবুর রহমান রুয়েল,সুনুর হাসান,আশরাফ উদ্দিন,ফয়জুল ইসলাম ফজল,উপস্থিত ছিলেন গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি কলেজ অনার্স ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাওছার আহমদ ভাই ।নুরুজ্জামান মনি সহ যুবলীগের নেতৃবৃন্দ ।
গাছ লাগাই জীবন বাঁচাই।এই হউক আমাদের দীপ্ত অঙ্গীকার ।
মৌলভীবাজারের বড়লেখাসহ জেলায় করোনা ভাইরাসে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ জন। এর মধ্যে বড়লেখা পৌরসভার একই পরিবারভুক্ত ২ তরুণী রয়েছেন। ক্রমে ক্রমে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এ পর্যন্ত বড়লেখার সংখ্যা দাঁড়ালো ২৩ জনে।
এছাড়াও আজ নতুন করে জুড়ী উপজেলায় ৪ জন, মৌলভীবাজারে ৬ জন, শ্রীমঙ্গলে ১জন এবং কমলগঞ্জের ১ জন আক্রান্ত হয়েছেন বলে মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন অফিস সুত্রে জানা গেছে।
বড়লেখা পৌরসভার একই পরিবারের দুবোন হলেন ১ নং ওয়ার্ড বরাইগ্রাম এর বাসিন্দা।
নতুন ১৪ জন সহ মৌলভীবাজার জেলায় মোট করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩১ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৭৬ জন।
নিজস্ব সংবাদঃ গত ৮ জুন উপজেলা প্রশাসন,বড়লেখার ফেসবুক পেজে মেসেজের মাধ্যমে বড়লেখা উপজেলার একজন কৃষি উপকরণের জন্য সহযোগিতা চান।উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বড়লেখা মোঃ শামীম আল ইমরান সাথে সাথে উনার সাথে কথা বলে বিস্তারিত খোজ নেন।পরিবারের প্রবাসে থাকা সদস্য টাকা পাঠাতে না পারার কারনে তারা তাদের ৪ কিয়ার(১২০ শতক) জমিতে চাষাবাদ করতে ইচ্ছুক। উপজেলা নির্বাহী অফিসার,বড়লেখা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে অনুরোধ করলে একজন ইউনিয়ন উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে উনার জমিতে পাঠানো হয়।উক্ত কর্মকর্তা উনাকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন। আজ সেই ব্যক্তিকে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সার ও বীজ প্রদান করা হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক করোনা সংকটের এই সময়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত এর লক্ষ্যে কৃষির উপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি অফিস। প্রিয় বড়লেখাবাসী, আপনার আশেপাশের জায়গা খালি না রেখে চাষাবাদ করুন।আপনাদের সর্বাত্মক সহযোগিতার জন্যে আমরা প্রস্তুত।
করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ ঠেকাতে দেশে আক্রান্তের অবস্থা বিবেচনায় রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত অঞ্চলকে রেড জোন আখ্যা দেওয়া হচ্ছে। বাকিগুলোকে ইয়েলো ও গ্রিনজোনে ভাগ করা হচ্ছে। অবশ্য এখনো মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলা রেড জোনের আওতা মুক্ত রয়েছে।
চলমান প্রেক্ষাপটে পর্যটন ও প্রবাসী অধ্যুষিত মৌলভীবাজার জেলার কোন এলাকা কোন জোনে পড়েছে- এ নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহের শেষ নাই।
মৌলভীবাজারের সংক্রমণ হার বিবেচেনা করে দেখা গেছে অধিকাংশ এলাকাই পড়েছে ইয়েলো ও গ্রিনজোনে। তবে কিছু অংশ পড়েছে রেড জোনে।
রেড জোনে যে যে এলাকা- মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে- শ্রীমঙ্গল পৌরসভা এবং সদর ইউনিয়নের কিছু অংশ রেড জোনে পড়েছে। এছাড়া কুলাউড়া পৌরসভা এবং পৌর শহর সংলগ্ন কিছু এলাকা রেড জোনে পড়েছে।
জানা যায়- শ্রীমঙ্গলের কালিঘাট রোড, মিশন রোড, রুপসপুর, সবুজভাগ, মুসলিমবাগ, লালবাগ এবং বিরাইমপুর, কুলাউড়ার মাগুরা-মনসুর, নন্দনগর রেড জোনে পড়েছে। জেলার বাকি সব এলাকা ইয়েলো এবং গ্রিনজোনে পড়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সিভিল সার্জন ডা. তওহীদ আহমদ বলেন- সংক্রমণের হার বিশ্লেষণ করে মৌলভীবাজারের প্রত্যেক উপজেলা ও ইউনিয়নের রেড, গ্রিন ও ইয়েলো জোনে ভাগ করা হয়েছে। আজ ১৫ জুন সোমবার মন্ত্রণালয়ে সেটা প্রেরণ করা হয়েছে। যা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের মাধ্যমে সমন্বয় করে বাস্তবায়ন করা হবে।
যেভাবে জোন ভাগ হয়- সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো এলাকায় ১ লাখের মধ্যে ১০ জন করোনা আক্রান্ত হলে রেড জোন। ৩ থেকে ৯.৯ শতাংশ আক্রান্ত হলে ইয়েলো জোন। আর ০ থেকে ২.৯ শতাংশ আক্রান্ত হলে গ্রিন জোন।
জানা গেছে, রেড জোন চিহ্নিত এলাকায় পুরো লকডাউন করে দেওয়া হবে। এ জোনের কেউ বাইরে যেতে বা বাইরে থেকে কেউ এ জোনের ভেতরে যেতে পারবে না। এ জোনের দোকানপাট, বিপণিবিতান, সরকারি-বেসরকারি কার্যালয় সব বন্ধ থাকবে। এমনকি এ জোনে ঘরে বসে নামাজ আদায় করতে নির্দেশনা দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
এ ব্যাপারে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ বলেন- সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা জোন ভিত্তিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
মৌলভীবাজার জেলায় এ পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৯১
জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৯১ জন, সুস্থ হয়েছে ৬৯ জন, মারা গেছেন ৪ জন। তবে ৬ শতাধিক রিপোর্ট এখনো অপেক্ষমান রয়েছে।
সিভিল সার্জন ডা. তওহীদ আহমদ বলেন, অন্য জেলার তুলনায় মৌলভীবাজারে আক্রান্তের হার এখনো কম। যে কারণে জেলার অধিকাংশ এলাকা পড়েছে ইয়েলো ও গ্রিন জোনে। তিনি বলেন- করোন সংক্রমণ ঠেকাতে মানুষকে সচেতন হতেই হবে। এর কোন বিকল্প নেই। আগামী ২ মাস আমাদের জন্য বিপদজনক হতে পারে। সাবধানতাই এ বিপদ উত্তরণের সম্বল। সংশ্লিষ্ট সকলকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথ পালন এবং সকলের কল্যাণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা সময়ের দাবি।
জুড়ি উপজেলার উত্তর জাঙ্গীরাই ইসলামী সমাজকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে আজ (১৫জুন২০) এস.এস.সি/দাখিল ও জে.ডি.সি/জে.এস.সি পরিক্ষায় উত্তীর্ণদেরকে নিয়ে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্মামনা স্বারক প্রদান করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জুড়ী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ খলিলুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মক্তদীর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব ইসহাক আলী সাহেব।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফজলুল হক মাষ্টার, পরিষদের উপদেষ্টা হাজী রুহুল আমীন, ইয়াছিন আলী রনি,আব্দুল মন্নান, মুসলেহ উদ্দীন,প্রবাসী মইব আলী, প্রবাসী আনোয়ার হোসেন,ইসমাইল আলী, সহ সভাপতি হাবিবুর রহমান, সেক্রেটারী শহীদুল্লাহ কাওসার মহি উদ্দীন, শরীফ, রাহাত, রিয়াজুল, ফাহিম, নাঈম, নজর, প্রমুখ।
বড়লেখা ডেস্কঃ করোনা ভাইরাসের তান্ডবে যখন পুরো বিশ্বই বিদ্ধস্ত। এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চিকিৎসক ও বিজ্ঞানীরা যখন করোনার প্রতিষেধক আবিস্কারের কাজে ব্যস্ত। ঠিক তখনই করোনা ভাইরাস নিয়ে বড় একটি সুখবর দিয়েছে সৌদি আরব। মদিনার তাইবাহ ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক দাবি করেছেন হাদিস অনুসারে কালোজিরা ব্যবহার করে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের সম্পূর্ণ সুস্থ করা সম্ভব।
তাদের গবেষণাপত্রটি সম্প্রতি মার্কিন জার্নাল ‘পাবলিক হেলথ রিসার্চ-এ প্রকাশিত হয়েছে বলে জানিয়েছে মুসলিম ইঙ্ক নামে একটি সাময়িকী।
এর প্রতিবেদনে বলা হয়- হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কালোজিরা হলো সর্বরোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার ওষুধ। শুধু বিষ ছাড়া। আয়েশা (রা.) জিজ্ঞেস করেন, বিষ কী? রাসূল (সা.) বলেছেন, মৃত্যু। (সহীহ বুখারি-৫৩৬৩)
গবেষকরা জানিয়েছেন, করোনা আক্রান্ত রোগীকে দুই গ্রাম কালোজিরা, এক গ্রাম চামেলি ফুল, এক চামচ মধু একসঙ্গে ভালো ভাবে মিশিয়ে খাওয়াতে হবে। এটি খাওয়ার পর জুস কিংবা একটি কমলা খেতে দেয়া যেতে পারে। তবে লেবু খেলে বেশি ভালো। করোনামুক্ত না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন এভাবে খেতে হবে।
সৌদির গবেষক দলটি বলছে, রোগীর করোনা শনাক্ত হওয়ার প্রথম সপ্তাহে দিনে পাঁচবার উপরোক্ত নিয়ম অনুসারে কালোজিরা খাও- য়াতে হবে। আর সুস্থ হয়ে ওঠার পর মহামারি শেষ না হওয়া পর্যন্ত দিনে একবার করে খেতে হবে সেগুলো।রোগীর কাশি বেশি এবং শ্বাসকষ্ট হলে কালোজিরা ও লবঙ্গ মেশানো পানি গরম করে নাক দিয়ে বাষ্প টেনে নেয়া যেতে পারে।
কালোজিরা-চামেলিও পানিতে গরম করে বাষ্প নাক দিয়ে টানতে পারেন।গবেষকরা বলছেন,অক্সিজেনের অভাব হলে এক চামচ কালোজিরা, এক চামচ চামেলি এবং এক কাপ পানি একটি পাত্রে নিয়ে হালকা গরম করতে হবে। এভাবে দিনে পাঁচ থেকে ছয়বার পানি গরম করে বাষ্প নাক দিয়ে টেনে নিতে হবে।মদীনার গবেষক দলটির সদস্য ডা. সালেহ মুহাম্মদ বলেন, আল্লাহর রহমতে যেসব করোনা রোগীদের এই পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে, তাদের সবাই সেরে উঠছেন। এই পদ্ধতিতে রোগীদের সেরে উঠতে এক সপ্তাহের বেশি সময় লাগছে না।
বাংলাদেশের রাজনীতির এক কিংবদন্তি, আ’লীগের কেন্দ্রীয় নেতা সিলেটের সাবেক জনপ্রিয় মেয়র, জনতার কামরান খ্যাত আলহাজ্ব বদর উদ্দিন কামরান আর আমাদের মাঝে নেই। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিয়ুন। তিনি গতরাত প্রায় ৩ ঘটিকায় ঢাকার সিএমএইচ হাসপাতালে করোনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইহকাল ত্যাগ করেন। তাঁর ইন্তেকালে সিলেটসহ দেশ-বিদেশে শোকের ছায়া বিরাজমান।
একদিন পূর্বে দেশের দু’জন সাবেক ও বর্তমান মন্ত্রী নাসিম-আব্দুল্লাও একইভাবে ইন্তেকাল করেন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর মিছিল দিন দিন দীর্ঘ হচ্ছে। যা মানবিকতাকেও আজ প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
গত ৭জুন সাবেক মেয়র কামরানকে সংকটাপন্ন অবস্থায় একটি বিশেষ হেলিকপ্টারে করে ঢাকার সিএমএইচে ভর্তি করা হয়েছিলো, দু’দিন পরে তাঁর মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে। উন্নত চিকিৎসা প্রচেষ্টার পরও জনতার কামরানকে বাঁচানো গেল না। হায়াত মউতের মালিক আল্লাহ তায়ালার ফয়সালা সবাইকে মেনে নিতেই হয়। তবে কারো কারো মৃত্যু মানুষের মনকে চরমভাবে ব্যতীত করে। ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আব্দুল্লা ও জনতার কামরান তাঁদের অন্যতম। দলমত ব্যতিরেকে গণমানুষের হৃদয়ে তাঁরা স্থান করে নিয়েছিলেন বলেই ভিন্ন মতের মানুষজনকেও আজ তাঁদের জন্য শুভকামনা আফসোস দোয়া করে যেতে দেখা যাচ্ছে। মরনশীল মানুষের বিষয়টি নিশ্চিত উপলব্ধি হলেই মানুষ মানুষের জন্য কাজ করে হৃদয়ে স্থান করে নেয়।
গণমানুষের খেদমত, ভালো ব্যবহার, সুভাষা এবং ওরাসাতুল আম্বিয়া তথা আলেম, উলামা-মশায়েখ ও দ্বীনদার মানুষের পাশে থেকে সিলেটের সাবেক জনপ্রিয় মেয়র জনতার কামরান হয়ে ওঠেন। তাঁর ইন্তেকাল এজন্যই এতো বেদনাবিধুর। মহান আল্লাহ তায়ালা এসকল যেকোনো ভালো গুণের উছিলায় সবার প্রিয় কামরানকে ক্ষমা করুন। পরিবার পরিজন সহ গুণগ্রাহী সকলকে সবরে জামিল আতা ফরমান। তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মাকামে সমাসীন করুন, দয়াময় আল্লাহর কাছে কায়মনোবাক্যে এই ফরিয়াদ।
সিলেট সিটি করপোশেনের সাবেক মেয়র ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় সদস্য বদর উদ্দিন আহমদ কামরানকে হারিয়ে সিলেটবাসী তাদের কাছের স্বজন ও গ্রহনযোগ্য এক জনপ্রতিনিধিকে হারালো। এমন নেতার চিরবিদায় নি:সন্দেহে সিলেটবাসীর জন্য এক বেদনার দিন, দু:খের দিন। কামরানের ইন্তেকালে এক শোক বাণীতে এই কথাগুলো বলেছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির আমীর ডা: শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, সিলেটে সবসময়ই সম্প্রীতির রাজনীতি বহমান ছিল। দেশের রাজীনিতিতে যখন চরম বৈরি ভাব বিরাজ করে, তখনো সিলেটে রাজনীতির আকাশে সুবাতাস বয়ে যায়। যখনই কোন সমস্যা, দুর্যোগ সিলেটে বয়ে যায় তখনই এক টেবিলে বসে সমাধানের পথ বের হয়। আর তা সম্ভব হতো কামরানের মতো ভদ্র, বিনয়ী ও বন্ধুসুলভ কিছু মানুষের জন্য। আজ তিনি নেই ।
ডা: শফিক বলেন, কামরান এমন একজন ব্যক্তিত্ব ছিলেন যার কাছে দলমত নির্বিশেষে সবার দুয়ার ছিলো খোলা। যা তাকে জনপ্রিয় করে তুলে। জামায়াত আমীর, বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের ভালো কাজগুলোকে গ্রহন করে আল্লাহ যেন তাকে ক্ষমা করে দেন সেই দোয়া করেন। তিনি তার জান্নাতুল ফেরদাউস কামনা করে বলেন, ‘এই প্রিয় মানুষকে হারিয়ে সিলেটবাসী যেমন দু:খ ভারাক্রান্ত, তিনিও ঠিক ততটুকু ভারাক্রান্ত।’ তিনি সিলেটবাসীকে এই শোক সহ্য করার তওফিক কামনা করেন ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
.কোভিড-১৯ ভাইরাস পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহের জন্য গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলায় ২টি করে মোট ৪টি বুথ স্থাপন করে দিলেন কানাডা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, দৈনিক শুভ প্রতিদিনের সম্পাদক ও প্রকাশক সরওয়ার হোসেন। রোববার (১৪ জুন) সকাল ১১টায় গোলাপগঞ্জে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থাপিত দুটি বুথের অনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সরওয়ার হোসেন। নিজস্ব অর্থায়নের এ চারটি বুথ স্থাপন করে দেন তিনি।
নিজে উপস্থিত থেকে এ বুথ স্থাপনের সময় তিনি বলেন, করোনায় সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। তাদের সুরক্ষার ব্যবস্থা না থাকায় অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন। তারা সুস্থ না থাকলে কিভাবে আমাদের জন্য করোনা সংকটে কাজ করবে। এজন্য এই নমুনা সংগ্রহের বুথ স্থাপন করা হয়েছে। এসময় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শাহীনুর ইসলাম শাহিন, গোলাপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম এ ওয়াদুদ এমরুল, ব্রাজিল যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবু সুফিয়ান উজ্জল, ছাত্রলীগ নেতা রাহাত তপাদার প্রমুখ।
এদিকে, গোলাপগঞ্জে বুথ স্থাপনের পরই দুপুর ২টায় বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থাপিত আরও দুটি বুথের উদ্বোধন করেন সরওয়ার হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম পল্লব, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরী, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. আবু ইসহাক আজাদ. মেডিকেল অফিসার ডা. আবুল বাশার রুম্মান।
বিয়ানীবাজারে বুথ স্থাপনকালে সরওয়ার হোসেন বলেন, করোনাকালে আমার চেয়ে বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জের সাধারণ মানুষের জন্য ভয় বেশি। তাই তো আমি এ বিপদের সময় নিজের সুরক্ষার কথা চিন্তা না করে মানুষের পাশে আছি। পাশে থাকতে চাই। করোনা মহামারীতে মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হতে চাই। করোনা বিপদ যতই বড় হোকনা কেন, আমি দুই উপজেলার মানুষের পাশে আছি, থাকব ইনশাল্লাহ।
এর আগে সরওয়ার হোসেন গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলার করোনা রোগীদের সেবায় নিয়োজিতদের পিপিই ও সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়া কয়েক দফায় এই দুই উপজেলার কর্মহীন সহাস্রাধিক মানুষের মাঝেও খাদ্য সামাগ্রী বিতরন করেছেন তিনি।
সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার ১০নং মুড়িয়া ইউনিয়নের পুর্ব মুড়িয়া এলাকার আষ্টঘরী ইউনিটের উদ্দ্যোগে কিশোর কন্ঠ পাঠক ফোরামের আয়োজনে এবং শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাবেক সেক্রেটারী ও আমেরিকা প্রবাসী নাহিমুল ইসলাম এর অর্থায়নে,এস এস সি ২০২০পরিক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের কে নিয়ে এক কৃতি ছাত্র সংবর্ধনা ও ভোজন সভার আয়োজন করা হয়।এতে কিশোর কন্ঠ পাঠক ফোরামের শতাধিক কৃত্বি ছাত্র অংশ গ্রহন করেছেন।উক্ত ভোজন সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক,সাবেক কিশোর কন্ঠ পাঠক ফোরাম সিলেট জেলা সভাপতি ফরিদ আল মামুন। পু্র্ব মুড়িয়া শাখার সাবেক সভাপতি বাহার আহমদ,
এ ছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন কিশোর কন্ঠ পাঠক ফোরাম পু্র্ব মুড়িয়া শাখার সভাপতি জুনেদ আহমদ।সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ।আষ্টঘরী ইউনিট কিশোর কন্ঠ পাঠক ফোরামের পরিচালক মোঃহাসান আহমদ প্রমূখ।
নিউজ ডেস্কঃ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ বলেছেন, শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিয়ে আমরা এখনই ভাবছি না। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিরাপদ রাখা এখন আমাদের মূল লক্ষ্য। তাছাড়া মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে পড়ালেখা চালিয়ে যেতে হবে। পরীক্ষা শুধু শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের একটি পদ্ধতি মাত্র।
প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষার সিলেবাস কমছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রাথমিক শিক্ষার মহাপরিচালক।
তিনি আরও বলেন, আমরা যতটুকু পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের পড়াতে পেরেছি তার ওপরই তাদের মূল্যায়ন করা হবে। পরীক্ষার থেকে পাঠদান চালিয়ে যাওয়া এবং শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার চর্চা চালিয়ে যাওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে আমরা বেশি আগ্রহী। তাই ডিজিটাল মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ক্লাস করা নিশ্চিত করতে কাজ করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। রেডিওর মাধ্যমেও শিক্ষার্থীদের পাঠদান পরিচালনা করা হবে। সে কাজও চলছে। আর মাঠ পর্যায় থেকে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের তথ্য জানার জন্য একটি সফটওয়্যার ডেভেলপ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
মো ফসিউল্লাহ বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে বিনামূল্যে টেলিফোন করে শিক্ষকদের পরামর্শ পেতে পারেন সে ব্যবস্থাও করা হয়েছে। ৩৩৩৬ নাম্বারে ফোন করে শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের সাথে সরাসরি কথা বলতে পারবেন। আর এজন্য তাদের কোন টাকা খরচ হবে না। এ সেবা চালু হলে শিক্ষার্থীরা ও পড়ালেখায় আগ্রহী হবেন। তারা যখন দেখতে পারবে কোন টাকা খরচ না করেই শিক্ষকের কাছ থেকে যেকোন বিষয় বুঝে নেয়া যাচ্ছে, তখন তারা এ সেবা পেতে আগ্রহী হয়ে উঠবে।
তিনি “হাকালুকি নিউজ”কে জানান, শিক্ষার মূল লক্ষ্য জ্ঞান অর্জন। পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের একটি আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। পরীক্ষা নিয়ে আমরা এখনই চিন্তা করছি না। কিছু উপজেলায় আগ্রহী শিক্ষকরা নিজ উদ্যোগে পরীক্ষা নিয়েছেন। তা নিয়ে ইতোমধ্যেই কিছু বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরীক্ষা নেয়ার কোনো নির্দেশনা দেয়নি।
মহাপরিচালক বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারেও করোনা ভাইরাস হানা দিয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৪৫ জনের মত শিক্ষক করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়েছেন।
ঢাকা: সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নানের স্ত্রী কামরুন নাহার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
শনিবার (১৩ জুন) দিবাগত রাত ১টার দিকে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন স্বাস্থ্য সচিবের একান্ত সচিব (উপসচিব) খন্দকার জাকির হোসেন।
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের শোক স্বাস্থ্যসচিবের স্ত্রী কামরুন নাহারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। তিনি কামরুন নাহারের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহ ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
শনিবার (১৩ জুন) রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর সম্মিলিতি সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) তার মৃত্যু হয়। প্রতিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব শেখ নাজমুল হক সৈকত এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, কয়েকদিন ধরেই উনি অসুস্থ ছিলেন। শনিবার রাতে ওনার হার্ট অ্যাটাক করে। রাত ১১টার দিকে তাকে সিএমএইচে নেওয়া হয়। সেখানে নেওয়ার পর দ্বিতীয়বার তার হার্ট অ্যাটাক করে। এর পরপরই তিনি মারা যান।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা সহ জেলায় নতুন করে আরও ১৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে পুলিশ ও স্বাস্থ্যকর্মীও রয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯১ জন।
আজ শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে মৌলভীবাজার জেলা সিভিল সার্জন ডা. তৌউহীদ আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এদিকে মোট ১৪ জনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এরমধ্যে নতুন ১৩ জন এবং পুরনো একজনের আবারো পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে।
নতুন আক্রান্ত ১৩ জনের মধ্যে মৌলভীবাজার-২৫০ শয্যা হাসপাতালের ৩ জন, বড়লেখায় ২জন, রাজনগরে ১ জন, কুলাউড়ায় ৫ জন, কমলগঞ্জে ১ জন এবং শ্রীমঙ্গলে ১ জন। এছাড়া কমলগঞ্জে আগে থেকে আক্রান্ত একজনের আবারও পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। আক্রান্তদের মধ্যে নারী পুরুষ উভয়েই রয়েছেন ।
এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯১ জন, সুস্থ হয়েছেন ৬৯ জন, মারা গেছেন ৪ জন। আরও প্রায় ৬০০ রিপোর্ট পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের মুখপাত্র এবং সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন এমপি।
পরিবেশ মন্ত্রী এক শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। শোকবার্তায় পরিবেশ ও বন মন্ত্রী জানান, মোহাম্মদ নাসিম ছিলেন এক বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী ছিলেন। আজীবন দেশ ও মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করেছেন এ জনদরদী রাজনীতিবিদ।তাঁর মৃত্যু দেশ ও জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। জনসেবা, দেশ ও সমাজের উন্নয়নে তাঁর অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
উল্লেখ্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় চার নেতার অন্যতম মোঃ মনসুর আলীর সন্তান মোহাম্মদ নাসিম (৭২) আজ শনিবার সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি ২০১৪-২০১৮ মেয়াদে বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে স্বরাষ্ট্র, গৃহায়ন ও গণপূর্ত এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও তিন সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ৪ জনসহ ডাক্তার নার্স মিলিয়ে আরও ২৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭৮ জন।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুর সাড়ে ১২ টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মৌলভীবাজার জেলা সিভিল সার্জন ডা. তৌউহীদ আহমদ। তিনি জানান, ঢাকা থেকে গত রাতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। আরও বেশ কিছু নমুনার রিপোর্টের অপেক্ষা করছি আমরা।
নতুন আক্রান্ত ২৬ জনের মধ্যে সদর উপজেলায় ৫ জন, রাজনগরে ২ জন, কুলাউড়ায় ১২ জন, বড়লেখায় ৪ জন, কমলগঞ্জে ১ জন এবং শ্রীমঙ্গলে ২ জন। আক্রান্তদের মধ্যে নারী-পুরুষ, শিশুও রয়েছেন । নতুন রিপোর্ট আসলে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নিউজ ডেস্কঃ জীবন-মৃত্যুর সার্বক্ষণিক সঙ্গী স্বামী স্ত্রী। পৃথিবীতে সব থেকে নিরাপদ আশ্রয় স্থল সন্তানের কাছে তার বাবা-মা ও পিতৃ পরিবার। আর একজন মানুষ হিসেবে তার অন্যতম অধিকার মৃত্যু পরবর্তী সম্মানজনক শেষকৃত্য। এই করোনাকালে অনেক চেনা মানুষ কেন যেন অচেনা করে হয়ে যাচ্ছে। মনোয়ারা বেগম (২৫) যিনি তাঁর নিকটজনদের একটু স্বচ্ছলতার জন্য নিজের জীবন নিজের সুখ স্বাচ্ছন্দ বিলিয়ে দিয়ে স্বামীর সাথে ঢাকায় গার্মেন্টসে কাজ করতেন। তার জীবনে যারা ছিলেন ওতোপ্রোতভাবে জড়িত সেই স্বামী ও পিতার পরিবার করোনা সন্দেহে তার লাশ দাফনে অস্বীকৃতি জানায়, ফেলে রেখে যায় তার লাশ। সংবাদ পেয়ে তার দাফনের দায়িত্ব নেয় নীলফামারী জেলা পুলিশ।
নীলফামারীর মনোয়ারা বেগম(২৫),স্বামী শরিফুল ইসলাম সহ ঢাকায় একটি পোষাক কারখানায় কাজ করত। ঢাকায় অবস্থানকালে সর্দি-কাশী ও জ্বর উপসর্গ নিয়ে গত ০৫জুন ২০২০ খ্রিঃ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য স্বামীসহ ভর্তি হয়ে করোনা ভাইরাস সংক্রমন সন্দেহে নমুনা প্রদান করেন (রিপোর্ট অপেক্ষমান)। চিকিৎসারত অবস্থায় ০৯ জুন ২০২০ খ্রিঃ রাত্রি অনুমান ০১ঃ৩০ টার সময় মনোয়ারা বেগম রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেন।
অতঃপর স্বামীর বাড়ী ও পিতার বাড়ীর লোকজন মৃতদেহ রংপুর হতে আনবেনা এবং অত্র থানা এলাকায় দাফন করবেনা মর্মে বিষয়টি জলঢাকা পৌরসভার প্যানেল মেয়র জানতে পারলে তিনি ০৯ জুন ২০২০ অফিসার ইনচার্জ, জলঢাকা থানা,নীলফামারীকে জানায়।
প্যানেল মেয়রের সহায়তায় উক্ত লাশ দাফনের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে জলঢাকায় আনলে মৃতার স্বামী শরিফুল ইসলাম বঙ্গবন্ধু চত্ত্বরে মৃতদেহ মাইক্রোতে রেখে কৌশলে পালিয়ে যায়।
এমনকি পরবর্তীতে মৃতার স্বামীর বাড়ীর ও পিতার বাড়ীর এলাকায় মৃতদেহ দাফনের জন্য যোগাযোগ করা হলে তারাও দাফন করতে অস্বীকৃতি জানান।
এমতাবস্থায় নীলফামারী জেলা পুলিশের উদ্দোগে মৃতা মনোয়ারার মৃতদেহ ০৯ জুন ২০২০ খ্রিঃ পৌরসভা কেন্দ্রীয় কবরস্থানে ধর্মীয় বিধান অনুসারে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
নিউজ ডেস্কঃ চট্টগ্রামে আইসিইউর খুঁজতে খুঁজেতে ১০ মাসের সুস্থ বাচ্চা পেটে নিয়ে মারা গেলেন প্রসূতি নারী,করোনা সন্দেহে চিকিৎসায় অবহেলা
সাতদিন পর ছিল বাচ্চা ডেলিভারির তারিখ। এর মধ্যেই উঠল প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট।পেটে অনাগত সেই বাচ্চা নিয়ে মেয়েটি দিনভর ঘুরলেন হাসপাতালে-হাসপাতালে।টানা ১৮ ঘন্টা চেষ্টা করেও পুরো চট্টগ্রামে মেলেনি একটি আইসি- ইউ (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র)। শেষে অনেকটা বিনা চিকিৎসাতেই গভীর রাতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন ১০ মাসের গর্ভবতী ওই নারী। মাত্র এক সপ্তাহ পর, ১৮ জুন বাচ্চা জন্ম দেওয়ার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারিত ছিল তার। মৃত্যুকালে ফৌজদারহাটের কবরস্থানে মায়ের সঙ্গী হল ওই বাচ্চাও— সুস্থ থেকেও পৃথিবীর মুখটি আর দেখা হল না তার!
মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল থেকে ৩০ বছর বয়সী ওই গর্ভবতী নারীর জন্য তার স্বজনরা চট্টগ্রামের এমন কোনো হাসপাতাল বাদ রাখে- ননি, যেখানে তারা একটি আইসিইউ বেডের খোঁজে যাননি। কোথাও না পেয়ে উপায়হীন স্বজনরা ফেসবুকে পোস্ট দিয়েও একটি আই- সিইউর জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেন।
নিয়ে হাসপাতাল থেকে হাসপাতাল আর ওয়ার্ড থেকে ওয়ার্ডে দৌড়াদৌড়ি করে মঙ্গলবার (৯ জুন) দিবাগত রাত ৪টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেলের করোনা ওয়ার্ডে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন মুক্তা (৩০) নামের ওই নারী।
অথচ এর মাত্র আটদিন আগে করোনার সময়ে সরকারি-বেসরকারি সব হাসপাতালে প্রসূতি মায়েদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনা পরীক্ষা সহ অন্যান্য সুচিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে- ছিলেন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্নিষ্ট বিবাদীদের এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছিল।
নিউজ ডেস্কঃ এ বছর করোনা হজ পুরোপুরি বাতিল না করে বরং সীমিত মুসল্লিকে অনুমতি দেয়ার পরিকল্পনা করছে সৌদি আরব। সৌদি কর্তৃপক্ষের সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবছর অন্তত ২৫ লাখ হজযাত্রী হজ করতে সৌদি যান। হজ ও বছরব্যাপী ওমরাহ থেকে সৌদি সরকারের বছরে আয় হয় অন্তত ১২০০ কোটি মার্কিন ডলার। গত মার্চে বিশ্বব্যাপী মুসলিমদের আপাতত হজের পরিকল্পনা বাদ দেয়ার পরমর্শ দেয় সৌদি কর্তৃপক্ষ, পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয় ওমরাহ পালন।
সম্প্রতি সৌদি আরবের হজ সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্র রয়টার্সকে জানিযেছে, দেশটির কর্তৃপক্ষ এখন ‘প্রতীকী সংখ্যায়’ মুসল্লিদের হজের অনুমতি দেয়ার চিন্তা করছে। সেক্ষেত্রে প্রত্যেক দেশের জন্য নির্ধারিত কোটার মাত্র ২০ শতাংশ মুসল্লিকে হজ করতে সৌদি প্রবেশের অনুমতি দেয়া হতে পারে। তবে বয়স্কদের জন্য এ সুযোগ থাকবে না। এছাড়া সবাইকেই অতিরিক্ত স্বাস্থ্য পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।
তবে এখনও সৌদির কিছু কর্মকর্তা করোনা ঝুঁকির কারণে এবারের হজ বাতিলের জন্য চাপ দিচ্ছেন বলে জানিয়েছে সূত্রটি।
এম.এম আতিকুর রহমান ; বড়লেখা থেকে ঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখায় আজ ১০ জুন বুধবার, বড়লেখা হিফযুল কুরআন মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে বড়লেখা উপজেলার মসজিদ সমূহের খতিব ও ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কল্যাণার্থে এবং জনসেবার উদ্দেশ্যে গঠণ করা হয় ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদ বড়লেখা।
আহবায়ক কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত “পরামর্শ সভায়” সভাপতিত্ব করেন- পরিষদের আহবায়ক এবং বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সম্মানিত খতিব মুফতি মাওলানা রুহুল আমীন। পরিষদের সদস্য সচিব এবং ইয়াকুবনগর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাও. মুনাওয়ার হুসাইন মাহমুদীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আলোচনা পেশ করেন- বড়লেখা উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জিনগন। পরে সকলের সম্মতিক্রমে, তিন বছর মেয়াদি ৩১ সদস্য বিশিষ্ট “কার্যকরী কমিটি” ঘোষণা করা হয়। কমিটির দায়িত্বশীলগণ হলেনঃ সভাপতিঃ মুফতি রুহুল আমীন বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। সহ-সভাপতিঃ মাও. ফয়জুল বারী কাঁঠালতলী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। সহ-সভাপতিঃ মুফতি আব্দুল বাসিত সুজানগর বড়বাড়ী জামে মসজিদ। সহ-সভাপতিঃ মাও. একরাম আলী চুকারপুঞ্জী জামে মসজিদ। সহ-সভাপতিঃ মাও. আব্দুল হান্নান পশ্চিম পাখিয়ালা টিলা জামে মসজিদ। সহ- সভাপতিঃ মাও. ফারুক আহমদ গাজিটেকা নাজিরের চক জামে মসজিদ। সাধারণ সম্পাদকঃ হাফিয মাও. মুনাওয়ার হুসাইন মাহমুদী ইয়াকুবনগর জামে মসজিদ। যুগ্ম সম্পাদকঃ মাও. বদরুল ইসলাম পাতন জামে মসজিদ। সহ-সাধারণ সম্পাদকঃ হাফিজ মাও. সাদিক আহমদ এফ.আর মুহিউসসুন্নাহ কমপ্লেক্স জামে মসজিদ। সহ-সাধারণ সম্পাদকঃ হাফিয মাও. আবুল হাসান হাদী কাঁঠালতলী জামে মসজিদ সাংগঠনিক সম্পাদকঃ হাফিয মাও. তায়্যিবুর রহমান চানপুর বায়তুল মামুর জামে মসজিদ, শাহবাজপুর। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকঃ মাও. আতাউর রহমান মোহাম্মদনগর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকঃ মাও. আব্দুল হাফিজ কাঁঠালতলী উত্তর জামে মসজিদ। অর্থ সম্পাদকঃ মাও. মুখলিসুর রহমান পানিধার মারকায মসজিদ। প্রচার সম্পাদকঃ হাফিয মাও. ইয়াহইয়া আহমদ বড়লেখা থানা জামে মসজিদ। সহ-প্রচার সম্পাদকঃ মাও. শিহাব উদ্দীন পশ্চিম বানিকোনা জামে মসজিদ। সহ-প্রচার সম্পাদকঃ মাও. মাহবুবুর রহমান সর্দার পাড়া জামে মসজিদ। সাহিত্য সম্পাদকঃ হাফিয মাও. রশিদ আহমদ বারইগ্রাম জামে মসজিদ।প্রকাশনা সম্পাদকঃ মুফতি মছিহুর রহমান শিমুলিয়া জামে মসজিদ। সমাজকল্যাণ সম্পাদকঃ মাও. এনাম উদ্দীন গৌরনগর মাদ্রাসা জামে মসজিদ। অফিস সম্পাদকঃ মাও. লায়েছ আহমদ বড়লেখা হাজিগঞ্জ বাজার জামে মসজিদ।
সদস্যরা হলেন হাফিয হুসাইন আহমদ, মাও. আব্দুল মতিন, মাও. নজরুল ইসলাম নয়ন, মাও. মাহতাব উদ্দীন, মাও. আব্দুল, মাও. আতাউর রহমান, মাও. জুনেদ আহমদ, সাইফুর রহমান, মাও. জামিল আহমদ, মাও. মুঈনুল ইসলাম প্রমুখ। এছাড়া বড়লেখা উপজেলার সকল মসজিদের খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিনদেরকে সাধারণ সদস্য ঘোষণা করা হয়। পরিশেষে, দেশ-জাতীর কল্যান কামনা করে এবং বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মহামারি করোনাভাইরাস থেকে মুক্তির জন্য সভাপতির মুনাজাতের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল হালিম এর মায়ের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন অত্র বিভাগের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ।রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক রাহুল কান্তি সরকার বলছেন আমার সহকর্মী আব্দুল হালিম ভাইয়ের মায়ের মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মাস্টার্স ফাইনাল থেকে তানভীর আহমদ,মাস্টার্স প্রিলি থেকে সাহিদুর রহমান আকাশ, শোক প্রকাশ করেছেন।অনার্স বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে শাহরিয়ার শাহান, ছাইদুল মাহবুব, সাকির আহমদ,সাব্বির আহমদ, তারিন আফরোজ, মিজান আল মাসুদ,জাফর আহমদ,হালিমা আক্তার,মেহজাবিন মুনা,ইমা আক্তার প্রমুখ। শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ছাইদুল মাহবুব বলেন আব্দুল হালিম স্যার রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রছাত্রীদের অত্যান্ত প্রিয় একজন শিক্ষক স্যারের মমতাময়ী মায়ের প্রয়াণে আমরা শোকাহত।এবং তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।সর্বোপরি আমরা মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
সমছ উদ্দিন, সৌদি প্রবাসীঃ করোনাভাইরাসের কারণে সৌদি আরবে লকডাউন এর পূর্বে যেসব প্রবাসীরা এক্সিট-রিএন্ট্রি অথবা এক্সিট ভিসা নিয়ে গেছেন। আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় সৌদি থেকে তারা বের হতে পারেননি। তাদের জন্যবিশেষ বিমান চালু হচ্ছে। এছাড়া সৌদি আরবে ভিজিট ও ওমরা ভিসায় এসে যারা ফেরত যেতে পারেননি এবং সৌদি আরবের বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি তে অধ্যায়নরত ছাত্র/ছাত্রীরা দেশে ফেরত যেতে চান নিজ খরচে ওইসব ভিসা ধারীদের বাংলাদেশে ফেরত নেওয়ার লক্ষ্যে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর উদ্যোগে রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস এবং জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সহযোগিতায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এর মাধ্যমে দেশে ফেরত যেতে পারবেন বলে দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
প্রথমে দুটি বিশেষ ফ্লাইটের মাধ্যমে এসব যাত্রীরা দেশে ফেরত যেতে পারবেন। এর একটি আগামি ১৬ জুন ছেড়ে যাবে জেদ্দা কিং আব্দুল আজিজ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপর্ট থেকে আরেকটি ছেড়ে যাবে রিয়াদ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে পরবর্তী সময়ে চাহিদা অনুযায়ী আরও ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে দেশে ফেরত যাবার সুবিধা গ্রহণকারী প্রত্যেককে স্থানীয় কনস্যুলেট অথবা দূতাবাসে যোগাযোগ করে তাদের তালিকা করতে হবে । জেদ্দা বাংলাদেশ কনস্যুলেটের শ্রম ও কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন জেদ্দা অঞ্চলের উল্লেখিত ভিসা প্রাপ্তরা যেতে আগ্রহী তাদেরকে দূতাবাসের নির্ধারিত ০৫৫৬২২১৮৫৮ নাম্বার এর হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে যোগাযোগ করে পাসপোর্ট ফটোকপি এবং ভিসা ফটোকপি পাঠাতে হবে। পরে দূতাবাস এবং কনস্যুলেট তালিকা তৈরি করে সংশ্লিষ্ট বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অফিসে তালিকা পাঠালে সেখান থেকে টিকেট সংগ্রহ করে আগ্রহীরা বাংলাদেশে ফেরত যেতে পারবে বলে জানা গেছে। এদিকে বিমান বাংলাদেশ এর রিজিওনাল ম্যানেজার জানিয়েছেন, সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যবিধি মেনে ওইসব যাত্রীদেরকে বিমানে চড়তে হবে অসুস্থ অথবা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কেউ ফ্লাই করতে পারবেনা বলে জানিয়েছেন তিনি। দূতাবাস অথবা কনস্যুলেটের তালিকার বাহিরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এর বিশেষ ফ্লাইটের মাধ্যমে কাউকে ট্রাভেল করতে দেয়া হবে না বলে তিনি জানিয়েছেন। তালিকা প্রাপ্তদের অবশ্যই রিয়াদ অথবা জেদ্দায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এর অফিস থেকে টিকেট সংগ্রহ করতে হবে কোন ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে এসব টিকেট বিক্রি করা হবে না বলে জানিয়েছেন।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় প্রতারণা মামলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উপজেলা সেক্রেটারী মোঃ ফয়সল আহমদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাত দেড়টার দিকে থানার এসআই রাকিব মোহাম্মদের নেতৃত্বে পৌরশহরের (বালুচর) পাখিয়ালা বাসা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে সোমবার (৮ জুন) আদালতের মাধ্যমে পুলিশ তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ব্রিকফিল্ড ব্যবসায়ী মোয়াদ আহমেদ এর পৌনে ২ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে গত ২২ জানুয়ারি হাবিবুর রহমান হাবিবকে ১ নম্বর ও জামায়াত নেতা ফয়সল আহমদকে ২ নম্বর আসামি করে থানায় প্রতারণা মামলা করেন।এ মামলার প্রধান আসামি হাবিবুর রহমান হাবিব গত ১৭ মার্চ জামিন নিতে গেলে বিজ্ঞ আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ মামলার ২নং আসামি উপজেলা জামায়াত সেক্রেটারী ফয়সল আহমদ দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকার পর গ্রেফতার হোন
নিউজ ডেস্কঃ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ, কুলাউড়া ও রাজনগর উপজেলায় চর্মরোগ জাতীয় গুটি, খোঁড়া, ফুলাসহ ভাইরাস রোগে গবাদি পশু আক্রান্ত হচ্ছে।
এপর্যন্ত এ রোগে তিন উপজেলার প্রায় তিন হাজার গবাদি পশু আক্রান্ত হয়েছে ও একটি মহিষসহ ৩টি গরু মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের এমটাই অভিযোগ।
তবে করোনা ভাইরাসের মধ্যেও উপজেলা চিকিৎসা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছে প্রাণি সম্পদ বিভাগ। প্রতিষেধক না থাকায় এ রোগ ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তরটি। সরেজমিনে ঘুরে জানা যায়, লাম্পিং স্কিন ডিজিজ নামে চর্মরোগ জাতীয় একটি ভাইরাস রোগ গবাদি পশুর মধ্যে মারাত্মকহারে সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর, শমশেরনগর, পতনউষার, মাধবপুর, আদমপুর, মুন্সীবাজার ইউনিয়নসহ বিভিন্ন গ্রাম ও চা বাগান এলাকা, কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়ন ও রাজনগর উপজেলার কামারচাক, মরিচা এসব এলাকায় গবাদি পশুর গুটি বসন্তসহ ভাইরাস রোগের সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায় দেড় মাস সময় ধরে বিভিন্ন এলাকায় এ রোগের সংক্রমণ বেড়েই চলেছে।
এ রোগের লক্ষনসরূপ পশুর গলাসহ সারা দেহে গুটি, খোঁড়া, ফুলা দেখা দিচ্ছে। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে বিশ দিন আগে পতনঊষারের শ্রীসূর্য্য এলাকার অসিত শীল এর ১টি, পনের দিন আগে আলীনগর ইউনিয়নের কামদপুর গ্রামের মনাফ মিয়ার ১টি, মাধবপুর ইউনিয়নের নোওয়াগাঁও গ্রামের সাবাজ মিয়া ২টি, দশ দিন আগে মুন্সীবাজার ইউনিয়নের বাসুদেবপুর এলাকায় ১সহ মোট ৫টি গরু মারা গেছে। এছাড়া সপ্তাহ দিন আগে রাজনগর উপজেলার মরিচা গ্রামের শামীম মিয়ার লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ১টি মহিষ উক্ত রোগে মারা গেছে।
পতনউষারের তোয়াবুর রহমান, আক্তার মিয়া, মরিচা গ্রামের শামীম মিয়া, শমশেরনগর সতিঝির গ্রামের সিদ্দিকুর রহমান, আলীনগরের মনাফ মিয়া, মুন্সীবাজার ইউনয়িনের আশরাফুল ইসলামসহ কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, তাদের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে এসব রোগে ব্যাপক হারে গবাদি পশু আক্রান্ত হচ্ছে। সব মিলিয়ে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে আক্রান্ত হবে প্রায় ৫ হাজার গবাদি পশু বলে দাবি করেন তারা। তারা আরও অভিযোগ করেন, আক্রান্ত পশুর জন্য সরকারিভাবে ভালো কোন চিকিৎসা সুবিধাও পাওয়া যাচ্ছে না। বেসরকারি চিকিৎসকদের অধিক মূল্য দিয়ে চিকিৎসা করাতে হচ্ছে।
নিউজ ডেস্কঃ বিয়ানীবাজারে আপন চাচীর ঘরের চালের ড্রাম থেকে ৩ বছর বয়সী এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার সন্ধ্যায় উপজেলার কুড়ারবাজার ইউনিয়নের উত্তর আকাখাজানা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত শিশু উত্তর আকাখাজানা গ্রামের খছরু মিয়ার ছেলে।
ওই শিশু রোববার সকাল ৬টা থেকে নিখোঁজ ছিল। পরে এদিন বিকালে খছরু মিয়ার ছোটভাই রুনু মিয়ার স্ত্রী সুমা বেগমের ঘরের চালের ড্রাম থেকে ওই শিশুটিকেমৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
এ প্রতিবেদন লিখা পর্যন্ত জানা গেছে, খবর পেয়ে ওসি অবনী শংকর করসহ বিয়ানীবাজার থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত শিশুর লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন করে থানায় নিয়ে আসছে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে দু’জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন- সুমা বেগম (৪২) ও নাহিদ আহমদ (২৩)। তারা দুজনের সম্পর্কে ভাবি-দেবর।
এম.এম আতিকুর রহমান,বড়লেখাঃ সম্প্রতি দেশে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) বিস্তার ঠেকাতে এলাকাভিত্তিক লকডাউনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আক্রান্তের আধিক্যতা বিবেচনায় রেড জোন, ইয়েলো জোন ও গ্রিন জোনে চিহ্নিত করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাস্তবায়ন হবে স্বাস্থ্যবিধিসহ আইনি কঠোর পদক্ষেপ।
সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে এ কথা জানানোর পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেশের তিনটি বিভাগ, ৫০টি জেলা ও ৪০০টি উপজেলাকে পুরোপুরি লকডাউন (রেড জোন বিবেচিত) করা হচ্ছে। আংশিক লকডাউন (ইয়েলো জোন বিবেচিত) দেখানো হচ্ছে পাঁচটি বিভাগ, ১৩টি জেলা ও ১৯টি উপজেলাকে। আর লকডাউন নয় (গ্রিন জোন বিবেচিত) এমন জেলা দেখানো হচ্ছে একটি এবং উপজেলা দেখানো হচ্ছে ৭৫টি।
মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে সর্বশেষ করা তালিকায় সিলেট বিভাগের সব ক’টি জেলাকেই বলা হচ্ছে পুরোপুরি লকডাউন। বিভাগের জেলাগুলো হলো মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ ও সিলেট।
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে জানা যায়, আজ রবিবার (৭ জুন) থেকেই কিছু জায়গায় জোনিং ব্যবস্থার মাধ্যমে লকডাউন শুরু হচ্ছে। বেশি আক্রান্ত এলাকাকে রেড, অপেক্ষাকৃত কম আক্রান্ত এলাকাকে ইয়োলো ও একেবারে কম আক্রান্ত বা সংক্রমণমুক্ত এলাকাকে গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করে স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়ন করা হবে। গ্রিন জোনে সতর্কতা এবং ইয়েলো জোনে সংক্রমণ যেন আর না বাড়ে সেজন্য পদক্ষেপ থাকলেও রেড জোনে করোনার বিশেষ গাইডলাইন অনুযায়ী কঠোর হবে পুলিশ।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ বুলেটিন অনুসারে, দেশে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৩ হাজার ২৬ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন ৮৪৬ জন। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায়ই মারা গেছেন ৪২ জন। করোনা ভাইরাস উপসর্গের ভয়াবহতা রোধে সরকারের এইসকল পদক্ষেপ যথাযথ বাস্তবায়ন ও সচেতনতা বৃদ্ধি অপরিহার্য।
নিউজ ডেস্কঃ কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার ১নং কালিরবাজার ইউপির কমলাপুর উত্তর পাড়া গ্রামে দ্বিতীয় বিয়ে ও সম্পত্তি বিরোধ ও আত্মসাৎ’র জেরে প্রথম স্ত্রী ও সন্তান কর্তৃক পিতাকে কু’পিয়ে ও পি’টিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহতের ছোট বোন জাহানারা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী আনারকলি এবং স্থানীয় প্রতিবেশীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন থেকেই পারিবারিক কলহ চলছিলো।
প্রথম স্ত্রী ও সন্তানরা প্রতিনিয়ত মারধর করতো ও মেরে ফেলার হুমকি দিতো, ফলে দ্বিতীয় স্ত্রী ও কন্যাদের নিয়ে নারায়নসার এলাকায় বসবাস করতেন আলি আকবর বাচ্চু । গত কিছুদিন ধরে সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক কলহ বেড়ে যায়। ঈদের আগের দিন নিজ বাড়িতে আসেন তিনি। সম্পত্তি বিরোধের সুত্র ধরে প্রথম স্ত্রী রওশনআরা বেগম ও ছেলে খোকন, রোকন, ছোটন ঈদের দিন সকালে পিতার ওপর চড়াও হয়। ঝগড়ার একপর্যায়ে পিতাকে নির্মমভাবে মারধর করে হাত পা ভেঙে দেয় এবং বটি’দা দিয়ে কুপি,য়ে পায়ের রগ কেটে দেয়।
বাচ্চু মিয়ার শোর চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে এলেও তাদেরকে বাড়িতে ঢুকতে দেয়া হয় নি। গুরুতর আহত ও রক্তাক্ত বাচ্চু মিয়াকে চিকিৎসা করাতে কিংবা হাসপাতালে নিয়ে যেতে দেয়া হয়নি। খবর পেয়ে দ্বিতীয় স্ত্রী এলাকার লোকজন নিয়ে স্বামীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করালে মঙ্গলবার সকালে তার মৃত্যু হয়। পেশায় ট্রাক চালক বাচ্চু মিয়া কমলাপুর উত্তর পাড়া এলাকার ইব্রাহিম চৌধুরীর ছেলে। এ ঘটনায় নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী আনারকলি বেগম বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় উল্লেখিত আসামীদের নামে হ’ত্যা মামলা দায়ের করেছেন বলে জানান।
খবর পেয়ে নাজিরা বাজার ফাঁড়ি পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। এ ঘটনার পর থেকে নিহতের তিন ছেলে এবং প্রথম স্ত্রী পলাতক রয়েছে। একটি বিশেষ মহলের সহায়তায় মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সমঝোতার জন্য বাদীকে হুমকি ধমকি, দৌড়ঝাপ ও হত্যাকান্ডের ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে ধামাচাপা দিতে আসামিরা তৎপরতা চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা।
কোতোয়ালি থানাধীন নাজিরা বাজার ফাঁড়ি পুলিশের আইসি ইন্সপেক্টর মাহমুদ হাসান রুবেল জানান, পোস্টমর্টেম শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শুনেছি নিহতের সাথে পরিবারিক বিরোধ রয়েছে সন্তানদের। তদন্ত চলছে পোষ্টমর্টেম রিপোর্ট এলে মৃত্যুর বিস্তারিত জানা যাবে।
নিউজ ডেস্কঃ ‘গার্মেন্ট আসলো, ঈদ আসলো, বাজার করল, ঈদে যাওয়া-আসা করল। এক লাফে ৫০ হাজার হয়ে গেল। সব সময় বলছি, সংক্রমণের চেইনটা যদি কাট করতে না পারি তাহলে সেটা কিন্তু বন্ধ হবে না। এভাবে চলতে থাকলে আরও ৬০-৭০ হাজার নতুন অ্যাড হয়ে যাবে। তখন কোনও হাসপাতালে আমরা জায়গা দিতে পারব না। কারণ এত রোগী এসে যাবে তাদের ১০ পারসেন্টেরও যদি হসপিটালাইজেশন লাগে তাহলে পরে আপনারা দেখেন ৭০-৮০ হাজার লোকের আবার নতুন করে জায়গা দিতে হবে। আমাদের সে জায়গা আছে কি? এটা হলো দেখার বিষয়।’
করোনাভাইরাসের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে শনিবার (৬ জুন) ‘বিয়ন্ড দ্য প্যানডেমিক’ এর পঞ্চম পর্ব ‘করোনা সংকটকালে স্বাস্থ্যসেবা’ শিরোনামে অনলাইন আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
নিউজ ডেস্কঃ একটি আইসিইউ’র জন্য চব্বিশ ঘণ্টা ধরে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ঘুরেছে। টাকা যত লাগে তত দিতেও চেয়েছিল। কিন্তু মেলেনি একটি আইসিইউ। শেষ পর্যন্ত শ্বাসকষ্ট নিয়ে প্রথমে মারা গেল বড় ভাই। তার ৮ ঘণ্টা পর মারা যান ছোট ভাই। হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে মারা যান ছোট ভাই মো. শাহজাহান (৩২)। তিনি হাটহাজারী বাজারের এন জহুর মার্কেটের কাপড়ের দোকানের ব্যবসায়ী।
এর আগে দুপুরে মারা যান বড় ভাই মো. শাহ আলম (৩৬)। তিনি মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী। তারা হাটহাজারী পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের পূর্ব দেওয়ান নগর জোহরা বাপের বাড়ির মরহুম গোলাম রসুলের ছেলে। তাদের করুণ মৃত্যুতে হাটহাজারী পৌর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে এবং আইসিইউ না পাওয়ায় একরকম বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগ তুলেন তাদের স্বজনরা।
স্বজনরা জানান, করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে ৩০শে মে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন দুই ভাই। এরমধ্যে তাদের শ্বাসকষ্ট চরমে পৌঁছালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের আইসিইউতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। এরপর শুরু হয় আইসিইউর খোঁজ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে একের পর এক চট্টগ্রাম মহানগরীর সরকারি-বেসরকারি সবক’টি হাসপাতাল ঘুরে ঘুরে একটি আইসিইউ ভিক্ষা চাওয়া হয়। এ জন্য যত টাকা প্রয়োজন তত টাকা দিতেও রাজি ছিল পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু কোথাও আইসিইউ শয্যা খালি নেই বলে জানান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষগুলো। ফলে আইসিইউর অভাবে শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে হাসপাতালেই মারা যান বড় ভাই মো. শাহ আলম।
এরপর ছোট ভাইকে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠে পরিবারের সকলে। কিন্তু একটি আইসিইউ না পাওয়ার কারণে রাত ১০টার দিকে শ্বাসকষ্টে ভুগে মারা যান ছোট ভাই মো. শাহজাহানও।
স্বজনরা আরো জানান, শাহ আলম দুবাইয়ে সবজি ব্যবসা করতেন। গত জানুয়ারি মাসে ছুটিতে এসে লকডাউনে আটকা পড়ে আর দুবাইয়ে ফিরতে পারেননি তিনি। শাহ আলমের ৬ বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। অন্যদিকে তার ছোট ভাই শাহজাহানের রয়েছে হাটহাজারী বাজারে এন জহুর শপিং সেন্টার মার্কেটে একটি কাপড়ের দোকান। স্ত্রী ছাড়াও তার রয়েছে এক ও পাঁচবছর বয়সী দুটি সন্তান।
স্বজনদের অভিযোগ, ৩০শে মে চমেক হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর দুই ভাইয়ের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু আজ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট আসেনি। ফলে মৃত্যুর আগে তারা করোনা আক্রান্ত কিনা তাও জানতে পারলো না। তাদের করুণ মৃত্যুতে হাটহাজারীতে শোকের মাতম চলছে।
নিউজ ডেস্কঃ তালা থানায় ধর্ষণের মামলা করে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে ধর্ষিতার পরিবার। মামলা তুলে না নিলে আরও বড় ধরনের ক্ষতি করার হুঙ্কার দিচ্ছে তারা। বাড়ি থেকে বের হলেই নানা ভাবে হেনস্তা করছে তারা, দিচ্ছে অশ্রাব্য ভাষায় গালি-গালাজ।
মান সম্মানের ভয়ে তারা বাড়ি হতে বের হতে পারছে না ধর্ষিতার পরিবার। তালা উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য ও তালা রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক মীর জাকির হোসেন এলাকা পরিদর্শন ও এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য ইউপি সদস্য’সহ সাধারণ মানুষের সাথে মতবিনিময় করেছেন।
সরজমিন পরিদর্শনে জানা যায়, তালা উপজেলার জেয়ালা নলতা গ্রামের দিনমজুর আব্দুল আজিজের কন্যাকে ২৯মে’ ২০২০ ইং তারিখে সকাল ১১ টার সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে অসুস্থ মেয়েকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে লম্পট সোহাগ।
সে একই গ্রামের লম্পট হায়দার আলী সরদারের পুত্র। এলাকার মানুষের অভিযোগ হায়দার আলীও ঐ এলাকার চিহ্নিত লম্পট। তার অত্যাচারে রাতের বেলায় মহিলারা সম্ভ্রম হানির ভয়ে ঘর হতে বের হতে পারে না। তার লম্পটের সালিশ মীমাংসা অনেকবার করেছে এলাকার মানুষ। গত ৩০ মে ২০২০ ইং ধর্ষিতার পিতা আজিজ সরদার বাদী হয়ে তালা থানায় মামলা দায়ের করেন। যার নং -৮।
তালা থানা পুলিশ ভিকটিমকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করিয়েছেন। ধর্ষক পলাতোক থাকলেও থানায় মামলা করার কারণে বাড়িতে থাকা অন্যান্য আসামীরা নির্যাতিত পরিবারকে বিভিন্ন প্রকার হুমকি দিচ্ছে। লম্পট হায়দার আলী প্রকাশ্যে ধর্ষিতার মা আনজুয়ারাকে ধর্ষণের হুমকি দিচ্ছে বলে জানা গেছে। ফলে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে পরিবার। এলাকাবাসী বলেন, ধর্ষণের কথা জানাজানির পরে ধর্ষিতাকে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিগত ধর্ষকের বাড়িতে নিয়ে গেলে ধর্ষকের পিতা হায়দার আলী, মাতা আছমা বেগম, ভাই আফজাল সরদার, ফুপু ফরিদা বেগম ধর্ষিতাকে বেদম মারপিট করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। তারা আরও বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই জাতপুর ক্যাম্পের এস আই সাইদুর রহমানের ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মীর জাকির হোসেন বলেন, অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের প্রতি যে নিষ্ঠুরতা হয়েছে তা খুবই দুঃখ জনক। যে কোন বিবেকবান মানুষের উচিত হবে এই নিষ্ঠুরতার প্রতিবাদ করা। তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন ও তালা থানা অফিসার ইনচার্জ মেহেদী রাসেলের সাথে আমার কথা হয়েছে। আমাকে আশ্বস্ত করা ‘১হয়েছে অপরাধী যেই হোক তাকে ছাড় দেয়া হবে না। এই মামলাটি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি আমরা।
