সৌদিআরব পবিত্র মদিনায় কোরবান এলাকায় গত ০৫এপ্রিল সকালে হৃদরোগ আক্রান্ত হয়ে মুহাম্মাদ নুরুল আলম নামে একজন বাংলাদেশী প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে।
নিউজ শেয়ার করতে ভুলবেন না।
তিনি দীর্ঘদিন মদিনায় বেলাল মসজিদ মার্কেটে ব্যবসায়ী ছিলেন । তার গ্রামের বাড়ী চট্টগ্রাম জেলার রাংগুনীয়া থানার চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন ( বুইজ্জার দোকান নিবাসী) মৃত: আলী আহমদ চাষীর ২য় পুত্র
তার মৃত্যুতে মদিনা বাংলাদেশী কমিউনিটির সদস্যরা শোকাহত।
বড়লেখা ডেস্কঃ এরকম একটি ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন ময়মনসিংহ এর আক্কাছ আলী তিনি বলেন ‘ ভাই এহনো আমার শইল্যের লুম খাড়া হয়ে আছে। হাত দিয়ে দেহুইন’ বলে তিনি আমাদের দিকে তার লোমশ হাত খানা বাড়িয়ে দেন।
নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন
আমরা সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে তার কাছে তিন মিটার দূরে সরে আসি। তিনি ঘটনার বর্ননা করতে গিয়ে বলেন, ভাই এক তাজ্জব ঘটনা। আমি আমার ছেরার লাইগা দোহানে গেসি দুধ কিনতে। গিয়া দেহি দোহানে তালমারা। আমি রাগে দোহানের সাডারে ঘুষি মারসি এমন সময় হুনি গায়েবী আওয়াজ। কে জানি ভেতর থেকে ডাকতাসে।আমি তো ডরে শ্যাষ। কইলজাত পানি নাই। দিমু দৌড় এমন শুমই দেহি কেডা জানি কয়তাসে ‘ভাই আস্তে ধাক্কতাইরুন না। খাড়ান খুলতাসি। পরে দোহানের এক শাডার খুলে আমারে জিগাইতাসে কি লাগবো আমার? ‘
বুঝুনইন অবস্থা! আমি কি কিনুম জিনিস পাতি ডরে পারলে কাপড়েই মুইত্তা দিই। তবুও কোনমতে ছেড়ার দুধ কিইন্না কোন মতে ঘরে ফেরত আইসি।
গত ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশের সব শপিং মল, মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। এর আগে ৩১ মার্চ পর্যন্ত দোকান ও মার্কেট বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিল সংগঠনটি।
তবে যেসব দোকানে ওষুধ ও খাবারসামগ্রী বিক্রি হয় এমন কোনো বাজার, দোকান বা মার্কেট এ সিদ্ধান্তের আওতায় পড়বে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দীন। জানিয়েছেন, ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে দোকান মালিক সমিতি। রাজধানীসহ দেশের বড় বড় শহরে অবস্থিত বিপণিবিতান বা শপিংমলগুলোতে (বসুন্ধরা, যমুনা, নিউমার্কেট, চাঁদনিচক, মৌচাক, কর্ণফুলী টাইপের শপিংমল) কর্মচারী এবং ক্রেতা কেউই আসতে চায় না। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এরপরে ও নিয়ম নীতির তুয়াক্কা না করেই কিছু কিছু ব্যাবসায়ী দোকান পাট খোলা রাখছেন। এদিকে দেশের কিছু কিছু জায়গায় ঘটেছে সব ভুতুড়ে ঘটনা।বন্ধ দোকানের শাটারে ২ বার টোকা দিলেই ভেতর থেকে আসছে গায়েবী আওয়াজ ‘কি লাগবে ভাই?’ বলে দোকান থেকে জলজ্যান্ত মানুষ বেরিয়ে আসছে।
আক্কাছ আলীর মতোন এরকম আরো দেশের নানান জায়গা থেকে এমন অভিযোগ আসছে। তবে গায়েবী আওয়াজের ব্যাপারে এখনো মুখ খুলতে রাজী হচ্ছেন না দেশের ইউটিউব হুযূরবৃন্দ।
নিউজ ডেস্কঃ করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার একাধিক পাড়া-মহল্লার সকল সড়ক স্বেচ্ছায় লকডাউন করেছে এলাকাবাসীর সচেতন যুবসমাজ।
নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন
সোমবার দুপুর ১২ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ঘটিকা পর্যন্ত বড়লেখা পৌর শহরের বৃহত্তর পাখিয়ালার ৩টি প্রবেশের প্রধান প্রধান সড়ক, হিনাইনগর বালিছড়া, মুছেগুল ও দক্ষিণ ভাগ (উত্তর) ইউনিয়নের রুকনপুর ফাবির মুখ ও আইডিয়াল মাদরাসা সন্নিকটেসহ অনেক অলিগলি পথ বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দিয়ে স্বেচ্ছায় লকডাউন ঘোষণা করে এলাকার সচেতন যুবসমাজ।
