
বড়লেখা প্রতিনিধি : মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ফুটবল খেলতে নিয়ে গিয়ে এক কলেজ ছাত্রকে মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ০৩ এপ্রিল উপজেলার তালিমপুর ইউপির খুটাউরা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আহত সাদিদুর রহমান (২০) এখনও সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি উপজেলার তালিমপুর ইউপির খুটাউরা গ্রামে খকাই মিয়ার ছেলে এবং সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
এই ঘটনায় গত ০৬ এপ্রিল আহত ওই কলেজ ছাত্রের ভাই ছফির উদ্দিন ইউপি সদস্য বেলাল মিয়ার ছেলে হামলাকারী উজ্জল মিয়াকে (২০) প্রধান আসামি করে চারজনের নামোল্লেখ করে থানায় মামলা করেছেন। কিন্তু মামলার সাতদিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ এখন কোনো আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এতে হতাশ ওই কলেজ ছাত্রের পরিবার।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন বিকেলে সাদিদুর রহমান খুটাউরা বাজারে যায়। এসময় তাঁর সহাপাঠি উজ্জল মিয়া সাদিদুরকে রাস্তায় পেয়ে জোরপূর্বক ফুটবল খেলতে নিয়ে যায়। করোনা পরিস্থিতির কারণে তখন সাদিদুর খেলতে রাজি হননি। এনিয়ে দুজনের মধ্যে কথাকাটি হয়। একপর্যায়ে তারা দুজন মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। এসময় সেখানে থাকা লোকজন তাদের সরিয়ে দেন। এ ঘটনার কিছুক্ষণ পর উজ্জল মিয়াসহ আরও কয়েকজন যুবক দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে এসে উজ্জলের ওপর আবার হামলা চালায়। এসময় তারা সাদিদুর রহমাকে ব্যাপক মারধর করেন। পরে স্থানীয়ার হামলাকারীদের ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে যায়। আহত অবস্থায় সাদিদুরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এই ঘটনায় গত ০৬ এপ্রিল আহত ওই কলেজ ছাত্রের ভাই ছফির উদ্দিন থানায় একটি মামলা করেছেন। এদিকে মামলার সাতদিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ মামলার কোনো আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
সাদিদুরের বড়ভাই নাজিম উদ্দিন বুধবার রাতে জানান, আমার ভাইয়ের কোনো দোষ ছিল না। তাকে খেলতে নিয়ে গিয়ে কৌশলে মেম্বারের (বেলাল মিয়ার) ছেলে উজ্জল মারধর করেছে। তার এক হাতে দায়ের কুপে ক্ষত হয়ে গেছে। সে এখনও হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। ব্যাথায় কাতরাচ্ছে। আমরা থানায় মামলা করেছি। পুলিশ এখনও কোনো আসামিকে ধরেনি। আসামিরা প্রভাবশালী। তারা উল্টো আমাদের হুমকি-ধমকি দিচ্ছি। আমরা এই ঘট