তালা থানা অফিসার ইনচার্জ মেহেদী রাসেল বলেন, ধর্ষিতার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি যতদ্রুত সম্ভব প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করার। চৌকস পুলিশ অফিসার কে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, আশাকরি অতিশীঘ্রই আসামী গ্রেফতার হবে। জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই প্রীতিষ বলেন, মামলাটি তদন্ত পর্যায়ে আছে। সঠিক তদন্তের স্বার্থে আমরা মূল আসামীকে গ্রেফতার করার চেষ্টা করছি। মূল আসামী গ্রেফতার হলে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।
বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শামীম আল ইমরান আজ (০৭জুন) বড়লেখা পৌরসভার হাজীগঞ্জ বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে মাস্ক না পরা ও স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন,২০১৮ আইনে ২৭ টি মামলায় ১০,১০০/= টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। এসময় মাস্ক বিহীন জনসাধারণের মধ্যে মাস্কও বিতরণ করা হয়। বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইয়াছিনুল হকের নেতৃত্ব বড়লেখা থানা পুলিশ মোবাইল কোর্ট কে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করেন।
|| ক্যান্সারে আক্রান্ত একজন প্রবাসী বাংলাদেশির শেষ ইচ্ছা পূরণ করে,মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত প্রতিষ্ঠা করলেন সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকেরা ||
রানা শিকদার,বয়স ৩২ বছর।একজন প্রবাসি কর্মী,একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা।বাড়ি নারায়ণগঞ্জে।সংসারে স্বাচ্ছন্দ্য আনতে ২০০৮ সালে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার আগেই চলে যান সিঙ্গাপুর। সিঙ্গাপুরে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে খেয়ে না খেয়ে পরিবার ও দেশের জন্য টাকা পাঠান।
মে মাসের শুরুর দিকে হঠাৎ রানার পেটে ব্যথা আর বমি শুরু হয়।পরীক্ষা নিরীক্ষার পর জানা গেল তার পাকস্থলীতে ক্যানসার। চিকিৎসকেরা জানালেন, একেবারে শেষ পর্যায়ে ক্যানসার,তাদের আর কিছু করার নেই।
রানা বলেন,”মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ল।সঙ্গে সঙ্গে মা আর ছেলের মুখটা ভেসে উঠল মনে’। ডাক্তারদের বললাম, যেহেতু বাঁচব না,তাই জীবনের শেষ কটা দিন পরিবারের সঙ্গে কাটাতে চাই। কিন্তু, ততদিনে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। বিমান চলাচল বন্ধ। ভেবেছিলাম, জীবনে হয়তো আর কোনো দিনই ছেলের মুখটা দেখতে পাব না। সারাক্ষণ কান্না করতাম”।
সিঙ্গাপুরের হাসপাতালের চিকিৎসক সিনথিয়া গুহ হঠাৎ রানার জীবনের গল্প শুনলেন।বললেন,‘দেখি কী করা যায়।’ সিনথিয়া বলেন,‘রানার শেষ ইচ্ছাটা (দেশে ফেরা) আমি জানতে পারি ১৫ মে। এক বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি বাংলাদেশ হাইকমিশনে যোগাযোগ করতে বললেন।যোগাযোগ করি,কিন্তু আশানুরূপ সাড়া পাইনি।এক পর্যায়ে হাসপাতালের একজন নার্স প্রস্তাব করেন, আমরা ক্রাউডসোর্সিংয়ের মাধ্যমে রানার জন্য ফান্ড তৈরি করতে পারি।
তার দল তখন রানাকে বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য সব ধরণের প্রচেষ্টা শুরু করে।
সিনথিয়া বলেন,”১০ জুনের আগে স্বাভাবিক ফ্লাইট চালু হওয়ার সম্ভাবনা নেই।কিন্তু ততদিনে অনেক দেরি হয়ে যাবে।আমি দ্রুত একটা মেডিকেল ইভাকুয়েশন কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করি। তারা জানায়, যদি সিঙ্গাপুরের স্থানীয় কেউ দায়িত্ব নেয়, তবে তারা রোগী ঢাকায় পৌঁছে দেবে। টাকা পরে দিলেও হবে। এরপর দ্রুত যোগাযোগ করি সিঙ্গাপুরের মাইগ্রেন্ট ওয়ার্কার্স সেন্টারে। তারা অভিবাসীদের অধিকার নিয়ে কাজ করে। আমরা ক্রাউডসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ফান্ড জোগাড়ের পুরো ব্যাপারটা তাদের বুঝিয়ে দেই”।
ডা.সিনথিয়া জানান,”যখন সব মোটামুটি গুছিয়ে আনা হচ্ছে,তখন বাংলাদেশ হাইকমিশন রানার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলল।তহবিল ছাড়াও, বাংলাদেশ হাই কমিশন রানা যে বাংলাদেশী তার প্রমাণ হিসাবে চাইলে সমস্যা দেখা দেয়।”
সিনথিয়া বাংলাদেশে রানার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে হাইকমিশনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেন।এরপর হাইকমিশন বলল,করোনা পরীক্ষার ফলাফলও জমা দিতে হবে।তাও দেওয়া হয়।এর পর এক শুক্রবার বাংলাদেশ হাইকমিশন জানায়,রানাকে বাংলাদেশের কোন হাসপাতাল গ্রহণ করবে তা তাদের জানাতে এবং ওই হাসপাতালের একটা চিঠি হাইকমিশনে পাঠাতে।
সিনথিয়িা বলেন,”সৌভাগ্যবশত, আমি বাংলাদেশে প্রায় ছয় বছরের মতো ক্যানসারের ওপর কাজ করেছি। তাই সেখানে আমার পরিচিত ডাক্তারদের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালযয়ে (বিএসএমএমইউ) যোগাযোগ করি। তারা রানাকে গ্রহণ করতে রাজি হয় এবং একটা চিঠিও পাঠায়।”
ডা.সিনথিয়া বলেন,”হাইকমিশনে ওই চিঠি জমা দেওয়ার পর তারা জানায়, বিশেষ বিমান অবতরণের জন্য সিভিল এভিয়েশনের অনুমতি লাগবে। আবার বাংলাদেশে যোগাযোগ করে অনুমতি জোগাড় করি। সবশেষে ২২ মে রাতে আমরা রানাকে তার জন্মভূমিতে,পরিবারের কাছে পাঠাতে সক্ষম হই।”
অবশেষে গত ২২ মে মধ্যরাতে প্রাইভেট বিমান চার্টার্ড এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে রানাকে পৌঁছে দেন বাংলাদেশে। তার সাথে এসেছেন হাসপাতালটির দু’জন ডাক্তারও।
রানাকে বিশেষ বিমানে বাংলাদেশে পাঠাতে খরচ হয় ৪৮ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার বা ৩১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। আর রানার জন্য ডা. সিনথিয়ারা যে তহবিল গঠন করেছিলেন মাত্র ৭২ ঘণ্টায় তাতে জমা পড়ে ৬০ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার বা ৩৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। বাকি টাকা খরচ হবে রানার পরিবারের কল্যানে।
বিএসএমএমইউ হাসপাতালের অনুমতি নিয়ে ২৩ মে দুপুরে নারায়ণগঞ্জে নিজ বাড়িতে চলে যান রানা শিকদার। আছেন পরিবারের সান্নিধ্যে।
কেন এতটা ঝামেলা নিলেন— জানতে চাইলে সিনথিয়া বলেন,”রানার চাওয়া তো খুব বেশি কিছু না।শুধু জীবনের শেষ কয়টাদিন পরিবারের সঙ্গে কাটাতে চেয়েছেন তিনি। মানুষ হিসেবে যদি এইটুকু না করতে পারতাম,তবে নিজেকে অপরাধী মনে হতো।”
আবেগাপ্লুত রানা বলেন,”আমার কাছে কৃতজ্ঞতা জানানোর কোনো ভাষা নেই,” তিনি নিশ্চিত সিনথিয়া গুহ এবং তার দলটি মানুষ ছিলেন না। “তারা ফেরেশতা।”
সীমাহীন কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ভালবাসা রইলো সিনথিয়া গুহ এবং সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকদের জন্যে।দোয়া করুন অসুস্থ রানা শিকদারের জন্যে। পরিশেষে বলতে চাই,যত প্রতিকুলতাই আসুক সর্বদাই জয় হোক মানবতার,জয় হোক উদার হৃদয়ের।
|| ক্যান্সারে আক্রান্ত একজন প্রবাসী বাংলাদেশির শেষ ইচ্ছা পূরণ করে,মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত প্রতিষ্ঠা করলেন সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকেরা ||
রানা শিকদার,বয়স ৩২ বছর।একজন প্রবাসি কর্মী,একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা।বাড়ি নারায়ণগঞ্জে।সংসারে স্বাচ্ছন্দ্য আনতে ২০০৮ সালে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার আগেই চলে যান সিঙ্গাপুর। সিঙ্গাপুরে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে খেয়ে না খেয়ে পরিবার ও দেশের জন্য টাকা পাঠান।
মে মাসের শুরুর দিকে হঠাৎ রানার পেটে ব্যথা আর বমি শুরু হয়।পরীক্ষা নিরীক্ষার পর জানা গেল তার পাকস্থলীতে ক্যানসার। চিকিৎসকেরা জানালেন, একেবারে শেষ পর্যায়ে ক্যানসার,তাদের আর কিছু করার নেই।
রানা বলেন,”মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ল।সঙ্গে সঙ্গে মা আর ছেলের মুখটা ভেসে উঠল মনে’। ডাক্তারদের বললাম, যেহেতু বাঁচব না,তাই জীবনের শেষ কটা দিন পরিবারের সঙ্গে কাটাতে চাই। কিন্তু, ততদিনে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। বিমান চলাচল বন্ধ। ভেবেছিলাম, জীবনে হয়তো আর কোনো দিনই ছেলের মুখটা দেখতে পাব না। সারাক্ষণ কান্না করতাম”।
সিঙ্গাপুরের হাসপাতালের চিকিৎসক সিনথিয়া গুহ হঠাৎ রানার জীবনের গল্প শুনলেন।বললেন,‘দেখি কী করা যায়।’ সিনথিয়া বলেন,‘রানার শেষ ইচ্ছাটা (দেশে ফেরা) আমি জানতে পারি ১৫ মে। এক বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি বাংলাদেশ হাইকমিশনে যোগাযোগ করতে বললেন।যোগাযোগ করি,কিন্তু আশানুরূপ সাড়া পাইনি।এক পর্যায়ে হাসপাতালের একজন নার্স প্রস্তাব করেন, আমরা ক্রাউডসোর্সিংয়ের মাধ্যমে রানার জন্য ফান্ড তৈরি করতে পারি।
তার দল তখন রানাকে বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য সব ধরণের প্রচেষ্টা শুরু করে।
সিনথিয়া বলেন,”১০ জুনের আগে স্বাভাবিক ফ্লাইট চালু হওয়ার সম্ভাবনা নেই।কিন্তু ততদিনে অনেক দেরি হয়ে যাবে।আমি দ্রুত একটা মেডিকেল ইভাকুয়েশন কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করি। তারা জানায়, যদি সিঙ্গাপুরের স্থানীয় কেউ দায়িত্ব নেয়, তবে তারা রোগী ঢাকায় পৌঁছে দেবে। টাকা পরে দিলেও হবে। এরপর দ্রুত যোগাযোগ করি সিঙ্গাপুরের মাইগ্রেন্ট ওয়ার্কার্স সেন্টারে। তারা অভিবাসীদের অধিকার নিয়ে কাজ করে। আমরা ক্রাউডসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ফান্ড জোগাড়ের পুরো ব্যাপারটা তাদের বুঝিয়ে দেই”।
ডা.সিনথিয়া জানান,”যখন সব মোটামুটি গুছিয়ে আনা হচ্ছে,তখন বাংলাদেশ হাইকমিশন রানার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলল।তহবিল ছাড়াও, বাংলাদেশ হাই কমিশন রানা যে বাংলাদেশী তার প্রমাণ হিসাবে চাইলে সমস্যা দেখা দেয়।”
সিনথিয়া বাংলাদেশে রানার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে হাইকমিশনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেন।এরপর হাইকমিশন বলল,করোনা পরীক্ষার ফলাফলও জমা দিতে হবে।তাও দেওয়া হয়।এর পর এক শুক্রবার বাংলাদেশ হাইকমিশন জানায়,রানাকে বাংলাদেশের কোন হাসপাতাল গ্রহণ করবে তা তাদের জানাতে এবং ওই হাসপাতালের একটা চিঠি হাইকমিশনে পাঠাতে।
সিনথিয়িা বলেন,”সৌভাগ্যবশত, আমি বাংলাদেশে প্রায় ছয় বছরের মতো ক্যানসারের ওপর কাজ করেছি। তাই সেখানে আমার পরিচিত ডাক্তারদের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালযয়ে (বিএসএমএমইউ) যোগাযোগ করি। তারা রানাকে গ্রহণ করতে রাজি হয় এবং একটা চিঠিও পাঠায়।”
ডা.সিনথিয়া বলেন,”হাইকমিশনে ওই চিঠি জমা দেওয়ার পর তারা জানায়, বিশেষ বিমান অবতরণের জন্য সিভিল এভিয়েশনের অনুমতি লাগবে। আবার বাংলাদেশে যোগাযোগ করে অনুমতি জোগাড় করি। সবশেষে ২২ মে রাতে আমরা রানাকে তার জন্মভূমিতে,পরিবারের কাছে পাঠাতে সক্ষম হই।”
অবশেষে গত ২২ মে মধ্যরাতে প্রাইভেট বিমান চার্টার্ড এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে রানাকে পৌঁছে দেন বাংলাদেশে। তার সাথে এসেছেন হাসপাতালটির দু’জন ডাক্তারও।
রানাকে বিশেষ বিমানে বাংলাদেশে পাঠাতে খরচ হয় ৪৮ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার বা ৩১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। আর রানার জন্য ডা. সিনথিয়ারা যে তহবিল গঠন করেছিলেন মাত্র ৭২ ঘণ্টায় তাতে জমা পড়ে ৬০ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার বা ৩৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। বাকি টাকা খরচ হবে রানার পরিবারের কল্যানে।
বিএসএমএমইউ হাসপাতালের অনুমতি নিয়ে ২৩ মে দুপুরে নারায়ণগঞ্জে নিজ বাড়িতে চলে যান রানা শিকদার। আছেন পরিবারের সান্নিধ্যে।
কেন এতটা ঝামেলা নিলেন— জানতে চাইলে সিনথিয়া বলেন,”রানার চাওয়া তো খুব বেশি কিছু না।শুধু জীবনের শেষ কয়টাদিন পরিবারের সঙ্গে কাটাতে চেয়েছেন তিনি। মানুষ হিসেবে যদি এইটুকু না করতে পারতাম,তবে নিজেকে অপরাধী মনে হতো।”
আবেগাপ্লুত রানা বলেন,”আমার কাছে কৃতজ্ঞতা জানানোর কোনো ভাষা নেই,” তিনি নিশ্চিত সিনথিয়া গুহ এবং তার দলটি মানুষ ছিলেন না। “তারা ফেরেশতা।”
সীমাহীন কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ভালবাসা রইলো সিনথিয়া গুহ এবং সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকদের জন্যে।দোয়া করুন অসুস্থ রানা শিকদারের জন্যে। পরিশেষে বলতে চাই,যত প্রতিকুলতাই আসুক সর্বদাই জয় হোক মানবতার,জয় হোক উদার হৃদয়ের।
দারিদ্রতার কষাঘাতে ঝর্ঝরিত হয়েছেন বারংবার কিন্তু দারিদ্রতা কখনো থামিয়ে দিতে পারেনি স্বপ্ন জয়ের যাত্রা।অজপাড়াগাঁ থেকে বেড়ে ওঠা একটি পুষ্প আপন আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে সুগন্ধ ছড়াচ্ছে দেশের একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে।করোনা যুদ্ধে সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন সুনামগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের চেয়ারে বসে।
হ্যাঁ বলছিলাম শ্রদ্ধাস্পদ আঙ্কেল জয়নাল আবেদীনের কথা।তিনি বড়লেখা উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের করমপুর গ্রামের আলো-বাতাস গায়ে মেখেই বড় হয়েছেন। আব্বা প্রায়ই আঙ্কেলের সফলতার গল্প করতেন।তিনি স্থানীয় করমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন।১৯৯৮ সালে শাহবাজপুর উচ্চবিদ্যালয় থেকে প্রথম বিভাগে মাধ্যমিক পাশ করে ২০০১ সালে বড়লেখা সরকারি কলেজ থেকে দ্বিতীয় বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন।এবং সিলেট মুরারী চাঁদ কলেজ থেকে গণিত বিভাগে স্নাতক সম্মান এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন।
মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে যেনো নুন আনতে পান্তা ফুরায়।জীবনে অনেক ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করতে হয়েছে।তৃতীয় শ্রেণীর কেরানির চাকুরী নিয়ে কর্ম জীবনের অভিষেক হয়েছিলো।কিন্তু স্বপ্ন ছিলো একদিন বিসিএস ক্যাডার হয়ে প্রথম শ্রেণীর চাকুরী করবেন। বাস্তবেও তাই হয়েছে।তিনি সুন্দরের স্বপ্ন দেখতেন।সফলতার স্বপ্ন দেখতেন।স্বপ্নহীন জীবন মরিচীকার মতো।তাই স্বপ্ন গুলোকে বাস্তবতার রূপ দিতে করেছেন কঠিন অধ্যবসায়।যার দরুন আজ তিনি হয়েছেন প্রজন্মের কাছে এক প্রেরণার পিরামিড।এ যেনো ক্লান্তিহীন এক নাবিকের গল্প।সফলতার নাও বাইতে গিয়ে তিনি বিসিএসে তৃতীয়বার অকৃতকার্য হয়েও থেমে যাননি।চতুর্থ বার চেষ্টা করেছেন এবং সফলও হয়েছেন।
বর্তমানে তিনি সুনামগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের দায়ীত্ব পালন করছেন।নৈতিকতা, ধার্মিকতা, এবং যথাযথ দায়িত্ব পালন করে ইতিমধ্যেই সুনাম কুড়িয়েছেন বিভিন্ন জায়গায়।আঙ্কেলের এই সফলতা শাহবাজপুর তথা পুরো বড়লেখাবাসীর জন্য গৌরবের।আমরা বিশ্বাস করি আঙ্কেল উনার দায়িত্বপালনের ক্ষেত্রে সেরাটা দিয়ে পদোন্নতি নিয়ে একদিন আরো অনেক বড় হবেন।
লেখক-শিক্ষার্থী অনার্স,রাষ্ট্রবিজ্ঞান। বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ।
নিউজ ডেস্কঃ সিলেট নগরীর ৪টি হাসপাতালে ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে মারা গেছেন বন্দরবাজার এলাকার এক ব্যবসায়ী। শুক্রবার সকালে হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেন না পেয়ে চিকিৎসার অভাবেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন বন্দরবাজারের আর এল ইলেকট্রনিকের স্বত্বাধিকারী ও সিলেট নগরীর কুমারপাড়ার বাসিন্দা ইকবাল হোসেন খোকা (৫৫)। চিকিৎসা না পেয়ে বাবাকে হারানো ছেলে এই হৃদয় বিদারক ঘটনার বর্নণা করেছেন শুধুমাত্র অন্য কারো পরিবারে যাতে এরকম ঘটনা না ঘটে। ইকবাল হোসেন খোকার ছেলে তিহাম জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তার বাবার বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। তখন তিনি প্রথমেই সোবাহানীঘাট এলাকার একটি হাসাপাতালে এম্বুলেন্সের জন্য কল করেন। এম্বুলেন্স বাসায় আসার পর দেখা যায় এর সাথে যে অক্সিজেন সিস্টেম রয়েছে সেটি ভাঙ্গা। তাই এই অবস্থায়ই রোগীকে সোবাহানীঘাটের ঐ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি বার বার তাদেরকে অক্সিজেনের ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করলেও তারা রোগীকে রেখে নিয়মকানুন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যান। এক পর্যায়ে জানান তারা রোগীকে রাখবেন না, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে নিয়ে যেতে। অনেক অনুরোধ করার পরও তারা অক্সিজেনের ব্যবস্থা করে দেন নি। পরে আমরা রোগীকে নিয়ে দক্ষিণ সুরমার নর্থ ইস্ট হাসপাতালে যাই। সেখানে গেলে কর্তৃপক্ষ জানান তাদের হাসপাতালে সিট নেই, রোগীর চিকিৎসা দেয়া সম্ভব নয়। তখন আমরা পরিচিত এক চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করি। তিনি আমাদের পরামর্শ দেন শহীদ ডা. শামসুদ্দিন হাসপাতালে যাওয়ার জন্য। তিহাম অভিযোগ করে বলেন, শামসুদ্দিন হাসপাতালে গিয়ে তারা সবকিছু বন্ধ পান। ১০-১৫ মিনিট পরে এক নিরাপত্তাকর্মী এসে জানান হাসপাতালের সবাই ঘুমে। অন্য কোথাও রোগীকে নিয়ে যেতে। তখন তারা সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দিকে রওয়ানা হন। সেখানে জরুরী বিভাগে যাওয়ার পর তারা সিসিইতে নিয়ে একটি ইসিজি করেন। এরপরই হাসপাতালের ইর্মাজেন্সিতে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমার বাবাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। দেশের সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে কোভিড-১৯ রোগীদেরও চিকিৎসা দেয়ার সরকারি নির্দেশনা থাকার পরও শংকটাপন্ন অবস্থায় সিলেটের কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতাল ভর্তি না করায় ক্ষোভ জানিয়েছেন মারা যাওয়া রোগীর পরিবারের স্বজনরা। এরআগে, গত ৩১ মে দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্টে ভোগা নগরীর কাজীটুলা এলাকার বাসিন্দা এক নারী অসুস্থ হলে সিলেটের ৬টি বেসরকারী হাসপাতাল ঘুরেও চিকিৎসা পাননি। পরে ওসমানী হাসপাতালে যাওয়ার পথে তারও মৃত্যু হয়। একই দিনে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে স্ট্রোক করে সিলেটে আসা এক রোগী ৭টি হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে মারা যান। এদিকে, এই দুটি ঘটনার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোকে সতর্ক করে চিঠি দেয়া হলেও আবারো ঘটল প্রায় একই ধরণের ঘটনা। সূত্র: সিলেটভিউ২৪ডটকম/৫ জুন ২০২০
নিউজ ডেস্কঃ সিলেট নগরীর ৪টি হাসপাতালে ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে মারা গেছেন বন্দরবাজার এলাকার এক ব্যবসায়ী। শুক্রবার সকালে হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেন না পেয়ে চিকিৎসার অভাবেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন বন্দরবাজারের আর এল ইলেকট্রনিকের স্বত্বাধিকারী ও সিলেট নগরীর কুমারপাড়ার বাসিন্দা ইকবাল হোসেন খোকা (৫৫)। চিকিৎসা না পেয়ে বাবাকে হারানো ছেলে এই হৃদয় বিদারক ঘটনার বর্নণা করেছেন শুধুমাত্র অন্য কারো পরিবারে যাতে এরকম ঘটনা না ঘটে। ইকবাল হোসেন খোকার ছেলে তিহাম জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তার বাবার বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। তখন তিনি প্রথমেই সোবাহানীঘাট এলাকার একটি হাসাপাতালে এম্বুলেন্সের জন্য কল করেন। এম্বুলেন্স বাসায় আসার পর দেখা যায় এর সাথে যে অক্সিজেন সিস্টেম রয়েছে সেটি ভাঙ্গা। তাই এই অবস্থায়ই রোগীকে সোবাহানীঘাটের ঐ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি বার বার তাদেরকে অক্সিজেনের ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করলেও তারা রোগীকে রেখে নিয়মকানুন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যান। এক পর্যায়ে জানান তারা রোগীকে রাখবেন না, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে নিয়ে যেতে। অনেক অনুরোধ করার পরও তারা অক্সিজেনের ব্যবস্থা করে দেন নি। পরে আমরা রোগীকে নিয়ে দক্ষিণ সুরমার নর্থ ইস্ট হাসপাতালে যাই। সেখানে গেলে কর্তৃপক্ষ জানান তাদের হাসপাতালে সিট নেই, রোগীর চিকিৎসা দেয়া সম্ভব নয়। তখন আমরা পরিচিত এক চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করি। তিনি আমাদের পরামর্শ দেন শহীদ ডা. শামসুদ্দিন হাসপাতালে যাওয়ার জন্য। তিহাম অভিযোগ করে বলেন, শামসুদ্দিন হাসপাতালে গিয়ে তারা সবকিছু বন্ধ পান। ১০-১৫ মিনিট পরে এক নিরাপত্তাকর্মী এসে জানান হাসপাতালের সবাই ঘুমে। অন্য কোথাও রোগীকে নিয়ে যেতে। তখন তারা সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দিকে রওয়ানা হন। সেখানে জরুরী বিভাগে যাওয়ার পর তারা সিসিইতে নিয়ে একটি ইসিজি করেন। এরপরই হাসপাতালের ইর্মাজেন্সিতে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমার বাবাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। দেশের সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে কোভিড-১৯ রোগীদেরও চিকিৎসা দেয়ার সরকারি নির্দেশনা থাকার পরও শংকটাপন্ন অবস্থায় সিলেটের কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতাল ভর্তি না করায় ক্ষোভ জানিয়েছেন মারা যাওয়া রোগীর পরিবারের স্বজনরা। এরআগে, গত ৩১ মে দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্টে ভোগা নগরীর কাজীটুলা এলাকার বাসিন্দা এক নারী অসুস্থ হলে সিলেটের ৬টি বেসরকারী হাসপাতাল ঘুরেও চিকিৎসা পাননি। পরে ওসমানী হাসপাতালে যাওয়ার পথে তারও মৃত্যু হয়। একই দিনে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে স্ট্রোক করে সিলেটে আসা এক রোগী ৭টি হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে মারা যান। এদিকে, এই দুটি ঘটনার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোকে সতর্ক করে চিঠি দেয়া হলেও আবারো ঘটল প্রায় একই ধরণের ঘটনা। সূত্র: সিলেটভিউ২৪ডটকম/৫ জুন ২০২০
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় নতুন করে আরও দুজন স্বামী স্ত্রী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তারা উপজেলার বারইগ্রাম এলাকার বাসিন্দা। আক্রান্ত স্বামীর বয়স ২৬ বছর আর স্ত্রীর ২১ বছর। শুক্রবার রাতেই উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করে। আক্রান্তরা নিজেদের বাড়িতে আইসোলোশনে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদীপ বিশ্বাস শুক্রবার রাতে সাংবাদিকদের বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে করোনার উপসর্গ জ্বর-কাশি থাকাতে গত ৩১ মে তাদের নমুনা সংগ্রহে করে ঢাকায় ল্যাবে পাঠানো হয়েছিল। আজ রাতে তাদের রিপোর্ট এসেছে। দুজনেরই করোনা ভাইরাস উপসর্গ পজিটিভ হয়েছে। তারা বর্তমানে বাড়িতে অবস্থান করেছেন। দ্রুত প্রশাসনিকভাবে তাদের বাড়ি লকডাউন করা হবে।
দেশের জন্য বেঁচে থাকা, মানুষের জন্য মানবতা এই বানীকে ধারন করে দেশ, মানুষ, সমাজ ও পরিবেশের সার্বিক কল্যানকে সামনে:‘আত্মার কাছে দায়বদ্ধতায়, হাতে রাখি হাত’ এ স্লোগান নিয়ে ২০২০ সালের মার্চ মাসে বড়লেখা উপজেলা ব্যাপী প্রতিষ্টিত হয় “মাববিক যাত্রা ” নামক সেচ্ছাসেবী সংগঠন। এরই বাস্তব প্রমাণ হতে পারে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষুদ্র প্রয়াসের মাধ্যম ‘সহযোগীতা করা’’প্রতিষ্ঠার পর সারা মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় প্রশংসিত হতে থাকে তাদের কার্যক্রম। গত করোনা প্রাদুর্ভাবে সুবিধাবঞ্চিতদের মধ্যে বন্ধু হয়ে কাজ করে পরিচিত হয়েছিলেন।এ লক্ষ্যেই উপজেলা সুবিধাবঞ্চিতদের স্বার্থে অসহায়, নিপীড়িত এবং দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়াতে বড়লেখা বাজারের বিশিষ্ট ব্যাবসায়ি কিড’স ফেয়ার এর সত্বাধিকারী জাবের আহমদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠে “মানবিক যাত্রা ” মানবিক যাত্রায় পরামর্শক দাতা রয়েছেন তারা হলেন,তুহিন অাহমদ,তোহাহিদুর রহমান টিপু,ইকবাল হোসেন,শিমুল চৌধুরী,অাব্দুর রহমান,কামরুল ইসলাম,মুবিন মোহাম্মদ, তারেক হাসনাত,সাইফুল ইসলাম জিবু,ইকবাল হোসাইন, অাইনুল ইসলাম,শাহিদুর রহমান জুনেদ তাহমিদ ইশাদ রিপন। এই একত্রীকরণ আর ভালো কাজ করার অঙ্গীকার নিয়ে জন্ম হয়।শুরু হয় মানবসেবার আগামীর পথচলা।
ছোট্ট পরিসরে জন্ম নেওয়া ওই সংঘঠনটির পরিধি এখন অনেক বড়। অনেক যত্নে বোনা ছোট্ট গাছটি যেন আজ বটবৃক্ষ। এখন তার অনেক ডালপালা উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের গ্রাম পর্যন্ত।এই গাছের ছায়ায়ই প্রাণ জুড়ান সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশু এবং অসহায়, নিপীড়িত এবং দুস্থ মানুষেরা। সংগঠনটি ‘আত্মার কাছে দায়বদ্ধতায় হাতে রাখি হাত’ স্লোগান নিয়ে শুরু তাদের কার্যক্রম।
সংগঠনটির একদল উচ্ছ¡ল, স্বাপ্নিক তরুণ-তরুণী সদস্যরা মানবসেবার ব্রত নিয়ে স্বার্থহীন মানসিকতার স্বপ্নকে ধারণ করে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা,অসহায় শিক্ষিত নারী সমাজকে শিলাই মিশিন প্রদান করা,অসহায় রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবাও, অসুস্থ কাউকে মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরিয়ে আনার সম্মিলিত প্রচেষ্টা করবেন। এছাড়া জবুথবু শীতের কাঁপুনি থেকে রক্ষায় হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীকে এক টুকরো উষ্ণতা দেওয়ার জন্য হলে ঘুরে শীতবস্ত্র সংগ্রহ করে বিতরণ করবেন, বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মুহূর্তে আর্তমানবতার সেবায় প্রসারিত করবেন তাদের সেবার হাত। এই সংগঠনটি ইতিমধ্যে অনেক সামাজিক কাজে ভুমিকা রেখেছে ।বর্তমানে করোনা কালীন সময়ে অনেক অসহায় ও খেটে খাওয়া মানুষের মধ্যে খাদ্য সহায়তা ও নগদ অর্থ উপহার দেয়া হয়েছে যা “মানবিক যাত্রার” এর ফেসবুক পেইজ এ ছবিসহ পোস্ট বিদ্যমান রয়েছে। এবং খুব শীগ্রই সেলাই মেশিন বিবরণ করা হবে।সকল বিত্তবান ভাইদের সহযোগিতা কামনা করেন।