বৃহত্তর পাখিয়ালা গ্রামের স্বেচ্ছায় লকডাউনের আওতায় আনার অন্যতম উদ্যোগী বড়লেখা মোহাম্মদীয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার ইংরেজি প্রভাষক তারেক আহমদ জানান বড়লেখা পৌর শহরের প্রধান সড়কে পথচারী ও যানবাহন চলাচল সীমিত করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কিন্তু সেই বাধা অতিক্রম করতে পথচারী ও বিভিন্ন যানবাহন আমাদের মহল্লার সড়ক ব্যবহার করে চলাচল করছে। এতে করোনা সংক্রমনের ঝুঁকিতে পড়ছে এলাকায় বসবাসকারীরা। তাই করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি কমাতে সোমবার এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে গ্রামের প্রধান সড়কসহ অলিগলি বন্ধ করে দিয়ে লকডাউন ঘোষণা করে।
এ বিষয়ে হিনাইনগর বালিছড়ায় ও হিনাইনগর গ্রামে স্বেচ্ছায় লকডাউনের উদ্যোক্তা অত্র এলাকার বাসিন্দা বড়লেখা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জুনেদ আহমদ জানান আমি এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে কুলাউড়া-চান্দগ্রাম আঞ্চলিক মহাসড়কসহ অন্যান্য সড়কে পথচারী ও যানবাহন চলাচল সীমিত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ফলে আমাদের পাড়ার ভিতরের সড়ক দিয়ে অযাচিত লোকজন ও বিভিন্ন যানবাহনের চলাচল বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর ভয় থাকে। পাশাপাশি প্রবেশ পথে জীবানু নাশক রাখা হবে। জরুরী প্রয়োজনে কেউ প্রবেশ করতে চাইলে জীবানুমুক্ত হয়ে প্রবেশ করতে হবে। একইভাবে পাড়ার কেউ বাইরে গেলেও ফিরে আসার সময় জীবানুমুক্ত হবেন। করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি এড়াতে এবং নিজেদেরকে রক্ষার জন্য পাড়ার প্রধান সড়ক বন্ধ করে পাড়াটি লকডাউন ঘোষণা করেছি।
অপর দিকে রুকনপুর এলাকার বাসিন্দা জাকারিয়া মাহমুদ বলেন, ‘আমরা নিজের এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এলাকায় প্রবেশের প্রত্যেকটি সড়ক বন্ধ করায় আমাদের এলাকায় বহিরাগত মানুষের আগমন বন্ধ হবে। এলাকাবাসী জরুরী প্রয়োজনে সড়কে পায়ে হেঁটে চলাচল করছে। এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাস আক্রান্ত কোন রোগি নেই। এলাকাবাসী তাদের নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে পাড়ার সড়কগুলো লকডাউন করেছে।’
উল্লেখ্য স্বেচ্ছায় লকডাউনের জন্য যদিও সরকারি কোন আদেশ নেই তবুও তাদের নিজস্ব উদ্যোগে এই স্বেচ্ছায় লকডাউনে যাওয়ার এই প্রক্রিয়াকে অনেকে স্বাধুবাদ জানাচ্ছেন এবং আরও কয়েকটি এলাকায় তাদের দেখাদেখি স্বেচ্ছায় লকডাউনে যাওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।সুত্রঃ বড়লেখা এক্সপ্রেস
সামাজিক নিরাপদ দূরত্ব নিশ্চিতকল্পে গতকাল ০৬এপ্রিল বড়লেখা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ টহল প্রদান করা হয়।
এসময় অযথা বাইরে ঘুরাঘুরি এবং সরকারি নির্দেশনা অমান্য করার কারণে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ১৬টি মামলায় ১১,৮০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার,বড়লেখা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শামীম আল ইমরান।
