মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য রফিকুল আলমের ইন্তেকালে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি (২০ জুলাই) গতরাত ৩ ঘটিকায় গ্রামতলাস্থ তাঁর নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন।
মরহুমের জানাজার নামাজ আজ বেলা ২ ঘটিকায় সৈয়দা মোকাম মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্টিত হয়ে স্থানীয় গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। একজন সততা সম্পন্ন বিনয়ী ও পরোপকারী সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে সুপরিচিত উদীয়মান সমাজ সেবককে অকালে হারিয়ে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
আমরা তাঁর শোকাহত পরিবার পরিজনের সবরে জামিল দান এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের আলা মাকাম নসিব করুন দয়াময় আল্লাহর কাছে কায়মনোবাক্যে এই ফরিয়াদ জানাই।
মৌলভীবাজারের জুড়ীতে করোনা ভাইরাসের মহামারীতেও চলছে বিভিন্ন কায়দায় মাদকের রমরমা ব্যবসা। জুড়ী থানার পুলিশ প্রতিনিয়ত অভিযান চালিয়ে মাদক উদ্ধারসহ মাদক ব্যবসায়ীদেরকে আটক করছে। পুলিশের কঠোর নজরদারি ও অব্যাহত অভিযানের ফলে জুড়ীর মাদক ব্যবসায়ীরা আতঙ্কের মধ্যে থাকে। পুলিশের তৎপরতার জন্য মাদক ব্যবসাীরা প্রায়ই একের পর এক ধরা পড়ছে চৌকস পুলিশের হাতে।
গত ২০ জুলাই জুড়ী থানা পুলিশ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে দেশীয় ২৫ লিটার চোলাই মদসহ আটক করছে। জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম এর নেতৃত্বে গতসন্ধ্যায় উপজেলার সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন ফুলতলার এলবিনটিলা এলাকায় একদল পুলিশ থানার তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী পূর্ব বটুলি গ্রামের নুর উদ্দিনের পুত্র জসিম উদ্দিন রুমেল (৩৮) এবং এলবিনটিলা গ্রামের মৃত বিদেশি দাসের পুত্র মানিক দাস (৩৫) কে ২৫ লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ গ্রেফতার করেন। তাদের বিরুদ্ধে জুড়ী থানায় মাদক মামলা হয়েছে। মামলা নং-১৬, ধারাঃ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) এর ২৪ (খ)। আজ তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
ভারতের করিমগঞ্জে গণপিটুতে নিহত হওয়া তিন বাংলাদেশীর দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাদের বাড়ি মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায়। নিহত দুজন হলেন-উপজেলার তালিমপুর ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর গ্রামের মৃত আছদ্দর আলীর ছেলে মো. নুনু মিয়া (২৭) এবং একই গ্রামের আব্দুল মানিকের ছেলে জুয়েল আহমদ (২৬)। তারা সম্পর্কে পরস্পর চাচা-ভাতিজা। দুজনেই পেশায় অটোরিক্সা চালক বলে জানা গেছে।
বড়লেখা উপজেলার তালিমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিদ্যুৎ কান্তি দাস আজ বিকেলে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন। চেয়ারম্যান জানান, নিহত হওয়া তিনজনের মধ্যে দুজনের বাড়ি তালিমপুর ইউপির কাঞ্চনপুর এলাকায়। তিনি তাদের পরিবারের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছেন যে তারা দুজন গত শুক্রবার জুড়ীতে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর থেকে তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। আজ সকালে জুড়ী থানা পুলিশ তাকে জানায় যে তারা ভারতে খুন হয়েছেন। পরে তিনি নিহতদের ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত হন।
নিহত জুয়েল মিয়ার বড়ভাই রুবেল জানান, গত শুক্রবার এক ব্যক্তি তাদেরকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। আজ সকালে তারা জানতে পেরেছেন যে তারা ভারতে গিয়ে খুন হয়েছেন। তবে তারা কেন এবং কী জন্য ভারতে যায় সে ব্যাপারে কিছুই জানা যায়নি।
বিজিবি ৫২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল গাজী শহীদুল্লাহ বলেন, ভারতে নিহত হওয়া দুই বাংলাদেশীর পরিচয় জানা গেছে। তাদের দুজনের বাড়ি বড়লেখায়। আর নিহত হওয়া অপরজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
স্থানীয় পুলিশের বরাত দিয়ে সেখানকার সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, নিহত বাংলাদেশীরা গত শনিবার রাতে সীমান্ত পেরিয়ে করিমগঞ্জের পাথরকান্দি অঞ্চলে বগরিজান চা বাগান এলাকায় ঢুকে পড়ে। স্থানীয় লোকজন গরুচোর সন্দেহে এসময়ে তাদের ওপর হামলা করে। হামলার এক পর্যায়ে ঘটনাস্থলেই তারা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। ঐ এলাকার পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে নিহত তিন জনের লাশ উদ্ধার করে। লাশ হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নিউজ ডেস্কঃ সিলেটে অর্থের বিনিময়ে করোনা রোগীদের ভুয়া সার্টিফিকেট প্রদান ও নিজে করোনা আক্রান্ত হয়েও রোগী দেখার দায়ে এএইচএম শাহ আলম নামে এক চিকিৎসককে একলাখ টাকা জরিমানা ও চার মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রোববার রাতে নগরীর মধু শহীদ এলাকার বেসরকারি মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেডের নীচ তলায় ডা. শাহ আলমের চেম্বারে অভিযান চালায় র্যাব-৯। অভিযানের নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুনন্দা রায়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুনন্দা রায় বলেন, ‘ডা. আলমকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তিনি তার অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাকে ৪ মাসের জেল, ১ লাখ টাকা জরিমানা করার পাশাপাশি অনাদায়ে আরও ১ মাসের জেল দেওয়া হয়। তার সব অনিয়মের প্রমাণ আমাদের কাছে রয়েছে।’
র্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সামিউল আলম জানান, ডা. আলম বিদেশযাত্রীসহ কয়েকজনকে করোনার ভুয়া সার্টিফিকেট টাকার বিনিময়ে দিয়েছেন বলে র্যাবের কাছে স্বীকার করেন। পরে তাকে নিয়ে তার চেম্বার মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেডে অভিযান চালানো হয়।
সামিউল আলম বলেন, ‘তিনি ওসমানী মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতেন। যদিও তিনি কোনো সরকারি হাসপাতালে চাকরি করতেন না। এ ছাড়া তিনি নিজে গত ১৪ জুলাই করোনা আক্রান্ত হন। এই তথ্য গোপন রেখেই তিনি চেম্বারে রোগী দেখে যাচ্ছেন।’
বিদেশ যাত্রীদের জন্য বিভিন্ন দেশ ও এয়ারলাইন্স করোনা নেগেটিভ সার্টিফেকেট বাধ্যতামূলক করার পর প্রবাসীদের টার্গেট করেন ডা. শাহ আলম। ‘করোনা নেগেটিভ’ সার্টিফিকেট দেওয়ার বিপরীতে তিনি চার হাজার টাকা করে আদায় করেন। ফ্লাইটের ৪৮ ঘন্টা আগে তিনি ওই প্রবাসীকে ডেকে নিয়ে হাতে ধরিয়ে দেন প্রত্যয়নপত্র। রোগী বা যাত্রীকে না দেখেই নিজের প্যাডে দেওয়া ওই প্রত্যয়পত্রে ডা. শাহ আলম লিখে দেন, তিনি ওই ব্যক্তিকে তার চেম্বারে দেখেছেন। তার মধ্যে কোভিড-১৯ এর কোন লক্ষণ নেই।
মৌলভীবাজার টাউন কামিল মাদরাসার সাবেক উপাধ্যক্ষ মৌলভীবাজার জেলা জামে মসজিদের সাবেক পেশ ইমাম ও খতিব, আল্লামা ফুলতলী ছাহেব ক্বিবলাহ (র.) এর খলিফা, উস্তাজুল উলামা হযরত মাওলানা আকমল আলী হুজুর আজ বিকাল ৪ঃ২৫ মিনিটের সময় ইন্তিকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিয়ুন। দীর্ঘদিন যাবত তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। তিনি রাজনগর উপজেলার পাঁচগাওয়ের বাসিন্দা।
হাজার হাজার আলেমেরও বরেণ্য এ শিক্ষাবিদের মৃত্যুতে দেশ বিদেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর শোকাহত পরিবার পরিজন সহ গুণগ্রাহী সকলকে সবরে জামিলের এবং হযরতকে জান্নাতুল ফেরদৌসের আলা মাকাম নসিব করবার জন্য কায়মনোবাক্যে দয়াময়ের তরে আমারা ফরিয়াদ জানাই।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় দুর্বৃত্তের দেওয়া আগুনে পুড়ে ৩টি গরু মারা গেছে। গতমধ্যরাতে উপজেলার দক্ষিণভাগ উত্তর (কাঠালতলী) ইউনিয়নের পশ্চিম কাঠালতলী গ্রামে উপজেলা তাঁতি লীগের সভাপতি, আ’লীগ নেতা ঠিকাদার মহিউদ্দিন আহমদ গোলজারের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত রাত ১টার দিকে হঠাৎ করে সেমিপাকা গোয়ালঘরে আগুন লাগে। এসময় গোয়ালে থাকা গরু হাঁকডাক ও লাফালাফি করতে থাকে। গরুর হাঁকডাক শুনে মহিউদ্দিন আহমদ গোলজার ঘর থেকে বের হয়ে গোয়ালঘরে আগুন দেখতে পান। ঘটনা বুঝতে পেরে এলাকার লোকজন এসে দীর্ঘ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে আগুনে গোয়ালে থাকা একটি গাভিসহ তিনটি গরু মারা যায়। পাশাপাশি সেখানে রাখা একটি পানির পাম্প ধান ভাঙার মেশিন, গাড়ির টায়ারসহ বিভিন্ন মালামালও পুড়ে যায়।
বাড়ীর মালিক ঠিকাদার মহিউদ্দিন আহমদ গোলজার আজ বলেন, পূর্বশত্রুতার জেরে ধরে কেউ হয়তো তাঁর গোয়ালঘরে আগুন দিয়েছে। তা নাহলে এখানে আগুন লাগার কথা নয়। তিনটি গরুসহ গোয়ালে থাকা পানির পাম্প, ধান ভাঙার মেশিন, গাড়ির টায়ারসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে তাঁর প্রায় ৬ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
বড়লেখা ফায়রাসার্ভিসের ফায়ারম্যান সফিউল আলম রোববার জানান, রাতে আমরা আগুন লাগার খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই স্থানীয়রা ফোনে জানান আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। পরে আর সেখানে যাওয়া হয়নি।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক, বড়লেখা পৌরসভা’র ২ নং ওয়ার্ড থেকে বার বার নির্বাচিত কাউন্সিলর, বিশিষ্ট সমাজ সেবক জেহীন সিদ্দিকী আর্ত মানবতার সেবায় করোনার প্রাদুর্ভাবে বিপর্যস্ত অসহায় মানুষের জন্য মানবিক দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আজ তিনি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।
তাঁর দ্রুত সুস্থতার জন্য মহান আল্লাহর কাছে তিনিসহ কায়মনোবাক্যে দোয়া কামনা করেছেন বড়লেখা উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ ও বড়লেখার পৌর মেয়র আবুল ইমাম মোঃ কামরান চৌধুরী। বড়লেখা উপজেলার মধ্যে করোনা পজিটিভ সনাক্ত বেশি হয়েছে কাউন্সিলার জেহিন সিদ্দিকীর ওয়ার্ডে। তিনি আক্রান্ত এলাকা ও পরিবারের দেখাশোনা করেই যাচ্ছিলেন। এই মানবতার খেদমতে নিয়োজিত ব্যক্তির আশু সুস্থতায় সকলের দোয়া প্রত্যাশি।
আজ ১৭ জুলাই শুক্রবার মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার ৭ নং ফুলতলা ইউনিয়নের বুটলি গ্রামের পরিতোষ পাল পিতাঃ মৃত লোকেশ পাল গতরাত ১২.৪৫ মিনিটে করোনায় আক্রান্ত হয়ে বড়লেখা উপজেলা শহরের গাজীটেকা নামক স্থানের সরৎ ম্যানশনের ৩য় তলায় পরলোকগমন করেন।
ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজার সভাপতি মাওঃ এহসানুল হক জাকারিয়া জানান, পরলোকগমনকারীর ছেলে পার্থ পাল মুঠোফোনে জানান, উনার বাবা করোনা পজেটিভ অবস্থায় পরলোকগমন করেছেন কিন্তু সৎকারের জন্য কোনো মানুষ খোজে পাচ্ছেন না, আমরা উনার বাবার সৎকার করবো কি না? তিনি বলেন যদি প্রশাসন অনুমতি দেন তাহলে সৎকার করে দিবো। তিনি তখন বড়লেখা উপজেলার ওসি এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সাথে আলাপ করে জানান তারা অনুমতি দিয়েছেন, তবে জুড়ী উপজেলার কথা বলতে হবে, মৃত ব্যক্তির ছেলে জুড়ী স্বাস্থ কর্মকর্তা এবং প্রশাসনের সাথে আলাপ করেন। ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজারের সভাপতিও উভয় উপজেলা প্রশাসনের সাথে আলাপ করে, তাদের অনুমতিতে সৎকার কার্জ সম্পন্ন করেন। ইকরামুল মুসলিমীন সভাপতি আরো জানান, আমরা এম্বুলেন্স দিয়ে বড়লেখা বাসা থেকে লাশ নিয়ে জুড়ীতে আসি, সেখানে আমরা লাশকে স্নান করাই। মৃত ব্যক্তির ছেলে, মূখাগ্নী দেন। ভোররাত থেকে সকাল ১০.৩০ মিনিট পর্যন্ত সৎকার চলে। ইতোপূর্বে ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গলে বীর মুক্তিযোদ্ধা বিকাশ দত্তের সৎকার করে এবং শমসেরনগর খ্রীস্টান চার্চের শ্যামুয়েল রোকন মল্লিককে ফ্রী অক্সিজেনসহ বিভিন্ন সেবা দিয়ে আসছে।
এটা ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজারের ২য় হিন্দু সৎকার এবং ইকরামুল মুসলিমীনে মৌলভীবাজারের ১৪ তম করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর দাফন-কাফন। এর পূর্বে মৌলভীবাজার সদরে ৩টি, শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ৬টি, জুড়ী উপজেলায় আজসহ ৩ টি এবং কুলাউড়া উপজেলায় ১ টি এবং আজ বড়লেখা উপজেলায় ১ টি সহ ১৪তম দাফন-কাফন সম্পন্ন করে।
জুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানার অফিসার ইনচার্জ সহ সুশীল সমাজ ইকরামুল মুসলিমিন ফাউন্ডেশন এর এমন মানবসেবার দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানান।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শামীম আল ইমরান আজ ১৬ জুলাই দুপুরে পৌরসভার হলিলাইফ স্পেশালাইজড হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এতে ক্লিনিক পরিচালনার লাইসেন্স না থাকা, মেয়াদ উত্তীর্ণ রি-এজেন্ট ব্যবহার করা এবং প্রদত্ত সেবার নির্ধারিত মূল্য তালিকা না থাকায় মেডিকেল প্র্যাকটিস এবং বেসরকারি ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরী (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুসারে ৫০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। এসময় লাইসেন্স না পাওয়া পর্যন্ত ক্লিনিকের সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা কালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. রত্নদ্বীপ বিশ্বাস এবং বড়লেখা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রতন দেবনাথ সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে সারাদেশে এক কোটি বৃক্ষের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা—
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটায় গণভবন হতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে সারাদেশে এক কোটি বৃক্ষের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। মাননীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী জনাব মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব জিয়াউল হাসান এনডিসি এসময় উপস্থিত ছিলেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তেঁতুল, ছাতিয়ান ও চালতা প্রজাতির বৃক্ষের চারা রোপণ করতঃ উক্ত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পরপরই প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় স্বাস্থ্য নির্দেশিকা মেনে নূন্যতম একটি করে বনজ, ফলদ ও ঔষধি বৃক্ষের চারা রোপণের মাধ্যমে উক্ত কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে নির্দেশনা রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীকে স্মরণীয় করে রাখার লক্ষ্যে মুজিববর্ষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় দেশের ৪৯২ টি উপজেলার প্রতিটিতে ইতোমধ্যে ২০,৩২৫ টি করে বিবিধ প্রজাতির বনজ, ঔষধি ও ফলদ বৃক্ষের চারা বন বিতরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে । ইতোমধ্যে প্রতিটি জেলায় সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে জেলা পরিবেশ ও বন উন্নয়ন কমিটির সভার সিদ্ধান্তের আলোকে উপজেলা পরিবেশ ও বন উন্নয়ন কমিটি চারা বিতরণ ও রোপণ বিষয়ে বিষদ কর্মপরিকল্পনাসহ চারা গ্রহণকারীদের তালিকা প্রণয়ন করেছে। মুজিববর্ষে রোপণের জন্য উত্তোলিত এক কোটি চারার মধ্যে শতকরা পঞ্চাশ ভাগ ফলদ এবং অবশিষ্ট পঞ্চাশ ভাগ বনজ, ঔষধি ও শোভাবর্ধনকারী প্রজাতির চারার উত্তোলন ইতোমধ্যেই নিশ্চিত করা হয়েছে। কোন প্রকার বিদেশী প্রজাতির চারা এ কাজের জন্য উত্তোলন করা হয়নি। তাছাড়া বর্ণিত বৃক্ষরোপণ কার্য আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ এর মধ্যে সম্পন্ন করার বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষে সারাদেশে রোপিত ১ কোটি গাছকে ‘স্মারক বৃক্ষ’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে । মুজিববর্ষের এক কোটি চারা ছাড়াও চলতি বৃক্ষরোপণ অভিযানকালে প্রতিটি সংসদীয় আসনের বিপরীতে ৫ হাজার করে মোট ১৫ লক্ষ বনজ, ফলদ ও ঔষধি চারা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংস্থার ক্যাম্পাসে রোপণের জন্য বিতরণ করা হবে।
সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জে উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত কানিশাইল গ্রামে বিষাক্ত পানি খেয়ে মর্তুজ আলীর পরিবারের নারীসহ ৮জন আক্রান্ত হয়েছেন৷ আজ বুধবার সকালে এই ঘটনা ঘটেছে৷ এসময় পানির ট্যাংকিতে বিষের উপস্থিতি টের পাওয়া যায়। খবর পেয়ে ইউপি চেয়ারম্যান, সদস্যগণ, ইউপি সচিব, উদ্যোক্তা ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত হন৷ পানি পান করে অচেতন হওয়া সবাইকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করা হয়েছে। গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশকে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে৷
