উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নবাসীকে ছাত্রনেতা জাকেরের ঈদের শুভেচ্ছা

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ইউনিয়নবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক ছাত্রনেতা মতিউর রহমান জাকের।

দীর্ঘ এক মাস কঠোর সিয়াম সাধনার পর সকল মুসলমানদের জীবনে অনাবিল শান্তি ও আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর।
ঈদ-উল-ফিতরের পবিত্র দিনে সকলের গৃহে প্রবাহিত হয় শান্তির অমীয় ধারা।

সকল হিংসা, বিদ্বেষ ও হানাহানি থেকে মুক্ত হয়ে ঐক্যবদ্ধ ও ভালবাসাপূর্ণ সমাজ এবং জাতি গঠনের জন্য একযোগে কাজ করার অাহ্বান জানান তিনি। এবং সকলের অব্যাহত সুখ,শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

পাশাপাশি সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক ঈদের আনন্দ উপভোগ করার আহ্বান জানান।

সিলেটবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন মোহাম্মদ নাঈম


নিজস্ব প্রতিবেদকঃসিলেট বিভাগ সহ দেশ-বিদেশের সর্বস্তরের মানুষকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন সপ্নের ঢেউ সমাজ কল্যাণ সংস্থা সিলেট জেলা শাখার অর্থ সম্পাদক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ক্লাব সিলেট মহানগর শাখার আহবায়ক মোহাম্মদ নাঈম।

গনমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় তিনি এ শুভেচ্ছা বার্তা জানান।তিনি বলেন এ কঠিন পরিস্থিতিতে আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর এর আনন্দ তেমন ভাবে উপভোগ করতে পারবে না দেশ-বিদেশে অবস্থানরতরা। করোনাভাইরাসের কারনে আমাদের মাঝে মহাবিপর্যয় হিসেবে এসেছে আমরা জানি।

কোভিড-১৯ এর মহামারিতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ২১০টি দেশের কয়েক লাখ মানুষ মৃত্যুবরণ করেছেন। পরিস্থিতি যাইহোক জীবনযাত্রা ও সময়তো আর থেমে থাকে না, আমাদের সবাইকে পবিত্র রমজান মাসে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে সবার কল‍্যাণে দোয়া চাইতে হবে। আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে ক্ষমা করে হেফাজত করেন। সেই সাথে সর্বস্তর মানুষ কে আমার ভালোবাসা সম্মান, বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে দেশ-বিদেশের সবাই কে ঈদের অগ্রিম শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি, ঈদ মোবারক।

মোহাম্মদ নাঈম বলেন, বর্তমান করোনা পরিস্থিতি কেমন আমরা সবাই অবগত আছি, আসুন সবাই শারীরিক, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলি। সেই সাথে আবার সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করছি, আবারও সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা”

উত্তর পকুয়া যুব সমাজের ঈদ সামগ্রী বিতরণ


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

“দূঃখ দুরে যাক’সুখে জীবন ভয়ে আসুক
এই প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেছে, মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার নিজ বাহদুর পুর ইউনিয়নের৩ নং ওয়ার্ডের সামাজিক সংঘটন উত্তর পকুয়া যুবসমাজের ব্যাবস্থাপনায়,শুক্রবার (২২মে)বিকাল ৩ঘটিকার সময যুবসমাজের সহঃসভাপতি সাংবাদিক ছাদেক আহমদের বাড়ীতে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে ঈদুল ফিতরের প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এ সময় ৮০টি পরিবারে মাঝে ঈদ সামগ্রী প্রয়োজনীয় উপকরণ- তেল, ময়দা, সেমাই, চিনি ইত্যাদি বিতরণ করা হয়।

বিতরণ কালে উত্তর পকুয়া যুবসমাজের সহ সভাপতি বলেন, সকল সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে,নিতে ও ঈদের খুশি সবার মাঝে ভাগ করতে পারাই এ আয়োজন এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতে আমরা আরও বড় পরিসরে মানুষের সেবায় কাজ করে যেতে চাই।
ঈদ উল ফিতরে সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের সাহায্যে এগিয়ে আসা উচিত আমাদের সকলের।
বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন উত্তর পকুয়া যুবসমাজের সকল সদস্যবৃন্দ।

বড়লেখা পৌর ইউনিট সেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমেইফতার বিতরণ


মোঃইবাদুর রহমান জাকির- বিশেষ প্রতিনিধিঃ

টিপ টিপ বৃষ্টি তার মাঝেও থেমে নেই সেচ্ছাসেবীর দল একঝাঁক তরুণ মেধাবী যুবকদের নিঃস্বার্থে মানবতার কাজ,মৌলভীবাজারের বড়লেখার সর্বপ্রথম রক্তদানকারীও সেচ্ছাসেবী সংগঠন মানব কল্যান ফাউন্ডেশন দক্ষিণ গ্রামতলা ইউনিটের সেচ্ছাসেবীদের আয়োজনে ইফতার বিতরন করা হয়।

মহামারী করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবে সরকার অঘোষিত লকডাউনে পিছিয়ে পড়া দক্ষিণ গ্রামতলা পৌর ২নংওয়ার্ড ও আদিত্যের মহল ৩নং ইউনিয়নসহ পৌরসভার বেশ কয়েকটি সুবিধাবঞ্চিত অসহায় পরিবারের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ইফতার বিতরণ করা হয়।উল্লেখ্য বড়লেখা হিফজুল কোরআন একাডেমির এতিমখানায় ছাত্রদের সাথে নিয়ে (২১মে) ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের স্থায়ীপরিষদের মহাসচিব কামাল হোসেন,সহঃসাংগঠনিক সম্পাদক, মাহমুদ হাসান জুয়েল, সদস্য রাসেল আহমদ, শামিম আহমদ,সুমন আহমদ,নজমুল আহমদ,পাবেল আহমদ,ইমন আহমদ,প্রমুখ

বড়লেখায় কর্মহীন মানুষের মাঝে পাবলিকেশন সোসাইটির ঈদ উপহার প্রদান

এম.এম আতিকুর রহমান,বড়লেখাঃ চলমান প্রেক্ষাপটে মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে নিম্নবিত্ত দিনমজুর মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ে। বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটির উদ্যোগে ও প্রবাসী দাতা সদস্য এবং শুভাকাঙ্ক্ষীবৃন্দের অর্থায়ণে তাদের জন্য ঈদ উপহার বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

বড়লেখা উপজেলা’র বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার পৌঁছে দেন পাবলিকেশন সোসাইটির দায়িত্বশীলবৃন্দ।

আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) বড়লেখা পৌর শহরস্থ ফ্যামিলি বাজারের উপরে (১ কেজি ময়দা, ১ কেজি চিনি, ১ পেকেট সেমাই, ৫০০ গ্রাম তৈল) মিলে ঈদ উপহার সামগ্রী’র পেকেটিং এর কাজ শেষ করে প্রতিটি এলাকা ও গ্রামে গ্রাম পৌঁছে দিতে নিয়ে যান পাবলিকেশন সোসাইটির দায়িত্বশীল ও সদস্যবৃন্দ।

ঈদ উপহার বন্টন কালে উপস্তিত ছিলেন বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটির সহ সভাপতি আব্দুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক রুবেল হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক তোফায়েল আহমেদ তুহেল,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, আব্দুস সামাদ, অর্থ সম্পাদক মিজানুর রহমান, প্রচার সম্পাদক, আব্দুল হালিম প্রমুখ।

বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মাহতাব আল মামুন জানান, করোনাকালীন দূর্যোগের শুরু থেকেই আমরা গোপনে এবং প্রকাশ্যে অভাবী দিনমজুর কর্মহীন হয়েপড়া মানুষদের মধ্যে উপহার স্বরুপ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করি, প্রথম ধাপে আমরা উপহার স্বরুপ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছি। দ্বিতীয় ধাপে রমজান সামগ্রী ও তৃতীয় ধাপে এবার ঈদ উপহার প্রদান করেছি। মানুষের কল্যাণে আমাদের এধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।

বড়লেখায় পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে কিশোর খুন


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখায় সিগারেটসহ বাকিতে মাল বিক্রির ৮৫ টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে এক যুবকের ছুরিকাঘাতে এসএসসি পরীক্ষার ফলপ্রার্থী জাকারিয়া হোসেন (১৮) নির্মমভাবে খুন হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত ৮টায় উপজেলার দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউপির আরেঙ্গাবাদ গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

ছুরিকাঘাতের পরই ঘাতক যুবক আজিম উদ্দিন (৩৫) পালিয়ে গেছে। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

এলাকাবাসী ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউপির আরেঙ্গাবাদ গ্রামের সালাহ উদ্দিন বাড়ির পাশে টং দোকানে পান, সিগারেট ও কাঁচামালের ব্যবসা করেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তার ছেলে এসএসসি পরীক্ষার ফলপ্রার্থী জাকারিয়া হোসেন (১৮) দোকানদারী করছিল। প্রতিবেশী তোতা মিয়া বাড়ি থেকে টাকা এনে দিচ্ছেন বলে ডার্রবি সিগারেটসহ ৮৫ টাকার মালামাল ক্রয় করেন। বিকেল পর্যন্ত অপেক্ষা করেও তোতা মিয়া পাওনা টাকা পরিশোধ করেননি। রাত ৮টার দিকে জাকারিয়া হোসেন দোকানের পাওনা টাকা চাইতে তোতা মিয়ার বাড়িতে যায়। তিনি টাকা নেই বলে তাকে বিদায় করার চেষ্টা করেন। কিন্ত জাকারিয়া হোসেন টাকা না দিলে তার বাবা তাকে বকাঝকা করবেন জানিয়ে বারবার অনুনয় বিনয় করে। এ সময় তোতা মিয়ার ছেলে প্রবাস ফেরত আজিম উদ্দিন (৩৫) তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে সে জাকারিয়া হোসেনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে জুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পরই ঘাতক আজিম উদ্দিন গা ঢাকা দিয়েছে।

বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইয়াছিনুল হক বৃহস্পতিবার রাতে বলেন, পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করছে। অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তারের জন্য থানা পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

বড়লেখায় ইসলামী ছাত্র মজলিসের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের ব্যবস্থাপনায় করোনায় গৃহবন্দী মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মনসুরুল আলম মনসুর।

আজ ২১ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, বাদ আসর, উপহার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন, সংগঠনের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ খসরুল আলম, সাবেক বড়লেখা উপজেলা সভাপতি মাওলানা মনসুর আহমদ, মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান, বড়লেখা পৌর সভাপতি আবদুল্লাহ আল নোমান, বড়লেখা ডিগ্রি কলেজ সেক্রেটারি শিপার আহমদ প্রমুখ।

অর্জুনপুর সমাজ কল্যাণ সংস্থার ঈদ সামগ্রী বিতরণ


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধি, মৌলভীবাজারেে বড়লেখা উপজেলার ৪নং উত্তর শাহবাজপুরে অর্জুনপুর সমাজ কল্যাণ সংস্থার আয়োজনে তৃতীয় বারের মতন অসহায় ও নিন্মবিত্তের মধ্যে ইউনিয়ন ব্যাপি ৪০০ শত পরিবারকে ঈদ উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়, যেসব খাদ্য দেওয়া হয় তা..(চাল১০ কেজি,পিয়াজ২ কেজি,আলু২ কেজি,মশুর ডাল১ কেজি,ময়দা১ কেজি,চিনি১ কেজি, সয়াবিন ১ লিটার) বৃহঃবার(২১মে) বিকাল ৩ঘটিকার সময়,
আজকের এই কার্যক্রম উদ্বোধনের সময় উপস্থিতি ছিলেন সংস্থার উপদেষ্টা আব্দুল হক (মহরীর),মাসুক আহমদ,ফয়ছল আলম, বদরুল ইসলাম, কার্যকারি কমিটির সভাপতি -ইকবাল হোসেন,সিনিয়র সহ সভাপতি-ডাঃজাকির হোসেন রনি,সাধারণ সম্পাদক-মইনুল ইসলাম,সাংগঠনিক সম্পাদক -হায়দার কামাল মাছুম,যুগ্ম সম্পাদক-আমিনুল ইসলাম পারভেজ,সহ সাধারণ সম্পাদক-জুনেদ আহমদ,অর্থ সম্পাদক-আবু জাফর রাফসান,সহ অর্থ সম্পাদক-তারেক আহমদ,প্রচার সাম্পাদক-মারজান আহমদ,
সহ প্রচার সাম্পাদক-সাদিকুর রহমান,নাহিদ আহমদ, সাজেদুল ইসলাম,শাহিন আহমদ,সালমান আহমদ,সহ
সমাজ কল্যাণ সংস্থার সদস্য বৃন্দ।

বড়লেখার দেউল বড়বাড়ির পক্ষে ঈদ সামগ্রীয় বিতরণ


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধি

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৫নং দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের ছয়শত পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেছে দেউল বড়বাড়ি। মঙ্গলবার ও বুধবার (১৯ মে ও ২০ মে) ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

ঈদ সামগ্রীর মধ্যে ছিল তেল দুই লিটার,ময়দা দুই কেজি,সেমাই পেকেট,চিনি ২ কেজি।

ঈদ সামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল হামিদ,ব্যাংক কর্মকতা ও ফুটবলার আব্দুল কুদ্দুস,বার্দাস বিক্স ফিল্ডের সত্বাধীকারী মাওলানা মাহমুদুর রহমান,ব্যবসায়ী আবুল কালাম,আব্দুল জলিল, মঈন উদ্দিন, আব্দুল্লাহ আল মামুন,ব্যবসায়ী কামাল উদ্দিন,আব্দুল কাদির,মাসুক উদ্দিন,আজির উদ্দিন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এম তোফায়েল আল মামুন,এবাদুর রহমান,ছাদিকুর রহমান(১),নাঈম ইসলাম,ছাদিকুর রহমান(২),ফয়ছর আহমদ,আবু সাঈদ,আব্দুস সামাদ,খালেদ আহমদ,খাইরুল ইসলাম, এস এম আশরাফ সিদ্দিকী প্রমুখ।

বড়লেখায় ২০টি মামলায় ৩১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায়

সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে অকারণে ঘোরাঘুরি, স্বাস্থ্য বিধি না মানাসহ বিভিন্ন অপরাধের দায়ে মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ২০টি মামলায় ৩১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার (২০ মে) বড়লেখা পৌর শহরের হাজিগঞ্জ বাজারে অভিযান চালিয়ে এসব জরিমানা আদায় করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী হাকিম মো.শামীম আল ইমরান। বড়লেখা থানার ওসি মো. ইয়ছিনুল হক ও পুলিশ সদস্যরাও অভিযানে অংশ নেন। বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী মো. শামীম আল ইমরান জানান, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এ অভিযান অব্যাহত থাকবে ।