নিউজ ডেস্কঃ প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশে ফেরত আনতে বাংলাদেশ সরকারকে চিঠি দিয়েছে কয়েকটি দেশ। এসব দেশের সংখ্যা কম হলেও সেসব দেশে থাকা বাংলাদেশি শ্রমিকদের সংখ্যা অনেক। তাই করোনাভাইরাসের মহামারির এ সময়ে এ বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নেয়নি সরকার।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন রোববার প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, এই দুর্দিনে কয়জন ফেরত আনব তা নিয়ে আমরা আজ বসেছি। বুঝে শুনে বাস্তবতার নিরিখে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, খুব বেশি দেশ প্রবাসীদের ফেরত পাঠাতে আবেদন করেনি। মাত্র চার পাঁচটি দেশ আবেদন করেছে। কিন্তু আপনি জানেন তো, আমাদের সংখ্যা তো অনেক বেশি। একটি দেশও যদি হয় অনেক লোক হয়ে যায়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংখ্যার দিক থেকে বেশি দেশ এ আবেদন না করলেও সমস্যা হচ্ছে এদের মধ্যে যে কোনো একটিতেই প্রবাসী রয়েছে প্রচুর। এখনই সব দেশের নাম বলতে চাচ্ছি না। কত বাংলাদেশি ফেরত পাঠাতে চায় এখনই সংখ্যা জানাতে চাই না। তবে একটি দেশের কথা বলতে পারি। মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে ফোন করেছিলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন চাপের মুখে আছি। তবে সব দেশই চাপের মধ্যে আছে। সে জন্য এটি বড় সমস্যা নয় কিন্তু কঠিন সময়ে আছি।
বড়লেখা প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখায় কাজ-কর্ম বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়া গরিব ও নিম্নআয়ের মানুষের পাশে ব্যক্তিগত উদ্যোগে দাঁড়িয়েছেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ। নিজের ও কয়েকজন ব্যবসায়ীর আর্থিক সহযোগিতায় ২ হাজার ২শত পরিবারে বিতরণ করেন খাদ্যসামগ্রী।সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে গাড়ি করে উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন এলাকায় খাদ্যসামগ্রীগুালো পৌঁছানো হয়। স্থানীয় লোকজন তালিকা ধরে গরিব ও নিম্নআয়ের মানুষের ঘরে খাদ্যসামগ্রীগুলো পৌঁছে দেন। প্রত্যেক পরিবার পেয়েছে আতপ চাল, আলু, মসুর ডাল ও সয়াবিন তেল।
এসময় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, পৌরসভার কাউন্সিলর জেহীন সিদ্দিকী, জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সুমন আহমদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।বড়লেখা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে নিত্যপণ্যের দোকান ছাড়া সবকিছু বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় কাজ-কর্ম না থাকায় বিপাকে পড়েছেন গরিব ও নিম্নআয়ের মানুষ। সরকার ও স্থানীয় সাংসদ এবং পরিবেশ মন্ত্রীর উদ্যোগে দশ ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত উদ্যোগেও অনেকে দিচ্ছেন। কিন্তু এরপরও অনেক মানুষ রয়েছেন যাদের খাদ্যসামগ্রী খুব জরুরী। তাই আমি ব্যক্তিগত অর্থে উদ্যোগ নেই। আমার এই কাজে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীও বিত্তবান এগিয়ে আসেন।তিনি বলেন, প্রথম দফায় ২২০০ পরিবারে ১০ লাখ টাকার খাদ্যসামগ্রী পাঠিয়েছি। প্রাথমিক পর্যায়ে আরও প্রায় ১০ হাজার মানুষের খাদ্যসামগ্রী দরকার। সরকারি ত্রাণ তৎপরতা বাড়ানোর জরুরী। এছাড়া সমাজের বিত্তবান ও দানশীল মানুষকে এগিয়ে আসার আহবান করছি।
নিজস্ব সংবাদঃ যে সকল অঞ্চল ২৪ ঘন্টা লকডাউনের আওতাধীন সে সব অঞ্চলের লোকজন আপনাদের একান্ত জরুরী চিকিৎসা সেবা ও জরুরী খাদ্যদ্রব্য কেনাকাটা অথবা জরুরী ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করার জন্য যার যার নির্দিষ্ট বসতি এলাকার ভেতরে অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিতভাবে (সকাল ছয়টা হতে বিকেল তিনটার মধ্যে) বের হওয়া যাবে। শুধু মাত্র প্রাপ্ত বয়স্করা বের হতে পারবেন। যারা গাড়ি নিয়ে বের হবেন তারা প্রতি গাড়িতে ড্রাইভারসহ আরেকজন অর্থাৎ মাত্র দুইজন বের হতে পারবেন।
কারফিউর আওতায় থাকা এলাকাসমুহে জরুরী যে সমস্ত সেবা প্রতিষ্টান সমুহ খোলা থাকবে!!