বাংলাদেশ ফুটবল উন্নয়ন সমিতির পাশাপাশি চলছে পুরো দেশে। সাপোর্টারস ফোরাম বাংলাদেশ ফুটবল উন্নয়ন সমিতি গঠনের কাজ। এই ধারাবাহিকতায় মৌলভীবাজার জেলায় সাপোর্টারস ফোরাম বা,ফু,উ,স। কমিটি ঘোষণা করা হয় কমিটি সভাপতি মনোনীত হোন মোঃ আব্দুল কুদ্দুস এবং সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হোন জাকির আহমেদ রোমান। উল্লেখ্য সভাপতি-মোঃআব্দুল কুদ্দুস খেলোর জীবনে মৌলভীবাজার ওয়ান্ডার্স ক্লাবের সাবেক ফুটবলার বড়লেখা উপজেলার ৫নং দক্ষিন শাহবাজপুর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান। এবং সাধারণ সম্পাদক জাকির আহমেদ রোমান মৌলভীবাজার জেলা ফুটবল দলের সাবেক ফুটবলার।সিলেট বিভাগের অন্য জেলার সাপোর্টারস ফোরামের নতুন কমিটি গুলি কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তারা। ধন্যবাদ জানান গ্রামীন ফুটবল বিপ্লবী জালাল হোসেন লাইজু কে। এবং যারা ফুটবল কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন মোফাজ্জল হোসেন বিপুল ও সি ই ও মামুন সহ সবাই কে ধন্যবাদ জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
কারো জন্য কোরবানী ওয়াজিব হওয়া কিংবা সুন্নত হওয়ার জন্য কোরবানীকারী কে ধনী হওয়া শর্ত। অর্থাৎ তার নিজের খরচ পাতি ও সে যাদের খরচ চালায় তাদের খরচপাতির অতিরিক্ত তার কাছে কোরবানী করার অর্থ থাকা। অতএব, কোন মুসলমানের যদি মাসিক বেতন বা আয় থাকে এবং এ বেতন দিয়ে তার খরচ চলে যায়, এর অতিরিক্ত তার কাছে কোরবানীর পশু কেনার অর্থ থাকে তাহলে সে ব্যক্তি কর্তৃক কোরবানী দেয়ার শরয়ীহ বিধান রয়েছে।
কোরবানী করার জন্য ধনী হওয়া শর্ত মর্মে দলিল হচ্ছে নবী (সাঃ) বাণী: “যে ব্যক্তির সামর্থ্য আছে অথচ সে কোরবানী করেনি সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়”[সুনানে ইবনে মাজাহ (৩১২৩), আলবানী ‘সহিহ সুনানে ইবনে মাজাহ’ গ্রন্থে হাদিসটিকে ‘হাসান’ বলেছেন] এখানে সামর্থ্য দ্বারা উদ্দেশ্য ধনী হওয়া।
প্রতিটি পরিবারের পক্ষ থেকে কোরবানী দেয়ার বিধান রয়েছে। দলিল হচ্ছে- নবী (সাঃ) বাণী: “প্রতিটি পরিবারের পক্ষ থেকে প্রতি বছর একটি কোরবানী দেয়া ওয়াজিব”[মুসনাদে আহমাদ (২০২০৭)] ইবনে হাজার ‘ফাতহুল বারী’ গ্রন্থে বলেন: হাদিসটির সনদ মজবুত। আলবানী ‘সহিহ সুনানে আবু দাউদ গ্রন্থে (২৭৮৮) হাদিসটিকে ‘হাসান’ বলেছেন]
এ বিধানের ক্ষেত্রে পুরুষ বা নারীর কোন ভেদ নেই। অতএব, কোন নারী যদি একাকী বসবাস করেন কিংবা তাঁর সন্তানদেরকে নিয়ে থাকেন তাহলে তাদেরকে কোরবানী করতে হবে।
প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী—যে ১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের ভেতরে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে; তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। অর্থ-কড়ি, টাকা-পয়সা, সোনা-রূপা, গহনা-অলঙ্কার, বসবাস ও খোরাকির অতিরিক্ত জমি, প্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সব আসবাবপত্র কোরবানির নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য। আর নেসাব হল স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরি, রূপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি। আর টাকা-পয়সা ও অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রে নিসাব হলো- এগুলোর মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হওয়া (টাকার অংকে প্রায় ৫৫ হাজার টাকা)। আর সোনা বা রূপা কিংবা টাকা-পয়সা এগুলোর কোনো একটি যদি পৃথকভাবে নেসাব পরিমাণ না থাকে কিন্তু প্রয়োজন অতিরিক্ত একাধিক বস্তু মিলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হয়ে যায়, তাহলেও কোরবানি করা ওয়াজিব। (আলমুহিতুল বুরহানী: ৮/৪৫৫; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া: ১৭/৪০৫)
আল-মাওসুআ আল-ফিকহিয়্যা গ্রন্থে (৫/৮১) এসেছে-
“কোরবানী ওয়াজিব হওয়া কিংবা সুন্নত হওয়ার জন্য পুরুষ হওয়া শর্ত নয়। কোরবানী পুরুষদের উপর যেমন ওয়াজিব হয় তেমনি নারীদের উপরও ওয়াজিব হয়। কারণ ওয়াজিব হওয়ার দলিলগুলো নর-নারী সবাইকে সমানভাবে শামিল করে।”(সংক্ষেপিত ও সমাপ্ত)
লেখক ক্বাজী রমিজ উদ্দিন নিকাহ রেজিস্টার ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউঃপিঃ বড়লেখা মৌলভীবাজার।
সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটার রামগতি সীমান্ত এলাকা থেকে অবৈধ অস্ত্রসহ মো. সাহেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার শাঁখরা কোমরপুর গ্রামের লবঙ্গবতী নদী তীর সীমান্ত থেকে আনুমানিক ভোর ৫.০০ থেকে ৫.৩০ এর দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সেখান দিয়ে নদী পেরিয়ে সাহেদ ভারতে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করছিল। এর আগেও একবার একই সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়েছিলেন তিনি। সকাল নয়টার দিকে হেলিকপ্টারযোগে তাকে ঢাকায় আনা হবে।
মৌলভীবাজার জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি পাওয়া যায়নি। তবে শ্রীমঙ্গলে মৃত একজনের দাফন কাফন ইকরামুল মুসলিমিন ফাউন্ডেশন সম্পন্ন করেছে। ফাউন্ডেশনের জেলা সভাপতি মাওলানা এহসান জাকারিয়া জানান, ইকরামুল মুসলিমীন মৌলভীবাজারের ১২তম দাফন এটা।
শ্রীমঙ্গল পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের শ্যামলী আবাসিক এলাকার নৌবাহিনীর অবঃ চিফ পিটি অফিসার সাহাব উদ্দিন (৬৫) করোনা পজেটিভ নিয়ে গতরাত ১০ ঘটিকায় ঢাকা সিএমএইচ হসপিটালে ইন্তেকাল করেন। আজ বিকেলে উনার জানাজা ও দাফন কাফন ইকরামুল মুসলিমিন ফাউন্ডেশন সম্পন্ন করেছে।
এদিকে আজ রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে মৌলভীবাজারের সিভিল সার্জন কোভিড-১৯ কোয়ারেন্টিন ও আইসোলেশনের দৈনিক প্রতিবেদনের মাধ্যমে করোনার সর্বশেষ তথ্য জানানো হয়। তথ্য অনুযায়ী গেল ২৪ ঘণ্টায় জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন শ্রীমঙ্গলে ১জন। ২৪ ঘণ্টায় জেলায় করোনামুক্ত হয়েছেন ৩৩ জন। তবে এই সময়ে জেলায় নতুন কারো করোনা শনাক্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
এ পর্যন্ত মৌলভীবাজার জেলায় করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা ৬৫৭ জন। এদের মধ্যে সদরে ১৯ জন, রাজনগরে ৪৭ জন, কুলাউড়ায় ১১০ জন, বড়লেখায় ৫৫ জন, কমলগঞ্জে ৭৪ জন, শ্রীমঙ্গলে ৬৪, জুড়ীতে ৫৬ এবং মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালের ২৩১ জন রয়েছেন।
মোট আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৬৪ জন এবং পজিটিভ সনাক্ত হয়ে মারা গেছেন ৮ জন।
জেলায় এখন পর্যন্ত কোয়ারেন্টিনে গেছেন ৩ হাজার ৭৭ জন। যাদের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২ হাজার ৯৫৮ জন।
বাহরাইনে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের বিলের পার গ্রামের মরহুম রাজিব আলীর ছেলে সিদ্দেক আলী নিহত হয়েছেন। জানা জায়, সিদ্দেক আলী বাহরাইনে একটি কোম্পানীর গাড়ী চালাতেন। প্রতিদিনের ন্যায় গতকাল শনিবার বিকেলে কোম্পানীর কাজের সাইড থেকে লোক আনতে গাড়ী চালিয়ে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় পতিত হয়ে তিনি মারা যান। এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নিহতের এলাকা হাজীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত বাচ্চু গনমাধ্যমকে জানান, নিহত সিদ্দেক আলীর করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা নেয়া হয়েছে। করোনার ফলাফল নেগেটিভ আসলে লাশ দেশে আনা হবে। বাহরাইনে সিদ্দেক আলীর মৃত্যুতে তাঁর পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তিনি লন্ডনে অল্প বয়সেই পরিচিত হয়ে উঠেছেন নিজস্ব প্রয়াস ও কর্ম তৎপরতায়। বৃটেনে বিভিন্ন টেলিভিশনে ইসলামী বিষয়াবলীর উপর লেকচারের পাশাপাশি আইন পেশায় সময়ও দেন নিয়মিত।
কিন্তু এসব কাজের বাহিরে তাঁর আলাদা পরিচয় যা ইতিমধ্যে গড়ে উঠেছে তা হলো, আর্ত মানবতার সেবা। তাঁরই তৈরি গরিব এন্ড ইয়াতিম ট্রাস্ট ফান্ড। তিনি ইউকেতে বিভিন্ন ফান্ড রেইজিং প্রোগ্রাম করে অর্থ সংগ্রহের মাধ্যমেই তা বাংলাদেশের গরিব জনগণের জীবন মান উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।
গরিব এন্ড ইয়াতিম ট্রাস্ট ফান্ডের উল্লেখযোগ্য প্রজেক্ট হচ্ছে গৃহহীন মানুষের জন্য ঘর তৈরি করে দেওয়া। সারা বছরব্যাপী ফুড বিতরণ প্যাকেজ। তার পাশাপাশি বিধবা মহিলাদের জন্য সেলাই ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, অন্ধ ও প্রতিবন্ধিদের নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম, হুইল চেয়ার ও শীতবস্ত্র বিতরণ ইত্যাদি প্রজেক্ট চালু থাকে সিলেট সহ দেশব্যাপী।
তাঁর সাথে রয়েছেন একঝাঁক প্রতিভাবান আলেম। ইউকে র আলোচিত খতিব মাওঃ তাজুল ইসলাম গরিব এন্ড ইয়াতিম ট্রাস্টের অন্যতম ব্যাক্তিত্ব। দেশে কাজ আঞ্জাম দেন মাওলানা সাকালাইন শাফি।
মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে একটি মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করেছেন যার নাম নাজাত ইসলামী মারকাজ৷ যেখানেই দুর্যোগ সেখানেই হাজির হয়ে যায় গরিব এন্ড ইয়াতিম ট্রাস্ট ফান্ডের গাড়ি ত্রাণ নিয়ে।
বৃটেনে এখন খুব কঠিন সময় পার হচ্ছে। বাঙালি কমিউনিটির অনেক বড় মাপের ব্যাক্তিত্বও করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন৷ এই কঠিন সময়েও বাংলাদেশকে ভুলেননি প্রবাসী ভাইয়েরা। মাওলানা হামিদী তাঁদের অন্যতম। বৃটেনের মানুষের কাছ থেকে ডলার এনে দেশের আর্ত মানবতার কল্যাণে অনবদ্য অবদান রেখে যাচ্ছেন। জনকল্যাণে তাঁর আগামীর পথচলা আরও ব্যাপকভাবে সাফল্যের হোক কায়মনোবাক্যে এ প্রার্থনা মাবুদের তরে।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পকুয়া যুব সমাজের উদ্যোগে পকুয়া গ্রামের সীমানার নেম প্লেইট স্থাপনের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ করা হয়।এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৩নং নিজবাহাদুরপুর ইউ/পি চেয়ারম্যান মাষ্টার ময়নুল হক।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, প্যানেল চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন, ২নংওয়ার্ড সদস্য শামিম উদ্দিন, সাবেক ইউ পি সদস্য রফিক উদ্দিন পংকি গল্লাসাঙ্গন উচ্চ বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক মাহমুদুর রহমান সরফ,সহকারী শিক্ষক সাইদুর রহমান আবুল,দৌলতপুর হাছিব আলী কিন্ডারগার্টেন এর প্রধান শিক্ষক সুমন আহমদ, সহকারী শিক্ষক হাছান আহমদ সবুজ,ব্যবসায়ী কবির হোসেন টিপু,কিবরিয়া খান,মোঃ আব্দুল্লাহ, জামিল আহমদ,ইন্দ্র মোহন বিশ্বাস প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাষ্টার ময়নুল হক বলেন আর্থ সামাজিক উন্নয়ননে যুবকদের কে সম্পৃক্ত করে তাদের স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি গ্রামের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে।পকুয়া যুব সংঘ তাদের কর্মস্পৃহা ও কর্মোদ্দীপনা কাজে লাগিয়ে গ্রামকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।এ লক্ষ্যে তাদেরকে বিভিন্ন উন্নয়মুখী কাজ করতে যাচ্ছে। এসব কর্মকান্ড বাস্তবায়নের জন্যে যুবকরা প্রশংসার পাত্র।
এমসি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্র হাফিজ ইফজাল আহমদ এর রহস্যজনক মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে এমসি কলেজে মানববন্ধন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার সকাল ১১টায় কলেজ ফটকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান সোসাইটির উদ্যোগে এই মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সকল শিক্ষার্থী ছাড়াও কলেজের অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীরাও এতে অংশ নেন। মানববন্ধনে ছাত্রলীগ, ছাত্র জমিয়ত, ছাত্র মজলিসসহ বিভিন্ন রাজৈনিতক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, অবিলম্বে হাফিজ ইফজাল আহমদের রহস্যঘেরা মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত করে মূল ঘটনা উন্মোচন করে দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় ছাত্রসমাজ কঠিন আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৫ জুন,বৃহস্পতিবার সকালে উপশহর বি ব্লক ১৮নং রোডের ৩নং বাসা বাহার মঞ্জিলের বাসার প্রাচীরের ভেতর থেকে ইফজাল আহমদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এমসি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্র হাফিজ ইফজাল আহমদ এর রহস্যজনক মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে এমসি কলেজে মানববন্ধন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার সকাল ১১টায় কলেজ ফটকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান সোসাইটির উদ্যোগে এই মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সকল শিক্ষার্থী ছাড়াও কলেজের অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীরাও এতে অংশ নেন। মানববন্ধনে ছাত্রলীগ, ছাত্র জমিয়ত, ছাত্র মজলিসসহ বিভিন্ন রাজৈনিতক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, অবিলম্বে হাফিজ ইফজাল আহমদের রহস্যঘেরা মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত করে মূল ঘটনা উন্মোচন করে দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় ছাত্রসমাজ কঠিন আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৫ জুন,বৃহস্পতিবার সকালে উপশহর বি ব্লক ১৮নং রোডের ৩নং বাসা বাহার মঞ্জিলের বাসার প্রাচীরের ভেতর থেকে ইফজাল আহমদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক দ্বারকেশ চন্দ্র নাথের অবসরজনিত উপলক্ষে শিক্ষক পরিষদের পক্ষ থেকে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) বেলা দু’টায় শিক্ষক পরিষদ মিলনায়তনে বিদায়ী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ‘একজন আদর্শবান শিক্ষক, দক্ষ প্রশাসক ও ভালো মনের মানুষ ছিলেন বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক দ্বারকেশ চন্দ্র নাথ। তিনি এই কলেজের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। স্যার কলেজের ছাত্র-শিক্ষকদের বটবৃক্ষের মতো ছায়া দিয়েছিলেন। তাঁর কোন তুলনা হতে পারে না। তিনি সর্বোপরি পঞ্চখণ্ডের জ্ঞান চর্চার একজন সার্থক পুরুষ। বক্তারা স্যারের সু-স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।’
কলেজের উপাধ্যক্ষ মো. তারিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক এনামুল হক তালুকদার এর পরিচালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যক্ষ স্যারের সহধর্মিণী অর্চনা দেব নাথ, বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক হাবিবুর রহমান, দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. শহিদুল ইসলাম, ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মনসুর আলমগীর, অর্থনীতি বিভাগের সহায়তা অধ্যাপক ড. আবু ইউসুফ মো. শেরুজ্জামান, সুনামগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক অধ্যাপক ইকতেখার আলম, বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কথা সাহিত্যিক প্রশান্ত কুমার মৃধা, সাপ্তাহিক বিয়ানীবাজার বার্তা পত্রিকার সম্পাদক ছাদেক আহমদ আজাদ।
বিদায়ী বক্তব্যে অধ্যাপক দ্বারকেশ চন্দ্র নাথ বলেন, ‘বিয়ানীবাজার কলেজের সামগ্রিক উন্নয়নে এ জনপদের কৃতিসন্তান সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি’র অবদান অনস্বীকার্য। তিনি কলেজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় সহযোগিতা করায় শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রহিম, ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দিবাকর চন্দ্র পাল, দর্শন বিভাগের প্রভাষক ইশতিয়াক আহমদ, ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক উর্মি লাবণী চক্রবর্তী, শিক্ষক ফয়জুল ইসলাম, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের খণ্ডকালীন প্রভাষক আরবাব হোসেন খান, বাংলা বিভাগের খণ্ডকালীন প্রভাষক মো. জহির উদ্দিন, হাবিবুর রহমান, জুবায়ের আহমদ, জলঢুপ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সাধন কৃষ্ণ নাথ, সঞ্জয় কুমার নাথ, সাংবাদিক আহমদ রেজা চৌধুরী।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কলেজ শিক্ষক তৌহিদুল ইসলাম, গীতা পাঠ করেন সঞ্জয় দেব নাথ।
