
সাভার (ঢাকা): ফায়ার এলার্ম বাজিয়ে বাসায় ঢুকে করোনা রোগী অাখ্যা দিয়ে স্বেচ্ছাসেবী পরিচয় দিয়ে সাভারের পৌর এলাকার আব্দুর রহমান (৩৬) নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে সরেজমিনে সাভারে বাড্ডা ছায়াবিথী মহল্লায় গেলে এ তথ্য জানান ভুক্তভোগী আব্দুর রহিম।
এর আগে, মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে এ লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এসময় দুর্বৃত্তরা ওই ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে নগদ ৮০ হাজার টাকা লুট করাসহ বাড়ির আসবাবপত্র ভাঙচুর করে।
ভুক্তভোগী আব্দুর রহমান সাভারের পৌর এলাকা বাড্ডা ছায়াবিথী মহল্লার মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল হোসেনের ছেলে। এছাড়াও ২০১৩ সালে সাভারের রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির সময় স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি।
ভুক্তভোগী আব্দুর রহমান বাংলানিউজকে জানান, মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে স্বেচ্ছাসেবক পরিচয়ে ১৫-২০ জনের একটি দল তার বাড়িতে ফায়ার এলার্ম বাজিয়ে প্রবেশ করে। এসময় তাদের মুখে মুখোশ, হাতে একটি হ্যান্ডমাইক ও লাঠিসোটা ছিলো। পরে তারা ভুক্তভোগীকে করোনা রোগী আখ্যা দিয়ে তার কাছে নগদ ২ লাখ টাকা দাবি করে। এসময় ভুক্তভোগী তাদের টাকা দিতে অস্বীকার করলে দুর্বৃত্তরা তাকে মারধর শুরু করে ও ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। একপর্যায়ে তারা ঘরে থাকা নগদ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে দ্রুত একটি নীল রংয়ের ছোট পিকআপ ভ্যানে করে পালিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বলেন, এত তাড়াতাড়ি ঘটনা ঘটে গেলো যে কিছু বুঝে ওঠার আগেই দুর্বৃত্তরা লুটপাট করে পালিয়ে যায়। কেননা করোনা প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকেই এলাকায় বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবক দল হাতে লাঠিসোটা নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। কিন্তু দিন-দুপুরে স্বেচ্ছাসেবক সেজে এভাবে বাড়িতে এসে কেউ লুটপাট করতে পারে তা ভাবতেও পারিনি।
এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম সায়েদ বাংলানিউজকে বলেন, আমি এ বিষয়টি আপনাদের থেকেই জেনেছি। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ভুক্তভোগীকে এ বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করার কথা বলা হয়েছে।
সুত্রঃ বাংলা নিউজ