শুধুমাত্র গ্রোসারি শপ, তমিউনাত , ফার্মেসী, পেট্রোল পাম্প, গ্যাসের দোকান, ব্যাংক, সার্ভিস এন্ড মেইন্টেনেন্স প্রতিষ্ঠান যেমন-প্লাম্বিং- ইলেক্ট্রিক- এসি টেকনিশিয়ানের কাজে নিয়োজিত দোকান, খাদ্যপানি পৌছানোর কাজে নিয়োজিত কোম্পানি সমুহ । এই ছাড়া অন্যান্য সকল প্রকার ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ।
সৌদি আরবের আইন কানুন মেনে চলুন। সবাই ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন। আসুন প্রতিজ্ঞা করি অপ্রয়োজনে বাসা থেকে বের হবো না। নিজে ভালো থাকব অন্যকেও ভালো রাখবো। আল্লাহ আমাদের সকলকে সুস্থ ও ভালো রাখুন।
নিজস্ব সংবাদঃসৌদিআরবে করোনা ভাইরাসে নিহত বাংলাদেশী ডাক্তার জনাব মোহাম্মদ আফাক হোসাইন মদিনা মনোয়ারায় জান্নাতুল বাকীতে দাফনের সম্পন্ন,
ডাক্তার মোহাম্মদ আফাক হোসাইনের বাড়ী নড়াইল জেলার নড়াইল সদরে!
উল্লেখ্য সৌদিআরবে করোনা মোকাবেলায় তিনি রোগীদের নিয়মিত চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছিলেন, তিনি অসংখ্য করোনা রোগীকে সেবা দিয়ে সুস্থ্য করে তুললেও সর্বশেষ তিনি নিজেই করোনার কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করেন,
গত ৩০ মার্চ সৌদিআরবের মদিনায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন!
আল্লাহ পাক ওনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন, আমিন!
আল্লাহ পাক সবাইকে করোনা ভাইরাস নামক মহামারী রোগ থেকে হেফাজতে রাখুন,আমিন!