ঝড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটি পড়ে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর করমপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হতদরিদ্র লায়লা বেগমের পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই । পরিবার নিয়ে কোনমতে বসবাস করার শেষ সম্বল কুঁড়েঘরটি হারিয়ে প্রতিবেশীর ঘরে আশ্রয় নেওয়া দুর্গত এই পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়েছে বড়লেখা উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৪ মে) দুপুরে দুর্গত পরিবারটির জন্য অর্থ ও খাদ্য সহায়তা নিয়ে উপস্থিত হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মো. শামীম আল ইমরান। এসময় দ্রুততম সময়ের মধ্যে নতুন ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার জন্য ঝড়ে দুর্গত পরিবারটিকে আশ্বাস প্রদান করেন ।
জানা গেছে, গতকাল বুধবার বিকেলের দিকে সৃষ্ট ঝড়ে বড়লেখা উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের করমপুর গ্রামের মৃত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হতদরিদ্র লায়লা বেগমের কুঁড়েঘরে পাশে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটি পড়ে যায়। এসময় কেউ হতাহত না হলেও বসতঘর সম্পূর্ণ লণ্ডভণ্ড হয়েছে। এতে পরিবারটি প্রতিবেশীর বাড়িতে আশ্রয় নেয়।
এদিকে খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরান। পরে তিনি পরিবারটির হাতে পাঁচ হাজার টাকার চেক ও ২০কেজি চাল, ৫ কেজি আলু, ২কেজি ডাল, ২ কেজি পেয়াজ এবং ১ কেজি তেল তুলে দেন।
এসময় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, ৪নংউত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত (ইউপি) চেয়ারম্যান সেলিম আহমদ খান, ইউপি সদস্য বদরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শামীম আল ইমরান জানান, ‘ঝড়ে পরিবারটি ঘর হারিয়েছে। তাদের থাকার কোনো জায়গা নেই। অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। স্থানীয় সাংসদ ও সরকারের মাননীয় পরিবেশ বন জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিনের নির্দেশনায় তাদেরকে প্রাথমিকভাবে ৫হাজার টাকার চেক ও কিছু খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে । আজকের মধ্যেই ভাঙ্গা বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণ করার জন্য বড়লেখা জোনাল পল্লী বিদ্যুৎ- এর ডিজিএমকে অনুরোধ করা হয়েছে । কালকেই তাদের থাকার জন্য একটি ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।’
এবাদুর রহমান জাকিরঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ট্রান্সফরমারসহ বিদ্যুতের একটি খুঁটি ভেঙে পড়ে একটি বসতঘর দুমড়েমুচড়ে গেছে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন ওই বসতঘরের বাসিন্দারা।
বুধবার (৩ জুন) দুপুরের দিকে উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের করমপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে পল্লী বিদ্যুত সমিতি বড়লেখা আঞ্চলিক কার্যালয়ের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে আশপাশের এলাকা ঝুঁকিমুক্ত করলেও খুঁটিটি ঘরের ওপর থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়নি।
স্থানীয় ও পল্লী বিদ্যুত কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে ঝড় আসে। এসময় মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের করমপুর গ্রামে পল্লী বিদ্যুতের সিঙ্গেল ফেজের একটি লাইনের ওপর গাছ পড়ে। লাইনের ওপর গাছ পড়লে অদূরে লয়লা বেগমের বসতঘর ঘেঁষা ১০ কেভি ট্রান্সফরমারসহ খুঁটি ভেঙে ঘরের ওপর পড়ে। এতে বসতঘরটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এ সময় ঘরে থাকা বাসিন্দারা তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে আসেন। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান বাসিন্দারা। তবে তাড়াহুড়ো করে বের হতে গিয়ে পরিবারের দুজন সদস্য আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পল্লী বিদ্যুত সমিতি বড়লেখা আঞ্চলিক কার্যালয়ের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে আশপাশের এলাকা ঝুঁকিমুক্ত করে। তবে ভাঙা খুঁটিটি ঘরের ওপর থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়নি। বুধবার রাত সাড়ে ১০ টায় এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত খুঁটিটি ঘরের ওপর ছিল। দুমড়েমুচড়ে যাওয়া ওই ঘরের বাসিন্দারা পাশের ঘরে আশ্রয় নিয়েছেন।
বাড়ির বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বিদ্যুত লাইনের কাজ করার সময় বসত ঘরের লাগোয়া খুঁটি বসানো হয়। ওই খুঁটিতে ট্রান্সফরমারও লাগানো হয়। বাড়ির অদূরেও আরেকটি খুঁটি বসানো হয়। কিন্তু এগুলো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। আপত্তি জানালেও তখন লাইন টেনে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছিল। এরপর ঝুঁকিপূর্ণ একটি খুঁটি সরানোর জন্য লিখতি আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটিটি সরানো হয়নি। এরই মধ্যে একটি খুঁটি ভেঙে বসতঘরের ওপর পড়ে।
বসতঘরের বাসিন্দা লয়লা বেগম বলেন, ‘দুপুরে তুফান আইছে। কারেন্টের লাইনে গাছ পড়িয়া বড় খুঁটিত টান খাইছে। ইটাত ট্রান্সফরমার আছিল (ছিল)। আমার এক ছেলে বাইরে কামো আছিল (কাজে ছিল)। হে দেখছে লাইনে আগুন ধরিয়া ঘরোর উপর খুঁটি পড়ি যার। হে চিক (সে চিৎকার) দিছে। আমরা দৌড়াইয়া সব ঘর থাকি বারইছি। লাগা লাগ (পাশাপাশি) ঘরে আমরা ১৫ তাকি ২০ জন মানুুষ থাকি। আল্লায় বাঁচাইছইন। বিদ্যুতের মানুষ আইছইন। দেখিয়া লাইন কাটিছইন। খুঁটি রইছে। আমরা অন্য ঘরে উঠছি। গরিব মানুষ। ঘর বানানির ঠেকা (টাকা) নাই। সবতা ভাঙিয়া গেছে। কিলা ঘর বানাইতাম চিন্তাত আছি।’
স্থানীয় ইউপি সদস্য বদরুল আহমদ বলেন, ‘অল্পের জন্য বড় ধরণের দূর্ঘটনা থেকে মানুষ রক্ষা পেয়েছেন। আমি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। এখানে ঝুঁকিপূর্ণ একটি খুঁটি সরানোর জন্য স্থানীয় বাসিন্দারা লিখিতভাবে আবেদন দিয়েছেন। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না পল্লী বিদ্যুৎ অফিস। এর মধ্যে একটি খুঁটি ঝড়ে বসতঘরের উপর পড়ে ভেঙেছে। খুঁটিটি ঘরের লাগোয়া ছিল। গাফিলতি না করে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।’
এ বিষয়ে মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির-বড়লেখা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ
মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. এমাজ উদ্দিন সরদার বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় মুঠোফোনে বলেন, ‘ভেঙে পড়া খুঁটিতে ১০ কেভির ট্রান্সফরমার ছিল। খুঁটির অদূরের লাইনে গাছ পড়ে ওটাতে টান খেয়ে ভেঙে গেছে। আল্লাহ রক্ষা করেছেন। কেউ হতাহত হয়নি। লোকজন দেখে এসেছে। বৃহস্পতিবার খুঁটি সরানো হবে। খুঁটিটি ঘরের লাগোয়া ছিল। অনেক বছর আগে লাইন নির্মাণ হয়। তখন ডিজাইন অনুযায়ী হয়েছে। অন্য খুঁটি সরানোর লিখিত আবেদনের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমরা সরেজমিনে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি।’
এবাদুর রহমান জাকিরঃ বিয়ানীবাজারে নতুন করে আরও ৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে প্রবাসী অধ্যুষিত এ উপজেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ২ জনসহ মোট ১৭ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন প্রথম শনাক্ত হওয়া ৫জন।
নতুন ৫ জন শনাক্ত হওয়ার বিষয়টি বুধবার রাতে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. আবু ইসহাক আজাদ।
তিনি বলেন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে নতুন ৫ জনের শরীরে করোনাভাইরাস পজেটিভ ধরা পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, আক্রান্তদের মধ্যে করোনা রোগীর সংস্পর্শে আসা ও কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের শিকার রোগীও রয়েছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, নতুন আক্রান্ত সকলেই পৌরসভার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। এর মধ্যে একজন নারী ও একজন ব্যাংক কর্মকর্তাও রয়েছেন। আক্রান্তরা হলেন, খাসাড়ীপাড়া এলাকার ৪৫ বছরের একজন, খাসার ২৭ বছরের এক যুবক, নয়াগ্রামের ২৫ বছর বয়সের একজন ও ২৭ বছরের এক যুবক এবং অন্যজন হলেন সুপাতলা এলাকার ৩০ বছরের এক যুবক।
এম.এম আতিকুর রহমানঃ মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার লাঠিটিলা সীমান্তে ভারতের করিমগঞ্জ জেলার পাথারকান্দি থানার পুঁথনি চা বাগানের চম্পাবাড়ী এলাকায় ভারতে অনুপ্রবেশ ও গরুচোর সন্দেহে এক বাংলাদেশীকে পিটিয়ে হত্যা ও অপর এক বাংলাদেশীসহ তিনজনকে পিটিয়ে আহত করার খবর পাওয়া গেছে। গত বুধবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিজিবি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৫২ ব্যাটালিয়ন বিয়ানীবাজার-এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মো. শহীদুল্লাহ বুধবার বিকেলে সাংবাদিকদের বলেন, বিএসএফ বিষয়টি আমাদের জানিয়েছে। তবে ভূল তথ্যের কারণে নিহত ও আহতের পরিচয় বের করা যায়নি। বর্তমানে পরিচয়ের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে লাশ দেশে আনা হবে।
নিহতের নাম রনজিৎ রিকমন (৩০) সে জুড়ী উপজেলার পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়নের ধামাই চা বাগানের শ্রমিক এবং বাজারটিলা এলাকার রশিক লাল রিকমুনের পুত্র। আহত মলেন মুন্ডা (৩২) একই উপজেলার শিলুয়া চা বাগানের ফাঁড়ি কুচাই চা বাগানের মৃত গাজু মুন্ডার পুত্র। অপর দুইজন ভারতীয় নাগরিক বলে জানাগেছে। ভারতের করিমগঞ্জ হাসপাতালে নিহতের লাশের ময়নাতদন্ত হয় এবং আহতরা একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে এলাকাবাসীর সূত্রে জানা গেছে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৫২ ব্যাটালিয়ন লাঠিটিলা সীমান্ত ফাঁড়ির কোম্পানী কমান্ডার ল্যান্স নায়েক জাকির হোসেন জানান, সোমবার সন্ধ্যায় ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ আমাদের একটি চিঠি দিয়ে জানায় বাংলাদেশের দুইজন লোক ভারতে অনুপ্রবেশ করে গরু চুরিকালে স্থানীয় জনতা তাদের গণপিঠুনি দেয়। এতে এক জন বাংলাদেশী নিহত ও অপরজন আহত হয়। বিএসএফ নিহতের লাশ আনতে বলে। আমরা তাদের পরিচয় জানতে চাইলে বিএসএফ আমাদের দু’টি ঠিকানা দেয়। আমরা দুই্ দিন তন্ন তন্ন করে খোঁজে ঠিকানার কোন অস্থিত্ব পাওয়া যায়নি। তাদের দেয়া নাম, ঠিকানা সঠিক ছিল না।
এদিকে বুধবার জুড়ীর স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের অনুসন্ধানে ভারতীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতায় তাদের ছবি ও পরিচয় পাওয়া যায়। নিহত রনজিৎ পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়নের বাসিন্দা বলে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শ্রীকান্ত দাস নিশ্চিত করেন। এছাড়া আহত মলেন মুন্ডার পরিচয় নিশ্চিত করে কুচাই এলাকাবাসী জানান, সে উপজেলার পূূর্বজুড়ী ইউনিয়নের জামকান্দি এলাকায় বিয়ে করে সেখানে শ্বশুর বাড়ীতে বসবাস করতো। এ নিয়ে এলাকায় উদ্বেগ উৎকন্ঠা বিরাজ করছে।
বিশেষ প্রতিবেদন :: বিদেশে পাঠানোর নামে ৩৬ বাংলাদেশি নাগরিককে ভূমধ্যসাগরে ট্রলার ডুবিতে নিহত মামলার প্রধান আসামি রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৯।
সিলেটের বিশ্বনাথ থেকে সোমবার বিকালে তাকে গ্রেফতার করা হয়। র্যাব-৯ এর মুখপাত্র এএসপি ওবাইন গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের জানান, আসামি রফিকুল ইসলাম মানবপাচার সংক্রান্ত ৬ মামলার আসামি। আসামিকে র্যাবের হেফাজতে রয়েছে। ২০১৯ সালের ১১ মে ট্রলার ভূমধ্যসাগরে ট্রলার ডুবির ট্র্যাজেডিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন ৩৬ বাংলাদেশি।
জানা যায়, দেশের মানবপাচার চক্রের অন্যতম শীর্ষ আসামি রফিকুলের বিরুদ্ধে মামলা করায় বাদীকে অস্ত্র দিয়ে মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করেছিল মানবপাচারকারী চক্র। এ ব্যাপারে রফিকুলসহ তার ৫ সহযোগীর বিরুদ্ধে বিশ্বনাথ থানায় ২০১৯ সালের ২৮ নভেম্বর মামলা দায়ের করা মামলা নং ২১।
উপজেলার নওধার মাঝপাড়া গ্রামের ইলিয়াস আলীর পুত্র রেজাউল ইসলাম রাজু মামলাটি দায়ের করেছিলেন। এতে মামলার প্রধান আসামী উপজেলার কাঠালীপাড়া গ্রামের মৃত চমক আলীর পুত্র রফিকুল ইসলামকে প্রধান আসামি ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলার তেতলী চেরাগী গ্রামের সৈয়দ আলীর পুত্র শাহিন আহমদকে আসামি করা হয়।
এই মামলায় গ্রেফতার করা হয় মানবপাচার চক্রের মূল হোতা রফিকুলের সহযোগী রাজনগর গ্রামের মৃত আতর আলীর পুত্র আবদুল কাদির, রামপাশা গ্রামের মৃত আবদুল মানিকের পুত্র আলী হায়দার মহুরী, বিশ্বনাথ নতুন বাজার এলাকার বাসিন্দা আসু মিয়ার পুত্র আবুল কালামকে।
এদিকে ২০১৯ সালের ১৬ মে মানব পাচার প্রতিরোধ দমন আইনে আরেকটি মামলাও হয় রফিকুলের বিরুদ্ধে মামলা নং ৮। মানব পাচার ও ইউরোপ নেওয়ার শর্তে অনেককে আশাবাদী করে কোটি টাকার লোপাট হওয়ার ঘটনা নিত্য নতুন নয়। বিশেষত সিলেটের বিয়ানীবাজার, মৌলভীবাজার ও বড়লেখায় মানবপাচার ও বিদেশে পাঠানোর নামে একটি অপশক্তি সিন্ডিকেট কাজ করছে। প্রবাসী বন্ধু খ্যাত বড়লেখার মোসকে আম্বরের আহমেদ রিয়াজ এই অপশক্তির কর্ণধার। সম্প্রতি একটি মামলায় পলাতক আহমেদ রিয়াজকে সিলেট চীফ জুডিশিয়াল আদালত ২ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকার অর্থ দণ্ড প্রদান করেন। মামলা নং সি. আর ৯১০/১৬। এ চক্রের এমন অভিনয় ও আশাজাগানিয়া পন্থা অবলম্বন অনেক তরুণ-যুবাদের পরিবার পরিজনকে করেছে নিঃস্ব, বিপন্ন।
ছাইদুল মাহবুবঃ- অধ্যক্ষ মাওলানা হাফিজ লুৎফুর রহমান হুজুরের অকাল প্রয়াণের পর থেকেই পরগনাহী দৌলতপুর সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে মাদ্রাসা পরিচালনা করছেন সহকারী অধ্যাপক মাওলানা জনাব মিসবাহ উদ্দিন হুজুর।একটা সময় সহপাঠীদের আড্ডায় উঠে আসতো মিসবাহ জনাব প্রিন্সিপ্যাল হলে কেমন চলবে প্রতিষ্ঠান।কারণ হুজুর খুব নীতিবান,তাকওয়াবান,পরহেজগার মানুষ।
এমন কোনো শিক্ষার্থী নেই যে হুজুরের সাবজেক্ট এর পড়া ক্লাসেই শিখেনি।উপস্থাপন ভঙ্গি এমন সহজ সরল যে ক্লাসের পড়া ক্লাসে না শিখে উপায় নেই।শরয়ী অনেক মাসআলা আছে যা ভাই বোন এক সাথে বসে শিক্ষা নিতে লজ্জাবোধ করতো। কিন্তু হুজুরের ক্লাসে ভাই বোন একই সাথে বসেই ক্লাস করতে পারতো কোনো অসুবিধেই হতোনা।বুঝতেই পারছেন কতটা অসাধারণ হুজুরের উপস্থাপনা।
সিলেবাসের পড়ার বাহিরেও ছিলো হুজুরের কিছু স্পেশাল পরামর্শ। আদর্শ ছাত্র,আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য হুজুর লিফলেট বানিয়ে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিতরণ করতেন যেখানে উত্তম চরিত্র, মেধাবী ছাত্র হওয়া সংক্রান্ত কিছু উপদেশ লিখা থাকতো।
অত্যান্ত স্পষ্টবাদী এবং অমায়িক একজন শিক্ষকের হাত ধরে প্রিয় প্রতিষ্ঠান পরগনাহী দৌলতপুর সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা আরো উন্নতি লাভ করবে ইনশা আল্লাহ।হুজুরের জন্য হায়াতে তায়্যেবাহ কামনা করছি এবং সদ্য প্রয়াত দু’জন অধ্যক্ষের রুহের আত্মার মাগ ফেরাত কামনা করছি।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে বোয়ালী ইসলামী ছাত্র পরিষদ।
সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় বোয়ালী ইসলামী ছাত্র পরিষদের কার্যকারী কমিটির পক্ষ থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ২০২০ সালে অংশগ্রহণ করে কৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানানো হয়। উক্ত পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হতে পারেনি সেই সব শিক্ষার্থীদের আরো মনযোগ দিয়ে পড়াশোনা করার পরামর্শ দেওয়া হয় ।
এছাড়া শুভেচ্ছা বার্তায় বড়লেখা উপজেলার যে সকল শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে তাদের আগামীতেও এই সফলতার ধারা অব্যাহত রাখতে সংগঠনের পক্ষ থেকে আহবান জানানো হয়।
এম.এম আতিকুর রহমানঃ বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস বড়লেখা উপজেলা শাখার উদ্যোগে সংগঠনের সাবেক উপজেলা সেক্রেটারি খেলাফত মজলিস সৌদিআরবের মক্কা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক অসুস্থ মাওলানা কাওসার আহমদ সহ প্রবাসী বাংলাদেশি এবং মুসলিম উম্মাহ এ-র মুক্তি ও শান্তির জন্য কুরআন খতম করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ৩১ মে বিকেলে মজলিস কার্যালয়ে স্বাস্থ্য বিধি মেনে নিরাপদ দুরত্বে থেকে উপজেলা সভাপতি কামরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে ও আশরাফ আহমেদ পরিচালনায় সংক্ষিপ্ত দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিস মৌলভীবাজার জেলা সহ সভাপতি কাজী মাওলানা এনামুল হক, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল খালিক, ছাত্র মজলিসের সাবেক জেলা সভাপতি এম.এম আতিকুর রহমান ও খায়রুল ইসলাম, সদর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ফয়সল আলম স্বপন, সাবেক সভাপতি মাওলানা মনসুর আহমদ প্রমুখ। শেষে মাওলানা কাওসার আহমদ সহ অসুস্থ প্রবাসী বাংলাদেশি এবং মুসলিম উম্মাহ এ-র মুক্তি ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন কাজী মাওলানা এনামুল হক।
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে শনিবার দিবাগত রাতে করোনা ‘পজিটিভ’ শনাক্ত হওয়া বিয়ানীবাজারের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (৩১ মে) সকাল ১০ টার দিকে শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালের তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না-লিল্লাহ…রাজিউন)।
মৃত বৃদ্ধের নাম তমছির আলী (৭৫)। তাঁর বাড়ি ১০নং মুড়িয়া ইউনিয়নের পূর্ব মুড়িয়া তাজপুর (মাজরপট্রি) গ্রামে। তিনি ফিরোজ আলীর ছোট ভাই। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মৃত বৃদ্ধের নাতি মাছুম উদ্দিন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মৃত তমছির আলীর শরীরে গত কয়েকদিন থেকে করোনা রোগের উপসর্গ দেখা দেয়। তারপর তাঁকে প্রথমে বিয়ানীবাজার পৌরশহরের আলফা ক্লিনিক থেকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই তাঁর করোনার নমুনা নেওয়া হয়। রাত ১টার দিকে তাঁর করোনার রিপোর্ট ‘পজিটিভ’ আসে। তখন তাঁকে শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে্র আইসোলেশন সেন্টারে ওই বৃদ্ধকে নেয়া হয়। পরে রবিবার সকাল ১০টার দিকে শামসুদ্দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এদিকে নিহতের মরদেহ দাফনের জন্য বাড়িতে নিয়ে আসায় প্রক্রিয়া চলছে বলে পারিবারিকসূত্রে জানা গেছে।
বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে।তবে এই রোগ থেকে সুস্থ হয়ে ফিরছেন অনেকেই। সংযুক্ত আরব আমিরাতের উম্মুল-কোয়াইনে করোনা জয় করে সুস্থ হয়ে ফিরে আসা তেমনই একজন বড়লেখার আজিম আহমদ অফিস বাজার এলাকার।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১৮ দিন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে অবশেষে সুস্থ হয়ে আজ শনিবার (৩০ মে) বাসায় ফিরেছেন তিনি। গত ১৪ মে উম্মুল-কোয়াইন ফিল্ড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। করোনা পরীক্ষা নিরীক্ষায় নেগেটিভ রেজাল্ট পাওয়ার পর সম্পূর্ণ সুস্থ হলে তাকে ছাড়পত্র দেন চিকিৎসকরা ।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৫নং দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের অফিসবাজার এলাকার সন্তান সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী আজিম আহমদ বর্তমানে করোনা মুক্ত হয়ে বাসায় অবস্থান করছেন।
প্রবাসী আজিম আহমদ করোনাক্রান্তকালীন দিনগুলির করুণ মূহুর্তগুলো বর্ণনা করেছেন মুটোফোনেপ্রতিবেদকের কাছে। নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি বলেন-‘প্রবাস জীবন হচ্ছে এমন একটি জীবন যে জীবনটি পাড়ি দিতে হয় পরিবারের কোন সদস্য ছাড়া সম্পূর্ণ একাকীভাবে। সে রকম একটি জীবনে সাধারণ জ্বরই হয়ে ওঠে অনেক বড় দুশ্চিন্তার কারণ। আর এরকম একটা প্রাণঘাতী অসুখ হলে তো কথাই নেই নিজের মনোবল ধরে রাখা কঠিন। তাই করোনা পজিটিভ রিপোর্ট জেনে আমি খুব ঘাবড়ে গিয়েছিলাম। বার বার দেশে থাকা বন্ধু বান্ধব পরিবার এবং আত্মীয় স্বজন ও পাড়া প্রতিবেশীর কথা মনে পড়ছিল। মনে মনে ভাবতাম মরে গেলে আমার লাশটাও দেশে পৌঁছাবে না। তবে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি আমি আমার ফেইসবুকে শেয়ার করি । আর এতে দেশে বিদেশে থাকা অসংখ্য মানুষ আমাকে ফোন করে মনে সাহস যোগান। সবার সাপোর্ট পেয়ে ও সাহসিকতায় আমার মনোবল বেড়ে যায়। সর্বোপরি এখানকার ডাক্তারদের আন্তরিক সেবা, সকলের দোয়া আর আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি সুস্থ হয়েছি। ’
আজিম আহমদ বলেন, ‘প্রথম দিকে সারা শরীরে ব্যথা এবং জ্বর অনুভূত হতে থাকে, একটানা বেশ কয়েক দিন এ উপসর্গ থাকার পর ধীরে ধীরে গলাব্যথা শুরু হয়। শুরুতে স্থানীয় হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে কোভিড-১৯ এর টেস্ট করেন এবং করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পজিটিভ ধরা পড়ে’।
তবে তার শরীরে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ খুব একটা মারাত্মক পর্যায়ের না হলেও তার ডায়বেটিস থাকায় তাকে সরাসরি হাসপাতালে ভর্তির জন্য পরামর্শ প্রদান করা হয় বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, গত ১৪ মে আমাকে অমলকোয়াইন হসপিটালে ভর্তি করা হয়। ততদিনে আমার শরীরে অবস্থা খুবই নাজুক হয়ে পড়ে। প্রচণ্ড জ্বর আসত। খুব বেশী শ্বাস কষ্ট ছিল না তবে গলায় মনে হত ভারী কিছু আটকে আছে। কথা বলতে গেলে হাঁপিয়ে উঠতাম। হাটতে গেলে দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে মনে হত। এভাবে হাসপাতালে প্রথম ১ টা সপ্তাহ আমার কঠিন মুহূর্ত ছিল। তবে ডাক্তাররা অত্যন্ত যত্ন সহকারে সেবা দিয়েছেন। এক সপ্তাহ পর আমার খানিকটা উন্নতি হতে থাকে।
এসময় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধের পাশাপাশি দিনে ৩-৪ বার চা এবং নিয়মিত গরম পানি খেয়েছি। এছাড়া পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে বিন্দুমাত্র ছাড় দেইনি। আর মানসিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য আমি নিজেকে ব্যস্ত রেখেছি বিভিন্নভাবে। তারপর আমি ধীরে ধীর সুস্থতা লাভ করি।’
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং ঘরে থাকার অনুরোধ জানিয়ে করোনা জয়ী আজিম আহমদ বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য মানসিক দৃঢ়তার কোন বিকল্প নেই। ’
