“আলোকিত ফাউন্ডেশন সোনাতুলা”র উদ্যোগে এসএসসি উত্তীর্ণদের কৃতি সংবর্ধনা প্রদান।

নিজস্ব সংবাদঃ আলোকিত ফাউন্ডেশন সোনাতুলা’র উদ্যোগে সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয় হলরুমে এস এস সি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের কৃতি সংবর্ধনা ২০২২ অনুষ্টিত।

উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবক।

নারীশিক্ষা একাডেমি ড্রিগ্রী কলেজের প্রিন্সিপাল ও সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষানুরাগী সদস্য জনাব এ কে এম হেলাল উদ্দিন সাহেব এর সভাপতিত্বে ও সাবেক ইউপি সদস্য ফয়ছল আলম স্বপন এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ০৬ নং বড়লেখা সদর ইউপি চেয়ারম্যান জনাব ছালেহ আহমদ জুয়েল , বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব সায়ফুর রহমান, ডাইরেক্টর সিটি ক্লিনিক বড়লেখা।

শিক্ষার্থীর হাতে ক্রেস্ট তুলে দিচ্ছেন অতিথিবৃন্দ।

উপস্থিত ছিলেন আলোকিত ফাউন্ডেশন সোনাতুলার উপদেষ্টা সাবেক ইউপি সদস্য জনাব মুতিউর রহমান, জনাব হাজী আতাউর রহমান, জনাব হাজী ইসরাইল আলী,জনাব আব্দুস সত্তার, জনাব আব্দুর রাজ্জাক, জনাব আব্দুল হাফিজ, উপদেষ্টা ও বড়ময়দান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব ডাঃ সজল সরকার, জনাব ডাঃ রিংকু চক্রবর্তী,উপদেষ্টা ও সোনাতুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মাষ্টার জামিল আহমদ,জনাব নিবারন সরকার, জনাব শামলাল বিশ্বাস,সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি জনাব আব্দুর রাজ্জাক, সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আব্দুল লতিফ, শিক্ষক শিক্ষিকা বৃন্দ
উপস্থিত ছিলেন আলোকিত ফাউন্ডেশন এর সদস্য জনাব জাহেদ আহমদ, প্রবাসী দাতা সদস্য আলা উদ্দিন, শামছুল ইসলাম, সদস্য জনাব শাকিল আহমদ, জনাব আব্দুল কুদ্দুস, জনাব আশরাফুল ইসলাম, জনব জেবুল আহমদ, জনাব জুনেদ আহমদ, জনাব আব্দুস সামাদ, জনাব কামাল হোসেন, জনাব আব্দুল্লাহ আহমদ, জনাব কাওসার হোসেন,জনাব জাবেদ আহমদ, মুন্না আহমদ, মুন্না হোসেন, উজ্জল সরকার, সাগর সরকার, সৌরব সরকার,জাকারিয়া আহমদ আবিদ, মারজান আহমদ, এমরান হোসেন, সুলতান আহমদ প্রমুখ

বড়লেখায় কোলের শিশুকে হত্যার অভিযোগে বাবা আটক

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখায় আল-আমিন নামে দুইমাস বয়সী শিশুপুত্রকে হত্যার অভিযোগে আব্দুল মতিন (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার বিকেলে তিনটার দিকে তাকে আটক করা হয়। তিনি উপজেলার পূর্ব-দোয়ালিয়া (রামকটার টিলা) গ্রামের নিমার আলীর ছেলে। পুলিশ নিহত শিশুর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।

থানা পুলিশ, নিহত শিশুর মা লাবনী আক্তার ও মামা জাবেদ আহমদের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মতিন (৩২) ঘরে স্ত্রী রেখে একাধিক বিয়ে করেছে। এর জের ধরে লাবনী আক্তার ও তার স্বামী আব্দুল মতিনের দাম্পত্য কলহ চলছিল। রোববার বিকেলে আব্দুল মতিন ও স্ত্রী লাবনী আক্তারের মধ্যে ঝগড়া-ঝাটি চলছিল। আব্দুল মতিন স্ত্রীকে মারধরের একপর্যায়ে ৭০ দিনের শিশুপুত্রের উপরও আঘাত পড়ে। সন্ধ্যায় শিশুপুত্রসহ লাবনীকে বাবার বাড়ির লোকজন তাদের বাড়িতে নিয়ে যান। সোমবার সকালে শিশুপুত্রের শরীর খারাপ করলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