পাহাড় দুহিতা নদীগুলো উজানি ঢলে আগেই ছাপিয়ে গেছে। সিলেটের সবকটি নদীর দুকূল যখন ঢলের স্রোতে প্লাবিত ঠিক তখনই আষাঢ়ের আকাশ ভাঙ্গা বর্ষণ। ভরাট নদীর দুই তীরে এখন তাই প্লাবন ডেকেছে।
সুরমা, কুশিয়ারা, সারী, গোয়াইন, পিয়াইনসহ সবকটি নদীর পানি বিপদ সীমা ছাপিয়ে বইছে ক’দিন আগ থেকেই।
ফলে একটা বিপদসংকেত বয়ে বেড়াচ্ছে। একটা প্রবল বন্যার পদধ্বনিতে উদ্বেগাকুল কয়েকটি উপজেলার লাখো বাসিন্দা। হাজারো মানুষ পানিতে নিমজ্জিত। বন্দী আছেন শত শত পরিবার।
সিলেটের জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কোম্পানিগন্জের অধিকাংশ এলাকা এখন পানিতে নিমজ্জিত। জৈন্তাপুর সদরের বেশিরভাগ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে এলাকার বাসিন্দারা মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছেন।
জৈন্তাপুরের বেশিরভাগ এলাকা পানিতে টুইটুম্বর।নিম্নাঞ্চলে ঘর বাড়ি পানিতে সওলাব হয়ে পড়েছে। শত শত বাড়ি ঘরে এখন পানি।
গোয়াইনঘাট থেকে আবদুল মালিক জানান, এক মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয় দফা আকস্মিক বন্যায় উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে আছেন।হাজার খানেক কাঁচা ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। অনেকে বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছেন। তবে বেশিরভাগ মানুষ আশ্রয়হীন অবস্থায় আছেন।
এমনিতেই করোনা পরিস্থিতিতে আয় রোজগারবিহীন গরীব এই উপজেলার বেশিরভাগ মানুষ এখন চরম সংকটাপন্ন পরিস্থিতিতে কোনোমতে বেঁচে আছেন। বন্যা তাদের জীবনে এখন মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দেখা দিয়েছে।
এদিকে বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে উপজেলার রাস্তাঘাট। গোয়াইন সারী সড়ক ডুবে যাওয়ায় উপজেলার অভ্যন্তরীণ ও জেলার সাথে যোগাযোগ ভেঙে পড়েছে।
বালু পরিবহনকারী বলগেট নৌকার ধাক্কায় গোয়াইনঘাটের গোয়াইন সেতুর সিকিউরিটি পোস্ট হেলে পড়েছে। ফলে ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সেতু এখন কিছুটা ঝুঁকিতে রয়েছে। দ্রুত মেরামত না করলে সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
ইউএনও নাজমুস সাকিব বলেন, বলগেটের ধাক্কা এবং স্রোতের তোড়ে এমন হয়েছে। শনিবার বিশেষজ্ঞ দল আসবে। থানার অফিসার ইনচার্য আবদুল আহাদ বলেন, একটি বলগেট(জাহাজ) আটক করা হয়েছে।
ইউএনও জানিয়েছেন, ৩৫০টি ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে।প্রায় ১৩ হজার লোক পানি বন্দী রয়েছেন। বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। এখনও আশ্রয়কেদ্রে কেউ আসেনি।
দ্রুত গতিতে বাড়ছে পানি। প্রবল বর্ষণ আর ঝড় অব্যাহত রয়েছে।রাত বাড়লে অবস্হা আরো ভয়ানক হতে পারে।কবলিত এলাকায় তাৎক্ষনিক উদ্ধার করে নিরাপদে আনার তেমন কোন প্রস্তুতিও সংশ্লিষ্টদের নেই।
বন্যার কারণে লকডাউনে এখন ঘরে বন্দী লাখো মানুষ। গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুরের হাজার হাজার বাড়িঘর ও রাস্তাঘাট পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়ায় তারা লকডাউনে আছেন বাধ্য হয়ে।
এই এলাকার বেশিরভাগ মানুষ পাথর কোয়ারীতে অথবা বালু তোলার শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। আবহাওয়া বিভাগের একটি সূত্র জানিয়েছে, আরো কয়েক দিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।
সুরমা, কুশিয়ারা, সারীসহ জেলার অধিকাংশ নদ নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে পড়ায় বৃষ্টি অথবা ঢলের পানি ধারণ ক্ষমতা কমেছে অনেক। তাছাড়া হাওর বাওরও পলিতে ভরে গেছে। ফলে বানের পানি সহজেই এসব জনপদ প্লাবিত করে ক্ষয়ক্ষতি বাড়িয়ে দেয়।
মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ বিয়ানীবাজার পৌরসভার ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে।রোববার (২৮ জুন) বিকাল ৩ ঘটিকায় পৌরসভা মিলনায়তনে ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ৪৭ কোটি ৪৯ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকার বাজেট ঘোষণা করেন মেয়র মোঃ আব্দুস শুকুর।
যা চলতি অর্থবছরের (২০১৯-২০) চেয়ে ৫৩ লক্ষ ৫১ হাজার টাকা বেশি। পৌরসভার প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৭ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা। রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি টাকা এবং রাজস্ব ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি ৮ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা। ২০২০-২১ অর্থবছরে উন্নয়ন আয় ধরা হয়েছে ৪৩ কোটি ৩৪ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা এবং উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৩ কোটি ৩০ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা। এবং সার্বিক উদ্ধৃত ধরা হয়েছে ২৬ লক্ষ ৭৮ হাজার টাকা।পৌরসভার মেয়র মোঃ আব্দুস শুকুরের সভাপতিত্বে উন্মুক্ত বাজেট অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন প্যানেল মেয়র-১ সাইফুল আলম জুনু, প্যানেল মেয়র-২ নাজিম উদ্দিন, কাউন্সিলর মিসবাহ উদ্দিন ও আবদুল কাইয়ুম।
এতে উপস্থিত ছিলেন বিয়ানীবাজারের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধি, পৌরসভার কাউন্সিলর বৃন্দ।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা প্রশাসনের আয়োজনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে গৃহীত “বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা (পার্বত্য চট্রগ্রাম ব্যতীত) ” শীর্ষক কর্মসূচির চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের আওতায় অধ্যায়নরত ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে সংযুক্ত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী বড়লেখা -জুড়ী আসনের সাংসদ মোঃ শাহাব উদ্দিন।
আজ ২৬ জুন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শামীম আল ইমরান এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ বড়লেখার চেয়ারম্যান সোয়েব আহমেদ।
উপজেলা পরিষদ হলরুমে স্বাস্থ্য বিধি মেনে উক্ত অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ ২৫৪ জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা বৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন।
বড়লেখা নিউজঃ মৌলভীবাজারের জুড়ী-ফুলতলা সড়কের রত্না চা-বাগানের বাজারের পাশে ফুলতলা থেকে জুড়ী গামী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের জমিতে উল্টে পড়ে যায়। এতে ২০ জন যাত্রী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে ফুলতলা থেকে ছেড়ে যাওয়া বাসটি (নম্বর মৌলভীবাজার- চ ০০১৫০৫) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের জমিতে উল্টে পড়ে যায়।
ঘটনাস্থলে অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। আহত যাত্রীদেরকে চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতালের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
বিশ্বাথ প্রতিনিধি ঃ সিলেটের বিশ্বনাথে পল্লিবিদ্যুৎ সমিতি করোনা পরিস্তিতির কারণ দেখিয়ে মিটার রিডিং না দেখেই গ্রাহকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। সরকারের অগ্রাধিকার উদ্যোগ বাস্তবায়নের অন্যতম প্রধান খাত হিসেবে দেশব্যাপী বিদ্যুৎ খাতের উত্তরণ এখন দৃশ্যত। তারপরেও নানা অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও স্বেচ্ছাচারিতার গ্যাড়াকলে গ্রাহক ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতি এ যেন নিত্য সঙ্গী হয়ে আছে বিশ্বনাথ উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির হাজার -হাজার গ্রাহকের।
পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকরা কয়েক মাসের অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল হাতে পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, প্রকৃত সত্যকে আড়াল করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে থেকে মনগড়া ভৌতিক বিলের খড়গ চাপিয়ে নানামুখী ভোগান্তিসহ গ্রাহকের পকেট কেটে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।
স্থানীয়রা জানায়, গত কয়েক মাস উপজেলার কোনো বাড়িতেই পল্লী বিদ্যুতের কোনো মিটার রিডার আসেননি রিডিং নিতে। করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে না আসার সুযোগ নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ তাদের মনগড়াভাবে অসংখ্য গ্রাহকের বিল তৈরি করেছেন।
বিগত কয়েক মাসে মিটারে রিডিং কম থাকলেও বিলের কাগজে তা বেশি লিখে গ্রাহকদের হাতে বিল ধরিয়ে দেয়া হয়েছে বলে গ্রাহকদের অভিযোগ।
এ যেন গোদের ওপর বিষফোঁড়া, একদিকে করোনা সংকট মোকাবিলায় সরকার ঘোষিত লকডাউন বা সাধারণ ছুটিতে কর্মহীন ঘরবন্দি মানুষের আর্থিক ও খাদ্য সংকটে জীবন-জীবিকা নাভিশ্বাস। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ বিলে বিলম্ব মাসুল মওকুফসহ গ্রাহকদের ভোগান্তি কমাতে সরকারি নির্দেশনাকেও মানছেন না। গড়বিলের কথা বলে দ্বিগুণ বা তিনগুন বেশি ভৌতিক বিলের বোঝা গ্রাহকের ঘাড়ে চাপিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কর্তৃপক্ষ।
কয়েছ আহমেদ একজন গ্রাহক বলেন, আমার আগে প্রতি মাসে বিদ্যুৎ বিল আসত ৭শ’ থেকে ৮শ’ টাকা। অথচ এবার তা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে বিল এসেছে ১৫০০ হাজার ২০০০টাকা। এটি ভূতুড়ে বিল ছাড়া কিছুই নয়।
উপজেলার সদরের বাসিন্দা কাউছার আহমেদ নামে একজন বলেন, সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী আমি মার্চ ও এপ্রিল মাসের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করিনি। আমাদের জানা ছিল পূর্বের দুই মাসে বিল জুন মাসে গ্রহণ করা হবে এবং এতে কোন অতিরিক্ত চার্জ বা জরিমানা করা হবে না। তবে মে মাসের বিলে পূর্বের দুই মাসে বিল সমন্বয় করা হয়েছে এবং সেখানে দেখা যায় পূর্বের দুই মাসের বিলের উপরে ৫% হারে অতিরিক্ত অর্থ যোগ করা হয়েছে- যা ভ্যাট উল্লেখ করা আছে। এছাড়াও মার্চ ও এপ্রিল এবং মে-জুন মাসের বিল বা অনান্য সময়ের বিলের দ্বিগুন বিল এসেছে মে -জুন মাসে। যদিও আমার ব্যবহারের পরিমাণ একই ছিল।
জানতে চাইলে বিশ্বনাথ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) সামিউল কবির বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে এবার এমনটা হয়েছে। আমাদের মিটার রিডারে যারা কাজ করেন তারা বাইরে বের হতে পারেননি। তাই মার্চ বা এপ্রিল মাসের বিদ্যুৎ বিল গত বছরের একই সময়ের বিল বা বর্তমান মাসের বিদ্যুৎ ক্রয়েরভিত্তিতে গড় বিল প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে মে -জুন মাসে সব সমন্বয় করা হয়েছে। এরপর থেকে বিল স্বাভাবিক আসবে। এর পরেও যদি কোন অসঙ্গতি থাকে, তাহলে অফিসে আসলে সমাধান করে দেওয়া হবে না হয় পরবর্তী মাসে তা সমন্বয় করে দেয়া হবে।
বিয়ানীবাজারে নতুন করে উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তার দেড় বছর বয়সী ছে’লেসহ ৬ জনের শরীরে করো’নাভাই’রাস শনাক্ত হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) রাতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে তাদের করো’না শনাক্ত হয়। বিয়ানীবাজার উপজে’লা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মক’র্তা ডাঃ মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ডাঃ মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরী জানান, নতুন পজেটিভ শনাক্ত হওয়াদের নমুনা সংগ্রহ করে গত ১৭ জুন সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হয় এবং আজ সোমবার রাতে তাদের রিপোর্ট পজেটিভ আসে।
নতুন আ’ক্রান্তরা হচ্ছেন- উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তা (ইউএনও) মৌসুমী মাহবুবের দেড় বছর বয়সী শি’শু পুত্র আরাব, ইউএনও’র বাসার কর্মচারী আব্দুল্লাহ আল মামুন (৩৫) ও রিনা বেগম (৩৫), বিয়ানীবাজার উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যকর্মী সঞ্জয় বিশ্বা’স (৩৬), পৌরশহরতলী ফতেহপুরের আলী হোসেন (২৭) ও আলীনগর ইউনিয়নের নিজ মোহাম্ম’দপুর গ্রামের জয়নাল আবেদীন (৪৩)।
বিশেষ প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড সিলেট জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) ১২টায় সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের নেতৃবৃন্দরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড এর সভাপতি মোহাম্মদ সালাউদ্দিন পারভেজ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তোফায়েল আহমদ রাজু,ক্রিরায় বিষয়ক সম্পাদক মহিউদ্দিন রাসেল, যুদ্ধাহত ও শহীদ পরিবার বিষয়ক সম্পাদক আফসাল আহমদ লিপু প্রমুখ।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ৪ বছরের এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গত ২০ জুন রাতে একজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
অভিযুক্ত শিশুটির চাচাত ভাই গ্রেফতারকৃত জাবেদ আহমদ (১৬) উপজেলার দক্ষিনভাগ দক্ষিন ইউনিয়নের কাসেমনগর গ্রামের আমীর হোসেনের পুত্র।
এই ধর্ষনের ঘটনাটি বৃহস্পতিবার সন্ধার দিকে উপজেলার দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউনিয়নের কাসেমনগর গ্রামে ঘটে। পরে ধর্ষনের শিকার শিশুটিকে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
এলাকাবাসী পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ধর্ষনের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত জাবেদ আহমদ ভিকটিমের চাচাত ভাই হওয়ার সুবাদে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে শিশুটিকে তার বাড়িতে ডেকে নেয়। পরে হঠাৎ কান্নার শব্দ পেয়ে মেয়েটির মা তাদের বাড়ীতে গিয়ে মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় পান। পরে পরিবারের লোকজন মেয়েটিকে নিয়ে প্রথমে আজিজ মেডিকেলে এবং সেখান থেকে বড়লেখা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিকি চিকিৎসার দেয়া হয়। পরে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে প্রেরণ করা হয়েছে।
ঘটনায় অভিযুক্ত চাচাতো ভাই জাবেদ আহমদ (১৬) কে আসামী করে থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ শনিবার রাতেই জাবেদ আহমদ (১৬) কে গ্রেফতার করেছে।
এ ঘটনায় বড়লেখা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. ইয়াছিনুল হক আসামীকে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় নতুন করে আরও দুইজন করোনা আক্রান্ত পুরুষ রোগী শনাক্ত হয়েছে। নতুন শনাক্ত দুইজনের একজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফার্মাসিস্ট (৩২) এবং অপরজন একটি ওষুধ কোম্পানীর বিক্রয় প্রতিনিধি (৩২)। তাদের একজনের বাড়ি পৌরসভার হাটবন্দ এলাকায় এবং অপরজনের বাড়ি পাখিয়ালা এলাকায়। শনিবার (২০জুন) উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদ্বীপ বিশ্বাস এ তথ্য জানিয়েছেন।
এ বিষযে জানা যায়,গত ২৫ এপ্রিল বড়লেখার কাসেমনগর এলাকায় প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। সে হিসেবে সংক্রামনের এখন মোট করোনা শনাক্ত রোগির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫জনে। তাদের মধ্যে ৭জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
নতুন শনাক্ত দুজনের নমুনা ১৭ জুন পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। শনিবার তাদের রিপোর্টে করোনা পজিটিভ আসে। আক্রান্ত দুজনেই নিজ বাড়িতে হোম আইসোলেশনে রয়েছেন। তাদের শরীরের করোনার উপসর্গ নেই।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদ্বীপ বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করে শনিবার বিকাল বেলা , তাদের দু’জনের মধ্যে করোনার উপসর্গ জ্বর-কাশি ছিল। ১৭ জুন তাদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়। তারা দু’জনেই সুস্থ আছেন। তাদের বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।
ইবাদুর রহমান জাকিরঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গোয়ালী বিহাইডহর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন প্রতিষ্টানের ভূমি দাতা সদস্য বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান।তিনি এ অঞ্চলের শিক্ষা বিস্তারে প্রায় ৩ যুগেরও অধিক সময় থেকে ব্যাপক ভুমিকা পালন করে আসছেন। শাহবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের টানা ৬ বারের নির্বাচিত প্রতিনিধি সহ স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় শিক্ষা বিস্তারে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ শিক্ষা অর্জনকারী জনাব খান এ অঞ্চলের মানুষের কাছে একটি জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে ইতিমধ্যে আত্বপ্রকাশ করেছেন।তিনি রাজনীতি ও শিক্ষা সংগঠকের পাশাপাশি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ গার্লস কলেজে দীর্ঘ ২২ বৎসর থেকে অধ্যাপনা করে আসছেন।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার চান্দগ্রামের কৃতি সন্তান সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের এসোসিয়েট প্রফেসর ডাক্তার হোসাইন আহমেদ কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছেন।
