“আলোকিত ফাউন্ডেশন সোনাতুলা”র উদ্যোগে এসএসসি উত্তীর্ণদের কৃতি সংবর্ধনা প্রদান।

নিজস্ব সংবাদঃ আলোকিত ফাউন্ডেশন সোনাতুলা’র উদ্যোগে সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয় হলরুমে এস এস সি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের কৃতি সংবর্ধনা ২০২২ অনুষ্টিত।

উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবক।

নারীশিক্ষা একাডেমি ড্রিগ্রী কলেজের প্রিন্সিপাল ও সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষানুরাগী সদস্য জনাব এ কে এম হেলাল উদ্দিন সাহেব এর সভাপতিত্বে ও সাবেক ইউপি সদস্য ফয়ছল আলম স্বপন এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ০৬ নং বড়লেখা সদর ইউপি চেয়ারম্যান জনাব ছালেহ আহমদ জুয়েল , বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব সায়ফুর রহমান, ডাইরেক্টর সিটি ক্লিনিক বড়লেখা।

শিক্ষার্থীর হাতে ক্রেস্ট তুলে দিচ্ছেন অতিথিবৃন্দ।

উপস্থিত ছিলেন আলোকিত ফাউন্ডেশন সোনাতুলার উপদেষ্টা সাবেক ইউপি সদস্য জনাব মুতিউর রহমান, জনাব হাজী আতাউর রহমান, জনাব হাজী ইসরাইল আলী,জনাব আব্দুস সত্তার, জনাব আব্দুর রাজ্জাক, জনাব আব্দুল হাফিজ, উপদেষ্টা ও বড়ময়দান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব ডাঃ সজল সরকার, জনাব ডাঃ রিংকু চক্রবর্তী,উপদেষ্টা ও সোনাতুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মাষ্টার জামিল আহমদ,জনাব নিবারন সরকার, জনাব শামলাল বিশ্বাস,সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি জনাব আব্দুর রাজ্জাক, সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আব্দুল লতিফ, শিক্ষক শিক্ষিকা বৃন্দ
উপস্থিত ছিলেন আলোকিত ফাউন্ডেশন এর সদস্য জনাব জাহেদ আহমদ, প্রবাসী দাতা সদস্য আলা উদ্দিন, শামছুল ইসলাম, সদস্য জনাব শাকিল আহমদ, জনাব আব্দুল কুদ্দুস, জনাব আশরাফুল ইসলাম, জনব জেবুল আহমদ, জনাব জুনেদ আহমদ, জনাব আব্দুস সামাদ, জনাব কামাল হোসেন, জনাব আব্দুল্লাহ আহমদ, জনাব কাওসার হোসেন,জনাব জাবেদ আহমদ, মুন্না আহমদ, মুন্না হোসেন, উজ্জল সরকার, সাগর সরকার, সৌরব সরকার,জাকারিয়া আহমদ আবিদ, মারজান আহমদ, এমরান হোসেন, সুলতান আহমদ প্রমুখ

রাত পোহালেই কাতার বিশ্বকাপ

আর মাত্র কয়েকঘণ্টা। রাত পোহালেই বিশ্বকাপের দিন। রোববার মরুর দেশ কাতারে শুরু হচ্ছে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত ও আকর্ষণীয় ইভেন্ট বিশ্বকাপ ফুটবল। ৩২ দেশের এই মহারণ ঘিরে বিশ্বজুড়ে ফুটবল প্রিয় মানুষের উত্তেজনা তুঙ্গে।

চার বছর ধরে অপেক্ষার যে পালা, তা শেষ হবে রোববার বাংলাদেশ সময় রাত ১০ টায়। কাতারের আল বাইত স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক দেশ কাতার এবং লাতিন আমেরিকার অন্যতম শক্তিশালী দল ইকুয়েডর।

বিশ্বকাপ ঘিরে বাংলাদেশের মানুষ দুই ভাগে বিভক্ত। মেসির আর্জেন্টিনা ও নেইমারের ব্রাজিলকে ঘিরেই এই জনপথের মানুষের সর্বাধিক আগ্রহ। অন্য কিছু দলর সমর্থক থাকলেও তা ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার তুলনায় নগণ্য।