প্রথমবারের মতো আগারগাঁও পর্যন্ত চললো মেট্রোরেল

প্রথমবারের মতো আজ পরীক্ষামূলকভাবে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত চলেছে মেট্রোরেল। এর আগে মিরপুর ১০ নম্বর পর্যন্ত মোট ছয়টি স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেন চলাচল করেছে।

আজ সকাল পৌনে ১১টার দিকে প্রথমবারের মতো মেট্রোরেলটি আগারগাঁও পর্যন্ত আসে। ট্রেনটি ৪৫ মিনিট স্টেশনে দাড়িয়ে থাকে এবং পরবর্তীতে দিয়াবাড়ির উদ্দেশ্যে ফিরে যায়।

মেট্রোরেলটি উত্তরা নর্থ স্টেশন থেকে ঘন্টায় ১০০ কিঃমি গতিতে মিরপুর-১০ আসে। তারপর ১৫-২০ কিঃমি গতিতে আগারগাঁও স্টেশন পর্যন্ত এসে পৌছায়।

সবমিলিয়ে ২০২৩ সা‌লের ডি‌সেম্বরের মধ্যে দিয়াবা‌ড়ি থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ট্রেন চল‌বে এবং আগামী বছর ১৬ ডি‌সেম্বর থেকে দিয়াবা‌ড়ি থে‌কে আগারগাঁও অং‌শে যাত্রীবাহী ট্রেন চল‌বে।

Bangladesh Military Affairs

৫ জনকে অভিযুক্ত করে ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর হত্যা মামলার চার্জশীট দাখিল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সাংবাদিক সহ ৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে সিলেট পলিটেকনিক কলেজ ছাত্রলীগ কর্মী,বড়লেখা উপজেলার বর্ণী ইউনিয়নের আহমদপুর গ্রামের সাইফুর হত্যা মামলার চুড়ান্ত প্রতিবেদন (চার্জশীট) দাখিল করেছে পুলিশ। আজ (২৭ জুলাই) সকালে মৌলভীবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আলোচিত এ মামলার চার্জশীট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আতাউর রহমান।

আদালত এবং পুলিশ সূত্র জানায়,বড়লেখা প্রেসক্লাবের সদস্য,বর্ণি ইউনিয়নের পাকশাইল গ্রামের মোঃ ছফির উদ্দিনের ছেলে জামিল আহমদ,আহমদপুর গ্রামের আনছার আলীর ছেলে বাবলু হোসেন,জবলু হোসেন,কামাল হোসেন, এবং একই গ্রামের মৃত মস্তাব আলীর ছেলে জয়নাল উদ্দিন’কে চার্জশীটে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত ৫ জনের মধ্যে জামিল ছাড়া বাকী ৪ জন বর্তমানে কারাগারে আছেন।

উল্লেখ্য,গত বছরের ৩১ জুলাই বর্ণি ইউনিয়নের আহমদপুর গ্রামের আব্দুল আহাদের ছেলে,সিলেট পলিটেকনিক কলেজের ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমানের রহস্যজনক মৃত্যু হয়। বিকাল ৪ টার দিকে নিজ বাড়ির কক্ষ থেকে পুলিশ তার নিথর দেহ উদ্ধার করেছিল। লাশ পাঠানো হয় মর্গে। ময়নাতদন্ত শেষে পারিবারিক কবরস্থানে সাইফুরকে দাফন করা হয়। রহস্যজনক এ মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে পুলিশকে অপেক্ষা করতে হয় প্রায় ৩ মাস। ২০২০ সালের ২৬ অক্টোবর হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পৌঁছায় বড়লেখা পুলিশের হাতে। প্রতিবেদনে সাইফুরকে শ্বাসরোধে হত্যা করার বিষয়টি বলা হয়। তখন নিহত সাইফুর রহমানের ছোট ভাই এমদাদুর রহমান বাদী হয়ে আসামী অজ্ঞাতনামা রেখে একটি মামলা দায়ের করেন। ঐ দিন সন্ধ্যায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন আসামী হিসেবে আহমদপুর গ্রামের আনছার আলীর ৩ ছেলে বাবলু,জবলু এবং কামাল হোসেনকে আটক করে। গ্রেফতারকৃত এই ৩ জনের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে চলতি বছরের ৭ জানুয়ারী জয়নাল উদ্দিন নামে আরেক সন্দেহভাজন আসামীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। দীর্ঘ তদন্ত শেষে আজ কারাগারে থাকা ৪ জনের সাথে একই ইউনিয়নের বাসিন্দা সাংবাদিক জামিলকে যুক্ত করে আলোচিত এ মামলার চার্জশীট দিল পুলিশ।