করোনা ভাইরাস উপসর্গ পজিটিভ সনাক্ত হলে আজ দুপুরে তাঁকে সিলেট মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজন মানবিক ও গরিবের ডাক্তার হিসেবে তাঁর সমধিক পরিচিত রয়েছে। তিনি গরীব অসহায় রোগীকে ফ্রী চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। বিশেষত এলাকার যেকোনো মানুষকে প্রায় বিনামূল্যে চিকিৎসার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন এ তরুণ উদীয়মান সমাজকর্মী।
তিনি আক্রান্তের খবরে ব্যতীত হৃদয়ে ব্যক্তি ও সামাজিক অঙ্গনে দোয়া চাওয়া হচ্ছে। তাঁর পরিবার বড়লেখাবাসীসহ সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।
এ মানবতাবাদী সকলের প্রিয় ডাক্তার হোসাইন আহমদকে দ্রুত শিফা দানে কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা দয়াময়ের তরে।
“ছাত্রদের প্রধান কাজ হচ্ছে পড়াশুনা করে নিজেকে ভবিষ্যতের উপযোগী নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলা। আর অবসর সময়ে ছাত্র রাজনীতি সহ সৃজনশীল কর্মকান্ডের মাধ্যমে নিজের নেতৃত্বের বিকাশ ঘঠানো।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে মেধাবী ছাত্র সমাজকে নিয়ে নৌবিহারে গমন সহ নানা ভাবে উৎসাহিত করে একটি মেধা নির্ভর নেতৃত্ব সৃষ্টির জন্য জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল গঠন করেন।তাই পড়াশুনার পাশাপাশি অবসর সময়ে ছাত্র রাজনীতি করতে চাইলে ছাত্রদেরকে ছাত্রদলের পতাকাতলে সমবেত হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।
“আজ উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের উদ্দোগে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের এক সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য ও বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান এসব বলেন। ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সি. যুগ্ম আহবায়ক শাহীন আহমদের সভাপতিত্বে ও ছাত্রনেতা তারেক মুন্নার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দিন জমির,সাধারন সম্পাদক মখলিছুর রহমান,যুগ্ম সম্পাদক তোয়াহিদুর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদির প্রমূখ। সভায় বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাক তাপাদার কানন,ইউনিয়ন যুবদল নেতা আলিম উদ্দিন,আদনান ওয়াহিদ মিশু,উপজেলা ছাত্রদল নেতা জুনেদ আহমদ,ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা মাজহারুল ইসলাম, আতিকুর রহমান সহ নেতৃবৃন্দ।সভায় এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ক্রেস্ট প্রদান ও মিষ্ঠি মুখ করানো হয়।
মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ দেশরত্ন শেখ হাসিনা ঘোষিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ভাই ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল ভাইয়ের নির্দেশে সুনামগঞ্জ জেলা যুবলীগের সংগ্রামী আহবায়ক সদর উপজেলার জননন্দিত চেয়ারম্যান প্রিয় নেতা প্রিয় ভাই খায়রুল হুদা চপল ভাইয়ের আহ্বানে ছাতক উপজেলা যুবলীগ নেতৃবৃন্দ.বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন ।প্রায় ৬৫০ ফলজ বনজ ঔষধি চারাগাছ উপজেলা থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে রোপন করা হয় । ছাতক উপজেলা যুবলীগের জসীম উদ্দিন এর সভাপতিত্বে সকল কার্য পরিচালনায় ছিলেন মাহবুবুর রহমান রুয়েল,সুনুর হাসান,আশরাফ উদ্দিন,ফয়জুল ইসলাম ফজল,উপস্থিত ছিলেন গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি কলেজ অনার্স ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাওছার আহমদ ভাই ।নুরুজ্জামান মনি সহ যুবলীগের নেতৃবৃন্দ ।
গাছ লাগাই জীবন বাঁচাই।এই হউক আমাদের দীপ্ত অঙ্গীকার ।
মৌলভীবাজারের বড়লেখাসহ জেলায় করোনা ভাইরাসে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ জন। এর মধ্যে বড়লেখা পৌরসভার একই পরিবারভুক্ত ২ তরুণী রয়েছেন। ক্রমে ক্রমে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এ পর্যন্ত বড়লেখার সংখ্যা দাঁড়ালো ২৩ জনে।
এছাড়াও আজ নতুন করে জুড়ী উপজেলায় ৪ জন, মৌলভীবাজারে ৬ জন, শ্রীমঙ্গলে ১জন এবং কমলগঞ্জের ১ জন আক্রান্ত হয়েছেন বলে মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন অফিস সুত্রে জানা গেছে।
বড়লেখা পৌরসভার একই পরিবারের দুবোন হলেন ১ নং ওয়ার্ড বরাইগ্রাম এর বাসিন্দা।
নতুন ১৪ জন সহ মৌলভীবাজার জেলায় মোট করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩১ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৭৬ জন।
নিজস্ব সংবাদঃ গত ৮ জুন উপজেলা প্রশাসন,বড়লেখার ফেসবুক পেজে মেসেজের মাধ্যমে বড়লেখা উপজেলার একজন কৃষি উপকরণের জন্য সহযোগিতা চান।উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বড়লেখা মোঃ শামীম আল ইমরান সাথে সাথে উনার সাথে কথা বলে বিস্তারিত খোজ নেন।পরিবারের প্রবাসে থাকা সদস্য টাকা পাঠাতে না পারার কারনে তারা তাদের ৪ কিয়ার(১২০ শতক) জমিতে চাষাবাদ করতে ইচ্ছুক। উপজেলা নির্বাহী অফিসার,বড়লেখা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে অনুরোধ করলে একজন ইউনিয়ন উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে উনার জমিতে পাঠানো হয়।উক্ত কর্মকর্তা উনাকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন। আজ সেই ব্যক্তিকে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সার ও বীজ প্রদান করা হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক করোনা সংকটের এই সময়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত এর লক্ষ্যে কৃষির উপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি অফিস। প্রিয় বড়লেখাবাসী, আপনার আশেপাশের জায়গা খালি না রেখে চাষাবাদ করুন।আপনাদের সর্বাত্মক সহযোগিতার জন্যে আমরা প্রস্তুত।
করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ ঠেকাতে দেশে আক্রান্তের অবস্থা বিবেচনায় রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত অঞ্চলকে রেড জোন আখ্যা দেওয়া হচ্ছে। বাকিগুলোকে ইয়েলো ও গ্রিনজোনে ভাগ করা হচ্ছে। অবশ্য এখনো মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলা রেড জোনের আওতা মুক্ত রয়েছে।
চলমান প্রেক্ষাপটে পর্যটন ও প্রবাসী অধ্যুষিত মৌলভীবাজার জেলার কোন এলাকা কোন জোনে পড়েছে- এ নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহের শেষ নাই।
মৌলভীবাজারের সংক্রমণ হার বিবেচেনা করে দেখা গেছে অধিকাংশ এলাকাই পড়েছে ইয়েলো ও গ্রিনজোনে। তবে কিছু অংশ পড়েছে রেড জোনে।
রেড জোনে যে যে এলাকা- মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে- শ্রীমঙ্গল পৌরসভা এবং সদর ইউনিয়নের কিছু অংশ রেড জোনে পড়েছে। এছাড়া কুলাউড়া পৌরসভা এবং পৌর শহর সংলগ্ন কিছু এলাকা রেড জোনে পড়েছে।
জানা যায়- শ্রীমঙ্গলের কালিঘাট রোড, মিশন রোড, রুপসপুর, সবুজভাগ, মুসলিমবাগ, লালবাগ এবং বিরাইমপুর, কুলাউড়ার মাগুরা-মনসুর, নন্দনগর রেড জোনে পড়েছে। জেলার বাকি সব এলাকা ইয়েলো এবং গ্রিনজোনে পড়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সিভিল সার্জন ডা. তওহীদ আহমদ বলেন- সংক্রমণের হার বিশ্লেষণ করে মৌলভীবাজারের প্রত্যেক উপজেলা ও ইউনিয়নের রেড, গ্রিন ও ইয়েলো জোনে ভাগ করা হয়েছে। আজ ১৫ জুন সোমবার মন্ত্রণালয়ে সেটা প্রেরণ করা হয়েছে। যা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের মাধ্যমে সমন্বয় করে বাস্তবায়ন করা হবে।
যেভাবে জোন ভাগ হয়- সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো এলাকায় ১ লাখের মধ্যে ১০ জন করোনা আক্রান্ত হলে রেড জোন। ৩ থেকে ৯.৯ শতাংশ আক্রান্ত হলে ইয়েলো জোন। আর ০ থেকে ২.৯ শতাংশ আক্রান্ত হলে গ্রিন জোন।
জানা গেছে, রেড জোন চিহ্নিত এলাকায় পুরো লকডাউন করে দেওয়া হবে। এ জোনের কেউ বাইরে যেতে বা বাইরে থেকে কেউ এ জোনের ভেতরে যেতে পারবে না। এ জোনের দোকানপাট, বিপণিবিতান, সরকারি-বেসরকারি কার্যালয় সব বন্ধ থাকবে। এমনকি এ জোনে ঘরে বসে নামাজ আদায় করতে নির্দেশনা দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
এ ব্যাপারে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ বলেন- সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা জোন ভিত্তিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
মৌলভীবাজার জেলায় এ পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৯১
জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৯১ জন, সুস্থ হয়েছে ৬৯ জন, মারা গেছেন ৪ জন। তবে ৬ শতাধিক রিপোর্ট এখনো অপেক্ষমান রয়েছে।
সিভিল সার্জন ডা. তওহীদ আহমদ বলেন, অন্য জেলার তুলনায় মৌলভীবাজারে আক্রান্তের হার এখনো কম। যে কারণে জেলার অধিকাংশ এলাকা পড়েছে ইয়েলো ও গ্রিন জোনে। তিনি বলেন- করোন সংক্রমণ ঠেকাতে মানুষকে সচেতন হতেই হবে। এর কোন বিকল্প নেই। আগামী ২ মাস আমাদের জন্য বিপদজনক হতে পারে। সাবধানতাই এ বিপদ উত্তরণের সম্বল। সংশ্লিষ্ট সকলকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথ পালন এবং সকলের কল্যাণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা সময়ের দাবি।
জুড়ি উপজেলার উত্তর জাঙ্গীরাই ইসলামী সমাজকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে আজ (১৫জুন২০) এস.এস.সি/দাখিল ও জে.ডি.সি/জে.এস.সি পরিক্ষায় উত্তীর্ণদেরকে নিয়ে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্মামনা স্বারক প্রদান করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জুড়ী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ খলিলুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মক্তদীর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব ইসহাক আলী সাহেব।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফজলুল হক মাষ্টার, পরিষদের উপদেষ্টা হাজী রুহুল আমীন, ইয়াছিন আলী রনি,আব্দুল মন্নান, মুসলেহ উদ্দীন,প্রবাসী মইব আলী, প্রবাসী আনোয়ার হোসেন,ইসমাইল আলী, সহ সভাপতি হাবিবুর রহমান, সেক্রেটারী শহীদুল্লাহ কাওসার মহি উদ্দীন, শরীফ, রাহাত, রিয়াজুল, ফাহিম, নাঈম, নজর, প্রমুখ।
বাংলাদেশের রাজনীতির এক কিংবদন্তি, আ’লীগের কেন্দ্রীয় নেতা সিলেটের সাবেক জনপ্রিয় মেয়র, জনতার কামরান খ্যাত আলহাজ্ব বদর উদ্দিন কামরান আর আমাদের মাঝে নেই। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিয়ুন। তিনি গতরাত প্রায় ৩ ঘটিকায় ঢাকার সিএমএইচ হাসপাতালে করোনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইহকাল ত্যাগ করেন। তাঁর ইন্তেকালে সিলেটসহ দেশ-বিদেশে শোকের ছায়া বিরাজমান।
একদিন পূর্বে দেশের দু’জন সাবেক ও বর্তমান মন্ত্রী নাসিম-আব্দুল্লাও একইভাবে ইন্তেকাল করেন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর মিছিল দিন দিন দীর্ঘ হচ্ছে। যা মানবিকতাকেও আজ প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
গত ৭জুন সাবেক মেয়র কামরানকে সংকটাপন্ন অবস্থায় একটি বিশেষ হেলিকপ্টারে করে ঢাকার সিএমএইচে ভর্তি করা হয়েছিলো, দু’দিন পরে তাঁর মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে। উন্নত চিকিৎসা প্রচেষ্টার পরও জনতার কামরানকে বাঁচানো গেল না। হায়াত মউতের মালিক আল্লাহ তায়ালার ফয়সালা সবাইকে মেনে নিতেই হয়। তবে কারো কারো মৃত্যু মানুষের মনকে চরমভাবে ব্যতীত করে। ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আব্দুল্লা ও জনতার কামরান তাঁদের অন্যতম। দলমত ব্যতিরেকে গণমানুষের হৃদয়ে তাঁরা স্থান করে নিয়েছিলেন বলেই ভিন্ন মতের মানুষজনকেও আজ তাঁদের জন্য শুভকামনা আফসোস দোয়া করে যেতে দেখা যাচ্ছে। মরনশীল মানুষের বিষয়টি নিশ্চিত উপলব্ধি হলেই মানুষ মানুষের জন্য কাজ করে হৃদয়ে স্থান করে নেয়।
গণমানুষের খেদমত, ভালো ব্যবহার, সুভাষা এবং ওরাসাতুল আম্বিয়া তথা আলেম, উলামা-মশায়েখ ও দ্বীনদার মানুষের পাশে থেকে সিলেটের সাবেক জনপ্রিয় মেয়র জনতার কামরান হয়ে ওঠেন। তাঁর ইন্তেকাল এজন্যই এতো বেদনাবিধুর। মহান আল্লাহ তায়ালা এসকল যেকোনো ভালো গুণের উছিলায় সবার প্রিয় কামরানকে ক্ষমা করুন। পরিবার পরিজন সহ গুণগ্রাহী সকলকে সবরে জামিল আতা ফরমান। তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মাকামে সমাসীন করুন, দয়াময় আল্লাহর কাছে কায়মনোবাক্যে এই ফরিয়াদ।
সিলেট সিটি করপোশেনের সাবেক মেয়র ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় সদস্য বদর উদ্দিন আহমদ কামরানকে হারিয়ে সিলেটবাসী তাদের কাছের স্বজন ও গ্রহনযোগ্য এক জনপ্রতিনিধিকে হারালো। এমন নেতার চিরবিদায় নি:সন্দেহে সিলেটবাসীর জন্য এক বেদনার দিন, দু:খের দিন। কামরানের ইন্তেকালে এক শোক বাণীতে এই কথাগুলো বলেছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির আমীর ডা: শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, সিলেটে সবসময়ই সম্প্রীতির রাজনীতি বহমান ছিল। দেশের রাজীনিতিতে যখন চরম বৈরি ভাব বিরাজ করে, তখনো সিলেটে রাজনীতির আকাশে সুবাতাস বয়ে যায়। যখনই কোন সমস্যা, দুর্যোগ সিলেটে বয়ে যায় তখনই এক টেবিলে বসে সমাধানের পথ বের হয়। আর তা সম্ভব হতো কামরানের মতো ভদ্র, বিনয়ী ও বন্ধুসুলভ কিছু মানুষের জন্য। আজ তিনি নেই ।
ডা: শফিক বলেন, কামরান এমন একজন ব্যক্তিত্ব ছিলেন যার কাছে দলমত নির্বিশেষে সবার দুয়ার ছিলো খোলা। যা তাকে জনপ্রিয় করে তুলে। জামায়াত আমীর, বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের ভালো কাজগুলোকে গ্রহন করে আল্লাহ যেন তাকে ক্ষমা করে দেন সেই দোয়া করেন। তিনি তার জান্নাতুল ফেরদাউস কামনা করে বলেন, ‘এই প্রিয় মানুষকে হারিয়ে সিলেটবাসী যেমন দু:খ ভারাক্রান্ত, তিনিও ঠিক ততটুকু ভারাক্রান্ত।’ তিনি সিলেটবাসীকে এই শোক সহ্য করার তওফিক কামনা করেন ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
.কোভিড-১৯ ভাইরাস পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহের জন্য গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলায় ২টি করে মোট ৪টি বুথ স্থাপন করে দিলেন কানাডা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, দৈনিক শুভ প্রতিদিনের সম্পাদক ও প্রকাশক সরওয়ার হোসেন। রোববার (১৪ জুন) সকাল ১১টায় গোলাপগঞ্জে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থাপিত দুটি বুথের অনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সরওয়ার হোসেন। নিজস্ব অর্থায়নের এ চারটি বুথ স্থাপন করে দেন তিনি।
নিজে উপস্থিত থেকে এ বুথ স্থাপনের সময় তিনি বলেন, করোনায় সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। তাদের সুরক্ষার ব্যবস্থা না থাকায় অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন। তারা সুস্থ না থাকলে কিভাবে আমাদের জন্য করোনা সংকটে কাজ করবে। এজন্য এই নমুনা সংগ্রহের বুথ স্থাপন করা হয়েছে। এসময় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শাহীনুর ইসলাম শাহিন, গোলাপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম এ ওয়াদুদ এমরুল, ব্রাজিল যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবু সুফিয়ান উজ্জল, ছাত্রলীগ নেতা রাহাত তপাদার প্রমুখ।
এদিকে, গোলাপগঞ্জে বুথ স্থাপনের পরই দুপুর ২টায় বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থাপিত আরও দুটি বুথের উদ্বোধন করেন সরওয়ার হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম পল্লব, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরী, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. আবু ইসহাক আজাদ. মেডিকেল অফিসার ডা. আবুল বাশার রুম্মান।
বিয়ানীবাজারে বুথ স্থাপনকালে সরওয়ার হোসেন বলেন, করোনাকালে আমার চেয়ে বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জের সাধারণ মানুষের জন্য ভয় বেশি। তাই তো আমি এ বিপদের সময় নিজের সুরক্ষার কথা চিন্তা না করে মানুষের পাশে আছি। পাশে থাকতে চাই। করোনা মহামারীতে মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হতে চাই। করোনা বিপদ যতই বড় হোকনা কেন, আমি দুই উপজেলার মানুষের পাশে আছি, থাকব ইনশাল্লাহ।