নিউজ ডেস্কঃবিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বশীলরা পৌরসভা ও উপজেলার দুইটি এলাকা থেকে তিনজনের নমুনা সংগ্রহ করেছে। কোভিড-১৯ ভাইরাসের উপস্বর্গ থাকতে পারে এমন সন্দেহ থেকে তাদের শরির থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এদের মধ্যে এক শিশুও রয়েছে।
সোমবার সন্দেহভাজন রোগীদের কোভিড-১৯ (COVID-19) পরীক্ষার জন্য নেজাল এবং থ্রট সোয়াব সংগ্রহ করে ঢাকা মহাখালির IEDCR ল্যাবে প্রেরণ করা হয়েছে। তাদের সবাই জ্বর, সর্দি, কাশি ও গলা ব্যথায় আক্রান্ত।
বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে এমননি আবহওয়াজনিত রোগের প্রকোপ রয়েছে। জ্বর, সর্দি, গলা ব্যাথা ও কাশি তাকে এই সময়ে। একই উপস্বর্গ থাকে করোনা ভাইরাসবহনকারি মানুষের মাঝে। তবে যাদের মাঝে উপসর্গ রয়েছে তাদের নমুনা পরীক্ষা করলে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের জন্য ভাল হবে। এতে কোন ক্ষতি নেই, কোন পাশ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরী বলেন, জ্বর-সর্দি দেখা দিলে সবার উচিত নমুনা পরীক্ষা করানো। এতে ভয় পাওয়ার কিছুই নেই। আতংকিত না হয়ে যদি ঠান্ডাজনিত উপসর্গ থাকে তাহলে সবার উচিত ডাক্তারদের পরামর্শ নেয়া।
নওগাঁর রাণীনগরে এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ছয় মেট্রিক টন সরকারি চাল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ অভিযান পরিচালনা করেন ইউএনও মো. আল মামুন। অভিযুক্ত আয়েত আলী ওই উপজেলার রাতোয়াল শলগাড়ীয়াপাড়ার আইন আলীর ছেলে।
ইউএনও জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্যবসায়ী আয়েত আলীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ছয় মেট্রিক টক বিক্রয় নিষিদ্ধ ভিজিডি’র চাল ও ১৩৮টি খালি বস্তা উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানের খবর পেয়ে ওই ব্যবসায়ী পালিয়ে যান। এ কারণে তাকে আটক করা যায়নি।
এ সময় উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা খন্দকার মাকাম্মাম মাহমুদাসহ ইউপি চেয়ারম্যান ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজ ডেস্কঃ সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবের ছোট বোন মৃত্যুবরণ করেছেন। আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল ১১টায় দক্ষিণ সুরমার উপজেলার নাজিরবাজারে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। দক্ষিণসুরমার লালাবাজার ইউনিয়নের বাঘরখলা গ্রামের সন্তান বাংলাদেশ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব মো. জয়নুল বারী ছোট বোন মোছা. শাহিনা বেগম (৩৯) স্বামীর সঙ্গে সিলেট শহর থেকে মোটরসাইকেলে করে পিতার বাড়ি বাঘরখলার দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে নাজিরবাজার এলাকায় মোটরসাইকেল থেকে পড়ে মারাত্মক আহত হন। পরে তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মোছা. শাহিনা বেগম লালাবাজার ইউনিয়নের জাফরাবাদ উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের সাবেক শিক্ষিকা ও বর্তমানে সিলেটের মেনিখলা সরকারি প্রাইমারি বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ছিলেন।
নিউজ ডেস্ক ঃ মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সৌদি আরবে মানিক নামে আরও এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তার দেশের বাড়ি চট্টগ্রাম হাটহাজারী উপজেলার গুমানমর্দ্দন ইউনিয়নের বালুখালী।
জানা গেছে, ৫ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টার দিকে মক্কায় এ বাংলাদেশি ইন্তেকাল করেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহির রাজিউন। এর আগে, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সৌদি আরবে এক বাংলাদেশি মারা যায়। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মদিনার একটি সরকারি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