হেফাজতে ইসলামের সম্মেলনে ১৫১ সদস্য কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা

এম. এম আতিকুর রহমান ঃ

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সম্মেলন আজ ১৫ নভেম্বর দিনব্যাপী হাটহাজারী মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে ব্যাপক আলাপ আলোচনা ও প্রস্তাবের মাধ্যমে সর্ব সম্মতিক্রমে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

এতে আমীরে হেফাজত নির্বাচিত হন- মজলুম জননেতা শায়খুল হাদীস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী ও মহাসচিব- জমিয়তের মহাসচিব শায়খুল হাদীস আল্লামা নুর হুসাইন কাসেমী।

উপদেষ্টামন্ডলীতে রয়েছেন বীর চট্টলার আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী, আমীরে মজলিস অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক, জমিয়তে সভাপতি শায়েখ মাওলানা জিয়া উদ্দিন,
মুফতী রশীদুর রহমান ফারুক পীর সাহেব বরুণী প্রমুখ।

নায়েবে আমীর হিসেবে খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আল্লামা ড. আহমদ আবদুল কাদের অন্যতম।

যুগ্ন মহাসচিবদের মধ্যে খতিবে বাঙাল মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, আল্লামা মামুনুল হক প্রমুখ অন্যতম।

সহকারী মহাসচিবদের মধ্যে খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর আল্লামা শাখাওয়াত হোসাইন, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, মাওলানা মুহাম্মদ শফিক উদ্দিন প্রমুখ অন্যতম।

প্রচার সম্পাদক- আজিজুল হক ইসলামাবাদী, আইন বিষয়ক সম্পাদক- জমিয়তের অ্যাডভোকেট মাওলানা শাহিনুর পাশা চৌধুরী,

আন্তর্জাতিক সম্পাদক- খেলাফত মজলিসের ইউরোপের পরিচালক সাবেক তুখোড় ছাত্রনেতা অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল কাদের সালেহ।

অন্যান্য দায়িত্বশীল ও সদস্যরা সহ ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

রায়হান হত্যাঃ বিক্ষুব্ধ জনতা উত্তাল সিলেট প্রতিমধ্যে পুলিশি বাধা।


মোঃইবাদুর রহমান জাকিরঃ

পুলিশি নির্যাতনে’ যুবক আখলিয়ার রায়হান মৃত্যুর ৫ দিনেও উত্তাল ছিল সিলেট। একই দিন রাস্তা থেকে সাধারণ জনতাকে সরিয়ে দিতে গেলে উল্টো পুলিশকে ধাওয়া করে বিক্ষুব্ধ জনতা।

(১৫অক্টোবর) বৃহস্পতিবার বিকালে রায়হানের বাসার কাছে নেহারীপাড়ায় সিলেটে-সুনামগঞ্জ সড়কে জনতা টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেছে।

একই সময়ে সুবিদবাজারে ও দুপুরে আম্বরখানা পয়েন্টে ও শহীদ মিনারে, সন্ধ্যায় কোর্ট পয়েন্টে পৃথক প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানব অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনে বক্তরা অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের গ্রেফতার ও ফাঁসি দাবি করে বলেন, পুলিশ হেফাজতে কারো মৃত্যু কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না।