এর আগে সরওয়ার হোসেন গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলার করোনা রোগীদের সেবায় নিয়োজিতদের পিপিই ও সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়া কয়েক দফায় এই দুই উপজেলার কর্মহীন সহাস্রাধিক মানুষের মাঝেও খাদ্য সামাগ্রী বিতরন করেছেন তিনি।
সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার ১০নং মুড়িয়া ইউনিয়নের পুর্ব মুড়িয়া এলাকার আষ্টঘরী ইউনিটের উদ্দ্যোগে কিশোর কন্ঠ পাঠক ফোরামের আয়োজনে এবং শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাবেক সেক্রেটারী ও আমেরিকা প্রবাসী নাহিমুল ইসলাম এর অর্থায়নে,এস এস সি ২০২০পরিক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের কে নিয়ে এক কৃতি ছাত্র সংবর্ধনা ও ভোজন সভার আয়োজন করা হয়।এতে কিশোর কন্ঠ পাঠক ফোরামের শতাধিক কৃত্বি ছাত্র অংশ গ্রহন করেছেন।উক্ত ভোজন সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক,সাবেক কিশোর কন্ঠ পাঠক ফোরাম সিলেট জেলা সভাপতি ফরিদ আল মামুন। পু্র্ব মুড়িয়া শাখার সাবেক সভাপতি বাহার আহমদ,
এ ছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন কিশোর কন্ঠ পাঠক ফোরাম পু্র্ব মুড়িয়া শাখার সভাপতি জুনেদ আহমদ।সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ।আষ্টঘরী ইউনিট কিশোর কন্ঠ পাঠক ফোরামের পরিচালক মোঃহাসান আহমদ প্রমূখ।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা সহ জেলায় নতুন করে আরও ১৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে পুলিশ ও স্বাস্থ্যকর্মীও রয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯১ জন।
আজ শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে মৌলভীবাজার জেলা সিভিল সার্জন ডা. তৌউহীদ আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এদিকে মোট ১৪ জনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এরমধ্যে নতুন ১৩ জন এবং পুরনো একজনের আবারো পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে।
নতুন আক্রান্ত ১৩ জনের মধ্যে মৌলভীবাজার-২৫০ শয্যা হাসপাতালের ৩ জন, বড়লেখায় ২জন, রাজনগরে ১ জন, কুলাউড়ায় ৫ জন, কমলগঞ্জে ১ জন এবং শ্রীমঙ্গলে ১ জন। এছাড়া কমলগঞ্জে আগে থেকে আক্রান্ত একজনের আবারও পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। আক্রান্তদের মধ্যে নারী পুরুষ উভয়েই রয়েছেন ।
এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯১ জন, সুস্থ হয়েছেন ৬৯ জন, মারা গেছেন ৪ জন। আরও প্রায় ৬০০ রিপোর্ট পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ৪ জনসহ ডাক্তার নার্স মিলিয়ে আরও ২৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭৮ জন।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুর সাড়ে ১২ টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মৌলভীবাজার জেলা সিভিল সার্জন ডা. তৌউহীদ আহমদ। তিনি জানান, ঢাকা থেকে গত রাতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। আরও বেশ কিছু নমুনার রিপোর্টের অপেক্ষা করছি আমরা।
নতুন আক্রান্ত ২৬ জনের মধ্যে সদর উপজেলায় ৫ জন, রাজনগরে ২ জন, কুলাউড়ায় ১২ জন, বড়লেখায় ৪ জন, কমলগঞ্জে ১ জন এবং শ্রীমঙ্গলে ২ জন। আক্রান্তদের মধ্যে নারী-পুরুষ, শিশুও রয়েছেন । নতুন রিপোর্ট আসলে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এম.এম আতিকুর রহমান ; বড়লেখা থেকে ঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখায় আজ ১০ জুন বুধবার, বড়লেখা হিফযুল কুরআন মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে বড়লেখা উপজেলার মসজিদ সমূহের খতিব ও ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কল্যাণার্থে এবং জনসেবার উদ্দেশ্যে গঠণ করা হয় ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদ বড়লেখা।
আহবায়ক কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত “পরামর্শ সভায়” সভাপতিত্ব করেন- পরিষদের আহবায়ক এবং বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সম্মানিত খতিব মুফতি মাওলানা রুহুল আমীন। পরিষদের সদস্য সচিব এবং ইয়াকুবনগর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাও. মুনাওয়ার হুসাইন মাহমুদীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আলোচনা পেশ করেন- বড়লেখা উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জিনগন। পরে সকলের সম্মতিক্রমে, তিন বছর মেয়াদি ৩১ সদস্য বিশিষ্ট “কার্যকরী কমিটি” ঘোষণা করা হয়। কমিটির দায়িত্বশীলগণ হলেনঃ সভাপতিঃ মুফতি রুহুল আমীন বড়লেখা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। সহ-সভাপতিঃ মাও. ফয়জুল বারী কাঁঠালতলী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। সহ-সভাপতিঃ মুফতি আব্দুল বাসিত সুজানগর বড়বাড়ী জামে মসজিদ। সহ-সভাপতিঃ মাও. একরাম আলী চুকারপুঞ্জী জামে মসজিদ। সহ-সভাপতিঃ মাও. আব্দুল হান্নান পশ্চিম পাখিয়ালা টিলা জামে মসজিদ। সহ- সভাপতিঃ মাও. ফারুক আহমদ গাজিটেকা নাজিরের চক জামে মসজিদ। সাধারণ সম্পাদকঃ হাফিয মাও. মুনাওয়ার হুসাইন মাহমুদী ইয়াকুবনগর জামে মসজিদ। যুগ্ম সম্পাদকঃ মাও. বদরুল ইসলাম পাতন জামে মসজিদ। সহ-সাধারণ সম্পাদকঃ হাফিজ মাও. সাদিক আহমদ এফ.আর মুহিউসসুন্নাহ কমপ্লেক্স জামে মসজিদ। সহ-সাধারণ সম্পাদকঃ হাফিয মাও. আবুল হাসান হাদী কাঁঠালতলী জামে মসজিদ সাংগঠনিক সম্পাদকঃ হাফিয মাও. তায়্যিবুর রহমান চানপুর বায়তুল মামুর জামে মসজিদ, শাহবাজপুর। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকঃ মাও. আতাউর রহমান মোহাম্মদনগর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকঃ মাও. আব্দুল হাফিজ কাঁঠালতলী উত্তর জামে মসজিদ। অর্থ সম্পাদকঃ মাও. মুখলিসুর রহমান পানিধার মারকায মসজিদ। প্রচার সম্পাদকঃ হাফিয মাও. ইয়াহইয়া আহমদ বড়লেখা থানা জামে মসজিদ। সহ-প্রচার সম্পাদকঃ মাও. শিহাব উদ্দীন পশ্চিম বানিকোনা জামে মসজিদ। সহ-প্রচার সম্পাদকঃ মাও. মাহবুবুর রহমান সর্দার পাড়া জামে মসজিদ। সাহিত্য সম্পাদকঃ হাফিয মাও. রশিদ আহমদ বারইগ্রাম জামে মসজিদ।প্রকাশনা সম্পাদকঃ মুফতি মছিহুর রহমান শিমুলিয়া জামে মসজিদ। সমাজকল্যাণ সম্পাদকঃ মাও. এনাম উদ্দীন গৌরনগর মাদ্রাসা জামে মসজিদ। অফিস সম্পাদকঃ মাও. লায়েছ আহমদ বড়লেখা হাজিগঞ্জ বাজার জামে মসজিদ।
সদস্যরা হলেন হাফিয হুসাইন আহমদ, মাও. আব্দুল মতিন, মাও. নজরুল ইসলাম নয়ন, মাও. মাহতাব উদ্দীন, মাও. আব্দুল, মাও. আতাউর রহমান, মাও. জুনেদ আহমদ, সাইফুর রহমান, মাও. জামিল আহমদ, মাও. মুঈনুল ইসলাম প্রমুখ। এছাড়া বড়লেখা উপজেলার সকল মসজিদের খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিনদেরকে সাধারণ সদস্য ঘোষণা করা হয়। পরিশেষে, দেশ-জাতীর কল্যান কামনা করে এবং বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মহামারি করোনাভাইরাস থেকে মুক্তির জন্য সভাপতির মুনাজাতের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল হালিম এর মায়ের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন অত্র বিভাগের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ।রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক রাহুল কান্তি সরকার বলছেন আমার সহকর্মী আব্দুল হালিম ভাইয়ের মায়ের মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মাস্টার্স ফাইনাল থেকে তানভীর আহমদ,মাস্টার্স প্রিলি থেকে সাহিদুর রহমান আকাশ, শোক প্রকাশ করেছেন।অনার্স বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে শাহরিয়ার শাহান, ছাইদুল মাহবুব, সাকির আহমদ,সাব্বির আহমদ, তারিন আফরোজ, মিজান আল মাসুদ,জাফর আহমদ,হালিমা আক্তার,মেহজাবিন মুনা,ইমা আক্তার প্রমুখ। শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ছাইদুল মাহবুব বলেন আব্দুল হালিম স্যার রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রছাত্রীদের অত্যান্ত প্রিয় একজন শিক্ষক স্যারের মমতাময়ী মায়ের প্রয়াণে আমরা শোকাহত।এবং তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।সর্বোপরি আমরা মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় প্রতারণা মামলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উপজেলা সেক্রেটারী মোঃ ফয়সল আহমদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাত দেড়টার দিকে থানার এসআই রাকিব মোহাম্মদের নেতৃত্বে পৌরশহরের (বালুচর) পাখিয়ালা বাসা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে সোমবার (৮ জুন) আদালতের মাধ্যমে পুলিশ তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ব্রিকফিল্ড ব্যবসায়ী মোয়াদ আহমেদ এর পৌনে ২ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে গত ২২ জানুয়ারি হাবিবুর রহমান হাবিবকে ১ নম্বর ও জামায়াত নেতা ফয়সল আহমদকে ২ নম্বর আসামি করে থানায় প্রতারণা মামলা করেন।এ মামলার প্রধান আসামি হাবিবুর রহমান হাবিব গত ১৭ মার্চ জামিন নিতে গেলে বিজ্ঞ আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ মামলার ২নং আসামি উপজেলা জামায়াত সেক্রেটারী ফয়সল আহমদ দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকার পর গ্রেফতার হোন
নিউজ ডেস্কঃ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ, কুলাউড়া ও রাজনগর উপজেলায় চর্মরোগ জাতীয় গুটি, খোঁড়া, ফুলাসহ ভাইরাস রোগে গবাদি পশু আক্রান্ত হচ্ছে।
এপর্যন্ত এ রোগে তিন উপজেলার প্রায় তিন হাজার গবাদি পশু আক্রান্ত হয়েছে ও একটি মহিষসহ ৩টি গরু মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের এমটাই অভিযোগ।
তবে করোনা ভাইরাসের মধ্যেও উপজেলা চিকিৎসা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছে প্রাণি সম্পদ বিভাগ। প্রতিষেধক না থাকায় এ রোগ ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তরটি। সরেজমিনে ঘুরে জানা যায়, লাম্পিং স্কিন ডিজিজ নামে চর্মরোগ জাতীয় একটি ভাইরাস রোগ গবাদি পশুর মধ্যে মারাত্মকহারে সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর, শমশেরনগর, পতনউষার, মাধবপুর, আদমপুর, মুন্সীবাজার ইউনিয়নসহ বিভিন্ন গ্রাম ও চা বাগান এলাকা, কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়ন ও রাজনগর উপজেলার কামারচাক, মরিচা এসব এলাকায় গবাদি পশুর গুটি বসন্তসহ ভাইরাস রোগের সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায় দেড় মাস সময় ধরে বিভিন্ন এলাকায় এ রোগের সংক্রমণ বেড়েই চলেছে।
এ রোগের লক্ষনসরূপ পশুর গলাসহ সারা দেহে গুটি, খোঁড়া, ফুলা দেখা দিচ্ছে। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে বিশ দিন আগে পতনঊষারের শ্রীসূর্য্য এলাকার অসিত শীল এর ১টি, পনের দিন আগে আলীনগর ইউনিয়নের কামদপুর গ্রামের মনাফ মিয়ার ১টি, মাধবপুর ইউনিয়নের নোওয়াগাঁও গ্রামের সাবাজ মিয়া ২টি, দশ দিন আগে মুন্সীবাজার ইউনিয়নের বাসুদেবপুর এলাকায় ১সহ মোট ৫টি গরু মারা গেছে। এছাড়া সপ্তাহ দিন আগে রাজনগর উপজেলার মরিচা গ্রামের শামীম মিয়ার লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ১টি মহিষ উক্ত রোগে মারা গেছে।
পতনউষারের তোয়াবুর রহমান, আক্তার মিয়া, মরিচা গ্রামের শামীম মিয়া, শমশেরনগর সতিঝির গ্রামের সিদ্দিকুর রহমান, আলীনগরের মনাফ মিয়া, মুন্সীবাজার ইউনয়িনের আশরাফুল ইসলামসহ কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, তাদের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে এসব রোগে ব্যাপক হারে গবাদি পশু আক্রান্ত হচ্ছে। সব মিলিয়ে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে আক্রান্ত হবে প্রায় ৫ হাজার গবাদি পশু বলে দাবি করেন তারা। তারা আরও অভিযোগ করেন, আক্রান্ত পশুর জন্য সরকারিভাবে ভালো কোন চিকিৎসা সুবিধাও পাওয়া যাচ্ছে না। বেসরকারি চিকিৎসকদের অধিক মূল্য দিয়ে চিকিৎসা করাতে হচ্ছে।
নিউজ ডেস্কঃ বিয়ানীবাজারে আপন চাচীর ঘরের চালের ড্রাম থেকে ৩ বছর বয়সী এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার সন্ধ্যায় উপজেলার কুড়ারবাজার ইউনিয়নের উত্তর আকাখাজানা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত শিশু উত্তর আকাখাজানা গ্রামের খছরু মিয়ার ছেলে।
ওই শিশু রোববার সকাল ৬টা থেকে নিখোঁজ ছিল। পরে এদিন বিকালে খছরু মিয়ার ছোটভাই রুনু মিয়ার স্ত্রী সুমা বেগমের ঘরের চালের ড্রাম থেকে ওই শিশুটিকেমৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
এ প্রতিবেদন লিখা পর্যন্ত জানা গেছে, খবর পেয়ে ওসি অবনী শংকর করসহ বিয়ানীবাজার থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত শিশুর লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন করে থানায় নিয়ে আসছে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে দু’জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন- সুমা বেগম (৪২) ও নাহিদ আহমদ (২৩)। তারা দুজনের সম্পর্কে ভাবি-দেবর।
এম.এম আতিকুর রহমান,বড়লেখাঃ সম্প্রতি দেশে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) বিস্তার ঠেকাতে এলাকাভিত্তিক লকডাউনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আক্রান্তের আধিক্যতা বিবেচনায় রেড জোন, ইয়েলো জোন ও গ্রিন জোনে চিহ্নিত করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাস্তবায়ন হবে স্বাস্থ্যবিধিসহ আইনি কঠোর পদক্ষেপ।
সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে এ কথা জানানোর পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেশের তিনটি বিভাগ, ৫০টি জেলা ও ৪০০টি উপজেলাকে পুরোপুরি লকডাউন (রেড জোন বিবেচিত) করা হচ্ছে। আংশিক লকডাউন (ইয়েলো জোন বিবেচিত) দেখানো হচ্ছে পাঁচটি বিভাগ, ১৩টি জেলা ও ১৯টি উপজেলাকে। আর লকডাউন নয় (গ্রিন জোন বিবেচিত) এমন জেলা দেখানো হচ্ছে একটি এবং উপজেলা দেখানো হচ্ছে ৭৫টি।
মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে সর্বশেষ করা তালিকায় সিলেট বিভাগের সব ক’টি জেলাকেই বলা হচ্ছে পুরোপুরি লকডাউন। বিভাগের জেলাগুলো হলো মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ ও সিলেট।
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে জানা যায়, আজ রবিবার (৭ জুন) থেকেই কিছু জায়গায় জোনিং ব্যবস্থার মাধ্যমে লকডাউন শুরু হচ্ছে। বেশি আক্রান্ত এলাকাকে রেড, অপেক্ষাকৃত কম আক্রান্ত এলাকাকে ইয়োলো ও একেবারে কম আক্রান্ত বা সংক্রমণমুক্ত এলাকাকে গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করে স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়ন করা হবে। গ্রিন জোনে সতর্কতা এবং ইয়েলো জোনে সংক্রমণ যেন আর না বাড়ে সেজন্য পদক্ষেপ থাকলেও রেড জোনে করোনার বিশেষ গাইডলাইন অনুযায়ী কঠোর হবে পুলিশ।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ বুলেটিন অনুসারে, দেশে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৩ হাজার ২৬ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন ৮৪৬ জন। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায়ই মারা গেছেন ৪২ জন। করোনা ভাইরাস উপসর্গের ভয়াবহতা রোধে সরকারের এইসকল পদক্ষেপ যথাযথ বাস্তবায়ন ও সচেতনতা বৃদ্ধি অপরিহার্য।
নিউজ ডেস্কঃ একটি আইসিইউ’র জন্য চব্বিশ ঘণ্টা ধরে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ঘুরেছে। টাকা যত লাগে তত দিতেও চেয়েছিল। কিন্তু মেলেনি একটি আইসিইউ। শেষ পর্যন্ত শ্বাসকষ্ট নিয়ে প্রথমে মারা গেল বড় ভাই। তার ৮ ঘণ্টা পর মারা যান ছোট ভাই। হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে মারা যান ছোট ভাই মো. শাহজাহান (৩২)। তিনি হাটহাজারী বাজারের এন জহুর মার্কেটের কাপড়ের দোকানের ব্যবসায়ী।
এর আগে দুপুরে মারা যান বড় ভাই মো. শাহ আলম (৩৬)। তিনি মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী। তারা হাটহাজারী পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের পূর্ব দেওয়ান নগর জোহরা বাপের বাড়ির মরহুম গোলাম রসুলের ছেলে। তাদের করুণ মৃত্যুতে হাটহাজারী পৌর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে এবং আইসিইউ না পাওয়ায় একরকম বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগ তুলেন তাদের স্বজনরা।
স্বজনরা জানান, করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে ৩০শে মে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন দুই ভাই। এরমধ্যে তাদের শ্বাসকষ্ট চরমে পৌঁছালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের আইসিইউতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। এরপর শুরু হয় আইসিইউর খোঁজ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে একের পর এক চট্টগ্রাম মহানগরীর সরকারি-বেসরকারি সবক’টি হাসপাতাল ঘুরে ঘুরে একটি আইসিইউ ভিক্ষা চাওয়া হয়। এ জন্য যত টাকা প্রয়োজন তত টাকা দিতেও রাজি ছিল পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু কোথাও আইসিইউ শয্যা খালি নেই বলে জানান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষগুলো। ফলে আইসিইউর অভাবে শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে হাসপাতালেই মারা যান বড় ভাই মো. শাহ আলম।