বর্ণি প্রবাসী জনকল্যাণ পরিষদের নগদ অর্থ বিতরণ


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

এই মহামারির মধ্যে আমি কেবল আমার চিন্তা করলে হবেনাতো ভাই,পাড়া প্রতিবেশী ইমাম মুয়াজ্জিন সাহেবদেরও খবর নিতে হবে তাই”এই শ্লোগাণ কে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার হাকালুকি হাওরঘেরা
১নং বর্ণি ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের।বর্ণি প্রবাসী জনকল্যাণ পরিষদ এর পক্ষ থেকে প্রাথমিক ধাপে৬ টি মসজিদের ইমাম মুয়াজ্জিন ও গ্রামের নিম্ন মধ্যবিত্তদের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।এসময় সংস্থার দায়িত্বশীলরা খামে করে ইমাম মুয়াজ্জিন,ও নিম্ন মধ্যবিত্তদের জন্য ঈদ উপহার স্বরূপ নগদ অর্থ পৌছিয়ে দেন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রবাসী জনকল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দ৷

পাকশাইলে,মানবতার ঘরের উদ্দোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ।

নিজস্ব সংবাদঃ আমার প্রতিবেশিদের সাথে আছে হয়তোবা রক্তের বন্ধন।
আমার পাশের গ্রামের ভাইটিওতো আমারই আপনজন।

পাকশাইল গ্রেট ভিশন এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান মানবতার ঘরের ২৯ তম দিনের কার্যক্রম সম্পন্ন। মানবতার ঘর থেকে ১৫ টি পরিবারকে ৯ম তম সেবা দেয়া হয়েছে এবং পার্শবর্তী গ্রাম পূর্ব মনারাই,রংপুর ও মনাদিতে ৫৫ টি পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।উক্ত বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রেট ভিশনের শুভাকাংখী বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী জনাব ফয়ছল আহমদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রেট ভিশনের উপদেষ্টা জনাব আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ সুমন,সংস্থার সভাপতি এইচ এম ফয়সল,সিনিয়র সহ সভাপতি জাহাংগির আলম,সেক্রেটারি শাহিদুর রহমান জুনেদ,সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক সাহিদুল হক, সাধারণ সম্পাদক ইমন আহমদ,সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম,অর্থ সম্পাদক নাহিদ আহমদ,ক্রিড়া সম্পাদক কবির আহমদ,সহ ক্রিড়া সম্পাদক কামরুল আহমদ,সহ-ক্রীড়া সম্পাদক মাহবুব আলম, ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক সাইফুল হোসন,শিক্ষা সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাহীর,সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইমরান আহমদ, সংস্থার সদস্য আব্দুল মালিক, আলী হোসেন, নাহিদ প্রমূখ।

আমরা আমাদের এ পথচলা অব্যাহত রাখতে বদ্ধপরিকর, আপনি থাকুন আমাদের পাশে।সে হোক অর্থ দিয়ে, মেধা দিয়ে কিংবা একটুখানি উৎসাহ দিয়ে। সকলের সহযোগীতা কে মহান আল্লাহ্‌ পাক কবুল করে এর উত্তম প্রতিদান দান করুন।

বড়লেখায় শ্রমিকদের মধ্যে (বিএনপি)র ত্রাণ বিতরণ


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজার ১ নির্বাচনী এলাকায় বিগত সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্জ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর করোনায় অভাবগ্রস্থ১০ হাজার পরিবারে খাদ্য সহায়তা প্রতি ইউনিয়নে বিতরণের অংশ হিসেবে মাহে রামাজানের শেষের দিকে, বুধবার(২০মে) বড়লেখায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল বড়লেখা উপজেলা শাখার তত্বাবধানে ২০০ পরিবারে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।

বড়লেখা পৌর শহরে সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে দুপুর ২ ঘঠিকায় এ কর্মসুচির উদ্বোধন করেন বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাফিজ।এসময় উপস্হিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মুজিবুর রহমান খছরু,সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান,উপজেলা শ্রমিকদল সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম ,শ্রমিক নেতা আব্দুল আহাদ,সলিম আহমদ,আলী হুসেন, বাবুল আহমদ,সীপার আহমদ ও ফয়সল আহমদ সহ বিপুল সংখ্যক নেতা কর্মী।

উল্লেখ্য উপজেলা বি,এন,পি সভাপতি আব্দুল হাফিজ উদ্বোধকের বক্তব্যে তিনি বলেন জাতীয়তাবাদী পরিবার দেশের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে সর্বদা, সে সাথে বিএনপি’র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রবাস থেকেও দেশের এই ক্লান্তিলগ্নে শ্রমজীবী মানুষের কথা ভেবে, মৌলভী বাজার জেলা বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্জ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর অর্থায়নে শ্রমজীবী মানুষের জন্য আজকের এই ত্রাণ বিতরণ, আল্লাহ এই ত্রাণ গুলো কবুল করেন,আসুন আমরা নিজে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখি অন্যকে দুরত্ব বজায় রাখতে উৎসাহিত করি আর সবাই মহাবিপদ থেকে বাচার জন্য আল্লাহর সাহায্য চাই।

বিশ্বনাথে যুক্তরাজ্য প্রবাসী আবুল কালামের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

মোঃমোছন আলী বিশেষ প্রতিনিধি :: বিশ্বব্যাপি মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে-গৃহবন্দি হতদরিদ্র পরিবারে আজ চরম বিপর্যয়! এহেন পরিস্থিতি মোকাবেলায় সিলেটের বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়নের জানাইয়া গ্রামের
যুক্তরাজ্যের ওল্ডহাম বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম শাহ এর উদ্যোগে এবং করম আলী শাহ (রাঃ) ফাউন্ডেশন ও পরিবারের পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

বিতরণকৃত খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে ছিল তেল, ময়দা, আলু, আটা, লাচ্ছি ও নারিকেল।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন শাহ ফজর আলী, শাহ আমির উদ্দিন, আক্তার হোসেন রানা,শাহ লিলু মিয়া, শাহ ফয়সল আহমদ, শাহ সায়েদ আহমদ, ওয়াসিম আহমদ, শাহ নিজাম উদ্দিন, আজিজুল ইসলাম, রুকেল মিয়া, ফরিদ উদ্দিন, শাহ ফাহিম, শাহ ছালাম, শাহ সামি ও শাহ লায়েক আহমদ প্রমুখ।

বড়লেখায় নারীঘটিত বিষয়কে কেন্দ্র করেই গলাকেটে হত্যা, জড়িত ৫ জন গ্রেফতার

দৈনিক বড়লেখা ঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখার তরুণ মৎস্য খামার মালিক সমছ উদ্দিন (৩৪) হত্যার ২ দিনের মধ্যে পুলিশ হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ হত্যাকান্ডে জড়িত ৫ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে। উদ্ধার করেছে হত্যায় ব্যবহৃত ৩টি ধারালো দা। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত হয় নারীঘটিত বিষয়কে কেন্দ্র করেই ব্যবসায়ী সমছ উদ্দিনকে খুন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে গ্রেফতারকৃত আসামীদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে- রহমানীয়া চা বাগানের বাসিন্দা শচিন নায়েক জগাই (৩৫), মোহাম্মদনগর গ্রামের হাফিজুর রহমান (২৮), হেলাল উদ্দিন হেলাই (৩৫), মোক্তার আলী (৪৫) ও জসিম উদ্দিন (৪২)।

উপজেলার মোহাম্মদনগর এলাকায় আব্দুর রাজ্জাক এর পরিত্যক্ত ঘর থেকে সোমবার (১৮ মে) রাতে সমছ উদ্দিনের জবাই করা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের মধ্যগ্রামতলা গ্রামের আমির উদ্দিনের ছেলে।

এলাকাবাসী ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সমছ উদ্দিন নিখোঁজের পর তার বাবা আমির উদ্দিন থানায় জিডি করেন। এ জিডির ভিত্তিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাদেক কাউসার দস্তগীরের দিক নির্দেশনায় বড়লেখা থানার ওসি মো. ইয়াছিনুল হকের নেতৃত্বে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে নিখোঁজের পরদিন রাতে একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে সমছ উদ্দিনের জবাই করা লাশ উদ্ধার করে। এরপর তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ রহমানীয়া চা বাগানের মৃত সত্য নায়েকের ছেলে শচিন নায়েক ও মোহাম্মদনগর গ্রামের আজির উদ্দিনের ছেলে হাফিজুর রহমানকে আটক করে। তাদের দেয়া তথ্যে পুলিশ মৃত জহুর আলীর ছেলে হেলাল উদ্দিন হেলাইকেও আটক করে। হত্যাকান্ডের ব্যাপারে সে পুলিশকে গুরুত্বপুর্ণ তথ্য প্রদান করে। পরে তার দেয়া তথ্যে পুলিশ মোক্তার আলী ও জসীম উদ্দিনকে আটক এবং হত্যকান্ডে ব্যবহৃত ৩টি দা উদ্ধার করে।

থানার ওসি মো. ইয়াছিনুল হক সাংবাদিকদের জানান, নিখোঁজের পিতার জিডির ভিত্তিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাদেক কাউসার দস্তগীর স্যারের দিক নির্দেশায় এক পর্যায়ে সমছ উদ্দিনের জবাই করা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকান্ডে সম্পৃক্ত ৫ জনকেই একে একে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে পুলিশকে জানিয়েছে নারীঘটিত বিষয়কে কেন্দ্র করেই তারা সমছ উদ্দিনকে খুন করেছে। মঙ্গলবার তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এ ব্যাপারে নিহতের পিতা বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। থানা অফিসার ইনচার্জ এ-র চৌকস ভুমিকায় দ্রুত আসামি গ্রেফতার করতে পারায় এলাকায় অনেকটা স্বস্তি বিরাজ করছে।

ছিকামহল ইসলামী যুব সমাজ এর উদ্যোগে ২য় দফায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ।

দৈনিক বড়লেখাঃ বড়লেখা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ছিকামহল ইসলামী যুব সমাজ এর উদ্যোগে ২য় দফায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

মংগলবার (১৯ মে২০) তারাবী নামাজ শেষে ছিকামহল পূর্ব জামে-মসজিদে সংগঠন এর দায়িত্বশীলদের উপস্থিতিতে সাময়িক অসুবিধাগ্রস্ত অর্ধশতাধিক পরিবার এর মাঝে
মাছ, মাংস, আলু পিয়াজ সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রি সফলভাবে বিতরণ সমাপ্ত হয়েছে ।


সংগঠনের সভাপতি ও সেক্রেটারি বলেন দেশ এবং দেশের বাহিরের সেই সকল ভাইদের ধন্যবাদ জানাই। যাদের সহযোগিতায় আমরা সাময়িক অসুবিধাগ্রস্ত মানুষ এর পাশে এসে দাঁড়াতে পেরেছি। পাশাপাশি ধন্যবাদ জানাই প্রিয় সংঘঠনের সেই সকল সদস্য ভাইদের, যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে ফলে আমাদের আজকের খাদ্য বিতরনের কাজটি সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে ।

সন্তানের কাঁধে পিতার লাশ বড় বোঝা-এই বোঝা বয়ে বেড়াতে হয় শেষ অব্দি।

ছাইদুল মাহবুব, বড়লেখাঃ জন্মিলেই মরিতে হয় এটাই রূঢ় বাস্তবতা। এমনই এক রূঢ় বাস্তবতার শিকার মাওলানা হাফিজ লুৎফুর রহমান (রহ.) এর সন্তানেরা! পৃথিবীর আলো বাতাস বুঝে ওঠার আগেই হারাতে হয় মমতাময়ী মা’কে।মা হারানোর যন্ত্রণা ভুলতে না ভুলতেই হারাতে হলো প্রিয়তম পিতা’কে।

পিতামাতার এই শূন্যতা মুছে দেবে কে? কার হাত ধরেইবা স্কুলে যাবে তারা? তবুও এই শোক কে শক্তিতে পরিণত করে লড়তে হবে তাদেরকে।এই আলো হাওয়া জলের জীবন ছেড়ে একদিন তাদেরকে পা রাখতে হবে চাঁদের মাটিতে।বাবার স্বপ্নরা বৃথা যেতে পারেনা।হুজুরের জীবনের অন্তিম মুহুর্তে কোরআন থেকে যে কটি নসিহত করে গেছেন ছেলে মেয়েদের উদ্দেশ্যে তার মধ্যে একটি হচ্ছে তার কথার চেয়ে আর কার কথা উত্তম হতে পারে?
যে মানুষকে আল্লাহর পথে ডাকে,নেক আমল করে আর ঘোষণা করে আমি মুসলমানদের অন্তর্ভুক্ত।

অতএব,নেক আমল করার পাশাপাশি আল্লাহর পথে- দাওয়াতের ময়দানে কাজ করার জন্য উপদেশ দিয়ে গেছেন।অপচয় না করার কথা বলতে গিয়ে বলেছেন অপচয়কারী শয়তানের ভাই।এমনই গুরুত্বপূর্ণ বেশকিছু নসিহত করে গেছেন হুজুর।তাঁর ছেলে মেয়েরা সফলতার শীর্ষে যেতে পাশে দাঁড়ানোর বিকল্প নেই।তাদের জীবন থেকে যে ভালোবাসার জায়গা গুলো হারিয়ে গেছে চিরতরে সে জায়গা গুলো কখনো ফিরে পাবার নয়।তবুও আমরা কি পারিনা তাদেরকে ভালোবেসে বুকে জড়িয়ে নিতে।

পৃথিবীর সব পিতা’রাই চায় তাঁর সন্তান যেনো সফলতার শীর্ষে পোঁছাক।কিন্তু সফলতার গল্প দেখে ক’জন পিতা’ই মরতে পারেন? হুজুরের রুহানি সন্তানরা আসুন হুজুরের অসমাপ্ত কাজ তাঁর সন্তানদেরকে সফলতার সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছাতে স্নেহ,মমতায়, ভালোবসে পাশে দাঁড়াই।

রাজনগরে মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বড়লেখার ২ শিক্ষক নিহত ও আহত ১০

এম এম আতিকুর রহমানঃ মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায় গোবিন্দবাটি এলাকায় মাইক্রোবাস ব্রেক ফেল করে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘটনাস্থলে নারীসহ দু’জন নিহত হয়েছেন।এসময় আহত হয়েছেন ১০ জন। মঙ্গলবার (১৯ মে) ভোরবেলা এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন আফরোজা হোসেন নিশু (৩৫) ও বদরুজ্জামান (৪৫)। নিহত দু’জনই বড়লেখার ঈদগাহ বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। নিহত ও আহত সবাই রাজশাহী জেলার বাসিন্দা। এরা সবাই বড়লেখার উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন। আহত চান্দগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সেলিম রেজা ও মাইজগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক জাহিদ হোসেন সহ আহতরা মৌলভীবাজার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসেম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

চলমান প্রেক্ষাপটে করোনা’রভয়াবহতা! স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অপরিহার্য

এম আতিকুর রহমানঃ একে একে দেশের ৬৪ টি জেলা অতিক্রম করে করোনা ভাইরাস এখন উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। আমরা যেনো পৌঁছে দিয়েছি অভিজাত এই ভাইরাসটিকে।

সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার, জকিগঞ্জ, গোলাপগঞ্জ, বিশ্বনাথ, বালাগঞ্জ সহ একে একে ফেঞ্চুগঞ্জ, দক্ষিণ সুরমায় ও করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। গোলাপগঞ্জে এক করোনা আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে এসে একই পরিবারের ১৩ জন করোনা আক্রান্ত হন!
মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা জুড়ী সহ প্রতিটি উপজেলায় একাধিক সনাক্ত ও আক্রান্ত হয়ে কঠিন পরিস্থিতির দিকে ধাবমান।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৮ মে, ২০২০ পর্যন্ত সিলেট অঞ্চলে মোট করোনায় আক্রান্ত (শনাক্তকৃত) ৪৩৩ জন (সিলেট জেলায়-১৬৬ জন, হবিগঞ্জে-১৩২ জন, সুনামগঞ্জে-৭৫ জন ও মৌলভীবাজারে-৬১ জন)।

সারা দেশে যখন এক বা দুই ডিজিটের করোনা রোগী শনাক্ত হতো, তখন সাধারণের মাঝে যে সাবধানতা/সচেতনতা পরিলক্ষিত হতো, বর্তমানে সহস্রাধিক শনাক্ত হলেও সচেতনতা অনেকগুণ কমে গেছে।
উপরন্তু, যানজট আর জমায়েত এবং ঈদ শপিং দেখে মনে হবে; এ দেশ থেকে করোনা কত আগে বিদায় নিয়েছে।

আসুন, সরকার নির্দেশিত সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি। সচেতন হই অন্যান্যদের সচেতন হতে উদ্বুদ্ধ করি। নিজে সুস্থ থাকি। পরিবার-পরিজন সমাজ ও দেশকে নিরাপদ রাখি। করোনা নামক মহামারী থেকে আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুক, সুস্থ রাখুন।
বরকতময় এ সময়ে আমরা কায়মনোবাক্যে দয়াময় এ-র দরবারে বেশি বেশি ফরিয়াদ করি। তিনি যেনো আমাদের সকলকে এবং দেশকে রক্ষা করেন।

এস এস সি ব্যাচ ১৯৯২ বড়লেখা, নগদ ৪ লক্ষ টাকা বিতরণ

নিউজ ডেস্কঃ এস এস সি ব্যাচ ১৯৯২ বড়লেখা তিন শত কর্মহীন মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিলেন নগদ চার লক্ষ অর্থ। সোমবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ তাজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম আল ইমরান, ও উপজেলা প্রকল্প কর্ম কর্তা ওবায়দুল্লা খান।

বক্তব্য রাখেন মীর মুহিবুর রহমান, আব্দুল হাফিজ ললন, বদরুল ইসলাম মনু, মনির উদ্দিন। আনুষ্ঠানিক ভাবে কয়েকজন পঙ্গু ও কোরআনে হাফিজকে উপহার দিয়ে বন্ধুরা কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়ে মানুষের ঘরে নগদ অর্থ উপহার তুলে দেন।

এস এস সি ব্যাচ ১৯৯২ এর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে বড়লেখাবাসী। তারা বলেন করোনা ভাইরাসের এই কঠিন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সমাজের বিত্তবানরা এভাবে এগিয়ে আসলে অসহায় মানুষগুলোর মুখে কিছুটা হলেও হাসি ফুটবে।

আভঙ্গী দুর্জয় জনকল্যাণ সংস্থার ঈদ সামগ্রীয় বিতরন


মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ

(কোভিড-১৯)করোনা ভাইরাসে যখন বিশ্বব্যাপি চরম হতাশা বিরাজ করছে,আমরা যখন লকডাউনে রয়েছে সারা দেশ, তথাপি গ্রামের অসহায় লোকজনের কথা বিবেচনা করে আমাদের সাধ্যমতো সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার পূর্ব মুড়িয়া আভঙ্গী গ্রামের কৃতি সন্তান মাছুম আহমদ(ইতালি প্রবাসী) ও আহমেদ ফয়েজ হানিফ(ফ্রান্স প্রবাসী) অর্থায়নে আভঙ্গী দুর্জয় জনকল্যাণ সংস্থার ব্যাবস্থাপনায় গ্রামের লোকের পাশে থাকার লক্ষ্য নিয়ে নূন্যতম সহযোগিতা হিসেবে কিছুটা হলেও গ্রামের মানুষের কাছে পৌছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ঈদসামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে।এতে উপস্থিত ছিলেন,বীর মুক্তিযুদ্ধা: আব্দুর রহিম(বিলাল)বীর মুক্তিযুদ্ধা:মঈন উদ্দিন,আরও ছিলেন আভঙ্গী দুর্জয় জনকল্যাণ সংস্থার সদস্যবৃন্দ।দায়ত্বশীল আরো জানান,গ্রামের জনগনের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার অঙ্গীকার আমাদের অতীত,বর্তমান ও ভবিষ্যতে সকল ধরনের দূর্যোগ মোকাবেলায় খাদ্যও ত্রান সামগ্রীয় বিতরন কার্যক্রম অব্যাহত ছিলও আগামীতে থাকবে ইনশাআল্লাহ ।সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানান। পরিশেষে,সরকারের সকল বিধিবিধান মেনে চলার জন্য গ্রামের সকল জনগন’র প্রতিও আহবান জানান।

বড়লেখায় ব্যবসায়ীর জবাই করা লাশ উদ্ধার।

মৌলভীবাজার বড়লেখায় সমছ উদ্দিন (৩৪) নামে এক ব্যবসায়ীর জবাই করা লাশ উদ্ধার করেছে বড়লেখা থানার পুলিশ।
রোববার (১৭) মে রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের পূর্ব মোহাম্মদনগর (বাজারিটিলা) এলাকার একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।সমছ উদ্দিনের বাড়ি ওই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যগ্রামতলা এলাকায়। তিনি গ্রামের আমির উদ্দিনের ছেলে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সমছ উদ্দিন গত প্রায় ৮ মাস আগে দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের পূর্ব মোহাম্মদনগর (বাজারিটিলা) এলাকায় রহমানীয় চা বাগান সংলগ্ন বেশ কিছু জায়গা ক্রয় করেন। এই জায়গার কিছু অংশে দুটি মৎস্য খামার গড়ে তোলেন। দিনের পাশাপাশি তিনি প্রায়ই রাতে খামারে যাওয়া আসা করতেন। শনিবার (১৬ মে) রাতে বাড়ি থেকে খামারের উদ্দেশ্যে বের হন। রাতে আর ফেরেননি। রোববার (১৭ মে) সকালে পরিবারের লোকজন তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। বেশ কয়েকবার রিং হলেও রিসিভ হয়নি। এরপর ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। দুপুরে পরিবারের লোকজন তাকে খুঁজতে গিয়ে একটি বাড়ির সামনে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল দেখতে পান। কিন্তু তার কোনো সন্ধান পাননি। স্বজনরা তার খোঁজাখুঁজি অব্যাহত রাখেন। এক পর্যায়ে রাত সোয়া ১২টার দিকে মোহাম্মদনগর (বাজারিটিলা) এলাকায় খামারের অদূরে একটি পরিত্যক্ত ঘরে তার (সমছ উদ্দিনের) রক্তাক্ত নিথর দেহ দেখতে পান। এরপর তারা বিষয়টি পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাত আড়াইটার দিকে তার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। নিহত সমছ উদ্দিনের ২ মেয়ে ও ১ ছেলে রয়েছে।সোমবার (১৮ মে) ভোরে এই সংবাদ লেখা পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানা যায়নি।খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) সাদেক কাউসার দস্তগীর।বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াছিনুল হক সোমবার (১৮ মে) ভোর রাতে বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। সকালে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
সুত্রঃ বড়লেখা এক্সপ্রেস

বড়লেখায় হাজী ইসমাইল আলী ফাউন্ডেশনের উপহার ও নগদ অর্থসহায়তা প্রদান

আজ (১৭মে) বিকেলে বড়লেখায় শিক্ষাবিদ হাজী ইছমাইল আলী ফাউন্ডেশন এর ব্যবস্থাপনায় তৃতীয় দফায় বড়লেখার কর্মহীন ও প্রয়োজনগ্রস্ত বেশ কিছু পরিবার ও আলেম ওলামার মধ্যে রমজানের ঈদ উপহার সামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়। ফাউন্ডেশনের সভাপতি এম. এম. আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিস বড়লেখা উপজেলা সভাপতি কাজী মাওলানা এনামুল হক, প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদ এর সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জননেতা এমাদুল ইসলাম, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বড়লেখা সদর ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান ফয়সল আলম স্বপন, উপজেলা খেলাফত মজলিসের সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফখরুল ইসলাম, সামাজিক সংগঠন আন নাজাত সভাপতি বিশিষ্ট ব্যাংকার মোঃ আব্দুর রউফ, ছাত্রনেতা সুলতান আহমদ প্রমুখ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড আওয়ামিলীগ এর সভাপতি ফাউন্ডেনের উপদেষ্টা অব্দুল মতিন কলা মিঞা, বিশিষ্ট মুরব্বি মাওঃ আব্দুল গফুর, ইটালী প্রবাসী জুবায়ের আহমদ, খেলাফত মজলিস নেতা মাওলানা মানসুর আহমদ, সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমান, মাওলানা মো: হিফজুর রহমান, মাওলানা আবুল হোসাইন, মাওলানা ফয়জুর রহমান, মোঃ নজরুল ইসলাম চৌধুরী, তরুণ সমাজ সেবক খালেদ আহমদ প্রমুখ।
ফাউন্ডেশনের সহ. সেক্রেটারি হাসান বিন কারিম এর পরিচালনায় এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি মো: আবু সাঈদ ফরহাদ, প্রচার সম্পাদক আফাজ উদ্দিন, সদস্য নাহিদ আহমদ, মো: নাজমুল ইসলাম সোহাগ, মোঃ আব্দুস সলাম, মো: সাইদুল ইসলাম, সুহেল আহমদ প্রমুখ।

চলমান সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে করোনা ভাইরাস (Covid-19) নামক মহামারি থেকে দেশ বিদেশের সকলের হেফাজত ও মুক্তির জন্য বিশেষ দোআ পরিচালনা করেন কাজী মাওলানা এনামুল হক। শেষে সবাইকে নিয়ে ইফতারের মাধ্যমে আয়োজনের সমাপ্তি হয়।বড়লেখায় হাজী ইসমাইল আলী ফাউন্ডেশনের
রমজানের ঈদ উপহার ও নগদ অর্থসহায়তা প্রদান

আজ বিকেলে বড়লেখায় শিক্ষাবিদ হাজী ইছমাইল আলী ফাউন্ডেশন এর ব্যবস্থাপনায় তৃতীয় দফায় বড়লেখার কর্মহীন ও প্রয়োজনগ্রস্ত বেশ কিছু পরিবার ও আলেম ওলামার মধ্যে রমজানের ঈদ উপহার সামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়। ফাউন্ডেশনের সভাপতি এম. এম. আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিস বড়লেখা উপজেলা সভাপতি কাজী মাওলানা এনামুল হক, প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদ এর সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জননেতা এমাদুল ইসলাম, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বড়লেখা সদর ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান ফয়সল আলম স্বপন, উপজেলা খেলাফত মজলিসের সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফখরুল ইসলাম, সামাজিক সংগঠন আন নাজাত সভাপতি বিশিষ্ট ব্যাংকার মোঃ আব্দুর রউফ, ছাত্রনেতা সুলতান আহমদ প্রমুখ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড আওয়ামিলীগ এর সভাপতি ফাউন্ডেনের উপদেষ্টা অব্দুল মতিন কলা মিঞা, বিশিষ্ট মুরব্বি মাওঃ আব্দুল গফুর, ইটালী প্রবাসী জুবায়ের আহমদ, খেলাফত মজলিস নেতা মাওলানা মানসুর আহমদ, সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমান, মাওলানা মো: হিফজুর রহমান, মাওলানা আবুল হোসাইন, মাওলানা ফয়জুর রহমান, মোঃ নজরুল ইসলাম চৌধুরী, তরুণ সমাজ সেবক খালেদ আহমদ প্রমুখ।
ফাউন্ডেশনের সহ. সেক্রেটারি হাসান বিন কারিম এর পরিচালনায় এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি মো: আবু সাঈদ ফরহাদ, প্রচার সম্পাদক আফাজ উদ্দিন, সদস্য নাহিদ আহমদ, মো: নাজমুল ইসলাম সোহাগ, মোঃ আব্দুস সলাম, মো: সাইদুল ইসলাম, সুহেল আহমদ প্রমুখ।

চলমান সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে করোনা ভাইরাস (Covid-19) নামক মহামারি থেকে দেশ বিদেশের সকলের হেফাজত ও মুক্তির জন্য বিশেষ দোআ পরিচালনা করেন কাজী মাওলানা এনামুল হক। শেষে সবাইকে নিয়ে ইফতারের মাধ্যমে আয়োজনের সমাপ্তি হয়।

একজন কিংবদন্তীর বিদায়!-ছাইদুল মাহবুব

গতরাতেও তিনি নিজের ইমামতিতে নিজ গ্রাম ভূগায় তারাবিহ এর সালাত আদায় করেছিলেন।বাড়িতে এসে ঘুমিয়ে পড়েন।সেহরির সময় শারীরিকভাবে অসুস্থতা অনুভব করেন।রোজা রাখার উদ্দেশ্য সেহরি খেয়ে ফযরের নামাজ আদায় করলেন।

মুহুর্তেই শরীর খারাপ লাগছিলো।ছোট ভাই মাওলানা ইমদাদুর রহমানকে ডাকলেন।রুমের মধ্যে টাকা রাখা আছে সেগুলো থেকে উনার কাফনের কাপড় কেনার জন্য।এবং উনার বাবা এবং বড় স্ত্রীর কাছে দাফন করার জন্য বললেন।

এবং বড় ছেলে হাফিজ আরিফুর রহমানকে ডেকে পাশে বসালেন।কিভাবে জানাজার নামাজে ইমামতি করতে হবে, কি দোয়া পড়তে হবে শিখিয়ে দিলেন।মাদ্রাসার গচ্ছিত হিসাব-নিকাশ নোট করে বড় ছেলে আরিফ কে বুঝিয়ে দিলেন।পরে মাদ্রাসা গভর্নিং বডির জনৈক সদস্যকে ফোন দিলেন উনি রিসিব করেননি!

প্রিয় শিক্ষক হয়তো বুঝতেই পেরেছিলেন তাঁর হাতে সময় আর বেশি নেই।তাই আরিফকে বললেন হিসাবটা বুঝিয়ে দিও মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটিকে।তারপর আরিফকে বললেন তুমি বাবার কাছে বসে সূরা ইয়াসিন তেলাওয়াত করো।

বার বার বলছিলেন আমাকে ডাক্তারে নিতে হবেনা।মাটিতে শুয়াতে বললেন।অতঃপর কিছুক্ষণ কালেমা পড়লেন।তারপর দুই ঠোঁট নড়তেছিলো যেনো কোরআন তেলাওয়াত করতে করতেই মা’বুদের ডাকে সাড়া দিলেন।চোখ বন্দ করে ফেললেন।

কে জানে এই চোখ আর কখনো খুলবেনা! ছোট ভাই মাইক্রোতে করে চলে গেলেন ইবনে সিনা হাসপাতালে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করলেন!