রাত জেগে বিশ্বকাপের খেলা দেখার জন্য দর্শক-সমর্থকরাও প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে। প্রিয় দলের পতাকা উত্তোলন করে এবং ব্যানার টানিয়ে বিশ্বকাপকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ফুটবলপ্রেমীরা। সবার এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা সেই মাহেন্দ্রক্ষণের জন্য।

ফুটবল যে বাঙালির প্রাণের খেলা সেটা প্রমাণ হয় চার বছর পর বিশ্বকাপ আসলে। বিশ্বকাপের সময় বাংলাদেশের মানুষ যেভাবে উৎসব-আনন্দে মেতে ওঠে তা অবাক করার মতো। নিজেদের দেশ বিশ্বকাপের কাছাকাছি যেতে না পারলেও অন্যদেশ নিয়ে আনন্দের কমতি নেই। এমনকি ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকরা মারামারি পর্যন্ত করে বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়ে। যা ভিনদেশের গণমাধ্যমে খবরের রসদ জোগায়।

পথে-ঘাটে, অফিস-আদলতে এখন প্রধান আলোচনা বিশ্বকাপ। মেসির আর্জেন্টিনা জিতবে? নাকি নেইমারের ব্রাজিল? রোনালদোর পর্তুগালই বা কতদূর গিয়ে থামবে। নাকি এক আসর বিরতি দিয়ে জার্মানি আবার বাজিমাত করবে বিশ্ব্কাপ? এসব তর্ক এখন মানুষের মুখেমুখে। এই দলগুলোর বাইরে ফ্রান্স, স্পেন ও ইংল্যান্ডকেও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দাবিদার মানছে অনেকে।

শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে দামী এই ট্রফি কাদের হাতে উঠবে তা দেখতে অপেক্ষা করতে হবে এক মাস। ১৮ডিসেম্বর ফাইনালের পরই পাওয়া যাবে কাতারজয়ী দলটির নাম। স্বাগতিক কাতার বিশ্বকাপ জেতার সম্ভাব্য দেশগুলোর তালিকায় না থাকলেও আয়োজক হিসেবে দেশটি কতদূর যেতে পারে তাও আলোচনায় রয়েছে।

এশিয়ায় দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রথমবার হয়েছিল ২০০২ সালে জাপান-কোরিয়ায়। প্রথম এশিয়ায় হওয়া বিশ্বকাপের ট্রফি উড়িয়ে নিয়েছিল পেলের দেশ ব্রাজিল।

বড়লেখায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে নিসচার বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও সমাবেশ।

বড়লেখা প্রতিনিধিঃ “আইন মেনে সড়কে চলি, নিরাপদে ঘরে ফিরি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২২ উপলক্ষে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) বড়লেখা উপজেলা শাখার উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১১ ঘটিকায় বড়লেখা পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক পদক্ষিন করে উপজেলা পরিষদ চত্তরে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে র‍্যালী শেষ হয়।

জাতীয় সামাজিক সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই নিসচা’র কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সদস্য ও বড়লেখা উপজেলা শাখার সভাপতি তাহমীদ ইশাদ রিপনের তত্বাবধানে এবং সাধারণ সম্পাদক আইনুল ইসলামের পরিচালনায় র‍্যালী ও সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বিবেকানন্দ দাস নান্টু, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহীদ-উল ইসলাম প্রিন্স, ডিএসপি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, নিসচার উপদেষ্টা ইকবাল হোসাইন, পৃষ্টপোষক তপন চৌধুরী, মোহাম্মদ তারেক হাসনাত, সহ-সভাপতি মার্জানুল ইসলাম, আব্দুল আজিজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম শিরুল, নোমান উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাস্টার খালেদ আহমদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, প্রকাশনা সম্পাদক মারুফ হোসাইন সুমন, প্রচার সম্পাদক নূরে আলম মোহন, দুর্ঘটনা অনুসন্ধান বিষয়ক সম্পাদক রমা কান্ত দাস, দপ্তর সম্পাদক রাসেল আহমদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অপুজিত দাস, একতা রক্তদান সংস্থা’র উপদেষ্টা ব্যবসায়ী জমির উদ্দিন, পাবলিকেশন সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক রুবেল হোসাইন, মানবসেবা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম শুভ।