এরপর ছোট ভাইকে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠে পরিবারের সকলে। কিন্তু একটি আইসিইউ না পাওয়ার কারণে রাত ১০টার দিকে শ্বাসকষ্টে ভুগে মারা যান ছোট ভাই মো. শাহজাহানও।
স্বজনরা আরো জানান, শাহ আলম দুবাইয়ে সবজি ব্যবসা করতেন। গত জানুয়ারি মাসে ছুটিতে এসে লকডাউনে আটকা পড়ে আর দুবাইয়ে ফিরতে পারেননি তিনি। শাহ আলমের ৬ বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। অন্যদিকে তার ছোট ভাই শাহজাহানের রয়েছে হাটহাজারী বাজারে এন জহুর শপিং সেন্টার মার্কেটে একটি কাপড়ের দোকান। স্ত্রী ছাড়াও তার রয়েছে এক ও পাঁচবছর বয়সী দুটি সন্তান।
স্বজনদের অভিযোগ, ৩০শে মে চমেক হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর দুই ভাইয়ের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু আজ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট আসেনি। ফলে মৃত্যুর আগে তারা করোনা আক্রান্ত কিনা তাও জানতে পারলো না। তাদের করুণ মৃত্যুতে হাটহাজারীতে শোকের মাতম চলছে।
নিউজ ডেস্কঃ তালা থানায় ধর্ষণের মামলা করে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে ধর্ষিতার পরিবার। মামলা তুলে না নিলে আরও বড় ধরনের ক্ষতি করার হুঙ্কার দিচ্ছে তারা। বাড়ি থেকে বের হলেই নানা ভাবে হেনস্তা করছে তারা, দিচ্ছে অশ্রাব্য ভাষায় গালি-গালাজ।
মান সম্মানের ভয়ে তারা বাড়ি হতে বের হতে পারছে না ধর্ষিতার পরিবার। তালা উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য ও তালা রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক মীর জাকির হোসেন এলাকা পরিদর্শন ও এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য ইউপি সদস্য’সহ সাধারণ মানুষের সাথে মতবিনিময় করেছেন।
সরজমিন পরিদর্শনে জানা যায়, তালা উপজেলার জেয়ালা নলতা গ্রামের দিনমজুর আব্দুল আজিজের কন্যাকে ২৯মে’ ২০২০ ইং তারিখে সকাল ১১ টার সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে অসুস্থ মেয়েকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে লম্পট সোহাগ।
সে একই গ্রামের লম্পট হায়দার আলী সরদারের পুত্র। এলাকার মানুষের অভিযোগ হায়দার আলীও ঐ এলাকার চিহ্নিত লম্পট। তার অত্যাচারে রাতের বেলায় মহিলারা সম্ভ্রম হানির ভয়ে ঘর হতে বের হতে পারে না। তার লম্পটের সালিশ মীমাংসা অনেকবার করেছে এলাকার মানুষ। গত ৩০ মে ২০২০ ইং ধর্ষিতার পিতা আজিজ সরদার বাদী হয়ে তালা থানায় মামলা দায়ের করেন। যার নং -৮।
তালা থানা পুলিশ ভিকটিমকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করিয়েছেন। ধর্ষক পলাতোক থাকলেও থানায় মামলা করার কারণে বাড়িতে থাকা অন্যান্য আসামীরা নির্যাতিত পরিবারকে বিভিন্ন প্রকার হুমকি দিচ্ছে। লম্পট হায়দার আলী প্রকাশ্যে ধর্ষিতার মা আনজুয়ারাকে ধর্ষণের হুমকি দিচ্ছে বলে জানা গেছে। ফলে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে পরিবার। এলাকাবাসী বলেন, ধর্ষণের কথা জানাজানির পরে ধর্ষিতাকে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিগত ধর্ষকের বাড়িতে নিয়ে গেলে ধর্ষকের পিতা হায়দার আলী, মাতা আছমা বেগম, ভাই আফজাল সরদার, ফুপু ফরিদা বেগম ধর্ষিতাকে বেদম মারপিট করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। তারা আরও বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই জাতপুর ক্যাম্পের এস আই সাইদুর রহমানের ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মীর জাকির হোসেন বলেন, অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের প্রতি যে নিষ্ঠুরতা হয়েছে তা খুবই দুঃখ জনক। যে কোন বিবেকবান মানুষের উচিত হবে এই নিষ্ঠুরতার প্রতিবাদ করা। তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন ও তালা থানা অফিসার ইনচার্জ মেহেদী রাসেলের সাথে আমার কথা হয়েছে। আমাকে আশ্বস্ত করা ‘১হয়েছে অপরাধী যেই হোক তাকে ছাড় দেয়া হবে না। এই মামলাটি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি আমরা।
তালা থানা অফিসার ইনচার্জ মেহেদী রাসেল বলেন, ধর্ষিতার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি যতদ্রুত সম্ভব প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করার। চৌকস পুলিশ অফিসার কে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, আশাকরি অতিশীঘ্রই আসামী গ্রেফতার হবে। জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই প্রীতিষ বলেন, মামলাটি তদন্ত পর্যায়ে আছে। সঠিক তদন্তের স্বার্থে আমরা মূল আসামীকে গ্রেফতার করার চেষ্টা করছি। মূল আসামী গ্রেফতার হলে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।
বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শামীম আল ইমরান আজ (০৭জুন) বড়লেখা পৌরসভার হাজীগঞ্জ বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে মাস্ক না পরা ও স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন,২০১৮ আইনে ২৭ টি মামলায় ১০,১০০/= টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। এসময় মাস্ক বিহীন জনসাধারণের মধ্যে মাস্কও বিতরণ করা হয়। বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইয়াছিনুল হকের নেতৃত্ব বড়লেখা থানা পুলিশ মোবাইল কোর্ট কে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করেন।
দারিদ্রতার কষাঘাতে ঝর্ঝরিত হয়েছেন বারংবার কিন্তু দারিদ্রতা কখনো থামিয়ে দিতে পারেনি স্বপ্ন জয়ের যাত্রা।অজপাড়াগাঁ থেকে বেড়ে ওঠা একটি পুষ্প আপন আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে সুগন্ধ ছড়াচ্ছে দেশের একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে।করোনা যুদ্ধে সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন সুনামগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের চেয়ারে বসে।
হ্যাঁ বলছিলাম শ্রদ্ধাস্পদ আঙ্কেল জয়নাল আবেদীনের কথা।তিনি বড়লেখা উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের করমপুর গ্রামের আলো-বাতাস গায়ে মেখেই বড় হয়েছেন। আব্বা প্রায়ই আঙ্কেলের সফলতার গল্প করতেন।তিনি স্থানীয় করমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন।১৯৯৮ সালে শাহবাজপুর উচ্চবিদ্যালয় থেকে প্রথম বিভাগে মাধ্যমিক পাশ করে ২০০১ সালে বড়লেখা সরকারি কলেজ থেকে দ্বিতীয় বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন।এবং সিলেট মুরারী চাঁদ কলেজ থেকে গণিত বিভাগে স্নাতক সম্মান এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন।
মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে যেনো নুন আনতে পান্তা ফুরায়।জীবনে অনেক ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করতে হয়েছে।তৃতীয় শ্রেণীর কেরানির চাকুরী নিয়ে কর্ম জীবনের অভিষেক হয়েছিলো।কিন্তু স্বপ্ন ছিলো একদিন বিসিএস ক্যাডার হয়ে প্রথম শ্রেণীর চাকুরী করবেন। বাস্তবেও তাই হয়েছে।তিনি সুন্দরের স্বপ্ন দেখতেন।সফলতার স্বপ্ন দেখতেন।স্বপ্নহীন জীবন মরিচীকার মতো।তাই স্বপ্ন গুলোকে বাস্তবতার রূপ দিতে করেছেন কঠিন অধ্যবসায়।যার দরুন আজ তিনি হয়েছেন প্রজন্মের কাছে এক প্রেরণার পিরামিড।এ যেনো ক্লান্তিহীন এক নাবিকের গল্প।সফলতার নাও বাইতে গিয়ে তিনি বিসিএসে তৃতীয়বার অকৃতকার্য হয়েও থেমে যাননি।চতুর্থ বার চেষ্টা করেছেন এবং সফলও হয়েছেন।
বর্তমানে তিনি সুনামগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের দায়ীত্ব পালন করছেন।নৈতিকতা, ধার্মিকতা, এবং যথাযথ দায়িত্ব পালন করে ইতিমধ্যেই সুনাম কুড়িয়েছেন বিভিন্ন জায়গায়।আঙ্কেলের এই সফলতা শাহবাজপুর তথা পুরো বড়লেখাবাসীর জন্য গৌরবের।আমরা বিশ্বাস করি আঙ্কেল উনার দায়িত্বপালনের ক্ষেত্রে সেরাটা দিয়ে পদোন্নতি নিয়ে একদিন আরো অনেক বড় হবেন।
লেখক-শিক্ষার্থী অনার্স,রাষ্ট্রবিজ্ঞান। বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ।
নিউজ ডেস্কঃ সিলেট নগরীর ৪টি হাসপাতালে ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে মারা গেছেন বন্দরবাজার এলাকার এক ব্যবসায়ী। শুক্রবার সকালে হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেন না পেয়ে চিকিৎসার অভাবেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন বন্দরবাজারের আর এল ইলেকট্রনিকের স্বত্বাধিকারী ও সিলেট নগরীর কুমারপাড়ার বাসিন্দা ইকবাল হোসেন খোকা (৫৫)। চিকিৎসা না পেয়ে বাবাকে হারানো ছেলে এই হৃদয় বিদারক ঘটনার বর্নণা করেছেন শুধুমাত্র অন্য কারো পরিবারে যাতে এরকম ঘটনা না ঘটে। ইকবাল হোসেন খোকার ছেলে তিহাম জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তার বাবার বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। তখন তিনি প্রথমেই সোবাহানীঘাট এলাকার একটি হাসাপাতালে এম্বুলেন্সের জন্য কল করেন। এম্বুলেন্স বাসায় আসার পর দেখা যায় এর সাথে যে অক্সিজেন সিস্টেম রয়েছে সেটি ভাঙ্গা। তাই এই অবস্থায়ই রোগীকে সোবাহানীঘাটের ঐ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি বার বার তাদেরকে অক্সিজেনের ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করলেও তারা রোগীকে রেখে নিয়মকানুন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যান। এক পর্যায়ে জানান তারা রোগীকে রাখবেন না, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে নিয়ে যেতে। অনেক অনুরোধ করার পরও তারা অক্সিজেনের ব্যবস্থা করে দেন নি। পরে আমরা রোগীকে নিয়ে দক্ষিণ সুরমার নর্থ ইস্ট হাসপাতালে যাই। সেখানে গেলে কর্তৃপক্ষ জানান তাদের হাসপাতালে সিট নেই, রোগীর চিকিৎসা দেয়া সম্ভব নয়। তখন আমরা পরিচিত এক চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করি। তিনি আমাদের পরামর্শ দেন শহীদ ডা. শামসুদ্দিন হাসপাতালে যাওয়ার জন্য। তিহাম অভিযোগ করে বলেন, শামসুদ্দিন হাসপাতালে গিয়ে তারা সবকিছু বন্ধ পান। ১০-১৫ মিনিট পরে এক নিরাপত্তাকর্মী এসে জানান হাসপাতালের সবাই ঘুমে। অন্য কোথাও রোগীকে নিয়ে যেতে। তখন তারা সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দিকে রওয়ানা হন। সেখানে জরুরী বিভাগে যাওয়ার পর তারা সিসিইতে নিয়ে একটি ইসিজি করেন। এরপরই হাসপাতালের ইর্মাজেন্সিতে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমার বাবাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। দেশের সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে কোভিড-১৯ রোগীদেরও চিকিৎসা দেয়ার সরকারি নির্দেশনা থাকার পরও শংকটাপন্ন অবস্থায় সিলেটের কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতাল ভর্তি না করায় ক্ষোভ জানিয়েছেন মারা যাওয়া রোগীর পরিবারের স্বজনরা। এরআগে, গত ৩১ মে দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্টে ভোগা নগরীর কাজীটুলা এলাকার বাসিন্দা এক নারী অসুস্থ হলে সিলেটের ৬টি বেসরকারী হাসপাতাল ঘুরেও চিকিৎসা পাননি। পরে ওসমানী হাসপাতালে যাওয়ার পথে তারও মৃত্যু হয়। একই দিনে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে স্ট্রোক করে সিলেটে আসা এক রোগী ৭টি হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে মারা যান। এদিকে, এই দুটি ঘটনার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোকে সতর্ক করে চিঠি দেয়া হলেও আবারো ঘটল প্রায় একই ধরণের ঘটনা। সূত্র: সিলেটভিউ২৪ডটকম/৫ জুন ২০২০
নিউজ ডেস্কঃ সিলেট নগরীর ৪টি হাসপাতালে ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে মারা গেছেন বন্দরবাজার এলাকার এক ব্যবসায়ী। শুক্রবার সকালে হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেন না পেয়ে চিকিৎসার অভাবেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন বন্দরবাজারের আর এল ইলেকট্রনিকের স্বত্বাধিকারী ও সিলেট নগরীর কুমারপাড়ার বাসিন্দা ইকবাল হোসেন খোকা (৫৫)। চিকিৎসা না পেয়ে বাবাকে হারানো ছেলে এই হৃদয় বিদারক ঘটনার বর্নণা করেছেন শুধুমাত্র অন্য কারো পরিবারে যাতে এরকম ঘটনা না ঘটে। ইকবাল হোসেন খোকার ছেলে তিহাম জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তার বাবার বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। তখন তিনি প্রথমেই সোবাহানীঘাট এলাকার একটি হাসাপাতালে এম্বুলেন্সের জন্য কল করেন। এম্বুলেন্স বাসায় আসার পর দেখা যায় এর সাথে যে অক্সিজেন সিস্টেম রয়েছে সেটি ভাঙ্গা। তাই এই অবস্থায়ই রোগীকে সোবাহানীঘাটের ঐ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি বার বার তাদেরকে অক্সিজেনের ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করলেও তারা রোগীকে রেখে নিয়মকানুন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যান। এক পর্যায়ে জানান তারা রোগীকে রাখবেন না, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে নিয়ে যেতে। অনেক অনুরোধ করার পরও তারা অক্সিজেনের ব্যবস্থা করে দেন নি। পরে আমরা রোগীকে নিয়ে দক্ষিণ সুরমার নর্থ ইস্ট হাসপাতালে যাই। সেখানে গেলে কর্তৃপক্ষ জানান তাদের হাসপাতালে সিট নেই, রোগীর চিকিৎসা দেয়া সম্ভব নয়। তখন আমরা পরিচিত এক চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করি। তিনি আমাদের পরামর্শ দেন শহীদ ডা. শামসুদ্দিন হাসপাতালে যাওয়ার জন্য। তিহাম অভিযোগ করে বলেন, শামসুদ্দিন হাসপাতালে গিয়ে তারা সবকিছু বন্ধ পান। ১০-১৫ মিনিট পরে এক নিরাপত্তাকর্মী এসে জানান হাসপাতালের সবাই ঘুমে। অন্য কোথাও রোগীকে নিয়ে যেতে। তখন তারা সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দিকে রওয়ানা হন। সেখানে জরুরী বিভাগে যাওয়ার পর তারা সিসিইতে নিয়ে একটি ইসিজি করেন। এরপরই হাসপাতালের ইর্মাজেন্সিতে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমার বাবাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। দেশের সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে কোভিড-১৯ রোগীদেরও চিকিৎসা দেয়ার সরকারি নির্দেশনা থাকার পরও শংকটাপন্ন অবস্থায় সিলেটের কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতাল ভর্তি না করায় ক্ষোভ জানিয়েছেন মারা যাওয়া রোগীর পরিবারের স্বজনরা। এরআগে, গত ৩১ মে দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্টে ভোগা নগরীর কাজীটুলা এলাকার বাসিন্দা এক নারী অসুস্থ হলে সিলেটের ৬টি বেসরকারী হাসপাতাল ঘুরেও চিকিৎসা পাননি। পরে ওসমানী হাসপাতালে যাওয়ার পথে তারও মৃত্যু হয়। একই দিনে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে স্ট্রোক করে সিলেটে আসা এক রোগী ৭টি হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে মারা যান। এদিকে, এই দুটি ঘটনার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোকে সতর্ক করে চিঠি দেয়া হলেও আবারো ঘটল প্রায় একই ধরণের ঘটনা। সূত্র: সিলেটভিউ২৪ডটকম/৫ জুন ২০২০
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় নতুন করে আরও দুজন স্বামী স্ত্রী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তারা উপজেলার বারইগ্রাম এলাকার বাসিন্দা। আক্রান্ত স্বামীর বয়স ২৬ বছর আর স্ত্রীর ২১ বছর। শুক্রবার রাতেই উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করে। আক্রান্তরা নিজেদের বাড়িতে আইসোলোশনে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদীপ বিশ্বাস শুক্রবার রাতে সাংবাদিকদের বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে করোনার উপসর্গ জ্বর-কাশি থাকাতে গত ৩১ মে তাদের নমুনা সংগ্রহে করে ঢাকায় ল্যাবে পাঠানো হয়েছিল। আজ রাতে তাদের রিপোর্ট এসেছে। দুজনেরই করোনা ভাইরাস উপসর্গ পজিটিভ হয়েছে। তারা বর্তমানে বাড়িতে অবস্থান করেছেন। দ্রুত প্রশাসনিকভাবে তাদের বাড়ি লকডাউন করা হবে।
