
নিউজ ডেস্কঃ ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের পর এবার আম্ফানের তাণ্ডবে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে বাংলা। বুধবার নবান্ন কন্ট্রোল রুম থেকে এমনটাই জানালেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, ঝড়ের পুরোটাই বাংলার উপর দিয়ে গিয়েছে। এতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কমপক্ষে ১০-১২ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।
আমপানের প্রভাবে মঙ্গলবার থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছিল রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়। এ দিন তা চরম আকার ধারণ করে। সারা দিন বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া বইছিলই। বিকেলে থেকে যার দাপট বাড়তে থাকে। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ সুন্দরবনে আম্ফান আছড়ে পড়লে পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে। সন্ধ্যা ৭টা বেজে ২০ মিনিটে কলকাতায় আম্ফানের গতিবেগ ছিল সর্বোচ্চ, ঘণ্টায় ১৩৩ কিলোমিটার। সওয়া ৮টার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও, এখনও বিপদ কাটেনি বলে সতর্ক করেছেন মমতা।
এ সময় কন্ট্রোল রুম থেকে মুখ্যমন্ত্রী জানান,
রামনগর, নন্দীগ্রামে ক্ষতি হয়েছে। ব্যারাকপুর, বসিরহাট, বারাসত, বনগাঁ মহকুমা পুরো গিয়েছে, পুরো সুন্দরবন, গঙ্গাসাগর— সব গিয়েছে। হাওড়ার অবস্থা খারাপ।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দিঘাতে তেমন বেশি হিট করেনি, রাজারহাট, হাসনাবাদ, গোসাবা, সন্দেশখালি, বনগাঁ, বাগদা, হাবড়া— সব সব, চার দিকে সর্বনাশ হয়ে গিয়েছে
এদিকে ধ্বংসের হাত থেকে উন্নয়নের পথে আবার সবাইকে শামিল করে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত খবর, এখনও থেমে থেমে ঝড়ো হওয়ায় কাঁপছে কলকাতা ও পাশ্ববর্তী জেলাগুলো। একইসঙ্গে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে বেশ কয়েকটি অঞ্চলে।