এছাড়াও নিসচার কার্যনির্বাহী সদস্য সাব্বির আহমদ, হাফিজুর রহমান জিল্লুর, এনাম উদ্দিন, সাধারণ সদস্য গণেশ কর, অজিত রবি দাস, জুনেদ আহমদ, কবির আহমদ, আব্দুল হামিদ, মাহমুদ আলম তুহিন, সাইফুর রহমান মুন্নাসহ আরোও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সকল পর্যায়ের জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, আজ ২২ শে অক্টোবর যার মৃত্যুর মাধ্যমে এদেশে নিরাপদ সড়ক চাই নামে সামাজিক আন্দোলনের সূচনা নিসচার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের সহধর্মিণী জাহানার কাঞ্চন। তিনি সড়কে প্রাণ বিসর্জন দিয়ে আমাদের শিখিয়ে দিয়ে গেছেন যে, ‘সড়ক দুর্ঘটনা’ নিছক নিয়তি নয়। এটা মানবসৃষ্ট একটি ব্যাধি। এই ব্যাধি থেকে পরিত্রাণ পাবার জন্যই ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ নামে একটি সামাজিক আন্দোলনের জন্ম হয়েছে। পরবর্তীতে সাড়া দেশের মানুষের প্রাণের দাবীতে পরিণত হয়েছে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’। তাই সর্বোস্তরের জনগণের দাবীকে আমলে নিয়ে, বাংলাদেশ সরকার, জাহানারা কাঞ্চনের মৃত্যু দিন- ২২ শে অক্টোবর’কে ‘জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস’ হিসেবে ঘোষনা দিয়েছে কয়েক বছর আগেই।

জাতীয় সামাজিক সংগঠন নিসচার কার্যক্রম কারো বিরুদ্ধে নয়, এটা সামাজিক সংগঠন। সমাজের সকলকে নিয়ে নিসচা আন্দোলন করে যাচ্ছে। সকলের সহযোগিতা নিয়েই বাংলাদেশকে সড়ক দুর্ঘটনামুক্ত রাখতে নিসচা কর্মীরা অঙ্গীকারবন্ধ। এসময় তাঁরা সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর বিধিমালা বাস্তবায়নের জোর দাবী জানান।

তারা আরোও বলেন, নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখা সড়ক দুর্ঘটনারোধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক-মানবিক, স্বেচ্ছাসেবী, ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক অঙ্গণেও নিসচার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, এদিকে বেলা ১২ ঘটিকায় উপজেলা প্রশাসন ও নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখার যৌথ উদ্যোগে উপজেলা পরিষদের হলরুমে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাহাঙ্গীর হোসাইনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা সোয়েব আহমদ।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধানের সাথে মেক্সিকো সেনাবাহিনীর কমান্ডার এর সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশে সফররত মেক্সিকো সেনাবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল ইউফেমিও আলবার্তো ইবারা ফ্লোরস (General Eufemio Alberto Ibarra Flores) আজ সোমবার (১৩-১২-২০২১) সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, এসবিপি, ওএসপি, এনডিইউ, পিএসসি, পিএইচডি এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে তাঁরা পারস্পরিক কুশলাদি বিনিময় ছাড়াও দু’দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান সুসম্পর্ক ও ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রায় পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।

পরবর্তীতে সেনাসদর হেলমেট কনফারেন্স রুমে সকল পিএসও গনের উপস্থিতিতে সেনাবাহিনী প্রধান তাঁর স্বাগত বক্তব্য রাখেন, অতপর মেক্সিকো সেনাবাহিনীর কমান্ডারকে ব্রিফিং প্রদান করা হয়ু এরপরে মেক্সিকো সেনাবাহিনীর কমান্ডার তাঁর বক্তব্য পেশ করেন। সভায় দু’দেশের মধ্যকার সম্পর্ক ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্র সমূহ চিহ্নিত করা হয়। এই সাক্ষাতের মধ্যে দিয়ে মেক্সিকো এবং বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্কের নতুন দ্বার উন্মোচিত হলো।

