
সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের ল্যাবে (পরীক্ষাগার) তিনদিনে ১৬৬টি কোভিড-১৯ পরীক্ষা করা হয়েছে। এই ১৬৬টি জনের কারোই করোনা ভাইরাস পাওয়া যায়নি। সবার রেজাল্ট নেগেটিভ এসেছে। সিলেট করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়া এবং দেশে প্রতিদিনই মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির পর সিলেটের পরীক্ষার মান নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন।
পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা একটি এ পর্যন্ত যে ১৬৬টি পরীক্ষা হয়েছে তার বেশিরভাগ সিম্পল বিভিন্ন উপজেলা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। সংগ্রহ পদ্ধতি সঠিকভাবে হচ্ছে কি না সেটা বলা যাচ্ছে না। তবে ল্যাবে যে পরীক্ষা হচ্ছে সেটা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে উন্নতমানের পরীক্ষা হচ্ছে। গত ৭ এপ্রিল (মঙ্গলবার) সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজের মাইক্রোবায়োলজি ও ভাইরোলোজি বিভাগে স্থাপিত করোনা ভাইরাস পরীক্ষার বিশেষায়িত পলিমার্স চেইন রিঅ্যাকশান (পিসিআর) ল্যাবে কোভিড-১৯ পরীক্ষা শুরু হয়। প্রথম দিন ৯৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হলে সবকটি পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ আসে।
দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার ২৪ জনের করোনা সনাক্ত পরীক্ষার রিপোর্টও নেগেটিভ আসে। তৃতীয়দিন আজ শুক্রবার ৪৮ জনের পরীক্ষা করা হলে তাদেরও রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।
এদিকে গত রোববার সিলেটে প্রথম এক চিকিৎসকের শরীরে কোভিড-১৯ ধরা পড়ার পর ঐ চিকিৎসকের আশপাশে থাকা ১৬ জনের করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করা হয়। তাদের শরীরে করোনা ধরা পড়েনি। তাদের সবার করোনা টেস্ট রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। এই ১৬ জনের মধ্যে চিকিৎসকের পরিবারের সদস্য, গাড়ী চালক, চেম্বারে কাজে নিয়োজিত লোক ও একটি হাসপাতালে কর্মরত ব্যক্তি রয়েছেন।
এ বিষয়ে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ পরিচালক হিমাংশু লাল রায় জানান, ওসমানী হাসপাতালের ল্যাব অত্যন্ত উন্নত মানের এবং দক্ষ লোকজন এই পরীক্ষা কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। পরীক্ষার রেজাল্ট নিয়ে কারো মনে কোনো সন্দেহ আসার অবকাশ নাই।