তিনি সেখানকার ওই হাসপাতালে সর্দি কাশি জ্বরে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ভর্তির তিনদিন পর করোনাভাইরাস শনাক্ত হলে সৌদি সরকারের তাকে আইসিইউতে নেয়। সেখানেই আজ মঙ্গলবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এর আগে, সৌদি আরবের অন্যতম ও মুসলিমদের দ্বিতীয় পবিত্র স্থান মদিনা শরীফে এক বাংলাদেশি মারা যান। গত ২৪ মার্চ মদিনার আল জাহরা হাসপাতালে মারা যান।
মহামারি করোনাভাইরাস গোটা পৃথিবীকে প্রায় অচল করে দিয়েছে। বিশ্বের অর্ধেকের বেশি মানুষ এখন ঘরবন্দি। আতঙ্কিত মানুষ প্রাণ হারানোর ভয়ে সবসময় তটস্থ। সর্বশেষ হিসাব বলছে, বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৬০ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছেন।
প্রাণঘাতী এই করোনাভাইরাসে সৌদি আরবে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৩৯ জন আক্রান্ত হয়েছে। আর প্রাণ গেছে ২৫ জনের। এদিকে বিশ্বব্যাপী এ ভাইরাসে এখন পর্যন্ত ১১ লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে।
নিউজ ডেস্কঃ : সিলেট মহানগরের হাউজিং এস্টেটের এক বাসিন্দা রবিবার সন্ধ্যায় সিলেটে প্রথবারের মতো করোনা আক্রান্ত রোগী হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। তাই সোমবার (৬/৪) সকাল ৯টা থেকে ওই এলাকাকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।
সিলেটে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত যে রোগী পাওয়া গেছে, তিনি ওই এলাকায় বসবাস করেন। ফলে তার মাধ্যমে অন্যদের মাঝে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে কিনা, এমন শঙ্কা আছে। এ বিষয়টি মাথায় রেখেই হাউজিং এস্টেটকে লকডাউন করেছে জেলা প্রশাসন। লকডাউন প্রসঙ্গে সিলেট বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাহাদাত হোসেন” হাকালুকি নিউজ”কে বলেন, কেবল ওই চিকিৎসকের বাড়ি নয়, আমরা হাউজিং এস্টেটের মূল ফটক বন্ধ করে দিয়েছি। আপাতত এই এলাকায় কাউকে প্রবেশ করতে এবং এই এলাকা থেকে কাউকে বাইরে বেরুতে দিচ্ছি না। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতর সিলেটের সহকারী পরিচালক ডা. আনিসুর রহমান ‘হাকালুকি নিউজ’ কে বলেন, আজ সকাল থেকেই পুরো হাউজিং এস্টেট এলাকা লকডাউন করা হচ্ছে। উনাকে বাসায় রেখেই চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এর আগে, হাউজিং এস্টেটের ওই বাসিন্দা রবিবার (৫/৪) সন্ধ্যায় করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হন। তিনি পেশায় একজন চিকিৎসক।
নিউজ ডেস্কঃ হ্যাঁলো, ইউএনও স্যার, গো, আমার অসুস্থ মাকে নিয়ে খুবই কষ্টে আছি। যদি সম্ভব হয় আমার জন্য কিছু খাবারের ব্যবস্থা করবেন।
এভাবে শুক্রবার জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অসীম চন্দ্র বনিক-এর মোবাইল ফোনে কল দিয়ে নিজের অসহায়ত্বের কথা জানালেন এক ভদ্র মহিলা। যিনি সামান্য বেতনে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরী করেন। দিনের কর্মব্যস্ততা শেষে রাতে নিজের গাড়ীতে করে বেশ কিছু খাবারের পেকেট নিয়ে ওই বাড়ী পানে ছুটে চললেন ইএনও। কিছুু দুর গাড়ীতে করে আবার কিছু রাস্তা পায়ে হেটে খাবারের পেকেট নিয়ে ওই বাড়ীতে হাজির হন।
দু’টি পেকেট তুলে দেন পরিবারের হাতে। গভীর রাতে খাবারের পেকেট হাতে দরজায় দাঁড়ানো ইউএনওকে দেখে হতভম্ব ওই পরিবার। ভাবতে থাকে সেটা বাস্তব না সত্য! এরপর চাল, আলু, পেঁয়াজ, ডাল, তেল, লবন ও সাবান সহ আরও পেকেট নিয়ে একের পর এক বিভিন্ন গ্রামে ইউএনওর পথ চলা শুরু হয়। যাহারা বর্তমান ক্রান্তিকালে নিজের অসহায়ত্বের কথা কাউকে যেমন বলতে পারে না আবার লোকলজ্জার ভয়ে দাঁড়াতে পারে না কোন ত্রাণের লাইনে, এমন মানুষদের খোঁজে বের করতে লাগলেন। এভাবে ৪৪টি পরিবারের হাতে রাতের আধারে খাবার তুলে দিয়ে প্রশান্তি নিয়ে বাসায় ফিরেন।
দেশে বন্যা কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগে সরকারি সেরকারি সংস্থা বা ব্যক্তি উদ্যোগে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। অনেক মানুষ এক বার আবার অনেকে একাধিকবার ত্রাণ সামগ্রী পায়। কিন্তু আমাদের সমাজে এমন কিছু মানুষ আছে যাদের অর্থনৈতিক অবস্থা দুর্বল হওয়া সত্বেও ওরা কারো কাছে হাত পাতে না। কিংবা রিলিফের জন্য লাইন ধরেনা। এমনকি উপবাস করবে তবুও লোকলজ্জার ভয়ে খাদ্যের জন্য কারো দ্বারে দ্বারে ঘুরবে না।