এর আগে দুপুরে নিহত রায়হানের মা সালমা বেগমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট লোকজন রেজিস্ট্রি মাঠ থেকে মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসক এম, কাজী এমদাদুল ইসলামের নিকট রায়হান হত্যাকারীদের বিচার ও দোষীদের গ্রেফতার দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছেন।

এদিকে বিকালে পাঠানটুলায় রাস্থা অবরোধ করলে পুলিশ তাদেরকে সরিয়ে দিতে গেলে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী পুলিশকে ধাওয়া করে।

অভিযোগ উঠেছে সিলেটে বন্দর বাজার ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনে মারা যান রায়হান।

নিহতের চাচা মো. হাবিবুল্লাহ জানান, ভোর রাত চারটার দিকে রায়হান একজন পুলিশ সদস্যের ফোন দিয়ে তার মায়ের মোবাইলে কল করে বলে, ‘আমারে বাঁচাও, ১০ হাজার টাকা লইয়া তাড়াতাড়ি ফাঁড়িতে আসেন। ’ এরপর পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিত হন রায়হানকে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।

মো. হাবিবুল্লাহর দাবি, কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদে ফজরের নামাজ পড়ে পাশের ফাঁড়িতে রায়হানের সন্ধানে গেলে ডিউটিরত কনস্টেবল তাকে জানান- ‘সবাই ঘুমে। সকালে আসেন। এ সময় ১০ হাজার টাকা নিয়ে তাকে ফাঁড়িতে যেতে বলা হয়।

নিহতের চাচা বলেন, পরে ৫ হাজার টাকা সংগ্রহ করে ফাঁড়িতে গেলে পুলিশ বলে রায়হান অসুস্থ। ওসমানী মেডিকেলে যান। এরপর মেডিকেল হাসপাতালের মর্গে এসে দেখেন রায়হানের লাশ। এই ঘটনায় নগরীতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

হাবিবুল্লাহ বলেন, রায়হানের পায়ের তলা ও হাঁটুর নিচসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার হাতের নখ উপড়ে ফেলা হয়েছে। ফাঁড়ির ভেতর ‘পুলিশ নির্যাতন’ করে তাকে হত্যা করেছে বলেও অভিযোগ তার।

এ ঘটনায় রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

এদিকে রায়হানের শরীরে অতিরিক্ত আঘাতের কারণেই মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. শামসুল ইসলাম। দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

ডা. শামসুল বলেন, রায়হানের শরীরে অনেকগুলো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাকে প্রচণ্ড মারধর করা হয়। এসব কারণেই তার মৃত্যু হতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে এ ব্যাপারে বিস্তারিত বলা যাবে।

আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুতে বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রীর শোক প্রকাশ।


মোঃইবাদুর রহমান জাকির

হেফাজতে ইসলামের আমির, হাটহাজারী মাদ্রাসার দীর্ঘদিনের মহাপরিচালক আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আলহাজ্ব মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি।

আজ এক শোক বার্তায় পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমে-দ্বীন মওলানা আল্লামা আহমদ শফী দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি দেশের কওমী মাদ্রাসাগুলোর মধ্যে প্রাচীন ও বৃহত্তম চট্টগ্রামের হাটহাজারী দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার মহাপরিচালক হিসেবে কওমী মাদ্রাসাগুলোর নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশে ইসলামী শিক্ষার বিস্তার ও স্বীকৃতি অর্জনে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য। পরিবেশ মন্ত্রী আজ এক শোকবার্তায় মরহুমের বিদ্রেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

উল্লেখ্য, উপমহাদেশের বিখ্যাত আলেমে দ্বীন, বাংলাদেশের কওমি মাদ্রাসা সমূহের শীর্ষ সংগঠন আল হাইয়াতুল উলিয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া এর চেয়ারম্যান, বেফাকুল মাদারিস, বাংলাদেশের চেয়ারম্যান, আল-জামিয়াতুল আহলিয়া মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী, চট্টগ্রাম মাদ্রাসার সম্মানিত মহাপরিচালক আল্লামা শাহ আহমদ শফী আজ বিকেলে রাজধানী ঢাকার গেণ্ডারিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পাখিয়ারটিলা গ্রামে ১৯১৬ সালে জন্মগ্রহণকারী শাহ আহমদ শফী মৃত্যুকালে দুই ছেলে ও তিন মেয়ে ও অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

