
দেশে বর্তমান পরিস্থিতিতে যে ভয়াবহ নামটি সবার পরিচিত সেটি হল করোনা(কোভিড-১৯) ভাইরাস যার থাবায় বাদ পড়েনি বাংলাদেশের মানুষও। ইতিমধ্যে দেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় ছড়িয়ে পড়ছে ভয়াবহ এ ভাইরাসটি। এই ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে ইতিমধ্যে বের হয়নি কোন প্রতিশোধকও। তাই বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা , সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, বাড়ির বাইরে বের না হওয়া এই ভাইরাস থেকে বাঁচার উপায় হতে পারে বলে তারা ধারণা করছেন।
তাই সরকার দেশে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে ঝুঁকিপূর্ণ কিছু স্থানে পুরো শহর ও এলাকা লকডাউন ঘোষণা করেছে। দিন দিন বেড়েই চলেছে এই ভাইরাসের সংক্রমণ। এরই প্রেক্ষিতে পুরো দেশে চলছে অঘোষিত লকডাউন। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রদের দাম প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পেয়েই যাচ্ছে। পড়তে হচ্ছে খাদ্যসংকটে। তাই করোনার এমন পরিস্থিতিতে কীভাবে সংসারে ব্যয় বহন করছেন মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম। আমরা নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করছি। কখনো কি ভেবে দেখেছেন নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন ইমাম,মুয়াজ্জিন ও খাদেম। আমরা সবাই জানি একজন ইমাম,মুয়াজ্জিন ও খাদেমের বেতন কত? এদের বুক ফাটে কি মুখ ফুটে না। আমাদের সমাজে অনেক নিম্নবিত্ত আছে যারা অন্যের কাছে সাহায্য চাইতে পারে। কিন্তু ইমাম মুয়াজ্জিনরা কারও কাছে সাহায্য চাইতে পারেনা না। সরকারি কিংবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত চাকরিজীবীদের প্রতি বছর বেতন বৃদ্ধি পায়। কিন্ত এদের বেতন যা আছে তাই থেকে যায়। এদের ও সংসার, পরিবার পরিজন আছে।
আসুন ইমাম মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের প্রতি আমরা একটু সুদৃষ্টি দেই। জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে এদের পাশে দাঁড়াই।
ইতিমধ্যে আমার সাথে অনেকেই যোগাযোগ করেছেন কিন্তু ইচ্ছা থাকা সত্বেও যে আমার সাধ্য নেই। মনের গহীনে জমানো কস্ট নিয়ে চলছি প্রতিনিয়ত। জানিনা তাদের’কে একটু হলেও সহযোগীতা করতে পারবো কি না।
আসুন নিজ নিজ এলাকার সম্মানিত ইমাম মুয়াজ্জিন ও খাদেম’দের পাশে দাঁড়াই।
লেখকঃ তাহমিদ ইশাদ রিপন
সভাপতিঃ যুবশক্তি সমাজ কল্যাণ পরিষদ, বড়লেখা।