এর আগে, সেনাবাহিনী প্রধানের সাথে সাক্ষাতের পূর্বে মেক্সিকো সেনাবাহিনীর কমান্ডার ঢাকা সেনানিবাসস্থ শিখা অনির্বাণে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শাহাদৎ বরণকারী বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর সেনাকুঞ্জে তাঁকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে।

উল্লেখ্য, জেনারেল ইউফেমিও আলবার্তো এর নেতৃত্বে ০৫ সদস্যের মেক্সিকান সেনাবাহিনীর একটি প্রতিনিধি দল ০৮ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে গত ১১ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখ ঢাকায় আগমন করেন। প্রতিনিধি দলটি বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমি এবং সিলেট সেনানিবাস পরিদর্শন করবেন। এছাড়াও বাংলাদেশে সফররত প্রতিনিধি দলটি মহান বিজয় দিবস প্যারেড ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন। সফর শেষে প্রতিনিধি দলটি আগামী ১৮ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখ মেক্সিকোতে প্রত্যাবর্তন করবেন।

© ISPR

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডকে ২৪টি বোট উপহার দিয়েছে জাপান

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডকে ২৪টি বোট উপহার দিয়েছে জাপান…

বাংলাদেশ ও জাপানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ৫০ পূর্তি উপলক্ষ্যে কোস্ট গার্ডের কার্যক্রমকে আরও বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাপানের উন্নয়ন সংস্থা জাইকার অর্থায়নে সর্বমোট ২৪টি বোট উপহার দেওয়া হয়েছে।

২৪টি বোটের মাঝে ৪টি (২০মিটার) তেল দূষণ নিয়ন্ত্রণকারী। কোস্ট গার্ডের বহরে প্রথমবারের মতো অত্যাধুনিক এসব বোট যুক্ত হচ্ছে। এই বোটগুলো ২৫ নটিক্যাল মাইল বেগে চলতে সক্ষম। বাকি ২০টি (১০ মিটার) বোট টহল ও উদ্ধার মিশনে ব্যবহৃত হবে। এর সর্বোচ্চ গতি ৩৫ নটিক্যাল মাইল।

কোস্ট গার্ডের ভূমিকার জন্য চট্রগ্রাম বন্দর এখন জলদস্যু মুক্ত। তাদেরকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গতকাল বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে জাহাজগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।

Bangladesh Military Affairs

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর মধ্যে যৌথ প্রশিক্ষণ ও মহড়া ‘কারাত- ২০২১’ সমাপ্ত

বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর মধ্যে যৌথ প্রশিক্ষণ ও মহড়া Cooperation Afloat Readiness and Training (CARAT)- 2021 এর সমাপনী অনুষ্ঠান আজ বৃহস্পতিবার (০৯-১২-২০২১) চট্টগ্রামস্থ বানৌজা ঈসাখানে স্কুল অফ মেরিটাইম ওয়ারফেয়ার এন্ড ট্যাকটিকস (এসএমডব্লিউটি) এর মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সহকারী নৌপ্রধান (অপারেশন্স) রিয়ার এডমিরাল এম আশরাফুল হক এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত এইচ.ই. মিঃ আর্ল আর. মিলার (H.E. Mr Earl R. Miller) উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ, মহড়ায় অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজের অধিনায়কগণ ও আমন্ত্রিত অন্যান্য অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

যৌথ এ প্রশিক্ষণ ও মহড়ায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর মধ্যকার সর্ববৃহৎ যৌথ মহড়া। উক্ত মহড়ায় উভয় দেশের ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে Subject Matter Expert Exchange (SMEE) সহ প্রত্যক্ষভাবে সমুদ্র মহড়ায় অংশগ্রহণ করে। যৌথ এ প্রশিক্ষণ ও মহড়ার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সু-সম্পর্কের আরো উন্নতি হবে এবং Maritime Security -র বিষয়ে উভয় দেশের পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

© Bangladesh Navy