
উদ্ধার হওয়া প্রত্যেকেই উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবির থেকে সাগরপথে মালয়েশিয়া যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুরের হলবনিয়াপাড়া ঘাট থেকে চার শতাধিক রোহিঙ্গাকে বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।
উদ্ধার হওয়া প্রত্যেকেই উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবির থেকে সাগরপথে মালয়েশিয়া যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। পরে মালয়েশিয়া যেতে না পেরে এই এলাকার জাহাজ ঘাটে ভেড়ে। খবর পেয়ে কোস্টগার্ড তাদের উদ্ধার করে।
টেকনাফ স্টেশন কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তা লে.কমান্ডার এম সোহেল রানা বলেন, রোহিঙ্গা ভর্তি একটি বড় জাহাজ টেকনাফ জাহাজপুরা ঘাট দিয়ে ওঠার সময় রাত ৯টার দিকে চার শতাধিকের মত রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করা হয়েছে। তারা বেশ কিছুদিন আগে সাগরপথে মালয়েশিয়া যাত্রা করেছিল। কিন্তু সেখানে ভিড়তে না পেরে আবার চলে আসেন। তবে সংখ্যাটা কম-বেশি হতে পারে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসাম বলেন, চার শতাধিক রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করা হয়েছে। তারা মালয়েশিয়া যেতে না পেরে ফের ফেরত আসেন। তবে উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে বেশিরভাগ নারী ও শিশু।
উদ্ধার হওয়া মো. জোবাইর নামে এক রোহিঙ্গা বলেন, “দুইমাস আগে ৪৮২ রোহিঙ্গা নিয়ে একটি ট্রলার সাগরপথে মালয়েশিয়া রওনা করে। সেদেশে কড়াকড়ির কারণে ঢুকতে না পেরে এখানে ফিরে আসি। সাগরে এতদিন ভাসমান ছিলাম। ট্রলারে ২৮জন মারা গেছে। এদের অধিকাংশই টেকনাফ ও উখিয়া রোহিঙ্গা শিবিরের বাসিন্দা। সুত্রঃ ঢাকা ট্রিবিউন