দেশের জন্য বেঁচে থাকা, মানুষের জন্য মানবতা এই বানীকে ধারন করে দেশ, মানুষ, সমাজ ও পরিবেশের সার্বিক কল্যানকে সামনে:‘আত্মার কাছে দায়বদ্ধতায়, হাতে রাখি হাত’ এ স্লোগান নিয়ে ২০২০ সালের মার্চ মাসে বড়লেখা উপজেলা ব্যাপী প্রতিষ্টিত হয় “মাববিক যাত্রা ” নামক সেচ্ছাসেবী সংগঠন। এরই বাস্তব প্রমাণ হতে পারে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষুদ্র প্রয়াসের মাধ্যম ‘সহযোগীতা করা’’প্রতিষ্ঠার পর সারা মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় প্রশংসিত হতে থাকে তাদের কার্যক্রম। গত করোনা প্রাদুর্ভাবে সুবিধাবঞ্চিতদের মধ্যে বন্ধু হয়ে কাজ করে পরিচিত হয়েছিলেন।এ লক্ষ্যেই উপজেলা সুবিধাবঞ্চিতদের স্বার্থে অসহায়, নিপীড়িত এবং দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়াতে বড়লেখা বাজারের বিশিষ্ট ব্যাবসায়ি কিড’স ফেয়ার এর সত্বাধিকারী জাবের আহমদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠে “মানবিক যাত্রা ” মানবিক যাত্রায় পরামর্শক দাতা রয়েছেন তারা হলেন,তুহিন অাহমদ,তোহাহিদুর রহমান টিপু,ইকবাল হোসেন,শিমুল চৌধুরী,অাব্দুর রহমান,কামরুল ইসলাম,মুবিন মোহাম্মদ, তারেক হাসনাত,সাইফুল ইসলাম জিবু,ইকবাল হোসাইন, অাইনুল ইসলাম,শাহিদুর রহমান জুনেদ তাহমিদ ইশাদ রিপন। এই একত্রীকরণ আর ভালো কাজ করার অঙ্গীকার নিয়ে জন্ম হয়।শুরু হয় মানবসেবার আগামীর পথচলা।
ছোট্ট পরিসরে জন্ম নেওয়া ওই সংঘঠনটির পরিধি এখন অনেক বড়। অনেক যত্নে বোনা ছোট্ট গাছটি যেন আজ বটবৃক্ষ। এখন তার অনেক ডালপালা উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের গ্রাম পর্যন্ত।এই গাছের ছায়ায়ই প্রাণ জুড়ান সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশু এবং অসহায়, নিপীড়িত এবং দুস্থ মানুষেরা। সংগঠনটি ‘আত্মার কাছে দায়বদ্ধতায় হাতে রাখি হাত’ স্লোগান নিয়ে শুরু তাদের কার্যক্রম।
সংগঠনটির একদল উচ্ছ¡ল, স্বাপ্নিক তরুণ-তরুণী সদস্যরা মানবসেবার ব্রত নিয়ে স্বার্থহীন মানসিকতার স্বপ্নকে ধারণ করে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা,অসহায় শিক্ষিত নারী সমাজকে শিলাই মিশিন প্রদান করা,অসহায় রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবাও, অসুস্থ কাউকে মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরিয়ে আনার সম্মিলিত প্রচেষ্টা করবেন। এছাড়া জবুথবু শীতের কাঁপুনি থেকে রক্ষায় হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীকে এক টুকরো উষ্ণতা দেওয়ার জন্য হলে ঘুরে শীতবস্ত্র সংগ্রহ করে বিতরণ করবেন, বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মুহূর্তে আর্তমানবতার সেবায় প্রসারিত করবেন তাদের সেবার হাত। এই সংগঠনটি ইতিমধ্যে অনেক সামাজিক কাজে ভুমিকা রেখেছে ।বর্তমানে করোনা কালীন সময়ে অনেক অসহায় ও খেটে খাওয়া মানুষের মধ্যে খাদ্য সহায়তা ও নগদ অর্থ উপহার দেয়া হয়েছে যা “মানবিক যাত্রার” এর ফেসবুক পেইজ এ ছবিসহ পোস্ট বিদ্যমান রয়েছে। এবং খুব শীগ্রই সেলাই মেশিন বিবরণ করা হবে।সকল বিত্তবান ভাইদের সহযোগিতা কামনা করেন।
ঝড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটি পড়ে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর করমপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হতদরিদ্র লায়লা বেগমের পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই । পরিবার নিয়ে কোনমতে বসবাস করার শেষ সম্বল কুঁড়েঘরটি হারিয়ে প্রতিবেশীর ঘরে আশ্রয় নেওয়া দুর্গত এই পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়েছে বড়লেখা উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৪ মে) দুপুরে দুর্গত পরিবারটির জন্য অর্থ ও খাদ্য সহায়তা নিয়ে উপস্থিত হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মো. শামীম আল ইমরান। এসময় দ্রুততম সময়ের মধ্যে নতুন ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার জন্য ঝড়ে দুর্গত পরিবারটিকে আশ্বাস প্রদান করেন ।
জানা গেছে, গতকাল বুধবার বিকেলের দিকে সৃষ্ট ঝড়ে বড়লেখা উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের করমপুর গ্রামের মৃত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হতদরিদ্র লায়লা বেগমের কুঁড়েঘরে পাশে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটি পড়ে যায়। এসময় কেউ হতাহত না হলেও বসতঘর সম্পূর্ণ লণ্ডভণ্ড হয়েছে। এতে পরিবারটি প্রতিবেশীর বাড়িতে আশ্রয় নেয়।
এদিকে খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরান। পরে তিনি পরিবারটির হাতে পাঁচ হাজার টাকার চেক ও ২০কেজি চাল, ৫ কেজি আলু, ২কেজি ডাল, ২ কেজি পেয়াজ এবং ১ কেজি তেল তুলে দেন।
এসময় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, ৪নংউত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত (ইউপি) চেয়ারম্যান সেলিম আহমদ খান, ইউপি সদস্য বদরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শামীম আল ইমরান জানান, ‘ঝড়ে পরিবারটি ঘর হারিয়েছে। তাদের থাকার কোনো জায়গা নেই। অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। স্থানীয় সাংসদ ও সরকারের মাননীয় পরিবেশ বন জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিনের নির্দেশনায় তাদেরকে প্রাথমিকভাবে ৫হাজার টাকার চেক ও কিছু খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে । আজকের মধ্যেই ভাঙ্গা বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণ করার জন্য বড়লেখা জোনাল পল্লী বিদ্যুৎ- এর ডিজিএমকে অনুরোধ করা হয়েছে । কালকেই তাদের থাকার জন্য একটি ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।’
এবাদুর রহমান জাকিরঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ট্রান্সফরমারসহ বিদ্যুতের একটি খুঁটি ভেঙে পড়ে একটি বসতঘর দুমড়েমুচড়ে গেছে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন ওই বসতঘরের বাসিন্দারা।
বুধবার (৩ জুন) দুপুরের দিকে উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের করমপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে পল্লী বিদ্যুত সমিতি বড়লেখা আঞ্চলিক কার্যালয়ের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে আশপাশের এলাকা ঝুঁকিমুক্ত করলেও খুঁটিটি ঘরের ওপর থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়নি।
স্থানীয় ও পল্লী বিদ্যুত কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে ঝড় আসে। এসময় মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের করমপুর গ্রামে পল্লী বিদ্যুতের সিঙ্গেল ফেজের একটি লাইনের ওপর গাছ পড়ে। লাইনের ওপর গাছ পড়লে অদূরে লয়লা বেগমের বসতঘর ঘেঁষা ১০ কেভি ট্রান্সফরমারসহ খুঁটি ভেঙে ঘরের ওপর পড়ে। এতে বসতঘরটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এ সময় ঘরে থাকা বাসিন্দারা তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে আসেন। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান বাসিন্দারা। তবে তাড়াহুড়ো করে বের হতে গিয়ে পরিবারের দুজন সদস্য আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পল্লী বিদ্যুত সমিতি বড়লেখা আঞ্চলিক কার্যালয়ের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে আশপাশের এলাকা ঝুঁকিমুক্ত করে। তবে ভাঙা খুঁটিটি ঘরের ওপর থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়নি। বুধবার রাত সাড়ে ১০ টায় এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত খুঁটিটি ঘরের ওপর ছিল। দুমড়েমুচড়ে যাওয়া ওই ঘরের বাসিন্দারা পাশের ঘরে আশ্রয় নিয়েছেন।
বাড়ির বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বিদ্যুত লাইনের কাজ করার সময় বসত ঘরের লাগোয়া খুঁটি বসানো হয়। ওই খুঁটিতে ট্রান্সফরমারও লাগানো হয়। বাড়ির অদূরেও আরেকটি খুঁটি বসানো হয়। কিন্তু এগুলো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। আপত্তি জানালেও তখন লাইন টেনে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছিল। এরপর ঝুঁকিপূর্ণ একটি খুঁটি সরানোর জন্য লিখতি আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটিটি সরানো হয়নি। এরই মধ্যে একটি খুঁটি ভেঙে বসতঘরের ওপর পড়ে।
বসতঘরের বাসিন্দা লয়লা বেগম বলেন, ‘দুপুরে তুফান আইছে। কারেন্টের লাইনে গাছ পড়িয়া বড় খুঁটিত টান খাইছে। ইটাত ট্রান্সফরমার আছিল (ছিল)। আমার এক ছেলে বাইরে কামো আছিল (কাজে ছিল)। হে দেখছে লাইনে আগুন ধরিয়া ঘরোর উপর খুঁটি পড়ি যার। হে চিক (সে চিৎকার) দিছে। আমরা দৌড়াইয়া সব ঘর থাকি বারইছি। লাগা লাগ (পাশাপাশি) ঘরে আমরা ১৫ তাকি ২০ জন মানুুষ থাকি। আল্লায় বাঁচাইছইন। বিদ্যুতের মানুষ আইছইন। দেখিয়া লাইন কাটিছইন। খুঁটি রইছে। আমরা অন্য ঘরে উঠছি। গরিব মানুষ। ঘর বানানির ঠেকা (টাকা) নাই। সবতা ভাঙিয়া গেছে। কিলা ঘর বানাইতাম চিন্তাত আছি।’
স্থানীয় ইউপি সদস্য বদরুল আহমদ বলেন, ‘অল্পের জন্য বড় ধরণের দূর্ঘটনা থেকে মানুষ রক্ষা পেয়েছেন। আমি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। এখানে ঝুঁকিপূর্ণ একটি খুঁটি সরানোর জন্য স্থানীয় বাসিন্দারা লিখিতভাবে আবেদন দিয়েছেন। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না পল্লী বিদ্যুৎ অফিস। এর মধ্যে একটি খুঁটি ঝড়ে বসতঘরের উপর পড়ে ভেঙেছে। খুঁটিটি ঘরের লাগোয়া ছিল। গাফিলতি না করে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।’
এ বিষয়ে মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির-বড়লেখা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ
মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. এমাজ উদ্দিন সরদার বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় মুঠোফোনে বলেন, ‘ভেঙে পড়া খুঁটিতে ১০ কেভির ট্রান্সফরমার ছিল। খুঁটির অদূরের লাইনে গাছ পড়ে ওটাতে টান খেয়ে ভেঙে গেছে। আল্লাহ রক্ষা করেছেন। কেউ হতাহত হয়নি। লোকজন দেখে এসেছে। বৃহস্পতিবার খুঁটি সরানো হবে। খুঁটিটি ঘরের লাগোয়া ছিল। অনেক বছর আগে লাইন নির্মাণ হয়। তখন ডিজাইন অনুযায়ী হয়েছে। অন্য খুঁটি সরানোর লিখিত আবেদনের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমরা সরেজমিনে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি।’
এবাদুর রহমান জাকিরঃ বিয়ানীবাজারে নতুন করে আরও ৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে প্রবাসী অধ্যুষিত এ উপজেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ২ জনসহ মোট ১৭ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন প্রথম শনাক্ত হওয়া ৫জন।
নতুন ৫ জন শনাক্ত হওয়ার বিষয়টি বুধবার রাতে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. আবু ইসহাক আজাদ।
তিনি বলেন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে নতুন ৫ জনের শরীরে করোনাভাইরাস পজেটিভ ধরা পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, আক্রান্তদের মধ্যে করোনা রোগীর সংস্পর্শে আসা ও কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের শিকার রোগীও রয়েছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, নতুন আক্রান্ত সকলেই পৌরসভার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। এর মধ্যে একজন নারী ও একজন ব্যাংক কর্মকর্তাও রয়েছেন। আক্রান্তরা হলেন, খাসাড়ীপাড়া এলাকার ৪৫ বছরের একজন, খাসার ২৭ বছরের এক যুবক, নয়াগ্রামের ২৫ বছর বয়সের একজন ও ২৭ বছরের এক যুবক এবং অন্যজন হলেন সুপাতলা এলাকার ৩০ বছরের এক যুবক।
এম.এম আতিকুর রহমানঃ মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার লাঠিটিলা সীমান্তে ভারতের করিমগঞ্জ জেলার পাথারকান্দি থানার পুঁথনি চা বাগানের চম্পাবাড়ী এলাকায় ভারতে অনুপ্রবেশ ও গরুচোর সন্দেহে এক বাংলাদেশীকে পিটিয়ে হত্যা ও অপর এক বাংলাদেশীসহ তিনজনকে পিটিয়ে আহত করার খবর পাওয়া গেছে। গত বুধবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিজিবি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৫২ ব্যাটালিয়ন বিয়ানীবাজার-এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মো. শহীদুল্লাহ বুধবার বিকেলে সাংবাদিকদের বলেন, বিএসএফ বিষয়টি আমাদের জানিয়েছে। তবে ভূল তথ্যের কারণে নিহত ও আহতের পরিচয় বের করা যায়নি। বর্তমানে পরিচয়ের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে লাশ দেশে আনা হবে।
নিহতের নাম রনজিৎ রিকমন (৩০) সে জুড়ী উপজেলার পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়নের ধামাই চা বাগানের শ্রমিক এবং বাজারটিলা এলাকার রশিক লাল রিকমুনের পুত্র। আহত মলেন মুন্ডা (৩২) একই উপজেলার শিলুয়া চা বাগানের ফাঁড়ি কুচাই চা বাগানের মৃত গাজু মুন্ডার পুত্র। অপর দুইজন ভারতীয় নাগরিক বলে জানাগেছে। ভারতের করিমগঞ্জ হাসপাতালে নিহতের লাশের ময়নাতদন্ত হয় এবং আহতরা একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে এলাকাবাসীর সূত্রে জানা গেছে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৫২ ব্যাটালিয়ন লাঠিটিলা সীমান্ত ফাঁড়ির কোম্পানী কমান্ডার ল্যান্স নায়েক জাকির হোসেন জানান, সোমবার সন্ধ্যায় ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ আমাদের একটি চিঠি দিয়ে জানায় বাংলাদেশের দুইজন লোক ভারতে অনুপ্রবেশ করে গরু চুরিকালে স্থানীয় জনতা তাদের গণপিঠুনি দেয়। এতে এক জন বাংলাদেশী নিহত ও অপরজন আহত হয়। বিএসএফ নিহতের লাশ আনতে বলে। আমরা তাদের পরিচয় জানতে চাইলে বিএসএফ আমাদের দু’টি ঠিকানা দেয়। আমরা দুই্ দিন তন্ন তন্ন করে খোঁজে ঠিকানার কোন অস্থিত্ব পাওয়া যায়নি। তাদের দেয়া নাম, ঠিকানা সঠিক ছিল না।
এদিকে বুধবার জুড়ীর স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের অনুসন্ধানে ভারতীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতায় তাদের ছবি ও পরিচয় পাওয়া যায়। নিহত রনজিৎ পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়নের বাসিন্দা বলে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শ্রীকান্ত দাস নিশ্চিত করেন। এছাড়া আহত মলেন মুন্ডার পরিচয় নিশ্চিত করে কুচাই এলাকাবাসী জানান, সে উপজেলার পূূর্বজুড়ী ইউনিয়নের জামকান্দি এলাকায় বিয়ে করে সেখানে শ্বশুর বাড়ীতে বসবাস করতো। এ নিয়ে এলাকায় উদ্বেগ উৎকন্ঠা বিরাজ করছে।
বিশেষ প্রতিবেদন :: বিদেশে পাঠানোর নামে ৩৬ বাংলাদেশি নাগরিককে ভূমধ্যসাগরে ট্রলার ডুবিতে নিহত মামলার প্রধান আসামি রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৯।
সিলেটের বিশ্বনাথ থেকে সোমবার বিকালে তাকে গ্রেফতার করা হয়। র্যাব-৯ এর মুখপাত্র এএসপি ওবাইন গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের জানান, আসামি রফিকুল ইসলাম মানবপাচার সংক্রান্ত ৬ মামলার আসামি। আসামিকে র্যাবের হেফাজতে রয়েছে। ২০১৯ সালের ১১ মে ট্রলার ভূমধ্যসাগরে ট্রলার ডুবির ট্র্যাজেডিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন ৩৬ বাংলাদেশি।
জানা যায়, দেশের মানবপাচার চক্রের অন্যতম শীর্ষ আসামি রফিকুলের বিরুদ্ধে মামলা করায় বাদীকে অস্ত্র দিয়ে মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করেছিল মানবপাচারকারী চক্র। এ ব্যাপারে রফিকুলসহ তার ৫ সহযোগীর বিরুদ্ধে বিশ্বনাথ থানায় ২০১৯ সালের ২৮ নভেম্বর মামলা দায়ের করা মামলা নং ২১।
উপজেলার নওধার মাঝপাড়া গ্রামের ইলিয়াস আলীর পুত্র রেজাউল ইসলাম রাজু মামলাটি দায়ের করেছিলেন। এতে মামলার প্রধান আসামী উপজেলার কাঠালীপাড়া গ্রামের মৃত চমক আলীর পুত্র রফিকুল ইসলামকে প্রধান আসামি ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলার তেতলী চেরাগী গ্রামের সৈয়দ আলীর পুত্র শাহিন আহমদকে আসামি করা হয়।
এই মামলায় গ্রেফতার করা হয় মানবপাচার চক্রের মূল হোতা রফিকুলের সহযোগী রাজনগর গ্রামের মৃত আতর আলীর পুত্র আবদুল কাদির, রামপাশা গ্রামের মৃত আবদুল মানিকের পুত্র আলী হায়দার মহুরী, বিশ্বনাথ নতুন বাজার এলাকার বাসিন্দা আসু মিয়ার পুত্র আবুল কালামকে।
এদিকে ২০১৯ সালের ১৬ মে মানব পাচার প্রতিরোধ দমন আইনে আরেকটি মামলাও হয় রফিকুলের বিরুদ্ধে মামলা নং ৮। মানব পাচার ও ইউরোপ নেওয়ার শর্তে অনেককে আশাবাদী করে কোটি টাকার লোপাট হওয়ার ঘটনা নিত্য নতুন নয়। বিশেষত সিলেটের বিয়ানীবাজার, মৌলভীবাজার ও বড়লেখায় মানবপাচার ও বিদেশে পাঠানোর নামে একটি অপশক্তি সিন্ডিকেট কাজ করছে। প্রবাসী বন্ধু খ্যাত বড়লেখার মোসকে আম্বরের আহমেদ রিয়াজ এই অপশক্তির কর্ণধার। সম্প্রতি একটি মামলায় পলাতক আহমেদ রিয়াজকে সিলেট চীফ জুডিশিয়াল আদালত ২ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকার অর্থ দণ্ড প্রদান করেন। মামলা নং সি. আর ৯১০/১৬। এ চক্রের এমন অভিনয় ও আশাজাগানিয়া পন্থা অবলম্বন অনেক তরুণ-যুবাদের পরিবার পরিজনকে করেছে নিঃস্ব, বিপন্ন।
ছাইদুল মাহবুবঃ- অধ্যক্ষ মাওলানা হাফিজ লুৎফুর রহমান হুজুরের অকাল প্রয়াণের পর থেকেই পরগনাহী দৌলতপুর সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে মাদ্রাসা পরিচালনা করছেন সহকারী অধ্যাপক মাওলানা জনাব মিসবাহ উদ্দিন হুজুর।একটা সময় সহপাঠীদের আড্ডায় উঠে আসতো মিসবাহ জনাব প্রিন্সিপ্যাল হলে কেমন চলবে প্রতিষ্ঠান।কারণ হুজুর খুব নীতিবান,তাকওয়াবান,পরহেজগার মানুষ।