হ্যাঁ, বলছিলাম পরগনাহী দৌলতপুর সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা হাফিজ লুৎফর রহমান হুজুরের কথা।এই ক্ষণজন্মা মানুষের মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া! যেনো ধর্মীয় জ্ঞানের আলোয় আলোকিত শাহবাজপুরে অন্ধকার নেমে এসেছে!

মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি পরগনাহী দৌলতপুর আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এবং তারাদরম জামে মসজিদের খতিব হিসেবে দায়ীত্ব পালন করেন।সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় ওয়াজ করেছেন তিনি বড়লেখা উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে।

মৃত্যুর সময় তিনি দুই ছেলে, এক মেয়ে এবং হাজারও ছাত্রছাত্রী রেখে মৃত্যুবরণ করেন।মহান আল্লাহ যেনো তাঁর বান্দাহকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন।

বর্নীতে রমজান ফুড ও ঈদ সামগ্রী উপহার

মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার বর্ণি প্রবাসী জন কল্যাণ পরিষদের উদ্দ্যোগে
বিশ্ব মহামারী করোনা ভাইরাসের সংকটময়
মুহূর্তে,শনিবার(১৬মে)২২ রামাদ্বানে
১নং বর্ণী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের
মধ্যবিত্ত, শ্রমজীবী, অসহায় ও হত-দরিদ্র
মানুষদের জন্য উপহারস্বরূপ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যদ্রব্য রমজান ফুড ও ঈদ সামগ্রীয় উপহার ১২০টি পরিবারের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া হয়।এতে বর্ণি প্রবাসী জন কল্যাণ পরিষদের সদস্যবৃন্দের দ্বায়িতরত ব্যাক্তিগন রাতে বাড়ি বাড়ি নিয়ে পৌছেদেন।

পরগনাহী দৌলপুর আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষের মৃত্যুতে ভিন্ন মহলের শোক

বড়লেখা উপজেলার পরগনাহী দৌলতপুর সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও তারাদরম কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা লুৎফুর রহমান (৫৫) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শনিবার দুপুরে সিলেটের একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহী—রাজিউন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে, ১ মেয়ে, মা, ভাই-বোনসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে যান।

শনিবার বিকেলে সাড়ে ৫.৩০মিনিটের সময় উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের ভূগা মোকাম সংলগ্ন মাঠে মরহুমের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে গ্রামের সার্বজনিন গোরস্থানে তার লাশ দাফন সম্পন্ন হয়।

বড়লেখার বিশিষ্ট আলেম-এ দ্বীন অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা লুৎফুর রহমানের মৃত্যুতে তার রুহের মাগফেরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরী, উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও পরগনাহী দৌলতপুর সিনিয়র আলীম মাদ্রাসার গভর্ণিংবডির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সিরাজ উদ্দিন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সুন্দর, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এমাদুল ইসলাম, উত্তর শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান আহমেদ জুবায়ের লিটন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আকবর আলী,ইটাউরী (মহিলা)আলিম মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওঃআব্দুল আহাদ, সুজাউল ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক উপাধক্ষ মাওঃআ,ক,ম আব্দুল আজিজ,পরগনাহী দৌলতপুর আলিম মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওঃআব্দুল গফ্ফার,উত্তর শাহবাজপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওঃমোঃসাইফুল্লাহ,বড়লেখা মোহাম্মদীয়া ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওঃআব্দুল্লাহ,সুজাউল ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওঃবদরুল ইসলাম, সাংবাদিক কাজী রমিজ উদ্দিন ও সাংবাদিক মোঃইবাদুর রহমান জাকির প্রমূখ।

হাফেজ মাওলানা লুৎফুর রহমান ১৯৯৫ সালে আরবি প্রভাষক হিসেবে পরগনাহী দৌলতপুর সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা যোগদান করেন। ২০১৯ সালে তিনি এ মাদ্রাসায় অধ্যক্ষ পদে আসিন হন।

বড়লেখায় জেলা পরিষদের ত্রাণ বিতরণ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় করোনা প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন পেশার কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় পরিবারের মধ্যে উপহার হিসেবে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করছে মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ। জেলা পরিষদের (বড়লেখায়) সংরক্ষিত ১নং ওয়ার্ড সদস্য জোবেদা ইকবালের তত্ত্বাবধানে বড়লেখা উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিছরাবাজার এলাকায় দেড় শতাধিক দরিদ্র পরিবারের মধ্যে এই খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।

উপহার সামগ্রীর প্রত্যেক প্যাকেটে ছিল চাল, ডাল,তেল, আলু ও সেমাই।

শুক্রবার (১৫ মে) সকাল ১১টায় উপজেলার বিছরাবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে দরিদ্রদের মাঝে এসব খাদ্যসামগ্রী বিতরণ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ।

মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের সংরক্ষিত ১নং ওয়ার্ড সদস্য জোবেদা ইকবালের সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বড়লেখা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক ইকবাল হোসেন স্বপনের’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মুজাম্মেল হোসেন,বিশিষ্ট মুরব্বী আব্দুস শহিদ ময়না, বিশিষ্ট সমাজ সেবক সিরাজ উদ্দিন,ইফতেখার হোসেন রিপন,কয়েছ আহমদ প্রমুখ

অনুষ্ঠানে উপস্থিত লোকজনকে মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে করোনা প্রতিরোধক দিক-নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।

“যাদের কষ্টের উপার্জনে ভালো আছি আমরা, তাঁদের অবদান কখনো ভুলা যাবেনা”

দারিদ্র ও ক্ষুধা মুক্ত সুখী সমৃদ্ধ আদর্শবান পাকশাইল গ্রাম গড়তে যেসব মহান ব্যক্তিবর্গ সুদূর প্রবাস থেকে সাহায্য সহযোগিতা ও নিরলসভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তাদের মধ্যে অন্যতম যুক্তরাজ্য প্রবাসী জনাব মিসবাউল হক রুপন ভাই, কুয়েত প্রবাসী জনাব আব্দুর রহমান এবাদ চাচা, যুক্তরাজ্য প্রবাসী জনাব নাজমুল হক সেলিম ভাই, ফ্রান্স প্রবাসী জনাব আব্দুল বাসিত ভাই, যুক্তরাজ্য প্রবাসী জনাব শামিম উদ্দিন ভাই, যুক্তরাজ্য প্রবাসী জনাব শিহাব উদ্দিন ভাই, পর্তুগাল প্রবাসী জনাব ইমদাদুল হক নানু ভাই, পর্তুগাল প্রবাসী জনাব বদরুল ইসলাম ভাই, গ্রীস প্রবাসী জনাব আবু তাহের ভাই ও ইতালি প্রবাসী জনাব আব্দুল হালিম রাজু ভাই।

সত্যিই আপনাদের অবদান কখনো ভুলা যাবেনা। আপনাদের’কে ধন্যবাদ আর কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা আমাদের জানা নেই। গ্রামের জন্য দেশের জন্য এবং দেশের মানুষের জন্য আপনাদের ভালোবাসা দেখে সত্যি আমরা মুগ্ধ। অবশ্যই পাকশাইলের ইতিহাসে আপনাদের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যুগ-যুগান্তরে গ্রামের সেবায় আপনাদের’কে আইডল হিসেবে স্বরণ করবে। পাকশাইলবাসী আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ ও চির ঋণী।আমরা আপনাদের’কে নিয়ে ধন্য ও গর্বিত।

এলাকার সকল প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের জন্য বিনম্র শ্রদ্ধা, ভালোবাসা আর দোয়া রইল। সেলুট আপনাদের’কে। এলাকার সেবায় সব সময় সহযোগিতা হাত প্রসারিত করার জন্য। আশা করি এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখবেন।

দোয়া করি মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়া’লা আপনাদের প্রবাস জীবন সুখী সুন্দর ও সফল করেন, সকল প্রকার বিপদ আপদ ও মুসিবত থেকে হেফাজতে ও আমানতে রাখেন। এই মহান কাজের বিনিময়ে দুনিয়া ও আখেরাতে এর সর্বোত্তম প্রতিদান দান করেন আমিন।

পরিশেষে সকল প্রবাসীদের পক্ষ থেকে একটি বার্তা ও দোয়া রইলঃ ভালো থেকো বাংলাদেশ, ভালো থেকো গ্রাম, ভালো থেকো প্রিয় পরিবার।

লেখকঃ জামিল আহমেদ, সাবেক ছাত্রনেতা।

ইসলামী ব্যাংক কাঁঠালতলী থেকে মধ্য আয়ের গ্রাহকদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

ফয়সাল মাহমুদঃ করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। এ অবস্থায় আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মহাসংকটে পড়েছেন নিম্ন মধ্য আয়ের শ্রমজীবী মানুষ। দীর্ঘ এই লকডাউনে নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষও নেমে যাচ্ছেন হতদরিদ্রের কাতারে। ঘরে খাবার নেই অথচ কাউকে বলতেও পারছেন না। বাইরে গিয়ে হাত পাততে পারছেন না। নেই আয়ের কোনো উৎস। দেশের এই ক্রান্তিকালে সরকারের ত্রাণ তৎপরতার পাশাপাশি সারা দেশের দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এসেছেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি। থেমে নেই মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক কাঁঠালতলী আউটলেট শাখা।

বৃহস্পতিবার (১৪মে) প্রথমবারের মতো পবিত্র রমজান মাস ও ঈদুল ফিতর কে সামনে রেখে নিম্ন মধ্য আয়ের ব্যাংক গ্রাহকদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী উপহার হিসেবে বিতরণ করা হয়।

উপহার হিসেবে ১০ কেজি চাল, ২ লিটার সয়াবিন তেল, ২ কেজি পেঁয়াজ, ২ কেজি ছোলা, ১ কেজি ডাল, ১ কেজি চিনি, ১ কেজি লবন ও ২ প্যাকেট সেমাই দেওয়া হয়।

ব্যাংক ইনচার্জ জুবায়ের আহমদ শিমুল বলেন, আমাদের ব্যাংকের খুব অসহায় গ্রাহকদের মধ্যে এই উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। কাঁঠালতলী ইসলামী আউটলেট শাখা সবসময় অসহায় গ্রাহকদের পাশে ছিলো এবং আগামীতেও থাকবে। এই ত্রাণ সামগ্রী এখন স্বল্প পরিসরে প্রদান করা হয়েছে যা আরও বড় আকারে প্রদান অব্যাহত থাকবে।

উপহার সামগ্রী প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন, দক্ষিণভাগ উত্তর ইউপির ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আলতাফ হোসেন, ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আলিম উদ্দিন সহ ব্যাংক কর্মকর্তাবৃন্দ।

এতেক্বাফের ফজিলত

আর মাগফিরাতের দশম ও শেষ দিন। একে একে আমাদের থেকে রহমত ও মাগফিরাতের দশক অতিবাহিত হয়ে আমরা রমজানের শেষ দশক অর্থাৎ নাজাতের দশকের দ্বারপ্রান্তে এসে পৌঁছে গেছি। আর শেষ দশকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো এতেকাফ করা। রাসুল (সা.) প্রতি বছর রমজানের শেষ দশকে এতেকাফ করতেন। হযরত আয়েশা রা. বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.) রমজান মাসের শেষ দশকে মসজিদে এতেকাফ করতেন। তার মৃত্যু পর্যন্ত তিনি এ আমল অব্যাহত রেখেছেন। তার ইন্তেকালের পর তার স্ত্রীরা এতেকাফ করেছেন’ (সহিহ বুখারি,১৯২২)

এতেকাফ শব্দটি আরবি ‘আকফ’ শব্দ থেকে নির্গত। এর অর্থ হচ্ছে অবস্থান করা, স্থির থাকা, কোনো স্থানে আটকে থাকা বা আবদ্ধ হয়ে পড়া। ইসলামী শরিয়তের পরিভাষায় রমজান মাসের শেষ দশক বা অন্য কোনো দিন দুনিয়াবি সব কাজকর্ম ও পরিবার-পরিজন থেকে কিছুটা বিচ্ছিন্ন হয়ে আল্লাহকে রাজি-খুশি করার নিয়তে পুরুষের জন্য মসজিদে ও নারীদের ঘরে নামাজের নির্দিষ্ট স্থানে ইবাদত করার উদ্দেশ্যে অবস্থান করা ও স্থির থাকাকে এতেকাফ বলে। রমজানের শেষ দশকে এতেকাফ করা সুন্নতে মোয়াক্কাদায়ে কেফায়া। অর্থাৎ এলাকার কিছুসংখ্যক মানুষ আদায় করলেই সকলের পক্ষ থেকে সুন্নতে কেফায়া আদায় হয়ে যাবে। তবে কেউই আদায় না করলে সকলেই গুনাহগার হবে। এতেকাফ করার মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর রহমত, ক্ষমা ও নৈকট্য লাভ করতে পারে। হযরত আতা খোরাসানী রহ. বলেন, এতেকাফকারীর দৃষ্টান্ত ওই ব্যক্তির মতো, যে আল্লাহর দরবারে পড়ে থাকে আর এ কথা বলতে থাকে, হে আল্লাহ! যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি আমাকে ক্ষমা না করবেন আমি এখান থেকে নড়ব না (বাদায়েউস সানায়ে-২ এতেকাফের একটি বৈশিষ্ট্য হলোÑ যতক্ষণ মানুষ এতেকাফ অবস্থায় থাকে তার চলাফেরা, কথাবার্তা, পানাহার, ঘুম, প্রতিটি মুহূর্ত ইবাদত হিসেবে গণ্য হয়। আর এতেকাফ সুন্নত হওয়ার হেকমত হলো এটাই যে, এতেকাফ ছাড়া লাইলাতুল কদরের ফজিলত ও মর্যাদা লাভের নিশ্চিত কোনো পদ্ধতি নেই।

এতেকাফের ফজিলত : এতেকাফের দ্বারা জাহান্নাম দূরে চলে যায়। রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে এক দিন এতেকাফ করবে আল্লাহ তায়ালা তার ও জাহান্নামের মাঝে তিন পরিখা পরিমাণ দূরত্ব সৃষ্টি করবেন; যার দূরত্ব দুই দিগন্তের দূরত্বের থেকে বেশি দূরত্ব হবে। (কানযুল উম্মাল, হাদিস নং-২৪০১৯)

এতেকাফকারী দুই হজ ও দুই ওমরার সাওয়াব পাবেন। রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি রমজানে দশ দিন এতেকাফ করবে তার আমল দুই হজ ও দুই ওমরার সমতুল্য ( কানযুল উম্মাল, হাদিস নং-২৪০০৬)।

