
এম আতিকুর রহমানঃ একে একে দেশের ৬৪ টি জেলা অতিক্রম করে করোনা ভাইরাস এখন উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। আমরা যেনো পৌঁছে দিয়েছি অভিজাত এই ভাইরাসটিকে।
সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার, জকিগঞ্জ, গোলাপগঞ্জ, বিশ্বনাথ, বালাগঞ্জ সহ একে একে ফেঞ্চুগঞ্জ, দক্ষিণ সুরমায় ও করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। গোলাপগঞ্জে এক করোনা আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে এসে একই পরিবারের ১৩ জন করোনা আক্রান্ত হন!
মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা জুড়ী সহ প্রতিটি উপজেলায় একাধিক সনাক্ত ও আক্রান্ত হয়ে কঠিন পরিস্থিতির দিকে ধাবমান।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৮ মে, ২০২০ পর্যন্ত সিলেট অঞ্চলে মোট করোনায় আক্রান্ত (শনাক্তকৃত) ৪৩৩ জন (সিলেট জেলায়-১৬৬ জন, হবিগঞ্জে-১৩২ জন, সুনামগঞ্জে-৭৫ জন ও মৌলভীবাজারে-৬১ জন)।
সারা দেশে যখন এক বা দুই ডিজিটের করোনা রোগী শনাক্ত হতো, তখন সাধারণের মাঝে যে সাবধানতা/সচেতনতা পরিলক্ষিত হতো, বর্তমানে সহস্রাধিক শনাক্ত হলেও সচেতনতা অনেকগুণ কমে গেছে।
উপরন্তু, যানজট আর জমায়েত এবং ঈদ শপিং দেখে মনে হবে; এ দেশ থেকে করোনা কত আগে বিদায় নিয়েছে।
আসুন, সরকার নির্দেশিত সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি। সচেতন হই অন্যান্যদের সচেতন হতে উদ্বুদ্ধ করি। নিজে সুস্থ থাকি। পরিবার-পরিজন সমাজ ও দেশকে নিরাপদ রাখি। করোনা নামক মহামারী থেকে আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুক, সুস্থ রাখুন।
বরকতময় এ সময়ে আমরা কায়মনোবাক্যে দয়াময় এ-র দরবারে বেশি বেশি ফরিয়াদ করি। তিনি যেনো আমাদের সকলকে এবং দেশকে রক্ষা করেন।