বর্ণিতে ৩২ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার,ছাত্রলীগ সভাপতির চাচা আটক।

জামিল আহমদ, স্টাফ রিপোর্টারঃ- বর্ণি ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতির চাচার দোকান থেকে সরকারি ৩২ বস্তা চাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সুমন চন্দ্র দাসের চাচা প্রদীপ চন্দ্র দাস (৪৭) কে আটক করেছে পুলিশ।গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪ টায় বড়লেখা উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নের ফকির বাজারে এই চাল উদ্ধারের ঘটনাটি ঘটে। ছাত্রলীগ সভাপতি সুমনের পিতা ও আটক প্রদীপ চন্দ্র দাসের ভাই সুবোধ চন্দ্র দাস বর্ণি ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ড মেম্বার।

কুলাউড়া-বড়লেখা-জুড়ি সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাদেক কাওসার দস্তগির চাল উদ্ধার ও আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গোপন সূত্রে বড়লেখা ফুড ইন্সপেক্টরের কাছে খবর আসে। তিনি আমাদের জানালে তাৎক্ষনিক উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ওসি ঘটনাস্থলে গিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩২ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার করা হয়। এসময় প্রদীপ চন্দ্র দাসকে আটক করা হয়।

এদিকে বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরান চাল উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সরকারি গুদামের ৩২ বস্তা চাল উদ্ধার করেছি। এগুলো ভিজিডি ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল। ঐই ব্যবসায়ী বলেছেন, এগুলো উপকারভোগীদের কাছ থেকে কিনেছেন। কিন্তু এটা কেনাও অন্যায়। এইগুলো কেউ বিক্রি করতে পারেন না। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হবে। তিনি আরো বলেন করোনাকালীন সময়েও এই রকমের চাল চুরি যাহা নিতান্তই দুঃখজনক।

দুর্নীতি’র সংবাদ প্রচার করায় জামিল হোসেনের উপর হামলা,বড়লেখা প্রেসক্লাবের নিন্দা

জাকির আহমদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ
হাকালুকি হাওরের দখল বাণিজ্যের সংবাদ প্রকাশের জেরে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘মৌলভীবাজার প্রতিদিন’র বড়লেখা উপজেলা প্রতিনিধি ও বড়লেখা প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক জামিল আহমদের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রাতে উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আহত সাংবাদিক জামিল একই ইউনিয়নের পাকশাইল গ্রামের মোঃছফির উদ্দিনের ছেলে। সে মৌলভীবাজার প্রতিদিন ছাড়াও মৌলভীবাজার সমাচার নামক পত্রিকাতেও বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে।

জানা যায়,গত ১৩ মার্চ হাকালুকি হাওরে সংখ্যালঘু ও নিরীহ লোকদের জমি দখল নিয়ে মৌলভীবাজার প্রতিদিনে ‘হাকালুকি হাওরে ক্ষনতাসীনদের দখল বাণিজ্য’ শিরোনামে অনুসন্ধানী একটি প্রতিবেদন লিখেছিলেন জামিল। এ সংবাদ প্রকাশের পর পরই সরকারী দলের নেতাকর্মীরা মোবাইল ফোনে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। তিনি হুমকির প্রতিকারে ১৩ মার্চ সন্ধায় বড়লেখা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) দায়ের করেন। বড়লেখা থানায় সাংবাদিক জামিলের দায়ের করা সে জিডি’র নাম্বার ২৯১। জিডি দায়েরের ২ দিন না পেরুতেই তার উপর ন্যাক্ষারজনক হামলা ঘটনা ঘটলো।