এতেকাফকারী লাইলাতুল কদরের মর্যাদা লাভ করতে পারবেন। কেননা রমজানের শেষ দশকের রাতগুলোর যেকোনো একটিতে লাইলাতুল কদর রয়েছে। আর লাইলাতুল কদরের ইবাদত হাজার মাস তথা তিরাশি বছর চার মাস ইবাদত করার চেয়েও উত্তম। সুতরাং যে ব্যক্তি শেষ দশকে এতেকাফ করবে তার প্রতিটি মুহূর্ত যেহেতু ইবাদত হিসেবে গণ্য হচ্ছে ফলে সে লাইলাতুল কদর পেয়ে যাচ্ছেন, এ রাতের সুমহান মর্যাদা লাভ করতে পারছেন। রাসুল (সা.) লাইলাতুল কদর প্রাপ্তির আশা নিয়েই এতেকাফ করতেন। তিনি প্রথম দশকেও এতেকাফ করেছেন, মধ্য দশকেও করেছেন, এরপর শেষ দশকে করেছেন। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমি প্রথম দশকে এতেকাফ করেছি, লাইলাতুল কদর তালাশ করেছি, এরপর মধ্য দশকে এতেকাফ করেছি, এরপর আমাকে তা দেওয়া হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে, তা শেষ দশকে। অতএব তোমাদের মধ্যে যার এতেকাফ করা পছন্দ হয় সে যেন এতেকাফ করে। এরপর সাহাবায়ে কেরাম তার সঙ্গে এতেকাফ করলেন। তিনি আরো বলেন, আমি তা বিজোড় রাতে পেয়েছি (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২৮২৮)।

অতএব আমরা যারা আল্লাহর প্রিয় বান্দা হতে চাই, আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে চাই, লাইলাতুল কদরের সুমহান মর্যাদা লাভ করতে চাই, সর্বোপরি জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচতে চাই, তাদের জন্য উচিত হলো, রমজানের শেষ দশকে এতেকাফ করা
তেকাফ করা সুন্নতে মোয়াক্কাদায়ে কেফায়া।
লেখক
মোঃইবাদুর রহমান জাকির
এম এ(এল,এল,বি)
অধ্যয়নরত
সিলেট ল কলেজ।

বড়লেখায়; যুবশক্তি সমাজ কল্যাণ পরিষদের ইফতার বিতরণ


মোঃইবাদুর রহমান জাকির (বিশেষ প্রতিবেদক) মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার সামাজিক সংগঠনও স্বেচ্ছাসেবী সংঘটন যুবশক্তি সমাজকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে
মঙ্গলবার (১২ মে)পর্তুগাল প্রবাসী আবুল হাসানের অর্থায়নে বড়লেখা পৌর:শহরে অবস্থানরত দেঢ় শতাধিক সু্বিধাবঞ্চিত ও ছিন্নমূল রোজাদার নারী পুরুষদের মাঝে ইফতার বিতরণী অনুষ্টিত হয়।

এতে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আব্দুল হাফিজ ললন,যুবশক্তি সমাজকল্যাণ পরিষদের স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান কাউন্সিলর জেহীন সিদ্দিকী,স্থায়ী কমিটির সদস্য জাহিদ হাসান জাবেদ,আবুল হাসনাত শরফ ও বাকের আহমদ।

এ ছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন যুবশক্তি সমাজকল্যাণ পরিষদের কার্যকরি কমিটির সভাপতি তাহমীদ ইশাদ রিপন,সিনি:সহ:সভাপতি আমিনুল বাবলু,সহ:সভাপতি জামিল আহমদ,সাদিকুর রহমান সাহেদ,সাধারণ সম্পাদক আইনুল ইসলাম,যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ইমরান আহমদ,অর্থ সম্পাদক নূরে আলম মোহন ও সহ:প্রচার সম্পাদক আরিফ আহমদ।

উপস্থিত অতিথিবৃন্দ আর্তমানবতার সেবায় যুবশক্তি সমাজকল্যাণ পরিষদের আগামীর মানবিক কার্যক্রমকে আরো বেশী করে সমাজের সু্বিধাবঞ্চিত ছিন্নমূলদের কাছে পৌছে দিতে যুবশক্তি সমাজকল্যাণ পরিষদের সদস্যবৃন্দের প্রতি আহবান জানান এবং পর্তুগাল প্রবাসী আবুল হাসানের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি আবুল হাসানের মত ভিত্তবান যেন সমাজের কল্যাণে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহবান জানান”

বড়লেখায় নাসির উদ্দীন মিঠুর সৌজন্যে দক্ষিণভাগে বিএনপি’র ত্রান বিতরণ


মোঃইবাদুর রহমান জাকির (বিশেষ প্রতিনিধি) বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার পক্ষে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সহ সভাপতি, বিগত সংসদ নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী আলহাজ্জ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর সৌজন্যে জুড়ী -বড়লেখার-করোনায় অভাব গ্রস্থদের মধ্যে খাদ্য সহায়তা কর্মসুচির অংশ হিসেবে দশ হাজার পরিবারকে পর্যায়ক্রমে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হবে।এরই অংশ হিসাবে আজ মঙ্গলবার বড়লেখার দক্ষিণভাগ ইউনিয়নে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুশ শহীদ খান।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে এ ইউনিয়নের প্রায় ৫০০ পরিবারে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়।
এসময় উপস্হিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম,জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য আলহাজ্জ্ব আব্দুল মুকিত লুলু, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক ডা. আইনুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়জুর রহমান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল আহমদ,ইউনিয়ন বিএনপি নেতা হাফিজ খলিলুর রহমান শাহীন, জেলা যুবদলের সহ সাধারন সম্পাদক ইকবাল হুসেন,উপজেলা যুবদল নেতা আমিনুল ইসলাম মেম্বার,উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি এবি সিদ্দিকী দুলাল,সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সাইফুর রহমান, সিনিয়র ছাত্রদল নেতা নাদের আহমদ প্রমুখ।

বড়লেখায়ঃবোবারতলে জামায়াতে ইসলামীর খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

মোঃইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে রবিবার(১০মে)সকাল ১১ঘটিকায় ৫নং দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের পাহাড়ি দূর্গম এলাকা বোবারতলে করোনা প্রাদুর্ভাবে গৃহবদ্ধ কর্মহীন অসহায় শতাধিক পরিবারের মধ্য মাহে রমজানের উপহার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এমাদুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ফয়সল আহমদ,উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাওঃ মুজাহিদুল ইসলাম, ইউনিয়ন সেক্রেটারি হাফিজ মাওঃ আব্দুস সবুর,ছাত্রনেতা আশরাফুল ইসলাম,আব্দুল লতিফ সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বড়লেখার উত্তর শাহবাজপুরে নাসির উদ্দিন মিঠুর ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত

নাহিদ আহমেদঃ করোনা ভাইরাসে অভাবগ্রস্থ ১০ হাজার পরিবারে খাদ্য সহায়তার অংশ হিসেবে আজ বড়লেখার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নে বিগত সংসদ নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী মৌলভী বাজার জেলা বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্জ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর সৌজন্যে ও বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে ৭০০ পরিবারে খাদ্য সহায়তা বিতরন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার এ কর্মসুচির উদ্বোধন করেন বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মুজিবুর রহমান খছরু।
এসময় উপস্হিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান,সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি মঈন উদ্দিন,ইউনিয়ন সভাপতি জামাল উদ্দিন জমির,সাবেক সভাপতি আলহাজ্জ্ব মুছব্বির আলী, সাধারন সম্পাদক মখলিছুর রহমান,ইউনিয়ন বিএনপির উপদেষ্টা আলহাজ্জ্ব লুৎফুর রহমান লুতই, আলহাজ্জ্ব আজিজুর রহমান ময়না,সহ সভাপতি তফজ্জুল ইসলাম,আনোয়ার হুসেন মেম্বার,আব্দুস শহীদ সানুর মেম্বার।ইউনিয়ন বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম,ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাক তাপাদার কানন, ক্রিড়া সম্পাদক আব্দুল হাছিব,যুবদল নেতা বাহার উদ্দিন, জামিল আহমদ,আব্দুস শুক্কুর,উপজেলা ছাত্রদল নেতা নাদের আহমদ,উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক কাওছার আহমদ,উপজেলা ছাত্রদল নেতা জুনেদ আহমদ, কে আই সবুজ, শাহীন আহমদ,আতিকুর রহমান,তারেক মুন্না, মাজহারুল ইসলাম,মুর্শেদ আহমদ,বিলাল আহমদ, শাকিল আহমদ প্রমুখ।
উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপি নেতাদের নিয়ে ইউনিয়নের ৯ ওয়ার্ডে নির্ধারিত পরিবারের হাতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন।

পাকশাইল গ্রেটভিশন এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে গ্রামের কবস্থানে চারা রোপণ।

“গাছে গাছে সবুজ দেশ, গড়বো সোনার বাংলাদেশ”

এই স্লোগানকে সামনে রেখে আজ ০৭/০৫/২০ ইং রোজ বৃহস্পতিবার বড়লেখা উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী পাকশাইল গ্রামের সামাজিক সেবামূলক সংস্থা পাকশাইল গ্রেট ভিশন এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে, নতুন মাটি ভরাট করা এলাকার একমাত্র বৃহত্তম কবর স্থানে আকাশি, বেলজিয়াম ও বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ২০০ টি গাছের চারা রোপণ করার লক্ষ্যে আনয়ন করা হয়েছে। আজ প্রায় ১১০ টি চারা লাগানোর মাধ্যমে এই মহৎ কাজের শুভ উদ্ভোধন হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন পাকশাইল গ্রামের সম্মানিত মেম্বার জনাব আব্দুল মতিন কদর, গ্রেট ভিশনের সম্মানিত উপদেষ্টা জনাব আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ সুমন, জনাব ফয়ছল আহমদ, পাকশাইল মোকাম কমিটির সেক্রেটারি জনাব আব্দুল কুদ্দুস।গ্রেট ভিশনের সেক্রেটারি শাহিদুর রহমান জুনেদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সিনিয়র সহ-সেক্রেটারি সাহিদুল হক, সহ সেক্রেটারি ইমন আহমদ, অর্থ সম্পাদক নাহিদ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রহমান, ক্রীড়া সম্পাদক কবির আহমদ, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক কামরুল আহমদ ও মাহবুবুল আলম, ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক সাইফুল হোসেন পাবেল, শ্রমিক কল্যাণ সম্পাদক ফয়ছল আহমদ টিপু, রাহেদ আহমদ, এমাদ, জুনেদ, মারুফ, কিবরিয়া প্রমুখ।

উল্লেখ্য গত ১৫ দিন থেকে গ্রেট ভিশনের পরিচালনায় মানবতার ঘর নামে একটি দোকান থেকে এলাকার অসহায়, হত দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য, সবজি ও মাছ দিয়ে আসছে।

উত্তর পকুয়া যুবসমাজের উদ্দোগে ২য় দফায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ


ইবাদুর রহমান জাকির, বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৩নং নিজ বাহাদুর পুর ইউনিয়নের উত্তরপকুয়া যুব সমাজের উদ্দ্যোগে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া শ্রমিক ও দিনমজুর অসহায়-সুবিধা বনঞ্চিতদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার(৫মে)দুপুরে উত্তর পকুয়া ও দৌলতপুর গ্রামের কর্মহীন শতাধিক শ্রমিকদের মাঝে যুবসমাজ ও প্রবাসীদের অর্থায়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।এসময় উপস্থিত ছিলেন উত্তর পকুয়া যুবসমাজের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দীন পংকি তিনি বলেন, করোনা হলো মহামারী আল্লাহর গজব এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সরকারি নির্দেশনা মানতে গিয়ে যারা কর্মহীন হয়ে পড়েছে তাঁদের পাঁশে দাঁড়িয়েছে উত্তর পকুয়া যুব সমাজ খাদ্য সামগ্রীয় সহায়তা নিয়ে,আমি তাদের কে ধন্যবাদ জানাই। কর্মহীন যে সকল মানুষ কাজ না পেয়ে সহায় হয়ে পড়েছে তাদের জন্য আমাদের সকলের নৈতিক দ্বায়িত্ব হলো সহযোগীতার হাত কে অবমুক্ত করা ।
এছাড়া উত্তর পকুয়া যুবসমাজের সভাপতি হারুনুর রশীদ বলেন আমরা গ্রামের প্রবাসীদের সাহায্যের মাধ্যমে দ্বিতীয় বারের মতো দুস্থ ও কর্মহীনদের বাড়ি বাড়ি খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিচ্ছি এ জন্য মহান মাবুদের শুকরিয়া আদায় করছি। যুবসমাজের সেক্রেটারি মাওঃমোঃ আব্দুন নুর বলেন কর্মহীন মানুষের মাঝে আমরা জন প্রতি ১০ কেজি চাল,২ কেজি আলু,২লিটার তেল,২ কেজি পিয়াজ,২ কেজি ময়দা,২কেজি চিনি, খাদ্য সামগ্রী মাসের মধ্যে দুইবার বিতরণ করতে সক্ষম হয়েছি এতে যুবসমাজ ও প্রবাসীদের অবদান অতুলনীয়।খাদ্য সামগ্রী বিতরণে আরও উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্স প্রবাসী খয়রুল ইসলাম, আজাদ আহমদ ও সাংবাদিক সাদেক প্রমুখ ।

১০ মে থেকে সীমিত পরিসরে খুলছে দোকানপাট-শপিংমল

ফাইল ছবি

নিউজ ডেস্কঃ করোনাভাইরাসের সংক্রমণে বিস্তার ঠেকাতে সরকারি-বেসরকারি অফিসে ছুটির মেয়াদ ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানো হলেও সীমিত পরিসরে খুলছে হাটবাজার, ব্যবসাকেন্দ্র, দোকানপাট শপিং মলগুলো। ঈদকে সামনে রেখে শর্তসাপেক্ষে আগামী ১০ মে থেকে এগুলোসহ অন্যান্য কার্যাবলি সীমিত আকারে খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে এগুলো সকাল ১০টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।

আর আসন্ন ঈদের সময় জনগণকে নিজ নিজ স্থানে থাকতে হবে এবং আন্তজেলা, উপজেলা বা বাড়িতে যাওয়ার ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে হবে।
এর আগে গত ২৬ এপ্রিল থেকে তৈরি পোশাক কারখানা সীমিত পরিসরে খুলে দেওয়া হয়েছে। এখন হাটবাজার, দোকানপাট খোলার সুযোগ দেওয়ার মধ্যে দিয়ে লকডাউন (অবরুদ্ধ) পরিস্থিতি শিথিল হয়ে গেল।

আজ সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আদেশে দোকানপাট খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়, হাটবাজার, ব্যবসা কেন্দ্র, দোকানপাট ও শপিংমলগুলো ১০ মে থেকে সকাল ১০টা থেকে বিকেল চারটার মধ্যে সীমিত রাখতে হবে। প্রতিটি শপিংমলের প্রবেশের ক্ষেত্রে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত সতর্কতা গ্রহণ করতে হবে।
এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকাল আনোয়ারুল ইসলাম আজ প্রথম আলোকে বলেন, এই সময় বলা হলেও নিজ নিজ এলাকার পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্থানীয় প্রশাসন তাঁদের সুবিধামতো নির্দেশনা দিতে পারবে। অর্থাৎ প্রয়োজন হলে তার আগেও বন্ধ রাখার কথা বলতে পারে।
গত ২৬ মার্চ থেকে সারা দেশে ছুটি ও লকডাউন পরিস্থিতি চলছে। এই সময়ে ছয় দফায় ছুটি বাড়ানো হলো। করোনাভাইরাসের কারণে প্রথম দফায় ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি দেওয়া হয়েছিল। এরপর ছুটি বাড়িয়ে তা ১১ এপ্রিল করা হয়। ছুটি তৃতীয় দফা বাড়িয়ে করা হয় ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর চতুর্থ দফায় ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়। আর পঞ্চম দফায় ছুটি ৫ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। এখন আবার বাড়ল।

আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর অর্থায়নে ৫৫০ পরিবারের মধ্যে খাদ্য বিতরণ


ইবাদুর রহমান জাকির বিশেষ প্রতিনিধিঃ আলহাজ্জ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর অর্থায়নে ১০ হাজার পরিবারে খাদ্য সহায়তার অংশ হিসেবে (৪মে) দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নে ৫৫০ পরিবারের মধ্যে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়। ,এতে মৌলভীবাজার ১ (বড়লেখা-জুড়ি) নির্বাচনী এলাকার বিগত সংসদ নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্জ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর এ নির্বাচনী এলাকায় ১০ হাজার পরিবারে খাদ্য সহায়তা কর্মসুচি এগিয়ে চলছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশ নায়ক তারেক রহমানের আহবানে সাড়া দিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে জনাব মিঠু এ কর্মসুচি তে অর্থায়ন করছেন এবং বাস্তবায়ন করছে সংশ্লিষ্ট ইউনিট বিএনপির কমিটি সমুহ আর সমন্বয় করছে নির্বাচনী এলাকার ২ উপজেলা ও এক পৌর কমিটি।দুপুরে দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নে এ খাদ্য সহায়তা কর্মসুচীর উদ্বোধন করেন বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক জনাব মুজিবুর রহমান খছরু।
এসময় উপস্হিত ছিলেন বড়লেখা পৌর বিএনপির সভাপতি জনাব আনোয়ারুল ইসলাম,উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান,উপজেলা প্রচার সম্পাদক ও দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস স্বপন,পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, যুব বিষয়ক সম্পাদক আলতাফ হুসেন,ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক আনিস আহমদ মেম্বার,বিএনপি নেতা শাহজাহান উদ্দিন, যুবদল সভাপতি কামাল উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক হাদি হুসেন, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মুমিনুর রশিদ, যুগ্ন সম্পাদক নাসির হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোস্তাক তাপাদার কানন, উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র নেতা নাদের আহমদ, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক কাওছার আহমদ,উপজেলা ছাত্রদল নেতা জুনেদ আহমদ সহ বিএনপি ও অঙ্গঁ- সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মী বৃন্দ।

এই কঠিন পরিস্থিতিতে প্রজ্ঞাপন জারি করে ইফতারি প্রথা বন্ধ করা হোক


আশফাক জুনেদঃ দীর্ঘ এক বছর পর আমাদের নিকট পবিত্র রমজান এসে পৌঁছেছে।ত্যাগ ও সংযমনের মাস হচ্ছে রমজান।এই মাস যেমন আসে রহমতের বার্তা নিয়ে আবার তেমনি মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের জন্য আসে চিন্তার কারণ হয়ে।

রমজানে বিশেষ করে আমাদের সিলেটে মেয়ের বাড়িতে ইফতারি পাঠানোর একটি প্রথা প্রচলিত রয়েছে ।এই মাসে মেয়ের শশুর বাড়িতে হরেক রকম খাবার দাবার পাঠাতে হয়। সেটা একবার নয় কয়েকবার। বহুকাল থেকে আমাদের সমাজের প্রচলিত প্রথা এটি।এর অন্যতা হলে মেয়েকে শশুর বাড়িতে খোঁটা পেতে হয়।

এই ইফতারি পাঠানো বিত্তবানদের জন্য সহজ হলেও অনেক মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের জন্য চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।রমজান আসার সাথে সাথে কপালে চিন্তার বাঝ পড়ে এসব পরিবারের মাঝে।শশুর বাড়িতে মেয়ের মান-সম্মান রক্ষা করতে কষ্ট করে হলেও মেয়ের বাড়িতে হরেক রকম ইফতার সামগ্রী পাঠান এসব পরিবারের কর্তারা।

কিন্তু বিগতে বছর গুলোতে কষ্ট করে ইফতারি পাঠানো গেলেও এবার তা যে একেবারেই অসম্ভব ।সারাবিশ্বের ন্যায় করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবে থমকে আছে বাংলাদেশেও।আর এই ভাইরাস ঠেকাতে দেশে চলছে সাধারণ ছুটি।ফলে অঘোষিত লকডাউন চলছে সারাদেশে।যার কারণে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন দেশের সিংহভাগ মানুষ।ঘরে খাবার যোগাতে যেখানে রীতিমত যুদ্ধ করতে হচ্ছে সেখানে এই রমজানে মেয়ের বাড়িতে ইফতারি পাঠানো তাদের কাছে মরার উপর খাড়ার ঘা।কেমন করে মেয়ের বাড়িতে ইফতারি পাঠাবেন এমন চিন্তায় চিন্তিত তারা।এই কঠিন পরিস্থিতিতে দার দেনা করাও সম্ভব না।তাই দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে সরকারি ভাবে এই ‘ইফতারি’ প্রচলন বন্ধ করা হোক।এতে করে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবার এই ‘ইফতারি’ পাঠানোর নামে হরেক জাতের খাদ্যসামগ্রী পাঠানো থেকে রেহাই পাবে এবং সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন হওয়া থেকেও রক্ষা পাবে।সরকারি ভাবে নিষেধ হলে মেয়ের বাড়ি থেকেও খোঁটা দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।তাই এইদিকগুলা বিবেচনা করে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করে অনতিবিলম্বে এই ইফতারির প্রচলন বন্ধ করার দাবি জানাচ্ছি।

বড়লেখায়ঃ পারিবারিক ঐতিহ্য ইসলামিয়া বিল্ডিং ও টঙ্গীওয়ালা বাড়ি।

আমাদের গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজার জেলা অন্তর্গত বড়লেখা ২নং দাসের বাজার ইউনিয়নের সুড়িকান্দি (রসগ্রামের) ঐতিহ্যবাহী বাড়ি।

জন্মের ৩বছর পর্যন্ত শিশুকাল কেটেছিল সেই বাড়িতে পরবর্তীতে সেখান থেকে বড়লেখা পৌর:শহরে আমার বাবা ও চাচাগন জায়গা কিনে বাড়ি বানিয়ে এসেছেন। সেখানে আজও অনাবদ্য বসবাস করে আসছি।

আমাদের পারিবারিক ঐতিহ্য বড়লেখা ইসলামিয়া বিল্ডিং ও টঙ্গীওয়ালা বাড়ির স্বনামটি আজও গোটা বড়লেখায় বিসৃত। বড়লেখা হাজিগঞ্জ বাজারের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত প্রচীনতম ইসলামিয়া বিল্ডিংটিও আমার দাদাদের তৈরিকৃত নিজস্ব সম্পওির উপর দাড়িয়ে আছে। উওরসূরী তথা ভূমির মালিকানা হিসাবে বর্তমানে বাবা ও আমাদের চাচাগন (বাবার চাছাতো ভাইগন & যৌত মালিকানাধীন) সেগুলোর দেখাশুনার কাজ করছেন। এছাড়াও রয়েছে আরো বেশ কিছু ভূমির সওাধিকারী।

দ্বিতীয়ত,আমাদের গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজার জেলা অন্তর্গত বড়লেখা ২নং (ইউনিয়ন) দাশের বাজার সুড়িকান্দি (রসগ্রামের) ঐতিহ্যবাহী বাড়ি।
আমাদের গ্রামের বাড়িটি টঙ্গীওয়ালা বাড়ী বা হাতিওয়ালা বাড়ী বলে পরিচিতিটি বেশ বিসৃত।

তৎকালীন সময়ে এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও পারিবারিক সমস্যাদূরীকরণে আমাদের বাড়িটি বিচারালয় কেন্দ্র হিসাবে পরিচালিত হত।

আমাদের দাদার ৫ভাই ও তিন বোনদের মধ্যে আমার দাদা ছিলেন সর্ব প্রধান। মুলত দাদার দ্বিতীয় ভাই মস্তকিম আলী (মম্তই মিয়া) যার কর্মের গুণে আমাদের পরিবারটি ঐতিহ্যগত দিকে আজও অনেকটা এগিয়ে রয়েছে।

এছাড়া উনার বাকী ভাইগন পারিবারিক ব্যবসা,মহালদারের ব্যবসা,হাতি ব্যবসা,কৃষি সহ বিভিন্ন কর্মসংস্থানের জড়িত ছিলেন। নিজ বাড়িতেও হরিণ পালন ও মহীষ পালনে দেখাশুনা করতেন।

মস্তকিম আলী (মস্তই মিয়া) ছিলেন একদিকে ন্যায় বিচারক এবং অন্যদিকে ছিলেন একজন স্বনামধন্য হাতি ব্যবসায়ী। তৎকালীন ভারতের (বর্তমান) আসাম রাজ্যের অন্তর্গত করিমগঞ্জে তিনি হাতি ব্যবসাতে নিজেকে আত্ননিবেশ করেন।

লোকমুখে শুনা যেত যে হাকিম নড়েন কিন্ত মস্তকিম আলী মস্তই মিয়ার সিদ্ধান্ত (পরিবর্তন) নড়ে না। যত বড়ই সমস্যা হোকনা কেন মস্তকিম আলী (মস্তই মিয়া) তা অতি সহজে বিচারিক কাজ সম্পন্য করতে পারতেন।

বড়লেখা উপজেলা সহ অন্যান্য এলাকায় যারা প্রবীণ লোক রয়েছেন তারা মস্তকিম আলীকে (মস্তই মিয়াকে) চেনেননা বলে এমন লোক পাওয়া অত্যন্ত দুষ্কর।

আমাদের পরিবারের (তৎকালীন যৌথ পরিবারে) মোট ৯টি বড় হাতি ছিলো। তার মধ্যে সবছেয়ে বড় (পুরুষ) হাতিটি ছিলো বাংলাদেশের বৃহৎ কয়েকটি হাতির মধ্যে একটি।

আমার দাদী এবং বাবার মুখ থেকে শুনা সম্ভবত ১৯৭১ কিংবা এর কিছুদিন পর স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বৃহৎ আকারের হাতিটি দেখে মুগ্ধ হয়ে তৎকালীন সময়ে সে হাতিটিকে হাজার খানেক টাকা দিয়ে পুরুষ্কৃত করেছিলেন।

যেটি আমাদের দাদাগনের নিজস্ব সম্পওির উপর নির্মিত হয়ে এখনো রয়ে গেছে। উওরসূরী তথা ভূমির মালিকানা হিসাবে বর্তমানে বাবা ও আমাদের চাচাগন (বাবার চাছাতো ভাইগন & যৌত মালিকানাধীন) সেগুলোর দেখাশুনার কাজ করছেন। এছাড়াও রয়েছে আরো বেশ কিছু ভূমির সওাধিকারী।

আবার অনেকে আমাদের বাড়ি ও পারিবারিক পরিচয় দিয়ে অনেক জায়গাতে আত্নীয়তার বন্ধনেও আবদ্ধ হয়েছেন (এমন অসংখ্য নজীরও রয়েছে)

কালের অবর্তমানে হয়তো অনেকগুলো হারিয়ে গেছে,হারিয়ে গেছে ঐতিহ্যবাহী টঙ্গীওয়ালা বাড়িতে বিচারিক কাজের সেই ধ্বনি উচ্চাষিত কন্ঠসূর,হারিয়ে গেছে হাতির গলায় ঘন্টি পরিয়ে কল কল শব্দ পেরিয়ে বাড়িতে আসার সেই সৃতিময় মুহুর্তটি,হারিয়ে গেছে আরও কত কি,ফ্যাকাশ দরেছে ঐতিহ্যবাহী ইসলামিয়া বিল্ডিয়ের সৌন্দর্যরুপী ভবনের রংধনুতে,কিন্ত হারিয়ে যায়নি পরিবারের অতীত ঐতিহ্যগাতা হারানো দিনের সফল পরিক্রমা।

বড়লেখা উপজেলার বাহীরে কিংবা পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন স্থানে আলাপচারিতা ও পরিচয়ের সুবাদে যখন যানতে পারি আমাদের পারিবারিক ঐতিহ্যের স্মৃতি বিজড়িত এমন নন্দনময়ী বৈনাঢ্য ইতিহাস সত্যি নিজেকে অনেক ধন্য মনে হয়।

সত্যি কথা বলতে গেলে আজও অনেক স্থানে লোকমুখে যতটুকু আমাদের বাড়ীর পরিচিতি এবং দাদাগনকে লোকজন যতটুকু চেনেন ততটুকু আমাদের বাপ-চাচাগনকেও লোকজন চেনেননা।

একসময়ের প্রাণচাঞ্চল্য বাড়িটি কালের বিবর্তনে নিস্তব্ধতার ছোয়া লেগেই আছে। দাদার পাচঁ ভাইদের সন্তান-সাতন্তীগন (নাতি-নাতনী) সকলেই দেশ বিদেশে স্থায়ী বসবাস সহ শহরাঞ্চলে চলে গিয়ে বাড়িটি অনেকটাই লোক-লোকারণ্যহীন।

জহির আলীর পাচঁ সন্তান ও তিন মেয়ে ছিলেন যথাক্রমে (আমার দাদাগন)

১।মরহুম ইব্রাহীম আলী।
২।মরহুম মস্তকিম আলী (মস্তই মিয়া)
৩।মরহুম মন্তজির আলী।
৪।মরহুম মুছব্বির আলী এবং ৫।মরহুম সফিকুর রহমান (চঞ্চল) বাকী দাদীদের নাম (দাদার বোনদের) স্বরুণ করতে পারছিনা।

আমি যতটুকু জানি আমার দাদার বাবার নাম ছিলো জহির আলী মিয়া এবং জহির আলী মিয়ার বাবার নাম ছিলো ইলিম আলী। জহীর আলীগন দুইভাই ছিলেন। জহির আলী ও রাশীদ আলী।

বেচেঁ থাকুক পারিবারিক ঐতিহ্য……… বেচেঁ থাকুক কালজয়ী ইতিহাস হয়ে আমাদের জীবন তরে….যুগের পর যুগ দরে…….প্রজন্মের ইতিহাস হয়ে।