এরা কম বেতনের চাকরী করে, ক্ষুদ্র ব্যবসা করে, মৎস্যজীবি, ক্ষুদ্র কৃষক ও দিনমজুরও বটে। সমাজের এমন লোক গুলো আত্মসম্মানবোধ বজায় রাখতে গিয়ে প্রায় সময় অনেক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়।
করোনাভাইরাস কেন্দ্রিক অচলাবস্থায় বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্ব এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। ব্যবসা, চাকুরী, অন্যান্য কর্ম সব কিছুই বন্ধ। এ দুঃসময়ে মন্ত্রী, সরকারি, বেসরকারি সংস্থা, বিভিন্ন দানশীল ব্যক্তি ও অনেক প্রবাসী নিজ উদ্যোগে অসহায় মানুুষকে খাদ্য দিয়ে সহযোগীতা করলে এর কিছুটা লাঘব হবে। সুত্রঃ হাকালুকি নিউজ
জামিল আহমদ, স্টাফ রিপোর্টারঃ- বর্ণি ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতির চাচার দোকান থেকে সরকারি ৩২ বস্তা চাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সুমন চন্দ্র দাসের চাচা প্রদীপ চন্দ্র দাস (৪৭) কে আটক করেছে পুলিশ।গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪ টায় বড়লেখা উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নের ফকির বাজারে এই চাল উদ্ধারের ঘটনাটি ঘটে। ছাত্রলীগ সভাপতি সুমনের পিতা ও আটক প্রদীপ চন্দ্র দাসের ভাই সুবোধ চন্দ্র দাস বর্ণি ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ড মেম্বার।
কুলাউড়া-বড়লেখা-জুড়ি সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাদেক কাওসার দস্তগির চাল উদ্ধার ও আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গোপন সূত্রে বড়লেখা ফুড ইন্সপেক্টরের কাছে খবর আসে। তিনি আমাদের জানালে তাৎক্ষনিক উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ওসি ঘটনাস্থলে গিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩২ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার করা হয়। এসময় প্রদীপ চন্দ্র দাসকে আটক করা হয়।
এদিকে বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরান চাল উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সরকারি গুদামের ৩২ বস্তা চাল উদ্ধার করেছি। এগুলো ভিজিডি ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল। ঐই ব্যবসায়ী বলেছেন, এগুলো উপকারভোগীদের কাছ থেকে কিনেছেন। কিন্তু এটা কেনাও অন্যায়। এইগুলো কেউ বিক্রি করতে পারেন না। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হবে। তিনি আরো বলেন করোনাকালীন সময়েও এই রকমের চাল চুরি যাহা নিতান্তই দুঃখজনক।
জাকির আহমদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ হাকালুকি হাওরের দখল বাণিজ্যের সংবাদ প্রকাশের জেরে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘মৌলভীবাজার প্রতিদিন’র বড়লেখা উপজেলা প্রতিনিধি ও বড়লেখা প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক জামিল আহমদের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রাতে উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আহত সাংবাদিক জামিল একই ইউনিয়নের পাকশাইল গ্রামের মোঃছফির উদ্দিনের ছেলে। সে মৌলভীবাজার প্রতিদিন ছাড়াও মৌলভীবাজার সমাচার নামক পত্রিকাতেও বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে।
জানা যায়,গত ১৩ মার্চ হাকালুকি হাওরে সংখ্যালঘু ও নিরীহ লোকদের জমি দখল নিয়ে মৌলভীবাজার প্রতিদিনে ‘হাকালুকি হাওরে ক্ষনতাসীনদের দখল বাণিজ্য’ শিরোনামে অনুসন্ধানী একটি প্রতিবেদন লিখেছিলেন জামিল। এ সংবাদ প্রকাশের পর পরই সরকারী দলের নেতাকর্মীরা মোবাইল ফোনে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। তিনি হুমকির প্রতিকারে ১৩ মার্চ সন্ধায় বড়লেখা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) দায়ের করেন। বড়লেখা থানায় সাংবাদিক জামিলের দায়ের করা সে জিডি’র নাম্বার ২৯১। জিডি দায়েরের ২ দিন না পেরুতেই তার উপর ন্যাক্ষারজনক হামলা ঘটনা ঘটলো।