জানা যায়,১৫ মার্চ রাত ১০ টার দিকে সাংবাদিক জামিল আহমদ স্থানীয় ফকির বাজার থেকে তার গ্রামের বাড়ি পাকশাইল ফিরছিলেন। এসময় পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা কয়েকজন মুখোশধারী সন্ত্রাসী জামিলের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তার চিৎকার শুনে পথচারী ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় সাংবাদিক জামিলকে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।

এদিকে প্রেসক্লাবের তরুণ সদস্য,সাংবাদিক জামিল আহমদের উপর ন্যাক্ষারজনক হামলার নিন্দা জানিয়েছে বড়লেখা উপজেলা প্রেসক্লাব। প্রেসক্লাবের সভাপতি অসিত রঞ্জন দাস এবং সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র দাস হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন,’সত্য ও বস্তুনিষ্ট সংবাদ লিখে সমাজকে আলোকিত করাই সাংবাদিকদের কাজ। অন্যায়-অপকর্ম তুলে ধরার কারণে সাংবাদিক জামিল আহমদকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তার উপর হামলাকারীদেরকে গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখী করতে হবে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের গ্রেফতার করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান এই দুই সাংবাদিক নেতা।

দুর্নীতি’র সংবাদ প্রচার করায় জামিল হোসেনের উপর হামলা,বড়লেখা প্রেসক্লাবের নিন্দা

জাকির আহমদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ
হাকালুকি হাওরের দখল বাণিজ্যের সংবাদ প্রকাশের জেরে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘মৌলভীবাজার প্রতিদিন’র বড়লেখা উপজেলা প্রতিনিধি ও বড়লেখা প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক জামিল আহমদের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রাতে উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আহত সাংবাদিক জামিল একই ইউনিয়নের পাকশাইল গ্রামের মোঃছফির উদ্দিনের ছেলে। সে মৌলভীবাজার প্রতিদিন ছাড়াও মৌলভীবাজার সমাচার নামক পত্রিকাতেও বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে।

জানা যায়,গত ১৩ মার্চ হাকালুকি হাওরে সংখ্যালঘু ও নিরীহ লোকদের জমি দখল নিয়ে মৌলভীবাজার প্রতিদিনে ‘হাকালুকি হাওরে ক্ষনতাসীনদের দখল বাণিজ্য’ শিরোনামে অনুসন্ধানী একটি প্রতিবেদন লিখেছিলেন জামিল। এ সংবাদ প্রকাশের পর পরই সরকারী দলের নেতাকর্মীরা মোবাইল ফোনে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। তিনি হুমকির প্রতিকারে ১৩ মার্চ সন্ধায় বড়লেখা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) দায়ের করেন। বড়লেখা থানায় সাংবাদিক জামিলের দায়ের করা সে জিডি’র নাম্বার ২৯১। জিডি দায়েরের ২ দিন না পেরুতেই তার উপর ন্যাক্ষারজনক হামলা ঘটনা ঘটলো।

জানা যায়,১৫ মার্চ রাত ১০ টার দিকে সাংবাদিক জামিল আহমদ স্থানীয় ফকির বাজার থেকে তার গ্রামের বাড়ি পাকশাইল ফিরছিলেন। এসময় পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা কয়েকজন মুখোশধারী সন্ত্রাসী জামিলের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তার চিৎকার শুনে পথচারী ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় সাংবাদিক জামিলকে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।

এদিকে প্রেসক্লাবের তরুণ সদস্য,সাংবাদিক জামিল আহমদের উপর ন্যাক্ষারজনক হামলার নিন্দা জানিয়েছে বড়লেখা উপজেলা প্রেসক্লাব। প্রেসক্লাবের সভাপতি অসিত রঞ্জন দাস এবং সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র দাস হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন,’সত্য ও বস্তুনিষ্ট সংবাদ লিখে সমাজকে আলোকিত করাই সাংবাদিকদের কাজ। অন্যায়-অপকর্ম তুলে ধরার কারণে সাংবাদিক জামিল আহমদকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তার উপর হামলাকারীদেরকে গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখী করতে হবে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের গ্রেফতার করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান এই দুই সাংবাদিক নেতা।