এমন কোনো শিক্ষার্থী নেই যে হুজুরের সাবজেক্ট এর পড়া ক্লাসেই শিখেনি।উপস্থাপন ভঙ্গি এমন সহজ সরল যে ক্লাসের পড়া ক্লাসে না শিখে উপায় নেই।শরয়ী অনেক মাসআলা আছে যা ভাই বোন এক সাথে বসে শিক্ষা নিতে লজ্জাবোধ করতো। কিন্তু হুজুরের ক্লাসে ভাই বোন একই সাথে বসেই ক্লাস করতে পারতো কোনো অসুবিধেই হতোনা।বুঝতেই পারছেন কতটা অসাধারণ হুজুরের উপস্থাপনা।
সিলেবাসের পড়ার বাহিরেও ছিলো হুজুরের কিছু স্পেশাল পরামর্শ। আদর্শ ছাত্র,আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য হুজুর লিফলেট বানিয়ে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিতরণ করতেন যেখানে উত্তম চরিত্র, মেধাবী ছাত্র হওয়া সংক্রান্ত কিছু উপদেশ লিখা থাকতো।
অত্যান্ত স্পষ্টবাদী এবং অমায়িক একজন শিক্ষকের হাত ধরে প্রিয় প্রতিষ্ঠান পরগনাহী দৌলতপুর সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা আরো উন্নতি লাভ করবে ইনশা আল্লাহ।হুজুরের জন্য হায়াতে তায়্যেবাহ কামনা করছি এবং সদ্য প্রয়াত দু’জন অধ্যক্ষের রুহের আত্মার মাগ ফেরাত কামনা করছি।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে বোয়ালী ইসলামী ছাত্র পরিষদ।
সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় বোয়ালী ইসলামী ছাত্র পরিষদের কার্যকারী কমিটির পক্ষ থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ২০২০ সালে অংশগ্রহণ করে কৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানানো হয়। উক্ত পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হতে পারেনি সেই সব শিক্ষার্থীদের আরো মনযোগ দিয়ে পড়াশোনা করার পরামর্শ দেওয়া হয় ।
এছাড়া শুভেচ্ছা বার্তায় বড়লেখা উপজেলার যে সকল শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে তাদের আগামীতেও এই সফলতার ধারা অব্যাহত রাখতে সংগঠনের পক্ষ থেকে আহবান জানানো হয়।
এম.এম আতিকুর রহমানঃ বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস বড়লেখা উপজেলা শাখার উদ্যোগে সংগঠনের সাবেক উপজেলা সেক্রেটারি খেলাফত মজলিস সৌদিআরবের মক্কা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক অসুস্থ মাওলানা কাওসার আহমদ সহ প্রবাসী বাংলাদেশি এবং মুসলিম উম্মাহ এ-র মুক্তি ও শান্তির জন্য কুরআন খতম করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ৩১ মে বিকেলে মজলিস কার্যালয়ে স্বাস্থ্য বিধি মেনে নিরাপদ দুরত্বে থেকে উপজেলা সভাপতি কামরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে ও আশরাফ আহমেদ পরিচালনায় সংক্ষিপ্ত দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিস মৌলভীবাজার জেলা সহ সভাপতি কাজী মাওলানা এনামুল হক, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল খালিক, ছাত্র মজলিসের সাবেক জেলা সভাপতি এম.এম আতিকুর রহমান ও খায়রুল ইসলাম, সদর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ফয়সল আলম স্বপন, সাবেক সভাপতি মাওলানা মনসুর আহমদ প্রমুখ। শেষে মাওলানা কাওসার আহমদ সহ অসুস্থ প্রবাসী বাংলাদেশি এবং মুসলিম উম্মাহ এ-র মুক্তি ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন কাজী মাওলানা এনামুল হক।
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে শনিবার দিবাগত রাতে করোনা ‘পজিটিভ’ শনাক্ত হওয়া বিয়ানীবাজারের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (৩১ মে) সকাল ১০ টার দিকে শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালের তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না-লিল্লাহ…রাজিউন)।
মৃত বৃদ্ধের নাম তমছির আলী (৭৫)। তাঁর বাড়ি ১০নং মুড়িয়া ইউনিয়নের পূর্ব মুড়িয়া তাজপুর (মাজরপট্রি) গ্রামে। তিনি ফিরোজ আলীর ছোট ভাই। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মৃত বৃদ্ধের নাতি মাছুম উদ্দিন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মৃত তমছির আলীর শরীরে গত কয়েকদিন থেকে করোনা রোগের উপসর্গ দেখা দেয়। তারপর তাঁকে প্রথমে বিয়ানীবাজার পৌরশহরের আলফা ক্লিনিক থেকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই তাঁর করোনার নমুনা নেওয়া হয়। রাত ১টার দিকে তাঁর করোনার রিপোর্ট ‘পজিটিভ’ আসে। তখন তাঁকে শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে্র আইসোলেশন সেন্টারে ওই বৃদ্ধকে নেয়া হয়। পরে রবিবার সকাল ১০টার দিকে শামসুদ্দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এদিকে নিহতের মরদেহ দাফনের জন্য বাড়িতে নিয়ে আসায় প্রক্রিয়া চলছে বলে পারিবারিকসূত্রে জানা গেছে।
বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে।তবে এই রোগ থেকে সুস্থ হয়ে ফিরছেন অনেকেই। সংযুক্ত আরব আমিরাতের উম্মুল-কোয়াইনে করোনা জয় করে সুস্থ হয়ে ফিরে আসা তেমনই একজন বড়লেখার আজিম আহমদ অফিস বাজার এলাকার।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১৮ দিন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে অবশেষে সুস্থ হয়ে আজ শনিবার (৩০ মে) বাসায় ফিরেছেন তিনি। গত ১৪ মে উম্মুল-কোয়াইন ফিল্ড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। করোনা পরীক্ষা নিরীক্ষায় নেগেটিভ রেজাল্ট পাওয়ার পর সম্পূর্ণ সুস্থ হলে তাকে ছাড়পত্র দেন চিকিৎসকরা ।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৫নং দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের অফিসবাজার এলাকার সন্তান সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী আজিম আহমদ বর্তমানে করোনা মুক্ত হয়ে বাসায় অবস্থান করছেন।
প্রবাসী আজিম আহমদ করোনাক্রান্তকালীন দিনগুলির করুণ মূহুর্তগুলো বর্ণনা করেছেন মুটোফোনেপ্রতিবেদকের কাছে। নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি বলেন-‘প্রবাস জীবন হচ্ছে এমন একটি জীবন যে জীবনটি পাড়ি দিতে হয় পরিবারের কোন সদস্য ছাড়া সম্পূর্ণ একাকীভাবে। সে রকম একটি জীবনে সাধারণ জ্বরই হয়ে ওঠে অনেক বড় দুশ্চিন্তার কারণ। আর এরকম একটা প্রাণঘাতী অসুখ হলে তো কথাই নেই নিজের মনোবল ধরে রাখা কঠিন। তাই করোনা পজিটিভ রিপোর্ট জেনে আমি খুব ঘাবড়ে গিয়েছিলাম। বার বার দেশে থাকা বন্ধু বান্ধব পরিবার এবং আত্মীয় স্বজন ও পাড়া প্রতিবেশীর কথা মনে পড়ছিল। মনে মনে ভাবতাম মরে গেলে আমার লাশটাও দেশে পৌঁছাবে না। তবে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি আমি আমার ফেইসবুকে শেয়ার করি । আর এতে দেশে বিদেশে থাকা অসংখ্য মানুষ আমাকে ফোন করে মনে সাহস যোগান। সবার সাপোর্ট পেয়ে ও সাহসিকতায় আমার মনোবল বেড়ে যায়। সর্বোপরি এখানকার ডাক্তারদের আন্তরিক সেবা, সকলের দোয়া আর আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি সুস্থ হয়েছি। ’
আজিম আহমদ বলেন, ‘প্রথম দিকে সারা শরীরে ব্যথা এবং জ্বর অনুভূত হতে থাকে, একটানা বেশ কয়েক দিন এ উপসর্গ থাকার পর ধীরে ধীরে গলাব্যথা শুরু হয়। শুরুতে স্থানীয় হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে কোভিড-১৯ এর টেস্ট করেন এবং করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পজিটিভ ধরা পড়ে’।
তবে তার শরীরে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ খুব একটা মারাত্মক পর্যায়ের না হলেও তার ডায়বেটিস থাকায় তাকে সরাসরি হাসপাতালে ভর্তির জন্য পরামর্শ প্রদান করা হয় বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, গত ১৪ মে আমাকে অমলকোয়াইন হসপিটালে ভর্তি করা হয়। ততদিনে আমার শরীরে অবস্থা খুবই নাজুক হয়ে পড়ে। প্রচণ্ড জ্বর আসত। খুব বেশী শ্বাস কষ্ট ছিল না তবে গলায় মনে হত ভারী কিছু আটকে আছে। কথা বলতে গেলে হাঁপিয়ে উঠতাম। হাটতে গেলে দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে মনে হত। এভাবে হাসপাতালে প্রথম ১ টা সপ্তাহ আমার কঠিন মুহূর্ত ছিল। তবে ডাক্তাররা অত্যন্ত যত্ন সহকারে সেবা দিয়েছেন। এক সপ্তাহ পর আমার খানিকটা উন্নতি হতে থাকে।
এসময় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধের পাশাপাশি দিনে ৩-৪ বার চা এবং নিয়মিত গরম পানি খেয়েছি। এছাড়া পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে বিন্দুমাত্র ছাড় দেইনি। আর মানসিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য আমি নিজেকে ব্যস্ত রেখেছি বিভিন্নভাবে। তারপর আমি ধীরে ধীর সুস্থতা লাভ করি।’
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং ঘরে থাকার অনুরোধ জানিয়ে করোনা জয়ী আজিম আহমদ বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য মানসিক দৃঢ়তার কোন বিকল্প নেই। ’
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর আওয়ামীলীগ নেতা আজাদুর রহমান আজাদের অবস্থা ভালো নেই। গত রাতে পাতলা পায়খানা হওয়ায় শরীরের অবনতি ঘটেছে। দিতে হচ্ছে বেশি মাত্রায় অক্সিজেন।
আজ শুক্রবার (২৯ মে) সকালে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. সুশান্ত কুমার মহাপাত্র এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ‘কাউন্সিলর আজাদের অবস্থা ভালো না। সবসময় তার অক্সিজেন চলছে। একটু বেশিই অক্সিজেন লাগছে।’ তিনি বলেন, ‘কাউন্সিলর আজাদ ঝুঁকিতে আছেন। গতকাল রাতে তার পাতলা পায়খানাও হয়েছে। শ্বাসকষ্ট আছে, তিনি শারীরিকভাবেও দুর্বল।’ প্রসঙ্গত, গত ২৪ মে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়।
জামিল আহমদ, স্টাফ রিপোর্টারঃ- বর্ণি ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতির চাচার দোকান থেকে সরকারি ৩২ বস্তা চাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সুমন চন্দ্র দাসের চাচা প্রদীপ চন্দ্র দাস (৪৭) কে আটক করেছে পুলিশ।গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪ টায় বড়লেখা উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নের ফকির বাজারে এই চাল উদ্ধারের ঘটনাটি ঘটে। ছাত্রলীগ সভাপতি সুমনের পিতা ও আটক প্রদীপ চন্দ্র দাসের ভাই সুবোধ চন্দ্র দাস বর্ণি ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ড মেম্বার।
কুলাউড়া-বড়লেখা-জুড়ি সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাদেক কাওসার দস্তগির চাল উদ্ধার ও আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গোপন সূত্রে বড়লেখা ফুড ইন্সপেক্টরের কাছে খবর আসে। তিনি আমাদের জানালে তাৎক্ষনিক উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ওসি ঘটনাস্থলে গিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩২ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার করা হয়। এসময় প্রদীপ চন্দ্র দাসকে আটক করা হয়।
এদিকে বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরান চাল উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সরকারি গুদামের ৩২ বস্তা চাল উদ্ধার করেছি। এগুলো ভিজিডি ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল। ঐই ব্যবসায়ী বলেছেন, এগুলো উপকারভোগীদের কাছ থেকে কিনেছেন। কিন্তু এটা কেনাও অন্যায়। এইগুলো কেউ বিক্রি করতে পারেন না। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হবে। তিনি আরো বলেন করোনাকালীন সময়েও এই রকমের চাল চুরি যাহা নিতান্তই দুঃখজনক।
জাকির আহমদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ হাকালুকি হাওরের দখল বাণিজ্যের সংবাদ প্রকাশের জেরে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘মৌলভীবাজার প্রতিদিন’র বড়লেখা উপজেলা প্রতিনিধি ও বড়লেখা প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক জামিল আহমদের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রাতে উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আহত সাংবাদিক জামিল একই ইউনিয়নের পাকশাইল গ্রামের মোঃছফির উদ্দিনের ছেলে। সে মৌলভীবাজার প্রতিদিন ছাড়াও মৌলভীবাজার সমাচার নামক পত্রিকাতেও বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে।
জানা যায়,গত ১৩ মার্চ হাকালুকি হাওরে সংখ্যালঘু ও নিরীহ লোকদের জমি দখল নিয়ে মৌলভীবাজার প্রতিদিনে ‘হাকালুকি হাওরে ক্ষনতাসীনদের দখল বাণিজ্য’ শিরোনামে অনুসন্ধানী একটি প্রতিবেদন লিখেছিলেন জামিল। এ সংবাদ প্রকাশের পর পরই সরকারী দলের নেতাকর্মীরা মোবাইল ফোনে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। তিনি হুমকির প্রতিকারে ১৩ মার্চ সন্ধায় বড়লেখা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) দায়ের করেন। বড়লেখা থানায় সাংবাদিক জামিলের দায়ের করা সে জিডি’র নাম্বার ২৯১। জিডি দায়েরের ২ দিন না পেরুতেই তার উপর ন্যাক্ষারজনক হামলা ঘটনা ঘটলো।
জানা যায়,১৫ মার্চ রাত ১০ টার দিকে সাংবাদিক জামিল আহমদ স্থানীয় ফকির বাজার থেকে তার গ্রামের বাড়ি পাকশাইল ফিরছিলেন। এসময় পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা কয়েকজন মুখোশধারী সন্ত্রাসী জামিলের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তার চিৎকার শুনে পথচারী ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় সাংবাদিক জামিলকে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
এদিকে প্রেসক্লাবের তরুণ সদস্য,সাংবাদিক জামিল আহমদের উপর ন্যাক্ষারজনক হামলার নিন্দা জানিয়েছে বড়লেখা উপজেলা প্রেসক্লাব। প্রেসক্লাবের সভাপতি অসিত রঞ্জন দাস এবং সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র দাস হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন,’সত্য ও বস্তুনিষ্ট সংবাদ লিখে সমাজকে আলোকিত করাই সাংবাদিকদের কাজ। অন্যায়-অপকর্ম তুলে ধরার কারণে সাংবাদিক জামিল আহমদকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তার উপর হামলাকারীদেরকে গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখী করতে হবে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের গ্রেফতার করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান এই দুই সাংবাদিক নেতা।
জাকির আহমদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ হাকালুকি হাওরের দখল বাণিজ্যের সংবাদ প্রকাশের জেরে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘মৌলভীবাজার প্রতিদিন’র বড়লেখা উপজেলা প্রতিনিধি ও বড়লেখা প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক জামিল আহমদের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রাতে উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আহত সাংবাদিক জামিল একই ইউনিয়নের পাকশাইল গ্রামের মোঃছফির উদ্দিনের ছেলে। সে মৌলভীবাজার প্রতিদিন ছাড়াও মৌলভীবাজার সমাচার নামক পত্রিকাতেও বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে।
জানা যায়,গত ১৩ মার্চ হাকালুকি হাওরে সংখ্যালঘু ও নিরীহ লোকদের জমি দখল নিয়ে মৌলভীবাজার প্রতিদিনে ‘হাকালুকি হাওরে ক্ষনতাসীনদের দখল বাণিজ্য’ শিরোনামে অনুসন্ধানী একটি প্রতিবেদন লিখেছিলেন জামিল। এ সংবাদ প্রকাশের পর পরই সরকারী দলের নেতাকর্মীরা মোবাইল ফোনে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। তিনি হুমকির প্রতিকারে ১৩ মার্চ সন্ধায় বড়লেখা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) দায়ের করেন। বড়লেখা থানায় সাংবাদিক জামিলের দায়ের করা সে জিডি’র নাম্বার ২৯১। জিডি দায়েরের ২ দিন না পেরুতেই তার উপর ন্যাক্ষারজনক হামলা ঘটনা ঘটলো।
জানা যায়,১৫ মার্চ রাত ১০ টার দিকে সাংবাদিক জামিল আহমদ স্থানীয় ফকির বাজার থেকে তার গ্রামের বাড়ি পাকশাইল ফিরছিলেন। এসময় পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা কয়েকজন মুখোশধারী সন্ত্রাসী জামিলের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তার চিৎকার শুনে পথচারী ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় সাংবাদিক জামিলকে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
এদিকে প্রেসক্লাবের তরুণ সদস্য,সাংবাদিক জামিল আহমদের উপর ন্যাক্ষারজনক হামলার নিন্দা জানিয়েছে বড়লেখা উপজেলা প্রেসক্লাব। প্রেসক্লাবের সভাপতি অসিত রঞ্জন দাস এবং সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র দাস হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন,’সত্য ও বস্তুনিষ্ট সংবাদ লিখে সমাজকে আলোকিত করাই সাংবাদিকদের কাজ। অন্যায়-অপকর্ম তুলে ধরার কারণে সাংবাদিক জামিল আহমদকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তার উপর হামলাকারীদেরকে গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখী করতে হবে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের গ্রেফতার করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান এই দুই সাংবাদিক নেতা।