জানা যায়,১৫ মার্চ রাত ১০ টার দিকে সাংবাদিক জামিল আহমদ স্থানীয় ফকির বাজার থেকে তার গ্রামের বাড়ি পাকশাইল ফিরছিলেন। এসময় পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা কয়েকজন মুখোশধারী সন্ত্রাসী জামিলের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তার চিৎকার শুনে পথচারী ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় সাংবাদিক জামিলকে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
এদিকে প্রেসক্লাবের তরুণ সদস্য,সাংবাদিক জামিল আহমদের উপর ন্যাক্ষারজনক হামলার নিন্দা জানিয়েছে বড়লেখা উপজেলা প্রেসক্লাব। প্রেসক্লাবের সভাপতি অসিত রঞ্জন দাস এবং সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র দাস হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন,’সত্য ও বস্তুনিষ্ট সংবাদ লিখে সমাজকে আলোকিত করাই সাংবাদিকদের কাজ। অন্যায়-অপকর্ম তুলে ধরার কারণে সাংবাদিক জামিল আহমদকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তার উপর হামলাকারীদেরকে গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখী করতে হবে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের গ্রেফতার করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান এই দুই সাংবাদিক নেতা।
জাকির আহমদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ হাকালুকি হাওরের দখল বাণিজ্যের সংবাদ প্রকাশের জেরে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘মৌলভীবাজার প্রতিদিন’র বড়লেখা উপজেলা প্রতিনিধি ও বড়লেখা প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক জামিল আহমদের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রাতে উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আহত সাংবাদিক জামিল একই ইউনিয়নের পাকশাইল গ্রামের মোঃছফির উদ্দিনের ছেলে। সে মৌলভীবাজার প্রতিদিন ছাড়াও মৌলভীবাজার সমাচার নামক পত্রিকাতেও বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে।
জানা যায়,গত ১৩ মার্চ হাকালুকি হাওরে সংখ্যালঘু ও নিরীহ লোকদের জমি দখল নিয়ে মৌলভীবাজার প্রতিদিনে ‘হাকালুকি হাওরে ক্ষনতাসীনদের দখল বাণিজ্য’ শিরোনামে অনুসন্ধানী একটি প্রতিবেদন লিখেছিলেন জামিল। এ সংবাদ প্রকাশের পর পরই সরকারী দলের নেতাকর্মীরা মোবাইল ফোনে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। তিনি হুমকির প্রতিকারে ১৩ মার্চ সন্ধায় বড়লেখা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) দায়ের করেন। বড়লেখা থানায় সাংবাদিক জামিলের দায়ের করা সে জিডি’র নাম্বার ২৯১। জিডি দায়েরের ২ দিন না পেরুতেই তার উপর ন্যাক্ষারজনক হামলা ঘটনা ঘটলো।
জানা যায়,১৫ মার্চ রাত ১০ টার দিকে সাংবাদিক জামিল আহমদ স্থানীয় ফকির বাজার থেকে তার গ্রামের বাড়ি পাকশাইল ফিরছিলেন। এসময় পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা কয়েকজন মুখোশধারী সন্ত্রাসী জামিলের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তার চিৎকার শুনে পথচারী ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় সাংবাদিক জামিলকে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
এদিকে প্রেসক্লাবের তরুণ সদস্য,সাংবাদিক জামিল আহমদের উপর ন্যাক্ষারজনক হামলার নিন্দা জানিয়েছে বড়লেখা উপজেলা প্রেসক্লাব। প্রেসক্লাবের সভাপতি অসিত রঞ্জন দাস এবং সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র দাস হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন,’সত্য ও বস্তুনিষ্ট সংবাদ লিখে সমাজকে আলোকিত করাই সাংবাদিকদের কাজ। অন্যায়-অপকর্ম তুলে ধরার কারণে সাংবাদিক জামিল আহমদকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তার উপর হামলাকারীদেরকে গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখী করতে হবে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের গ্রেফতার করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান এই দুই সাংবাদিক নেতা।