আজ ৩০ মে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৯তম শাহাদাৎ বার্ষিকী।দক্ষিন পুর্ব এশিয়ায় যারা ভারতের মত একটা দেশের পাশে অবস্থান করে তাদের জন্য সার্বভৌমত্বের ইস্যু যখনই আসবে তখনই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার কথা আসবে।যখন বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় রাষ্ট্রে তখন জিয়ার কথা মনে পড়ে যাবে। যিনি বাংলাদেশকে শুধু তার ভুগোল দেন নি ইতিহাসও দিয়েছিলেন।যিনি বাংঙ্গালীর হাজার বছরের পলায়নপরতার ইতিহাসকে, চর্যার কবি ও রাজা ভুসুকু’র পরিচয় লুকিয়ে বাঁচার পথকে মাড়িয়ে দেশের মধ্যে মানুষের মধ্যেই থেকে যুদ্ধ চালিয়ে গেছেন। অমিত তেজের গেরিলা ও যোদ্ধা ছিলেন জিয়া।তাই কখনো পলায়ন করেন নি তিনি।তিনিই সেই মানুষ যিনি বাংলাদেশকে একটি রাষ্ট্রে পরিনত করেছিলেন।তিনি রাষ্ট্রনায়ক,প্রথম স্টেটসম্যান!!!তিনি বাংলাদেশের সমগ্র উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাদের নেতা যারা দেশের মধ্যে যুদ্ধ করেছেন,যারা পাকিস্তানী হায়েনাদের হাতে জিম্মি থেকেও যুদ্ধে সাহায্য করে ছিলেন।দেশের মধ্যে অসীম কষ্ট স্বীকার করেছেন। আজ ৩০ মে সেই মহানায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার ৩৯তম শাহাদাৎ বার্ষিকী। বাংলাদেশ কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করে এই বীরের। বাংলাদেশে রাজনৈতিক অভিধানে সামরিক শাসনের সেনাবাহিনী ও সার্বভৌমত্বের সেনাবাহিনীর ফারাকটা বোধগম্যতার মধ্যে আসেনি এখনো।এরশাদ ছিল সামরিক শাসনের প্রতিভূ। কিন্তু প্রায়শই ছাগলের নম্বর ছাড়া শাবকদের উদবাহু নৃত্য দেখা যায় এই রাজনীতিকদের মধ্যে। তারা এই ভেদ করতে জানেন না। জাতীয় সংসদে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া নিয়ে যে সব বক্তব্য দেওয়া হয় তার জবাব দেবার দরকার নেই এখানে ৩ টা জিনিস মনে রাখলেই এসব নিয়ে ভাবনার কিছু নেইঃ ১.লে.কর্নেল শাফায়াত জামিল- এর “একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ,রক্তাক্ত মধ্য আগস্ট ও ষড়যন্ত্রময় নভেম্বর ” -এ সবিস্তার বর্ণনা আছে। তিনি জিয়ার পক্ষের লোক ছিলেন না।কিন্তু উল্লেখ করেছেন যে জিয়ার কি পরিমান জনপ্রিয়তা ছিল সেনাবাহিনীতে।তাহের আসলে সেই হিসেবে জিয়ার মাপের সেনা কর্মকর্তা ছিলেন না।জাসদের রোমান্টিক ও টাউট প্রকৃতির বিপ্লবীরা তাহেরকে চে’গুয়েভারা ভাবতে ভালবাসতেন। ২.হাসানুল হক ইনুরা সেই সময় একদম নাবালক ছিলেন।তাই একবার ইন্ডিয়াবিরোধী আবার ইন্ডিয়ার ভাড়াটে খেলোয়ার হিসেবে খেলেছেন। ৩.ভারতের ও আমেরিকার একটা বোঝাপড়ার রাজনীতি ছিল। জিয়া এইসময় রাষ্ট্রগঠনে মনোযোগ দিয়ে ছিলেন।তিনি ছিলেন যে কোন ষড়যন্ত্রের বাইরে। উইকিলিকস মারফত পাওয়া আমেরিকান দূতাবাসের তারবার্তা এবং সিআইএ’র ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে আসা নভেম্বরের রক্তঝরা বিভিন্ন ঘটনার অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে উল্লেখ আছে – “জিয়া সেনাপ্রধান হওয়ার পর শফিউল্লাহকে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে যুক্ত করা হলেও, খালেদ মোশাররফের বিষয়ে তখনো কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি বলে ঢাকাস্থ আমেরিকান রাষ্ট্রদূত ডেভিস বোস্টার ওয়াশিংটনকে জানান। এর প্রায় দেড় মাসের পর ৩রা নভেম্বর ভোর দুইটার দিকে খালেদ মোশাররফ ও কর্নেল শাফায়াত জামিলের নেতৃত্বে সিনিয়র সেনা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থান শুরু করে। “রক্তপাতহীন” সেই অভ্যুত্থানে সেনাপ্রধান জিয়া ও বিমান বাহিনী প্রধান জি. এম. তোয়াবকে গ্রেপ্তার করা হয়; বঙ্গভবনে অবরুদ্ধ করা হয় রাষ্ট্রপতি মোশতাককে। তাদের সমর্থনে ঢাকার আকাশে একটি ট্যাংক-বিধ্বংসী মিগ বিমান ও একটি হেলিকপ্টার মহড়া দেয়। বোস্টারের মতে, মোশতাককে ৪টি শর্ত দেন খালেদ মোশাররফ – ১) জিয়াকে সরিয়ে তাকে সেনাপ্রধান ঘোষণা করতে হবে; ২) জুনিয়র মেজরদেরকে সেনানিবাসে ফেরত পাঠাতে হবে; ৩) মোশতাক সরকারের সমর্থক ট্যাংক ইউনিটকে নিরস্ত্র করতে হবে এবং ৪) মোশতাককে রাষ্ট্রপতি পদে থাকতে হবে। সমঝোতার এক পর্যায়ে বিকেলের পর খালেদ মোশাররফ সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং জিয়াকে পদত্যাগে বাধ্য করেন। মোশতাকের দাবী অনুযায়ী শেখ মুজিবের হত্যার সাথে যুক্ত মেজরদের দেশত্যাগের অনুমতিও দেন তিনি। খালেদ মোশাররফের দায়িত্ব গ্রহনের বিষয়টি রেডিওতে ঘোষণা করা হয় ৪ঠা নভেম্বর রাত ১১টায়। এর আগে নিরাপত্তা চেয়ে কুমিল্লা সেনানিবাসের কাছে সাহায্য চেয়েছিল মোশতাক সরকার। কিন্তু কুমিল্লার কমান্ডার সেনাপ্রধান বা খালেদ মোশাররফের আদেশ ছাড়া কোন পদক্ষেপ নিতে অস্বীকৃতি জানান বলে তারবার্তায় উল্লেখ করা হয়। তারবার্তায় রাষ্ট্রদূত বলেন খালেদ মোশাররফ ও মোশতাক দুজনেই রক্তপাত এড়াতে চাইছিলেন কেননা এতে করে ভারত হস্তক্ষেপ করার একটা অজুহাত পাবে। মঙ্গলবার ও বুধবার টানা আলোচনা চলে। বৃহস্পতিবার (৬ই নভেম্বর) মোশতাক পদত্যাগ করলে একইদিনে প্রধান বিচারপতি এ. এস. এম. সায়েমকে রাষ্ট্রপতি বানিয়ে সংসদ বিলুপ্ত করা হয়।”(উইকিলিক্স) আসলে আওয়ামীলীগ সরকারের গত ১০ বছরের শাসনামলে যে অমানবিক হত্যাকান্ড,গুম, খুন, জেল,ফাসি হয়েছে তাকে ছোট করে দেখাবার একটি আবুল ফজলীয় পদ্ধতি হাসানুল হক ইনুরা প্রয়োগ করেন।শেখ হাসিনা ট্যাংকের ওপর উদবাহু নৃত্য করা ইনুকে কখনোই ভুলবে না!!! বিচার, অবিচার ও অতিবিচার!!! ১৯৯৪ সালের ট্রেনে হামলার “কাহিনী” ধরে স্থানীয় আদালত বিএনপির ৯ জনের ফাসির হুকুম দিয়েছে!!লক্ষনীয় যে, আওয়ামীলীগ নেত্রী শেখ হাসিনার এই ট্রেন সফর ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে দীর্ঘতম ট্রেন যাত্রা।এমনকি মহাত্ম্বা গান্ধীর ট্রেন ভ্রমনও এত দীর্ঘ ছিল না। ‘৯০ পরবর্তী বিএনপির শাসনামলে ‘৯১-‘৯৬ সালে এই ছিল রাজনৈতিক কালচার।কথিত আছে এই ঘটণা ছিল একটি সেনশেশান তৈরির চেষ্টা।
আওয়ামীলীগ ডান বাম করে ৪ বার ক্ষমতায় এলো।কিন্তু ইতিপূর্বে এসববের কোন বালাই ছিলনা। আওয়ামীলীগ যেভাবে বিএনপির সৃষ্ট বাধা বিপত্তির উল্লেখ করে, এর মাত্র ২ শতাংশ করা হলে এই দলের গোফদার নেতারা জীবনেও ফিরে আসতো না।
মনে রাখা জরুরী যে ক্ষমতার পাদপীঠ থেকে আওয়ামীলীগ যখন বিদায় নেয়,তখন তাদের পক্ষে দাঁড়ানোর ৫% মানুষ ছিল না।সব জাতীয় দৈনিক দেখতে পারেন,আহমদ ছফা ও বিভিন্ন লেখকের লেখা সাময়িক পত্রে দেখতে পারেন।৪টা বাদে পত্রিকা তো সব ব্যান্ড। সেনাছাউনির গল্প তোলে আওয়ামীলীগ??? জিয়া শৃঙ্খলা ফিরিয়ে রাষ্ট্র গড়ে তুলেছে।সামরিক বাহিনীকে স্থায়ীভাবে ব্যারাকে পাঠিয়েছিল।জিয়া শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর উদ্যোগ নিয়ে ছিলেন এটাই ঠিক।
কারণ তিনি সামরিক শাসনের সেনাবাহিনী নয়, সার্বভৌমত্বের জন্য প্রয়োজনীয় সেনাবাহিনীর প্রবর্তন করেছিলেন।মোটা ও পাতলা দাগে বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী ও পন্ডিত সমাজ ভারতের রিসার্চ ও এনালাইজিং উইং র-এর বানানো তত্ব ফেরী করে বেড়িয়েছে।কিন্তু এই র’ আবার জিয়া হত্যার পরপর এরশাদকে দিয়ে ৯ বছর সেনা শাসন চালিয়ে সামরিক শাসনের বাংলাদেশে পরিনত করেছিল।জাতীয় পার্টির সাথে আওয়ামীলীগ সমন্বয় করে এই আন্দোলনে ছিল।এর প্রমান ১৯৮৬ সালের এরশাদের অধীনে নির্বাচন। এই দায় তারা এখনো এরা যৌথভাবেচালিয়ে যাচ্ছে। আওয়ামীলীগ নেত্রী শেখ হাসিনা তার ভাইরা যে সামরিক বাহিনীর গর্বিত সদস্য ছিলেন সেটা বেশ রেলিশ করেই বলেন প্রতিটি স্বশস্ত্র বাহিনী দিবসে।এমন কি তার মাছুম ছোট ভাই শেখ রাশেলেরওস্বপ্প ছিল এই বাহিনীর গৌরবান্বিত সদস্য হবার -সেটাও উল্লেখ করেন।বাংলাদেশের যে কোন মানুষই সেটা চাইবে।বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী তার সার্বভৌমত্ব রক্ষার মধ্য দিয়ে গড়ে উঠেছে যুদ্ধের মধ্য দিয়ে।
এর বাইরে তার অন্য ভুমিকা খুব কম।জিয়া সেই চর্চার মধ্যদিয়ে একটি শক্তিশালী বাহিনী গঠন করতে চেয়েছিলেন।বেগম জিয়াও সেই ধারণাই পোষন করতেন।এখনো কুখ্যাত খুনী স্বৈরাচারী শাসক এরশাদের মর্যাদা রক্ষা হয় সাবেক প্রসিডেন্ট হিসেবে!! কিন্তু চোখের সামনে জিয়ার মত জনপ্রিয় রাষ্ট্রনায়ককে হেয় করা হয়। অবৈধ সরকারের মামলা বৈধ হয়ে যায়।বেগম জিয়াকে ২৪ মাস বন্দী রাখা হয়েছে।মেজিস্ট্রেট কোর্ট যে জামিন দিতে সক্ষম, সেটা আপিলেট ডিভিশন অবধি টানা হয়েছে সময় লম্বা করার জন্য। বেসিক জিনিসটা হলো খালেদা জিয়ার নামে একটা মিথ্যা মামলা ফখরুদ্দীন- মঈনুদ্দিন – মাসুদুদ্দীন ৩ জুলাই ২০০৮ এ দিয়েছিল । মামলা খালেদা জিয়ার নামে দেয়া হয়েছে,শেখ হাসিনার নামেও দেয়া হয়েছিল। শেখ হাসিনার মামলা প্রত্যাহার হয়েছে।
বেগম খালেদা জিয়ারটা চলছে।সেনাসমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকারের মামলা চলার অর্থ এখনো সেই সরকারের ধারাবাহিকতায় দেশ চলছে।আওয়ামীলীগ যদি এই মামলা আর একদিনও চালু রাখে তবে বুঝতে হবে আওয়ামীলীগ সেই সেনাসমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকারের প্রেতাত্মা। কেউ কেউ বলেন আওয়ামীলীগ বৈধতা দিয়েছে সেই সরকারের।এর মানে দাঁড়ায় সেনাসমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকার বৈধ ছিলনা।কারণ বৈধ হলে তার বৈধতা দেবার প্রশ্ন আসবে কেন? কোন অবৈধ সরকারের দেয়া মামলা কিভাবে চলে?
বাংলাদেশে সামরিক বাহিনীর পোশাক পড়ে ক্ষমতায় এসে টিকে থাকার ইতিহাসে এরশাদ, ফখরুদ্দীন- মইন উদ্দীন ইন্ডিয়ার আশির্বাদ নিয়ে চলেছে।এরশাদের পুরো নয় বছর ভারত তাকে সমর্থন দিয়েছে।এমনকি রাষ্ট্রধর্ম বিল এদের পরামর্শেই করা হয়েছিল।এদের কেউই জনপ্রিয় ছিল না।এরশাদ যে তাদের লোক ছিল তার প্রমান ১৯৮৬ সালে আওয়ামীলীগ এরশাদের অধীনে “জাতীয় বেঈমান” খেতাব লাভের পরও সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল।এই পরামর্শ তারা ইন্ডিয়া থেকেই পেয়েছিল।আবার ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী ভোটারবিহীন নির্বাচনে এরশাদের জাতীয় পার্টি সেই একই ঋন ইন্ডিয়ার কথায় পুষিয়ে দিয়েছে।
আর জনসমর্থনহীন সেনাসমর্থিত ২০০৭ এর সরকার এবং এখন অব্দি তারই ধারাবাহিকতার সরকার টিকে আছে ভারতের পরামর্শে। ভারত দায়িত্ব নিয়ে আমেরিকা ও ইউরোপকে এইসব সরকারের জন্য তদবির করেছে।একটা সময় ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ মনে করতো জামায়াতে ইসলামকে সংসদীয় রাজনীতিতে রেখে দিলে তাদের সুবিধা।এই বক্তব্য তারা নিয়মিত দিয়ে এসেছে।এখন আমেরিকা যেহেতু ভারতের চোখে দক্ষিন পূর্ব এশিয়ার সবকিছু দেখে তাই তাদের তত্ব পরিবর্তন হয়েছে।এরা পাকিস্তানকে যেভাবে দেখে সেইভাবেই বাংলাদেশকে দেখতে চায়।আওয়ামীলীগ ছাড়া সকল দল ও মতকে এরা ভারতবিরোধী হিসেবে বিবেচনা করে। এখন অনেকেই প্রশ্ন তুলবেন জিয়াউর রহমান কি সামরিক বাহিনীর হাত ধরে এসেছেন?না,এই দায় জিয়াউর রহমানের নয়।বাকশাল আওয়ামীলীগের ভিতরের মন্ত্রীরা মোশতাকের সাথে জোট হয়েছিল।সামরিক শাসন দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট।শেখ মুজিবুর রহমানের বাকশাল দুঃশাসনে যে শুন্যস্থান তৈরি হয়েছিল সেখানে জনপ্রিয় সেনাপ্রধান ছিলেন জিয়াউর রহমান।তিনি সেনাবাহিনীর সামরিকশাসন তত্বের প্রতিভূ ছিলেন না তিনি ছিলেন সেনাবাহিনীর সার্বভৌমত্ব তত্বের প্রতিভূ।
যে কারণে এরশাদের মাধ্যমে সাড়ে তিনবছরের মাথায় জিয়াউর রহমানকে হত্যা করা হয়েছে।জিয়াউর রহমান যেহেতু রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন,একজন গেরিলা যোদ্ধা ছিলেন তাই তাঁর সাথে অন্যদের তুলনা অবাস্তব।
লেখক সাবেক ছাত্রনেতা, বর্তমান মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য ও বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক।
লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশী সহ ৩০ জন নিহত হবার লোমহর্ষক চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। বিশ্ব যখন করোনা মাহামরীতে হিমশিম খাচ্ছে তার ভিতরেও মানব পাচার ও অপহরণ চক্র তৎপর। তাদেরই নির্মমতার শিকার হলো এই ৩০ জন। তবে, এর মধ্যে বাংলাদেশী ২৫ জন ছিলো জিম্মি ও বাকি ৫ জন অপহরণ চক্রের সদস্য। এর মধ্যে বাগেরহাটের শামীম রেজা নামে এক বাংলাদেশী হচ্ছে অপহরণ চক্রের নেতা। বাকি চার জনের মধ্যে তিন জন অপহরণের সহযোগী লিবিয়ার ভাড়াটে পুলিশ ও একজন আফ্রিকান গার্ড। ত্রিপোলিতে যোগাযোগ করে জানা গেছে, ৭০ জনের বাংলাদেশী একটি দল লিবিয়ার বেনগাজী থেকে ত্রিপোলির উদ্দেশ্যে রওনা হয় গত ১৯ মে।এই ৭০ জন এয়ারপোর্ট চুক্তিতে ভারত, দুবাই, মিসর ঘুরে বেনগাজীতে করোনা সংকটের আগে জড়ো হয়। তারপর লকডাউন শিথিল হতে শুরু করলে তারা ত্রিপোলির উদ্দেশ্যে রওনা হয়। কাজের জন্যই তাদের এখানে আসা। তবে, কেউ কেউ জানান, তাদের লক্ষ্য ইতালি পাড়ি দেয়া।বেনগাজী থেকে রওনা হবার পর এই ৭০ জন বেনুয়ালী চেকপোস্ট পুলিশের হাতে আটক হয়। তাদেরকে থানা আনা হয়। এরপর মানব পাচার ও অপহরণ চক্রের নেতা বাগেরহাটের শামীম রেজা ও কুমিল্লার শরীফ পুলিশের কাছ থেকে তাদেরকে জনপ্রতি দুই হাজার দিনার বা বাংলাদেশী ৩০ হাজার টাকা কিনে নেয়।
তারপর তারা জিম্মি করে হতভাগ্য এই ৭০ জনকে। মুক্তিপণ হিসেবে তাদের কাছে জনপ্রতি ১১ হাজার ডলার দাবি করা হয়। তাদের সবাইকে ত্রিপোলি থেকে তিনশো কিলোমিটার দূরে মিজদা মরুভূমির একটি বাড়িতে আটকেব রাখা হয়। আটকের পর থেকে চলে অমানুষিক নির্যাতন। এই নির্যাতনের জন্য ভাড়া করা হয় চার আফ্রিকানকে।
পরে বাধ্য হয়ে কেউ কেউ টাকা দিতে শুরু করে। তখন তাদেরকে নির্যাতন থেকে রেহাই মিললেও মুক্তি দেয়া হয়নি। বলা হয়, সবার মুক্তিপণ আদায় হলে ছাড়া হবে।
এদিকে, যারা টাকা দিতে পারেনি তাদের ওপর নির্যাতনের মাত্রা আরো বাড়ানো হয়।এই অবস্থায় অতিষ্ঠ হয়ে আটক জিম্মিরা বিদ্রোহ করার সিদ্ধান্ত নেয়। বৃহস্পতিবার ( ২৮ মে, ২০২০) সকালে তারা চড়াও হয় শামীম রেজার উপর। শামীম তখন ঘুমিয়ে ছিলো। আটককৃতরা তার কাছে থাকা পিস্তল ছিনিয়ে নিয়ে তাকে গুলি করে। গুলিতে শামীম নিহত হয়।
শামীম নিহত হবার পর বন্দী বাংলাদেশীরা পালিয়ে যাবার চেষ্টা করে। তখন আফ্রিকান গার্ডরা মিলিশিয়া নামক ভাড়াটে পুলিশকে খবর দেয়। তখন তারা এসে গোলাগুলি শুরু করে। বন্দীরাও প্রতিহত করার চেষ্টা করে। এতে তিন লিবিয়ান মিলিশিয়ান পুলিশ ও এক আফ্রিকান গার্ড মারা যায়। অপরদিকে, এই ভাড়াটে পুলিশের হাতে ২৫ জন বন্দী নিহত হয়। তারা আশেপাশে আত্মগোপনে থাকা বন্দীদের খুঁজে খুঁজে হত্যা করে।
গোলাগুলির ঘটনার পর লিবিয়ার সরকারি পুলিশকে ঘটনাস্থলে আসে। তারা আহত গুলিবিদ্ধ ১১ জনকে কাছের জিলিটন শহর হাসপাতাল নিয়ে আসে। এরপর প্রতিশোধ নিতে মিলিশিয়া পুলিশের একটি দল তিন দফা হাসপাতালে হামলা করে। কিন্তু, সরকারি পুলিশ তাদেরকে প্রতিহত করে। সর্বশেষ অবস্থা হচ্ছে, হাসপাতালটি সরকারি পুলিশ সদস্যরা ঘিরে রেখেছে। ত্রিপোলি থেকে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা হাসপাতালে পৌঁছেছেন। তারা আহতদের সাথে কথা বলছেন।তবে, এখনো পর্যন্ত নিহত বাংলাদেশীদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি। দূতাবাসের পক্ষ থেকে সেগুলো জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর আওয়ামীলীগ নেতা আজাদুর রহমান আজাদের অবস্থা ভালো নেই। গত রাতে পাতলা পায়খানা হওয়ায় শরীরের অবনতি ঘটেছে। দিতে হচ্ছে বেশি মাত্রায় অক্সিজেন।
আজ শুক্রবার (২৯ মে) সকালে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. সুশান্ত কুমার মহাপাত্র এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ‘কাউন্সিলর আজাদের অবস্থা ভালো না। সবসময় তার অক্সিজেন চলছে। একটু বেশিই অক্সিজেন লাগছে।’ তিনি বলেন, ‘কাউন্সিলর আজাদ ঝুঁকিতে আছেন। গতকাল রাতে তার পাতলা পায়খানাও হয়েছে। শ্বাসকষ্ট আছে, তিনি শারীরিকভাবেও দুর্বল।’ প্রসঙ্গত, গত ২৪ মে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়।
সিলেটে বৃহস্পতিবার পৃথক তিনটি ল্যাবের পরীক্ষা শেষে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন আরো ৭৬ জন। ২৮ মে বৃহস্পতিবার সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজের ২য় তলায় স্থাপিত পিসিআর ল্যাবে ৫১ টি পজেটিভ রিপোর্ট আসে। আক্রান্ত ৫১ জনই সিলেট জেলার বাসিন্দা।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পিসিআর ল্যাবে বৃহস্পতিবার ১৮ জন শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। আক্রান্ত ১৮ জনই সুনামগঞ্জ জেলার বাসিন্দা।
এদিকে হবিগঞ্জে বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে পজেটিভ রিপোর্ট আসে হবিগঞ্জের আরো ৭ জনের। আক্রান্তের মধ্যে একজন চিকিৎসকও আছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন মখলিছুর রহমান উজ্জ্বল। এদের মধ্যে ৬ জন সদরের আর চুনারুঘাটের একজন।
আক্রান্তদের মধ্যে একজন চিকিৎসকও আছেন। বৃহস্পতিবার দিন শেষে পৃথক তিনটি ল্যাবের পরীক্ষা একদিনে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৬ জনে।
সিলেট বিভাগে নতুন ৭৬ জন নিয়ে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মোট ৮৩৫ জনে। এর মধ্যে সিলেট জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪৩৬ জন, সুনামগঞ্জে ১৩১ জন, হবিগঞ্জে ১৭১ জন ও মৌলভীবাজারে ৯৭ জন।
বৈশ্বিক মহামারী করোনা যুদ্ধে দেশের প্রথম মৃত্যু বরণকারী ডাক্তার সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শহীদ ডাক্তার মঈন উদ্দিন স্মরণে ছাতকে স্মৃতি সংসদ গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সুনামগঞ্জের ছাতকের উত্তর খুরমা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদের সভাপতিত্বে এক সুধী সমাবেশে চিকিৎসক ডাক্তার মঈন উদ্দিন এর স্মৃতি রক্ষার্থে সংসদের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদকে সভাপতি ও নাদামপুর গ্রামের যুবনেতা আবুল কাশেম ফজলুল হককে সাধারণ সম্পাদক করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষনা করা হয়। সুধী সমাবেশে ছাতক উপজেলা যুবলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক আবুল কাশেম মোহাম্মদ ফজলুল হক এর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সাবেক চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন, উত্তর খুরমা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি নজরুল ইসলাম সুন্দর, উত্তর খুরমা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক জনাব এডঃ শামছুর রহমান, বিশ্ব স্বজন ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা ফজরুল হক এনাম, সিলেটস্থ ছাতক সমিতির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক কবির আহমদ তালুকদার, ছাতক উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মুজাহিদুর রহমান হিরা, ছাতক উপজেলা সেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কৃপেশ চন্দ, সুনামগঞ্জ জেলা খেলাফত মজলিসের সহ সাধারন সম্পাদক মাওলানা বুরহান উদ্দিন, ছাতক উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক শিপলু আহমদ প্রমুখ। ডাঃ মইন উদ্দিন ছাতকের উত্তর খুরমা ইউনিয়নের নাদামপুর গ্রামের বাসিন্দা। গত (১৫-এপ্রিল) তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
হাবিবুর রহমান সাদি কুলাউড়া : কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত বাচ্চুর বিরুদ্ধে মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসকের কাছে ১১ টি অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন এই ইউনিয়ন পরিষদেরই ৮ সদস্য। এনিয়ে পুরো উপজেলাজুড়ে তোলপাড় চলছে।
গত ৩ মে মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক বরাবরে দেয়া এই অভিযোগপত্রে হাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৮জন ইউপি সদস্যই স্বাক্ষর করেন।অভিযোগে স্বাক্ষরকারী ইউপি সদস্যরা হলেন- ৫নং ওয়ার্ড সদস্য প্যানেল চেয়ারম্যান-১ মনিরুজ্জামান হেলাল, ৮ নং ওয়ার্ড সদস্য মো. রাজা মিয়া, ৯ নং ওয়ার্ড সদস্য মো. গুলজার আহমদ, ৪নং ওয়ার্ড সদস্য শেখ আব্দুর রউফ, ৬ নং ওয়ার্ড সদস্য মো. কবির আহমদ, ৭নং ওয়ার্ড সদস্য তাহের আলী, ৪,৫ ও ৬নং ওয়ার্ড সদস্য মাধবী রানী দেব এবং ৭,৮ ও ৯ রাবেয়া বেগম।
জেলা প্রশাসক বরাবরে প্রেরিত অভিযোগপত্রে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত বাচ্চুর বিরুদ্ধে মোট ১১টি অভিযোগ তুলে ধরা হয়। এসব অভিযোগের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- কুলাউড়া উপজেলার সকল ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের প্রধান ফটকে ইউনয়ন পরিষদ লেখা থাকলেও তিনি দায়িত্ব নেয়ার পর চেয়ারম্যান কার্যালয় লেখার মাধ্যমে তিনি তার একনায়কতন্ত্র প্রকাশ করেছেন। জন্ম নিবন্ধন, নাগরিক সনদ ও উত্তরাধিকার ফি এর টাকা জনগনের নিকট থেকে যথারীতি আদায় করে চেয়ারম্যান ভাগ করে নিয়ে যান। এই টাকার কোন হিসাব নেই। চলতি অর্থবছরের গৃহকর এনজিও’র মাধ্যমে আদায় করে কোন হিসাব ছাড়াই তা আত্মসাৎ করেছেন। অতিদরিদ্র ও এলজিএসপি সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প ইউনিয়ন পরিষদের রেজুলেশন মত না করে তিনি ইচ্ছা মাফিক প্রকল্প দাখিল ও সম্পন্ন করেন। ইউনিয়ন পরিষদের অর্থনৈতিক বিষয় সহ সর্ব বিষয়ে ২৫-৩০% অর্থ ও কিছু ক্ষেত্রে বরাদ্ধ দাবী করেন। এমনকি সকল ধরনের বরাদ্ধ সদস্যদের নিকট আংশিক প্রকাশ করেন, যা সদস্যরা পরবর্তী সময়ে উপজেলা অফিস থেকে জানতে পারেন এবং পরবর্তীতে চেয়ারম্যান এমনটি হবেনা বলে গত ৪ বছর থেকে বার বার উনাদেরক প্রতিশ্রুতি দেন।
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত হাজীপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত বাচ্চু বলেন, অভিযোগটি সম্পর্কে আমার জানা নেই। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন এবং কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ টি এম ফরহাদ চৌধুরীর সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
নিউজ ডেস্কঃ বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবে চলমান লকডাউনে ভারতের বিভিন্ন এলাকায় আটকে পড়া ২০ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। একইদিন বাংলাদেশে আটকে পড়া ১২০ ভারতীয় নিজ দেশে ফিরে গেছেন। দীর্ঘ প্রায় দুই মাস পর বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দেশে ফেরত আসা ও ভারতে ফেরর যাওয়াদের কারণে সরগরম হয়ে উঠে বিয়ানীবাজারের শেওলা স্থল বন্দরের ইমিগেশন। দুই দেশের সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের যোগাযোগের মাধ্যমে আবেদন করা এসব নাগরিকদের বিশেষ ব্যবস্থায় নিজ নিজ দেশে প্রেরণ করা হয়। আসা যাওয়ার এ প্রক্রিয়া সীমান্ত আইন ও স্থলবন্দরের স্বাভাবিক নিয়মে সম্পাদন করা হয়েছে। এসময় বিজিবি, ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
স্থলবন্দর সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) বিস্তার ঠেকাতে সতর্কতামূলক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইমিগ্রেশন সুবিধা বন্ধ থাকায় ভারতের বিভিন্ন এলাকায় এসব বাংলাদেশি নাগরিকরা আটকে পড়েছিলেন। এর আগে তারা পড়ালেখা, ব্যবসা-বানিজ্য ও চিকিৎসাসহ নানা কারণে ভারতে গিয়েছিলেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারি নির্দেশনা ও বিশেষ ব্যবস্থাপনায় শেওলা স্থলবন্দর দিয়ে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে এবং তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর সব ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম শেষে সবাইকে হোম কোয়ারেন্টিনে অবস্থান করার নির্দেশ বাড়ি ফেরত যাবার সুযোগ দেয়া হয়েছে। তবে তাদের শরীরে করোনার কোনো উপসর্গ পাওয়া যায়নি। একইভাবে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় আটকে পড়া ১২০ ভারতীয় নাগরিক শেওলা স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে ফেরে গেছেন। তবে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়টি ভারত সীমান্ত এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্তরা দেখবেন বলেও জানা গেছে।
ভারতের এনআইটি শিলচরে অধ্যয়নরত নাইমুল হক নামের এক বাংলাদেশি নাগরিক বলেন, গত ২০ মার্চ থেকে শিলচরের একটি রেস্টহাউজে আমিসহ আরও কয়েকজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী লকডাউনে ছিলাম। আমাদের সকলের করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ পরীক্ষা করা হয়েছে। পরবর্তীতে আমাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অনুমতি পাওয়ায় আমরা দুই মাস ৮ দিন পর বাংলাদেশে ফিরে এসেছি। তিনি বলেন, বন্দরের কর্মকর্তারা আমাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর প্রথম ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইন মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছেন।
ভারতে ফেরত যাওয়া আয়শা সিদ্দিকা নামের এক ভারতীয় নাগরিক বলেন, ‘প্রায় আড়াই মাসের মতো সময় হয়ে গেল আমি ভারতের আসাম থেকে বাংলাদেশে এসেছিলাম। দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সমস্যা ছাড়াও পরিবারের সঙ্গে খুব একটা যোগাযোগ করতে পারছিলাম না। এ নিয়ে তারাও খুব টেনশনে ছিল। পরে আমাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অনুমতি পাওয়ায় আমরা দুই মাস পর ভারতে ফিরে যাচ্ছি। তিনি বলেন, শেওলা স্থলবন্দর থেকে সব ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম শেষে আমাদেরকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই ভারতে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। এখানকার দায়িত্বরত কর্মকর্তারা বলছেন ভারত সীমান্তের কর্মকর্তারা আমাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশের সুযোগ দেবেন।
স্থলবন্দেরর মেডিকেল টিমের দায়িত্বে থাকা বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. নয়ন মল্লিক বলেন, বৃহস্পতিবার ভারত থেকে দেশে ফেরা ২০ বাংলাদেশি নাগরিককে শেওলা স্থলবন্দর হয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশের পর সবাইকে হোম কোয়ারেন্টিনে অবস্থান করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে করোনাভাইরাসের কোন উপসর্গের উপস্থিতি মিলেনি। পাশাপাশি তারা সকলেই শারিরিকভাবে সুস্থ রয়েছেন।
এদিকে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, চলমান লকডাউনের কারণে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় আটকে পড়া ১২০ ভারতীয় নাগরিকের দেশের ফেরত যাবার সবধরনের অনুমতি মেলায় প্রাতিষ্ঠানিক সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে।
মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জে ছাতকে চলতি বছরেও লিচুর বাম্পার ফলন হয়েছে। জৈষ্ঠ্য মাসের রসালো ফল পাকা লিচু এখানের গাছে গাছে ঝুলছে। এখানের লিচু বাগান গুলো এখন মনোমুগ্ধকর দর্শনীয় স্থানে পরিণত হয়েছে। চারিদিকে শুধু পাকা লিচু আর লিচুর সমাহার। ছাতক উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের মানিকপুর, গোদাবাড়ী, বড়্গল্লা, চানপুর, রাজারগাও, কচুদাইড় গ্রামে রয়েছে রসালো ফল লিচুর বাগান। দোয়ারাবাজার উপজেলার লামাসানীয়া গ্রামেও লিচু বাগানের বিস্তৃতি ঘটেছে। ছাতকের মানিকপুর গ্রামে প্রথমে বাণিজ্যিক ভাবে লিচু চাষ শুরু হয়। আর এখান থেকেই আশ-পাশ গ্রামের মানুষ লিচু চাষে আগ্রহী হয়ে পড়েন। স্থানীয়রা জানান শতাধিক বছর পূর্বে গৌরীপুরের জমিদারের কাছারিবাড়ী ছিল মানিকপুর গ্রামে। বর্তমানে ঐ বাড়ীটিতে মানিকপুর জামে মসজিদ নির্মান করা হয়েছে। জমিদারের নায়েব হরিপদ রায় ও শান্তিপদ রায় কাছারি বাড়ীতে কয়েকটি লিচু গাছ লাগিয়েছিলেন। বিশাল আকারের লিচু গাছগুলো এখনো কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে রয়েছে কাছারি বাড়ীতে । কাছারি বাড়ীর এসব লিচু গাছ থেকে গ্রামের বাড়ীতে বাড়ীতে ২/১ টি করে গাছ লাগিয়েছিলেন গ্রামের লোকজন। এ গাছগুলোতে লিচুর ভালো ফলন হওয়ায় এবং ভালো বাজারমূল্য পাওয়ায় লিচু চাষে গ্রামের অনেকেই আগ্রহী হয়ে পড়েন।এবং বাণিজ্যিকভাবে কয়েকজন লিচু উৎপাদন শুরু করেন। ২০১৪ সালে বাগানীরা কোটি টাকার লিচু বিক্রি করে এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করেন। এ থেকেই লিচুর গ্রাম হিসেবে মানিকপুর পরিচিতি লাভ করে। পর্যায়ক্রমে আশ-পাশের গ্রামগুলোতেও বাণিজ্যিকভাবে লিচুর চাষ শুরু হয়। মানিকপুর গ্রামের লিচু চাষী আবু তাহের রইছ মিয়া, আলী হোসেন, আরব আলী, শুকুর আলী, জামাল উদ্দিন, বাদল মিয়া, মতিউর রহমান, রবি মিয়া গোদাবাড়ী গ্রামের আনর মিয়া, ফরিদ মিয়া, বাচ্চু মিয়া, রুস্তুম আলী জানান, বাড়ীর অাঙ্গিনায় রোপণকৃত লিচু গাছের লিচু বিক্রি করে তাদের কিছুটা আয় হলে তারা লিচুর বাগান করতে আগ্রহী হন। মূলত তারা জমিদারের কাছারি বাড়ীর লিচু গাছ থেকেই চারা সংগ্রহ করে লিচুর বাগান করেছেন। প্রতিবছরই এখানে লিচুর ভালো ফলন হচ্ছে। কয়েকটি গ্রামের বাগানীরা লিচু বিক্রি করে প্রতি মৌসুমে প্রায় দেড় কোটি টাকা আয় করেন। লিচুর ভালো ফলনের জন্য উপজেলা কৃষি বিভাগের সহযোগিতা নেন তারা। বাগানীরা জানান বাগানের লিচু চামচিকা পোকামাকড় থেকে রক্ষা করতে তাদের প্রচুর কষ্ট করতে হয়। দু’বছর ধরে স্থানীয় সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিকের প্রচেষ্টায় গ্রামগুলো বিদ্যুতায়িত হয়েছে। বিদ্যুতায়নের আগে বাগানের অর্ধেক লিচু চামচিকা, বাদুড় ও পোকামাকড় নষ্ট করে ফেলতো। বিদ্যুত আসার কারনে বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যাবহার করে পোকামাকড়, চামচিকা, বাদুড়, কটকটি ইত্যাদি প্রাণী তাড়ানো সম্ভব হচ্ছে। ছাতকের বাগান গুলোর লিচু সুমিষ্ট হলেও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের লিচুর চেয়ে আকারে অনেকটা ছোট। কয়েকবছর আগে সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল এখানের লিচু চাষীদের উন্নত জাতের লিচুর চারা দিয়েছিলেন। এসব চারা থেকে এখানে বড় আকারের লিচুও ফলন হচ্ছে। লিচু চাষীরা জানান বাগানে চাষকৃত লিচু বাজারজাত করতে তাদের সমস্যা হচ্ছে। রাজারগাও থেকে চৌমুহনী বাজার রাস্তার একটি ব্রিজ ধসে পড়ায় এখানে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। লিচু নিয়ে দোয়ারা উপজেলার বালিউরা বাজার হয়ে তাদের ছাতক শহরে আসতে হচ্ছে। এতে পরিবহন খাতে তাদের অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হয়। এ অঞ্চলে উৎপাদিত লিচু দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি হলেও চলতি মৌসুমে করোনা ভাইরাসের কারনে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় তাদের বাগানের লিচু শুধু সিলেট অঞ্চলে বিক্রি হচ্ছে। লিচুর ভালো ফলন হওয়ায় চাষীরা আশাবাদী চলতি মৌসুমেও তারা দেড় কোটি টাকার লিচু বিক্রি করতে পারবেন। দোয়ারাবাজার উপজেলা সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার ও গোদাবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হামিদ জানিয়েছেন লিচু চাষে মানুষকে আগ্রহী করতে অব্যাহত ভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এখানের অধিকাংশ লিচু চাষীরা তার পরামর্শে লিচু বাগান করেছেন। এ অঞ্চলের মাটি লিচু চাষের উপযোগী বিধায় তিনি সবসময় লিচু চাষে উন্নত প্রযুক্তি ব্যাবহার ও লিচু চাষে চাষীদের সব ধরনের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। ছাতক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তৌফিক হোসেন খান জানান ছাতকে পূর্ব থেকেই লিচুর ফলন হতো। বর্তমানে এখানে উন্নতজাতের লিচুর চাষ হচ্ছে। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি বিভাগ লিচু চাষীদের সবধরনের সহযোগিতা করছে।
ডেক্স রিপোর্টঃ করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে দেয়া চলমান সাধারণ ছুটি আর বাড়ছে না। দীর্ঘ ৬৭ দিন বন্ধ থাকার পর আগামী ৩১ মে থেকে স্বাস্থ্যবিধিসহ কিছু নিয়ম মানা সাপেক্ষে খুলছে সরকারি অফিস।
বুধবার (২৭ মে) জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে ১৫ জুন পর্যন্ত গণপরিবহন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে বলে তিনি জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৩১ মে থেকে সাধারণ ছুটি আর বাড়ানো হবে না। তবে ১৫ জুন পর্যন্ত সবাইকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে। এছাড়া সাধারণ ছুটি না বাড়লেও ১৫ জুন পর্যন্ত গণপরিবহন ও সব ধরণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
বৈশ্বিক মহামারীর সংক্রমণ ঠেকাতে বাংলাদেশে ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি চলছে। সাত দফা বাড়িয়ে এই ছুটি শেষ হচ্ছে ৩০ মে। সাধারণ ছুটির সময় গণপরিবহন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সব ধরণের অফিস আদালত বন্ধ রয়েছে।
তবে জরুরি সেবা সীমিতভাবে ব্যাংকসহ কিছু অফিস খোলা ছিল। পরবর্তীতে কিছু সরকারি দফতর ও গার্মেন্ট প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হয়।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, গণপরিবহন, নৌযান ও রেল চলাচল বন্ধ থাকবে। ব্যক্তিগত পরিবহন চলবে। ‘কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য কোনও অফিস সীমিত আকারে পরিবহন চালু করবে কিনা সে সিদ্ধান্ত নেবে। নিজ ব্যবস্থায় বিমান চালাচল করতে পারবে। সভা-সমাবেশ গণজমায়েত বন্ধ থাকবে।’
আগের ছুটির ধারাবাহিকতায় গত ১৪ মে এক আদেশে ১৭ থেকে ২৮ মে পর্যন্ত নতুন করে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার।
২১ মে শবে কদর, ২২, ২৩, ২৯ ও ৩০ মের সাপ্তাহিক ছুটি এবং ২৪, ২৫ ও ২৬ মে ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটিও এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষাপটে সরকার প্রথম দফায় ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সব অফিস-আদালত বন্ধ ঘোষণা করে। সেই সঙ্গে সারা দেশে সব ধরনের যানবাহন চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়।
এম.এম আতিকুর রহমান করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামের এই প্রথম মৃত যুবক আব্দুল হান্নানের জানাজা ও দাফন গতরাত প্রায় ১ ঘটিকায় স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে। জানাজা ও দাফন যৌথভাবে সম্পন্ন করেছে উপজেলা প্রশাসন ও জুড়ী থানা পুলিশ। এতে উপস্থিত ছিলেন জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অসিম চন্দ বণিক, জুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও ডাঃ সমরজিৎ সিংহ, করোনার প্রথম সারীর সাহসী সম্মুখযোদ্ধা জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার, জুড়ী থানার ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম সেলিম, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন, মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি হুমায়ুন রশিদ রাজি, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী জাকির হোসেন মনির প্রমুখ। কওমি মাদ্রাসা শিক্ষক ছাত্রদের সমন্বয়ে গঠিত একরামুল মুসলিমিন ফাউন্ডেশন এর মৌলভীবাজার জেলা টমি প্রধান মাওঃ এহসান জাকারিয়ার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলও দাফনের জন্যে আসে বলে জানান জুড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার।
করোনায় আক্রান্ত মৃত আব্দুল হান্নানের জন্য সকলের নিকট দোয়া চেয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন।
জানা যায়, আব্দুল হান্নানের দুটো কিডনি বিকল হয়ে যাওয়ায় গত ১১ মে চিকিৎসার জন্য সিলেটের রাগীব রাবেয়া হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে করোনার উপসর্গ দেখা দিলে ১৬ মে তাকে সিলেট শামস উদ্দিন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে গতরাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
আব্দুল হান্নানের চিকিৎসাকালীন তার ভাতিজা আব্দুর রাজ্জাক সার্বক্ষণিক সাথে থাকায় সেও করোনা আক্রান্ত হয়ে একই হাসপাতালের আইসোলেশনে রয়েছে। রাত প্রায় ১১ টায় সিলেট শামস উদ্দিন হাসপাতালের একটি লাশবাহী এম্বুলেন্সে তার লাশ নিয়ে আসা হয় জুড়ী থানায়।
জুড়ী থানা পুলিশ আইনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে করোনায় মৃত যুবক আব্দুল হান্নানের জানাজা ও দাফন স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী সম্পন্ন করে।
মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার দক্ষিনভাগ বাজারে কয়েকমাস থেকে এক বৃদ্ধ মহিলার আগমন।তিনি একজন মানসিক রোগী।বাজারের রাস্তার পাশে কয়েকটি বস্তা বর্তি বোতল ও বাজারের বিভিন্ন ময়লা আবর্জনা নিয়ে নুয়ে নুয়ে উনাকে প্রায় সময় হাটতে দেখা যায়। বিভিন্ন পথচারি ও জনসাধারন উনাকে টাকা দিয়ে সাহায্য করতে চাইলে তা ও উনি নিতে আগ্রহি হোন না।তবে খাবারের কোন কিছু কিনে দিলে অনেক সময় খেতে দেখা যায়।প্রতিদিন রাতে বাজারের বিভিন্ন মার্কেটের সামনেই উনার ঘুমানোর স্থান।দিনে পথচারিদের বিস্কুট,পানি,জুস,বিরানি খেয়েই চলে। অনেক দিন রাতে উনাকে খুজে খুজে এলাকার অনেক মানবিক ব্যক্তিবর্গ উনাকে রাতের খাবার দিয়ে যেতে দেখা যায়।
বর্তমান অবস্থা
প্রতিদিনের মতো ঈদের দিন এভাবে চলছিল।ঈদের পর দিন সকালে বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সহ: সাধারন সম্পাদক ও নাজমা বস্ত্রালয়ের স্বত্তাধিকারি জনাব সাইফুল ইসলাম ও বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী সিরাজ হোটেলের স্বত্তাধিকারি জনাব সিরাজ উদ্দিনের একটি মহৎ উদ্দ্যোগের মাধ্যমে বদলে যায় উনার পূর্বের গঠন।উনারা নিজ উদ্দ্যোগে মহিলাকে নিয়ে (একজন মহিলাকে দিয়ে) ভালভাবে পরিস্কার করে গোসল শেষে নতুন কাপড়-চোপড় পরিধান করিয়ে খাবার দেন।এবং সিরাজ উদ্দিন উদ্দ্যোগ নেন যে একটি বাড়িতে একজন মহিলাকে দায়িত্ব দিয়ে প্রতিদিন উনার থাকার ব্যবস্থা ও সিরাজ হোটেলের পক্ষ থেকে তিনবেলা খাবার ব্যবস্থা করবেন।
উনার সাথে (মহিলা) কথা বললে উনি উনার বাড়ি,এলাকা,কারো নাম কিছুই বলতে পারেন নি।তবে উনার কথাবার্তার ভাষায় বুঝা যাচ্ছে যে উনি কুমিল্লার বাসিন্দা হতে পারেন।যদি কোন ব্যক্তিবর্গ উনার পরিচয় পেয়ে থাকেন তাহলে নিচের নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
পোষ্টটি সকলে শেয়ার করার অনুরোধ করছি..আমরা সকলে মিলে দেখি এই মহিলার বাড়ি পর্যন্ত পৌছানো যায় কিনা।
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পৌর কাউন্সিলর মারা গেছেন। এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর এক ডাক্তার নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
নিয়ে উপজেলায় করোনায় প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটলো।আর এনিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ১২ জনে দাঁড়ালো। তবে এর মধ্যে ফুলছড়া চা বাগানের এক শ্রমিকের মেয়ে করোনায় আক্রান্ত কলেজ ছাত্রী সুস্থ হয়েছেন।
সোমবার সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজে স্থাপিত পিসিআর ল্যাবের পরীক্ষা থেকে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল আহাদ ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর চিকিৎসক ডাঃ তানভির রাহাতের করোনা দেহে সনাক্তের বিষয়টি ধরা পড়ে ।
আজ সকালে পৌর কাউন্সিলর মারা যান। লকডাউন চলাকালে ত্রাণ বিতরণকালে তিনি করোনায় সংক্রমিত হতে পারেন বলে পরিবারের সদস্যরা মনে করছেন।
জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে গত ২১ মে তাদের করোনা ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ করে সিলেট ল্যাবে পাঠানো হয়েছিল।
এদিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান,খবর পেয়ে রাতেই আমরা পৌর কাউন্সিলর এর কালিঘাট রোডের বাসা ও ডাক্তারের হাসপাতালের ভিতরে কোয়ার্টার লকডাউন করা হয়।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী ঈদের রাতে ফোনে জানান,আক্রান্তদের শারীরিক অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। আমরা পরিবারসহ আশপাশের কয়েকজন ব্যক্তিকে হোম কোয়ারিন্টিনে থাকতে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আক্রান্ত পরিবারের সদস্যদের নমুনা সংগ্রহের উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাদের নমুনা সংগ্রহ করে সিলেট পাঠানো হবে।
এ নিয়ে শ্রীমঙ্গল উপজেলায় প্রথম মৃত্যুর পাশাপাশি করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১২ জনে দাঁড়ালো।
নিউজ ডেস্কঃ নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীরা সংক্রমণের প্রথম তিন থেকে চার দিন সবচেয়ে বেশি সংক্রামক এ তথ্য আগেই জানা গেছে। তবে এখন এক দল গবেষক বলছেন, আক্রান্তের ১১ দিন পর ওই রোগী আর সংক্রামক থাকে না। ওই সময় নমুনা পরীক্ষায় পজেটিভ এলেও তিনি আর অন্যকে সংক্রামিত করতে পারেন না।
সিঙ্গাপুরের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞদের একটি গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। সিঙ্গাপুর শহরের ৭৩ জন কভিড-১৯ রোগীর তথ্যের ভিত্তিতে এ গবেষণাটি করা হয়েছে।
সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল সেন্টার ফর ইনফেকশাস ডিজিস এবং দ্য অ্যাকাডেমি অব মেডিসিনের যৌথ এ গবেষণায় বলা হয়েছে, পরীক্ষায় পজেটিভ আসা মানেই কিন্তু সংক্রমণ সক্ষম বা ভাইরাসের সক্রিয় থাকা নয়। সংক্রমণের ১১ দিন পর ভাইরাসটি আর আলাদা হতে পারে না বা কালচার (সংখ্যা বৃদ্ধি) করতে পারে না।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সর্বশেষ এ পর্যবেক্ষণটি হাসপাতাল থেকে রোগীর ছাড়া পাওয়ার মানদণ্ডে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। এখন পর্যন্ত এ মানদণ্ডটি সংক্রমণ সক্ষমের পরিবর্তে পরীক্ষায় পর পর দুইবার নেগেটিভ আসার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হচ্ছে।
সিঙ্গাপুরের স্ট্রেইট টাইমসের এক প্রতিবেদনের বলা হয়েছে, সর্বশেষ গবেষণার প্রমাণগুলো ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা যায় কিনা- তা দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মূল্যায়ন করবে।
এর আগে এ সংক্রান্ত একাধিক গবেষণায় দেখানো হয়েছে, আক্রান্ত ব্যক্তি সুস্থ হওয়ার পর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী পরপর দুইবার নমুনা পরীক্ষায় করোনাভাইরাস নেগেটিভ আসার পরও তার হাঁচি কাশির মাধ্যমে ভাইরাস বেরিয়ে আসতে দেখা গেছে। অনেকের ক্ষেত্রে ফুসফুসের মরা কোষও বেরিয়ে আসে। তবে সেটি অন্য মানুষকে সংক্রমণে সক্ষম কিনা তা নিশ্চিত ছিল না। এবার সিঙ্গাপুরের গবেষকরা জানালেন, নমুনায় পজেটিভ এলেও তা আর সংক্রামক থাকে না।
এখন পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে মোট ৩১ হাজার ৬৮ জন রোগীর মধ্যে ১৩ হাজার ৮৮২ জন বা প্রায় ৪৫ শতাংশ রোগীকে হাসপাতাল ও কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র থেকে ছাড় দেয়া হয়েছে। গত শনিবার দুপুর পর্যন্ত একদিনে দেশটিতে ৬৪২ জন কভিড-১৯ শনাক্ত হয়েছে।
দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ২ জুন থেকে প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় চালু করার পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে দেশটি। এরই অংশ হিসেবে সরকার প্রাক-প্রাথমিকের কর্মীদের সক্রিয়ভাবে স্ক্রিনিং করছে। গত শুক্রবার কর্মচারীদের মধ্যে দুইজনের কভিড-১৯ পজিটিভ ফল পাওয়া গেছে। এখন পর্যন্ত প্রাক-প্রাথমিকের সাত কর্মচারীর মধ্যে নভেল করোনাভাইরাস শনাক্ত হলো।
নিউজ ডেস্কঃ গ্রামের বাড়িতে মেয়ের লাশ দাফন হবে না, এজন্য এক অ্যাম্বুলেন্সে ড্রাইভারের সাথে ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে চুক্তি করেছিলেন মেয়ের মৃতদেহ দাফনের। সে জন্য চুক্তির টাকাও পরিশোধ করেছিলেন সেই হতভাগ্য পিতা। কিন্তু সেই মৃতদেহ ওই অ্যাম্বুলেন্সের চালক দাফন না করেই ফেলে দেয় তিস্তায়। দুই দিন পর সেই মৃতদেহ তিস্তার পানিতে ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা।
আদিতমারী থানা পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিচয় শনাক্ত হবার পর সেই হতভাগ্য পিতার কাছে পুনরায় লাশ দাফনের দায়িত্ব এসে কাঁধে চাপে। কিন্তু ঘটনা জানতে পেরে এবার পুলিশেই দায়িত্ব তুলে নেয় লাশ দাফনের।
এমনিই এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে মৃত পোশাক শ্রমিক মৌসুমী আক্তারের হতভাগ্য বাবা গোলাম মোস্তফার কপালে! এমনই এক হৃদয় বিদারক ঘটনায় আদিতমারী থানা পুলিশ পোশাক শ্রমিক মৌসুমী আক্তারের(২২) মরদেহ রবিবার সন্ধ্যায় তিস্তা নদী থেকে উদ্ধার করে। আজ সোমবার ঈদের দিন বিকেলে মরদেহের জানাজা শেষে মৃতের নিজ গ্রামে দাফন করে যৌথভাবে আদিতমারী ও পাটগ্রাম থানা পুলিশ। মৃত পোশাক শ্রমিক মৌসুমী আক্তার পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রামের গোলাম মোস্তফার মেয়ে। তিনি একই উপজেলার বাউড়া ইউনিয়নের সরকারের হাট এলাকার স্বামী নিগৃহীতা মিজানুর রহমানের স্ত্রী।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানান, বাউড়া ইউনিয়নের সরকারের হাট এলাকার আবুল কালামের ছেলে মিজানুর রহমানের সাথে ৬ মাস আগে বিয়ে হয় পোশাক শ্রমিক মৌসুমী আক্তারের।
বিয়ের পর থেকেই স্বামীর সাথে সম্পর্কের অবনতি ঘটলে একাই গাজীপুরে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন মৌসুমী। গত বৃহস্পতিবার অসুস্থতা অনুভব করলে একটি ট্রাক যোগে পাটগ্রামে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। পথিমধ্যে রংপুরের তাজহাট এলাকায় পৌঁছলে ট্রাকচালক তাকে মৃত দেখে মরদেহ ফেলে পালিয়ে যান। অজ্ঞাত মরদেহ হিসেবে তাজহাট থানা পুলিশ মৌসুমীর মরদেহ উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠান। পরদিন শুক্রবার খবর পেয়ে মৃতের বাবা গোলাম মোস্তফা তাজহাট থানায় গিয়ে মেয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন। মেয়ের মরদেহ বুঝে নিয়ে বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ নেওয়াজ নিশাতকে মোবাইলে বিষয়টি অবগত করে নিজ এলাকায় মরদেহ দাফনের অনুমতি চান। কিন্তু চেয়ারম্যান ওই মরদেহ করোনায় আক্রান্ত সন্দেহে তার পরিবার ও মরদেহবাহী গাড়ি পুড়িয়ে দেয়ার হুমকী দেন বলে অভিযোগ করেন মৃতের বাবা গোলাম মোস্তফা।
নিরুপায় হয়ে হতভাগ্য গরিব বাবা মেয়ের মরদেহ দাফন করতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকার একজন লাশবাহী গাড়ি চালকের সাথে ৫ হাজার টাকা চুক্তি করেন। চালক মরদেহ দাফনের আশ্বাস দিয়ে গোলাম মোস্তফাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে মরদেহটি তিস্তা নদীতে ফেলে দেন। দুই দিন পরে স্থানীয়দের খবরে রবিবার (২৪মে) রাতে উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের গোবর্দ্ধন গ্রামে তিস্তা নদী থেকে সরকারি ব্যাগে মোড়ানো অজ্ঞাত মরদেহটি উদ্ধার করে আদিতমারী থানা পুলিশ।
সোমবার (২৫ মে) ঈদের নামাজ শেষে আদিতমারী থানা পুলিশ মরদেহটির জানাজা শেষে আদিতমারী কেন্দ্রীয় কবর স্থানে দাফনের প্রস্তুতি নিতেই খবর পেয়ে পরিচয় শনাক্ত করেন মৃতের বাবা গোলাম মোস্তফা। অবশেষে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় আদিতমারী থানা পুলিশ পাটগ্রাম থানা পুলিশের সহায়তায় পাটগ্রামের নিজ গ্রামে বিকেলে মৌসুমীকে দাফন করেন।
মৌসুমীর বাবা গোলাম মোস্তফা এর সাথে আদিতমারী থানা চত্বরে কথা হলে তিনি বলেন, হাতে পায়ে ধরতে চেয়েও লাশ গ্রামে নিতে দেয়নি আবু সাঈদ নেওয়াজ নিশাত চেয়ারম্যান। বাধ্য হয়ে একজন ড্রাইভারকে ৫ হাজার টাকা দিয়েছি লাশ দাফন করতে। তারাও দাফন না করে নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছে। অবশেষে আবারো মেয়ের মরদেহ শনাক্ত করতে হলো আদিতমারী থানায়। মেয়ের মরদেহ নিয়ে যারা ব্যবসা করেছে তাদের বিচার দাবি করেন তিনি।
বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবু সাঈদ নেওয়াজ নিশাতের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তিনি মোবাইল ফোন রিসিভ করেননি। আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয় বিদারক ও দুঃখজনক। সরকারি ব্যাগে মোড়ানো মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় একটি ইউডি মামলা করা হয়েছে। মৃতের পরিচয় নিশ্চিত হবার পর তার বাবার আকুতি জেনে পুলিশ সুপারের নির্দেশে দুই থানা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে মরদেহ তার গ্রামে দাফন করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা প্রবাসী ঐক্য পরিষদের ও দুবাই গেছেইজ আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আজিম মোহাম্মদ এক তরুন সমাজ সেবক। তিনি প্রবাসে থেকে জন্ম মাটির অসহায় মানুষের কথা চিন্তা করে মানবসেবাকে ইবাদাত মনে করে দেশের রাজনৈতিক প্রতিহিংসাকে পিছনে ফেলে বিশ্বের বিভন্ন দেশে অবস্থানরত বড়লেখা উপজেলার প্রবাসীদেরকে নিয়ে ২০১৯ প্রতিষ্টা করেন প্রবাসী ঐক্য পরিষদ। এই পরিষদের মাধ্যমে অনেক অসহায় মা-বোন চিকিৎসা খরচ প্রদান, ছাত্র-ছাত্রী পড়ালেখার খরচ, দরিদ্র মানুষ ত্রাণ প্রদান করে আসছেন। কিন্তু ইদানিং করোনা প্রাদুর্ভাবে যখন উপজেলার ভিবিন্ন এলাকায় ত্রান বিতরণ করে প্রবাসী ঐক্য পরিষদ। তা সামাজিক যোগাযোগ ফেইসবুক এ প্রকাশ পাওয়ার পর। কিছু সংখক খারাপ চরিত্রের অধিকার পরিচয় বিহীন নামে বেনামে ফেইসবুক এর আই,ডি,দিয়ে,আজিম মোহাম্মদ শিবির কর্মী ছিলেন, ৫০হাজার টাকা ঐক্য পরিষদের আত্বসাৎ করেছেন,৫নং দক্ষিণশাহবাজপুর ইউনিয়নে ৫নং মেম্বার প্রার্থী হবেন বলে বিভিন্ন রকম মিথ্যা গুজব রটানো হচ্ছে।
আজিম মোহাম্মদ মুটোফোনে আমাদের প্রতিনিধির সাথে কথা বলে জানান, তিনি আরো২০ বছর প্রবাসে থাকার ইচ্ছা। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মেম্বার প্রার্থী হওয়ার কোন ইচ্ছে নাই। তাছাড়া বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজনীতির জড়িত ছিলেন। তিনি দাবী করেন আমার রাজনৈতিক জীবনের অবিভাবক মুড়াউল গ্রামের বাসিন্দাও সিলেট জজ আদালত ২নং বারের এডভোকেট রঞ্জু দেবনাথ উনার হাতে ধরে প্রথম বাংলাদেশ আওয়ামীলীগে যোগদান করেন। পরবর্তীতে রঞ্জু দেবনাথ সহ আমরা অনেকই মুড়াউল আর্দশ “আওয়ামী সংঙ্গ চেতনা” নামে একটি সংগঠন করেছিলাম, আমি ঐ সংঘের দপ্তর সম্পাদক ছিলাম,দপ্তরের সব আমার নিকট থাকতো, মুড়াউল বাজারে আমার দুইটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিল টেইলারিং ও লাইব্রেরি এন্ড ষ্টেশনারী, দুটি দোকানে নিয়মিত আওয়ামী যুবলীগের মিটিং হতো।সমাজ সেবায় নিজকে বিলিয়ে দিতে চাই ইবাদাত মনে করে সততা নিষ্টাও আন্তরিকতার সহিত বড়লেখা প্রবাসী ঐক্য পরিষদের দায়িত্ব পালন করে আসছি।
প্রবাসী ঐক্য পরিষদের সিনিয়র দায়িত্বশীলের সাথে মুটোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমাদের এই পরিষদে কোন রাজনৈতিক পরিচয় নাই আামরা জন্মসূত্রে বড়লেখা উপজেলার নাগরিকও প্রবাসী সেচ্ছাসেবক। দুঃখের সহিত বলছি ,প্রবাসী ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক কে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগে যে আনিত অভিযোগ গুলি সর্ম্পূন্ন রুপে মিথ্যা বানোয়াট। আমাদেরকে সামাজিক অঙ্গন থেকে দূরে সরানোর জন্য,এই মিথ্যা গুজব রটানো হচ্ছে, আমাদের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকের ব্যাপারে বলা,আর সংগঠনের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে এ অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্টানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন- ভাতা দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশ্বনাথ মহিলা কলেজের প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান মোঃমোছন আলী’র খোলা চিঠি।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনাকে জানাই সালাম ও শ্রদ্ধা।
আমি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার প্রাইভেট প্রতিষ্টান বিশ্বনাথ মহিলা কলেজের উদ্যোক্তা, সম্পতি বিশ্বব্যাপি মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে-বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্টানের শিক্ষক ও মালিক পক্ষের পরিবার আজ চরম বিপর্যয়।এহেন পরিস্থিতি মোকাবেলায় চলমান করোনায় আপনি ২৭ এপ্রিল এক ভিডিও কনফারেন্সে বলেছেন, পরিস্থিতি ঠিক না হলে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। হয়তো বন্ধই থাকবে। তাই, ঝুঁকি নিয়ে আপনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবেন না, এটাই স্বাভাবিক। এ অবস্থায় প্রাইভেট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যারা চাকরি করেন সেসব শিক্ষক-কর্মচারীরা তারা চরম বিপাকে পড়েছেন। দেশের প্রায় অর্ধলক্ষাধিক বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্টান সরকারি কোনো সাহায্যা ছাড়া ছাত্র-ছাত্রীর মাসিক ফি থেকে পরিচালিত হয়। ৯৫ শতাংশ ভাড়া বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত স্কুলগুলোর মাসিক সম্পূর্ণ আয়ের ৩০ শতাংশ ঘর ভাড়া, ৫০ শতাংশ সম্মানিত শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতা, বাকি ২০ শতাংশ বা তারও বেশি গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় হয়ে যায়। অনেক প্রতিষ্ঠান বর্তমানে ভর্তুকি দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। স্কুল বন্ধ থাকায় এসব প্রতিষ্ঠানের আয়ের উৎস ছাত্র-ছাত্রী থেকে মাসিক ফি আদায় করতে পারছে না। এ কারণে স্কুল কর্তৃপক্ষরা শিক্ষকদের মাসিক বেতন দিতে পারছে না বা উদ্যোক্তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী পুরো বেতনের কোনো একটা অংশ প্রদান করছে। বেতন না পেয়ে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দুর্দশাগ্রস্ত। পাশাপাশি অর্থনৈতিক মহা সংকটে পড়ে শিক্ষা প্রতিষ্টানের পরিচালনা পর্ষদ আজ দিশেহারা! লক্ষ লক্ষ কর্মহীন মানুষ ছুটবে দিগ্বিদিক লাগামহীন দ্রব্যমূল্যে নাভিশ্বাস উঠবে মানুষের। দেশজুড়ে থাকবে এক অস্থির পরিস্থিতি। এই অবস্থায় শিক্ষার্থীরা একদিনও ক্লাস না করে ছয় মাসের বেতন দিবে কি করে?’ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীক, এই দেশের জন্যে আপনি ও আপনার পরিবারের যে ত্যাগের নজির রয়েছে, তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার নিকট আকুল আবেদন আপনার ঘোষিত প্যাকেজ থেকে বাংলাদেশের অর্ধলক্ষাধিক বেসরকারী বা প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্টানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ভাতা দেওয়ার বিনীত অনুরোধ করছি।
শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় নিবেদিত আপনার একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক
মোঃমোছন আলী প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান বিশ্বনাথ মহিলা কলেজ বিশ্বনাথ, সিলেট ।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ইউনিয়নবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক ছাত্রনেতা মতিউর রহমান জাকের।
দীর্ঘ এক মাস কঠোর সিয়াম সাধনার পর সকল মুসলমানদের জীবনে অনাবিল শান্তি ও আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর। ঈদ-উল-ফিতরের পবিত্র দিনে সকলের গৃহে প্রবাহিত হয় শান্তির অমীয় ধারা।