নিজেদের পারিবারিক ঐতিহ্য নিয়ে লিখেছেন আমিনুল বাবলু

ফাইল ছবি

বড়লেখায় বোরো ধান কেটে দিলেন স্কুল শিক্ষক ও শিক্ষার্থী

দৈনিক বড়লেখাঃ করোনা পরিস্থিতিতে চলছে ধানা কাটা শ্রমিক সংকট। এ অবস্থায় কৃষকের জমির বোরো ধান কেটে দিলেন বড়লেখা উপজেলার ১নং বর্নি ইউনিয়নের পাকশাইল আইডিয়াল হাইস্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এর ২১ এপ্রিল ২০২০ ইং তারিখের প্রেরিত পত্রের প্রেক্ষিতে (২৮এপ্রিল) মঙ্গলবার সকালে পাকশাইল আইডিয়াল হাইস্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী (পুরুষ) মিলে পাকশাইল গ্রামের দরিদ্র কৃষক মো. নুর উদ্দিন মিয়ার প্রায় ৩০ শতক জমির বোরো ধান কাটায় সহযোগিতা করেন।

প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে ধান আহরণ কাজে নিযুক্ত ছিলেন- বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ রেহান উদ্দিন, মো. সোহরাব হোসাইন, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বিদ্যালয়ের দপ্তরি মো. ছইফ উদ্দিন।

বড়লেখার সুজানগর ইউনিয়ন পরিষদে জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

নিজস্ব সংবাদঃ বর্তমান সময়ের করোনা মহামারি প্রেক্ষাপটে করণীয় এবং বর্জনীয় কি? এ নিয়ে এক তাৎপর্যপূর্ণ মিটিং করা হয় বড়লেখা উপজেলার সুজানগর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে।

সোমবারে (২৭এপ্রিল) ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব নসিব আলী সাহেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারগণ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ,আগর এসোসিয়েশনের ব্যক্তিবর্গ, আজিমগঞ্জ বাজার কমিটি, সিএনজি কমিটি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ সহ অন্যান্যরা।

সভায় প্রাথমিকভাবে কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়:

(১) বাজারে লোকজনের সমাগম কমিয়ে আনা।
(২) একজনের বেশি মোটর সাইকেলে যাতায়াত না করা।
(৩) বিকেল ৫:৩০ এরপর পর বাজারের মধ্যে কোন লোক না থাকা ।
(৪)যেহেতু বর্তমানে রমজান মাস ইফতার নিয়ে আসা যাওয়ার একটা রীতি রেওয়াজ আছে তাই বর্তমান সময়ে বিবেচনা করে আমরা ইফতার দেওয়া এবং নেওয়া থেকে বিরত থাকব কোনো ভাবেই এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
(৫) বিভিন্ন সংযোগ সড়কগুলোতে চেকপোস্ট বসানো হবে।
(৬) জনসচেতনা মূলক প্রচার চলমান থাকবে।
(৭)সিএনজি ড্রাইভার দের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র একজন আরোহী নিয়ে ব্যাংকে যাওয়ার জন্য ব্যবহার করা যাবে অন্যথায় কোন সিএনজি রাস্তায় বের হতে পারবে না।
(৮) এলাকায় কোন বাহিরের লোক আসলে সাথে সাথে ইউনিয়ন পরিষদকে অবগত করা।
ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন, নিরাপদে থাকুন,অন্যকে নিরাপদ থাকতে সাহায্য করুন,আসুন সবাই মিলে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই একমাত্র আল্লাহই পারেন আমাদের এই বিপদ থেকে উদ্ধার করতে।

বড়লেখা’র ক্ষণজন্মা শিক্ষাবিদ সাবেক চেয়ারম্যান মুছব্বির আলীর আর নেই

এম.এম আতিকুর রহমানঃ
বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ উত্তর (কাঠালতলী) ইউনিয়নের সাবেক চার চারবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও কাঠালতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক বড়খলা গ্রামের কৃতি সন্তান আমেরিকার স্হায়ী বাসিন্দা আলহাজ্ব মুছব্বির আলী আজ রাত প্রায় ৮ ঘটিকায় আমেরিকার একটি হাসপাতালে ইহকাল ত্যাগ করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।
মানুষ গড়ার কারিগর এ কৃতীমান বীর পুরুষ শিক্ষকতার পাশাপাশি সমাজ সেবায়ও অনবদ্য অবদান রেখে গেছেন। তিনি বিএনপির দক্ষ রাজনীতিবিদ হিসেবে ইউনিয়নের চার চার বারের সফল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। এ সময়ে তিনি এলাকার উন্নয়ন অগ্রগতি এবং সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়। অমায়িক ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন এ ক্ষণজন্মা শিক্ষাবিদ হাজার হাজার কৃতিত্বের অধিকারী ছাত্র -ছাত্রী তৈরী করেছেন। যারা আজ সমাজের বিভিন্ন শ্রেনীপেশায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন।
তাঁর ইন্তেকালে এলাকায় ও দেশ-বিদেশের হাজারো ভক্ত অনুরাগীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
আমরা কায়মনোবাক্যে মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মাকাম কামনা করছি এবং পরিবার পরিজন সহ সকলকে সবরে জামিল প্রদানের মিনতি করছি।

বড়লেখায়ঃ সেচ্ছায় শ্রমদানে মেরামত করা হলো পূর্ব মাইজ পাড়ার রাস্তা


মোঃইবাদুর রহমান জাকিরঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পৌরসভার সীমা প্রাচীর সংলগ্ন ৬নং সদর ইউনিয়নের পূর্ব মাইজপাড়া গ্রামের ভিতর ভায়া(কেছরিগুল)পাঁচমিরের মাজার রোডে মানুষ চলাচলের রাস্তা অনুপযোগী হওয়ায় পুর্ব মাইজপাড়া গ্রামের মুরব্বিগনের নেতৃত্বে (২৭এপ্রিল)সোমবার সকালে দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন গ্রামের মুরব্বী সুনা মিয়া,আজন মিয়া,আব্দুস সত্তার,ফখরুল ইসালাম,মনাই মিয়া,আব্দুন নূর,রজব আলী। সেচ্ছায় শ্রমদানে রাস্তা মেরামতকরেন আব্দুল মজিদ, আব্দুল জলিল, আব্দুল মুহিত, আবুল হোসেন, ইমরান আহমেদ, খালেদ আহমদ, নুরুল ইসলাম, জাহিদুর রহমান, শাহজান আহমেদ, সিদ্দিকুর রহমান, আব্দুর রাজ্জাক, শামিম আহমেদ ইমন, আহমেদ ফয়জুর রহমান, আরিফ আহমেদ, কাইয়ুম আহমেদ প্রমুখ।

বড়লেখায় আরো ১নারী করোনা আক্রান্ত।

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় এবার এক নারীর শরিরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দুই জন।

রোববার (২৬ এপ্রিল) সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের পিসিঅার ল্যাবে ১৫৬ জনের নমুনা পরিক্ষা করা হয়। পরিক্ষায় বড়লেখার ১ জনের করোনা পজিটিভ আসে।

বড়লেখা উপজেলা সাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রত্নদ্বীপ বিশ্বাস আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন আক্রান্ত নারির বাসা বড়লেখা পৌর এলাকায়। তার বাসা লকডাউন করা হবে।

এর আগে শনিবার বড়লেখায় প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়।আক্রান্ত অই যুবকের বয়স অনুমান ৩৫ বছর। তিনি বর্তমানে শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি রয়েছেন। তার বাড়ি বড়লেখা দক্ষিনভাগ ইউপির উত্তর কাশেম নগর গ্রামে। তিনি সমন ভাগ চা বাগানে চা,ছোলা ও পিয়াজ বিক্রি করতেন।

“মাহতাব আল মামুন”প্রবাসে থেকেও সবার ভালোবাসায় জড়িয়ে আছেন

মাহতাব আল মামুন


ইবাদুর রহমান জাকিরঃমৌলভীবাজারের বড়লেখার উপজেলার ৫ নং দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের বিছরাবন্দ গ্রামের কৃতিসন্তান মাহতাব আল মামুন সৌদি আরব প্রবাসী। তিনি স্বদেশে এলাকার মানুষের মমতায় অসহায় দরিদ্রের কল্যাণে বড়লেখা উপজেলার মেধাবী তরুণদের সমন্বয়ে গঠন করেন এক‌টি ভিন্নধর্মী সাহিত্য ভিত্তিক সামাজিক সংগঠন “বড়লেখা পাবলিকেশন্স সোসাইটি”। এই সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে উপজেলার বিভিন্ন স্কুল,মাদ্রাসা ও এতিমখানায় সাহায্য সহযোগিতা অব্যাহত।

উপজেলায় এই সংগঠনের মাধ্যমে কয়েকটি টিউবওয়েল সহ বিভিন্ন মাদ্রাসায় হিজাব সৌরবিদ্যুৎ , সিলিং ফ্যান বিতরণ সহ অসংখ্য ছাত্র/ছাত্রীদের পঠ্য পুস্তক বিতরণ করতে সক্ষম হয়েছে।

এ ছাড়া ও বর্তমান সমাজের তরুণ লেখক লেখিকাদের সমন্বয় সুন্দর সাহিত্য প্রকাশনায় বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটি হতে প্রকাশনার বদ্ধপরিকর।

বিশ্বের মানুষ যখন করোনা প্রাদূর্ভাবে গৃহবন্দী এক দিকে অর্থনৈতিক মন্দা অপর দিকে চলছে করোনা আক্রান্তের সাড়ি সাড়ি। বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর মিছিল, সে সময়ে আজ স্বদেশের অসহায় নিম্নবৃত্ত মধ্যবৃত্তের কথা ভূলে যাননি বরং বড়লেখা পাবলিকেশন সোসাইটির প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান মাহতাব আল মামুন অসংখ্য মানুষের মতো তিনিও সোসাইটির ব্যাবস্থাপনায় প্রবাসী প্রিয়জনদের আর্থিক সহযোগিতায় নিয়ে ইতিমধ্যে উপজেলার বেশ কিছু পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন।

উল্লেখ্য, বড়লেখাবাসীর কল্যাণে নাড়ির ঠাঁনে আরও তিনটি উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি যা একমাত্র তাহাঁর অক্লান্ত প্রচেষ্টায়, মানুষের মূখে হাসি ফুঁটানো হবে। বড়লেখা পাবলিকেশন্স সোসাইটির ব্যাবস্থাপনায় আগামী ২৯এপ্রিল উপজেলার শতাধিক পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রীয় বিতরণ করা হবে, তাছাড়া আগামী ১মে তাঁহার নিজ গ্রামে খাদ্য ও ২৫রামাজান ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হবে ।

মাহতাব আল মামুনের বাল্যকাল থেকে সমাজের কিছু করার অভিপ্রায় ছিল তাঁর ধারাবাহিকতার আলোকে মানবসেবা ইবাদাত
মনে করে সর্বদাই মানুষের পাঁশে।
আসুন আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে বড়লেখা পাবলিকেশন্স সোসাইটিসহ যে কোন সামাজিক সংগঠন কে সহযোগীতা করি “নিজে ঘরে থাকি অন্যকে ঘরে থাকতে উৎসাহিত করি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখি দেশও জাতিকে করোনা প্রাদূর্ভাব মুক্তরাখি” পাশাপাশি সাহায্যের হাত নিয়ে মানুষের পাঁশে দাঁড়াই।

মাহে রামাদান ইবাদতের বসন্তকালে,বয়ে চলুক জান্নাতি সুবাস-এম.এম আতিকুর রহমান

আহলান সাহলান সু-স্বাগতম পবিত্র মাহে রমজানুল মোবারক। শুরু হওয়া রমজান মাস হলো ইবাদতের বসন্তকাল। এ মাসে প্রতিটি মুমিন হৃদয়ে বয়ে আনে জান্নাতি সুবাস। এ মাসে মহান প্রতিপালক আল্লাহ তায়ালা প্রতি মুহূর্তে দিনে-রাতে মুমিনদের উপর অবারিত রহমতের বারিধারা বর্ষণ করেন।
ইবাদতপাগল মুমিনদের জন্য মাগফিরাত ও জান্নাতের সকল আয়োজন প্রস্তুত রেখেছেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ’লা।

রমজান শব্দটি আরবি ‘রমজুন’ শব্দ থেকে উৎগত হয়েছে। শাব্দিক অর্থ হচ্ছে, জ্বালিয়ে দেওয়া, ভষ্মীভুত হওয়া ইত্যাদি। যেহেতু রোজা পালনের মাধ্যমে মানুষের মনের ক্রোধ, কু-প্রবৃত্তি, হিংসা-বিদ্বেষ সব কিছু ভষ্মীভুত হয়ে যায়, তাই রোজার এ সিয়াম সাধনার মাসকে রমজান মাস বলা হয়।

হিজরি দ্বিতীয় বর্ষে রমজান মাসব্যাপী রোজা রাখার নির্দেশ প্রদান করা হয়। পরিভাষায় সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত খানাপিনা ও জৈন কামনা বাসনাসহ বৈধ জৈবিক চাহিদাও পূরণ থেকে বিরত থাকার নামই সিয়াম সাধনা বা রোজা। আল্লাহ তায়ালা কোন মাসকে অন্য মাসের উপর, কোন দিবসকে অন্য দিবসের উপর শ্রেষ্টত্ব দান করেছেন। এরকমই পবিত্র রমজানুল মোবারক হলো শ্রেষ্ঠ মাসের অন্যতম একটি মাস। এর প্রতি মুহূর্তে ইবাদত পাগল মুমিনদের উপর বর্ষিত হয় রহমতের বারিধারা। এজন্যই বহুগুন আমলের সওয়াব বেড়ে যায়। হাদিসে প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এরশাদ ফরমান, রমজানে আসমানের বরকতের দরজা খুলে যায়, জান্নাতের সব দুয়ার খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দুয়ার বন্ধ করে দেয়া হয়। মরদুদ শয়তান শৃঙ্খলিত হয়।
আল্লাহর বান্দদের জন্য রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মহান মুক্তি বার্তা নিয়ে ধাবমান হয় রমজান। এতে রয়েছে শবে কদরের রজনী, যা হাজারো মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ। এসব নানাবিধ মর্যাদা বৈশিষ্ট্যের অপূর্ব সমাহার মাহে রমজান। তাই তো রমজান মাসকে ইবাদতের বসন্তকাল বলা হয়ে থাকে। ইবাদত, তাকওয়া ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের উর্বর সময়। এ উর্বর সময়ে বান্দা যথাযথভাবে নিষ্ঠার সাথে কাজে লাগাতে পারলে একটুখানি সাধনা, ক্ষুদ্র পরিশীলন এবং অনুশীলন এ-র মাধ্যমে প্রশান্তির বারিধারায় সিক্ত হয়ে হাসিল করতে পারেন আল্লাহ তায়ালা’র মহাসন্তুষ্টি। তথা দুনিয়ায় কল্যাণ ও আখেরাতে মহামুক্তি।

ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে রোজা অন্যতম একটি স্তম্ভ। রোজার বিধান ও মাহাত্ম্য সম্পর্কে মহান আল্লাহ তায়ালা কুরআন কারিমে ইরশাদ করেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রমজানের রোজা ফরজ করা হয়েছে যেভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর ফরজ করা হয়েছিল, যাতে করে তোমরা মুত্তাকি হতে পার’।

