
নিরঅহংকারী,মানবতাপ্রেমী,সমাজের নিবেদিত প্রাণ,দিনরাত সমাজের অবহেলিত,পথশিশু ও দারিদ্র্যদের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য সাধ্যমত নিরলস কাজ করে যাওয়া ব্যক্তি।
যিনি যেকোনো দুর্যোগ দুর্দিনে মাঠে থাকেন,
প্রতিনিয়ত মানুষের জন্য কাজ করাটাই যার একমাত্র লক্ষ। তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক সাইফুর রহমান সাইফুর ভাই।
প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সারা বিশ্ব যখন গৃহবন্দি, বাংলাদেশে যখন করোনার ছোঁয়া বয়ে চলে সেই লগ্নে থেকেই তিনি অবস্থান করছেন সিলেটে।
প্রাণপ্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের এক ঝাঁক তরুণদের নিয়ে নেমে পড়েন করোনা ভাইরাস সম্পর্কে গণসচেতনতা গড়ে তুলতে। বাজারে-বাজারে এমনকি পাড়া-মহল্লায় মাইকিং থেকে শুরু করে মাস্ক,সাবান ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ দিয়ে শুরু হয় প্রাথমিক প্রতিরোধ প্রস্তুতি।
প্রশাসনের পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে নিত্য প্রয়োজনীয় সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে ক্রেতাদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য গোলবৃত্ত অংকনের উদ্যোগ নেন এবং মানুষকে উৎসাহিত করেন।
নিজের ব্যক্তিগত উদ্যোগে ক্যামিস্টদের সহায়তা নিয়ে প্রস্তুত করেন হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং তা তরুণদের নিয়ে বোতলজাত করে বিতরণ করেছেন কয়েক শত মানুষের মধ্যে এবং তা অব্যাহত রয়েছে।
বাজারে বাজারে জীবাণুনাশক ওষুধ স্প্রে করা হচ্ছে তাঁর নিজ উদ্যোগে এবং সিলেট নগরীর বিভিন্ন স্থানে অসহায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে শত শত খাদ্য সামগ্রী ও ইফতার বিতরণ করতেও দেখা যায়।
উনি পারতেন এই মহামারিতে নিজের কথা ও উনার পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে নিজের বাসায় অবস্থান করতে কিন্তু এলাকার মানুষের কথা চিন্তা করে এই করোনা পরিস্থিতির মধ্যে নিজের সাধ্যমত নিজ এলাকায় কাজ করছেন অসহায় মানুষের কথা চিন্তা করে,
কাজ করতে চাইলে এমপি/মন্ত্রী হতে হয় না,তা তিনি প্রমাণ করে দিলেন।
আমি দোয়া করি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিটি নেতাকর্মী যেন ভাইয়ের মতো হয়,উনার মতো কর্মীরা ছাত্রলীগের জন্য সবসময় গৌরব বয়ে নিয়ে আসবে।
এরা সবাই ছাত্রলীগের বীর সেনানী,এরা আমাদের ছাত্রলীগের অহংকার,এরা মানবিক মানুষ,এদের নিয়ে গর্ব করার মতো অনেক কিছু আছে,আল্লাহ সবাইকে ভালো রাখুন,সুস্থ রাখুন।
সবাই আপদকালীন সময়টা সবার পাশে দাড়িয়ে এক সাথে বলি ভয় নেই, আমরা সবাই এক সাথে এই লড়াইয়ে জিতবো ইনশাআল্লাহ্।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
লেখক
জাবিদ আহমদ
বড়লেখা,মৌলভীবাজার।
