
ছবিতে যাকে দেখতেছেন তিনি আমার ভাই,আমার অভিভাবক। উনাকে নিয়ে নতুন করে কিছু লেখার বা বলার নাই।কারন উনি কে? উনি কি করেন? এগুলা সবার জানা।তাহলে কেন লিখছি.??কারন কিছু কথা না লিখলে হবেই না,তৃপ্তি পাচ্ছিনা এজন্যই লিখছি…।
করোনা ভাইরাস আসার পর থেকে সবসময় যোগাযোগ হয়।আমার যে কোন কাজে পরামর্শের প্রয়োজন হলে সবার আগে যাকে বলি তিনি নজরুল ভাই।প্রতিদিন আমাদের কমপক্ষে ২,৩ বার কথা হয়।কখনো ব্যস্ততার কারনে দিনে কথা না হলে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে কথা হয়(বলতে পারেন এটা আমাদের দৈনন্দিন রোটিন)। ভাবতে পারেন এত কথা কিসের??
যা কথা হয়- সারাদিন আমি কি কাজ করলাম,কোন উদ্দ্যোগ নিলাম,কতটুকু কাজ করতে পারলাম সব নজরুল ইসলাম ভাইকে শেয়ার করি আবার তিনি কি কি করেছেন সব আমাকে শেয়ার করেন।উনার কথাগুলা আর কাজগুলা আমাকে অনুপ্রাণিত করে।কারন এত নিখুঁত এবং সুন্দর কাজগুলা।আলহামদুলিল্লাহ।
উনি কি কি করেছেন সেটা উনার কাছের মানুষগুলো ছাড়া কেউ বলতে পারবে না,অনুমানও করতে পারবেনা।আমিও কিছুটা কাছের,যেহেতু ভাই সেই সুবাদে অনেক কিছুই জানি।প্রতিটি কাজ আমাকে অনেক শিক্ষা দেয়,আমার কাজকে স্পিড-আপ করতে অনেক বেশি সহযোগিতা করে।
আমি আপনাকে গরীবের নিক্সন চৌধুরী বলবো না,অন্যদের মত মানবতার সৈনিক কিংবা ফেরিওয়ালাও বলবো না।তবে আপনি একজন প্রকৃত সমাজসেবক তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নাই।তাই আমি আপনাকে বলব একজন প্রকৃত সমাজসেবক।
একটা অনুরোধ অভিভাবক হিসাবে এভাবে পাশে থাইকেন।কারন আপনাদের দেখানো পথেই আমরা ছুটছি! এই পথটা বড় পিচ্ছিল তাই মজবুত করে আপনারা না ধরলে এগিয়ে যাওয়া অনেক কঠিন।আপনাকে নিয়ে লিখলে লেখে শেষ হবেনা আরও বহু কিছু লেখার আছে।থাক আজ এই পর্যন্ত।দোয়া আর ভালোবাসা রইলো।
লিখছেনঃজুয়েল আমীন, ফ্রান্স প্রবাসী