সকল হিংসা, বিদ্বেষ ও হানাহানি থেকে মুক্ত হয়ে ঐক্যবদ্ধ ও ভালবাসাপূর্ণ সমাজ এবং জাতি গঠনের জন্য একযোগে কাজ করার অাহ্বান জানান তিনি। এবং সকলের অব্যাহত সুখ,শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
পাশাপাশি সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক ঈদের আনন্দ উপভোগ করার আহ্বান জানান।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃসিলেট বিভাগ সহ দেশ-বিদেশের সর্বস্তরের মানুষকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন সপ্নের ঢেউ সমাজ কল্যাণ সংস্থা সিলেট জেলা শাখার অর্থ সম্পাদক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ক্লাব সিলেট মহানগর শাখার আহবায়ক মোহাম্মদ নাঈম।
গনমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় তিনি এ শুভেচ্ছা বার্তা জানান।তিনি বলেন এ কঠিন পরিস্থিতিতে আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর এর আনন্দ তেমন ভাবে উপভোগ করতে পারবে না দেশ-বিদেশে অবস্থানরতরা। করোনাভাইরাসের কারনে আমাদের মাঝে মহাবিপর্যয় হিসেবে এসেছে আমরা জানি।
কোভিড-১৯ এর মহামারিতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ২১০টি দেশের কয়েক লাখ মানুষ মৃত্যুবরণ করেছেন। পরিস্থিতি যাইহোক জীবনযাত্রা ও সময়তো আর থেমে থাকে না, আমাদের সবাইকে পবিত্র রমজান মাসে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে সবার কল্যাণে দোয়া চাইতে হবে। আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে ক্ষমা করে হেফাজত করেন। সেই সাথে সর্বস্তর মানুষ কে আমার ভালোবাসা সম্মান, বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে দেশ-বিদেশের সবাই কে ঈদের অগ্রিম শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি, ঈদ মোবারক।
মোহাম্মদ নাঈম বলেন, বর্তমান করোনা পরিস্থিতি কেমন আমরা সবাই অবগত আছি, আসুন সবাই শারীরিক, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলি। সেই সাথে আবার সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করছি, আবারও সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা”
এম.এম আতিকুর রহমান :: মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার কৃতি সন্তান সাবেক ছাত্রনেতা কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আজ শুক্রবার (২২ মে) বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিলেট মহানগর যুবলীগের নেতা আব্দুল লতিফ রিপন। তিনি জানান, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল গত বুধবার (২০ মে) করোনা পরীক্ষার জন্য নিজের নমুনা পরীক্ষাগারে দিয়েছিলেন। আজ শুক্রবার তাঁর করোনা পজিটিভ বলে জানা যায়। জানা গেছে- গত ৪/৫ দিন থেকে তাঁর হালকা জ্বর ও কাশি ছিল। এর প্রেক্ষিতে নমুনা পরীক্ষা করালে রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তবে শারীরিকভাবে তিনি অনেকটা সুস্থ রয়েছেন। বর্তমানে তিনি নিজের বাসায় হোম আইসোলেশনে আছেন। এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তাকে কর্মহীন মানুষের পাশে থেকে সহায়তা ও বিভিন্ন ইফতার বিতরণী অনুষ্ঠানে দেখা গেছে। ৯০ দশকের সিলেটের রাজপথের জনপ্রিয় ছাত্রনেতা জননেতা নাদেল-সদালাপী, বিনয়ী ও পরোপকারী সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে সুপরিচিত। তাঁকে দ্রুত শিফায়ে কামিলা আজিলা দিন দয়াময়ের নিকট এ মিনতি কায়মনোবাক্যে।
“দূঃখ দুরে যাক’সুখে জীবন ভয়ে আসুক“ এই প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেছে, মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার নিজ বাহদুর পুর ইউনিয়নের৩ নং ওয়ার্ডের সামাজিক সংঘটন উত্তর পকুয়া যুবসমাজের ব্যাবস্থাপনায়,শুক্রবার (২২মে)বিকাল ৩ঘটিকার সময যুবসমাজের সহঃসভাপতি সাংবাদিক ছাদেক আহমদের বাড়ীতে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে ঈদুল ফিতরের প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এ সময় ৮০টি পরিবারে মাঝে ঈদ সামগ্রী প্রয়োজনীয় উপকরণ- তেল, ময়দা, সেমাই, চিনি ইত্যাদি বিতরণ করা হয়।
বিতরণ কালে উত্তর পকুয়া যুবসমাজের সহ সভাপতি বলেন, সকল সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে,নিতে ও ঈদের খুশি সবার মাঝে ভাগ করতে পারাই এ আয়োজন এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতে আমরা আরও বড় পরিসরে মানুষের সেবায় কাজ করে যেতে চাই। ঈদ উল ফিতরে সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের সাহায্যে এগিয়ে আসা উচিত আমাদের সকলের। বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন উত্তর পকুয়া যুবসমাজের সকল সদস্যবৃন্দ।
এম.এম আতিকুর রহমান,বড়লেখাঃ চলমান প্রেক্ষাপটে মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে নিম্নবিত্ত দিনমজুর মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ে। বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটির উদ্যোগে ও প্রবাসী দাতা সদস্য এবং শুভাকাঙ্ক্ষীবৃন্দের অর্থায়ণে তাদের জন্য ঈদ উপহার বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
বড়লেখা উপজেলা’র বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার পৌঁছে দেন পাবলিকেশন সোসাইটির দায়িত্বশীলবৃন্দ।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) বড়লেখা পৌর শহরস্থ ফ্যামিলি বাজারের উপরে (১ কেজি ময়দা, ১ কেজি চিনি, ১ পেকেট সেমাই, ৫০০ গ্রাম তৈল) মিলে ঈদ উপহার সামগ্রী’র পেকেটিং এর কাজ শেষ করে প্রতিটি এলাকা ও গ্রামে গ্রাম পৌঁছে দিতে নিয়ে যান পাবলিকেশন সোসাইটির দায়িত্বশীল ও সদস্যবৃন্দ।
ঈদ উপহার বন্টন কালে উপস্তিত ছিলেন বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটির সহ সভাপতি আব্দুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক রুবেল হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক তোফায়েল আহমেদ তুহেল,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, আব্দুস সামাদ, অর্থ সম্পাদক মিজানুর রহমান, প্রচার সম্পাদক, আব্দুল হালিম প্রমুখ।
বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মাহতাব আল মামুন জানান, করোনাকালীন দূর্যোগের শুরু থেকেই আমরা গোপনে এবং প্রকাশ্যে অভাবী দিনমজুর কর্মহীন হয়েপড়া মানুষদের মধ্যে উপহার স্বরুপ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করি, প্রথম ধাপে আমরা উপহার স্বরুপ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছি। দ্বিতীয় ধাপে রমজান সামগ্রী ও তৃতীয় ধাপে এবার ঈদ উপহার প্রদান করেছি। মানুষের কল্যাণে আমাদের এধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।
হাসপাতালে মাস্ক-পিপিইসহ চিকিৎসকদের সুরক্ষা সরঞ্জামের ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করায় ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের এক চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। এরপর আবার পুলিশের হাতে মারধর এবং মানসিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় দ্বিতীয়বার তিনি খবরের শিরোনাম হয়েছেন। খবর বিবিসি।
গত শনিবার থেকে ২০ বছরের অভিজ্ঞ অ্যানাস্থেসিস্ট ডা. সুধাকর রাওকে মারধর ও মানসিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেছে। ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওগুলো বিস্তৃতভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভাইরাল হওয়া বেশ কয়েকটি ভিডিওতে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের বিশাখাপত্তমের দক্ষিণাঞ্চলের যেখানে ডা. রাও বসবাস ও কাজ করেন, সেখানকার একটি মহাসড়কে তাকে পুলিশের সঙ্গে দেখা যায়। কর্তৃপক্ষ বলছে, পরে তাকে মানসিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল।
একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ডা. রাও খালি গায়ে রাস্তার পাশে থাকা একটি গাড়ির ভেতরে বসে আছেন এবং তার আশেপাশে পুলিশ চিৎকার করছে। আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, একজন কনস্টেবল তাকে লাঠিপেটা করছেন এবং পেছনে হাত বাঁধা অবস্থায় তিনি রাস্তায় শুয়ে আছেন। অপর একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উৎসুক জনতার ভিড়ের সামনে পুলিশ অফিসাররা ওই চিকিৎসকে ধরে অটোরিকশায় তুলছেন।
পুলিশ বলছে, চিকিৎসককে লাঠিপেটা করা ওই কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে তদন্ত হবে।
তবে পুলিশ তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার আগে তিনি ওই সময়ের মধ্যে জড়ো হওয়া স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘পুলিশ সদস্যরা আমাকে জোর করে গাড়ি থেকে নামিয়ে আনে। তারা আমার ফোন ও ওয়ালেট ছিনিয়ে নেয় এবং আমাকে মারধর করে।’
এর আগে গত ৩ এপ্রিল সরকারি হাসপাতালে কর্মরত ডা. রাও গণমাধ্যমে বলেছিলেন, চিকিৎসকদের পর্যাপ্ত মাস্ক, পিপিইসহ সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম দেয়া হচ্ছে না। স্থানীয় একটি টেলিভিশকে তিনি বলেন, ‘নতুন মাস্ক চাওয়ায় আমাদের ১৫ দিন ধরে ব্যবহার করে আসা মাস্ক ব্যবহার করতে বলা হচ্ছে। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমরা কীভাবে রোগীদের চিকিৎসা দিতে পারি?’ এ ভিডিও ক্লিপটিও সেসময় ভাইরাল হয়ে যায়।
এ ঘটনায় সরকার বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেয় এবং ডা. রাওকে সাময়িক বরখাস্ত করে। কর্মকর্তারা এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না দিলেও জনসম্মুখে বলেছেন, ডা. রাও অন্য চিকিৎসকের মনোবল দুর্বল করে দিচ্ছেন। এর কয়েক দিন পর রাও একটি ভিডিওতে ক্ষমা চান এবং তার বরখাস্তের আদেশ বাতিলের আহ্বান জানান। কিন্তু তার আহ্বানে সাড়া দেয়নি কর্তৃপক্ষ।
এ ঘটনার পর থেকেই ডা. রাও ও তার পরিবারকে হুমকি-ধমকি দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা। শনিবার ডা. রাও বলেন, গত কয়েকদিন ধরে মানুষ ফোন করে আমাকে হুমকি দিচ্ছেন।
রাওয়ের মা কাবেরি রাও বলেন, তার কোনো মানসিক স্বাস্থের সমস্যা নেই। তিনি একজন নামী চিকিৎসক। হাসপাতালে সুরক্ষা সরঞ্জামের ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের পর থেকে তাকে নির্যাতনের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। এসব নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে তিনি খুব চাপের মধ্যে ছিলেন।
এ বিষয়ে বিশাখাপত্তমের পুলিশ কমিশনার আরকে মিনা বিবিসিকে বলেন, ‘একজন মাতাল লোক রাস্তায় উল্টাপাল্টা আচরণ করছে- এমন খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। পুলিশ গিয়ে দেখে ওই চিকিৎসক রাস্তার বেড়িক্যাড সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করছেন এবং রাস্তায় একটি মদের বোতল ছুঁড়ে ফেলছেন।’
তার দাবি, পুলিশ যাওয়ার আগেই স্থানীয় লোকজন তাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রেখেছিল। তারা চিকিৎসকের বিরুদ্ধে পুলিশকে বাধা প্রদান এবং ক্ষতিসাধনের অভিযোগে মামলা করেছেন।
ভিডিওতে পুলিশ কর্তৃক ডা. রাওয়ের হাত বাঁধার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিলে কমিশনার মিনা বলেন, তিনি পুলিশের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছিলেন। তিনি একজন কনস্টেবলের কাছ থেকে ফোন ছিনিয়ে নিয়ে রাস্তায় ফেলে দিয়েছিলেন। তিনি সম্ভবত মনস্তাত্ত্বিক সমস্যায় ভুগছেন। প্রথমে তাকে থানায় নেয়া হয়েছিল এবং পরে তাকে প্রাথমিক পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানকার চিকিৎসকরা তাকে একটি মানসিক হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দিয়েছিলেন।
এদিকে হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা. রাধা রাণী বলেন, তার অবস্থা স্থিতিশীল মনে হলেও তাকে দুই সপ্তাহ পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।
মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখায় সিগারেটসহ বাকিতে মাল বিক্রির ৮৫ টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে এক যুবকের ছুরিকাঘাতে এসএসসি পরীক্ষার ফলপ্রার্থী জাকারিয়া হোসেন (১৮) নির্মমভাবে খুন হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত ৮টায় উপজেলার দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউপির আরেঙ্গাবাদ গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।
ছুরিকাঘাতের পরই ঘাতক যুবক আজিম উদ্দিন (৩৫) পালিয়ে গেছে। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
এলাকাবাসী ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউপির আরেঙ্গাবাদ গ্রামের সালাহ উদ্দিন বাড়ির পাশে টং দোকানে পান, সিগারেট ও কাঁচামালের ব্যবসা করেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তার ছেলে এসএসসি পরীক্ষার ফলপ্রার্থী জাকারিয়া হোসেন (১৮) দোকানদারী করছিল। প্রতিবেশী তোতা মিয়া বাড়ি থেকে টাকা এনে দিচ্ছেন বলে ডার্রবি সিগারেটসহ ৮৫ টাকার মালামাল ক্রয় করেন। বিকেল পর্যন্ত অপেক্ষা করেও তোতা মিয়া পাওনা টাকা পরিশোধ করেননি। রাত ৮টার দিকে জাকারিয়া হোসেন দোকানের পাওনা টাকা চাইতে তোতা মিয়ার বাড়িতে যায়। তিনি টাকা নেই বলে তাকে বিদায় করার চেষ্টা করেন। কিন্ত জাকারিয়া হোসেন টাকা না দিলে তার বাবা তাকে বকাঝকা করবেন জানিয়ে বারবার অনুনয় বিনয় করে। এ সময় তোতা মিয়ার ছেলে প্রবাস ফেরত আজিম উদ্দিন (৩৫) তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে সে জাকারিয়া হোসেনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে জুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পরই ঘাতক আজিম উদ্দিন গা ঢাকা দিয়েছে।
বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইয়াছিনুল হক বৃহস্পতিবার রাতে বলেন, পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করছে। অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তারের জন্য থানা পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের ব্যবস্থাপনায় করোনায় গৃহবন্দী মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মনসুরুল আলম মনসুর।
আজ ২১ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, বাদ আসর, উপহার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন, সংগঠনের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ খসরুল আলম, সাবেক বড়লেখা উপজেলা সভাপতি মাওলানা মনসুর আহমদ, মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান, বড়লেখা পৌর সভাপতি আবদুল্লাহ আল নোমান, বড়লেখা ডিগ্রি কলেজ সেক্রেটারি শিপার আহমদ প্রমুখ।
নিউজ ডেস্কঃ মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে উভয় সংকটে পড়েছে বাংলাদেশ। একদিকে বিশাল এ জনগোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হিমশিম খেতে হচ্ছে, অন্যদিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর জন্য প্রতিনিয়ত চাপ আসছে আন্তর্জাতিক মহল থেকে। সম্প্রতি সাগরে ভেসে থাকা কিছু রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়া, কভিড-১৯ চিকিৎসা দেয়ার নামে জাতিসংঘের চিকিৎসকদের বাংলাদেশে প্রবেশ করানো, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ সেবা চালু নিয়ে একাধিক তদবির শুনতে হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে। এ অবস্থায় জেনেভায় থাকা বৈদেশিক মিশনগুলোতে পাঠানো চিঠিতে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে ব্যাখ্যা ও হালনাগাদ তথ্য পাঠায় ঢাকা। রোহিঙ্গাদের নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যদি বাংলাদেশকে আরো চাপ প্রয়োগ করে, তবে পরিস্থিতি হিতে বিপরীত হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে এতে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
মিশনগুলোকে দেয়া চিঠিতে ঢাকা জানায়, বাংলাদেশ এরই মধ্যে ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে অনেক ভারী বোঝা বহন করছে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে আরো বোঝা বহন করার জন্য ক্রমাগত চাপ দেয়ার কোনো যুক্তি নেই। যখন কভিড-১৯ নিয়ে বাংলাদেশ সংগ্রাম করছে, তখনো বাংলাদেশের ওপর অযাচিত চাপ আসছে। বাংলাদেশের শত চেষ্টা সত্ত্বেও প্রত্যাবাসন সম্পূর্ণভাবে অনিশ্চিত, যা স্থানীয় ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ধৈর্যের সীমা অতিক্রম করছে। এ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশের ওপর আরো চাপ প্রয়োগ না করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে। তা না হলে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অনুভূতিতে তা নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে, যারা এতদিন ধরে রোহিঙ্গাদের প্রতি উদারতা দেখিয়েছে।
চিঠিতে বাংলাদেশ আরো বলেছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই রাখাইন ও চীন প্রদেশে সহিংসতা ও বাস্তুচ্যুত বন্ধে মিয়ানমারের প্রতি দৃঢ়সংকল্প পদ্ধতিতে কাজ করতে হবে। সমস্যা দীর্ঘায়িত হলে পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের উদ্যোগ চরম ঝুঁকিতে পড়বে। সেই সঙ্গে তা আমাদের অভিন্ন আকাঙ্ক্ষাকেও ব্যাহত করবে। এ পরিস্থিতিতে একটাই পথ রয়েছে। আর সেটা হলো অন্য দেশগুলোকে এ দায়িত্ব (রোহিঙ্গাদের) ভাগাভাগি করে নেয়া। কারণ এত বিশালসংখ্যক মানুষকে আশ্রয় দেয়া বর্তমানে বাংলাদেশের জন্য সব দিক থেকেই অসহনীয় হয়ে উঠেছে। ফলে কোনো দেশ যদি স্বেচ্ছায় রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে চায়, বাংলাদেশ সেই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাবে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে টেলিযোগাযোগ সেবা প্রসঙ্গে চিঠিতে জানানো হয়, রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকাতে ইন্টারনেট সেবা ও টেলিযোগাযোগ এখনো সচল রয়েছে। তবে নিরাপত্তাসংক্রান্ত উদ্বেগজনক তথ্য থাকায় গতি সাময়িকভাবে মন্থর করে রাখা হয়েছে। উচ্চগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট ব্যবহার করে সংঘটিত অপরাধ, মাদক চোরাচালান, মানব পাচার, ঘৃণা ও উগ্র দৃষ্টিভঙ্গি প্রচার এবং নারী ও মেয়েদের নিপীড়নের মতো ঘটনা সেখানে বসবাসরত স্থানীয় ও নিরীহ রোহিঙ্গাদের গুরুতর হুমকির সম্মুখীন করছে।
কভিড-১৯ পরিস্থিতির মধ্যে রাখাইনে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নিপীড়ন চলছে জানিয়ে জেনেভাস্থ মিশনগুলোকে বাংলাদেশ বলেছে, কভিড-১৯ মহামারীর মধ্যেও রাখাইন প্রদেশে বাছ-বিচার না করে আর্টিলারি বোমা ও বিমান থেকে বোমা নিক্ষেপ করছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। এতে অনেক বেসামরিক নাগরিক নিহত ও বাস্তুচ্যুত হয়েছে। জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৩ মার্চের পর থেকে ৩২ বেসামরিক নাগরিক নিহত ও ৭১ জন আহত হয়েছে। যার বেশির ভাগই নারী ও শিশু। এতে বাড়িঘরসহ বিদ্যালয়ও ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে।
মিয়ানমারের এ মিলিটারি কার্যক্রম আরো বাস্তুচ্যুত মানুষ তৈরি করছে। সম্প্রতি মানবিক দৃষ্টিকোণে বাংলাদেশ ৩৯৬ জন রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। তারা অন্য দেশে আশ্রয়ের জন্য গেলে সেখান থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।
চিঠিতে বাংলাদেশ জানায়, এখন পর্যন্ত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুজনের নভেল করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে। ক্যাম্পে কভিড-১৯ ছড়িয়ে পড়া রোধে আইসোলেশন ও সেবা কেন্দ্র তৈরির কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া ক্যাম্পের মধ্যে কভিড-১৯ ঠেকাতে বেশকিছু স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র সাময়িকভাবে আইসোলেশন সহযোগিতা দেয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে। সক্ষমতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ক্রয় এবং সংস্কারকাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া ক্যাম্পে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। শুধু জরুরি মানবিক সেবায় জড়িতদের ক্যাম্পে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে। এর জন্য ‘কিউআর কোড’ যুক্ত গাড়ি ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে। সুত্রঃ বণিক বার্তা
মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধি, মৌলভীবাজারেে বড়লেখা উপজেলার ৪নং উত্তর শাহবাজপুরে অর্জুনপুর সমাজ কল্যাণ সংস্থার আয়োজনে তৃতীয় বারের মতন অসহায় ও নিন্মবিত্তের মধ্যে ইউনিয়ন ব্যাপি ৪০০ শত পরিবারকে ঈদ উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়, যেসব খাদ্য দেওয়া হয় তা..(চাল১০ কেজি,পিয়াজ২ কেজি,আলু২ কেজি,মশুর ডাল১ কেজি,ময়দা১ কেজি,চিনি১ কেজি, সয়াবিন ১ লিটার) বৃহঃবার(২১মে) বিকাল ৩ঘটিকার সময়, আজকের এই কার্যক্রম উদ্বোধনের সময় উপস্থিতি ছিলেন সংস্থার উপদেষ্টা আব্দুল হক (মহরীর),মাসুক আহমদ,ফয়ছল আলম, বদরুল ইসলাম, কার্যকারি কমিটির সভাপতি -ইকবাল হোসেন,সিনিয়র সহ সভাপতি-ডাঃজাকির হোসেন রনি,সাধারণ সম্পাদক-মইনুল ইসলাম,সাংগঠনিক সম্পাদক -হায়দার কামাল মাছুম,যুগ্ম সম্পাদক-আমিনুল ইসলাম পারভেজ,সহ সাধারণ সম্পাদক-জুনেদ আহমদ,অর্থ সম্পাদক-আবু জাফর রাফসান,সহ অর্থ সম্পাদক-তারেক আহমদ,প্রচার সাম্পাদক-মারজান আহমদ, সহ প্রচার সাম্পাদক-সাদিকুর রহমান,নাহিদ আহমদ, সাজেদুল ইসলাম,শাহিন আহমদ,সালমান আহমদ,সহ সমাজ কল্যাণ সংস্থার সদস্য বৃন্দ।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৫নং দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের ছয়শত পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেছে দেউল বড়বাড়ি। মঙ্গলবার ও বুধবার (১৯ মে ও ২০ মে) ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
ঈদ সামগ্রীর মধ্যে ছিল তেল দুই লিটার,ময়দা দুই কেজি,সেমাই পেকেট,চিনি ২ কেজি।
ঈদ সামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল হামিদ,ব্যাংক কর্মকতা ও ফুটবলার আব্দুল কুদ্দুস,বার্দাস বিক্স ফিল্ডের সত্বাধীকারী মাওলানা মাহমুদুর রহমান,ব্যবসায়ী আবুল কালাম,আব্দুল জলিল, মঈন উদ্দিন, আব্দুল্লাহ আল মামুন,ব্যবসায়ী কামাল উদ্দিন,আব্দুল কাদির,মাসুক উদ্দিন,আজির উদ্দিন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এম তোফায়েল আল মামুন,এবাদুর রহমান,ছাদিকুর রহমান(১),নাঈম ইসলাম,ছাদিকুর রহমান(২),ফয়ছর আহমদ,আবু সাঈদ,আব্দুস সামাদ,খালেদ আহমদ,খাইরুল ইসলাম, এস এম আশরাফ সিদ্দিকী প্রমুখ।
ডেক্স নিউজঃ সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে বুধবার ২ ঘটিকায় বাগবাড়ি ব্র্যাক অফিস সংলগ্ন মাঠে মানবিক সহায়তা সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে । কেবি অটো ব্রিকস লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ছায়েদ আলী মাহবুব হোসেনের পক্ষ থেকে দিরাই পৌরসভার বাগবাড়ি ও আনোয়ারপুর গ্রামের অসহায় ও গরীব পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করা হয়। বুধবার দুপুরে বাগবাড়ি ব্র্যাক অফিস সংলগ্ন মাঠে মানবিক সহায়তা সামগ্রী বিতরণ কমসূচি উদ্ভোধন করেন দিরাই পৌরসভার মেয়র মোশারফ মিয়া, উপস্থিত ছিলেন দিরাই উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যডভোকেট অভিরাম তালুকদার, বাগবাড়ী গ্রামের, কামরুজ্জামান,সফিক মিয়া সহ এলাকার সর্বস্থরের জনতা। পৌর মেয়র মোশাররফ মিয়া বলেন ছায়েদ আলী মাহবুব হোসেনের মত সমাজের সবাই এগিয়ে আসলেই করোনা দুঃসময়ে মানুষ উপকৃত হবে, পৌরবাসীরপক্ষ থেকে যারাই পৌরএলাকায় ত্রান সহায়তা প্রদান করেছেন সবাইকে ধন্যবাদ ,উক্ত মানবিক সহায়তা প্রদানে ছায়েদ আলী মাহবুব হোসেন (রেজু) পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কেবি অটো ব্রিকস লিমিটেড এর জেনারেল ম্যানেজার প্রবাস সরকার ও ছামাদ আলী, জয়নাল মিয়া। উল্লেখ্য যে ছায়েদ আলী মাহবুব তার প্রতিনিধির মাধ্যমে করোনার দুঃসময়ে ২ হজার পরিবারের পাশে দাড়ানো কাজ করে যাচ্ছে , তার মধ্যে শাল্লা উপজেলা, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ এর দরগাহপুর মাদ্রাসায়, পাগলা , শীনাথপুর মৎসজীবী সমিতিসহ সিলেট আখালিয়া এলাকায় মানবিক সহায়তা সামগ্রী প্রদান করেছে। ছায়েদ আলী মাহবুব হোসেন(রেজু) করোনা পরিস্থিতি শান্ত না হওয়া পর্যন্ত এলাকার গরীব দুঃখিদের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন,, মানুষ মানূষের পাশে থাকবে এটাই তার চাওয়া। এছাড়াও দিরাই-শাল্লার বিভিন্ন এলাকার বিত্তবানদের গরীব দুঃখিদের সেবায় যেমন করে এগিয়ে আসছেন তা অব্যাহত রাখার আহবান জানিয়েছেন তিনি।
মোঃমোছন আল(বিশ্বনাথ)ঃ বিশ্বব্যাপি মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে-গৃহবন্দি হতদরিদ্র পরিবারে আজ চরম বিপর্যয়! এহেন পরিস্থিতি মোকাবেলায় সিলেটের বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়নের জানাইয়া গ্রামের যুক্তরাজ্যের ওল্ডহাম বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম শাহ এর উদ্যোগে এবং করম আলী শাহ (রাঃ) ফাউন্ডেশন ও পরিবারের পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
বিতরণকৃত খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে ছিল তেল, ময়দা, আলু, আটা, লাচ্ছি ও নারিকেল।
খাদ্যসামগ্রী বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন শাহ ফজর আলী, শাহ আমির উদ্দিন, আক্তার হোসেন রানা,শাহ লিলু মিয়া, শাহ ফয়সল আহমদ, শাহ সায়েদ আহমদ, ওয়াসিম আহমদ, শাহ নিজাম উদ্দিন, আজিজুল ইসলাম, রুকেল মিয়া, ফরিদ উদ্দিন, শাহ ফাহিম, শাহ ছালাম, শাহ সামি ও শাহ লায়েক আহমদ প্রমুখ।
সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে অকারণে ঘোরাঘুরি, স্বাস্থ্য বিধি না মানাসহ বিভিন্ন অপরাধের দায়ে মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ২০টি মামলায় ৩১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার (২০ মে) বড়লেখা পৌর শহরের হাজিগঞ্জ বাজারে অভিযান চালিয়ে এসব জরিমানা আদায় করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী হাকিম মো.শামীম আল ইমরান। বড়লেখা থানার ওসি মো. ইয়ছিনুল হক ও পুলিশ সদস্যরাও অভিযানে অংশ নেন। বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী মো. শামীম আল ইমরান জানান, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এ অভিযান অব্যাহত থাকবে ।
