সন্তানের কাঁধে পিতার লাশ বড় বোঝা-এই বোঝা বয়ে বেড়াতে হয় শেষ অব্দি।

ছাইদুল মাহবুব, বড়লেখাঃ জন্মিলেই মরিতে হয় এটাই রূঢ় বাস্তবতা। এমনই এক রূঢ় বাস্তবতার শিকার মাওলানা হাফিজ লুৎফুর রহমান (রহ.) এর সন্তানেরা! পৃথিবীর আলো বাতাস বুঝে ওঠার আগেই হারাতে হয় মমতাময়ী মা’কে।মা হারানোর যন্ত্রণা ভুলতে না ভুলতেই হারাতে হলো প্রিয়তম পিতা’কে।

পিতামাতার এই শূন্যতা মুছে দেবে কে? কার হাত ধরেইবা স্কুলে যাবে তারা? তবুও এই শোক কে শক্তিতে পরিণত করে লড়তে হবে তাদেরকে।এই আলো হাওয়া জলের জীবন ছেড়ে একদিন তাদেরকে পা রাখতে হবে চাঁদের মাটিতে।বাবার স্বপ্নরা বৃথা যেতে পারেনা।হুজুরের জীবনের অন্তিম মুহুর্তে কোরআন থেকে যে কটি নসিহত করে গেছেন ছেলে মেয়েদের উদ্দেশ্যে তার মধ্যে একটি হচ্ছে তার কথার চেয়ে আর কার কথা উত্তম হতে পারে?
যে মানুষকে আল্লাহর পথে ডাকে,নেক আমল করে আর ঘোষণা করে আমি মুসলমানদের অন্তর্ভুক্ত।

অতএব,নেক আমল করার পাশাপাশি আল্লাহর পথে- দাওয়াতের ময়দানে কাজ করার জন্য উপদেশ দিয়ে গেছেন।অপচয় না করার কথা বলতে গিয়ে বলেছেন অপচয়কারী শয়তানের ভাই।এমনই গুরুত্বপূর্ণ বেশকিছু নসিহত করে গেছেন হুজুর।তাঁর ছেলে মেয়েরা সফলতার শীর্ষে যেতে পাশে দাঁড়ানোর বিকল্প নেই।তাদের জীবন থেকে যে ভালোবাসার জায়গা গুলো হারিয়ে গেছে চিরতরে সে জায়গা গুলো কখনো ফিরে পাবার নয়।তবুও আমরা কি পারিনা তাদেরকে ভালোবেসে বুকে জড়িয়ে নিতে।

পৃথিবীর সব পিতা’রাই চায় তাঁর সন্তান যেনো সফলতার শীর্ষে পোঁছাক।কিন্তু সফলতার গল্প দেখে ক’জন পিতা’ই মরতে পারেন? হুজুরের রুহানি সন্তানরা আসুন হুজুরের অসমাপ্ত কাজ তাঁর সন্তানদেরকে সফলতার সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছাতে স্নেহ,মমতায়, ভালোবসে পাশে দাঁড়াই।

Leave a comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.