হযরত কা’ব ইবনে উজরা (রা.) হতে বর্নিত, তিনি বলেন- একদা রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমাদেরকে বললেন, তোমরা মিম্বরের নিকট সমবেত হও। আমরা সকলেই তথায় উপস্থিত হলাম। যখন তিনি মিম্বরের প্রথম সিড়িঁতে পা রাখলেন,তখন বললেন, আমীন, যখন দ্বিতীয় সিঁড়িতে পা রাখলেন বললেন, আমীন, যখন তিনি তৃতীয় সিঁড়িতে পা রাখলেন বললেন, আমীন। হযরত কা’ব ইবনে উজরা (রা.) বলেন, যখন তিনি (মিম্বর থেকে) অবতরণ করলেন, আমরা জিজ্ঞেস করলাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আজ (মিম্বরে উঠার সময়) আমরা আপনাকে এমন কিছু কথা বলতে শুনেছি, যা ইতিপূর্বে কখনো শুনিনি। উত্তরে তিনি বললেন, জিবরাইল (আ.) আমার নিকট আগমন করেছিলেন, যখন আমি প্রথম সিড়িঁতে পা রাখলাম, তখন তিনি বললেন, ধ্বংস হোক ঐ ব্যক্তি যে রমজান মাস পেল, তবুও তার গুনাহ মাফ করাতে পারলো না। আমি বললাম, আমীন। যখন দ্বিতীয় সিড়িঁতে পা রাখলাম তখন বললেন, ধ্বংস হোক ঐ ব্যক্তি যার নিকট আপনার নাম উচ্চারিত হলো অথচ সে আপনার প্রতি দরূদ শরীফ পাঠ করলো না। আমি বললাম আমীন। যখন তৃতীয় সিড়িঁতে পা রাখলাম, তখন বললেন, ধ্বংস হোক ঐ ব্যক্তি যে তার পিতা-মাতা উভয়কে অথবা একজনকে পেল আর তারা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাতে পারল না। অর্থাৎ তাদের খেদমতের মাধ্যমে নিজেকে জান্নাতী করতে পারলো না। আমি বললাম, আমীন।

হযরত আবু হুরয়রা (রা.) বলেন, রমজান মাস লাভকারী ব্যক্তি যে উত্তমরূপে সিয়াম ও কিয়াম (রোজা, তারাবী ও অন্যান্য আমল) পালন করে, তার প্রথম পুরস্কার এই যে, সে গুনাহ থেকে ঐ দিনের মতো পবিত্র হয় যেদিন মায়ের গর্ভ থেকে ভূমিষ্ঠ হয়েছিল।

হযরত সালমান ফারসী (রা:) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, মহানবী (সা:) শা’বান মাসের শেষ দিন আমাদেরকে সম্বোধন করে ইরশাদ করেন, ‘হে লোক সকল! তোমরা মনযোগ দিয়ে শোনে রাখ, তোমাদের সামনে এমন একটি মাস সমাগত। যে মাস মহা পবিত্র, রহমত-বরকত ও নাজাতে ভরপুর। এই মাসের রোজাকে আল্লাহ তায়ালা তোমাদের উপর ফরজ করেছেন। যে লোক এই মাসে আল্লাহর সন্তুষ ও তার নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে রোজা রাখবে আল্লাহ তার পূর্ববর্তী সমস্ত গোনাহ মাফ করে দিবেন।

হজরত আবু সাঈদ খুদরী (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, আল্লাহ তাআলা রমজান মাসের প্রত্যেক দিবস ও রাত্রিতে অসংখ্য ব্যক্তিকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান করেন। এবং প্রত্যেক মুমিন বান্দার একটি করে দুআ কবুল করেন।

রমজান আমাদেরকে আল্লাহর রহমত লাভের সুবর্ণ সুযোগ করে দিয়েছে। এই দশকে আমরা বেশি বেশি করে ইবাদত-বন্দেগী, কুরআন তেলাওয়াত, দান সদকা, তওবা, ইস্তেগফার ও দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারি। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে পবিত্র এই মাসের যথাযথ হক আদায় করে রোজা, তারাবিহ, তাহাজ্জুদ, তেলাওয়াত সহ অন্যান্য নফল ইবাদতে আত্মনিয়োগ করার তাওফিক দিন।
নেফাকি বদচরিত্র- মিথ্যা, ওয়াদা খেলাপী, আমানতের খিয়ানত, অশ্লীলতা/অশ্লীল কথা বলা ইত্যাদি থেকে বিরত থেকে পরিপূর্ণ মুমিনের গুণাবলী অর্জন করার মাধ্যমে আগামীর সুন্দর একেক ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ গঠনের তৌফিক দিন। কায়মনোবাক্যে মহান রাব্বুল আলামিনের নিকট করি সেই মিনতি।

লেখক; সাংবাদিক ও কলামিস্ট।

বড়লেখার দাসের বাজারে “বিএনপি নেতা শরিফুল হক সাজুর” অর্থায়নে ফ্রি সবজি বিতরণ


নাহিদ আহমদ বড়লেখাঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখায় করোনা ভাইরাসের কারনে অঘোষিত লকডাউনে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। এতে অনেক গরিব দরিদ্র পরিবার খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন।

এসব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ও কাতার বিএনপির সাধারন সম্পাদক জনাব শরিফুল হক সাজু। সাজুর নিজ অর্থায়নে ২ নং দাসের বাজার ইউনিয়নের প্রায় ৫০০ টি পরিবারের মাঝে ফ্রি সবজি বিতরন করা হয়।

রবিবার (২৬ এপ্রিল) দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই সবজি বিতরন শুরু হয়। সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত চলে সবজি বিতরন। ৫০০ টি পরিবারের মধ্যে আলু, টমেটো, শসা, পাতা কবি, মরিচ, লাল শাক, ঢেড়শ বিতরন করা হয়।

উক্ত সবজি বিতরন উদ্বোধন করেন ২নং দাসের বাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব কমর উদ্দিন সাহেব।
এছাড়াও দাসের বাজার ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, সেচ্ছাসেবক দল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্তিত ছিলেন।

বড়লেখায় করোনা রুগী শনাক্ত, পুরো গ্রাম লক ডাউন

উপজেলা প্রশাসন


মোঃইবাদুর রহমান জাকির,সিনিয়র প্রতিবেদকঃ মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার দক্ষিন ভাগের কাশেমপুরে করোনা আক্রান্ত রুগী ধরা পড়ায় শনিবার রাত২টায় ঐ ব্যক্তির গ্রাম লকডাউন (অবরুদ্ধ) করেছে উপজেলা প্রশাসন।

বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রত্নদ্বীপ বিশ্বাস শনিবার রাত দুইটায় এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, করোনা আক্রান্ত ওই ব্যক্তির বাড়ি কাশেমনগর। প্রশাসন তাঁর গ্রাম লকডাউন করেছে।  ওই ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের কেউ করোনা আক্রান্ত কিনা তা নিশ্চিত নমুনা সংগ্রহ করা হবে। তিনি এখন সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি আছেন। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরান জানান, আক্রান্ত ব্যক্তির গ্রাম লকডাউন করা হয়েছে। এখন কেউ এই এলাকায় যেতে পারবেন না। আবার কেউ বের হতে পারবেন না। 

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, আক্রান্ত ওই ব্যক্তি পুরুষ। তাঁর বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর। তিনি  গত ২০ এপ্রিল  জ্বর-কাশিসহ করোনার উপসর্গ নিয়ে সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি হন। শনিবার সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেলের পিসিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় তাঁর করোনা পজেটিভ ধরা পড়ে।  তিনি এখন সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি আছেন। ওই ব্যক্তির বাড়ি উপজেলার দক্ষিণভাগ ইউনিয়নের কাশেমনগর গ্রামে।  তিনি সমনভাগ এলাকায় ছোলা ও পিয়াজু বিক্রি করতেন।

তারাদরমে চালু হলো ফ্রি সবজি বাজার’


ইবাদুর রহমান জাকিরঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৫নং দক্ষিন শাহবাজপুর ইউনিয়নের তারাদরম গ্রামের যুবকদের উদ্যোগে করোন প্রাদুর্ভাবে আটকে পড়া এলাকার নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেনীর মানুষের কষ্ট লাগবের কথা চিন্তা করে, এই মাহে রামজান মাসে প্রতি সাপ্তাহে একদিন এলাকায় ফ্রি সবজি( আলু, ডাল, টমেটো, ডিম, ছুলা(চানা), কাচা মরিচ, মিষ্টি কুমড়া ইত্যাদি থাকবে)ও ইফতার সামগ্রী বিতরনের আয়োজন শুরু করে শনিবার(২৫এপ্রিল)সকালে।

মহতি এই কার্যক্রমে এলাকার এক শ্রেণী যুবকের স্বর্তঃস্ফুত অংশগ্রহনে শুরু হয়। এলাকার দেশী ও প্রবাসী কিছু ভাইদের আর্থিক সহযোগিতায় ফ্রি সবজি ও ইফতার সামগ্রী বিতরনী শুরু হয়। এ অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন জসিম উদ্দিন, আশরাফুর রহমান, মুহাম্মদ খায়রুল ইসলাম, রুহেল আলিম,মাহমুদুল হাসান, আব্দুল কাইয়ুম, রুবেল আহমদ, গৌছ উদ্দিন,আফজালুর রহমান,রুবেল হোসাইন, নিজাম উদ্দিন, আমির হোসেন, মোহাম্মদ দিলু, কাশেম উদ্দিন, কাওছার আহমদ, আবুল হাশিম, আব্দুল আলিম, শরীফ উদ্দিন, আতিকুর রহমান নজমুল প্রমুখ।

দুর্নীতি’র সংবাদ প্রচার করায় জামিল হোসেনের উপর হামলা,বড়লেখা প্রেসক্লাবের নিন্দা

জাকির আহমদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ
হাকালুকি হাওরের দখল বাণিজ্যের সংবাদ প্রকাশের জেরে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘মৌলভীবাজার প্রতিদিন’র বড়লেখা উপজেলা প্রতিনিধি ও বড়লেখা প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক জামিল আহমদের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রাতে উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আহত সাংবাদিক জামিল একই ইউনিয়নের পাকশাইল গ্রামের মোঃছফির উদ্দিনের ছেলে। সে মৌলভীবাজার প্রতিদিন ছাড়াও মৌলভীবাজার সমাচার নামক পত্রিকাতেও বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে।

জানা যায়,গত ১৩ মার্চ হাকালুকি হাওরে সংখ্যালঘু ও নিরীহ লোকদের জমি দখল নিয়ে মৌলভীবাজার প্রতিদিনে ‘হাকালুকি হাওরে ক্ষনতাসীনদের দখল বাণিজ্য’ শিরোনামে অনুসন্ধানী একটি প্রতিবেদন লিখেছিলেন জামিল। এ সংবাদ প্রকাশের পর পরই সরকারী দলের নেতাকর্মীরা মোবাইল ফোনে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। তিনি হুমকির প্রতিকারে ১৩ মার্চ সন্ধায় বড়লেখা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) দায়ের করেন। বড়লেখা থানায় সাংবাদিক জামিলের দায়ের করা সে জিডি’র নাম্বার ২৯১। জিডি দায়েরের ২ দিন না পেরুতেই তার উপর ন্যাক্ষারজনক হামলা ঘটনা ঘটলো।

জানা যায়,১৫ মার্চ রাত ১০ টার দিকে সাংবাদিক জামিল আহমদ স্থানীয় ফকির বাজার থেকে তার গ্রামের বাড়ি পাকশাইল ফিরছিলেন। এসময় পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা কয়েকজন মুখোশধারী সন্ত্রাসী জামিলের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তার চিৎকার শুনে পথচারী ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় সাংবাদিক জামিলকে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।

এদিকে প্রেসক্লাবের তরুণ সদস্য,সাংবাদিক জামিল আহমদের উপর ন্যাক্ষারজনক হামলার নিন্দা জানিয়েছে বড়লেখা উপজেলা প্রেসক্লাব। প্রেসক্লাবের সভাপতি অসিত রঞ্জন দাস এবং সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র দাস হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন,’সত্য ও বস্তুনিষ্ট সংবাদ লিখে সমাজকে আলোকিত করাই সাংবাদিকদের কাজ। অন্যায়-অপকর্ম তুলে ধরার কারণে সাংবাদিক জামিল আহমদকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তার উপর হামলাকারীদেরকে গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখী করতে হবে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের গ্রেফতার করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান এই দুই সাংবাদিক নেতা।

দুর্নীতি’র সংবাদ প্রচার করায় জামিল হোসেনের উপর হামলা,বড়লেখা প্রেসক্লাবের নিন্দা

জাকির আহমদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ
হাকালুকি হাওরের দখল বাণিজ্যের সংবাদ প্রকাশের জেরে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘মৌলভীবাজার প্রতিদিন’র বড়লেখা উপজেলা প্রতিনিধি ও বড়লেখা প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক জামিল আহমদের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রাতে উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আহত সাংবাদিক জামিল একই ইউনিয়নের পাকশাইল গ্রামের মোঃছফির উদ্দিনের ছেলে। সে মৌলভীবাজার প্রতিদিন ছাড়াও মৌলভীবাজার সমাচার নামক পত্রিকাতেও বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে।

জানা যায়,গত ১৩ মার্চ হাকালুকি হাওরে সংখ্যালঘু ও নিরীহ লোকদের জমি দখল নিয়ে মৌলভীবাজার প্রতিদিনে ‘হাকালুকি হাওরে ক্ষনতাসীনদের দখল বাণিজ্য’ শিরোনামে অনুসন্ধানী একটি প্রতিবেদন লিখেছিলেন জামিল। এ সংবাদ প্রকাশের পর পরই সরকারী দলের নেতাকর্মীরা মোবাইল ফোনে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। তিনি হুমকির প্রতিকারে ১৩ মার্চ সন্ধায় বড়লেখা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) দায়ের করেন। বড়লেখা থানায় সাংবাদিক জামিলের দায়ের করা সে জিডি’র নাম্বার ২৯১। জিডি দায়েরের ২ দিন না পেরুতেই তার উপর ন্যাক্ষারজনক হামলা ঘটনা ঘটলো।

জানা যায়,১৫ মার্চ রাত ১০ টার দিকে সাংবাদিক জামিল আহমদ স্থানীয় ফকির বাজার থেকে তার গ্রামের বাড়ি পাকশাইল ফিরছিলেন। এসময় পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা কয়েকজন মুখোশধারী সন্ত্রাসী জামিলের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তার চিৎকার শুনে পথচারী ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় সাংবাদিক জামিলকে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।

এদিকে প্রেসক্লাবের তরুণ সদস্য,সাংবাদিক জামিল আহমদের উপর ন্যাক্ষারজনক হামলার নিন্দা জানিয়েছে বড়লেখা উপজেলা প্রেসক্লাব। প্রেসক্লাবের সভাপতি অসিত রঞ্জন দাস এবং সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র দাস হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন,’সত্য ও বস্তুনিষ্ট সংবাদ লিখে সমাজকে আলোকিত করাই সাংবাদিকদের কাজ। অন্যায়-অপকর্ম তুলে ধরার কারণে সাংবাদিক জামিল আহমদকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তার উপর হামলাকারীদেরকে গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখী করতে হবে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের গ্রেফতার করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান এই দুই সাংবাদিক নেতা।