নিরঅহংকারী,মানবতাপ্রেমী,সমাজের নিবেদিত প্রাণ,দিনরাত সমাজের অবহেলিত,পথশিশু ও দারিদ্র্যদের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য সাধ্যমত নিরলস কাজ করে যাওয়া ব্যক্তি। যিনি যেকোনো দুর্যোগ দুর্দিনে মাঠে থাকেন, প্রতিনিয়ত মানুষের জন্য কাজ করাটাই যার একমাত্র লক্ষ। তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক সাইফুর রহমান সাইফুর ভাই।
প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সারা বিশ্ব যখন গৃহবন্দি, বাংলাদেশে যখন করোনার ছোঁয়া বয়ে চলে সেই লগ্নে থেকেই তিনি অবস্থান করছেন সিলেটে। প্রাণপ্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের এক ঝাঁক তরুণদের নিয়ে নেমে পড়েন করোনা ভাইরাস সম্পর্কে গণসচেতনতা গড়ে তুলতে। বাজারে-বাজারে এমনকি পাড়া-মহল্লায় মাইকিং থেকে শুরু করে মাস্ক,সাবান ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ দিয়ে শুরু হয় প্রাথমিক প্রতিরোধ প্রস্তুতি। প্রশাসনের পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে নিত্য প্রয়োজনীয় সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে ক্রেতাদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য গোলবৃত্ত অংকনের উদ্যোগ নেন এবং মানুষকে উৎসাহিত করেন। নিজের ব্যক্তিগত উদ্যোগে ক্যামিস্টদের সহায়তা নিয়ে প্রস্তুত করেন হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং তা তরুণদের নিয়ে বোতলজাত করে বিতরণ করেছেন কয়েক শত মানুষের মধ্যে এবং তা অব্যাহত রয়েছে। বাজারে বাজারে জীবাণুনাশক ওষুধ স্প্রে করা হচ্ছে তাঁর নিজ উদ্যোগে এবং সিলেট নগরীর বিভিন্ন স্থানে অসহায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে শত শত খাদ্য সামগ্রী ও ইফতার বিতরণ করতেও দেখা যায়। উনি পারতেন এই মহামারিতে নিজের কথা ও উনার পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে নিজের বাসায় অবস্থান করতে কিন্তু এলাকার মানুষের কথা চিন্তা করে এই করোনা পরিস্থিতির মধ্যে নিজের সাধ্যমত নিজ এলাকায় কাজ করছেন অসহায় মানুষের কথা চিন্তা করে, কাজ করতে চাইলে এমপি/মন্ত্রী হতে হয় না,তা তিনি প্রমাণ করে দিলেন।
আমি দোয়া করি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিটি নেতাকর্মী যেন ভাইয়ের মতো হয়,উনার মতো কর্মীরা ছাত্রলীগের জন্য সবসময় গৌরব বয়ে নিয়ে আসবে। এরা সবাই ছাত্রলীগের বীর সেনানী,এরা আমাদের ছাত্রলীগের অহংকার,এরা মানবিক মানুষ,এদের নিয়ে গর্ব করার মতো অনেক কিছু আছে,আল্লাহ সবাইকে ভালো রাখুন,সুস্থ রাখুন। সবাই আপদকালীন সময়টা সবার পাশে দাড়িয়ে এক সাথে বলি ভয় নেই, আমরা সবাই এক সাথে এই লড়াইয়ে জিতবো ইনশাআল্লাহ্। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশের উপকূল দিয়ে অতিক্রম করছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় আম্পান। এটি বুধবার বিকাল ৪টা থেকে সাগর উপকূলের পূর্ব দিকে সুন্দরবন ঘেঁষা পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ দিয়ে অতিক্রম করছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়া অফিসের উপপরিচালক কাওছার পারভীন যুগান্তরকে বলেন, আমরা ৪টা থেকে ৬টার মধ্যে বাংলাদেশে আঘাত হানবে বলে জানিয়েছিলাম। ইতিমধ্যে এটি বাংলাদেশ অতিক্রম করা শুরু করে দিয়েছে। এটি দেশের সুন্দরবন উপকূল দিয়ে ঢুকেছে। এটি অত্রিক্রম করতে চারঘণ্টা লাগতে পারে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি অতিক্রমের সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ থেকে ১৮০ কিলোমিটারের মধ্যে রয়েছে। এটি বিকাল চারটা থেকে রাত আটটার মধ্যে সাতক্ষীরা ও খুলনা অঞ্চল অতিক্রম করবে।
এর আগে আবহাওয়া অধিদফতরের সারাদেশের ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, আম্পানের প্রভাবে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও ভারো থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে।
এর আগে আবহাওয়া দফতরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় আম্পান বঙ্গোপসাগরে উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়েছে। এটি আজ বুধবার দুপুর চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ৪৮০ কিলোমিটার, কক্সবাজার উপকূল থেকে ৪৭০ কিলোমিটার, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৯০ ও পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এ কারণে মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত এবং চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ও কক্সবাজার উপকূলীয় এলাকাকে ৯ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এই মহামারির মধ্যে আমি কেবল আমার চিন্তা করলে হবেনাতো ভাই,পাড়া প্রতিবেশী ইমাম মুয়াজ্জিন সাহেবদেরও খবর নিতে হবে তাই”এই শ্লোগাণ কে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার হাকালুকি হাওরঘেরা ১নং বর্ণি ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের।বর্ণি প্রবাসী জনকল্যাণ পরিষদ এর পক্ষ থেকে প্রাথমিক ধাপে৬ টি মসজিদের ইমাম মুয়াজ্জিন ও গ্রামের নিম্ন মধ্যবিত্তদের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।এসময় সংস্থার দায়িত্বশীলরা খামে করে ইমাম মুয়াজ্জিন,ও নিম্ন মধ্যবিত্তদের জন্য ঈদ উপহার স্বরূপ নগদ অর্থ পৌছিয়ে দেন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রবাসী জনকল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দ৷
নিউজ ডেস্কঃ ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের পর এবার আম্ফানের তাণ্ডবে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে বাংলা। বুধবার নবান্ন কন্ট্রোল রুম থেকে এমনটাই জানালেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, ঝড়ের পুরোটাই বাংলার উপর দিয়ে গিয়েছে। এতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কমপক্ষে ১০-১২ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।
আমপানের প্রভাবে মঙ্গলবার থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছিল রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়। এ দিন তা চরম আকার ধারণ করে। সারা দিন বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া বইছিলই। বিকেলে থেকে যার দাপট বাড়তে থাকে। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ সুন্দরবনে আম্ফান আছড়ে পড়লে পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে। সন্ধ্যা ৭টা বেজে ২০ মিনিটে কলকাতায় আম্ফানের গতিবেগ ছিল সর্বোচ্চ, ঘণ্টায় ১৩৩ কিলোমিটার। সওয়া ৮টার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও, এখনও বিপদ কাটেনি বলে সতর্ক করেছেন মমতা।
এ সময় কন্ট্রোল রুম থেকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রামনগর, নন্দীগ্রামে ক্ষতি হয়েছে। ব্যারাকপুর, বসিরহাট, বারাসত, বনগাঁ মহকুমা পুরো গিয়েছে, পুরো সুন্দরবন, গঙ্গাসাগর— সব গিয়েছে। হাওড়ার অবস্থা খারাপ। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দিঘাতে তেমন বেশি হিট করেনি, রাজারহাট, হাসনাবাদ, গোসাবা, সন্দেশখালি, বনগাঁ, বাগদা, হাবড়া— সব সব, চার দিকে সর্বনাশ হয়ে গিয়েছে
এদিকে ধ্বংসের হাত থেকে উন্নয়নের পথে আবার সবাইকে শামিল করে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত খবর, এখনও থেমে থেমে ঝড়ো হওয়ায় কাঁপছে কলকাতা ও পাশ্ববর্তী জেলাগুলো। একইসঙ্গে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে বেশ কয়েকটি অঞ্চলে।
নিজস্ব সংবাদঃ আমার প্রতিবেশিদের সাথে আছে হয়তোবা রক্তের বন্ধন। আমার পাশের গ্রামের ভাইটিওতো আমারই আপনজন।
পাকশাইল গ্রেট ভিশন এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান মানবতার ঘরের ২৯ তম দিনের কার্যক্রম সম্পন্ন। মানবতার ঘর থেকে ১৫ টি পরিবারকে ৯ম তম সেবা দেয়া হয়েছে এবং পার্শবর্তী গ্রাম পূর্ব মনারাই,রংপুর ও মনাদিতে ৫৫ টি পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।উক্ত বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রেট ভিশনের শুভাকাংখী বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী জনাব ফয়ছল আহমদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রেট ভিশনের উপদেষ্টা জনাব আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ সুমন,সংস্থার সভাপতি এইচ এম ফয়সল,সিনিয়র সহ সভাপতি জাহাংগির আলম,সেক্রেটারি শাহিদুর রহমান জুনেদ,সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক সাহিদুল হক, সাধারণ সম্পাদক ইমন আহমদ,সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম,অর্থ সম্পাদক নাহিদ আহমদ,ক্রিড়া সম্পাদক কবির আহমদ,সহ ক্রিড়া সম্পাদক কামরুল আহমদ,সহ-ক্রীড়া সম্পাদক মাহবুব আলম, ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক সাইফুল হোসন,শিক্ষা সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাহীর,সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইমরান আহমদ, সংস্থার সদস্য আব্দুল মালিক, আলী হোসেন, নাহিদ প্রমূখ।
আমরা আমাদের এ পথচলা অব্যাহত রাখতে বদ্ধপরিকর, আপনি থাকুন আমাদের পাশে।সে হোক অর্থ দিয়ে, মেধা দিয়ে কিংবা একটুখানি উৎসাহ দিয়ে। সকলের সহযোগীতা কে মহান আল্লাহ্ পাক কবুল করে এর উত্তম প্রতিদান দান করুন।
মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজার ১ নির্বাচনী এলাকায় বিগত সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্জ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর করোনায় অভাবগ্রস্থ১০ হাজার পরিবারে খাদ্য সহায়তা প্রতি ইউনিয়নে বিতরণের অংশ হিসেবে মাহে রামাজানের শেষের দিকে, বুধবার(২০মে) বড়লেখায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল বড়লেখা উপজেলা শাখার তত্বাবধানে ২০০ পরিবারে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।
বড়লেখা পৌর শহরে সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে দুপুর ২ ঘঠিকায় এ কর্মসুচির উদ্বোধন করেন বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাফিজ।এসময় উপস্হিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মুজিবুর রহমান খছরু,সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান,উপজেলা শ্রমিকদল সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম ,শ্রমিক নেতা আব্দুল আহাদ,সলিম আহমদ,আলী হুসেন, বাবুল আহমদ,সীপার আহমদ ও ফয়সল আহমদ সহ বিপুল সংখ্যক নেতা কর্মী।
উল্লেখ্য উপজেলা বি,এন,পি সভাপতি আব্দুল হাফিজ উদ্বোধকের বক্তব্যে তিনি বলেন জাতীয়তাবাদী পরিবার দেশের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে সর্বদা, সে সাথে বিএনপি’র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রবাস থেকেও দেশের এই ক্লান্তিলগ্নে শ্রমজীবী মানুষের কথা ভেবে, মৌলভী বাজার জেলা বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্জ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর অর্থায়নে শ্রমজীবী মানুষের জন্য আজকের এই ত্রাণ বিতরণ, আল্লাহ এই ত্রাণ গুলো কবুল করেন,আসুন আমরা নিজে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখি অন্যকে দুরত্ব বজায় রাখতে উৎসাহিত করি আর সবাই মহাবিপদ থেকে বাচার জন্য আল্লাহর সাহায্য চাই।
মোঃমোছন আলী বিশেষ প্রতিনিধি :: বিশ্বব্যাপি মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে-গৃহবন্দি হতদরিদ্র পরিবারে আজ চরম বিপর্যয়! এহেন পরিস্থিতি মোকাবেলায় সিলেটের বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়নের জানাইয়া গ্রামের যুক্তরাজ্যের ওল্ডহাম বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম শাহ এর উদ্যোগে এবং করম আলী শাহ (রাঃ) ফাউন্ডেশন ও পরিবারের পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
বিতরণকৃত খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে ছিল তেল, ময়দা, আলু, আটা, লাচ্ছি ও নারিকেল।
খাদ্যসামগ্রী বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন শাহ ফজর আলী, শাহ আমির উদ্দিন, আক্তার হোসেন রানা,শাহ লিলু মিয়া, শাহ ফয়সল আহমদ, শাহ সায়েদ আহমদ, ওয়াসিম আহমদ, শাহ নিজাম উদ্দিন, আজিজুল ইসলাম, রুকেল মিয়া, ফরিদ উদ্দিন, শাহ ফাহিম, শাহ ছালাম, শাহ সামি ও শাহ লায়েক আহমদ প্রমুখ।
দৈনিক বড়লেখা ঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখার তরুণ মৎস্য খামার মালিক সমছ উদ্দিন (৩৪) হত্যার ২ দিনের মধ্যে পুলিশ হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ হত্যাকান্ডে জড়িত ৫ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে। উদ্ধার করেছে হত্যায় ব্যবহৃত ৩টি ধারালো দা। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত হয় নারীঘটিত বিষয়কে কেন্দ্র করেই ব্যবসায়ী সমছ উদ্দিনকে খুন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে গ্রেফতারকৃত আসামীদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে- রহমানীয়া চা বাগানের বাসিন্দা শচিন নায়েক জগাই (৩৫), মোহাম্মদনগর গ্রামের হাফিজুর রহমান (২৮), হেলাল উদ্দিন হেলাই (৩৫), মোক্তার আলী (৪৫) ও জসিম উদ্দিন (৪২)।
উপজেলার মোহাম্মদনগর এলাকায় আব্দুর রাজ্জাক এর পরিত্যক্ত ঘর থেকে সোমবার (১৮ মে) রাতে সমছ উদ্দিনের জবাই করা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের মধ্যগ্রামতলা গ্রামের আমির উদ্দিনের ছেলে।
এলাকাবাসী ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সমছ উদ্দিন নিখোঁজের পর তার বাবা আমির উদ্দিন থানায় জিডি করেন। এ জিডির ভিত্তিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাদেক কাউসার দস্তগীরের দিক নির্দেশনায় বড়লেখা থানার ওসি মো. ইয়াছিনুল হকের নেতৃত্বে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে নিখোঁজের পরদিন রাতে একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে সমছ উদ্দিনের জবাই করা লাশ উদ্ধার করে। এরপর তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ রহমানীয়া চা বাগানের মৃত সত্য নায়েকের ছেলে শচিন নায়েক ও মোহাম্মদনগর গ্রামের আজির উদ্দিনের ছেলে হাফিজুর রহমানকে আটক করে। তাদের দেয়া তথ্যে পুলিশ মৃত জহুর আলীর ছেলে হেলাল উদ্দিন হেলাইকেও আটক করে। হত্যাকান্ডের ব্যাপারে সে পুলিশকে গুরুত্বপুর্ণ তথ্য প্রদান করে। পরে তার দেয়া তথ্যে পুলিশ মোক্তার আলী ও জসীম উদ্দিনকে আটক এবং হত্যকান্ডে ব্যবহৃত ৩টি দা উদ্ধার করে।
থানার ওসি মো. ইয়াছিনুল হক সাংবাদিকদের জানান, নিখোঁজের পিতার জিডির ভিত্তিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাদেক কাউসার দস্তগীর স্যারের দিক নির্দেশায় এক পর্যায়ে সমছ উদ্দিনের জবাই করা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকান্ডে সম্পৃক্ত ৫ জনকেই একে একে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে পুলিশকে জানিয়েছে নারীঘটিত বিষয়কে কেন্দ্র করেই তারা সমছ উদ্দিনকে খুন করেছে। মঙ্গলবার তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এ ব্যাপারে নিহতের পিতা বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। থানা অফিসার ইনচার্জ এ-র চৌকস ভুমিকায় দ্রুত আসামি গ্রেফতার করতে পারায় এলাকায় অনেকটা স্বস্তি বিরাজ করছে।
দৈনিক বড়লেখাঃ বড়লেখা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ছিকামহল ইসলামী যুব সমাজ এর উদ্যোগে ২য় দফায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
মংগলবার (১৯ মে২০) তারাবী নামাজ শেষে ছিকামহল পূর্ব জামে-মসজিদে সংগঠন এর দায়িত্বশীলদের উপস্থিতিতে সাময়িক অসুবিধাগ্রস্ত অর্ধশতাধিক পরিবার এর মাঝে মাছ, মাংস, আলু পিয়াজ সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রি সফলভাবে বিতরণ সমাপ্ত হয়েছে ।
সংগঠনের সভাপতি ও সেক্রেটারিবলেন দেশ এবং দেশের বাহিরের সেই সকল ভাইদের ধন্যবাদ জানাই। যাদের সহযোগিতায় আমরা সাময়িক অসুবিধাগ্রস্ত মানুষ এর পাশে এসে দাঁড়াতে পেরেছি। পাশাপাশি ধন্যবাদ জানাই প্রিয় সংঘঠনের সেই সকল সদস্য ভাইদের, যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে ফলে আমাদের আজকের খাদ্য বিতরনের কাজটি সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে ।
ছাইদুল মাহবুব, বড়লেখাঃ জন্মিলেই মরিতে হয় এটাই রূঢ় বাস্তবতা। এমনই এক রূঢ় বাস্তবতার শিকার মাওলানা হাফিজ লুৎফুর রহমান (রহ.) এর সন্তানেরা! পৃথিবীর আলো বাতাস বুঝে ওঠার আগেই হারাতে হয় মমতাময়ী মা’কে।মা হারানোর যন্ত্রণা ভুলতে না ভুলতেই হারাতে হলো প্রিয়তম পিতা’কে।
পিতামাতার এই শূন্যতা মুছে দেবে কে? কার হাত ধরেইবা স্কুলে যাবে তারা? তবুও এই শোক কে শক্তিতে পরিণত করে লড়তে হবে তাদেরকে।এই আলো হাওয়া জলের জীবন ছেড়ে একদিন তাদেরকে পা রাখতে হবে চাঁদের মাটিতে।বাবার স্বপ্নরা বৃথা যেতে পারেনা।হুজুরের জীবনের অন্তিম মুহুর্তে কোরআন থেকে যে কটি নসিহত করে গেছেন ছেলে মেয়েদের উদ্দেশ্যে তার মধ্যে একটি হচ্ছে তার কথার চেয়ে আর কার কথা উত্তম হতে পারে? যে মানুষকে আল্লাহর পথে ডাকে,নেক আমল করে আর ঘোষণা করে আমি মুসলমানদের অন্তর্ভুক্ত।
অতএব,নেক আমল করার পাশাপাশি আল্লাহর পথে- দাওয়াতের ময়দানে কাজ করার জন্য উপদেশ দিয়ে গেছেন।অপচয় না করার কথা বলতে গিয়ে বলেছেন অপচয়কারী শয়তানের ভাই।এমনই গুরুত্বপূর্ণ বেশকিছু নসিহত করে গেছেন হুজুর।তাঁর ছেলে মেয়েরা সফলতার শীর্ষে যেতে পাশে দাঁড়ানোর বিকল্প নেই।তাদের জীবন থেকে যে ভালোবাসার জায়গা গুলো হারিয়ে গেছে চিরতরে সে জায়গা গুলো কখনো ফিরে পাবার নয়।তবুও আমরা কি পারিনা তাদেরকে ভালোবেসে বুকে জড়িয়ে নিতে।
পৃথিবীর সব পিতা’রাই চায় তাঁর সন্তান যেনো সফলতার শীর্ষে পোঁছাক।কিন্তু সফলতার গল্প দেখে ক’জন পিতা’ই মরতে পারেন? হুজুরের রুহানি সন্তানরা আসুন হুজুরের অসমাপ্ত কাজ তাঁর সন্তানদেরকে সফলতার সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছাতে স্নেহ,মমতায়, ভালোবসে পাশে দাঁড়াই।
আনহার বিন সাইদ,বিশ্বনাথঃ ” করোনা ” মহামারিতে যখন সারা বিশ্ব্য বিপর্যস্ত ঠিক সেই মুহুর্তে লন্ডনে অবস্থানরত বিশ্বনাথের কিছু ভাইদের অর্থায়নে ” ওলামা হেল্পিং ফাউন্ডেশন বিশ্বনাথ এর; উদ্দোগে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের; প্রায় ২০ জন অসচ্ছল আলেম পরিবারের মধ্য নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।
ওলামা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান (সাংবাদিক) মাওলানা,আনহার বিন সাইদ; এক বিবৃতিতে বলেন ” করোনা ” মহামারিতে সারা ওয়াল্ডে এক ভয়াবহ অবস্থা বিরাজকরছে। প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের অবস্থা দিন দিন নাজুক হচ্ছে। যার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (কওমী মাদ্রাসা) বন্ধ থাকায় শিক্ষকরা আর্থিকভাবে নানান সমষ্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এদিকে (সামনে) পবিত্র ঈদুল ফিতর আসন্ন, তাই তারা; যাতে তাদের পরিবারকে নিয়ে হাসিমুখে আসন্ন ঈদকে উদযাপন করতে পারেন সে দিকে লক্ষ্য রেখে আমরা এই উদ্দোগ গ্রহণ করেছি।
আলহামদুলিল্লাহ! আমাদের অনেকেই তাওফিক অনুযায়ী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন আল্লাহ তাদের সবাইকে সকল ধরনের বিপদ আপদ থেকে হেফাজত করুন।
এম এম আতিকুর রহমানঃ মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায় গোবিন্দবাটি এলাকায় মাইক্রোবাস ব্রেক ফেল করে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘটনাস্থলে নারীসহ দু’জন নিহত হয়েছেন।এসময় আহত হয়েছেন ১০ জন। মঙ্গলবার (১৯ মে) ভোরবেলা এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন আফরোজা হোসেন নিশু (৩৫) ও বদরুজ্জামান (৪৫)। নিহত দু’জনই বড়লেখার ঈদগাহ বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। নিহত ও আহত সবাই রাজশাহী জেলার বাসিন্দা। এরা সবাই বড়লেখার উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন। আহত চান্দগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সেলিম রেজা ও মাইজগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক জাহিদ হোসেন সহ আহতরা মৌলভীবাজার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসেম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
এম আতিকুর রহমানঃ একে একে দেশের ৬৪ টি জেলা অতিক্রম করে করোনা ভাইরাস এখন উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। আমরা যেনো পৌঁছে দিয়েছি অভিজাত এই ভাইরাসটিকে।
সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার, জকিগঞ্জ, গোলাপগঞ্জ, বিশ্বনাথ, বালাগঞ্জ সহ একে একে ফেঞ্চুগঞ্জ, দক্ষিণ সুরমায় ও করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। গোলাপগঞ্জে এক করোনা আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে এসে একই পরিবারের ১৩ জন করোনা আক্রান্ত হন! মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা জুড়ী সহ প্রতিটি উপজেলায় একাধিক সনাক্ত ও আক্রান্ত হয়ে কঠিন পরিস্থিতির দিকে ধাবমান।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৮ মে, ২০২০ পর্যন্ত সিলেট অঞ্চলে মোট করোনায় আক্রান্ত (শনাক্তকৃত) ৪৩৩ জন (সিলেট জেলায়-১৬৬ জন, হবিগঞ্জে-১৩২ জন, সুনামগঞ্জে-৭৫ জন ও মৌলভীবাজারে-৬১ জন)।
সারা দেশে যখন এক বা দুই ডিজিটের করোনা রোগী শনাক্ত হতো, তখন সাধারণের মাঝে যে সাবধানতা/সচেতনতা পরিলক্ষিত হতো, বর্তমানে সহস্রাধিক শনাক্ত হলেও সচেতনতা অনেকগুণ কমে গেছে। উপরন্তু, যানজট আর জমায়েত এবং ঈদ শপিং দেখে মনে হবে; এ দেশ থেকে করোনা কত আগে বিদায় নিয়েছে।
আসুন, সরকার নির্দেশিত সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি। সচেতন হই অন্যান্যদের সচেতন হতে উদ্বুদ্ধ করি। নিজে সুস্থ থাকি। পরিবার-পরিজন সমাজ ও দেশকে নিরাপদ রাখি। করোনা নামক মহামারী থেকে আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুক, সুস্থ রাখুন। বরকতময় এ সময়ে আমরা কায়মনোবাক্যে দয়াময় এ-র দরবারে বেশি বেশি ফরিয়াদ করি। তিনি যেনো আমাদের সকলকে এবং দেশকে রক্ষা করেন।
নিউজ ডেস্কঃ এস এস সি ব্যাচ ১৯৯২ বড়লেখা তিন শত কর্মহীন মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিলেন নগদ চার লক্ষ অর্থ। সোমবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ তাজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম আল ইমরান, ও উপজেলা প্রকল্প কর্ম কর্তা ওবায়দুল্লা খান।
বক্তব্য রাখেন মীর মুহিবুর রহমান, আব্দুল হাফিজ ললন, বদরুল ইসলাম মনু, মনির উদ্দিন। আনুষ্ঠানিক ভাবে কয়েকজন পঙ্গু ও কোরআনে হাফিজকে উপহার দিয়ে বন্ধুরা কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়ে মানুষের ঘরে নগদ অর্থ উপহার তুলে দেন।
এস এস সি ব্যাচ ১৯৯২ এর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে বড়লেখাবাসী। তারা বলেন করোনা ভাইরাসের এই কঠিন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সমাজের বিত্তবানরা এভাবে এগিয়ে আসলে অসহায় মানুষগুলোর মুখে কিছুটা হলেও হাসি ফুটবে।
জাতীয়তাবাদী দল (বি,এন,পি) সার্বিক সহযোগিতায় মাহে রামাজান সামগ্রী বড়লেখার ১নং বর্নি ইউনিয়নে বিতরন করা হয়েছে খাদ্য সামগ্রী।(কোভিড-১৯)করোনা ভাইরাস সংক্রমনে সমগ্র বিশ্বব্যাপি এখন লকডাউন চলছে।এহেন পরিস্হিতিতে শ্রমিক মেহনতি জনতা,মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো অনেকটাই বেকায়দায় রয়েছে।
সেসব মানুষের কষ্ঠের সীমা কিছুটা করে নিতে মৌলভীবাজার ১ ( বড়লেখা- জুড়ী)আসনের বিএনপি দলীয় প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সহ সভাপতি ধানের প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কারী আলহাজ্জ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু ,জাতীয়তাবাদী পরিবারের অন্যতম সদস্য,
এ ইউনিয়নে মঙ্গলবার(১৯মে)দুপুরে ৫৫০পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরনী কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন।এসময় উপস্হিত ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি লোকমান উদ্দিন বায়েছ, সাধারন সম্পাদক হাজী ছায়ফুজ্জামান ছরওয়ার, সাংগঠনিক সম্পাদক হেলাল উদ্দিন আহমদ,সহ সভাপতি রহিম উদ্দিন বুদুর,যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সোবহান, যুবদল নেতা কামরুজ্জামান খোকন, এমাদ উদ্দিন, আক্তার হোসেন, এম মুন্তাজিম আলী কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জুনায়েদ আহমদ শিমুল সহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা কর্মী।
আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু’র সাথে প্রতিনিধির মুঠোফোনে কথা হলে, তিনি জানান,করোনা ভাইরাসে যখন বিশ্বব্যাপি চরম হতাশা বিরাজ করছে,আমরা যখন লকডাউনে রয়েছি তথাপি আমার এলাকা (বড়লেখা জুড়ির) অসহায় লোকজনের কথা বিবেচনা করে নিজের সাধ্যমতো জাতীয়তাবাদী পরিবারের পক্ষে অসহায়ের পাশে থাকার লক্ষ্য নিয়ে নূন্যতম সহযোগিতা হিসেবে কিছুটা হলেও তাদের কাছে পৌছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে এসব খাদ্য ও ইফতারসামগ্রী সরবরাহ করেছি।তিনি আরো জানান,জনগনের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে (বড়লেখা জুড়ির) জনসেবা করার লক্ষ্যে জনপ্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি।ভাগ্যে না থাকায় নির্বাচিত হতে পারিনি।বড়লেখা জুড়িবাসীর জনকল্যানে আমি সরে দাড়াইনি।অতীত,বর্তমান ও ভবিষ্যতে সকল ধরনের দূর্যোগ মোকাবেলায় পাশে থাকবো,করোনা থেকে মুক্তির জন্য সকল বিধিবিধান মেনে চলার জন্য দেশের সকল জনগন’র প্রতিও আহবান জানান।ভবিষ্যতে ও তার এ অনুদান অব্যাহত থাকার প্রত্যাশা ব্যাক্ত করে সকল মহলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেছেন।